মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   সম্পাদকীয়
  প্রতিদিন ১৫ জন নিহত দুর্ঘটনায়
  4, March, 2018, 4:06:54:PM

দেশে আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলেছে সড়ক দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। প্রতিদিনই দেশের কোনো না কোনো অঞ্চলে সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষ মারা যাচ্ছে। কিন্তু ভয়াবহ এ দুর্ঘটনাগুলো কেন হচ্ছে, কারা এজন্য দায়ী, তা শনাক্ত করে দায়ীদের শাস্ত্মি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সংশিস্নষ্ট কর্তৃপক্ষের মনোযোগ ও তৎপরতা চোখে পড়ছে না। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করার কারণেই এর পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। যথাযথ পদক্ষেপ না নেয়ার কারণেই এ দেশের মানুষ আপনজন হারিয়ে চোখের পানি ঝরাচ্ছে আর নিঃস্ব হচ্ছে অসংখ্য পরিবার। অথচ কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কার্যকর উদ্যোগ নিলে দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব। এক প্রতিবেদনে প্রকাশ, কেবল ফেব্রম্নয়ারিতেই সড়ক দুর্ঘটনায় দৈনিক গড়ে ১৫ জন নিহত এবং ৩৬ জন আহত হয়েছেন। এক মাসে প্রতিদিন দুর্ঘটনা ঘটেছে গড়ে ১৩টি। এ ছাড়া ফেব্রম্নয়ারিতে রেল দুর্ঘটনায় ২২ জন ও নৌ দুর্ঘটনায় সাতজনের প্রাণহানি ঘটেছে। বেসরকারি সংগঠন নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির (এনসিপিএসআরআর) নিয়মিত মাসিক জরিপ ও পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংগঠনটি তাদের প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ২২টি বাংলা ও ইংরেজি জাতীয় দৈনিক, ১০টি আঞ্চলিক সংবাদপত্র এবং আটটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সংবাদ সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে এই পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়েছে। এই চিত্র কোনোভাবেই সুখকর নয়। দুর্ঘটনাগুলোর অধিকাংশই ঘটেছে বাস ও ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের ভারী যানবাহনের চালকদের অসতর্কতা ও খামখেয়ালিপনার কারণে। এ ক্ষেত্রে সংশিস্নষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোর যথাযথ নজরদারির অভাব রয়েছে। এ ছাড়া সড়ক ও মহাসড়কে ক্ষুদ্র যানবাহনের সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি, সকল টার্মিনালসহ বিভিন্ন পর্যায়ে চাঁদাবাজি ও শ্রমিক অসন্ত্মোষসহ সড়ক পরিবহন খাতে বিরাজমান বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিও দুর্ঘটনা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। অন্যদিকে মানুষ মোবাইলফোনে কথা বলতে বলতে ঝুঁকি নিয়ে রাস্ত্মা পারাপার হচ্ছে। মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে রাস্ত্মা পার হওয়ার সময় ট্রেনে কাঁটা পড়ে বা বাসের চাকায় পিষ্ট হওয়ার ঘটনা দেশে অনেক রয়েছে। এগুলো অসচেতন মানুষের কাজ। এটা এক ধরনের আত্মহত্যার চেষ্টার শামিল। সম্প্রতি এমন ঝুঁকিপূর্ণ দৃশ্য বেড়েই চলছে।
বাংলাদেশে এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় সাড়ে আট হাজার জন নিহত হন বলে পরিসংখ্যান প্রকাশ করে যাত্রীকল্যাণ সমিতি নামের একটি সংগঠন। তবে সড়ক দুর্ঘটনার জন্য চালকদের অদক্ষতাকে দায়ী করেছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা। একই মত সংশিস্নষ্ট মন্ত্রণালয়েরও।
আমাদের প্রশ্ন হচ্ছে, দুর্ঘটনা আর অপমৃত্যুর দেশে কেন পরিণত হবে আমাদের এ দেশটি। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কেবল প্রশিক্ষণই নয়, চালকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার দিকে নজর দিতে হবে। সড়কপথে যেমন মৃত্যুর ঘটনা বাড়ছে তেমনি বাড়ছে নৌরম্নটেও। সড়ক ও রেল দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার কমাতে হলে দোষীদের তাৎক্ষণিক শাস্ত্মি নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণকেও সড়কপথে ভ্রমণ ও রাস্ত্মা পারাপারের ক্ষেত্রে আরও সচেতন হতে হবে। বন্ধ করতে হবে রাস্ত্মা পারাপার হওয়ার সময় মোবাইল ফোন বা হেডফোন লাগিয়ে কথা বলা। জনগণ সচেতন হলে দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমে যাবে। পাশাপাশি দক্ষ ও শিক্ষিত চালকের সংখ্যা বাড়াতে হবে। তার আগে নতুন আইন প্রয়োজন। পরিকল্পিত ও সফল উদ্যোগই কেবল পারে এমন মর্মান্ত্মিক মৃত্যু রোধ করতে।



সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 35        
   শেয়ার করুন
Share Button
   আপনার মতামত দিন
     সম্পাদকীয়
ডিবি পরিচয়ে তুলে নেওয়া
.............................................................................................
প্রতিদিন ১৫ জন নিহত দুর্ঘটনায়
.............................................................................................
খুন-খারাবি চলছেই
.............................................................................................
রোহিঙ্গা নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে
.............................................................................................
সক্রিয় সংঘবদ্ধ প্রতারকচক্র
.............................................................................................
ঢাকার খুচরা দোকানিরা বেপরোয়া
.............................................................................................
চাল নিয়ে কারসাজি
.............................................................................................
প্রতারণা সৌদি আরবেও
.............................................................................................
বেড়েছে চাল আমদানি, উৎপাদন বাড়াতে হবে
.............................................................................................
শ্রমঘন শিল্পের দিকে বেশি মনোযোগ দিন
.............................................................................................
গরুচোর সন্দেহে চারজনকে পিটিয়ে হত্যা
.............................................................................................
ইয়াবার বিস্তার রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিন
.............................................................................................
দক্ষ কর্মীর অভাব
.............................................................................................
শিশু ধর্ষণ ও হত্যা: নজিরবিহীন বর্বরতা
.............................................................................................
অবাধ লুটপাট বিমানে
.............................................................................................
অস্থিরতা বিদেশি শ্রমবাজারে
.............................................................................................
বেড়েই চলেছে ধর্ষণ গণধর্ষণ: সম্মিলিত পদক্ষেপ জরুরি
.............................................................................................
আবারও বাড়ল গ্যাসের দাম
.............................................................................................
অস্থির চালের বাজার
.............................................................................................
নিঝুম দ্বীপে নৈরাজ্য
.............................................................................................
অর্থ প্রেরণ-বিতরণ সহজ হোক
.............................................................................................
সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন
.............................................................................................
এমপি লিটন হত্যা গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ওপর বড় আঘাত
.............................................................................................
দুর্নীতি কর আহরণে
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft