শনিবার, ২২ জানুয়ারী 2022 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   ফিচার
  প্রচারবিমুখ এক বীর মুক্তিযোদ্ধা ‘মেজর ওয়াকি’
  15, December, 2021, 3:53:17:PM

আবুজার বাবলা, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার)
মেজর (অব.) আলী ওয়াকি উজ-জামান। স্বাধীনতা যুদ্ধকালিন ভারতের কৈলাশ শহর সাব-সেক্টর কমান্ডার। তিঁনি ১৯৭১ এর ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধে মৌলভীবাজার সীমান্ত এলাকায় বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে মুক্তিবাহিনী সংগঠিত ও আঞ্চলিক পর্যায়ে সফল নেতৃত্ব দিয়ে তিঁনি মিত্র বাহিনীর ব্যাপক সুনাম অর্জন করেন। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কৈলাশ শহর সংলগ্ন হওয়ায় এটি কৈলাশ শহর সাব- সেক্টর নামকরণ করা হয়। যুদ্ধ পরবর্তি সময়ে অবশ্য এর নাম মৌলভীবাজার করা হয়। মেজর আলী ওয়াকি উজ্জামান এই সাব সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন।

কৈলাশ শহর সাব-সেক্টরে যোগদানের পর চুড়ান্ত বিজয় পর্যন্ত তিঁনি কুলাউড়া উপজেলার শরিফপুর ইউনিয়নের নৌখোঁজার দখল ধরে রাখতে সক্ষম হন। নৌখোঁজার অবস্থান ছিল উভয় পক্ষের কাছে এ অঞ্চলের ভৌগলিক ও কৌশলগত খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তাঁর নেতৃত্বে ৭১ সালে শমসেরনগর চা কারখানায় পাক সেনা ক্যাম্প আক্রমন, সিলেটের নাইরপুল এলাকায় টেলিফোন ডিপি পাওয়ার স্টেশন ধ্বংস, কমলগঞ্জ মনু ব্রীজ দখলের মতো সফল অভিযানের নেতৃত্ব দেন এই সামরিক অফিসার। যুদ্ধকালিন গুরুত্বপূর্ণ ভৌগলিক অঞ্চল নৌখোঁজা এলাকার দখল ধরে রাখার কৃতিত্বের জন্য তিঁনি মিত্র বাহিনীর প্রশংসা অর্জন করেন। ৪নং সেক্টর কমান্ডার চিত্ত রঞ্জন দত্ত মেজর (অব.) আলী ওয়াকি উজ-জামান  সম্পর্কে তার আত্ম জীবনীতে বলেছেন-‘ কৈলাশ শহর সাব-সেক্টর কমান্ডার লে. ওয়াকিউ উজজামান নয় মৌজায় বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত এত বড় একটি এলাকা মুক্ত ও  দখল ধরে রাখার জন্য এই তরুণ অফিসারকে প্রশংসা না করে পারা যায় না। এই সাব সেক্টর ডিসেম্বরের দিকে ফেঞ্চুগঞ্জ মুক্ত করে সিলেটের দিকে এগিয়ে গিয়েছিল এবং ভারত যখন যুদ্ধ ঘোষনা করলো তখন এই সাব সেক্টর ভারতের ৫৯ ভারতীয় বিগ্রেডের সঙ্গে সিলেটে প্রবেশ করেছিল’।

কৈলাশ শহর সাব-সেক্টর হেডকোয়ার্টার কুলাউড়া থানার শরিফপুর ইউনিয়নের নৌখোঁজা সীমান্তে একটি কাস্টম পোস্ট ছিল। নৌখোঁজার নয়টি গ্রাম দখল করে সাব-সেক্টর হেডকোয়ার্টার স্থাপন করে এলাকাটি শত্রু মুক্ত রাখার কৃতিত্ব প্রতিষ্ঠায় আলী ওয়াকি উজ্জামানের দুঃসাহসিকতার পরিচয়।

মেজর আলী ওয়াকিউজ জামান ১৯৪৯ সালের ১৩ এপ্রিল ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে জন্মগ্রহন করেন। গ্রামের বাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজারে। বাবা সুবেদার মেজর (অবঃ) নাইমুজ্ জামান চৌধুরী পাকিস্তানী আর্মি অফিসারের চাকুরীর সুবাদে তিঁনি চট্টগ্রাম ফৌজদারহাট ক্যান্টঃ পাবলিক স্কুল, কক্সবাজার সেন্ট্রাল গভর্মেন্ট এবং পরবর্তিতে রাওয়ালপিন্ডির একটি কলেজে পড়াশুনা করেন। কুমিল্লা ক্যান্টঃ স্কুল থেকে এসএসসি, রাওয়ালপিন্ডি গভর্মেন্ট কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং সেখান থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। ২৫ মার্চের পরবর্তি পরিস্থিতিতে পাক আর্মি অফিসারদের নজর এড়িয়ে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে মেজর আলী ওয়াকি উজ্জামানের পরিবার ভারতের করিমগঞ্জের মাদ্রাসায় স্থাপিত একটি শরনার্থী শিবিরে আশ্রয় নেন। সেখান থেকে মুক্তি বাহিনীতে নাম লেখান। ভারতের মূর্তি ক্যাম্পে দীর্ঘ সময় সামরিক প্রশিক্ষন গ্রহন করে কমিশন লাভ করেন। এরপর ভারত থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে তিনি পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে সামরিক তৎপরতা ও একাধিক দু:সাহসিক অভিযান পরিচালনা করেন। সিলেট শহরে পাক বাহিনীর সামরিক তথ্য সংগ্রহ ও নাইরপুল টেলিফোর একচেঞ্জ ডিপি বক্স ধ্বংসের মতো দু:সাহসিক আলোচিত অভিযানের সফল নেতৃত্ব দেন। ভারতের মূর্তি ক্যাম্পে গেরিলা ও গোয়েন্দা সামরিকে পরবর্তিতে তাকে মুক্তিযুদ্ধের ৪ নং সেক্টরে সংযুক্ত করে সাব সেক্টর মর্যদায় ভারতের কৈলাশ শহর সাব সেক্টরে প্রেরণ করা হয়।

ব্যক্তি জীবনে খুবই আত্মপ্রচারণা বিমূখ। বর্তমানে আমেরিকা বসবাস করছেন। সম্প্রতি দেশে এসছেন পারিবারিক কাজে। পায়ে যুদ্ধের ক্ষত চিহ্ন। চলাফেরা করেন হুইল চেয়ারে। গত ১৫ ডিসেম্বর সিলেট নগরীর সেনপাড়া বাসভবনে কথা হয় এই বীর মুক্তিযোদ্ধার সাথে। যুদ্ধের প্রসঙ্গ আসতেই আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। বলেন, ‘সে অনেক কথা। আব্বা বাঙ্গালি মিলিটারী অফিসার ছিলেন- যে কারণে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চে ভাষনের পর পাক সেনা কর্মকর্তাদের বাসায় আনাগোনা বেড়ে যায়। এটা খুবই উদ্বেগের ছিল। সবকিছু বিবেচনায় ভেতরে ভেতরে আব্বা মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিতে প্রস্ততি নিচ্ছিলেন। কিন্তু  সেই সময়ে এমন সিদ্ধান্ত নেয়াটা ছিল দু:সাহসিক চ্যালেঞ্জ। সব কিছু উপক্ষো করে অনেক ঝড় ঝাপটা পেড়িয়ে আব্বা আমাদের ভারতীয় সীমান্তে নিয়ে গেলেন। ক্লান্তিকর যাত্রা শেষে ভারতের করিমগঞ্জ শরনার্থী শিবিরে আশ্রয় নিলাম। কিন্তু কে জানতে সেখানে আমাদের জন্য আরেক বিপদ অপেক্ষা করছিল। বাবা পাক আর্মি অফিসার হওয়ায় ভারতীয় সামরিক গোয়েন্দাদের নজর বন্দী ছিলাম অনেকদিন। তবে, শরনার্থী শিবিরে মানুষের দুর্দশা দেখে প্রচন্ড ঘৃণা থেকে জন্ম নেয়া প্রতিশোধের আভিপ্রায়ে হানাদারদের রুখে দাঁড়াবার জন্য উদ্গ্রিব হয়ে পড়ি। অনেক দিনের লালিত ইচ্ছা জন্মভুমি পূর্ব বাংলাকে পাকিস্তানী হায়েনাদের কবল থেকে মুক্ত করার। আব্বা মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেয়ার পর মায়ের চোখে পানি রেখে আমি মুক্তিবাহীনিতে যোগ দিলাম। পরর্বিতে মিত্র বাহিনীর ইকো সেক্টর হেড-কোয়ার্টার ও ভারতীয় ডিভিশন হেড কোয়ার্টারের অপারেশন বিভাগ থেকে গেরিলা ও গোয়েন্দা বিষয়ক বিভিন্ন রণ কৌশলের উপর  সামরিক প্রশিক্ষণ ও কমিশন্ড লাভ করি’।

তিনি বলেন, ‘৯ মাসের মরনপণ যুদ্ধ শেষে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর একজন যোদ্ধা হিসেবে গর্বে বুকটা ভরে উঠে। পাশাপাশি যুদ্ধে হারানো অনেক সহযোদ্ধাকে মনে পড়ে’। তিনি বলেন, ‘এটুকু প্রত্যাশা- এই শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ আমরা যেন কখনো ভুলে না যাই’।

যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে মেজর আলী ওয়াকি উজ্জামান দেশ গঠনে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আহবানে বাংলাদেশ সেনাবহিনীতে যোগদেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৮ বেঙ্গল রেজিমেন্ট’র প্রতিষ্ঠিাতা এ্যাডজুটেন্ড ও প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২-৭৩ সালে সৈয়দপুর ১৭ বেঙ্গল রেজিমেন্ট’র কোয়ার্টার মাষ্টার নিযুক্ত হন। এসময় তিনি নওগাঁ জেলার আত্রাই এলাকায় নকশাল বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক সফল অভিযান পরিচালনা করেন। ৭৪ সালে যশোর ১২ বেঙ্গল রেজিমেন্ট’র অধীন কমান্ডো ট্রেনিং সম্পন্ন করেন। এসময় শিপাহী বিপ্লব দমনে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট’এ সংযুক্ত করা হয় তাঁকে। রংপুর ২৪ বেঙ্গল রেজিমেন্ট’র উপ-প্রধান অধিনায়ক, সৈয়দপুর আর্মি এডুকেশন এডমিনিষ্ট্রেশন ইনষ্টিটিউট এর প্রশাসক ও প্রশিক্ষকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তিঁনি। ১৯৮৩ সালে সেনাবহিনী থেকে অবসরে আসেন। ব্যক্তি জীবনে ২ পুত্র সন্তানের জনক মেজর আলী ওয়াকিউজ জামান ২০১১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্টের নাগরিকত্ব লাভ করলে কনিষ্ঠ ছেলে ওয়াসিমুজ জামান রণি ও গৃহিনী স্ত্রী ফৌজিয়া জামান সমেত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।



   শেয়ার করুন
   আপনার মতামত দিন
     ফিচার
বৈদ্যুতিক বিবর্তনে বিলুপ্ত গ্রামীণ হ্যাজাক, হারিকেন ও কুপি
.............................................................................................
বাহারি ফুলে রঙ্গিন ইবি ক্যাম্পাস
.............................................................................................
হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী বেত শিল্প
.............................................................................................
হলুদ চাদরে ঢেকে আছে মাঠ
.............................................................................................
ধার করা ক্যামেরায় বানানো সিনেমাটি জিতলো কান চলচ্চিত্র পুরস্কার
.............................................................................................
সাতক্ষীরায় হলুদ চাষে কৃষকের বাম্পার ফলনের আশা
.............................................................................................
প্রচারবিমুখ এক বীর মুক্তিযোদ্ধা ‘মেজর ওয়াকি’
.............................................................................................
নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অপরূপ সাজে বিস্তীর্ণ মাঠ
.............................................................................................
মেহেদী পরিয়ে আয় করছেন নুসরাত মারিয়া
.............................................................................................
কুমড়ার বড়ি তৈরীতে ব্যস্ত গৃহিনীরা
.............................................................................................
হাট-বাজারে পিঠা উৎসব
.............................................................................................
বরিশালে শীতের আগামনে ভাপা পিঠা বিক্রির ধুম
.............................................................................................
গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী হাওয়াই মিঠাই বিক্রেতাদের আর দেখা মেলে না
.............................................................................................
বিদেশি জাতের তরমুজ চাষে শিক্ষকের সফলতা
.............................................................................................
শাপলার রাজ্য বরিশাল
.............................................................................................
বরিশালের আমড়া খেতে ভারি মজা!
.............................................................................................
জাতীয় চারুকলা প্রদর্শনীতে জবি শিক্ষার্থীর চিত্রকর্ম
.............................................................................................
এক সফল গরু খামারী জিয়া উদ্দিন মজুমদার
.............................................................................................
করোনায় করুণ কাহিনি
.............................................................................................
বাড়ছে লিথিয়ামের চাহিদা
.............................................................................................
সরকারি কর্মকর্তাদের শাস্তি হিসেবে বান্দরবান পাঠানোর কারণ
.............................................................................................
ঘরেই তৈরি করুন চিলি চিকেন
.............................................................................................
বিলুপ্তর পথে শেরপুরের আদিবাসীদের তাঁতশিল্প
.............................................................................................
প্রযুক্তি নির্ভর দুনিয়ায় অপার সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র ‘ফ্রিল্যান্সিং’
.............................................................................................
দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে কাঠের তৈরি এই ৫ তলা বাড়ি
.............................................................................................
শীতের শুরুতে জকিগঞ্জের ফুটপাতে পিঠা বিক্রির ধুম
.............................................................................................
সাজেক সে তো মেঘের রাজ্য
.............................................................................................
পুরুষরা স্ত্রীর কাছে যেসব সত্য গোপন করেন
.............................................................................................
আঙ্গুলের নখ বলে শরীরে অসুখের উপস্থিতি
.............................................................................................
কিশোরগঞ্জে বিদ্যুৎস্পষ্টে ২ কিশোরের মৃত্যু
.............................................................................................
ফোন খরচ বাঁচিয়ে পথ শিশুদের খাবার বিতরণ!
.............................................................................................
প্রবাসীদের ‘ঈদ’ এর পেছনের গল্প
.............................................................................................
ঈদে গরুর মাথার মাংস রান্নার রেসিপি
.............................................................................................
পরিশ্রমের কাছে মেধা চির অসহায়
.............................................................................................
ফুলের সুবাস মিষ্টি কেন ?
.............................................................................................
বিশ্ব বাবা দিবস আজ
.............................................................................................
বিলুপ্তির পথে মিঠাপুকুরে ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প
.............................................................................................
ফ্লোরা ফেস্টিভ্যালঃ বাসায় বসে বাগানের রিভিউ দিন
.............................................................................................
সিলেটি খাবার ফরাসের বিচি
.............................................................................................
ইন্টারভিউতে সফল হওয়ার উপায়
.............................................................................................
‘মামা হালিমের’ মামার খোঁজে
.............................................................................................
এসি ছাড়াই এসির হাওয়া!
.............................................................................................
তরমুজ খান-সতেজ থাকুন
.............................................................................................
বাঁচতে হলে জেনে নিন, বজ্রপাতের সময় ভুলেও যা করবেন না
.............................................................................................
দেশেই চাষ হচ্ছে বিদেশী ফসল ‘চিয়া’
.............................................................................................
ঘরেই তৈরি করুন আলুর চিপস
.............................................................................................
কাপাসিয়া ধাঁধার চর সৌন্দর্যের এক লীলাভূমি
.............................................................................................
দিনে ৬টির বেশি সেলফি, ‘সেলফাইটিসের’ রোগী
.............................................................................................
বিলুপ্তি প্রায় চড়ুই পাখি
.............................................................................................
গোপালগঞ্জে উড়োজাহাজ বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিলেন আরমান
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT