শনিবার, ২৪ জুলাই 2021 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   শিক্ষা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
দ্বিতীয় দিনে বাড়ির পথে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

জবি প্রতিনিধি :
কঠোর লকডাউনে আটকে থাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় দিনের মতো আজও বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে বাড়ি ফিরছেন। আজ রবিবার সকালে বরিশাল ও খুলনা বিভাগের উদ্দেশ্যে ১১টি বাস ছেড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রবিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে এমন তথ্য জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক আব্দুল্লাহ-আল-মাসুদ।

অধ্যাপক আব্দুল্লাহ-আল-মাসুদ বলেন, রবিবার সকালে পাটুরিয়া রুটে বিআরটিসি দোতলা বাস ৫টি, মাওয়া রুটে বিআরটিসি দোতলা বাস ৫টি এবং একতলা একটি বাস বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে বরিশাল ও খুলনা বিভাগের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, শুধু রবিবারই মোট শিক্ষার্থী যাচ্ছে ১১৯৬ জন। এদের মধ্যে খুলনা বিভাগে যাচ্ছে ৯০৭ জন শিক্ষার্থী এবং বরিশাল বিভাগে যাচ্ছে ২৮৯ জন শিক্ষার্থী। আর আমাদের বাস ড্রাইভার, হেল্পারদের বিশ্রাম ও যাবতীয় খরচের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

রবিবার সকালেও প্রথম দিনের মতো শিক্ষার্থীদের ভীড় দেখা যায়। ব্যাগপত্র সহ শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাসে করে যাত্রা শুরু করেন। নির্দেশনা অনুযায়ী তাপমাত্রা চেক করে শিক্ষার্থীদের বাসে উঠতে দেয়া হয়েছে।

বরিশালগামী উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আল আমিন সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাড়ি যাচ্ছি এটাই আনন্দ, আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে বাড়ি যাচ্ছি। এ আনন্দ আসলে বলার মতো নয়। এখন শুধু ভালোভাবে বাড়ি পৌঁছাতে পারলেই হলো।

কুষ্টিয়া যাচ্ছেন পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী নাঈম। তিনি বলেন, জবি প্রশাসনের এমন উদ্যোগ সত্যি প্রশংসনীয়। যাত্রাপথ শুভ হোক সকলের। আশা করছি পথে সবার সাথে অনেক মজা ও আনন্দঘন মূহুর্ত কাটবে।

রবিবার সকালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন জেলায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য দ্বিতীয় দিনের মতো বাস যাত্রার শুভ উদ্ধোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সুবিধা এবং করোনা মহামারির কথা বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ঢাকায় অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের নিরাপদে ঈদে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার জন্য পরিবহনের ব্যবস্থা করা হয়।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল, ছাত্র-কল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী, পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক আব্দুল্লাহ্-আল মাসুদ এবং সহকারী প্রক্টরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রবিবার শিক্ষার্থীরা যেসব জেলায় যাচ্ছে:
বরিশাল বিভাগ: বরিশাল, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, ভোলা, শরীয়তপুর, মাদারীপুর।

খুলনা বিভাগ: মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, মাগুরা, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা।

খুলনা: ফরিদপুর (ডাঙ্গা), নড়াইল, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা।

আগামী ১৯ জুলাই, সোমবার ময়মনসিংহ ও চট্রগ্রাম বিভাগের শিক্ষার্থীদের পৌঁছে দেওয়ার মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রম শেষ হবে।

এর আগে শনিবার রাজশাহী, সিলেট এবং রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুন্দর ভাবে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

দ্বিতীয় দিনে বাড়ির পথে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা
                                  

জবি প্রতিনিধি :
কঠোর লকডাউনে আটকে থাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় দিনের মতো আজও বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে বাড়ি ফিরছেন। আজ রবিবার সকালে বরিশাল ও খুলনা বিভাগের উদ্দেশ্যে ১১টি বাস ছেড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রবিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে এমন তথ্য জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক আব্দুল্লাহ-আল-মাসুদ।

অধ্যাপক আব্দুল্লাহ-আল-মাসুদ বলেন, রবিবার সকালে পাটুরিয়া রুটে বিআরটিসি দোতলা বাস ৫টি, মাওয়া রুটে বিআরটিসি দোতলা বাস ৫টি এবং একতলা একটি বাস বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে বরিশাল ও খুলনা বিভাগের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, শুধু রবিবারই মোট শিক্ষার্থী যাচ্ছে ১১৯৬ জন। এদের মধ্যে খুলনা বিভাগে যাচ্ছে ৯০৭ জন শিক্ষার্থী এবং বরিশাল বিভাগে যাচ্ছে ২৮৯ জন শিক্ষার্থী। আর আমাদের বাস ড্রাইভার, হেল্পারদের বিশ্রাম ও যাবতীয় খরচের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

রবিবার সকালেও প্রথম দিনের মতো শিক্ষার্থীদের ভীড় দেখা যায়। ব্যাগপত্র সহ শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাসে করে যাত্রা শুরু করেন। নির্দেশনা অনুযায়ী তাপমাত্রা চেক করে শিক্ষার্থীদের বাসে উঠতে দেয়া হয়েছে।

বরিশালগামী উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আল আমিন সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাড়ি যাচ্ছি এটাই আনন্দ, আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে বাড়ি যাচ্ছি। এ আনন্দ আসলে বলার মতো নয়। এখন শুধু ভালোভাবে বাড়ি পৌঁছাতে পারলেই হলো।

কুষ্টিয়া যাচ্ছেন পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী নাঈম। তিনি বলেন, জবি প্রশাসনের এমন উদ্যোগ সত্যি প্রশংসনীয়। যাত্রাপথ শুভ হোক সকলের। আশা করছি পথে সবার সাথে অনেক মজা ও আনন্দঘন মূহুর্ত কাটবে।

রবিবার সকালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন জেলায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য দ্বিতীয় দিনের মতো বাস যাত্রার শুভ উদ্ধোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সুবিধা এবং করোনা মহামারির কথা বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ঢাকায় অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের নিরাপদে ঈদে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার জন্য পরিবহনের ব্যবস্থা করা হয়।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল, ছাত্র-কল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী, পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক আব্দুল্লাহ্-আল মাসুদ এবং সহকারী প্রক্টরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রবিবার শিক্ষার্থীরা যেসব জেলায় যাচ্ছে:
বরিশাল বিভাগ: বরিশাল, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, ভোলা, শরীয়তপুর, মাদারীপুর।

খুলনা বিভাগ: মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, মাগুরা, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা।

খুলনা: ফরিদপুর (ডাঙ্গা), নড়াইল, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা।

আগামী ১৯ জুলাই, সোমবার ময়মনসিংহ ও চট্রগ্রাম বিভাগের শিক্ষার্থীদের পৌঁছে দেওয়ার মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রম শেষ হবে।

এর আগে শনিবার রাজশাহী, সিলেট এবং রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুন্দর ভাবে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে বাড়ি ফিরছে জবি শিক্ষার্থীরা
                                  

জবি প্রতিনিধি : অবশেষে সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় লকডাউনে ঢাকায় আটকে থাকা শিক্ষার্থীরা শনিবার সকাল থেকেই বাড়ির পথে রওনা হয়েছে। এ দিন সকাল ৯ টার কিছু সময় পর থেকেই শিক্ষার্থীদের বাস ক্যাম্পাস থেকে স্ব স্ব গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

শনিবার প্রথম দিন রংপুর, রাজশাহী ও সিলেট এই তিনটি বিভাগীয় শহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বাসের পাশাপাশি বিআরটিসির ভাড়া করা দ্বিতল বাস ও শিক্ষার্থীদের পৌঁছে দিচ্ছে। রবিবার ও সোমবার বাকি বিভাগীয় শহরে শিক্ষার্থীদের পৌঁছে দিতে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড প্রদর্শনপূর্বক তাপমাত্রা মেপে বাসে উঠতে দেয়া হয়েছে। প্রতিটি বাসের সামনে লাগানো হয়েছে বিশেষ স্টিকার। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে নিজ নিজ জায়গা থেকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে বলা হয়েছে।

এ দিকে সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে ক্যাম্পাস। কিছুক্ষণের জন্য হলেও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় যেনো তার চিরচেনা রূপ খুঁজে পেয়েছিলো। একজন বলছিলেন, স্বপ্ন যাচ্ছে বাড়িতে, জগন্নাথের গাড়িতে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস ক্যাম্পাস থেকে ছেড়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা ম্যানেজমেন্টের সবকিছু দেখাশোনা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল বাসের সার্বিক বিষয়ে সকলকে বিশেষভাবে সচেতন করেন।

এ সময় পরিবহন পুলের প্রশাসক শিক্ষার্থীরা যেনো নিরাপদে পৌঁছাতে পারেন সেজন্য চালককের সাবধানে বাস চালাতে এবং সহকারীদের জায়গা বুঝে শিক্ষার্থীদের নামিয়ে দিতে পরামর্শ দেন। এছাড়াও সহকারী প্রক্টর, ছাত্রকল্যাণ পরিচালক সহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

বাস ছেড়ে দেয়ার কিছু সময় পূর্বে ক্যাম্পাসে উপস্থিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক। শিক্ষার্থীদের তিনি সাবধানে বাড়ি যেতে নিজের নিরাপত্তার বিষয়ে খেয়াল রাখতে পরামর্শ দেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে বাড়ি ফেরা গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী অনুপম বলেন, ক্যাম্পাসে পরীক্ষার জন্য এসেছিলাম। পরীক্ষা স্থগিত হয়ে গিয়েছে তাই বাড়ি যেতে হচ্ছে। আর এমনিতেও ঈদে বাড়ি যাওয়া হয়। লকডাউনে কিভাবে যাবো বুজতে পারছিলাম না।  কারণ লকডাউনে কোনো গাড়ি চলছিল না। তারপর থেকেই অনিশ্চয়তায় ভুগতেছিলাম, বাড়ি যেতে পারবো কি পারবো না। ঠিক তখন স্টুডেন্টদের এমন অনিশ্চয়তা দেখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আমাদের বাড়ি পৌঁছে দেওয়ায় অনেক অনেক খুশি, যা ঈদের আনন্দকেও হার মানায়। ধন্যবাদ জবি প্রশাসনকে।

ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান বলেন, এ অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। লকডাউন ছেড়ে দিলেও ডাবল ভাড়া দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে হয়তো আমাদের বাড়ি ফিরতে হতো। কিন্তু গণপরিবহনে যাতায়াতের ফলে কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে হয়তো কয়েকশো শিক্ষার্থী করোনা আক্রান্ত হয়ে যেত। কারণ গণপরিবহন যাদের সাথে যাতায়াত করতাম, তারা কে কোথা থেকে এসেছে, কোনো কিছুই তো বলা যায় না। সেই ঝুঁকি থেকে আমাদের রক্ষা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শনিবার যে জেলার শিক্ষার্থীরা বাড়ি যাচ্ছে:

টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, নাটোর, চাপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী। নারায়নগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ (ভৈরব), বি-বাড়ীয়া, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিলেট, সুনামগঞ্জ। বগুড়া, নওগাঁ, গাইবান্ধা, জয়পুরহাট, সৈয়দপুর, রংপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক আবদুল্লাহ্-আল্-মাসুদ বলেন, নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সার্বিক সুবিধার জন্য আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও উপাচার্য মহোদয়ের নির্দেশে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ সুবিধা দেওয়ার জন্য আমরা বদ্ধ পরিকর আছি এবং সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। আমরা সবসময় শিক্ষার্থীবান্ধব। ইতোপূর্বেও শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করেছি, এখনও করছি এবং আগামীতেও করবো। তবে শিক্ষার্থীদের অবশ্যই এসব বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, আজকে বাড়ি যাচ্ছে না আমাদের এমন কোনো সদস্য ক্যাম্পাস যায় নাই মনে হয়। তিনি আরো বলেন, শুধু শনিবারই মোট ছাত্রছাত্রী যাচ্ছে ১৫০৭ জন। এর মধ্যে রংপুর যাবে ৭১২ জন, সিলেট ২৯৩ এবং রাজশাহী ৫০২ জন। সচরাচর বাস যেসব রাস্তা দিয়ে যায় সেদিক দিয়েই যাওয়া হবে। অর্থাৎ অন্যান্য সাধারণ গাড়িগুলো, সরকারি গাড়িগুলো বা বিআরটিসির গাড়ি গুলো যেই রুটে চলে সেই রুটেই বাস চলে যাবে। শিক্ষার্থীরা তাদের সুবিধামত জায়গায় নেমে যাবে।

উল্লেখ্য, এর আগে ঈদে শিক্ষার্থীদের বাড়ি পৌঁছে দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বাসের দাবি সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট স্মারকলিপি জমা দেন।

করোনায়ভাইরাসে প্রাণ হারালেন শাবির সিনিয়র গার্ড সাদ মিয়া
                                  

শাবি প্রতিনিধি :
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র গার্ড সাদ মিয়া করোনায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।) বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত নিরাপত্তাকর্মী হারিস আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, করোনায় আক্রান্ত হয়ে শাবির সিনিয়র গার্ড (গ্রেড-২) সাদ মিয়া শুক্রবার (১৬জুলাই) সন্ধ্যায় নিজ বাসায় মারা গেছেন। তারা বাসা সিলেট শহরস্থ যোগীপাড়া। শুক্রবার বাদ এশা মরহুম সাদ মিয়াকে দাফন করা হবে। মৃত্যুকালে তিনি ছয় ছেলে আর তিন মেয়ে রেখে গেছেন।

সাদ মিয়ার মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স এসোসিয়েশন ও কর্মচারী ইউনিয়ন শোক প্রকাশ করেছে।

পরিস্থিতি অনুকূলে এলে নভেম্বরে এসএসসি ও ডিসেম্বরে এইচএসসি
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে এলে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে চলতি বছরের নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এবং ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ভার্চুয়ালি সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা দেখেছি গতবার সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের দিকে সংক্রমণ অনেকটা কমে গিয়েছিল। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ব্যাপক সংখ্যক জনগোষ্ঠীর মধ্যে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে, গতবারের অভিজ্ঞতায় নভেম্বর-ডিসেম্বরে সংক্রমণ কমে নিয়ে যাওয়ার সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, পরিস্থিতি অনুকূল হলে সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে শুধু নৈর্ব্যক্তিক বিষয়ে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এসএসসি এবং ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে। যদি পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব না হয় সেক্ষেত্রে পূর্ববর্তী জেএসসি-জেডিসি-এসএসসির ভিত্তিতে এবং অ্যাসাইনমেন্টের ভিত্তিতে এসএসসি-এইচএসসির মূল্যায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, ঈদুল আজহার পরপর এইচএসসির ফরম পূরণ অনলাইনে শুরু হবে। কোনো শিক্ষার্থীকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হবে না। অল্প বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে, তাই ফিও কম নেওয়া হবে। এ বিষয়ে বোর্ড থেকে নির্দেশনা জারি করা হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি
                                  

স্টাফ রিপোর্টার :
করোনার প্রভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথমবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পিছিয়ে আগামী ১ অক্টোবর থেকে শুরু হবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় পরীক্ষা পেছানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এই অবস্থায় কোনোভাবেই ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা যেত না। শিক্ষার্থীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমরা কিছু করতে চাই না। এছাড়া আমাদের শিক্ষকদের নিরাপত্তার বিষয়টিও রয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি:
১ অক্টোবর- ক ইউনিট, খ ইউনিট ২ অক্টোবর, গ ইউনিট ২২ অক্টোবর, ঘ ইউনিট ২৩ অক্টোবর, চ ইউনিট ৯ অক্টোবর অঙ্কন,

এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তিপরীক্ষা ২৯ অক্টোবর, আর্টস ও সোশাল সায়েন্স বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা ২৯ অক্টোবর ও ৫ নভেম্বর ব্যবসায় বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

নোবিপ্রবিতে অনলাইনে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা শুরু
                                  

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি :
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) অনলাইনে চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আজ সোমবার (১২ জুলাই) উক্ত পদ্ধতিতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বিভাগে একযোগে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

অনলাইন প্লাটফর্ম গুগল ক্লাসরুম এবং জুম ব্যবহার করে আজ সকালে নোবিপ্রবির অর্থনীতি ও অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের ৫ম সেমিস্টারের চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু হয়। এতে প্রত্যেক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়া প্রাতিষ্ঠানিক ই-মেইল ব্যবহার করে পরীক্ষায় অংশ নেয়।

এর আগে গত ২৮ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত তিন দিন ব্যাপী অনলাইন পরীক্ষা পদ্ধতি প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর তত্ত্বাবধানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং পরীক্ষা কার্যক্রমের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উক্ত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

অনলাইন পরীক্ষায় অংশ নেয়া অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী ইফতিয়া জাহিন রাইদাহ বলেন, দীর্ঘদিন পরে সেমিষ্টার পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরে সেশনজটের শঙ্কা থেকে খানিকটা মুক্ত অনুভব করছি। বিভাগের শিক্ষকদের সহায়তায় সুন্দরভাবে পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। টেকনিক্যাল ও নেটওয়ার্ক জনিতসমস্যা শিক্ষকরা আন্তরিক সহযোগিতা করেছেন। এছাড়া সার্বিক সমস্যা সমাধানে সুন্দর ভাবে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য বিভাগীয় প্রধানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এই শিক্ষার্থী।
 
এই বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন পরে পরীক্ষা দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। অনলাইন পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে প্রথমে কিছুটা ভয় কাজ করলেও শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতায় সুন্দর ভাবে পরীক্ষা দিতে পেরেছি।

অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান শান্ত বলেন, দীর্ঘ সময় পর পরীক্ষা আয়োজনের জন্য নোবিপ্রবি প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা। ছোট বড় সকল প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পেরে আমরা উচ্ছ্বসিত। বলতে যতটাই সহজ, অনলাইন পরীক্ষাই তো শিক্ষকদের নিতে কি সমস্যা? আসলে ব্যাপার টা মোটেও তেমন নয়। বরং অন্যসময়ের থেকে এখানেই সময় ও শ্রম দুটোই বেশি লাগে।

শিক্ষকরা অত্যন্ত আন্তরিকতার সহিত সবধরনের সমস্যা সমাধান করেছেন। তবে প্রশ্নপত্র ও মান নিয়ে আক্ষেপ রয়েই গেলো। ভিডিও অন বা এত কঠিন নিয়ম কানুন নকল এড়াতে কতটা কার্যকর ছাত্রদের অভিনব পদ্ধতির কাছে সেটা একটি বড় প্রশ্ন? প্রশ্নপত্র সম্পূর্ণ সৃজনশীল করাই যৌক্তিক ছিলো। সব বাধা-বিপত্তি, সমস্যার পরেও আমি খুবই উচ্ছ্বসিত এবং শিক্ষকদের আন্তরিকতায় মুগ্ধ।

অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মোঃ ফরিদ দেওয়ান বলেন, অনলাইনে প্রথম পরীক্ষা হিসেবে কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হলেও শিক্ষার্থীদের শতাভাগ উপস্থিতি পেয়েছি আমরা। কিছু ট্যাকনিক্যাল সমস্যা ছিলো, ছাত্রছাত্রীরা কমন ইন্সট্রাকশন গুলো ভালোভাবে ফলো কর‍তে পারেনি। গুগল ক্লাসরুমে উত্তরপত্র জমা দিতেও একটু লেইট করেছে শিক্ষার্থীরা। ট্যাকনিক্যাল কিছু সমস্যা ব্যতিত সব কিছু ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আমরা আশা করছি, পরবর্তী পরীক্ষা গুলোতে সব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারবে সবাই।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার পরীক্ষা স্থগিত
                                  

জবি প্রতিনিধি :
করোনা ভাইরাস সংক্রমণের হার আকস্মিক হারে বেড়ে যাওয়ায় আগামী ১০ আগস্ট থেকে শুরু যাওয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীদের সেমিস্টার পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে পরীক্ষা শুরুর চার সপ্তাহ আগে সময় জানানো হবে।

সোমবার (১২ জুলাই) প্রতিবেদকের সাথে এক ফোনালাপে এসব তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক। আজ অনলাইনে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানান তিনি।

উপাচার্য বলেন, করোনা পরিস্থিতির অবনতির কারনে আগামী ১০ আগস্ট থেকে সেমিস্টার পরীক্ষা শুরু হওয়ার যে সিদ্ধান্ত হয়েছিলো তা স্থগিত করা হয়েছে। পড়ে চার সপ্তাহ সময় দিয়ে পরীক্ষার নতুন তারিখ জানানো হবে।

তিনি আরও বলেন, এখন করোনার যে অবস্থা এরমধ্যে শিক্ষার্থীদের ঢাকায় এনে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না তাই এমন সিদ্ধান্ত।

পরীক্ষার ফি দেয়ার ব্যাপারে উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ফি দেয়ার সময় সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার আগ পর্যন্ত চলতে থাকবে। আর বিলম্ব ফি তো মওকুফ করে দিয়েছি। কোনো ধরনের বিলম্ব ফি দেয়া লাগবে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ কে এম মনিরুজ্জামান বলেন, অনলাইনে জরুরি এক সভায় সকল ডিনদের উপস্থিতিতে পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার পরবর্তী তারিখ কমপক্ষে তিন চার সপ্তাহ আগে জানানো হবে।

বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মন্ডল বলেন, সবশেষ একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে মিড টার্ম পরীক্ষা শেষ করার যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছিলো, শিক্ষকরা চাইলে তা ঈদের পরেও আস্তে আস্তে নিতে পারবেন। অনলাইন ক্লাস ও অব্যাহত রাখতে পারবেন। এতে করে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার সঙ্গে কানেকশনটা থাকবে।

এর আগে, চলতি বছরের ১৩ জুন একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিংয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আটকে থাকা বিভিন্ন বর্ষের পরীক্ষাসমূহ ১০ আগস্ট থেকে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং কুরবানি ঈদের আগে ১৮ জুলাইয়ের মধ্যেই দুই সেমিস্টারের সকল মিডটার্ম ও এসাইনমেন্ট শেষ করার নির্দেশনা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

শিক্ষার্থীেদের ঈদে বাড়ি না যেতে ঢাবি প্রশাসনের পরামর্শ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার :
মহামারী করোনার অব্যাহত উর্ধ্বগতি আর সরকার ঘোষিত কঠোর লডকাউনে মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থদের এবারের ঈদে বাড়ি ফিরতে নিরুৎসাহিত করছে বিশ্ববিদ্যায় প্রশাসন।

বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাপকভাবে করোনার বিস্তৃতি ঘটেছে। এমন পরিস্থিতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষার্থ ঢাকায় অবস্থান করছেন, পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে তাদের বাড়িতে না ফেরাই উত্তম।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলি তাদের আটকে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষার্থীদের নিজস্ব পরিবহনে বাড়ি পৌঁছে দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এরকম কোন সিদ্ধান্ত এখন পর্যন্ত নেয়নি বলে জানিয়েছেন ঢাবি’র ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

তিনি বলেন, আমরা লকডাউনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের ঢাকায় থাকার পরামর্শ দিব। কারণ দেশের সব প্রান্তে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে। এ অবস্থায শিক্ষার্থীদের বাড়ি যেতে আমরা নিরুৎসাহিত করব।  

অক্টোবরে ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজে ভর্তি পরীক্ষা
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে।

ভর্তি পরীক্ষার অনলাইন আবেদন শনিবার ১০ জুলাই থেকে শুরু হয়ে ২০ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।

বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১ অক্টোবর, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ২ অক্টোবর এবং বাণিজ্য ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৮ অক্টোবর হবে।

সাত কলেজের প্রধান সমন্বয়কারী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (শিক্ষা) ও অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে নির্ধারিত ওই তারিখেই ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে। তবে পরিস্থিতি খারাপ হলে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হতে পারে।

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি ৪৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফি জমা দেয়া যাবে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের সোনালী সেবা, মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশ ও রকেটের মাধ্যমে।

ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীদের ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে বিজ্ঞান ইউনিটের জন্য মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় (চতুর্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত দুই জিপিএ যোগ করে ন্যূনতম ৭ হতে হবে, বাণিজ্য ইউনিটের জন্য দুই পরীক্ষার জিপিএ (চতুর্থ বিষয়সহ) যোগ করে ন্যূনতম ৬ দশমিক ৫ হতে হবে, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের জন্য দুই পরীক্ষার জিপিএ (চতুর্থ বিষয়সহ) যোগ করে ন্যূনতম ৬ হলে তারা আবেদন করতে পারবেন।

সাত কলেজে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তির জন্য এবার মোট ১২০ নম্বরের এমসিকিউ আকারে ভর্তি পরীক্ষা হবে। এর ৪০ শতাংশ, অর্থাৎ ৪৮ নম্বর পেলে কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ বলে বিবেচিত হবেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর চাপ কমিয়ে শিক্ষার মান বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকার ৭টি সরকারি কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়।

এরপর থেকে ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাংলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজের ভর্তি পরীক্ষা, পাঠ্যসূচি ও পরীক্ষা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিচালিত হচ্ছে।

নোবিপ্রবির আটকে পড়া শিক্ষার্থীদের বাড়ি ফিরতে পরিবহন সুবিধার দাবি
                                  

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি :
কঠোর লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বাড়ি যেতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন সুবিধা চেয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর লিখিত দরখাস্তের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন সুবিধা চেয়ে আবেদন করে। আবেদনে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনের মাধ্যমে নোয়াখালীতে আটকে পড়া শিক্ষার্থীদের বিভাগীয় শহরে পৌঁছে দেয়ার দাবি জানায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতিতে ক্যাম্পাস বন্ধ থাকলেও নিজ এলাকায় পর্যাপ্ত ইন্টারনেট সুবিধা না থাকায় অনলাইন ক্লাস-পরীক্ষার জন্য নোয়াখালীতে অবস্থান করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ঈদে বাড়ি ফেরা নিয়ে শঙ্কিত তারা।

জানা যায়, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ঢাকা, ময়মনসিংহ, রংপুর, নরসিংদী, রাজশাহী, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, খুলনা, সিলেট, বরিশাল সহ দেশের বিভিন্ন জেলার প্রায় ৬ শতাধিক শিক্ষার্থী নোয়াখালীতে অবস্থান করছে। লকডাউনের কারণে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বাড়ি যেতে পারছেনা তারা। ঈদকে সামনে রেখে বাড়ি যেতে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন সুবিধা চায়।

শিক্ষার্থীরা বলেন, করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি ও কঠোর লকডাউন অবস্থা হওয়ার কারণে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় তাদের শিক্ষার্থীদের বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছে।

তারা আরো বলেন, করোনো লকডাউনে নোয়াখালীতে আটকে থাকা নোবিপ্রবি  শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও আসন্ন ঈদুল আযহার বিষয়ে বিবেচনা করে আমাদের জন্য এই মহৎ মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমরা চির কৃতজ্ঞ থাকবো।

রংপুর বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা রংপুর বিভাগের ২০ জনেরও বেশী শিক্ষার্থী বিভিন্ন কারণে নোয়াখালীতে আটকা পরে আছি। আমাদের জার্নি তো এমনিতেই অনেক দীর্ঘতম, তার উপর গাড়ি ভাড়ার একটা বিষয় মাথায় থেকে যায়। এবারের গাড়ি ভাড়া অনেক বেশী, রংপুর পর্যন্ত একটা মাইক্রো ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত চেয়েছে। যেখানে তার সিট ক্যাপাসিটি মাত্র ১০ জনের মতো হবে। যেটা আমাদের অনেকের জন্য বহন করা কষ্টসাধ্য। এরমধ্যে ক্লান্তি তো আছেই। এই শিক্ষার্থী আরো বলেন, প্রশাসন আমাদের কথা চিন্তা করে রংপুর পর্যন্ত একটা বাসের ব্যবস্থা করে দিলে আমরা উপকৃত হতাম।

মহসিন রেজা প্রান্ত নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, লকডাউনের এই অবস্থায় শিক্ষার্থীদের যাতায়াত কষ্ট নিরশনে বিশ্ববিদ্যালয়ের নজর দেয়া উচিৎ। আশা করি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপার নজর দিবে।

এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে নোবিপ্রবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর বলেন, সারাদেশে কঠোর লকডাউন সব বাস চলাচল বন্ধ। আমাদের শিক্ষকরাও ঢাকায় যেতে পারছে না, আটকে আছে। এই মূহুর্তে বাস দেয়া যাবেনা। চলতি কঠোর লকডাউন উঠে গেলে বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনায় বসবো।

বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ দিদার-উল-আলম বলেন, আমরা যেহেতু স্ব শরীরে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেই নাই, সেহেতু শিক্ষার্থীদের এখানে আসার প্রয়োজন ছিল না। তারপরও এ দাবী কতটুকু গ্রহনযোগ্য সেটি বিবেচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব।

চার মাসেও নোবিপ্রবির অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের ফল প্রকাশ হয়নি
                                  

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তর ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থীরা চার মাসেও হাতে পায়নি তাদের প্রথম সেমিস্টারের চূড়ান্ত ফলাফল। আইন অনুযায়ী ৪০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের কথা থাকলেও এখনো রেজাল্ট প্রকাশ করেনি বিভাগটি। ফল প্রকাশে বিলম্ব হওয়ায় নানারকম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

জানা যায়, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারীর শেষে উক্ত সেশনের পরীক্ষা শুরু হয়। কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে সবগুলো কোর্স সম্পন্ন হওয়ার আগেই পরীক্ষা স্থগিত হয়ে যায়। বাকি থাকা তিন কোর্সের পরীক্ষা চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত নোটিশ অনুযায়ী, এই ব্যাচের MBPG 1109, MBPG 1117 ও MBPG 1119 কোর্সের পরীক্ষা যথাক্রমে ২০২০ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারী, ৩ মার্চ ও ১১ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নোটিশ অনুযায়ী, আগের বছর ৩১ মার্চের মধ্যে পরীক্ষা সম্পন্ন করার কথা থাকলেও কোভিড ১৯ পরিস্থিতির কারণে এতে ব্যাঘাত ঘটে। ফলে পরবর্তী নোটিশ অনুযায়ী, সেমিস্টারের বাকি তিন কোর্স MBPG 1115, MBPG 1101 ও MBPG 1121 এর পরীক্ষা যথাক্রমে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারির ৭, ১৪ এবং ২২ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ফেব্রুয়ারির ২২ তারিখে পরীক্ষা শেষ হয়ে এখন পর্যন্ত চার মাসের অধিক সময় পার হলেও এখনো ফলাফল প্রকাশ করেনি উক্ত বিভাগ। জানা যায়, এর মাঝে একই বিভাগের অন্য আরেকটি ব্যাচের স্নাতক ২০১৫-১৬ বর্ষের ফাইনাল সেমিস্টারের পরীক্ষা নেয় বিভাগটি। এর ২ সাপ্তাহের মধ্যে তাদের ফলও প্রকাশ করেছে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ। জানুয়ারির ৭ তারিখে ওই ব্যাচের পরীক্ষা শেষ হলে মাস শেষ হওয়ার আগেই রেজাল্ট পেয়ে যায় তারা। এদিকে স্নাতকোত্তর ২০১৮-১৯ সেশনের পরীক্ষা শেষ হয়ে চার মাস গড়ালেও এখনো ফলাফল পায়নি তারা।

ফল প্রকাশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, ডিপার্টমেন্টের সদিচ্ছার অভাবেই তাদের ফল প্রকাশে কালক্ষেপন হচ্ছে। এজন্য নানা ধরনের অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে তাদের। কেউ কেউ বিভিন্ন প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকুরীরত। মাস্টার্সের কোন রেজাল্ট দেখাতে না পারায় কোন পদোন্নয়ন পাচ্ছে না তারা। ফলে সময় ও অভিজ্ঞতা বাড়লেও চাকরি শুরু করেছেন যে পদবী দিয়ে সে পদেই চাকরি করতে হচ্ছে এখনো।

ফলপ্রকাশে কালক্ষেপনের বিষয়ে জানতে চাইলে এই ব্যাচের কোর্স কো-অর্ডিনেটর অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মাহিন রেজা বলেন, বিষয়টি পরীক্ষা কমিটি এবং বিভাগীয় চেয়ারম্যানের অধীনে। তিনিই ফল প্রকাশের ব্যাপারে ভালো বলতে পারবেন। কোর্স কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্বে শুধুমাত্র কোর্স গুলো সঠিকভাবে শেষ করে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা।

বিষয়টি নিয়ে জিজ্ঞেস করা হলে পরীক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান ও বিভাগীয় চেয়ারম্যান ড. ফিরোজ আহমেদ বলেন, কোভিড পরিস্থিতিতে লকডাউনের কারণে রেজাল্ট প্রকাশ করা যায় নি। লকডাউন উঠে গেলে এ পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।

এ বিষয়ে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর মোহাম্মদ হানিফ বলেন, ৪০ দিনের মধ্যে রেজাল্ট প্রকাশ করার কথা। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতির কারণে হয়ত দেরি হচ্ছে। এ দায়িত্ব পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের। তারা এসব বিষয় মনিটরিং করেন।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের উপ পরিচালক মো শফিকুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে এই পরীক্ষার ফল প্রকাশের কথা থাকলেও লকডাউনের কারণে সম্ভব হয়নি। লকডাউন উঠে গেলে দ্রুত সময়ের মধ্যে ওই বিভাগের ফল প্রকাশ করা হবে।

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৫ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা
                                  

জান্নাতী বেগম (নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি):
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য ৫৫ কোটি ৮১ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদিত হয়েছে। গত ২৬ জুন অর্থ কমিটির সভায় এর অনুমোদন দেয়া হয়।

গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট থেকে এ বাজেট ৮ কোটি ৫ লাখ টাকা বেশি। ২০২০-২১ অর্থবছরে মূল বাজেটের আকার ছিল ৫০ কোটি ৬৮ লাখ টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ছিল ৪৭ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।

নতুন বাজেটে গবেষণায় বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ১.১১%।  বিগত বাজেটের থেকে নতুন বাজেটে গবেষণায় ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দ বেড়েছে। এছাড়াও গবেষণা সরঞ্জামাদি ক্রয়ের জন্য আরো ২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

২০২০-২১ অর্থবছরে চিকিৎসা খাতে বরাদ্দ ছিল ৭ লাখ টাকা, যা এবার বেড়ে হয়েছে ৮ লাখ টাকা। এছাড়া চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ক্রয়ে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১০ লাখ টাকা, যা গতবারের সংশোধিত বরাদ্দের চেয়ে ৫০ হাজার বেশি।

এছাড়াও পরিবহন খাতে ২ কোটি, স্বাস্থ্যবিধান (সেনিটেশন) ও পানি সরবরাহ খাতে ৪ লাখ, মোট ব্যবস্থাপনা ব্যয়ে ১ কোটি ২৪ লাখ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে পরিচালক অর্থ ও হিসাব ড. মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, বাজেট বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) দেবে ৫০ কোটি ৮১ লাখ টাকা। বাকি টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব খাত থেকে আয় ধরা হয়েছে ৫ কোটি টাকা।

গত বাজেটে ইউজিসি বরাদ্দ দিয়েছিল ৪১ কোটি ৫১ লাখ টাকা। নতুন বাজেটে ইউজিসি বরাদ্দ বাড়িয়েছে ৯ কোটি টাকা।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়: শিক্ষা ছুটিতে থেকেও ক্লাস নিচ্ছেন ইভিনিং কোর্সে
                                  

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শিক্ষাছুটিতে থাকাকালীন অবস্থায় সান্ধ্যকালীন কোর্সে এমবিএ ডিগ্রির কোর্স কার্যক্রম চালানো নিয়ে অভিযোগ উঠেছে।
 
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সাল থেকে বিবিএ ফ্যাকাল্টির চারটি বিভাগের মধ্যে তিনটি বিভাগে এ শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ, হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি এবং মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগে এই কোর্স বর্তমানে চালু রয়েছে । কিন্তু ব্যবস্থাপনা বিভাগে এই ডিগ্রি এখনো চালু হয়নি। এর কারণ এখানে রয়েছে শিক্ষকদের স্বার্থ।
 
অভিযোগ রয়েছে, শুরু থেকে সান্ধ্যকালীন কোর্সে শিক্ষা ছুটিতে থাকাকালীন অবস্থায় পুরাতন তিনটি বিভাগের শিক্ষকরা এই সান্ধ্যকালীন শিক্ষা পাঠদানে জড়িত। তবে এসব শিক্ষকগণ নিয়মিত কোর্স কারিকুলামে জড়িত থাকতে পারে না। কারণ তাকে গবেষণায় সময় দেওয়ার জন্য শিক্ষা ছুটি দেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু যে শিক্ষক বিভাগের নিয়মিত কোর্সে অংশগ্রহণ করতে পারে না, তিনি কিভাবে সান্ধ্যকালীন কোর্সে শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। এটা নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে বিতর্ক রয়েছে এবং এটা কতটুকু যৌক্তিক ও নৈতিকতার মধ্যে পড়ে তা নিয়েও চলছে নানান সমালোচনা।
 
ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদেও ঐ তিনটি বিভাগে মোট ৩৬ জন শিক্ষক আছেন। এর মধ্যে শিক্ষা ছুটিতে থাকাকালীন সময় ৭ জন সান্ধ্যকালীন সময়ে ক্লাস ও এই সুবিধা নিয়েছেন। এখনও অনেক শিক্ষক এই সুবিধা নিচ্ছেন। যা সম্পূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি-বিধান বিরোধী।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষক  জানান, শিক্ষকরা কেন সান্ধ্যকালীন কোর্সের শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বা কোর্স পড়াতে চায় কারণ এখানে অর্থের ব্যাপার রয়েছে। কোর্স নিলেই এখানে টাকা। কিন্তু এটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে ঠিক হচ্ছে কিনা এ নিয়ে আমার মনে প্রশ্ন জাগে। আমি মনে করি বিষয়টি প্রশাসনের খতিয়ে দেখা উচিত। এটা আইনসম্মত হচ্ছে কিনা , এছাড়াও অন্য কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ধরনের প্রাকটিস থাকলে, তা কোন আইনে নেন তা জানা উচিত।

বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রেজারার প্রফেসর মোঃ জালাল উদ্দিন জানান, কোন শিক্ষক শিক্ষাছুটিতে থাকাকালীন সান্ধ্যকালীন কোর্স করাতে পারবেন বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিধি-বিধানে নেই, এটা সম্পূর্ণ বেআইনী। আমি ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়ের সাথে এই বিষয় নিয়ে কথা বলবো।

এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শিক্ষকরা শিক্ষাছুটিতে থাকাকালীন সান্ধ্যকালীন কোর্স করাতে পারবেন এটা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালায় বলা আছে  তবে রেগুলার কোর্সে ক্লাস নিতে পারবেন না।

করোনাকালীন ফি মওকুফের দাবি ইবি ছাত্র মৈত্রীর
                                  

ইবি প্রতিনিধি :
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল, পরিবহন ও বিভাগীয় সকল ফি মওকুফের দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র মৈত্রী। এ দাবিতে সোমবার ভিসি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে তারা। ভিসির পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন ট্রেজারার ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফি মওকুফের দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

শাখা ছাত্র মৈত্রীর স্বারকলিপিতে বলা হয়, প্রায় দেড় বছর ধরে ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা হলে অবস্থান করেনি। আবার পরিবহন সেবাও গ্রহণ করেনি। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থী অনাবাসিক হওয়ায় তারা ক্যাম্পাস পার্শ্ববর্তী, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ এলাকায় মেস ও বাসাভাড়া নিয়ে অবস্থান করে। মহামারিকালে অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের পরিবার আর্থিক অস্বচ্ছলতার মধ্যে দিনযাপন করছে। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের উপর আরোপিত ফি হচ্ছে মরার উপর খাড়ার ঘা।

তারা আরও বলেন, করোনায় অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য আমরা দাবি জানালেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাতে সাড়া দেয়নি। তাই সার্বিক বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের সকল ফি মওকুফের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া বলেন, `শিক্ষার্থীদের হল, পরিবহন ও বিভাগীয় আনুষাঙ্গিক ফি মওকুফের দাবি যৌক্তিক। বিষয়টি নিয়ে ভিসি স্যারের সাথে কথা হয়েছে। স্যার বিষয়টি নিয়ে ভাবছেন এবং পজিটিভলি নিয়েছেন। পুরো ফি মওকুফ করতে না পারলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের সামর্থ্য অনুযায়ী কনসিডার করা হবে।

বৈজ্ঞানিক পোস্টার প্রদর্শনীতে চ্যাম্পিয়ন নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী ড. শাহানুল
                                  

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি :
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বিজ্ঞান ক্লাব আয়োজিত বৈজ্ঞানিক সভার পোস্টার প্রদর্শন ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) সাবেক শিক্ষার্থী ড. এম শাহানুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২২ জুন) উক্ত আয়োজনে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নাল অফ জুয়োলজিতে বিভিন্ন ঘনত্বে কুচিয়া চাষের উপযোগিতা নিয়ে  প্রকাশ পাওয়া বাংলাদেশী গবেষকদের করা সমন্বিত গবেষণাটি প্রদর্শন করেন ড. এম শাহানুল ইসলাম। তিনি নোবিপ্রবি ফিশারজ এন্ড মেরিন সায়েন্স বিভাগের ২০০৮-০৯ সেশনের শিক্ষার্থী।

ড. শাহানুল জানান, প্রকৃতিতে আশংকাজনক হারে কমে যাচ্ছে কুচিয়া মাছ। যার রপ্তানিমূল্য অনেক। তাই প্রায়োগিক চাষের মাধ্যমে মৎস্যচাষীদের অর্থনৈতিক সুদিন এবং অধিক উৎপাদন নিশ্চিত করে এই মাছ রপ্তানির মাধ্যমে দেশের অগ্রগতি তরান্বিত করতেই গবেষণাটি পরিচালনা করা হয়। এছাড়াও কৃত্রিম চাষ বৃদ্ধি পেলে প্রকৃতিতে কুচিয়া মাছের সংখ্যাও বেড়ে যাবে। ফলে এই মাছ সংরক্ষণেও কাজে লাগবে আধা-নিবিড়ভাবে সম্পন্ন এই গবেষণাটি।

গবেষণা দলটির মুখ্য লেখক স্বপন কুমার বসাক জানান, ঘনত্বে অনুসারে কুচিয়ার চাষ অর্থনৈতিক ভাবে কেমন লাভজনক তা খতিয়ে দেখা হয় গবেষণায়। এতে উঠে আসে বেশি ঘনত্বে (হেক্টরে ২০ হাজার পোনা) কুচিয়া চাষ করলে মাছের পরিমাণ কমে যায়। এতে আয় বাড়লেও মাছের আকার ছোট হয় এবং দেহ বৃদ্ধির হারও কমে যায়। অন্যদিকে কম ঘনত্বে চাষ করলে কুচিয়া মাছ বেশ বড় হয় এবং বিক্রির পর বিশ্লেষণ করে দেখা যায় মাছপ্রতি লাভের পরিমাণও বেড়েছে। এজন্য প্রতি হেক্টরে ৯-১০ হাজারের বেশি পোনা ছাড়া ঠিক নয়।

ইউএনও’র হস্তক্ষেপে এসএসসি ফর্ম ফিলাপের সুযোগ পেলো ৩ শিক্ষার্থী
                                  

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি :
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাবেয়া পারভেজ এর হস্তক্ষেপে এসএসসি ফর্ম ফিলাপের সুযোগ পেয়েছে দরিদ্র তিন শিক্ষার্থী। এতে করে পড়ালেখা বন্ধ হওয়ার উপক্রম থেকে রক্ষা পেয়েছে এই তিন শিক্ষার্থী।

তিন শিক্ষার্থীর একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তার বাবা অন্যের জমিতে বর্গা চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। ফর্ম ফিলাপ করার টাকা ছিল না তার বাবার কাছে। সে একজনের কাছ থেকে ধার-কর্জ করে ২৪০০ টাকা নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে ফর্ম ফিলাপ করতে গেলে ওই টাকায় ফর্ম ফিলাপ হবে না বলে ৩৩০০ টাকা নিয়ে আসার কথা বলে তাদেরকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

জানা যায়, উপজেলার আবদুল আজিজ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ব্যবসায় শিক্ষা শাখার তিন শিক্ষার্থী দারিদ্রের কারণে এসএসসি ফর্ম ফিলাপ বাবদ ৩৩০০ টাকা পরিশোধ করতে না পারায় অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে। টাকা দিতে না পারায় ফর্ম ফিলাপে নির্দিষ্ট সময়ও ফুরিয়ে যায়।

হোসেনপুরের ইউএনও রাবেয়া পারভেজ বিষয়টি জানতে পেরে পরে মঙ্গলবার ওই তিন শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষা সহায়তার ফান্ড থেকে প্রত্যেককে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা প্রদান করেন। এছাড়া সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে দায়িত্ব নিয়ে তাদের ফর্ম ফিলাপ করার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেন ইউএনও রাবেয়া পারভেজ। ফলে তারা বুধবার বিদ্যালয়ে এসএসসি ফর্ম ফিলাপ করতে সক্ষম হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের গত ২১ মার্চ তারিখের স্মারক নং ৩৪১/মাধ্য-পরী/৮৮/১৩১৩ থেকে জানা যায়, বিজ্ঞান শাখায় বোর্ড ফি ১৫০৫ টাকা ও কেন্দ্র ফি বাবদ ৪৬৫ টাকাসহ মোট ১ হাজার ৯৭০ টাকা এবং ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক শাখায় ১ হাজার ৪১৫টাকা ও কেন্দ্র ফি বাবদ ৪৩৫ টাকাসহ ১ হাজার ৮৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আমিরুল ইসলামের সাক্ষরিত চিঠিতে প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ স্থানীয় মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকসহ এ রকম একাধিক কর্মকর্তাদের এর অনুলিপি প্রেরণ করে সর্তক করে চিঠিতে নির্দেশাবলীতে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ এর কারণে কোন ক্রমেই ২০২১ সালের বেতন ও সেশনচার্জ নেওয়া যাবে না।

অভিযোগের বিষয়ে আবদুল আজিজ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ওরা ২৫০০ টাকা করে নিয়ে আসছিল ফরম ফিলাপের জন্য। এর পর আর যোগাযোগ না করায় তাদের ফরম ফিলাপ করা সম্ভব হয়ে উঠেনি।


   Page 1 of 47
     শিক্ষা
দ্বিতীয় দিনে বাড়ির পথে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে বাড়ি ফিরছে জবি শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
করোনায়ভাইরাসে প্রাণ হারালেন শাবির সিনিয়র গার্ড সাদ মিয়া
.............................................................................................
পরিস্থিতি অনুকূলে এলে নভেম্বরে এসএসসি ও ডিসেম্বরে এইচএসসি
.............................................................................................
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি
.............................................................................................
নোবিপ্রবিতে অনলাইনে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা শুরু
.............................................................................................
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার পরীক্ষা স্থগিত
.............................................................................................
শিক্ষার্থীেদের ঈদে বাড়ি না যেতে ঢাবি প্রশাসনের পরামর্শ
.............................................................................................
অক্টোবরে ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজে ভর্তি পরীক্ষা
.............................................................................................
নোবিপ্রবির আটকে পড়া শিক্ষার্থীদের বাড়ি ফিরতে পরিবহন সুবিধার দাবি
.............................................................................................
চার মাসেও নোবিপ্রবির অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের ফল প্রকাশ হয়নি
.............................................................................................
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৫ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা
.............................................................................................
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়: শিক্ষা ছুটিতে থেকেও ক্লাস নিচ্ছেন ইভিনিং কোর্সে
.............................................................................................
করোনাকালীন ফি মওকুফের দাবি ইবি ছাত্র মৈত্রীর
.............................................................................................
বৈজ্ঞানিক পোস্টার প্রদর্শনীতে চ্যাম্পিয়ন নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী ড. শাহানুল
.............................................................................................
ইউএনও’র হস্তক্ষেপে এসএসসি ফর্ম ফিলাপের সুযোগ পেলো ৩ শিক্ষার্থী
.............................................................................................
জবির মাঠে সিটি কর্পোরেশনের খুঁটি
.............................................................................................
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ১৬ বছর পর নোবিপ্রবি ছাত্রদলের কমিটি গঠন
.............................................................................................
‘শিওরক্যাশে’ টাকা জমা দেয়া নিয়ে ভোগান্তিতে জবি শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
প্রকল্পের মেয়াদ শেষ, নোবিপ্রবির ১০ তলা ভবন নির্মাণে অগ্রগতি নেই
.............................................................................................
স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসএসসি পরীক্ষা নেয়া হবে: শিক্ষাবোর্ড
.............................................................................................
আজিমপুর স্টাফ কোয়ার্টার থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
.............................................................................................
জবি ক্যারিয়ার ক্লাবের দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
.............................................................................................
টিকা নিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের তথ্য চেয়েছে জবি
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে জবির নতুন উপাচার্যের শ্রদ্ধাঞ্জলি
.............................................................................................
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসির যোগদান
.............................................................................................
ইবির কর্মচারী বরখাস্ত
.............................................................................................
নোবিপ্রবিতে ডীন নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ
.............................................................................................
দুই জবি শিক্ষার্থীর নতুন প্রজাতির ব্যাঙ আবিষ্কার
.............................................................................................
অনার্স-মাস্টার্স পরীক্ষা সশরীরে নেওয়া যাবে: ইউজিসি
.............................................................................................
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ল, ১২ জুন পর্যন্ত বন্ধ
.............................................................................................
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবিতে নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
.............................................................................................
ইবিতে হল-ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে মানববন্ধন
.............................................................................................
আবারো বন্ধের মেয়াদ বাড়লো জবিতে, ক্লাস চলবে অনলাইনে
.............................................................................................
নোবিপ্রবিতে “জুনিয়র চেস চ্যাম্পিয়নশিপ-২১” অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
নোবিপ্রবিডিএস’র বিতর্ক উৎসবের প্রথম রাউন্ড অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
রোজিনা ইসলামের মুক্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের ভার্চুয়াল মানববন্ধন
.............................................................................................
যোগদান করতে চান রাবিতে বিতর্কিত নিয়োগপ্রাপ্তরা
.............................................................................................
ফিলিস্থিনিদের জন্য অর্থ সহায়তা দিল জবির শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
নোবিপ্রবিডিএস’র আয়োজনে কাল থেকে জাতীয় বিতর্ক উৎসব শুরু
.............................................................................................
পর পর দু’বার কুবির প্রকল্পের রড চুরি
.............................................................................................
মা দিবসে মাকে বাঁচাতে তরুণের করুণ আকুতি
.............................................................................................
বিটিসিএলএফ কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী যারা
.............................................................................................
পিছিয়ে যাচ্ছে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা
.............................................................................................
মাকে বাঁচাতে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থীর মানবিক আবেদন
.............................................................................................
অনার্স-মাস্টার্স কোর্স থাকছে না বেসরকারি কলেজে
.............................................................................................
জবিতে ঈদের ছুটি শুরু বৃহস্পতিবার
.............................................................................................
নোবিপ্রবির পরিসংখ্যান বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান মিমমা তাবাসুম
.............................................................................................
পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে পারে ২৩ মে
.............................................................................................
করোনায় পেছাল ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT