রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর 2021 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   পড়াশোনা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে পিএইচডি করছেন সিলেটের রিজওয়ান

স্বাধীন বাংলা অনলাইন :
ইংল্যান্ডের University of Bedfordshire- এ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে পিএইচডি করছেন সিলেটের অজপাড়াগাঁয়ের রিজওয়ান বিন সুলাইমান। সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সবচেয়ে অবহেলিত জনপদ রাঙারাইয়ে তার পৈত্রিক নিবাস। সেখান থেকে উঠে এসে তিনি আজ ইংল্যান্ডের University of Bedfordshire এ সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে পিএইচডি করছেন, সামাজিক ও পারিপার্শ্বিকতা বিশ্লেষণে যা রীতিমতো অবাক করার মতো। রিজওয়ানের এ সফলতা শুধু কানাইঘাট আর সিলেটের গর্বের বিষয় নয়, পুরো বাংলাদেশের গর্বের বিষয়।

রিজওয়ানের জন্ম অত্যন্ত সম্ভ্রান্ত মুসলিম ও ধার্মিক পরিবারে। পিতা হাফিজ সুলাইমান। তিনি একটি মাদরাসার প্রিন্সিপালও বটে। রিজওয়ানের দাদা ছিলেন, খ্যতিমান আলেম, ব্রিটিশ বিরোধি আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা, নিখিল ভারত ছাত্র ফেডারেশনের সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা ইব্রাহিম চতুলী (এমএলএ-১৯৪৬)।   

রিজওয়ান, ২০১০ সালে সেন্ট্রাল জৈন্তা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০১৩ সালে জৈন্তা ডিগ্রী কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে এইচএসসি পাশ করেন। ২০১৪ সালে উচ্চ শিক্ষার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান ইংল্যান্ডে। সেখানে ভর্তি হন Glyndwr University Wrexham (গ্লিন্ডোর বিশ্ববিদ্যালয় রেক্সাম)। Glyndwr University Wrexham থেকে ২০১৮ সালে সফলতার সাথে ব্যাচেলর ডিগ্রী অর্জন করেছেন। একাডেমিক পড়াশুনার পাশাপাশি নেটওয়ার্কিং এর অন্যতম প্রসিদ্ধ সার্টিফিকেশন CCNA অর্জন করেন ২০১৭ সালে।
 
২০১৮ সালে  Post graduation (স্নাতকত্তর) ডিগ্রী অর্জনের জন্য ভর্তি হন University of Bedfordshire। একাডেমিক পারফর্মেন্সের পাশাপাশি তিনি Cybersecurity এর অন্যতম প্রফেশনাল সার্টিফিকেশন, C|EH কৃতিত্বের [৯২%] সাথে পাশ করেন ২০১৮ সালে। ২০১৯ সালে University of Bedfordshire থেকে ডিস্টিংশন পেয়ে মাস্টার্স ডিগ্রী সম্পন্ন করেন।

বর্তমানে তিনি স্কলারশিপ নিয়ে University of Bedfordshire- এ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে পিএইচডি গবেষণারত আছেন। তাঁর পিএইচডি গবেষণার বিষয়, কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তা [Artificial Intelligence] ব্যবহারে ব্যাংকিং সিস্টেমে কিভাবে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। University of Bedfordshire ভর্তি হওয়ার আগে তিনি ডারবি ইউনির্ভাসিটি, মানচেস্টার ইউনিভার্সিট এবং  Charles Sturt University, Australia এর মত বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকেও Scholarship এ পিএইচডি-এর অফার পান। পিএইচডি গবেষণার পাশাপাশি এখন পর্যন্ত তার ১৫টি গবেষনালব্দ সাইন্টিফিক আর্টিকেল, বই, থিসিস পেপার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক  কনফারেন্স এবং  জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।
 
তার প্রকাশিত গবেষণার মধ্যে নিম্নক্ত গবেষণা আন্তর্জাতিক মহলে বেশ প্রশংসা অর্জন করে:
১. A Framework to Mitigate Attacks in Web Applications
২. Security Analysis for Vehicle To Everything Communication Over 5g Network
৩. A Review on Concepts and Technologies of 6G Cellular Network and Future Scope
৪. Applications of Block-Chain Technology and Related Security Threats
৫. Algorithms and Security Concern in Blockchain Technology
৬. AI Based Chat bot: An Approach of Utilizing On Customer Service Assistance
৭. Artificial Intelligence Based Autonomous Car

গবেষণার পাশাপাশি তিনি University of bedfordshire এ খন্ডকালিন লেকচারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

রিজওয়ান তার অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাবার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। তিনি দেশ ও সমাজের উন্নয়নের জন্য অবদান রাখতে চান বলেও জানান।

সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে পিএইচডি করছেন সিলেটের রিজওয়ান
                                  

স্বাধীন বাংলা অনলাইন :
ইংল্যান্ডের University of Bedfordshire- এ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে পিএইচডি করছেন সিলেটের অজপাড়াগাঁয়ের রিজওয়ান বিন সুলাইমান। সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সবচেয়ে অবহেলিত জনপদ রাঙারাইয়ে তার পৈত্রিক নিবাস। সেখান থেকে উঠে এসে তিনি আজ ইংল্যান্ডের University of Bedfordshire এ সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে পিএইচডি করছেন, সামাজিক ও পারিপার্শ্বিকতা বিশ্লেষণে যা রীতিমতো অবাক করার মতো। রিজওয়ানের এ সফলতা শুধু কানাইঘাট আর সিলেটের গর্বের বিষয় নয়, পুরো বাংলাদেশের গর্বের বিষয়।

রিজওয়ানের জন্ম অত্যন্ত সম্ভ্রান্ত মুসলিম ও ধার্মিক পরিবারে। পিতা হাফিজ সুলাইমান। তিনি একটি মাদরাসার প্রিন্সিপালও বটে। রিজওয়ানের দাদা ছিলেন, খ্যতিমান আলেম, ব্রিটিশ বিরোধি আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা, নিখিল ভারত ছাত্র ফেডারেশনের সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা ইব্রাহিম চতুলী (এমএলএ-১৯৪৬)।   

রিজওয়ান, ২০১০ সালে সেন্ট্রাল জৈন্তা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০১৩ সালে জৈন্তা ডিগ্রী কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে এইচএসসি পাশ করেন। ২০১৪ সালে উচ্চ শিক্ষার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান ইংল্যান্ডে। সেখানে ভর্তি হন Glyndwr University Wrexham (গ্লিন্ডোর বিশ্ববিদ্যালয় রেক্সাম)। Glyndwr University Wrexham থেকে ২০১৮ সালে সফলতার সাথে ব্যাচেলর ডিগ্রী অর্জন করেছেন। একাডেমিক পড়াশুনার পাশাপাশি নেটওয়ার্কিং এর অন্যতম প্রসিদ্ধ সার্টিফিকেশন CCNA অর্জন করেন ২০১৭ সালে।
 
২০১৮ সালে  Post graduation (স্নাতকত্তর) ডিগ্রী অর্জনের জন্য ভর্তি হন University of Bedfordshire। একাডেমিক পারফর্মেন্সের পাশাপাশি তিনি Cybersecurity এর অন্যতম প্রফেশনাল সার্টিফিকেশন, C|EH কৃতিত্বের [৯২%] সাথে পাশ করেন ২০১৮ সালে। ২০১৯ সালে University of Bedfordshire থেকে ডিস্টিংশন পেয়ে মাস্টার্স ডিগ্রী সম্পন্ন করেন।

বর্তমানে তিনি স্কলারশিপ নিয়ে University of Bedfordshire- এ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে পিএইচডি গবেষণারত আছেন। তাঁর পিএইচডি গবেষণার বিষয়, কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তা [Artificial Intelligence] ব্যবহারে ব্যাংকিং সিস্টেমে কিভাবে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। University of Bedfordshire ভর্তি হওয়ার আগে তিনি ডারবি ইউনির্ভাসিটি, মানচেস্টার ইউনিভার্সিট এবং  Charles Sturt University, Australia এর মত বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকেও Scholarship এ পিএইচডি-এর অফার পান। পিএইচডি গবেষণার পাশাপাশি এখন পর্যন্ত তার ১৫টি গবেষনালব্দ সাইন্টিফিক আর্টিকেল, বই, থিসিস পেপার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক  কনফারেন্স এবং  জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।
 
তার প্রকাশিত গবেষণার মধ্যে নিম্নক্ত গবেষণা আন্তর্জাতিক মহলে বেশ প্রশংসা অর্জন করে:
১. A Framework to Mitigate Attacks in Web Applications
২. Security Analysis for Vehicle To Everything Communication Over 5g Network
৩. A Review on Concepts and Technologies of 6G Cellular Network and Future Scope
৪. Applications of Block-Chain Technology and Related Security Threats
৫. Algorithms and Security Concern in Blockchain Technology
৬. AI Based Chat bot: An Approach of Utilizing On Customer Service Assistance
৭. Artificial Intelligence Based Autonomous Car

গবেষণার পাশাপাশি তিনি University of bedfordshire এ খন্ডকালিন লেকচারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

রিজওয়ান তার অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাবার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। তিনি দেশ ও সমাজের উন্নয়নের জন্য অবদান রাখতে চান বলেও জানান।

লক্ষ্য যখন ‘খ’ ইউনিট
                                  

এইচএসসি পরীক্ষার পরেই ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়। যাতে তারা তাদের প্রত্যাশিত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ করে নিতে পারে। ভর্তি পরীক্ষার সময়টা সর্বশেষ প্রস্তুতির সময়। ভর্তি পরীক্ষার এই সময়টাকে বলা হয় ভর্তিযুদ্ধ। আর এই ভর্তিযুদ্ধে জয়ী হতে প্রয়োজন সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ।

এই ভর্তিযুদ্ধে যারা মানবিক বিভাগ থেকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে তাদের জন্য রয়েছে ‘খ’ ইউনিট। এই ইউনিটে বাংলা, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক) থেকে প্রশ্ন হয়। আর এবার অনলাইনে প্রস্তুতিটাও নিতে হবে জোরালো, গুছিয়ে নিতে হবে পড়াশোনাটাও। বাংলা পাঠ্যবই খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তবে এখন পুরো বই পড়ে সময় নষ্ট না করে বিশেষ বিশেষ অধ্যায়ের ওপর নজর দিতে হবে। আর বাংলা ব্যাকরণের ক্ষেত্রে সন্ধি, উপসর্গ, সমাস- এগুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। সাধারণ জ্ঞানের কিছু বাছাই করা বিষয় না পড়ে সব বিষয়েই চোখ বোলানো উচিত।

পত্রিকা পড়া আর নেটে সাম্প্রতিক বিষয়গুলোর ওপর বিশেষ নজর রাখতে হবে। ইংরেজির ক্ষেত্রে গ্রামার সাইটগুলো একটু ভালো করে ঝালিয়ে নিতে হবে। আর যেহেতু লিখিত পরীক্ষা যুক্ত করা হয়েছে, তাই ইংরেজিতে ভালো করার বিকল্প নেই। নিয়মিত অনুশীলন করলে ইংরেজিতে ভালো করা সম্ভব।

প্রস্তুতির ক্ষেত্রে:
-উচ্চমাধ্যমিকের পাঠ্যবইয়ের কোনো বিকল্প নেই।
-বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান প্রতিটি বিষয়ের প্রতি সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
-কোচিং সেন্টারকে দিকনির্দেশক, প্রশ্নব্যাংককে গাইডলাইনস ভেবে স্বনির্ভর হতে হবে।
-সময় নষ্ট না করে আতœবিশ্বাসী ও পরিশ্রমের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে।

আত্মবিশ্বাস ধরে রাখলে সফলতা আসবেই। নিয়মমাফিক পরিশ্রমের পাশাপাশি কৌশলীও হওয়া প্রয়োজন। অপ্রয়োজনে ফোন ব্যবহার না করে সময়ের সঠিক ব্যবহার করে অনুশীলন সম্পর্কে সচেতন এবং নিজের উপর আতœবিশ্বাস রেখে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ঠিক রেখে সামনে এগিয়ে যেতে নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন যাই হোক, ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। আত্মবিশ্বাসটা ধরে রাখো, সফলতা আসবেই ইনশাল্লাহ। মহামারীর এই সময়ে সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করে ভর্তি পরীক্ষার অপেক্ষা না করে প্রস্তুতি চালিয়ে যেতে হবে।

লেখক-
মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ
শিক্ষার্থী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

পিইসি-জেএসসি পরীক্ষা বাতিল হচ্ছে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : বাতিল হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা। চলতি বছর থেকে আর থাকছে না আর এ পরীক্ষা। একই সঙ্গে বাতিল হতে যাচ্ছে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী (ইইসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা।

করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে এ দুই পরীক্ষা বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত সপ্তাহে এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউসের উপস্থিতিতে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।  সেখানে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে উভয় মন্ত্রণালয়ে পৃথক দুটি সারসংক্ষেপ তৈরি হচ্ছে। আগামী রোববারের মধ্যে এটি অনুমোদনের জন্য পাঠানো হতে পারে।

এই দুই স্তরের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। এই ফলের ওপর ভিত্তি করে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের একটি অংশকে মেধাবৃত্তি দেওয়ার চিন্তা আছে।

শিক্ষাবর্ষ দীর্ঘ না করে বছরের মধ্যেই ছাত্রছাত্রীদের শ্রেণিভিত্তিক লেখাপড়া শেষ করার চিন্তাভাবনা চলছে। সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া সম্ভব হলে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ডিসেম্বরে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষার সিনিয়র সচিব আকরাম-আল-হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের আমরা ন্যূনতম ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে চাই না। পরিস্থিতি যখন স্বাভাবিক হবে তখনই তারা স্কুলে যাবে। যেহেতু কবে প্রতিষ্ঠান খোলা যাবে তা আমরা জানি না। তাই একাধিক বিকল্প হাতে রেখে শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা তৈরির কাজ চলছে।

এসএসসির স্কোর ভিত্তিতে কলেজে ভর্তি
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্টার : খ্রিস্টান মিশনারি পরিচালিত ৪ কলেজ ছাড়া বাকি কলেজগুলোতে এসএসসি উত্তীর্ণ ফলের ভিত্তিতেই উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা। ঢাকার চার কলেজ যথা নটর ডেম, হলিক্রস, সেন্ট জোসেফ উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সেন্ট গ্রেগরি হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করতে শিক্ষার্থীদের ভার্চুয়াল পরীক্ষা নেবে।

আগামী ৯ আগস্ট রোববার থেকে শুরু হবে অনলাইনে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া। দেশের অন্যান্য কলেজে ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে প্রাপ্ত স্কোরের ভিত্তিতেই ভর্তির সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খ্রিস্টান মিশনারিদের দ্বারা পরিচালিত ওই সব কলেজ কর্তৃপক্ষকে পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। ওই চারটি কলেজে আগামী ৯ থেকে ২৪ আগস্টের মধ্যে ভার্চুয়াল লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক ড. হারুন অর রশিদ জানিয়েছেন, নটর ডেম কলেজ, হলিক্রস কলেজ, সেন্ট জোসেফ উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সেন্ট গ্রেগরি হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে একাদশ শ্রেণীতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে পরীক্ষা নেবে। এরা নিজেদের মান বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই চার কলেজে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য আগামী ৩০ আগস্টের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে পাঠাতে বলা হয়েছে।

একাদশ শ্রেণিতে সাধারণত শিক্ষার্থীর আবেদনের পছন্দক্রম থেকে একটি কলেজ ভর্তির জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়। আর ভর্তির পুরো কাজটি অনলাইনে সম্পাদন করা হয়। ভর্তির যোগ্যতা এসএসসির প্রাপ্ত ফলাফল। উল্লিখিত চার কলেজ বাদে দেশের বাকি কলেজগুলোতে এই নিয়মেই ভর্তিকার্যক্রম চলবে।

রোববার থেকে শুরু হওয়া এই ভর্তি কার্যক্রম চলবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এরই মধ্যে তিন ধাপে অনলাইন ভর্তির সময়সূচি প্রকাশ করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

এ বছর ভর্তি প্রক্রিয়ায় এসএমএসের মাধ্যমে আবেদনপ্রক্রিয়া বাতিল করা হয়েছে। শুধু অনলাইনে সর্বোচ্চ ১০টি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবে শিক্ষার্থীরা। তবে এবার আবেদন ও ভর্তি ফি কিছুটা বাড়ানো হয়েছে।

২০২০ সালের মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় ২০ লাখ ৪০ হাজার ২৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন পাস করেছে। এরা সবাই চাইলেই একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হতে পারবে। দেশের কলেজগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে ২৫ লাখেরও বেশি আসন রয়েছে।

তবে রাজধানী ঢাকা এবং জেলা শহরের প্রতিষ্ঠিত ও নামকরা কলেজগুলোতেই শিক্ষার্থী ভর্তির চাপ থাকে বেশি। অনেক উপজেলা পর্যায়ের কলেজের বেশির ভাগ আসনই প্রতি বছর খালি থাকে।

বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির প্রস্তুতি
                                  

সজীব প্রধান: বর্তমান সময়ে চাকরি যেন সোনার হরিণের চেয়েও দামি। বিসিএস সহ সকল চাকরিতেই এ কথা সমানভাবে প্রযোজ্য। বিসিএস এ মাত্র ২ হাজার পদের বিপরীতে ৪ লাখেরও বেশি প্রার্থী আবেদন করে। অন্যান্য চাকরির ক্ষেত্রেও আবেদন সংখ্যা রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে প্রতি বছর। সব শিক্ষার্থী একটি ভালো জবের স্বপ্ন দেখেন নিজের জন্য এবং পরিবারের জন্য। এই রণাঙ্গনে টিকে থাকতে অনেকেই শুরু থেকে সচেতন ও নিবেদিত প্রাণ।

চাকরির বাজারের দুর্দশা দেখে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম, ২য় ও ৩য় বর্ষ থেকে প্রস্তুতি নিতে থাকে এবং জব রিলেটেড বই পত্র পড়তে আরম্ভ করে যা সমীচীন নয়। তবে সময় নষ্ট করাও একদম উচিত নয়। তাহলে কি করবেন? আপনার বেসিকটাকে স্ট্রং করার সময় এই তিন বছর। গাইড মুখস্ত  করে কখনো ভালো জব পাবেন না। জবের ময়দানে শেষ হাসিটা সেই হাসবে যার বেসিক খুব শক্তিশালী। তাই এই তিন বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য নিম্নোক্ত পরামর্শ রইলো।

১) আপনার অনার্সের বিষয়ের উপর জোর দিন। প্রথম তিন বছরে সিজিপিএ এগিয়ে রাখুন। পরে চাকরির ও ডিপ্টের পড়াশোনা একসঙ্গে করতে গিয়ে কিছুটা পিছিয়ে পড়তে পারেন। যাতে ৩.০০ এর উপরে এমনকি সম্ভব হলে ৩.৫০ থাকে। অনেকেই ভাবেন সাবজেক্ট পড়ে কি হবে? জবের ক্ষেত্রে এটাতো লাগবে না। আমি বলব আমি ভুল ভাবছেন। যেকোন ভাইভাতে আপনাকে অনার্স-মাস্টার্সের বিষয় থেকেই জিজ্ঞাসা করা হবে-আপনি যে সাবজেক্টেরই হোন না কেন। আর নিজের সাবজেক্টের কোশ্চেন না পারায় ভাইভা ফেল করেছে এমন মানুষের অভাব নেই। তাছাড়া আপনি যদি শিক্ষক হয়ে যান তাহলেতো আর কথাই নাই।

২) চাকরির লেখাপড়ায় সাধারণত ৪টি বিষয় থাকে (বিসিএস এ আরো কিছু বিষয় আছে)। ইংরেজি, বাংলা, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান। এগুলোর মধ্যে ইংরেজি আর গণিত সবার জন্য পার্থক্য গড়ে দেয়। আর  এমন প্রার্থীর সংখ্যা খুব কম যারা ৪টিতেই সমান পারদর্শী। একজন সম্মানিত শিক্ষক এটি বুঝাতে গিয়ে বলেছিলেন দেশে তামিম, মুস্তাফিজ অনেক থাকলেও সাকিব একজন ই। সো ট্রাই টু বি এ সাকিব।

ইংরেজিঃ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পর্যন্ত আপনি যতটুকু গ্রামার পড়েছেন ততটুকুই যথেষ্ট। শুধুই মাথায় রাখলেই হবে। ইংরেজিতে বেসিক স্ট্রং করতে ইংরেজি পত্রিকা বুঝে বুঝে পড়ুন। নতুন শব্দগুলো মনে রাখার চেষ্টা করুন। ফ্রি হ্যান্ড রাইটিং কিছু কিছু অনুশীলন করতে পারেন। বন্ধুদের সঙ্গে ইংরেজিতে কথা বলার চেষ্টা করুন। আর গাইড থেকে আপাতত দূরে থাকুন।

গণিতঃ চাকরির ক্ষেত্রে গণিত বড় একটি ফ্যাক্টর। এখানে ভালো থাকলে চাকরির জন্য মূল প্রস্তুতির সময় অনেক রিলাক্সড ফিল করবেন। গণিতে ভালো করার জন্য এ বিষয়ে দক্ষ ব্যক্তিগণ বোর্ড বইয়ের গণিত অনুশীলন করতে বলেন। সুতরাং ষষ্ঠ-নবম শ্রেণীর গণিত আপনাকে অনেক সহায়তা করবে। নিজে না পারলে যিনি পারেন-বন্ধু/ক্লাসমেট যেই হোক-তার সহযোগিতা নিবেন।

সাধারণ জ্ঞানঃ এই বিষয়ে আপনার জন্য পত্র-পত্রিকাই যথেষ্ট। আন্তর্জাতিক, সম্পাদকীয়, বাণিজ্য ও খেলা-ধূলোর পাতায় বিশেষভাবে নজর দিন। মাসে একটি কারেন্ট এফেয়ার্স পড়লে আরো ভালো হয়।

৩) এই তিন বছরে আপনি মৌলিক কিছু বই পড়ুন। যেমন: অসামাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং প্রধানমন্ত্রীর বই যেমন: ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’, সাদা-কালো’ ইত্যাদি।

বিভিন্ন উপন্যাস যেমন মা- আনিসুল হক, জোসনা ও জননীর গল্প, বাদশাহ নামদার ইত্যাদি। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই যেমন:  একাত্তরের দিনগুলি, আমি বীরাঙ্গনা বলছি, দ্যা রেইপ অব বাংলাদেশ, একাত্তরের ডায়েরি ইত্যাদি। বাংলাদেশের ইতিহাস সম্পর্কিত বই যেমন ‘বাংলাদেশ ইতিহাস পরিক্রমা- কে এম রাইসুদ্দিন, দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব সভ্যতা, আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর ইত্যাদি। এছাড়াও বিভিন্ন ঐতিহাসিক, সাহিত্য, দেশি-বিদেশি, আত্মজীবনীমূলক বই পড়তে পারেন। অনেকে কবিতা পড়তে ভালোবাসেন, পড়ুন। নবম শ্রেণির ভূগোল পড়া যেতে পারে। মানবিকের শিক্ষার্থীদের জন্য বিজ্ঞানের বেসিক ধারণা রাখা ভালো। এজন্য ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণীর বিজ্ঞান(সাধারণ বিজ্ঞান) বই পড়া যেতে পারে।

উপর্যুক্ত প্রতিটি কথা অভিজ্ঞতার আলোকে বলা, মুখস্থ কথা নয়। তাই এই কথাগুলো অনুসরণ করলে আমার মনে হয় জব সেক্টরে প্রতিযোগিতার মহারণে আপনি ভালো করবেন।

৪) আর যারা চতুর্থ বর্ষে আছেন তারা চাকরির মূল প্রস্তুতি শুরু করতে পারেন। দিনে ১০/১২ ঘন্টা পড়ার জন্য ব্যয় করুন। সম্ভব হলে একটির বেশি টিউশনি নয়, অথবা একটিও নয়। পার্টটাইম জব ছেড়ে দিন। আর যদি সম্ভব না হয় তো খুব পরিশ্রম করুন। টিউশন, পার্টটাইম জব করেও পড়া যায়। এসব মেইনটেইন করেও ভালো জব করছেন এমন উদাহারণ কম না। দরকার পরিশ্রমের।

অনেকেই জানতে চান জব কোচিং করবেন কিনা?
আসলে এটা পারসন টু পারসন ভেরি করে। ৩৮তম বিসিএস ক্যাডারদের গ্রুপে একটি পোল দেওয়া হয়েছিল। তাতে প্রায় ৪০০ জন অংশগ্রহণ করেছিলেন। কোন কোচিং না করেই ক্যাডার হয়েছেন এমন ক্যাডার ই বেশি। তবে আমি বলি, কোচিং সেন্টারে যাতায়াতে বেশি সময় নষ্ট না হলে করতে পারেন। এতে পড়ালেখায় স্পৃহা আসবে। বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে প্রস্তুতিকে শাণিত করতে পারবেন। তাছাড়া কোচিংএ যারা ক্লাস নেন তারা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষ। তাদের গাইডলাইন আপনাকে অনেক সহযোগিতা করবে। ফলে লাভ ছাড়া ক্ষতি হবে না বোধ হয়।

৫)  যারা মাস্টার্সে আছেন তাদের কিছু বলার নেই। আপনারা ইতোমধ্যেই চাকরির জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছেন। এক্ষেত্রে আমি  বলব চেষ্টা করে যান এবং কখনো  হতাশ হবেন না। যিনি সৃষ্টি করেছেন তিনি আপনার রিজিকের ব্যবস্থাও করেছেন। আপনাকে চেষ্টার মাধ্যমে একটু খোঁজে নিতে হবে। কারণ দুনিয়া অলৌকিক নিয়মে চলে না। এখানে মাধ্যম ছাড়া প্রায় কিছুই হয় না।

শেষে একটি কথা না বললেই নয়। আমাদের সমাজ আপনার পড়াশোনা ও ডিগ্রির মূল্যায়ন করবে চাকরি দিয়ে। আপনার সার্টিফিকেট যত মোটাই হোক না কেন ভালো জব না পেলে সমাজের কাছে তা খড়কুটো ছাড়া কিছুই না।


পরামর্শদাতাঃ মোঃ রেজুয়ানুল হক,
৩৮তম বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত।
উপস্থাপনায়: মুহম্মদ সজীব প্রধান

তিতুমীরের আড়াইশ শিক্ষার্থীর ঝুঁকিপূর্ণ দিনযাপন
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: কলেজ কর্তৃপক্ষ বিকল্প ব্যবস্থা না করায় ঝুঁকি নিয়েই ছাত্রাবাসে থাকতে হচ্ছে রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজের এক ছাত্রাবাসের অর্ধেক শিক্ষার্থীকে।
গত ২ অক্টোবর ‘আক্কাছুর রহমান আঁখি’ ছাত্রাবাসের ২১২ নম্বর কক্ষের ছাদ ধসে পড়ার পর ৫০ শতাংশ কক্ষকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।
কলেজটির ছাত্রদের একমাত্র এই হোস্টেলের বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ছাত্রাবাস ছাড়তে রাজি হচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা।
ঝুঁকিপূর্ণ সব রুমেই ছাত্ররা থাকছে। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না করে খালি করার কথা বলায় কেউ রুম ছেড়ে যায়নি, বলেন ২১৩ নম্বর কক্ষের বাসিন্দা মিজানুর রহমান।
এ কক্ষসহ মোট ২১টি কক্ষকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে কলেজ কর্তৃপক্ষ। ঘোষিত কক্ষগুলোর মধ্যে আরও আছে নিচ তলার ১০৪, ১০৫, ১০৬, ১০৮ ও ১০৯ নম্বর, দ্বিতীয় তলার ২০২, ২০৫, ২০৬, ২০৮, ২০৯, ২১১, ২১২ ও ২১৭ নম্বর এবং তৃতীয় তলার ৩০১, ৩০২, ৩০৩, ৩০৫, ৩০৭, ৩০৯ ও ৩১৯ নম্বর কক্ষ।
মিজান বলেন, বললে তো আর সাথে সাথে বের হওয়া যায় না। আমরা চাই, কক্ষগুলোর সংস্কার কাজ দ্রুত শেষ হোক।
কবে থেকে এ কক্ষগুলোর সংস্কার শুরু হবে তা বলতে পারেননি তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবু হায়দার আহমেদ নাসেরও।
তিনি বলেন, এটা সরকারের ব্যাপার, তারা টেন্ডার করবে, তারপর সংস্কার শুরু হবে।
৫৫ হাজার শিক্ষার্থীর সরকারি তিতুমীর কলেজে ছাত্রাবাস মাত্র তিনটি। এরমধ্যে ছাত্রীদের আবাসনের জন্য রয়েছে দুটি ছাত্রাবাস, যার একটির অবস্থান কলেজ ক্যাম্পাসে, অন্যটি বনানীতে।
১৯৮৩ সাল থেকে তিতুমীর কলেজের ছাত্রাবাস হিসাবে ব্যবহৃত আক্কাছুর রহমান আঁখি ছাত্রাবাসের ৪৬টি কক্ষে মোট ১৮৮ জনের আবাসনের ব্যবস্থা আছে। তবে থাকে প্রায় ৫০০ জন।
সে হিসেবে ঝুকিপূর্ণ কক্ষে প্রায় ২৫০ শিক্ষার্থী অবস্থান করছে বলে ছাত্রাবাসের বাসিন্দারা জানিয়েছেন। কবে এসব কক্ষের সংস্কার কাজ শুরু হবে তাও জানেন না তারা।
প্রকৌশল দপ্তর থেকে লোক এসে ফাটল ধরা অংশ ভেঙে দিয়ে গেছে। বলা হয়েছে দ্রুত সময়ে সংস্কার করা হবে। এক মাস শেষ হতে চলল, কিন্তু সংস্কার করা হয়নি, বলেন ৩০২ নম্বর রুমের বাসিন্দা নীরব আহসান রাসেল।
কখন ভেঙে পড়ে তার কোনো ঠিক-ঠিকানা নাই। আবার কলেজ থেকে বলা হচ্ছে, দুর্ঘটনা ঘটলে দায়দায়িত্ব ছাত্রদের।
অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবু হায়দার বলেন চিফ ইঞ্জিনিয়ার সাহেব (শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী) আসছিলেন। ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে গেছেন, আমি খালি করার নোটিস দিয়েছি। ছাত্ররা রুম না ছাড়লে আমার কী করার?
বিকল্প ব্যবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, হলই তো নেই। বিকল্প কোথায় পাঠাব?
ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত কক্ষগুলোর সংস্কার কাজ ‘হচ্ছে’ বলে জানিয়েছেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী দেওয়ান মো. হানজালা।
সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে, এরপর ওই কক্ষগুলোতে থাকা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, পলেস্তারা খসে পড়ায় কিছু কক্ষের সংস্কার করতে হবে।
আমরা দুটি কক্ষকে বসবাসের অযোগ্য ঘোষণা করেছি। তবে কলেজ কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত সতর্কতা হিসেবে ফাটল ধরা সব কক্ষকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে নোটিস দিয়েছে।

ক্যারি অন পরীক্ষা পদ্ধতি পুর্নবহালের দাবিতে বিজয়নগরসহ নানা এলাকায় সড়ক অবরোধ করেছে মেডিকেল শিক্ষার্থীরা
                                  

ক্যারি অন পরীক্ষা পদ্ধতি পুর্নবহালের দাবিতে বিজয়নগরসহ নানা এলাকায় সড়ক অবরোধ করেছে মেডিকেল শিক্ষার্থীরা

ভর্তি দুঃশ্চিন্তায় শিক্ষার্থীরা!
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পরই স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য কোচিং শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা। ইতিমধ্যে পরীক্ষার ফলাফলও হাতে পেয়ে গেছেন তারা। তবে শিক্ষার্থীদের তুলনায় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসন সংখ্যা কম থাকায় দুশ্চিন্তা কাটেনি তাদের।

এ বছর এইচএসসি ও সমমানের শিক্ষার্থী সংখ্যা ১০ লাখ ৬১ হাজার ৬১৪ অংশগ্রহণ করে ৭ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। তার মধ্যে জিপিএ- ৫ পেয়েছে ৪২ হাজার ৮৯৪ জন।

জানা গেছে, জাতীয় ও উš§ুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় বাদে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসনসংখ্যা মাত্র ৪৩ হাজারের কিছু বেশি। সরকারি মেডিক্যাল, ডেন্টাল, টেক্সটাইল কলেজ ও মেরিন একাডেমিতে আসন আছে মাত্র চার হাজার ২৯৮টি।

ইউজিসি সূত্র আনুযায়ী, দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় মাত্র ৩৭টি, তার মধ্যে দুটির কার্যক্রম এখোনো শুরুই হয়নি। ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের হিসাবে ৩৩টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আসনসংখ্যা ৪৩ হাজার ২৪৯টি। বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে এ বিষয়ে পড়ার জন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আসনসংখ্যা খুবই অপ্রতুল। এ ছাড়া যেসব বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ রয়েছে সেগুলোর আসনসংখ্যাও সিমিত।

জানা যায়, ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের হিসাব অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন ৬৬০০, রাজশাহীতে ৩৮৫১, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২০০, বুয়েটে ৯৯১, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৫৩৩, জাহাঙ্গীরনগরে ২২৩৫, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪২৬, শাবিপ্রবিতে ১৭০৮, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯৭৯, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩০০, হাজী মোহাম্মদ দানেশে ১৮০০, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ২৪৬৩, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ৭০০, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০০, চট্টগ্রাম প্রকৌশলে ৬৪১, রাজশাহী প্রকৌশলে ৭২৫, খুলনা প্রকৌশলে ৮১৫, ঢাকা প্রকৌশলে ৫৬০, নোয়াখালী বিজ্ঞানে ৯০৩, জগন্নাথে ২৮৪৫, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮০০, কবি নজরুলে ৫৭০, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারিতে ২১০, সিলেট কৃষিতে ৩৭০, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ৬৫৫, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে ৪৮০, বেগম রোকেয়ায় ১২৪৫, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ৫৫০, শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ৬৮০, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩৬৫ এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪১০টি আসন রয়েছে।

এবার থেকে কার্যক্রম শুরু হওয়া রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসনসংখ্যা ১০০টি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্সে আসন দুই লাখ চার হাজার ২০০টি ও পাস কোর্সে দুই লাখ ৪০ হাজার। উš§ুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন ৩৪ হাজার। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি ও ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়নি। আর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয় না। এ ছাড়া ৭৯টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন ৭২ হাজার ৩০৫টি। তবে এক বছরে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন সেমিস্টারে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। সে হিসাবে আসন দুই লাখ ১৬ হাজার ৯১৫টি।

বেসরকারি মেডিক্যাল ও ডেন্টালের সংখ্যা বাড়লেও উচ্চ হারে ফির কারণে উচ্চবিত্ত শিক্ষার্থীরা ছাড়া অন্যদের সেখানে পড়া অসম্ভব। ২২টি সরকারি মেডিক্যাল কলেজে আসনসংখ্যা ২৯৫১টি, ৯টি সরকারি ডেন্টালে ৫৬৭টি, ছয়টি সরকারি টেক্সটাইলে ৪৮০টি ও সরকারি মেরিন একাডেমিতে আসন মাত্র ৩০০টি। তবে ৫৩টি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে আসন ৪২৭৫টি, ১৪টি বেসরকারি ডেন্টাল কলেজে ৮৯০টি এবং ১৭টি বেসরকারি মেরিন একাডেমিতে ১৩৬০টি আসন রয়েছে।

জবিতে শুরু হচ্ছে স্কুলের যাত্রা
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সাথে একীভূত হচ্ছে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী পোগোজ স্কুল। বৃহস্পতিবার দুপুরে জবি ভিসির সভাকক্ষে এক যৌথসভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

জবি ভিসি প্রফেসর ড. মীজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সভাকক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং পোগোজ স্কুলের পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব ফজলুর রহমান পর্বতসহ অন্যান্য সদস্যদের যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্তসভায় জবির সাথে পোগোজ স্কুল একীভূত হওয়ার নীতিগত এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর মো. সেলিম ভূঁইয়া, রেজিস্ট্রার ইঞ্জিনিয়ার মো. ওহিদুজ্জামান, পোগোজ স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল ও পরিচালনা কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এখন থেকে পোগোজ স্কুল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আই ই আর-এর ল্যাবরেটরি স্কুল হিসেবে ব্যবহৃত হবে। বর্তমান পোগোজ স্কুলটির নতুন নাম হবে “পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়”।

শিক্ষার্থীদের উপর ধার্যকৃত ভ্যাট অবৈধ নয়, হাইকোর্টের রুল
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপর ধার্যকৃত ভ্যাট কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবেনা তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

জনস্বার্থে দায়ের করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ মোহাম্মদ হাসান আরিফ ও বিচারপতি জে এম দেবের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ রোববার দুপুরে এ আদেশ দেন।  আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে তথ্যসচিব, শিক্ষাসচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও এনবি আরের চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আবেদনকারীর পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাডভোকেট হাসান এন এস আজিম।

এ বিষয়ে আবেদনকারীর অপর আইনজীবী “িারুস সালাম বলেন, ‘সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার জন্য কোনো ভ্যাট দিতে হয় না; বরং তাদের সরকারিভাবে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয় এবং খরচ বহন করা হয়। একই দেশের নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও দুই রকম সিদ্ধান্ত হওয়ায় বৈষম্য তৈরি হয়েছে। তাই শুনানিতে আমরা আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছি, অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা এই প্রজ্ঞাপন অবৈধ। আদালত শুনানি শেষে রুল জারি করেছেন।’

গত ৪ জুলাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিউশন ফির ওপর সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জনস্বার্থে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ধানম-ি শাখার দুই শিক্ষার্থী ফরহাদ হোসেন ও আরিফ মাহমুদ এবং শিক্ষক “িারুস সালাম ৪ আগস্ট এই রিট দায়ের করেন।

এইচএসসিতে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : এবছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার গত বছরের তুলনায় ৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ কমেছে। এবার ১০টি শিক্ষাবোর্ডে মোট পাশের হার ৬৯.৬০ শতাংশ। গতবছর ছিল ৭৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। একইসঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংখ্যাও কমেছে ২৭ হাজার ৭০৮ জন। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪২ হাজার ৮৯৪ জন। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৭০ হাজার ৬০২ জন।

রবিবার সকালে গণভবনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ নেতৃত্বে শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের সারসংক্ষেপ হস্তান্তর করেন। এরপর শিক্ষামন্ত্রী বক্তব্যে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

এবারও গত বছরের মতো মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার সর্বোচ্চ। এ বোর্ডে পাসের হার ৯০ দশমিক ১৬ শতাংশ। কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৮৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ। গত বছর মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৯৪ দশমিক ০৮ শতাংশ ও কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ছিল ৮৫ দশমিক ০২ শতাংশ।

এদিকে, গতবারের তুলনায় এবছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের খারাপ ফলের জন্য পরীক্ষার সময় বিএনপি-জামায়াত জোটের হরতাল-অবরোধকে দায়ী করেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই অভিযোগ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

ফলাফলের পরিসংখ্যান তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবার ১০ লাখ ৬১ হাজার ৬১৪ পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৭ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭২ জন।

বিগত বছরগুলোতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বোর্ডভিত্তিক সেরা ২০ ও জেলাভিত্তিক সেরা ১০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হলেও, এবার প্রথমবারের মতো তা থাকছে না।

সচিবালয়ে দুপুর একটায় শিক্ষামন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করবেন। এরপর দুপুর ২টা থেকে মোবাইল ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফল সংগ্রহ করা যাবে।

ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন ১০ থেকে ১৬ আগস্ট
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রত্যাশা অনুযায়ী ফলাফল না হলে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক থেকে আগামী ১০ থেকে ১৬ আগস্টের মধ্যে আবেদন করতে হবে।

রবিবার দুপুরে আন্তঃবোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শ্রীকান্ত কুমার চন্দ এ তথ্য জানিয়েছেন।

ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফি বাবদ কত টাকা কেটে নেয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর (পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর-PIN) দেয়া হবে।

আবেদনে সম্মত থাকলে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।

প্রতিটি বিষয় ও প্রতি পত্রের জন্য দেড়শ’ টাকা হারে চার্জ কাটা হবে। তবে যে সব বিষয়ের দুটি পত্র (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র) রয়েছে যে সকল বিষয়ের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করলে দু’টি পত্রের জন্য মোট ৩০০ টাকা ফি কাটা হবে। একই এসএমএসে একাধিক বিষয়ের আবেদন করা যাবে, এক্ষেত্রে বিষয় কোড পর্যায়ক্রমে ‘কমা’ দিয়ে লিখতে হবে।

হরতাল-অবরোধের কারণে কমেছে পাসের হার
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : হরতাল অবরোধের কারণে পাশের হার কমেছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

তিনি বলেন, পরীক্ষার সময় হরতাল-অবরোধ দেওয়ার কারণে  বার বার সময়সূচি পরিবর্তন করতে হয়েছে। পরীক্ষার সময় হরতাল-অবরোধ না দেওয়ার অনুরোধ করার পরেও হরতাল অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়নি।

এর আগে, রোববার সকাল ১০টায় তিনি গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর হাতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল তুলে দেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে সারাদেশে গড় পাশের হার ৬৯.৬%। জিপি-এ ৫ পেয়েছে ৪২ হাজার ৮’শ ৯৪জন।

রোববার বেলা ২টা থেকে পরীক্ষার্থীরা নিজেদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট থেকে ফল জানতে পারবে।

এমবিবিএস অকৃতকার্যরা ক্লাসে অংশ নিতে পারবেন
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : এমবিবিএস প্রথম পেশাগত পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরাও এখন থেকে কৃতকার্য সহপাঠীদের সঙ্গে ক্লাস করার সুযোগ পাবেন। তবে তাদেরকে নভেম্বরে বিশেষ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য বিষয়গুলোয় পাশ করতে হবে। পাশ করতে পারলেই তারা দ্বিতীয় পেশাগত পরীক্ষায় নিয়মিত ব্যাচের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

এমবিবিএস কোর্স কারিকুলামের ‘ক্যারি অন’ নিয়ে জটিলতা নিরসনে শনিবার দুপুরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)’র সঙ্গে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সনের এমবিবিএস কারিকুলাম অনুযায়ী গত মে মাসের প্রথম পেশাগত পরীক্ষায় অকৃতকার্যরা তাদের মূল ব্যাচের সঙ্গে ক্লাশ করতে পারবে। আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় প্রথম পেশাগত পরীক্ষায় অকৃতকার্য বিষয়গুলো পাশ ও অন্যান্য শর্তাবলী পূরণ সাপেক্ষে তারা ২০১৬-এর মে মাসের দ্বিতীয় পেশাগত পরীক্ষায় নিয়মিত ব্যাচের সাথে অংশ নেওয়ার অনুমতি পাবে।

বৈঠকে বিএমডিসির সভাপতি অধ্যাপক ডা. আবু শফি আহমেদ আমিন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান, আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ, বিএসএমএমইউর বিভিন্ন বিভাগের ডিন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

সরকারের এ সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান দেখিয়ে শিক্ষার্থীরা অবিলম্বে ক্লাসে ফিরেবে বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে। তিনি বলেন, মেডিকেল শিক্ষার মান আধুনিকায়ন ও উন্নয়নে কারিকুলাম পরিবর্তন করা হয়েছে। এ নিয়ে কিছুদিন যাবত বিভিন্ন মহলে আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে। অভিবাবক ও ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সার্বিক দিক বিবেচনা করে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : আগৈলঝাড়ায় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্বক আহত করেছে প্রতিপক্ষ গ্রুপের লোকজন। এ ঘটনায় বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাসেল ব্যাপারী (২৩) রাত ৮ টায় মারা গেছেন।

শুক্রবার বিকেলে আগৈলঝাড়া উপজেলার দক্ষিণ শিহিপাশা গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত অপর ছাত্রলীগ নেতা রিংকু সরদার মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

আগৈলঝাড়া থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, পূর্ব বিরোধের জের ধরে ওই দুজনকে আহত করেছে তাদেরই প্রতিপক্ষ। হাসপালে নেয়ার পর রাসেল ব্যাপারী মারা যান।

শাবির অচলাবস্থা সহসাই কাটছে না
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) অচলাবস্থা সহসাই কাটছে না। ভিসি তার পদ থেকে একচুলও নড়তে নারাজ। অপরদিকে আন্দোলনরত শিক্ষকরাও ফল না নিয়ে ফেরতে রাজী নয়। ভিসি এবং শিক্ষকদের এ স্নায়ুযুদ্ধের বলি হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। প্রশাসনিক কাজেও সৃষ্টি হয়েছে স্থবিরতা।

জানা গেছে, ভিসির পদত্যাগেরে দাবিতে শিক্ষকদের আন্দোলনে অচল হয়ে পড়েছে প্রশাসনিক কার্যক্রম। আটকে আছে নতুন শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতিও । দীর্ঘ ৪ মাস ধরে হচ্ছে না কোনো সিন্ডিকেট বা একাডেমিক সভা। ভিসি প্রফেসর আমিনুল হক ভুইয়ার পদত্যাগের দাবিতে সরকার সমর্থিত শিক্ষকদের একাংশের আন্দোলনের ফলে এ অবস্থান সৃষ্টি হয়।

একদিকে ভিসি সরকারের আস্থাভাজন। অন্যদিকে আন্দোলনরত শিক্ষকরাও সরকারি দলের সমর্থক। ফলে সরকারও পড়েছে বেকায়দায়। আর ক্ষতির শিকার হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্র জানায়, গত ১৫ জুন থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত “বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কাজ সর্ম্পকিত” মাত্র দুই শতাধিক ফাইল স্বাক্ষরিত হয়েছে, যেখানে স্বভাবিক অবস্থায় প্রতি ১৫ দিনেই ৩ শতাধিক ফাইল স্বাক্ষর হয়ে থাকে।

সূত্র আরো জানায়, ভিসির পদত্যাগের দাবিতে সরকার সমর্থক একাংশের শিক্ষকদের আন্দোলন শুরু করে এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি থেকে। আন্দোলনের মুখে ভিসি দুইমাস ছুটিতে যান এবং ২২ জুন তাঁর কার্যালয়ে ফিরে আসেন।

খবর পেয়ে শিক্ষকরা ভিসি অফিসের সামনে ধারাবাহিক অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করেন। এর ফলে ভিসি অফিস করতে পারেননি।

পরবর্তীতে ২৩ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রীর সাথে আলোচনা শেষে অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। এর পর ভিসি ২৬ জুলাই থেকে অফিসে যোগদান করে আসছেন।

২৩ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় ভিসি শুধু রুটিন দায়িত্ব পালন করবেন। যদিও ভিসি দাবি করছেন, তার কাছে এ ধরনের কোনো নির্দেশনা সম্পর্কিত চিঠি আসেনি।

সেইসাথে তিনি বলেছেন, শুধু প্রশাসনিক পদগুলোতে নতুন করে নিয়োগ না দেয়ার জন্য মৌখিকভাবে তাকে বলা হয়েছে।

রেজিস্ট্রার দপ্তরের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা মনে করেন, শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা এবং শিক্ষকদের আন্দোলনের কারণেই প্রশাসনিক কাজে এ স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।

যোগাযোগ করা হলে, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ ইসফাকুল হোসেন বলেন, রেজিস্ট্রার দপ্তরের কাজ স্বাভাবিকভাবেই চলছে। এখানে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।


   Page 1 of 2
     পড়াশোনা
সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে পিএইচডি করছেন সিলেটের রিজওয়ান
.............................................................................................
লক্ষ্য যখন ‘খ’ ইউনিট
.............................................................................................
পিইসি-জেএসসি পরীক্ষা বাতিল হচ্ছে
.............................................................................................
এসএসসির স্কোর ভিত্তিতে কলেজে ভর্তি
.............................................................................................
বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির প্রস্তুতি
.............................................................................................
তিতুমীরের আড়াইশ শিক্ষার্থীর ঝুঁকিপূর্ণ দিনযাপন
.............................................................................................
ক্যারি অন পরীক্ষা পদ্ধতি পুর্নবহালের দাবিতে বিজয়নগরসহ নানা এলাকায় সড়ক অবরোধ করেছে মেডিকেল শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
ভর্তি দুঃশ্চিন্তায় শিক্ষার্থীরা!
.............................................................................................
জবিতে শুরু হচ্ছে স্কুলের যাত্রা
.............................................................................................
শিক্ষার্থীদের উপর ধার্যকৃত ভ্যাট অবৈধ নয়, হাইকোর্টের রুল
.............................................................................................
এইচএসসিতে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে
.............................................................................................
ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন ১০ থেকে ১৬ আগস্ট
.............................................................................................
হরতাল-অবরোধের কারণে কমেছে পাসের হার
.............................................................................................
এমবিবিএস অকৃতকার্যরা ক্লাসে অংশ নিতে পারবেন
.............................................................................................
ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
.............................................................................................
শাবির অচলাবস্থা সহসাই কাটছে না
.............................................................................................
রাবিতে আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
স্কুলছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু
.............................................................................................
স্কুলছাত্রীকে বিয়ে করতে গিয়ে শ্রীঘরে বর!
.............................................................................................
এমপির নির্যাতনের শিকার, স্কুলে যাওয়ার আকুতি শিশু রাফিদের
.............................................................................................
ভোলা সরকারি কলেজ এখন প্রাইভেট কোচিং সেন্টার!
.............................................................................................
এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ রোববার
.............................................................................................
রাবি ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীকে মারধর করলেন আ’লীগ নেতা
.............................................................................................
উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে
.............................................................................................
ইবিতে উদ্যোক্তা উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT