শনিবার, ২ জুলাই 2022 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   রাজধানী -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
পোস্তগোলা, ধলেশ্বরী ও আড়িয়াল খাঁ ব্রিজের টোল বন্ধ হচ্ছে

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
আগামী শুক্রবার (১ জুলাই) থেকে পোস্তগোলা ব্রিজ, আড়িয়াল খাঁ ব্রিজ ও ধলেশ্বরী ব্রিজে কোনো যানবাহন পারাপারে আলাদা করে টোল নেওয়া হবে না। এক্সপ্রেসওয়ের টোলের সঙ্গে এসব টোল একীভুত হয়ে যাবে।
আজ বুধবার সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে বিষয়টি হাইকোর্টকে জানানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান।


মাঈনুল হাসান বলেন, টেন্ডারের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরও টোল আদায় করা হচ্ছিল। কয়েকজন আইনজীবী বিষয়টি জানালে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। এরপর নির্দেশ অনুযায়ী সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, ১ জুলাই থেকে এসব ব্রিজে আলাদা করে আর টোল দিতে হবে না।

এদিকে আগামী ১ জুলাই থেকে টোলের আওতায় আসছে ঢাকা থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গার মধ্যে ৫৫ কিলোমিটার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক্সপ্রেসওয়ে। এই এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করা বাসের টোল নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৯৫ টাকা।
গত সোমবার (২৭ জুন) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে নামে পরিচিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহাসড়কে অন্তর্বর্তীকালীন মাঝারি ট্রাকের জন্য সমন্বিতভাবে প্রতি কিলোমিটারে ১০ টাকা টোল নির্ধারণ করা হলো। এতে অর্থ বিভাগের সম্মতি রয়েছে। পরবর্তী সময়ে টোল নীতিমালা-২০১৪ অনুসারে যথাসময়ে টোল হার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা হবে।
এর ফলে মাঝারি আকারের ট্রাকগুলোকে পদ্মা সেতুর টোল ছাড়াও এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের জন্য ভিত্তি টোল হিসেবে প্রতি কিলোমিটারে ১০ টাকা হারে ৫৫ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ের জন্য ৫৫০ টাকা টোল দিতে হবে। অন্তর্বর্তীকালীন টোল হার অনুযায়ী এক্সপ্রেসওয়ের পুরোটা পাড়ি দিলে বাসের জন্য ৪৯৫ টাকা, মিনিবাসে ২৭৫ টাকা, মাইক্রোবাস, জিপ ও পিকআপে ২২০ টাকা এবং প্রাইভেট কারে ১৩৮ টাকা টোল দিতে হবে। এ ছাড়া পণ্যবাহী ট্রেইলারে ১ হাজার ৩৭৫ টাকা এবং বড় ট্রাকে ১ হাজার ১০০ টাকা টোল দিতে হবে।

পোস্তগোলা, ধলেশ্বরী ও আড়িয়াল খাঁ ব্রিজের টোল বন্ধ হচ্ছে
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
আগামী শুক্রবার (১ জুলাই) থেকে পোস্তগোলা ব্রিজ, আড়িয়াল খাঁ ব্রিজ ও ধলেশ্বরী ব্রিজে কোনো যানবাহন পারাপারে আলাদা করে টোল নেওয়া হবে না। এক্সপ্রেসওয়ের টোলের সঙ্গে এসব টোল একীভুত হয়ে যাবে।
আজ বুধবার সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে বিষয়টি হাইকোর্টকে জানানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান।


মাঈনুল হাসান বলেন, টেন্ডারের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরও টোল আদায় করা হচ্ছিল। কয়েকজন আইনজীবী বিষয়টি জানালে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। এরপর নির্দেশ অনুযায়ী সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, ১ জুলাই থেকে এসব ব্রিজে আলাদা করে আর টোল দিতে হবে না।

এদিকে আগামী ১ জুলাই থেকে টোলের আওতায় আসছে ঢাকা থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গার মধ্যে ৫৫ কিলোমিটার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক্সপ্রেসওয়ে। এই এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করা বাসের টোল নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৯৫ টাকা।
গত সোমবার (২৭ জুন) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে নামে পরিচিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহাসড়কে অন্তর্বর্তীকালীন মাঝারি ট্রাকের জন্য সমন্বিতভাবে প্রতি কিলোমিটারে ১০ টাকা টোল নির্ধারণ করা হলো। এতে অর্থ বিভাগের সম্মতি রয়েছে। পরবর্তী সময়ে টোল নীতিমালা-২০১৪ অনুসারে যথাসময়ে টোল হার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা হবে।
এর ফলে মাঝারি আকারের ট্রাকগুলোকে পদ্মা সেতুর টোল ছাড়াও এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের জন্য ভিত্তি টোল হিসেবে প্রতি কিলোমিটারে ১০ টাকা হারে ৫৫ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ের জন্য ৫৫০ টাকা টোল দিতে হবে। অন্তর্বর্তীকালীন টোল হার অনুযায়ী এক্সপ্রেসওয়ের পুরোটা পাড়ি দিলে বাসের জন্য ৪৯৫ টাকা, মিনিবাসে ২৭৫ টাকা, মাইক্রোবাস, জিপ ও পিকআপে ২২০ টাকা এবং প্রাইভেট কারে ১৩৮ টাকা টোল দিতে হবে। এ ছাড়া পণ্যবাহী ট্রেইলারে ১ হাজার ৩৭৫ টাকা এবং বড় ট্রাকে ১ হাজার ১০০ টাকা টোল দিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়েছে বায়েজিদের পরিবার
                                  

জেলা প্রতিনিধি, পটুয়াখালী
পদ্মা সেতুর রেলিং থেকে নাট-বল্টু খুলে সারা দেশে ব্যাপক আলোচিত পটুয়াখালীর বায়েজিদ তালহা মৃধা। ইতোমধ্যে তাকে সিআইডি পুলিশ গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে পাঠিয়েছে। তবে বায়েজিদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে চলছে দ্বিধাদ্বন্দ্ব।

বায়েজিদের গত দিনের রাজনৈতিক মহলের সঙ্গে তোলা কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাসছে। যেখানে দেখা যায় তিনি ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। আবার কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তোলা ছবিও ভাইরাল হয়েছে।

তবে আলোচনার তুঙ্গে থাকা বায়েজিদের দায়দায়িত্ব নিতে চাইছে না কোনো দলই। উল্টো এক দল অন্য দলের কর্মী হিসেবে গছিয়ে দেওয়া শুরু হয়েছে। এ নিয়ে পটুয়াখালীসহ জনমনে একটাই প্রশ্ন, বায়েজিদ তাহলে কোন দলের অনুসারী— ছাত্রদল নাকি ছাত্রলীগ?

অনুসন্ধানে জানা গেছে, পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠি ইউনিয়নের তেলিখালী গ্রামের নির্মাণশ্রমিক মো. আলাউদ্দিন মৃধার ছোট ছেলে মো. বায়েজিদ তালহা মৃধা। বায়েজিদ স্থানীয় গাবুয়া উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও পটুয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। পরে ঢাকা কলেজ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করেন। বর্তমানে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরিরত আছেন।

তবে বায়েজিদ ঢাকায় থাকায় স্থানীয়ভাবে তেমন পরিচিত নন। বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে গ্রামের বাড়ি এলেও দু-এক দিন থেকে আবার ঢাকায় ফিরে যেতেন।

গত রোববার পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের পরদিন রেলিং থেকে নাট-বল্টু খুলে একটি ভিডিও তার নিজস্ব টিকটক আইডিতে ছাড়েন বায়েজিদ। মুহূর্তেই সেটি ভাইরাল হয়। এতে শুরু হয় নানা ধরনের সমালোচনা। পরে সিআইডি পুলিশ ঢাকার শান্তিনগর থেকে বায়েজিদকে গ্রেপ্তার করে।

এরপরই কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, বায়েজিদ একসময় ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বায়েজিদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ও কেন্দ্রীয় বিএনপি এবং ছাত্রদলের নেতাদের সঙ্গে ছবি ভাইরাল হয়, যা নিয়ে শুরু হয় তুমুল আলোচনা।

 

ছবিগুলোতে যা দেখা যায়
কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমুর সঙ্গে একটি বাসভবনে সেলফি তুলছেন। অন্য আরেকটি ছবিতে দেখা যায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকসুর সাবেক জিএস গোলাম রাব্বানীর সঙ্গে বায়েজিদ। এদিকে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেনের পটুয়াখালী পিডিএস মাঠ-সংলগ্ন বাসার সামনে একটি সাইনবোর্ডের পেছনে দাঁড়িয়ে কয়েকজনের সঙ্গে ফ্রেমবন্দি।

এ ছাড়া অন্য কয়েকটি ছবিতে দেখা যায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার দাবিতে একটি সমাবেশে কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ইশরাক হোসেনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সেলফি তুলছেন বায়েজিদ। অপর দুটি ছবিতে দেখা যায় বায়েজিদ পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি গাজী আশফাকুর রহমান বিপ্লবের সঙ্গে। একটি ছবিতে গলায় হাত দিয়ে সেলফি তুলছেন। আরেকটিতে একই আইডি কার্ডের ফ্রেম গলায় ঝুলিয়ে আছেন।

এদিকে বায়েজিদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ এবং বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাদের সঙ্গে ছবি থাকলেও, দল দুটির নেতারা একে অন্যের ওপর তাদের কর্মী হিসেবে চাপিয়ে দিচ্ছেন। কেউ বলছেন, বায়েজিদ ছাত্রলীগের সাবেক সক্রিয় কর্মী আবার কেউ বলছেন, ছাত্রদলের সাবেক সক্রিয় কর্মী ছিলেন‌।

স্থানীয় অনেকে বলছেন, বায়েজিদ কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভেসে বেড়ানো ছবিতে জনমনে প্রশ্ন জেগেছে, তাহলে বায়েজিদ কোন দলের অনুসারী?

পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি গাজী আশফাকুর রহমান বিপ্লব বলেন, বায়েজিদ ছাত্রদলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না। বায়েজিদ এসএসসি পরিক্ষা দিয়েই ঢাকা কলেজে পড়েছে। সে ওখানেই ছাত্রলীগ করত। ছাত্রদল করার প্রশ্নই আসে না বরং এখন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে ছবি ভাইরাল হচ্ছে।

আপনার সঙ্গে ছবি ভাইরাল হয়েছে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বায়েজিদ আমার এলাকার ছোট ভাই। ছবি থাকতেই পারে। তবে রাজনৈতিক কোনো ছবি নেই। রাজনৈতিকভাবে সম্পর্কও নেই তার সঙ্গে।

পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আল হেলাল নয়ন বলেন, বায়েজিদ নামের কাউকে আমরা চিনি না। আর আমাদের সঙ্গে ছাত্রদলও করত না।

অন্যদিকে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি হাসান শিকদার বলেন, বায়েজিদ কখনো আমাদের সঙ্গে ছাত্রলীগ করেনি। কোনো মিছিল-মিটিংয়েও দেখি নাই। বরং সে ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি বিপ্লব গাজীর সঙ্গে ছাত্রদল করত। তাকে ছাত্রদলের মিছিল-মিটিংয়েও দেখেছি। ফেসবুকে দেখলাম বিপ্লব গাজীর সঙ্গে বায়েজিদের ঘনিষ্ঠতার ছবি ভাইরাল হয়েছে।

যা বলছে বায়েজিদের পরিবার
এদিকে বায়েজিদ পদ্মা সেতুর রেলিং থেকে নাট-বল্টু খোলায় অনুতপ্ত পরিবার ও স্থানীয়রা। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

বায়েজিদের মেজ ভাবি হাদিসা আক্তার ও ছোট চাচি ফরিদা বেগম বলেন, বায়েজিদ মানুষ হিসেবে ভালো। ও বাড়িতে আসলে নিকট আত্মীয় ছাড়া তেমন কারও সঙ্গে মিশত না। যেহেতু একটি কাজ খারাপ করেছে, এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা ক্ষমা চাই। ওকে যেন ক্ষমা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। ও আর এ ভুল করবে না।

সদর উপজেলার তেলিখালী এলাকার বিজয় বলেন, বায়েজিদ খুব ভালো একটি ছেলে ও সহজ-সরল রাজনৈতিক তেমন কোনো পরিচয় নেই। বায়েজিদ ঢাকায় থাকে। ওর টিকটিক করার স্বভাব রয়েছে। তারা তিন ভাই বর্তমানে সবাই ভালো পজিশনে আছে এবং ভালো চাকরি করে।

সদরের লাউকাঠি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন মানিক বলেন, বায়েজিদের পরিবার একটি ধার্মিক পরিবার। বায়েজিদ বা তার পরিবার কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই।

পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠি ইউনিয়নের তেলিখালী গ্রামের নির্মাণশ্রমিক মো. আলাউদ্দিন মৃধা ও পিয়ারা বেগম দম্পতির তিন সন্তানের মধ্যে বায়েজিদ তালহা মৃধা ছোট। বড় ছেলে সিপন মৃধা খুলনা কাস্টমস রেভিনিউ অফিসার ও মেজ ছেলে সোহাগ মৃধা পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি করেন।

গাড়ি আমদানিতে শীর্ষে এখন মোংলা বন্দর
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
মোংলা বন্দরে ২০২১-২২ অর্থবছরে রেকর্ড ২০ হাজার ৮০৮টি গাড়ি আমদানি হয়েছে। এই সময়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি হয়েছে ১৩ হাজার ৯১৩টি গাড়ি। ফলে চট্টগ্রামের চেয়ে প্রায় ৭ হাজার গাড়ি বেশি এসেছে মোংলায়। দেশের মোট আমদানির ৬০ শতাংশ এসেছে মোংলা বন্দর দিয়ে। আর চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি হয়েছে ৪০ শতাংশ গাড়ি।

আমদানি বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বন্দরে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি ৪টি সুনির্দিষ্ট কারণের কথা জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, মোংলা বন্দর দিয়ে প্রথম ২০০৯ সালে ৮ হাজার ৯০৯টি গাড়ি আমদানির মাধ্যমে বন্দরে গাড়ি আমদানি শুরু হয়। ২০২১-২২ অর্থবছরে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২০ হাজার ৮০৮টিতে।

বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইম্পোর্টার অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের বন্দর বিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আহসান আরজু বলেন, আমাদের সংগঠনের প্রায় ৩০০ সদস্য মোংলা বন্দর দিয়ে গাড়ি আমদানি করেন। কম সময়ে গাড়ি খালাস ও রাখার পর্যাপ্ত জায়গা থাকায় ব্যবসায়ীরা এই বন্দর দিয়ে আমদানি করতে বেশি পছন্দ করেন। পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় আগের থেকে অর্ধেক সময়ে গাড়ি মোংলা থেকে ঢাকায় পৌঁছাচ্ছে। ফলে এই বন্দর দিয়ে আমদানিতে ব্যবসায়ীদের আগ্রহ আরও বাড়বে।

মোংলা কাস্টম হাউসের কমিশনার মো. নেয়াজুর রহমান বলেন, মোংলা বন্দর থেকে সরকার যে পরিমাণ রাজস্ব পায় তার ৫২ শতাংশ আসে গাড়ি আমদানির কর থেকে। চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ হাজার ৯৩০ কোটি টাকা। ১১ মাসেই (মে -২০২২ পর্যন্ত) রাজস্ব আয় হয়েছে ৪ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। গাড়ি আমদানির যে রেকর্ড এ বছর হয়েছে তাতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি রাজস্ব আদায় হবে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মুসা বলেন, ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশের দুই বন্দর দিয়ে গাড়ি আমদানি হয়েছে ৩৪ হাজার ৭৮৩টি। এর মধ্যে মোংলা বন্দরের মাধ্যমে ২০ হাজার ৮০৮ আর চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি হয়েছে ১৩ হাজার ৯১৩টি গাড়ি।

মোংলা বন্দরে গাড়ি আমদানি ক্রমেই বাড়ছে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, আমদানিকারকদের বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা, স্বল্প সময়ের মধ্যে এই বন্দর থেকে গাড়ি খালাস, আমদানি করা গাড়ি রাখার জন্য উন্নতমানের শেড ও ইয়ার্ড নির্মাণ এবং গাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সার্বক্ষণিক টহল ও সিকিউরিটি ক্যামেরায় মনিটরিং ব্যবস্থা নিশ্চিতের ফলেই আমদানি বেড়েছে।

বন্দর চেয়ারম্যান আরও বলেন, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা কয়েক বছরে বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ৮ হাজার ৮৫২ কোটি ৩৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে ৮টি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এসব কাজ শেষ হলে বন্দরের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

পদ্মা সেতু দিয়ে ঢাকা থেকে এ বন্দরের দূরত্ব হবে ১৭০ কিলোমিটার। অপরদিকে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ঢাকার দূরত্ব ২৬০ কিলোমিটার এবং পায়রা বন্দর থেকে ঢাকার দূরত্ব ২৭০ কিলোমিটার। ফলে আমদানি-রপ্তানিকারকরা বাণিজ্যিক স্বার্থে মংলা বন্দর ব্যবহার করবেন।

১৯৫০ সালে পশুর নদীর জয়মনির ঘোলে ‘দি সিটি অব লিয়নস’ নামে প্রথম ব্রিটিশ পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজ নোঙ্গরের মাধ্যমে মোংলা বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়। সে সময় চালনা অ্যাংকারেজ পোর্ট নামে মোংলা সমুদ্র বন্দরের যাত্রা শুরু হয়েছিল। দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় নানা সমস্যা মোকাবিলা করে পণ্য আমদানি-রপ্তানি ও রাজস্ব আয়ের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে মোংলা সমুদ্র বন্দর।

দুর্নীতির দায়ে দক্ষিণ সিটির উপ-কর কর্মকর্তাসহ ৩৪ জন চাকরিচ্যুত
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উপ-কর কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্বে) ও করপোরেশনের সাবেক মেয়রের ব্যক্তিগত সহকারী মো. সেলিম খানসহ ৩৪ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) দক্ষিণ সিটির সচিব আকরামুজ্জামানের সই করা পৃথক পৃথক আদেশে তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাছের জানিয়েছেন, সেলিম খান দক্ষিণ সিটির অঞ্চল-৫ এ উপ-কর কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্নীতির দায়ে পরে তাকে সচিব দপ্তরে ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে সংযুক্ত করা হয়।

এ ছাড়াও করপোরেশনের সচিবের সই করা আলাদা আলাদা আরও দুটি দপ্তর আদেশে রাজস্ব বিভাগের ১৭ জন শ্রমিক ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ১৬ জন শ্রমিককে কর্মচ্যুত করা হয়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের স্বার্থ রক্ষার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে বলে দপ্তর আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

নগর পরিবহনের নতুন আরও তিন রুট চালু হচ্ছে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
বাস রুট রেশনালাইজেশনের আওতায় আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে চালু হচ্ছে নতুন আরও তিনটি রুট। ২২, ২৩ এবং ২৬ নম্বর এই রুটগুলোতে নতুন বাস দিয়ে যাত্রা শুরু হবে।

মঙ্গলবার (২১ জুন) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নগর ভবনের বুড়িগঙ্গা হলে বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির ২৩তম সভা শেষে এ তথ্য জানান কমিটির সভাপতি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

তিনি বলেন, বাস-বে, যাত্রী ছাউনিসহ সব অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে এ সময়ের মধ্যে। এছাড়া নগর পরিবহনের আওতায় যেসব বাস চলবে তারা আবেদন করেছে। এসব রুটে বাসগুলো চলাচলের জন্য ২২ নম্বর রুটে ৫০টি নতুন বাস আবেদন, ২৩ নম্বর রুটে ১০০টি আবেদন পড়েছে। অন্যদিকে ২৬ নম্বর রুটে বিআরটিসির নতুন ৫০টি ডাবল ডেকার বাস পরিচালনা করা হবে। সব মিলিয়ে নতুন এই তিন রুটে সব নতুন বাস দিয়ে কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

কমিটির সভাপতি ও দক্ষিণ সিটির মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের সভাপতিত্বে বৈঠকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলামসহ কমিটির অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, নতুন চালু হতে যাওয়া ২২ নম্বর রুটটি হলো ঘাটারচর থেকে বছিলা, মোহাম্মদপুর টাউন হল, আসাদগেট, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, শাহবাগ, কাকরাইল, ফকিরাপুল, মতিঝিল, টিকাটুলি, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, কোনাপাড়া হয়ে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার পর্যন্ত।

অন্যদিকে ২৩ নম্বর রুট হচ্ছে ঘাটারচর থেকে বছিলা, মোহাম্মদপুর শিয়া মসজিদ, শ্যামলী, কলেজগেট, আসাদগেট, কলাবাগান, সায়েন্সল্যাব, শাহবাগ, মৎস্যভবন, প্রেস ক্লাব, গুলিস্তান, দৈনিক বাংলা, কমলাপুর, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, রায়ের বাগ, মাতুয়াইল, সাইনবোর্ড, চিটাগাং রোড পর্যন্ত।

২৬ নম্বর রুট হলো ঘাটারচর থেকে বছিলা, মোহাম্মদপুর টাউন হল, আসাদগেট, কলাবাগান, সায়েন্সল্যাব, নিউ মার্কেট, আজিমপুর, পলাশী মোড়, চাঁনখারপুল, পোস্তগোলা হয়ে কদমতলী পর্যন্ত।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক রুটভিত্তিক কোম্পানির অধীনে বাস চালানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন ২০১৫ সালে। ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর আনিসুল হক মারা যাওয়ার পর বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তৎকালীন মেয়র সাঈদ খোকন। তিনি ১১টি সভা করেছেন। এরপর নতুন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস কমিটির দায়িত্ব পান।

যথাসময়ে বন্ধ হল বিপণিবিতান
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
বিশ্বব্যাপী মূল্যবৃদ্ধিজনিত পরিস্থিতি বিবেচনায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে রাত ৮টার পর সারা দেশে দোকান, শপিং মল, মার্কেট, বিপণিবিতান খোলা না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। যা আজ সোমবার থেকে কার্যকর হয়েছে। প্রথম দিন রাজধানীর বড় বড় শপিং মল ও বিপণিবিতানগুলো যথা সময়ে বন্ধ হলেও ফুটপাতে আগের মতোই বেচাকেনা করতে দেখা গেছে।

রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি, নিউমার্কেট, নীলক্ষেত, এলিফেন্ট রোড, শাহবাগ, কারওয়ান বাজার, মগবাজার, মৌচাক মালিবাগ, রামপুরা এবং বাড্ডা এলাকায় শপিং মল ও বড় বড় মার্কেট বন্ধ দেখা গেছে। কিন্তু এসব মার্কেটের সামনের সব ফুটপাতে আগের মতোই পণ্য বিক্রি করতে দেখা গেছে। বসুন্ধরা সিটিতে আসা ক্রেতা ছারোয়ার হোসেন কবির বলনে, রাত ৮টা থেকে শপিং মল বন্ধের সিদ্ধান্ত সরকারের জন্য ভালো হলেও ক্রেতা ও ব্যবসায়ী উভয় জন্য খারাপ।

আরেক ক্রেতা রকিবুল বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার সঙ্গে আমি একমত। রাত ৮টার পর দোকান খোলা থাকার দরকার আছে বলে মনে করি না। বিদ্যুতের মতোই গ্যাস, পানি সাশ্রয়ে সরকারে এই রকম উদ্যোগ নেওয়া দরকার।

মোতালেব প্লাজার দোকানি আমিনুল ইসলাম স্বাধীন বাংলাকে বলেন, এমনিতে রাত ৮টায় বড় শপিং মলগুলো বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু ঈদের সময় এটা ১০টায় পর্যন্ত না করলে আমরা ক্ষতির মুখে পড়ব। গত কয়েক বছর করোনার কারণে এমনিতে ক্ষতির মুখে আছেন ব্যবসায়ীরা।

শাহবাগের আজিজ মার্কেটের একটি দোকানের কর্মচারী বলেন, সন্ধ্যার পর বেচাকেনা ভালো হয়। কিন্তু ৮টার পর দোকান বন্ধ করে দেওয়ার কারণে আমাদের আরাম হবে কিন্তু দোকানের বেচা কেনা কম হবে।

পান্থপথের ফুটপাতের বিভিন্ন ধরনের প্যান্ট বিক্রেতা মহসিন স্বাধীন বাংলাকে বলেন, সরকার শুনছি নিয়ম করছে। কিন্তু নিয়ম মানলে আমাদের সংসার চলবে না। তাই পেটের দায়ে বাধ্য হয়ে দোকান চালাচ্ছি।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে রাত ৮টার পর সারা দেশে দোকান, শপিং মল, মার্কেট, বিপণিবিতান খোলা না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ নির্দেশনার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের চিঠি দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

ডেঙ্গু রোধে ডিএসসিসি`র ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে নামছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক
ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধে বুধবার থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ১০টি অঞ্চলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন সংস্থাটির মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। মঙ্গলবার (১৪ জুন) বিকেলে নগরের ভবনের বুড়িগঙ্গা হলে মশক করি না কেন, তারা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন না। তাদের বিরুদ্ধে আমাদের কঠোর হতে হবে। সেজন্যই ডেঙ্গু রোগীর বিস্তার রোধে আমরা আগামীকাল থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা শুরু করব। ঢাকাবাসীকে ডেঙ্গুর প্রকোপ হতে রক্ষা করতে আগামী চার মাস ধরে এই অভিযান পরিচালনা করা হবে।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণই এখন প্রধান কাজ উল্লেখ করে তিনি বলেন, মশক নিয়ন্ত্রণে আমাদের পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহার করতে হবে। অলি-গলি থেকে শুরু করে অপরিচর্যিত ছাদবাগানেও আমাদের নজর দিতে হবে। অপরিচর্যিত ছাদবাগানে কোনোরকম নমনীয়তা প্রদর্শন করা যাবে না। তাছাড়া কোনো স্থাপনায় মশার প্রজননস্থল থাকার সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে যে কোনো উপায়ে সেখানে প্রবেশের অনুমতি নিতে হবে এবং প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে।
পর্যালোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, সচিব আকরামুজ্জামান, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা, ভারপ্রাপ্ত প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে শামসুল কবির, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

 

হামলার শিকার রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার ওসি
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:

রাজধানীর ঢাকা উদ্যান এলাকায় মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ হামলার শিকার হয়েছেন। তিনি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শুক্রবার (১০ জুন) জুমার নামাজের পর ইসলামি আন্দোলনসহ সমমনা কয়েকটি দলের ডাকা বিক্ষোভ চলার সময় তার ওপর হামলা হয়।    

মহানবীকে(সা.) নিয়ে ভারতের বিজেপি নেতার কটুক্তির প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে স্থানীয় একটি সংগঠন।

জানা যায়, নামাজের পর ঢাকা উদ্যান এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করলে মোহাম্মদপুর থানার ওসি তাদেরকে দ্রুততার সাথে কর্মসূচি শেষ করতে অনুরোধ করেন। ওসি এ সময় সাদা পোশাকে ছিলেন। বিক্ষোভকারীরা ওসিকে চিনতে না পেরে তাদের মধ্য থেকে কিছু যুবক পেছন থেকে ওসির ওপর হামলা চালায়।

মোহাম্মদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কামরুজ্জামান বলেন, ওসি তাদেরকে কর্মসূচি শেষ করার অনুরোধ করে চলে আসছিলেন। তখন পেছন থেকে অতি উৎসাহী কিছু যুবক চিৎকার দিয়ে ওসির ওপর হামলা করেন। ওসি মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন।

ওসিকে প্রথমে চিকিৎসার জন্য সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে আগারগাঁওয়ের নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তবে তিনি শঙ্কামুক্ত বলেও জানান তিনি।

ডিএমপি মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মৃত্যুঞ্জয় দে সজল বলেন, মহানবীকে (সা.) কটূক্তির প্রতিবাদে ঢাকা উদ্যানে স্থানীয়দের একটি সংগঠন থেকে বিক্ষোভ করার প্রস্তুতি নেয়। তখন ওসি তাদের দ্রুত সময়ে কর্মসূচি শেষ করার কথা বলেন। চলে আসার সময় কয়েকজন যুবক তার ওপর হামলা করে। ওসি নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি বলেও জানান তিনি।

সাভারে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ভন্ড কবিরাজ আটক
                                  

মোহাম্মদ ইয়াসিন, সাভার
ঢাকার সাভারে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে জয়নাল আবেদীন (৭৩) নামের এক ভন্ড কবিরাজকে আটক করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ। গত (৬ জুন) রাতে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুবেল মিয়া। 
তিনি জানান ৪শিশুর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে সাভার সদর ইউনিয়নের দেওগাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে জয়নাল আবেদীন নামের ভন্ড কবিরাজকে আটক করা হয়।

আটক জয়নাল আবেদীন সাভার সদর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের দেওগাঁ পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত জয়নাল আলী মুন্সীর ছেলে। তিনি ওই এলাকায় তাবিজ-কবজ বিক্রির নামে দীর্ঘদিন ধরে ভন্ডামি করে আসছিলেন।

ভুক্তভোগীর পরিবারের লোকজন জানান, একই মাদ্রাসায় পড়ার খাতিরে অভিযুক্ত ভন্ড কবিরাজ জয়নাল আবেদীনের নাতনির সাথে একই মাদ্রাসার পড়ুয়া ছাত্রীদের যাওয়া আসা ছিলো তার বাড়ীতে। এই সুযোগে অনেকের সাথেই যৌন হয়রানীর চেষ্টা করতো। ভুক্তভোগীর পরিবারের জানায়, ১৫ দিন আগে জয়নালের নাতনির সাথে তাদের বাড়িতে ঘুরতে যায় এক শিশু। এসময় নাতনিকে কাজে পাঠিয়ে ওই শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করে জয়নাল। পর দিন আবার ভুক্তভোগী শিশুকে বাসায় নিতে চাইলে সে আর যেতে রাজি হয়নি।

পরে আরেক শিশু বান্ধবীকে নিয়ে বাসায় যায় জয়নালের নাতনি। এ দিনও একই কাজ করে জয়নাল। এভাবে ছয় শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করে ভন্ড কবিরাজ। উক্ত বিষয়টি গত শনিবার দুই ভুক্তভোগী শিশু তাদের পরিবারকে জানালে শিশুদের পরিবার এলাকার মাদবরদের অবহিত করেন। কিন্তু বিষয়টি বাড়াবাড়ি না করার জন্য উল্টো ভুক্তভোগী পরিবারদের চাপ দিতে থাকে।

পরে আইনি সহায়তার জন্য ভুক্তভোগী ৪ শিশুর পরিবার সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভন্ড কবিরাজ জয়নালকে আটক করে পুলিশ।

এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুবেল মিয়া বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত জয়নাল আবেদীনকে আটক করা হয়েছে। এব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। মামলা দায়ের হলে অভিযুক্তকে প্রচলিত আইন মোতাবেক আদালতে প্রেরণ করা হবে।

রাজধানীর বসিলায় জুতার কারখানায় আগুন
                                  

আজমাইন মাহতাব:
রাজ জধানীর বছিলায় জুতা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (০৬ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বছিলার আবাসিক এলাকার ১০ নম্বর রোডের একটি জুতার কারখানায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।  

এদিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির ডিউটি অফিসার দেওয়ান আজাদ।

তিনি বলেন, বছিলায় একটি জুতার কারখানায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট কাজ করছে। এখন পর্যন্ত  হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আগুন লাগার কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে পরে জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

রাজধানীতে বাসচাপায় পুলিশ সদস্য নিহত
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলের সামনে বাসচাপায় এক পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছে। সোমবার (৬ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই পুলিশ সদস্য নিহত হওয়ার খবর পায় হাতিরঝিল থানা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রশিদ।

এ বিষয়ে হাতিরঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইমরান বলেন, নিহত পুলিশ কনস্টেবল কোরবান আলী হোসাইন পুলিশ টেলিকমে দ্বায়িত্বরত ছিলেন। আমরা শুনেছি আজ সাড়ে ১০টার দিকে একটি বাসের চাপায় সোনারগাঁও হোটেলের সামনে ঘটনাস্থলে মারা যান তিনি। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য আমরা এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাচ্ছি।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক

বেতন বাড়ানোর দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে তৃতীয় দিনের মতো সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন গার্মেন্টস শ্রমিকরা। সোমবার (৬ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মিরপুর ১৩ নম্বরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন কয়েকশ গার্মেন্টস শ্রমিক।

এ সময় মিরপুর ১৩ নম্বর থেকে ১৪ নম্বর পর্যন্ত সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

পরে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আন্দোলনকারী শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ পুলিশ। এতে আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে শ্রমিকরা এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ও পাথর নিক্ষেপ শুরু করে। পুলিশও শ্রমিকদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। ফলে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষ চলছে।

এ বিষয়ে পল্লবী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (প্যাট্রল) মাহবুব বলেন, শ্রমিকরা মিরপুর ১৩ নম্বরের রাস্তা অবরোধ করে রেখেছে। আমরা তাদের সরানোর চেষ্টা করছি।

প্রসঙ্গত, বেতন বাড়ানোর দাবিতে গত শনিবার (৪ জুন) দুপুর থেকে বিক্ষোভ শুরু করেন শ্রমিকরা। ওই দিন তারা বিকেল ৫টা পর্যন্ত মিরপুরের ১০, ১৩ ও ১৪ নম্বরের রাস্তা আটকে রাখেন। পরদিন রোববার (৫ জুন) বিক্ষোভ আরও ছড়িয়ে পড়ে। এদিন শ্রমিকরা মিরপুর ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ নম্বরসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।

শ্রমিকদের দাবি, নিত্যপণ্যের দাম যেভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, সেই হারে বেতন বাড়েনি তাদের। ফলে বর্তমান বেতন দিয়ে মাস পার করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। বিষয়টি মালিকপক্ষকে জানানো হলেও কোনো উদ্যোগ নেয়নি। তাই বাধ্য হয়েই রাস্তায় নেমেছেন তারা।

যাত্রাবাড়ী শ্যামপুর ডেমরায় ট্রাফিক পুলিশের বেপরোয়া চাঁদাবাজি
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
যাত্রাবাড়ী ডেমরা শ্যামপুরে ট্রাফিক পুলিশের ট্রাক সি এন জি অটোরিস্কা ও পরিবহন থেকে চাঁদাবাজি যেন ওপেন সিক্রেট। প্রতিদিন প্রকাশ্যে চলছে ট্রাফিক পুলিশের বেপরোয়া চাঁদাবাজি। ফলে বিতর্কিত হচ্ছে ট্রাফিক পুলিশের ভাবমূর্তি অন্যদিকে অবৈধ ফিটনেস বিহীন গাড়ি চলছে নিরদ্বিধায়।

সরেজমিনে গেলে দেখা যায় যাত্রাবাড়ী ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে চৌরাস্তার মোড়ে দিন রাত ২৪ ঘন্টা চলছে প্রকাশ্য চাঁদা নেওয়ার দৃশ্য। ঐ এলাকাক ডিউটিরত ৪/৫ টি ট্রাফিক পুলিশ টিম প্রকাশ্যে গাড়ি থেকে চাঁদা আদায় করছে দশ টাকা থেকে দুইহাজার টাকা পর্যন্ত।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ডেমরা মোড়সহ বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের চাঁদাবাজির মহোৎসব চলছে। এসব পয়েন্টে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের দায়িত্বরত সহকারী কমিশনার (এসি), টিআই ও সার্জেন্টগণ ফ্রি-স্টাইলে চাঁদাবাজি করছেন। ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহনের কাগজপত্র দেখার নামে ট্রাফিক পুলিশ ও সার্জেন্টদের দিয়ে গাড়ি আটকের পর মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করা হচ্ছে।

আর এ চাঁদাবাজি দিনের চেয়ে রাতের বেলায় বেশি হচ্ছে। এজন্য দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের অনেক এসি সূর্য ডোবার অপেক্ষায় থাকেন। প্রতিদিন রাত ৮টার পর থেকে ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ মালামাল বহনকারী বিভিন্ন যানবাহন আটক করে প্রকাশ্যে চাঁদা আদায় করছেন। ব্যস্ততম এলাকার যানজট নিরসনের পরিবর্তে ট্রাফিক ও সার্জেন্টদের চাঁদাবাজির কারণে তা আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ।

নগরীর যাত্রাবাড়ী থেকে পোস্তগোলা ব্রিজ এলাকায় সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, প্রতিদিন রাত ৮টার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ট্রাফিক পুলিশ ও সার্জেন্টরা যত্রতত্র যানবাহন থামিয়ে কাগজপত্র চেক করার নামে চাঁদা আদায় করছেন। শুধু তাই নয়, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, সিএনজি অটোরিকশা এবং ব্যক্তিমালিকানাধীন নানা ব্রান্ডের গাড়ি কারণে-অকারণে থামিয়ে কাগজপত্র চেকসহ বিভিন্ন অজুহাতে হয়রানি করছে। আবার অনেক গাড়ি ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটক রাখায় যানজটেরও সৃষ্টি হচ্ছে।

গাড়ির কাগজপত্র চেক করা নয়, সাধারণ মানুষকে হয়রানি আর টাকা আদায়ই তাদের মূল টার্গেট বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন। রাস্তায় লক্কড়-ঝক্কড় মার্কা ফিটনেসবিহীন যাত্রীবাহী বাসসহ যানবাহনগুলো তাদের চোখে পড়ছে না। এসব ফিটনেসবিহীন যানবাহনের চালক ও মালিকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা মাসোহারা নিচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ। আর দায়িত্বরত ট্রাফিক সদস্য ও সার্জেন্টরা এসিকে চাঁদাবাজির নির্ধারিত ভাগের টাকা পরিশোধ করতে হয় বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশেরই একাধিক সদস্য জানিয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ট্রাফিক পুলিশ জানান, এসি স্যারের নির্দেশ তো আমরা মানতে বাধ্য। তার নির্দেশ না মানলে আমাদের চাকরির সমস্যা হবে।
শনিরআখড়া ব্রিজের পাশে পুলিশের চাঁদাবাজির শিকার একটি প্রাইভেটকারের চালক জানান, ট্রাফিক পুলিশের চাঁদাবাজিতে তারা অতিষ্ঠ। যাত্রাবাড়ি থেকে কদমতলি সাইনবোর্ড মোড় পর্যন্ত তিনটি স্থানে ট্রাফিক পুলিশের মুখোমুখি হতে হয়েছে তাকে। কারণে-অকারণে গাড়ি থামিয়ে মামলা দেয়ার ভয় দেখানো হয়। আবার ট্রাফিক পুলিশের এসির ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকার ভয় দেখানো হয়। আর তাদের চাহিদা মতো টাকা দিলে সব ঝামেলা চুকে যায়।

গত শনিবার রাত পৌনে ১টার দিকে সায়দাবাদ, ধোলাইপাড় মোড়ে দেখা যায়, ট্রাফিক পুলিশ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান থামিয়ে চাঁদা আদায় করছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রাফিক পুলিশের এই চাঁদাবাজি নিত্যদিনের। যানজটের তোয়াক্কা না করে শুধু দিনে নয়, রাতভর চাঁদা নিতে তৎপর এসব ট্রাফিক সদস্যরা।

প্রতিটি ট্রাক থেকে ন্যূনতম ১০০ থেকে শুরু করে ১০০০ টাকা বা তারও বেশি টাকা চাঁদা আদায় করা হয়। রাতের বেলায় যাত্রাবাড়ী, জুরাইন, পোস্তাগোলা এলাকাতেও যানবাহন থামিয়ে পুলিশকে টাকা আদায় করতে দেখা যায় প্রতিদিন। গভীর রাতে থেকে সকাল আটটা পর্যন্ত কাজলা ফ্লাইওভারের ওপর থেকে ট্রাক কভারভ্যান ও ট্যাক্সিক্যাব থামিয়ে চাঁদা আদায় করতে দেখা যায় প্রতিনিয়ত।

মিরপুরে বিক্ষোভ-ভাঙচুর পোশাক শ্রমিকদের
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
বেতন-ভাতা বাড়ানোর দাবিতে রাজধানীর মিরপুরের বিভিন্ন এলাকার সড়কে গার্মেন্টস শ্রমিকরা বিক্ষোভ-ভাঙচুর চালিয়েছেন। পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়াও হয়েছে তাদের। বিকেলের দিকে সড়ক থেকে সরে যান শ্রমিকরা। শ্রমিকরা সরে গেলে মিরপুর এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত হয়। পরে স্বাভাবিক হয় যানচলাচল।

রোববার (৫ জুন) সকাল থেকেই মিরপুর-১০ ও এর আশপাশের সড়কগুলোতে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন শ্রমিকরা। সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকে শ্রমিকদের বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ হলেও দুপুর হতে হতে তারা সহিংস হয়ে ওঠেন। এ সময় বেশকিছু গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি কয়েকটি ভবনে ভাঙচুর চালান শ্রমিকরা।

পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুপুরের পর অ্যাকশনে যায় পুলিশ। শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়। এ সময় শ্রমিকরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকলে দু-পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বিকেলের দিকে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। পরে সড়কে যানবাহন চলাচল শুরু হয়।

দুপুরের দিকে মিরপুর-১০ নম্বর গোল চত্বরে আন্দোলনরত শ্রমিকরা নির্বাচন কমিশনার মো.আলমগীর হোসেনকে তার গাড়িসহ অবরুদ্ধ করেন। পরে পুলিশি নিরাপত্তায় তিনি গোলচত্বরের পুলিশ বক্সে অবস্থান নেন। এ সময় পুলিশের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনারের গাড়ি ছেড়ে দিতে অনুরোধ করলেও ছাড়তে রাজি হননি শ্রমিকরা। পরে শ্রমিকদের হাত থেকে পুলিশ গাড়ি ছাড়ালে নির্বাচন কমিশনার আলমগীর হোসেন ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

এক পর্যায়ে জলকামানসহ পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে যেতে থাকলে শ্রমিকরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়ে। এ সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে।

এ বিষয়ে ডিএমপির মিরপুর বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো.মাহবুব জানান, সকাল থেকেই পুলিশ আন্দোলনরত শ্রমিকদের বুঝিয়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু শ্রমিকরা দুপুরের দিকে বিভিন্ন স্থাপনা ও গাড়িতে ভাঙচুরের করলে তাদের থামানোর চেষ্টা করা হয়। পরে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে কয়েক রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করা হয়। শ্রমিকরা সরে গেলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে।

সকাল থেকেই মিরপুর-১০, ১১, ১২ ও ১৪ নম্বর এলাকার আশে-পাশের সড়কে প্রায় ১০ হাজার শ্রমিক জমায়েত হয়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন তারা। এতে প্রায় পুরো ঢাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য আগে শনিবার (৪ জুন) বিকেলে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে চলা বিক্ষোভে মিরপুরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) একটি গাড়ি ভাঙচুর করেন পোশাক শ্রমিকরা। এ সময় পুলিশের দুটি মোটরসাইকেলেও আগুন দেওয়া হয়।

 

নির্বাচন কমিশনারকে আটকে রেখেছে শ্রমিকরা
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
মিরপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকরা নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর হোসেনকে আটকে রেখেছে। রোববার (৫ জুন) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে তাকে আটকে রেখেছে শ্রমিকরা। বিষয়টি ওই নির্বাচন কমিশনার নিজে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আমাকে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে আটকে রাখা হয়েছে। পুলিশকে খবর দিয়েছি। শ্রমিকদের অনেক বোঝানোর চেষ্টা করছি, কিন্তু তারা আমার গাড়ি ছাড়ছে না। অনেক ঝামেলায় আছি। এখন ফোনে আর কথা বলা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে ডিএমপির মিরপুর বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. মাহবুব বলেন, মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে আলমগীর স্যারকে শ্রমিকরা আটকে রেখেছে। আমরা স্যারের সঙ্গে আছি এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি।

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে সকাল থেকে রাজধানীর মিরপুর-১৪ ও কচুক্ষেত এলাকায় রাস্তায় নামে পাঁচটি গার্মেন্টসের শ্রমিকরা। শ্রমিকরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন। যদিও পরে তারা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এতে মিরপুর-১৪ ও কচুক্ষেত এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

মো. লিমন নামে এক শ্রমিক তাদের কর্মসূচির বিষয়ে বলেন, আমরা আজও রাস্তা নেমেছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাস্তা ছাড়ব না। রোববার সকাল ৯টা থেকে শ্রমিকরা রাস্তায় দাঁড়িয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান।

 

বাস ট্রাক সংঘর্ষে পরমাণু কমিশনের ৩ কর্মকর্তাসহ নিহত ৪
                                  

সাভার প্রতিনিধি
ঢাকা-আরিচা সড়কের সাভারের বলিয়ারপুরে বাস ও ট্রাকের ত্রিমুখী সংঘর্ষে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের তিন কর্মকর্তাসহ চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩৫ জন যাত্রী।

রোববার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা-আরিচা সড়কের সাভারের বলিয়ারপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন- গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানার বাসিন্দা বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের ইঞ্জিনিয়ার কাউসার আহম্মেদ রাব্বি, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অন্তঃসত্ত্বা পূজা সরকার ও পরমাণু শক্তি কমিশন স্টাফ বাসের চালক রাজিব হোসেন। বাসটি রায়েরবাগ রুটের ছিল বলে জানা গেছে।

হাইওয়ে পুলিশ জানায়, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা-আরিচা সড়কের সাভারের বলিয়ারপুর এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস ইউটার্ন নেওয়ার সময় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের দ্রুতগামী একটি বাস ধাক্কা দেয়। এ সময় ঢাকাগামী একটি গরুবোঝাই ট্রাক আবার বাসের সামনের অংশে ধাক্কা দিলে চারজন নিহত হন। এদের মধ্যে পরমাণু শক্তি কমিশনের বাসের চালক রয়েছেন।

সাভার ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম বলেন, ঘটনা সাড়ে ৯টার দিকে। খবর পেয়ে আমাদের চারটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩৫-৪০ জনের মতো।

সাভার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান স্বাধীন বাংলাকে বলেন, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একইসঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় দুর্ঘটনা কবলিত পরিবহন উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।


   Page 1 of 58
     রাজধানী
পোস্তগোলা, ধলেশ্বরী ও আড়িয়াল খাঁ ব্রিজের টোল বন্ধ হচ্ছে
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়েছে বায়েজিদের পরিবার
.............................................................................................
গাড়ি আমদানিতে শীর্ষে এখন মোংলা বন্দর
.............................................................................................
দুর্নীতির দায়ে দক্ষিণ সিটির উপ-কর কর্মকর্তাসহ ৩৪ জন চাকরিচ্যুত
.............................................................................................
নগর পরিবহনের নতুন আরও তিন রুট চালু হচ্ছে
.............................................................................................
যথাসময়ে বন্ধ হল বিপণিবিতান
.............................................................................................
ডেঙ্গু রোধে ডিএসসিসি`র ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে নামছে
.............................................................................................
হামলার শিকার রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার ওসি
.............................................................................................
সাভারে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ভন্ড কবিরাজ আটক
.............................................................................................
রাজধানীর বসিলায় জুতার কারখানায় আগুন
.............................................................................................
রাজধানীতে বাসচাপায় পুলিশ সদস্য নিহত
.............................................................................................
গার্মেন্টস শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ
.............................................................................................
যাত্রাবাড়ী শ্যামপুর ডেমরায় ট্রাফিক পুলিশের বেপরোয়া চাঁদাবাজি
.............................................................................................
মিরপুরে বিক্ষোভ-ভাঙচুর পোশাক শ্রমিকদের
.............................................................................................
নির্বাচন কমিশনারকে আটকে রেখেছে শ্রমিকরা
.............................................................................................
বাস ট্রাক সংঘর্ষে পরমাণু কমিশনের ৩ কর্মকর্তাসহ নিহত ৪
.............................................................................................
রাজধানীর তুরাগে ইয়াবাসহ আগুন আটক
.............................................................................................
মিরপুরে মেট্রোরেলের ব্লক পড়ে পথচারী নিহত
.............................................................................................
হাতিরঝিলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২আরোহী নিহত
.............................................................................................
জামিন বাতিলের বিরুদ্ধে সম্রাটের আবেদনের শুনানি
.............................................................................................
৫ দাবি নিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে বিড়ি শ্রমিকরা
.............................................................................................
ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থেকে হেরোইনসহ আটক ৩
.............................................................................................
কামরাঙ্গীরচরে ইজমালি সম্পত্তির ঘর ভাঙার চেষ্টা: বাধা দেয়ায় হুমকি
.............................................................................................
রাজধানীর মক্কা-মদিনা হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যু!
.............................................................................................
সম্রাটের জামিন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে দুদকের আবেদন
.............................................................................................
এবার ১৯ পশুর হাট রাজধানীতে
.............................................................................................
১২৬ অনিবন্ধিত মোবাইলসহ আটক
.............................................................................................
রাজধানী থেকে অবৈধ জ্যামার ও নেটওয়ার্ক বুস্টার চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার
.............................................................................................
ট্রেড লাইসেন্সের খোঁজে , দোকানে দোকানে মেয়র তাপস
.............................................................................................
ঢাকা আবার যানজটের কবলে
.............................................................................................
কোনো ভবন হবে না তেঁতুলতলা মাঠে
.............................................................................................
নিউ মার্কেটের সংঘর্ষের ঘটনায় পাঁচ শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার
.............................................................................................
সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদের উপহার দিলো প্রভাত
.............................................................................................
তেঁতুলতলা মাঠ পুলিশেরই থাকছে, বন্ধ নির্মাণ কাজ
.............................................................................................
মোবাইল ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতাসহ গ্রেফতার ৩১
.............................................................................................
থানা স্থাপন নয়, তেঁতুলতলা মাঠ হিসাবেই থাকুক
.............................................................................................
টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ নিয়ে রেলমন্ত্রী
.............................................................................................
ঢাকা কলেজে র‌্যাব-ডিবির অভিযান
.............................................................................................
৩ মামলা তদন্তে পুলিশকে দেড় মাস সময়
.............................................................................................
মাইকিং করে ক্রেতার সঙ্গে ‘শোভন’ আচরণের আহ্বান
.............................................................................................
নিউমার্কেট কান্ড: এবার মারা গেলেন দোকানের কর্মচারী
.............................................................................................
ব্যবসায়ী-ছাত্রদের সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ সামনে আসেনি কেন
.............................................................................................
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ
.............................................................................................
এবার ঈদে ঢাকা ছেড়ে গ্রামে যাবে দ্বিগুণ মানুষ
.............................................................................................
রাজধানীতে রোজাদারকে তাচ্ছিল্য করে খাবারের প্যাকেজ!
.............................................................................................
নববর্ষের দিন আকাশ পথেও নিরাপত্তা দেবে র‌্যাব
.............................................................................................
বন্ধুরাষ্ট্রের তথ্যে এবার বর্ষবরণে বাড়তি নিরাপত্তা
.............................................................................................
রাজধানীতে ডায়রিয়া আকার ভয়াবহ ঘণ্টায় ৮৫ রোগী ভর্তি
.............................................................................................
টিপু হত্যা: মাস্টারমাইন্ড গ্রেফতার ৪
.............................................................................................
অ্যাডভাঞ্চ-৯ লঞ্চে আগুন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT