রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   জাতীয়
  মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অমুক্তিযোদ্ধা : সারাদেশে অসন্তোষ
  27, May, 2019, 9:02:36:PM

বিশেষ প্রতিনিধি : ‘একটি জরুরী ঘোষণা : সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ না করেও যে সকল ব্যক্তি বিভিন্ন কৌশলে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম লিখিয়েছেন, আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তাদেরকে স্ব স্ব উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে ক্ষমা প্রার্থনা করে আবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হলো। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ক্ষমা প্রার্থনার আবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হলে সরকার গণতদন্তের মাধ্যমে উক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির দায়ে স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি করাসহ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গৃহীত যাবতীয় সরকারী সুবিধা আদায় করবে। এ নির্দেশ পালনকারীদের ক্ষমা প্রদর্শনসহ গৃহীত সরকারী সুবিধাদি আদায় অথবা শাস্তি প্রদানের বিষয়টি নমনীয় ভাবে বিবেচনা করা হবে। উল্লেখ্য যে, নির্দিষ্ট সময়ের পর অমুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষমা প্রার্থনার আবেদন গ্রহণ করা হবে না।’

‘ধরা যাক- এমন একটি সরকারী গণবিজ্ঞপ্তি সত্যই প্রিন্ট, ইলেক্ট্রোনিক মিডিয়া এবং মাইকিং করে দেশব্যাপী প্রচার করা হলো। এর ফলাফল কি হতে পারে।  বাস্তব কারণেই আশা করা যায়, মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম লেখানো বিতর্কিত ব্যক্তিরা এতে হুড়মুড় করে ক্ষমা চাইতে ব্যস্ত হয়ে পড়বে। কারণ ওই ব্যক্তিরা খুব ভাল করেই জানেন, সত্যিকার মুক্তিযোদ্ধা একাত্তর সালেই চিনে রেখেছেন প্রতিটি ইউনিয়নবাসী। কাজেই ইউনিয়ন-ওয়ারী গণতদন্ত হলে তারা নিশ্চিত ধরা খাবে।’

‘দ্বিতীয়ত. মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় এ বিতর্কিত ব্যক্তিরা নাম লিখিয়েছে স্রেফ লাভের আশায়। একমাত্র স্বার্থ ছাড়া কোন আদর্শ নেই তাদের। সেটা থাকলে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় তারা নামই লিখাতেন না। সুতরাং লাভের এই ‘মালে গণিমত’ হজমের আশ্বাস পেলে এবং ধরা পড়লে শাস্তির ভয়ে এরা ক্ষমা চাইতে উদ্বুদ্ধ হবেন। পক্ষান্তরে, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার হারাবার কিছুই নেই, সে রুখে দাঁড়াবে মাথা উঁচু করে।  কথা হলো, মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় থাকা এ শয়তানগুলো তাড়াতে সরকার উদ্যোগ নেবেন কি-না সেটাই হচ্ছে গুরুতর প্রশ্ন।’

অনেকটা এভাবেই- একনাগাড়ে নিজের আঞ্চলিক ভাষা-ভঙ্গিতে কথাগুলো বলছিলেন বৈশাখের কড়া রোদে পাটক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত পাবনার দুর্গম চর রাজধরদিয়ার পোড় খাওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ খাঁ। সারা জীবন পদ্মা-যমুনায় মাছ ধরে আর পরের জমিতে কৃষিকাজে নিজের কালো শরীর রোদে পুড়িয়ে অঙ্গার করেছেন অক্ষরজ্ঞানহীন আব্দুল মজিদ। তিনবছর আগে সোনালী ব্যাংকের দেয়া সহজ শর্তের ২ লাখ টাকা ঋণ পেয়ে অভাবের সংসারে সামান্য স্বচ্ছলতা এনেছেন পরিশ্রমী এ বীর মুক্তিযোদ্ধা। এখন শরীর আর চলে না। মজিদের আক্ষেপ, সরকারের টাকা কি এতই সস্তা যে যাকে-তাকে বিলাতে হবে, তাও আবার মুক্তিযোদ্ধার নাম করে! মজিদ বলেন, ভাই রে- এর কি কোন বিহিত নাই?

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য দেশের জনগণ তৈরী করে দিয়েছেন আস্ত একটা মন্ত্রণালয়। প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল-জামুকা নামের একটি অধিদপ্তর। কিন্তু ভারমুক্ত হয়নি অমুক্তিযোদ্ধায় ভারাক্রান্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকা। বরং মন্ত্রণালয় গড়ার পর থেকে বিভিন্ন উসিলায় তালিকায় বেড়েছে অমুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা। এ ঘটনায় দারুণ অসন্তোষ বীর মুক্তিযোদ্ধারাসহ গোটা দেশবাসীর মনে।

মুক্তিযোদ্ধারা মনে করেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এখনো উদ্যোগী হলে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা নির্ভূল করা অসম্ভব কাজ নয় মোটেই। তাদের অভিযোগ, মন্ত্রণালয় মুক্তিযোদ্ধা চেনেন না- তারা চেনেন তালিকা। আর সে তালিকায় ঘাপটি মেরে বসে আছে প্রায় লাখ-খানেক অমুক্তিযোদ্ধা। এ আবর্জনা পরিষ্কারে মোটেই আগ্রহী নয় মন্ত্রণালয়। অর্থাৎ মুক্তিযোদ্ধার তালিকা এখন ‘সাত নকলে আসল খাস্তা’য় পরিণত হয়েছে।

গত ২৩ মে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলন করেন সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক, সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান খান- এমপি। সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা ও জাতীয় স্বার্থে উত্থাপিত সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ১৫ দফা দাবীর ৭(খ) তে ‘সঠিক যাচাই বাছাই করে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের চুড়ান্ত তালিকার গেজেট অবিলম্বে প্রকাশ করা’র দাবী জানানো হয়।

মুক্তিযোদ্ধার এই ‘যাচাই বাছাই’ এবং নির্ভরযোগ্য তালিকার সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের একসময়কার আলোচিত মহাসচিব নইম জাহাঙ্গীর দীর্ঘ আলাপচারিতায় দৈনিক স্বাধীন বাংলাকে বলেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ যতদিন মুক্তিযোদ্ধাদের দেখভাল করেছে- ততদিন অমুক্তিযোদ্ধা শব্দের অস্তিত্বই ছিল না। মুক্তিযোদ্ধা নন, এমন ব্যক্তি তখন সংসদের ত্রিসীমানায় আসবার সাহসও পেতেন না। অমুক্তিযোদ্ধা শব্দের উৎপত্তি হয়েছে মন্ত্রণালয়, জামুকা তথা আমলারা আসার পর। তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের তথাকথিত যাচাই-বাছাই কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াটাই অমুক্তিযোদ্ধা বান্ধব, ভিজিএফ’র কার্ড বিতরণের তালিকা করার মত। এতে অমুক্তিযোদ্ধা বাড়ছে এবং বাড়তেই থাকবে।

কিভাবে এ অবস্থা এড়ানো যায়- এমন প্রশ্নে নইম জাহাঙ্গীর বলেন, অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায়- মুক্তিযোদ্ধা যাচাই করার কাজটি সম্পূর্ণভাবে সরকারী এজেন্সিগুলোর হাতে ন্যস্ত করতে হবে। যেমন হয়েছিল এরশাদ যমানায়, মুক্তিযোদ্ধার জাতীয় তালিকা তৈরীর সময়। তখন কোন আবেদনকারী মুক্তিযোদ্ধাকে ইন্টারভিউতে ডাকাও হয়নি, অথচ তালিকাটা প্রায় নির্ভূলভাবে করা সম্ভব হয়েছিল। সাবেক মহাসচিব বলেন, জাতীয় তালিকা করেছিল সরকার নিজে, উপযুক্ত সরকারী লোকজন দিয়ে। তাতে অমুক্তিযোদ্ধার নাম রয়েছে এমন অভিযোগ গত ৩২ বছরে কেউ করেননি, যদিও মুক্তিযোদ্ধাদের বর্তমান মন্ত্রী সে তালিকার নামও মুখে আনেন না।

নইম জাহাঙ্গীরের অভিমত, বিদ্যমান গেজেট এবং তালিকা নির্বিশেষে অমুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি কঠোর শাস্তির বিধান রেখে আইন প্রণয়ন এবং ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ জারি করা প্রয়োজন। এতে যতদূর সম্ভব অমুক্তিযোদ্ধা মুক্ত তালিকা পাওয়া যেতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, আগ্রাসন মুক্তির পর চীন-ভিয়েতনাম-যুগোশ্লাভিয়ায় স্বাধীনতা সংগ্রামীর মিথ্যা দাবীদারদের গুলি করে মারা হয়েছিল।

অপর এক প্রশ্নে নইম জাহাঙ্গীর জানান, জেনারেল এম এ জি ওসমানী জীবদ্দশায় জানিয়েছিলেন, মুক্তিবাহিনীতে যুদ্ধরত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ছিল ৮৫ হাজারের মত এবং বিভিন্ন ট্রেনিং ক্যাম্পে তখন অবস্থান করছিল প্রায় ২৫-৩০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন, এখন মুক্তিযোদ্ধার নামে সরকারী ভাতা নিচ্ছে প্রায় ২ লাখ ব্যক্তি এবং তালিকায় ঢোকার জন্য অপেক্ষা করছে আরও প্রায় লাখ দেড়েক। এটা জাতির সাথে, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সাথে নিদাবুণ প্রতারণা, নিন্দার-কষ্টের এক নির্মম চিত্র। এটা চলতে পারে না।

মুক্তিযুদ্ধে ‘এস ফোর্স’ প্রধান ও অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, বাংলাদেশের প্রথম সেনাপ্রধান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ ক’বছর আগে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তার জানামতে মুক্তিবাহিনীর অনুমিত সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ ২৮ হাজার। মুক্তিযোদ্ধার তালিকা সম্পর্কীত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেছিলেন, তালিকায় অমুক্তিযোদ্ধা থাকলে সেটা ভালভাবে খুঁজে দেখা দরকার। ‘অস্ত্রহাতে যারা যুদ্ধ করেছেন তারাই মুক্তিযোদ্ধা, এখন ঘরে বসে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা করা যাবে না। যুদ্ধের সাথে যারা যুক্ত ছিলেন তাদের নিয়ে করতে হবে তালিকা’- বলেছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম এ ওঅর হিরো।
মুক্তিযোদ্ধার গেজেট এবং তালিকা থেকে অমুক্তিযোদ্ধা বিতাড়নে মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে মুক্তিযুদ্ধে পাবনায় আগত প্রথম এফ এফ কোম্পানী কমান্ডার, হাইকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী-সংগঠক কাজী সদরুল হক সুধা দৈনিক স্বাধীন বাংলাকে বলেন, মন্ত্রণালয় আন্তরিক হলে মুক্তিযোদ্ধার নির্ভরযোগ্য তালিকা করা অসম্ভব কোন কাজ নয়। এজন্য প্রথমেই দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিশেষ কোন তালিকার প্রতি ভালবাসা পরিহার করতে হবে। কিন্তু সেটা দেখা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, মন্ত্রী মহোদয় অমুক্তিযোদ্ধা আমদানীর জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দোষারোপ করেন- যা সত্যও বটে। অপরদিকে, মুক্তিযোদ্ধার মাষ্টার তালিকা গণ্য করেন মুক্তিবার্তা (লাল বই) যা বাস্তবে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতেই তৈরী। সুধা বলেন, গেজেটভূক্ত অমুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই করতে চাইছে মন্ত্রণালয়, ভাল কথা। কিন্তু লাল বইতে যে অমুক্তিযোদ্ধা রয়েছে তাদের ব্যপারে পদক্ষেপ নেবার উদ্যোগদেখা যাচ্ছে না। এটা পরস্পর বিরোধী এবং বিভ্রান্তিকর। এ সবকিছুর সমাধান হিসেবে অভিজ্ঞ এ আইনজীবী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পর প্রশাসনবিহীন বিধস্ত দেশটি পাহার দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা। দেশের প্রায় প্রতি ইউনিয়নে তাদের ক্যাম্প ছিল। ক্যাম্পের মুক্তিযোদ্ধারা বেঁচে আছেন এখনো। প্রশাসনকে দিয়ে ক্যাম্পের মুক্তিযোদ্ধা খূঁজে নিয়ে তাদের সাহায্যে ইউনিয়ন-ওয়ারী মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই ও চুড়ান্ত করলে তালিকা নিয়ে সৃষ্ট অব্যবস্থার একটি সহজ ও নির্ভরযোগ্য সমাধান আসতে পারে।  

জামুকার অনুমোদনবিহীন প্রায় অর্ধলক্ষাধিক গেজেটভূক্ত অমুক্তিযোদ্ধার সনদ-ভাতা বন্ধ করার পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানিয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক গত ফেব্রুয়ারীতে। কিন্তু তার বাস্তবায়ন সম্পর্কে পরে আর কিছু জানানো হয়নি। সম্প্রতি, মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম লেখাতে অনলাইনে আবেদন করা ১ লাখ ৩৪ হাজার আবেদনকারীর অনিষ্পন্ন যাচাই-বাছাই নিস্পত্তিতে হাত দিয়েছে মন্ত্রণালয় যাতে ‘১০%’ নামে একটি বিধান যুক্ত করা হয়েছে। গেজেট এবং লাল বইয়ের অমুক্তিযোদ্ধা নিয়ে দেশব্যাপী মুক্তিযোদ্ধা কমিউনিটিসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে চলমান বাদানুবাদ এবং আলোচনায় এই ‘১০%’  নতুন করে জ্বালানী ঢেলেছে বলে মন্তব্য করেন মুক্তিযোদ্ধারা।



সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 313        
   শেয়ার করুন
Share Button
   আপনার মতামত দিন
     জাতীয়
রাজশাহী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
কারাগারে বসেই মাদক ব্যবসা
.............................................................................................
শৃঙ্খলা এখনও অধরা
.............................................................................................
পরিবেশ দূষণের দায়ে ডিএনসিসিকে জরিমানার সুপারিশ
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে গুরুত্ব পাবে আসামের নাগরিক তালিকা
.............................................................................................
সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর বিপদ সংকেত জারি
.............................................................................................
‘বর্তমানে গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা ২ লাখ ৩৫ হাজার ৪৬৭ জন’
.............................................................................................
পুলিশের কমিউনিটি ব্যাংকের যাত্রা শুরু
.............................................................................................
স্মার্টকার্ড বিতরণে ধীরগতি
.............................................................................................
সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ
.............................................................................................
পুলিশের অপরাধ রোধে নজরদারি
.............................................................................................
শিশু-নারী নির্যাতন থামছেই না
.............................................................................................
বিদ্রোহীদের শোকজ নোটিশ
.............................................................................................
সমুদ্র বন্দরে তিন নম্বর সংকেত জারি
.............................................................................................
জিপি-রবিকে বিটিআরসির নোটিস
.............................................................................................
নতুন ব্রিজ নির্মাণে ১৮০ কোটি টাকা ঋণ দেবে এডিবি
.............................................................................................
মনুষ্য-সৃষ্ট কারণে সাগর আজ ভয়াবহ হুমকির সম্মুখীন: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
কর্মসংস্থান না বাড়ায় কমছে না বেকারত্ব
.............................................................................................
টোলের আওতায় আসছে মহাসড়ক
.............................................................................................
আলোআভা নিউজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
.............................................................................................
মহাসড়ক থেকে টোল আদায় করা হবে: পরিকল্পনামন্ত্রী
.............................................................................................
আজ উত্তর আয়ারল্যান্ড যাচ্ছেন ভূমিমন্ত্রী
.............................................................................................
মহাসড়ক রক্ষার উদ্যোগ
.............................................................................................
কৃষ্ণাকে চাপা দেওয়া বাসের চালক গ্রেপ্তার
.............................................................................................
বড় ধরনের হামলা ঘটনোর ‘টেস্ট কেস’ হতে পারে : ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
ট্রেনে মাদক পাচার থামছে না
.............................................................................................
ট্রেনের ছাদে চড়লে সর্বোচ্চ শাস্তি ১ বছরের কারাদন্ড
.............................................................................................
১০ টাকার টিকিটে চোখের চিকিৎসা নিলেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
তিন জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৩
.............................................................................................
জিপি-রবির লাইসেন্স বাতিলের দিকে যাচ্ছে সরকার
.............................................................................................
সরকারি প্রতিষ্ঠানের দখলে রেলের জমি
.............................................................................................
দশম সংসদে কোরাম সংকটে ক্ষতি ১৬৪ কোটি টাকা : টিআইবি
.............................................................................................
শ্রমবাজারে দুয়ার খুললো
.............................................................................................
টিকে থাকার লড়াইয়ে বেসরকারি এয়ারলাইনস
.............................................................................................
নজরদারিতে আসছে মোবাইল অপারেটরদের কার্যক্রম
.............................................................................................
ভারতে বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে চায় বাংলাদেশ
.............................................................................................
এহছানে এলাহী বিআরটিসির নতুন চেয়ারম্যান
.............................................................................................
ওএসডি হলেন জামালপুরের সেই ডিসি
.............................................................................................
শর্তের বেড়াজালে প্রত্যাবাসন
.............................................................................................
ওএসডি হচ্ছেন জামালপুরের সেই ডিসি, ভিডিও আন্তর্জাতিক পর্ন সাইটে
.............................................................................................
মোজাফফর আহমদের ১ম জানাজা অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
মোজাফফর আহমদের মরদেহে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
.............................................................................................
অক্টোবরে ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, অমীমাংসিত সমস্যা সমাধানের প্রত্যাশা
.............................................................................................
১ দিনে ১৪৪৬ রোগী হাসপাতালে ভর্তি
.............................................................................................
গাড়ি ছিনতাইয়ে অভিনব কৌশল
.............................................................................................
সেনাবাহিনীর গাড়িতে গুলি, পাল্টা গুলিতে সন্ত্রাসী নিহত
.............................................................................................
সৌদি আরবে এরও এক বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু
.............................................................................................
ভাষাসৈনিক ডা. এম এ গফুর আর নেই
.............................................................................................
এনজিওদের তৎপরতা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাধা: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
.............................................................................................
ডাক্তারসহ ৩০০ স্বাস্থ্যকর্মী ডেঙ্গু আক্রান্ত
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft