শনিবার, ২২ জানুয়ারী 2022 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   কৃষি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
পুঁজির অভাবে মৌখামার বাড়াতে পারছেন না চাষিরা

আহসান হাবীব আরমান :
জয়পুরহাটে বিভিন্ন মাঠে মাঠে মৌমাছি বক্স স্থাপন করে মধু সংগ্রহ করছে মৌয়ালরা। মৌচাষের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য তাঁদের এ ব্যস্ততা। কিন্তু বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশনের (বিসিক) প্রশিক্ষণ গ্রহণ করলেও পুঁজির অভাবে মৌখামার বাড়াতে পারছেনা তাঁরা। তাই তাঁদের চাওয়া স্বল্পসুদে ঋণ।
 
জয়পুরহাট বিসিক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ জেলায় মধু সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৫ মেট্রিক টন। এর মধ্যে সরিষার ফুল থেকে ৩০ মেট্রিক মধু সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এবার সরিষার চাষও বেশি হয়েছে।  

মৌচাষের প্রশিক্ষণার্থী মোহাম্মদ ইউসুফ, আমিনুর রশিদ, রবিউল ইসলামসহ অনেকেই জানান, পুঁজির অভাবে মৌখামার বাড়াতে পারছে না তাঁরা। স্বল্পসুদে ঋণ পেলে তাঁরা  তাঁদের খামার সম্প্রসারিত করতে পারতেন। আর তাঁদের মতো অনেক  শিক্ষিত বেকার চাকুরীর পিছে না ছুটে- অল্প সময়ে, প্রশিক্ষণ নিয়ে, স্বল্প পুঁজিতে মৌ চাষের মাধ্যমে সহজেই বেকারত্ব ঘোচাতে পারতেন।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশনের মৌমাছি পালন কর্মসূচিতে কারিগরি সহকারী  হাফিজুর রহমান জানান, বাংলাদেশ এর মধু বিদেশে রপ্তানি হয়। এখন দেশেই হাজার হাজার মণ মধু উৎপাদন হয়। যা দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিেেদশ রপ্তানি করা হয়।  

তিনি আরও জানান, বর্ষাকালে মৌমাছিদের পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্য দিতে হয়। এতে মৌ খামারে ব্যয় বেশি হয়। ফলে পুঁজির অভাবে প্রশিক্ষিত অনেকেই এটিকে পেশা হিসেবে নিচ্ছেন না। যদি সরকার মৌ চাষিদের স্বল্প সুদে ঋণ দিয়ে পৃষ্ঠপোষকতা করে, তাহলে এ খাত হতে পারে বেকারত্ব দূরীকরণের বাতিঘর।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এর জয়পুরহাটের উপ-ব্যবস্থাপক লিটন চন্দ্র ঘোষ বলেন, পুরানাপৈল এলাকায় একটি মৌ চাষ প্রশিক্ষণ সেন্টার চলমান আছে। আগ্রাহী মৌখামারদের ঋণসহ সরকারি সকল সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে।

পুঁজির অভাবে মৌখামার বাড়াতে পারছেন না চাষিরা
                                  

আহসান হাবীব আরমান :
জয়পুরহাটে বিভিন্ন মাঠে মাঠে মৌমাছি বক্স স্থাপন করে মধু সংগ্রহ করছে মৌয়ালরা। মৌচাষের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য তাঁদের এ ব্যস্ততা। কিন্তু বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশনের (বিসিক) প্রশিক্ষণ গ্রহণ করলেও পুঁজির অভাবে মৌখামার বাড়াতে পারছেনা তাঁরা। তাই তাঁদের চাওয়া স্বল্পসুদে ঋণ।
 
জয়পুরহাট বিসিক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ জেলায় মধু সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৫ মেট্রিক টন। এর মধ্যে সরিষার ফুল থেকে ৩০ মেট্রিক মধু সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এবার সরিষার চাষও বেশি হয়েছে।  

মৌচাষের প্রশিক্ষণার্থী মোহাম্মদ ইউসুফ, আমিনুর রশিদ, রবিউল ইসলামসহ অনেকেই জানান, পুঁজির অভাবে মৌখামার বাড়াতে পারছে না তাঁরা। স্বল্পসুদে ঋণ পেলে তাঁরা  তাঁদের খামার সম্প্রসারিত করতে পারতেন। আর তাঁদের মতো অনেক  শিক্ষিত বেকার চাকুরীর পিছে না ছুটে- অল্প সময়ে, প্রশিক্ষণ নিয়ে, স্বল্প পুঁজিতে মৌ চাষের মাধ্যমে সহজেই বেকারত্ব ঘোচাতে পারতেন।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশনের মৌমাছি পালন কর্মসূচিতে কারিগরি সহকারী  হাফিজুর রহমান জানান, বাংলাদেশ এর মধু বিদেশে রপ্তানি হয়। এখন দেশেই হাজার হাজার মণ মধু উৎপাদন হয়। যা দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিেেদশ রপ্তানি করা হয়।  

তিনি আরও জানান, বর্ষাকালে মৌমাছিদের পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্য দিতে হয়। এতে মৌ খামারে ব্যয় বেশি হয়। ফলে পুঁজির অভাবে প্রশিক্ষিত অনেকেই এটিকে পেশা হিসেবে নিচ্ছেন না। যদি সরকার মৌ চাষিদের স্বল্প সুদে ঋণ দিয়ে পৃষ্ঠপোষকতা করে, তাহলে এ খাত হতে পারে বেকারত্ব দূরীকরণের বাতিঘর।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এর জয়পুরহাটের উপ-ব্যবস্থাপক লিটন চন্দ্র ঘোষ বলেন, পুরানাপৈল এলাকায় একটি মৌ চাষ প্রশিক্ষণ সেন্টার চলমান আছে। আগ্রাহী মৌখামারদের ঋণসহ সরকারি সকল সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে।

সাতক্ষীরার নগরঘাটায় কুল চাষে সাফল্য
                                  

ফারুক রহমান, সাতক্ষীরা:
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার নগরঘাটা এলাকায় কুল চাষে লাভের আশা দেখছেন কৃষকরা। এবছর নগরঘাটা ইউনিয়নের প্রায় ১৫০জন কৃষক কুল চাষ করেছেন। জমির আইল ও মাছের ঘেরের বেড়িবাধে সারি সারি কুলগাছ। আকারে ছোট গাছগুলো। গাছগুলোর উচ্চতা চার থেকে পাঁচ ফুট। কুলের ভারে মাটিতে নুয়ে পড়েছে গাছগুলো। বাগান থেকে প্রতিনিয়ত কুল তুলছেন কৃষকরা। এলাকার অনেকেই কুল চাষ করে ঘুচিয়েছেন বেকারত্ব।

নগরঘাটা গ্রামের কুল চাষি আনিছুর সরদার, কবির গাজী ও ছামাদ মন্ডল জানান, চলতি মৌসুমে তারা নিজের জমি ও লিজ নেওয়া জমিতে উন্নতজাতের আপেল কুল, বাউকুল, নারকেল ও থাই কুলের চাষ করেছেন। এবসব কুল বিঘা প্রতি ১০০ থেকে ১২০ মণ হারে ফলন পাবেন বলে আশা করছেন। কুল বাগান রোপণ ও পরিচর্যায় প্রতি বিঘায় খরচ হয় ৩৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা। ফলন ভালো হলে ও বাজার মূল্য ভাল পাওয়া গেলে খরচের অর্ধেক লাভ পাওয়া যায়।

তালা উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় এ বছর ১৩০ হেক্টর জমিতে কুল চাষ করেছেন কৃষকরা। পরিবহন সেক্টরে কাঁচামাল (তরকারি) বহনে কোন বিধিনিষেধ না থাকায় করোনার নতুন ধরণ ওমিক্রণ কোন প্রভাব পড়বে না বলে মনে করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা খাতুন।

কৃষকদের সহযোগি প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন প্রচেষ্টার কৃষিবিদ নয়ন হোসেন জানান, তালা উপজেলায় অন্যান্য কুলের পাশাপাশি এবার সাড়ে ৯ বিঘা জমিতে অগ্রিম জাতের টক-মিষ্টি কুলের চাষ করা হয়েছে। ফলনও মোটামুটি ভাল হয়েছে। আগাম ফলন হওয়ায় ৯০ থেকে ১৩০ টাকা বাজার দরে বিক্রয় করেছেন কৃষকরা। আগামী বছর এই কুলের চাষ আরো বাড়বে বলে তিনি মনে করেন।

নগরঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান লিপু বলেন, কৃষক ধান আবাদ করে অনেক সময় লোকসানের শিকার হন। তার পরিবর্তে কম খরচে ফসলি জমি ও মাছের ঘেরের বেড়িবাধে দীর্ঘমেয়াদি কুল চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। এজন্য কৃষকেরা বাণিজ্যিকভাবে কুল চাষে ঝুঁকছেন। গ্রীস্মকালীন টমেটা চাষ পরিদর্শনে এসে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক নগরঘাটা গ্রামকে ‘টমেটা গ্রাম’ নামে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। উৎপাদন এবং রপ্তানি বৃদ্ধি ও বহুমুখিকরণে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে নগরঘাটা ইউনিয়নে একটি অর্থনৈতিক জোন হলে এই এলাকার কৃষকরা উপকৃত হবে।

মনোহরদীতে কৃষি বিভাগের আদুরে কন্যা ‘সমলয়’
                                  

মনোহরদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি :
নাম ‘সমলয়’। কৃষি বিভাগের আদুরে কন্যার যেনো এ ‘সমলয়’। এ নিয়ে চলছে বিস্তর হাঁকডাক। চলছে বিশাল দৌড়ঝাঁপ ব্যস্ততা। কৃষক পর্যায়ে কৃষি যন্ত্রের ব্যবহার বাড়াতে কৃষি বিভাগের এ আয়োজন। প্রায় পুরো একটি ফসলের মাঠ নিয়ে এর কর্মযজ্ঞ। এতে সম্পৃক্ত মনোহরদীর সকল কৃষি কর্মী,কর্মকর্তা ও প্রায় একশ` কৃষক। তাদের সবার নিরলস অবদানে `সমলয়` দিনে দিনে নিজ রুপে আবির্ভূত হচ্ছে।

মনোহরদীর হাররদীয়া গ্রামের মাঠে ‘সমলয়’ নামের একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য এন্তার কাজকর্ম চলছে মনোহরদী উপজেলা কৃষি অফিসের। কৃষক, মাঠকর্মী থেকে শুরু করে স্থানীয় এবং জেলা পর্যায়ের কৃষি- কর্তাদের ব্যস্ত সময় কাটছে এতে।

কি হচ্ছে এই ‘সমলয়’ নিয়ে? ‘সমলয়’ যেনো মনোহরদী কৃষি অফিসের এক আদুরে কন্যার নাম। আদর যতেœর অভাব নেই। কতো কদর সমাদর তার। এই ‘সমলয়’ কৃষি বিভাগের একটি পরিকল্পনার বাস্তবায়ন পর্ব। চলতি বোরো মওসুমে হাররদীয়া গ্রামের মাঠে দেড়শ’ বিঘে জমি নিয়ে শতেক কৃষকের সক্রিয় অংশগ্রহনে হাতে কলমে কৃষিতে যন্ত্রের ব্যবহার শেখন এটি। এ জন্য চলতি বোরো মওসুমের পুরো সময়টাই কৃষি বিভাগ কৃষকদের সাথে মাঠে থাকছে এখানে। ‘সমলয়ের প্রাথমিক পর্যায় এখন। এর প্রস্তুতি পর্বে সারি সারি ট্রেতে ধানের চারা উৎপাদন চলতে দেখা গেলো সেখানে। বৈরিআবহাওয়া ঝড়বৃষ্টি, মাত্রারিতিক্ত কুয়াশা রুখতে তার উপর করা হয়েছে পলিথিন শেড। চারা উৎপাদন থেকে শুরু করে একেবারে বোরো ফসল কর্তন, আহরন পর্যন্ত কৃষি অফিস সাথে থেকে কৃষিযন্ত্রের ব্যবহার শেখাবে এখানে কৃষকদের।

কৃষি অফিস জানায়, ‘সমলয়’ এর শিক্ষার মাধ্যমে যান্ত্রিক চাষাবাদে উদ্বুদ্ধ করা গেলে ফসল উৎপাদন ব্যয় অনেকটাই  কমে আসবে কৃষক পর্যায়ে। এখন বীজতলায় ট্রে পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন পর্ব চলছে এখানে। সংশ্লিষ্ট কৃষি উপসহকারী কৃষ্ণ চন্দন।

লৌহজংয়ে আলু চাষিদের মাথায় হাত
                                  

পিংকি রহমান:
মুন্সীগঞ্জ বাংলাদেশের মধ্যে আলু উৎপাদনে শ্রেষ্ঠ ও বিখ্যাত। মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে বর্ষার শেষে আমন ধান কেটে কৃষক জমিতে আলুর বীজ বপন করেছেন। নভেম্বর মাসের ২য় সপ্তাহ থেকে শুরু করে পরবর্তী ২৫ দিন বীজ আলু বপনের আদর্শ সময় বলে কৃষকরা বীজ আলু বপন করেছেন।

কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হলো গতকাল থেকে ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’ এর প্রভাবে ভারী  বর্ষণ শুরু হয়েছে। আলু লাগানোর কিছুদিনের মধ্যে এমন বৃষ্টি আলুর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এতে আলুর বীজ নষ্ট ও পচে যাওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশে রয়েছে। কৃষকরা বলছেন, বীজ পচে গেলে বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হবেন তারা। অন্যান্য বছরের থেকে এবছর বীজের দাম ছিল অনেক বেশি। তাই কৃষকদের আরো বেশি দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ভারি বর্ষণ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলামের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন আসলে এখন আলু বপনের সময়, লৌহজংয়ে সাড়ে চার হাজার হেক্টর জমিতে আলু বপনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এ পর্যন্ত ৩০০ হেক্টর জমিতে আলু বপন সম্পন্ন হয়েছে এবং সর্বশেষ তথ্যমতে ১০০ হেক্টর জমি টানা বর্ষনে প্লাবিত হয়েছে। উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার ৭ শতাংশ বপন হয়েছে। এখনও বপনের অনেক বাকি। এজন্য ক্ষতির আশঙ্কা কম। তবে যারা ক্ষতিগ্রস্থ হবেন তাদের সহায়তা করবেন বলে তিনি আশ্বাস দেন।  

এদিকে মাওয়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. গিয়াস উদ্দিন জানান আজও ঘুর্ণিঝড় জাওয়াদের কারণে ভারী বৃষ্টি হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার হতে বৃষ্টি কমে আকাশ মেঘলাচ্ছন্ন থেকে  পরিষ্কার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার রোদের দেখা পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান।

 লৌহজংয়ের আলু চাষি মো. ইলিয়াস হাওলাদার বলেন বৃষ্টিপাত হলে বীজ আলু নষ্ট হয়ে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়বো আমরা। পাশাপাশি যারা আলুর জন্য বীজ তলা প্রস্তুত করেছিলেন তাদের বীজ তলা নষ্ট ও বীজ আলু বপন করতে বিলম্ব হবে।

রাজশাহীতে আগাম টমেটো চাষে ব্যস্ত কৃষক
                                  

তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধি :
রাজশাহীর তানোর ও গোদাগাড়ী উপজেলা টমেটো চাষের জন্য প্রসিদ্ধ। দেশের সিংগ ভাগ টমেটো উৎপাদন হয় এই দুই উপজেলায়। তবে আগাম টমেটো চাষের জন্য বিখ্যাত গোদাগাড়ী উপজেলা। ইতোমধ্যে শীতকালীন সবজি টমেটোর আগাম চাষাবাদ করার জন্য বীজতলায় চারা তৈরি ও পরিচর্যা করতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে এই উপজেলার টমেটো চাষিরা। তবে তানোরে হাতেগোনা দু’এক জায়গায় দেখা গেলেও গোদাগাড়ী পুরোদমে আগাম টমেটোর চাষ শুরু হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে ২০২১-২২ গোদাগাড়ী উপজেলায় টমেটো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ২ হাজার ৯শ” ৫০ হেক্টোর। গত মৌসুমে ২০২০-২১ টমেটো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ৬শ” ৫০ হেক্টোর তবে  চাষ হয়েছিল ২ হাজার ৯শ” ৫০ হেক্টোর।

তবে কৃষি অফিস বলছে চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশী টমেটো চাষের সম্ভাবনা রয়েছে। সরেজমিন উপজেলার হেলিপ্যাড, মালকামলা, পাহাড়পুর, সাধুরমোড়, বিদিরপুর, পিরিজপুর, গোপালপুল, ভাটোপাড়াসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম ঘুরে টমেটোর বীজতলা নিয়ে চাষিদের কর্মব্যস্ততার দৃশ্য দেখা যায়। চাষিরা নানামুখী কাজের ফাঁকে ব্যস্ত বীজতলা নিয়ে। কাকডাকা ভোরে বাড়ি থেকে বেরিয়ে  বীজতলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। কাঁচি, কোদাল, আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদি নিয়ে নেমে পড়ছেন জমিতে। কেউ কেউ প্রস্তুত করছে বীজতলার জন্য জমি। আবার কেউ গজিয়ে উঠা টমেটোর চারায়  পানি দিচ্ছে। অনেকেই ব্যস্ত বীজতলা পরিচর্যায়। এদিকে পুরুষের পাশাপাশি এ কাজে নারীদেরও দেখা মেলে।

সরেজমিন কোথাও কোথাও দেখা যায়, বীজতলা প্রস্তুতের পর জমির মাঝ বরাবর নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে বীজ রোপণ করা হয়েছে। এরপর বাঁশের তৈরি ‘বেড়া’ রিংয়ের মতো বসিয়ে উপরে পলিথিন দিয়ে পুরো বীজতলা মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। চাষি জহুরুল ইসলাম বলেন, গরম পরিবেশ সৃষ্টি করতে পলেথিন দিয়ে বীজতলা ঢেকে দেওয়া হয়। মাঝে মাঝে ঢেকে দেওয়া পলিথিনগুলো সামান্য উঠিয়ে এক পাশ ফাঁকা করে দেওয়া হয়। যেন বাইরের বাতাস বীজতলায় প্রবেশ করতে পারে। বীজ রোপণ থেকে শুরু করে প্রথম এক সপ্তাহের মতো এ কার্যক্রম চলে। বীজ গজিয়ে ওঠার পর চাষিরা সেই পলিথিনগুলো সরিয়ে ফেলেন। এরপর নিয়মিত চলে পরিচর্যা।

গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসের কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মতিয়র রহমান ও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা (রিশিকুল ইউপি) আব্দুল হান্নান জানান, তারা সব সময় কৃষকের পাশে রয়েছেন। আগাম জাতের ও টমেটো ক্যারেট করা যায় এমন জাতের টমেটো চাষের জন্য কৃষকদের পরার্মশ দেওয়া এবং ব্যাবস্থা করা হচ্ছে। কৃষকরা যেনো আগাম টমেটো ক্ষেত থেকে উত্তোলন করতে পারে। এতে কৃষকরা টমেটোর দাম ভাল পাবে। তারা আরো বলেন, এই সময় কোন অসাধু বীজ ব্যাবসায়ী বীজ নিয়ে কৃষকদের সঙ্গে যেনো প্রতারণা করতে না পারে সেই জন্য মাঠ পর্যায়ে মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে।

আউশ ধানের বাম্পার ফলন; কৃষকের মুখে সোনালি হাসি
                                  

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :

চলতি মৌসুমে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে আউশের বাম্পার ফলন দেখা কৃষকের মুখে সোনালি হাসি ফুটেছে। ভালো ফলনের পাশাপাশি ধানের দামও ভালো পেয়ে খুশি এ অঞ্চলের কৃষকরা। আর এ ধান কেটে ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।

এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ফলন দেখে আউশ ধানের চাষে আগ্রহ প্রকাশ করছেন অনেকে কৃষকই। কৃষকরা জানান, আউশের বাম্পার ফলন এবং স্থানীয় বাজারে আগের থেকে প্রায় দ্বিগুন দামে বিক্রি করতে পারছেন তারা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে আউশ মৌসুমে ৭ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন মাঠে মাঠে স্থানীয় জাতের আউশ ধান রোপন হয়েছে ১২০ হেক্টর জমিতে এবং ‘উফশী’ আউশ ধান রোপণ হয়েছে ৭ হাজার ৩৮০হেক্টর জমিতে। আর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২২ হাজার টন ধান। উপজেলায় এবারে ইরি-২৭,৪৮, বাউ-৬৩, (আবদুল হাই) ও বিআর ৪২-৪৩ জাতের ধান চাষ করা হয়েছে। এবারে চাষী পর্যায়ে বীজ উৎপাদনের জন্য সরকারি অর্থায়নে ২৪টি প্রদর্শনী দেওয়া হয়েছে। গতবারের আউশের ভালো ফলন দেখে এবারে আউশ চাষে কৃষকের আগ্রহ বেশি দেখা গেছে। এসব জাতের মধ্যে ব্রিধান-৪৮ চাষে ব্যাপকভাবে সাড়া পেয়েছে কৃষকের মাঝে। অন্যান্য বছরের তুলনায় দ্বিগুণ ফলন হয়েছে।

কৃষি বিভাগ আরো জানান, উচ্চ ফলনশীর জাতের ধান চাষ করে চলিত মৌসুমে আউশের বম্পার ফলন হওয়ায় আউশ চাষে কৃষকরা আগামীতে ব্যাপকভাবে উৎসাহিত হবে বলে আশা করছেন উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর।

উপজেলার ২নং মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের পিপঁড়াখালী গ্রামের কৃষক আব্দুর রহিম খান জানান, আমরা কম খরচে আউশ ধান আবাদ করে ভাল ফলন পেয়েছি, যা আমরা কখনই আশা করিনি।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আরাফাত হোসেন বলেন, এই উপজেলার কৃষকরা পূর্বে স্থানীয় আউশ ধানের আবাদ করত। এই বছর আমরা কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করে উচ্চ ফলনশীল নতুন ব্রি.ধান-৪৮ আবাদ করার পরামর্শ দেই এবং বীজ, সার ও সেচ সহায়তা প্রদান করি। তাই আউশের উৎপাদন বাড়াতে সরকারি ভাবে এসএসসিপি প্রকল্প -১৭৪০ জন, কৃষি পুরনাবাসন- ২৬০০জন, প্রনদনা কর্মসূচী- ১৬৭০ জন, মোট ৬০১০জন কৃষক কে  সহায়তা ও বিনামূল্যে বীজ, সার দেওয়া হয়। কৃষকরা আমাদের পরামর্শে উক্ত জাতের ধান চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছে।

তাদের এ ফলন দেখে এবং তুলনামূলক খরচ কম হওয়ায় এলাকার অন্যান্য কৃষক আগাম বীজ পাওয়ার জন্য আগ্রহ দেখাচ্ছে। দুই ফসলী জমিতে আরো বেশি ফলন উৎপাদন করা যায় সে ব্যাপারে চাষীদের ধারণা দেওয়া হচ্ছে কৃষি অফিস থেকে। এবারে স্থানীয় বাজারে আউশ ধানের দাম দ্বিগুণ হওয়াতে আশা করছি এই বছরের তুলনায় আগামী বছর আরো বেশি জমিতে এ ধানের আবাদ হবে।

সখীপুরে লেবু চাষে ভাগ্যের চাকা ঘুরলো মোফাজ্জলের
                                  

সখীপুর(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি :
আট থেকে দশ বছর বিদেশ করেছি কোনো লাভ হয়নি। কোনোমতে ঋণ পরিশোধ করেছিলাম। কি করি, কি করি এরকম হতাশা আমাকে সবসময় তাড়া করে বেড়াত। এরপর টিভি ও ইউটিউবে দেশের বিভিন্ন স্থানে মানুষের সফলতা দেখে কৌতুহলী হলাম লেবু চাষ করতে। প্রথমে ঝুঁকিই মনে হতে লাগলো তারপরও পিছনের দিকে না তাকিয়ে এগোতে লাগলাম সামনের দিকে। আবার উদ্যোগ নিলাম ব্যাংক লোন করব। জমিও যথারীতি পেয়ে গেলাম। শুরু করলাম আর একটি জগত, নতুন প্রবাস। কথাগুলো বলেছেন, কচুয়া পূর্বপাড়ার বাচ্ছু মিয়ার ছেলে মোফাজ্জল হোসেন।

সরেজমিন, বুধবার এ প্রতিবেদকের সঙ্গে তার কথা হয়। বাবার পর্যাপ্ত জমি না থাকায় ২০১৬ সালে কচুয়া বাজারের দক্ষিণ পাশে ২১০ শতাংশ জমি তিন লাখ টাকা দিয়ে ১০ বছরের জন্য নেন। এরপর জমি অভিজ্ঞ লোকদের পরামর্শে চাষ উপযোগী করে তুলেন। উন্নত মানের ১২‘শ চারা কিনে এনে শুরু করলেন লেবু চাষ। বাগানের নাম দিলেন জান্নাতুল লেমন গার্ডেন। দুই বছর পর থেকে কিছু কিছু লেবু আসা শুরু হল তার বাগানে। পরের বছর ৫০ ভাগ গাছে লেবু আসতে লাগলো। তিন বছর পর পুরো গাছে লেবু আসতে লাগলো। মোফাজ্জলের ভাগ্যাকাশে আলোর ঝলকানি দেখা গেল। এখন তার প্রতি বছর লেবু এবং চারা বিক্রি করে প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা আসছে। প্রতিদিনই তার বাগানে লেবু এবং চারা কিনার জন্য গ্রাহকরা ভিড় জমাচ্ছে।

এখন তিনি পরিপাটি করে বাড়িঘর নির্মাণ শেষে বাগানের পরিধিও পর্যায়ক্রমে আরও বাড়াচ্ছেন। ইতিমধ্যে তিনি আর একটি জমি লিজ নিয়ে কমলা চাষ শুরু করেছেন। সব মিলিয়ে তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা। এখন সুখে স্বাচ্ছ্বন্দে দিনাতিপাত করছেন।

তিনি জানান, বিদেশে থেকে আমি কিছুই করতে পারি নাই। লেবু চাষ করে আল্লাহ আমার ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিয়েছে। দেশে থেকে পরিশ্রম করে স্বাবলম্বী হওয়া যায় এটি আমি বুঝতে পেরেছি।

তিনি আরও বলেন, আমার বাগানটি সখীপুর-সাগরদিঘী সড়কের পাশে থাকায় আমি লেবু এবং চারা বিক্রির অর্ডারও বেশি পাই।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম বলেন, সখীপুরের মাটি লেবু চাষ উপযোগী। এখানে লেবু চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব।

বগুড়ায় মাচায় হলুদ তরমুজ চাষে ব্যাপক সাড়া
                                  

বগুড়া প্রতিনিধি :
গরমের সময় শরীরে পানি শূন্যতা রোধ করতে এমনিতেই তরমুজের জুড়ি নেই। তার ওপর নতুন জাতের তরমুজ দেখে লোকজন হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। হলুদ তরমুজের ওপরে গায়ের রং হলুদ হলেও ভেতরে একদম অন্যসব তরমুজের মতো লাল এবং স্বাদও অনেক বেশি। রাস্তার পার্শ্বে আবাদ হওয়ায় প্রতিদিনই শত শত লোকজন দেখতে আসছেন এবং তরমুজ ক্রয় করার আগ্রহ দেখাচ্ছেন। বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর বড়ইদহ গ্রামের পেশায় শিক্ষক হওয়ার পরও একজন কৃষি প্রেমি হাইস্কুল শিক্ষক আব্দুস সালাম রসালো ফল ‘হলুদ জাতেরথ ও কালো জাতের তরমুজ চাষ করে এলাকায় কৃষকের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বর্তমানে গাছে ফল দেখে অধিক লাভ হবে এমনটায় আশা করছেন আব্দুস সালাম।
 
দেখা গেছে, ৮৬ শতক জমিতে উন্নত জাতের তিপ্তি, ব্লাক বেবি ও ব্লাক সুইট তরমুজ চাষ করে ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে। তরমুজগুলো পলি মাটিতে লাগানো চারা গাছ গুলো ফল আসার আগ মুহুর্তে বাঁশের মাচায় উঠিয়ে দেয়া হয়েছে। বর্তমানে জমির মাচায় হলুদ ও ঘাঢ় সবুজ তরমুজ ঝুলছে। হলুদ রং বেষ্টিত তিপ্ত জাতের তরমুজ, ঘাঢ় সবুজ ব্লাক বেবি ও ব্লাক সুইট এসব উন্নত জাতের তরমুজগুলো সুন্দরভাবে মাঁচার নিচে ঝুলছে।

চাষী আব্দুস সালাম জানান, বিভিন্ন ধরণের ফলের বাগান আছে। যেমন, মালটা, পেয়ারা, ভিয়েতনাম নারিকেলসহ অন্যন্যা। তবে নতুন জাতের এই তরমুজ চাষ করতে তিনি আরো উৎসাহিত। কারণ শেরপুরে তিনিই প্রথম মাচায় তরমুজ চাষ করে সফল। গত বছর করোনাকালীন সময়ে স্কুল বন্ধ থাকায় ইউটিউব দেখে মাচায় তরমুজ চাষ করে, পর্যাপ্ত পরিমাণ ফল আসলেও তরমুজ বাজারজাত করার মাঝামাঝি সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে লোকশান গুনতে হয়েছে।
 
আব্দুস সালাম আরো জানান, শুরু থেকে জমিতে জৈবসার, অন্যান্য সার প্রয়োগের পর বেড তৈরি করে পুরো বেড পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিয়ে গাছ রোপণ করেছেন। বর্তমানে এই ফলগুলির বয়স ৪৬ দিন। এরই মধ্যে ফলগুলোতে নেটিং ব্যাগ ব্যবহার করা হয়েছে। এই ফলগুলি ৬০ দিনের মাথায় প্রায় ৩/৪ কেজি ওজন হলে পরিপক্ক হবে এবং তা বাজারজাত করার উপযোগী হবে। তিনি ৮৬ শতক জমিতে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা খরচ করেছে এবং সেখান থেকে প্রায় ৪ লক্ষ টাকার তরমুজ বিক্রয় করবেন বলে আশাবাদী। বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না আসলে লাভবান হবেন। এই ক্ষেত থেকে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার ফল পাওয়া যাবে, এখানে আবার কিছু নষ্ট হবে আবার এলাকাবাসীও সখের বশে খাবে। এই তরমুজগুলো বাজারে ৪৫ থেকে ৫৫টাকা কেজি দরে বাজার মূল্য সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা বিক্রয় হবে।

উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার মো: মাসুদ আলম তিনি জানান, নতুন জাতের ফসল হিসেব আমরা কৃষকের সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ রাখছি ও পরামর্শ প্রদান করিছ। যেন কোন রোগবালাই ধরতে না পারে। চাষীরা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

শেরপুর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা রাজিয়া সুলতানা বলেন, উপজেলায় এবার প্রায় নতুন ফসল হিসেবে ২ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে। কিন্তু হলুদ জাতের তরমুজ এই প্রথম চাষ করেছেন আব্দুস সালাম। আমরা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে পরামর্শ দিয়ে সহযোগীতা করছি এবং কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছি। আসা করছি, আগামী বছর এই জাতের তরমুজ চাষ আরো বাড়বে এবং কৃষকরা অধিক লাভবান হবেন।

কচুয়ায় কৃষকের সবজি ক্ষেত কেটে দিল দুর্বৃত্তরা
                                  

কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি :
চাঁদপুরের কচুয়ায় কৃষকের লাউ, টমেটোসহ মিশ্র সবজি ক্ষেত কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। রবিবার রাতে পৌরসভার কড়ইয়া মধ্যপাড়া গ্রামে কে বা কারা শত্রুতার জের ধরে কৃষক জাহাঙ্গীর আলমে সবজি ক্ষেত কেটে নষ্ট করে দেয়। এতে করে কৃষকের প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে কৃষক জাহাঙ্গীর আলম দাবি করেন।
 
তিনি আরো জানান, উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় চলতি মৌসুমে ২৭ শতাংশ জমিতে বিভিন্ন জাতের সবজি চাষাবাদ করি। গতকাল রাতে কে বা কারা আমার জমির ফসল কেটে নষ্ট করে দিয়েছে। এদিকে এলাকাবাসী কৃষক জাহাঙ্গীর আলমের সবজি কেটে নষ্ট করার ঘটনায় দুষ্কৃতিকারীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
 
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন বলেন, ঘটনাটি খুবই দু:খজনক।  তবে যারা এ কাজটি করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

রক্ষণাগার না থাকায় আলুতে পচন, ন্যায্য মূল্য না পেয়ে হতাশ কৃষক
                                  

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে আলু সংরক্ষণাগার না থাকায় আলুতে পচন ধরেছে। উৎপাদিত আলুর ন্যায্য মূল্য না পেয়ে হতাশাগ্রস্থ কৃষক। এতে এক দিকে কৃষক লোকসানের মুখে পড়েছে, অন্যদিকে আগামীতে তারা আলু চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌর এলাকায় ৪০০ হেক্টর জমিতে প্রায় ৮ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন আলু উৎপাদিত হয়। যা লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে ৪৬০ মেট্রিক টন বেশি। উৎপাদন মৌসুমে আলুর দাম কম থাকায় কৃষক উৎপাদিত আলু কম মূল্যে বিক্রি করতে বাধ্য হয়। স্থানীয় পর্যায়ে কোন কোল্ড স্টোরেজ না থাকায় পাশের উপজেলা পাকুন্দিয়ায় আলুর ভালো উৎপাদন হওয়ায় সেখানকার চাহিদা মেটানোর পর হোসেনপুরের চাষিদের চালু সংরক্ষণের জন্য স্থান পায় না। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও একই চিত্র।

হোসেনপুর উপজেলা ভৌগলিকভাবে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ ও নরসুন্দা নদী বেষ্টিত হওয়ায় আলু চাষের জন্য উপযোগী। তবে স্বাধীনতার ৫০ বছরেও কোন সংরক্ষণাগার না হওয়ায় এখানকার কৃষককে তাদের উৎপাদিত আলু খাবারের বা বীজের জন্য হন্নে হয়ে দৌড়াতে হয় এদিক-ওদিক। এক সময় দেশি আলু চাষ করে তা দীর্ঘদিন পরও বীজ ও খাবারের জন্য রাখতে পারলেও এখন সেগুলো বিলুপ্ত হওয়ায় নতুন জাত হিসেবে ডায়মন্ড ও এসটারিস আলু চাষ হয়ে থাকে। যেগুলো এক থেকে দেড় মাসের বেশি সময় কোল্ড স্টোরের বাইরে সংরক্ষণ করা যায় না।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে গিয়ে কথা আলু চাষীদের সাথে কথা হয়। তাদের মধ্যে হাজীপুর বাজারে আলু বিক্রি করতে আসা সিদলা ইউনিয়নের পোড়াবাড়িয়া গ্রামের কৃষক আব্দুল কাদির, আব্দুল আজিজ, আব্দুর রাশিদ, সাহেবেরচর নয়াপাড়া গ্রামের কৃষক আশরাফুল জানান, ৪০ কাঠা জমিতে এ বছর আলু চাষ করে কম করে হলেও ৩ লাখ টাকা লস হয়েছে।

কৃষক ইকবাল হোসেন জানান, ৩ ঘন্টা ধরে আলু নিয়ে বসে আছি, কেউ দাম করছে না।
বৃহস্পতিবার হোসেনপুর বাজারে কথা হয় জামাইল গ্রামের কৃষক গিয়াস উদ্দিন, বরুয়া গ্রামের মমতাজ উদ্দিন, চরজামাইল গ্রামের ইব্রাহিম খলিল সোহাগসহ অন্তত ১০জন কৃষকের সাথে। তারা বলেন, তাদের এখনও কয়েকশ’ মণ আলু অবিক্রিত থাকায় আলুতে পচন ধরছে।
সাহেবের চর গ্রামের কৃষক বাদল মিয়া আক্ষেপ করে বলেন, আগামীতে আর আলু করবো না।

হোসেনপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ইমরুল কায়েস বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে কোল্ড স্টোরেজ এর ব্যবস্থা করতে পারলে পরিবহন খরচ রক্ষার পাশাপাশি কৃষক ন্যায্য মূল্য পাবে। এজন্য উপজেলায় কম করেও হলেও ৫০০ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার একটি কোল্ড স্টোরেজ প্রয়োজন।

হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাবেয়া পারভেজ বলেন, সরকারিভাবে এ উপজেলায় একটি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের জন্য মাননীয় সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূরের কাছে একটি প্রস্তাবনা রাখবো।

কচুয়ায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি
                                  

কচুয়া(চাঁদপুর)প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় চলতি মৌসুমে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অনেক কৃষকেরা এ ধান কাটা ও মাড়াই শুরু করেছে। নতুন ধানের বাজার মূল্য এখন ভাল থাকায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। ফলন ভাল পেয়ে কৃষকের চোখে মুখে এখন আনন্দের বন্যা বইছে। কষ্টের ফসল সুষ্ঠ ভাবে ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পারছেন কৃষক। এলাকায় কৃষক ও দিনমজুর সংকট থাকায় শ্রমিকের দামও দিতে হচ্ছে বেশি।

অন্যদিকে কালবৈশাখী ঝড়-বৃষ্টির ভয়ে ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন কৃষকরা। সোনার ফসল মাঠ থেকে বাড়িতে না উঠানো পর্যন্ত কৃষকের চিন্তার শেষ নেই। উপজেলায় চলতি মৌসুমে ১২ হাজার ৫শ’ ১৫হেক্টার জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে তবে লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ হাজার ২শ ২৫ হেক্টর। এদিকে উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে বোরো ও ইরি ধানের ফলন ভালো হয়েছে।

পালাখাল, তেগুরিয়া, সাচার, যুগিচাপড়সহ বিভিন্ন এলাকার কৃষক সফিক হোসেন, স্বপন, আবুল বাসারসহ একাধিক কৃষকরা জানান, গত বছরের চেয়ে চলতি বছরে আমাদের বোরো ধান অনেক ভালো হয়েছে। এদিকে শ্রমিক সংকট দেখা দেয়ায় বাইরে থেকে ৪ থেকে ৫শ’ টাকা দিয়ে ধান কাটার শ্রমিক আনা হচ্ছে। কালবৈশাখী ঝড়-বৃষ্টির ভয়ে আমরা অতিরিক্ত টাকা দিয়েই শ্রমিক কিনে ধান ঘরে তোলার চেষ্টা করছি। তারা আরো জানান, কাল বৈশাখী ঝড়ে গরম বাতাসে কিছুটা ধান নষ্ট হলেও কৃষি অফিসের পরামর্শে সার প্রয়োগ করায় ভালো ফলন হয়। এতে করে আমরা অনেকটাই খুশি। আশাকরি এবছর ধানের দাম ভালো পেলে আগামীতে আরো বেশি ধানের আবাদ করব।
 
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সন্তোষ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, উপজেলায় ১২ হাজার ৫শ’ ১৫হেক্টার জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে তবে লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ হাজার ২শ ২৫ হেক্টর।  গত বছরের চেয়ে এবার ইরি বোরো ধান চাষাবাদ বেশি হয়েছে। আবহাওয়া অনূকুলে থাকায় এবার ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কালবৈশাখী ঝড়ের আশংকায় কৃষকদের  পাকা ধান কাটার পরামর্শ দেয়া হয়েছে এবং বর্তমান চলতি মৌসুমে ধানের দাম বৃদ্ধি করলে কৃষকরা অনেকটাই উপকৃত হবেন।


কিশোরগঞ্জের হাওরে কৃষকের কান্না
                                  

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের বিস্তীর্ণ হাওরাঞ্চলসহ আশপাশ এলাকায় ঝড়ো আবহাওয়ায় হঠাৎ শুরু হওয়া গরম হাওয়ায় বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বোরো ফসল হারানোর আশংকায় এখন দিশেহারা বর্গা ও প্রান্তিক চাষীরা। সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই সোনালী ধান ঘরে তোলার অপেক্ষায় ছিলেন কৃষক। এর মধ্যেই ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা।

গত রোববার বিকেলেও বিশাল হাওরের জমির রং ছিল সবুজ। কিন্তু রোববার সন্ধ্যায় শুরু হওয়া তিন-সাড়ে তিন ঘন্টার কালবৈশাখী ঝড় ও গরম বাতাসে হাওরের বেশিরভাগ বোরো জমির ধান সাদা হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। হাওরের ইটনা উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নসহ কিশোরগঞ্জের ১৩ উপজেলার ২৫ হাজার হেক্টর বোরো জমির ধান একইভাবে আক্রান্ত হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্র জানায়, চলতি বছর জেলায় ১ লাখ ৬৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়েছে এবং ফলনও অনেক ভাল। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ লাখ মেট্রিক টন। কিন্তু গত রোববার রাতের কালবৈশাখী ঝড় ও গরম বাতাসে কিশোরগঞ্জে হাওরের ইটনা উপজেলার রায়টুটী, বাদলা, বড়িবাড়ী ইউনিয়ন, কিশোরগঞ্জ সদর, করিমগঞ্জ, হোসেনপুর, তাড়াইল, নিকলী ও কটিয়াদী উপজেলায় বেশি ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও হাওরের মিঠামইন উপজেলা, অষ্টগ্রাাম উপজেলা, কুলিয়ারচর ও বাজিতপুর উপজেলায় বোরো ধানের ক্ষতি হয়েছে। এরমধ্যে ব্রি ধান-২৮, ব্রিধান-২৯ সহ স্থানীয় জাতের ফুলধরা বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা বলছেন, এর আগে কৃষকরা শিলাবৃষ্টি কিংবা আগাম বন্যায় ক্ষতির সম্মুখীন হলেও গরম বাতাসে বোরো জমি নষ্ট হতে এই প্রথম দেখেছেন। জমিতে বোরো ধানের ফুল আসা গাছের শীষ শুকিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। মঙ্গলবারও হাওরের জমিগুলোতে গরম আবহাওয়া বিরাজ করছিল। বিস্তীর্ণ বোরো জমিতে গরম বাতাসে এ রকম ক্ষতির সাথে অপরিচিত কৃষক বর্তমানে দিশেহারা।

রাজী গ্রামের কৃষক আতাউর বলেন, আর ১০-১৫ দিন পরে ধান কাটার কথা ছিল। কিন্তু গরম বাতাসে ধান সব নষ্ট হয়ে গেছে । উত্তর রাজী গ্রামের বুদু মিয়া জমিতে দাঁড়িয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ১৪ কাটা জমিতে ধান লাগাইছিলাম, কিন্তু রোববাবের গরম বাতাস আমার সব শেষ করে দিছে। এখন ধান কাটার আর ইচ্ছে নাই।

কিশোরগঞ্জের ১৩ উপজেলায় ২৫ হাজার হেক্টর বোরো জমি আক্রান্ত হয়েছে জানিয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. ছাইফুল ইসলাম বলেন, কৃষি মন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক মঙ্গলবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি সর্বমোট ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ জানতে চেয়েছেন। তবে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি করে কৃষি মন্ত্রণালয়ে অবহিত করা হবে।

কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক বলেন, ‘আমি কৃষি বিভাগকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছি। তালিকা হাতে পেলে সহায়তা চেয়ে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।’

কচুয়ায় আলুর বাম্পার ফলন
                                  

কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় চলতি মৌসুমে আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। ন্যায্য দাম পাওয়ার ব্যাপারে কৃষকরা খুবই আশাবাদী। গত বছরের অক্টোবর ও নভেম্বরে আলুর আকাশচুম্বি দাম দেখে কৃষকরা আলু চাষে লাভবান হবে বলে আশাবাদী হয়ে পূর্বের তুলনায় এ বছর বেশি পরিমানে আলু চাষ করেছে।

গত তিন বছর আলু মৌসুমে টানা বৃষ্টিপাত হওয়ায় অধিকাংশ কৃষকের আলু নষ্ট হয়েছে। এতে করে কৃষকরা অনেকটাই ক্ষতি হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে। চলতি বছর ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বেশি পরিমানে আলু  চাষ করে । আলু চাষে এবছর বাম্পার ফলন হওয়ায় দাম নিয়ে কৃষকরা আশাবাদী। কচুয়ায় চলতি বছর আলু চাষাবাদ হয়েছে ২ হাজার ৫শ হেক্টর।

উপজেলার পালাখাল গ্রামের আলু চাষী রফিক ও নজরুল হোসেন জানান, গত তিন বছর ধরে আলু মৌসুমে বৃষ্টি হওয়ায় অনেক আলু নষ্ট হয়েছে। ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চলতি মৌসুমে দাম পাবার আশায় আলু চাষাবাদ করেছি। এবছর আলুর বাম্পার ফলণ হওয়ায় ভালো দাম পাবো আশাবাদী। গত কয়েকদিন ধরে আলু তোলা শুরু হলেও কোন কোন জমির আলু পুষ্ট হতে আরো ৭-৮দিন সময় লেগে যাবে। তাই এবছর বৃষ্টিপাত দেখা দেয়ার আগেই আলু ঘরে তোলার চেষ্টা করছি।  

দোয়াটি গ্রামের আলু চাষী শহীদ আব্দুর রশিদ বলেন, গত বছর এক একর বিশ শতাংশ জমিতে আলু চাষ করি। ভালো দাম পাওয়ায় এ বছর ৫ একর জমিতে আলুর চাষ করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ভালো ফলন পাবো।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোফায়েল হোসেন জানান, কচুয়ায় এ বছর আলু চাষে কৃষকদের বেশ আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চলতি মৌসুমে উপজেলায় ২ হাজার ৫শ হেক্টর জমিতে আলুর চাষাবাদ করা হয়েছে। এতে এ বছর কচুয়ায় আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। বৃষ্টিবাদল শুরুর পূর্বে আলী চাষিদের ঘরে আলু তুলতে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

তীব্র শীত উপক্ষো করে কচুয়ায় বোরো চাষে ব্যস্ত কৃষকরা
                                  

কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় ধুম পড়েছে বোরো চাষের। তীব্র শীতকে উপেক্ষা করে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বোরো চারা রোপণে ব্যস্ত সময় কাটছে উপজেলার কৃষকরা।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকরা কেউ বীজতলা থেকে চারা তুলছেন, কেউ চারা রোপণ করছেন, আবার কেউ জমিতে হালচাষ করছেন। শীত বেশি থাকায় আবার অনেকে একটু অপেক্ষা করছেন। সূর্যের দেখা মেলার সঙ্গে সঙ্গেই কৃষকরা চারা রোপণে ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন।

স্থানীয় পালাখাল ও সেঙ্গুয়া গ্রামের কৃষক আব্দুল করিম,সাত্তার,আবু হানিফ ও রানা হোসেন বলেন, গত বছর রোপা আমনে  ফসল ভালো হয়েছে। এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকলে ফলনও ভালো হবে বলে আশা করছি।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো: জাহাঙ্গীর আলম লিটন বলেন, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে ১২ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১২ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে বোরো চারা রোপণ মাত্রারিক্ত সম্পন্ন করে ফেলেছেন চাষিরা। কয়েক দিনের মধ্যেই প্রায় শেষ ভাগই বোরো চারা রোপণ শেষ করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে উচ্চফলনশীল হতে সার্বক্ষণিকভাবে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।


গঙ্গাচড়ায় আলুর সঙ্গে মিষ্টি কুমড়া চাষ
                                  

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি:
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় আলুর সঙ্গে মিষ্টি কুমড়া চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকের মাঝে। অল্প সময়ে কম খরচে বেশি ফলন পাওয়ায় আশায় উপজেলার অনেক কৃষক আলুর জমিতে সাথী ফসল হিসেবে মিষ্টি কুমড়া চাষ করছেন। সাধারণত জমি থেকে আলু তুলে নেয়ার পর অন্য ফসল রোপনের পূর্ব পর্যন্ত জমি পতিত পড়ে থাকে।

রোপনকৃত আলুর চারা গজানোর ২৫/৩০ দিন পর সাথী ফসল হিসেবে মিষ্টি কুমড়ার বীজ রোপণ করলে জমি আর পতিত ফেলে রাখতে হয় না। আলু তোলার সময় যখন ঘনিয়ে আসে মিষ্টি কুমড়ার চারাগুলো ততদিনে ডালপালা মেলতে শুরু করে। মিষ্টি কুমড়ার ডালপালা সরিয়ে রেখে আলু তুলে নেয়া হয়। এর কিছুদিন পর কুমড়া ধরতে শুরু করে। তখন কৃষকের ক্ষেত ভরে থাকে মিষ্টি কুমড়ায়।

উপজেলার গজঘন্টা ইউনিয়নের  কিশামত হাবু গ্রামের কৃষক কমল রায় বলেন, এ বছর তিনি ১২ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছেন। এর মধ্যে ৭ বিঘা জমিতেই আলুর সাথে মিষ্টি কুমড়া লাগিয়েছেন। তবে তিনি আলুর ৫কান্দি (সারি) পর পর মিষ্টি কুমড়া লাগিয়েছেন বলে জানান। ফলন ভালো হলে বাড়তি আয় হবে বলে তিনি আশাবাদী।
 
কোলকোন্দ ইউনিয়নের উত্তর কোলকোন্দ গ্রামের কৃষক মহুবার রহমান, আব্দুস সালাম, আব্দুল কাদের, হাফেজ আলী ও ইসমাইল হোসেন জানান, তারা প্রত্যেকেই তিস্তার চরে ২ বিঘা করে জমিতে আলুর সাথী ফসল হিসেবে মিষ্টি কুমড়ার আবাদ করেছেন। তবে আলুর ২ কান্দি(সারি) পর পর মিষ্টি কুমড়া লাগিয়েছেন তারা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, আলুর সঙ্গে মিষ্টি কুমড়া চাষ করা হলে তেমন বাড়তি খরচ হয় না কিন্তু অল্প সময়ে আর্থিকভাবে অধিক লাভবান হওয়া যায়।

হলুদ জমিনে দুরন্ত মৌ
                                  

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : মাঠের পর মাঠ সরিষার চাষ। শীতের সোনাঝরা রোদে ঝিকিমিকি করছে সবুজ সরিষা গাছের হলুদ ফুল। প্রকৃতি সেজেছে হলুদ বরণে। এ এক নয়নাভিরাম দৃশ্য। মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত চারপাশ। কুয়াশায় ঢাকা শীতে হলুদ রঙের চাঁদরে আবৃত টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলার আবাদের মাঠ। মাঠজুড়ে হলুদ ফুলের সমারোহ। সরিষা ফুলের হলুদ রাজ্যে মৌমাছির গুঞ্জন আর মধু আহরণে মুখরিত হয়ে ওঠেছে গোটা মাঠ। কাঙ্খিত ফলন পাওয়ার প্রত্যাশা চাষীদের।

টাঙ্গাইলের বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে দেখা যায়, যতদুর চোখ যায় ততদুর সবুজের ফাঁকে হলুদের সমাহার। আর এ সুযোগটা লুফে নিচ্ছে মৌমাছিরা। শীতের কুয়াশাকে উপেক্ষা করে সরিষা ক্ষেতের পরিচর্যা করছেন কৃষকরা। শীঘ্রই সরিষা ঘরে তুলবেন কৃষকরা। রাস্তার দু’পাশের জমিগুলোতে সরিষার চাষ করা হয়েছে। বাতাসে দুলছে এসব সরিষা ফুল।

ফুলের এই দোল খাওয়া সবার মন কেড়ে নেয়।  সরিষার ফুলে ফুলে হলুদ বর্ণের জমিগুলোতে আশপাশ সহ দূর-দূরান্ত থেকে সৌখিন প্রকৃতি প্রেমিকরা বেড়াতে আসছেন। ফুলের সৌন্দর্যকে ধরে রাখতে তরুণ-তরুণীরা ছুটে যাচ্ছেন হলুদের মাঠে। নিজের ছবির সাথে সরিষা ফুলের ছবি ধরে রাখছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, জেলায় এবার উফশী জাতের ২১ হাজার ২১৫ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ২৪ হাজার ৪৪৫ হেক্টর মোট ৪৫ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ করা হয়েছে। ফলনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৭ হাজার ৯৬৮ মেট্রিকটন।

এরমধ্যে সদর উপজেলায় ৫ হাজার ৩০ হেক্টর, বাসাইলে ৪ হাজার ৮২০হেক্টর, কালিহাতীতে  ৩ হাজার ১৩০ হেক্টর, ঘাটাইলে ২ হাজার ৩৫২ হেক্টর, নাগরপুরে ১০ হাজার ৭৫ হেক্টর, মির্জাপুরে ৮ হাজার ৯৪৫ হেক্টর, মধুপুরে ৪৬২ হেক্টর, ভূঞাপুরে ১ হাজার ৮৩০ হেক্টর, গোপালপুরে ৩ হাজার ৬০ হেক্টর, সখীপুরে ২ হাজার ১৪০ হেক্টর, দেলদুয়ারে ২ হাজার ৫৫০ হেক্টর এবং ধনবাড়ী উপজেলায় ৪৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ করা হয়েছে। জেলায় গত বছর ৪১ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ করা হয়েছিল।
 
কৃষকরা জানান, এবার সরিষা ক্ষেতে ভালো ফুল ফুটেছে বিধায় ভালো ফলনও আশা করা যায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে চলতি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলন আশা করছেন কৃষকরা। আমন ধান ওঠার পর বোরো ধান লাগানোর আগ পর্যন্ত জমি ফাঁকা থাকে। তাই শাক-সবজির পাশাপাশি তারা সরিষার আবাদ করে থাকেন। প্রতি বিঘা জমিতে সব মিলিয়ে খরচ হয় প্রায় সাড়ে ৩ হাজার টাকা। ফলন ভালো হলে এক বিঘা জমিতে প্রায় ৬ মণ সরিষা উৎপাদিত হয়।

সদর উপজেলার কৃষক বাহেজ সরকার, কালিহাতী উপজেলার মোমিনুল হক, আব্দুর রশিদ, কাদের প্রামাণিক, মির্জাপুরের জাহিদ হোসেন, রকিবুল আলম, নাগরপুরের ছালামত মিয়া, নাজমুল করিম সহ অনেকেই জানান, সরিষা আবাদে সেচ, সার ও কীটনাশক অনেক কম ব্যবহৃত হওয়ায় খরচও কম হয়। প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হলে এবার বাম্পার ফলন হবে।

তারা আরও জানান, সরিষা চাষ করে মানুষ শুধু তেল তৈরি করে না। এই সরিষা ভাঙিয়ে খৈল ও গাছ থেকে ভূষি তৈরি হয়। যা গরুর ভালো খাদ্য এবং ভালো জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। এছাড়া সরিষা ক্ষেতের পাশে মৌচাষিরা বাক্স স্থাপন করে মধু উৎপাদন করে থাকে। মৌমাছি সরিষা ফুল থেকে মধু আহরণ করে থাকে। এতে সরিষার পরাগায়ণ বেড়ে যায়, ফলনও ভালো হয়।  

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আহসানুল বাশার জানান, সরিষা দেশের আবহাওয়া বান্ধব এবং লাভজনক ফসল। মাত্র ৭০ থেকে ৮৫ দিনের মধ্যে এর ফলন পাওয়া যায়। সরকারি প্রণোদনার আওতায় কৃষকদেরকে এক বিঘা জমির জন্য সার ও বীজ দেওয়া হয়েছে। গত বছরের চেয়ে এ বছর প্রায় ৪ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে সরিষা আবাদ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারও সরিষার বাম্পার ফলন হবে।

স্বাধীন বাংলা/এআর


   Page 1 of 5
     কৃষি
পুঁজির অভাবে মৌখামার বাড়াতে পারছেন না চাষিরা
.............................................................................................
সাতক্ষীরার নগরঘাটায় কুল চাষে সাফল্য
.............................................................................................
মনোহরদীতে কৃষি বিভাগের আদুরে কন্যা ‘সমলয়’
.............................................................................................
লৌহজংয়ে আলু চাষিদের মাথায় হাত
.............................................................................................
রাজশাহীতে আগাম টমেটো চাষে ব্যস্ত কৃষক
.............................................................................................
আউশ ধানের বাম্পার ফলন; কৃষকের মুখে সোনালি হাসি
.............................................................................................
সখীপুরে লেবু চাষে ভাগ্যের চাকা ঘুরলো মোফাজ্জলের
.............................................................................................
বগুড়ায় মাচায় হলুদ তরমুজ চাষে ব্যাপক সাড়া
.............................................................................................
কচুয়ায় কৃষকের সবজি ক্ষেত কেটে দিল দুর্বৃত্তরা
.............................................................................................
রক্ষণাগার না থাকায় আলুতে পচন, ন্যায্য মূল্য না পেয়ে হতাশ কৃষক
.............................................................................................
কচুয়ায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি
.............................................................................................
কিশোরগঞ্জের হাওরে কৃষকের কান্না
.............................................................................................
কচুয়ায় আলুর বাম্পার ফলন
.............................................................................................
তীব্র শীত উপক্ষো করে কচুয়ায় বোরো চাষে ব্যস্ত কৃষকরা
.............................................................................................
গঙ্গাচড়ায় আলুর সঙ্গে মিষ্টি কুমড়া চাষ
.............................................................................................
হলুদ জমিনে দুরন্ত মৌ
.............................................................................................
শিমের বাম্পার ফলনেও দুশ্চিন্তায় চাষীরা
.............................................................................................
১ টাকা কেজি দরেও বিক্রি হচ্ছে না মুলা; কৃষকের মাথায় হাত
.............................................................................................
যেভাবে একই সাথে চাষ করবেন মাছ ও মুরগি
.............................................................................................
আগামী মৌসুমে বোরো আবাদ ৫০ হাজার হেক্টর বাড়ানো হবে : কৃষিমন্ত্রী
.............................................................................................
নওগাঁয় করলা চাষে সফল কৃষক জলিল
.............................................................................................
বায়োফ্লক : বাংলাদেশে দ্রুত বাড়াতে পারে মাছ উৎপাদন
.............................................................................................
নোয়াখালীতে পতিত জমিতে ব্রি ধান-৫৪ চাষে সফল কৃষক দ্বীন মোহাম্মদ
.............................................................................................
সফল মৌ চাষি মনিরুল
.............................................................................................
মীরসরাইয়ে আউশের বাম্পার ফলন
.............................................................................................
রাজৈরে পাটের আঁশ ছাড়িয়ে বিক্রয়ের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত কৃষকেরা
.............................................................................................
লটকনের বাম্পার ফলন: নরসিংদীতে চাষীর মুখে আনন্দের হাসি
.............................................................................................
নরসিংদীতে সবজির ন্যায্য দাম পাওয়ায় কৃষকরা খুশি
.............................................................................................
সমন্বিত সবজি চাষে সচ্ছল কৃষক
.............................................................................................
উচ্চ ফলনশীল ধানের ৩ টি নতুন জাত উদ্ভাবন করেছে ‘ব্রি’
.............................................................................................
দিনাজপুরে ধান কাটা শুরু
.............................................................................................
অভয়নগরে বোরো বীজ ধানের সংকট
.............................................................................................
লংগদুতে কৃষি প্রনোদনা প্রদান
.............................................................................................
হাওরে ছত্রাকজনিত ব্লাস্টের আক্রমণ, দিশেহারা কৃষক
.............................................................................................
ক্ষুদ্র কৃষি ঋণ নিয়ে বিপাকে কৃষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংক
.............................................................................................
ছাতকে টমেটো চাষে সফল ‌‌টমেটো বক্কর
.............................................................................................
পলাশে সোনালী ধানের মৌ মৌ গন্ধ
.............................................................................................
গোপালগঞ্জে আমন ধানের বাম্পার ফলন: কৃষকের মুখে সোনালী হাসি
.............................................................................................
বরিশালের সাতলা-বাগধা সেচ প্রকল্প এখন কৃষকের গলার কাঁটা
.............................................................................................
বরিশালে আমড়ার বাম্পার ফলন
.............................................................................................
পার্বতীপুরে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ
.............................................................................................
পার্বতীপুরে আগাম হাইব্রীড এসিআই আমন ধান কাটা শুরু
.............................................................................................
পাট নিয়ে বিপাকে নীলফামারীর চাষিরা
.............................................................................................
পাটের মূল্য ২হাজার ৫শত টাকার দাবিতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন
.............................................................................................
পাটের বাম্পার ফলন: পাবনায় ফিরে আসছে পাটের হারানো ঐতিহ্য
.............................................................................................
ছাতকের মানিকপুরে লিচুর বাম্পার ফলন
.............................................................................................
ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় লিচু উৎপাদনে বিপর্যয়; চাষীরা বিপাকে
.............................................................................................
ভুরুঙ্গামারীতে কৃষক ফলন দিবস অনুষ্টিত
.............................................................................................
নিম্নমানের বীজ: ডিমলায় সহস্রাধিক বিঘা জমিতে ভুট্টার গাছ আছে, দানা নেই
.............................................................................................
নোয়াখালীর হাতিয়া ও সূবর্ণচরে অর্ধলক্ষ হেক্টর রোপা আমন নষ্ট
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT