মঙ্গলবার, ২৫ জুন 2024 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   সিলেট -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
লাল ফিতার দৌরাত্ম্যে পানিতে হাবুডুবু খাচ্ছে সিলেটের মানুষ

সিলেট ব্যুরো:

সিলেটের প্রধান দুই নদী সুরমা ও কুশিয়ার ড্রেজিং প্রকল্প দীর্ঘ দিন ধরে ফাইল বন্ধী হয়ে আছে। এ প্রকল্পে নদী ৪ দশমিক ৩ মিটার গভীর ও ৯০ মিটার প্রস্থ করে খনন হবে জানা গেলেও বিগত চার চার বছরেও আলোর মুখ দেখেনি সুরমা কুশিয়ারা ক্যাপিটাল ড্রেজিং প্রকল্প।

বিআইডব্লিউটিএর সূত্র জানিয়েছে, ৫ বছর মেয়াদি ওই প্রকল্পে এক সঙ্গে ১৮টি নদী খননের কথা রয়েছে। প্রকল্পে সুরমা নদী ৪ দশমিক ৩ মিটার গভীর ও ৯০ মিটার প্রস্থ করে খনন হবে। আর এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৬৭৫ কোটি টাকা। ২০২২ সালের পর থেকে সিলেট অঞ্চলে পর পর কয়েক দফা বন্যায় সিলেট নগরীসহ জেলার অনেক এলাকা প্লাবিত হবার পেছনে সুরমা-কুশিয়ারা ভরাট হওয়াকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ওই প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা বিআইডব্লিউটিএ নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) আ স ম মাশরেকুল আরেফিন জানান, সিলেট অঞ্চলের প্রধান নদী সুরমা-কুশিয়ারাসহ মোট ১৮টি নদী ক্যাপিটাল ড্রেজিং করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এ প্রকল্প গ্রহণ করে। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রকল্পটির অনাপত্তিপত্রের জন্যে অর্থমন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তিপত্র আসার পরপরই এটি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হবে। প্ল্যানিং কমিশনের অনুমোদনের পরে একনেকে উত্থাপন এবং পাস করা হবে। পরবর্তীতে বিআইডব্লিউটিএ প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু করবে। তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সিলেট অঞ্চলের নদীগুলোর নাব্যতা ফিরে আসবে। বিআইডব্লিউটিএর বিশেষজ্ঞ টিম সরেজমিন স্টাডি করার পর প্রকল্পটি প্রস্তত করা হয়।

২০২২ সালের বন্যার পর সিলেটের প্রধান নদী সুরমা ও কুশিয়ারার ড্রেজিং নিয়ে তোড়জোড় শুরু হলেও প্রকল্পটির কাজ শুরু না হওয়ায় হতাশ সিলেট অঞ্চলের মানুষ। সময় মতো ড্রেজিং না করায় আবার ২০২৪ বন্যার ভয়াবহতার শিকার হলো এ অঞ্চলের মানুষ।

বিআইডব্লিউটিএর তথ্য অনুযায়ী, সুরমা নদী, কুশিয়ারা নদী, কালনী নদী, যাদুকাটা নদী, রক্তি নদী, বৌলাই নদী, মনু নদী, পুরাংগী নদী, জুমনাল খাল নদী, খোয়াই নদী, সুতাং নদী, বেলেশ্বরি খাল নদী, তিতাস নদী, পাগলা নদী, বুড়ি নদী, মোগড়া নদী, কংশ নদী ও আপার মেঘনা নদী খননের লক্ষ্যে ২০২০ সালে বিআইডব্লিউটি’র বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলীরা সরেজমিনে স্টাডি করে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) প্রস্তত করেন। এরপর ২০২১ সালে প্রকল্পটি পরিকল্পনা কমিশনে প্রেরণ করা হয়। পরিকল্পনা কমিশন প্রকল্পটি সংশোধন করে দিতে কিছু নোট দিয়ে বিআইডব্লিউটিএ- তে ফেরত পাঠায়। ২০২২ সালের শুরুর দিকে সংশোধন করে পুনরায় প্রকল্পটি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হলে আবার প্রকল্পটি সংশোধন করতে বিআইডব্লিউটিএতে ফেরত আসে।

এভাবে একের পর লাল ফিতার দৌরাত্ম্যে ৪ বছর অতিক্রম হয়ে গেছে। সময় গড়িয়ে যাচ্ছে কিন্তু নদী খননতো দুরের কথা সিলেটের সাধারণ মানুষ এই প্রকল্পের বাস্তবতার ছিটেফুটোও দেখেনি।

লাল ফিতার দৌরাত্ম্যে পানিতে হাবুডুবু খাচ্ছে সিলেটের মানুষ
                                  

সিলেট ব্যুরো:

সিলেটের প্রধান দুই নদী সুরমা ও কুশিয়ার ড্রেজিং প্রকল্প দীর্ঘ দিন ধরে ফাইল বন্ধী হয়ে আছে। এ প্রকল্পে নদী ৪ দশমিক ৩ মিটার গভীর ও ৯০ মিটার প্রস্থ করে খনন হবে জানা গেলেও বিগত চার চার বছরেও আলোর মুখ দেখেনি সুরমা কুশিয়ারা ক্যাপিটাল ড্রেজিং প্রকল্প।

বিআইডব্লিউটিএর সূত্র জানিয়েছে, ৫ বছর মেয়াদি ওই প্রকল্পে এক সঙ্গে ১৮টি নদী খননের কথা রয়েছে। প্রকল্পে সুরমা নদী ৪ দশমিক ৩ মিটার গভীর ও ৯০ মিটার প্রস্থ করে খনন হবে। আর এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৬৭৫ কোটি টাকা। ২০২২ সালের পর থেকে সিলেট অঞ্চলে পর পর কয়েক দফা বন্যায় সিলেট নগরীসহ জেলার অনেক এলাকা প্লাবিত হবার পেছনে সুরমা-কুশিয়ারা ভরাট হওয়াকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ওই প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা বিআইডব্লিউটিএ নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) আ স ম মাশরেকুল আরেফিন জানান, সিলেট অঞ্চলের প্রধান নদী সুরমা-কুশিয়ারাসহ মোট ১৮টি নদী ক্যাপিটাল ড্রেজিং করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এ প্রকল্প গ্রহণ করে। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রকল্পটির অনাপত্তিপত্রের জন্যে অর্থমন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তিপত্র আসার পরপরই এটি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হবে। প্ল্যানিং কমিশনের অনুমোদনের পরে একনেকে উত্থাপন এবং পাস করা হবে। পরবর্তীতে বিআইডব্লিউটিএ প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু করবে। তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সিলেট অঞ্চলের নদীগুলোর নাব্যতা ফিরে আসবে। বিআইডব্লিউটিএর বিশেষজ্ঞ টিম সরেজমিন স্টাডি করার পর প্রকল্পটি প্রস্তত করা হয়।

২০২২ সালের বন্যার পর সিলেটের প্রধান নদী সুরমা ও কুশিয়ারার ড্রেজিং নিয়ে তোড়জোড় শুরু হলেও প্রকল্পটির কাজ শুরু না হওয়ায় হতাশ সিলেট অঞ্চলের মানুষ। সময় মতো ড্রেজিং না করায় আবার ২০২৪ বন্যার ভয়াবহতার শিকার হলো এ অঞ্চলের মানুষ।

বিআইডব্লিউটিএর তথ্য অনুযায়ী, সুরমা নদী, কুশিয়ারা নদী, কালনী নদী, যাদুকাটা নদী, রক্তি নদী, বৌলাই নদী, মনু নদী, পুরাংগী নদী, জুমনাল খাল নদী, খোয়াই নদী, সুতাং নদী, বেলেশ্বরি খাল নদী, তিতাস নদী, পাগলা নদী, বুড়ি নদী, মোগড়া নদী, কংশ নদী ও আপার মেঘনা নদী খননের লক্ষ্যে ২০২০ সালে বিআইডব্লিউটি’র বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলীরা সরেজমিনে স্টাডি করে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) প্রস্তত করেন। এরপর ২০২১ সালে প্রকল্পটি পরিকল্পনা কমিশনে প্রেরণ করা হয়। পরিকল্পনা কমিশন প্রকল্পটি সংশোধন করে দিতে কিছু নোট দিয়ে বিআইডব্লিউটিএ- তে ফেরত পাঠায়। ২০২২ সালের শুরুর দিকে সংশোধন করে পুনরায় প্রকল্পটি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হলে আবার প্রকল্পটি সংশোধন করতে বিআইডব্লিউটিএতে ফেরত আসে।

এভাবে একের পর লাল ফিতার দৌরাত্ম্যে ৪ বছর অতিক্রম হয়ে গেছে। সময় গড়িয়ে যাচ্ছে কিন্তু নদী খননতো দুরের কথা সিলেটের সাধারণ মানুষ এই প্রকল্পের বাস্তবতার ছিটেফুটোও দেখেনি।

সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, প্রায় ৫ লাখ মানুষ পানিবন্ধি
                                  

বাবুল মিয়া, সুনামগঞ্জ:

লাগাতার ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে গেছে। সুনামগঞ্জের দোয়ারা বাজার, ছাতক, জগন্নাথপুর, দিরাই, শাল্লা, তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, মধ্যনগর, বিশ্বম্ভপুর ও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ পানিবন্ধী রয়েছে। রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এসব এলাকার সাধারণ মানুষ।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য মতে আগামী ২৪/২৫ জুন পর্যন্ত মাঝারি ধরণের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বড় কোন বন্যার আশঙ্কা নেই। সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছেন সুরমা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে।

সর্বশেষ বন্যা পূর্বাভাস থেকে জানা যায়, সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৪০ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর পানি কমলেও ধীরে ধীরে বাড়ছে সুনামগঞ্জের হাওরগুলোর পানি। থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ার কারণে ২০২২ সালের বন্যার আশঙ্কায় আতঙ্কিত বন্যা কবলিত এলাকার মানুষ।

সুনামগঞ্জ পৌর শহরে বড়পাড়া, পশ্চিম তেঘরিয়া, হাজীপাড়া, নতুনপাড়া, পূর্ব নতুনপাড়া, জামতলা, জামাইপাড়া, শান্তিবাগ, বিলপাড়, মুহাম্মদপুর, মল্লিকপুর, ওয়েজখালী, হাসন বসত, কালিপুর, পাঠানবাড়ি, নবীনগর, ধোপাখালী এলাকার লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্ধী। বসত বাড়িতে পানি উঠায় গবাদিপশু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন বানভাসি মানুষ। পৌর এলাকার তেঘরিয়া মহল্লার কিছু গবাদিপশু রাখা হয়েছে জেলা প্রশাসনের সেবাচত্বরের টিনশেড ঘরে। বন্যায় তলিয়ে গেছে শহরের উকিলপাড়ায় অবস্থিত (বক পয়েন্ট সংলগ্ন) প্রেস ক্লাব ভবন। পানিতে ভিজে নষ্ট হয়েছে আসবাবপত্র ও মূল্যবান কাগজপত্র। বন্যার্ত মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে মোট ৪৫ জন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বন্যা দুর্গত এলাকায় বিতরণ করা হচ্ছে শুকনো খাবার চিড়া,গুড়, বিস্কুট, মোমবাতি, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, খাবার সেলাই ইত্যাদি। গতকাল থেকে দুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছেন সুনামগঞ্জ সদর আসনের সংসদ সদস্য ড. মোহাম্মদ সাদিক, জেলা প্রশাসক রাশেদ ইকবাল চৌধুরী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান খায়রুল হুদা চপল।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক, রাশেদ ইকবাল চৌধুরী। বানভাসি মানুষের জন্য সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৬২টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

আরো ১০ দিন ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে সিলেটে, জেলা ও উপজেলা শহরের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
                                  

সিলেট ব্যুরো:

সিলেটে আরও ১০ দিন ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সময় যত গড়াচ্ছে উজানের ঢল ও বৃষ্টিতে সিলেটে ও সুনামগঞ্জ সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। পাহাড়ি ঢল আরো ২৪ ঘণ্টা অব্যাহত থাকবে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে। সিলেটে ৭ লাখ মানুষ পানি বন্ধীয় হয়ে পড়েছেন।

এদিকে সুনামগঞ্জ জেলায় অন্তত ২০০ গ্রামের মানুষ নতুন করে পানিবন্দী। ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি মঙ্গলবার (১৮জুন) সন্ধ্যা থেকে অবনতির দিকে। শহরের পানি কমলেও বিভিন্ন আবাসিক এলাকা এখনো তলিয়ে আছে। বর্তমানে সুরমা নদীর পানি সুনামগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ও সিলেট পয়েন্টে ১৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এছাড়া কুশিয়ারা, সারি ও সারি গোয়াইন নদীর পানিও বিপৎসীমার উপরে বইছে। মঙ্গলবার (১৮ জুন) পর্যন্ত সিলেটে ১ হাজার ৩২৩টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে ৬ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ বন্যা কবলিত হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট মহানগরের ২১টি ওয়ার্ডে গ্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী। সুুনামগঞ্জে বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে প্রায় ৫ হাজার ও সিলেটে ২ হাজার ৮শ মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।

এদিকে, সিলেট ও সুনামগঞ্জের সকল পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। বিশ্বনাথ উপজেলায় ত্রাণ বিতরণ করেছে প্রশাসন।

এদিকে, সিলেট বিভাগে আরো ১০ দিন মাঝারি থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এতে ওই অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। সিলেটে পানি বাড়ার সাথে সাথে ইতোমধ্যে জেলা শহরের সাথে উপজেলার শহরের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নিজের পক্ষে মানববন্ধনে বাধ্য করান আবু ডাকাত
                                  

মাধবপুর প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুরে ৪১ মামলার আসামী আবু ডাকাত সংখ্যালঘুদের ভয় দেখিয়ে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন। মঙ্গলবার (১৮ জুন) বিকালে আদাঐর ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের একটি বাড়িতে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করার জন্য ৪১ মামলার আসামী আবু মিয়া হিন্দু সংখ্যালঘুদের ভয়ভীতি ও ছোট বাচ্চাদের বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করান।

জানা যায়, হত্যা, গুম, অপহরণ, চুরি, ডাকাতি ও চাঁদাবাজি সহ ৪১ মামলার আসামী আবু মিয়ার বিরুদ্ধে দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার মাধবপুর প্রতিনিধি শ্রীবাস সরকার ধারাবাহিক নিউজ করলে ক্ষেপে যান তিনি। বিভিন্ন মাধ্যমে সাংবাদিক শ্রীবাস সরকারকে হুমকি দিতে থাকেন। অবশেষে সাংবাদিক শ্রীবাস সরকারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করতে মঙ্গলবার সকাল থেকেই সুলতানপুর ও মেহেরপুর গ্রামের হিন্দু সংখ্যালঘুদের বাড়ি বাড়ি ঘুরে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করতে বলেন। মানববন্ধনে অংশগ্রহণ না করলে ভবিষ্যৎ পরিণতি খারাপ হবে বলে হুমকি দেন।

এমন পরিস্থিতিতে আবু মিয়ার হাত থেকে বাঁচতে সংখ্যালঘুরা মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। তবে আবু ডাকাতের কিছু সহযোগী ছাড়া সুশীল সমাজের কোন লোক মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেননি।

সিলেট বাড়ছে নদ-নদীর পানি, ঈদ আনন্দে ভাটা
                                  

সিলেট ব্যুরো:

পবিত্র ঈদুল আজহার মুহুর্তে সিলেটের নদনদীর পানিবৃদ্ধিতে এ অঞ্চলের ঈদ আনন্দ ফিকে হতে চলেছে। ইতোমধ্যে সিলেটের বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যার পানিতে নিমজ্জিত থাকায় সেখানে নেই কোনো ঈদের আনন্দ। দফায় দফায় বন্যায় মানুষের বাড়ি ঘরের ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হওয়ায় এবছর অনেকেই কোরবানি দিতে পারছেন না।

গত বৃহস্পতিবার (১৩ জনু) ভোর থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টি ও ভারতের চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টিপাত চলমান থাকায় সিলেটের নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। আর এই ঈদের খুশির সঙ্গে সিলেটবাসী দুয়ারে কড়া নাড়ছে আবারো বড় ধরণের বন্যা আতঙ্ক।

শুক্রবার (১৪ জুন) দিনে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কিছুটা কমলেও সন্ধ্যার পর থেকে আবারও শুরু হয় বৃষ্টি। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার (১৫ জুন) বেলা ১২টা পর্যন্ত টানা বৃষ্টির কারণে নদ নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে কুশিয়ারা নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ও সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে, সিলেটে শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে ৬২ মিলিমিটার। শনিবার (১৫ জুন) সকাল ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত সিলেটে বৃষ্টিপাত হয়েছে ৪৫ মিলিমিটার। সকাল ৯টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে ১১ মিলিমিটার। কিন্তু রোববার সকাল ১০টা পর্যন্ত কত মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত তথ্য দিতে পারেনি আবহাওয়া অফিস।

এদিকে ভারতের আবহাওয়া বিভাগের তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত) ভারতের চেরাপুঞ্জিতে ৫১৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। যার ফলে সিলেটের সবকটি নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে।

অপর দিকে পাঁচদিন সিলেট অঞ্চলে ভারি বৃষ্টিপাতের আশঙ্কার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিলেট কার্যালয়ের তথ্য মতে, বর্ষাকালে সুরমা নদীর কানাইঘাট এলাকার ডেঞ্জার লেভেল ১২ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার। শুক্রবার এই পয়েন্টে পানি ছিল ১১ দশমিক ৮৫ সেন্টিমিটার। শনিবার দুপুর ৩টায় এই পয়েন্টে পানি ১৩ দশমিক ৩৪ সেন্টিমিটার। এই পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৫৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবহিত হচ্ছে।

সিলেট পয়েন্টে সুরমা নদীর ডেঞ্জার লেভেল ১০ দশমিক ৮০ সেন্টিমিটার। শুক্রবার এই পয়েন্টে নদীর পানি ছিল ৯ দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার। শনিবার দুপুর ৩টায় এই পয়েন্টে পানি ১০ দশমিক ৩১ সেন্টিমিটার।

কুশিয়ারা নদীর পানি আমলশিদ পয়েন্টে ডেঞ্জার লেভেল হচ্ছে ১৫ দশমিক ৪০ সেন্টিমিটার। শুক্রবার এই পয়েন্টে নদীর পানি ছিল ১৩ দশমিক ৫৯ সেন্টিমিটার। শনিবার দুপুর ৩টায় এই পয়েন্টে পানি ১৪ দশমিক ৫২ সেন্টিমিটার।

কুশিয়ারা নদী ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে পানির ডেঞ্জার লেভেল ৯ দশমিক ৪৫ সেন্টিমিটার। শনিবার এই পয়েন্টে পানি ছিল ৯ দশমিক ৯৪ সেন্টিমিটার। শনিবার দুপুর ৩টায় এই পয়েন্টে পানি ১০ দশমিক ১৩ সেন্টিমিটার। এই পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ৫৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবহিত হচ্ছে।

সারি নদীর সারিঘাট পয়েন্টে ডেঞ্জার লেভেল হল ১২ দশমিক ৩৫ সেন্টিমিটার। শুক্রবার এই পয়েন্টে নদীর পানি ছিল ১০ দশমিক ৫৮ সেন্টিমিটার। শনিবার দুপুর ৩টায় এই পয়েন্টে পানি ১২ দশমিক ১৯ সেন্টিমিটার। সারিগোয়াইন নদীর গোয়াইনঘাট পয়েন্টে ডেঞ্জার লেভেল হলো ১০ দশমিক ৮২ সেন্টিমিটার। শুক্রবার এই পয়েন্টে নদীর পানি ছিল ৯ দশমিক ৪৩ সেন্টিমিটার। শনিবার দুপুর ৩টায় এই পয়েন্টে পানি ১০ দশমিক ১২ সেন্টিমিটার। পিয়াইন (ডাউকি) নদীর জাফলং পয়েন্টে ডেঞ্জার লেভেল হল ১৩ দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার। শনিবার এই পয়েন্টে পানি ছিল ৯ দশমিক ৭৩ সেন্টিমিটার। শনিবার দুপুর ৩টায় এই পয়েন্টে পানি ১০ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার। সকল নদ নদীদের পানি বৃদ্ধির পফে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ঈদে সবাইকে বন্যা মোকাবেলায় প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে।

নার্সারি করে স্বাবলম্বী ছাদেক আলীর গল্প
                                  

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বড়খাল গ্রামের বৃক্ষপ্রেমিক ছাদেক আলী নার্সারি করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন। প্রতিবছর ১০ লাখ টাকার গাছের চারা বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে তিনি লাভবান হচ্ছেন। নার্সারিতে পাঁচ জন শ্রমিক কাজ করেন। পাশাপাশি ছেলে ও স্ত্রী তাঁকে সহযোগিতা করেন।

বাংলাবাজার ইউনিয়নের বড়খাল গ্রামের শাহাব উদ্দিনের পুত্র ছাদেক আলী। পিতার হাত ধরেই বড়খাল স্কুল ও কলেজ সড়ক সংলগ্ন ৪০ শতক জমি লিজ নিয়ে দীর্ঘ একযুগ ধরে গড়ে তুলেছেন দেশি-বিদেশি গাছের চারা। নাম দিয়েছেন ‘মা-বাবার স্বপ্ন নার্সারি’। এখন বাণিজ্যিকভাবে সফলতাও পাচ্ছেন তিনি। প্রতিবছর নতুন নতুন জাত সংগ্রহ করে এলাকায় বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন।

বেকার যুবক ছাদেক আলী পারিবারিক দৈন্যদশার কারণে লেখাপড়া করতে পারেননি। পিতার হাতধরে তিনি নার্সারিতে এসে খুলে যায় তাঁর ভাগ্যের চাকা।

ছাদেক আলীর নার্সারিতে আম বারি-৪, সূর্যডিম, কাটিমন, সুবর্ণরেখা, আম্রপালিসহ প্রায় ৫০ জাতের দেশি-বিদেশি আমের চারা রয়েছে। এছাড়া চায়না-৩ লিচু, বেদানা লিচু, মুম্বাই লিচু, জাম, আঙ্গুর, ভিয়েতনামি কাঁঠাল, পেয়ারা, রাম্বুটান, সাতকরা, থাই পেয়ারা, লটকন, আমলকি, কদবেল, পেঁপে, সফেদা, ভিয়েতনামি নারিকেল, জামরুল, বেদানা, ডালিম, আপেল, সাদা আপেল, কমলা, নাশপাতি, বেল, চালতা, আমড়া, ড্রাগন ফল, মিষ্টি জলপাই, করমচা, লটকন, চায়না কমলা, কাশ্মীরি কুল, বাউকুলসহ প্রায় শতাধিক দেশি-বিদেশি ফল ও ফুলের চারা রয়েছে। এ ছাড়া বারোমাসী শজনে, এলাচি, দারুচিনি, লবঙ্গ, তেজপাতা, গোলমরিচ, এলোভেরা, শতমূলী, তুলসীসহ বিভিন্ন মসলা, ঔষধি গাছ, কাঠের গাছ, সবজির চারা পাওয়া যায়।

ছাদেক আলী বলেন, পারিবারিকভাবে আমি নার্সারি করে আসছি। এর আয় থেকে চলে আমার পরিবার। বাবার পর আমি ১২ বছর ধরে এখানে নার্সারি করছি। বাণিজ্যিকভাবে সফল হয়েছি। কিন্তু কখনো পাইনি সরকারি-বেসরকারি কোনো সহযোগিতা। স্থানীয়ভাবে চারা বিক্রিসহ বর্তমানে অনলাইনেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছে আমার নার্সারির উন্নত জাতের চারা।

উপজেলা কৃষি অফিসার শেখ মো. মহসিন বলেন, অজপাড়াগাঁয়ে একটি নার্সারিতে এভাবে ফুল, ফলদ, সবজি, ঔষধি চারার ব্যাপক সংগ্রহ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তার নার্সারি থেকে উৎসাহ পেয়ে গাছ লাগানোটা হতে পারে সামাজিক বন্ধন ও সুস্থ বিনোদনের উৎস। তাছাড়া পরিবর্তিত জলবায়ুর বিরূপ প্রতিক্রিয়া থেকে বাঁচতে বৃক্ষ রোপণের বিকল্প নেই।

সিলেটে পেঁয়াজের ঝাঁজে ক্রেতারা অসহায়
                                  

সিলেট ব্যুরো:

সিলেটে হঠাৎ করে পেঁয়াজের দামে আগুন লেগেছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম এখন একশত টাকা। ঈদকে সামনে রেখে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও সিন্ডিকেট চক্র পেঁয়াজের দাম বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ করছেন ক্রেতারা। পাশা পাশি প্রায় সকল মসলার দামও বেড়েছে।

সিলেটে পেঁয়াজ ছাড়াও সকল নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। এককেজি আলু কিনতে ক্রেতাকে ব্যয় করতে হচ্ছে ৭০-৭৫ টাকা। যা কিছু দিন আগেও ৪৫ টাকা ছিল। এছাড়া ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি শুরু করলেও এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ২০ টাকা বেড়ে ৯৫-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাড়তি সব ধরনের সবজির দামও। ফলে এমন পিরিস্থিতিতে এসব পণ্য কিনতে ক্রেতার নাভিশ্বাস বাড়ছে। সিলেটের একাধিক খুচরা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

এদিকে জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। সেখানে নিত্যপণ্যের মধ্যে ধান, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, মটরশুঁটি, ছোলা, মসুর ডাল, আদা, হলুদ, শুকনো মরিচ, ডাল, ভুট্টা, আটা, লবণ, ভোজ্যতেল, চিনি কেনার জন্য স্থানীয় ঋণপত্রের উৎসে কর ৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করা হয়েছে। এতে কিছুটা হলেও এ সবের দাম কমবে। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন বাজেটে এসব পণ্যের উৎসে কর কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। যে কারণে বাজারে বাজেটের কোনো ইতিবাচক প্রভাব এখন দেখা যাবে না। এর জন্য ক্রেতাদের অপেক্ষা করতে হবে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজেটে কোনো পণ্যের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হলে সেটা সঙ্গে-সঙ্গে কার্যকর হয়। যেমন সিগারেটসহ অনেক পণ্যই সঙ্গে সঙ্গে বিক্রেতারা বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। কিন্তু কমানোর প্রস্তাব করা হলে বাজেট পাশের অজুহাত দেখায়।

খুচরা বাজার ঘুরে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এদিন প্রতি ডজন (১২ পিস) ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০-১৬৫ টাকা। এক হালি (৪ পিস) বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা। আর প্রতি পিস কিনতে ক্রেতার ১৪ টাকা গুনতে হচ্ছে। যা গত বছর একই সময়ে ১২ থেকে সাড়ে ১২ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

বন্দরবাজারে ডিম কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন বলেন, ডিম নিয়ে বিক্রেতাদের কারসাজির কোনো শেষ নেই। এক পিস ডিম কিনতে ১৪ টাকা গুনতে হচ্ছে। কিন্তু বাজারে ডিমের সরবরাহের কোনো ঘাটতি নেই। বিক্রেতা তাদের ইচ্ছা মতো ডিমের দাম নির্ধারণ করে বিক্রি করছেন। আর এসব দেখার জন্য সরকারের যেসব সংস্থা রয়েছে, তারাও কিছু করছে না। একই বাজারের ডিম বিক্রেতারা জানান, পাইকারি বাজারে সিন্ডিকেটের কারণে ডিমের দাম বাড়তি। তারা বিভিন্ন জায়গায় ডিম মজুত করে দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। যা ইতোমধ্যে বিভিন্ন সংস্থা হাতে নাতে ধরেছে। তারপরও কিছুই করতে পারছে না। সেই চক্রের সদস্যদের শাস্তির আওতায় আনা গেলে ডিমের দাম কমে যাবে।

বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খুচরা বাজারে প্রতি কেজি এলাচ বিক্রি হচ্ছে ৩২০০-৪০০০ টাকায়। যা গত বছর একই সময়ে ১৬০০-২৮০০ টাকা ছিল। বাজারে দেশি রসুনের কেজি ২০০-২২০ টাকা। যা আগে ১৩০-১৫০ টাকা ছিল। বাজারে প্রতি কেজি দেশি আদা বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৪৫০ টাকা। যা গত বছর একই সময় ৩৮০-৪০০ টাকা ছিল। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশি হলুদ বিক্রি হচ্ছে ৩১০-৪০০ টাকা, যা ছিল ২৩০-২৮০ টাকা। প্রতি কেজি দারুচিনি বিক্রি হচ্ছে ৫০০-৬০০ টাকায়। যা গত বছর কুরবানির ঈদের আগে ছিল ৪৫০-৫২০ টাকা। লবঙ্গ ১৬৫০ থেকে ১৮০০ টাকা, যা গত বছর একই সময় ছিল ১৫০০-১৬০০ টাকা।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি বরবটি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০ টাকা। গাজর ১২০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৫০ টাকা, যা এক দিন আগেও ৪০ টাকা ছিল। করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, যা ৭ দিন আগে ছিল ৫০ টাকা। এছাড়া বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০-৮০ টাকা। প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকা।

রাতভর টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
                                  

সিলেট ব্যুরো:

শনিবার রাত ভর টানা বৃষ্টিতে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে আবারও পানি উঠেছে। জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে হাসপাতালে প্রধান ফটকে। অতিরিক্ত জলাবদ্ধতায় নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে রোগী ও হাসপাতালের র্কর্তৃপক্ষ। বার বার হাসপাতালে বন্যা ও বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাওয়াতে ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হচ্ছে জানান কর্তৃপক্ষ।

শনিবার সন্ধ্যা থেকেই থেমে থেমে মশাল ধারে বৃষ্টি হয়। এরপর টানা প্রায় ৪ ঘণ্টার বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে ওসমানী কলেজ ভবন। একই সঙ্গে হাসপাতালের ২৬, ২৭নং ওয়ার্ড রয়েছে ঝুঁকিতে। ছুঁই ছুঁই করছে পানি। যে কোনো সময় পানিতে ভেসে যেতে পারে নিচ তলার ওয়ার্ডগুলো।

হাসপাতালে আসা কয়েক জন রোগীর সাথে কথা বললে তারা জানান, যে ভাবে বৃষ্টি পানি হাসপাতালে ঢুকতেছে ২৬-২৭ নং ওয়ার্ড যেকোনো সময় পানি উঠে ব্যহত হতে পারে চিকিৎসা সেবা।

এদিকে সিলেটের আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজীব হোসাইন জানান, সিলেটে রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ৪ ঘণ্টায় ২২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

বন্যাকবলিত সিলেট নগরীতে বিশুদ্ধ খাবার পানি সংকট
                                  

সিলেট ব্যুরো:

পাহাড়ি ঢল আর টানা বৃষ্টিপাতে সিলেট নগরীর নিচু এলাকায় বন্যার পানি ঢুকে প্লাবিত হয়েছে। জলাবদ্ধতার কারণে সিলেট নগরবাসী বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়েছেন।

সিলেট নগরের উপশহর, তের রতন, সোবহানীঘাট, মেন্দিবাগ, কাজিরবাজার এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

জলাবদ্ধ নগরের সোবহানীঘাট এলাকার এক ভূক্তভোগী বলেন, ‘পানির মাঝে ভাসতাছি। না আছে খাওয়ার পানি, না আছে নাওয়ার (গোসলের) পানি, না আছে ব্যবহারের পানি। আমরা কিভাবে চলমু। সারা শরীরে চুলকাচ্ছে।’

বিশুদ্ধ পানি কিভাবে জোগাড় করছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সিটি করর্পোরেশন মাঝে মধ্যে ছাড়ে একটু পানি। তখন কোমর পানি ভেঙে গিয়ে খাওয়ার জন্য এক ফোঁটা পানি নিয়ে আসি। চার দিন ধরে এমন চলছে।

এ বিষয়ে সিলেট সিটি করর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, ‘সিসিকের পানির লাইন অনেক এলাকায় ডুবে থাকায় পানি সরবরাহ বাধা গ্রস্ত হচ্ছে। তবে আজকে (রোববার) থেকে আমরা জলাবদ্ধ এলাকার মানুষের মাঝে শুকনা খাবারের পাশাপাশি দুই লিটার করে পানি সরবরাহ শুরু করেছি।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বলছে, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানি ধীর গতিতে কমতে পারে। এতে ধীর গতিতে হলেও সিলেটের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

পাউবোর বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকালে সিলেট জেলার দুটি নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে ছিল। সকাল ৯টায় কুশিয়ারা নদীর পানি জকিগঞ্জের অমলসীদ পয়েন্টে বিপদসীমার ১৯৪ সেন্টিমিটার ও বিয়ানীবাজারের শেওলা পয়েন্টে ৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এ সময় সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ৮৫ সেন্টিমিটার ও সিলেট পয়েন্টে বিপদসীমার সাত সেন্টিমিটার ওপরে ছিল।

এদিকে আজ সকাল থেকে জেলার নদ-নদীর পানি আরো খানিকটা কমেছে। জেলার গোয়াইনঘাট, জকিগঞ্জ, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। এসব এলাকার নিম্নাঞ্চলে পানি এখনো থাকলেও তা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কমছে। গোলাপগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণ সুরমা ও বিয়ানীবাজারে নদীর পানি নেমে গেছে।

লা-থি-তে ৭ মাসের গর্ভ সন্তানের মৃ ত্যু, কাউন্সিলর সহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা
                                  

সিলেট প্রতিনিধি:

সিলেটে বাসা নিয়ে দ্বন্দ্বে ৭ মাসের গর্ভবতীর পেঠে লাথি মেরে সন্তানের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ২৫ এপিল সকাল ৯ ঘটিকার সময় সিলেট নগরীর ২৪ নং ওয়ার্ডের লামাপাড়া (খন্ডিকরপাড়ায়)। ভুক্তোভোগী লিপি বেগম বাদী হয়ে সিলেট মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত ২৬ মে মামলাটি দায়ের করলে আদালত শাহপরান (র.) থানাকে মামলা এজাহার হিসেবে গন্য করার আদেশ দেন।

মামলায় আসামী যারা হলেন, বশির আহমদ (৬০), মনজুর রহমান মনজুর (২৭), সাইদুর রহমান সাইদ, মিজানুর রহমান মিজান, সালমা বেগম (৪৫), কয়েছ আহমদ, আব্দুর রকিব তুহিন (৫০), মুশাহিদ আলী (৬০), মামুন উদ্দিন মামুন (৩৬), ইব্রাহিম চৌধুরী আদহাম (২৮), সালেহ আহমদ ছালিক (৫৫), আব্দুর রহিম (৫০)।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী শাহ্পরান থানা মামলা এহজার হিসেবে গণ্য করে। মামলায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর আব্দুর রকিব তুহিনসহ মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে এহজার হিসেবে গণ্য করা হয়।

বাদীনির অভিযোগে জানা যায়, আসামীরা জোর পূর্বক সিলেট সিটি কর্পোরেশনের বিল্ডিং কোড অমান্য করে বাদীর স্বামীর জায়গা দখলের পায়তারা করার নিমিত্তে বাদীর বাসা ঘেষে একটি জরাজীর্ন বাসা নির্মাণ করেন। বশির আহমদ অবৈধভাবে বিল্ডিং নির্মাণের জন্য আসলে তার স্বামী প্রতিবাদ করেন। পরে বিগত ২৫ মে রাত ১২টার পর বশিরের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র রামদা, লাঠি, লোহার রড হকিস্টিক তাদের ঘরে প্রবেশ করে স্বামীকে আঘাত করে গুরুতর আঘাত করতে উদ্ধত হলে তিনি স্বামীকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেন। এসময় বশির আহমদ ৭ মাসের অন্তস্বত্ত্বা বাদীর তলপেটে স্বজোরে লাথি মারলে বাদী ঘরের মেঝেতে পড়ে যান এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। তার আর্ত চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে চিকিৎসার জন্য সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে তার ৭ মাসের একটি মৃত সন্তান প্রসব হয়। পরে লিপি বেগম গর্ভের সন্তান মৃত্যুতে আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে শাহ্ পরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে কথা বলে তিনি জানান, আদালত থেকে একটি আদেশ এসেছে মামলা থানায় রেকর্ড করার জন্য, থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাধবপুরে সাংবাদিকসহ ৪ জনের নামে থানায় মামলা
                                  

মাধবপুর প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুরে ৩ মাস আগে দাখিল পরীক্ষা চলাকালে মাওলানা আসাদ আলী ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে দৈনিক কালবেলার মাধবপুর প্রতিনিধি মুজাহিদ মসি সহ ৪ জনের নামে থানায় মামলা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ সালের দাখিল পরীক্ষা শুরুর আধাঘন্টা আগে মৌলানা আসাদ আলী ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্রের অফিসে কমলপুর হযরত শাহজালাল (রঃ) আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আনিছুর রহমান আদিল কেন্দ্র সচিব সিদ্দিকুর রহমানের কাছে তার মাদ্রাসার একজন অতিরিক্ত শিক্ষককে অফিসে রাখার প্রস্তাব দেন। কেন্দ্র সচিব তার এই প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় আনিছুর কেন্দ্র সচিবের সাথে বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শাহানা সুলতানার উপস্থিতিতে হুমকি দিয়ে বলেন, কিভাবে এখানে কেন্দ্র থাকে তা তিনি দেখে নেবেন। এই ঘটনার জেরে ২০ ফেব্রুয়ারী বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা চলার কিছু সময় পর কেন্দ্র সচিব সিদ্দিকুর রহমান কক্ষ পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে থাকা কমলপুর হযরত শাহজালাল (র:) মাদ্রাসার দুই শিক্ষকের (মাহমুদুল হাসান তামিম ও হামিদুর রহমান) কাছে মোবাইল ফোন থাকার বিষয়টি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোনগুলো জব্দ করেন। এর আগে হাবিবুর রহমান নামক কমলপুর মাদ্রাসার শিক্ষক একই কক্ষে দায়িত্বরত আব্দাল মিয়াকে কেন্দ্রে সাংবাদিক আসতে পারেন বলে জানান। এর আধাঘন্টার মধ্যেই দৈনিক কালবেলার মাধবপুর প্রতিনিধি মুজাহিদ মসি সহ আরো কয়েকজন সাংবাদিক পরীক্ষা কেন্দ্রে অনধিকার প্রবেশ পূর্বক সাথে থাকা মোবাইল ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস দিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। এই ঘটনার পিছনে সাংবাদিক মুজাহিদ মসির সহোদর কমলপুর মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আনিছুর রহমান আদিলের উসকানি আছে বলে মামলার এজাহারে দাবি করা হয়।

এ মামলায় মুজাহিদ মসি, তার ভাই কমলপুর হযরত শাহজালাল (রঃ) আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আনিছুর রহমান আদিল, একই মাদ্রাসার শিক্ষক মাহমুদুল হাসান তামিম ও হামিদুর রহমানকে আসামী করা হয়েছে।

মামলার বাদী মাধবপুর দরগাবাড়ী পৌর দাখিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব সিদ্দিকুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে ‘এ বিষয়ে পরে কথা বলি’ বলে ফোনের সংযোগ কেটে দেন।
সাংবাদিক মুজাহিদ মসি দাবি করেছেন, ওইদিন পেশাগত দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে নিয়ম মেনে কেন্দ্রের দায়িত্বশীলদের অনুমতি নিয়েই কেন্দ্রে প্রবেশ করেছিলেন তিনি। কেন্দ্রে প্রবেশের পর সেখানে নকলের ‘মহোৎসব’ দেখতে পান। দরগাবাড়ী পৌর দাখিল মাদ্রাসার সহকারী সুপারিন্টেন্ডেন্ট সেলিম মিয়াকে একটি কক্ষে পরীক্ষার্থীদের উত্তর বলে দিতে দেখতে পেয়ে কৌশলে তা রেকর্ড করে দায়িত্বশীল বিভিন্ন কর্মকর্তার কাছে সেই অডিও ক্লিপ পাঠান তিনি। একপর্যায়ে সেলিম মিয়াকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে দেন ইউএনও একেএম ফয়সাল। সেলিম মিয়ার নামে পরদিন কেন্দ্র সচিব সিদ্দিকুর রহমান বাদি হয়ে থানায় মামলা করেন। আদালত থেকে সেলিম মিয়া জামিন পেলেও মামলাটি চলমান রয়েছে। মুজাহিদ মসি জানান, তিনি কোনো অনিয়ম করেন নি।

আ.লীগ নেতার মৃত্যু, সিলেট মহানগর আ.লীগের শোক
                                  

সিলেট ব্যুরো:

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী সিদ্দেক আলী তালুকদার ইন্তেকাল করেছেন(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

এক শোক বার্তায় সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোঃ জাকির হোসেন তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং মহান আল্লাহতালা যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন সেই দোয়া করেন।

রবিবার (৫ মে ২০২৪) দিবাগত-রাত ১টা ৩০ মিনিটে আখালিয়া মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। মৃত্যুকালে তিনি পরিবার-পরিজন আত্মীয় স্বজন, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আজ বাদ যোহর আখালিয়া নবাবী মসজিদে মরহুমের নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

সিলেটে ভারি বৃষ্টিপাত ও বন্যার আশঙ্কা
                                  

সিলেট ব্যুরো:

সিলেটে ভারি বৃষ্টিপাতে হাওর ও নদীর পানি বৃদ্ধির পূর্বাভাস পাওয়া গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর মে মাসের আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দিয়েছে। বলা হয়েছে, এ মাসে দেশের উত্তরাঞ্চল বা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের (সিলেটসহ হাওরাঞ্চল) নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে। কিছু কিছু জায়গায় তা বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে।

অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান (২ মে) বৃহস্পতিবার এ পূর্বাভাস দেন। সেখানে মে মাসের গরম, তাপপ্রবাহ, বৃষ্টি, নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড়-এসব বিষয়ে পূর্বাভাস দেওয়া হয়ছে।

পাউবো জানিয়েছে, ইতিমধ্যে সিলেটের নদী গুলোতে কিছু পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে তা বিপদসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মে মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টিই হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও এক থেকে তিনটি মৃদু ও মাঝারি এবং এক থেকে দুটি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এ মাসে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

এপ্রিল মাস জুড়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপ প্রবাহ বয়ে গেছে। এমন অবস্থা গত ৭৬ বছরে হয়নি বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছিল।

তবে মে মাসের তাপমাত্রা এপ্রিল মাসের চেয়ে কিছুটা কম থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান। তিনি বলেন, মে মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টি হলেও তাপমাত্রা একটু বেশি থাকতে পারে বিদায় ভারি বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মে মাসে তিন থেকে পাঁচ দিন হালকা ধরনের কালবৈশাখী হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আর দুই থেকে তিন দিন বজ্র-শিলাবৃষ্টিসহ মাঝারি ও তীব্র কালবৈশাখী হতে পারে।

চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এ মাসের মাঝামাঝি সময়ে একটি নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলেও এ বার্তায় বলা হয়েছে।

মাধবপুরে বাইসাইকেল চ ুরি র অভিযোগে ২ স্কুল নৈশপ্রহরী গ্রেপ্তার
                                  

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুরে তালা ভেঙে সাইকেল চুরির অপরাধে সরকারি স্কুলের দু’জন নৈশ প্রহরীকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২ মে) দুপুরে মাধবপুর থানার এস আই সাইদুর রহমান এ দুজনকে গ্রেফতার করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে সাইকেলটি উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, গত ৩০ এপ্রিল সকাল ৯টার সময় মাধবপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র যুবায়ের রহমান জিন্নাহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ের সামনে গ্রীলের সাথে বাইসাইকেলটি তালা দিয়ে স্কুলে যায়। এরপর টিফিনের সময় স্কুল থেকে বের হয়ে সাইকেলটি সেখানে পায়নি। পরবর্তীতে সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখা যায়, ১১টা ৫৭ মিনিটে সাইকেলের তালা ভেঙ্গে সাইকেলটি চুরি করে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে স্কুল ছাত্র জুবায়ের রহমান জিন্নাহর মা রোহেনা আক্তার বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।

আটককৃতরা হলেন, আন্দিউড়া ইউপির মীরনগর গ্রামের খুরশেদ আলীর ছেলে ও মীরনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরী জহিরুল ইসলাম (৩৯), অপরজন মাধবপুর পৌরসভার কৃষ্ণনগর গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে ও কাটিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরী মোশাহিদ ভূঁইয়া (২৭) ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসি (তদন্ত) আতিকুর রহমান বলেন, চুরির দায়ে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মাধবপুরে ট্রাক-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে নিহত ৫, একই পরিবারের ৪ জন
                                  

মাধবপুর প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জের মাধবপুরে ট্রাক ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ৫ জন নিহত হয়েছেন । নিহতদের মধ্যে ৪ জন একই পরিবারের বলে স্থানীয়রা জানান।

বৃহস্পতিবার (২মে) রাত দেড়টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হরিতলা নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিদেশ থেকে ফেরা এক ব্যক্তি প্রাইভেটকারে স্বজনদের নিয়ে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসে। রাত দেড়টার দিকে হরিতলার বাদশা কোম্পানি এলাকায় পৌঁছলে ঢাকাগামী একটি ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই পাঁচ জন মারা যায়। এরপর প্রাইভেটকার থেকে এক নারী সহ পাঁচ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কিন্তু তাদের নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ওসি মোহাম্মদ রফিবুল ইসলাম খান জানান, মরদেহগুলো হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এবং গাড়ি দুটি জব্দ করা হয়েছে।

স্কুল ঘর বিক্রি করে দিয়েছেন প্রধান শিক্ষক!
                                  

শ্রীবাস সরকার, মাধবপুর প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুরে ‘ছাতিয়াইন বিশ্বনাথ হাই স্কুল এন্ড কলেজ’র প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে টিন সেডের ঘর বিক্রির টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে।

ছাতিয়াইন বিশ্বনাথ হাই স্কুল এন্ড কলেজের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির খবর জানতে অনুসন্ধানে গেলে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বেরিয়ে আসে নানা রকম অনিয়ম ও দুর্নীতি।

অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ ওই স্কুলের টিন সেডের একটি ঘর বিক্রি করে দিয়েছেন। কিন্তু কোথায় এবং কত টাকায় বিক্রি করে দিয়েছেন এর কোন হদিস স্কুলের কোন শিক্ষক বলতে পারেননি। কারণ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো কথা বললেই চাকরি হারাতে হয়। যারাই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন তারাই চাকরি হারিয়েছেন। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানিয়েছেন যে, টিন সেডের ঘরটির মূল্য অনুমান তিন লক্ষ টাকা হবে।

এ রকম নানান অভিযোগ ও দুর্নীতিতে জড়িত প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ। যেখানে স্কুলের উন্নয়নমূলক কাজে মালামাল ক্রয় করতে যাতায়াত খরচ ৫৫ টাকা, সেখানে ৪ জনের যাতায়াত ও খাবরের বিল ভাউচারে দেখানো হয়েছে ২১শ টাকা। একই ভাউচার মাত্র ৫ দিনের মাথায় ৩ জনের যাতায়াত ও খাবারের বিল ভাউচারে দেখানো হয়েছে ১৪শ টাকা। আশ্চর্যের বিষয় হলো যে হোটেলে ১৮ তারিখ খাবার খেয়েছে ঐ হোটেলে আবার ২৩ তারিখেই খেয়েছেন। দুই বারে খাবার ও যাতায়াতের খরচ তুলেছেন হোটেলের এক মেমোতেই, মোট ভাউচার দেখিয়েছেন ৩৫০০ টাকা। যা কোন হোটেল কর্তৃপক্ষ কখনোই করার কথা নয়।

এছাড়াও স্কুল উন্নয়ন কাজের জন্য মালামাল ক্রয়ের বিভিন্ন বিল ভাউচারে আকাশ পাতাল অনিয়ম রয়েছে। ছাত্র ছাত্রীদের রেজিষ্ট্রেশন অনিয়ম, কোচিং বাণিজ্য, শিক্ষকদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বিদায় দেওয়া, ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে বিদায় অনুষ্ঠান, স্কুল মাঠে গরুর হাট বসিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়া, শিক্ষক নিয়োগ বানিজ্য, স্কুল ফান্ড থেকে টাকা ধার নিয়ে আত্মসাৎ, অন্যকে ধার দেওয়া, স্কুল ফান্ডের টাকায় মোবাইল কেনা, ব্ল্যাংক বিল-ভাউচার আনা, স্কুলের পুকুর, গাছ অকশনে বানিজ্য, শতবর্ষ ফান্ড বানিজ্য এসব দুর্নীতির বিষয় নিয়ে পরের পর্বে থাকছে বিস্তারিত ।
এ বিষয়গুলো নিয়ে প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ এর সাথে কথা বললে তিনি অনিয়মের কথা অস্বীকার করে বলেন, যা যা হয়েছে কোথাও কোন অনিয়ম হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ কে এম ফয়সাল জানান, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।


   Page 1 of 122
     সিলেট
লাল ফিতার দৌরাত্ম্যে পানিতে হাবুডুবু খাচ্ছে সিলেটের মানুষ
.............................................................................................
সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, প্রায় ৫ লাখ মানুষ পানিবন্ধি
.............................................................................................
আরো ১০ দিন ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে সিলেটে, জেলা ও উপজেলা শহরের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
.............................................................................................
মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নিজের পক্ষে মানববন্ধনে বাধ্য করান আবু ডাকাত
.............................................................................................
সিলেট বাড়ছে নদ-নদীর পানি, ঈদ আনন্দে ভাটা
.............................................................................................
নার্সারি করে স্বাবলম্বী ছাদেক আলীর গল্প
.............................................................................................
সিলেটে পেঁয়াজের ঝাঁজে ক্রেতারা অসহায়
.............................................................................................
রাতভর টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
.............................................................................................
বন্যাকবলিত সিলেট নগরীতে বিশুদ্ধ খাবার পানি সংকট
.............................................................................................
লা-থি-তে ৭ মাসের গর্ভ সন্তানের মৃ ত্যু, কাউন্সিলর সহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা
.............................................................................................
মাধবপুরে সাংবাদিকসহ ৪ জনের নামে থানায় মামলা
.............................................................................................
আ.লীগ নেতার মৃত্যু, সিলেট মহানগর আ.লীগের শোক
.............................................................................................
সিলেটে ভারি বৃষ্টিপাত ও বন্যার আশঙ্কা
.............................................................................................
মাধবপুরে বাইসাইকেল চ ুরি র অভিযোগে ২ স্কুল নৈশপ্রহরী গ্রেপ্তার
.............................................................................................
মাধবপুরে ট্রাক-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে নিহত ৫, একই পরিবারের ৪ জন
.............................................................................................
স্কুল ঘর বিক্রি করে দিয়েছেন প্রধান শিক্ষক!
.............................................................................................
শ্রীমঙ্গল উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ
.............................................................................................
গোয়াইনঘাটে ভারতীয় ঔষধ জব্দ, গ্রেফতার ২
.............................................................................................
সুনামগঞ্জে ‘হলুদ সাংবাদিকতা প্রতিরোধ ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে
.............................................................................................
সিলেটের বাউল শিল্পী পাগল হাসান সড়ক দুর্ঘটনায় নি হ ত
.............................................................................................
বিশ্বনাথে মেয়রের বি রু দ্ধে ৭ কাউন্সিলরের অ না স্থা প্রস্তাব
.............................................................................................
সিলেটের ৪ উপজেলায় ৫৮ জনের মনোনয়ন দাখিল
.............................................................................................
দিরাই উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৫ জনের মনোনয়নপত্র জমা
.............................................................................................
দুবাইয়ে কানাইঘাট প্রবাসী সমাজকল্যাণ পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
সিলেট নগরীর বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন
.............................................................................................
শিশুদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে স ং ঘ র্ষ, নারীসহ আ হ ত ২৫
.............................................................................................
জাফলংয়ে পর্যটন উন্নয়ন কমিটির আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
চাল আত্মসাতের অভিযোগে চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তারের দাবি
.............................................................................................
হলি সিলেট পত্রিকার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল
.............................................................................................
এতিমদের নিয়ে দিরাই রিপোর্টার্স ইউনিটির ইফতার
.............................................................................................
৩ এপ্রিল সিলেটে ডিজিটাল সুরক্ষা-নিরাপত্তা শীর্ষক কর্মশালা
.............................................................................................
শিশু বলাৎকারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১১
.............................................................................................
শ্রীমঙ্গলে শাহ হোটেলসহ ২ প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তার জরিমানা
.............................................................................................
সিলেটে ঈদকে টার্গেট করে বেড়েছে ছিনতাই
.............................................................................................
সিলেটের জৈন্তাপুরে মহাসড়কে প্রাণ হারালেন ৪ জন
.............................................................................................
সিলেটে সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছেনা ২৯ পণ্য
.............................................................................................
দিরাইয়ে ধামাইল উৎসব উদ্বোধন করেন প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার
.............................................................................................
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মহানগর আ.লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন
.............................................................................................
সিলেটে বেড়েছে খু ন-অ প রা ধ প্রবণতা
.............................................................................................
গোয়াইনঘাট উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের কমিটি গঠন
.............................................................................................
সিলেটে আবাসিক হোটেলগুলো মিনি পতিতালয়ে পরিণত
.............................................................................................
জগন্নাথপুরে আর্চব্রিজ নির্মাণের মেয়াদ শেষ হলেও শেষ হয়নি কাজ
.............................................................................................
চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন পুলিশ সদস্য, অতপর...
.............................................................................................
সুনামগঞ্জে খাবার হোটেলগুলো পর্যটকদের কাছ থেকে আদায় করছে গলাকাটা মূল্য
.............................................................................................
কানাইঘাটে ওয়ারেন্টভুক্ত ১৪ আসামী গ্রেফতার
.............................................................................................
কপাল পুড়লো সিলেটীদের, বন্ধ হলো ব্রিটেনে কেয়ার ভিসা
.............................................................................................
মৌলভীবাজারের সম্ভাবনাময় পর্যটন স্পট ‘কোদালিছড়া’
.............................................................................................
দিরাইয়ে দোকান পু ড়ে ১০ ব্যবসায়ী নিঃস্ব, রাস্তার বেহাল দশার কারণে যেতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস
.............................................................................................
কানাইঘাটে পরিবহন ধ র্ম ঘ টে র হু ম কি
.............................................................................................
সিলেটে এহছানে এলাহীকে নাগরিক সংবর্ধনা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT