সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   উপসম্পাদকীয়
  ডিসেম্বরের ভাবনা
  জামায়াতীদের নাগরিক মর্যাদা
  9, December, 2018, 12:06:37:PM

বিগত কুড়ি-শতক কালপর্ব মানব সভ্যতার অভাবনীয় অগ্রগতিতে যেমন আলোকিত, তেমনি সভ্যতার চরম অধোগতির কালিমালিপ্ত ঘটনাতেও আকীর্ণ সে ইতিহাস। বিগত শতকে বিশ্ববাসী মানবতার চরম অবমাননা প্রত্যক্ষ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে, যখন হিটলারের নাৎসী জার্মানী জাতিগত ইহুদী-নিধন অভিযান সুসংগঠিত-বিস্তৃত আকার দেয়। হিটলারের কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের গ্যাস চেম্বারে লাখ লাখ মানুষ হত্যার ঘটনা যুদ্ধ চলাকালে কেউ ধারণাও করতে পারেননি। একেবারে চুড়ান্ত লগ্নে সোভিয়েত লাল ফৌজ এবং মার্কিন বাহিনী জার্মান ভূখন্ডে প্রবেশ করলে আবিস্কৃত হয় গ্যাস চেম্বাররুপী রক্তহীম করা জল্লাদখানা।
যুদ্ধ-সংঘাতের অনুসঙ্গ যুদ্ধাপরাধ বিচারের জন্য যে আলদা দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন সে শিক্ষা মানবজাতি প্রথম উপলব্ধি করে দ্বিতীয় মহাসমরের নির্মমতা প্রত্যক্ষ করার পর। বিশ্বযুদ্ধের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে অতঃপর বিশ্বসমাজ প্রতিষ্ঠা করে জাতিসংঘ এবং ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের সার্বজনীন মানবাধিকার সনদের পাশাপাশি গণহত্যা প্রতিরোধে গৃহীত হয় জেনোসাইড কনভেনশন।
দুর্ভাগ্যজনকভাবে, জেনোসাইড কনভেনশন প্রণীত হলেও বিশ্ব পরাশক্তিগুলোর অনৈতিক খেলায় নিপীড়িত মানবতার পক্ষে দাঁড়ানোর কোন লক্ষ্যণীয় আন্তর্জাতিক উদ্যোগ আর দেখা যায়নি। যুদ্ধাপরাধের প্রতিবিধান বা বিচার সম্পর্কে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিরাজমান এ বন্ধ্যা সময়টিতে বাংলাদেশসহ আর্জেন্টিনা, চিলি, ইন্দোচীনের কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, আফ্রিকার রুয়ান্ডা, বলকান অঞ্চলের বসনিয়া-হার্জেগোভিনা এবং ক্রোয়েশিয়ায় সংঘটিত হয় লোমহর্ষক গণহত্যা এবং জাতিগত নিশ্চিহ্নকরণ অভিযান।
সে যাই হোক, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর যুদ্ধক্লান্ত দেশগুলোতে যুদ্ধাপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তিদের বিচারের পাশাপাশি তাদের পরবর্তী বংশধারা সম্পর্কে নেয়া হয় বিশেষ উদ্যোগ। জার্মানীতে নাজিবাহিনীর নৃশংসতা অনুধাবনের সুযোগ দেয়া হয় অপরাধীচক্রের পরবর্তী বংশধরদের। তাদের দেখানো হয় যুদ্ধাপরাধের সাইটগুলো এবং মোটিভেশনের মাধ্যমে ঘৃণা করতে উদ্বুদ্ধ করা হয় পূর্বপুরুষের কৃতকর্ম। নাজীবাদের রাজনীতি চিরতরে নিষিদ্ধ, নাগরিক অধিকার সীমিতকরণসহ সামাজিক নানা বিধিনিষেধের আওতায় রাখা হয় তাদের। বিশ্বযুদ্ধের শিকার অপরাপর দেশগুলোতেও গৃহীত হয় অনুরূপ ব্যবস্থা।   
ইন্দোচীনে মার্কিন হামলার শিকার ভিয়েতনাম আগ্রাসন-মুক্তির পর দখলদার মার্কিন বাহিনীর সহযোগী দেশীয় অপরাধীদের বিরুদ্ধে গ্রহণ করে আরও কঠোর ব্যবস্থা। সেখানে অপরাধী পরিবারগুলোর সদস্যদের নাগরিক মর্যাদা অবদমন, ভোটাধিকার হরণ এবং সরকারী কর্মক্ষেত্রে তাদের নিষিদ্ধ করা হয়। একজন ভিয়েতনামীর পাশে এদের অবস্থান হয় স্রেফ ভারবাহী পশুর মত। এরা ভিয়েতনামে নানা অবরোধের শিকার হয়েই আছে। জাতির মূলধারায় ফিরতে চাইলে অনেক বাধাবিপত্তি অতিক্রম করেও তা সম্ভব করা অত্যন্ত কঠিন।

বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পর অস্ত্র হাতে মুক্তিযোদ্ধারা রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি স্বাধীনতা বিরোধীদের ‘ফাইনাল স্যলিউশন’ টানতে বঙ্গবন্ধুর ফেরার অপেক্ষায় থাকেন। ১০ জানুয়ারী দেশে ফিরে পরিস্থিতি আঁচ করেন বঙ্গবন্ধু। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের নিরস্ত্র করার উদ্যোগ নেন এবং আরেকটি নিশ্চিত ‘ব্লাডশেড’ পরিহার করেন। বাহাত্তরের ২৪ জানুয়ারী সরকার ‘বাংলাদেশ দালাল (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) অধ্যাদেশ-১৯৭২’ ঘোষণা এবং মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এদেশীয় সহযোগীদের বিচারের জন্য গঠন  করে ৭৩টি ট্রাইব্যুনাল। ‘৭৩ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত দালাল অধ্যাদেশে অভিযুক্ত হয় ৩৭,৪৭১ ব্যক্তি, অভিযোগ নিষ্পত্তি হয় ২,৮৪৮টি এবং মাত্র ৭৫২ অভিযুক্তকে দেয়া হয় দণ্ডাদেশ। একই বছরের ৩০ নভেম্বর দালালদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘বাঙালীরা জানে, কিভাবে ক্ষমা করতে হয়’।

পঁচাত্তরের পনের আগষ্ট বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ড-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতি জামায়াত-বান্ধব বললে অত্যুক্তি হবে না। এ সময়টিতে কুখ্যাত স্বাধীনতা-বিরোধীদের উত্থান ঘটে সর্বত্র। অনুকূল পরিস্থিতির পূর্ণসুযোগ নিয়ে জামায়াত সংগঠন গোছাতে লেগে পড়ে । শিক্ষাঙ্গণে আগমন ঘটে চরম প্রতিক্রিয়াশীল ছাত্রশিবিরের। একইসাথে আর্থিক প্রতিষ্ঠান গড়তে উদ্যোগী হয় জামায়াত। বলাবাহুল্য, এ সবকিছুতে তারা সফল হয় দারুণভাবে।
পঁচাত্তর পরবর্তী চৌত্রিশ বছর দেশের রাজনীতিতে জামায়াত সদম্ভেই ছড়ি ঘুরিয়েছে। ২০০৯ সালের পর তারা প্রথমবারের মত কঠিন বাধার সম্মুখিন হয়- মানবতাবিরোধী  অপরাধ বিচারের জন্য গড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত কাজ শুরু করলে। এর আগে রাজনীতিতে জাপা, বিএনপি এমন কি মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগকেও ঘোলা পানি খাইয়েছে এই জামায়াত। ফাঁদে ফেলে আওয়ামী লীগকে রাজাকার-আলবদর শব্দ উচ্চারণই করতে দেয়নি ‘৯৬ সালে বেশ কিছুদিন। বিএনপিকে বাধ্য করেছে নিজস্ব রাজনীতি ভূলে চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীর গাড়ীতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা তুলে দিতে। সেই সাথে স্বাধীনতাপ্রিয় বাংলাদেশের মানুষের মনে সর্বদা ভীতিকর অস্তিত্ব নিয়ে বিরাজ করেছে জামায়াতে ইসলামী।
জামায়াতের এই বিধংসী রাজনীতি বাংলাদেশের সমাজ-সংস্কৃতিতে কি মাত্রায় ক্ষতিকর প্রভাব ছড়িয়েছে তা ভালভাবে খতিয়ে দেখা দরকার। আরও দরকার, রাজনৈতিক সম্প্রীতি কলুষিত করার মধ্য দিয়ে একাত্তরে পরাজিত জামায়াতের শবাধারে বিজয় কেতন উড়ানো বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় বাধা সৃষ্টির সুদূরপ্রসারী জামায়াতী অশুভ প্রয়াস নিয়ে কার্যকর গবেষণা।  ভাল হয়, কাজটি যদি জামায়াতের হটকারী রাজনীতির খপ্পরে নাজেহাল ভূক্তভোগী রাজনীকিরা করেন।
বাস্তবতা হলো, শান্তির ধর্ম ইসলামকে ‘রাজনৈতিক ইসলাম’ প্র্যাকটিস করায় মহান আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীনের অসন্তুষ্টিতে পড়া স্বাধীনতা-বিরোধী  জামায়াতী তরিকায় আসক্তদের ‘মানুষ’ হওয়াটা করুণাময় আল্লাহর ইচ্ছাধীন। তবে ‘মান এবং হুঁশ’ নিয়ে যে মানবসত্ত্বা, তাতে ঘাটতিজনিত কারণে আজন্ম হটকারী জামায়াত সমর্থনকারীরা বুঝতে অক্ষম যে, পবিত্র কুর’আন শরীফের বয়ান শুনিয়ে আসলে তাদের কোন্ গাড্ডায় টেনে নামানো হয়েছে। এ হলো মানবজাতির চিরশত্রু ইহুদী জায়নবাদের ‘আমরাই শ্রেষ্ঠ জাতি’ তত্ত্বের ভয়ানক বর্ণবাদী নিজস্ব আবিষ্কার, যা কাজে লাগিয়ে জায়নবাদের মুরুব্বীরা শতশত বছর তাদের কর্মীদের মনে ভিন্ন জাতিগোষ্ঠির বিরুদ্ধে অবিরাম জিঘাংসা জিইয়ে  রাখতে সক্ষম হয়েছে।
সৌভাগ্যবশত, ন্যায় বিচারক সুমহান আল্লাহর ইচ্ছায় সুদীর্ঘ সাতচল্লিশ বছর পর হলেও জুলুমবাজ জামায়াতীরা স্বীয় হটকারীতার উপযুক্ত প্রতিবিধান ন্যায্যতার ভিত্তিতেই পেয়েছে, এখনও পাচ্ছে এবং আগামীতেও পাবে- ইনশাআল্লাহ।

সংগঠন হিসেবে জামায়াতে ইসলামী গড়ে তোলার অভিপ্রায় সম্পর্কে বলা হয় যে, সময়ের পথ পরিক্রমায় ইসলাম ধর্মে পুঞ্জিভূত আনাচার বিদূরণে ‘সামাজিক আন্দোলন’ পরিচালনার মহৎ উদ্দেশ্যে এর যাত্রা শুরু হয়েছিল। কিন্তু চাক্ষুস সত্য যে, জামায়াতপন্থীরা অচিরেই লক্ষ্যচ্যুৎ হলে সংগঠনটি ক্রমাগত সামাজিক বিশৃঙ্খলা এবং চরম হটকারীতার ধারক হিসেবে পরিচিতি অর্জন করে। জামায়াতের জন্মস্থান পাকিস্তান ভূখন্ডেই রয়েছে এর নানা প্রমাণ।

জামায়াতের মানবতা বিরোধী বিজাতীয় তরিকা সরলপ্রাণ গণমানুষের প্রতি অতিশয় জিঘাংসা-প্রবণ। ‘৭১ সালে নিরপরাধ সাধারণ মানুষের সহায় সম্পদ ইসলামী পরিভাষায় ‘মালে গণিমত’ সাব্যস্ত করে তদনুযায়ী নিষ্ঠুরতার চুড়ান্ত কর্মব্যবস্থা কার্যকর করেছিল জামায়াতের নেতা-সমর্থকরা। বাংলাদেশে পাইকারী গণহত্যা, বাছবিচারহীন নারী ধর্ষণ, জোরপূর্বক দেশান্তর, হেট ক্যাম্পেইন, সম্পদ বিনাশের মত ঘৃণ্য অমানবিক পদক্ষেপে তারা কেবল সহায়তাই করেনি, পবিত্র ইসলাম ধর্মের অপব্যাখ্যা করে তাতে নিজেরাও অংশ নিয়েছিল সমান আন্তরিকতায়। এর মধ্য দিয়ে জামায়াত তাদের ধারাবাহিক হঠকারীতার চুড়ান্ত প্রমান রাখে। অর্থাৎ ইসলাম পরিশুদ্ধির এজেন্ডা ছেড়ে শুরুতেই জামায়াত যে বিধংসী রাজনীতি চর্চায় মনোযোগী হয়েছিল তা অব্যহত রেখেছে আগাগোড়া, কেবল ঢাল হিসেবে ধর্ম ইসলাম ঝুলিয়ে রেখেছে সামনে।

একই সাথে জামায়াত সমর্থকরা আল্লাহ‘র মেহেরবানীর পরোয়া না করে দুনিয়ায় সদম্ভে কায়েম করার চেষ্টা করেছে নিজেদের ‘হেকমত’। জামায়াতীদের এই হেকমতি তৎপরতা ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশে মানুষ এবং ভূখন্ডের বিপুল ক্ষয়ক্ষতির কারণ ঘটানো ছাড়া কখনো কল্যাণ সাধনে সক্ষম হয়নি। আর সে কারণে ন্যায়-পরায়ণ আল্লাহ তাদের মতলবী হেকমত পছন্দ করেননি এবং অপমান-লাঞ্ছনা-পরাজয় অবিরত তাড়া করে ফিরছে জামায়াতীদের। সুতরাং পরম করুণাময়ের ইচ্ছার প্রতি অনুগত থেকে জামাযাতীদের ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করাটাই হচ্ছে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসীদের কর্তব্য।

আমাদের অভিজ্ঞতায় স্বাধীনতা বিরোধী বিকৃত চিন্তা-চেতনার ধর্মাশ্রয়ী রাজনৈতিক সংগঠন জামায়াতের বর্তমান অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে সময়োপযোগী করণীয় নির্ধারণ অত্যন্ত জরুরী। মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তি কড়া নাড়ছে আমাদের দুয়ারে। এখনও নিঃশেষিত হননি আমাদের জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের সক্রিয় বীর মুক্তিযোদ্ধারা এবং মুক্তিযুদ্ধ প্রত্যক্ষকারী সাহসী প্রজন্ম। সুতরাং পরাজয়ের গ্লানিজনিত কারণে স্বাধীনতা-বিদ্বেষী জামায়াতগোষ্ঠি সম্পর্কে অতীতে গৃহীত ঐতিহাসিক ভূল অথবা বিভ্রান্তি- যাই বলা হোক না কেন, দেশ-জাতির বৃহত্তর কল্যণে সংশোধন করাটা এখন সময়ের দাবী।
ইতোমধ্যে, নিজেদের দুষ্কর্মের কাফ্ফারা চুকাতে বাধ্য হয়েছে জামায়াতের শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীরা। দলীয় নিবন্ধন বাতিলের মধ্য দিয়ে বাধাগ্রস্ত হয়েছে জামায়াতের রাজনৈতিক সক্রিয়তার সুযোগ। এগুলো ইতিবাচক পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে। ফলে দাপট হারিয়ে জামায়াতে ইসলামী আপাতত রাজনৈতিক পরনির্ভরতা স্বীকারে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এটুকুই যথেষ্ট নয়। একটি অনিষ্টকর আদর্শ হিসেবে জামায়াতের সম্পূর্ণ বিলুপ্তি না ঘটলে কালক্রমে এ বিষবৃক্ষের ছায়াবিস্তারী ডালপালা নিষ্ক্রীয় বসে থাকবে না। যেমন হয়েছে অতীতে। কাজেই ভবিষ্যতে আর কেউ যেন জামায়াতের কাফেলায় আশ্রয় খোঁজার চিন্তাও না করে সেজন্য প্রথম দরকার এদের পরিপূর্ণ একটি তালিকা করা। দ্বিতীয়ত. এ তালিকা ধরে জামায়াতী আদর্শ অনুসরণকারীদের আইন করে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক ঘোষণা এবং তদনুযায়ী সরকারী গেজেট নোটিফিকেশন। এ মহতি কাজ সাফল্যের সাথে নিষ্পন্ন করতে গোটা জাতিকে হতে হবে এককণ্ঠ। বলাবাহুল্য, উদ্যোগ নিলে এর বাস্তবায়ন মোটেই অসম্ভব নয়।
এ ব্যবস্থায় দ্বিতীয় শ্রেণীর জামায়াতী নাগরিকদের ভোটাধিকার, সংগঠন করার অধিকার, সরকারী চাকুরী গ্রহনের অধিকার দেয়া যাবে না। সাধারণ কর্মক্ষেত্রে একজন বাংলাদেশী নাগরিকের বেতন যদি হয় এক শ’ টাকা, দ্বিতীয় শ্রেণীর এ নাগরিকের বেতন সেক্ষেত্রে হবে পঞ্চাশ টাকা। একইসাথে সামাজিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও আরোপ করতে হবে প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ এবং গ্রহণ করতে হবে কার্যকর মোটিভেশন কর্মসূচী। জামায়াতী তরিকা ছেড়ে  মূল ধারায় ফিরতে আগ্রহীদের বিষয়টিও বিবেচনা করতে হবে গুরুত্ব দিয়ে। এতে করে জামায়াতী তরিকার ধারে কাছে কেউ আর ঘেঁষতে চাইবে না এবং কালক্রমে স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতী গজব থেকে নিষ্কৃতি পাবে দেশবাসী। ৩০ লাখ শহীদের আত্মাহুতির বিনিময়ে অর্জিত সার্বভৌম বাংলাদেশ এবং এর অদম্য সৃষ্ঠিশীল ১৬ কোটি মানুষ অনিষ্টকর জামায়াতী ফেতনা আর দেখতে চায় না।

লেখক: বীর মুক্তিযোদ্ধা।

e-mail : chintagrasta@gmail.com





সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 151        
   শেয়ার করুন
Share Button
   আপনার মতামত দিন
     উপসম্পাদকীয়
জামায়াতীদের নাগরিক মর্যাদা
.............................................................................................
অার নয় যৌতুক
.............................................................................................
আমাদের গণতন্ত্রের অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যত
.............................................................................................
১৭ নভেম্বর মওলানা ভাসানীর মাজার, জনতার মিলন মেলা
.............................................................................................
পুলিশের ভালো-মন্দ এবং অতিবল
.............................................................................................
চালে চালবাজী: সংশ্লিষ্টদের চৈতন্যোদয় হোক
.............................................................................................
একাদশ সংসদ নির্বাচন, ভোটাধিকার এবং নির্বাচন কমিশন
.............................................................................................
নির্বাচনে সেনা মোতায়েন প্রত্যাশা এবং সিইসির দৃশ্যপট
.............................................................................................
৩ মাসের মধ্যে ধর্ষকের ফাঁসি এবং বিজয় বাংলাদেশ
.............................................................................................
শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও বাংলাদেশ
.............................................................................................
মানবিক মূল্যবোধ বিনষ্ট হলে মানুষ পশু সমতুল্য হয়ে পড়ে
.............................................................................................
ফিরে ফিরে আসে ১৫ আগস্ট : কিন্তুু যা শেখার ছিল তা শেখা হলো না
.............................................................................................
ক্ষুদ্রঋণ সহায়তার নামে সুদখোরদের অত্যাচার কবে বন্ধ হবে
.............................................................................................
খেলাপি ঋণের অভিশাপ মুক্ত হোক ব্যাংক খাত
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও ১৫ আগষ্ট
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের সূচনাপর্বই ছিল ঘটনাবহুল
.............................................................................................
জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে আত্মসন্তুষ্টির অবকাশ নেই
.............................................................................................
সার্টিফিকেট নির্ভর নয়, মানসম্পন্ন শিক্ষা জরুরি
.............................................................................................
বাজেট তুমি কার
.............................................................................................
শিক্ষাক্ষেত্রে মায়ের ভূমিকা
.............................................................................................
জাতীয় সংসদ নির্বাচন: দেশী ও বিদেশীদের ভাবনা
.............................................................................................
দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধ হবে কি?
.............................................................................................
হুমকির মুখে গার্মেন্টস শিল্প, কমছে বৈদেশিক আয়
.............................................................................................
ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার গ্রামীণ জনগোষ্ঠির মাঝে আশার আলো
.............................................................................................
নিরপেক্ষ গণমাধ্যম জাতির প্রত্যাশা
.............................................................................................
নারীর উন্নয়নে দেশের উন্নয়ন
.............................................................................................
ভূমিকম্প মোকাবেলায় প্রয়োজন সচেতনতা
.............................................................................................
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো
.............................................................................................
ভূমিকম্পকে ভয় পেলে চলবে না
.............................................................................................
সিইসির বিদায় বেলায় জেলা পরিষদ ও নাসিক নির্বাচন
.............................................................................................
বিজয় দিবস বাঙালির শৌর্য-বীর্যের প্রতীক
.............................................................................................
পাকিস্তানের কূটনৈতিক পরাজয়
.............................................................................................
আইএস বিতর্কের অন্তরালে
.............................................................................................
তেলের মূল্য কমানোর সুফল কার পকেটে ?
.............................................................................................
চাই নিরক্ষরমুক্ত আত্মনিভর্রশীল ডিজিটাল বাংলাদেশ
.............................................................................................
পশ্চিমবঙ্গ: কালো তাড়াই কালো আসবে নতুন আলো...
.............................................................................................
মধ্যপ্রাচ্যে নারী নির্যাতন, আইয়্যামে জাহেলিয়ার দৃশ্যপট
.............................................................................................
বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা
.............................................................................................
গ্রাম নিয়ে যত কথা
.............................................................................................
পদ্মা সেতু থেকে বড়
.............................................................................................
ইউপি নির্বাচনের প্রতিচিত্র
.............................................................................................
ইউপি নির্বাচনের প্রতিচিত্র
.............................................................................................
মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্লিজ!
.............................................................................................
তনু হত্যার প্রসঙ্গ অপ্রসঙ্গ
.............................................................................................
সাগর কুলের নাইয়ারে - মাঝি কোথায় যাচ্ছ বাইয়া
.............................................................................................
বিশ্বময় এই অব্যাহত সন্ত্রাস কেন বন্ধ করা যাচ্ছে না?
.............................................................................................
বিশ্ব পানি দিবস
.............................................................................................
রেলের ভাড়া বাড়ে সেবা বাড়ে না
.............................................................................................
স্বাধীনতার মাস: স্বাধীনতার মূল্যবোধ
.............................................................................................
সংসদে প্রশ্নত্তোর পর্ব; চাকরির বয়স এবং আমাদের প্রত্যাশা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft