শনিবার, ২ জুলাই 2022 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   চট্রগ্রাম -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
‘বঙ্গবন্ধু টানেল’ আরও একটি স্বপ্ন ছোঁয়ার প্রতীক্ষায় দেশ

রফিক তালুকদার, আনোয়ারা:

দেশের এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সকল জল্পনা কল্পনার মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করে চালু হয়েছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। পূরণ হয়েছে বাঙালি জাতির এক বিরাট স্বপ্ন। নদীর উপরে দেশের বৃহত্তম সেতুতে গাড়ী চালিয়ে পারাপারের পর এবার অপেক্ষা নদীর তলদেশ ভেদ করে পারাপারের স্বপ্ন পূরণের।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে ভেদ করে নির্মীয়মান দেশের প্রথম স্বপ্নের টানেলটি যান চলাচলের জন্য এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে। সে অনুযায়ী কাজও এগিয়েছে অনেক দূর। এ প্রকল্পের প্রায় ৭৫ শতাংশ কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে।

টানেলের দু’পাশের এ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ এবং টানেলের অভ্যন্তরে সড়ক নির্মাণের কাজ প্রায় শেষের দিকে। দ্রুততার সঙ্গে করা হচ্ছে টানেলের ভেতরের বিভিন্ন ইউটিলিটি লাইন স্থাপনের কাজও।  সবকিছু ঠিক থাকলে ডিসেম্বরের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধনের জন্য শতভাগ প্রস্তুত হয়ে যাবে বলে আশা করেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী হারুন উর রশীদ চৌধুরী জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ ও চায়নার ৩০০ প্রকৌশলীসহ ১ হাজার কর্মী রাত-দিন কাজ করছে। করোনাকালীন দুঃসময়েও প্রকৌশলী এবং শ্রমিক সংকটসহ নানা জটিলতায় মধ্যে কাজ করেছি, বর্তমানে প্রকল্পের কাজ প্রায় ৭৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে।

তবে কিছু জটিলতার কথা তুলে ধরে প্রকল্প পরিচালক বলেন, বিশেষ করে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও মালামাল আমদানিতে বিঘ্ন এবং চায়নার এক্সিম ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থছাড়ের সময় বাড়ানো নিয়ে সমস্যা, এ দুই কারণেই হয়ত সরকার ঘোষিত নির্ধারিত সময়ে স্বপ্নের টানেলটির উদ্বোধন নাও হতে পারে।  

তিনি আরও বলেন, চীনের সাংহাই বন্দর ক্লোজড আর এক্সিম ব্যাংকের এভেলেবেলিটি পিরিয়ড এক্সটেনশন করা নিয়ে সমস্যা রয়ে গেছে। আমরা আশা করছি, এসবের সমাধান হলে হয়তো টার্গেট অনুযায়ী কাজ শেষ করতে পারব। তবে সব কিছু নির্ভর করছে বিদ্যমান অবস্থা থেকে উত্তরণের ওপর।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের দেয়া তথ্যমতে, চীন ও বাংলাদেশের যৌথ অর্থায়নে তৈরী হচ্ছে দেশের প্রথম এই সুড়ঙ্গপথ বা টানেল।  মূলত চীনের সাংহাই শহর থেকে এ প্রকল্পের অনেক পণ্য ও উপকরণ আমদানি করা হয়। সেখানেই টানেলের মালামাল প্রস্তুত করা হয়। কিন্তু করোনার বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সাংহাই বন্দর থেকে রফতানি বন্ধ রয়েছে। সমুদ্র পথে প্রয়োজনীয় মালামাল ও যন্ত্রপাতি আনা যাচ্ছে না, যার প্রভাব পড়েছে টানেলের নির্মাণকাজে।

ইতোমধ্যে প্রকল্পটির ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (সিসিসিসি) চিঠি দিয়ে প্রকল্প পরিচালকের কাছে বিষয়টি তুলে ধরেছে। তাদের দাবি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও বিদ্যমান পরিস্থিতির কারণে অগ্রসর হওয়া যাচ্ছে না। সে অনুযায়ী যথাসময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করতে সংশয় প্রকাশ করে গত ৮ মে সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালকের কাছে চিঠি দিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক।

কাজ ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি সময়মতো শেষ করতে ঠিকাদারকে তাগিদ দেওয়ার কথাও চিঠিতে তুলে ধরেছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।

একই চিঠিতে চীনের এক্সিম ব্যাংকের ঋণের টাকা ছাড়করণ নিয়ে সমস্যার কথাও জানানো হয়েছে। অর্থছাড়ের মেয়াদ বাড়াতে বলা হয়েছে। নতুবা প্রকল্পের কাজ প্রভাবিত হবে। দেশটির এক্সিম ব্যাংকের ঋণপ্রাপ্তির সময়কাল আরও ছয় মাস যোগ করে ২০২৩ সালের ৬ মে পর্যন্ত বর্ধিতকরণের কথা জানিয়েছে। এ জন্য সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)র মাধ্যমে দেশটির এক্সিম ব্যাংককে চিঠি দেওয়ার অনুরোধ করেছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।

প্রসঙ্গত: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা। চীনের এক্সিম ব্যাংক ২ শতাংশ হার সুদে ৫ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা অর্থায়ন করছে। বাকি টাকার জোগান দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।

২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টানেল বোরিং কাজের উদ্বোধন করেন। ২ হাজার ৪৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের প্রথম টানেল টিউবের রিং প্রতিস্থাপনসহ বোরিংয়ের কাজ ২০২০ সালের ২ আগস্ট শেষ হয়েছে। এরপর ওই বছরের ১২ ডিসেম্বর ২ হাজার ৪৫৯ মিটার দৈর্ঘ্যের দ্বিতীয় টানেল টিউবের বোরিং কাজের উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ২০২১ সালের ৭ অক্টোবর শেষ হয়েছে ওই কাজও।

বর্তমানে দ্বিতীয় টিউবের ইন্টারনাল স্ট্রাকচার নির্মাণের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে দ্বিতীয় টানেল টিউবের ২ হাজার ৪৫০ মিটার লেন স্ল্যাবের মধ্যে ১ হাজার ৬৮৩ মিটার ঢালাইয়ের কাজ শেষ। দুটি টিউবের তিনটি সংযোগ পথের কাজ চলমান। চীনের জিয়াংশু প্রদেশের জেংজিয়াং শহরে টানেলে সেগমেন্ট কাস্ট প্লান্টে নির্মিত পণ্য চট্টগ্রাম সাইটে এসেছে। প্রকল্পের আনোয়ারা প্রান্তে ৭২৭ মিটার ভায়াডাক্টের কাজ শেষ। চলমান রয়েছে টানেলের পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে মোট ৫.৩৫ কিলোমিটার এ্যাপ্রোচ সড়কের কাজ।

টানেলে গাড়ি চলাচল শুরু হলে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা কক্সবাজার ও দক্ষিণ চট্টগ্রামগামী গাড়িগুলো শহরে প্রবেশ না করেই নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে।

‘বঙ্গবন্ধু টানেল’ আরও একটি স্বপ্ন ছোঁয়ার প্রতীক্ষায় দেশ
                                  

রফিক তালুকদার, আনোয়ারা:

দেশের এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সকল জল্পনা কল্পনার মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করে চালু হয়েছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। পূরণ হয়েছে বাঙালি জাতির এক বিরাট স্বপ্ন। নদীর উপরে দেশের বৃহত্তম সেতুতে গাড়ী চালিয়ে পারাপারের পর এবার অপেক্ষা নদীর তলদেশ ভেদ করে পারাপারের স্বপ্ন পূরণের।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে ভেদ করে নির্মীয়মান দেশের প্রথম স্বপ্নের টানেলটি যান চলাচলের জন্য এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে। সে অনুযায়ী কাজও এগিয়েছে অনেক দূর। এ প্রকল্পের প্রায় ৭৫ শতাংশ কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে।

টানেলের দু’পাশের এ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ এবং টানেলের অভ্যন্তরে সড়ক নির্মাণের কাজ প্রায় শেষের দিকে। দ্রুততার সঙ্গে করা হচ্ছে টানেলের ভেতরের বিভিন্ন ইউটিলিটি লাইন স্থাপনের কাজও।  সবকিছু ঠিক থাকলে ডিসেম্বরের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধনের জন্য শতভাগ প্রস্তুত হয়ে যাবে বলে আশা করেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী হারুন উর রশীদ চৌধুরী জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ ও চায়নার ৩০০ প্রকৌশলীসহ ১ হাজার কর্মী রাত-দিন কাজ করছে। করোনাকালীন দুঃসময়েও প্রকৌশলী এবং শ্রমিক সংকটসহ নানা জটিলতায় মধ্যে কাজ করেছি, বর্তমানে প্রকল্পের কাজ প্রায় ৭৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে।

তবে কিছু জটিলতার কথা তুলে ধরে প্রকল্প পরিচালক বলেন, বিশেষ করে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও মালামাল আমদানিতে বিঘ্ন এবং চায়নার এক্সিম ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থছাড়ের সময় বাড়ানো নিয়ে সমস্যা, এ দুই কারণেই হয়ত সরকার ঘোষিত নির্ধারিত সময়ে স্বপ্নের টানেলটির উদ্বোধন নাও হতে পারে।  

তিনি আরও বলেন, চীনের সাংহাই বন্দর ক্লোজড আর এক্সিম ব্যাংকের এভেলেবেলিটি পিরিয়ড এক্সটেনশন করা নিয়ে সমস্যা রয়ে গেছে। আমরা আশা করছি, এসবের সমাধান হলে হয়তো টার্গেট অনুযায়ী কাজ শেষ করতে পারব। তবে সব কিছু নির্ভর করছে বিদ্যমান অবস্থা থেকে উত্তরণের ওপর।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের দেয়া তথ্যমতে, চীন ও বাংলাদেশের যৌথ অর্থায়নে তৈরী হচ্ছে দেশের প্রথম এই সুড়ঙ্গপথ বা টানেল।  মূলত চীনের সাংহাই শহর থেকে এ প্রকল্পের অনেক পণ্য ও উপকরণ আমদানি করা হয়। সেখানেই টানেলের মালামাল প্রস্তুত করা হয়। কিন্তু করোনার বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সাংহাই বন্দর থেকে রফতানি বন্ধ রয়েছে। সমুদ্র পথে প্রয়োজনীয় মালামাল ও যন্ত্রপাতি আনা যাচ্ছে না, যার প্রভাব পড়েছে টানেলের নির্মাণকাজে।

ইতোমধ্যে প্রকল্পটির ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (সিসিসিসি) চিঠি দিয়ে প্রকল্প পরিচালকের কাছে বিষয়টি তুলে ধরেছে। তাদের দাবি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও বিদ্যমান পরিস্থিতির কারণে অগ্রসর হওয়া যাচ্ছে না। সে অনুযায়ী যথাসময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করতে সংশয় প্রকাশ করে গত ৮ মে সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালকের কাছে চিঠি দিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক।

কাজ ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি সময়মতো শেষ করতে ঠিকাদারকে তাগিদ দেওয়ার কথাও চিঠিতে তুলে ধরেছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।

একই চিঠিতে চীনের এক্সিম ব্যাংকের ঋণের টাকা ছাড়করণ নিয়ে সমস্যার কথাও জানানো হয়েছে। অর্থছাড়ের মেয়াদ বাড়াতে বলা হয়েছে। নতুবা প্রকল্পের কাজ প্রভাবিত হবে। দেশটির এক্সিম ব্যাংকের ঋণপ্রাপ্তির সময়কাল আরও ছয় মাস যোগ করে ২০২৩ সালের ৬ মে পর্যন্ত বর্ধিতকরণের কথা জানিয়েছে। এ জন্য সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)র মাধ্যমে দেশটির এক্সিম ব্যাংককে চিঠি দেওয়ার অনুরোধ করেছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।

প্রসঙ্গত: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা। চীনের এক্সিম ব্যাংক ২ শতাংশ হার সুদে ৫ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা অর্থায়ন করছে। বাকি টাকার জোগান দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।

২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টানেল বোরিং কাজের উদ্বোধন করেন। ২ হাজার ৪৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের প্রথম টানেল টিউবের রিং প্রতিস্থাপনসহ বোরিংয়ের কাজ ২০২০ সালের ২ আগস্ট শেষ হয়েছে। এরপর ওই বছরের ১২ ডিসেম্বর ২ হাজার ৪৫৯ মিটার দৈর্ঘ্যের দ্বিতীয় টানেল টিউবের বোরিং কাজের উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ২০২১ সালের ৭ অক্টোবর শেষ হয়েছে ওই কাজও।

বর্তমানে দ্বিতীয় টিউবের ইন্টারনাল স্ট্রাকচার নির্মাণের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে দ্বিতীয় টানেল টিউবের ২ হাজার ৪৫০ মিটার লেন স্ল্যাবের মধ্যে ১ হাজার ৬৮৩ মিটার ঢালাইয়ের কাজ শেষ। দুটি টিউবের তিনটি সংযোগ পথের কাজ চলমান। চীনের জিয়াংশু প্রদেশের জেংজিয়াং শহরে টানেলে সেগমেন্ট কাস্ট প্লান্টে নির্মিত পণ্য চট্টগ্রাম সাইটে এসেছে। প্রকল্পের আনোয়ারা প্রান্তে ৭২৭ মিটার ভায়াডাক্টের কাজ শেষ। চলমান রয়েছে টানেলের পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে মোট ৫.৩৫ কিলোমিটার এ্যাপ্রোচ সড়কের কাজ।

টানেলে গাড়ি চলাচল শুরু হলে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা কক্সবাজার ও দক্ষিণ চট্টগ্রামগামী গাড়িগুলো শহরে প্রবেশ না করেই নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে।

কাপ্তাই হ্রদে তীব্র স্রোত, লঞ্চ চলাচল বন্ধ
                                  

পিংকি আক্তার, রাঙ্গামাটি: রাঙ্গামাটিতে গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই হ্রদে প্রচন্ড স্রোতের কারণে রাঙ্গামাটি জেলা শহরের সাথে ছয় উপজেলার লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। লংগদু, জুরাছড়ি, বরকল বাঘাইছড়ি, বিলাইছড়ি ও নানিয়ারচর উপজেলার সাথে নৌ চলাচল বন্ধ রয়েছে।

এবিষয়ে রাঙ্গামাটি অভ্যন্তরীণ লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি মাঈনুদ্দিন সেলিম জানান, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে কাপ্তাই বাঁধের পানি বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি উজান থেকে নেমে আসা প্রচন্ড স্রোতের কারণে শুভলং চ্যানেলে তীব্র স্রোতে স্বাভাবিক লঞ্চ চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। প্রচন্ড স্রোতের কারণে লঞ্চ দুর্ঘটনার সম্ভাবনা ঝুঁকি থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তাই সার্বিক দিক বিবেচনা করে আপাতত নৌ রুটে চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

প্রবল বর্ষণে রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের বিভিন্ন অংশের পাহাড় ধস ও রাস্তায় ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, সদরসহ জেলায় সম্ভাব্য পাহাড় ধসের পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে প্রস্তুতিমূলক সর্বাত্মক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। যারা পাহাড়ের পাদদেশে ঝূঁকিতে বসবাস করছেন তাদের নিরাপদ স্থানে বা আশ্রয় কেন্দ্রে উঠে যেতে বলা হয়েছে। শহর এলাকায় ২৯ টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান শনাক্ত করা হয়েছে। ১৯টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ঝুঁকিতে থাকা লোকজনকে প্রয়োজনে জোর করে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হবে।

তিনি বলেন, আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া দুর্গত লোকজনের মাঝে খাবারসহ, ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার লোকজনের নিরাপত্তায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের বলে দেওয়া হয়েছে।

রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি, স্থানীয়দের সরতে মাইকিং
                                  

রাঙামাটি প্রতিনিধি
টানা বর্ষণে পাহাড়ি জেলা রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের আশঙ্কা থাকায় পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসরতদের আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার মাইকিং করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে শহর এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরতদের সরে যেতে নিকটস্থ ২০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হলেও আশ্রয়কেন্দ্রে কাউকে পাওয়া যায়নি।

প্রশাসনের তথ্যমতে, জেলায় ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ে বসবাস করছে চার হাজার পরিবারের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। এদিকে গতকাল শুক্রবার থেকে টানা বর্ষণ চলছে। শনিবারও সারা দিন থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

রাঙামাটি আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাঙামাটিতে ৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, ইতোমধ্যে আমরা জেলা শহর ও বিভিন্ন উপজেলায় পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসরতদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছি। শহরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে।

ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের আশ্রয়কেন্দ্রে আনতে বিকাল থেকে চারটা টিম কাজ শুরু করবে। প্রয়োজনে জোর করে তাদের আশ্রয়কেন্দ্রে আনা হবে। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে পাহাড় ধসে ১২০ আর ২০১৮ সালে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছিল রাঙামাটিতে।

চট্টগ্রামে একাধিক পাহাড় ধসে নিহত ৪
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রামের আকবরশাহ এলাকায় পাহাড় ধসের পৃথক ঘটনায় চারজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে আকবর শাহ থানার বরিশাল ঘোনা ও রাত ৩টার দিকে ফয়েস লেকের বিজয় নগর এলাকায় পৃথক এ ঘটনা ঘটে।

চারজন মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আকবর শাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়ালি উদ্দিন আকবর।

আকবর শাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়ালি উদ্দিন আকবর বলেন, রাত একটার দিকে চট্টগ্রামের আকবরশাহ থানার ১ নম্বর ঝিলের বরিশাল ঘোনা এলাকায় পাহাড় ধসের সংবাদ পাই। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পাঁচজনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাহিনুর আক্তার (২৬) ও মাইনুল আক্তার (২৪) নামে দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক ফারুক হোসেন সিকদার বলেন, রাত তিনটার দিকে আকবরশাহ থানার ফয়েসলেকের লেকসিটি বিজয় নগর এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ করে। সেখানে লিটন ( ২৩) ও ইমন (১৪) নামে দুইজনের মৃত্যু হয়।

তিনি বলেন, রাত একটার দিকে বরিশাল ঘোনা এলাকায় আগে ঘটনা ঘটে। এরপর রাত তিনটার দিকে লেকসিটির বিজয় নগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

চট্টগ্রাম পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ চৌধুরী বলেন, সকাল ছয়টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ৪৮ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। আজকেও থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।

আলীকদমে ম্রো জনগোষ্ঠীর বসতবাড়ি পুড়ে ছাই
                                  

মোঃ জয়নাল আবেদীন: আলীকদম, বান্দরবান
বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার ২নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড সোনাইছড়ি কাইরি ম্রো পাড়ায় আগুন লেগে সবকিছু পুড়ে নিঃস্ব হল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ম্রো সম্প্রদায়ের ৫টি পরিবার। বুধবার (১৫ জুন) আগুন লেগে সোনাইছড়ি কাইরি ম্রো পাড়ায় ৫টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। পাড়াবাসি দুই ঘন্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। আগুনে ক্ষতিগ্রস্থরা হলেন, কাইরি ম্রো পাড়ার বাসিন্দা মেনঙ্গী ম্রো,লাউলি ম্রো, মেনরুম ম্রো, রুইপং ম্রো, লোওয়ই ম্রো।

স্থানীয় বাসিন্দা সুলেমন ম্রো বলেন,রান্না ঘরের লাকড়ির চুলায় পানি গরম করতে দিয়ে মেনরুম পরিবার বাইরে কাজ করছিল। কোন এক সময় লাকড়ি থেকে ঘরের বাঁশের বেড়ায় আগুন লেগে পাঁচটি ঘরের সবকিছু পুড়ে যায়।

মেনরুম ম্রো ও রুইপং ম্রো বলেন, জুমের সদ্য ধান আগুনে পুড়ে গেছে। প্রায় আড়াইশ মন ধান ছিল সব পুড়ে গেছে। সাথে পাঁচ ভরি সোনা ও ৫০ ভরি রুপা আগুনে পুড়ে গেছে। তারা আরও বলেন,গায়ের কাপড় ছাড়া আর কিছুই আগুনের হাত থেকে বাঁচাতে পারিনি। ধারদেনা করে জুমে ধান চাষ করেছি। এই দেনা পরিশোধ করব কিভাবে..?

আগুন লাগার ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহরুবা ইসলাম । এসময় আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ প্রত্যেক পরিবারকে ৫০ কেজি চাল, ৫ টি পরিবারকে ১৫ টি মশারী ও ১৫ টি কম্বলসহ তেল, ডাল, খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিতরণ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহরুবা ইসলাম জানান,অগ্নিকাণ্ডে পাঁচটি পরিবার তাদের সবকিছু হারিয়েছে।আমাদের তাৎক্ষণিকভাবে যতটুকু সম্ভব সহায়তা করেছি। পরবর্তীতে আরও সহায়তা করা হবে। ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে মেহরুবা ইসলাম জানান, সবমিলিয়ে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ৫ পরিবারের।

আনোয়ারায় ব্যাপক নির্বাচনী সহিংসতা: ইউপি চেয়ারম্যানসহ আহত ২০
                                  

আনোয়ারা(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার  ৯নং পরৈকোড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে আসন্ন উপনির্বাচনের প্রচারণার শেষ দিনে ব্যাপক সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে।

সোমবার (১৩জুন) বিকেল ৫টার দিকে পরৈকোড়া ইউনিয়নের ছত্তার হাট এলাকায় সংঘটিত এ ঘটনায় প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মারাত্মক ভাবে আহত হয়েছেন উপজেলার ১নং বৈরাগ ইউনিয়নের বর্তামান চেয়ারম্যান নোয়াব আলী এবং ৮নং চাতরী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইয়াছিন হিরু। দু’জনকেই চমেক হাসপাতলে ভর্তি করা হয়েছে।

এছাড়াও এক পুলিশ সদস্য, রায়পুর ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা জালাল, জামাল, মোটরসাইকেল মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী নাজিম উদ্দিন সুজনের সমর্থক এনাম ও ইলিয়াছসহ আহত হয়েছে আরও অন্তত ১৫ জন।  জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে অন্তত ১৫টি মোটরসাইকেল, ভাংচুর করা হয়েছে ভিংরোলে অবস্থিত পরৈকোড়া ইউনিয়নের প্রয়াত চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ চৌধুরী আশরাফের বাড়ী।

এ উপনির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকার মনোনীত প্রার্থী ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আজিজুল হক চৌধুরী বাবুল জানান, আজ প্রচারণার শেষ দিনে আমার প্রচারণায় অংশ নিতে আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা আমার এলাকায় আসলে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কর্মী সমর্থকেরা জড়ো হয়ে তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়, হামলার এক পর্যায়ে ভিংরোলের প্রয়াত চেয়ারম্যানের বাড়ীতে আমার সমর্থকেরা আশ্রয় নিলে সেখানেও তারা হামলা চালিয়ে অন্তত ১৫টি মোটরসাইকেল জ্বালিয়ে দেয় এবং বাড়ী ঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে।

মোটরসাইকেল মার্কার স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম উদ্দিন সুজন বলেন, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে পূর্বকন্যারার লালা বাজারে আমার নির্বাচনী অফিসে কর্মী সমর্থক নিয়ে আমি বসেছিলাম, আকস্মিক ভাবে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মৃণাল ধর ও উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা জাফর উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে বেশ ক`জন লোক আমার অফিসে হামলা চালিয়ে আমাকেসহ আমার সাথে থাকা সমর্থকদের ব্যাপক ভাবে মারধর করে, খবর পেয়ে চারদিক থেকে সাধারণ মানুষ এগিয়ে আসলে তাঁরা পালিয়ে যায়, আমরা কোন মতে প্রাণে রক্ষা পাই। এ ঘটনার খবর দ্রুত পুরো ইউনিয়নে ছড়িয়ে পড়লে অন্যান্য এলাকায়ও সহিংস ঘটনা ঘটে বলে জানতে পেরেছি।

অন্য চার স্বতন্ত্র প্রার্থীর সাথে মুটোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুরো এলাকা জুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

প্রসঙ্গত- এ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ চৌধুরী আশরাফের মৃত্যুতে চেয়ারম্যান পদটি শুন্য হয়, আগামী ১৫জুন অনুষ্টিত হবে ভোট গ্রহণ।

আনোয়ারায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে প্রার্থীরা, ভোট নিয়ে শঙ্কায় ভোটাররা
                                  

আনোয়ারা(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

ভোটের আর মাত্র ক’দিন বাকি। আগামী ১৫জুন অনুষ্টিত হবে ভোটগ্রহন। কে হবে পরৈকোড়া ইউনিয়ন পরিষদের নতুন চেয়ারম্যান, নির্বাচন সুষ্টু হবে কি হবে না, অবাধে ভোট দেয়া যাবে কি যাবে না, এইসব হিসেব নিকেশ ও আলোচনায় মুখরিত চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের সকল চায়ের দোকান।

অন্যদিকে কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে প্রতিদিন নিরলস প্রচারনায় ব্যাস্ত চেয়ারম্যান পদের প্রার্থীরা, যাচ্ছেন ভোটারের দুয়ারে দুয়ারে, দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতিও। সব মিলিয়ে এখন জমজমাট নির্বাচনী পরিবেশ বিরাজ করছে পরৈকোড়া ইউনিয়নের সর্বত্রই।

বিগত পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনে এ ইউনিয়ন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে দ্বিতীয় বারের মত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলে মামুনুর রশীদ চৌধুরী আশরাফ।  গত ৬মার্চ তাঁর মৃত্যুতে শুন্য হয় চেয়ারম্যানের পদটি। ফলে আগামী ১৫জুন সারা দেশে অনুষ্টিতব্য সপ্তম ধাপের ইউপি নির্বাচনের সাথে শুধুমাত্র চেয়ারম্যান পদের উপনির্বাচন হবে পরৈকোড়া ইউনিয়নে।

নারী পুরুষ মিলে প্রায় ১৯ হাজার ভোটারের এই ইউনিয়নের উপনির্বাচনে চেয়ারম্যান পদটির জন্য লড়ছেন ছয় জন প্রার্থী।

গত দু’দিনে ইউনিয়নের কয়েকটি বিশেষ স্পটে সরেজমিনে পরিদর্শনকালে দেখা যায় পোস্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এলাকার সব অলিগলি। নানা হিসেব নিকেশ, আলোচনা সমালোচনা, এবং তর্ক বিতর্কে মুখরিত সব হাটবাজার ও চায়ের দোকান।

প্রার্থীর সংখ্যা ছয় হলেও নির্বাচনে মূলত প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে চার জনের মধ্যেই, এমনটাই  মতামত বেশীর ভাগ ভোটারের। অধিকাংশ ভোটার মনে করেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও অত্র ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আজিজুল হক চৌধুরী বাবুলের সাথেই হবে মূল লড়াইটা।
তাঁর বিপরীতে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধরা হচ্ছে আনারস মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী ও অত্র ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলী চৌধুরীকে।

তাছাড়াও এলাকা ভিত্তিক ভোটের হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় আসতে পারেন মোটরসাইকেল মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী নাজিম উদ্দিন সুজন এবং টেলিফোন মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী নাজিম উদ্দিনও। ভোটের রাজনীতিতে এ ইউনিয়নের অন্যতম ভিংরোল এলাকার বেশ কয়েকজন প্রবীন ও নবীন ভোটারের সাথে আলাপকালে তাঁরা বলেন জনপ্রিয়তার মাপকাটিতে মোহাম্মদ আলী চৌধুরী এগিয়ে থাকলেও নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এবং প্রয়াত চেয়ামরম্যান আশরাফ মিয়ার পরিবারের আশীর্বাদপুষ্ট হওয়ায় অনেকটা সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছেন আজিজুল হক চৌধুরী বাবুল। অবাধ ও সুষ্টু নির্বাচন হবে কিনা সেটা নিয়েও বেশ দুঃশ্চিন্তায় আছেন তাঁরা।

এদিকে ইউনিয়নের ওষখাইন, তালসরা, কৈখাইন, মাহাতা ও পাটনিকোঠা এলাকার অনেকেই অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শঙ্কা প্রকাশ করেন সুষ্টু নির্বাচন নিয়ে। তাঁরা বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকলেরই যোগ্যতা রয়েছে, এলাকা ও সমাজ উন্নয়নে কমবেশী সবারই অবদান রয়েছে। যদি প্রকৃতপক্ষে নির্বাচন এবং উন্নয়ন জনগণের জন্যেই হয়ে থাকে তাহলে তাঁরা একটি অবাধ ও সুষ্টু নির্বাচন চান। তাঁরা চান অবাধে ভোটদানের মাধ্যমেই তাঁদের প্রতিনিধি নির্বাচিত হোক।

মুহাম্মদ (সা.)কে কটুক্তির প্রতিবাদে চবিতে মানববন্ধন
                                  

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
বিজেপির মুখপাত্র নুপুর শর্মা ও মিডিয়া সেলের প্রধান নবীন জিন্দাল কর্তৃক মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও উম্মুল মুমিনীন হজরত আয়েশা (রা.)-কে নিয়ে কটুক্তি করায় বৃহস্পতিবার (৯ জুন) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা মানববন্ধনের ডাক দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) সকাল ১১ ঘটিতায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে অবস্থান করে এবং মানববন্ধন থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিজেপি ওই কুলাঙ্গারের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানায়। অন্যথায় আরো কঠোর কর্মসূচী নেওয়া হবে বলে তারা জানায়।

এবার চট্টগ্রামে বরফ কারখানায় আগুন, বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা
                                  

আনোয়ারা(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার চরপাথর ঘাটা এলাকায় রুমানা আইস ফ্যাক্টরি  নামের একটি বরফ কলে আগুন লাগার খবর পাওয়া গেছে। সোমবার রাত পৌনে ১২টার দিকে কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ তীরে অবস্থিত এ বরফ কলের গ্যাস সিলিন্ডার লিক হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানা যায়।

ঘটনাস্থলে অবস্থানরত কর্ণফুলী উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বানাজা বেগম স্বাধীন বাংলাকে জানান, বরফ কলের ভেতরে আগুন লাগার খবরে আমারা দ্রুত ছুটে এসেছি। কারখানার সাথে লাগোয়া একটি আবাসিক কলোনিতে বসবাসরত সকলকে সেখান থেকে সরিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে নেয়া হয়েছে।

বরফ কলের ভেতরে থাকা কর্মচারিরা ফোন করে জানাচ্ছে সেখানে থাকা বেশ কয়টি বড় গ্যাস সিলিন্ডার যে কোন মুহুর্তে বিস্ফোরিত হয়ে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই আমরা মাইকিং করে আশপাশের এলাকার সকলকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার অনুরোধ করছি।
 
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

আগুন রাত ১০টার মধ্যে নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে: সেনাবাহিনী
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে সৃষ্ট আগুন আজ রাত ১০টার মধ্যে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছে সেনাবাহিনী। রবিবার (৫ জুন) বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল সাইফুল আবেদীন সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, কনটেইনারগুলো সরানো হচ্ছে, হয়তো কিছুক্ষণের মধ্যে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসবে। ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের যে সক্ষমতা রয়েছে তা দিয়ে রাত ১০টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হবে বলে আশা করছি। অন্ধকার হয়ে গেলে এখানে লাইটার দিয়ে আলোকিত করা হবে। আশা করছি এখান থেকে আর কোনো আহত বা নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটবে না।

তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর সদস্যরা কনটেইনার ডিপোর আশপাশে থাকা খাল, ড্রেনে বাঁধ দিয়েছেন। রাসায়নিক ছড়িয়ে পড়া পানি আর বঙ্গোপসাগরে পড়ার সম্ভাবনা নেই। সেনাবাহিনী সবসময় জনগণের পাশে থেকে সেবা করে জানিয়ে সেনাবাহিনীর তিনি আরও বলেন, দুর্যোগপূর্ণ মুহূর্তে সব সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে পাশে পাবেন। আমরা সারারাত প্রস্তুত ছিলাম, ডিসি-এসপি সকালে বলার সঙ্গে সঙ্গে আমরা এখানে চলে আসি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছি।

এর আগে শনিবার (৪ জুন) রাত ৯টার দিকে সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নে বিএম কনটেইনার ডিপোর লোডিং পয়েন্টের ভেতরে আগুন লাগে। রাত পৌনে ১১টার দিকে এক কনটেইনার থেকে অন্য কনটেইনারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। কনটেইনারে রাসায়নিক থাকায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯ জনে। এ ছাড়া আহত হয়েছেন দুই শতাধিক মানুষ।

আগুন দেখতে গিয়ে ডিপোর প্রকৌশলী নিখোঁজ
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোয় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে গত ছয় বছর ধরে কাজ করছিলেন নুরুল কাদের। ডিপোয় আগুন লাগার খবর পেয়ে শনিবার রাতে ঘটনাস্থলে আসেন। এরপর থেকে তার খোঁজ মিলছে না। বন্ধ রয়েছে সেলফোনও। এ অবস্থায় তার জীবিত থাকা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন স্বজনরা।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বৈলছড়িতে নুরুল কাদেরের বাড়ি। গতকাল রাতে বিস্ফোরণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান তিনি। রাতে পরিবারের সঙ্গে দুয়েকবার ফোনেও কথা বলেছেন তিনি। একটা সময় পর তার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বন্ধ পাওয়া যায় তার সেলফোন। পরে তার খোঁজে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন স্বজনরা। কিন্তু সকাল ৯টা পর্যন্ত তার খোঁজ মেলেনি।

নুরুল কাদেরের ফুফাতো ভাই মনির হোসেন বলেন, রাতে সব শেষ যখন নুরুলের সঙ্গে কথা হয় তখন সে বলেছিল বিস্ফোরণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছে। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পর থেকেই তার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তার সন্ধানে রাতেই আমি ঘটনাস্থলে আসি। কিন্তু ডিপো এলাকায় তাকে পাইনি। এরপর আমি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে খোঁজ নিই। কিন্তু সেখানেও তাকে না পেয়ে চট্টগ্রামের অন্য সব বেসরকারি হাসপাতালে খোঁজ নিয়েছি। কিন্তু সেসব স্থানেও তাকে পাইনি।

তিনি বলেন, আমি জানি না আমার ভাই বেঁচে আছে নাকি মারা গেছে। যে অবস্থায়ই সে থাকুক আমি তাকে চাই। জীবিত হোক কিংবা মৃত। তাকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করছি।

উল্লেখ্য, শনিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী এলাকার বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত ও ২ শতাধিক আহত হয়েছেন। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেলসহ আশপাশের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে ইউনিট আরও বাড়ানো হয়। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ফায়ার সার্ভিসের ২৫টি ইউনিটের ১৮৩ কর্মী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। এছাড়া নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও কুমিল্লাসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকেও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ করছেন।

বিস্ফোরণস্থলে যোগ দিচ্ছে সেনাবাহিনী
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগার পর ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৯ জনে দাড়িয়েছে। আগুনে দগ্ধ হয়েছে ৪০০’র বেশি মানুষ। কেমিক্যাল কনটেইনার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস। এরপর আগুন ছড়াতে থাকে। শেষ পর্যন্ত প্রায় ৫ শতাধিক কনটেইনারে আগুন লেগে যায়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে ঘটনাস্থলে যোগ দিচ্ছে সেনাবাহিনী। ওই ডিপোর পাশেই ড্রেন রয়েছে, যেটা সরাসরি নদীতে চলে গেছে। কনটেইনার থেকে কেমিক্যাল ড্রেন হয়ে যাতে নদীতে না চলে যেতে পারে সেই ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে সেনাবাহিনীর কিছু সদস্য ইতিমেধ্যই ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে যোগ দিয়ে কাজ করছে।

জানা গেছে, গতকাল রাত ৯টার দিকে বিএম কন্টেইনার ডিপোর লোডিং পয়েন্টের ভেতরে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রথমে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। রাত পৌনে ১১টার দিকে এক কন্টেইনার থেকে অন্য কন্টেইনারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। একটি কন্টেইনারে রাসায়নিক থাকায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, স্থানীয় শ্রমিকসহ অনেকে হতাহত হন।

সবশেষ খবর অনুযায়ী, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২৫টি ইউনিট কাজ করছে। দগ্ধ ও আহতদের মধ্যে ১৯ জনকে চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের ৩০ জন এবং পুলিশ সদস্য রয়েছেন ১০ জন।

 

আগুন নেভানোর বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দলের একজন কর্মকর্তা বলেন, যেভাবে বিস্ফোরণ হচ্ছে তাতে আমাদের পক্ষে ভেতরে থাকা সম্ভব হয়নি। এ কারণে আমরা ডিপোর মেইনগেটে চলে এসেছি। একটানা কাজ করতে গিয়ে পানির সংকটেও ভুগতে হচ্ছে ফায়ার সার্ভিসকে। আগুন নেভানোর কাজ কখন শেষ হতে পারে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সেফটি ফার্স্ট। বিস্ফোরণ যেভাবে হচ্ছিল তাতে ভেতরে থাকা সম্ভব ছিল না। আগুন কতক্ষণে নেভাতে পারব, এ বিষয়ে কিছুই বলা সম্ভব নয়।শহীদ হলেন পাঁচ ফায়ার ফাইটার
স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক


অকাতরেপ্রাণ দান করে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে শহীদ হলেন পাঁচ ফায়ার ফাইটার। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কনটেইনার ডিপোতে আগুনে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচ কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আরও দুই কর্মী। এছাড়া আহত ১৫ কর্মীকে সিএমএইচসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের মিডিয়া শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান সিকদার।

তিনি জানান, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কনটেইনার ডিপোতে আগুনের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের পাঁচজন কর্মী নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। এর মধ্যে মনিরুজ্জামান নামে একজনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। মরদেহগুলো পুড়ে যাওয়ায় শনাক্ত করা যাচ্ছে না। এ ঘটনায় এখনো দুজন কর্মী নিখোঁজ ও ১৫ জন গুরুতর আহত অবস্থায় এমএইচসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

উল্লেখ্য, শনিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী এলাকার বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আগুনের ঘটনায় ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ১৮৫ জন।

ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে ইউনিট আরও বাড়ানো হয়। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ফায়ার সার্ভিসের ২৫টি ইউনিটের ১৮৩ কর্মী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। এছাড়া নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও কুমিল্লাসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকেও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ করছেন।

শহীদ হলেন পাঁচ ফায়ার ফাইটার
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
অকাতরে প্রাণ দান করে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে শহীদ হলেন পাঁচ ফায়ার ফাইটার। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কনটেইনার ডিপোতে আগুনে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচ কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আরও দুই কর্মী। এছাড়া আহত ১৫ কর্মীকে সিএমএইচসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের মিডিয়া শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান সিকদার। তিনি জানান, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কনটেইনার ডিপোতে আগুনের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ফায়ার

সার্ভিসের পাঁচজন কর্মী নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। এর মধ্যে মনিরুজ্জামান নামে একজনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। মরদেহগুলো পুড়ে যাওয়ায় শনাক্ত করা যাচ্ছে না। এ ঘটনায় এখনো দুজন কর্মী নিখোঁজ ও ১৫ জন গুরুতর আহত অবস্থায় এমএইচসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

উল্লেখ্য, শনিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী এলাকার বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আগুনের ঘটনায় ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ১৮৫ জন।

ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে ইউনিট আরও বাড়ানো হয়। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ফায়ার সার্ভিসের ২৫টি ইউনিটের ১৮৩ কর্মী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। এছাড়া নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও কুমিল্লাসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকেও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ করছেন।

সোবহান ভিডিও কলে ছিল, বিকট শব্দে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
ঘটনাকালীন সোবহান ভিডিও কলে বাড়িতে কথা বলে। আমি আরেকজনের লাইভেও ওকে দেখি। কথা বলার এক পর্যায়ে বিকট শব্দ শুনতে পাই। এরপর থেকে ওর সঙ্গে আর যোগাযোগ করতে পারেনি। ফোন বন্ধ পাচ্ছি। কথাগুলো বলছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেলের জরুরি বিভাগের ভেতরে বসা নিখোঁজ আব্দুস সোবহানের (৩১) ভাই রায়হান উদ্দিন।

তিনি বলেন, আব্দুস সোবহান সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আইসিটি সুপারভাইজার হিসেবে ১৩ বছর ধরে কাজ করছেন। ঘটনার পর থেকে ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে সেখানে যাই। কিন্তু পেলাম না। এরপর আরও কয়েকটি হাসপাতালে খোঁজ নিলাম। কোথাও নেই। এখন মেডিকেলে এসে অপেক্ষা করছি। নিখোঁজ আব্দুস সোবহান চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শেখেরটেক ইউনিয়নের বাসিন্দা। বাড়িতে তার ৭ বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

এদিকে সময় যত গড়াচ্ছে বিএম সীতাকুণ্ডে কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডে লাশের সারি দীর্ঘ হচ্ছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে রোববার (৫ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত ১৬ জনের মরদেহ এসেছে। এর মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত ফায়ার সার্ভিসের কর্মীও রয়েছেন। চট্টগ্রাম মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দিন তালকুদার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সকাল ৮টা ২০ মিনিটের দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যুর তথ্য জানতে পেরেছি। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের ৩ কর্মী রয়েছে। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এখনো উদ্ধার তৎপরতা চলছে। তিনি বলেন, আগুন লাগার বিষয়ে তদন্ত করে কারণ বের করা হবে।

নিহতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত চারজনের নাম-পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- বাঁশখালীর মমিনুল হক (২৪), মো. মহিউদ্দীন (২৪), ভোলার হাবিবুর রহমান (২৬) ও বাঁশখালীর রবিউল আলম (১৯)। এ ঘটনায় অন্তত দুই শতাধিক আহত হয়েছেন। আগুনে দগ্ধদের চমেকসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

অতিরিক্ত স্বেচ্ছাসেবক বিড়ম্বনায় চমেকে রোগীরা
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
সীতাকুণ্ডে অগ্নিকাণ্ডে আহত রোগীদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসতেই শত শত স্বেচ্ছাসেবক রোগীদের নিয়ে টানাটানিতে লিপ্ত হয়। কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবক টিমের সঙ্গে পরম্পর হাতাহাতিও হয়েছে।

শনিবার (৪ জুন) দিনগত রাত সাড়ে ১২ টা থেকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আহত ও নিহত রোগীদের আনা হয়। পরে আকস্মিক শত শত স্বেচ্ছাসেবক উপস্থিতি ঘটে। তাদের হাতাহাতিতে রোগী নিয়ে হাসপাতালে প্রবেশ করতে সীমাহীন ভোগান্তিতে পড়তে হয় আহত রোগীদের।

পুলিশ বলছে, এত বেশি স্বেচ্ছাসেবক এখানে চলে এসেছে আমরা নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ পাচ্ছি না। কয়েকবার বুঝানোর পরেও তারা যাচ্ছে না। এন্টি রেফ ক্যাম্পেইনের সদস্য আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমরা শুরুতেই এখানে এসেছি। হঠাৎ এত সহযোগী আসছে। রোগীরাই কষ্ট পাচ্ছে।

রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির এক সদস্য ইফতেখার হোসেন ইমু বলেন, আমরা কাজ করছি, কিন্তু এত মানুষ নিজেরাই অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি। রোগী নিতে কষ্ট হচ্ছে। মাইকিং করছি। তার পরেও তারা সরছে না। শনিবার (৪ জুন) রাত ৮ টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী এলাকার বিএম কন্টেইনার ডিপোতে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় আহত হয়েছেন শতাধিক। মমিনুল হকসহ (২৪) আরও তিনজন নিহত হয়েছেন।

চমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. রাজীব পালিত বলেন, এত বেশি স্বেচ্ছাসেবক এখানে এসেছে আমরা রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছি।

আমি মারা যাচ্ছি বাবা, আমাকে মাফ করে দিও
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
তিন মাস আগে বিএম কনটেইনার ডিপোতে চাকরিতে ঢোকেন মমিনুল হক। আগুন লাগার পরপরই অর্থাৎ শনিবার রাত সাড়ে নয়/দশটার দিকে ছেলের সঙ্গে আমার প্রথম কথা হয়। প্রথমবার ছেলে ডিপোতে আগুন লাগার সংবাদ জানায়। তখন তাকে দূরে থাকতে বলেছিলাম। এর ১০ মিনিট পর ছেলে ফোন করে বলে, বাবা বিস্ফোরণে আমার একটা পা উড়ে গেছে। আমি মারা যাচ্ছি বাবা, আমাকে মাফ করে দিও।

শনিবার মধ্যরাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে বসে ছেলের সঙ্গে বলা শেষ কথাগুলো এভাবেই জানান নিহত মমিনুল হকের বাবা স্কুলশিক্ষক ফরিদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ফোনে ওইটুকু কথা বলার পর লাইন কেটে যায়। রাত ১টার পরে এসে হাসপাতালে ছেলের লাশ পাই। তার সঙ্গে থাকা মুমিনুলের চাচাত ভাই তৈয়ব বলেন, আমাদের পরিবারের অনেক স্বপ্ন ছিল মুমিনুলকে নিয়ে। কিন্তু সব শেষ হয়ে গেল।

চট্টগ্রামের মহসিন কলেজ থেকে বিবিএ শেষ করে এমবিএ করছিলেন মমিনুল হক। তিন মাস আগে সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে যোগ দেন তিনি।


   Page 1 of 52
     চট্রগ্রাম
‘বঙ্গবন্ধু টানেল’ আরও একটি স্বপ্ন ছোঁয়ার প্রতীক্ষায় দেশ
.............................................................................................
কাপ্তাই হ্রদে তীব্র স্রোত, লঞ্চ চলাচল বন্ধ
.............................................................................................
রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি, স্থানীয়দের সরতে মাইকিং
.............................................................................................
চট্টগ্রামে একাধিক পাহাড় ধসে নিহত ৪
.............................................................................................
আলীকদমে ম্রো জনগোষ্ঠীর বসতবাড়ি পুড়ে ছাই
.............................................................................................
আনোয়ারায় ব্যাপক নির্বাচনী সহিংসতা: ইউপি চেয়ারম্যানসহ আহত ২০
.............................................................................................
আনোয়ারায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে প্রার্থীরা, ভোট নিয়ে শঙ্কায় ভোটাররা
.............................................................................................
মুহাম্মদ (সা.)কে কটুক্তির প্রতিবাদে চবিতে মানববন্ধন
.............................................................................................
এবার চট্টগ্রামে বরফ কারখানায় আগুন, বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা
.............................................................................................
আগুন রাত ১০টার মধ্যে নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে: সেনাবাহিনী
.............................................................................................
আগুন দেখতে গিয়ে ডিপোর প্রকৌশলী নিখোঁজ
.............................................................................................
বিস্ফোরণস্থলে যোগ দিচ্ছে সেনাবাহিনী
.............................................................................................
শহীদ হলেন পাঁচ ফায়ার ফাইটার
.............................................................................................
সোবহান ভিডিও কলে ছিল, বিকট শব্দে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
.............................................................................................
অতিরিক্ত স্বেচ্ছাসেবক বিড়ম্বনায় চমেকে রোগীরা
.............................................................................................
আমি মারা যাচ্ছি বাবা, আমাকে মাফ করে দিও
.............................................................................................
কন্টেইনার ডিপোতে এখনো আগুন জ্বলছে, ‍ নিহত বেড়ে ৪৯
.............................................................................................
আনোয়ারায় বৃষ্টি দেখলেই ভয়ে পালায় ‘বিদ্যুৎ’
.............................................................................................
পরীক্ষা না দিয়ে মৌখিক পরীক্ষায়, অতঃপর ধরা
.............................................................................................
ভূষণছড়া গণহত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন ও সমাবেশ
.............................................................................................
সংগীতালয়-এর বর্ষপূর্তিতে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা
.............................................................................................
কাপ্তাই হ্রদে নিখোঁজ ইমাম আলীর লাশ
.............................................................................................
স্বামীকে মিথ্যা মামলায় জাড়ানোর অভিযোগ করলেন চেয়ারম্যানের স্ত্রী
.............................................................................................
চকরিয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু
.............................................................................................
বেড়াতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরল দিপংকর
.............................................................................................
আনোয়ারায় নির্মাণের অপেক্ষায় ২৮ স্বপ্নের বাড়ি ‘বীর নিবাস’
.............................................................................................
চকরিয়ায় বনভূমি দখলকে কেন্দ্র করে নিহত ১
.............................................................................................
যুবলীগ নেতা মুবিনের আশায় মোড়ানো ‘সিভি’ কেন্দ্রে যাবে কি?
.............................................................................................
‘হেলাল’ বিতর্কে টালমাটাল আনোয়ারা উপজেলা বিএনপি
.............................................................................................
চট্টগ্রাম ইউপি নির্বাচনে চরপাথরঘাটায় ইভিএম
.............................................................................................
সাগরে ৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকার গম বোঝাই জাহাজ ডুবি
.............................................................................................
এবার সমঝোতা নয়, ৮ বছর পর বটতলী হাইস্কুল পরিচালনা কমিটির নির্বাচন
.............................................................................................
আসামির দায়ের কোপে কনস্টেবলের কবজি বিছিন্ন
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু টানেলে বদলে যাচ্ছে আনোয়ারা, আধুনিক শহরের হাতছানি
.............................................................................................
রাঙামাটিতে ফরমালিনযুক্ত কাঁঠাল জব্দ, জরিমানা
.............................................................................................
চকরিয়ায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ১
.............................................................................................
রাঙামাটিতে নির্মাণাধীন ব্রিজ ধসে শ্রমিক নিহত
.............................................................................................
বেলা ১১টা বাজতেই শেষ ট্রেনের টিকিট
.............................................................................................
রাঙ্গামাটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
.............................................................................................
নতুন ঘরে ঈদ করবে উখিয়ার ২২০ পরিবার
.............................................................................................
ঈদ উপলক্ষে দেশে ঢুকছে ‘নতুন ব্রান্ডের’ ইয়াবা
.............................................................................................
কাপ্তাই হ্রদে পহেলা মে থেকে মাছ শিকার বন্ধ
.............................................................................................
চকরিয়ায় ইউপি মেম্বারকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ
.............................................................................................
রাঙ্গামাটির বাজারে তরমুজের দাম চড়া
.............................................................................................
দ্রব্যমূল্যের বাজার মনিটরিংয়ে চিটাগাং চেম্বার
.............................................................................................
বিয়েবাড়ি থেকে ঘরে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু
.............................................................................................
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত সাংবাদিক ইউসুফ
.............................................................................................
মেসার্স ইমাম শরীফ ফিলিং স্টেশনের রিটেলার ডিলারশীপ লাইসেন্স বাতিল
.............................................................................................
কক্সবাজারে দুই গাড়ীর মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪
.............................................................................................
চকরিয়ায় হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ রাজিবের বিরুদ্ধে
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT