শনিবার, ২২ জানুয়ারী 2022 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   আইন - অপরাধ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের ৬৫ লাখ টাকার ক্যাবল চুরি

জেলা প্রতিনিধি, পাবনা:

পাবনার ঈশ্বরদী নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক (আরএনপিপি) বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের অভ্যন্তরে পদ্মার পাশে পানিপথে মালামাল ওঠানামার জন্যে দুটি লেইভার ক্রেন থেকে গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক ক্যাবল চুরি হয়ে গেছে। রূপপুর প্রকল্পে বিশেষ কাজের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ১২৬ চাকা বিশিষ্ট ক্রেন থেকে চুরি যাওয়া ক্যাবলের মূল্য ৬৫ লাখ টাকা।

গত বুধবার (১৯ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে আছের ডাইরেক্টর অফ সিকিউরিটি ভিএন তুরুটিন বাদী হয়ে প্রকল্পের পক্ষ থেকে পাবনার ঈশ্বরদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

 মামলার সূত্রে থেকে জানা গেছে, রূপপুর প্রকল্পের অভ্যন্তরে জাহাজের মালামাল ওঠানামার নির্ধারিত স্থানে থাকা ওই দুটি লেইভার ক্রেন গত ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত পর্যবেক্ষণের সময়ে ক্যাবলগুলো রাখা ছিল। কিন্তু গত ৯ জানুয়ারি পুনরায় জাহাজে ওই দুটি লেইভার ক্রেনের যান্ত্রিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সময় ২৬৫ মিটার গুরুত্বপূর্ণ ক্যাবল খোয়া দেখতে পাওয়া যায়। এরপর থেকে রূপপুর প্রকল্পের জন্য নির্মিত জেটিতে মালামাল ওঠানামা অনিয়মিত রয়েছে।

বিভিন্ন সূত্রে সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ক্রেন দুটি থেকে ক্যাবলগুলো চুরি হয়েছে। কিন্তু এত বিপুল অঙ্কের টাকার মালামাল খোয়া গেলেও এ বিষয়ে প্রকল্পের অনেকেই মুখ খুলতে চান না।

রূপপুর প্রকল্পের পরিচালক ড. সৌকত আকবরকে একাধিকবার মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি। ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও কোন উত্তর পাওয়া যায়নি।

এদিকে স্থানীয় ব্যক্তিদের ধারণা, বিশালাকৃতির ক্রেন দুটি থেকে যান্ত্রিক বিষয় জানাশোনা লোকজনই ক্যাবলগুলো সরিয়ে নিতে পারেন। অনভিজ্ঞ কেউ হয়ত এভাবে ক্যাবল নিয়ে পারে না। বিষয়টির তদন্ত হওয়া দরকার। পাকশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছাইফুল ইসলাম বাবু মণ্ডল বলেন, রূপপুর প্রকল্পে অনেকগুলো সরকারি সংস্থা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন। তাই চুরির বিষয়টি আরো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার।

তবে রূপপুর প্রকল্পের পরিচালক (সাইট) আশরাফুল ইসলাম জানান, চুরির বিষয়টি মোটেও ঠিক হয়নি। এখানে প্রত্যেকটি সাব কন্ট্রাক্টরের নিজস্ব সিকিউরিটি আছে। ছাড়া বিভিন্ন সংস্থার নিরাপত্তা রয়েছে। মূল ঠিকাদার রোসাটমেরও কিছু দায়িত্ব আছে। তিনি আরো জানান, গত সপ্তাহে রূপপুর প্রকল্পের পরিচালক ড. সৌকত আকবর রূপপুর প্রকল্পে এসে সেনাবাহিনীসহ অনেকের সঙ্গে মিটিংও করেছেন। এসময় সবাইকে সতর্কতার সঙ্গে কাজ করার তাগিদ দেওয়া হয়। আমরাও বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।

ঈশ্বরদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, বুধবার রাত সাড়ে ১১টার পরে রূপপুর প্রকল্প থেকে ‘আছের’ ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটি মামলার জন্য এজাহার জমা দেন। রাতেই মামলাটি গ্রহণ করা হয়। চুরি বিষয়ে তিনি বলেন, ওই ক্রেনের ক্যাবল চুরির সঙ্গে যারা জড়িত তাদের হয়তো নিয়মিত ওখানে যাতায়াত আছে বা মেশিন সম্পর্কে ধারণা আছে। তা নাহলে এত গুরুত্বপূর্ণ জিনিস চুরি হলো কীভাবে?

তিনি জানান, মামলাটি তদন্তের জন্য পাকশী ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই আতিকুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) সকালে তিনি জানান, মামলা হওয়ার পরও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের ৬৫ লাখ টাকার ক্যাবল চুরি
                                  

জেলা প্রতিনিধি, পাবনা:

পাবনার ঈশ্বরদী নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক (আরএনপিপি) বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের অভ্যন্তরে পদ্মার পাশে পানিপথে মালামাল ওঠানামার জন্যে দুটি লেইভার ক্রেন থেকে গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক ক্যাবল চুরি হয়ে গেছে। রূপপুর প্রকল্পে বিশেষ কাজের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ১২৬ চাকা বিশিষ্ট ক্রেন থেকে চুরি যাওয়া ক্যাবলের মূল্য ৬৫ লাখ টাকা।

গত বুধবার (১৯ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে আছের ডাইরেক্টর অফ সিকিউরিটি ভিএন তুরুটিন বাদী হয়ে প্রকল্পের পক্ষ থেকে পাবনার ঈশ্বরদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

 মামলার সূত্রে থেকে জানা গেছে, রূপপুর প্রকল্পের অভ্যন্তরে জাহাজের মালামাল ওঠানামার নির্ধারিত স্থানে থাকা ওই দুটি লেইভার ক্রেন গত ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত পর্যবেক্ষণের সময়ে ক্যাবলগুলো রাখা ছিল। কিন্তু গত ৯ জানুয়ারি পুনরায় জাহাজে ওই দুটি লেইভার ক্রেনের যান্ত্রিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সময় ২৬৫ মিটার গুরুত্বপূর্ণ ক্যাবল খোয়া দেখতে পাওয়া যায়। এরপর থেকে রূপপুর প্রকল্পের জন্য নির্মিত জেটিতে মালামাল ওঠানামা অনিয়মিত রয়েছে।

বিভিন্ন সূত্রে সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ক্রেন দুটি থেকে ক্যাবলগুলো চুরি হয়েছে। কিন্তু এত বিপুল অঙ্কের টাকার মালামাল খোয়া গেলেও এ বিষয়ে প্রকল্পের অনেকেই মুখ খুলতে চান না।

রূপপুর প্রকল্পের পরিচালক ড. সৌকত আকবরকে একাধিকবার মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি। ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও কোন উত্তর পাওয়া যায়নি।

এদিকে স্থানীয় ব্যক্তিদের ধারণা, বিশালাকৃতির ক্রেন দুটি থেকে যান্ত্রিক বিষয় জানাশোনা লোকজনই ক্যাবলগুলো সরিয়ে নিতে পারেন। অনভিজ্ঞ কেউ হয়ত এভাবে ক্যাবল নিয়ে পারে না। বিষয়টির তদন্ত হওয়া দরকার। পাকশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছাইফুল ইসলাম বাবু মণ্ডল বলেন, রূপপুর প্রকল্পে অনেকগুলো সরকারি সংস্থা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন। তাই চুরির বিষয়টি আরো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার।

তবে রূপপুর প্রকল্পের পরিচালক (সাইট) আশরাফুল ইসলাম জানান, চুরির বিষয়টি মোটেও ঠিক হয়নি। এখানে প্রত্যেকটি সাব কন্ট্রাক্টরের নিজস্ব সিকিউরিটি আছে। ছাড়া বিভিন্ন সংস্থার নিরাপত্তা রয়েছে। মূল ঠিকাদার রোসাটমেরও কিছু দায়িত্ব আছে। তিনি আরো জানান, গত সপ্তাহে রূপপুর প্রকল্পের পরিচালক ড. সৌকত আকবর রূপপুর প্রকল্পে এসে সেনাবাহিনীসহ অনেকের সঙ্গে মিটিংও করেছেন। এসময় সবাইকে সতর্কতার সঙ্গে কাজ করার তাগিদ দেওয়া হয়। আমরাও বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।

ঈশ্বরদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, বুধবার রাত সাড়ে ১১টার পরে রূপপুর প্রকল্প থেকে ‘আছের’ ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটি মামলার জন্য এজাহার জমা দেন। রাতেই মামলাটি গ্রহণ করা হয়। চুরি বিষয়ে তিনি বলেন, ওই ক্রেনের ক্যাবল চুরির সঙ্গে যারা জড়িত তাদের হয়তো নিয়মিত ওখানে যাতায়াত আছে বা মেশিন সম্পর্কে ধারণা আছে। তা নাহলে এত গুরুত্বপূর্ণ জিনিস চুরি হলো কীভাবে?

তিনি জানান, মামলাটি তদন্তের জন্য পাকশী ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই আতিকুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) সকালে তিনি জানান, মামলা হওয়ার পরও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

শিশু মেয়েকে পুকুরে চুবিয়ে মারেন সৎ মা
                                  

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেতুলিয়া ইউনিয়নের লাউতারা গ্রামের পাঁচ বছরের শিশু আফসানা খাতুনকে পুকুরের পানিতে চুবিয়ে হত্যার ঘটনায় তার সৎ মা রোকেয়া খাতুনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারের পর বুধবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক রাকিবুল ইসলামের কাছে হত্যার ঘটনায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন রোকেয়া খাতুন। এর আগে মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) গভীর রাতে তালা থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

জানা যায়, ২০২১ সালের ৩০ এপ্রিল বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে তেতুলিয়া ইউনিয়নের লাউতারা গ্রামের আব্দুল কাদিরের মেয়ে আফসানা খাতুনের (০৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সেসময় আফসানা খাতুনের মরদেহ ময়নাতদন্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর ও এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়।

পরে পুলিশ দীর্ঘ অনুসন্ধানে জানতে পারে আব্দুল কাদির মোড়লের প্রথম স্ত্রী নার্গিস খাতুনের সঙ্গে দাম্পত্য কলহ ও বনিবনা না হওয়ায় ২০২০ সালে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। পরবর্তীতে কাদির মোড়ল ২০২০ সালের ২৬ অক্টোবর একই উপজেলার জেয়ালা গ্রামের রোকেয়া খাতুনকে বিয়ে করেন। কিন্তু দ্বিতীয় স্ত্রী রোকেয়া খাতুন প্রথমপক্ষের মেয়ে আফসানাকে সহ্য করতে পারতেন না এবং মারপিট করতেন।

এ নিয়ে প্রায়ই রোকেয়া খাতুন তার স্বামী ও শাশুড়ির সঙ্গে ঝগড়ায় লিপ্ত হতেন। এক পর্যায়ে রোকেয়া খাতুন (২৩) প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে ওঠেন এবং আফসানা খাতুনকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি আফসানা খাতুনকে ২০২১ সালের ৩০ এপ্রিল বাড়ির পাশের পুকুরে গোসল করার নাম করে নিয়ে যান এবং পানিতে চুবিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে পুকুরে ডুবে শিশু আফসানা খাতুনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রচার করা হয়।

এই ঘটনার কিছুদিন পর রোকেয়া খাতুন নিজেই তার স্বামীর কাছে শিশুটিকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। ঘটনাটি জানতে পেরে কাদির মোড়ল প্রথমে আদালতে একটি সিআর মামলা দায়ের করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা ভিকটিমের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পর্যালোচনা এবং রাবেয়া খাতুনের স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য শোনেন এবং নিশ্চিত হন।


কবরস্থান থেকে ১৬ কঙ্কাল চুরি!
                                  

জেলা প্রতিনিধি, সিরাজগঞ্জ :

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় কবরস্থান থেকে ১৬ কঙ্কাল চুরির ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার সলঙ্গা ইউনিয়নের নাইমুড়ি গ্রামে রুয়াপাড়া কবরস্থানে এ ঘটনা ঘটে। গত সোমবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে নাইমুড়ী গ্রামের মৃত বদিউজ্জামান তালুকদারের স্ত্রী মরহুমা হালিমা খাতুনের (৭৬) মরদেহ দাফন করতে গিয়ে বিষয়টি জানা যায়।

গ্রামবাসী জানান, নাইমুড়ি গ্রামের মৃত বদিউজ্জামানের স্ত্রী মরহুমা হালিমা খাতুনকে দাফন করতে গিয়ে দেখা যায় ১৬টি কবর খনন করা। সন্দেহ হলে একটা কবর খনন করে দেখা যায় সেখানে কঙ্কাল নেই। এরপর বাকি ১৫ কবর খুঁড়লে কোনোটিতেই কঙ্কাল পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে নাউমুড়ী রুয়াপাড়া সম্মিলিত কবরস্থান কমিটির সভাপতি আব্দুল মান্নান তালুকদার বলেন, বিষয়টি অত্যান্ত দুঃখজনক। পরবর্তীতে এ ধরনের ঘটনা আর যাতে না ঘটে সেজন্য কমিটির পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে সলঙ্গা সলঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নাইমুড়ি গ্রামের বাসিন্দা আকমল হোসেন বাদশা বলেন, এমন ঘটনায় আমরা মর্মাহত। বিষয়টি প্রশাসনকে অবহিত করেছি। চোর চক্রকে ধরতে কবরস্থানে পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তবে এ ব্যাপারে সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জিলানীকে একাধিকবার ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

দুস্থদের ২১০০ কেজি চাল আত্মসাৎ: দায় নিচ্ছেন না সচিব-চেয়ারম্যান ও ট্যাগ অফিসার
                                  

মোঃ রেজাউল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের বুড়িশ্বর ইউনিয়নের ১০ জন অসহায় ও দুস্থ নারীর সাত মাসের চাল টিপসই জালিয়াতি করে উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। আর এ অভিযোগের তীর খোদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারেম্যানের বিরুদ্ধে।

তবে চেয়ারম্যান এ দায় অস্বীকার করে বলেন, আমি কেবল ভিজিডি কার্ড স্বাক্ষর করেছি। কিন্তু চাল বিতরণ তদারকি করেন ট্যাগ অফিসার ও ইউপি সচিব। তবে প্রতিবারই চাল বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন, ভিজিডি বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব, ট্যাগ অফিসার ও উপজেলা মহিলা ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ দাস।

জানা গেছে,  দুই বছর মেয়াদে  ভিজিডি উপকারভোগীদের মধ্যে ৩০ কেজি চাল দেওয়ার জন্য নাসিরনগর উপজেলা মহিলা ও শিশু বিষয়ক কার্যালয় থেকে অনলাইনে আবেদন চাওয়া হয়। সে সময় বুড়িশ্বর ইউনিয়ন থেকে প্রায় পাঁচশতাধিক নারী আবেদন করেন। আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে উপজেলা বাস্তবায়ন কমিটিতে পাঠানো হয়। সেখানে তালিকাগুলো পুনরায় যাচাই-বাচাই করে ১৫০ জনের নামের তালিকা চুড়ান্ত করে অনলাইনে প্রকাশ করেন। এর মধ্যে এ ১০টি নামও ছিলো যাদের টিপসই জালিয়াতি করে চাল উত্তোলন করা হয়েছে। জানা গেছে, চাল বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন, ভিজিডি বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব, ট্যাগ অফিসার ও উপজেলা মহিলা ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ দাস।

১০ জনের টিপসই জালিয়াতি করে চাল উত্তোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে বুড়িশ্বর ইউনিয়ন পরিষদ সচিব মো. বাবুল মিয়া বলেন, চেয়ারম্যান ও ট্যাগ অফিসার উপস্থিত থেকে চাল বিতরণ করছেন। এমনকি বিতরণের মাস্টাররোল চেয়ারম্যানর কাছেই থাকত। অনিয়মের বিষয়টি ট্যাগ অফিসার ও চেয়ারম্যান ভাল বলতে পারবেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক সরকার দাবী করে বলেন, চাল বিতরণের বিষয়টি সচিব আর ট্যাগ অফিসার দেখভাল করেন। আমি শুধু ভিজিডি কার্ড বইয়ে স্বাক্ষর করি। আমি দলীয় নমিনেশন পেতে দীর্ঘদিন পরিষদে যেতে পারিনি। এই সুযোগে হয়ত কোন সমস্যা হয়ে হতে পারে।

৪নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মাহফুজ মিয়া জানান, চেয়ারম্যান আমার বন্টনে ১০ জনের নাম দিয়েছিলেন। আমার ১০ জন ঠিক মত চাল পাচ্ছে। এই ওয়ার্ডে আরো ৩৭ জনের নাম আছে। এই নামগুলো চেয়ারম্যান নিজে দিয়েছেন। তবে লাভলী আক্তার, ফরিদা বেগম ও রাহেলা বেগমের চাল কারা তুলে নিয়ে গেছে এই বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা।

নতুন চেয়ারম্যান ইকবাল চৌধুরী বলেন, আমি শপথ নেওয়ার পর পরিচিতি সভায় ইউনিয়ন সচিব আমাকে ১০টি ভিজিডি সুবিধাপ্রাপ্ত নারীর চাল উত্তোলনে অনিয়মের বিষয়টি জানান। তখন বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করি। তবে অনিয়মের বিষয়টি ট্যাগ অফিসার ও চেয়ারম্যান ভাল বলতে পারবেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হালিমা খাতুন বলেন, ১০ জন দুস্থ নারীর টিপসই জালিয়াতি করে চাল উত্তোলন করা হচ্ছে বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের কাছ থেকে অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অর্ধ কোটি টাকা লোপাটের মামলায় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা
                                  

ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
ঝালকাঠির কাঠালিয়া শহীদ রাজা ডিগ্রী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ আবুল বাসরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারী করেছে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত। নিয়োগ জালিয়াতী, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মাতের মামলায় আদালতের দেয়া সোমনাদেশ অমান্য করায় বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের বিচারক আবুলকালাম আজাদ এ গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারী করেন। কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ সমির কুমার সাহা বাদী হয়ে দায়েরকৃত মামলার শুনানী শেষে আদালত এ গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারী করেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, শহীদ রাজা ডিগ্রী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ আবুল বাসার ২০১৫ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ৫ বছর দায়িত্ব পালনকালে শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়োগ, নবায়ন, ভ্রমন ভাতাসহ কলেজের বিভিন্ন তহবিল থেকে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারীতার মাধ্যমে ৫১ লাখ ৪৭ হাজার টাকা আত্মসাত করেন।
২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর লেজের বর্তমান অধ্যক্ষ সমির কুমার সাহা বাদী হয়ে ঝালকাঠি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে নালিশী মামলা (নং-১৭১/২০)  দায়ের করেন। আদালত নালিশী মামলার শুনানী শেষে অভিযোগ তদন্ত করে গোয়েন্দ পুলিশ বিভাগ সিআইডিকে প্রতিবেদন প্রদানের নির্দেশ দেন। সিআইড পুলিশ প্রায় এক বছর তদন্ত শেষে গত বছরের নভেম্বর মাসে আদালতে চার্জশীট প্রদান করেন।
আদালতে প্রদানকৃত তদন্ত প্রতিবেদনে সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ আবুল বসারের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারীতার মাধ্যমে অর্ধ কোটি টাকা লোপাটের ঘটনায় উত্থাপিত অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। বিচারক আসামী সাবেক অধ্যক্ষ বাসারকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সোমন জারী করলেও দীর্ঘ দিন ধরে আদালতের আদেশ অমান্য করে অনুপস্থিত থাকেন।  
এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার ধার্য তারিখে আসামী অধ্যক্ষ বাসার অনুপস্থিত থাকলে পালাতক দেখিয়ে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারী করেন।

ইভটিজিংয়ের অভিযোগে স্কুল শিক্ষককে জরিমানা
                                  

মনোহরদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি :

মনোহরদীতে করোনার ভ্যাকসিন নিতে এসে এক স্কুলছাত্রী ইভটিজিংয়ের শিকার হয়। এ অভিযোগে এক হাই স্কুল শিক্ষককে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

কোর্ট সূত্রে জানা যায়, মনোহরদী সরকারী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর এক ছাত্রী বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের করোনার ভ্যাকসিন কেন্দ্রে স্বেচ্ছাসেবীর দায়িত্ব পালন করছিলো। সেখানে দায়িত্বরত স্কুল শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম ভীড়ের ভেতর তাকে নানাভাবে টিজ করেন বলে অভিযোগে জানা যায়। এতে স্বেচ্ছাসেবী স্কুল ছাত্রী পুলিশের শরণাপন্ন হয়। পরে মোবাইল কোর্ট অভিযুক্ত স্কুল শিক্ষককে ২০ হাজার টাকার অর্থ দন্ডে দন্ডিত করেন।

শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম মনোহরদী উপজেলার জে আর এস উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এস এম কাসেমের কোর্ট তাকে এ দন্ডাদেশ প্রদান করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এস এম কাসেমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মিউজিক ভিডিওর সূত্র ধরে ‘সিরিয়াল কিলার’ হেলাল গ্রেফতার
                                  

মো.আজমাইন মাহতাব

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী ‘সিরিয়াল কিলার’ খ্যাত হেলাল ফকির ওরফে সেলিম ফকির ওরফে খুনী হেলালকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। র‌্যাব-৩ এর একটি আভিযানিক দল ও গোয়েন্দা দল যৌথ অভিযানে কিশোরগঞ্জের ভৈরব এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারি সকালে কাওরানবাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে  র‌্যাবের লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য নিশ্চিত করে  জানান, গত ২০০১ সালে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মাহমুদুল হাসান বিদ্যুৎকে (২০) পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত বিদ্যুৎতের পরিবার বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় মামলা হত্যা মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলায় বিজ্ঞ আদালত থেকে সে যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্ত হয়। তার পর থেকেই সে ফেরারী হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে আসছিলো।

তিনি বলেন, গত ৬ মাস পূর্বে জনৈক এক ব্যক্তি ইউটিউবে প্রচারিত একটি গানে বাউল মডেল সম্পর্কে র‌্যাবকে বাউল হেলালের তথ্য প্রদান করে। বগুড়ার বিদ্যুৎ হত্যা মামলার আসামী হেলালের সাথে উক্ত মডেলের চেহারার মিল সম্পর্কে জানায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত তার অপরাধ সম্পর্কে র‌্যাবকে তথ্য প্রদান করে। সে ২০০১ সালের বগুড়ার চাঞ্চল্যকর বিদুৎ হত্যা মামলা সহ আরও ২টি হত্যা মামলার আসামী। ২০০৬ সালে রবিউল হত্যা মামলার আসামী এবং ১৯৯৭ সালে বগুড়াতে চাঞ্চল্যকর বিষ্ণু হত্যাকান্ডের এজাহার নামীয় আসামী ছিলো। গত ২০১০ সালে বগুড়া সদর থানায় দায়েরকৃত একটি চুরির মামলায় সে ২০১৫ সালে গ্রেফতার হয়। ওই বছরই সে চুরির মামলায় জামিনে মুক্ত হয়। একই দিনে বিদ্যুৎ হত্যা মামলায় বিজ্ঞ আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করে। এছাড়াও ২০১১ সালে তার বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়।

গ্রেফতারকৃত হেলাল কর্মজীবনে ৮ম শ্রেনী পর্যন্ত পড়াশুনা করেছে। তারপর সে এলাকায় মুদি দোকানের ব্যবসা শুরু করে। হত্যাকান্ডসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রমের সাথে জড়িয়ে পড়লে এলাকায় তার কুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে।

বিদ্যুৎ হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হলে সে সুকৌশলে পালিয়ে গিয়ে ফেরারি জীবন যাপন শুরু করে। প্রথমে সে বগুড়া থেকে ট্রেনে ঢাকায় কমলাপুর রেলস্টেশনে আসে। এরপর কমলাপুর থেকে ট্রেনযোগে চট্টগ্রামে যায়। সেখানে আমানত শাহ্’র মাজারে ছদ্মবেশ ধারণ করে বেশ কিছুদিন অবস্থান করে। সেখান থেকে অবস্থান পরিবর্তন করে সিলেটের শাহজালাল মাজারে চলে যায়।

সিলেটে গিয়ে ছদ্মবেশ ধারণ করে আরও কিছুদিন বসবাস করে। বিভিন্ন সময়ে সে বাংলাদেশের বিভিন্ন রেলস্টেশন ও মাজারে ছদ্মবেশে অবস্থান করত। সে কিশোরগঞ্জ ভৈরব রেলস্টেশনে নাম-ঠিকানা ও পরিচয় গোপন রেখে সেলিম ফকির নামে বসবাস শুরু করে। আনুমানিক ৫ বছর পূর্বে গ্রেফতারকৃত হেলাল নারায়ণগঞ্জ রেলস্টেশনে কিশোর পলাশের একটি গান ‘ভাঙ্গা তরী ছেড়া পাল’ এর শুটিংয়ে বাউল মডেলের অভিনয় করে। সে প্রায় ৭ বছর যাবৎ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ফেরারী জীবন যাপন করে এবং প্রায় ৪ বছর যাবৎ ভৈরব রেলস্টেশনের পাশে একজন মহিলার সাথে সংসার করে আসছিলো।

জীবিকা নির্বাহের জন্য সে বিভিন্ন রেলস্টেশনে বাউল গান গেয়ে মানুষের নিকট হতে সাহায্য প্রার্থনা করতো।

‘ঘুষ নেওয়ায়’ নির্বাচন কর্মকর্তা প্রত্যাহার
                                  

কুমিল্লা প্রতিনিধি :


কুমিল্লার মুরাদনগরে প্রার্থিতা যাচাই-বাছাইয়ের সময় প্রার্থীদের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পাওয়ায় নির্বাচন কর্মকর্তা বিল্লাল মেহেদীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সাথে বিল্লাল মেহেদীকে প্রত্যাহার করে তার স্থলে জেলার বরুড়া নির্বাচন অফিসার আজহারুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান এই প্রত্যাহার আদেশ দেন।  

গত ৬ জানুয়ারি প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন ওই কর্মকর্তা-এমন সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি তদন্ত করেন কুমিল্লার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা দুলাল তালুকদার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মঞ্জুরুল আলম।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আলম বলেন, বিল্লাল মেহেদীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার স্থলে বরুড়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন।

উল্লেখ্য, ষষ্ঠ ধাপে ইউপি নির্বাচনে মুরাদনগর উপজেলায় ৩১ জানুয়ারি ভোটগ্রহণ হবে। গত ৬ জানুয়ারি ছিল প্রার্থিতা যাচাই-বাছাইয়ের দিন। প্রার্থিতা বাছাইয়ের জন্য উপজেলার ২১টি ইউনিয়নের বিপরীতে সাতটি বুথ তৈরি করা হয়। সেই সুবাদে হোমনা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিল্লাল মেহেদী রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন উপজেলার যাত্রাপুর, বাঙ্গরা পূর্ব ও বাঙ্গরা পশ্চিম-এই তিন ইউনিয়নের। সে সময় তিনি প্রার্থিতা যাচাই-বাছাইয়ে বাতিলের ভয় দেখিয়ে প্রার্থীপ্রতি ৫০০-১০০০ টাকা আদায় করেন।

ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ৪
                                  

নোয়াখালী প্রতিনিধি :
নোয়াখালীতে থানার বেষ্টনির মধ্যে ২৩ বছর বয়সী এক যুবতীতে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় জেলা ট্রাফিক পুলিশের এক কনস্টেবল (মুন্সি) সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছেন, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার মাদলা গ্রামের আব্দুল ওহাবের ছেলে ও নোয়াখালী জেলার সদর ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল (কং/২৬৪) মকবুল হোসেন (৩২), বেগমগঞ্জ উপজেলার নাজিরপুর গ্রামের মৃত আমান উল্যার ছেলে সিএনজি চালক মো. কামরুল (২৫), সদর উপজেলার দাদপুর গ্রামের মৃত মফিজ উল্যার ছেলে আবদুল মান্নান (৪৯), বেগমগঞ্জ উপজেলার অনন্তপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে নুর হোসেন কালু (৩০)।

শুক্রবার দুপুরে অভিযুক্ত ৪ জনকে আসামি করে সুধারাম মডেল থানায় ধর্ষণের অভিযোগে ভিকটিমের মা হাজেরা বেগম বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন। এরআগে বৃহস্পতিবার বিকালে সুধারাম থানার বেষ্টনির মধ্যে জেলা ট্রাফিক পুলিশের কোয়ার্টারে বাবুর্চি আবুল কালামের রুমে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর রাতেই অভিযুক্ত ৪ জনকে আটক করে পুলিশ। ভিকটিম নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার আটিয়া বাড়ি গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুধারাম মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মিজানুর রহমান পাঠান জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে ভিকটিম ঢাকা থেকে ব্যক্তিগত কাজে নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীতে আসেন। জেলা শহরে অবস্থানকালে তার টাকা পয়সার সংকট দেখা দিলে ভিকটিম তার পূর্ব পরিচিত সিএনজি চালক মো. কামরুলের সাথে দেখা করে। এক পর্যায়ে কামরুল ও তার দুই সহযোগী আবদুল মান্নান ও নুর হোসেন কালু ভিকটিমকে সদর ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল (মুন্সি) মকবুল হোসেনের কাছে নিয়ে যায়। এসময় তাদের সহযোগিতায় মুন্সি মকবুল হোসেন ভিকটিমকে ট্রাফিক পুলিশের বাবুর্চি আবুল কালামের রুমে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনার পরপরই ভিকটিম পাশের সুধারাম থানা পুলিশকে বিষয়টি অবগত করেন।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাহেদ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এই ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদি হয়ে ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার ৪ আসামিকেই গ্রেফতারের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে। নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভিকটিমের শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

সেই হাসপাতালের মালিককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব
                                  

মোঃ আজমাইন মাহতাব :
রাজধানীর শ্যামলীতে একটি বেসরকারী হাসপাতাল “আমার বাংলাদেশ হাসপাতাল” এ সম্পূর্ণ বিল পরিশোধ না করায় চিকিৎসাধীন জমজ শিশুকে জোর করে বের করে দেওয়ার ফলে জমজ এক শিশুর মৃত্যু ও অপর শিশু আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। নির্মম ও অমানবিক ঘটনাটি দেশব্যাপী ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এরই প্রেক্ষিতে র‌্যাব তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে ভক্তিভোগী পরিবারের পাশে দাঁড়ায়।

ঘটনায় ভুক্তভোগী ‘আমার বাংলাদেশ হাসপাতাল’ এর মালিক ও পরিচালককে আসামী করে মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা রুজ্জু করে। যার নম্বর ৪২, ধারা ৩০৪-ক পেনাল কোড।  এ ঘটনার পর থেকে র‌্যাবের গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা এবং র‌্যাব-২ ও র‌্যাব- ৩ এর যৌথ অভিযানে আজ বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে ‘আমার বাংলাদেশ হাসাপাতাল’ এর মালিক মোহাম্মদ গোলাম সরোয়ারকে (৫৭) গ্রেফতার করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত জানায় যে, ‘আমার বাংলাদেশ হাসপাতাল’ এ রুগী ভর্তির জন্য বিভিন্ন সরকারী হাসপাতালে দালাল নিয়োগ করা আছে। এরই ধারাবাহিকতায় তাদের দালাল সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তাদের হাসপাতালে গত ২ জানুয়ারি জমজ ভ্রাতাদ্বয়কে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পর হতে বিল পরিশোধের জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয় অন্যথায় চিকিৎসা করা হবে না বলে জানায়। ভিকটিম ৪০ হাজার টাকা পরিশোধ করে। অতিরিক্ত আরও টাকা প্রদানের জন্য চাপ দিলে রোগীপক্ষ অর্থ প্রদান না করায় চিকিৎসা বন্ধ রাখা হয় বলে ভূক্তভোগী অভিযোগ করে। একপর্যায়ে অর্থ না পাওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় জমজ ২সন্তানসহ ভুক্তভোগীদেরকে বের করে দেয়া হয়।

গ্রেফতারকৃতকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে দীর্ঘ ২০-২২ বছর যাবত প্রায় ৬টি (রাজারবাগ, বাসাবো, মুগদা, মোহাম্মদপুর ও শ্যামলী এলাকায়) বিভিন্ন হাসপাতালে ও ডায়াগনস্টিক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিল। সম্প্রতি বিগত প্রায় এক বছর যাবত শ্যামলীতে বর্ণিত হাসপাতাল খুলে ব্যবসা শুরু করে। বিগত সময়ের অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান হতে এই হাসপাতালের সাথে সে দালাল সিন্ডিকেট জড়িত করে। বিভিন্ন সরকারী হাসপাতাল হতে রোগীদের ফুসলিয়ে বর্ণিত হাসপাতালে রোগী নিয়ে আসা হত।

ফরিদপুরে পাসপোর্ট অফিসের ৫ দালাল আটক
                                  

ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি :
 ফরিদপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে পাসপোর্ট অফিসের ৫ দালালকে আটক করা হয়েছে । আজ শুক্রবার ফরিদপুর জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়। প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা।
প্রেসব্রিফিংয়ে বলা হয় গত ৬ জানুয়ারি তারিখ দুপুর অনুমান দুইটার সময় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ডিবি পুলিশের একটি চৌকস টিম জানতে পারেন যে, ফরিদপুর পাসপোর্ট অফিসের সামনে একজন ব্যক্তিকে আটক করে পাসপোর্টের জন্য অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে।

পরে ডিবি পুলিশের একটি চৌকস টিম সেখানে অভিযান পরিচালনা করে নাদিম হাসান (৩৫)ম, মোঃ তরিকুর  ওরফে নাঈম(৪৫), রাবি মোল্লা (২৮), আল-আমিন শেখ (২৭) ও মোজাম্মেল হোসেন শিমুলকে(২৫) আটক করা হয়।

আটকদের মধ্য থেকে নাদিমের বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামক দোকান ঘর হতে  বিকেল সাড়ে তিনটায় পাসপোর্টে লেনদেন সংক্রান্ত পাঁচটি হিসেবের খাতা, ডায়েরি, পাসপোর্টের টাকা জমা দেওয়ার চালান দুটি মনিটর দুইটি হার্ডডিক্স এবং নগদ দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা উদ্ধার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দীর্ঘদিন যাবত পাসপোর্ট দালালির সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

দুর্নীতির খবর পেলে সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশন: প্রধান বিচারপতি
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক :
বাংলাদেশের ২৩তম নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেছেন, বিচার বিভাগে দুর্নীতিকে কখনো প্রশ্রয় দেব না। দুর্নীতির সঙ্গে নো কম্প্রোমাইজ। আঙ্গুলে ক্যান্সার হলে যেমন কেটে ফেলতে হয়, দুর্নীতিও তেমনি। কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর দুর্নীতির খবর পেলে সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশন নেয়া হবে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

আজ সকালে আপিল বিভাগের প্রধান বিচারপতির ১নং বিচার কক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ও সুপ্রিম কোর্ট বার আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি মামলার জট কমানো, বিচার বিভাগ থেকে দুর্নীতি দূর করা, বার ও বেঞ্চের মধ্যে সমন্বয়ে কাজ করার কথা ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির পক্ষে সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস কাজল লিখিত বক্তব্য পাঠ করে সংবর্ধনা দেন।

সন্ত্রাসী গাঙচিল কবিরসহ ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব
                                  

আজমাইন মাহতাব :
কবির হোসেন ওরফে জলদস্যু কবির ওরফে দস্যু কবির ওরফে গাঙচিল কবির। ১৯৯০ সালে পরিবারসহ বরগুনা থেকে ঢাকায় আসেন। তার বাবার সঙ্গে রাজমিস্ত্রিরির সহযোগী হিসেবে কাজ শুরু করেন। এরপর গাড়ি চালানো, হাউজিং চাকুরিসহ বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। ২০১০ সালে ‘গাঙচিল’ সন্ত্রাসী বাহিনীতে যোগ দিয়ে অপরাধ জগতে প্রথম হাতেখড়ি হয় তার। তিনি ওই বাহিনীর সঙ্গে রাজধানীর মোহাম্মদপুর, তুরাগ ও বুড়িগঙ্গা নদীতে মালবাহী নৌকা ও ট্রলারে চাঁদাবাজি শুরু করেন। এক সময় তার কুখ্যাতি চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে অপরাধ জগতে সে ‘জলদস্যু’ খেতাব পায়। ২০১৬ সাল থেকে কবির নিজের নামে দুর্ধর্ষ এক বাহিনী গড়ে তোলেন।

এলাকার যুবকদের তার বাহিনীতে যোগদান করাতেন। কবির বাহিনীর সদস্যরা ক্ষুদ্র ব্যবসা, দিনমজুর, গাড়িচালকসহ বিভিন্ন পেশার আড়ালে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালাতেন। এই গ্রুপের সদস্য সংখ্যা ২০ থেকে ২২ জন। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের কবির বাহিনীর মূল হোতা ও কবির হোসেন ও তার সাত সহযোগীসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর কাওরান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এসব তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- কবির হোসেন (৪৬) মো.রুবেল ওরফে পানি রুবেল (২৭), মো. আমির হোসেন ওরফে আব্দুল হামিদ ওরফে আমির (২১), মো. মামুন (২৫), রিয়াজ (২০), মেহেদী হাসান (২৫), মামুন ওরফে পেটকাটা মামুন ও বিল্লাল (২৪)।

খন্দকার আল মঈন বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় গত রাতে র‌্যাব-২ এর একটি আভিযানিক দল রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে কবির বাহিনীর মূলহোতা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী কবির  হোসেনের সাতজন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে। এসময় জব্দ করা হয় ১টি বিদেশী পিস্তল ৪ রাউন্ড তাঁজা গুলি ভর্তি ম্যাগাজিন, ১ টি ছোরা, ১ টি চাকু, ১ টি ষ্টীলের গিয়ার হোল্ডিং ছুরি, ১টি লোহার পাইপ, ৪টি চাপাতি, ৪১৭ পিস ইয়াবা এবং ৭ টি মোবাইল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তথ্য প্রদান করে।

তিনি বলেন, রাজধানীর মোহাম্মদপুরের কবির বাহিনীর মূলহোতা ও শীর্ষ সন্ত্রাসী কবির হোসেন ওরফে জলদস্যু কবির ওরফে দস্যু কবির ওরফে গাংচিল কবিরের সাত সহযোগীসহ আটজন সন্ত্রাসীকে বিদেশি ও দেশীয় অস্ত্র, গুলি এবং মাদকসহ রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গত ২৩ নভেম্বর রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ‘ভাইব্বা ল কিং’ নামের একটি কিশোর গ্যাং’কে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। মোহাম্মদপুরে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও মাদক অপরাধরোধে র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারী অব্যাহত রখে। এরপর মোহাম্মদপুর ও পাশর্^বর্তী এলাকায় সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত বেশ কয়েকটি গ্রুপ সম্পর্কে জানতে পারে। কয়েকজন ভূক্তভোগীও ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে র‌্যাবের নিকট অভিযোগ দেয়। মোহাম্মদপুর ও পাশর্^বর্তী এলাকায় ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে।

র‌্যাব জানায়, ১৯৯০ সালে কবির তার পরিবারসহ বরগুনা হতে ঢাকায় আসে। ঢাকায় এসে প্রথমে তার বাবার সহযোগী হিসেবে রাজমিস্ত্রীর কাজ শুরুর করে। পরবর্তীতে সে গাড়ি চালনা, হাউজিং চাকুরিসহ বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত ছিল। পরবর্তীতে ২০১০ সালে গাংচিল সন্ত্রাসী বাহিনীতে যোগ দেয়। এই বাহিনীতে যোগদানের মাধ্যমে তার অপরাধ জগতে হাতেখড়ি হয়। সে উক্ত বাহিনী এর সাথে তুরাগ ও বুড়িগঙ্গা নদীতে মালবাহী নৌকা ও ট্রলারে চাঁদাবাজি শুরু করে। এক সময় তার কুখ্যাতি চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে অপরাধ জগতে সে ‘জলদস্যু’ খেতাব পায়। পরবর্তীতে র‌্যাবের অভিযানে গাংচিল বাহিনীর অস্থিত্ব সংকটে পড়ে। ২০১৬ সাল হতে কবির বাহিনী নামে র্দুর্ধষ এক বাহিনী গড়ে তোলে। কবির বখে যাওয়া যুবকদের তার বাহিনীতে যোগদান করাত।  মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান, বসিলা, চাঁদ উদ্যান ও এলাকায় চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধে সম্পৃক্ত কবির বাহিনী। এছাড়াও জবর দখল, ভাড়ায় শক্তি প্রদর্শন এবং আধিপত্য বিস্তারসহ নানা অপকর্মে তাদের ব্যবহার করে কবির। সে ২০১৮ সালে প্রথম গ্রেপ্তার হয়। হত্যা, গণধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, চাঁদাবাজি, মারপিটসহ সর্বমোট ২৪টি মামলার আসামী। গ্রেপ্তারকৃত অপর সদস্যরা ক্ষুদ্র ব্যবসা গাড়ি চালনা, দিন মজুরসহ বিভিন্ন পেশার আড়ালে অপরাধমূলক লিপ্ত থাকতো। গ্রেপ্তারকৃত রুবেলের নামে ৭টি, মামুনের নামে ৫টি, মামুন পেটকাটা মামুন এর নামে ৪টি, আমির হোসেনের নামে ৩টি সহ অবশিষ্ট সদস্যদের নামে একাধিক মামলা রয়েছে।  

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা কবির বাহিনীর সক্রিয় সদস্য। এই দলের সদস্যরা সংঘবদ্ধ অপরাধী দল। দলের মূলহোতা গ্রেপ্তারকৃত কবির। এই গ্রুপের সদস্য সংখ্যা ২০ থেকে ২২ জন। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ রাজধানীর মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন স্থানে হত্যা সন্ত্রাসী, মাদক কেনাবেচা, ছিনতাই ও চাঁদাবাজি কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।

রাজধানীর রামপুরায় বাসে আগুনের ঘটনায় গ্রেফতার ৪
                                  

স্বাধীন বাংলা অনলাইন :
বাস চাপায় শিক্ষার্থী মাইনুদ্দিন নিহত হওয়ার ঘটনার পর রাজধানীর রামপুরায় গ্রিন অনাবিল পরিবহনের ৮-১০টি বাসে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনার মূলহোতা মনিরসহ চার জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে তাদের গ্রেফতারের বিষয়টি জানান র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান।

তিনি জানান, রাজধানীর রামপুরায় বাসচাপায় শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনার অন্যতম হোতা মনির হোসেন ও তার ৩ সহযোগীকে রাজধানীর রামপুরা ও কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

গত ২৯ নভেম্বর রাতে রাজধানীর রামপুরা এলাকায় গ্রিন অনাবিল পরিবহনের একটি বাসের চাপায় শিক্ষার্থী মাইনুদ্দিন নিহত হন। এ ঘটনায় রাতে সড়ক অবরোধ করে উত্তেজিত জনতা। এ সময় ঘাতক বাসসহ ৮-১০ বাসে অগ্নিসংযোগ এবং ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ নিজে বাদী হয়ে হাতিরঝিল থানায় একটি এবং রামপুরা থানায় আরেকটি মামলা করে।

গলাকাটা লাশ উদ্ধার: রহস্য উন্মোচনসহ গ্রেফতার ৩
                                  

আজমাইন মাহতাব :
শেরপুরের নকলা উপজেলার ধনাকুশা নদীর তীরবর্তী রাস্তা থেকে মুনছুর আলী ফকিরের (৩৬) গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ক্লু -লেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছেন সিআইডি। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মুনছুর আলী (৪০), আশিক মিয়া(২৫) ও আমির হোসেন(৩৫)।

মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে সিআইডি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম।

তিনি বলেন, রোববার (১২ ডিসেম্বর) শেরপুরের নকলা উপজেলার ধনাকুশা নদীর তীরবর্তী রাস্তার উপর থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে জানা যায় যে, ভিকটিমের নাম মুনছুর আলী ফকির। ভিকটিম মুনছুর বিভিন্ন যানবাহনে হেলপারের কাজ করত বলে জানা যায়।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মুনছুরের পিতা হানিফ উদ্দিন (৬১) আসামীদের বিরুদ্ধে শেরপুর জেলার নকলা থানায় একটি অজ্ঞাতনামা মামলা দায়ের করেন। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধরের সার্বিক দিক নির্দেশনায় সিআইডি ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে।

হত্যার ঘটনাটি কেন এবং কিভাবে সংগঠিত হয়েছে, ঘটনায় কে বা কারা জড়িত, কারো সাথে পারিবারিক/ব্যবসায়িক কোন বিরোধ ছিল কিনা ইত্যাদি বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ভিকটিমের পরিবার, ঘটনাস্থল ও আশপাশ এলাকার বিভিন্ন উৎস হতে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তীতে সংগৃহীত বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্ত বিচার বিশ্লেষণ করে আসামীদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে এলআইসির একাধিক টীম অভিযান পরিচালনা করে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্দিরগঞ্জ এলাকা হতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীরা জানায়, নিহত মুনছুর তাদের কাছ থেকে পাওনা টাকা আদায়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করলে আসামীদের সাথে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরবর্তীতে আসামীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ভিকটিমকে ডেকে নিয়ে গলা কেটে নির্মমভাবে হত্যা করে।

‘এমভি অভিযান’ লঞ্চের মালিক গ্রেপ্তার
                                  

স্বাধীন বাংলা অনলাইন :
এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে মালিক হামজালাল শেখকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ সোমবার সকালে তার এক আত্মীয়ের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। র‌্যাব সদর দপ্তরের মিডিয়া উইং ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

এর আগে গতকাল রবিবার হামজালাল শেখকে প্রধান আসামি করে বরগুনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান আইনজীবী নাজমুল ইসলাম নাসির।

প্রায় ৪০০ যাত্রী নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এমভি অভিযান-১০ সদরঘাট থেকে ছেড়ে যায়। চাঁদপুর ও বরিশাল টার্মিনালে লঞ্চটি থামে এবং যাত্রী ওঠানামা করেন। ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে পৌঁছলে রাত ৩টার দিকে এতে আগুন ধরে যায়।

ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ৮০ জনেরও বেশি যাত্রী দগ্ধ হয়েছেন। দুর্ঘটনার সময় অনেক যাত্রী নদীতে ঝাঁপ দিয়ে বেঁচে গেলেও এখনও নিখোঁজ রয়েছেন শতাধিক।

এ ঘটনায় লঞ্চমালিক হামজালাল শেখের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এতে আরও ২০-২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।


   Page 1 of 150
     আইন - অপরাধ
রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের ৬৫ লাখ টাকার ক্যাবল চুরি
.............................................................................................
শিশু মেয়েকে পুকুরে চুবিয়ে মারেন সৎ মা
.............................................................................................
কবরস্থান থেকে ১৬ কঙ্কাল চুরি!
.............................................................................................
দুস্থদের ২১০০ কেজি চাল আত্মসাৎ: দায় নিচ্ছেন না সচিব-চেয়ারম্যান ও ট্যাগ অফিসার
.............................................................................................
অর্ধ কোটি টাকা লোপাটের মামলায় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা
.............................................................................................
ইভটিজিংয়ের অভিযোগে স্কুল শিক্ষককে জরিমানা
.............................................................................................
মিউজিক ভিডিওর সূত্র ধরে ‘সিরিয়াল কিলার’ হেলাল গ্রেফতার
.............................................................................................
‘ঘুষ নেওয়ায়’ নির্বাচন কর্মকর্তা প্রত্যাহার
.............................................................................................
ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ৪
.............................................................................................
সেই হাসপাতালের মালিককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব
.............................................................................................
ফরিদপুরে পাসপোর্ট অফিসের ৫ দালাল আটক
.............................................................................................
দুর্নীতির খবর পেলে সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশন: প্রধান বিচারপতি
.............................................................................................
সন্ত্রাসী গাঙচিল কবিরসহ ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব
.............................................................................................
রাজধানীর রামপুরায় বাসে আগুনের ঘটনায় গ্রেফতার ৪
.............................................................................................
গলাকাটা লাশ উদ্ধার: রহস্য উন্মোচনসহ গ্রেফতার ৩
.............................................................................................
‘এমভি অভিযান’ লঞ্চের মালিক গ্রেপ্তার
.............................................................................................
কক্সবাজারে পর্যটক ধর্ষণ: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
.............................................................................................
অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ধর্ষণ: গজারিয়া থেকে ধর্ষক গ্রেপ্তার
.............................................................................................
ডাঃ মুরাদের বিরুদ্ধে পাবনার আদালতে মামলার আবেদন
.............................................................................................
মাদারীপুর আদালতে জালিয়াতির অপরাধে ৪ প্রতারক গ্রেফতার
.............................................................................................
বগুড়ায় শীর্ষ সন্ত্রাসী সাগর গ্রেফতার
.............................................................................................
নারী দিয়ে প্রেমের ফাঁদ, বাসায় গেলেই আসল রূপ
.............................................................................................
বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যা মামলা: ২০ আসামির মৃত্যুদন্ড
.............................................................................................
আলালের বক্তব্য অপসারণের নির্দেশ আদালতের
.............................................................................................
প্রভাষকের বিরুদ্ধে থানায় স্ত্রীর অভিযোগ
.............................................................................................
কাশেম হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
.............................................................................................
তৃণা সহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা
.............................................................................................
মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টায় বাবা গ্রেপ্তার
.............................................................................................
৮৪ ইমো হ্যাকার গ্রেপ্তার
.............................................................................................
মাদ্রাসাছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টা, আটক ৫ যুবক
.............................................................................................
ঝালকাঠিতে দুই বিচারক হত্যার ১৬ বছর
.............................................................................................
বিয়ের প্রলোভনে গৃহবধূকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার
.............................................................................................
ছাত্রীর সাথে শিক্ষকের অনৈতিক সম্পর্ক; অতঃপর গণধোলাই
.............................................................................................
হত্যাসহ নানা অপকর্মে তারা বাবু, আছে অস্ত্র ভান্ডার
.............................................................................................
রেইনট্রিতে ২ শিক্ষার্থী ধর্ষণ; মামলার রায় বুধবার
.............................................................................................
ফেসবুক লাইভে এসে স্ত্রীকে খুনের দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ড
.............................................................................................
এসকে সিনহার মামলার রায় বৃহস্পতিবার
.............................................................................................
কুষ্টিয়ায় ডিজিটাল আইনের মামলায় সাংবাদিক গ্রেফতার
.............................................................................................
মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনের দায়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা
.............................................................................................
ভাইকে চোর আখ্যা দিয়ে হামলা, বোনের শ্লীলতাহানি
.............................................................................................
ধামাকা শপিংয়ের সিওও গ্রেফতার
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বাড়ল এক বছর
.............................................................................................
হাইকোর্টে জামিন চেয়েছেন শিশু বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী
.............................................................................................
রাজশাহী থেকে ইমো হ্যাকার রাকিবুল গ্রেফতার
.............................................................................................
নাসিরনগরে স্কুলের ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ
.............................................................................................
ওসির ফোন ক্লোন করে চেয়ারম্যানের ৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র
.............................................................................................
কুষ্টিয়ায় আ.লীগ নেতা বাবলুর আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল
.............................................................................................
স্বাস্থ্যের সেই ড্রাইভার মালেক নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেন
.............................................................................................
ঝালকাঠিতে মিথ্যা মামলা থেকে সাংবাদিককে অব্যাহতি; বাদীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ
.............................................................................................
সাভারে ১৯টি স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT