শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   উপসম্পাদকীয়
  আরো কমেছে ধানের দাম
  11, July, 2019, 11:28:40:AM

আব্দুল হাই রঞ্জু

বোরো ধানের কাটা মাড়াই শেষ। এখন চলছে আগামী আমন মৌসুমের ধান চাষাবাদের প্রস্তুতি। এ বছর বোরো ধানের ন্যায্যমূল্য পাননি কৃষক। ফলে আসন্ন আমন মৌসুমের কৃষি চাষাবাদের খরচ মেটানো কৃষকের পক্ষে কষ্টসাধ্যই হবে। অথচ কৃষকদের নিরন্তন প্রচেষ্টায় দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা অনেকাংশেই নিশ্চিত করা সম্ভব হলেও ভালো নেই তারা। মূলত ধান কাটা মাড়াইয়ের ভরা মৌসুমে বাড়তি সরবরাহের কারণে ধানের দাম একটু কমই থাকে। কৃষকের গোলায় ধান ওঠার পর ধানের দাম কিছুটা হলেও বৃদ্ধি পায়। কিন্তু এ বছরের চিত্র সম্পূর্ণই ভিন্ন। ধান কাটা মাড়াইয়ের ভরা মৌসুমে কৃষক প্রতি মণ ধান ৫শ’ টাকার বেশি দরে বিক্রি করতে পারলেও এখন গোলার ধান বিক্রি হচ্ছে ৫শ’ টাকার নিচে। বাস্তবতা হচ্ছে কৃষিপণ্যের ফলন বেশি হলেই উপযুক্ত মূল্য সঙ্কটে পড়তে হয় চাষিদের। এ বছর বোরো মৌসুমেও বাড়তি ফলনের কারণে মূল্য সংকটে পড়তে হয়েছে।

এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ লাখ টন ধান বেশি উৎপাদন হয়েছে। কৃষি অধিদফতর বোরো মৌসুমে ৪৮ লাখ ৪২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করলেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বাড়তি জমিতে চাষাবাদ হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয়েছে। খোদ কৃষি বিভাগ ও খাদ্য বিভাগের হিসাবে প্রতি কেজি ধান উৎপাদনের খরচ ২৪ টাকা নির্ধারণ করে সরকারিভাবে প্রতি কেজি ধান ২৬ টাকায় কেনার ঘোষণা দিলেও প্রকৃত অর্থে বোরো ধান ১৭-১৮ টাকা কেজিতে চাষিদের বিক্রি করতে হচ্ছে। ফলে ধান চাষিদের প্রতি কেজি ধানে লোকসান গুনতে হচ্ছে ৬/৭ টাকা। প্রতি কেজিতে যদি ধান চাষিরা ৬/৭ টাকা লোকসান গোনে, যা মণ প্রতি ২৪০ থেকে ২৮০ টাকায় গিয়ে ঠেকে।

সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয় চলতি বোরো মৌসুমে ২৬ টাকা কেজি দরে মাত্র দেড় লাখ টন ধান ও চাল কল মালিকগণের নিকট থেকে প্রতি কিজে ৩৬ টাকা করে ১০ লাখ টন চাল কেনার ঘোষণা দেয়। খাদ্য অধিদফতর বিপুল পরিমাণ চাল কিনলেও প্রকৃত অর্থে ধান চাষিদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হয়নি। মূলত সরকার ধান চাষিদের ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত ও আপৎকালীন খাদ্য মজুদ গড়ে তুলতে অভ্যন্তরীণভাবে ধান চাল সংগ্রহ করে থাকে। এ বছরও এর কোনো ব্যত্যয় হয়নি। দেড় লাখ টন ধান কেনার ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জটিলতা, তালিকা প্রণয়ন, আবার কোথাও কোথাও লটারির মাধ্যমে কৃষকের তালিকা চূড়ান্ত করতে মাত্রাতিরিক্ত সময় ক্ষেপণ করা হয়েছে। ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে মন্থর গতির কারণে এর প্রভাব বাজারে পড়েনি। সরকার চায় ধান চাষিদের উপযুক্ত মূল্য যেন নিশ্চিত হয়, যা সফল করতে খাদ্য মন্ত্রণালয় আরো অতিরিক্ত ২ লাখ পঞ্চাশ হাজার টন ধান কেনার ঘোষণা দিলেও কার্যত বাজারে তেমন কোনো প্রভাব পড়ছে না।

এর মূল কারণ হলো মন্থর গতিতে ধান সংগ্রহের কৌশল অবলম্বন। মন্থর গতির এই কৌশলে ধান সংগ্রহ করলে প্রকৃত অর্থে উপযুক্ত মূল্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। প্রয়োজন ধান কাটা মাড়াই মৌসুমের শুরুতে সরকারকে হাট-বাজার, গ্রামেগঞ্জে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে ধান কেনার উদ্যোগ নেয়া। সরকারকে একদিকে ধান কিনতে হবে এবং সে ধান চাল কল মালিকের মাধ্যমে ছাঁটাই করার উদ্যোগ নিতে হবে। এজন্য বর্তমান ছাঁটাই রেট পরিবর্তন করে যৌক্তিক দর নির্ধারণ করতে হবে। তাহলে কম বেশি সকল চাল কল মালিকগণই শতভাগ জামানত প্রদান করে ধান ছাঁটাইয়ে অংশগ্রহণ করবে। এতে বর্তমান স্থান সংকুলানের অভাবে যেমন সরকার ইচ্ছা থাকলেও অভ্যন্তরীণভাবে সংগ্রহের ধান বেশি পরিমাণ কিনতে পারে না, তখন আর সে সংকট থাকবে না। ফলে কৃষকের ধানের ন্যায্যমূল্য অনেকাংশেই নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

অবশ্য কৃষমন্ত্রী ডা. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, আমি কথা দিচ্ছি, আগামী মৌসুম থেকে ধান চাষিরা ধানের নায্যমূল্য পাবেন। আমরাও আশা করছি, কৃষিমন্ত্রীর এ ঘোষণার যেন বাস্তব প্রতিফলন হয়। তবে শংকা থেকেই যায়- কারণ আমাদের দেশে দায়িত্বশীলরা জনকল্যাণের কথা যেভাবে জোরের সঙ্গে উচ্চারণ করেন, বাস্তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তার বাস্তব প্রতিফলন হয় না বা হতে দেয়া হয় না। যেহেতু কৃষিবিদ ডা. আব্দুর রাজ্জাক একজন সফল খাদ্যমন্ত্রী, সেহেতু আমরা মনে করি, প্রকৃত অর্থে ধান চাষিদের ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের পাশাপাশি গোটা দেশে গড়ে ওঠা একমাত্র চাল কল শিল্প রক্ষায়ও কৃষিমন্ত্রী যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেবেন। আমরা চাই, ধান চাষিদের ধানের ন্যায্যমূল্য যেমন নিশ্চিত করতে সরকারকে বাস্তবমুখী সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তেমনি কৃষিভিত্তিক চাল কল শিল্প রক্ষায় হাসকিং মিলগুলোকে আধুনিকায়নেরও উদ্যোগ নিতে হবে।

তাহলে চাল কলের সঙ্গে জড়িত হাজার হাজার নারী ও পুরুষের কর্মসংস্থানের পথ সুগম হবে। পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। ধান চাষি, চাল কল শিল্পের স্বার্থ অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। কারণ ধান চাষিরা উপযুক্ত মূল্যের অভাবে ধান চাষে আগ্রহ হারালে একদিকে যেমন খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে, অন্যদিকে প্রয়োজনীয় পরিমাণ ধানের অভাবে চাল কল শিল্প টিকে রাখাও কঠিন হবে। সঙ্গত কারণে ধান চাষিদের স্বার্থ রক্ষা করে চাল কল শিল্পকে বাঁচানোর উদ্যোগ নিতে হবে।

অবশ্য সরকার কৃষি উন্নয়নে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে প্রণোদনা ও প্রতিবছর কৃষিতে ভর্তুকি দিয়ে থাকে। গত ২০১৮ সালে প্রান্তিক পর্যায়ের ৬ লাখ ৯০ হাজার ৯৭০ জন কৃষকের জন্য ৭৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকার প্রণোদনা প্রদান করে। এসব প্রণোদনার টাকা গম, ভুট্টা, সরিষা, চীনাবাদাম, বিটি বেগুন, বোরো, শীতকালীন মুগ ও গ্রীষ্মকালীন তেল চাষের জন্য চাষিদের দেয়া হচ্ছে। এ বছর বোরো চাষের জন্য ৭১ হাজার ৭০০ জন কৃষককে নগদ অর্থ, বীজ, সারের ওপর প্রণোদনা দেয়া হবে। মূলত সরকারি সহায়তার কারণে প্রতিনিয়তই খাদ্য শস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

শুধু ধানই নয়, এর পাশাপাশি সবজি চাষেও বাংলাদেশ অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। দেশে উৎপাদিত শাক-সবজি দিয়ে দেশীয় চাহিদা পূরণের পর উদ্বৃত্ত সবজি এখন বিদেশে রফতানিও হচ্ছে। বিশেষ করে আলু চাষে বৈপ্লবিক এক পরিবর্তন এসেছে। এখন যে পরিমাণ আলু উত্তরাঞ্চলসহ গোটা দেশেই উৎপন্ন হচ্ছে, যা দিয়ে দেশীয় চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও রফতানি করার মতো যথেষ্ট সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু কিছু আলু রফতানির সুযোগ থাকলেও কাক্সিক্ষত পর্যায়ে রফতানি করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অনেক সময়ই আলুর চাষ করে আলু চাষিদেরও লোকসান গুনতে হয়। সম্ভাবনাময় এই সবজির চাষাবাদ বৃদ্ধি করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। কারণ আমাদের দেশে এখন জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে দেশের নদ-নদীগুলো শুকিয়ে বিশাল বিশাল চরাগুলোর সৃষ্টি হচ্ছে। এসব চরাঞ্চলে এখন আলুসহ নানা ধরনের সবজি উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। উৎপাদিত সবজির উপযুক্ত মূল্য নিশ্চিত করা সম্ভব হলে বাড়তি সবজি চাষ করে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করা সম্ভব।

উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশ থেকে যেহারে উৎপাদিত সবজি বিদেশে রফতানি হচ্ছে, চাষাবাদের এ ধারা অব্যাহত থাকলে সবজি রফতানির পরিমাণও বেড়ে যাবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। অতি সম্প্রতি বাণিজ্যমন্ত্রী ধান চাষিদের ধানের উপযুক্ত মূল্য নিশ্চিত করতে চাল রফতানির ঘোষণা করেছেন। বাস্তবে যদি ভালো মানের চাল বিদেশে রফতানি করা যায়, তাহলে বর্তমানে ধান চাষিদের যে দুর্দশা তা অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

উপসংহারে শুধু এটুকুই বলতে চাই, সঠিক ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত সরকারইে নিতে হবে। তা না হলে কৃষকের স্বার্থের কথা বলতে বলতে হয়তো মুখে ফেনা তোলা সম্ভব হবে, কিন্তু প্রকৃত অর্থে কৃষকের উৎপাদিত ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। আর কৃষকের উৎপাদিত ন্যায্যমূল্য নিশ্চত করতে না পারলে ধান চাষিরা ধান চাষাবাদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে। তাহলে আর যাই হোক, বৃহৎ জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা যতটুকু নিশ্চিত করা হয়েছে, তা অনেকাংশেই বিঘিœত হতে পারে।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট



সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 54        
   শেয়ার করুন
Share Button
   আপনার মতামত দিন
     উপসম্পাদকীয়
সবার জন্য নিশ্চিত হোক নিরাপদ পানি
.............................................................................................
বিয়ে চুক্তিতে সমতার চারা
.............................................................................................
সভ্যতার সংকট : সামাজিক অবক্ষয়
.............................................................................................
প্রবৃদ্ধি অর্জনে আঞ্চলিক বাণিজ্যের গুরুত্ব
.............................................................................................
আরো কমেছে ধানের দাম
.............................................................................................
সরকারের ৬ মাস : একটি পর্যালোচনা
.............................................................................................
নয়ন বন্ড বনাম সামাজিক নিরাপত্তা
.............................................................................................
প্রাথমিক শিক্ষায় সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য
.............................................................................................
এত নিষ্ঠুরতা-অমানবিকতা আর সহ্য হয় না
.............................................................................................
সামনে আলো ঝলমল দিন, দুর্নীতির অন্ধকারে যেন হারিয়ে না যায়
.............................................................................................
করারোপ বাড়িয়ে তামাক রোধ কি সম্ভব?
.............................................................................................
শিক্ষা পণ্যের বিশ্বায়ন
.............................................................................................
গণপরিবহন কবে নিরাপদ হবে
.............................................................................................
জামায়াতীদের নাগরিক মর্যাদা
.............................................................................................
অার নয় যৌতুক
.............................................................................................
আমাদের গণতন্ত্রের অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যত
.............................................................................................
১৭ নভেম্বর মওলানা ভাসানীর মাজার, জনতার মিলন মেলা
.............................................................................................
পুলিশের ভালো-মন্দ এবং অতিবল
.............................................................................................
চালে চালবাজী: সংশ্লিষ্টদের চৈতন্যোদয় হোক
.............................................................................................
একাদশ সংসদ নির্বাচন, ভোটাধিকার এবং নির্বাচন কমিশন
.............................................................................................
নির্বাচনে সেনা মোতায়েন প্রত্যাশা এবং সিইসির দৃশ্যপট
.............................................................................................
৩ মাসের মধ্যে ধর্ষকের ফাঁসি এবং বিজয় বাংলাদেশ
.............................................................................................
শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও বাংলাদেশ
.............................................................................................
মানবিক মূল্যবোধ বিনষ্ট হলে মানুষ পশু সমতুল্য হয়ে পড়ে
.............................................................................................
ফিরে ফিরে আসে ১৫ আগস্ট : কিন্তুু যা শেখার ছিল তা শেখা হলো না
.............................................................................................
ক্ষুদ্রঋণ সহায়তার নামে সুদখোরদের অত্যাচার কবে বন্ধ হবে
.............................................................................................
খেলাপি ঋণের অভিশাপ মুক্ত হোক ব্যাংক খাত
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও ১৫ আগষ্ট
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের সূচনাপর্বই ছিল ঘটনাবহুল
.............................................................................................
জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে আত্মসন্তুষ্টির অবকাশ নেই
.............................................................................................
সার্টিফিকেট নির্ভর নয়, মানসম্পন্ন শিক্ষা জরুরি
.............................................................................................
বাজেট তুমি কার
.............................................................................................
শিক্ষাক্ষেত্রে মায়ের ভূমিকা
.............................................................................................
জাতীয় সংসদ নির্বাচন: দেশী ও বিদেশীদের ভাবনা
.............................................................................................
দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধ হবে কি?
.............................................................................................
হুমকির মুখে গার্মেন্টস শিল্প, কমছে বৈদেশিক আয়
.............................................................................................
ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার গ্রামীণ জনগোষ্ঠির মাঝে আশার আলো
.............................................................................................
নিরপেক্ষ গণমাধ্যম জাতির প্রত্যাশা
.............................................................................................
নারীর উন্নয়নে দেশের উন্নয়ন
.............................................................................................
ভূমিকম্প মোকাবেলায় প্রয়োজন সচেতনতা
.............................................................................................
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো
.............................................................................................
ভূমিকম্পকে ভয় পেলে চলবে না
.............................................................................................
সিইসির বিদায় বেলায় জেলা পরিষদ ও নাসিক নির্বাচন
.............................................................................................
বিজয় দিবস বাঙালির শৌর্য-বীর্যের প্রতীক
.............................................................................................
পাকিস্তানের কূটনৈতিক পরাজয়
.............................................................................................
আইএস বিতর্কের অন্তরালে
.............................................................................................
তেলের মূল্য কমানোর সুফল কার পকেটে ?
.............................................................................................
চাই নিরক্ষরমুক্ত আত্মনিভর্রশীল ডিজিটাল বাংলাদেশ
.............................................................................................
পশ্চিমবঙ্গ: কালো তাড়াই কালো আসবে নতুন আলো...
.............................................................................................
মধ্যপ্রাচ্যে নারী নির্যাতন, আইয়্যামে জাহেলিয়ার দৃশ্যপট
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft