রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি 2021 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   শিক্ষা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ছিনতাইকারীর কবলে ইবি ছাত্রী

রিয়াদ, ইবি প্রতিনিধি:
ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে স্মার্টফোন হারিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী। ভুক্তভোগী ইমন আরা ইবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। রবিবার বেলা ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল পকেট গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় প্রক্টরের মাধ্যম দিয়ে শৈলকুপা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী।

অভিযোগ সূত্রে, ভুক্তভোগী ইমন আরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলের আবাসিক ছাত্রী। হল থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে মেসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু হল পকেট গেট পর্যন্ত যায় সে। গেট পার হয়ে কয়েক ধাপ সামনে যেতেই অপরিচিত এক মোটরসাইকেল আরোহী প্রশাসনের লোক পরিচয় দিয়ে তার পথ রোধ করে। এসময় ওই ছাত্রীর কাছে ড্রাগ আছে সন্দেহে ব্যাগ ব্যাগ চেক করেন। এরপর ছাত্রীর পরিচয় জেনে তার ব্যবহৃত স্মার্টফোনের কল লিস্ট চেক করার কথা বলে ফোনটি হাতে নেয়। পরে ওই ছাত্রীকে ছিনতাইকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটে আসার কথা বলে চলে যায়। এ সময় ভুক্তভোগী ছাত্রী প্রতিবাদ করলে ছিনতাইকারী তাকে ঝাড়ি দেয় এবং কটু কথা শোনায়।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি পাশের দোকানের লোকদের কাছে ছিনতাইকারী সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা বলেন সে মোটরসাইকেল নিয়ে পার্শ্ববর্তী ত্রিবেণী রোডের দিকে চলে গেছেন। এ ঘটনার পর থেকে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি। মুঠোফোনটি আমার খুবই প্রয়োজন। এতে আমার অ্যাকাডেমিক অনেক তথ্যাদি রয়েছে।’

এ বিষয়ে প্রক্টর প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ওই ছাত্রী এ সম্পর্কিত একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ছিনতাইকারীর কবলে ইবি ছাত্রী
                                  

রিয়াদ, ইবি প্রতিনিধি:
ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে স্মার্টফোন হারিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী। ভুক্তভোগী ইমন আরা ইবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। রবিবার বেলা ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল পকেট গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় প্রক্টরের মাধ্যম দিয়ে শৈলকুপা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী।

অভিযোগ সূত্রে, ভুক্তভোগী ইমন আরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলের আবাসিক ছাত্রী। হল থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে মেসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু হল পকেট গেট পর্যন্ত যায় সে। গেট পার হয়ে কয়েক ধাপ সামনে যেতেই অপরিচিত এক মোটরসাইকেল আরোহী প্রশাসনের লোক পরিচয় দিয়ে তার পথ রোধ করে। এসময় ওই ছাত্রীর কাছে ড্রাগ আছে সন্দেহে ব্যাগ ব্যাগ চেক করেন। এরপর ছাত্রীর পরিচয় জেনে তার ব্যবহৃত স্মার্টফোনের কল লিস্ট চেক করার কথা বলে ফোনটি হাতে নেয়। পরে ওই ছাত্রীকে ছিনতাইকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটে আসার কথা বলে চলে যায়। এ সময় ভুক্তভোগী ছাত্রী প্রতিবাদ করলে ছিনতাইকারী তাকে ঝাড়ি দেয় এবং কটু কথা শোনায়।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি পাশের দোকানের লোকদের কাছে ছিনতাইকারী সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা বলেন সে মোটরসাইকেল নিয়ে পার্শ্ববর্তী ত্রিবেণী রোডের দিকে চলে গেছেন। এ ঘটনার পর থেকে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি। মুঠোফোনটি আমার খুবই প্রয়োজন। এতে আমার অ্যাকাডেমিক অনেক তথ্যাদি রয়েছে।’

এ বিষয়ে প্রক্টর প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ওই ছাত্রী এ সম্পর্কিত একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে আজ ৬ মন্ত্রণালয়ের বৈঠক
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : মহামারী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব না কাটলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আজ শনিবার ছয় মন্ত্রণালয়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে পাঁচজন মন্ত্রী, একজন প্রতিমন্ত্রী এবং একজন উপমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মো. শাফায়াত মাহবুব চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়, শনিবার বিকাল ৩টায় মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রীকে উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে।

এ ছাড়া সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার বিভাগের সচিব এবং আইজিকে উপস্থিত থাকতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

অতিরিক্ত আইজি (স্পেশাল ব্রাঞ্চ), ইউজিসি প্রতিনিধি ছাড়াও পাঁচ মহাপরিচালক এবং তিন পদস্থ কর্মকর্তাকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার সূচি ঘোষণা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থগিত সকল পর্যায়ের পরীক্ষার নতুন সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২৪ মে থেকে সংশোধিত সময়সূচি অনুযায়ী স্থগিত হয়ে যাওয়া পরীক্ষা গ্রহণ শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানোহয়।

২০১৯ সালের ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স ২য় বর্ষ স্থগিত পরীক্ষা এবং ২০১৮ সালের মাস্টার্স শেষ পর্বের পরীক্ষাসহ অন্যান্য সকল প্রফেশনাল কোর্সের স্থগিত পরীক্ষা ২৪ মে থেকে শুরু হবে।

এছাড়া ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের ভর্তির কার্যক্রম আগামী ৮ জুন থেকে শুরু হবে।

শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। স্থগিত হয়ে যাওয়া পরীক্ষার বিস্তারিত সংশোধিত সময়সূচি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.nu.ac.bd) প্রকাশ করা হয়েছে।

স্বাধীন বাংলা/ন উ আহমাদ

মার্চেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়ার দাবি শিক্ষার্থীদের
                                  

জবি প্রতিনিধি:
প্রায় এক বছর বন্ধ থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আগামী ২৪ মে খুলতে যাচ্ছে। আর এই সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সকলকে করোনার টিকা দেওয়া হবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার আগ পর্যন্ত সকল ধরনের পরীক্ষা বন্ধ থাকবে। গত সোমবার এক ভার্চুয়াল  সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

মন্ত্রণালয়ের এমন সিদ্ধান্তে নারাজ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা। তিন মাস পর বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে এমন সিদ্ধান্ত আসার পর বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের। শিক্ষার্থীরা মনে করে দেশের সবকিছুই তো স্বাভাবিক ভাবে চলছে, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখনই খুলতে সমস্যা কোথায়। তাছাড়া শিক্ষার্থীদের মাঝে সেশনজটের চিন্তাতো রয়েছেই।

তিন মাস পর বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্তে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাজমুল ইসলাম বলেন,আমি মনে করি আমাদের দেশে করোনার পরিস্থিতি এখন অন্যান্য দেশের তুলনায় যথেষ্ট ভালো এমতাবস্থায় সরকারের এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য নয়। শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা থেকে যেভাবে পিছিয়ে পড়ছে ঠিক একইভাবে দীর্ঘদিন বাসায় থাকার ফলে মানসিকভাবে দূর্বল হয়ে পড়ছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ জহির উদ্দিন এ বিষয়ে বলেন, যখন দেশের সবকিছুই স্বাভাবিক ভাবে চলছে এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসের কার্যক্রম চলছে তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার কোনো যৌক্তিকতা দেখিনা। মে মাসের দিকে খুললে আমরা ৬ মাসের একটা সেশনজটে পরার আশঙ্কা রয়েছে, কিন্তু মার্চে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিলে বিগত সেমিস্টার গুলোর পরীক্ষা নিয়ে নিলে এই সেশনজটে নাও পরতে হতে পারে।

উল্লেখ্য যে, করোনা মহামারীর কারণে প্রায় এক বছর ধরে বন্ধ রয়েছে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। এরই মধ্যে হল খোলার দাবিতে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে আগামী ২৪ মে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্লাস শুরু করার সিদ্ধান্ত জানান শিক্ষামন্ত্রী।

এক বছর পর খুলছে বিশ্ববিদ্যালয়, ২৪ মে ক্লাস শুরু
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : মহামারি করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে প্রায় এক বছর বন্ধ থাকার পর খুলছে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। আগামী ২৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্লাস শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ সোমবার দুপুরে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী জানান,  ১৭ মে থেকে আবাসিক হলগুলো খুলে দেওয়া হবে। হল খোলার পর শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের করোনার টিকা দেওয়া হবে। যারা এখন হলে অবস্থান করছেন তাদের দ্রুত হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। গত বছরের ১৭ মার্চ করোনার প্রাদুর্ভাব রুখতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। কয়েক ধাপে বাড়ানোর পর ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কমে আসায় চলতি বছরের শুরু থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়ার দাবি আসতে থাকে। এ নিয়ে আন্দোলনে নামেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সর্বশেষ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোর ফটকের তালা ভেঙে প্রবেশ করেন। এরপর ঢাবি, রাবিসহ আরও কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

জাবি শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ, অন্যথায় ব্যবস্থা
                                  

জাবি প্রতিনিধি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। আজ সোমবার সকাল ১০টার মধ্যে হলত্যাগ করার নির্দেশনা না মানলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে শিক্ষার্থীদের সতর্ক করা হয়েছে। রোববার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় কিছুসংখ্যক শিক্ষার্থী সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কোনো কোনো আবাসিক হলে অবস্থান নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের ২২ তারিখ সকাল ১০টার মধ্যে হলত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। অন্যথায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হবে।

গত শুক্রবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ক্যাম্পাসসংলগ্ন গেরুয়ার স্থানীয় লোকজনের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে জাবির অর্ধশত শিক্ষার্থী আহত হন। এ ছাড়া ক্যম্পাসের বাহিরে শিক্ষার্থীরা অনিরাপদ মনে করায় শনিবার বিকালে আবাসিক হলের তালা ভেঙে শিক্ষার্থীরা হলে অবস্থান করা শুরু করেন।

এ ঘটনায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীদের ওপর স্থানীয় গেরুয়াবাসীর হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে রোববার বিকালে আশুলিয়া থানায় মামলা করেছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা ২৫০ জনের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার কর্মকর্তা জেফরুল হাসান চৌধুরী সজল মামলাটি করেন।

ছেলেদের হলগুলোতে ছাত্ররা অবস্থান করতে পারলেও মেয়েদের হলে উঠতে পারেননি ছাত্রীরা। রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলন করে সোমবারের মধ্যে ছাত্রীদের হলে ওঠার ব্যবস্থা না করলে আবারও তালা ভাঙার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা হলে অবস্থানরতদের বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ অন্য মৌলিক সুযোগ-সুবিধা দেওয়াসহ ছয় দফা দাবি জানিয়েছেন। তাদের অন্য দাবিগুলো হলো– গেরুয়ায় অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের পুলিশি নিরাপত্তায় ক্যাম্পাসে ফিরিয়ে আনা, হামলায় আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন, আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

এবার হল খোলার দাবিতে আন্দোলনে ইবি শিক্ষার্থীরা
                                  

রিয়াদ, ইবি প্রতিনিধ:
এবার হল খুলে দেওয়ার দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে তারা। জানা যায়, বেলা সাড়ে ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডায়না চত্ত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বিভিন্ন আবাসিক হল প্রদক্ষিণ শেষে ভিসির বাস ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে তারা। এসময় ‘একদফা একদাবি, আজকে হল খুলে দিবি’, ‘শিক্ষকরা ভিতরে, আমরা কেন বাহিরে?, ’লাথি মার ভাঙরে তালা, খুলে ফেল হলের তালা’ সহ নানা স্লোগানে ফেটে পড়ে তারা। পরে দুপুরে ভিসির সাথে সাক্ষাৎ করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এসময় অনতিবিলম্বে হল খুলে দেয়ার দাবি জানায় তারা।

তাদের দাবির প্রেক্ষিতে ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, আমরা চাইলেই হল খোলার ঘোষণা দিতে পারছি না। এ সিদ্ধান্তটা আমাদের হাতে নাই। এ সপ্তাহের শেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আমাদের মিটিং আছে। সেখানে তোমাদের এ যৌক্তিক দাবিগুলো সরকারকে জানাবো। যাতে করে সরকার খুব তাড়াতাড়ি আবাসিক হলগুলো খুলে দেয়ার অনুমতি দেন। তবে আমরা আশা করছি অচিরেই আমরা কোনো নির্দেশনা পাবো।

জাবি শিক্ষার্থীরা তালা ভেঙে হলে প্রবেশ করছেন
                                  

জাবি প্রতিনিধি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তালা ভেঙে আবাসিক হলে প্রবেশ করছেন। এর আগে দুপুর ২টার মধ্যে হল খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন তারা। আজ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আল বেরুনি হলের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে শিক্ষার্থীরা ফজিলাতুন্নেসা হল, নওয়াব ফয়জুন্নেসা হল, শেখ হাসিনা হল, খালেদা জিয়া হল ও জাহানারা ইমাম হলের গেটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন আবাসিক হলে তালা ভাঙা অব্যাহত রেখেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান জানান, আমি শিক্ষার্থীদের এ ধরনের অনৈতিক কার্যক্রমে অংশ না নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের হল খোলার দাবি মেনে নেয়নি। আমরা এভাবে অনিরাপদভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থাকতে পারি না। তাই আমরা বাধ্য হয়েই তালা ভেঙে হলে প্রবেশ করছি।

আবাসিক হলগুলো আজ শনিবার দুপুর দুইটার মধ্যে খুলে দেওয়ার আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন শিক্ষার্থীরা। গতকাল শুক্রবার জাবি ক্যাম্পাস সংলগ্ন গেরুয়া গ্রামের স্থানীয়দের সাথে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকেই এই আল্টিমেটাম দেন তারা।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ফের শিক্ষার্থীদের অবরোধ
                                  

বরিশাল প্রতিনিধি : বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় দফায় ১৩ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শেষে ফের বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক অবরোধ করেছে। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার মধ্যে শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূলফটকের সামনে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এতে সড়কের দুই দিকে আটকা পড়েছে শত শত যানবাহন।

সকাল থেকে ভোগান্তিতে পড়েছেন বরিশালসহ, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, পায়রা বন্দর ও কুয়াকাটাগামী যাত্রীরা। এর আগে শুক্রবার রাতে রনি ও ফিরোজ নামে দুই পরিবহন শ্রমিককে গ্রেফতার করে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় এরা জড়িত ছিল বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালী থানার ওসি নুরুল ইসলাম।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, এই গ্রেফতারের ব্যাপারে আমরা অবগত নই। আমরা আমাদের ৩ দফা দাবি আদায়ে আন্দোলন করছি। দাবি পূরণ হলেই আমরা আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেব। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাহামুদুল হাসান তমাল জানান, প্রশাসন অনেকটাই গা-ছাড়া ভাব দেখিয়েছে; সেজন্য আমাদের মৌলিক অধিকারের জায়গা থেকে আন্দোলন করতে হচ্ছে। আর সড়ক অবরোধের কারণে জনগণের যে ভোগান্তি হচ্ছে তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি, তবে এ ছাড়া আমাদের কিছু করার নেই।

আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আহতরা হামলাকারীদের নামের তালিকা দিলেও প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে মামলা না করে অজ্ঞাতদের আসামি করে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। আবার সে অভিযোগে ঘটনার সঠিক বিবরণ না দিয়ে শুধুমাত্র জখমের কথা উল্লেখ করা হয়।

গত মঙ্গলবার দুপুরে রুপাতলী বিআরটিসি বাস কাউন্টারে মারধর ও লাঞ্ছিত করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে। এরপর রাতে রুপাতলী হাউজিং এলাকার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মেসে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে পরিবহন শ্রমিকদের বিরুদ্ধে। এ সময় ১১ শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হলে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হামলার প্রতিবাদ ও এ ঘটনায় মামলা দায়েরসহ হামলাকারীদের গ্রেফতার দাবিতে বুধবার সকাল থেকে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। ১০ ঘণ্টা পর প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।

 এ হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মামলা দায়েরের পর সেই মামলা প্রত্যাখ্যান করে পুনরায় শুক্রবার সড়ক অবরোধ ও মশাল মিছিল করে শিক্ষার্থীরা। এরপর শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে পুনরায় ১৩ ঘণ্টা  আল্টিমেটাম দেন তারা।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

বসন্তেও বিষণ্ণ ইবি
                                  

রিয়াদ, ইবি প্রতিনিধি:
শীতের খোলস পাল্টে প্রকৃতি তার রূপ বদলাতে শুরু করেছে। খুলে দিয়েছে দক্ষিণা দুয়ার। সে দুয়ারে বইছে ফাল্গুনী হাওয়া। ফাল্গুনের হাত ধরেই ঋতুরাজ বসন্তের আগমন। এই বসন্তকে বরণ করে নিতে প্রতিবছর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা মেতে উঠে রঙিন উৎসবে। তবে এবারের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ বিপরীত।

কালের পরিক্রমায় আবার বসন্ত এলেও ফাগুনের মোহনায় নানা আয়োজনের ব্যস্ততা নেই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে। দিনটিকে ঘিরে প্রতিবছর উৎসবমুখর থাকে বিশ্ববিদ্যালয়টি। সূর্যের আলো ফুটতে না ফুটতেই জড়ো হতে থাকে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের বাসন্তী সাজে ক্যাম্পাস হয়ে উঠে প্রাণবন্ত। বের হয় বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা। ছেলেরা হলুদ পাঞ্জাবি আর মেয়েরা হলুদ শাড়ি ও খোপায় ফুল গুঁজে প্রদক্ষিণ করে গোটা ক্যাম্পাস। এতে অংশ নেয় শিক্ষক, কর্মকর্তারাও। বাংলা মঞ্চে হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৃত্য পরিবেশনা। কিন্তু মহামারি করোনায় সেসব অামেজ এবার নিস্তব্ধ। ক্যাম্পাসে নেই উৎসবমুখর সেই পরিবেশ। নেই ডায়না চত্বর, লেকের পাড় কিংবা পেয়ারা চত্বরে বসে প্রেমিক-প্রেমিকার মায়াময় খুনসুটি ও গল্পের দৃশ্য।

এবার ঘরোয়াভাবেই কেটেছে শিক্ষার্থীদের বসন্তবরণ। অনলাইনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আঞ্চলিক ও রম্য বিতর্ক সহ নানা অায়োজনে দিনটি উদযাপন করেছে শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ফের বাড়ল
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : মহামারি করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে ছুটি চলাকালে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকবে। আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোভিড-১৯ মহামারির কারণে দেশের সব  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (কওমি ছাড়া) চলমান ছুটি আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

দেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক ধাপে বাড়ানোর পর ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ছিল, সেই ছুটি এবার ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হলো।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

জবির এক-তৃতীয়াংশ বিভাগে অধ্যাপক নিয়োগে দীর্ঘসূত্রিতা
                                  

জবি প্রতিনিধি:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) প্রতিষ্ঠার প্রায় ১৫ বছর পরও বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৬ টি বিভাগ ও ২টি ইন্সটিটিউটের মধ্যে ১১টি বিভাগে বছরের পর বছরও অধ্যাপক নিয়োগ হচ্ছে না। এর মধ্যে ৩টি বিভাগ পুরোপুরি অধ্যাপক শূণ্য আর ৮ বিভাগে রয়েছে মাত্র ১ জন করে অধ্যাপক।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইন বিভাগে নেই কোনো অধ্যাপক। সঙ্গীত বিভাগ ও নাট্যকলা বিভাগও রয়েছে অধ্যাপক শূন্য। এছাড়াও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রাণরসায়ন ও অনুজীব বিজ্ঞান, ফার্মেসি, আইন, ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন, লোকপ্রশাসন, সাংবাদিকতা ও ইসলামের ইতিহাস বিভাগ রয়েছে এক জন করে অধ্যাপক।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব বিভাগের অধ্যাপক ঘাটতিতে যেমন ব্যহত হচ্ছে গবেষণা তেমনি এসমস্ত বিভাগগুলোর অনেক অধ্যাপকের বিরুদ্ধেও রয়েছে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ। ডিন ও বিভাগীয় প্রধান পদ ধরে রাখতেই অধ্যাপক নিয়োগে বাঁধা তৈরির অভিযোগও রয়েছে কারও কারও বিরুদ্ধে। এমনকি তাদের স্বার্থ রক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনকেও তোয়াক্কা করা হচ্ছে না।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৫ এর ‘২৪ নং ধারার ২ নং উপধারায়’ বলা আছে, ‘বিভাগীয় অধ্যাপকদের মধ্য হইতে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পালাক্রমে তিন বৎসর মেয়াদে ভাইস-চ্যান্সেলর কর্তৃক বিভাগীয় চেয়ারম্যান নিযুক্ত হইবেন। ২৪ নং ধারার ৩নং উপধারায় বলা আছে, যদি কেন বিভাগে অধ্যাপক না থাকেন তাহা হইলে ভাইস-চ্যান্সেলর সহযোগী অধ্যাপকদের মধ্য হইতে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পালাক্রমে একজনকে বিভাগীয় চেয়ারম্যান নিযুক্ত করিবেন। তবে শর্ত থাকে যে, সহযোগী অধ্যাপকের নি¤েœর কোন শিক্ষককে বিভাগীয় চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত করা যাইবে না। আরো শর্ত থাকে যে, অন্যুন সহযোগী অধ্যাপক পদমর্যাদার কোন শিক্ষক কোন বিভাগে কর্মরত না থাকিলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রবীনতম শিক্ষক উহার চেয়ারম্যান হইবেন।’

ডিন হিসেবে নিযুক্তির ব্যাপারে জগন্নাথ  বিশ্ববিদ্যালয় আইন (২০০৫) এর ২২ নং ধারার ৫ নং উপধারায় বলা আছে, ‘ভাইস-চ্যান্সেলর সিন্ডিকেটের অনুমোদনক্রমে প্রত্যেক অনুষদের জন্য উহার বিভিন্ন বিভাগের অধ্যাপকদের মধ্য হইতে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পালাক্রমে দুই বৎসর মেয়াদের জন্য ডিন নিযুক্ত করিবেন। তবে শর্ত থাকে যে, কোন ডিন পরপর দুই মেয়াদের জন্য নিযুক্ত হইতে পারিবেন না। আরো শর্ত থাকে যে, কোন বিভাগে অধ্যাপক না থাকিলে সেই বিভাগের জ্যেষ্ঠতম সহযোগী অধ্যাপক ডিন পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হইবেন এবং কোন বিভাগের একজন অধ্যাপক ডিনের দায়িত্ব পালন করিয়া থাকিলে ঐ বিভাগের পরবর্তী পালাসমূহে অবশিষ্ট অধ্যাপকগন জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে ডিন পদে নিযুক্তির সুযোগ পাইবেন। আরো শর্ত থাকে যে, একাধিক বিভাগে সমজ্যেষ্ঠ অধ্যাপক অথবা সহযোগী অধ্যাপক থাকিলে সেক্ষেত্রে তাহাদের মধ্যে ডিন পদের আবর্তনক্রম ভাইস-চ্যান্সেলর কর্তৃক নিদিষ্ট হইবে।’

আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আলী আক্কাস সরকার আইন ভঙ্গ করে পর পর চারবার ডীন হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন। সরকার আলী আক্কাস ২০১২ সালের ৯ মে থেকে ২০১৮ সালের ৮ মে পর্যন্ত ডিনের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে চতুর্থবার তাকে পুনরায় নিয়োগ দিলে ভুমি ব্যবস্থাপনা ও আইন বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক খ্রীষ্টিন রিচার্ডসন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আইন লঙ্ঘনের বিষয়টি তুলে ধরেন। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন খ্রীষ্টিন রিচার্ডসনকে আইন অনুষদের ডীন হিসেবে নিয়োগ দেন। ২০২০ সালের ১৫ জুন খ্রীষ্টিন রিচার্ডসনের মেয়াদ শেষ হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের দুই বিভাগে আরও তিনজন সহযোগী অধ্যাপক থাকার পরেও নিয়ম অনুযায়ী তাদের মধ্য থেকে নিয়োগ না দিয়ে সরকার আলী আক্কাসকে আবারও চতুর্থবারের মতো ডীন হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।

বিভাগীয় চেয়ারম্যান হিসেবে সরকার আলী আক্কাস ২০০৯ সালের ১ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকেই বর্তমান সময় পর্যন্ত একাধারে ১১ বছর যাবৎ দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে আইন বিভাগে দুইজন সহযোগী অধ্যাপক আছে কিন্তু তাদের মধ্য থেকে কাউকেই এখন পর্যন্ত পালাক্রমের ভিত্তিতে চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করা হয়নি।

ফ্লিম এন্ড টেলিভিশন বিভাগে প্রায় ৫ বছর ধরে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক জুনায়েদ আহম্মদ হালিম। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে প্রায়দিনই বিশ্ববিদ্যালয়ে অনিয়মিত থাকেন তিনি। এছাড়াও তার ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার হয়ে এক শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন হুমকির মুখে পড়েছে । ওই শিক্ষার্থীর ক্লাস, পরীক্ষা নিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, প্রক্টরের অনুমতিও আমলে নিচ্ছেন না তিনি। পরীক্ষায় বসতে গেলে ছাত্রলীগ দিয়ে মার খাওয়ানো ও একাডেমিক কার্যক্রম চালাতে না দেয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে ঐ শিক্ষার্থীকে।

অন্যদিকে, ফার্মেসি বিভাগে প্রায় ১০ বছর ধরে বিভাগীয় প্রধান রয়েছেন বিভাগের একমাত্র অধ্যাপক ড. এ. জেড. এম রুহুল মোমেন। তার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের উপর অধিক জরিমানা চাপানোর অভিযোগও রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম উপেক্ষা করে ভর্তি বা সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার সময় অতিরিক্ত টাকা গ্রহণের অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, ২০১০ সালে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের তৎকালিন বিভাগীয় প্রধান জাহানারা বেগমের মৃত্যুর পর থেকে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে আছেন অধ্যাপক ড. আতিয়ার রহমান। প্রায় ১০ বছর ধরে তিনি চেয়ার ধরে থাকলেও সুযোগ পাচ্ছেন না অন্যান্য শিক্ষকরা। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, কোন কাজে স্বাক্ষর নিতে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিভাগের একাউন্টে জমা দিতে হয় শিক্ষার্থীদের। টাকা জমার রশিদ না দেখালে স্বাক্ষর মেলে না। সম্প্রতি বিভাগের ২০১৩-১৪ সেশনের এক শিক্ষার্থী টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে সাবেক এক শিক্ষার্থীকে দিয়ে তাকে পিটিয়ে ক্যাম্পাস ছাড়া করানোর হুমকিও দেয়ারও অভিযোগ ওঠে।

এছাড়াও প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই প্রায় ৭ বছর ধরে বিভাগীয় প্রধান আছেন লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসমা বিনতে ইকবাল। ৩ বছরের প্রথম মেয়াদ শেষে প্রায় ৪ বছর ধরে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে রয়েছেন প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. লাইসা আহমদ লিসা।

অধ্যাপক নিয়োগের বিষয়ে কথা বলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মোঃ ওহিদুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “অধ্যাপক পদে যোগ্য কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না তাই অধ্যাপক নিয়োগ সম্ভব হচ্ছে না, প্রমোশনও হচ্ছে না”।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম না মেনে একই পদে দীর্ঘদিন ধরে থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “তারা বিশেষ বিবেচনায় রয়েছেন।”

ধুনটে জলমহালে অংশ গ্রহনের আবেদনপত্র ছিনতাইয়ের অভিযোগ
                                  

বগুড়া প্রতিনিধি:
বগুড়ার ধুনটে জলমহাল ইজারায় অংশ গ্রহনের আবেদন পত্রসহ অন্যান্য কাগজাদি ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতাবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি বরাবর উপজেলার আলোয়া পীরহাটি মৎসজীবি সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক ও জালাল উদ্দিনের পুত্র আনোয়ার হোসেন এ লিখিত অভিযোগ দাখিল করে।

বাদি আনোয়ার হোসেন ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আলোয়া মৌজার ১৪৩৯ নং দাগে ৫.৯৫ একর জমি সরকারী খাস খতিয়ানভুক্ত জলাশয়। প্রতি ৩ বছর পর এ জলাশয়টি সরকারীভাবে ইজারা ডাক হয়। প্রতি বছরের ন্যায় সম্প্রতি বাংলা ১৪২৮ সন হতে ১৪৩০ সন পর্যন্ত ৩ বছরের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আলোয়া পীরহাটি মৎসজীবি সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন তার সমিতির নামে সিডিউল ক্রয় করে এবং সিডিউলের সাথে অগ্রণী ব্যাংক ধুনট শাখা হতে ১৮ হাজার ১শত টাকার বিডি ( ২৭৪২২৬৪ ) টেন্ডার বক্সে জমা দেয়ার জন্য যায়। উপজেলা চত্বরে প্রবেশ করার পর ধুনট সদর পাড়া এলাকার মৃত শাহজাহান আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম কয়েক জন অচেনা লোক মিলে আমাদের পুরনকৃত সিডিউল, বিডি ও সমিতির যাবতীয় কাগজ পত্রাদি ছিনতাই করে নেয়।

এ ঘটনায়  বৃহস্পতিবার ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জলমহাল ব্যস্থাপনা কমিটির সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি বলেও জানান আনোয়ার হোসেন।

অভিযোগের বিবাদি জাহাঙ্গীর আলম জানান, ঘটনা সম্পর্কে আমি অবগত নই। ওই দিন আমি ধুনট উপজেলার বাইরে ছিলাম। আমার জড়িত থাকার প্রশ্নই আসে না।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জলমহাল ব্যস্থাপনা কমিটির সভাপতি সঞ্জয় কুমার মহন্ত বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


টার্গেটবল খেলায় রেফারি ও কোচ হলেন জবির দুই শিক্ষার্থী
                                  

জবি প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ টার্গেটবল এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে টার্গেটবল খেলার নতুন রেফারি ও প্রশিক্ষক হলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দুই শিক্ষার্থী। এরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ সেশনের ফিনান্স বিভাগের মো: ফয়সাল ও ২০১৮-১৯ সেশনের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী রিয়াজ ভূঁইয়া। টার্গেটবল এসোসিয়েশনের রেফারি ও প্রশিক্ষক কোর্স-২০২১ এ প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমেই তারা এ সুযোগ লাভ করেন।

জানা যায়, টার্গেটবল ভারতের একটি খেলা যা ২০১২ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। টার্গেটবল খেলা নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ, পাকিস্থান, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, মরিশাস, বাস্ক, দুবাই এবং উগান্ডা ইত্যাদি বিভিন্ন প্রতিবেশী দেশগুলিতেও খেলা হয়। টার্গেটবল খেলার প্রথম আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পেশাদার চ্যাম্পিয়নশিপটি ২০১৪ সালে ভুটানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এখন এটি এশিয়া মহাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং ধীরে ধীরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় হচ্ছে। আন্তর্জাতিক টার্গেটবল সমিতির ভারপ্রাপ্ত সদস্য হিসেবে ৮০টিরও বেশি দেশ রয়েছে। টার্গেটবল আন্তর্জাতিক বন্ধুত্বকে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

গেমের ইতিহাস থেকে জানা যায়, অফিসিয়ালি টার্গেটবল খেলাটি ২০১২ সালে মিঃ সোনু শর্মা তৈরি করেছিলেন। গেমটির উদ্দেশ্য ছিল টার্গেট বলটি টার্গেট রিংয়ের মধ্যে ফেলে দেয়া। প্রকাশ্যে টার্গেটবল খেলাটি ৮ ই অক্টোবর, ২০১২ সালে মধুরার শ্রী জি বাবা সরস্বতী বিদ্যা মন্দির বিদ্যালয়ে খেলা হয়েছিল এবং মহিলাদের টার্গেটবল খেলা ২০১৪ সালে শুরু হয়েছিল। মিঃ শর্মা সময়ে সময়ে গেমটিতে অনেক পরিবর্তন করেছেন এবং মিঃ সোনু শর্মাকে “টার্গেটবল খেলার” জনক বলা হয়েছে।

পরিচিতি টার্গেটবল সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার একটি উত্তেজনাপূর্ণ, দ্রুত এবং দক্ষ খেলা। এটি এমন একটি খেলা যার মধ্যে ছয় (৬) জন খেলোয়াড়ের দুটি দল বলটি ধরে রাখতে বা অর্জন করার চেষ্টা করে। দলে দলে দৌড়, লাফানো, নিক্ষেপ করা এবং ধরার মধ্য দিয়ে বলটি তার লক্ষ্য বৃত্তে স্থানান্তরিত করার চেষ্টা করে যেখান থেকে একটি লক্ষ্য অর্জন করা যায়, অন্যদিকে বিরোধী দল এটি রোধ করতে এবং দখল অর্জনের জন্য প্রতিরক্ষামূলক আন্দোলন এবং কৌশল ব্যবহার করে। দলের বেশি সংখ্যক গোলের ম্যাচটি বিজয়ী। মূলত বাস্কেটবল আর হেন্ডবলের সমন্বয়েই এই খেলাটি হয়।

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রেফারি ও কোচ রিয়াজ ভূঁইয়া বলেন, আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন এই টার্গেটবল খেলার দল গঠন করার আশা পোষন করছি এবং সম্পূর্ণ নতুন এই খেলার কোচ ও রেফারি হওয়ার জন্য প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকভাব ধন্যবাদ জানায়।

শরীরচর্চা শিক্ষা কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক গৌতম কুমার দাস বলেন, টার্গেট বল খেলাটি একদমই নতুন। বাংলাদেশে কিছু দিন আগে এসেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা তাদের দুইজনকে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় খুলার পর আমরা এই খেলাটিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়াঙ্গনে অন্তর্ভুক্ত করবো।

উল্লেখ্য যে, ইতিমধ্যে তারা দুই জন বাংলাদেশ টার্গেটবল এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে ২ দিন ব্যাপি টার্গেটবল খেলার প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করেন।

শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যবহারিক শিক্ষার সংযোজনে ঘুচবে বেকারত্ব
                                  

মাইন উদ্দীন হাসান:
বেকারত্ব একটা অভিশাপের নাম। দেশে বর্তমানে বেকারের সংখ্যা প্রায় ২৬-২৭ লাখ। দেশের জনগণের এতো বড় একটা অংশ বেকার থাকার পিছনে কোন বিষয়টা আসলে দায়ী?

একটা মানুষের চাকরীর ক্ষেত্রে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা মূখ্য ভূমিকা পালন করে। সেই শিক্ষাব্যবস্থায় তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি প্রয়োজন ব্যবহারিক শিক্ষা। ব্যবহারিক শিক্ষা বলতে মূলত বুঝায় তাত্ত্বিক জ্ঞানের হাতে-কলমে প্রয়োগ। কিন্তু আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যবহারিক শিক্ষা তেমন নেই বললেই চলে। তাই বেকার সৃষ্টির পিছনে দেশের শিক্ষাব্যবস্থার এমন অবস্থাকে দায়ী করা যায়।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরির মূল উদ্দেশ্য হলো কর্মক্ষেত্রের জন্য শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত জনবল প্রস্তুত করা। তবে আমাদের দেশ শিক্ষিত জনবল তৈরী করতে পারলেও প্রশিক্ষিত জনবল তৈরী করতে পারছে না। কারণ আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থা তাত্ত্বিক জ্ঞানে সীমাবদ্ধ। ব্যবহারিক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার নেই কোন তেমন একটা ব্যবস্থা।

শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে জরুরী বাজেট বরাদ্দের বিষয়টা। যেখানে কেনিয়ার মতো দেশ তাদের মোট বাজেটের ৪৫ শতাংশ শিক্ষার জন্য ব্যয় করে, সেখানে আমাদের দেশের শিক্ষার ক্ষেত্রে বাজেট বরাদ্দ ১১-১২ শতাংশ। শিক্ষা ব্যবস্থায় এতো কম বাজেট আমাদের দেশকে পিছিয়ে রেখেছে। কারণ বাজেট কম বরাদ্দ দেয়াতে ব্যবহারিক শিক্ষার পিছনে যে টাকা ব্যয় করা দরকার, তা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো করতে পারছে না।

শিক্ষা হলো মূল বিনিয়োগের জায়গা। এই কাজের বড় অংশজুড়ে যেহেতু থাকবে ক্রিটিক্যাল থিঙ্কিং, প্রবলেম সলভিং, কমিউনিকেশন দক্ষতা, তাই শিক্ষাকেও বের করতে হবে মুখস্থ, গতানুগতিক প্রশ্ন-উত্তরের কবল থেকে। এই খাতে তাই বেশি বাজেট বরাদ্দ দিতে হবে। যার ফলে সম্ভব হবে ব্যবহারিক শিক্ষা অর্জনের জন্য পর্যাপ্ত ল্যাব স্থাপন এবং আইটি সরঞ্জার ক্রয় করার। এতে পড়ালেখা শেষ করে বসে থাকতে হবে না কোন শিক্ষার্থীকে। এই ব্যবহারিক শিক্ষা তাকে স্বাবলম্বী হতে সহায়তা করবে।

তাত্ত্বিক জ্ঞানের সঠিক প্রয়োগ হয় ব্যবহারিক শিক্ষার মাধ্যমে। একটা জাতি ব্যবহারিক শিক্ষায় যত শক্তিশালী হবে, সেই জাতি নিজের বেকারত্ব দূর করার মাধ্যমে বিশ্বের দরবারে দেশকে তুলে ধরতে সাহায্য করবে। তবে আমাদের দেশের ব্যবহারিক শিক্ষা অর্জনের ব্যবস্থা কম থাকার কারণে দেশ পিছিয়ে রয়েছে এবং পিছিয়ে রয়েছে আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থা। যার ফল স্বরুপ পৃথিবীর এক হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় নেই আমাদের দেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ের তালিকা প্রস্তুতের সময় বিশ্লেষণ করা হয় ৫টি মানদন্ড। যেমন:শিক্ষার পরিবেশ, গবেষণার সংখ্যা ও সুনাম, গবেষণার উদ্ধৃতি, এখাত থেকে আয় এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ। এই মানদন্ড গুলো শিক্ষাব্যবস্থায় যত বেশি কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে, আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয় তত সামনের দিকে অবস্থান করবে। কিন্তু আমাদের দেশে শিক্ষাব্যবস্থায় সব মানদন্ডের দুর্বল অবস্থা এবং তার সাথে  পিছিয়ে রয়েছে গবেষণার দিক থেকেও।  গবেষণায় বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৬তম এবং বৈশ্বিক জ্ঞান সূচকেও খারাপ অবস্থা দেশের উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে। এক্ষেত্রে ১৩৮টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৯তম। উচ্চশিক্ষার এই বেহাল দশার কারণ হলো মান যাচাই না করে যে কোন নিম্ন মানের কলেজকেও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভূক্ত করা এবং প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়। বরং সরকারের উচিত যত্রতত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা না করে, যে বিশ্ববিদ্যালয় গুলো আছে সেই গুলোর গবেষণার দিকে নজর দেওয়া।

আজকের পৃথিবীতে ইউরোপের দেশ গুলোর এতো উন্নতি ও প্রসারে ভূমিকা পালন করছে তাদের শিক্ষাব্যবস্থা। কারণ তারা তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি ভালো সুযোগ তৈরী করে রেখেছে ব্যবহারিক শিক্ষা অর্জনের।  এতে তাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা শেষ করে আমাদের দেশের গ্রাজুয়েটদের মতো বেকারত্বের কষাঘাতে জর্জরিত হতে হয় না। তারা সার্টিফিকেটএ নয়, কাজে বিশ্বাসী। ব্যবহারিক শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে তারা নিজেদের স্বাবলম্বী করতে সক্ষম হচ্ছে এবং দেশকে বিশ্বের দরবারে নিয়ে যাচ্ছে এক অনন্য উচ্চ মর্যাদায়।

বর্তমান সময়টা প্রযুক্তির যুগ। প্রতিনিয়ত পৃথিবীতে তৈরী হচ্ছে প্রযুক্তির নানান দিক। যে গুলোতে ঢুকিয়ে দেয়া হচ্ছে আয়ের বিভন্ন উৎস। তাই প্রয়োজন শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী ও জুতসই প্রযুক্তির শিক্ষা দেয়া। যে শিক্ষা বেকার তৈরী করার পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের তৈরী করতে পারবে দেশের সম্পদ হিসেবে।

তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি বাস্তবধর্মী ও ব্যবহারিক শিক্ষার মাধ্যমেই সম্ভব দক্ষ মানবসম্পদ তৈরী করার। যেটার মাধ্যমে দূরে হবে বেকারত্ব। এতে কোন শিক্ষার্থীকে ঝরে পড়তে হবে না চাকরীর বাজার থেকে। তাই শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে। পুঁথিগত মুখস্থ বিদ্যার বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে হাতে-কলমে দক্ষতা অর্জনের প্রতি অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। এর সাথে সরকারের মনোনিবেশ করতে হবে চাকরীর বাজারের দিকে এবং গ্রাজুয়েটদের জন্য ব্যবসায়ের উদ্দশ্যে সহজ ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে। চাকরীর বাজার সৃষ্টিতে বেসরকারী বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করতে হবে। যাতে তাদের বিনিয়োগের মাধ্যমে অধিক চাকরীর ক্ষেত্র তৈরী হয়।

মানসম্মত জাতি তৈরী করতে প্রয়োজন প্রশিক্ষিত জনশক্তি। আর ওই প্রশিক্ষিত জনশক্তি তৈরী করতে দেশের শিক্ষাব্যবস্থার ব্যবহারিক শিক্ষায় গুরুত্বআরোপ করতে হবে। এতে অনেকটা গুছে আসবে বেকারত্ব।

উদ্বোধনের অপেক্ষায় জবির আধুনিক মেডিক্যাল সেন্টার
                                  

জবি প্রতিনিধি:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) রফিক ভবনের নিচতলায় আধুনিক মেডিক্যাল সেন্টার স্থাপনের কাজ শেষ পর্যায়ে। খুব শিগগিরই উদ্বোধন করা হবে মেডিকেল সেন্টারটি।

রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা যায়। তিনি প্রতিবেদকে বলেন, কনস্ট্রাকশন কাজ প্রায় শেষ। এখন ভেতরে বেডসহ কিছু জিনিস সাজানোর বাকি আছে। খুব শিগগিরই উদ্বোধন করা হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন মেডিক্যাল সেন্টার ছিল নানা সমস্যা জর্জড়িত। ওজন ও প্রেশার মাপা যন্ত্র ছাড়া ছিল না আধুনিক যন্ত্রপাতি। বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে নতুন মেডিক্যাল সেন্টার স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেয় জবি প্রশাসন।  

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের রফিক ভবনের নিচতলায় প্রস্তুত করা হচ্ছে আধুনিক মেডিক্যাল সেন্টার। শেষ হয়ে গেছে মেডিক্যালের বেশিরভাগ কাজ। মেডিক্যাল সেন্টারে রোগীদের চিকিৎসার জন্য রয়েছে ৩২টি রুম। প্রতিটি কক্ষ থাইগ্লাস দিয়ে প্রস্তুত করা হচ্ছে। এছাড়াও রয়েছে ১২টি টয়লেট ও ওয়াশরুম। নতুন করে দরজা ও জানালা লাগানো হয়েছে এবং ইলেক্ট্রনিক ও রং এর যাবতীয় কাজ করা হয়েছে।

নির্মাণাধীন আধুনিক মেডিক্যাল সেন্টারটিতে নারী ও পুরুষের জন্য থাকছে আলাদা ওয়ার্ডে ৫/৬টি শয্যা এবং এসি সংযুক্ত একটি আধুনিক কক্ষ। এছাড়া প্রাথমিক চিকিৎসার সকল সুবিধাসহ রক্ত পরীক্ষা, ইসিজি কক্ষ ও বিভিন্ন ধরনের মেডিক্যাল সরঞ্জামাদি। মেডিক্যাল সেন্টোরটিতে থাকবেন ৩ জন মেডিকেল অফিসার, দুজন মেডিক্যাল সহকারী ও দুজন কর্মচারী।  

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ফাহিম নামের একজন শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের মেডিক্যাল সেন্টার আগেরটা তেমন ভালো ছিল না। আধুনিক মেডিক্যাল সেন্টারটি আরো আগে করা উচিত ছিল বিশ্ববিদ্যিালয় প্রশাসনের।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থী রেজাই রাব্বী বলেন, আগের মেডিক্যাল সেন্টারে যে কোনো সমস্যায় নাপা ওষুধ দেয়া হতো। এছাড়া ডাক্তার ছিল মাত্র ১ জন। এখন আধুনিক মেডিক্যাল সেন্টার হচ্ছে। এটা খুবই ভালো খবর। কিন্তু এবার যেন চিকিৎসেবা আধুনিক হয় এবং পর্যাপ্ত ডাক্তার থাকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চিফ ইঞ্জিনিয়ার (ভারপ্রাপ্ত) হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, ‘মেডিক্যালের কাজ প্রায় শেষ। ওয়াশ করা হবে কিছু জায়গা। মেডিক্যাল সেন্টারটি দ্রুত উদ্ভোধন করা হবে।’


   Page 1 of 41
     শিক্ষা
ছিনতাইকারীর কবলে ইবি ছাত্রী
.............................................................................................
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে আজ ৬ মন্ত্রণালয়ের বৈঠক
.............................................................................................
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার সূচি ঘোষণা
.............................................................................................
মার্চেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়ার দাবি শিক্ষার্থীদের
.............................................................................................
এক বছর পর খুলছে বিশ্ববিদ্যালয়, ২৪ মে ক্লাস শুরু
.............................................................................................
জাবি শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ, অন্যথায় ব্যবস্থা
.............................................................................................
এবার হল খোলার দাবিতে আন্দোলনে ইবি শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
জাবি শিক্ষার্থীরা তালা ভেঙে হলে প্রবেশ করছেন
.............................................................................................
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ফের শিক্ষার্থীদের অবরোধ
.............................................................................................
বসন্তেও বিষণ্ণ ইবি
.............................................................................................
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ফের বাড়ল
.............................................................................................
জবির এক-তৃতীয়াংশ বিভাগে অধ্যাপক নিয়োগে দীর্ঘসূত্রিতা
.............................................................................................
ধুনটে জলমহালে অংশ গ্রহনের আবেদনপত্র ছিনতাইয়ের অভিযোগ
.............................................................................................
টার্গেটবল খেলায় রেফারি ও কোচ হলেন জবির দুই শিক্ষার্থী
.............................................................................................
শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যবহারিক শিক্ষার সংযোজনে ঘুচবে বেকারত্ব
.............................................................................................
উদ্বোধনের অপেক্ষায় জবির আধুনিক মেডিক্যাল সেন্টার
.............................................................................................
ইবিতে শীতবস্ত্র বিতরণ
.............................................................................................
জিপিএ-৫ বেড়েছে এক লাখ ১৪ হাজার ৫২১
.............................................................................................
এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ কাল
.............................................................................................
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আরেক দফা ছুটি বাড়ল
.............................................................................................
প্রমোশনের দাবিতে ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা অনশনে
.............................................................................................
দশম ও দ্বাদশে নিয়মিত ক্লাস হবে, বাকিদের সপ্তাহে ১ দিন
.............................................................................................
পরীক্ষা ছাড়াই এইচএসসির ফল প্রকাশে সংসদে বিল পাস
.............................................................................................
৪১ ও ৪২তম বিসিএস পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে পিএসসি
.............................................................................................
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
.............................................................................................
অনলাইনে মিডটার্ম দিতে জবির মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি
.............................................................................................
প্রতিপক্ষের ব্যানার ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ কুবি ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে
.............................................................................................
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির লটারি হচ্ছে আজ
.............................................................................................
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ছে, সিদ্ধান্ত দু`একদিনের মধ্যে
.............................................................................................
শীতার্ত মানুষের পাশে জবি রোভার স্কাউট গ্রুপ
.............................................................................................
এইচএসসির ফল জানবেন যেভাবে
.............................................................................................
‘ফেব্রুয়ারি থেকে সীমিত আকারে খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান’
.............................................................................................
বগুড়ার ২ স্কুল থেকে বাদ পড়ছে জিয়ার নাম
.............................................................................................
ইবি’র সেই সহকারী প্রক্টরকে অব্যাহতি
.............................................................................................
ইবিতে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
.............................................................................................
বিদেশি শিক্ষার্থীদের পছন্দের তালিকায় নেই কুবি
.............................................................................................
পথশিশুদের খাবার বিতরণ করলো ফ্রেন্ডস এসোসিয়েশন
.............................................................................................
ইবিতে শিক্ষককে প্রাণনাশের হুমকি দিলেন শিক্ষক!
.............................................................................................
জবির প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ল্যাব উদ্বোধন
.............................................................................................
কুবিতে ছাত্রদলের পোস্টারিং, ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ
.............................................................................................
মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে আসছেন শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
কুবির হাল্ট প্রাইজ প্রোগ্রামে চ্যাম্পিয়ন টিম ‘ফুটাসটু স্কোয়ার’
.............................................................................................
ফি ছাড়াই পরীক্ষা দিতে পারবেন শাবি শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
ইবিতে হল বন্ধ রেখে পরীক্ষার নেয়ার সিদ্ধান্ত
.............................................................................................
উচ্চতর ডিগ্রি নিতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন কুবির ৭ শিক্ষক
.............................................................................................
জাতীয় কারাতে জবি শিক্ষার্থী নাইমের স্বর্ণ জয়
.............................................................................................
ঢাবি শিক্ষক সমিতি নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নীল দল জয়ী
.............................................................................................
চলতি ডিসেম্বরেই এইচএসসির রেজাল্ট
.............................................................................................
জবি উপাচার্যের ‘Bangabandhu Bangalees and Relevant Thoughts’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন
.............................................................................................
গুচ্ছপদ্ধতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি: শর্তের বেড়াজালে ঝরে পড়বে অনেক শিক্ষার্থী
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT