রবিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   আইন - অপরাধ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ড্যান্স করতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার তরুণী

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লায় সুন্নতে খতনার অনুষ্ঠানে ড্যান্স করতে গিয়ে গণষর্ধণের শিকার হয়েছেন তরুণী। ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে পুলিশ ফজলে রাব্বি(২৫) নামে এক যুবককে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টায় এ ঘটনা ঘটেছে।
ফজলে রাব্বীর গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার শশাবাড়ীয়া গ্রামে। তার পিতার নাম শাহাব উদ্দিন।

জানা যায়, ফতুল্লার ফতুল্লার পূর্ব ধর্মগঞ্জ এলাকার ডালডা কলোনির আহসান উল্লাহর বাড়িতে বাড়িতে সুন্নতে খতনার অনুষ্ঠানে ড্যান্স করতে গিয়েছিলেন ওই তরুণী। সাথে তার ড্যান্স মাস্টার শরীফ এবং অপর দুই বান্ধবী। রাত সাড়ে ১২টায় ফজলে রাব্বি কৌশলে দুই বান্ধবীর মধ্যে একজনকে পাশের আহসান উল্লাহর বাড়িতে একটি রুমে নিয়ে যায়। সেখানে প্রথমে ফজলে রাব্বি পরে আহসান উল্লাহর ছেলে কামরুল ইসলাম (২৩) ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন মামলার বরাত দিয়ে বলেন, ধর্ষণের শিকার তরুণী একটি গার্মেন্টসে চাকরির পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ড্যান্স করেন। বৃহস্পতিবার রাতে শরীফ নামে এক ড্যান্স মাস্টারের সঙ্গে দুই বান্ধবী পূর্ব ধর্মগঞ্জ এলাকার ডালডা কলোনির রাসেলের বাড়িতে একটি সুন্নতে খতনার অনুষ্ঠানে ড্যান্স করতে যান। সেখানে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
অপর বান্ধবী ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে থানায় অভিযোগ করেন। এতে তাৎক্ষণিক পুলিশ গিয়ে ফজলে রাব্বিকে গ্রেফতার করতে পারলেও পালিয়ে যায় কামরুল ইসলাম।

ড্যান্স করতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার তরুণী
                                  

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লায় সুন্নতে খতনার অনুষ্ঠানে ড্যান্স করতে গিয়ে গণষর্ধণের শিকার হয়েছেন তরুণী। ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে পুলিশ ফজলে রাব্বি(২৫) নামে এক যুবককে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টায় এ ঘটনা ঘটেছে।
ফজলে রাব্বীর গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার শশাবাড়ীয়া গ্রামে। তার পিতার নাম শাহাব উদ্দিন।

জানা যায়, ফতুল্লার ফতুল্লার পূর্ব ধর্মগঞ্জ এলাকার ডালডা কলোনির আহসান উল্লাহর বাড়িতে বাড়িতে সুন্নতে খতনার অনুষ্ঠানে ড্যান্স করতে গিয়েছিলেন ওই তরুণী। সাথে তার ড্যান্স মাস্টার শরীফ এবং অপর দুই বান্ধবী। রাত সাড়ে ১২টায় ফজলে রাব্বি কৌশলে দুই বান্ধবীর মধ্যে একজনকে পাশের আহসান উল্লাহর বাড়িতে একটি রুমে নিয়ে যায়। সেখানে প্রথমে ফজলে রাব্বি পরে আহসান উল্লাহর ছেলে কামরুল ইসলাম (২৩) ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন মামলার বরাত দিয়ে বলেন, ধর্ষণের শিকার তরুণী একটি গার্মেন্টসে চাকরির পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ড্যান্স করেন। বৃহস্পতিবার রাতে শরীফ নামে এক ড্যান্স মাস্টারের সঙ্গে দুই বান্ধবী পূর্ব ধর্মগঞ্জ এলাকার ডালডা কলোনির রাসেলের বাড়িতে একটি সুন্নতে খতনার অনুষ্ঠানে ড্যান্স করতে যান। সেখানে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
অপর বান্ধবী ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে থানায় অভিযোগ করেন। এতে তাৎক্ষণিক পুলিশ গিয়ে ফজলে রাব্বিকে গ্রেফতার করতে পারলেও পালিয়ে যায় কামরুল ইসলাম।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ হত্যায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকার কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরীকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় সাতজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- গুলজার হোসেন, আশিক, শিহাব আহমেদ ওরফে শিবু, আহসানুল কবির ইমন, তাজুল ইসলাম তানু, জাহাঙ্গীর খাঁ ওরফে জাহাঙ্গীর এবং রফিকুল ইসলাম ওরফে আমিন ওরফে টুন্ডা আমিন। এছাড়া আরেক আসামি শম্পাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আসামিদের মধ্যে জাহাঙ্গীর ও আহসানুল কবীর কারাগারে রয়েছেন।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর নিখোঁজ হয়েছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরী। নিখোঁজের পরদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের দোলেশ্বর এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যা করে মরদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল। এরপর তার সঙ্গে থাকা কাগজ ও এটিএম কার্ড দেখে মরদেহ শনাক্ত করেন নিহত আতিক উল্ল্যাহর ছেলে সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী।

এ ঘটনায় তার ছেলে সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ২০১৫ সালের ২ জুলাই ৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলায় ২১ সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময় ১১ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন।

রিতা দেওয়ানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : পালা গানে মহান আল্লাহকে নিয়ে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার অভিযোগে বাউল শিল্পী রিতা দেওয়ানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

বুধবার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই`র দেয়া প্রতিবেদন আমলে নিয়ে বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আস্‌সামছ জগলুল হোসেন এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

রিতা দেওয়ান ছাড়া বাকি যে দুজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে- তারা হলেন, শাজাহান ও ইকবাল।

বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালে ইমরুল হাসান নামে এক আইনজীবী গত ৩১ জানুয়ারি রিতা দেওয়ানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ৩১ জানুয়ারি ফেসবুক, ইউটিউবে দেখতে পান, রিতা দেওয়ান একটি পালা গানের আসরে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করতে গিয়ে মহান আল্লাহ তা`আলাকে নিয়ে চরম ধৃষ্টতা, অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন।

তিনি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও ধর্মীয় বিশ্বাস নষ্ট করার অভিপ্রায়ে স্বেচ্ছায়, স্বজ্ঞানে, বিদ্বেষাত্মকভাবে উচ্চস্বরে এমন আচরণ করেছেন, যা বাদিসহ অন্যদের অনুভূতিতে কঠোরভাবে আঘাত করেছে।

বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের পর ট্রাইব্যুনালের বিচারক অভিযোগের বিষয়ে পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলার বিচার শুরু
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীতে চাঞ্চল্যকর সগিরা মোর্শেদ হত্যার ঘটনায় চার আসামির বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বুধবার বিচার শুরুর আদেশ দেন।

গত ১৬ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সগিরার ভাসুরসহ চারজনকে আসামি করে ১ হাজার ৩০৯ পৃষ্ঠার একটি অভিযোগত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। এরপর গত ৯ মার্চ ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ইমরুল কায়েশ পিবিআই’র দেয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।

আসামিরা হলেন- সগিরা মোর্শেদের ভাসুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী, তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা ওরফে শাহীন, হাসান আলীর শ্যালক আনাস মাহমুদ ওরফে রেজওয়ান এবং ভাড়াটে খুনি মারুফ রেজা।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ১৯৮৯ সালে ভিকারুননিসা নূন স্কুলে মেয়েকে আনতে যান সগিরা মোর্শেদ সালাম। বিকেল ৫টার দিকে সিদ্ধেশ্বরী রোডে মোটরসাইকেলে আসা ছিনতাইকারীরা তার হাতে থাকা স্বর্ণের চুড়ি ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। নিজেকে বাঁচাতে দৌড় দিলে তাকে গুলি করা হয়। পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান সগিরা মোর্শেদ।

ওই দিনই রমনা থানায় অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন তার স্বামী সালাম চৌধুরী। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রিকশাচালক জড়িত দুজনকে শনাক্ত করলেও অজ্ঞাতকারণে মিন্টু ওরফে মন্টু ওরফে মরণ নামে একজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ।

১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি আসামি মন্টুর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু বকর সিদ্দীক। সাক্ষ্য নেওয়া হয় সাতজনের। সাক্ষ্যে বাদীপক্ষ থেকে বলা হয়, তদন্তকালে আসামি মন্টু এবং তৎকালীন (১৯৮৯) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসানের নিকটাত্মীয় মারুফ রেজা গ্রেপ্তার হন। কিন্তু মারুফ রেজার নাম বাদ দিয়েই অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালে মারুফ রেজার নাম আসায় রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে ১৯৯১ সালের ২৩ মে মামলার অধিকতর তদন্তের আদেশ দেন ঢাকার বিচারিক আদালত। ওই আদেশের বিরুদ্ধে মারুফ রেজার রিভিশন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯১ সালের ২ জুলাই হাইকোর্ট মামলাটির অধিকতর তদন্তের আদেশ ও বিচারকাজ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করার পাশাপাশি অধিকতর তদন্তের আদেশ কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।

পরের বছর ২৭ আগস্ট জারি করা রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই মামলার বিচারকাজ স্থগিত থাকবে বলে আদেশ দেন হাইকোর্ট। এ মামলার সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা সম্প্রতি বিষয়টি অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের নজরে আনলে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেয় রাষ্ট্রপক্ষ। এরপর ২০১৯ সালের ২৬ জুন এ মামলার ওপর ২৮ বছর ধরে থাকা স্থগিতাদেশ তুলে নেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে মামলা ৬০ দিনের মধ্যে পিবিআইকে অধিকতর তদন্ত শেষ করতে নির্দেশ দেন।

একই বছরের ২০ নভেম্বর পিবিআইকে হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ তদন্তের জন্য আরও ৬০ দিনের সময় দেন। এরপর পিবিআই বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করে। চারজনই হত্যার দায় স্বীকার করে বিচারিক আদালতে জবানবন্দি দেন।

‘যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস’
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট:
‘যাবজ্জীবন সাজার মেয়াদ আমৃত্যু কারাদণ্ড’ বলে চূড়ান্ত রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে আমৃত্যু কারাবাস- আপিল বিভাগের এমন রায় ‘অসামঞ্জস্যপূর্ণ’ দাবি করে আসামি পক্ষের পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদনের রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সাত বিচারকের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। ভার্চুয়াল আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে যুক্ত ছিলেনন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ। আর আসামি পক্ষে খন্দকার মাহবুব হোসেন ও আইনজীবী শিশির মনির।

রায়ে যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস রেখেই আপিল বিভাগ এই চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন। তবে প্রেক্ষাপট বিবেচনায় আদালত চাইলে ৩০ বছর কারাদণ্ড দিতে পারেন।


গত বছর ১১ জুলাই প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চে শুনানি শেষে রিভিউ আবেদনটির রায় (সিএভি) অপেক্ষমাণ রাখেন। তার আগে রিভিউ শুনানিতে সর্বোচ্চ আদালত পাঁচ অ্যামিকাস কিউরির বক্তব্য শোনেন। তারা হলেন আইনজীবী রোকন উদ্দিন মাহমুদ, এএফ হাসান আরিফ, আবদুর রেজাক খান, মুনসুরুল হক চৌধুরী ও এএম আমিন উদ্দিন।

প্রসঙ্গত ২০০১ সালে সাভারে জামান নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ২০০৩ সালে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল। হাইকোর্টে আপিলের পর বিচারিক আদালতের দণ্ড বহাল থাকে।

এর বিরুদ্ধে আপিলের পর ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আসামিদের মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন সর্বোচ্চ আদালত।

রায় ঘোষণার সময় আপিল বিভাগ ‘যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে আমৃত্যু কারাবাস’ এমন মন্তব্য করেন। এর প্রতিবাদ জানান আসামিপক্ষের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন।

তবে ওই দিন অন্যান্য মামলার আসামির ক্ষেত্রেও এ সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হবে কিনা সে বিষয়ে প্রয়াত অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছিলেন, সবার ক্ষেত্রে এ রায় প্রযোজ্য হবে কিনা সেটি পূর্ণাঙ্গ রায় না হওয়া পর্যন্ত বলা যাবে না।

ওই দিন খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছিলেন, রায়ের সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু (ন্যাচারাল লাইফ) কারাবাস। আমি প্রতিবাদ করে বলেছিলাম, দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের অর্থ ৩০ বছর। এ ছাড়া যাবজ্জীবনের আসামিরা কারাগারে রেয়াত পেয়ে দণ্ড সাড়ে ২২ বছরে নেমে আসে। যদি আমৃত্যুই হয়ে থাকে, তা হলে তাদের রেয়াতের কি হবে? আমি আরও বলেছিলাম, প্রধান বিচারপতির এ মন্তব্য যেন মূল রায়ে না থাকে। তবে যদি থাকে, তা হলে সব আসামির ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে।

২০১৭ সালের ২৪ এপ্রিল সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে এ মামলার ৯২ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ এ রায় প্রকাশিত হয়। পরে ২০১৭ সালের ৫ নভেম্বর আতাউর রহমান মৃধার আইনজীবী ওই রায়ের রিভিউর কথা সাংবাদিকদের জানান।

বান্দরবানে বিরল প্রজাতির ১২টি কচ্ছপ উদ্ধার
                                  

বান্দরবান প্রতিনিধি : বান্দরবান থেকে বিরল প্রজাতির ১২টি কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়েছে। জেলার সাঙ্গু রিজার্ভ বনাঞ্চল থেকে কচ্ছপগুলো উদ্ধার করে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের সদস্যরা। বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট ও ক্রিয়েটিভ কনজারভেশন অ্যালায়েন্সের (সিসিএ) সহযোগিতায় রিজার্ভ বনাঞ্চলের মায়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন বুলুপাড়া থেকে কচ্ছপগুলো উদ্ধার করা হয়। আজ সোমবার উদ্ধারকৃত ওই বিরল প্রজাতির কচ্ছপগুলো ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।  শুক্রবার খবর পেয়ে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের সদস্যরা বুলু পাড়ায় অভিযান চালায়।

বন্যপ্রাণী পরিদর্শক অসিম মল্লিক জানান, গত শুক্রবার দুপুরে থানচির রেমাক্রী ইউনিয়নের বুলু কার্বারী থেকে কচ্ছপগুলো উদ্ধার করে আলীকদম উপজেলা সদরে নিয়ে আসা হয়। পরে উদ্ধারকৃত কচ্ছপগুলো ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে সংরক্ষণের জন্য পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারকৃত কচ্ছপগুলোর মধ্যে দু’টি শিলা কচ্ছপ, দিবা কচ্ছপ দু’টি ও পাহাড়ি কচ্ছপ আটটিসহ মোট ১২টি কচ্ছপ রয়েছে। পাশাপাশি বন্যপ্রাণী শিকার না করার জন্য সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য থানচির বড়মদকের বিভিন্ন পাড়ায় সভা করা হয়েছে।

বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা রথীন্দ্র কুমার বিশ্বাস জানান, উদ্ধার হওয়া কচ্ছপগুলো গাজীপুরের ভাওয়াল প্রজনন কেন্দ্রে রাখা হবে। পরে প্রজনন শেষে কচ্ছপের বাচ্চাগুলোকে পার্বত্য জেলায় অবমুক্ত করা হবে। উল্লেখ্য, পার্বত্য অঞ্চল থেকে বিরল প্রজাতির কচ্ছপ পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়কের পাশে ছয় মাসের ফুটফুটে শিশু
                                  

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়কের পাশ থেকে এক ফুটফুটে শিশু উদ্ধার করা হয়েছে। সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের দুবলা গ্রামের একটি রাস্তার পাশ থেকে আনুমানিক ছয় মাস বয়সী ছেলে শিশুটি উদ্ধার করে স্থানীয়রা। গ্রামের জহির মিয়া নামক এক ব্যক্তি শিশুটিকে তার বাড়িতে নিয়ে যান। পরে পুলিশ খবর পেয়ে শিশুটিকে রাত ৯টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

স্থানীয়রা জানান, রোববার রাতে দুবলা গ্রামের মাসুদ মিয়া নামে এক ব্যক্তি রাস্তা দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় একটি শিশুর কান্নার আওয়াজ শুনতে পান। সামনে এগিয়ে গিয়ে দেখেন শিশুটি সড়কের পাশে পড়ে আছে। বয়স আনুমানিক ছয় মাস হবে। পরে এলাকাবাসীর সাথে মিলে তিনি শিশুটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় জহির মিয়ার বাড়িতে রাখেন।

জহির মিয়া জানান, শিশুটির পাওয়ার আগে ওই জায়গায় দু’জন অপরিচিত নারীকে দেখা গিয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে শত্রুতা কিংবা অন্য কোনো কারণে ওই নারী দু’জন শিশুটিকে এখানে ফেলে গেছে। এ বিষয়ে তিনি ফেসবুকেও একটি পোস্ট দিয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুর রহিম জানান, স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে দুবলা গ্রামের জহির মিয়ার বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে পরিচর্যার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে জহির মিয়ার স্ত্রী পারভিন শিশুটির দেখভাল করছেন। শিশুটির পরিচয় শনাক্ত করার জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

রাজধানীতে নারীকে কুপিয়ে-পুড়িয়ে হত্যা, সৎছেলে পলাতক
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : ঢাকার কাফরুলে এক নারীকে কুপিয়ে এবং পুড়িয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে সৎ ছেলের বিরুদ্ধে। নিহতের নাম সীমা আক্তার।

ঘটনার পর থেকে ওই নারীর স্বামীর আগের সংসারের ছেলে পলাতক রয়েছে। রোববার দুপুরে কাফরুলের ইমাননগর সমিতির বাইশটেকি এলাকার একটি ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে। লাশ উদ্ধারের পর রোববার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে নিয়ে আসে পুলিশ।

কাফরুল থানার এসআই আবু বকর জানান, নিহত নারীর নাম সীমা আক্তার। স্বামী শাজাহান সিকদার। ৮ মাস আগে তাদের বিয়ে হয়। কাফরুলের ওই ফ্ল্যাটে স্বামীর সঙ্গে থাকতেন সীমা। তার শরীরের পেছনের দিকটা পোড়ানো, পিঠে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে তার সৎ ছেলে নাহিদ পলাতক রয়েছে। পারিবারিক বিরোধেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে প্রতিবেশীরা পুলিশকে জানিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, শাজাহান শিকদার একটি কার্টন ফ্যাক্টরির কর্ণধার।  ইমাননগর সমিতি এলাকায় একটি ১০তলা ভবনের ৭ তলায় দ্বিতীয় স্ত্রী সীমা বেগমকে (৩৩) নিয়ে থাকতেন। দুজনেরই এটি দ্বিতীয় বিয়ে। তাদের পাশের ফ্ল্যাটেই শাজাহান শিকদারের ছেলে নাহিদ থাকতেন সস্ত্রীক। স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্ধৃত করে পুলিশ জানাচ্ছে, দুই পরিবারের ঝগড়াঝাটি হয়েছিল। তাদের আশঙ্কা, সে কারণেই সীমাকে খুন করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, সীমা আক্তারের লাশ বিছানায় উপুড় অবস্থায় পড়েছিল। তার পিঠে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শরীরের পেছনে দিকে পোড়া ছিল। মৃতদেহের পাশেই একটি লুঙ্গি ছিল। কুপিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যার আগে তাকে গলায় লুঙ্গি বেঁধে শ্বাসরোধ করা হয়ে থাকতে পারে বলেও ধারণা করা হয়।

সীমার গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায়। সীমার স্বামী শাজাহান শিকদারকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।  নাহিদ পলাতক।  তবে ঘটনার সময় শাজাহান বাসায় ছিলেন না।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

চাঁদপুরে নৌপুলিশের ওপর হামলা: ইউপি সদস্য গ্রেফতার
                                  

চাঁদপুর প্রতিনিধি : চাঁদপুর সদর উপজেলায় মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে নৌপুলিশের টহলরত বহরে হামলার ঘটনায় ৩ নম্বর হুকুমের আসামি এক ইউপি সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার নাম পারভেজ গাজী রনিক। রোববার রাত ৯টার দিকে চাঁদপুর শহরের হাকিম প্লাজার সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পারভেজ গাজী রনি উপজেলার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। তিনি একই এলাকার মৃত ইয়াকুব আলী গাজীর ছেলে। তবে রনি বর্তমানে শহরের নিশি বিল্ডিং এলাকায় বসবাস করেন।

চাঁদপুর নৌ থানার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. বেলায়েত হোসেন শিকদার জানান, ‘রনিকে গত ২৫ অক্টোবর মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের সময় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আসামি হিসেবে গ্রেফতার করা হয়। আজ সোমবার চাঁদপুর আদালতে পাঠানো হবে; একই সঙ্গে তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে।’ চাঁদপুর নৌ থানার ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে রনিকে গ্রেফতার করেন।

নৌ থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতার ইউপি সদস্য নৌপথের বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত। এসব অপরাধমূলক কাজ করে সে অনেক অর্থের মালিক হয়েছেন। রাজরাজেশ্বর এলাকায় মারধরের ঘটনার সঙ্গে জড়িত সে। যার কারণে ভুক্তভোগীরা তার বিরুদ্ধে চাঁদপুর মডেল থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হযরত আলী বেপারি বলেন, যে অপরাধ করবে তাকে শাস্তি ভোগ করতে হবে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। রনি অপরাধ করলে তার জবাব সে দেবে। এ ধরনের অন্যায় কাজের কখনও প্রশ্রয় দিইনি।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

কারাগারে বিয়ে করা ধর্ষণ মামলার আসামির জামিন
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : ফেনীতে কারাগারে বিয়ে করা ধর্ষণ মামলার আসামি জহিরুল ইসলাম জিয়াকে এক বছরের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।  আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফারুক আলমগীর চৌধুরী।

উল্লেখ্য, গত ২৭ মে জেলার সোনাগাজীর চরদরবেশ এলাকার এক তরুণীকে ধর্ষণ করেন তার প্রেমিক জহিরুল ইসলাম জিয়া। ঘটনার দিনই তরুণীর পরিবার থানায় জিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। পরে পুলিশ জিয়াকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সবশেষ জিয়া জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন।  গত ১ নভেম্বর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ আদেশ দেন, জিয়া ওই মেয়েকে বিয়ে করলে জামিনের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। পরে ১৯ নভেম্বর ফেনীর কারাগারে জিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী।

স্বাধীন বাংলা/এআর

এমসি কলেজে গণধর্ষণ : আসামিদের সঙ্গে ডিএনএ রিপোর্ট মিলেছে
                                  

সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে নববিবাহিত স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনার ২ মাস পর ধর্ষকদের ডিএনএ প্রতিবেদন তদন্ত কর্মকর্তার কাছে এসে পৌঁছেছে। ডিএনএ রিপোর্টে ধর্ষণে তাদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি পাওয়া গেছে। তবে গ্রেপ্তার ৮ আসামির ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হলেও তাদের মধ্যে কতজনের নমুনায় সংশ্লিষ্টতা রয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। রোববার রাতে ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) বিএম আশরাফ উল্যাহ তাহের।

তিনি জানান, ‘ডিএনএ রিপোর্ট হাতে আসায় দ্রুত সময়ের মধ্যেই চার্জশিট দেওয়া হবে এবং বিস্তারিত তথ্য সকলকে জানানো হবে।’ এর আগে চাঞ্চল্যকর এ ধর্ষণকাণ্ডের ২ মাস পেরিয়ে গেলেও চার্জশিট জমা না পড়ায় সমালোচনার মুখে পড়ে পুলিশ। সে সময় ডিএনএ রিপোর্টের কারণেই চার্জশিট দিতে পারেনি বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল।

গত ১ অক্টোবর ও ৩ অক্টোবর দুদিনে এ মামলায় গ্রেপ্তার আটজনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নমুনা সংগ্রহের পর পাঠানো হয় ঢাকার ল্যাবে। সেখান থেকে নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট প্রথমে আদালতে এসে পৌঁছায়। পরবর্তী সময়ে এ রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার হাতে আসে।

উল্লেখ্য, গত ২৫ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সিলেট এমসি কলেজের হোস্টেলে ওই গৃহবধূকে গণধর্ষণ করে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এ ঘটনায় ছয়জনকে আসামি করে এসএমপির শাহপরাণ থানায় মামলা দায়ের করা হয়। নির্যাতিত ওই তরুণীর স্বামী বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার উমেদনগরের রফিকুল ইসলামের ছেলে তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮), হবিগঞ্জ সদরের বাগুনীপাড়ার মো. জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), জকিগঞ্জের আটগ্রামের কানু লস্করের ছেলে অর্জুন লস্কর (২৫), দিরাই উপজেলার বড়নগদীপুর (জগদল) গ্রামের রবিউল ইসলাম (২৫) ও কানাইঘাটের গাছবাড়ি গ্রামের মাহফুজুর রহমান মাসুমকে (২৫)। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও তিনজনকে আসামি করা হয়। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে র‍্যাব ও জেলা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার আটজন কারাগারে আছে। গ্রেপ্তার সকলকেই পাঁচদিন করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। রিমান্ড শেষে তাদেরকে আদালতে হাজির করা হলে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

গণধর্ষণের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত শেষে ইতোমধ্যে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও মহি উদ্দিন শামিম গঠিত বেঞ্চে একটি প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, সিলেটের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের হলরুমে গত ৪ অক্টোবর থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত এ ঘটনায় গণশুনানি হয়। পরে কমিটির সদস্যরা এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের গণধর্ষণের ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শন করেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ সাক্ষীদের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করে গত ১৬ অক্টোবর ১৭৬ পৃষ্টার একটি তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্ট বেঞ্চে জমা দেওয়া হয়েছে। যার শুনানি হয় ২০ অক্টোবর। এদিন শুনানি শেষে প্রতিবেদনটি গ্রহণ করেন হাইকোর্ট বেঞ্চ।

গণধর্ষণ ঘটনার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ ২৬ অক্টোবর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। পরে তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিলেও কলেজের অধ্যক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্তের দোহাই দিয়ে কলেজ কমিটির এ প্রতিবেদনটি সিলগালা করে রাখেন। গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত চার আসামির ছাত্রত্ব এবং সার্টিফিকেট বাতিল করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। পাশাপাশি তাদের স্থায়ীভাবে এমসি কলেজ থেকে বহিষ্কারও করা হয়েছে। বহিষ্কৃতরা হলেন- সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, মাহফুজুর রহমান মাসুম ও রবিউল হাসান।

ঘটনার কিছুদিন পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে গণধর্ষণের ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি এমসি কলেজে তদন্ত করতে আসে। তদন্ত শেষে তারা তাদের প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছেন।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

যশোরে কোটি টাকার হেরোইনসহ ৭ জন আটক, মাইক্রোবাস জব্দ
                                  

যশোর প্রতিনিধি : যশোরের বেনাপোল থেকে রাজশাহীতে চোরাচালানের সময় র‌্যাবের অভিযানে ১ কেজি ২০০ গ্রাম হেরোইন ও মাইক্রোবাসসহ ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। রোববার রাত ৯টার দিকে র‌্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পে প্রেস ব্রিফিংয়ে হেরোইন উদ্ধারের তথ্য জানানো হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন- রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মাদারপুর গ্রামের নওশাদ আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৪৪), আলাউদ্দিনের ছেলে ওয়াসিম উদ্দিন আহম্মেদ (৪৫), পাবনার আমিনপুর উপজেলার চকডরিয়া গ্রামের জোচন মৃধার ছেলে হান্নান মৃধা (৪৪), যশোর শহরের শংকরপুর এলাকার আবদুর রশিদ মাস্টারের ছেলে ফারুক হোসেন (৩৮), রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার বড়ইপাড়া গ্রামের মৃত ওমর আলীর ছেলে আহাদ আলী ড্রাইভার (৩৫), যশোর শহরের পুরনো কসবা এলাকার মনিরুজ্জামানের ছেলে তাহেরউজ্জামান (৪২) ও মনিরামপুর উপজেলার হাকোবা গ্রামের আবদুল হোসেনের ছেলে ফজর আলী (২৭)।

র‌্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের অধিনায়ক এম সারোয়ার হুসাইন জানান, রোববার বিকালে র‌্যাবের আভিযানিক দল গোপন সংবাদ পায়- বেনাপোল থেকে একটি মাইক্রোবাস বিপুল পরিমাণ মাদক নিয়ে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা করেছে। তাৎক্ষণিকভাবে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের পুলেরহাট বাজারের মিথুন টিম্বার ওয়ার্ল্ড দোকানের সামনে একটি চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়। এ সময় সন্দেহজনক একটি কালো রঙের মাইক্রোবাস তল্লাশি করে সাতজনকে ১ কেজি ২০০ গ্রাম হেরোহিনসহ আটক করা হয়। মাইক্রোবাসটিও জব্দ করা হয়েছে। আটক আসামিদের নামে যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

নেত্রকোনায় সংঘর্ষে আহত কলেজছাত্রের হাসপাতালে মৃত্যু
                                  

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় সংঘর্ষে আহত কলেজছাত্র আবু কালাম (২৬) মারা গেছেন। রোববার বিকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত আবু কালাম কেন্দুয়া ডিগ্রি কলেজের ছাত্র। সে কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামের কালা মিয়ার ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, আবু কালাম সরকারি রাস্তার পাশে মাসকালাই বপণ করেন। একই বাড়ির তার চাচাতো ভাই সিদ্দিক মিয়ার ছেলে হারেছ উদ্দিন আমন ধান মাড়াই করার জন্যে শুক্রবার দুপুরে মাসকালাই বপণকৃত ওই রাস্তা দিয়ে বোমা মেশিন (ইঞ্জিন চালিত যন্ত্র) নিতে চাইলে আবু কালাম বাধা দেয়। এতে উভয়ের মধ্যে কথার কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় আবু কালাম ও তার বড়ভাই বিল্লাল মিয়া এবং হারেছ উদ্দিনসহ আরও কয়েকজন আহত হন।

পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কেন্দুয়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্যে আবু কালামকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। রোববার বিকালে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এদিকে তার মৃত্যুর খবরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

কেন্দুয়া থানা ওসি কাজী শাহ নেওয়াজ জানান, আসামিদের ধরতে এলাকায় অভিযান চলছে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

ঘুমন্ত বাবা-মায়ের মাঝ থেকে শিশু চুরি করে হত্যা, ৩ যুবকের যাবজ্জীবন
                                  

বাগেরহাট প্রতিনিধি : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ঘুমান্ত মা-বাবার কোল থেকে তিন মাসের শিশু আবদুল্লাহকে চুরি করে মুক্তিপণ আদায় ও হত্যার ঘটনায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এ সময় প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। আজ রোববার দুপুর সোয়া ১২টায় বাগেরহাটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২-এর বিচারক মো. নূরে আলম এ রায় দেন। জনাকীর্ণ আদালতে চাঞ্চল্যকর এ রায় প্রদানকালে তিন আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. হৃদয় ওরফে রাহাত হাওলাদার (২১), মো. মহিউদ্দিন হাওলাদার (২২) মো. ফায়জুল ইসলাম (২৮)। আসামিদের সবার বাড়ি বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার গুলিশাখালী গ্রামে।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১১ মার্চ রাত ৩টার দিকে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বিশারীঘাটা গ্রামের রেশমা বেগম তার তিন মাসের শিশু আবদুল্লাহকে নিয়ে স্বামী দলিল লেখক মো. সিরাজুল ইসলাম সোহাগের সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়েন। ঘুমন্ত মা-বাবার কোল থেকে দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে দুর্বৃত্তরা ওই শিশুকে চুরি করে নিয়ে যায়। ঘুম থেকে জেগে তারা দেখতে পান বিছানায় শিশু আবদুল্লাহ নেই। ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও নেই। জানালার গ্রিল ও দরজা খোলা রয়েছে। অন্য ঘরের সব দরজা বাইরে থেকে আটকিয়ে রেখেছে দুর্বৃত্তরা।

অপহৃত দুগ্ধপোষ্য শিশুর বাবা বাদী হয়ে ওই দিনই মোরেলগঞ্জ থানায় অজ্ঞাত অপহরণকারীদের নামে মামলা করেন। পরে শিশুটির মুক্তির জন্য মোবাইল ফোনে পরিবারের কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে দুর্বৃত্তরা। শিশুটিকে ফিরে পেতে বাবা মো. সিরাজুল ইসলাম সোহাগ অপহরণকারীদের চাহিদা মতো ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণও পরিশোধ করে দেয়। ‘মুক্তিপণ’ দাবি করা মোবাইল ফোনটির সূত্র ধরে শিশুটিকে উদ্ধারে পুলিশ অভিযান শুরু করে।

প্রধান আসামি মো. হৃদয় ওরফে রাহাত হাওলাদারসহ অন্য আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। ঘটনার ৭ দিন পর প্রধান আসামি মো. হৃদয়ের দেখানো মতে মোরেলগঞ্জ উপজেলার বিশারীঘাটা গ্রামের কাছারিবাড়ি এলাকার একটি মৎস্য খামারের টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোরেলগঞ্জ থানার এসআই মো. আবদুল মতি দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত বছরের ৫ অক্টোবর আদালতে তিন আসামির চার্জশিট দাখিল করেন। আদালত ২৫ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তিনজনকে যাবজজ্জীবন কারাদণ্ডের এ রায় প্রদান করেন।

মামলার বাদী শিশুটির বাবা দলিল লেখক মো. সিরাজুল ইসলাম সোহাগ, মা রেশমা বেগম ও রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি এপিপি রণজিৎ কুমার মণ্ডল রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আসামিপক্ষের কৌঁসুলি মো. এনামুল হোসেন জানান, তার মক্কেল আদালতে ন্যায়বিচার পায়নি। সে কারণে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলেও জানান তিনি।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

ইরানের বিজ্ঞানী হত্যায় নিন্দা জানাল তুরস্ক
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের শীর্ষপর্যায়ের পদার্থবিজ্ঞানী মোহসেন ফাখরিজাদে হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তুরস্ক।

তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “তেহরানে ইরানের বিজ্ঞানী সশস্ত্র হামলায় নিহত হওয়ার ঘটনায় আমরা গভীর ভাবে দুঃখিত। এই ঘৃণ্য কাজের আমরা কঠোর নিন্দা জানাই এবং ইরানের সরকার ও নিহত বিজ্ঞানীর পরিবারের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা।”

তুর্কি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, আঙ্কারা সরকার যেকোন ধরনের শান্তি এবং সম্প্রীতি বিনষ্টের প্রচেষ্টার প্রতি নিন্দা জানায়য়। এছাড়া, যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদ তা যেই করুক এবং যেই এর শিকার হোক- তার বিরোধী আঙ্কারা।”

তুর্কি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আমরা আশা করি যারাই এই ঘৃণ্য অপরাধের পেছনে থাকুক না কেন তাদেরকে চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা হবে। আমরা সব পক্ষকে ধৈর্যধারণের আহবান জানাবো যাতে এ অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে না পড়ে।”

এদিকে তুরস্কের জাতীয় সংসদের স্পিকার মুস্তাফা সেন্তপ এ হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে টুইটারে পোস্ট দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “ইরানের বিজ্ঞানী হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড তা যে ব্যক্তি বা সংগঠন বা রাষ্ট্রীয় শক্তি এর পেছনে থাকুক না কেন এতে কোন ভিন্নতা আসবে না। সন্ত্রাসবাদ সবসময় সন্ত্রাসবাদই তা যেই করুক না কেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমরা সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে।” সূত্র : পার্সটুডে


স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে এসে লাশ হলো কিশোর
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : রাজধানীর শ্যামপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের নাম আমিনুল ইসলাম (১৬)। গতকাল শনিবার রাতে ঢাকা ম্যাচ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পারিবারিক সূত্র জানায়, গতকাল রাতে বাড়ির পাশের আত্মীয়ের বাসা থেকে একা বের হয়ে যায় আমিনুল ইসলাম। এরপর পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে আর পায়নি। তার বাবার নাম- সিরাজুল ইসলাম। মায়ের নাম শাহানুর ইসলাম। তিন ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল সবার ছোট।

নিহতের বড়ভাই শফিকুল ইসলাম জানান, তার ছোট ভাই বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। গতকাল রাতে পাশের এক আত্মীয়ের বাসায় গিয়েছিল সে। রাতে ওই বাসা থেকে একা বের হয়ে যায় আমিনুল। পরে তাকে আশপাশে খুঁজাখুঁজি করে পাওয়া যায়নি। এরপর এলাকায় মাইকিং করা হয়। রাতেই খবর পাওয়া যায়, জুরাইন রেললাইনে দুর্ঘটনায় একজন মারা গেছে। সেখানে গিয়ে তারা আমিনুলকে শনাক্ত করা হয়।

ঢাকা রেলওয়ে (কমলাপুর) থানার সহকারী উপপরিদর্শক এএসআই আনোয়ার হোসেন জানান, ট্রেনে কাটা পড়েই বিশেষ চাাহিদাসম্পন্ন কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়েছে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ


   Page 1 of 113
     আইন - অপরাধ
ড্যান্স করতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার তরুণী
.............................................................................................
বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ হত্যায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড
.............................................................................................
রিতা দেওয়ানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
.............................................................................................
সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলার বিচার শুরু
.............................................................................................
‘যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস’
.............................................................................................
বান্দরবানে বিরল প্রজাতির ১২টি কচ্ছপ উদ্ধার
.............................................................................................
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়কের পাশে ছয় মাসের ফুটফুটে শিশু
.............................................................................................
রাজধানীতে নারীকে কুপিয়ে-পুড়িয়ে হত্যা, সৎছেলে পলাতক
.............................................................................................
চাঁদপুরে নৌপুলিশের ওপর হামলা: ইউপি সদস্য গ্রেফতার
.............................................................................................
কারাগারে বিয়ে করা ধর্ষণ মামলার আসামির জামিন
.............................................................................................
এমসি কলেজে গণধর্ষণ : আসামিদের সঙ্গে ডিএনএ রিপোর্ট মিলেছে
.............................................................................................
যশোরে কোটি টাকার হেরোইনসহ ৭ জন আটক, মাইক্রোবাস জব্দ
.............................................................................................
নেত্রকোনায় সংঘর্ষে আহত কলেজছাত্রের হাসপাতালে মৃত্যু
.............................................................................................
ঘুমন্ত বাবা-মায়ের মাঝ থেকে শিশু চুরি করে হত্যা, ৩ যুবকের যাবজ্জীবন
.............................................................................................
ইরানের বিজ্ঞানী হত্যায় নিন্দা জানাল তুরস্ক
.............................................................................................
আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে এসে লাশ হলো কিশোর
.............................................................................................
নববিবাহিত ছাত্রলীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যা
.............................................................................................
বিয়ের ১২ দিন পর ইউপি ভবনে ঝুলন্ত বরের লাশ
.............................................................................................
খালপাড়ে পরিত্যক্ত কার্টনে মিলল জমজ শিশুর লাশ
.............................................................................................
স্ত্রীর ধারালো অস্ত্রে আ.লীগ নেতা জখম, হাসপাতালে ভর্তি
.............................................................................................
তাহিরপুরে ছেলের হাতে বাবা খুন
.............................................................................................
শ্বাসরোধে নববধূকে হত্যা, স্বামী পলাতক
.............................................................................................
লাকসামের ডোবায় নিখোঁজ কিশোরের লাশ
.............................................................................................
মসজিদের দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরি
.............................................................................................
মোরেলগঞ্জে সেই শিশু হত্যার কারণ জানালেন মা
.............................................................................................
বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেপ্তার
.............................................................................................
ঘরের তালা ভেঙে শিশুকে ধর্ষণ, কিশোর আটক
.............................................................................................
সহকর্মীদের দেওয়া আগুনে দগ্ধ রিয়াদ চলে গেলেন
.............................................................................................
গৌরীপুরে দুই শিশুকে নিপীড়ন, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেফতার
.............................................................................................
রাজাপুরে যুবকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার
.............................................................................................
নেশার টাকা না পেয়ে নবজাত সন্তানকে কুপিয়ে হত্যা
.............................................................................................
স্ত্রীসহ গোল্ডেন মনিরের সম্পদের হিসাব চেয়ে দুদকের নোটিশ
.............................................................................................
দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার বার্তা সম্পাদক শাহাদাত কারাগারে
.............................................................................................
উঠানে বসে পড়ার সময় স্কুলছাত্র গুলিতে নিহত
.............................................................................................
ধর্ষণে অভিযুক্ত বিমান বাহিনীর সদস্যকে পুলিশে হস্তান্তর
.............................................................................................
অবশেষে স্ত্রীর স্বীকৃতি পেলেন সেই মেহেরিন
.............................................................................................
বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেলর ধাক্কায় প্রাণ হারালেন নারী
.............................................................................................
নদীর তীরে পলিথিন মোড়ানো নবজাত শিশুর মরদেহ
.............................................................................................
মিরসরাইয়ে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেলের ২ আরোহী হতাহত
.............................................................................................
জমজ নবজাতকের মৃত্যু : মতামত নিতে ৪ অ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ
.............................................................................................
নরসিংদীতে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে ২ জন নিহত
.............................................................................................
নাইকো মামলায় খালেদা জিয়ার চার্জ গঠন শুনানি আবার পেছাল
.............................................................................................
লক্ষ্মীপুরে বর সেজে নারীকে রাতভর ধর্ষণ, ভুয়া বর-ঘটক গ্রেফতার
.............................................................................................
‘যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাদণ্ড’: ১ ডিসেম্বর রিভিউ রায়
.............................................................................................
স্বীকৃতির দাবিতে টানা অনশন, চতুর্থ দিনে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন সেই নারী
.............................................................................................
কাপড়কাটা কাঁচি দিয়ে ভাইকে খুন
.............................................................................................
ব্যথা সইতে না পেরে আত্মহননের পথ বেছে নিলেন নারী
.............................................................................................
পুলিশের সব পর্যায়ে ডোপ টেস্ট চায় সংসদীয় কমিটি
.............................................................................................
যুবলীগ নেতা খালেদের পৌনে ৪৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের খোঁজ পেয়েছে দুদক
.............................................................................................
হলে ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ, পাশে চিরকুট
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT