শনিবার, ২ জুলাই 2022 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   সিলেট -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন ডাঃ শফিকুল

দিরাই(সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ দন্ত চিকিৎসক ডাঃ শফিকুল ইসলাম সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন। শুক্রবার বিকেলে দিরাই পৌর শহরের জালাল সিটি সেন্টারের দোতলায় তাঁর অফিসে অর্ধশতাধিক বন্যার্তদের মধ্যে জনপ্রতি ৩শ টাকা করে সহায়তা তুলে দেন। এ সময় দিরাই রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোশাহিদ আহমদ সরদার উপস্থিত ছিলেন।

ডাঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, বন্যায় হাওরাঞ্চলের মানুষের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। এটা পোষানোর নয়। ব্যক্তিগতভাবে ও বন্ধুদের কাছ থেকে সংগৃহীত সামান্য অর্থ নিয়ে বানভাসিদের সমবেদনা জানানোর প্রচেষ্টা করেছি মাত্র।
 
উল্লেখ্য, ডাঃ শফিকুল ইসলাম দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রাক্তন চিকিৎসক। তিনি বর্তমানে সপ্তাহে দুদিন দিরাই জালাল সিটি সেন্টারের দোতলায় রোগী দেখে থাকেন।

ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন ডাঃ শফিকুল
                                  

দিরাই(সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ দন্ত চিকিৎসক ডাঃ শফিকুল ইসলাম সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন। শুক্রবার বিকেলে দিরাই পৌর শহরের জালাল সিটি সেন্টারের দোতলায় তাঁর অফিসে অর্ধশতাধিক বন্যার্তদের মধ্যে জনপ্রতি ৩শ টাকা করে সহায়তা তুলে দেন। এ সময় দিরাই রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোশাহিদ আহমদ সরদার উপস্থিত ছিলেন।

ডাঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, বন্যায় হাওরাঞ্চলের মানুষের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। এটা পোষানোর নয়। ব্যক্তিগতভাবে ও বন্ধুদের কাছ থেকে সংগৃহীত সামান্য অর্থ নিয়ে বানভাসিদের সমবেদনা জানানোর প্রচেষ্টা করেছি মাত্র।
 
উল্লেখ্য, ডাঃ শফিকুল ইসলাম দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রাক্তন চিকিৎসক। তিনি বর্তমানে সপ্তাহে দুদিন দিরাই জালাল সিটি সেন্টারের দোতলায় রোগী দেখে থাকেন।

অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো ইবাদত: অধ্যাপক জাকির
                                  

সিলেট ব্যুরো:
সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোঃ জাকির হোসেন বলেছেন, বন্যায় মানুষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখনও অনেক এলাকায় মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে। ধীর গতিতে পানি কমার কারণে মানুষের দুর্ভোগ বিদ্যমান রয়েছে। কিন্তু এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করেই মানুষকে এগিয়ে যেতে হয়।

দুর্ভোগ বিদ্যমান থাকলেও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মহানগর আওয়ামী লীগের সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকেও ত্রাণ সামগ্রী বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং ত্রাণ সামগ্রী বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ওয়ার্ডসমূহে বন্টন করে দেওয়া হচ্ছে। বন্যা শুরুর পর থেকে ত্রাণ নিয়ে অসহায় মানুষদের কোনো চিন্তা করতে হয়নি। মহানগর আওয়ামী লীগ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আন্তরিকতার সহিত  বন্যার্তদের পাশে রয়েছেন এবং সাহায্য ও সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। প্রকৃতপক্ষে, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো ইবাদতের অংশ। সেই কাজটিই নেতৃবৃন্দ নিরলসভাবে করে যাচ্ছেন। আমরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করি, আওয়ামী লীগ যতদিন ক্ষমতায় থাকবে ততদিন জনগণ ভালো থাকবে, ইনশাআল্লাহ।

শুক্রবার বিকাল ৪টায় ২৫নং ওয়ার্ডের খোজার-খোলা এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ উপহার বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন। তারপর তিনি ২৬নং ওয়ার্ডের ভার্তখোলা এবং কুচাই ইউনিয়নের নবগঠিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করেন।

এসময়ে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, দপ্তর সম্পাদক খন্দকার মহসিন কামরান, কার্যনির্বাহী সদস্য কাউন্সিলর আজম খান, ২৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাকবীর ইসলাম পিন্টু, কুচাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন, ২৫ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক সেলিম আহমদ সেলিম, এম.এন ইসলাম প্রমুখ।

সুনামগঞ্জের বানভাসিরা হারিয়েছে পৌনে ৪ লাখ পশু-পাখি
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
সুনামগঞ্জে বন্যার পানি থেকে জীবন বাঁচাতে ঘরবাড়ি ফেলে আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে জীবন বাঁচিয়েছেন লাখো মানুষ। তবে বন্যার পানিতে হারিয়েছেন গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগি, মহিষসহ বিভিন্ন গৃহপালিত পশু-পাখি। এতগুলো পশু মৃত্যু হওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলের মানুষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,সুনামগঞ্জে সম্প্রতি উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। নিমিষেই ডুবে যায় সুনামগঞ্জ পৌর শহরসহ ১২টি উপজেলা। পানিবন্দি হয়ে পড়েন ১২ লাখেরও বেশি মানুষ। বিভিন্ন সড়ক ডুবে ও ভেঙে সারাদেশের সঙ্গে সুনামগঞ্জের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বন্যার পানিতে ডুবে ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৫২৮টি গৃহপালিত পশু-পাখির মৃত্যু হয়েছে। দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এসব পশুর মালিকরা।

জেলা প্রাণি সম্পদ সূত্রে জানাগেছে, জেলার ১১টি উপজেলায় ৭২ লাখ ৬৭ হাজার ৩২৫টি গবাদিপশু রয়েছে। এরমধ্যে ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৫২৮টি গবাদিপশু বন্যার পানিতে মারা গেছে। সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ১ লাখ ৩২ হাজার ২১২টি গবাদিপশু মারা গেছে। ছাতক উপজেলায় ১৫ হাজার ৭৮২টি। দোয়ারাবাজারে ২১ হাজার ৮৫৫টি। জগন্নাথপুরে ১২ হাজার ৮৫৩টি। জামালগঞ্জে ২৯ হাজার ৩৭৯টি। বিশ^ম্ভপুরে ৮ হাজার ৮৯০টি। দিরাইয়ে ২৯ হাজার ১৪০টি, শাল্লায় ৬ হাজার ৫৫৫টি, তাহিরপুরে ৮ হাজার ৮৩০টি, ধর্মপাশায় ৫ হাজার ৬৬৩টি ও শান্তিগঞ্জে ১ লাখ ১৬ হাজার ৩৬৯টি গবাদিপুশ বন্যার পানিতে ভেসে গিয়ে মারা গেছে।

একই সঙ্গে ভেসে গেছে ৯শত মেট্রিকটন গোখাদ্য। এর মধ্যে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় একশ মেট্রিকটন, ছাতকে দেড়শত মেট্রিকটন, দোয়ারাবাজারে ৬০ মেট্রিকটন, জগন্নাথপুরে একশত মেট্রিকটন, জামালগঞ্জে ৬০ মেট্রিকটন, দিরাইয়ে ১২০ মেট্রিকটন, বিশ^ম্ভরপুরে ৩০ মেট্রিকটন, তাহিরপুরে ৬০ মেট্রিকটন, শাল্লায় ৩০ মেট্রিকটন, ধর্মপাশায় ৮০ মেট্রিকটন ও শন্তিগঞ্জে ১১০ মেট্রিকটন গোখাদ্য ভেসে গেছে। প্রাথমিকভাবে যার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

জেলা সদর ইউনিয়ন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জহির মিয়া বলেন,বন্যার পানিতে ঘরবাড়ি সব ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। একই সঙ্গে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগি। কষ্ট করে দুটি গরু কিনেছিলাম। বন্যায় গরু দুটি মারা গেছে। তিনি আরও জানান,না ঘরবাড়ি আছে আর না গরু ছাগল আছে। সব হারিয়ে এখন তারা নিঃস্ব এখন আমরা।

ক্ষতিগ্রস্ত জাকির মিয়া বলেন,ছেলে-মেয়েকে আশ্রয়কেন্দ্রে রেখে গোয়াল ঘরে থাকা গরু নিতে এসে দেখি দুটি আছে আর তিনটি বন্যায় ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। অনেক খুঁজেও পাইনি।এখন আমরা চলা বড় দায়। সহায়তা না পেল বাঁচা মরা সমান হবে।

জেলার তাহিরপুর উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আহমদ মোরাদ জানান,হাওরাঞ্চলে পশু-পাখির চাহিদাও রয়েছে ব্যাপক। কিন্তু এবারের বন্যা পশু-পাখির ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছে। আমার ইউনিয়নে ক্ষতির পরিমাণ বেশি। হাওর পাড়ের কৃষক পরিবারের পাশে দাড়িয়ে তাদের সহায়তা করা এখন খুবেই প্রয়োজন এবং তাদের পূর্ণভাষন করতে এগিয়ে আসতে হবে।

সুনামগঞ্জ জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান জানান, বন্যায় এবার জেলার ১১টি উপজেলায় ৯শত মেট্রিকটন গোখাদ্য নষ্ট হয়েছে। তিনি জানান, প্রতি মেট্রিকটন গোখাদ্য ৫২ হাজার টাকা হিসেবে ধরলে ৯শত মেট্রিকটন গোখাদ্যের মূল্য দাাঁড়ায় ৪ কোটি ৫৮ হাজার টাকায়।

ডা. আসাদুজ্জামান অরো জানান, ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। ডা. মো. আসাদুজ্জামান আরও জানান,জেলায় বন্যার পানিতে ডুবে ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৫২৮টি পশু-পাখির মৃত্যু হয়েছে। এরই মধ্যে গো খাদ্য চরম আকারে সংকট দেখা দিয়েছে। এ জন্য জরুরি ভিত্তিতে ৯০০ টন গো খাদ্য ও ওষুধ চেয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

সিলেটে ট্রলারের ধাক্কায় পুলিশের নৌকাডুবি, হারিয়ে গেছে অস্ত্র
                                  

জেলা প্রতিনিধি, সিলেট
সিলেটের সীমান্তবর্তী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চেঙ্গেরখাল নদীতে ট্রলারের ধাক্কায় পুলিশের টহলরত একটি নৌকা ডুবে গেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) দুপুরে এ ঘটনা ঘটার পর নৌকায় থাকা পুলিশ সদস্যরা সাঁতার কেটে তীরে উঠলেও খোয়া গেছে তাদের ব্যবহৃত শর্টগান ও চাইনিজ রাইফেল।

বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. লুৎফর রহমান। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে উপজেলার চেঙ্গেরখাল নদীতে নৌকাযোগে পুলিশ নিয়মিত টহল দিচ্ছিল। এ সময় পুলিশের নৌকায় একটি ট্রলার ধাক্কা দিলে মুহূর্তেই তা পানিতে তলিয়ে যায়।

সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. লুৎফর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, কোম্পানীগঞ্জে প্রতিদিনই নৌকাযোগে পুলিশের নিয়মিত টহল চলে। আজও টহল চলাকালে একটি ট্রলার ধাক্কা দেয়। এতে পুলিশ সদস্যদের বহনকারী নৌকা ডুবে যায়। এ ঘটনার পর তিন পুলিশ সদস্য সাঁতার কেটে তীরে উঠতে পারলেও তাদের ব্যবহৃত একটি শর্টগান ও একটি চাইনিজ রাইফেল পানিতে পড়ে যায়। আগ্নেয়াস্ত্রগুলো উদ্ধার করতে ডুবুরিদের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

তাহিরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হয়ে গুরুতর আহত শিশু
                                  

তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
তাহিরপুরে বন্যার পানিতে পড়ে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটির তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হয়ে পারভেজ নামের ৮ বছরের এক শিশু গুরতর আহত হয়েছে। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে।


ঘটনাটি ঘটেছে আজ (২৯ জুন বুধবার) উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নে বড়দল গ্রামে রুহল আমিনের মিলে বড়দল গ্রামে। বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিশু পারভেজ দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের মানিকখিলা গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।


স্থানীয় এলাকাবাসী ও তার পরিবার সূত্রে জানা যায়, আজ বুধবার বিকালে দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের মানিকখিলা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে মা-বাবা ও ভাইয়ের সাথে গোখাদ্য নিতে নৌকা যোগে বড়দল গ্রামের রুহল আমিনের মিলে আসে শিশু পারভেজ। পরে গোখাদ্য নিয়ে নৌকায় করে বাড়ি যাওয়ার সময় বড়দল গ্রামের রুহল আমিনের মিলের সামনে বন্যার পানিতে হেলে বিদ্যুতের তারের লেগে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হয় শিশু পারভেজ।

এ সময় তার সাথে থাকা মা-বাবার ডাক চিৎকারে পারভেজকে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হয়ে পানি পড়ে থাকা অবস্থায় তার স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে। পরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হয়ে শিশু পারভেজের পিঠের বেশিরভাগ পুড়ে যাওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন

এর সত্যতা নিশ্চিত করে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডাঃ মির্জা রিয়াদ বলেন, হাসপাতালে নিয়ে আসা বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিশুটির পিঠের প্রায় ২৭ ভাগ পুড়ে গেছে। শিশুটির অবস্থান আশংকাজনক হওয়ায় শিশুটিকে সুনামগঞ্জ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

সিলেটের গোলাপগঞ্জে ঝগড়াস্থলে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু
                                  

আবুল কাশেম রুমন, সিলেট:
সিলেটের গোলাপগঞ্জে ঝগড়াস্থলে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে ইটের আঘাতে আওয়ারুন বেগম (৬৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার বাঘা ইউনিয়নের উপর এখলাছপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আওয়ারুন বেগম ওই গ্রামের আব্দুল খালিকের স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানান, সোমবার নিহতের ছেলে সিএনজি অটোরিকশা চালক বলাই মিয়া অটোরিকশা চালিয়ে যাওয়ার সময় পানি ছিটকে সুমনের গায়ে পড়ে। এরই জের ধরে বলাই মিয়াকে থাপ্পড় মারেন সুমন।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) বাড়ির পাশ্ববর্তী কালভার্টে সুমনকে পেয়ে থাপ্পড় মারার জন্য উচিত শিক্ষা দিতে চান বলাই মিয়া। এসময় আওয়ারুন বেগম ঘটনাস্থলে এসে ঝগড়া থামাতে চেষ্টা করেন এবং ছেলেকে সরিয়ে নেন। এক পর্যায়ে সুমন ক্ষুব্ধ হয়ে ইট নিয়ে বলাই মিয়াকে আঘাত করতে গেলে ইট এসে পড়ে আওয়ারুন বেগমের বুকে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান তিনি।

খবর পেয়ে গোলাপগঞ্জ থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, তুচ্চ ঘটনা নিয়ে নিহতের ছেলে বলাই মিয়া ও সুমন মিয়ার ঝগড়া হয়। ওই নারী ঝগড়া থামাতে দু’জনকে সরিয়ে দেন। তার ছেলেকে দূরে সরিয়ে নিলেও এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ সুমন একটি ইট দিয়ে বলাই মিয়ার উপর নিক্ষেপ করেন। তার নিক্ষিপ্ত ইট আওয়ারুন বেগমের বুকে আঘাত করে।

এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে রাত ৯টার দিকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি। তাছাড়া ঘটনার সঙ্গে আর কারো সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সিলেটে ভারী বৃষ্টি, ফের বন্যার অবনতির শঙ্কা!
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত পুরো সিলেট বিভাগ। এরপর গত কয়েকদিন ধরে পানি ধীর গতিতে নামলেও প্লাবিত রয়েছে বেশিরভাগ এলাকা। ফলে অনেকে এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে দিনাতিপাত করছেন মানুষজন। সেই বিপর্যয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই আবার চোখ রাঙাচ্ছে ভারী বৃষ্টি। মঙ্গলবার (২৮ জুন) দিনভর সিলেটে হালকা বৃষ্টিপাত হলেও রাত ১০টার পর থেকে ভারী বৃষ্টিতে নগরের অনেক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ফলে আবারও বন্যার শঙ্কায় আছেন সিলেটবাসী। এদিন রাত ১০টা থেকে ১টা টানা তিন ঘণ্টার ভারী বৃষ্টিতে নগরের অনেক এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তারা বলছেন, আরও কয়েকদিন বৃষ্টিপাত হবে। দিনের তুলনায় রাতে বেশি বৃষ্টি হবে। নদ-নদীর পানিও কিছুটা বাড়বে। এ অবস্থায় উজানে ভারী বৃষ্টি হলে বন্যার পানি ফের বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে রাতের বৃষ্টিতে নগরের অনেক এলাকায় রাস্তাঘাটে পানি জমেছে। ছড়াখালগুলো সুরমার পানির সঙ্গে একাকার হওয়াতে নগরের কিছু এলাকায় আবারও পানি উঠেছে। নগরের তালতলা, উপশহর এলাকার বিভিন্ন ব্লক, তেররতন, যতরপুরসহ নিচু এলাকাগুলো বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে।


নগরের তালতলার এক বাসিন্দা বলেন, ৩/৪ দিন বৃষ্টি না হওয়ায় রাস্তার পানি শুকিয়েছিল। বন্যায় বাসা-বাড়ি নিমজ্জিত হওয়ায় অনেকে আসবাবপত্র রোদে শুকিয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে আবারও বৃষ্টিতে বাসা-বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি উঠেছে। তাই ভোগান্তি পিছু ছাড়ছে না।

সিলেট পাউবোর উপ-প্রকৌশলী নিলয় পাশা বলেন, আগামী কয়েকদিন বৃষ্টির পূর্বাভাস আছে। এতে পানি বাড়বে কি না, আগেই বলা যাচ্ছে না। আর উজানে ভারী বৃষ্টি হলে সিলেটে পাহাড়ি ঢল নামতে পারে।

গত ১২ মে থেকে সিলেটে দ্বিতীয় দফা বন্যা দেখা দেয়। এর আগে প্রথমদফা বন্যায় সুনামগঞ্জের হাওর ডুবিয়েছে। আর এবার তৃতীয় দফা বন্যায় সবকিছু হারিয়ে অস্তিস্ব সংকটে পড়েছে মানুষজন। এদিকে, গত কয়েক দিনে সুরমার পানি যখন কিছুটা কমে আসছিল, তখন চোখ রাঙাচ্ছে কুশিয়ারা নদী। এ নদীর পানি বেড়ে গিয়ে সিলেটের আরও ৬টি উপজেলা এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলা প্লাবিত হয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সিলেট বিভাগে এবার প্রায় অর্ধকোটির বেশি মানুষ বন্যা কবলিত হয়েছেন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় বন্যায় চার লাখ ১৬ হাজার ৯৬৬টি পরিবারের ২১ লাখ ৯৬ হাজার ৯৬৫ জন মানুষ বন্যাক্রান্ত হয়েছেন। তাদেরমধ্যে ৩০ হাজার ৯৪০টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভাগজুড়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

‘স্পীকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী স্মৃতি পরিষদ’র ব্যাপক ত্রাণ বিতরণ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:

স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় নাস্তানাবুদ সিলেট। অতিবর্ষণ আর পাহাড়ী ঢলে বানের পানিতে সিলেট ও সুনামগঞ্জ হয়েছে নিমজ্জিত। বিশেষ করে সুনামগঞ্জে মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে। বানের পানিতে ভেসে গেছে ঘরবাড়ি, গোলা ভরা ধান, গবাদি পশু ও কৃষকের ক্ষেত-ফসলের মাঠ। ভেসে গেছে এ অঞ্চলের মানুষের স্বপ্ন। প্রলয়ঙ্করী বন্যায় ধনী-গরীব একাকার। এবারের বন্যা গ্রাম আর শহরের মধ্যে কোন দূরত্ব রাখেনি। চরম দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন সাধারণ মানুষ।

সিলেটের মানুষের এ বিপর্যয়ের মুহুর্তে পাশে দাঁড়িয়েছে ‘স্পীকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী স্মৃতি পরিষদ’। তাৎক্ষণিকভাবে ভার্চুয়াল মিটিং আয়োজন করেন সংগঠনের সভাপতি ও সাবেক মুখ্য সচিব মো: নজিবুর রহমান এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক, শ্রম ও কমসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ এহছানে এলাহী। মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ত্রাণ সামগ্রী পাঠানো হয় সিলেটের বানভাসি মানুষের জন্য। ত্রাণসামগ্রী বিতরণের সার্বিক প্রক্রিয়ার পর্যবেক্ষণে ছিলেন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

ত্রাণ বিতরণে মাঠপর্যায়ে সার্বিক সমন্বয় এর দায়িত্ব পালন করেন সংগঠনটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আখলাকুল আম্বিয়া। সংগঠনটির সিলেট কমিটির নেতৃবৃন্দ বিশেষ করে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোঃ জাকির, সিলেট চেম্বার এর সিনিয়র সহ সভাপতি ফালাহ উদ্দিন আলী আহমদ, মাহবুবুল হাফিজ চৌধুরী মুশফিক প্রমুখ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে এ ত্রাণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে দুর্গত মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন।

এদিকে ত্রাণ কার্যক্রম বাস্তবায়নে সিলেটের প্রত্যন্ত অঞ্চল বিশেষ করে কোম্পানীগঞ্জের মানুষের কাছে ত্রাণ নিয়ে ছুটেছেন সংগঠনের সহ-সভাপতি মাহসুন নোমান রশীদ চৌধুরী।

বন্যার্তদের পাশে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের নেতৃবৃন্দ
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোঃ জাকির হোসেন বলেছেন, বন্যা শুরুর পর থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মহানগর আওয়ামী লীগ বন্যাকবলিত প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে ত্রাণ বিতরণ করে যাচ্ছে। মহানগর আওয়ামী লীগের পাশাপাশি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) দুপুরে কাউন্সিলর তৌফিক বক্স লিপনের কার্যালয়ে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ সিলেটের পক্ষ থেকে দক্ষিণ সুরমা এলাকায় অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদও পিছিয়ে নেই। বন্যার্তদের সহযোগিতায় স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের নেতৃবৃন্দও এগিয়ে এসেছেন। স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করছেন। শুধু ত্রাণ সামগ্রী বিতরণই নয় প্রাথমিক চিকিৎসা সামগ্রীও বিতরণ করছেন। বন্যা পরবর্তী সময়ে অধিকাংশ মানুষই অসুস্থ হয়ে পড়ে। সেক্ষেত্রে সুচিকিৎসার প্রয়োজন হয়। বন্যার্ত অসহায় মানুষদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদানে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তিনি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের নেতৃবৃন্দকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদানের আহবান জানান।

এসময়ে উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ সিলেটের আহবায়ক অধ্যাপক মোঃ রোকন উদ্দিন আহমদ, সদস্য সচিব ডাঃ এম. এ আজিজ চৌধুরী, যুগ্ম আহবায়ক ও মহানগর আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ মোহাম্মদ হোসেন রবিন, সিনিয়র সদস্য ডা: অলিউডর রহমান, স্বাচিপ নেতা ডা: হাসিবুর রহমান হাসিব, ডাঃ মঈনুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক খন্দকার মহসিন কামরান, কার্যনির্বাহী সদস্য তৌফিক বক্স লিপন (কাউন্সিলর), ২৬ ও ২৭ নং যুবলীগের সভাপতি শাহেদ আহমদ ও গুলজার আহমদ জগলু প্রমুখ।

সিলেটে স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের শঙ্কা, বাড়ছে পানিবাহিত রোগ
                                  

সিলেট প্রতিনিধি
ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যয়ের পর সিলেট বিভাগজুড়ে এবার স্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়েছে মানুষ। বিশেষ করে সিলেট ও পারিপার্শ্বিক জেলা সুনামগঞ্জের গ্রামে গ্রামে পানিবাহিত বিভিন্ন সংক্রামন রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। এরমধ্যে ডায়রিয়া ও রকমারি চর্মরোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা রয়েছেন চরম ঝুঁকিতে।

সিলেট স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, বিগত ২৪ ঘন্টায় এই বিভাগে পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৬০৬ জন। এর মধ্যে ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়েছেন ৩৬২ জন, বাকীরা চর্মরোগসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘন্টায় সিলেটে পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৮ জন। এর মধ্যে ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮ জন, বাকীরা অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এই সময়ে সুনামগঞ্জে পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬৬ জন। এরমধ্যে ৯২ জন ডায়রিয়া বাকীরা অন্যান্য রোগে। হবিগঞ্জ জেলায় পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ২০৩ জন। এর মধ্যে ৯৯ জন ডায়রিয়া ও বাকীরা অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। মৌলভীবাজার জেলায় পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬৯ জন। এর মধ্যে ৭৪ জন ডায়রিয়া বাকীরা অন্যান্য রোগে আক্রান্ত।

এদিকে গত সপ্তাহ থেকে সিলেটের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি শুরু হয়। এই এক সপ্তাহে সিলেট বিভাগে ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৮৮৫ জন। এর মধ্যে সিলেটে ৪৬৫ জন, সুনামগঞ্জে ৫৪৫ জন, হবিগঞ্জে ৪৮৭ জন ও মৌলভীবাজারের ৩৮৮ জন রয়েছেন। এই সময়ে ডায়রিয়া ছাড়াও অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়েছেন সহস্রাধিক বন্যা কবলিত মানুষ। স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাবের বাইরে বিপুল সংখ্যা মানুষ পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। নগর থেকে শুরু করে জেলা, উপজেলা, বিভিন্ন বাজার, এমনকি পাড়া মহল্লার ঔষুধের দোকান গুলোতে ডায়রিয়া, চর্মরোগসহ পানিবাহিত রোগের ঔষুধ বিক্রি বেড়েছে কয়েকগুণ। কয়েকটি ফার্মেসীর সাথে আলাপকালেও এর সত্যতা পাওয়া গেছে।

সিলেটের বন্যাকবলিত প্রতিটি এলাকায় ভয়াবহ স্বাস্থ্য বিপর্যয় ঘটতে পারে মনে করেন স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রোগব্যাধি বাড়তে পারে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার সুযোগ না থাকায় বাড়তে পারে করোনাও। এ সময় মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া ও চিকুন গুনিয়ার প্রকোপ মারাত্মক রূপ নিতে পারে। বিশেষ করে যেসব এলাকার সুষ্ঠু পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেই, এসব এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে স্বাস্থ্যসমস্যা প্রকট আকার ধারণ করতে পারে।

স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা জানান, বন্যার কারণে বাথরুম ও সেনিটারী টয়লেট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় মানুষের এ পয়োবর্জ্য এবং ওই এলাকার বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনা মিলে জলাশয়ের পানি দূষিত হয়ে পড়ছে। লোকজন যদি এসব জলাশয়ের পানি বিশুদ্ধ না করে পান করে, খাবারের কাজে ব্যবহার কিংবা থালাবাসন ধোয়া, কাপড় কাচা ইত্যাদি কাজে ব্যবহার করে, তাহলেই ডায়রিয়া বা পানিবাহিত রোগবালাই বাড়তে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক বন্যায় সিলেট বিভাগে পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৫৪১ জন। তারা ডায়রিয়া, চর্মরোগসহ বিভিন্ন ধরনের পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সিলেটের ২ হাজার ২৫৭ জন, সুনামগঞ্জের ৫৪৭ জন, হবিগঞ্জের ১ হাজার ৭ জন ও মৌলভীবাজারের ৭৩০ জন রয়েছেন।

সুরমা ইউনিয়নে ৭’শ পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা
                                  

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামের ৭ শতাধিক বন্যার্ত জনসাধারণকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী এনজিও সংস্থা পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র। ২৭ জুন সোমবার পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র সমৃদ্ধি কর্মসূচীর উদ্যোগে ও পিকেএসএফ এর অর্থায়নে সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের বেরীগাঁও ব্রাঞ্চ অফিসের কার্যালয় প্রাঙ্গনে দিনব্যাপি বন্যার্ত নারী পুরুষের মাঝে এসব ত্রাণসামগ্রী বিতরন করা হয়। পদক্ষেপ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক আবুল বাশার ও সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নিগার সুলতানা কেয়া সংস্থার মাঠ পর্যায়ে সনাক্তকৃত ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে ত্রাণসামগ্রী বিতরন করেন।

এসময় পদক্ষেপ এর সহকারী পরিচালক ও জোনাল ম্যানাজার মোঃ রফিকুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ এরিয়ার এরিয়া ম্যানেজার ও সিনিয়র ব্যাবস্থাপক গোলাম এহিয়া, সিনিয়র অফিসার খান গোলাম মোস্তফা, মোঃ শামীম মিয়া, পদক্ষেপ সদর ব্রাঞ্চের ম্যানাজার মোঃ কামরুজ্জামান, সুরমা ব্রাঞ্চের ম্যানাজার মোঃ বাদল হোসেন, এসডিও জাহিদুল ইসলাম, ইডিও সোহেল খান, পদক্ষেপ এর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সনেট রায় ও দিপংকর মালাকারসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

পদক্ষেপ সুনামগঞ্জ এরিয়ার সিনিয়র ব্যবস্থাপক ও এরিয়া ম্যানেজার গোলাম এহিয়া বলেন, ১৯৮৬ সালে বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলা থেকে পদক্ষেপ এর কার্যক্রম শুরু করা হয়। বর্তমানে দুর্যোগ মোকাবেলা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, স্যানিটেশন, কমিউনিটি উন্নয়ন কার্যক্রম, ঋণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে এই সংস্থাটি। সর্বশেষ জুন মাসের কর্মব্যস্ততার মধ্যেও চলমান বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ সুনামগঞ্জ পৌরসভায় ৫০০,সুরমা ইউনিয়নে ৭০০ ও জামালগঞ্জ উপজেলায় ৫০০ পরিবারকে আমরা ত্রাণ সহায়তা দিচ্ছি। সিলেট এরিয়ার এরিয়া ম্যানাজার ও সিনিয়র ব্যবস্থাপক মোঃ মজিবুল হক জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার,সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় মোট ৩৯০০ পরিবারকে প্রথম দফায় ত্রাণ সহায়তা দিতে যাচ্ছে সংস্থাটি। পরবর্তীতে ত্রাণ সহায়তা বৃদ্ধি করা যেতে পারে।

কানাইঘাটে প্রবাসী সুলতানের ত্রাণ বিরতণ
                                  

কানাইঘাট প্রতিনিধি
স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত সিলেটের কয়েকটি উপজেলা। চারদিকে বানভাসী মানুষের ত্রাণ আর চিকিৎসার জন্য হাহাকার। বানের পানিতে ভেসে গেছে অনেকের বাড়িঘর, গবাধি পশু সহ মাৎস্য খামার। সারাদেশের মানুষের পাশাপাশি বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশীরা নিজ-নিজ অবস্থান থেকে বানভাসি মানুষের পাশে দাড়িয়ে সাহায্য ও সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছেন।

বন্যা দুর্গত এলাকায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত কানাইঘাট উপজেলার ৯নং রাজাগঞ্জ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে গতকাল সোমবার প্রায় ৭শত পরিবারের মধ্যে বিপুল পরিমান খাদ্য ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন সৌদি প্রবাসী সুলতান আহমদ শেখ ও তার পিতা হাজি চাঁন মিয়া। পাশাপাশি একই স্থানে প্রায় শতাধিক বন্যার্ত মানুষকে ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান করে রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি সিলেট ইউনিট ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)। তাদের যৌথ উদ্যোগে ঢাকা থেকে আগত অভিজ্ঞ ডাক্তার ও মেডিকেল টিমে নেতৃত্ব দেন ডাক্তার মুন্নি আক্তার, ডাক্তার শুভাশিস, ডাক্তার নজরুল ইসলাম ফারুকী, ডাক্তার বাহার উদ্দিন।

বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ প্রদান করা হয় বন্যাগ্রস্থ অসহায় মানুষদের মাঝে। দিনব্যাপি ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের উদ্বোধন করে বিএমএসএফ’র কেন্দ্রীয় সভাপতি আলহাজ্ব সোহেল আহমেদ। এ সময় ত্রাণ ও চিকিৎসা নিতে আসা অসহায় ও বন্যার্তদের উদ্দেশ্যে সোহেল আহমদ বলেন, এবারের বন্যা সিলেটবাসীর জন্য স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা। এই বিপর্য মুহুর্তে বানভাসী মানুষের মাঝে সৌদি প্রবাসী সুলতান আহমদ শেখ ও তার পিতা হাজি চান মিয়া যেভাবে মানবতার হাত বাড়িয়ে ত্রাণ দিয়েছেন তার জন্য তাদের কৃতজ্ঞতা জানাই।

পাশাপাশি সিলেট রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এই দুর্যোগ মুহুর্তে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ডাকে এগিয়ে এসে সাধারণ মানুষের মাঝে ফ্রি চিকিৎসা সেবা দিয়ে যেভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছে তা চির-স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এজন্য তিনি রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি সিলেট জেলা ইউনিটসহ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মস্তাক আহমদ পলাশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

এ সময় অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিএমএসএফ এর সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক আবদুল হালিম সাগর, দৈনিক সিলেটের দিনকালের সাংবাদিক জয়নাল আজাদ, পল্লি চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডাক্তার নজরুল ইসলাম ফারুকি, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন সিলেট জেলার সভাপতি ডাক্তার বাহার উদ্দিন, দৈনিক বাংলা সংবাদের সম্পাদক আব্দুল মুনিব মামুন, শেখ সুলতানের পিতা হাজী চান মিয়া, সাবেক মেম্বার রইছ আলী, মুরব্বি মানিক মিয়া, কানাইঘাট যুব রেড ক্রিসেন্টের কো-অডিনটর ইফজাল, বদরুলসহ যুবনেতা সুবুর আহমদ, শাব্বির আহমদ, ফজলু মিয়া, রাসেল আহমদ প্রমুখসহ এলাকার যুবসমাজ।

সুনামগঞ্জে কমছে পানি, ভেসে উঠছে বন্যার ক্ষত
                                  

জেলা প্রতিনিধি, সুনামগঞ্জ
সুনামগঞ্জে বন্যার পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করেছে। বিপৎসীমার নিচ দিয়ে বইছে নদ-নদীর পানি। শনিবার (২৫ জুন) বিকেল পর্যন্ত সুনামগঞ্জ শহরের অধিকাংশ সড়ক ও এলাকা থেকে পানি নেমে গেছে। বন্যার পানি নামার পর ভেসে উঠছে ক্ষত চিহ্ন। কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে সুনামগঞ্জের।

ক্ষতিগ্রস্ত সম্পদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সুনামগঞ্জের সড়কগুলো। কয়েকটি উপজেলার সঙ্গে এখনো বন্ধ রয়েছে সড়ক যোগাযোগ। এসব সড়কে চলতে গিয়ে ঘটছে দুর্ঘটনাও। ইট, বস্তা ও বালু ফেলে প্রাথমিকভাবে সড়ক যোগাযোগ পুনরায় স্থাপনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলেও জানানো হয়েছে।

বন্যার ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়কের সদর উপজেলার রাধানগর থেকে বিশ্বম্ভপুর উপজেলার চালবন পয়েন্ট পর্যন্ত সড়ক দেখলে যে কেউ আঁতকে উঠবেন। বন্যার ভয়াবহতা সহজেই অনুমান করা যাচ্ছে এই সড়কের ক্ষত চিহ্নগুলো দেখার পর। পানির চাপ এতটাই শক্তিশালী ছিল যে ঘূর্ণিঝড়ে গাছ-ঘরবাড়ি যেমন দুমড়েমুচড়ে যায়, ঠিক তেমনিভাবে দুমড়েমুচড়ে গেছে সড়ক।

এই সড়কের রসুলপুর মাদ্রাসার কাছে সড়ক রক্ষা আরসিসি ঢালাই রডসহ ভেঙে গিয়ে পড়েছে পাশের হাওরে। সড়কে তৈরি হয়েছে ছোট ছোট গর্ত। কোথাও কোথাও সড়কের কার্পেটিং ও বেইজিং সরে গিয়ে স্রোতে দুই থেকে তিন ফুট পর্যন্ত মাটি সরে গেছে। আবার কোনো জায়গায় রাস্তার মাঝ দিয়ে তৈরি হয়েছে খালের মতো। অধিকাংশ সড়কের পাশ থেকে সরে গেছে মাটি। যার কারণে পুরোপুরি চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সড়কটি। বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে সুনামগঞ্জের সঙ্গে বিশ্বম্ভপুর ও তাহিরপুরের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। হাওরে পানি থাকায় বিকল্প হিসেবে নৌপথ এখন শেষ ভরসা দুই উপজেলার লক্ষাধিক মানুষের।

শুধু স্থানীয় মানুষ নয়, এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত হাজার হাজার পর্যটক চলাচল করেন। টাংগুয়ার হাওর, শহীদ সিরাজ লেক (নীলাদ্রি), শিমুল বাগানসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানসমৃদ্ধ পর্যটন উপজেলা খ্যাত তাহিরপুরে যাওয়ার একমাত্র সড়ক পথ এই সুনামগঞ্জ-বিশ্বম্ভরপুর-তাহিরপুর সড়ক।

পানি নেমে যাওয়ার পর সড়কে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয়রা। গাড়ি দিয়ে, নৌকা নিয়ে, হেঁটে ভেঙে ভেঙে সদর উপজেলায় আসতে হচ্ছে। এতে দ্বিগুণ টাকা খরচ হচ্ছে বলেও জানান তারা। পাশাপাশি ত্রাণ দিতে গিয়ে বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠনের সদস্যরাও দুর্ভোগে পড়েছেন।

সদর উপজেলার লালপুর গ্রামের বাসিন্দা সুনামগঞ্জ পৌর কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র আখলাকুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমার ভাই এই সড়কের গর্তে পড়ে বর্তমানে অসুস্থ আছে। একটা মোটরসাইকেল গিয়েছিল সেটাও পড়ে গেছে। আমরা ধরে তুলে দিয়েছি। রাস্তা ঠিক করার কোনো উদ্যোগ না দেখে আমরা কয়েকজন মিলে বালু ফেলে আপাতত শুধু হেঁটে ও মোটরসাইকেল চলাচলের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। এখন মানুষ একটু যাইতে পারে।

সুনামগঞ্জের উদ্দেশ্যে আসা বিশ্বম্ভপুর উপজেলার সিরাজপুর গ্রামের মুফতি ওবায়দুল হক বলেন, ১০০ বছরের ভেতর এমন ভয়াবহ বন্যা সুনামগঞ্জে হয়নি। যে বন্যায় রাস্তাঘাটে চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। রাস্তাঘাট ভেঙে খান খান হয়ে গেছে। আমরা কোনো গাড়ি পাইতেছি না। হেঁটে, নৌকায় করে ভেঙে ভেঙে আসতে হচ্ছে। এক টাকার জায়গায় পাঁচ, দশ, পনের টাকা দিতে হচ্ছে। আমরা খুব কষ্ট করে রাস্তায় চলাচল করছি।

জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক লিটন হায়দার বলেন, এই যে বিপর্যয়, এটা শতাব্দীর ভয়াবহ বন্যা। আমাদের মুরব্বিরাও এমন বন্যা দেখেননি। এই বন্যায় জনদুর্ভোগ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশেষ করে রাস্তাঘাট একেবারেই চলাচল অনুপযোগী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজে এসে এই দুর্ভোগ দেখে গেছেন, তিনি নিশ্চয়ই আমাদের পুনর্বাসন করবেন।

সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম প্রামাণিক ঢাকা পোস্টকে জানান, সম্প্রতি ভয়াবহ বন্যায় সওজের আওতাধীন ৮টি সড়কের ৩৫৬ কিলোমিটারের মধ্যে ১৮৪ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখনো কিছু জায়গায় পানি আছে। সেখান থেকে পানি নামলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। ইতোমধ্যে যেসব ক্ষতিগ্রস্ত জায়গা ভেসে উঠছে সেগুলোতে ইটের সলিং, বালু ফেলে প্রাথমিকভাবে সড়ক যোগাযোগ সচল করার উদ্যোগ নিয়েছি।

সিলেটে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী স্মৃতি পরিষদের ত্রাণ বিতরণ
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত সিলেট ও সুনামগঞ্জে ত্রাণ কার্যক্রম চালাচ্ছে "স্পীকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী স্মৃতি পরিষদ"। ধারাবাহিক ত্রাণ কার্যক্রমের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার সিলেটের সদর উপজেলায় ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এদিন বাদ জুমা উপজেলার কান্দিরগাও ইউনিয়নের মিরেরগাওয়ে এ ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোঃ জাকির হোসেন, হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী স্মৃতি পরিষদের সহ সভাপতি ও বিশিষ্ট চিকিৎসা বিজ্ঞানী অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সিলেট চেম্বারের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফালাহ উদ্দিন আলী আহমদ, হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী স্মৃতি পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক স্বাধীন বাংলা পত্রিকার সম্পাদক মোঃ আখলাকুল আম্বিয়া, সংগঠনের আজীবন সদস্য মাহবুবুল হাফিজ চৌধুরী মুশফিক, আওয়ামী লীগ নেতা নিজাম উদ্দিন, দৈনিক স্বাধীন বাংলা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মাহবুবুল আম্বিয়া প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, প্রয়াত স্পীকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী দেশ ও জাতির প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। সিলেটের মানুষের উন্নয়ন অগ্রগতি নিয়ে সর্বদা কাজ করেছেন। আলোকিত এ ব্যক্তির স্বরণে গঠিত স্পীকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী স্মৃতি পরিষদ নামে একটি সংগঠন করা হয়। তার স্মৃতিতে গঠিত এ সংগঠন আপনাদের দুর্দিনে পাশে দাড়িয়েছে।

উপস্থিত বক্তাদের বক্তব্য শেষে ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

পানিবন্দি মানুষদের ঘরে ঘরে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোঃ জাকির হোসেন বলেছেন, বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও বিভিন্ন ওয়ার্ডে এখনো মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে। কিন্তু পানিবদ্ধতায় আটকে পড়া অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। পানিবন্দি অসহায় মানুষদের সহযোগিতার জন্য মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানিসহ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছেন। মহানগর আওয়ামী লীগ নিজস্ব ফান্ড তৈরি করে পানিবন্দি ওয়ার্ডসমূহে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আওয়ামী লীগের ত্রাণ উপকমিটি ইতিমধ্যে পানিবন্দি অসহায় মানুষদের জন্য ত্রাণ পাঠিয়েছেন। যা ওয়ার্ডসমূহে বিতরণ করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) নবগঠিত ৩১ নং ওয়ার্ডের সোনাপুর এলাকায় মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য ও সিলেটের ডাকের ব্যবস্থাপক ওয়াহিদুর রহমান ওয়াহিদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে শুকনো খাবার ( চিড়া, মুড়ি, গুর, ওরস্যালাইন) বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময়ে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ সানাওর, কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ শাহজাহান, ২৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাবেদ আহমদ, টুলটিকর সমাজকল্যাণ সংস্থার সভাপতি জব্বার আহমদ পাপ্পু, আকবর কবির সায়েম, কামাল আহমদ, লিয়াকত আলী, শাহীন আহমদ, মোঃ আব্দুল আলিম, মোঃ সাদ্দাম আহমেদ, আব্দুস সামাদ, আফজাল হোসেন শাহান, মাহবুব আহমেদ, তামিম আহমেদ সহ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সিলেটে বন্যার্তদের পাশে সচিব এহসান এলাহী ও সাবেক মেয়র মনজুর আলম
                                  

মুফিজুর রহমান নাহিদ, স্টাফ রির্পোটারঃ
সিলেটে স্মরণকালের এই ভয়াবহ বন্যায় বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়াতে কানাইঘাটে বন্যার্তদের মাঝে আলহাজ্ব মোস্তফা-হাকিম ফাউন্ডেশন, নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব মনজুর আলম এবং কানাইঘাটের সন্তান শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ এহছানে এলাহী`এর অর্থায়ন ও সার্বিক সহযোগিতায় কানাইঘাট উপজেলার ৪১টি গ্রাম ও বিয়ানীবাজার উপজেলার কয়েকটি গ্রাম জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুরে এই ত্রাণ প্রদান করা হয়।

এইসব এলাকায় গ্রামের মুরব্বি ও স্হানীয় মেম্বার, চেয়ারম্যানদের সাথে নিয়ে প্রকৃত অসহায় পরিবারে মধ্যে সচিব মোঃ এহছানে এলাহী পক্ষ তাঁর ভাই মোঃ ফয়জুর রহমান, ভাতিজা সাইদুর রহমান নাবিল অপর ভাতিজা বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির কার্য নির্বাহী সদস্যা সাংবাদিক মুফিজুর রহমান নাহিদ, রাজনৈতিক নেতা সায়েম আহমেদ, ৬নওয়ার্ড সদস্য হুমায়ুন কবির এরাকার প্রতি বাড়ীতে ত্রাণ সামগ্রী পৌছান।

এ সময় ত্রাণ প্রদানকারীরা বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় এ পরিমাণ সামান্য বিশেষ করে ফাগু, ঝিংগার খাল, বাঁশ বাড়ী, কটালপুর, আমরপুর, নয়ামাটি, গর্দনাকান্দি, দিগর নয়ামাটি এই সব এলাকায় ত্রাণ পৌছেনি বলেই চলে তাই আমরা এই সব এলাকায় প্রাধান্য দিয়েছি এই সব এলাকার প্রায় ৮৫% কাচাঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তারা আরো বলেন, আমরা হরিপুর,৭ নং বানীগ্রাম, ৮ নং, ঝিংগাবাড়ী এবং ৯ নং রাজাগঞ্জ ইউনিয়-সহ বিভিন্ন এলাকায় পৌছিয়েছি ইনশাআল্লাহ আমাদের কার্যক্রম চলমান রাখার চেষ্টা করব এবং যে এলাকায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দয়া করে জানাবেন, আমরা সঠিকভাবে তথ্য নিয়ে সকলের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছি কতটুকু পেরেছি জানিনা কোন ভুল হলে ক্ষমা করবেন এবং পরামর্শ দিবেন।

তারা বলেন, আমাদের এই কার্যক্রমে বিশেষ করে সচিব মোঃ এহছানে এলাহী কে ধন্যবাদ জানাই উনি এত ব্যস্ততার মধ্যে ও সার্বক্ষনিক ফোনে খোঁজ খবর নিয়েছেন এছাড়া আমার তিনচটি নয়াগ্রাম সমাজ কল্যাণ সমিতি ও তিনচটি দুর্বার সমাজ কল্যাণ সমিতির-সহ অসংখ্য নাম না জানা যারা নানাভাবে আমাদেরকে সহযোগিতা করেছেন সবাইকে আল্লাহ যেন উত্তম সবকিছু দান করেন, আসুন আমি সহ আমরা সকলে এই বন্যার্তদের সাহায্যে এগিয়ে আসি আল্লাহ যেন আমাদের সকলকে তাওফিক দান করেন আমিন। আমরা সব সময় গরীব অসহায় মানুষের সাহায্য সহযোগীতা করে থাকি। এই মানবিক সহায়তায় কার্যক্রম যতদিন বন্যা থাকবে ততদিন অব্যাহত থাকবে।


   Page 1 of 100
     সিলেট
ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন ডাঃ শফিকুল
.............................................................................................
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো ইবাদত: অধ্যাপক জাকির
.............................................................................................
সুনামগঞ্জের বানভাসিরা হারিয়েছে পৌনে ৪ লাখ পশু-পাখি
.............................................................................................
সিলেটে ট্রলারের ধাক্কায় পুলিশের নৌকাডুবি, হারিয়ে গেছে অস্ত্র
.............................................................................................
তাহিরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হয়ে গুরুতর আহত শিশু
.............................................................................................
সিলেটের গোলাপগঞ্জে ঝগড়াস্থলে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু
.............................................................................................
সিলেটে ভারী বৃষ্টি, ফের বন্যার অবনতির শঙ্কা!
.............................................................................................
‘স্পীকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী স্মৃতি পরিষদ’র ব্যাপক ত্রাণ বিতরণ
.............................................................................................
বন্যার্তদের পাশে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের নেতৃবৃন্দ
.............................................................................................
সিলেটে স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের শঙ্কা, বাড়ছে পানিবাহিত রোগ
.............................................................................................
সুরমা ইউনিয়নে ৭’শ পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা
.............................................................................................
কানাইঘাটে প্রবাসী সুলতানের ত্রাণ বিরতণ
.............................................................................................
সুনামগঞ্জে কমছে পানি, ভেসে উঠছে বন্যার ক্ষত
.............................................................................................
সিলেটে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী স্মৃতি পরিষদের ত্রাণ বিতরণ
.............................................................................................
পানিবন্দি মানুষদের ঘরে ঘরে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত
.............................................................................................
সিলেটে বন্যার্তদের পাশে সচিব এহসান এলাহী ও সাবেক মেয়র মনজুর আলম
.............................................................................................
দিরাইয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি`র খাবার বিতরন
.............................................................................................
৬ দিন পর সচল হলো ওসমানী বিমানবন্দর
.............................................................................................
বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণের জন্য এইচ আর সি এম সি`র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
এ বর্ষায় আরও বন্যা হওয়ার শঙ্কা
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রী সিলেট পৌঁছেছেন
.............................................................................................
খাবারের জন্য বন্যার্ত মানুষের হাহাকার
.............................................................................................
সিলেটের আশ্রয়কেন্দ্রে খাদ্যের জন্য হাহাকার
.............................................................................................
সিলেটে বানভাসীদের জন্য রওশন এরশাদের ত্রাণ
.............................................................................................
সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতির শঙ্কা
.............................................................................................
সিলেটের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ ফিরেছে, কিছুটা হলেও স্বস্তি
.............................................................................................
ওসমানী মেডিকেল কলেজে বন্যার পানি, বিদ্যুৎ বন্ধ
.............................................................................................
১০ কিলোমিটার নৌকা ভাড়া ৫০ হাজার টাকা
.............................................................................................
বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হলো সিলেট-সুনামগঞ্জ
.............................................................................................
সিলেটে নৌবাহিনীর ডুবুরিদল ও কোস্ট গার্ডের দুটি ক্রুজ কাজ শুরু করেছে
.............................................................................................
সিলেটে ভারী বৃষ্টিপাত, এবার উঁচু এলাকাও প্লাবিত হচ্ছে
.............................................................................................
সিলেটী মায়ের জোর করে বিয়ে দেয়ার চেষ্টা, হাইকোর্টে উঠলো ব্রিটিশ কিশোরী
.............................................................................................
আজ জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচন
.............................................................................................
সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ রূপ, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ
.............................................................................................
বন্যা পরিস্থিতিতে শাবিপ্রবিতে হল ছাড়ছেন শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
ভাসছে সুনামগঞ্জ, পানি বন্দি লাখো পরিবার
.............................................................................................
গোয়াইনঘাটে ফের বন্যার ভয়াবহ রূপ, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
.............................................................................................
গোয়াইনঘাটের ইউএনও’র বিরুদ্ধে মামলা
.............................................................................................
শ্রীমঙ্গলে দুই কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষ: চালক নিহত
.............................................................................................
পংকি খানের মৃত্যুতে সিলেট মহানগর আ.লীগের শোক
.............................................................................................
বিশ্বনাথ উপজেলা আ.লীগের সভাপতি পংকি খানের মৃত্যু
.............................................................................................
সিলেটে নান্দনিক ধোপাদীঘিরপাড় ওয়াকওয়ের উদ্বোধন
.............................................................................................
সিলেটগামী পারাবত ট্রেনে আগুন
.............................................................................................
সিলেটে লাফিয়ে-লাফিয়ে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম
.............................................................................................
সিলেটে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ: আসামী ৩ শতাধিক
.............................................................................................
ওসমানীনগরে কলেজ ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ
.............................................................................................
বিশ্বনাথে নদী খননের নামে রাস্তা গ্রাস!
.............................................................................................
হ্যারিং ব‌ন্ডের কাজ বন্ধ ক‌রে দি‌লেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা
.............................................................................................
সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ত্রাণ বিতরণ
.............................................................................................
সিলেটের ৩ উপজেলা পরিষদের নির্বাচন ২৭ জুলাই
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT