রবিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   ইসলাম -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
হাটহাজারীর মাহফিলে বক্তব্য রাখেননি হেফাজত নেতা মামুনুল হক

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : হাটহাজারীতে বক্তব্য রাখেননি হেফাজত নেতা মামুনুল হক। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতা করা হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে চট্টগ্রামে প্রতিরোধ করতে গত দুদিন ধরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবসহ নগরীর বিভিন্ন মোড়ে কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এ সব কর্মসূচি চলার মধ্যেই বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা থেকে সড়কপথে চট্টগ্রাম শহর হয়ে হাটহাজারী মাদ্রাসায় পৌঁছেছেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও বাংলাদেশ খেলাফতে মসলিসের মহাসচিব মামুনুল হক।

হাটহাজারী উপজেলার পার্বতীপুর উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে তিন দিনব্যাপী তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে তিনি পূর্বঘোষিত প্রধান বক্তা ছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গতকাল শুক্রবার রাতে বক্তব্য রাখেননি মামুনুল হক। হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, হেফাজত দেশে কোনো সংঘাত চায় না। তাই এটা আমাদের সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, কেবল বঙ্গবন্ধুরই নয়, দেশে সব ধরনের মূর্তি ও ভাস্কর্য ভেঙে ফেলা হেফাজতের ১৩ দফা দাবির একটি।

হাটহাজারী পার্বতীপুর উচ্চবিদ্যালয় মাঠে তিন দিনব্যাপী তাফসিরুল কোরআন মাহফিলের গতকাল ছিল শেষ দিন। মাহফিল ও আশপাশের এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কোনো কর্মকাণ্ড নেই। সেখানে গত তিন দিনে আওয়ামী লীগের কোনো কর্মসূচি দেখা যায়নি। অন্যদিকে গতকাল শেষ দিনে হাটহাজারীর পার্শ্ববর্তী রাউজান ও ফটিকছড়ি থেকে শতাধিক ট্রাক ও গাড়িতে করে লোকজন মাহফিলে আসেন।

আল আমিন ফাউন্ডেশনের নামে ওই তাফসিরুল কোরআন মাহফিল হলেও এর মূল আয়োজক হাটহাজারী বড় মাদ্রাসা বলে খ্যাত দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম। সে হিসেবে এটি হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে পরিণত হয়। গতকাল মাহফিলের শেষ বক্তা ছিলেন হেফাজতের আমির ও হাটহাজারী মাদ্রাসার শিক্ষা পরিচালক হাফেজ জুনায়েদ বাবুনগরী।

গত বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের প্রেসক্লাবে এক সমাবেশ থেকে মামুনুল হককে চট্টগ্রামে প্রতিরোধের ঘোষণা দেওয়া হয়। গতকাল সকাল থেকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেয় ছাত্রলীগ-যুবলীগ। এরই মধ্যে সাড়ে আটটার পর বিমানবন্দর এলাকায় নগর যুবলীগ আহ্বায়ক মহিউদ্দীন বাচ্চুর নেতৃত্বে অবস্থান নেন নেতাকর্মীরা।

ছাত্রলীগ তিন ভাগ হয়ে একাংশ বিমানবন্দরের প্রবেশপথে, একটি অংশ দেওয়ানহাট বাইতুশ শরফে এবং অন্য একটি অংশ অক্সিজেন মোড়ে অবস্থান নেয়। চট্টগ্রাম শহর থেকে অক্সিজেন স্টেশন হয়ে হাটহাজারি যেতে হয়। এর বাইরেও এ দুই সংগঠনের নেতাকর্মীরা নগরীর বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে কর্মসূচি পালন করে।

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর বলেন, মামুনুল হক একজন ভীরু কাপুরুষ। তিনি বলেছিলেন আজকে চট্টগ্রাম হয়ে হাটহাজারী যাবেন। কিন্তু তা না করে চোরের মতো রাতের অন্ধকারে এসেছেন। তিনি বলেন, মামুনুল হকের বিরুদ্ধে আন্দোলন করার পর থেকে আমাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ জন্য আজ শুক্রবার রাতে বন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি।

হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মাসুম ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে সোয়া ১২টার দিকে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে হাটহাজারী রোডে যানচলাচল স্বাভাবিক করে দেওয়া হয়। হাটহাজারীতে সব ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

হাটহাজারীর মাহফিলে বক্তব্য রাখেননি হেফাজত নেতা মামুনুল হক
                                  

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : হাটহাজারীতে বক্তব্য রাখেননি হেফাজত নেতা মামুনুল হক। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতা করা হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে চট্টগ্রামে প্রতিরোধ করতে গত দুদিন ধরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবসহ নগরীর বিভিন্ন মোড়ে কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এ সব কর্মসূচি চলার মধ্যেই বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা থেকে সড়কপথে চট্টগ্রাম শহর হয়ে হাটহাজারী মাদ্রাসায় পৌঁছেছেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও বাংলাদেশ খেলাফতে মসলিসের মহাসচিব মামুনুল হক।

হাটহাজারী উপজেলার পার্বতীপুর উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে তিন দিনব্যাপী তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে তিনি পূর্বঘোষিত প্রধান বক্তা ছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গতকাল শুক্রবার রাতে বক্তব্য রাখেননি মামুনুল হক। হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, হেফাজত দেশে কোনো সংঘাত চায় না। তাই এটা আমাদের সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, কেবল বঙ্গবন্ধুরই নয়, দেশে সব ধরনের মূর্তি ও ভাস্কর্য ভেঙে ফেলা হেফাজতের ১৩ দফা দাবির একটি।

হাটহাজারী পার্বতীপুর উচ্চবিদ্যালয় মাঠে তিন দিনব্যাপী তাফসিরুল কোরআন মাহফিলের গতকাল ছিল শেষ দিন। মাহফিল ও আশপাশের এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কোনো কর্মকাণ্ড নেই। সেখানে গত তিন দিনে আওয়ামী লীগের কোনো কর্মসূচি দেখা যায়নি। অন্যদিকে গতকাল শেষ দিনে হাটহাজারীর পার্শ্ববর্তী রাউজান ও ফটিকছড়ি থেকে শতাধিক ট্রাক ও গাড়িতে করে লোকজন মাহফিলে আসেন।

আল আমিন ফাউন্ডেশনের নামে ওই তাফসিরুল কোরআন মাহফিল হলেও এর মূল আয়োজক হাটহাজারী বড় মাদ্রাসা বলে খ্যাত দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম। সে হিসেবে এটি হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে পরিণত হয়। গতকাল মাহফিলের শেষ বক্তা ছিলেন হেফাজতের আমির ও হাটহাজারী মাদ্রাসার শিক্ষা পরিচালক হাফেজ জুনায়েদ বাবুনগরী।

গত বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের প্রেসক্লাবে এক সমাবেশ থেকে মামুনুল হককে চট্টগ্রামে প্রতিরোধের ঘোষণা দেওয়া হয়। গতকাল সকাল থেকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেয় ছাত্রলীগ-যুবলীগ। এরই মধ্যে সাড়ে আটটার পর বিমানবন্দর এলাকায় নগর যুবলীগ আহ্বায়ক মহিউদ্দীন বাচ্চুর নেতৃত্বে অবস্থান নেন নেতাকর্মীরা।

ছাত্রলীগ তিন ভাগ হয়ে একাংশ বিমানবন্দরের প্রবেশপথে, একটি অংশ দেওয়ানহাট বাইতুশ শরফে এবং অন্য একটি অংশ অক্সিজেন মোড়ে অবস্থান নেয়। চট্টগ্রাম শহর থেকে অক্সিজেন স্টেশন হয়ে হাটহাজারি যেতে হয়। এর বাইরেও এ দুই সংগঠনের নেতাকর্মীরা নগরীর বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে কর্মসূচি পালন করে।

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর বলেন, মামুনুল হক একজন ভীরু কাপুরুষ। তিনি বলেছিলেন আজকে চট্টগ্রাম হয়ে হাটহাজারী যাবেন। কিন্তু তা না করে চোরের মতো রাতের অন্ধকারে এসেছেন। তিনি বলেন, মামুনুল হকের বিরুদ্ধে আন্দোলন করার পর থেকে আমাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ জন্য আজ শুক্রবার রাতে বন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি।

হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মাসুম ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে সোয়া ১২টার দিকে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে হাটহাজারী রোডে যানচলাচল স্বাভাবিক করে দেওয়া হয়। হাটহাজারীতে সব ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

আজ শুরু হচ্ছে চরমোনাইয়ে ৩ দিন বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল
                                  

নিজস্ব সংবাদদাতা:
বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর তীরে জামেয়া রশিদিয়া আহসানাবাদ চরমোনাইয়ে আজ বাদ জুমা শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম ওয়াজ মাহফিলের উদ্বোধন করবেন। আজ শুরু হয়ে আগামী সোমবার সকাল ৮টায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের ওয়াজ মাহফিল।

চরমোনাইয়ে ওয়াজ মাহফিল কমিটি জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ইতোমধ্যে মাহফিল এলাকায় এসে জড়ো হয়েছেন। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের পদচারণায় মুখরিত পুরো চরমোনাই এলাকা। এলাকায় ভিন্ন আমেজ বিরাজ করছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে সতর্কতার অংশ হিসেবে মাহফিল এলাকায় ১ লাখ মাস্ক রাখা হয়েছে। এগুলো মুসল্লিদের জন্য ফি প্রদান করা হবে। হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং হাত ধোয়ারও পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এছাড়া, মাহফিলে আগত মুসল্লিদের অজু ও গোসলের জন্য একাধিক পুকুর ও ৯টি গভীর নলকূপ ব্যবস্থার পাশাপাশি হাজারেরও বেশি পানির কল বসানো হয়েছে। আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তার স্বার্থে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট অস্থায়ী চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করে দুই জন এমবিবিএস ডাক্তার ও শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

আজ বাদ জুমআ মাহফিল শুরু হওয়ার পর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম, সৈয়দ ইছহাক মুহাম্মদ আবুল খায়ের, মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানীসহ দেশের খ্যাতনামা ওলামায়ে কেরামগন ধারাবাহিকভাবে ৩ দিনব্যাপী এ মাহফিলে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করবেন।

মুসলমানদের আচার-আচরণে মুগ্ধ হয়ে উৎপল কুমারের ইসলাম গ্রহণ
                                  

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি : ঈশ্বরদীতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন উৎপল কুমার নামে এক যুবক। মঙ্গলবার বিকেলে তার নিজ গ্রাম ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া ইউনিয়নে মসজিদ গলিতে সনাতন (হিন্দু) ধর্মের অনুসারী থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার করেছেন। আদালতে হলফনামা অনুযায়ী তার আগের পরিচয় ছিল, উৎপল কুমার, বাবার নাম মৃত মন্টু চন্দ্র সরকার ও মায়ের নাম শ্রীমতি অলোকা এবং গ্রাম মসজিদ গলি মোড় দাশুড়িয়া, ঈশ্বরদী, পাবনা। বর্তমানে তিনি তার নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন মো. আজমির হোছাইন আলো।

আজমির হোছাইন আলো ওই হলফনামায় উল্লেখ করেন, আমি যেখানে বসবাস করি সেখানে বেশিরভাগ মানুষ ইসলাম ধর্মের অনুসারী। ইসলাম ধর্মের প্রতিটি উৎসব পালন ও তাদের আচার-আচরণ আমাকে মুগ্ধ করে। এই ধর্মের বইপুস্তক পড়ে আমার মহান আল্লাহ ও তার রাসূলের প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস জন্মায়। আমি আগে থেকে গোপনে ইসলাম ধর্মের আচার-আচরণ ও আনুষ্ঠানিকতা অনুসরণ করে আসছি।

হিন্দু ধর্মের রীতিনীতি থেকে ইসলাম ধর্ম আমার কাছে বেশি ভালো লাগায় আমি গত ১২ নভেম্বর ২০২০ তারিখে একজন আলেমের কাছে গিয়ে ইসলামের কালেমা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ’ পাঠ করে ইসলাম গ্রহণ করি।

নওমুসলিম আজমির হোছাইন সাংবাদিকদের বলেন, কেউ আমাকে জোর জবরদস্তি বা প্রলুব্ধ করে নাই। আমি ইচ্ছাকৃতভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আজমির হোছাইন জানান, আমার ধর্ম পরিবর্তনে কে কি বললো এটাতে আমার যায় আসে না। আমি চিন্তা ভাবনা করে এসেছি। আমি মনে করি সচেতন মানুষ হিসেবে সকলের উচিত ইসলামের ছায়াতলে আসা।

নওমুসলিম আজমির হোছাইন স্থানীয় মুলাডুলি ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জামালকে ধন্যবাদ জানান, যিনি তার এই সিদ্ধান্তে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

পবিত্র মসজিদুল হারাম নামাজের জন্য খুলে দেয়া হলো
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : মহামারী করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে প্রায় ৭ মাস বন্ধ থাকার পর পবিত্র মসজিদুল হারামে নামাজ পড়ার অনুমতি দিয়েছে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ। নিজ দেশের নাগরিক ও দেশটিতে বসবাসকারী বিদেশিদের এ অনুমতি দেয়া হয়। সৌদি সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়া রোববার সকালে এ তথ্য পরিবেশন করে।

এতদিন সাধারণ মুসল্লিদের মসজিদে প্রবেশ করার অনুমতি ছিল না। শুধু ইমাম ও মুয়াজ্জিনসহ মসজিদের কর্মচারীরা সেখানে নামাজ আদায় করতে পারতেন।

সৌদি সরকার গত ১৭ মার্চ এক ঘোষণায় মক্কা ও মদিনার প্রধান পবিত্র দুই মসজিদ ছাড়া দেশটির বাকি সব মসজিদে জামায়াতে নামাজ স্থগিত করে নির্দেশ জারি করেছিল। পরে এ দুটি মসজিদেও জামায়াতে নামাজ আদায় বন্ধ করা হয়।

গত ৪ অক্টোবর প্রথম ওমরাহ যাত্রীদের জন্য পবিত্র মসজিদুল হারামের দরজা খুলে দেয়া হয়।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

দ্বিতীয় ধাপে আড়াই লাখ মুসল্লি ওমরাহ পালন করবেন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : আগামী রবিবার (১৮ অক্টোবর) থেকে সৌদি আরবে অবস্থানকারীদের জন্য ওমরার দ্বিতীয় ধাপ চালু হবে। এতে সীমিত পরিসরে পুনরায় চালু হওয়া ওমরার দ্বিতীয় ধাপে ২ লাখ ৫০ হাজারের বেশি লোক অংশগ্রহণ করবে। এ সময় মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদ পরিদর্শন ও নামাজ আদায় করা যাবে। তা ছাড়া রওজা শরিফ ও মসজিদে নববির পুরনো মসজিদ এরিয়ায়ও যাওয়া যাবে।

৪ অক্টোবর থেকে সৌদিতে অবস্থানরতদের জন্য সীমিত পরিসরে ওমরাহ চালু হয়। এর আগে গত ৩১ মে থেকে মসজিদে নববির আঙিনা ও আশপাশ পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ আদায়ের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। হজ ও ওমরাহ বিষয়ক জাতীয় কমিটির সদস্য  হানি আল উমারি জানান, পর্যায়ক্রমে ওমরাহ চালু হওয়ার দ্বিতীয় ধাপে পবিত্র দুই মসজিদে ছয় লাখের বেশি লোক নামাজ আদায় করতে পারবে এবং ২ লাখ ৫০ হাজার ওমরাহ আদায় করতে পারবে। ওমরাহ, মসজিদ পরিদর্শন ও রওজা জিয়ারতে অংশ নিতে আগে ‘ইতামারনা’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন নিশ্চিত করতে হবে।

আগামী ১ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া তৃতীয় ধাপে সৌদির বাইরের মুসলিমরা ওমরাহ ও রওজা শরীফ জিয়ারতে অংশ নিতে পারবেন।

সৌদি ভ্রমণ ও পর্যটন বিভাগের সদস্য আল ওমাইরি জানান, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে কোন কোন দেশ ওমরাহ যাত্রীদের পাঠাতে পারবে তা এখনো সুস্পষ্ট নয়। সবার আশা, শিগগির কর্তৃপক্ষ ওমরাহ পালনে অংশগ্রহণকারী দেশের পরিপূর্ণ ঘোষণা প্রদান করবে, যেন ওমরাহ চালুর তৃতীয় ধাপে যথাযথভাবে সবাই অংশ নিতে পারে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

আল আকসায় টানা তিন সপ্তাহ জুমা বন্ধ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : ফিলিস্তিনের আল আকসা মসজিদে টানা তিন সপ্তাহ ধরে জুমার নামাজ আদায় বন্ধ রয়েছে।

ইহুদিবাদী ইসরাইলের দখলদার বাহিনী পশ্চিম জেরুসালেম শহরের বাইরের লোকদের জন্য আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজ নিষিদ্ধ ঘোষণার পর থেকে সেখানে বন্ধ আছে জুমার নামাজ।

প্রাচীন জেরুসালেম শহরের ফটকের সামনে দায়িত্বরত পুলিশ অফিসাররা বহিরাগতদের প্রবেশে বাধা দেয়।

পশ্চিম জেরুসালেমের বাসিন্দাদের জন্য আল আকসায় নামাজ আদায় শিথিল আছে। শহরের বাইরের সবার জন্য আল আকসায় নামাজ আদায়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

করোনাভাইরাস রোধে বহিরাগতদের জন্য প্রাচীন শহরে প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয় বলে জানানো হয়।

আগামী ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত শহরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। শহর থেকে এক কিলোমিটার দূরত্বে থাকা সবার ওপর এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

ধর্ষণ, জেনা-ব্যাভিচার পরিহারের পরকালীন পুরস্কার
                                  

জুবায়ের আহমেদ

দেশজুড়ে দিন দিন ধর্ষণ, জেনা-ব্যাভিচার বেড়েই চলছে। সম্প্রতি করোনার চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে ধর্ষণ। বাবার সাথে মেয়ে, ভাইয়ের সাথে বোন, স্বামীর সাথে স্ত্রী, কেউ নিরাপদে চলাফেরা করতে পারছে না। রাষ্ট্রীয় আইনে দুজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী পুরুষ উভয়ের সম্মতিক্রমে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হলে তা অপরাধ না হলেও পরবর্তীতে মনোমালিন্য ও বিরোধের সৃষ্টি হলে পূর্বের জেনা-ব্যাভিচারের বিষয়ে মামলা থেকে শুরু করে নানা প্রকার সমস্যায় পতিত হয় সংশ্লিষ্টরা। বিবাহ বহির্ভূত ইচ্ছাকৃত শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন রাষ্ট্রীয় আইনে অপরাধ না হলেও ধর্মীয় ভাবে তা পুরোপুরি নিষিদ্ধ ও কবিরা গুণাহর অন্তর্ভূক্ত।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নারীরাই বেশি ধর্ষণের শিকার হয়, যেখানে পুরুষ আবির্ভূত হয় ধর্ষক হিসেবে, নারীরা হয় নির্যাতিতা। শরীরে যৌন অনুভূতি না আসা কিংবা যৌন অনুভূতির বয়স পেরিয়ে বৃদ্ধাবস্থায় পতিত হওয়া মেয়ে শিশু-মহিলারাও ধর্ষণের শিকার হচ্ছে নিয়মিত, যেখানে পুরুষের বিকৃত যৌন লালসাই প্রকাশ পায়। ধর্ষণ প্রতিরোধের জন্য রাষ্ট্র-সমাজ কর্তৃক নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলেও থামছে না ধর্ষণ, পাশাপাশি ধর্ষণের মামলাগুলোতে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা না হওয়ার কারনেও ধর্ষণের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে দিন দিন। ধর্মপ্রাণ মানুষজন ধর্মের বিরুদ্ধে নানা কটুক্তি-কৌতুক কিংবা অপমানজনক কোন কর্মকান্ড দেখলে প্রতিবাদ-প্রতিরোধ করলেও ধর্ষণের মতো বর্বোরোচিত কাজের বিরুদ্ধে নেই কোন আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ, ওয়াজ মাহফিল, অথচ ধর্ষণের বিষবৃক্ষ উৎপাটনে ধর্মপ্রাণ মানুষদের সোচ্ছার ভূমিকার খুব বেশি প্রয়োজন।

নৈতিক অবক্ষয়ের ফলেই বহু পুরুষ পশুতে পরিণত হয়, যাদের দ্বারা ঘটে ধর্ষণের মতো জঘন্য ও অমানবিক ঘটনা, যার শিকারে পরিণত হয়ে সম্ভ্রম হারানো সহ মৃত্যুবরণ করে বহু শিশু-কিশোরী-নারী, এর মাধ্যমে বাড়ছে সামাজিক অস্থিরতা, নষ্ট হচ্ছে বহু নারী-পরিবারের স্বপ্ন। ধর্ষকরা রাষ্ট্রীয় আইনকে তোয়াক্কা না করার পাশাপাশি ধর্মীয় বিধানকেও উড়িয়ে দিয়ে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধে লিপ্ত হন। রাষ্ট্রীয় আইনে ধর্ষণের জন্য ধর্ষণ, জেনা-ব্যাভিচারে লিপ্ত হওয়ার শাস্তি জাহান্নাম হলেও মানুষরূপী পশুগুলো নিজেদের যৌন লালসা চরিতার্থ করতে হিংস্র বাঘের মতো ঝাপিয়ে পড়েন নারীদের উপর। ইসলামে ধর্ষণ ও জেনা-ব্যাভিচারকে ভিন্ন ভাবে না দেখলেও ধর্ষণের বেলায় শুধুমাত্র একজন শাস্তি পাবে, আর ধর্ষণের শিকার হওয়া জন নির্দোষ, আর নারী পুরুষ বিবাহ বহির্ভূত ভাবে একে অপরের ইচ্ছায় শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হলেও দুজনেই সমান অপরাধী হিসেবে গন্য হবে।

ধর্ষণের ঘটনা দিন দিন অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। মানুষরূপী পশুরা মানছে না সামাজিকতা, মানছেনা রাষ্ট্রীয় আইন, মানছে না ধর্মের বিধান। ভয় পাচ্ছে না রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় আইনের কঠোর শাস্তি। অথচ ধৈর্য্যশীল হয়ে ধর্ষণ, জেনা-ব্যাভিচার পরিহারকারীদের জন্য রয়েছে জান্নাতের সুখ ও শান্তি। পবিত্র কোরআনে এসেছে “ধৈর্যশীলদের তো বিনা হিসাবে পুরস্কার দেয়া হবে, সুরা যুমার, আয়াত ১০। হাদিস শরীফে বর্ণিত হয়েছে “তুমি যদি আল্লাহর ভয়ে কোন কিছু ছেড়ে দাও, তাহলে আল্লাহ তোমাকে এর চেয়ে উত্তম কিছু দান করবেন (তিরমিজী)। যে ব্যক্তি তার জিহ্বা ও লজ্জাস্থানের হেফাজতের দায়িত্ব নিবে, আমি তার জান্নাতের দায়িত্ব নিলাম (সহীহ বুখারী-৬৪৭৪। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসুল (স.) কে জিজ্ঞাসা করা হল যে, কোন আমল মানুষকে বেশি জান্নাতে নিয়ে যাবে? তিনি বললেন, আল্লাহভীতি ও সচ্চরিত্র। আর তাকে এটাও জিজ্ঞেস করা হল, কোন আমল মানুষকে বেশি জাহান্নামে নিয়ে যাবে? তিনি বললেন মুখ ও যৌনাঙ্গ (তিরমিজী ২০০৪)। হাদিস শরীফে আরো এসেছে “যে যুবক কোন যুবতী নারীকে একা পেয়েও আল্লাহর ভয়ে তার ইজ্জতের উপর হামলা করল না, তার জন্য রয়েছে জান্নাতুল ফেরদাউস (সহীহ বোখারী)।

এই প্রথম আল কুরআনের পূর্ণাঙ্গ কাব্যানুবাদ করলেন মুহিব খান
                                  

ধর্ম ডেস্ক : মাত্র ২৪০ দিনে আল কুরআনের বাংলা কাব্যানুবাদ শেষ করলেন জাগ্রত কবি মুহিব খান। অসংখ্য ব্যক্তি মহাগ্রন্থ আল কুরআনের বাংলা অনুবাদ করেছে। কুরআনের কিছু সূরা ও আয়াতের কাব্যানুবাদ থাকলেও পুরো কুরআনের কোনো কাব্যানুবাদ কেউ করেননি। সম্পূর্ণ কুরআনের কাব্যানুবাদ করেছেন কবি মুহিব খান। তিনি আল্লামা আতাউর রহমান খান রহ. এর ছেলে, একজন প্রতিভাবান আলেম, যিনি জাগ্রত কবি হিসেবে পরিচিত। তিনি সম্পূর্ণ কুরআন বাংলা কাব্যানুবাদ করে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। বাংলা ভাষায় পবিত্র কুরআনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ও বিশুদ্ধ কাব্যানুবাদের কাজটি শুরু করেন ২০০৪ সালের ১৯ মার্চ শুক্রবার, বাদ মাগরিব থেকে এবং ২০২০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার শেষরাতে তা সম্পন্ন করেন। বিক্ষিপ্তভাবে ১০০ দিনের মত কাজ করে এর প্রথম ১০ পারা সমাপ্ত হয় এবং ২০০৬ সালের জুলাই মাসে তা গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। সেইসাথে দৈনিক ইনকিলাবেও ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতে থাকে।

২০০৬ এর পর থেকে ২০২০ পর্যন্ত সুদীর্ঘ ১৪ বছরে হাজার ব্যস্ততার ভীড়ে অত্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে আর মাত্র পৌনে তিন পারার কাজ অগ্রসর হয় । সর্বশেষ গত ১৬ এপ্রিল ২০২০, বাদ মাগরিব থেকে পূর্ণগতিতে কাজ শুরু হয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, শেষরাত পর্যন্ত মোট ৫ মাস ১২ দিন সময়কাল এর কাজ চলে। এ সময়কালের ভেতর দুই ঈদসহ অনিবার্য প্রয়োজনে আরও দেড় মাসের কিছু বেশি দিনের বিরতি বাদ দিয়ে বাকি ৪ মাসেরও কিছু কম সময়ের নিবিড় সাধনায় অবশিষ্ট সোয়া ১৭ পারার কাজ দ্রুত সুসম্পন্ন হয়।

কাব্য অনুবাদের বিশেষ বৈশিষ্ট

১. এটি কুরআনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ ধারাবাহিক কাব্যানুবাদ। আংশিক নয়।

২. এটি কুরআনের তুলনামূলক বিশুদ্ধ, বিপুল গবেষণালব্ধ ও নির্ভরযোগ্য কাব্যানুবাদ। আবেগ বা অনুমানভিত্তিক নয়।

৩. এটি কুরআনের মূলানুগ কাব্যানুবাদ। সারসংক্ষেপ বা ভাবার্থ নয়।

৪. কুরআনের প্রতিটি আয়াত থেকে আয়াতের ধারাবাহিক স্বতন্ত্র অনুবাদ। মিশ্রিত নয়।

৫. পবিত্র কুরআনের বিশেষ বিশেষ ছন্দসমৃদ্ধ সূরা ও আয়াতসমূহের অনুবাদ সে রকম বিশেষ ছন্দ ও অন্তমিলেই করা হয়েছে। যথা : সূরা আর রাহমান, সূরা তাকভীর ও অন্যান্য।

৬. যথার্থ কাব্যমান এবং উচ্চতর ভাষা ও সাহিত্যমান-সম্পন্ন কাব্যানুবাদ। ছন্দ-গোজামিল বা অনুত্তীর্ণ সাহিত্যমানপূর্ণ নয়।

কবি জানান : প্রতিদিন ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা লিখে সর্বমোট ২৪০ দিন বা ৮ মাসের নিবিড় শ্রম-সাধনায় পুরো কাজটি সুসম্পন্ন করা হয়েছে।যা আল্লাহর সিদ্ধান্ত ও সাহায্য ছাড়া কিছুতেই সম্ভব ছিল না।

উল্লেখিত বৈশিষ্ট : মানদণ্ড ও শর্ত-সম্বলিতভাবে এটি দেশ ও বিশ্বে পবিত্র কুরআনের সর্বপ্রথম মানোত্তীর্ণ কাব্যানুবাদ। এ যাবত আর কোনো দেশে বা আর কোনো ভাষায় তা হয়েছে বলে জানা যায় না।

কবির সর্বশেষ চাওয়া : মহান রাব্বুল আলামীন দয়া করে এই কাজটুকুকে পৃথিবীর সমস্ত কুরআনপ্রেমী মানুষের দুনিয়াবী কল্যাণ ও আখেরাতের নাজাতের ওয়াসীলাহ হিসেবে কবুল করে নিন।

জার্মানিতে মাইকে আজান নিষিদ্ধের মামলায় মুসলমানরা জয়ী
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : জার্মানিতে মাইকে আজান নিষিদ্ধ করার মামলায় মুসলমানরা জয়ী হয়েছে। এখন থেকে সেখানে মাইকে আজান দিতে আর কোনও বাধা নেই।

মাইকে আজান দেয়া নিষিদ্ধ করার দাবিতে স্থানীয়রা একটি মামলা করেছিলেন। টানা ৫ বছরের আইনি লড়াই শেষে গতকাল বুধবার মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন জার্মান আদালত।

রায়ে বিচারক বলেছেন, অন্যরাও ধর্মীয় চর্চা করবে এটা প্রতিটি সমাজকে অবশ্যই মানতে হবে। যতক্ষণ কাউকে ধর্মচর্চায় জোর করা হচ্ছে না, ততক্ষণ অভিযোগ জানানোর কোনও সুযোগ নেই।

মসজিদ থেকে ৯০০ মিটার দূরে বসবাসকারী একটি পরিবারের অভিযোগ ছিল, আজানের শব্দে তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। তাই ২০১৫ সালে জার্মানির উত্তর রাইন-ওয়েস্টফালিয়া অঙ্গরাজ্যের ওর-এরকেনশিক শহরের বাসিন্দারা আজানে মাইক ব্যবহারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলেন।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

ওমরাহ পালনের জন্য কাবা খুলে দিচ্ছে সৌদি সরকার
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : মহামারি করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে দীর্ঘ ৬ মাস পর ওমরাহ পালনের জন্য কাবা ঘর খুলে দিচ্ছে সৌদি আরব সরকার।

আগামী ৪ অক্টোবর থেকে মুসলমানরা আবারও ওমরাহ পালন করতে পারবেন। মঙ্গলবার সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রথম দফায় শুধুমাত্র সৌদির নাগরিক ও বাসিন্দারা ওমরাহ পালনের অনুমতি পাবেন। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির বরাত দিয়ে সৌদি প্রেস এজেন্সি জানিয়েছে, আগামী ৪ অক্টোবর থেকে প্রতিদিন সৌদি আরবের ৬ হাজার নাগরিক ও বাসিন্দা ওমরাহ পালন করতে পারবেন।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

আজ পবিত্র আশুরা
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : আজ পবিত্র আশুরা তথা হিজরী সালের ১০ মহররম। ইসলামের ইতিহাসে এক হৃদয়বিদারক দিন। এই দিনে ইরাকের ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে পৃথিবীর নির্মমতম ঘটনার অবতারণা হয়।

মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা:)-এর প্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসেন (রা.) মাত্র ৭২ জন সহযোগী নিয়ে ইয়াজিদের বিশাল বাহিনীর সঙ্গে জিহাদ করে শহীদ হন। তার আগে ইয়াজিদ বাহিনীর ঘাতকরা ইমাম হোসেন (রা:)-এর স্ত্রী, পুত্র ও সব নিকটাত্মীয়কে একে একে হত্যা করে।

মুসলিম জাহানের তৎকালীন স্বঘোষিত খলিফা ইয়াজিদ দায়িত্ব তুলে দেয়ার কথা বলে কুফা নগরীতে আমন্ত্রণ জানায় হযরত ইমাম হোসেন (রা.)-কে। পথে কারবালার প্রান্তরে অবরুদ্ধ করা হয় তাদের।

ফোরাত নদী অবরোধ করে তৃষ্ণার্ত ইমাম হোসেন (রা:)-কে পানি পর্যন্ত পান করতে দেয়া হয়নি। তার সব সঙ্গী ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে শহীদ হওয়ার পর নির্মমভাবে সীমারের হাতে শহীদ হন মহানবী (স.)-এর প্রিয় দৌহিত্র।

ইয়াজিদ ঘোষিত পুরস্কারের লোভে সীমার এ বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড ঘটায়। কারবালার ঘটনা ছাড়া আরো অনেক কারণে ১০ মহররম মুসলিম বিশ্বে তাৎপর্যমণ্ডিত। ইসলামের ইতিহাসে এই দিনে সৃষ্টি-ধ্বংসের অনেক ঘটনা ঘটেছিল।

মহান আল্লাহ্‌তায়ালা পৃথিবী সৃষ্টি করে এই দিন আরশে বসেছিলেন এবং এই দিনেই পৃথিবী ধ্বংস তথা কিয়ামত হবে।

এদিনে অনেক নবী-রাসূল জন্মগ্রহণ করেন। আদি পিতা হযরত আদম (আ.)-এর তওবা কবুল হয়েছিল এই দিনে। এদিনই হযরত নূহ (আ.) ও তার সঙ্গীরা ভয়াবহ প্লাবন থেকে মুক্তি পান।

হযরত ইউনূস (আ.) মাছের পেট থেকে মুক্তি পান এই দিনে। প্রায় ১৪০০ বছর ধরে সারা বিশ্বের মুসলমান ১০ মহররমের শোককে শক্তিতে পরিণত করতে রোজা রাখেন।

এদিনটি তাই একদিকে মুসলমানদের জন্য শোকাবহ, অন্যদিকে তাৎপর্যমণ্ডিত। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও নানা আয়োজনে দিবসটি পালন করা হয়।

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি পালন করা হবে।

তবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকির কারণে এবার তাজিয়া মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ইমামবাড়াগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ধর্মীয় অনুষ্ঠান করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী প্রদান করেছেন।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

পবিত্র আশুরা আগামীকাল
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : আগামীকাল ৩০ আগস্ট রোববার পবিত্র আশুরা। কারবালার শোকাবহ ইতিহাসসহ সৃষ্টি-ধ্বংসের ঘটনাবহুল এ দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ত্যাগ ও শোকের প্রতীকের পাশাপাশি বিশেষ পবিত্র দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে এ দিনটি। এ উপলক্ষে রোববার সরকারি ছুটির দিন।

হিজরি ৬১ সনের ১০ মহররম এই দিনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসেইন (রা.) এবং তার পরিবার ও অনুসারীরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে শহীদ হন।

এ ঘটনা স্মরণ করে বিশ্ব মুসলিম যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালন করে থাকে। শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম ইসলামের মহান আদর্শকে সমুন্নত রাখতে তাদের এই আত্মত্যাগ মানবতার ইতিহাসে সমুজ্জ্বল হয়ে রয়েছে। কারবালার এই শোকাবহ ঘটনা ও পবিত্র আশুরার চিরন্তন বাণী সকলকে অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং সত্য ও সুন্দরের পথে চলতে প্রেরণা যোগায়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) আগামীকাল (১০ মহররম) পবিত্র আশুরা উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় সব ধরণের তাজিয়া, শোক ও পাইক মিছিল নিষিদ্ধ করেছে।

বুধবার ডিএমপির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান করোনাভাইরাস সংক্রমণের পরিস্থিতিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ডিএমপি আশুরা উপলক্ষে সব ধরণের তাজিয়া, শোক ও পাইক মিছিল নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

তবে ধর্মপ্রাণ নগরবাসী স্বাস্থ্যবিধি মেনে ইমাম বাড়াসমূহে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে পারবেন। এসব অনুষ্ঠানস্থলে দা, ছোরা, কাঁচি, বর্শা, বল্লম, তরবারি, লাঠি ইত্যাদি বহন এবং আঁতশবাজি ও পট্কা ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক আগামীকাল বিশেষ প্রবন্ধ, নিবন্ধ প্রকাশ করবে।

বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন বেসরকারি রেডিও-টিভি চ্যানেলও এই দিনের তাৎপর্য নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করবে। সূত্র : বাসস

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

মক্কা-মদিনার মসজিদ পরিচালনায় ১০ নারী
                                  


স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : সৌদি আরব সরকার পবিত্র নগরী মক্কা ও মদিনার মসজিদ পরিচালনা কমিটির উচ্চ পর্যায়ে ১০ জন নারীকে নিয়োগ দিয়েছে।

মক্কা ও মদিনার দুই মসজিদে প্রশাসনিক ও কারিগরিসহ বিভিন্ন পদে এই ১০ নারীকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

নারীর কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্যে সৌদি সরকার এ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে। এর আগে, ২০১৮ সালে এই দুই মসজিদে নেতৃত্ব পর্যায়ে ৪১ জন নারীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।

সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরব সরকার নারীদের জন্য বেশ কিছু সংস্কার এনেছে। সেখানে নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে, সিনেমা হলে নারীরা যেতে পারে এবং কনসার্টে নারী-পুরুষ সহাবস্থান করতে পারে। সূত্র : আরব নিউজ ও ডেইলি মেইল

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

২০ হাজার পরিবারকে কোরবানির গোশত প্রদান
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্টার : কাতার চ্যারিটি বাংলাদেশ অফিসের তত্ত্বাবধানে এবার ২০ হাজার অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে কোরবানির গোশত বিতরণ করা হয়েছে। করোনা মহামারির বিষয়টি মাথায় রেখে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের ১৯টি কেন্দ্র থেকে এই গোশত বিতরণ করা হয়েছে।

আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রকল্প পরিচালক মো. সোহেল আলম জানান, গোশত বিতরণের আগে অত্যন্ত পরিচ্ছিন্নভাবে তা প্রস্তুত করা হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশু জবাই করার পর প্রতিটি অংশ আলাদাভাবে ঝুলিয়ে রাখা হয়, তারপর গোশত ছোট ছোট আকারে কেটে পলিথিন ব্যাগে পরিমাণ মতো ভরে বিতরণ করা হয়।

গোশত গ্রহীতারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে লাইন ধরে একজনের পর একজন কাতার চ্যারিটির এই ঈদ উপহার গ্রহণ করেন। এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে কোরবানির গোশত পৌঁছে দেয়া হয়।
 
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে গোশত বিতরণের এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কাতার চ্যারিটির বাংলাদেশ অফিসের পরিচালক ড. মো. আমিন হাফিজ ওমর কিশোরগঞ্জের ভৈরব সেন্টারে উপস্থিত থেকে গোশত বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এছাড়া রংপুরের গঙ্গাচড়া, লালমনিরহাটের আদিতমারী, ঢাকার ধামরাই, সিলেট সদর, কুষ্টিয়ার কুমারখালি এবং বাগেরহাটের ফকিরহাটসহ গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে কাতার চ্যারিটির বাংলাদেশ অফিসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।  

গোশত বিতরণের এই কার্যক্রম সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

পবিত্র হজে আরাফাতের খুতবায় যা বললেন খতিব
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি হল হজ। আর্থিক এবং শারীরিক সক্ষম প্রত্যেক মুসলমানের জন্য জীবনে একবার হলেও হজ করাকে ফরজ করা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে এবারের হজ সীমিত পরিসরে পালন হচ্ছে। মাত্র ১০ হাজার মসল্লি নিয়ে এবারের হজে অংশ নিতে পেরেছেন। বাংলাদেশ সময় ৩টা ২৫ মিনিটে আরাফাতের ময়দানে মসজিদে নামিরা থেকে খুতবা দেয়া হয়। শেষ হয় ৩টা ৫৭ মিনিটে। খুতবা প্রদান করেন শায়খ আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমান আল-মানিয়া।

এরআগে, ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই আরাফাতের ময়দানে হাজির হন।

খুতবায় শায়খ আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমান আল-মানিয়া, আল্লাহতায়ালার প্রশংসা ও নবীজি (সা.) এর ওপর দরুদ পাঠ করার পর বলেন- হে মুসলিম সম্প্রদায়, আমি তোমাদের প্রতি উপদেশ দিচ্ছি, তোমরা আল্লাহতায়ালাকে ভয় কর। এর মাধ্যমে আপতিত সব আপদ-বিপদ তিনি দূর করে দিবেন। আল্লাহতায়ালাকে ভয় করার অর্থ হল- সুখে-দুঃখে, শান্তিতে-অশান্তিতে আল্লাহতায়ালার কাছেই সমর্পিত হওয়া। কোনো কিছুর প্রয়োজন হলে তাঁর কাছেই চাওয়া। পৃথিবীর কোনো সৃষ্টির কাছে না চাওয়া। এটাই কালিমার দাবি।

কুরআনে আল্লাহতায়ালা বলেছেন, তোমরা আল্লাহতায়ালার ইবাদত কর, তার সঙ্গে কাউকে শরিক করো না।

তিনি বলেন, আল্লাহতায়ালার ওপরে, তার সৃষ্ট ফেরেশতাদের ওপরে, আসমানি কিতাবসমূহের ওপরে, আগত সমস্ত রাসূলের ওপরে, কিয়ামত দিবসের ওপরে এবং ভালো-মন্দ যা কিছু হয় তা আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে হয়- এ কথার ওপরে অন্তরে দৃঢ়বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে।

তিনি বলেন, আল্লাহতায়ালা আমাদের জন্য একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা দিয়েছেন। ঐতিহাসিক বিদায় হজের ভাষণে নবীজি (সা.) কুরআনের আয়াত পড়েছিলেন- আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম এবং আমার নেয়ামতকে তোমাদের ওপরে পরিপূর্ণ করলাম, আর তোমাদের জন্য মনোনীত করলাম ইসলাম ধর্মকে।

খতিব বলেন, আল্লাহতায়ালা পবিত্র কুরআনের আরেক জায়গায় বলেছেন- হে ইমানদারগণ, তোমরা সাহায্য প্রার্থনা কর সবর এবং সালাতের মাধ্যমে। নিশ্চয়ই আল্লাহতায়ালা ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।

হে মানব সম্প্রদায়, পৃথিবী দুঃখকষ্ট থেকে মুক্ত নয়। জীবনের পদে পদে আপদ-বিপদ আসবেই। তখন আমাদের নিরাশ হলে চলবে না। ধৈর্যধারণ করে আল্লাহতায়ালার কাছে সাহায্য চাইতে হবে।

আল্লাহতায়ালা বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে আমাদের ঈমানকে যাচাই করতে চান। ধৈর্যধারণ করে সেই পরীক্ষায় আমাদের উত্তীর্ণ হতে হবে। আল্লাহতায়ালা বলেন, আমি অবশ্যই তোমাদের ভয় দিয়ে, ক্ষুধা দিয়ে এবং জানমালকে সংকীর্ণ করে দিয়ে পরীক্ষা করব। সুসংবাদ ধৈর্যশীলদের জন্য।

হে মানবসম্প্রদায়, আল্লাহতায়ালার দয়া ও অনুগ্রহ অত্যন্ত প্রশস্ত। তিনি আমাদের জন্য সবকিছু সহজ করতে চান। পবিত্র কুরআনে আছে, প্রত্যেক কাঠিন্যতার সঙ্গেই সহজতা আছে। সাময়িক কিছু দুঃখ-দুর্দশা আমাদের জীবনে এলেও এর বিনিময়ে আল্লাহতায়ালা আমাদের উত্তম বিনিময় দান করবেন।

তিনি বলেন, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহতায়ালার বিধান মানা আমাদের জন্য আবশ্যক; যা হালাল তা উপার্জন করতে হবে। আর যা হারাম তা পরিত্যাগ করতে হবে। পবিত্র কুরআনে আছে- আল্লাহতায়ালা ক্রয়-বিক্রয়কে হালাল করেছেন এবং রিবা তথা সুদকে হারাম করেছেন। তাই সুদ-ঘুষ খাওয়া যাবে না।

অন্যায়ভাবে কারও সম্পদ ভোগ করতে আল্লাহতায়ালা নিষেধ করেছেন। তাকদির আমাদের জন্য নির্ধারিত। মানুষের সঙ্গে সদাচরণ করতে হবে। পৃথিবীতে ফ্যাসাদ সৃষ্টি করা যাবে না। পরস্পরে ভাতৃত্ব ও সৌহার্দ বজায় রাখতে হবে। নারী-পুরুষ সবার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এটাই ইসলামের বিধান।

আল্লাহতায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, আল্লাহতায়ালা তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন যে, তোমরা তার ইবাদত করবে এবং মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণ করবে। তাদের দু`জনের একজনকে বা দুজনকেই যদি বৃদ্ধ অবস্থায় পাও, তাহলে তাদের সামনে (তাদের আচরণে বিরক্ত হয়ে) উফ বলবে না এবং তাদের ধমক দিবে না। বরং তাদের সঙ্গে নম্রভাবে কথা বলবে।

হে মানবসম্প্রদায়, আল্লাহতায়ালা তোমাদের ন্যায় ও ইনসাফের নির্দেশ দিয়েছেন। ইসলামে মানবজাতির জন্য এমন বিধিবিধান রাখা হয়েছে, যার মাধ্যমে সমশ্রেণির মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

আল্লাহতায়ালা বলেছেন, তোমরা আল্লাহতায়ালার রঞ্জুকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে ভেদাভেদ সৃষ্টি করো না।

বিদায় হজের ভাষণে নবীজি (সা.) বলেছেন- সতর্ক হয়ে যাও, নিশ্চয়ই আল্লাহতায়ালা তোমাদের প্রতি তোমাদের রক্ত ও মালকে হারাম করে দিয়েছেন। যেমন তোমাদের এদিন হারাম তোমাদের এই শহরে, তোমাদের এই মাসে।

হে মানবসম্প্রদায়, নবীজি (সা.) বলেছেন, তোমরা কুষ্ঠরোগী দেখলে পলায়ন করো, যেমন বাঘ দেখলে পলায়ন করে থাক। তেমনিভাবে, তোমাদের কোনো এলাকায় যদি মহামারী দেখা দেয়, তাহলে সেখান থেকে বের হইও না এবং সেখানে প্রবেশ করো না।

এই হাদিসগুলোর প্রতি লক্ষ্য করে উদ্ভূত মহামারীর কারণে সৌদি সরকার এবারের হজকে সীমিত পরিসরে আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেয়। খাদিমুল হারামাইন শারিফাইন বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ এবং তার সন্তান মোহাম্মদ বিন সালমানকে আল্লাহতায়ালা উত্তম বিনিময় দান করুন।

হে আল্লাহতায়ালার বান্দারা, আজকের এ আরাফাতের দিন দোয়া কবুলের দিন। আমরা নিজেদের জন্য, অন্য সবার জন্য এবং মহামারী থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করব। আল্লাহতায়ালা কুরআনে বলেছেন- তোমাদের প্রতিপালক বলছেন, তোমরা আমার কাছে প্রার্থনা কর। আমি তোমাদের প্রার্থনাকে কবুল করব।


সূত্র: যুগান্তর

এবার বাংলা ভাষায় শুনা যাবে হজের খুতবা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে ধর্মীয় উৎসব হলো পবিত্র হজ। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা ও মদীনা শরীফে যান। হজের খুতবা শুধুমাত্র আরবি ভাষায় প্রচারিত হয়ে আসছিলো। তবে গতবছর আরবি ছাড়া আরও ৫টি ভাষায় খুতবার অনুবাদ প্রচার হয়েছিলো। এবার বাংলা ভাষায়ও হজের খুতবা প্রচারিত হবে। এবার মোট ১০টি ভাষায় প্রচারিত হবে পবিত্র হজের খুতবা।

গ্র্যান্ড মসজিদ ও মসজিদে নববীর জেনারেল অ্যাফেয়ার্সের চেয়ারম্যান ড. আব্দুল রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল সুদাইস জানিয়েছেন, এ বছর আরবি ছাড়াও ইংরেজি, মালয়, উর্দু, ফার্সি, ফ্রেঞ্চ, মান্দারিন, তুর্কি, রুশ, হাবশি ও বাংলা ভাষায় হজের খুতবা অনুষ্ঠিত হবে।

মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে এবারের হজ আগের মতো ব্যাপক অংশ গ্রহণে হচ্ছে না। সৌদি সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এক সপ্তাহ আগে থেকে হজে অংশগ্রহণকারীদের আইসোলেশনের মাধ্যমে এবারের হজের কার্যক্রম শুরু হবে। মহামারি করোনা ভাইরাস যেন হজের সময় কারও মধ্যে না ছড়ায় সে লক্ষ্যে বিভিন্ন সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে সৌদি সরকার। পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি বিনা অনুমতিতে মক্কা ও এর আশপাশের এলাকায় প্রবেশের ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গত ২২ জুন এক ঘোষণায় সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায়, দেশটি বসবাসকারী সব দেশের নাগরিকদের এবারের হজে সীমিত আকারে অংশগ্রহণের অনুমতি দেবে।


সূত্র : গালফ নিউজ


   Page 1 of 9
     ইসলাম
হাটহাজারীর মাহফিলে বক্তব্য রাখেননি হেফাজত নেতা মামুনুল হক
.............................................................................................
আজ শুরু হচ্ছে চরমোনাইয়ে ৩ দিন বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল
.............................................................................................
মুসলমানদের আচার-আচরণে মুগ্ধ হয়ে উৎপল কুমারের ইসলাম গ্রহণ
.............................................................................................
পবিত্র মসজিদুল হারাম নামাজের জন্য খুলে দেয়া হলো
.............................................................................................
দ্বিতীয় ধাপে আড়াই লাখ মুসল্লি ওমরাহ পালন করবেন
.............................................................................................
আল আকসায় টানা তিন সপ্তাহ জুমা বন্ধ
.............................................................................................
ধর্ষণ, জেনা-ব্যাভিচার পরিহারের পরকালীন পুরস্কার
.............................................................................................
এই প্রথম আল কুরআনের পূর্ণাঙ্গ কাব্যানুবাদ করলেন মুহিব খান
.............................................................................................
জার্মানিতে মাইকে আজান নিষিদ্ধের মামলায় মুসলমানরা জয়ী
.............................................................................................
ওমরাহ পালনের জন্য কাবা খুলে দিচ্ছে সৌদি সরকার
.............................................................................................
আজ পবিত্র আশুরা
.............................................................................................
পবিত্র আশুরা আগামীকাল
.............................................................................................
মক্কা-মদিনার মসজিদ পরিচালনায় ১০ নারী
.............................................................................................
২০ হাজার পরিবারকে কোরবানির গোশত প্রদান
.............................................................................................
পবিত্র হজে আরাফাতের খুতবায় যা বললেন খতিব
.............................................................................................
এবার বাংলা ভাষায় শুনা যাবে হজের খুতবা
.............................................................................................
১ আগস্ট ঈদুল আযহা
.............................................................................................
স্পেনের কর্ডোভা মসজিদ খুলে দিতে শারজার আমিরের আহ্বান
.............................................................................................
কুরবানি নিয়ে দারুল উলুম দেওবন্দের ভাবনা
.............................................................................................
জার্মানিতে মুসলিমরা পাচ্ছেন ডিজিটাল ধর্মীয় সেবা
.............................................................................................
কুরআনের সেই পাণ্ডুলিপি বিক্রি হলো ৭৩ কোটি টাকায়
.............................................................................................
মহিমান্বিত রজনী: লাইলাতুল কদর
.............................................................................................
বিষণ্ণ পৃথিবীতে মুক্তির মাস রমজান
.............................................................................................
১৪০০ বছর পর এবার মুসলিমদের তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদে আকসা মুসল্লি শূন্য
.............................................................................................
আজহারীর জন্য অঝোরে কাঁদলেন আরেক বক্তা
.............................................................................................
এশার পর বিতর নামাজ পড়া আবশ্যক
.............................................................................................
ইসলামে জুয়া-বাজি সম্পূর্ণ হারাম
.............................................................................................
আল্লাহু আকবার ধ্বনিতে মুখরিত আরাফার আকাশ-বাতাস
.............................................................................................
হজ ব্যবস্থাপনায় সফলতম ইতিহাস : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী
.............................................................................................
সুন্নত পালনের মধ্যে রয়েছে মুক্তি
.............................................................................................
ইয়াহুদিরা যে কারণে মাথায় টুপির মতো ‘কিপ্পা’ পরে
.............................................................................................
কাল পবিত্র আশুরা
.............................................................................................
পবিত্র আশুরা ২১ সেপ্টেম্বর
.............................................................................................
রোজা শুরু কবে, জানা যাবে আজ সন্ধ্যায়
.............................................................................................
নামাজে অলসতা ভয়াবহ পাপের কারণ
.............................................................................................
পালিয়ে বিয়ে করা নিয়ে ইসলাম কি বলে?
.............................................................................................
পবিত্র লাইলাতুল মি’রাজ ১৪ এপ্রিল
.............................................................................................
মৃত্যুর সময় ফেরেশতাকে চপেটাঘাত করেছিলেন যে নবী!
.............................................................................................
জাহান্নামের শাস্তি শুধু উত্তপ্ত আগুন নয়, তীব্র ঠান্ডাও
.............................................................................................
ইমাম কর্তৃক নায়েব নিয়োগ করা
.............................................................................................
কাফের-মুরতাদ আখ্যা দিতে পারে একমাত্র ইসলামি রাষ্ট্রের: কা’বার ইমাম
.............................................................................................
রাসুল (সা:) যে দুয়া পড়ে রাতে ঘুমাতেন
.............................................................................................
ইসলামে দৃষ্টিতে বিয়ে
.............................................................................................
ক্ষমার অতুলনীয় আদর্শ মুহাম্মদ (সা:)
.............................................................................................
যেভাবে হয় হজে এসে মৃত্যুবরণকারীদের কাফন-দাফন
.............................................................................................
আজ পবিত্র হজ
.............................................................................................
এবারের হজে সবচেয়ে বেশি বয়স্ক মানুষ তিনি!
.............................................................................................
‘হে মানুষ! তোমরা তোমাদের রবের ইবাদত কর’
.............................................................................................
যে আল্লাহর ওপর ভরসা করে, তার জন্য তিনিই যথেষ্ট
.............................................................................................
ইসলামের দৃষ্টিতে মিথ্যা শপথের মাধ্যমে কোন মুসলমানের সম্পদ দখলের শাস্তি
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT