শনিবার, ২৪ অগাস্ট ২০১৯ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   জাতীয়
  নদী ভাঙন-বন্যার ক্ষতি
  দীর্ঘমেয়াদী ডেল্টাপ্ল্যান
  5, August, 2019, 11:41:48:AM

নিজস্ব প্রতিবেদক : আন্তর্জাতিক ফেডারেশন অব রেডক্রস এবং রেডক্রিসেন্ট সোসাইটিজ এক রিপোর্টে একদা উল্লেখ করেছিল- বাংলাদেশে  প্রতি বছর প্রায় ১০ লাখ মানুষ নদী ভাঙ্গনে সর্বস্ব হারায়। নদীর ছোবলে তাৎক্ষণিক উদ্বাস্ত মানুষগুলোর মাত্র অর্ধেক কালক্রমে সাময়িক ঘর দুয়ারের ব্যবস্থা করতে পারলেও বাকী অর্ধেকের ঘরে ফেরা হয় না আর কোনদিন। রিপোর্টে বলা হয়Ñ সর্বগ্রাসী নদী গিলে ফেলে ভিটেমাটি, প্রধানত ফসলের জমিÑ যার পরিমান ফি বছর প্রায় ১০ হাজার হেক্টর। এ দুর্যোগ বাংলাদেশের সবচাইতে বড় সমস্যা। নদী ভাঙ্গন সমাজ-অর্থনীতিতে মারাত্বক ধ্বস নামায়, যদিও এ নিয়ে কাউকে জোর গলায় তেমন কিছু বলতে শোনা যায় না। অথচ এটা এক মানবিক দায়িত্ব।

নদী ভাঙ্গনে মানুষ মারা যায় না এবং রাতারাতি এটা ঘটেও না। অভ্যস্ত চোখের সামনে ঘটে নিরবে, সময় নিয়ে- মৃদুগতির প্রাণসংহারী বিষক্রিয়ার মত। যে কারণে জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত সম্ভাব্য বিপদের তালিকায় নদী ভাঙ্গনের দুর্যোগটি থাকে সবার শেষেÑ যদিও ভয়ানক এ দুর্যোগ বছরের পর বছর দেশের জনসংখ্যা এবং ভূমির অনুপাত ক্রমশ: ভারসাম্যহীন করে তুলেছে। গুরুত্ব বিচারে অন্য দুর্যোগের পাশে হালকা মনে হতে পারে নদী ভাঙ্গনের বিপদটি। অথচ এর ভয়াবহ প্রতিক্রিয়া আমরা দেখছি প্রতিনিয়ত। নদী গতিপথ বদলায় আর মানচিত্র থেকে মুছে ফেলে জনবসতি এবং ফসলের জমি। ভিটেমাটি হারা উদ্বাস্ত জনস্রোত জীবন বাঁচাতে হয় শহরমুখি এবং সেখানে তারা গড়ে তোলে নতুন নতুন বস্তি। নদী ভাঙনের এ দুর্যোগ আবহাওয়ার প্যাটার্ন বদলে দেয় এবং বাৎসরিক বন্যার কারণ সৃষ্টি করে।

দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে ইদানিং প্রায় প্রতি বছরই একপ্রকার নিয়ম করেই যেন বন্যার তান্ডব হানা দিচ্ছে। এ বছরও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। বরং উত্তরাঞ্চলসহ সংলগ্ন গোটা যমুনা অববাহিকা জুড়ে সাম্প্রতিক বন্যার খারাপ পরিস্থিতি অন্য অনেক বছরের মাত্রাকেও ছাপিয়ে গেছে। বন্যায় মারাত্বক ক্ষয়ক্ষতির শিকার মানুষগুলো অনাহার, অর্ধাহার, বিনাচিকিৎসা ও ফসলহানিতে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বন্যার গুরুতর ধকল থেকে এখনও পুরোপুরি পরিত্রাণ পায়নি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষগুলো। সেই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার স্বল্প আয়ের বিশাল জনগোষ্ঠি এখন সহায়-সম্বল নিয়ে মোকাবিলা করছে বন্যা-উত্তর প্রতিকূল পরিস্থিতি।

দেশের বন্যাপ্রবণ এলাকা যথাসম্ভব নিরাপদ রাখতে এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা কমাতে সরকার নিয়মিতই প্রকল্প গ্রহন করছেÑ যা বাস্তবায়নের চিত্র  সন্তেষজনক বলা যাবে না। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন এসব প্রকল্পের মধ্যে নমুনা হিসেবে সদ্যসমাপ্ত অর্থবছরে সিলেট বিভাগে একটি এবং রংপুর বিভাগে একটি বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প উল্লেখ করা যায়- যার একটির কাজও পুরোপুরি শেষ হয়নি। রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া ও রংপুর সদর উপজেলায় তিস্তা নদীর ডান তীর ভাঙ্গন হতে রক্ষা প্রকল্প এবং হাওর এলাকায় আগাম বন্যা প্রতিরোধ ও নিষ্কাশন উন্নয়ন প্রকল্প  গত জুনে সমাপ্ত ঘোষণা করা হলেও খোদ প্রকল্প পরিচালকরাই বলছেন, প্রকল্প দু’টোর কাজ শতভাগ শেষ করা সম্ভব হয়নি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই দুই প্রকল্পের আওতায় যেসব এলাকায় কাজ শেষ করা যায়নিÑ সেসব অঞ্চলের জনসাধারণকে দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে। কারণ, বঞ্চিত এলাকাগুলোয় আগাম বন্যা প্রতিরোধ ও নদীর তীর সংরক্ষণে নতুন করে প্রকল্প নেয়া কঠিন হবে। ফলে তাদেরকে দীর্ঘদিন বন্যা মোকাবিলা করে যেতে হবে এবং এতে প্রাণহানিসহ আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হওয়াটাই নিয়তি হয়ে দাঁড়াবে সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসীর।

রংপুর বিভাগের অসম্পূর্ণ প্রকল্পটির পরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ বলেন,  প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। প্রকল্পে কিছু কিছু সমস্যা তো থাকেই। হয়তো কোনো কোনো কম্পোনেন্টের কাজ ইচ্ছা করলেও, সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও অসম্পূর্ণ থাকে। সবমিলিয়ে প্রকল্পটি মোটামুটিভাবে শেষ হয়ে গেছে।

সিলেটের প্রকল্পটির পরিচালক প্রকৌশলী মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া  বলেন, গত ৩০ জুন প্রকল্পের কাজ শেষ করে দিয়েছি। যা যা কাজ করার, সব শেষ হয়ে গেছে। প্রকল্পের সময়ও শেষ। শতভাগ কাজ শেষ করতে পেরেছেন কি-না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, মোটামুটি করতে পেরেছি। টাকার হিসাবে প্রায় ২৫ শতাংশ কাজ বাকি রেখে আমরা প্রকল্পের কাজ শেষ করেছি।

হাওর এলাকায় আগাম বন্যা প্রতিরোধ ও নিষ্কাশন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় ছিল ২০১১ সালের জুলাই থেকে ২০১৫ সালের জুনের মধ্যে। এরপর প্রকল্পের সময় এক বছর বাড়িয়ে করা হয় ২০১৬ সালের জুন পর্যন্ত। তারপরও কাজ বাস্তবায়ন সম্ভব না হলে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়। তারপরও শতভাগ কাজ শেষ না করেই সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে প্রকল্পটি। বন্যার বিপদ মোকাবিলায় গৃহীত সরকারী প্রকল্প বাস্তবায়নের এ হলো একটি দিক। অপরদিকে, নদী ভাঙন এবং প্রায় প্রতি বছরের নিয়মিত বন্যার ক্ষয়ক্ষতি এড়ানোর একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং স্থায়ী সমাধান খোঁজার আলাদা চিত্র রয়েছেÑ যেখানে হাত পড়েছে অতি সম্প্রতি।

প্রকৃতি তার বিচিত্র খেয়ালে বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন বিশাল ভারতীয় এলাকাকে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে একই ভৌগলিক বৈশিষ্টের অধিকারী করেছে। এমন বৈশিষ্ট বিদ্যমান আমেরিকার ফোরিডা রাজ্যে। এলাকাগুলো যুগপৎ সাগর-সংলগ্ন এবং উল্লেখযোগ্য ভাবে সমতল। বাংলাদেশের সমতল ভূমির উচ্চতা সাগর সমতলের মাত্র কুড়ি মিটারের মধ্যে যা নদীতে পানি প্রবাহের ক্ষেত্রে গড়পড়তা দশ মিটারে কার্যকর প্রভাব রাখে । ভূমি সমতলের এ অনন্য বৈশিষ্ট প্রতি বর্ষায় দেশের প্লাবন এলাকা এবং নদীর বুকে ছড়িয়ে দেয় কোটি কোটি টন পলিমাটির পাহাড়। নদীগুলো আছে আগের জায়গায় এবং ক্রমাগত ভরাট হয়ে অস্তিত্ব হারাচ্ছে। তথাপি প্রধান নদী পদ্মা-যমুনা এবং মেঘনাতেই পরিবাহিত হয় বাংলাদেশ ভূখন্ডের দশ গুণ অর্থাৎ প্রায় ১৬ লাখ বর্গ কিলোমিটার এলাকার নির্গমিত পানি। নদীগুলোর পানি প্রবাহের এ সক্ষমতা বাংলাদেশসহ ভারত, চীন, তিব্বত তথা সমগ্র হিমালয় অঞ্চলের পানি নিষ্কাশনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে আছে।

পাহাড়ী উপত্যকা এবং কঠিন শীলাবিহীন নরম পলিমাটির তলদেশ নিয়ে সমতল ভূমিতে গড়িয়ে চলা পদ্মা-যমুনা এবং মেঘনায় পানির ¯্রােত বছরের বড় একটি সময় প্রায় নিথর হয়ে পড়ে। ভূখন্ডের অতি সমতল প্রকৃতিই নদীর প্রবাহ স্তিমিত করার অন্যতম কারণ। এ হল গোটা বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতির স্বাভাবিক ধরণ। গ্লোবাল ওয়ার্মিং সাগরের স্ফিতি বাড়ালে অতি সমতল ভূমিতে গড়া বাংলাদেশের বিশাল এলাকা আগামীতে জলমগ্ন এবং প্রলয়ঙ্করী ঝড়-জলোচ্ছাসের ঝুঁকিতে পড়বে। এই ভূ-পরিবেশে যুগ যুগ ধরে মানুষ বসবাস করে আসছে এবং অতি সমতলের খাঁড়া এদেশকে দিয়েছে বিশ্বের অন্যতম প্রধান বন্যা-প্রবণ এলাকার পরিচিতি। বস্তুত দেশে বাৎসরিক বন্যা যেন এক ‘স্বাভাবিক’ ঘটনা এবং বলা যায় প্রকৃতির নিয়ম মাফিক প্রবৃত্তিগত আচরণ।

এ অঞ্চলে ১৯৫০ সালের প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্প পরবর্তী পলিমাটির প্রবাহ যমুনায় নির্গমিত হয়েছে অনেক আগে এবং নদীর প্রশস্ততা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার। স্থায়ীভাবে নদীতীর সুরক্ষা কর্মসূচী সফল করতে এগিয়ে এসেছে দাতা সংস্থাগুলো এবং কাজ চলছে অনেকদিন থেকে। শুরুতে ব্যায়বহুল পাথুরে বোল্ডার অত:পর কংক্রিট ব্লক এবং পরিশেষে বিশেষজ্ঞ প্রযুক্তিবিদদের উদ্ভাবিত কম খরচের সহজ সমাধান ৭৮ এবং ১২৬ কেজির জিও স্যান্ডব্যাগ নদী ভাঙন প্রতিরোধে কাজে লাগানো হচ্ছে। তথাপি নদী ভাঙছে প্রতিবছর, বিলীন হচ্ছেঠ বিপুল অর্থ ব্যয়ে কারিগরী কৌশলে গড়া সংরক্ষিত নদী-তীরগুলোর সাথে অরক্ষিত তটরেখা। হারিয়ে যাচ্ছে অন্ত:সীমান্তে প্রবাহমান নদী ব্রহ্মপুত্র-যমুনার বাংলাদেশ অংশে ২শ ৭৬ কিলেমিটার, গঙ্গা-পদ্মার ১শ ২০ কিলোমিটার এবং অর্ধ-ডজন নদী বিধৌত মেঘনার দীর্ঘ প্রায় আড়াই শ’ কিলোমিটার এলাকায় নদীপাড়ের যাবতীয় সম্পদ। পলিমাটিতে ভারাক্রান্ত নদীবক্ষ পানি ধারণে অক্ষম হওয়ায় নদী অস্বাভাবিক ভাবে বাড়িয়ে চলেছে তার বক্ষের পরিধিÑ যা চওড়ায় গড়ে এখন প্রায় ১০ কিলোমিটার।

অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ৬শ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রধান তিন নদী তাদের ১০ কিলেমিটার চওড়া বুকে সাড়ে ছয় হাজার বর্গ কিলোমিটার ভূখন্ডের মধ্যে জবরদখল করে রেখেছে প্রায় ৪ হাজার বর্গ-কিলোমিটার ভূখন্ড।  দুর্ভাগ্যজনক ভাবে, পদ্মা-মেঘনা-যমুনার ভাঙন-প্রবণ ১ হাজার কিলোমিটার নদীতীর স্থায়ীভাবে নিরাপদ করার উদ্যোগ নেয়া হলেও ভাবা হয়নি নদীর বুকে ইতোমধ্যে স্থায়ীভাবে ঠিকানা হওয়া সব হারানো মানুষদের জমি-জিরাতের কথা। জন-বিস্ফোরণে ইতোমধ্যে নাজেহাল বাংলাদেশ কি অপদখলীয় সে মূল্যবান ভূখন্ড চিরস্থায়ীভাবে দানছত্র করে দেবে রাক্ষুসে নদী পদ্মা-যমুনা আর মেঘনাকে? নদীতীর স্থায়ীভাবে সামলানোর পাশাপাশি তাই এখন বড় বেশি দরকার নদীর করাল গ্রাসে বিলীন হওয়া সে সব জমি উদ্ধারের প্রযুক্তিগত সামর্থ্য খোঁজাÑ নদীকে বশে এনে বাধ্য করা নির্দিষ্ট পথে চলতে।

সরকার নদীভাঙন এবং বন্যা মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদী ‘ডেল্টা প্ল্যান’ নিয়ে সম্প্রতি অগ্রসর হয়েছে যার উল্লেখযোগ্য সুফল পেতে সময় লাগবে প্রায় ৩০ বছর। এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান ভূইয়া দৈনিক স্বাধীন বাংলা’কে বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে হিমালয়ান এলাকার বিপুল পরিমাণ পানি সাগরে নির্গমিত হয় বাংলাদেশের নদ-নদীর মাধ্যমে। এ কারণে এ ভূখন্ডে আদিকাল থেকে বন্যা এবং নদী ভাঙন চলে আসছে। এ থেকে দীর্ঘ মেয়াদে নিস্কৃতি পেতে সরকার ‘ডেল্টা প্ল্যান’ হাতে নিয়েছে যা শত বছরের জন্য নদী ভাঙন, বন্যা এবং এর ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় এনে দেবে।

তিনি জানান, নদীকে বাগে আনতে নদী তীর সুরক্ষা-ড্রেজিং ইত্যাদি নিয়মিত ভাবেই করা হচ্ছে। কিন্তু ভাটির দেশ বলে উজানে বেশি বৃষ্টিপাত হলে আমাদের করার কিছইু থাকে না। যেমন হয়েছে এ বছর। অরিফুজ্জামান জানান, ডেল্টা প্ল্যান নিয়ে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করছি। দেশের বার্ষিক বন্যা এবং নদী ভাঙনের দুর্যোগ স্থায়ী সমাধানে সরকারে ডেল্টা প্ল্যান দীর্ঘমেয়াদী সমাধান এনে দেবে বলে প্রত্যাশা এ প্রকৌশলীর।



সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 63        
   শেয়ার করুন
Share Button
   আপনার মতামত দিন
     জাতীয়
মোজাফফর আহমদের ১ম জানাজা অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
মোজাফফর আহমদের মরদেহে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
.............................................................................................
অক্টোবরে ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, অমীমাংসিত সমস্যা সমাধানের প্রত্যাশা
.............................................................................................
১ দিনে ১৪৪৬ রোগী হাসপাতালে ভর্তি
.............................................................................................
গাড়ি ছিনতাইয়ে অভিনব কৌশল
.............................................................................................
সেনাবাহিনীর গাড়িতে গুলি, পাল্টা গুলিতে সন্ত্রাসী নিহত
.............................................................................................
সৌদি আরবে এরও এক বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু
.............................................................................................
ভাষাসৈনিক ডা. এম এ গফুর আর নেই
.............................................................................................
এনজিওদের তৎপরতা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাধা: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
.............................................................................................
ডাক্তারসহ ৩০০ স্বাস্থ্যকর্মী ডেঙ্গু আক্রান্ত
.............................................................................................
ড্রিমলাইনার ‘গাঙচিল’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হতে পারে আজ
.............................................................................................
এডিসের লার্ভা বাড়ীতে, ২ লাখ টাকা জরিমানা
.............................................................................................
হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী
.............................................................................................
নোটিশ ছাড়া কারখানা বন্ধ : প্রতিবাদে শ্যামলীতে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ
.............................................................................................
অনিশ্চিত ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ
.............................................................................................
আজ সেই ভয়াল দিন
.............................................................................................
‘ডেঙ্গু পরিস্থিতি স্থিতিশীল’ বললেন মেয়র খোকন
.............................................................................................
আসামের নাগরিকত্ব ইস‌্যু ‘ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়’: জয়শঙ্কর
.............................................................................................
এবার ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালো পাকুন্দিয়ার যুবক রাসেল
.............................................................................................
তিন জেলায় ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু
.............................................................................................
৯৫ শতাংশ বস্তি পুড়ে ছাই
.............................................................................................
নরসিংদীতে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে দম্পতিসহ নিহত ৪
.............................................................................................
খুনিদের ফেরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা হয়েছে
.............................................................................................
গাছের সঙ্গে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল ৮ জনের
.............................................................................................
টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
.............................................................................................
সাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সংকেত
.............................................................................................
ঈদের ছুটিতে ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন আরও ২ জন
.............................................................................................
ঈদ উদযাপনে আজও ঢাকা ছাড়ছে মানুষ
.............................................................................................
ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়ে দুর্ভোগে যাত্রীরা
.............................................................................................
দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
ঈদ সামনে রেখে ডেঙ্গু বেপরোয়া
.............................................................................................
ঈদে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছেন নগরবাসী
.............................................................................................
ডেঙ্গু কেড়ে নিল আরও ৩ জনের প্রাণ
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল অন্তঃসত্ত্বা নারীর
.............................................................................................
তিন জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৫
.............................................................................................
দীর্ঘমেয়াদী ডেল্টাপ্ল্যান
.............................................................................................
ডেঙ্গু প্রতিরোধে যা যা করার আমরা তাই করবো : ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
লোকসানের আশঙ্কায় গরু ব্যবসায়ীরা
.............................................................................................
এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের কৌশল উদ্ভাবন
.............................................................................................
সোমবার পর্যন্ত বজ্র-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে: আবহাওয়া অধিদপ্তর
.............................................................................................
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মনিটরিং সেল হচ্ছে: কাদের
.............................................................................................
ঢামেকে কমেছে ডেঙ্গু রোগী, ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ৫৪
.............................................................................................
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ৫০ হাজার পুলিশ : আছাদুজ্জামান মিয়া
.............................................................................................
১২ আগস্ট পবিত্র ঈদুল আজহা
.............................................................................................
ডেঙ্গু মোকাবিলায় সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে : ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
কমলাপুরে তিল ধারণের ঠাঁই নেই
.............................................................................................
সামনে বিপদের আশঙ্কা
.............................................................................................
এ মাস শুধুই শোকের
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে মারা গেলেন এসআই কোহিনুর
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft