বৃহস্পতিবার, ৬ মে 2021 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   শিক্ষা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
পিছিয়ে যাচ্ছে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট :
করোনা ভাইরাসের কারণে এ বছর নির্ধারিত সময়ে এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া অনিশ্চত হয়ে পড়েছে। সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে আগামী জুন-জুলাইয়ে এসএসসি এবং সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার কথা থাকলেও শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে নিতে না পারায় তা পিছিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ অবস্থায় দু’টি পাবলিক পরীক্ষা অন্তত দুই মাস পেছানোর পরিকল্পনা নিয়েছেন তারা।

প্রতিবছর ১ ফেব্রুয়ারি এসএসসি ও ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। গতবছর করোনা সংক্রমণের কারণে যথাসময়ে এসএসসি পরীক্ষা হলেও কয়েক দফা পিছিয়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। অটোপাস দিয়ে এইচএসসির শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ করা হয়।

এবছর এসএসসিতে ৬০ দিন এবং এইচএসসিতে ৮৪ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে জুন-জুলাইয়ে এসএসসি এবং সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল সরকারের। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না বলে বোর্ড এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, আগামী জুন-জুলাইয়ে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার কথা ছিল।

এইচএসসি হওয়ার কথা ছিল সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে। তবে সেটি দু-এক মাস পিছিয়ে যেতে পারে। কিন্তু এবার পরীক্ষা নেওয়া হবে।

আগামী ২৩ মে স্কুল-কলেজ খোলার কথা থাকলেও করোনা সংক্রমণের কারণে তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আর ১৭ মে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আবাসিক হল খুলে ২৪ মে থেকে ক্লাস করার কথা ছিল। তবে বিরূপ পরিস্থিতিতে সবই অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সার্বিক পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরিবেশ নেই। তাই নতুন পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে কাজ করছে মন্ত্রণালয়।

পিছিয়ে যাচ্ছে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট :
করোনা ভাইরাসের কারণে এ বছর নির্ধারিত সময়ে এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া অনিশ্চত হয়ে পড়েছে। সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে আগামী জুন-জুলাইয়ে এসএসসি এবং সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার কথা থাকলেও শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে নিতে না পারায় তা পিছিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ অবস্থায় দু’টি পাবলিক পরীক্ষা অন্তত দুই মাস পেছানোর পরিকল্পনা নিয়েছেন তারা।

প্রতিবছর ১ ফেব্রুয়ারি এসএসসি ও ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। গতবছর করোনা সংক্রমণের কারণে যথাসময়ে এসএসসি পরীক্ষা হলেও কয়েক দফা পিছিয়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। অটোপাস দিয়ে এইচএসসির শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ করা হয়।

এবছর এসএসসিতে ৬০ দিন এবং এইচএসসিতে ৮৪ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে জুন-জুলাইয়ে এসএসসি এবং সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল সরকারের। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না বলে বোর্ড এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, আগামী জুন-জুলাইয়ে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার কথা ছিল।

এইচএসসি হওয়ার কথা ছিল সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে। তবে সেটি দু-এক মাস পিছিয়ে যেতে পারে। কিন্তু এবার পরীক্ষা নেওয়া হবে।

আগামী ২৩ মে স্কুল-কলেজ খোলার কথা থাকলেও করোনা সংক্রমণের কারণে তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আর ১৭ মে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আবাসিক হল খুলে ২৪ মে থেকে ক্লাস করার কথা ছিল। তবে বিরূপ পরিস্থিতিতে সবই অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সার্বিক পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরিবেশ নেই। তাই নতুন পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে কাজ করছে মন্ত্রণালয়।

মাকে বাঁচাতে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থীর মানবিক আবেদন
                                  

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ
গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর মায়ের জীবন বিপন্ন হওয়ার পথে। বশেমুরবিপ্রবির ফিশারিজ এন্ড মেরিন বায়োসাইন্স বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী উম্মুল মুহছিনিন (উর্মি)। দীর্ঘদিন যাবৎ তার মা ব্রেস্ট ক্যান্সারে ভুগছে। টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছে না। যে কারণে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের সহায়তা চেয়েছেন।

ইতিমধ্যে তার মায়ের ৩টি অপারেশন ও ৬ টি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে। এতে জন্য প্রায় ৮ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। পরিবার এতোদিন চিকিৎসার খরচ বহন করলেও এখন আর তাদের পক্ষে চিকিৎসার খরচ চালানো সম্ভব হচ্ছে না। চিকিৎসার খরচ চালাতে গিয়ে তাদের একমাত্র দোকানটিও বিক্রি করতে হয়েছে।
পারিবারিক অস্বচ্ছলতার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা এ চিকিৎসার খরচ বহন করতে গিয়ে পরিবারটি এখন নিঃস্ব প্রায়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার মাকে এখনো আরো ৪টি কেমোথেরাপি দিতে হবে।

এমতাবস্থায় টাকার অভাবে উর্মির মায়ের চিকিৎসা আপাতত বন্ধ রয়েছে। তাই সমাজের সকলের কাছে একজন মায়ের জন্য সহযোগীতা চেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী উর্মি। একজন মায়ের জন্য সন্তানের এই আকুল আবেদন।  


সাহায্য পাঠানোর জন্য
বিকাশ:০১৭১১৭৩৯৬৮২
রকেটঃ০১৭১১৭৩৯৬৮২
নগদঃ ০১৪০৭২৯৪৮৬৮

অনার্স-মাস্টার্স কোর্স থাকছে না বেসরকারি কলেজে
                                  

স্বাধীন বাংলা অনলাইন :
চলতি বছর থেকে বেসরকারি কলেজে অনার্স-মাস্টার্সে ভর্তি বন্ধ করে দিতে পারে সরকার। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গত বছর থেকেই ২০১৯ সাল থেকেই নতুন করে বেসরকারি কলেজে এসব কোর্সের অনুমোদন দিচ্ছে না সরকার।

এ বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি মঙ্গলবার প্রথম বৈঠক করেছে। বৈঠক শেষে বিকেলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক মশিউর রহমান ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘আমরা একটি প্রক্রিয়া নির্ধারণের কাজ শুরু করেছি৷ এখনো নিশ্চিত নয় যে, সব বেসরকারি কলেজে অনার্স-মাস্টার্স কোর্স বন্ধ করা হবে কিনা৷’

বেসরকারি কলেজে ১৯৯৩ সাল থেকে অনার্স ও মাস্টার্স কোর্সের অনুমোদন দেয়া হয়৷ বাংলাদেশে এখন ৩১৫টি বেসরকারি কলেজে এই কোর্স চালু আছে৷ ২০০ কলেজ সরকারি হয়ে যাওয়ায় তারা আর এর আওতায় পড়ছে না৷ কোর্সগুলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়। আর এই পর্যায়ে পাঠদানের জন্য সাড়ে চার হাজারের মতো শিক্ষক আছেন। কিন্তু শিক্ষকদের কেউই এমপিওভুক্ত নন। কলেজগুলো যে বেতন দেয়, তাই তারা পান। সরকারি কোনো বেতন তাদের নেই। ফলে করোনার কারণে তাদের অনেকেই বেতন পাচ্ছেন না। অনুমোদনের সময় শর্ত ছিল ওই শিক্ষকদের কলেজ থেকেই মূল বেতন দিতে হবে।

এসব কলেজে অনার্স এবং মাস্টার্স পর্যায়ে তিন লাখের মতো শিক্ষার্থী আছে। কোর্স বন্ধ হলে তাদের কী হবে তাও এখনো নিশ্চিত নয়।

শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপুমনি সম্প্রতি সংবাদমাধ্যকে জানিয়েছেন, বেসরকারি কলেজে অনার্স-মাস্টার্স কোর্স আর ভবিষ্যতে থাকবে না। তার কথা, ‘আমরা সনদধারী বেকার তৈরি করতে চাই না। জেলায় জেলায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হবে। সেখানেই উচ্চ শিক্ষা যারা নিতে চাইবেন, নিতে পারবেন৷’

ওই কলেজগুলোতে ডিগ্রি পাসকোর্সের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার নানা ধরনের শর্টকোর্স চালুর কথা জানান তিনি৷ জানা গেছে, চলতি বছরেই বেসরকারি কলেজে অনার্স ও মাস্টার্সে ভর্তি বন্ধের নির্দেশ দেয়া হতে পারে।

জানা গেছে, শিক্ষার মান নিশ্চিত করতেই মূলত যেসব বেরসকারি কলেজে শিক্ষক এবং অন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নেই সেখান থেকে অনার্স-মাস্টার্স কোর্স তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

তবে অনার্স-মাস্টার্স কোর্সের এই শিক্ষকদের নানা ধরনের কারিগরি শিক্ষার প্রশিক্ষণ দেয়া হবে, যাতে কলেজগুলো তাদের দিয়ে কারিগরি শিক্ষার শর্ট কোর্স চালু করতে পারে। কিন্তু তাদের এমপিওভুক্ত করা হবে কিনা তা নিশ্চিত নয়।

বেসরকারি কলেজ অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মিল্টন মণ্ডল বলেন, ‘সরকার কী কারণে বেসরকারি কলেজে অনার্স-মাস্টার্স কোর্স বন্ধ করছে তা তারাই ভালো বলতে পারবে৷ তবে যদি মানের কথা বলেন, তাহলে বলবো, আমরা যারা শিক্ষক, তাদের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলা ঠিক হবে না। আমরা প্রায় সবাই ভালো ভালো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করেছি। নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে৷’

তার দাবি, ‘সরকার যে সিদ্ধান্তই নিক না কেন আমাদের যেন এমপিওভুক্ত করা হয়। আমরা এই করোনায় কলেজ থেকে বেতন পাচ্ছি না। মানবেতর জীবন যাপন করছি।’

আর বেসরকারি কলেজ শিক্ষক ফেডারেশনের মহাসচিব মোস্তফা কামাল বলেন, ‘সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হলে ছাত্ররাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা তাদের কোর্স কোথায় শেষ করবে? আর প্রত্যন্ত অঞ্চলে যে কলেজ আছে সেগুলোতে অনার্স-মাস্টার্স বন্ধ হলে তারা উচ্চ শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে৷’

তবে কতগুলো বেসরকারি কলেজে অনার্স-মাস্টার্স কোর্স বন্ধ করা হবে তা এখনো নিশ্চিত নয়। এ ব্যাপারে যে কমিটি গঠন করা হয়েছে, তাদের সুপারিশের ওপরই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। কমিটির পরামর্শে সব বেসরকারি কলেজে কোর্স বন্ধ নাও হতে পারে।

কমিটির প্রধান অধ্যাপক মশিউর রহমান জানান, তারা একটি সুষ্ঠু প্রক্রিয়া নির্ধারণ করতে চান। ছাত্র-শিক্ষকরা যাতে ক্ষতির মুখে না পড়েন সেটা বিবেচনায় রেখেই শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘ওইসব প্রতিষ্ঠানের অনার্স-মাস্টার্স কোর্সের শিক্ষকদের বেতন সরকার দেবে বা তাদের এমপিওভুক্ত করা হবে এমন কোনো কথা ছিল না। কলেজেরই দেয়ার কথা। কলেজ যাতে দেয়, সেটা আমরা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি৷ আর যেসব প্রতিষ্ঠানে অনার্স-মাস্টার্স বন্ধ হবে সেখানকার শিক্ষার্থীরা অন্য কলেজে কীভাবে তাদের কোর্স শেষ করতে পারে তারও উপায় বের করার চেষ্টা করছি৷’

কমিটি এখন ওই কলেজগুলোর অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষার মান পর্যালোচনা করবে৷ তারা প্রয়োজন হলে সরেজমিনেও দেখতে যাবে৷ যেসব কলেজের মান ভালো, সেখানে হয়ত কোর্স চালু রাখা যাবে৷

তবে কমিটির প্রধান লক্ষ্য হলো, ওইসব কলেজে বিভিন্ন ধরনের কারিগরি শিক্ষা চালু করা। এজন্য তারা শিক্ষকদের প্রশিক্ষণও দিতে চান। আর এই করোনার সময়ে সেটা অনলাইনেও হতে পারে। তাহলে শিক্ষকদের বাদ দিতে হবে না, ছাত্ররাও কারিগরি ও আইটি শিক্ষার সুযোগ পাবে।

কমিটিতে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, মন্ত্রণালয় ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের প্রতিনিধিরা আছেন। অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স চালু আছে এরকম দুটি বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষও আছেন কমিটিতে।

অধ্যাপক মশিউর রাহমান বলেন, ‘আমরা উচ্চ শিক্ষার মান বজায় রাখতে আশা করি একটি সঠিক পথ বের করতে পারবো৷’

সূত্র : ডয়েচে ভেলে

জবিতে ঈদের ছুটি শুরু বৃহস্পতিবার
                                  

জবি সংবাদদাতা:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) পবিত্র জুমাতুল বিদা, শবে কদর ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ছুটি শুরু হবে আগামী ৬ মে থেকে এবং ছুটি থাকবে আগামী ১৭ মে পর্যন্ত। তবে এসময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করতে হবে।

মঙ্গলবার (৪ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহোদয়ের আদেশক্রমে রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মোঃ ওহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি নির্দেশনা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা অনুযায়ী পবিত্র জুমাতুল বিদা, শবে কদর ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী ৬ থেকে ১৭ মে পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ইনস্টিটিউট, বিভাগ ও প্রশাসনিক দপ্তর বন্ধ থাকবে। এসময়ে সব শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি পরিসেবা (টেলিফোন, ইন্টারনেট, নিরাপত্তা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা) চালু থাকবে।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পেতে থাকায় গত ৩১ মার্চ প্রথম ধাপের লকডাউনের আগেই সরকারি নির্দেশনা মােতাবেক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগ/দাপ্তরিক কার্যক্রম সীমিত আকারে পরিচালনা ও বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষাসমূহ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

সারাদেশে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় সরকারের দেওয়া লকডাউনের কারণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগ/দপ্তর বন্ধের মেয়াদ ৫ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

নোবিপ্রবির পরিসংখ্যান বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান মিমমা তাবাসুম
                                  

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি:
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) পরিসংখ্যান বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিভাগটির সহকারী অধ্যাপক মিমমা তাবাসুম।

সোমবার (৩ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মো. আবুল হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য  জানানো হয়।

সহকারী অধ্যাপক জনাব মিমমা তাবাসুমকে আগামী তিন বছরের জন্য এই দায়িত্ব অর্পণ করা হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেয়ে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে মিমমা তাবাসুম বলেন, শিক্ষক হিসেবে এখন দায়িত্বটা আরেকটু বেড়ে গেছে। সুপরিকল্পনা অনুযায়ী বিভাগের  শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করতে চাই। অর্পিত এ দায়িত্বটি যাতে যথাযথভাবে পালন করতে পারি সেজন্য সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।

উল্লেখ্য, মিমমা তাবাসুম মতিঝিল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পূর্ণ করেন। এরপর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।নোবিপ্রবির পরিসংখ্যান বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান মিমমা তাবাসুম
নোবিপ্রবি প্রতিনিধি:
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) পরিসংখ্যান বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিভাগটির সহকারী অধ্যাপক মিমমা তাবাসুম।

সোমবার (৩ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মো. আবুল হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য  জানানো হয়।

সহকারী অধ্যাপক জনাব মিমমা তাবাসুমকে আগামী তিন বছরের জন্য এই দায়িত্ব অর্পণ করা হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেয়ে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে মিমমা তাবাসুম বলেন, শিক্ষক হিসেবে এখন দায়িত্বটা আরেকটু বেড়ে গেছে। সুপরিকল্পনা অনুযায়ী বিভাগের  শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করতে চাই। অর্পিত এ দায়িত্বটি যাতে যথাযথভাবে পালন করতে পারি সেজন্য সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।

উল্লেখ্য, মিমমা তাবাসুম মতিঝিল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পূর্ণ করেন। এরপর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।

পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে পারে ২৩ মে
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট :
মহামারী করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আগামী ২৩ মে থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। পূর্বের সিদ্ধান্তই বহাল রেখেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সে মোতাবেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) এক ভার্চুয়াল সংলাপে এ কথা জানান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের (মাউশি) সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

সচিব বলেন, করোনার মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আমরা টেলিভিশন, অনলাইন ও রেডিওতে ক্লাস সম্প্রচার শুরু করেছি। তার পাশাপাশি মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের বাসায় অ্যাসাইনমেন্টের কাজ দেয়া হচ্ছে। চলমান লকডাউনের কারণে বর্তমানে তা বন্ধ রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগামী বছরের জাতীয় বাজেটে শিক্ষার বরাদ্দ বাড়ানো হবে। বাজেটে শিক্ষাকে অধিক গুরুত্ব দেয়া হবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে বাজেটের আকার বড় করলেও সমস্যা সমাধান হয় না, এটি ব্যবহারে পরিকল্পনা, সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়।

শিক্ষা সচিব বলেন, দেশের পরিস্থিতির উন্নতি হলে আগামী ২৩ মে স্কুল-কলেজ খুলে দেয়া হবে। আমাদের আগের ঘোষণা অনুযায়ী যে সিদ্ধান্ত ছিল তা এখনো বহাল রয়েছে। এটি বাস্তবায়নে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এদিকে গত ২৫ মার্চ প্রাথমিক, করোনাভাইরাস সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির বৈঠক শেষে ২৩ মে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে ও কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির পরামর্শক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগামী ঈদুল ফিতরের পর ২৩ মে ক্লাস শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তবে এ সময়ে অনলাইন শিক্ষাকার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়। একইসঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

করোনায় পেছাল ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : দেশে করোনা সংক্রমণ উর্ধ্বমুখী হওয়ার কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-ঢাবির ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা পেছানো হয়েছে। এতে পূর্ব ঘোষিত পরীক্ষার তারিখ থেকে প্রায় দুই মাস পিছিয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কমিটির জরুরি ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

ঢাবি জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন তারিখ অনুযায়ী চারুকলা অনুষদভুক্ত চ ইউনিটের পরীক্ষা ৩১ জুলাই, বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ক ইউনিটের পরীক্ষা ৬ আগস্ট, কলা অনুষদভুক্ত খ ইউনিটের পরীক্ষা ৭ আগস্ট, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত গ ইউনটের পরীক্ষা ১৩ আগস্ট এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ঘ ইউনিটের পরীক্ষা ১৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পুনর্নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী সকল ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র আগামী ১০ জুলাই থেকে পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পূর্ব পর্যন্ত ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়া ভর্তি পরীক্ষার অন্যান্য নির্দেশনা ও শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে।

জরুরি ভার্চুয়াল সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-উপচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, প্রক্টর এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

জবিতে আন্ত:বিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় এআইএসডিএফ চ্যাম্পিয়ন
                                  

জবি প্রতিনিধি:
মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ডিবেট হাউজ অব পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন (ডিএইচপি), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এর আয়োজনে আন্ত:বিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস ডিবেটিং ফোরাম (এআইএসডিএফ)। ফাইনালে ফিন্যান্স ডিবেটিং ক্লাবের মুখোমুখি হয়েছিল তারা। গতকাল অনলাইন প্লাটফর্ম জুম এপসের মাধ্যমে এ প্রতিযোগিতায় ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়।

বিতর্কের বিষয় ছিলো: বর্তমান প্রশাসনিক শিষ্টাচার (আচরণ, কার্যক্রম, প্রভাব) আগামীর রাজনীতির জন্য চ্যালেঞ্জ। বিতর্কে নির্ধারিত বিষয়ের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে এআইএসডিএফ এবং বিপক্ষে অবস্থান করে ফিন্যান্স ডিবেটিং ক্লাব। ২২ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হওয়া এই প্রতিযোগিতায় মোট ১৬ টি টিম অংশগ্রহণ করে। পুরো প্রতিযোগিতাটি অনলাইন মাধ্যম ‘ডিস্কর্ড’ সার্ভারের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিযোগিতায় প্রধান বিচারক ছিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহিদুল ইসলাম মাহিম।

প্রতিযোগিতায় বিজয়ী দল এআইএসডিএফ`র সভাপতি ময়না আক্তার বলেন, বিতর্ক একটি ভাললাগার জায়গা, ভালবাসার জায়গা। আর এই ভাললাগার জায়গায় সফলতা পেলে আনন্দের সীমা থাকে না। এআইএসডিএফ হলো আমার ভালবাসার কেন্দ্র। এআইএসডিএফ এর জন্য চ্যাম্পিয়ন ট্রফি এবং সেইসাথে ব্যক্তিগতভাবে টুর্নামেন্টের সেরা বিতার্কিক হওয়ার গৌরব অর্জন করার আনন্দ প্রকাশ করার সঠিক বাক্য খুঁজে পাওয়া দায়।

এআইএসডিএফ`র আরেক সদস্য আতাউর রহমান বলেন, এই গৌরব একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্ট এর গৌরব, এআইএস ডিবেট ফোরামের গৌরব। রোজা রেখেও তিনজন তিনজনের সেরাটা দিয়ে বিতর্ক করতে পেরেছি এবং ভাগ্য সহায় ছিল। সর্বোপরি ডিএইচপি`র এত সুন্দর আয়োজনকে সাধুবাদ জানাই।

চ্যাম্পিয়ন টিমের আব্দুল ওয়াহাব বলেন, নবিস বিতার্কিক হিসেবে বিতর্ক করতে এসে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি অর্জন করা নিঃসন্দেহে গর্বের। সেই সাথে এআইএসডিএফ, সর্বোপরি ডিপার্টমেন্টকে রিপ্রেজেন্ট করে সম্মানিত করাটাও কম আনন্দের না।

‘যুক্তির সৃজন, প্রকৃষ্ট প্রশাসন’ এই স্লোগানকে সামনে নিয়ে জ্ঞান এবং যুক্তিভিত্তিক প্রজন্ম গড়ে তোলার প্রয়াসে প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই ডিবেট হাউজ অফ পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন, জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি বিতর্ক চর্চা এবং এর প্রচার-প্রসারে কাজ করে আসছে।

শিক্ষার্থীকে চড় মেরে পদ হারালেন ইবির সহকারী প্রক্টর
                                  

ইবি প্রতিনিধি:
ক্যাম্পাসের গাছ থেকে আম পাড়ায় এক শিক্ষার্থীকে চড় মারার অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আরিফুল ইসলামকে অব্যাহতি দিয়েছে প্রশাসন। মঙ্গলবার রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) আতাউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ‘বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক আরিফুল ইসলামকে সহকারী প্রক্টর পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন ভিসি ড. শেখ আবদুস সালাম। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর লিখিত অভিযোগ ও প্রক্টরিয়াল বডির প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (২৩শে এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যপদ্ধতি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী হাসান আলী তার স্ত্রীকে নিয়ে ক্যাম্পাসে ঘুরতে এসে গাছ থেকে কয়েকটি আম পাড়েন। এসময় সেখানে সহকারী প্রক্টর আরিফুল ইসলাম উপস্থিত হলে তার সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি ওই শিক্ষার্থীকে চড় মারেন। পরে তাকে ও তার স্ত্রীকে আবাসিক হলে আটক করে রাখেন। প্রায় এক ঘণ্টা পর তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ওইদিন বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগপত্রে সহকারী প্রক্টর আরিফ কর্তৃক শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছনার বিষয়টি তুলে ধরে ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানানো হয়। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় তোলেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। ঘটনার পরদিন ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী আমপাড়া কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থীরা। ওইদিনই বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বডির এক মিটিংয়ে ঘটনার উপর ভিত্তি করে প্রতিবেদন তৈরির জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। পরে ভিসি বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করেন প্রক্টরিয়াল বডি।

শাবিপ্রবিতে ২০ দিনের জন্য ছুটি ঘোষণা
                                  

শাবি প্রতিনিধি:
সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গ্রীষ্মকালীন অবকাশ, মহান মে দিবস, পবিত্র শবে কদর ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) বুধবার (২৮ এপ্রিল) থেকে ২০ দিনের ছুটি শুরু হচ্ছে।

আজ সোমবার (২৬ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রীষ্মকালীন অবকাশ, মহান মে দিবস, পবিত্র শবে কদর ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে ১৮ মে পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগ ও অফিসসমূহ বন্ধ থাকবে।

গত ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ২২১তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯ মে থেকে যথারীতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগ এবং অফিসসমূহ খোলা থাকবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যালেন্ডারে উল্লেখিত ১৯ ও ২০ মে ছুটি বাতিল বলে গণ্য হবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিয়েটিভিটি এনহান্সমেন্ট সোসাইটির আত্নপ্রকাশ
                                  

জবি প্রতিনিধি:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও সৃজনশীলতা ত্বরা‌ন্বিত করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্লাটফর্ম হি‌সে‌বে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিয়েটিভিটি এনহান্সমেন্ট সোসাইটি- জেএনইউ‌সিইএস (Jagannath University Creativity Enhancement Society)  আত্নপ্রকাশ ক‌রেছে।

রবিবার (২৫ এপ্রিল) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিয়েটিভিটি এনহান্সমেন্ট সোসাইটির সভাপতি নিপা রানী সাহা সংগঠনটি আত্নপ্রকাশের বিষয়টি ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।

সংগঠন সূত্রে জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের (জবি প্রেসক্লাব) সভাপতি জাহিদুল ইসলাম সাদেক এর পৃষ্ঠপোষকতায় ১৫ এপ্রিল সংগঠনটি যাত্রা শুরু করে।

জানা যায়, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও সৃজনশীলতা ত্বরা‌ন্বিত কর‌ণে গুরুত্বপূর্ণ প্লাটফর্ম হি‌সে‌বে- জেএনইউ‌সিইএস (Jagannath University Creativity Enhancement Society) কাজ করছে। প্লাটফর্মটি ১৫ এপ্রিল আত্মপ্রকাশ করে। যার পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব (জবি প্রেসক্লাব) এর সভাপতি জাহিদুল ইসলাম সাদেক।

সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ জন মেধাবী তরুণ তরণীর নিজস্ব প্রচেষ্টায়। সংগঠনটি নিপা রানী সাহাকে সভাপতি এবং পূজা রায়কে সাধারণ সম্পাদক করে ১৬ টি পদ এবং প্রতি‌টি প‌দের জন‌্য উপযুক্ত ব‌্যক্তি‌কে ম‌নোনয়ন করে নতুন কমিটি দেওয়া হ‌য়ে‌ছে।

নতুন এই কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন মুস্তাকিম ফারুকী এবং যৌথ সম্পাদক জাকিয়া আক্তার। এছাড়াও কোষাধ্যক্ষ হিসেবে গাজী মোঃ আশ‌ফিক, এইচ আর সম্পাদক মে‌লিচা রহমান, সাংগঠ‌নিক সম্পাদক আম্বিয়া বিনতে আসাদ লামিয়া, তথ‌্য প্রযু‌ক্তি ও সৃজনশীলতা সম্পাদক মাহরুমা আক্তার শেফা,  ব্রান্ডিং ও প্রচারণা সম্পাদক র‌নি কুমার মহন্ত আশিম, ল‌জি‌স্টিক সম্পাদক হিরা সুলতানা, আধু‌নিক যোগা‌যোগস্থাপক মাহতাবুর রহমান, প্রকাশনা সম্পাদক আই‌রিন সা‌দিয়া, গ‌বেষণা সম্পাদক জহুরা রহমান ইভা এবং পাবলিক রিলেশন সম্পাদক মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ। কার্য‌নির্বাহী সদস‌্য হিসেবে রয়েছেন রা‌বেয়া খাতুন বৃ‌ষ্টি, সাগর দাস ও জান্নাতুল মাওয়া শশী।

Think Creative, Show Excellence যার অর্থ সৃজনশীল চিন্তা কর, স‌র্বোচ্চ প্রয়োগ দেখাও স্লোগানের মাধ‌্যমে জেএনইউ‌সিইএস এর মূল উ‌দ্দেশ‌্য ফু‌টি‌য়ে তোলা হ‌য়ে‌ছে।  ইতিমধ্যে সংগঠন‌টি ক‌য়েক‌টি দূর্দান্ত ও প্রতি‌যো‌গিতামূলক কাজ ক‌রে জবি শিক্ষার্থী‌দের আকর্ষণ কে‌ড়ে‌ছে। সাম্প্রতিক এক‌টি কার্যক্রম Membership Campaign 1.0 এর মাধ‌্যমে বর্তমা‌নে প্রায় ৯০ জন শিক্ষার্থী সংগঠন‌টি‌তে স্বত:স্ফূর্তভা‌বে সদস‌্যপ‌দে নি‌য়ো‌জিত আছে। সদস‌্যদের  ম‌ধ্যে বিভাগীয় আইকন হি‌সে‌বে ২৭ জন, শিক্ষানবিস হি‌সে‌বে র‌য়ে‌ছেন ৪১ জন এবং বাকিদের সাধারণ সদস‌্য হি‌সে‌বে পর্যা‌য়িতকরন করা হ‌য়ে‌ছে।

সংগঠন‌টির সভাপ‌তি এবং ক‌মি‌টির সদস‌্যরা জানান, দক্ষতা অর্জ‌নে ও প্রয়ো‌গে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টায়ই মূলত কাজ কর‌বে- জেএনইউ‌সিইএস (JnUCES)। সংগঠনটির কার্যক্রম জগন্নাথ বিশ্ব‌বিদ‌্যাল‌য়ের প্রতি‌টি শিক্ষার্থীর সৃজনী মন আর আত্ন‌বিশ্বাস‌কে প্রগাঢ় কর‌বে।

ইউজিসির নীতিমালা জবিশিসের প্রত্যাখ্যান
                                  

জবি প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক প্রণীত ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি সংক্রান্ত নীতিমালা’ প্রত্যাখ্যান করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (জবিশিস)। একইসঙ্গে এই নীতিমালা প্রণয়ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনের পরিপন্থী উল্লেখ করে এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন শিক্ষক নেতারা।

শনিবার (২৪ এপ্রিল) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. নূরে আলম আব্দুল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. শামীমা বেগম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিন্দা জানানো বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক নিশ্চিত করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৫ মার্চ বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদিত ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদোন্নয়নের যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণের নির্দেশিকা’ দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেরণ করে যা আমাদের গোচরীভূত হয়। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন পরিপন্থি ও প্রচলিত আইনের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ এবং উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার পথে অন্তরায়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, গত ২২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় প্রদত্ত সর্বসম্মত মতামতের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন ও আইনের পরিপন্থী হওয়ায় শিক্ষক সমিতি নির্দেশিকাটি গ্রহনযোগ্য নয় বলে মনে করছে এবং তা প্রত্যাখ্যান করছে। শিক্ষকদের স্বতন্ত্র পে-স্কেল প্রণয়ন এবং উচ্চ শিক্ষার জন্য পর্যাপ্ত বৃত্তিসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।

এ ব্যাপারে জবিশিসের সভাপতি অধ্যাপক ড. নূরে আলম আব্দুল্লাহ বলেন, নীতিমালাটি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে সহজও আছে আবার কঠিনও আছে। এখানে অনেক শর্ত আছে যেগুলো আমাদের জন্য কার্যকরী আবার অনেক আছে যা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তবে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়ত্তশাসনের পরিপন্থী বলে অধিকাংশ শিক্ষকের মতামত অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এসময় নীতিমালা ত্রুটিপূর্ণ ও বাস্তবসম্মত নয় বিধায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি থেকে এ ধরণের নীতিমালা প্রণয়নের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।

উল্লেখ্য, গত ২৫ মার্চ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদোন্নয়ন’ এর যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়ণের ক্ষেত্রে ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণের নির্দেশিকা পাঠায় ইউজিসি।


অনলাইন সেশনের আয়োজন করবে কুবির ইএলডিসি
                                  

কুবি প্রতিনিধি:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) অন্ট্রোপ্রেনিয়রশীপ এন্ড লিডারশীপ ডেভেলপমেন্ট ক্লাব তাদের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে নতুন অন্তর্ভুক্ত করা ১৭ জন সদস্যদের নিয়ে ৬ টি অনলাইন সেশনের আয়োজন করেছে।

আগামীকাল (শনিবার) থেকে ধারাবাহিকভাবে এ অনলাইন সেশনগুলো অনুষ্ঠিত হবে।

এ সেশনগুলোতে বক্তা হিসেবে থাকবেন ভিভো বাংলদেশের প্রোডাক্ট ম্যানেজার ও ট্রেইনিং ম্যানেজার হামিম আজগর, আরএসপিএল গ্রুপের মানবসম্পদ কর্মকর্তা হায়দার আলী খান রনি, স্প্রিং রিং প্রাইভেট লিমিটেড ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আইটি সোসাইটির প্রাক্তন সভাপতি ফাহমিদ হাসান অনিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্ট্রোপ্রেনিয়রশীপ ডেভেলপমেন্ট ক্লাবের সভাপতি মোঃ মনজুর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং ফেলোজ ফর লিডারশিপ ডেভেলপমেন্ট এর সভাপতি তৌফিক আহমেদ উচ্ছ্বাস ও ইএলডিসি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আহ্বায়ক মো. জহির রায়হান।

 সেশনে বক্তারা ইএলডিসির পরিচিতি; ক্লাব সংস্কৃতি; লিঙ্কডইন এবং ইমেল শিষ্টাচার;  যোগাযোগ ও উপস্থাপনা; স্পনসরশিপ, ডকুমেন্টেশন এবং আলোচনা; ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট নিয়ে কথা বলবেন।

এ অনলাইন সেশনগুলো নিয়ে ইএলডিসি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজম্যান্ট ট্রেনিং ইনডাকশন প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মোঃ মেহেদী হাসান বলেন, আমরা ইএলডিসি সবসময়ই স্কিলস ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করে থাকি। সেই স্কিলস ডেভেলপমেন্ট কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই নতুন নিয়োগ কৃত ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি দের জন্য এই প্রোগ্রাম। যাতে করে তারা ভবিষ্যতে নিজেদেরকে আরও গুছিয়ে নিতে পারে এবং আমি মনে করি এরাই পরবর্তী জেনারেশনটাকে নেতৃত্ব দিবে। সেই লক্ষ্য যাতে তাদের নিয়ে যেতে পারি সেজন্যে এই কার্যক্রমের আয়োজন।
 

শিক্ষার্থীদের হেলথ কার্ড ও ভ্যাক্সিন প্রদানের দাবি জবি ছাত্র ইউনিয়নের
                                  

জবি প্রতিবেদক
শিক্ষার্থীদের জন্য হেলথ কার্ড ও ভ্যাক্সিন প্রদানের দাবিসহ মোট ৪ দফা দাবি নিয়ে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) সংসদ।

মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাবাজার মোড়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই মৌন মানবন্ধন করে ছাত্র ইউনিয়ন জবি সংসদের নেতৃবৃন্দ।

মানবন্ধনে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীরা প্লেকার্ডে তাদের চারটি দাবি তুলে ধরেন। সকল শিক্ষার্থীর জন্য হেলথ কার্ড প্রদান করতে হবে, শিক্ষার্থীদের করোনার ভ্যাক্সিন প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে, লকডাউনে শ্রমজীবি মানুষের আর্থিক দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে এবং  শ্রমিক হেনস্থা বন্ধ করতে হবে, কথায় কথায় রিক্সা উল্টানো যাবেনা ইত্যাদি দাবি তুলে ধরেন।

এ ব্যাপারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি কে এম মুত্তাকী বলেন, শিক্ষার্থীদের দ্রুত করোনা ভ্যাকসিনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। অপরিকল্পিত লকডাউনের ফলে শ্রমজীবী মানুষের আয় নেমে গেছে প্রায় শ্যূন্যের কোটায়। এই অবস্থায় দ্রুত নিম্নআয়ের মানুষদের আর্থিক দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই শ্রমিকদের হেনস্তের শিকার হতে হচ্ছে। নিতান্তই পেটের দায়ে ঘর থেকে বের হওয়া মানুষরা খাদ্যের নিশ্চয়তাতো পাচ্ছেই না, রিক্সাওয়ালাদের রিক্সা উল্টিয়ে রাখা হচ্ছে। বিভিন্ন অংকের জরিমানাও করা হচ্ছে। সকল প্রকার শ্রমিক হেনস্থা বন্ধ করতে হবে।

বাবাকে বাঁচাতে জবি শিক্ষার্থীর আকুতি
                                  

জবি সংবাদদাতা:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ তামজিদ রাফি’র বাবা করোনা আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন। উনাকে দ্রুত আইসিইউতে নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছে চিকিৎসকগণ। তার বাবার এই চিকিৎসার খরচ যোগাতে সকলের নিকট সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন রাফি ও তার বন্ধুরা।

জানা যায়, রাফির বাবা বেশ কয়েকদিন যাবত কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে নারায়ণগঞ্জ খানপুর হসপিটালে ভর্তি আছেন। তিনি দীর্ঘ ৮/৯ বছর ধরে হার্টের সমস্যায় ভুগছেন। বর্তমানে উনার ফুসফুস ৫০% নষ্ট হয়ে গেছে। তাঁকে ২৪ ঘন্টা অক্সিজেন দিয়ে রেখেছে। ডাক্তার রাফির বাবাকে দ্রুত ওঈট তে নিতে চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

এমতাবস্থায়, উনার জরুরি উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। কিন্তু রাফির পরিবারে উপার্জনক্ষম কেউ নেই। যা টাকা ছিল বাবার চিকিৎসার পিছনে এতদিন খরচ হয়ে গিয়েছে।
বলা বাহুল্য ওই শিক্ষার্থীর মা ও কিছুদিন আগে করোনায় অনেকদিন অসুস্থ ছিলেন। বর্তমানে মোঃ তামজিদ রাফি তার বাবার উন্নত চিকিৎসার জন্য সকলের একান্ত সর্বোচ্চ সহযোগিতা চেয়েছে।

রাফি তার বাবার চিকিৎসার জন্য সকলের কাছে অনুরোধ করে বলেন, ‘অভাবের সংসারে বাবার চিকিৎসার ব্যায় বহন করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। আমি আপনাদের কাছে আমার অসুস্থ বাবার চিকিৎসার জন্য সাহায্য চাই। আপনারা সকলে সহযোগিতা করলে আমি আমার বাবাকে আবার বাবা বলে ডাকতে পারবো। এমতাবস্থায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও সমাজের বিত্তশালীদের সাহায্য ছাড়া বাবার চিকিৎসা করানো সম্ভব না। এখন আপনাদের সাহায্যই আমার অসুস্থ বাবার চিকিৎসার শেষ ভরসা।’

এ ব্যাপারে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড.মোঃ নূরে আলম আবদুল্লাহ বলেন, ‘এই ব্যাপারে আমি অবগত আছি। শিক্ষার্থীর পরিবার আমাকে বলেছিলো ঢাকায় বেড ম্যানেজ করে দিতে, কিন্তু আপনারা জানেন বেড পাওয়াই মুশকিল, আমার আত্মীয়ের জন্যও কোনো বেড খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা। তাছাড়া ওর পরিবারের আর্থিক সহযোগিতার বিষয়টাও জানি। আমরা নিজেরাও চেষ্টা করছি সমস্যা যতটুকু সমাধান করা যায়।’

শিক্ষার্থী মোঃ তামজিদ রাফির সাথে যোগাযোগের মাধ্যম:
মোবাইলঃ ০১৮৫২০৫৯৪২৫
বিকাশঃ ০১৮৫২০৫৯৪২৫
নগদঃ ০১৮৫২০৫৯৪২৫
রকেটঃ ০১৭৩৭৫৯৬৯০৯১

১০ মাসেও অগ্রগতি নেই কুবির কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সহযোগিতা ফান্ড কার্যক্রমের
                                  

কুবি প্রতিনিধি:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের  করোনাকালীন ও করোনা পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয়ভাবে সহযোগিতা ফান্ড গঠনের জন্য  আহ্বায়ক কমিটি করার  পর ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও এই ফান্ড গঠন কার্যক্রমের কোনো অগ্রগতি নেই।

গত বছরের ২৩ জুন বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের নির্দেশে ও রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশক শাখার পরিচালক ড. জি.এম. মনিরুজ্জামানকে আহ্বায়ক ও অর্থ ও হিসাব দপ্তরের উপ-পরিচালক মো: নাছির উদ্দিনকে সদস্য সচিব করে ১০ সদস্য বিশিষ্ট এই আহবায়ক  কমিটি গঠন করা হয়েছিলো।

এদিকে এতদিনেও বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র কল্যাণ ফান্ড না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াসির আরাফাত বলেন, আমাদের বিভাগের তানিন মেহেদী নামে এক শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ। তার চিকিৎসার জন্য করোনাকালে বড় ধরনের  অর্থের প্রয়োজন পড়েছিল৷ আর বিশ্ববিদ্যালয়ও বন্ধ থাকায় আমাদের পক্ষে বাইরে গিয়ে টাকা উঠানো সম্ভব হয়নি। যদি আমাদের এই ছাত্র কল্যান ফান্ডটা থাকতো, তাহলে আমরা এখান থেকে কিছুটা হলেও সহযোগিতা পেতাম৷ তাই শিক্ষার্থীদের কল্যানেই এই ফান্ডটি জরুরি বাস্তবায়ন করা জরুরি।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী তাসফিক আব্দুল্লাহ বলেন, নানান সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জটিল রোগে আক্রান্ত হন। এ চিকিৎসার ভার তাদের পক্ষে একা বহন করা সম্ভবপর হয়ে উঠে না। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন  যদি সহযোগিতা ফান্ড বা এরকম কিছুর মাধ্যমে তাদের পাশে দাঁড়ায় তবে তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শীঘ্রই এদিকে নজর দিবে বলে আশা করি।

ছাত্র কল্যাণ ফান্ডের প্রয়োজনীয়তার কথা উঠে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. বনানী বিশ্বাসের বক্তব্যেও।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে সহযোগিতা ফান্ড করলে তো ভালো হয়। এটা অন্তত মানবিক একটি দিক। আমিও অনেক সময় বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে স্ট্রাগল করেছি। একটা নীতিমালার মাধ্যমে এটা চালু করা গেলে অনেক শিক্ষার্থী এতে উপকৃত হবে।

তবে ছাত্র কল্যান ফান্ড গঠন কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে  ড. জি.এম. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমাদের আহবায়ক কমিটি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। সেই চিঠিতে এ যাবত কালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কল্যান ফান্ডে কি পরিমাণ টাকা জমা হয়েছে এবং এখন কি পরিমাণ টাকা আছে সেটা জানতে চাওয়ার পাশাপাশি ছাত্র কল্যান ফান্ডের জন্য একটি আলাদা একাউন্ট খোলার বিষয়ে বলা হয়।

যাতে করোনাকালীন এবং পরবর্তী যেকোনো সময়ে কোনো শিক্ষার্থীর সাহায্যের প্রয়োজন হলে সে একাউন্ট থেকে কম সময়ে একটি কমিটির মাধ্যমে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে  তাকে সাহায্য করা যায়। আমরা এ পর্যন্ত আবেদন করে রেখেছি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে এ বিষয়ে আমার জানা মতে, এখন পর্যন্ত  কোনো উদ্যোগ হয়তো নেওয়া হয় নাই।

সহযোগিতা ফান্ড গঠন কমিটির সদস্য সচিব বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব দপ্তরের উপ-পরিচালক মো: নাছির উদ্দিন বলেন, আমরা মিটিং করে আমাদের সুপারিশগুলো রেজিস্ট্রার দপ্তরে পাঠিয়েছিলাম। তবে এখন পর্যন্ত কোন ফিডব্যাক পাইনি।

এখানে উল্লেখ্য, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবছর শিক্ষার্থী ভর্তির সময় বিভিন্ন খাতে ১২ হাজার ৭৬০ টাকা নেওয়া হয়। যার মধ্যে ছাত্র-ছাত্রী কল্যান ফি/ কল্যান তহবিল/ সাহায্য তহবিল নামেও একটি খাত থাকে৷

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের  বলেন, সহযোগিতা ফান্ড গঠনের জন্য আহবায়ক কমিটি করা হয়েছিলো। কিন্তু পরবর্তী সময়ে শ্রেণী কার্যক্রম চালু হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় এটা নিয়ে আর  ভাবা হয়নি।

এসময় দুরারোগ্য ব্যাধি সহ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অসুস্থতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কল্যান ফান্ডের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতি বছর আল্লাহ না করুক দুই একজন দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হতে পারে। তখন ৩০-৪০ লাখ টাকা তো আর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দিতে পারবে না।

 এটা তো ছাত্রেরা চাঁদা উঠাবে, শিক্ষকেরা দিবে, সবাই মানবিক দিক থেকে দেখবে। এটার জন্য তো আর বিশেষ ফান্ড থাকে না। তবে যা করা হচ্ছে, সেটা হলো ছাত্র কল্যাণের টাকাটা আলাদা করা হচ্ছে। সেটা কোথাও ডিপোজিট করা হবে। সেখান থেকে যেটা আসবে সেটা থেকে ছাত্রদের সহযোগিতা করা হবে।


   Page 1 of 45
     শিক্ষা
পিছিয়ে যাচ্ছে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা
.............................................................................................
মাকে বাঁচাতে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থীর মানবিক আবেদন
.............................................................................................
অনার্স-মাস্টার্স কোর্স থাকছে না বেসরকারি কলেজে
.............................................................................................
জবিতে ঈদের ছুটি শুরু বৃহস্পতিবার
.............................................................................................
নোবিপ্রবির পরিসংখ্যান বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান মিমমা তাবাসুম
.............................................................................................
পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে পারে ২৩ মে
.............................................................................................
করোনায় পেছাল ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা
.............................................................................................
জবিতে আন্ত:বিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় এআইএসডিএফ চ্যাম্পিয়ন
.............................................................................................
শিক্ষার্থীকে চড় মেরে পদ হারালেন ইবির সহকারী প্রক্টর
.............................................................................................
শাবিপ্রবিতে ২০ দিনের জন্য ছুটি ঘোষণা
.............................................................................................
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিয়েটিভিটি এনহান্সমেন্ট সোসাইটির আত্নপ্রকাশ
.............................................................................................
ইউজিসির নীতিমালা জবিশিসের প্রত্যাখ্যান
.............................................................................................
অনলাইন সেশনের আয়োজন করবে কুবির ইএলডিসি
.............................................................................................
শিক্ষার্থীদের হেলথ কার্ড ও ভ্যাক্সিন প্রদানের দাবি জবি ছাত্র ইউনিয়নের
.............................................................................................
বাবাকে বাঁচাতে জবি শিক্ষার্থীর আকুতি
.............................................................................................
১০ মাসেও অগ্রগতি নেই কুবির কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সহযোগিতা ফান্ড কার্যক্রমের
.............................................................................................
জবিতে এআইএসডিএফ’র বারোয়ারি বিতর্ক প্রতিযোগিতার ফাইনাল অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
পিসিআর মেশিনসহ ৩ কোটি টাকার গবেষণা সরঞ্জাম পেল জবি
.............................................................................................
জবির প্রাণিবিদ্যা বিভাগের এনএসসি ক্লাবের নেতৃত্বে আসাদ-অন্ত
.............................................................................................
বৃত্তি পাবে জবির প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
করোনা সচেতনায় জবি ছাত্রলীগের মাস্ক বিতরণ
.............................................................................................
ইবির ৫৮৬ ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁস
.............................................................................................
অসুস্থ বাবাকে বাঁচাতে জবি শিক্ষার্থীর আকুতি
.............................................................................................
যৌতুকের জন্য নির্যাতন: জবি ছাত্রীর মামলায় ছাত্র আটক
.............................................................................................
শহীদ বুদ্ধিজীবী ডাঃ মোর্তজা’র নামে ঢাবির মেডিকেল সেন্টারের নামকরণের দাবি গৌরব ৭১-এর
.............................................................................................
লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে জগন্নাথ, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ঢাকা ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
.............................................................................................
বগুড়া আজিজুল হক কলেজে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
.............................................................................................
জবিতে সীমিত পরিসরে দাপ্তরিক কাজের নির্দেশ
.............................................................................................
সিরাজগঞ্জে পুকুরে ডুবে ২ স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
.............................................................................................
নাগরপুর উপজেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির আনন্দ র‌্যালী
.............................................................................................
টিকা নিয়েও সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত সাবেক জবি ভিসি মীজান
.............................................................................................
কুবি ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল
.............................................................................................
প্রবীণদের নিয়ে নোবিপ্রবি শিক্ষকদের ভিন্নধর্মী আয়োজন
.............................................................................................
এসএসসির পরীক্ষাকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ
.............................................................................................
মেডিক্যালের ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজ
.............................................................................................
বশেমুরবিপ্রবি তরুণ কলাম লেখক ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
.............................................................................................
জবি উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে ট্রেজারার কামালউদ্দীন আহমদ
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে জবি কলামিস্ট ফোরামের শ্রদ্ধা নিবেদন
.............................................................................................
টিকা নেয়ার ৩৪ দিন পর করোনা আক্রান্ত নোবিপ্রবি উপাচার্য
.............................................................................................
নোবিপ্রবির নিয়োগ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন
.............................................................................................
জবির ইরিন বিটিভির নৃত্যশিল্পী নির্বাচিত
.............................................................................................
নোবিপ্রবির ১৩২ শিক্ষার্থী পেল শিক্ষা ঋণ
.............................................................................................
নর্দান মেডিকেল শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, ৪ জেলায় সড়ক যোগাযোগ বন্ধ
.............................................................................................
দাবি পূরণে নতুন কর্মসূচি দিয়েছে নোবিপ্রবি শিক্ষকরা
.............................................................................................
নোবিপ্রবিতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন
.............................................................................................
ইবির দাওয়াহ বিভাগে নতুন সভাপতি ড. অলী উল্যাহ
.............................................................................................
ওড়না ঠিক নেই, তাই ...
.............................................................................................
জবির সমাজকর্ম বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রাজিনা সুলতানা
.............................................................................................
বাইউস্টের অষ্টম অর্থ কমিটির সভাঅনুষ্ঠিত
.............................................................................................
ছিনতাইকারীর কবলে ইবি ছাত্রী
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT