মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   উপসম্পাদকীয়
  বিয়ে চুক্তিতে সমতার চারা
  3, September, 2019, 1:17:14:PM

জোবাইদা নাসরীন

বিয়ে একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান। যুগ যুগ ধরে টিকে আছে এই প্রতিষ্ঠান। বিয়ে প্রতিষ্ঠানটিরও নানা ধরনের বিবর্তন হয়েছে এবং এক বিয়ে পরিবারে এসে এর চল এখন ঠেকেছে। বিয়ে প্রতিষ্ঠানটির জিইয়ে থাকা ধরন এবং এটি সম্পাদনের বিভিন্ন ধরনের চুক্তি নিয়ে সব সময়ই তর্ক-বিতর্ক চলছে সমাজ এবং রাষ্ট্রে। তবে এখন পর্যন্ত বিয়ে বিষয়ে সবচেয়ে দাপুটে থাকা সংজ্ঞা যা সমাজবিজ্ঞানীরা দেন তা হলো, বিয়ে একটি সামাজিক চুক্তি, যেটি এককভাবে দুজন নর-নারীকে সন্তান উৎপাদনের বৈধতা দেয়।

এটি বলে রাখা প্রয়োজন যে, এটি যেসব সমাজে, সব মানুষের জন্য একই অর্থ এবং ধারণা নিয়ে হাজির হবে; তা নয়, তবে এ বিয়ে সম্পাদনের ঢং নানা সংস্কৃতি, রাষ্ট্র-সমাজে নানাভাবে আছে। ধর্মীয় কায়দার বাইরে আছে রাষ্ট্রীয় কায়দা-কানুন। কিংবা কোথাও কোথাও এক সঙ্গে দুটোরই বাধ্যবাধকতা আছে। বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে মুসলিম বিয়ের যে চুক্তি, যাকে সাধারণভাবে ‘নিকাহনামা’ বা কাবিননামা বলা হয়; সেখানে একটি কলামে পরিবর্তন আনতে হাইকোর্ট একটি যুগান্তকারী রায় দিয়েছেন। যদিও রিট আবেদনের প্রায় পাঁচ বছর পর আদালত এ বিষয়ে রায় দিয়েছেন। গত ২৫ আগস্ট বিয়ের নিবন্ধনের ক্ষেত্রে কাবিনের (নিকাহনামার) ফরমের পাঁচ নম্বর কলামে উল্লিখিত ‘কুমারী’ শব্দ বাদ দিয়ে সেখানে অবিবাহিত শব্দ যোগ করার নির্দেশনা দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। শুধু তাই নয়, কাবিননামায় একই সঙ্গে নারী-পুরুষ উভয়ের তথ্য নিবন্ধনে উল্লেখ করতে বলা হয়েছে।

কাবিননামার ফরমের (বাংলাদেশ ফরম নম্বর-১৬০০ ও ১৬০১) বৈষম্যমূলক এবং রাইট টু প্রাইভেসি উল্লেখ করে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট, নারীপক্ষ এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ২০১৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর রিট আবেদনটি করে। আবেদনকারীরা যুক্তি পেশ করেন যে, কাবিননামায় শুধু কনের বৈবাহিক অবস্থা ও তথ্য সন্নিবেশিত করার জন্য অনুচ্ছেদ রয়েছে। তবে বরের বৈবাহিক অবস্থা সম্পর্কিত কোনো অনুচ্ছেদ নেই। এটা নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক। সংবিধান অনুসারে কারো প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করা যাবে না। ওই অনুচ্ছেদটি সংবিধানের ২৭, ২৮, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদ পরিপন্থি। এখানে এ তথ্যটি জানা জরুরি যে, কাবিননামার এই ফরমটি মুসলিম পারিবারিক বিবাহ আইন ১৯৬১ সালের অর্ডিন্যান্সের আলোকে করা হয়েছিল এবং এরপর এর কোনো ধরনের সংশোধনী আনা হয়নি। রিট আবেদনকারী যুক্তি পাড়েন যে, পাকিস্তান ও ব্রিটেনের ফরমে ছেলে ও মেয়ে উভয়কেই জানাতে হয় বিবাহিত, না অবিবাহিত। কিন্তু কুমারী বা তালাকপ্রাপ্ত কি না তা জানাতে হয় না।

এ রিটের পরিপ্রেক্ষিতে পাঁচ নম্বর কলাম কেন বৈষম্যমূলক ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না; তা জানতে চেয়ে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে কেন ‘কুমারী’ শব্দটি বিলোপ করে কাবিননামা সংশোধন করা এবং বরের বৈবাহিক অবস্থা সম্পর্কিত কোনো ক্রমিক কাবিননামায় উল্লেখ করা হবে না; তাও জানতে চাওয়া হয়েছিল। তবে এর আগেও বিয়ের কাবিনের (নিকাহনামার) ফরমে কনে কুমারী, বিধবা ও তালাকপ্রাপ্ত সংক্রান্ত পাঁচ নম্বর কলাম থাকার বৈধতা নিয়ে রিট করা হয়।

কেন ‘কুমারী’ শব্দটি নিয়ে আপত্তি তোলা হয়েছে এবং কেন এই কুমারী শব্দটিকে বাদ দেওয়াকে যুগান্তকারী এবং গুরুত্বপূর্ণ রায় বলা হচ্ছে এতে নারীরা আসলে কী ধরনের স্বস্তিবোধ করছেন কিংবা কীভাবে এটি নারীকে বিয়ে প্রতিষ্ঠানের চুক্তির মধ্যে সমতার পরিসর দিল কতগুলো সুনির্দিষ্ট কারণ এর সঙ্গে জড়িত। প্রথমত. একজন মেয়ে কুমারী, বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত কি না; এটা একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। এ তথ্য কাবিননামায় লেখার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। কাবিননামায় ছেলেদের এ রকম কোনো কিছু লিখতে হয় না। শুধু নারীদের বেলাতেই এটি রাখা হয়েছে। তাই এটি একটি বৈষম্যমূলক কলাম।

কুমারী শব্দের মধ্য দিয়ে একজন নারীর বিয়ে-পূর্ব যৌন অভিজ্ঞতার ইতিহাস আছে কি না; সে বিষয়েও ইঙ্গিত করা হয়, কারণ কুমারী শব্দটি দিয়ে একভাবে ‘অবিবাহিত’ ইঙ্গিত করলেও আমরা জানি যে, এর নানা ধরনের সামাজিক অর্থ রয়েছে এবং একজন নারীকে বিচার করার জন্য সেটি নানা ধরনের সামাজিক অবস্থা তৈরি করতে পারে এবং যা নারীর জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে। এর বাইরে বিয়ের মতো একটা চুক্তিতে ব্যক্তিগত তথ্যের নথিভুক্ত দলিলীকরণ মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকারকে ক্ষুণ্ন করে। এই রায়ের আগে গত ৬ জুলাই হাইকোর্টে এ রিটের শুনানি হয়। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিবের কাছে এ বিষয়ে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মতামত জানতে চান।

হাইকোর্টের এ গুরুত্বপূর্ণ রায়ের আরেকটি বিশেষ দিক রয়েছে। চুক্তিপত্রে বিয়ে করতে সম্মত হওয়া দুজন সাবালক ব্যক্তির বৈবাহিক অবস্থা জানানোর ক্ষেত্রে সমতার জমিন রাখার জন্য রায় দেওয়া হয়েছে। সেজন্য কাবিননামার চার নম্বর কলামে আনা হয়েছে সংযোজন। পুরুষের জন্য ‘ক’ সংযুক্ত করে ছেলেদের ক্ষেত্রে বিবাহিত, বিপত্নীক ও তালাকপ্রাপ্ত কি না; তা সংযুক্ত করতে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আর এ সংযোজন কাবিননামায় বিয়ে-সংক্রান্ত ব্যক্তিগত নথি প্রকাশের ক্ষেত্রে বিয়ে চুক্তিবদ্ধ আগ্রহী দুজন ব্যক্তির। তবে মুসলিম বিয়ে চুক্তিতে আরেকটি কলাম রয়েছে; যেটিরও সংস্কার জরুরি। যেটি বিয়েবিচ্ছেদ সংক্রান্ত কলাম।

কাবিননামার ১৮ নম্বর কলামে রয়েছে তালাকের অধিকার প্রসঙ্গে। স্পষ্ট ভাষায় বলতে গেলে স্বামী স্ত্রীকে তালাকের অধিকার দেবেন কি না, সে প্রসঙ্গ। সেই কলাম অনুযায়ী স্বামী যদি স্ত্রীকে বিয়েবিচ্ছেদের ক্ষমতা অর্পণ করে থাকেন, তবেই সে ক্ষমতার বলে স্ত্রী স্বামীর কাছ থেকে বিচ্ছেদ চাইতে পারেন এবং এ ক্ষেত্রে স্ত্রী আদালতের আশ্রয় ছাড়াই স্বামীকে তালাক দিতে পারেন। স্বামী যদি এ ঘরটি পূরণ না করেন অর্থাৎ কোনো কিছুই উল্লেখ না করেন অথবা কেবল সীমাবদ্ধ কিছু ক্ষেত্র উল্লেখ করে এই তালাক প্রদানের ক্ষমতা প্রদান করেন, তখন স্ত্রীর তালাক প্রদান করার ক্ষমতা সীমিত হয়ে যায়। তখন স্ত্রী স্বামীকে তালাক দিতে চাইলে তাকে আদালতের আশ্রয় নিতে হয়। যেখানে দুই পক্ষেরই তালাক দেওয়ার সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে; সেখানে কাবিননামায় স্ত্রীর তালাকের অধিকার স্বামীর দেওয়া ক্ষমতার ওপর কেন নির্ভরশীল থাকছে এবং এটিও একটি বৈষম্যমূলক কলাম। অনেক সময়ই এই ঘরটি ফাঁকা রাখেন অনেক ছেলে, যার কারণে পরবর্তী সময় আদালতে গিয়ে বিয়েবিচ্ছেদের মামলা করতে হয় নারীকে।

এখন প্রশ্ন হলো, বিয়ে এবং বিচ্ছেদের অধিকার যদি সবার থাকে; তাহলে সেটি কেন পুরুষ কর্তৃক অর্পিত ক্ষমতাবলে হবে এটিও একটি অসম্মানজনক ধারা। অনেকেই হয়তো যুক্তি দেবেন যে, যেহেতু নারীর জন্য বিবাহবিচ্ছেদের অন্য সুযোগও রয়েছে; তাই কাবিননামায় থাকা এই কলাম হয়তো খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমি মনে করি, বিয়ে চুক্তিনামায় একসঙ্গে জীবন ভোগের প্রত্যাশী দুজন ব্যক্তির সমতা ধর্মীয় আইনের ভিত্তিতে নিশ্চিতভাবেই ভিন্ন অর্থ বহন করে এবং এটি কাক্সিক্ষত। কারণ চুক্তিতে থাকা অসমতার জায়গাগুলো থেকে যদি আমরা নিজেদের সরাতে না পারি; তাহলে যাপিত জীবনে সেটি চর্চা করা অনেকের পক্ষেই কঠিন হয়ে পড়ে। চুক্তিতে থাকলেই সম্পর্কগুলো সমতার হবে হয়তো তাও নয়, তবুও চেষ্টা এবং চিন্তার জায়গাগুলো স্পষ্ট করে চেনা জরুরি।



সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 30        
   শেয়ার করুন
Share Button
   আপনার মতামত দিন
     উপসম্পাদকীয়
সবার জন্য নিশ্চিত হোক নিরাপদ পানি
.............................................................................................
বিয়ে চুক্তিতে সমতার চারা
.............................................................................................
সভ্যতার সংকট : সামাজিক অবক্ষয়
.............................................................................................
প্রবৃদ্ধি অর্জনে আঞ্চলিক বাণিজ্যের গুরুত্ব
.............................................................................................
আরো কমেছে ধানের দাম
.............................................................................................
সরকারের ৬ মাস : একটি পর্যালোচনা
.............................................................................................
নয়ন বন্ড বনাম সামাজিক নিরাপত্তা
.............................................................................................
প্রাথমিক শিক্ষায় সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য
.............................................................................................
এত নিষ্ঠুরতা-অমানবিকতা আর সহ্য হয় না
.............................................................................................
সামনে আলো ঝলমল দিন, দুর্নীতির অন্ধকারে যেন হারিয়ে না যায়
.............................................................................................
করারোপ বাড়িয়ে তামাক রোধ কি সম্ভব?
.............................................................................................
শিক্ষা পণ্যের বিশ্বায়ন
.............................................................................................
গণপরিবহন কবে নিরাপদ হবে
.............................................................................................
জামায়াতীদের নাগরিক মর্যাদা
.............................................................................................
অার নয় যৌতুক
.............................................................................................
আমাদের গণতন্ত্রের অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যত
.............................................................................................
১৭ নভেম্বর মওলানা ভাসানীর মাজার, জনতার মিলন মেলা
.............................................................................................
পুলিশের ভালো-মন্দ এবং অতিবল
.............................................................................................
চালে চালবাজী: সংশ্লিষ্টদের চৈতন্যোদয় হোক
.............................................................................................
একাদশ সংসদ নির্বাচন, ভোটাধিকার এবং নির্বাচন কমিশন
.............................................................................................
নির্বাচনে সেনা মোতায়েন প্রত্যাশা এবং সিইসির দৃশ্যপট
.............................................................................................
৩ মাসের মধ্যে ধর্ষকের ফাঁসি এবং বিজয় বাংলাদেশ
.............................................................................................
শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও বাংলাদেশ
.............................................................................................
মানবিক মূল্যবোধ বিনষ্ট হলে মানুষ পশু সমতুল্য হয়ে পড়ে
.............................................................................................
ফিরে ফিরে আসে ১৫ আগস্ট : কিন্তুু যা শেখার ছিল তা শেখা হলো না
.............................................................................................
ক্ষুদ্রঋণ সহায়তার নামে সুদখোরদের অত্যাচার কবে বন্ধ হবে
.............................................................................................
খেলাপি ঋণের অভিশাপ মুক্ত হোক ব্যাংক খাত
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও ১৫ আগষ্ট
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের সূচনাপর্বই ছিল ঘটনাবহুল
.............................................................................................
জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে আত্মসন্তুষ্টির অবকাশ নেই
.............................................................................................
সার্টিফিকেট নির্ভর নয়, মানসম্পন্ন শিক্ষা জরুরি
.............................................................................................
বাজেট তুমি কার
.............................................................................................
শিক্ষাক্ষেত্রে মায়ের ভূমিকা
.............................................................................................
জাতীয় সংসদ নির্বাচন: দেশী ও বিদেশীদের ভাবনা
.............................................................................................
দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধ হবে কি?
.............................................................................................
হুমকির মুখে গার্মেন্টস শিল্প, কমছে বৈদেশিক আয়
.............................................................................................
ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার গ্রামীণ জনগোষ্ঠির মাঝে আশার আলো
.............................................................................................
নিরপেক্ষ গণমাধ্যম জাতির প্রত্যাশা
.............................................................................................
নারীর উন্নয়নে দেশের উন্নয়ন
.............................................................................................
ভূমিকম্প মোকাবেলায় প্রয়োজন সচেতনতা
.............................................................................................
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো
.............................................................................................
ভূমিকম্পকে ভয় পেলে চলবে না
.............................................................................................
সিইসির বিদায় বেলায় জেলা পরিষদ ও নাসিক নির্বাচন
.............................................................................................
বিজয় দিবস বাঙালির শৌর্য-বীর্যের প্রতীক
.............................................................................................
পাকিস্তানের কূটনৈতিক পরাজয়
.............................................................................................
আইএস বিতর্কের অন্তরালে
.............................................................................................
তেলের মূল্য কমানোর সুফল কার পকেটে ?
.............................................................................................
চাই নিরক্ষরমুক্ত আত্মনিভর্রশীল ডিজিটাল বাংলাদেশ
.............................................................................................
পশ্চিমবঙ্গ: কালো তাড়াই কালো আসবে নতুন আলো...
.............................................................................................
মধ্যপ্রাচ্যে নারী নির্যাতন, আইয়্যামে জাহেলিয়ার দৃশ্যপট
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft