বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর 2022 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   তথ্য -প্রযুক্তি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
টুইটারের ৫০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই

তথ্য-প্রযুক্তি ডেস্ক : জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জনপ্রিয় মাইক্রোব্লগিং ওয়েবসাইট টুইটারের মালিকানা এখন ধনকুবের ইলন মাস্কের হাতে। টুইটার কিনে নিতে না নিতেই ঘোষণা দিয়েছিলেন কর্মী ছাটাইয়ের। শুক্রবার থেকে কর্মী ছাটাই শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়েছে। সেইসঙ্গে সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে এর সব অফিস।

একটি অভ্যন্তরীণ নথির বরাত এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক ৪৪ বিলিয়ন ডলারে টুইটার কেনার পর ছাঁটাইয়ের আগে টুইটারে কর্মীর সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৫০০ জন।

অভ্যন্তরীণ নথির বরাত দিয়ে এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ৫০ শতাংশ কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। পাশাপাশি কর্মীদের অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে প্রবেশের সুবিধাও বাতিল করা হয়েছে। গ্রাহকদের তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার অঞ্চলের টুইটারের পাবলিক পলিসির পরিচালক মাইকেল অস্টিন বলেন, ঘুম থেকে উঠে খবর পেলাম যে আমার টুইটারে কাজ করার সময় শেষ হয়ে গেছে। আমার খুব মন খারাপ।

কেবল কর্মী ছাঁটাই নয়, টুইটারের ‘ব্লু-টিক’ বা ভেরিফিকেশনের জন্য মাসিক ফি নেয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন ইলন মাস্ক। তিনি জানান, এখন থেকে ব্লু-টিকের জন্য মাসে ৮ ডলার করে দিতে হবে টুইটার ব্যবহারকারীদের।

টুইটারের খরচ কমানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্র জানায়, প্রতি বছর ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি অবকাঠামোগত খরচ সাশ্রয়ের উপায় খুঁজতে ইতোমধ্যে কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন মাস্ক।

টুইটারের ৫০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই
                                  

তথ্য-প্রযুক্তি ডেস্ক : জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জনপ্রিয় মাইক্রোব্লগিং ওয়েবসাইট টুইটারের মালিকানা এখন ধনকুবের ইলন মাস্কের হাতে। টুইটার কিনে নিতে না নিতেই ঘোষণা দিয়েছিলেন কর্মী ছাটাইয়ের। শুক্রবার থেকে কর্মী ছাটাই শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়েছে। সেইসঙ্গে সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে এর সব অফিস।

একটি অভ্যন্তরীণ নথির বরাত এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক ৪৪ বিলিয়ন ডলারে টুইটার কেনার পর ছাঁটাইয়ের আগে টুইটারে কর্মীর সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৫০০ জন।

অভ্যন্তরীণ নথির বরাত দিয়ে এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ৫০ শতাংশ কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। পাশাপাশি কর্মীদের অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে প্রবেশের সুবিধাও বাতিল করা হয়েছে। গ্রাহকদের তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার অঞ্চলের টুইটারের পাবলিক পলিসির পরিচালক মাইকেল অস্টিন বলেন, ঘুম থেকে উঠে খবর পেলাম যে আমার টুইটারে কাজ করার সময় শেষ হয়ে গেছে। আমার খুব মন খারাপ।

কেবল কর্মী ছাঁটাই নয়, টুইটারের ‘ব্লু-টিক’ বা ভেরিফিকেশনের জন্য মাসিক ফি নেয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন ইলন মাস্ক। তিনি জানান, এখন থেকে ব্লু-টিকের জন্য মাসে ৮ ডলার করে দিতে হবে টুইটার ব্যবহারকারীদের।

টুইটারের খরচ কমানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্র জানায়, প্রতি বছর ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি অবকাঠামোগত খরচ সাশ্রয়ের উপায় খুঁজতে ইতোমধ্যে কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন মাস্ক।

ব্যান্ডউইথ রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
ব্যান্ডউইথ রপ্তানি করে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সুযোগ বাংলাদেশের সামনে। প্রথম ও দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের সক্ষমতা বাড়ছে। প্রস্তুত হচ্ছে তৃতীয়টিও। যোগ হয়েছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট। বাড়ছে ব্যান্ডউইথ। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বাকিটা রপ্তানি করতে চায় সরকার। দেশজুড়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা ছড়িয়ে দিতে ২০০৯ সাল থেকেই ব্যাপক পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে সরকার। এরই মধ্যে সাফল্যও এসেছে অনেক। প্রত্যন্ত এলাকা পর্যন্ত পৌঁছে গেছে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রচেষ্টার যৌক্তিকতাও তুলে ধরছে বদলে যাওয়া বাংলাদেশ।

গোটা প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছে একাধিক সাবমেরিন কেবল ও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট। এসবের কল্যাণেই চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি ব্যান্ডউইথের মালিক এখন বাংলাদেশ। যা রপ্তানি করার লক্ষ্য সরকারের। কক্সবাজার ও কুয়াকাটায় দেশের প্রধান দুটি ল্যান্ডিং স্টেশন থেকে পাওয়া ব্যান্ডউইথ সীমিত পরিসরে রপ্তানি হচ্ছে। তবে আগামী কয়েক বছরে এ খাতের চাহিদা ও রপ্তানিতে নতুন বিপ্লব ঘটার প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

এশিয়াসহ আফ্রিকা ও ইউরোপের অনেক দেশ হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের ব্যান্ডউইথের বড় ক্রেতা। এরই মধ্যে ভারত, সৌদি আরব ও ফ্রান্সে ব্যান্ডউইথ রপ্তানি হচ্ছে। প্রক্রিয়ায় আছে মালয়েশিয়াসহ কয়েকটি দেশ। বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানীর এমডি আজম আলী বলেন, “আমাদের ৯৫ শতাংশ ক্যাপাসিটি সিঙ্গাপুরে। ওইটা পড়ে থাকায় যখন কিছু সুযোগ পাই তখন কিছু রিচ দেওয়া যায়।”

বর্তমানে দেশে ব্যান্ডউইথের চাহিদা প্রায় ৪ হাজার জিবিপিএস। ২০২৫ সালে হবে ১৩ হাজার ২শ’ আর ২০৩০ সালে চাহিদা দাঁড়াবে ৩০ হাজার জিবিপিএসে। কিন্তু প্রথম ও দ্বিতীয়টি বাদে এসময়ে শুধু তৃতীয় সাবমেরিন কেবল থেকেই মিলবে ১৩ দশমিক ২ টিবিপিএস ব্যান্ডউইথ। আজম আলী আরও বলেন, “প্রথমে ছিল ৭.৫ জি সেটাই তখন এটা মনে হতো কিভাবে ব্যবহার হবে। তারপরে আসে ২.৩ ট্যারা, এখন আরেকটি এসেছে ১৩.২ ট্যারা।”

চাহিদা এবং দেশের স্বার্থরক্ষা করেই অব্যবহৃত ব্যান্ডউইথ রপ্তানিতে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, “আমরা একটা ক্যাবলের পরিবর্তে দুটা ক্যাবল দিয়েছি। যাতে খরচ বেড়েছে ২শ’ কোটি টাকা কিন্তু ক্যাপাসিটি ডাবল হয়ে গেছে। এই ক্যাপাসিটি উন্নতি করাটা বাংলাদেশের ২০৩৫ সাল পর্যন্ত ব্যান্ডউইথের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি করতে পারবো।” ব্যান্ডউইথের সঠিক ব্যবহার দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এগিয়ে নেবে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রচেষ্টাকেও। এমনটাই প্রত্যাশা বিশ্লেষকদের।

জুকারবার্গকে দিয়ে ফেসবুকের উন্নতি হবে না : বিল জর্জ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুক ধ্বংসের জন্য এর প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গই দায়ী। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বিল জর্জ এমন দাবি করেছেন।

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে হার্ভার্ডের ওই অধ্যাপক বলেন, ‘আমি মনে করি, যতদিন উনি আছেন ফেসবুকের বিশেষ কোন উন্নতি হবে না। যে সব কারণে অনেকেই ফেসবুক ছেড়ে দিচ্ছেন, তার মধ্যে অন্যতম কারণ উনি নিজে। উনি সত্যিই দিগভ্রষ্ট হয়ে গিয়েছেন।’ সম্প্রতি জর্জ তার ‘অথেন্টিক’ নামের বইয়ে দাবি করেছেন, যে ‘খারাপ’ বসদের জন্য প্রতিষ্ঠান ডুবে, তার অন্যতম উদাহরণ জুকারবার্গ।

মোট পাঁচটি ধরনের কথা তিনি বলেছেন। যার মধ্যে তিনটি ধরনই মিলে যায় জুকারবার্গের সঙ্গে। যার মধ্যে একটি ধরন হলো সবসময় ব্যর্থতার জন্য অন্যদের দায়ী করা। দ্বিতীয়টি হল, কারও পরামর্শ শুনতে না চাওয়া। তৃতীয়ত, নিজের পিঠ নিজে চাপড়ানো। অর্থাৎ সব সময় নিজেকে বড় করে দেখানো।

এত সমালোচনার মধ্যেও ভালো দিকটি হল, জুকারবার্গকে খারাপ বসদের সবকটি ক্যাটাগরিতে ফেলেননি ওই অধ্যাপক। জর্জ জানিয়েছেন, মার্ক চাইলে নিজেকে পালটে ফেলতে পারেন। যদিও এই বিপুল সাফল্যের পর তা করা কঠিন।

জর্জের পরামর্শ, সাময়িক ভাবে সবকিছু থেকে নিজেকে সরিয়ে বিশ্রাম নিন জুকারবার্গ। সেই সঙ্গে নিজের মূল্যবোধ ও অন্য বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তা করুন। তারপর সব কিছু নতুন করে শুরু করতে হবে।

বেড়েছে পৃথিবীর গতি, কমছে দিনের দৈর্ঘ্য
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
আশংকাজনকভাবে বেড়েছে পৃথিবীর গতি। ফলে ২৪ ঘণ্টার চেয়েও কম সময়ে দিন হচ্ছে। ২০২২ সালের ২৯ জুন দ্রুততম গতিতে এক পাক সম্পন্ন করে পৃথিবী। গত ২৬ জুলাইও ২৪ ঘণ্টার থেকে ১.৫০ মিলিসেকেন্ড কম সময়ে এক বার পাক খেয়েছে পৃথিবী। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ২৯ জুন পৃথিবীর গতি এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে, ২৪ ঘণ্টার চেয়ে ১.৫৯ মিলিসেকেন্ড কম সময়েই এক পাক ঘুরেছে পৃথিবী, সম্পূর্ণ হয়েছে এক দিন!

১৯৭৩ সাল থেকে পারমাণবিক ঘড়ির মাধ্যমে পৃথিবীর ঘূর্ণনে কতটা সময় লাগছে তা পর্যবেক্ষণ করছেন বিজ্ঞানীরা। ‘দ্য ইন্টারন্যাশনাল আর্থ রোটেশন অ্যান্ড রেফারেন্স সিস্টেম সার্ভিস’ বা ‘আইইআরএস’ নামক সংস্থার নেতৃত্বেই মূলত এই কাজ হয়। কয়েক বছর আগেও ‘আইইআরএস’-এর বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল ক্রমেই ধীর হয়ে যাচ্ছে পৃথিবীর গতি। কিন্তু সম্প্রতি বদল আসতে শুরু করে সেই ধারণায়।

বিজ্ঞানীরা গবেষণায় দেখেছেন, দিনের দৈর্ঘ্য ক্রমশ ছোট হচ্ছে। ২০২২-এর ২৯ জুন দ্রুততম গতিতে এক পাক সম্পন্ন করে পৃথিবী। গত ২৬ জুলাইও ২৪ ঘণ্টার থেকে ১.৫০ মিলিসেকেন্ড কম সময়ে এক বার পাক খেয়েছে পৃথিবী।

বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত নন। কারও মতে মেরু প্রদেশের বরফের চাদর গলে যাওয়ার ফলে এমনটা ঘটছে। কেউ কেউ আবার বলছেন, পৃথিবীর অভ্যন্তরের গলিত পদার্থ সরে যাওয়াই এর কারণ।

একদেশ একরেট’ পদ্ধতিতে ৬ মাসের মধ্যে ইন্টারনেট
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রাতবেদক
মানসম্পন্ন ইন্টারনেট সেবা দিতে ৬ মাসের মধ্যে গ্রাহক পর্যায়ে অপটিকাল ফাইবার নিশ্চিত করতে চায় বিতরণকারী কোম্পানিগুলো। বহাল থাকবে ‘একদেশ একরেট’ পদ্ধতিও। লক্ষ্যপূরণে কাজ চলছে পুরোদমে। গেল একযুগে ইন্টারনেট বদলে দিয়েছে দেশের চেহরা। সহজে ও নির্বিঘেœ যোগাযোগ, লেনদেন এবং ভার্চুয়াল দুনিয়ায় বিচরণ করার অপার সুযোগ করে দিয়েছে এই মাধ্যম। দ্রুততম সময়ে দেশ ও দেশের বাইরে অর্থাৎ গ্লোবাল ভিলেজের সুবিধায় সব শ্রেণী-পেশার মানুষকে যুক্ত করতে দরকার কার্যকরি ইন্টারনেট।

ইতোমধ্যেই যুক্ত করা হয়েছে সরকারের প্রায় অধিকাংশ মন্ত্রণালয়। সুফল পাচ্ছে মানুষ। ফাইবার এ্যাট হোমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাইনুল সিদ্দিকী বলেন, “প্রাইভেট সেক্টরের সঙ্গে সরকার যে প্রজেক্টটা করলো যার ফলে অনেকগুলো ইউনিয়ন কানেক্টেড। দুই-তিন লাখ কানেক্টিভিটির উদ্যোগ নেওয়া হলে বাকি গ্যাপটা কেটে উঠবে।” সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় প্রান্তিকেও ছোঁয়া লেগেছে অপটিক্যাল কেবলের ইন্টারনেট। যাতে ঘরে বসে আয় করার সুযোগ পাচ্ছেন শিক্ষিত তরুণরা।

নিত্যনতুন অ্যাপ আর ডিভাইস তৈরি হচ্ছে। বিশ্ব প্রতিযোগিতায় নাম লেখাচ্ছে বাংলাদেশ। মাইনুল সিদ্দিকী আরও বলেন, “বিভিন্ন টেলিকম অপারেটর এবং আইএসপিতে বাংলাদেশের ছেলেরা আজ সিইও, সিটিও লেবেলগুলোতে কাজ করছে। একটা কিছু গুছিয়ে দিতে পারলে, পলিসি সাপোর্ট পেলে তারা এটা সুন্দর করে প্রমাণ করতে পারে।” তবে, এতসব সুযোগ গ্রামীণ জনপদে দিতে দরকার দক্ষ জনবল।

এ নিয়ে কাজ চলছে পুরোদমে। আইসিটি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জিয়াউল আলম বলেন, “ইন্টারন্যাশনাল স্টান্ডার্ডে একটা অবস্থা আছে আমাদের। তা খুবই সম্মানজনক অবস্থা। বাংলাদেশে আমরা যে কাজগুলো করছি, তা সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটা পরিবেশ তৈরি করছি। সুতরাং এটা একটা বড় জায়গা।” ক্রমবর্ধমান এই খাতই সমৃদ্ধ করবে বাংলাদেশকে। তবে সেজন্য আইসিটি খাতকে নিরাপদ রাখা জরুরি। জিয়াউল আলম বলেন, “প্রতি পদে পদে সিকিউরিটি আছে। এটা নিয়ে বেশি কাজ করছি।

সরকার এগুলোতে খুবই সাকসেসফুলভাবে ওভারকাম করছে।” আইসিটি খাতকে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তিতে পরিণত করতে ইন্ড্রাস্ট্রি প্রমোশনকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

রাতে ইন্টারনেটের ধীর গতি
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
সাবমেরিন ক্যাবল রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জন্য শুক্রবার রাতে ইন্টারনেটের ধীর গতি হতে পারে। বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) এই আভাস দিয়েছে। এই পরিস্থিতির জন্য ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের প্রতি দুঃখ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

শুক্রবার বিএসসিসিএলের মহাব্যবস্থাপক (চালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ) প্রভাস চন্দ্র ভট্টাচার্যের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সি-মি-উই-৫ কনসোর্টিয়াম ২৯ জুলাই দিনগত রাত ২টা থেকে ৩০ জুলাই সকাল ৭টা পর্যন্ত সাবমেরিন ক্যাবল রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা হবে। উল্লিখিত সময়কালে কুয়াকাটা ল্যান্ডিং স্টেশনে টার্মিনেটেড সব সার্কিট বন্ধ থাকবে। তবে সি-মি-উই-৪ সাবমেরিন ক্যাবলের সার্কিটগুলি যথারীতি চালু থাকবে।’

৩৫ লাখ অশ্লীল বাংলাদেশি ডিভিও সরিয়েছে টিকটক
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
বছরের প্রথম তিন মাসে প্রায় ৩৫ লাখ বাংলাদেশি ডিভিও সরিয়ে ফেলেছে টিকটক। এসব ভিডিও প্রতিষ্ঠানটির সামাজিক নীতিমালার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ছিল না। অশ্লীলতা, বর্ণবাদ, ধর্মীয় উগ্রতা ছিল এসবের মূল বিষয়বস্তু। সবচেয়ে বেশি ভিডিও সরানো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।

তথ্য-প্রযুক্তির বিকাশ ঘটছে। মানুষ ঝুঁকছে ভার্চুয়াল জগতে। বিনোদন দেয়া কিংবা নেয়াই শুধু নয়, খুলছে আয়ের পথও। এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সামাজিক বিনোদন-মাধ্যম টিকটক। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে কমপক্ষে ১শ’ কোটি সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছে চীনের মালিকানাধীন টিকটকের। মূলত অভিনয় বা গানের সাথে ঠোঁট মিলিয়ে ভিডিও তৈরি করে ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যম এটি।

অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মতো টিকটক ব্যবহারকারীদেরও মানতে হয় প্রতিষ্ঠানটির বেঁধে দেয়া নীতিমালা। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই এর ব্যত্যয় ঘটছে। প্রতিষ্ঠানটি সরিয়ে ফেলছে কোটি কোটি ভিডিও। পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ১ কোটি ৪০ লাখ ৪৪ হাজার, পাকিস্তানের ১ কোটি ২৪ হাজারের বেশি ভিডিও সরিয়ে ফেলেছে টিকটক। এ সময়ে বাংলাদেশি ডিভিও সরানো হয় ৩৪ লাখ ৭৫ হাজার।

টিকটক কর্তৃপক্ষ বলছে, অশ্লীল অঙ্গভঙ্গী, বিকৃত বিনোদন, ধর্মীয় উগ্রতা ছড়ানো ও যৌনতাপূর্ণ কর্মকাণ্ডের মতো সামাজিক নীতিমালা লঙ্ঘণের দায়ে এসব ভিডিও সরানো হয়েছে। এদিকে, টিকটকের মাধ্যমে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বাড়ছে। নারী পাচার, মাদক, চোরাচালানসহ নানা অপরাধে জড়াচ্ছে অনেক টিকটকার। বিনোদনের নামে সামাজিক ভারসাম্য বিনষ্ট ও বিকৃত সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ছে।

টিকটকের মাধ্যমে কিছু ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানও হচ্ছে, তবুও ভিডিও নির্মাণকে কেন্দ্র করে মৃত্যু, সংঘর্ষ ও কিশোর গ্যাংয়ের উত্থানও ভাবাচ্ছে সমাজকে।

মোবাইল ক্যামেরার দাপট, ডিএসএলআর ক্যামেরা তৈরি বন্ধ
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বিশ্বের অন্যতম বড় ক্যামেরা ব্র্যান্ড নিকন ডিজিটাল সিঙ্গেল রিফ্লেক্স ক্যামেরা বা ডিএসএলআর ক্যামেরার বাজার ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। মিররলেস ক্যামেরা খাতে সামনে মনোযোগী হবে প্রতিষ্ঠানটি।

স্মার্টফোন ক্যামেরার যুগে ঐতিহ্যবাহী ক্যামেরা নির্মাতারা যে বিরাট চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, তার মধ্যে নিজেদের ব্যবসায়ীক নীতি পরিবর্তনের এ আভাস এসেছে নিকনের কাছ থেকে। নিকন যদি ডিএসএলআর ক্যামেরা তৈরি বন্ধ করে দেয়, তবে বাজারে এর বড় একটা প্রভাব পড়বে।

ঠিক কবে থেকে নিকন ডিএসএলআর তৈরি বন্ধ করবে সে সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি, তবে প্রতিষ্ঠানটির পরবর্তী সিরিজের পণ্যগুলো যদি মিররলেস প্রযুক্তির অংশ হয়, তবে সেটা একেবারেই বিস্ময়কর হবে না।

স্মার্টফোনে থাকা কমপ্যাক্ট ক্যামেরার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মিররলেস ক্যামেরাগুলোকেই সবচেয়ে সম্ভাবনাময় বলে মনে করা হয়। সনি এবং ক্যাননের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোও নিজেদের ব্যবসায়ীক নীতিতে পরিবর্তন এনে আগেই ডিজিটালের দিকে ঝুঁকেছে। এবার সে পথে হাঁটছে নিকনও।

প্রায় ৬০ বছর ধরে পেশাদার ফটোগ্রাফাররা নিকনের এসএলআর ক্যামেরা ব্যবহার করেছেন। তবে বর্তমানে স্মার্টফোনগুলোতে ক্রমাগতভাবে শক্তিশালী ক্যামেরা যুক্ত হতে থাকায়, দাপট হারাচ্ছে নিকন। এখন নতুন কিছু করে সেই দাপট পুনরুদ্ধার করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।

২০২০ সালের জুনে ফ্ল্যাগশিপ ডিসিক্স এসএলআরের পর নতুন আর কোনো মডেল বাজারে আনেনি নিকন। কমপ্যাক্ট ডিজিটাল ক্যামেরা তৈরিও ইতোমধ্যে বন্ধ করে দিয়েছে তারা।

এ পরিস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানটি মিররলেস ক্যামেরার দিকে ঝুঁকলেও বিদ্যমান এসএলআর মডেলগুলোর উৎপাদন ও বিপণন চালিয়ে যাবে তারা।

ক্যাননের পরে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এসএলআর নির্মাতা হলো নিকন। একজন ফটোগ্রাফার ভিউফাইন্ডার দিয়ে যে ছবিটি দেখেন, এসএলআর ক্যামেরায় সেটি আসলে একটি আয়নার মাধ্যমে পাওয়া ছবিটির প্রতিচ্ছবি।

১৯১৭ সালে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি নিকন নাম নেয় ১৯৪৬ সালে। ১৯৫৯ সালে প্রথম এসএলআর বাজারে ছাড়ে নিকন। পেশাদার ফটোগ্রাফার এবং সাংবাদিকদের দীর্ঘদিনের পছন্দ এ ব্র্যান্ডটি।

১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে নিকন ডিজিটাল এসএলআর তৈরি শুরু করে। গতবছর প্রতিষ্ঠানটি ৪ লাখের বেশি এসএলআর বিক্রি করেছে।

গ্রামীণফোন ব্যবহারকারীদের জন্য দুঃসংবাদ
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
যারা গ্রামীণফোন ব্যবহার করছেন তাদের জন্য নতুন দুঃসংবাদ। দেশের বৃহৎ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন রিচার্জের সর্বনিম্ন সীমা বাড়িয়েছে। এখন থেকে অপারেটরটির গ্রাহকদের সর্বনিম্ন ২০ টাকা রিচার্জ করতে হবে। এর আগে সর্বনিম্ন ১০ টাকা রিচার্জ করা যেত। গ্রামীণফোন গ্রাহকদেরকে এসএমএস দিয়ে বিষয়টি জানিয়ে দিচ্ছে।

এ বিষয়ে গ্রামীণফোনের হেড অব এক্সটার্নাল কমিউনিকেশন মুহাম্মদ হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের বিভিন্ন প্রোডাক্টের সুবিধা সরলীকরণ করার অংশ হিসেবে ফ্লেক্সিলোডের সর্বনিম্ন রিচার্জ ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ২০ টাকার কমে সুলভ মূল্যে ১৪ ও ১৬ টাকার মিনিট প্যাকগুলো এবং সব রিচার্জ কার্ডগুলো আগের মতোই চালু থাকবে।

২১ এবং ২৯ টাকা রিচার্জে দুদিন এবং তিন দিন মেয়াদে যেকোনো লোকাল নম্বরে গ্রাহকেরা বিশেষ কলরেট সুবিধা পাবেন বলেও জানান হাসান।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) হিসাবে, দেশে এখন ১৮ কোটি ৪২ লাখ সক্রিয় সিম রয়েছে। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের সিম সংখ্যা ৮ কোটি ৪৯ লাখ ৫০ হাজার। গ্রাহক সংখ্যা, রাজস্ব ও মুনাফার দিক দিয়ে গ্রামীণফোন বাংলাদেশের শীর্ষ অপারেটর। গত সপ্তাহে বিটিআরসি সেবার মান সন্তোষজনক নয় উল্লেখ করে গ্রামীণফোনের নতুন সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

এ বিষয়ে সংস্থাটির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র বলেছিলেন, সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন থাকায় অনির্দিষ্টকালের জন্য গ্রামীণফোনের সিম বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নতুন সিম বিক্রি করতে পারবে না গ্রামীণফোন।

তবে বিটিআরসির সিদ্ধান্ত নিয়ে গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, গ্রামীণফোন বিটিআরসি ও আন্তর্জাতিক সংস্থা আইটিইউর সেবার মানদণ্ড অনুসরণ করার পাশাপাশি সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মানদণ্ড থেকেও এগিয়ে আছে। ধারাবাহিকভাবে নেটওয়ার্ক ও সেবার মানোন্নয়নে তারা বিটিআরসির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে এবং নেটওয়ার্ক আধুনিকীকরণে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।

অবাধ তথ্য প্রবাহের সুবর্ণ সময় অতিক্রম করছে বাংলাদেশ : স্পিকার
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, অবাধ তথ্য প্রবাহের সুবর্ণ সময় অতিক্রম করছে বাংলাদেশ। দেশে গণমাধ্যমের কার্যপরিধি এখন অনেক বিস্তৃত বলেও জানান তিনি।
শনিবার বাংলা একাডেমিতে আয়োজিত ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার-বিজেসি’র তৃতীয় সম্প্রচার সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ সব কথা বলেন। এ সময় ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার-বিজেসি’র তৃতীয় সম্প্রচার সম্মেলনের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি।

এসময় শিরীন শারমিন বলেন, ‘‘২০১৯ সাল থেকে যাত্রা শুরু করে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন, সুরক্ষা ও কর্মপরিবেশের উন্নয়নে কাজ করে আজ তাদের সুন্দর অবস্থান নিশ্চিত করেছে। জনস্বার্থে সাংবাদিকতা-সংবাদকর্মীর সুরক্ষা প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজকের এ আয়োজন প্রশংসনীয়। এটি এমন একটি প্লাটফর্ম যা সদস্যদের কল্যাণ সাধন, দক্ষতা বৃদ্ধি, ঝুঁকি মোকাবেলা, কর্মক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি, গবেষণামূলক কাজে সাংবাদিকদের উৎসাহিত করাসহ নানামুখী কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। এ ক্ষেত্রে পাঁচ ক্যাটাগরিতে বিজেসি এওয়ার্ড প্রদান গণমাধ্যমকর্মীদের জনস্বার্থমূলক কাজে অনুপ্রাণিত করবে।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘দৈনন্দিন জীবনের সাথে গণমাধ্যম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ডিজিটাল সুবিধা ও ইন্টারনেটের অবাধ প্রসারের কারণে সংবাদ জগতের সাথে সার্বক্ষণিক যুক্ত থাকা হচ্ছে। ব্রডকাস্ট তথা সম্প্রচারের মাধ্যমে বিশ্বের ঘটনা প্রবাহ সকলে ঘরে বসে দেখতে পাচ্ছে। বিশাল কর্মযজ্ঞকে সামনে রেখে জার্নালিস্ট সেন্টার ট্রাস্টি বোর্ডও গঠিত হয়েছে, যা গণমাধ্যমের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।’’

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার সাংবাদিকবান্ধব নীতি, ওয়েজবোর্ড গঠনসহ নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গণমাধ্যমকর্মীদের কর্মক্ষেত্রে সুন্দর কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। গণতন্ত্র চর্চা ও বিকাশের সাথে সংবাদ পরিবেশন ও মিডিয়ার অত্যন্ত নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান। তাই, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’’

বিজেসি’র সভাপতি রেজোয়ানুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংগঠনের সদস্য সচিব শাকিল আহমেদসহ বিজেসি’র সদস্যবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ইন্টারনেটে তথ্যপ্রবাহের দুনিয়া খুলে গেল
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা www ছিল আবিষ্কারের ইতিহাসে যুগান্তকারী এক উদ্ভাবন, যা বিশ্বব্যাপী যোগাযোগের ক্ষেত্রে ও মানুষের বর্তমান জীবনধারায় এনেছিল বৈপ্লবিক পরিবর্তন।
ব্রিটেনের এক তরুণ কম্পিউটার বিজ্ঞানী টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে তৈরি করেন যোগাযোগের এই ইতিহাস সৃষ্টিকারী জগত।

ইউরোপের বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র সার্নে টিম বার্নাস লির সঙ্গে কাজ করতেন তার দুই সহকর্মী বিজ্ঞানী- বেন সিগাল আর জঁন ফ্রসোয়াঁ গ্রথ, যারা তার আইডিয়াকে বাস্তবে রূপ দিতে সাহায্য করেন।
টিম বার্নাস লি চেয়েছিলেন এমন একটা মাধ্যম সৃষ্টি করতে, যা বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষকে সংযুক্ত করবে।
‘এ এক নতুন যোগাযোগমাধ্যম যে মাধ্যম মানুষকে আরও কার্যকরভাবে তার কাজ করার সুযোগ করে দেবে, যে মাধ্যমের অবাধ তথ্যভাণ্ডার ব্যবহারের জন্য মানুষকে কোন ভৌগলিক সীমারেখা মানতে হবে না,’ বলেছিলেন তিনি।
তার এই সৃষ্টি ছিল ছাপখানা আবিষ্কারের মতোই বৈপ্লবিক।
‘একক ভাবনা, মহান সৃষ্টি’
মানুষের সঙ্গে বিশ্বকে এভাবে সংযুক্ত করার এমন মাধ্যম এর আগে কখনও সৃষ্টি করা সম্ভব হয়নি। নতুন এই জগত যেভাবে মানুষের জীবনকে বদলে দেয় তা একসময় ছিল মানুষের কল্পনাতীত।


বার্নাস লি বলেছিলেন তার আশা এই আবিষ্কার খুবই ইতিবাচক একটা জগত তৈরি করবে। এই গ্রহের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা মানুষকে এটা একত্রিত করবে, কারণ এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে ভার্চুয়াল জগতে যোগাযোগ সম্ভব হবে।
টিমের এক সহকর্মী বেন সিগাল বিবিসিকে বলেন, টিম যে কাজ করেছিলেন তা আগে কেউ করেনি। ‘এটা ছিল এক ব্যক্তির একক ভাবনা, মহান এক সৃষ্টি।’


‘টিমের ছিল ভিশন এবং সেই ভিশনকে বাস্তবে রূপ দেবার ক্ষমতা -যে দুয়ের সমন্বয় খুবই বিরল,’ বিবিসিকে বলেছেন তার আরেক সহকর্মী বিজ্ঞানী জঁন ফ্রসোয়াঁ গ্রথ।
টিম বার্নাস লি যখন ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব আবিষ্কার করেন, তখন কিন্তু তিনি ছিলেন জেনিভায় সার্নে কর্মরত অতি সাদামাটা একজন বিজ্ঞানী।
‘কল সারানোর মিস্ত্রি’র যুগান্তকারী উদ্ভাবন
সার্নে কাজ করেন পৃথিবীর বিখ্যাত বাঘা বাঘা সব পদার্থবিদরা- যাদের গবেষণার বিষয়বস্তু বিজ্ঞানের জগতের বিশাল বিশাল প্রশ্নের উত্তর খোঁজা- যেমন পৃথিবী কী উপাদান দিয়ে তৈরি- কীভাবে কাজ করে এসব উপাদান?
সেখানে এই পদার্থবিদদের কাজে প্রযুক্তিগত সাহায্যের জন্য নিয়োগ করা হয় কম্পিউটার বিজ্ঞানীদের, যাদের ভূমিকা হল প্রয়োজনে হাজির থাকা।
‘কম্পিউটার বিজ্ঞানীরা সেখানে অনেকটা কল সারানোর মিস্ত্রির মতো। তাদের দরকার আছে, কিন্তু বড় বড় গবেষণার কাজে তারা অত্যাবশ্যক নয়। তাদের ডাক পড়ে শুধু প্রয়োজনে। আমরা ছিলাম সেখানে কলের মিস্ত্রি। দরকারে হাজির হতাম,’ বলেন জঁন ফ্রসোয়াঁ গ্রথ।


তবে তিনি বলেন, নতুন ও উন্নত উপায়ে তথ্য সরবরাহের প্রযুক্তি খোঁজাও ছিল তাদের অন্যতম একটা কাজ।


‘ধরে নিন বেশ কিছু নতুন পাইপ বা পথ খুঁজে পেলাম। সেগুলো জোড়া লাগিয়ে তথ্য চলাচলের জন্য আরও উন্নত ও নতুন পথের সন্ধান করতাম আমরা, বলেন গ্রথ।
বিজ্ঞানীদের জন্য তথ্য প্রবাহের এই সরবরাহ লাইন বা পাইপ উদ্ভাবকদের দলটির বৈপ্লবিক কাজে নেতৃত্ব দিতেন টিম বার্নাস লি। তিরিশের ওপর বয়স, চুপচাপ প্রকৃতির তরুণ, যাকে দেখে মনেই হতো না তার ভেতরে লুকিয়ে আছে এমন এক প্রতিভা।
টিম ১৯৮৯ সালে সার্নে তার বসের কাছে নতুন এক প্রস্তাব নিয়ে হাজির হলেন।
‘প্রস্তাবটা ছিল একেবারে অভাবনীয়- আসল কাজের সঙ্গে এর কোনোই যোগাযোগ ছিল না,’ বলছিলেন বেন সিগাল।
তিনি টিমের দলে সরাসরি কাজ করতেন না। কিন্তু টিমকে তিনি পছন্দ করতেন এবং তাকে সাহায্য করতেন, পরামর্শ দিতেন।
‘তিনি যে ছবিটা হাজির করলেন তা আজকের দিনে এই জগতের খুবই পরিচিত একটা ছবি- কিন্তু তখন তাকে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করতে হল কী তিনি করতে চাইছেন।’
তার ভাবনায় ছিল অনেক স্তরের হলোগ্রাফিক ছবি- তার সঙ্গে বহুমাত্রিক জটিল ব্যাখ্যা ও যুক্তি। ‘টিমের মাথার ভেতর চিন্তাভাবনা ওভাবেই কাজ করত। ছবিটা দেখে বোঝা সহজ ছিল না সে কী করতে চাইছে। সে প্রচলিত কায়দায় কোন প্রকল্পের রূপরেখার সারমর্ম নিয়ে হাজির হয়নি। সে তার স্বপ্নের ছবি এঁকেছিল।’
কী ছিল সেই স্বপ্ন?
তার সেই স্বপ্নটা ছিল গোটা বিশ্বকে দ্বিমুখী পথে, বহুমুখী পথে সম্পূর্ণভাবে সংযুক্ত করার একটা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
টিম বার্নাাস লির এই আবিষ্কারের পেছনে মূল অনুপ্রেরণা ছিল, সার্নে যেসব বিজ্ঞানী কাজ করছেন তাদের ভাবনা ও গবেষণার কাজ কীভাবে আরও কার্যকর উপায়ে আদানপ্রদানের ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়।
বার্নাস লি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব আবিষ্কার করার আগে এই বিজ্ঞানীরা আলাদা আলাদাভাবে অনেক কম্পিউটার ব্যবহার করতেন তাদের কাজ অন্যদের কাছে তুলে ধরার জন্য।
কীভাবে এ কাজ হতো তা ২০০৫ সালে বিবিসির কাছে ব্যাখ্যা করেছিলেন সার্নের একজন বিজ্ঞানী, যিনি ’৮০-এর দশকের শেষ দিকে সার্নে কাজ করতেন।


‘সেখানে তখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় বড় সৃজনশীল বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন। প্রত্যেকেই তাদের কাজের জন্য ব্যবহার করতেন তাদের নিজস্ব ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কম্পিউটার, ভিন্ন ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম, তথ্য পরিবেশনের জন্য বিভিন্ন ধাঁচের ফরম্যাট।’
ফলে কোনো একটা গবেষণা সম্পর্কে জানতে হলে খণ্ড খণ্ড ভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে হতো বলে জানান এই বিজ্ঞানী।
‘একটা কম্পিউটার খুলে সেই কম্পিউটার কীভাবে কাজ করে তা বুঝে নিয়ে তথ্য বের করে তা আমরা টুকে নিতাম কাগজে- এরপর বাকি তথ্যের জন্য যেতে হত আরেকটা কম্পিউটারে, সেখান থেকে তথ্য নিয়ে আবার আরেকটা কম্পিউটারে। ব্যাপারটা ছিল সময়সাপেক্ষ আর জটিল। সকলের ব্যবহার উপযোগী একটা জায়গায় আইডিয়া শেয়ার করার কোন পদ্ধতি বা সুযোগ আমাদের ছিল না।’
সেই সুযোগ এনে দেওয়ার স্বপ্ন দেখালেন টিম বার্নাস লি।
ইন্টারনেট দুনিয়ার বিপ্লব
তিনি প্রস্তাব দিলেন বাজারে যে প্রযুক্তি রয়েছে তা ব্যবহার করেই এমন একটা ভার্চুয়াল জগত তৈরি করা সম্ভব যেখানে সকলেই তথ্য শেয়ার করতে পারবে, তথ্য সহজেই আদানপ্রদান করতে পারবে। তিনি বললেন এর মূল ভিত্তি হবে ইন্টারনেট এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করেই আলাদা আলাদা কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হবে।
তখন ইন্টারনেট চালু হয়ে গেছে দুই দশক ধরে। কিন্তু ইন্টারনেটের ব্যবহার তখনও জটিল পর্যায়ে, সেখানে কিছু খুঁজে পেতে সময় লাগে অনেক এবং খুঁজে পাওয়াও দুষ্কর।
সমস্যার সমাধান করতে টিম বার্নাস লি দুটি প্রযুক্তিকে একসাথে জুড়লেন-ইন্টারনেটের সঙ্গে হাইপারটেক্সট।
তিনি দেখলেন ইন্টারনেটের সঙ্গে হাইপারটেক্সট ব্যবহার করলে একটি ডকুমেন্টের সঙ্গে আরেকটি ডকুমেন্টকে সংযুক্ত করা যায় এবং ভার্চুয়াল জগতে একটি একক নথি তৈরি করা যায়। আর ব্রাউজার ব্যবহার করে পৃথিবীর যে কোনো জায়গা থেকে সেই নথি দেখা যায়, পড়া যায়। তার এই ভিশন থেকেই শুরু হল ইন্টারনেট দুনিয়ায় এক বিপ্লবের পদচারণা।
উদ্ভাবনার কাজ গোপনে
বার্নাস লি বললেন বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য একটা ওয়েবে নিয়ে আসা হবে। যেসব তথ্য ইতোমধ্যেই লেখা হয়েছে, তৈরি রয়েছে, ছড়িয়ে আছে পৃথিবীর নানা প্রান্তে সেগুলো ইন্টারনেট আর হাইপারটেক্সট প্রযুক্তি এনে দেবে একটা জায়গায়। কিন্তু টিমের এই প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে নাকচ করে দিলেন তার বস। যদিও একইসাথে টিমকে তিনি অনুমতি দিলেন তার আইডিয়া নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে, কাজ করার জন্য সুযোগ সুবিধাও তৈরি করে দিলেন।
‘আমাকে বললেন টিমের সঙ্গে কাজ করতে। আমার তার সঙ্গে কাজ করার কোনো কথা ছিল না,’ বলছেন বেন সিগাল।
কম্পিউটার প্রযুক্তি নিয়েও গবেষণার কিছু কাজ হতো সার্নে। কারণ পদার্থবিদ্যার কাজে সাহায্য করার জন্য কম্পিউটার প্রযুক্তির দরকার হতো। কিন্তু কোনো গবেষণা, যার সাথে পদার্থবিদ্যার কোনো যোগসূত্র নেই তার জন্য আলাদাভাবে তহবিল অনুমোদন করার এখতিয়ার সার্নের ছিল না।
ফলে টিমের গবেষণার কাজ চলতে লাগল গোপনে- আড়ালে, মাটির নিচের ঘরে।
জন্ম নিল ওয়ার্ল্ড ওয়াউড ওয়েব
বেন সিগাল টিম বার্নাস লির বসকে গিয়ে বোঝালেন যে টিমের জন্য দরকার একটা বিশেষ ধরনের কম্পিউটার- নেক্সট কম্পিউটার, যার উদ্ভাবক ছিলেন অ্যাপল কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস।
সার্নে সেই কম্পিউটার এসে পৌঁছাল ১৯৯০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে।


‘দারুণ উত্তেজিত টিম বার্নাস লি ডিসেম্বরে ক্রিসমাসের মধ্যেই সেই কম্পিউটারে পুরোপুরি কাজ শুরু করে দিল। সার্ভার, ব্রাউজার যাবতীয় কাজ সে রীতিমতো হাতের মুঠোয় এনে ফেলল। আমার কাছে মনে হল সে আইনস্টাইনের মাপের কাজ করে ফেলেছে,’ বলেন সিগাল।
ওই কয়েক মাসের মধ্যে টিম সৃষ্টি করলেন যা আজ পরিচিত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব নামে-www.
জঁন ফ্রসোয়াঁ গ্রথ ওই সময় ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বেন সিগালের মনে হয়েছিল এই তরুণ শিক্ষার্থী টিমকে সাহায্য করার উপযুক্ত।
জঁন ফ্রসোয়াঁ গ্রথের মতে এর পেছনে সম্ভবত ঈশ্বরের হাত ছিল।
‘কারণ মাত্র তার আগের বছরই আমি একটা বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামিংএর কাজ রপ্ত করেছিলাম আর ওই প্রোগ্রামিং সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জন করেছিলাম। টিমের ঠিক ওই প্রোগ্রামিং জানা লোকেরই দরকার ছিল।’
বিপুল উৎসাহ
টিমের ছোট দলটি তিন ধরনের নতুন প্রযুক্তি তৈরি করে- html, url ও http । এই তিন প্রযুক্তির মাধ্যমে পৃথিবীর সর্বত্র কম্পিউটারগুলো নিজেদের মধ্যে কথা বলতে সক্ষম হয়।
টিম বার্নাস লি ১৯৯১ সালের অগাস্ট মাসে তার আবিষ্কার তুলে ধরেন বিশ্বের সামনে। বিশ্বের প্রথম ওয়েবসাইট ifo.sern.ch উদ্ভাবনের খবর ছড়িয়ে যায় সার্ন সংস্থার বাইরে সারা বিশ্বে।
বেন সিগাল বলেন সার্নের বাইরের দুনিয়া থেকে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া আসতে থাকে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে তৈরি হয় বিপুলর আগ্রহ। সার্নের ভেতরে যদিও তেমন একটা উৎসাহ দেখা যায়নি।
‘এর অল্পদিনের মধ্যেই একটা উৎসাহী ওয়েব গোষ্ঠী তৈরি হয়ে যায়,’ বলেন জঁন ফ্রসোয়াঁ গ্রথ।
উন্মুক্ত ও বিনা মূল্যের ওয়েব
প্রথম থেকেই টিম বার্নাস লি এবং তার সহকর্মীরা চেয়েছিলেন এই ওয়েব হবে উন্মুক্ত এবং বিনা মূল্যে তা ব্যবহার করা যাবে।
সার্নের ব্যবস্থাপনা মহলকে অবশ্য এ বিষয়ে রাজি করাতে কিছু বেগ পেতে হয়। তবে শেষ পর্যন্ত ১৯৯৩ সালে সার্ন একটি আইনি দলিলে সই করে যাতে বলা হয় এই ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব পৃথিবীর সর্বত্র সকলে বিনা খরচায় ব্যবহার করতে পারবে।
এই দলিলটি ছিল বিংশ শতাব্দীর অন্যতম সবচেয়ে মূল্যবান একটি দলিল।
তথ্যজাল
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব নামটি এসেছিল কোথা থেকে? বেন সিগাল বলছেন প্রথমে ভাবা হয়েছিল অন্য একটি নাম ইনফরমেশন মেশ বা তথ্যজাল। সেটা বাতিল হয়ে যায়।
টিমের নিজের নামে ওয়েবের নাম `টিম` রাখার কথাও ভাবা হয়েছিল। কিন্তু টিমের পছন্দ হয়নি। ‘ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব নামটি তারই দেয়া। এটাই তার সবচেয়ে পছন্দ ছিল’ জানান বেন সিগাল।
এর কয়েক বছরের মধ্যেই এই প্রযুক্তি জনপ্রিয়তা পায় বিশ্ব জুড়ে- বদলে দেয় মানুষের জীবন- তৈরি হয় আজকের ওয়েব নির্ভর দুনিয়া।
টিম বার্নাস লি তার এই যুগান্তকারী আবিষ্কার থেকে এক পয়সা উপার্জনের প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যন করেন। তিনি বলেন তার এই উদ্ভাবন ছিল মানুষের হাতে অবাধ তথ্যভাণ্ডার সহজে ও বিনা খরচায় পৌঁছে দেবার জন্য। তিনি কোন লাভের আশায় এই কাজ করেননি।
তিনি ১৯৯৪ সালে চলে যান আমেরিকায় এবং উন্মুক্ত ওয়েবের ব্যবহার নিয়ে আরও কাজ করেন। জঁন ফ্রসোয়াঁ গ্রথও সারা জীবন ওয়েব নিয়ে কাজ করে গেছেন আর ড. বেন সিগালের কর্মক্ষেত্রও ছিল ইউরোপে ইন্টারনেটের ব্যবহার নিয়ে।
তথ্যসূত্র : বিবিসি

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ আয় তিন বছরে ৩০০ কোটি টাকা
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল) জানিয়েছে, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ তিন বছর ধরেই আয়ের ধারায় রয়েছে। এরই মধ্যে কোম্পানির মোট আয় ৩০০ কোটি টাকা অতিক্রম করেছে। বর্তমানে কোম্পানির মাসিক আয় প্রায় ১০ কোটি টাকা। এর প্রায় পুরোটাই দেশীয় বাজার থেকে অর্জিত হচ্ছে। সোমবার (১৬ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তিন বছর ধরেই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ আয়ের ধারায় রয়েছে। এরই মধ্যে কোম্পানির মোট আয় ৩০০ কোটি টাকা অতিক্রম করেছে। পাশাপাশি বর্তমানে কোম্পানির মাসিক আয় প্রায় ১০ কোটি টাকা। এছাড়া ক্রমান্বয়ে এই আয় আরও বৃদ্ধি পাবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্প্রতি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ বিএসসিএল’র সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এর আওতায় বাংলাদেশে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী ছাড়াও ডিজিএফআই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর সেবার আওতায় আসবে।

স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ ব্যবহার করে যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার শুরুর মাধ্যমে বিএসসিএল বিদেশের বাজারেও ব্যবসায়িক যাত্রা শুরু করেছে। তবে সামনের দিনগুলোতে এটি আরও বাড়বে বলেও আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার ছাড়াও মোট ৩৮টি টিভি চ্যানেল বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে সম্প্রচার করে। সেই সঙ্গে এই স্যাটেলাইটের আওতায় সম্প্রচার করে দেশের একমাত্র ডিটিএইচ অপারেটর ‘আকাশ’। এছাড়া দেশের দুটি ব্যাংকও ইতোমধ্যে এর মাধ্যমে এটিএম সেবা দিচ্ছে। পাশাপাশি আরও অনেক সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার ব্যাপারে আলোচনা চলছে।

এদিকে, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতি পূরণের অংশ হিসেবে বিএসসিএল দেশের ৩১টি দুর্গম ও প্রত্যন্ত দ্বীপাঞ্চলের মোট ১১২টি স্থানে টেলিযোগাযোগ সেবা দিয়ে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে অদূর ভবিষ্যতে আরও বেশি দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকার সুবিধাবঞ্চিত জনগণকে এই স্যাটেলাইটের সেবার আওতায় আনার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

অ্যাপল-গুগল ১৫ লাখ অ্যাপ সরিয়েছে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
১৫ লাখ অ্যাপ সরিয়ে ফেলছে টেক জায়ান্ট অ্যাপল ও গুগল। চলতি বছরের শুরুতেই প্রতিষ্ঠান দুইটি তাদের ডেভেলপারদের এ নির্দেশনা দিয়েছিল। নতুন খবর হলো, অ্যাপল তার ডেভেলপারদের কাছে চূড়ান্ত নোটিশ পাঠিয়েছে অ্যাপগুলো তুলে নেওয়ার জন্য। অ্যানালিটিক্স ফার্ম -এর রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, অ্যাপ স্টোর এবং প্লে স্টোরের প্রায় ৩০ শতাংশ অ্যাপই তুলে নেওয়া হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, গুগল প্লে স্টোর এবং অ্যাপল অ্যাপ স্টোরের ১.৫ মিলিয়ন অ্যাপ ‘পরিত্যক্ত’ অবস্থায় রয়েছে। এগুলো প্রায় দুই বছর বেশি সময় ধরে আপডেট করা হয়নি। যদিও তালিকায় কোন কোন অ্যাপ রয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। তবে রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, অ্যাপ ক্যাটেগরির মধ্যে রয়েছে এডুকেশন, রেফারেন্স এবং গেমস-সহ একাধিক অ্যাপ, যেগুলি মূলত শিশুদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

পিক্সালেট এর আরেকটি প্রতিবেদনের বলা হয়েছে, প্রায় ৩১৪,০০০টি ‘সুপার অ্যাবানডনড’ অ্যাপ রয়েছে। যেগুলো পাঁচ বছর ধরে কোনো আপডেট করা হয়নি। এদের মধ্যে ৫৮শতাংশ অ্যাপল অ্যাপ স্টোরের এবং ৪২ শতাংশ গুগল প্লে স্টোরের।

এদিকে অ্যাপল ডেভেলপারদের সতর্ক করে বলেছেন, যে অ্যাপগুলো আগামী ৩০ দিনের মধ্যে আপডেট হবে না, সেগুলো সরিয়ে দেওয়া হবে। অন্যদিকে গুগল বলছে, প্লে স্টোরে এমনই কিছু অ্যাপ রয়েছে, যারা গত দু’বছর ধরে লেটেস্ট অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনের অ্যাপিআই লেভেল টার্গেট করেনি। যেগুলো চলতি বছরের ১ নভেম্বর থেকে আর নতুন করে ইনস্টল করা যাবে না।

চাঁদের মাটিতে গাছের চারা জন্মাতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
চাঁদের মাটিতে বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো গাছের চারা জন্মাতে পেরেছেন। এর মধ্য দিয়ে এই উপগ্রহ মানুষের দীর্ঘমেয়াদে অবস্থানে সাফল্যের সম্ভাবনা উজ্জ্বল করেছে। চাঁদে বসবাস করবে মানুষ। সেই স্বপ্ন নিয়েই এগোচ্ছে নাসা। ২০২৫ সালে এই মিশন শুরু হবে তাদের। বিবিসি।

গবেষকরা ১৯৬৯-১৯৭২ অ্যাপোলো মিশনের সময় সংগৃহীত ধূলিকণার ছোট নমুনাগুলোতে এক ধরনের ক্রেস জন্মানোর চেষ্টা করেছিলেন। বিজ্ঞানীদের অবাক করে দিয়ে দুদিন পরই চাঁদের মাটি ফুঁড়ে উঁকি দিল গাছের চারা। এই গবেষণাপত্রের সহলেখক ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনা-লিসা পল বলেন, ‘আমি আপনাকে বলতে পারব না যে, আমরা কতটা বিস্মিত হয়েছিলাম।’ তিনি জানান, ‘চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে আনা নমুনা হোক বা পৃথিবীর মাটি হোক- প্রত্যেক উদ্ভিদই জন্মানোর প্রায় ছয় দিন পর্যন্ত একরকম দেখায়। এরপর ধীরে ধীরে তার রূপ পালটাতে থাকে। চাঁদের মাটিতে জন্মানো চারাগুলো কিছুটা থিতু ছিল। সেগুলো ধীরে ধীরে বিকাশ লাভ করে এবং শেষ পর্যন্ত স্থবির হয়ে পড়ে।’

এ গবেষণার সঙ্গে জড়িত অন্যরাও বলছেন, এটি একটি যুগান্তকারী সাফল্য, যদিও এর মধ্যে পার্থিব প্রভাব থাকতে পারে। তবে এ প্রভাব কেমন, সেটা উল্লেখ করেননি।

নাসার প্রধান বিল নেলসন বলেন, ‘এই গবেষণা নাসার দীর্ঘমেয়াদি মানব অন্বেষণ লক্ষ্যগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমাদের ভবিষ্যতের মহাকাশচারীদের বসবাস এবং গভীর মহাকাশে কাজ করার জন্য খাদ্য উৎস বিকাশের জন্য চাঁদ এবং মঙ্গলে পাওয়া সংস্থানগুলোকে ব্যবহার করতে হবে।’ সেই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই মৌলিক উদ্ভিদ গবেষণাটি আমাদের বুঝতে সাহায্য করতে পারে, কীভাবে পৃথিবীর খাদ্য-দুষ্প্রাপ্য অঞ্চলে চাপের পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে?’ গবেষকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো, পরীক্ষার জন্য খুব বেশি চন্দ্রমাটি নেই।

১৯৬৯ সাল থেকে তিন বছরের মধ্যে নাসা মহাকাশচারীরা চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩৮২ কেজি (৮৪২ পাউন্ড) শিলা, মূল নমুনা, নুড়ি, বালি এবং ধূলিকণা নিয়ে এসেছিলেন। কয়েক দশক ধরে সংরক্ষিত মাটি থেকে ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দলকে নমুনাগুলো থেকে পরীক্ষার জন্য প্রতি গাছে মাত্র ১ গ্রাম মাটি দেওয়া হয়েছিল।

আইফোন ১৪এর ডিজাইন ফাঁস
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
আইফোন ১৪ সিরিজ বাজারে আসতে এখনো কয়েক মাস বাকি। এরমধ্যেই সিরিজটির ডিজাইন ফাঁস হয়েছে বলে খবর প্রকাশিত  হয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। এরমধ্যে দাম, ক্যামেরা ও ব্যাটারি সম্পর্কে তথ্যের সত্যতাও পাওয়া গেছে।

সাধারণত অ্যাপল তাদের আইফোনের নতুন সিরিজ সেপ্টেম্বর লঞ্চ করে। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। তার আগে চলুন জেনে নিই নতুন সিরিজের ৪টি ফোনে কী কী স্পেসিফিকেশন থাকার সম্ভাবনা রয়েছে-

প্রকাশিতব্য চারটি ফোন হলো-  iPhone 14, iPhone 14 Max, iPhone 14 Pro এবং iPhone 14 Pro Max। ফাঁস হওয়া তথ্য মতে, আইফোন ১৪ প্রো সোনালী রঙের হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়াও নকশায় থাকছে হালকা পরিবর্তন। ফোনটিতে একটি পিল-আকৃতির কাটআউট এবং ফেসআইডি সেন্সর এবং সেলফি ক্যামেরার জন্য একটি নতুন নকশা করা হয়েছে।

আইফোন প্রো মডেলটি আগের মডেলের তুলনায় পাতলা বেজেল বৈশিষ্ট্যযুক্ত হবে। অন্যদিকে, iPhone 14 এবং iPhone 14 Max- আগের ফোনগুলোর মতোই থাকবে।

ব্লুমবার্গের অ্যাপল গুরু মার্ক গুরম্যান দাবি করেছেন, অ্যাপল তার আসন্ন আইফোন আগের চেয়ে ২০০ ডলার কম বিক্রি করবে। Apple iPhone 14 Pro এবং iPhone 14 Pro Max-এর দাম যথাক্রমে ১০৯৯ ডলার এবং ১১৯৯ ডলার পর্যন্ত হবে। এছাড়াও, অ্যাপেল তার Max সংস্করণটিকে iPhone ১৩ মিনি দিয়ে প্রতিস্থাপন করবে।

ডিজিটাল প্রযুক্তি ছাড়া পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা অর্জন অসম্ভব
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক :
ডাক ও  টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির যুগে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়া পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা অর্জন অসম্ভব।

তিনি বলেন, ভবিষ্যত প্রজন্মকে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে সক্ষম করে গড়ে তুলতে শিক্ষক সমাজের ভূমিকা অপরিসীম। তাই শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী  শিক্ষায় গড়ে তুলতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর  প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাও গড়ে তোলা দরকার।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিটিআরসি ভবনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিসংখ্যান বিভাগের এলামনাই এসোসিয়েশনের উদ্যোগে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগে কম্পিউটার ল্যাব ও ল্যাপটপ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।


ডাক ও  টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বক্তৃতায় ডিজিটাল শিক্ষা বিস্তারে সরকারের গৃহীত কর্মসূচি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে জ্ঞানভিত্তিক ডিজিটাল সাম্য সমাজ প্রতিষ্ঠায় সরকার বদ্ধপরিকর।

মোস্তাফা জব্বার আরও বলেন, মিশ্র শিক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে দেশে ডিজিটাল শিক্ষা সম্প্রসারণে সরকার ইতোমধ্যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পরিপূর্ণ ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য সম্পূর্ণ ডিজিটাল শিক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়টি এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ গোটা শিক্ষা ব্যবস্থা ডিজিটালে রূপান্তর করার অন্য কোনো বিকল্প নেই।

মন্ত্রী বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে প্রধান তিনটি চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি, ডিজিটাল সংযুক্তি এবং ডিজিটাল ডিভাইসের সহজলভ্যতা। আমাদের মতো দেশের জন্য সবগুলো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এক ধাপে শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তর করাটা কঠিন বলেই আমরা এখন মিশ্র শিক্ষার পথ ধরে হাঁটছি।’

অনুষ্ঠানে মোস্তাফা জব্বার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ রুকনুজ্জামানের নিকট  ২০টি ল্যাপটপ হস্তান্তর করেন।
বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান এলামনাই এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা শ্যাম সুন্দর সিকদার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


   Page 1 of 15
     তথ্য -প্রযুক্তি
টুইটারের ৫০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই
.............................................................................................
ব্যান্ডউইথ রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপে
.............................................................................................
জুকারবার্গকে দিয়ে ফেসবুকের উন্নতি হবে না : বিল জর্জ
.............................................................................................
বেড়েছে পৃথিবীর গতি, কমছে দিনের দৈর্ঘ্য
.............................................................................................
একদেশ একরেট’ পদ্ধতিতে ৬ মাসের মধ্যে ইন্টারনেট
.............................................................................................
রাতে ইন্টারনেটের ধীর গতি
.............................................................................................
৩৫ লাখ অশ্লীল বাংলাদেশি ডিভিও সরিয়েছে টিকটক
.............................................................................................
মোবাইল ক্যামেরার দাপট, ডিএসএলআর ক্যামেরা তৈরি বন্ধ
.............................................................................................
গ্রামীণফোন ব্যবহারকারীদের জন্য দুঃসংবাদ
.............................................................................................
অবাধ তথ্য প্রবাহের সুবর্ণ সময় অতিক্রম করছে বাংলাদেশ : স্পিকার
.............................................................................................
ইন্টারনেটে তথ্যপ্রবাহের দুনিয়া খুলে গেল
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ আয় তিন বছরে ৩০০ কোটি টাকা
.............................................................................................
অ্যাপল-গুগল ১৫ লাখ অ্যাপ সরিয়েছে
.............................................................................................
চাঁদের মাটিতে গাছের চারা জন্মাতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা
.............................................................................................
আইফোন ১৪এর ডিজাইন ফাঁস
.............................................................................................
ডিজিটাল প্রযুক্তি ছাড়া পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা অর্জন অসম্ভব
.............................................................................................
ভার্চুয়াল র‍্যাম নিয়ে অপোর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ
.............................................................................................
অর্ডার করলেন আইফোন, পেলেন চকোলেট
.............................................................................................
ইনফিনিক্স নিয়ে এলাে সর্বাধুনিক স্মার্টফোন ‘নোট ১১ প্রো’
.............................................................................................
টেলিটককে ২২০৪ কোটি টাকা দিচ্ছে সরকার
.............................................................................................
দ্বিতীয় মানবাকৃতির রোবট তৈরি করলেন কুবি শিক্ষার্থী সঞ্জিত
.............................................................................................
প্রমোশনাল এসএমএস বন্ধ করতে আসছে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ সেবা
.............................................................................................
অডিও ক্যাসেট টেপের আবিষ্কারক লুউ অটেন্স মারা গেছেন
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক ভাবে কোভিড ট্রাভেল পাস আসছে মার্চে
.............................................................................................
উচ্চমাত্রার সাইবার হামলার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি
.............................................................................................
পৃথিবীর গতি বেড়ে ২৪ ঘণ্টার আগেই শেষ হচ্ছে দিন!
.............................................................................................
সিলেট অঞ্চলে ৩০ ধরনের করোনাভাইরাসের সন্ধান
.............................................................................................
বাংলাদেশের দুই হ্যাকার গ্রুপের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলো ফেসবুক
.............................................................................................
৯ থেকে ১১ ডিসেম্বর অনলাইনে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড
.............................................................................................
চার মডেলে আইফোন ১২ নিয়ে এলো অ্যাপল
.............................................................................................
ফেসবুকে বাংলাদেশি কর্মকর্তা নিয়োগ
.............................................................................................
বিনজ অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ১ হাজার টাকা মূল্যছাড়
.............................................................................................
তথ্য-প্রযুক্তিতে দক্ষ জনশক্তি ও উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ
.............................................................................................
ইনস্টাগ্রাম থেকে মেসেঞ্জারে চ্যাটিংয়ের সুযোগ
.............................................................................................
করোনা ঠেকাতে বিশেষ থেরাপি!
.............................................................................................
ফেসবুকের বিরুদ্ধে লেখা চুরির অভিযোগ টিকটকের
.............................................................................................
স্মার্টফোন বলে দেবে আশপাশে কতজন করোনা রোগী
.............................................................................................
করোনা সংক্রমিতদের ধরতে অ্যাপ ব্যবহার করছে ইসরাইল dailyswadhinbangla
.............................................................................................
গুগল প্লেস্টোর ছাড়াই আসছে হুয়াওয়ে ফোন
.............................................................................................
ফেসবুক-গুগলকে নীতিমালা মানতে বললো অস্ট্রেলিয়া
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের দায়িত্ব নিচ্ছে বাংলাদেশ
.............................................................................................
উবার নিয়ে আসছে ফ্লাইং ট্যাক্সি!
.............................................................................................
১০০ ঘন্টা টিভি দেখলে বেতন দেড় লাখ টাকা
.............................................................................................
ফেসবুকের কাছে ৬ মাসে ৯৫ অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়েছে সরকার
.............................................................................................
ডেটিং সার্ভিস আনছে ফেইসবুক
.............................................................................................
আরও ডেটা কেলেঙ্কারি হতে পারে, সতর্কতা ফেইসবুকের
.............................................................................................
ফেসবুক নিরাপদ রাখতে...
.............................................................................................
নতুন ফোন কেনার আগে জেনে নিন
.............................................................................................
গুগল ব্যবহারের চেয়ে বেশি নবায়নযোগ্য শক্তি কিনছে
.............................................................................................
বাজারে আসছে ৪ ক্যামেরার ফোন!
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT