শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   চিত্র-বিচিত্র -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
কঠিন পাথুরে ভূমিতে ১২ ফুটের ধাতব স্তম্ভ, ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : লাল পাথুরে জমি। তার মধ্যেই দাঁড়িয়ে ধাতুর তৈরি ত্রিকোণ স্তম্ভ। চকচকে, মসৃণ। উচ্চতা প্রায় দু’মানুষ সমান। আমেরিকার উটাহ রাজ্যের দক্ষিণ প্রান্তের এই মরুভুমির মধ্যে কে বসালো এই স্তম্ভটি? সরকারি পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট জবাব মেলেনি। তবে তদন্ত শুরু হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই ‘উড়ে এসে, জুড়ে বসা’ স্তম্ভটি নিয়ে তুমুল রহস্য তৈরি হয়েছে। খবর চাউর হতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছেন নেটিজেনরা। তত্ত্ব-পাল্টা তত্ত্বে সরগরম হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া। কেউ বলছেন, এলিয়ানরাই এই রুক্ষভূমিতে স্তম্ভটি বসিয়ে দিয়ে গিয়েছে। কারও মতে, এটি ইউএফও’র অংশ। তবে সাইন্স ফিকশন ছবির পরিচালক স্ট্যানলে কুব্রিকের ভক্তরা আবার এই স্তম্ভের মধ্যে ‘২০০১ : স্পেস ওডিসি’ ছবির মিল খুঁজে পাচ্ছেন। একে এক শিল্পীর ভাস্কর্যও বলে দাবি করছেন কেউ কেউ।

ঘটনার সূত্রপাত গত বুধবার আমেরিকার উটাহ রাজ্যের দক্ষিণ ভাগে। সেখানকার জনসুরক্ষা দপ্তরের কর্মীর নজরে আসে প্রায় ১২ ফুট লম্বা ধাতব স্তম্ভটি। এর উপর দিয়ে বিমান নিয়ে যাওয়ার সময় পাইলট ব্রেট হাচিংস প্রথম সেটি দেখেন। সঙ্গে সঙ্গে সহকর্মীদের খবর দেন তিনি। উটাহ হাইওয়েতে নজরদারির দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা বলেন, দেখে কোনোভাবে স্তম্ভটিকে ভিনগ্রহের বলে মনে হয়নি। তবে শক্ত পাথুরে জমিতে কে বা কারা সেটি পুঁতে দিয়ে গেছে, সেব্যাপারে কোনো জবাব দিতে পারেননি তিনি। স্থানীয় প্রশাসন এই নিয়ে ধাঁধা জিইয়ে রেখে বলেছে, আপনি মহাবিশ্বের যেকোনো প্রান্তেরই হোন না কেন, অনুমতি ছাড়া সরকারি জমিতে কোনো রকম কাঠামো তৈরি বা কিছু বসানো সম্পূর্ণ বেআইনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই রহস্যময় স্তম্ভটির সঠিক অবস্থানও জানতে চাইছেন প্রশাসনের কাছে। তবে এখনই এব্যাপারে কোনো তথ্য দিতে নারাজ আধিকারিকরা। তাদের আশঙ্কা, এর অবস্থান জানতে পারলেই বহু মানুষ সেখানে ভিড় জমাবেন। তাতে অন্য সমস্যা তৈরি হতে পারে।

এদিকে, শুধু তত্ত্বের কচকচানি নয়, মনোলিথটি নিয়ে মজার মজার পোস্টও করছেন নেটিজেনরা। ইনস্টাগ্রামে একজন লিখেছেন, ‘এটি ২০২০ সালের ‘রিসেট বাটন’। দয়া করে কেউ এটি টিপে দেবেন?’ আর এক ইউজার মজা করে লিখেছেন, ‘এর মধ্যেই করোনার ভ্যাকসিন রয়েছে।’ সূত্র : বর্তমান

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

কঠিন পাথুরে ভূমিতে ১২ ফুটের ধাতব স্তম্ভ, ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : লাল পাথুরে জমি। তার মধ্যেই দাঁড়িয়ে ধাতুর তৈরি ত্রিকোণ স্তম্ভ। চকচকে, মসৃণ। উচ্চতা প্রায় দু’মানুষ সমান। আমেরিকার উটাহ রাজ্যের দক্ষিণ প্রান্তের এই মরুভুমির মধ্যে কে বসালো এই স্তম্ভটি? সরকারি পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট জবাব মেলেনি। তবে তদন্ত শুরু হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই ‘উড়ে এসে, জুড়ে বসা’ স্তম্ভটি নিয়ে তুমুল রহস্য তৈরি হয়েছে। খবর চাউর হতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছেন নেটিজেনরা। তত্ত্ব-পাল্টা তত্ত্বে সরগরম হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া। কেউ বলছেন, এলিয়ানরাই এই রুক্ষভূমিতে স্তম্ভটি বসিয়ে দিয়ে গিয়েছে। কারও মতে, এটি ইউএফও’র অংশ। তবে সাইন্স ফিকশন ছবির পরিচালক স্ট্যানলে কুব্রিকের ভক্তরা আবার এই স্তম্ভের মধ্যে ‘২০০১ : স্পেস ওডিসি’ ছবির মিল খুঁজে পাচ্ছেন। একে এক শিল্পীর ভাস্কর্যও বলে দাবি করছেন কেউ কেউ।

ঘটনার সূত্রপাত গত বুধবার আমেরিকার উটাহ রাজ্যের দক্ষিণ ভাগে। সেখানকার জনসুরক্ষা দপ্তরের কর্মীর নজরে আসে প্রায় ১২ ফুট লম্বা ধাতব স্তম্ভটি। এর উপর দিয়ে বিমান নিয়ে যাওয়ার সময় পাইলট ব্রেট হাচিংস প্রথম সেটি দেখেন। সঙ্গে সঙ্গে সহকর্মীদের খবর দেন তিনি। উটাহ হাইওয়েতে নজরদারির দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা বলেন, দেখে কোনোভাবে স্তম্ভটিকে ভিনগ্রহের বলে মনে হয়নি। তবে শক্ত পাথুরে জমিতে কে বা কারা সেটি পুঁতে দিয়ে গেছে, সেব্যাপারে কোনো জবাব দিতে পারেননি তিনি। স্থানীয় প্রশাসন এই নিয়ে ধাঁধা জিইয়ে রেখে বলেছে, আপনি মহাবিশ্বের যেকোনো প্রান্তেরই হোন না কেন, অনুমতি ছাড়া সরকারি জমিতে কোনো রকম কাঠামো তৈরি বা কিছু বসানো সম্পূর্ণ বেআইনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই রহস্যময় স্তম্ভটির সঠিক অবস্থানও জানতে চাইছেন প্রশাসনের কাছে। তবে এখনই এব্যাপারে কোনো তথ্য দিতে নারাজ আধিকারিকরা। তাদের আশঙ্কা, এর অবস্থান জানতে পারলেই বহু মানুষ সেখানে ভিড় জমাবেন। তাতে অন্য সমস্যা তৈরি হতে পারে।

এদিকে, শুধু তত্ত্বের কচকচানি নয়, মনোলিথটি নিয়ে মজার মজার পোস্টও করছেন নেটিজেনরা। ইনস্টাগ্রামে একজন লিখেছেন, ‘এটি ২০২০ সালের ‘রিসেট বাটন’। দয়া করে কেউ এটি টিপে দেবেন?’ আর এক ইউজার মজা করে লিখেছেন, ‘এর মধ্যেই করোনার ভ্যাকসিন রয়েছে।’ সূত্র : বর্তমান

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

ছয় গর্ভবতী স্ত্রীকে নিয়ে স্বামী বিয়ের আসরে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : গর্ভবতী ছয় নারীকে নিয়ে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন প্রিটি মাইক। ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ওই ছবি প্রকাশ করে তিনি জানান, ওই ছয়জনই তার সন্তান গর্ভে ধারণ করছেন। ঘটনাটি আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ার এবং প্রিটি মাইক নামে ওই ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টের মালিকের আসল নাম মাইক ইজে-নওয়ালি নুয়োগু। তিনি নাইজেরিয়ার বৃহত্তম শহর লাগোসের একটি নাইট ক্লাবের মালিক।

প্রিটি মাইক ইনস্টাগ্রামে তার আড়াই লাখ ফলোয়ারকে জানান, ‘কোনো কারসাজি নয়... আমরা আমাদের জীবনের সেরা সময় যাপন করছি’। ওই ছয় গর্ভবতী নারী তার সন্তানের মা হবে উল্লেখ করেন। এসময় তিনি প্রত্যেকের বেবি বাম্প স্পর্শ করে দেখার ভিডিও দিয়েছেন। ব্রিটেনের ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রিটি মাইকের এর আগে একাধিক গার্লফ্রেন্ড ছিল। গত বছরের সেপ্টেম্বরে তিনি পাঁচজন নারীকে নিয়ে বিয়ের পোশাকে পোজ দিয়েছিলেন। ছবির নিচে তিনি লিখেন, `আমার তিনজন গার্লফ্রেন্ড এবং দুজন এক্সকে (সাবেক প্রেমিকা) বিয়ে করা আমার স্বপ্ন।

২০১৭ সালে তিনি একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে কুকুর বাঁধার চেইনে একটি মেয়েকে বেধে এনে তিনি সমালোচনার শিকার হন। পরে এ কারণে তিনি গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন। তার সর্বশেষ ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকে তার সমালোচনা করেছেন। অনেকে তার এই  কাজকে ‘একই পাগলামি’ হিসেবে মনে করছেন।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

নিঃসঙ্গতা কাটাতে ১০৫ বছর বয়সে বিয়ে
                                  

নাটোর প্রতিনিধি : বার্ধক্যের নিঃসঙ্গতা ঘোচাতে নাটোর সদর উপজেলার পুকুর ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের আহাদ আলী মণ্ডল ১০৫ বছর বয়সে বিয়ে করেছেন। যদিও সংসার জীবনে তার চার ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে।

আহাদ আলী ওরফে আদি মণ্ডলের স্ত্রী না থাকায় নিঃসঙ্গতায় ভুগছিলেন তিনি। তাই এ বৃদ্ধ বয়সে এসেও একাকিত্ব দূর করতে বিয়ের করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। রীতিমতো পাত্রীও পেয়ে যান। একই এলাকার ৮০ বছর বয়সী অমেলা বেগমকে গতকাল বুধবার রাতে বিয়ে করেন তিনি।

জানা যায়, অমেলা বেগমের দুই মেয়ে রয়েছে। নাতি-নাতনিও আছে। বর-কনের উভয় পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

বিয়েতে ৫০ হাজার ৬৫০ টাকা দেনমোহরের ৬৫০ টাকা নগদ পরিশোধ করেন আহাদ আলী মণ্ডল। তাদের বিয়ের অনুষ্ঠানে স্থানীয় লোকজন যোগ দেন। এ সময় সবার মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। পরে নবদম্পতির দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া করা হয়।

আদি মণ্ডল জানান, চার ছেলে ও তিন মেয়ে থাকলেও স্ত্রী না থাকায় বৃদ্ধ বয়সে একাকিত্ব লাগছিল তার। নিঃসঙ্গতা কাটাতে তাই অমেলা বেগমকে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। নতুন জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

পরীক্ষার মাঝেই ছেলের জন্ম দিলেন শিক্ষার্থী
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : পরীক্ষার মাঝেই ফুটফুটে ছেলের জন্ম দিলেন শিকাগোর আইনের শিক্ষার্থী ব্রিয়ানা হিলস।

প্রথম দিনের পরীক্ষার পরই হাসপাতালে গিয়ে সন্তানের জন্ম দেন এবং পরদিন হাসপাতালেরই একটি কক্ষে বাকি পরীক্ষাটুকুও দেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল হয় ব্রিয়ানার এই খবর।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

সবার উপরে বান্দর
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : ভারতের অন্যতম বৃহত্তম ব্যবসায়ী আনন্দ মাহিন্দ্রা। তিনি সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম টুইটারে বেশ সক্রিয়। ইতোমধ্যেই নিজের টুইটের মাধ্যমে অনেকের জীবন বদলে দিয়েছেন আনন্দ।

অনেকের স্বপ্ন সফল করাতেও অবদান রেখেছেন এই ব্যবসায়ী। সেই টুইটারে এবার  আকর্ষণীয় প্রতিযোগিতা শুরু করেছেন তিনি। মাত্র একটি ছবির ক্যাপশন লিখেই গাড়ির মালিক হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সুযোগ দিয়েছেন আনন্দ মাহিন্দ্রা।

আনন্দর এই প্রতিযোগিতা থেকে আপনি জিতে নিতে পারেন মাহিন্দ্রার স্কেল মডেল গাড়িটি। নিউজ কোলকাতা টোয়েন্টিফোরের।

প্রতিযোগিতা অংশগ্রহণের নিয়ম খুবই সহজ। আনন্দ মাহিন্দ্রা টুইটারে একটি ছবি শেয়ার করেছেন। এই ছবিতে একটি বাঁদর বসে রয়েছে ডিটিএইচের ছাতার ওপর। এই ছবির জন্য হিন্দি এবং ইংরেজি ভাষায় ক্যাপশন চেয়েছেন মাহিন্দ্রা।

পাশপাশি তিনি জানিয়েছেন, এই প্রতিযোগিতায় দুইজন বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। তাদের দেওয়া হবে মাহিন্দ্রার স্কেল মডেল গাড়ি। তবে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া যাবে ১১ অক্টোবর দুপুর ২টা পর্যন্ত।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

কুমারি নারীতে রাজার আসক্তি
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : সোয়াজিল্যান্ড। দক্ষিণ আফ্রিকার এ দেশে রাজতন্ত্র বিদ্যমান। বর্তমানে সে দেশের রাজা কিং এমসাতি তৃতীয়। তিনি ১৯৮৬ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে রাজা হন।  তার স্ত্রীর সংখ্যা ১৬ জন এবং সন্তান ৩৫ জন।

বর্তমান রাজার বাবা সাবেক রাজা সভুজা দ্বিতীয় ১২৫ জনেরও বেশি নারীকে বিয়ে করেছিলেন।

বর্তমান রাজা এক এক করে ১৬ জন নারীকে বিয়ে করেছেন। প্রতিবারই একজন কুমারি মেয়েকে বিয়ে করছেন তিনি। এর মধ্যে তিনজন স্ত্রীকে ডিভোর্সও দিয়েছেন। জানা গেছে, স্ত্রীদের গর্ভে ৩৫ জন সন্তান জন্ম নেয়।

রানি বেছে নেওয়ার নিয়ম অনুযায়ী দেশের সমস্ত কুমারি মেয়েদের প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় রানিদের থাকার জায়গা লুদজিদিনি রয়্যাল রেসিডেন্সে। তারপর সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয় এনগাবেজওয়ানি রয়্যাল রেসিডেন্টসে।

এরপর এমবাবানের রয়্যাল প্যালেসে আয়োজিত হয় বর্ণাঢ্য প্যারেডের। সেখানে কুমারীত্বের প্রতীক হিসেবে ছুরি হাতে অংশ নেন কুমারি নারীরা।

অতিথি এবং রাজার সামনে পদযাত্রায় অংশ নেন তারা। এরপর রাজা তাদের মধ্য থেকে একজনকে নতুন রানি হিসেবে বেছে নেন। গোটা দেশের মানুষ বেশ উৎসাহের সঙ্গে এই অনুষ্ঠানে যোগ দেয়।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

গাছ স্বামীর সঙ্গে বিবাহবার্ষিকী পালন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : ইংল্যান্ডের লিভারপুলের বাসিন্দা কেট কানিংহাম। সম্প্রতি বিবাহবার্ষিকী পালন করেছেন তিনি। তবে কেটের বিবাহবার্ষিকী পালন করার বিষয়টি খবরে উঠে আসার কারণ তার ‘স্বামী’ একটি এলডার গাছ। কেটের এক বয়ফ্রেন্ড ও দুই সন্তান রয়েছে।

সেফটনের রিমরোজ ভ্যালি কান্ট্রি পার্কে কেটের ‘গাছ-স্বামী’-র বাসস্থান। স্বামীকে দেখতে দিনে পাঁচ বার ওই পার্কে যান কেট।

জানা গেছে, ওই পার্কের গাছ কেটে একটি বাইপাস তৈরির পরিকল্পনা হচ্ছে। প্রকৃতিপ্রেমী কেট এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানানোর জন্যই পার্কের একটি এলডার গাছকে বিয়ে করেন। শুধু বিয়েই করেননি; নিজের নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন কেট ‘এলডার’।

কেট জানিয়েছেন, গাছকে বিয়ে করার পরিকল্পনা তার মাথায় আসে মেক্সিকোর এক মহিলার কথা জানতে পারার পর। সবুজ বাঁচানোর লড়াইয়ের সৈনিক সেই মহিলাও একটি গাছকে বিয়ে করেছিলেন।

বড় ছেলে এই বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে কিছুটা বিব্রত বোধ করছে জানিয়ে কেট বলেন,  নিজের সিদ্ধান্তের জন্য গর্বিত। ছেলেও একদিন এই বিয়ের মাহাত্ম্য বুঝতে পারবে বলে তার আশা।

কেট বলেন, এই ‘বিয়ে’ সবুজ বাঁচানোর আন্দোলনকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। এখন গোটা বিশ্ব জুড়ে আন্দোলন গড়ে তোলার সময় হয়েছে। সুন্দর এই পৃথিবীকে নষ্ট হতে দেওয়া উচিত নয়।

স্বাধীন বাংলা/এআর

মানুষের বিচার ব্যর্থ, অতঃপর ছাগলের বিচারে মুগ্ধ সবাই
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:
একটি ছাগলের মালিকানা নিয়ে দু’ব্যক্তির মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হলে গ্রামের মাতব্বররা বিবাদ মিমাংসা করতে ব্যর্থ হয়। পরে থানার আশ্রয় নিলে এক পর্যায়ে থানা পুলিশও ব্যর্থ হয়। অবশেষে বিচারকের আসনে বসলো ছাগল। ছাগলের বিচারে গ্রামবাসী, পুলিশ এবং বিবদমান দু’পক্ষ সকলেই মুগ্ধ হয়ে যান। ছাগলের ন্যায় বিচার দেখে সবাই অবাক হয়ে যান।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের রাজস্থানের উদয়পুরের বল্লভনগর তহসিলের খেরোদা থানা এলাকায়।

ঘটনার সূত্রপাত:
উদয়পুরের খেরোদা থানার অন্তর্গত ধোলাকোট গ্রামের বাসিন্দা বাবরু রাওয়াতের ছাগল জঙ্গলে চরতে গিয়ে হারিয়ে যায়। ছাগল হারিয়ে যাবার পর খোঁজতে শুরু করেন বাবরু রাওয়াত। তখন তিনি জানতে পারেন ছাগলটি এলাকার ওঙ্কারলাল রাওয়াতের বাড়িতে বাঁধা আছে। ওঙ্কারলাল জানান, ছাগলটি তার নিজের। নিরুপায় হয়ে বাবরু গ্রাম্য মাতবরদের আশ্রয় নেন।

মাতব্বররা সালিশ বৈঠক করে কোন সমাধান দিতে পারেননি। পরে বাবরু যান খেরোদা থানায়। থানা পুলিশ উভয় পক্ষকে ডেকে ছাগলের মালিকানার বিষয়টি সমাধান দিতে পারেনি। অবশেষে পুলিশ উভয় পক্ষকে ছাগল ও বাচ্চা নিয়ে থানায় হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়। উভয় পক্ষ এবং গ্রামবাসী থানায় হাজির হয়।
 
অনেক আলোচানার পর যখন পুলিশ কোন সমাধান দিতে পারেনি তখন পুলিশ মালিকানার দায়িত্ব ছেড়ে দিল ছাগলের উপর।

ছাগল বিচারক:
পুলিশ দু’পক্ষকে সমঝোতায় আনতে ব্যর্থ হয়ে ওঙ্কারের কাছে থাকা ছাগল ও বাবরুর কাছে থাকা ছাগলের বাচ্চাদের দু’পাশে রেখে ছাগলকে মাঝে ছেড়ে দিল। তখনই, ছাগলটি গিয়ে বাবরুর নিয়ে যাওয়া বাচ্চাগুলোকে দুধ খাওয়ায়। কিন্তু ওঙ্কারের নিয়ে আসা বাচ্চাগুলোকে মাথা দিয়ে আঘাত করে সরিয়ে দেয়। ছাগলের এই ন্যায়বিচার দেখে সেখানে উপস্থিত সবাই অবাক হয়ে যায়। এরপর বাবরুর হাতে ছাগল তুলে দেওয়া হয়।

তথ্য সূত্র : কলকাতা২৪


স্বাবা/এম

মঙ্গলগ্রহে জমি কিনলেন বাঙালি যুবক, রেজিস্ট্রিও সম্পন্ন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:
বাঙালি আর মাটিতে নয়, চাঁেদও নয়। এবার মঙ্গলগ্রহে বসতি গড়তে জমি কিনেছেন এক বাঙালি যুবক। পাশাপাশি ওই জমির রেজিস্ট্রেশন করে দলিলও হাতে পেয়েছেন তিনি। মঙ্গলগ্রহে জমি কেনা ওই যুবকের নাম শৌনক দাস। তার বাড়ি ভারতের হুগলি শ্রীরামপুরে। তিনি একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কর্মরত আছেন।

মঙ্গলগ্রহে জমি কেনা প্রসঙ্গে শৌনক বলেন- বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তির যুগ এখন। যেভাবে বিজ্ঞান এগিয়ে যাচ্ছে তাতে অদূর ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহও হয়তো মানুষের বাসযোগ্য হয়ে উঠবে। শৌনক জানান, তার নামে একটি চিপ মঙ্গলে পাঠিয়েছে নাসা। জমির দলিলও হাতে পেয়েছেন তিনি।

শৌনক জানান, মঙ্গলগ্রহে এক একর জমি তিনি ক্রয় করেছেন। তবে, সেখানকার জমির মূল্য এখানকার মতো নয়। এক একর জমির জন্য তাকে পরিশোধ করতে হয়েছে মাত্র ৩ হাজার রুপি।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে চাঁদে লোক পাঠানোর পরিকল্পনা করছে নাসা। চন্দ্রযান এবং মঙ্গল যানের জন্য অভিযাত্রীদের ব্যবহারযোগ্য উপযুক্ত শৌচালয় বানাতে হবে। সার্বিক দিক বিবেচনা করে চন্দ্রযানের সেই নকশা বানাচ্ছেন শৌনক।

তথ্য সূত্র: জি নিউজ

যমজে যমজে বিয়ে, একই সঙ্গে অন্তঃস্বত্তা
                                  



স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : যমজ বোন ব্রিটিনি ও ব্রিয়ানা ডিন। ২০১৮ সালে তাদের বিয়ে হয় যমজ ভাই জোশ ও জেরেমি সালেয়ার্সের সঙ্গে।

এবার একই সঙ্গে অন্তঃস্বত্তা হয়েছেন ব্রিটিনি ও ব্রিয়ানা। সম্প্রতি তাদের ইস্টাগ্রামে ফটো ও ভিডিও শেয়ার করে এই ঘটনা জানিয়েছেন।

১৪ আগস্ট একটি ইস্টাগ্রাম পোস্টে লিখেছেন, আমাদের বাচ্চারা কেবল চাচাত ভাই নয়, পুরো জেনেটিক ভাইবোন।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

তিন লাখ ডলারে একটি ফোন নম্বর বিক্রি
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : চীনে একটি ফোন নম্বরের শেষ পাঁচ ডিজিটে ৫টি ৮ থাকায় অনেকেই সেটা পাওয়ার জন্য অনলাইনে কাড়াকাড়ি শুরু করেন। পরে নিলামে সেটি বিক্রি করা হয়। যার ডলারের হিসেবে যার মূল্য দাঁড়ায় ৩ লাখ ডলার।

বেইজিংয়ের একটি আদালত ওই নম্বরটি বিক্রির জন্য কিছুদিন আগে অনলাইনে নিলামের আদেশ দেন। গত শুক্র ও শনিবার নম্বরটি কেনার জন্য ৫ হাজার লোক নিলামে অংশ নেয়।

চীনে ৮ সংখ্যাটি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে ২০০৮ সালের বেইজিংয়ে অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি অষ্টম মাস অর্থাৎ আগষ্টের অষ্টম দিনে আটটা বেজে আট মিনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল।

চীনের রাষ্ট্রভাষা মান্দারিনে ৮ সংখ্যাটিকে সমৃদ্ধির সংখ্যা হিসেবে দেখা হয়।  ৪ নম্বরটি সবচেয়ে কম ব্যবহৃত হয়। কারণ মান্দারিন ভাষায় চার সংখ্যাটিকে মৃত্যুর অনুরূপ মনে করা হয়।

নিলাম জয়ী ব্যক্তি বোরবার নম্বরটির জন্য ২২ লাখ ইয়েনের মধ্যে ৪০০ ইয়েন পরিশোধ করেছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যেবাকী ইয়েন পরিশোধ করা হবে।

এনডিটিভি খবরে বলা হয়, ২০১৭ সালে সাতটি ৮ ডিজিটের ফোন নম্বর ৩৯ লাখ নিলামে বিক্রি হয়েছিল।  

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

রাতে মাস্ক পরা যেখানে বাধ্যতামূলক
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : মহামারি করোনাভাইরাস বিশ্বকে বিপর্যস্ত করে দিয়েছে। বিপর্যস্ত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউরোপের দেশ ইতালিও। সেখানে এ পর্যন্ত ২ লাখ ৫৩ হাজার ৯১৫ জন আক্রান্ত হয়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ইতালি সরকার বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নাইট ক্লাব ও ডিসকো বন্ধ করা এবং রাতে বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করতে হবে।

গতকাল রবিবার সেদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রবার্তো স্পেরাঞ্জা স্বাক্ষরিত এক ডিক্রি জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয় সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত যারা বাইরে যাবেন তাদের প্রত্যেককেই বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরতে হবে। নাইট ক্লাব ও ডিসকো বন্ধ থাকবে। ১৭ আগস্ট থেকে শুরু করে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই নিয়ম বহাল থাকবে।

ইতালিতে রয়েছে ৩ হাজার নাইট ক্লাব। এতে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ কাজ করে।  সরকার তাদের ক্ষতিপূরণ দেবে।

সূত্র : আল জাজিরার।

খাটো মানুষ বেশি মেজাজী হয়!
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : খাটো মানুষ লম্বাদের তুলনায় বেশি মেজাজী হয়। আমেরিকার সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল ইন আটলান্টার গবেষকরা এক সমীক্ষায় এ তথ্য প্রকাশ করেছেন।

১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী ৬০০ মানুষের ওপর সমীক্ষা চালান তারা। এতে দেখা যায়, উচ্চতায় খাটো মানুষরা সামান্য কথায় রেগে যান। তাদের সামনে কোনো লম্বা মানুষ দাঁড়িয়ে থাকলে অহেতুক ঈর্ষান্বিত হন। তাই লম্বা মানুষরা কোনো কথা বললে সহ্য করতে পারেন না।

খাটো মানুষরা যে বদমেজাজি হন তার প্রমাণ নেপোলিয়ান ও হিটলার।

অক্সফোর্টের একদল গবেষক সম্প্রতি বলেছিলেন, এটা শর্টম্যান সিনড্রোম। যা থেকে উচ্চ রক্তচাপ জনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ফলে হার্ট অ্যাটাকের মতো আচমকা বিপদের মুখে পড়তে পারেন তারা। এছাড়াও রাগের মাত্রা অতিরিক্ত হলে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে মানুষ অনেক বিপজ্জনক কাজ করে ফেলে।

১৮ হাজার ইয়াবাসহ একজন আটক
                                  

কক্সবাজার প্রতিনিধি : কক্সবাজারের টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে ১৭ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবাসহ একজনকে আটক করা হয়েছে।

র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী জানান, গত রাতে গোপন সংবাদ পেয়ে টেকনাফের হোয়াইক্যং লম্বাবিল জামে মসজিদের সামনে অবস্থান নেয়।

সেখানে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালাবার চেষ্টা করে মফিজ আলমকে (৩০)। তখন তাকে ধাওয়া করে  ১টি ব্যাগসহ আটক করে র‌্যাব। পরে স্বাক্ষীদের উপস্থিতিতে ব্যাগটি তল্লাশি করে ১৭ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে মামলা দায়ের করে জব্দকৃত মাদকসহ আটক ব্যক্তিকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

১৩ কোটি টাকায় একটি মাস্ক
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : ১৩ কোটি টাকা একটি মাস্কের দাম । ৩৬০০ টুকরো হীরা ও ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ দিয়ে এই মাস্ক তৈরি হচ্ছে ।

এক চীনা ব্যবসায়ী ইসরাইলের গয়না তৈরির প্রতিষ্ঠান ইভেলকে এই মাস্ক তৈরির ফরমায়েস দিয়েছেন। এ মাস্কটি তৈরির জন্য ইতিমধ্যে ডিজাইনারকে প্রয়োজনীয় গয়না দেওয়া হয়েছে।

এই মাস্কের আনুমানিক মূল্য প্রায় দেড় মিলিয়ন ডলার বা পৌনে ১৩ কোটি টাকার সমান।

ইভেলের কর্মী শ্যারন ক্যারো বলেন, মাস্কটির ক্রেতা কিছু বিশেষ শর্ত দিয়েছেন। এ মাস্কটি হতে হবে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ও আকর্ষণীয় মাস্ক। যা ৩১ ডিসেম্বরের আগেই তৈরি করতে হবে।

টাইপ এন ৯৯ এর ফিল্টার মাস্কের ভেতর থাকতে হবে যা পরিবর্তন করা যাবে এবং করোনার ভাইরাস থেকে সুরক্ষা হবে।

যে কারণে সূর্যের রং লাল হয়
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : আবহমান কাল ধরে এটাই সত্যি। এটাই আমরা জানি যে, সূর্য যখন ওঠে কিংবা অস্ত যায়, তখন কখনও কখনও তার রং হয় লাল। ওই লাল সূর্যের আভায় আকাশেও তখন অপূর্ব রক্তিম বা কমলা রং ধরে, কখনও বা তার মধ্যে বেগুনি আভায় দেখা যায়। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না, কেন সময়ে সময়ে সূর্য এই লাল রং ধারণ করে।

গোধূলি বেলার এই রংয়ের খেলা নিয়ে কত গান বাধা হয়েছে, কত কবিতা লেখা হয়েছে, এ নিয়ে রোমান্টিকতার শেষ নেই। কিন্তু এর পেছনে রয়েছে  বিজ্ঞান।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন, সম্প্রতি পৃথিবীর কোনো কোনো জায়গায় সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তের সময়টাতে নানা রংয়ের বিচ্ছুরণ আকাশকে অপূর্ব দৃশ্যময় করে তুলেছে। আকাশে এখন লাল সূর্য আর রংয়ের খেলা দেখা যাচ্ছে আগের তুলনায় বেশি।

তাই আবহমান কালের এই রোমান্টিক আলোর জগতের পেছনে বিজ্ঞানের বাস্তবতা কী, সেটাই জেনে নেব জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের কাছ থেকে।

আকাশে এমন অপরূপ দৃশ্যের একটা ব্যাখ্যা হলো- র‍্যালে স্ক্যাটারিং - পদার্থবিদ র‍্যালের নীতি অনুযায়ী বিচ্ছুরিত আলো ভেঙে ছড়িয়ে পড়া।

‌‌‘এটা হলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল দিয়ে সূর্যের আলো যখন প্রবাহিত হয়, তখন সেটা যেভাবে আমাদের চোখে ধরা দেয়,’ বলছেন গ্রেনিচের রয়াল মিউজিয়ামের জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডওয়ার্ড ব্লুমার।

বিষয়টা বুঝতে গেলে প্রথমে আলোর উপাদানটা জানতে হবে। আমরা চোখে যে আলো দেখি, তাতে আমরা জানি, সাতটা রং আছে- লাল, কমলা, হলুদ, সবুজ, নীল, গাঢ় নীল এবং বেগুনি।

ব্লুমার বলছেন, ‘সূর্যের রংয়ের ক্ষেত্রে এই হেরফের ঘটে যখন সূর্যালোক ভেঙে ছড়িয়ে যায়। যখন আলোর কণাগুলো ভাঙে সেগুলো সমানভাবে ভাঙে না- ভাঙে এলোমেলোভাবে।’

আলোর মধ্যে প্রত্যেকটা রংয়ের ওয়েভলেংথ বা তরঙ্গদৈর্ঘ্য আলাদা আর সে কারণেই তাদের তরঙ্গদৈর্ঘ্য অনুযায়ী তাদের রংয়ের তীব্রতায় কমবেশি হয়।

যেমন বেগুনি রংয়ের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম, আর লালের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি। ফলে কোন রং কোন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে প্রবাহিত হচ্ছে তা নির্ধারণ করবে আমরা কীভাবে সেই রংগুলোর বিচ্ছুরণ প্রত্যক্ষ করব।

এরপর আমাদের আবহাওয়া মণ্ডলের বিষয়টা বুঝতে হবে। যে আবহাওয়ামণ্ডল বা বায়ুমণ্ডলে রয়েছে নানাধরনের গ্যাসের স্তর, যার মধ্যে রয়েছে অক্সিজেনও, যেটাতে আমরা শ্বাস নিই এবং যেটা আমাদের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য।

সূর্যের আলো যখন বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়, তখন তা বেঁকেচুরে এবং ভেঙে যায়, যেন একটা প্রিজম বা ত্রিভুজাকৃতি স্ফটিকের মধ্যে দিয়ে সেটা যাচ্ছে। এর কারণ বায়ুমণ্ডলে যেসব গ্যাস রয়েছে, তার প্রতিটার ঘনত্ব আলাদা।

এ ছাড়া বায়ুমণ্ডলে অন্যান্য যেসব কণা রয়েছে, সেগুলোর কারণে ভেঙে যাওয়া আলোর কণাগুলোর প্রতিফলন তৈরি হয়।

সূর্য যখন অস্ত যায় বা ওঠে, তখন সূর্য রশ্মি আবহাওয়া মণ্ডলের সবচেয়ে ওপরের স্তরে একটা বিশেষ কোণ থেকে ধাক্কা মারে এবং সেখান থেকেই শুরু হয় সূর্যের আলোর ‘ম্যাজিক’।

সূর্যরশ্মি এরপর যখন উপরের স্তর ভেদ করে ভেতরে ঢোকে, তখন সেই স্তর নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে শুষে নেয় না, বরং সেটা ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে প্রতিফলিত হয়।

‘সূর্য যখন দিগন্তের নিচের দিকে অবস্থান করে, তখন নীল আর সবুজ রং ভেঙে যায় এবং আমরা কমলা এবং লাল রংয়ের আভা দেখতে পাই,’ বলছেন ব্লুমার।

এর কারণ, আলোর যে রংগুলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ছোট (যেমন বেগুনি এবং নীল) সেগুলো বেশি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো যেমন- কমলা এবং লালের চেয়ে বেশি ভেঙে যায় এবং এর ফলে আকাশে নানা রংয়ের আলোর অসাধারণ বিচ্ছুরণ আমরা দেখি।

হ্যাঁ, দেখে মনে হতে পারে সূর্যের কিছু পরিবর্তনে এমনটা ঘটছে। কিন্তু ব্যাপারটা মোটেও তেমন নয়। এটা শুধু দেখার রকমফের।

পৃথিবীর কোথায় আপনি আছেন, তার ওপর নির্ভর করবে সূর্যের কী রং আপনি কীভাবে আকাশে দেখবেন। যেখানে আপনি আছেন সেখানে বায়ুস্তরের অবস্থা অনুযায়ী সূর্যের আলো আকাশকে আলোকিত করবে।

‘ধূলোর মেঘ, ধোঁয়া এগুলোও আকাশের আলোর বিচ্ছুরণের ওপর প্রভাব ফেলে,’ বলছেন ব্লুমার।

আপনি কোথায় আছেন, ক্যালিফোর্নিয়ায় না বাংলাদেশ বা ভারতে, নাকি চিলে বা অস্ট্রেলিয়ায় কিংবা আফ্রিকার কোথাও- অথবা লাল বালুর কাছাকাছি এমন কোনখানে- তার ওপর নির্ভর করবে আলোর প্রতিফলন ঘটায় বায়ুমণ্ডলের যেসব কণা সেগুলো আপনার বায়ুমণ্ডলে কী পরিমাণে এবং কতটা সক্রিয় অবস্থায় আছে, আর পাশাপাশি আপনি যেখানে আছেন সেখানে আবহাওয়ার পরিস্থিতি কী। আর সেটার ওপরই নির্ভর করবে আকাশ আপনি কীভাবে দেখছেন।

‘এটা কিছুটা হয় মঙ্গল গ্রহের মতো। যখন লাল ধূলিকণা বাতাসে বেশি থাকে, তখন মনে হয় আকাশের রং গাঢ় গোলাপী,’  ব্লুমার ব্যাখ্যা করেছেন।

আপনি এমনকি যদি মরুভূমি থেকে অনেক দূরেও থাকেন, তাহলেও আকাশের এই নাটকীয় রং আপনি দেখতে পাবেন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রায়ই সাহারা মরুভূমির বালুকণা আবহাওয়া মণ্ডলের উপরদিকের স্তরে উঠে সেখানে অবস্থান করে। সেখান থেকে ওই বালুকণার স্তর ইউরোপ এমনকি সাইবেরিয়া বা আমেরিকা পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারে।

হয়ত যা ঘটছে, তা আশ্চর্য হবার মতো কিছু নয়। কিন্তু যেটা বদলেছে সেটা হলো- আমরা অনেক জিনিস কিছুটা ভিন্নভাবে দেখছি।

‘আমরা দেখেছি, লকডাউনের পুরো সময়টাতে মানুষ প্রকৃতির দিকে, আকাশের দিকে বেশি নজর দিয়েছে, কারণ মানুষের করার জিনিস এসময় অনেক কম ছিল,’ বলছেন ব্লুমার।

সিনেমা, থিয়েটার, বিনোদনের বেশিরভাগ পথ বন্ধ থাকায় আমরা বাসায় থেকেছি বেশি, জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়েছি বেশি, বলছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া আকাশে বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় এবং দূষণের মাত্রা কম থাকায় মানুষ আকাশে তারা দেখার চেষ্টা করেছে বেশি, অর্থাৎ আকাশের দিকে নজর দিয়েছে আগের তুলনায় বেশি।

পদার্থবিজ্ঞানী র‍্যালে আলোকরশ্মির ভেঙে ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়া নিয়ে যে তত্ত্ব আবিষ্কার করেছিলেন তাতে দিনের মাঝামাঝি সময়ে আকাশ কেন আরও বেশিনীল দেখায় তাও ব্যাখ্যা করা হয়।

সূর্য যখন আকাশে মাথার ওপরে থাকে, তখন তার রশ্মি আবহাওয়া মণ্ডলের একটা অখণ্ড স্তর দিয়ে প্রবাহিত হয়, সেখানে বিভিন্ন স্তরের মধ্যে প্রভেদ না থাকায় এই আলো ভেঙে যায় না। আবহাওয়া মণ্ডল এই রশ্মিকে শুষে নেয়, ফলে আমরা আলোর যে রং দেখি তা মূলত নীল।

কিন্তু আবহাওয়া মণ্ডলে বদল ঘটলে সেই দৃশ্যপট পাল্টে যায়। সূর্য আকাশে থাকা অবস্থায় যদি বৃষ্টি হয়, তখন প্রতিটা বৃষ্টি বিন্দুতে আলোর কণা বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে বিভক্ত হয়ে যায়, এবং ভেঙে যাওয়া আলোর প্রতিটা রংয়ের তরঙ্গদৈর্ঘ্য অনুযায়ী তার প্রতিসরণ দেখা যায় আবহাওয়া মণ্ডলে।

উনবিংশ শতাব্দীতে পদার্থবিদ লর্ড র‍্যালে সূর্যকিরণ এবং বায়ুমণ্ডল নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করেছিলেন। তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি আকাশের রং কেন নীল তার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেন।

সূত্র : বিবিসি বাংলা


   Page 1 of 6
     চিত্র-বিচিত্র
কঠিন পাথুরে ভূমিতে ১২ ফুটের ধাতব স্তম্ভ, ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য
.............................................................................................
ছয় গর্ভবতী স্ত্রীকে নিয়ে স্বামী বিয়ের আসরে
.............................................................................................
নিঃসঙ্গতা কাটাতে ১০৫ বছর বয়সে বিয়ে
.............................................................................................
পরীক্ষার মাঝেই ছেলের জন্ম দিলেন শিক্ষার্থী
.............................................................................................
সবার উপরে বান্দর
.............................................................................................
কুমারি নারীতে রাজার আসক্তি
.............................................................................................
গাছ স্বামীর সঙ্গে বিবাহবার্ষিকী পালন
.............................................................................................
মানুষের বিচার ব্যর্থ, অতঃপর ছাগলের বিচারে মুগ্ধ সবাই
.............................................................................................
মঙ্গলগ্রহে জমি কিনলেন বাঙালি যুবক, রেজিস্ট্রিও সম্পন্ন
.............................................................................................
যমজে যমজে বিয়ে, একই সঙ্গে অন্তঃস্বত্তা
.............................................................................................
তিন লাখ ডলারে একটি ফোন নম্বর বিক্রি
.............................................................................................
রাতে মাস্ক পরা যেখানে বাধ্যতামূলক
.............................................................................................
খাটো মানুষ বেশি মেজাজী হয়!
.............................................................................................
১৮ হাজার ইয়াবাসহ একজন আটক
.............................................................................................
১৩ কোটি টাকায় একটি মাস্ক
.............................................................................................
যে কারণে সূর্যের রং লাল হয়
.............................................................................................
করোনায় রূপ নিল পকোড়া
.............................................................................................
ব্যাংকঋণ না পেয়ে কিডনি বিক্রির বিজ্ঞাপন!
.............................................................................................
গরু-মহিষের আবাসিক হোটেল!
.............................................................................................
যুবতী থেকে এক রাতেই যুবকে পরিণত, একনজর দেখতে লোকজনের ভিড়!
.............................................................................................
প্রেমিকের পুরুষাঙ্গ ‘হেয়ার স্ট্রেটনার’ দিয়ে পোড়ালেন তরুণী
.............................................................................................
যেখানে চলে প্রকাশ্যে নারী কেনাবেচা!
.............................................................................................
বিয়ে ছাড়াই সন্তানের মা!
.............................................................................................
২০টি ডিম পেড়েছে এ কিশোর
.............................................................................................
বিশ্বের প্রথম ভাসমান দেশ!
.............................................................................................
মঙ্গল গ্রহের বাসিন্দা ছিলেন এই যুবক!
.............................................................................................
ছাগলের পেট থেকে মানবাকৃতির বাচ্চার জন্ম!
.............................................................................................
৩০ জনকে খুন করে মাংস খাওয়া দম্পতি
.............................................................................................
এদিনের মধ্যে ৫৭ জন নারীর সঙ্গে যৌনসঙ্গম করে বিশ্ব রেকর্ড!
.............................................................................................
সেলফিপ্রেমীদের শীর্ষ ১০ শহর!
.............................................................................................
এক পরিবারের ১৪ জনই মোবাইল চোর!
.............................................................................................
গর্ভবতীর পেটের উপর ২০ হাজার মৌমাছি!
.............................................................................................
চার বছরের ছেলেকে দিয়ে যৌনকর্ম; আটক অষ্টাদশী তরুণী
.............................................................................................
শরীর এক, রক্তের গ্রুপ দুই!
.............................................................................................
বাছুরকে স্বামী বানিয়ে সংসার করছেন নারী!
.............................................................................................
সন্তান প্রসবের সময়ও সেলফি!
.............................................................................................
কুমিরের মুখে যুবকের মাথা!
.............................................................................................
চীনের রাস্তায় আগুন-বৃষ্টি!
.............................................................................................
এবার তামাক দিয়ে চলবে বিমান!
.............................................................................................
কলাগাছ দেখতে জনতার ঢল
.............................................................................................
১০টি অজানা দেশের তথ্য
.............................................................................................
বিমান আকাশে, পাইলট ঘুমে!
.............................................................................................
মেয়ের নাম ‘আল্লাহ’ রাখতে আদালতে বাবা-মা
.............................................................................................
কিশোরকে ধর্ষণ করলেন তরুণী!
.............................................................................................
কোটি ডলারের লটারি জিতে বিজয়িনী বিপাকে!
.............................................................................................
রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর সামনে নগ্ন প্রতিবাদ!
.............................................................................................
১০ শহরে নগ্নতা বৈধ
.............................................................................................
প্রেমিকার কাঁধে হাত, জরিমানা ২০০ টাকা!
.............................................................................................
জাপানে কারখানায় তৈরি হচ্ছে বাঁধাকপি!
.............................................................................................
তরুণী থেকে পেশিবহুল বডিবিল্ডার!
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT