মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   উপসম্পাদকীয়
  প্রবৃদ্ধি অর্জনে আঞ্চলিক বাণিজ্যের গুরুত্ব
  17, July, 2019, 12:44:7:PM

রেজাউল করিম খোকন


টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে আঞ্চলিক বাণিজ্য বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ বাড়ানো একান্ত জরুরি হয়ে উঠেছে। অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে আঞ্চলিক বাণিজ্য বাড়ানো গেলে দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বাড়ানো সম্ভব। বিশে^র বিভিন্ন অঞ্চলে আঞ্চলিক বাণিজ্যের ব্যাপক প্রসার ঘটলেও আমাদের এ অঞ্চলে তার পরিমাণ খুবই কম। শুল্ক ও অশুল্ক বাধা দূর করার সঙ্গে সঙ্গে আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়াতে হবে। আঞ্চলিক বাণিজ্য নিয়ে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের সমস্যার মোকাবিলা করছে।

বৈশ্বিক বাণিজ্যে বাংলাদেশ মোটামুটি ভালো করলেও আঞ্চলিক বাণিজ্যে মার খাচ্ছে প্রতিনিয়ত। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের বাণিজ্য খুবই নাজুক অবস্থার মধ্যে রয়েছে। এর জন্য বাংলাদেশ যতটা না দায়ী, তারচেয়ে দায়ী প্রতিবেশী শক্তিশালী দেশ। তারাই এ অঞ্চলের বাণিজ্য নিজেদের দখলে রাখতে এ অঞ্চলের অন্য কোনো দেশকে কোনোভাবে উঠতে দিচ্ছে না। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক বাণিজ্য যেমন খুবই নিম্ন অবস্থানে রয়েছে; তেমনি বাংলাদেশের বাণিজ্যেও রয়েছে হতাশাব্যঞ্জক অবস্থা। বর্তমানে বিশ্বে বাংলাদেশের বাণিজ্যের পরিমাণ ৮৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। অথচ দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের বাণিজ্যের পরিমাণ মাত্র ৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের। বিশশ্ব যেখানে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হচ্ছে, সেখানে গত ২৫ বছরে দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের বাণিজ্যের পরিমাণ ২৩ বিলিয়ন ডলারে আটকে আছে। অথচ কিছু বাণিজ্য বাধা দূর করতে পারলে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর বাণিজ্য তিন গুণ বাড়ানো সম্ভব। এটা বর্তমান আঞ্চলিক বাণিজ্য ২৩ বিলিয়ন ডলার থেকে ৬৭ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা যায় অনায়াসেই। মূলত বেশ কিছু কারণে সৃষ্ট বাধার জন্য বাংলাদেশের আঞ্চলিক বাণিজ্য বাড়ছে না। দক্ষিণ এশিয়ায় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ চার ধরনের বাধার সম্মুখীন হচ্ছে।
এগুলো হচ্ছে- উচ্চ শুল্ক, আধা শুল্ক ও অশুল্ক বাধা, কানেকটিভিটি খরচ এবং সীমান্তে আস্থার সংকট। অথচ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সাফটা চুক্তি রয়েছে। ফলে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কোনো শুল্ক থাকার কথা নয়। অথচ এ অঞ্চলেই সবচেয়ে বেশি শুল্ক রয়েছে। সরাসরি শুল্কের বাইরেও আছে আধা বা প্যারা ট্যারিফ। ২০০৪ সালে যখন সাফটা (সাউথ এশিয়ান ফ্রি ট্রেড এরিয়া) চুক্তি হয়, তখন বিশ^ বাণিজ্য দক্ষিণ এশিয়ার অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের অংশগ্রহণ ছিল ৫ শতাংশ। সাফটা করার উদ্দেশ্যই ছিল এ অঞ্চলের বাণিজ্য বাড়ানো। কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার হলো, সাফটা চুক্তির পর দক্ষিণ এশিয়ার বাণিজ্য না বেড়ে বরং কমে গেছে। বর্তমানে তা কমে হয়েছে আড়াই শতাংশ।

বিশ্ব ব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিশ্ব বাণিজ্যে এশিয়ার অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের অবদান ২৫ শতাংশ। অন্যদিকে ইউরোপের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের অবদান ৬৩ শতাংশ। অথচ ১৯৪৭ সালের আগে এটি ছিল ৩০ শতাংশ। একটা বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয় যে, এ অঞ্চলের গড় শুল্কহার অন্যান্য অঞ্চলের দ্বিগুণেরও বেশি। ফলে পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে দক্ষিণ এশিয়ার বাণিজ্য ব্যয়ও সবচেয়ে বেশি। অর্থাৎ পৃথিবীর অন্য যেকোনো অঞ্চলের চেয়ে এ অঞ্চলে আমদানিতে সবচেয়ে বেশি বাধা দেওয়া হয়। দেশগুলো উচ্চহারে নিয়ন্ত্রণমূলক ও সম্পূরক শুল্কারোপ করে এ অঞ্চলে বাধা সৃষ্টি করে রাখছে। পাশাপাশি সংবেদনশীল পণ্যের তালিকায় ফেলা হয়েছে এক-তৃতীয়াংশ পণ্যকে। ফলে পণ্যের সংখ্যা কমে গিয়ে বাণিজ্যের পরিমাণও কমছে। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে এটা সুস্পষ্ট যে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য বাধা দূর করতে পারলে এ অঞ্চলের বাণিজ্য তিন গুণ বাড়ানো সম্ভব। আসলে বিশ্বায়নের যুগে এককভাবে এগিয়ে যাওয়া অসম্ভব। বাণিজ্য বাধা দূর করে দক্ষিণ এশিয়ার বাণিজ্যের আকার তিন গুণ বাড়ানো সম্ভব। বাস্তবতার নিরিখে ক্রমেই আঞ্চলিক বাণিজ্যে পরিবর্তন আসছে। যেমন সীমান্তহাট চালুর ফলে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে স্বল্প আকারে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালিত হলেও মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ছে। এতে সম্পর্কের উন্নতি ঘটছে। সীমান্ত এলাকার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা তৈরি হচ্ছে।

অর্থনৈতিক উন্নয়নে বর্তমানে বিভিন্নমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। বাস্তবতার আলোকে গৃহীত পদক্ষেপগুলো কাজ দিতে শুরু করেছে। টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য আঞ্চলিক বাণিজ্য বৃদ্ধি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হলে অবশ্যই প্রতিবেশীদের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। আসলে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক বাণিজ্য এখনো বাজারের ওপর নির্ভর করছে না। এখানে মূলত কাজ করছে রাজনীতি। এ ছাড়াও নিরাপত্তা, আমলাতন্ত্র বাণিজ্যকে নিয়ন্ত্রণ করছে। অঞ্চল বাড়াতে এশিয়ান হাইওয়ে ও ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ে শক্তিশালী কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। কিন্তু রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত কারণে তা বন্ধ হয়ে গেছে। আঞ্চলিক যৌথ উদ্যোগের সাফল্য এবং ব্যর্থতা যা হয়েছে তা রাজনৈতিক কারণেই হয়েছে।

ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভুটানে নিরাপত্তা বড় বিষয়। এসব দেশে রাজনীতির ভূমিকাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ, এজন্য আঞ্চলিক বাণিজ্য বাড়াতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বাজারগুলোতে সুশাসন নিশ্চিত করা গেলে বাণিজ্য অনেকটা সহজ হয়ে উঠবে। ভ্যালু চেইন সৃষ্টি করা গেলে এক দেশের পণ্যের প্রতি অন্য দেশের ব্যবসায়ীরা আগ্রহী হবেন। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ভারতের কয়েকটি রাজ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্য রফতানির সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন হওয়ায় এসব রাজ্যে পণ্য পরিবহনেও বিদ্যমান ব্যবস্থা অনেকটা অনুকূল। যে কারণে এসব রাজ্যে বাংলাদেশি পণ্য রফতানির মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক ভারসাম্য অনেকটা বজায় রাখা সম্ভব।

প্রতিবেশী দেশ নেপালের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক যোগাযোগ লেনদেন আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশ এখন এগিয়ে যাচ্ছে। নেপালে বাংলাদেশের পণ্যসামগ্রী রফতানি আয় বেড়েই চলেছে। আর হ্রাস পাচ্ছে আমদানি উভয় দেশের সরকারের ব্যবসাবান্ধব নীতি বিশেষ করে বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধিসহ দূরদর্শী কিন্তু পদক্ষেপের ফলে নেপালের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এখন বাংলাদেশের অনুকূলে চলে এসেছে। নেপালে বাংলাদেশের উৎপাদিত বিভিন্ন ধরনের ভোগ্যপণ্য, খাদ্যদ্রব্য, শৌখিন, গৃহস্থালি পণ্য ও নির্মাণসামগ্রীর বিরাট চাহিদা রয়েছে, নেপাল অনেক দিন ধরেই আমদানিতে একচেটিয়া ভারতনির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে নেপালে বাংলাদেশের রফতানি বাজার বিস্তৃতির সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে দিনে দিনে। এখানে সুযোগ রয়েছে রফতানি পণ্য বহুমুখীকরণের। বিপুল চাহিদার তুলনায় নেপালে বাংলাদেশের রফতানি বাজার এখনো অনেকটা সীমিত রয়ে গেছে।

প্রাকৃতিকভাবে বন্দর সুবিধাবঞ্চিত ভূমি পরিবেষ্টিত (ল্যান্ড লক্ড) দেশ হওয়ায় বাংলাদেশ চট্টগ্রাম ও মোংলাবন্দর সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য প্রসারিত করতে পারে। বাংলাদেশ তার নিজের বন্দর ব্যবহার করে নেপালে অনেক পণ্য পুনঃরফতানি করতে পারে। বাংলাদেশের বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য সিরামিকস সামগ্রী, ওষুধ, আসবাবপত্র, পোশাকসামগ্রী প্রভৃতি নেপালে রফতানি হচ্ছে। নেপাল থেকে আমদানি করা হচ্ছে ডাল, মসলাসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য।

নেপাল, মিয়ানমার, ভুটান, ভারতের কয়েকটি সীমান্তবর্তী রাজ্য আমাদের নিকট-প্রতিবেশী। দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক বাণিজ্য বাড়াতে হলে প্রথমেই দরকার এসব দেশ এবং রাজ্যের সঙ্গে কানেকটিভিটি বৃদ্ধি করা। বিশেষ করে চার দেশীয় (ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান) প্রস্তাবিত সরাসরি সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হলে বাংলাদেশ থেকে এসব দেশে রফতানির পথ সুগম হবে এবং রফতানির পরিমাণও বৃদ্ধি পাবে। চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়িয়ে বাংলাদেশ নেপালকে ট্রানজিট সুবিধা দিতে পারে। বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়লে দুই দেশের টেকসই উন্নয়নের পথ সুগম হবে।

প্রতিবেশী দেশ ভারত, নেপাল, মিয়ানমার ও ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের আঞ্চলিক বাণিজ্য প্রসারের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের উৎপাদিত ও প্রক্রিয়াজাত বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য, পানীয়, রাসায়নিক দ্রব্য, সিরামিকস সামগ্রী, ওষুধ, আসবাবপত্র, স্টিল ও আয়রন সামগ্রী, সাবান, মেলামাইন, প্লাস্টিকজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, টেরিটাওয়েল ও পোশাক সামগ্রী, খেলনা, পাটজাত দ্রব্য, বৈদ্যুতিক সামগ্রী, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পপণ্য, বিভিন্ন শৌখিন দ্রব্য, মোবাইল ফোন, ইলেকট্রনিকস সামগ্রী, আইটি সামগ্রী ইত্যাদির বিরাট বাজার রয়েছে এসব দেশে। আঞ্চলিক বাণিজ্যের প্রসার ঘটিয়ে বাংলাদেশ সমৃদ্ধির নতুন সোপানে উন্নীত হতে পারে দ্রুত।
লেখক : ব্যাংকার ও কলাম লেখক



সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 47        
   শেয়ার করুন
Share Button
   আপনার মতামত দিন
     উপসম্পাদকীয়
সবার জন্য নিশ্চিত হোক নিরাপদ পানি
.............................................................................................
বিয়ে চুক্তিতে সমতার চারা
.............................................................................................
সভ্যতার সংকট : সামাজিক অবক্ষয়
.............................................................................................
প্রবৃদ্ধি অর্জনে আঞ্চলিক বাণিজ্যের গুরুত্ব
.............................................................................................
আরো কমেছে ধানের দাম
.............................................................................................
সরকারের ৬ মাস : একটি পর্যালোচনা
.............................................................................................
নয়ন বন্ড বনাম সামাজিক নিরাপত্তা
.............................................................................................
প্রাথমিক শিক্ষায় সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য
.............................................................................................
এত নিষ্ঠুরতা-অমানবিকতা আর সহ্য হয় না
.............................................................................................
সামনে আলো ঝলমল দিন, দুর্নীতির অন্ধকারে যেন হারিয়ে না যায়
.............................................................................................
করারোপ বাড়িয়ে তামাক রোধ কি সম্ভব?
.............................................................................................
শিক্ষা পণ্যের বিশ্বায়ন
.............................................................................................
গণপরিবহন কবে নিরাপদ হবে
.............................................................................................
জামায়াতীদের নাগরিক মর্যাদা
.............................................................................................
অার নয় যৌতুক
.............................................................................................
আমাদের গণতন্ত্রের অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যত
.............................................................................................
১৭ নভেম্বর মওলানা ভাসানীর মাজার, জনতার মিলন মেলা
.............................................................................................
পুলিশের ভালো-মন্দ এবং অতিবল
.............................................................................................
চালে চালবাজী: সংশ্লিষ্টদের চৈতন্যোদয় হোক
.............................................................................................
একাদশ সংসদ নির্বাচন, ভোটাধিকার এবং নির্বাচন কমিশন
.............................................................................................
নির্বাচনে সেনা মোতায়েন প্রত্যাশা এবং সিইসির দৃশ্যপট
.............................................................................................
৩ মাসের মধ্যে ধর্ষকের ফাঁসি এবং বিজয় বাংলাদেশ
.............................................................................................
শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও বাংলাদেশ
.............................................................................................
মানবিক মূল্যবোধ বিনষ্ট হলে মানুষ পশু সমতুল্য হয়ে পড়ে
.............................................................................................
ফিরে ফিরে আসে ১৫ আগস্ট : কিন্তুু যা শেখার ছিল তা শেখা হলো না
.............................................................................................
ক্ষুদ্রঋণ সহায়তার নামে সুদখোরদের অত্যাচার কবে বন্ধ হবে
.............................................................................................
খেলাপি ঋণের অভিশাপ মুক্ত হোক ব্যাংক খাত
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও ১৫ আগষ্ট
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের সূচনাপর্বই ছিল ঘটনাবহুল
.............................................................................................
জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে আত্মসন্তুষ্টির অবকাশ নেই
.............................................................................................
সার্টিফিকেট নির্ভর নয়, মানসম্পন্ন শিক্ষা জরুরি
.............................................................................................
বাজেট তুমি কার
.............................................................................................
শিক্ষাক্ষেত্রে মায়ের ভূমিকা
.............................................................................................
জাতীয় সংসদ নির্বাচন: দেশী ও বিদেশীদের ভাবনা
.............................................................................................
দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধ হবে কি?
.............................................................................................
হুমকির মুখে গার্মেন্টস শিল্প, কমছে বৈদেশিক আয়
.............................................................................................
ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার গ্রামীণ জনগোষ্ঠির মাঝে আশার আলো
.............................................................................................
নিরপেক্ষ গণমাধ্যম জাতির প্রত্যাশা
.............................................................................................
নারীর উন্নয়নে দেশের উন্নয়ন
.............................................................................................
ভূমিকম্প মোকাবেলায় প্রয়োজন সচেতনতা
.............................................................................................
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো
.............................................................................................
ভূমিকম্পকে ভয় পেলে চলবে না
.............................................................................................
সিইসির বিদায় বেলায় জেলা পরিষদ ও নাসিক নির্বাচন
.............................................................................................
বিজয় দিবস বাঙালির শৌর্য-বীর্যের প্রতীক
.............................................................................................
পাকিস্তানের কূটনৈতিক পরাজয়
.............................................................................................
আইএস বিতর্কের অন্তরালে
.............................................................................................
তেলের মূল্য কমানোর সুফল কার পকেটে ?
.............................................................................................
চাই নিরক্ষরমুক্ত আত্মনিভর্রশীল ডিজিটাল বাংলাদেশ
.............................................................................................
পশ্চিমবঙ্গ: কালো তাড়াই কালো আসবে নতুন আলো...
.............................................................................................
মধ্যপ্রাচ্যে নারী নির্যাতন, আইয়্যামে জাহেলিয়ার দৃশ্যপট
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft