শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সপ্তাহের ব্যবধানে চাল-তেল-চিনির দাম বেড়েছে

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : গত সপ্তাহে মোটা চাল, চিনি, সয়াবিন তেলসহ নয়টি পণ্যের দাম বেড়েছে এবং সরু চাল, পেঁয়াজ, রসুন, ডালসহ নয়টি পণ্যের দাম কমেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বংলাদেশ-টিসিবি। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারের পণ্যের দামের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে টিসিবি।

সরকারি প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে পাইজাম ও লতা চালের দাম ৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫৪ টাকা হয়েছে। চিনি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬২ থেকে ৬৫ টাকায়। সরকার আলুর দাম নির্ধারণ করে দিলেও তা মানছেন না ব্যবসায়ীরা। সপ্তাহের ব্যবধানে ৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ বেড়ে আলু প্রতি কেজি   বিক্রি হচ্ছে ৪৪ থেকে ৫০ টাকা।

সয়াবিন তেলের বাজারেও অস্থিরতা কাটছে না। বর্তমানে লুজ সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১০২ থেকে ১০৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর বোতলের সয়াবিন তেলের লিটার বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়। পাঁচ লিটার বোতল বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৫২৫ টাকা।

পাম অয়েলেরও দাম বেড়েছে। লুজ পাম অয়েলের লিটার বিক্রি হচ্ছে ৯১ থেকে ৯১ টাকা। আর সুপার পাম অয়েল ৯৪ থেকে ৯৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লবঙ্গের দাম বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা। খোলা আটা বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩২ টাকা।  ময়দা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা। তবে প্যাকেট আটার দাম কমে ৩২ থেকে ৩৩ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, দাম কমে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। রসুন ৮০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এলাচ বিক্রি হচ্ছে ২৪০০ থেকে ৩২০০ টাকা। দাম কমেছে সরু চালেরও।  বর্তমানে সরু চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা প্রতি কেজি। দাম কমে ছোট দানার মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকা। মুগ ডাল বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৩০ টাকা প্রতি কেজি।

স্বাধীন বাংলা/এআর

সপ্তাহের ব্যবধানে চাল-তেল-চিনির দাম বেড়েছে
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : গত সপ্তাহে মোটা চাল, চিনি, সয়াবিন তেলসহ নয়টি পণ্যের দাম বেড়েছে এবং সরু চাল, পেঁয়াজ, রসুন, ডালসহ নয়টি পণ্যের দাম কমেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বংলাদেশ-টিসিবি। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারের পণ্যের দামের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে টিসিবি।

সরকারি প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে পাইজাম ও লতা চালের দাম ৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫৪ টাকা হয়েছে। চিনি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬২ থেকে ৬৫ টাকায়। সরকার আলুর দাম নির্ধারণ করে দিলেও তা মানছেন না ব্যবসায়ীরা। সপ্তাহের ব্যবধানে ৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ বেড়ে আলু প্রতি কেজি   বিক্রি হচ্ছে ৪৪ থেকে ৫০ টাকা।

সয়াবিন তেলের বাজারেও অস্থিরতা কাটছে না। বর্তমানে লুজ সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১০২ থেকে ১০৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর বোতলের সয়াবিন তেলের লিটার বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়। পাঁচ লিটার বোতল বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৫২৫ টাকা।

পাম অয়েলেরও দাম বেড়েছে। লুজ পাম অয়েলের লিটার বিক্রি হচ্ছে ৯১ থেকে ৯১ টাকা। আর সুপার পাম অয়েল ৯৪ থেকে ৯৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লবঙ্গের দাম বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা। খোলা আটা বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩২ টাকা।  ময়দা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা। তবে প্যাকেট আটার দাম কমে ৩২ থেকে ৩৩ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, দাম কমে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। রসুন ৮০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এলাচ বিক্রি হচ্ছে ২৪০০ থেকে ৩২০০ টাকা। দাম কমেছে সরু চালেরও।  বর্তমানে সরু চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা প্রতি কেজি। দাম কমে ছোট দানার মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকা। মুগ ডাল বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৩০ টাকা প্রতি কেজি।

স্বাধীন বাংলা/এআর

অগ্রণী ব্যাংকে ভ্যাট অনলাইন পদ্ধতির উদ্বোধন
                                  

অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের প্রধান শাখায় ভ্যাট অনলাইন পদ্ধতির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার প্রধান অতিথি হিসেবে অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও মোহম্মদ শামস্-উল ইসলাম ভ্যাট অনলাইন পদ্ধতির উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাজী মোস্তফিজুর রহমান, প্রকল্প পরিচালক ভ্যাট অনলাইন প্রকল্প, রাফেজা আক্তার কান্তা, উপ-মহাব্যবস্থাপক, পেমেন্ট সিস্টেম ডিপার্টমেন্ট, বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মোঃ আনিসুর রহমান, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ ওয়ালী উল্লাহ, মোঃ আব্দুস সালাম মোল্যা এবং মহাব্যবস্থাপক, মোঃ মনোয়ার হোসেন এফসিএ, প্রধান শাখার মহাব্যবস্থাপক, মোঃ মোজাম্মেল হোসেনসহ সকল মহাব্যবস্থাপকবৃন্দ, উপ-মহাব্যবস্থাপকবৃন্দ। -বিজ্ঞপ্তি

ধর্ষণের ভিডিও ধারণ, প্রকাশের ভয় দেখিয়ে বার বার ধর্ষণ
                                  

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : এ বছরের ৩ মার্চ ন্যাশনাল সার্ভিসের প্রত্যয়নপত্র আনতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন এক নারী। তাকে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন গাইবান্ধা সদরের লক্ষীপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাদল (৪৭)। ওই সময় ঘটনার ভিডিও চিত্রও ধারণ করেন তিনি। পরে ভয় দেখিয়ে আরও কয়েক জায়গায় নিয়ে তাকে কয়েকবার ধর্ষণ করেন বাদল।

গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে বাদলের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে রাত ১০টার দিকে তাকে নিজের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

৯ মাস ধরে ওই নারীকে ধর্ষণ করে আসছিলেন গাইবান্ধা সদরের লক্ষীপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাদল। সর্বশেষ গত ১১ নভেম্বর নির্যাতিতার বাড়িতে গিয়ে তার স্বামীর অনুপস্থিতিতে ধর্ষণের সময় আশেপাশের লোকজন টের পেলে চেয়ারম্যান বাদল পালিয়ে যান। ওই নারীর দায়ের করা মামলার এজাহার থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

গাইবান্ধা সদর থানার ওসি (তদন্ত) মজিবর রহমান জানান, চেয়ারম্যান বাদলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

স্বর্ণের দাম কমলো, আজ থেকে কার্যকর
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) দেশের বাজারেও তা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের অলংকার কিনতে হবে ৭৩ হাজার ৮৩৩ টাকায়। নতুন দর আজ বুধবার থেকে সারা দেশে কার্যকর হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ১৫ সেপ্টেম্বর আগস্ট স্বর্ণের দাম ভরিতে সাড়ে ২ হাজার ৩৩৩ টাকা বৃদ্ধি করেছিল সমিতি।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার থেকে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৩ হাজার ৮৩৩ দশমিক ১২ টাকা। ভরিতে দাম কমেছে ২ হাজার ৫০৭ দশমিক ৭৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ধরা হয়েছে ৭০ হাজার ৬৮৩ দশমিক ৮৪ টাকা। মঙ্গলবার পর্যন্ত এর দাম ছিল ৭৩ হাজার ১৯১ দশমিক ৬০ টাকা। দাম কমেছে ২ হাজার ৫০৭ দশমিক ৭৬ টাকা। একই ভাবে ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম পড়বে ৬১ হাজার ৯৩৫ দশমিক ৮৪ টাকা। আগে দাম ছিল ৬৪ হাজার ৪৪৩ দশমিক ৬০ টাকা। ভরিতে কমেছে ২ হাজার ৫০৭ দশমিক ৭৬ টাকা।

সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণ প্রতি ভরির দাম ধরা হয়েছে ৫১ হাজার ৬১৩ দশমিক ২০ টাকা। মঙ্গলবার পর্যন্ত দাম ছিল ৫৪ হাজার ১২০ দশমিক ৯৬ টাকা। প্রতি ভরির দাম রয়েছে দাম কমেছে ২ হাজার ৫০৭ দশমিক ৭৬ টাকা। অপরিবর্তিত রয়েছে রূপার দাম।

বাজুস নির্ধারিত নতুন মূল্য তালিকায় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম এক হাজার ৫১৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ হাজার ২২৫ টাকা ও সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরির দাম ৯৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশের বাজারে এতদিন সনাতন পদ্ধতিতে রূপার ভরি বিক্রি হতো ৯৩৩ টাকায়। নতুন করে রূপার ক্যারেট শ্রেণি বিন্যাস করে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে বাজুস।

স্বর্ণের দাম কমানোর বিষয়ে জুয়েলার্স সমিতি বলেছে, বৈশ্বিক স্থবিরতা, ডলার ও তেলের দরপতন, আন্তর্জাতিক স্বর্ণের বাজারে নজিরবিহীন উত্থান-পতন সত্ত্বেও দেশীয় বাজারের মন্দাভাব ও ভোক্তা সাধারণের কথা চিন্তা করে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও স্বর্ণের দাম আড়াই হাজার টাকা কমানো হলো।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে যুক্ত হচ্ছে ড্যাশ ৮-৪০০ ‘ধ্রুবতারা’
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : বাংলাদেশ ও কানাডা মধ্যে জিটুজি ভিত্তিতে কেনা ৩ উড়োজাহাজের প্রথমটি জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে আগামী মঙ্গলবার যুক্ত হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই উড়োজাহাজের নাম রেখেছেন ‘ধ্রুবতারা’। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে তিনটি ড্যাশ ৮-৪৪০ উড়োজাহাজ যুক্ত হলে অভ্যন্তরীণ ও স্বল্প দূরত্বের আন্তর্জাতিক রুটগুলোতে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়বে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রোববার জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কানাডার বিখ্যাত এয়ারক্রাফট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডি হ্যাভিল্যান্ড নির্মিত অত্যাধুনিক নতুন ড্যাশ ৮-৪০০ চুয়াত্তর সিট সম্বলিত উড়োজাহাজ। পরিবেশবান্ধব ও অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সমৃদ্ধ এ উড়োজাহাজে রয়েছে হেপা ফিল্টার প্রযুক্তি যা মাত্র ৪ মিনিটেই ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাসসহ অন্যান্য জীবাণু ধ্বংসের মাধ্যমে উড়োজাহাজের অভ্যন্তরের বাতাসকে সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ করে। যা যাত্রীগণের যাত্রাকে অধিক সতেজ ও নিরাপদ করে তোলে।

এছাড়াও এ উড়োজাহাজে বেশি লেগস্পেস, এলইডি লাইটিং এবং প্রশস্ত জানালা থাকায় ভ্রমণ হয়ে উঠবে অধিক আরামদায়ক ও আনন্দময়।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নতুন উড়োজাহাজটিসহ বহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা হবে ১৯টি। এরমধ্যে ১৪টি নিজস্ব এবং ৫টি লিজ নেয়া। নিজস্ব ১৪টির মধ্যে চারটি বোয়িং৭৭৭-৩০০ ইআর, চারটি বোয়িং ৭৮৭-৮, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯, দুটি বোয়িং ৭৩৭ এবং দুটি ড্যাশ-৮।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

ঢাকা-লন্ডন রুটে আবার ফ্লাইট চালু করতে চায় ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : ঢাকা-লন্ডন রুটে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতিমান এয়ারলাইনস ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ প্রায় ১১ বছর আগে লোকসানের মুখে পড়ে ফ্লাইট বন্ধ করেছিল। তবে আবারও এই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করতে উদ্যোগী হয়েছে সংস্থাটি। সে লক্ষ্যে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) কাছে ইতোমধ্যে আবেদনও করেছে। আবেদনটি বর্তমানে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে রয়েছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মহিবুল হক রবিবার গণমাধ্যমকে জানান, ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ ঢাকা-লন্ডন-ঢাকা রুটে ফ্লাইট চালানোর জন্য আবেদন করেছে। আগামী ২৯ নভেম্বর সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

দীর্ঘ ৩৪ বছর নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনার পর ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ লোকশানের কারণে ২০০৯ সালের ২৯ মার্চ ঢাকা-লন্ডন-ঢাকা রুটে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করে দেয়। ২০০৯ সালে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ বন্ধের পর এমিরেটস, কাতার এয়ারওয়েজ ও টার্কিস এয়ারলাইন্স বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করে। বাংলাদেশি যাত্রীদের তারা দুবাই, দোহা ও ইস্তাম্বুল হয়ে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গন্তব্যে পৌঁছে দেয়।

বর্তমানে একমাত্র বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ঢাকা-লন্ডন রুটে সরাসরি যাত্রী পরিবহন করে থাকে। ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের কার্যক্রম পুনরায় চালুর মাধ্যমে দেশের বিনিয়োগে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, একইসঙ্গে দেশের প্রধান বিমানবন্দরটির সুরক্ষা সম্পর্কে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার আশঙ্কা দূর হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

বাজারে আলুর দাম কমেনি, টিসিবির ট্রাকে ক্রেতাদের ভিড়
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : পাইকারি বাজারে আলুর দাম কমানো হলেও খুচরা বাজারে আগের মূল্যেই আলু বিক্রি হচ্ছে। টিসিবির ট্রাক থেকে ২৫ টাকা দরে আলু কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা।

ঢাকার আড়তগুলোতে সরকারের নির্ধারণ করা ৩০ টাকা দরে আলু পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু খুচরা বাজারে ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হলেও এখনো ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।

রাজধানীর কাওরানবাজারে আজ বৃহস্পতিবার সকালে পাইকারিতে ৩০ টাকা কেজিতে আলু বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে শান্তিনগর বাজার, মালিবাগ, মগবাজারসহ খুচরা বাজারে মানভেদে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে আলু বিক্রি করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।

রাজধানীর শান্তিনগর, প্রেস ক্লাবের সামনে, খামারবাড়ি মোড়সহ কয়েকটি পয়েন্টে ২৫ টাকা কেজিতে আলু বিক্রি করছে সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবি।

ক্রেতারা দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে আলু, পিয়াজসহ অন্যান্য পণ্যও কিনছেন। গতকাল আলু না পেয়ে অনেকে ফিরে যাওয়ায় আজ আলুর পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

আলুর দাম ৩৫ টাকা নির্ধারণ করল সরকার
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট:
খুচরা পর্যায়ে বাজারে আলুর প্রতিকেজি সর্বোচ্চ মূল্য ৩৫ টাকা নির্ধারণ হয়েছে। আগামীকাল বুধবার (২১ অক্টোবর) থেকে এই মূল্য কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে খামারবাড়িতে কৃষি বিপণন অধিদফতরে এক মতবিনিময় সভায় এ দাম নির্ধারণ করা হয়।

আজ কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় খামারবাড়িতে কৃষি বিপণন অধিদফতরে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে আলুর দাম পুনর্র্নিধারণ করা হয়।

এর আগে গত ৭ অক্টোবর প্রতি কেজি আলুর দাম কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে ২৩ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে ২৫ টাকা এবং ভোক্তা পর্যায়ে ৩০ টাকা বেঁধে দিয়েছিল কৃষি বিপণন অধিদফতর।

এই দাম নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের কাছে চিঠিও পাঠানো হয়। কিন্তু এ দামের বিষয়ে আপত্তি জানান ব্যবসায়ীরা।

প্রসঙ্গত, নানা অজুহাতে হঠাৎ করেই দ্বিগুণ বেড়েছে আলুর দাম। এ নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে খুচরা পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৩০ টাকা দাম নির্ধারণ করে দেয়া হলেও তা আমলে নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। পাইকারি ও খুচরা বাজারে বাড়তি ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটি।

আলুর দাম কমতে ২০-২৫ দিন লাগবে : কৃষিমন্ত্রী
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, আলুর দাম কমতে আরও ২০-২৫ দিন সময় লাগবে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা জানান কৃষিমন্ত্রী।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, আলুর দাম বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার নীরব ভূমিকায় নেই, তবে দাম নিয়ন্ত্রণের কাজটা খুব কঠিন।

খুচরা পর্যায়ে আলুর দাম ৩০ টাকা কেজি নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। হিমাগার পর্যায়ে প্রতি কেজি আলুর দাম বেঁধে দেওয়া হয়েছে ২৩ টাকা। গত কয়েকদিন ধরে আলুর বাজারে নৈরাজ্য দেখা দিয়েছে। রাজধানীর বাজারে আলু বিক্রি হয় মানভেদে ৫০ থেকে ৬০ টাকা।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তর বলছে, খুচরা পর্যায়ে দামের এই উল্লম্ফন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়ে নজরদারি জোরদার করার জন্যে জেলা প্রশাসক ও জেলা বাজার কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বছরে আলুর চাহিদা প্রায় ৭৭ লাখ টন। চলতি মৌসুমে উৎপাদন হয়েছে এক কোটি টন। বিপুল পরিমাণ আলু উদ্বৃত্ত থাকার পরও এবার দামে রেকর্ড তৈরি হয়।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

পাট পণ্যের রফতানি বাড়ছে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : পরিবেশের বিষয় বিবেচনায় বিশ্বে পাট পণ্যের চাহিদা নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে। ফলে সম্প্রতি সরকারি পাটকলগুলো বন্ধ করে দেয়া হলেও পাট ও পাটজাত দ্রব্য থেকে রফতানি আয় বেড়েই চলেছে। করোনা মহামারীর মধ্যে গত তিন মাসে পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি আয়ে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এই সময়ে পাট ও পাটজাত দ্রব্য রফতানি করে ৩০ কোটি ৭৫ লাখ ডলার আয় করেছে দেশ।

বর্তমানে দেশে পাট চাষীর সংখ্যা ৪০ লাখ। আর পাটকে কেন্দ্র করে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৪ কোটি মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে। প্রতিবছর মৌসুমে পাট থেকে কৃষক গড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা পায়। দেশের জিডিপিতে পাট খাতের অবদান দশমিক ২৬ শতাংশ ও কৃষি জিডিপিতে তা ১ দশমিক ৪ শতাংশ। দেশে সাড়ে সাত থেকে আট লাখ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়। যেখানে কম বেশি ৮২ লাখ বেল পাটের আঁশ উৎপন্ন হয়ে থাকে। গত বছর দেশে ৬৮ লাখ বেল পাট উৎপাদন হয়েছিল। ইপিবি, কৃষি বিভাগ এবং পাট খাত সংশ্লিষ্টদের সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে পাট ও পাটজাত দ্রব্য রফতানি করে দেশ ৩০ কোটি ৭৫ লাখ ডলার আয় করেছে। এই অংক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি। আর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১২ শতাংশের মতো বেশি এসেছে। গত অর্থবছরে ৮৮ কোটি ২৩ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি করে সঙ্কটে পড়া চামড়া খাতকে (৭৯ কোটি ৭৬ লাখ ডলার) পেছনে ফেলে তৈরি পোশাকের পরের স্থান দখল করে নিয়েছে পাট খাত। আর ২০১৮-১৯ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানি করে আয় হয়েছিল ১০২ কোটি ডলার। আর পাট ও পাটজাত দ্রব্য রফতানি করে ৮১ কোটি ৬২ লাখ ডলার আয় হয়েছিল। ওই হিসেবে এক বছরে চামড়ার রফতানি যতটা কমেছে, তার তুলনায় পাটের রফতানি বেড়েছে। তাছাড়া করোনাভাইরাসের কারণে গত অর্থবছরে তৈরি পোশাকসহ বড় সব খাতের রফতানি আয়ে ধস নামলেও পাট ও পাটজাত পণ্যের রফতানি আয়ে বরাবরই দেখা গেছে উল্টো চিত্র। চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানি করে আয় হয়েছে ২২ কোটি ৫১ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ের চেয়ে আয় কমেছে ১১ দশমিক ৪৯ শতাংশ। অন্যদিকে এই তিন মাসে পাট ও পাটজাত দ্রব্য রফতানি করে আয় হয়েছে ৩০ কোটি ৭৫ লাখ ডলার। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৯ দশমিক ২৬ শতাংশ।

সূত্র জানায়, সরকারি পাটকলগুলো বন্ধ হলেও পাট ও পাটজাত দ্রব্য থেকে রফতানি আয় বেড়েইে চলেছে। এই খাত থেকেই করোনা মহামারীর মধ্যে গত তিন মাসে রফতানি আয়ে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি হয়েছে। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য মতে, ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বিভিন্ন পণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ ৯৮৯ কোটি ৬৮ লাখ ডলার আয় করেছে। এর মধ্যে ৩০ কোটি ৭৫ লাখ হাজার ডলার এসেছে পাট ও পাট পণ্য রফতানি থেকে। এই তিন মাসে পাটসুতা (জুট ইয়ার্ন) রফতানি হয়েছে ২১ কোটি ৮ লাখ ২ হাজার ডলারের; প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫৩ শতাংশ। কাঁচাপাট রফতানি হয়েছে ৪ কোটি ১১ লাখ ৫ হাজার ডলার; আয় বেড়েছে ২৩ দশমিক ৬১ শতাংশ। পাটের তৈরি বস্তা, চট ও থলে রফতানি হয়েছে ৩ কোটি ৫১ লাখ ৯ হাজার ডলারের। আয় বেড়েছে ৩৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

পাট ও পাটসুতা দিয়ে হাতে তৈরি বিভিন্ন পণ্য রফতানি করে আয় হয়েছে ৩ কোটি ২৯ লাখ ২ হাজার ডলার; প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ। তাছাড়া পাটের তৈরি অন্যান্য পণ্য রফতানি হয়েছে ২ কোটি ৩ লাখ ৯ হাজার ডলার। গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ মোট ৮৮ কোটি ২৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার আয় করেছিল। ওই অঙ্ক ছিল আগের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের চেয়ে ৮ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেশি এসেছিল ৭ শতাংশ। গত অর্থবছরে পাটসুতা রফতানি থেকে ৫৬ কোটি ৪৬ লাখ ডলার আয় হয়েছিল। অর্থাৎ মোট রফতানি ৬৪ শতাংশই পাটসুতা রফতানি থেকে এসেছিল। কাঁচাপাট রফতানি থেকে আয় হয়েছিল ১৩ কোটি ডলার। পাটের তৈরি বস্তা, চট ও থলে রফতানি হয়েছিল ১০ কোটি ৬৫ লাখ ডলারের। তাছাড়া পাটের তৈরি বিভিন্ন ধরনের পণ্য ১৯ কোটি ডলারের রফতানি হয়েছিল।

সূত্র আরো জানায়, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি থেকে আয়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ১১৬ কোটি ৭০ লাখ (১.১৬ বিলিয়ন) ডলার। তবে মহামারী না থাকলে এই লক্ষ্য গত অর্থবছরেই অর্জিত হতো। অর্থবছরের শেষ তিন মাসে করোনাভাইরাসের ধাক্কা না লাগলে গত অর্থবছরে এ খাতের রফতানি ২৫ শতাংশের মতো বেড়ে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে মতো ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলার ছাড়িয়ে যেত। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে পাট ও পাটপণ্য রফতানি করে ১০২ কোটি (১.০২ বিলিয়ন) ডলার আয় করেছিল বাংলাদেশ। ওই একবারই এ খাতের রফতানি ১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিল। তিন মাসের যে উল্লম্ফন দেখা যাচ্ছে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছরে এই খাত থেকে রফতানি আয় ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকতে পারে। করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে অন্যান্য পণ্যের চাহিদা কমলেও পাটপণ্যের চাহিদা কমবে না। খাদ্যের জন্য ফসল ফলাতেই হবে, আর সেই ফসল মোড়কজাত বা বস্তাবন্দী করতে পাটের থলে লাগবেই।

এদিকে স্বাধীনতার পরের বছর ১৯৭২ সালে সোনালি আঁশে সমৃদ্ধ অর্থনীতির স্বপ্নে বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশন (বিজেএমসি) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। প্রতিষ্ঠাকালে বিজেএমসির আওতায় ৭৬টি পাটকল ছিল। কিন্তু ধারাবাহিক লোকসানের কারণে মিলসংখ্যা কমতে কমতে ২৫-এসে ঠেকে। গত জুলাই মাসে পাটকলগুলো বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। ওই পাটকলগুলোতে উৎপাদিত চট, বস্তা, থলে বিদেশে রফতানি হতো। বন্ধের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠার ৪৮ বছরের মধ্যে ৪৪ বছরই লোকসানে ছিল বিজেএমসি। বর্তমানে সংস্থাটির পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ১০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। যদিও বেসরকারি খাতের অনেক পাটকল ঠিকই মুনাফা করতে পারছে।

বন্ধ ঘোষণার কারণ হিসেবে সরকারের পক্ষে বলা হয়েছে, দেশের পাট শিল্পকে আবার কীভাবে প্রতিযোগিতায় আনা যায় এবং কীভাবে শক্তিশালী করা যায়, সে বিবেচনা থেকেই পাটকলগুলো বন্ধ করা হয়েছে। এর আগে বন্ধের বিষয়ে মত দিয়ে পাটকলগুলো দ্রুত চালুর বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। গত জুলাই মাসে বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশনের (বিজেএমসি) আওতাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত ২৫ পাটকলে উৎপাদন বন্ধ করে ২৪ হাজার ৮৮৬ স্থায়ী শ্রমিককে অবসরে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, দেশে বেশি পাট উৎপাদন হয় ফরিদপুর, যশোর, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, টাঙ্গাইল ও জামালপুর জেলায়। তবে সবচেয়ে বেশি পাটের চাষ হয় ফরিদপুর জেলায়, সেখানে এবার ৮৪ হাজার হেক্টর জমিতে পাটের চাষ হয়েছে। গত মৌসুমে হয়েছিল ৮০ হাজার হেক্টর জমিতে। পাটনির্ভর ওই জেলায় ১৯টি পাটকল আছে। যার সবই বেসরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তার মধ্যে সচল রয়েছে ১৩টি। দেশের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি খাতের পাটকল করিম জুট মিল এই ফরিদপুরেই অবস্থিত। ইতোমধ্যেই ৭০ শতাংশ পাট কৃষক ঘরে তুলেছে। যাদের টাকার খুব প্রয়োজন তারা বিক্রি করে দিচ্ছে। আবার বেশি দামের আশায় অনেকে মজুদ করে রাখছে। ফরিদপুরের বিভিন্ন হাটে এবার প্রতিমণ ভাল মানের পাট আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

বেসরকারি খাতের পাটকলগুলোতেই দেশে উৎপাদিত পাটের ৫০-৫৫ লাখ বেল ব্যবহার হয়। স্থানীয় বাজার থেকে ফড়িয়া এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে সারা বছরের পাট সংগ্রহ করে বেসরকারি খাতের মিলগুলো। তবে সরকারি পাটকলের মতো বড় গুদাম না থাকায় মৌসুমে তাদের পক্ষেপ্রয়োজনীয় পাট কেনা সম্ভব হয় না। সরকার চাইলে রফতানি করতে পারে। গত কয়েক বছরে পাট রফতানি বাড়েনি। বিগত ২০১২-১৩ অর্থবছর পর্যন্ত প্রতিবছর গড়ে ২০ লাখ বেল কাঁচাপাট রফতানি হতো। এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৮-৯ লাখ বেলে। গত ২০১৮-১৯ অর্থবছর রফতানি হয় ৮ লাখ বেল। সদ্যসমাপ্ত ২০১৯-২০ অর্থবছরে আরো কমে তা ৬ লাখ ১৪ হাজার বেলে দাঁড়িয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বিজেএমসির চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ জানান, প্রধানমন্ত্রী বন্ধ হওয়া পাটকল দ্রুত চালুর বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। ওই লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ঢাকার করিম জুট মিলসের ১ হাজার ৭৫৯ শ্রমিকের পাওনা বুঝিয়ে দেয়ার মধ্য দিয়ে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

একই প্রসঙ্গে বেসরকারী পাটকল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স এ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান জাহিদ মিয়া জানান, এখন শুধু বস্তা, চট ও থলে নয়, পাটসুতাসহ পাটের তৈরি নানা ধরনের পণ্য বাংলাদেশ থেকে রফতানি হচ্ছে। কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে পরিবেশের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসায় বিশ্বে পাট পণ্যের চাহিদা নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে। এই সুযোগটি যদি নেয়া যায় তাহলে এ খাতের রফতানি অনেক বাড়বে; এই মহামারীর বছরেই পাটের হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে।

স্বাধীন বাংলা/এআর

পেঁয়াজের দাম কমে আসবে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে পেঁয়াজের আমদানি ও সরবরাহ বেড়েছে। তাই মূল্যও কমে আসবে। গত মাসে আরো একবার পেঁয়াজের দাম কমবে বলে একই ধরনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। কিন্তু বাজারে তার কোনো প্রভাব পড়েনি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জনসংযোগ কর্মকর্তা আবদুল লতিফ বকশি গতকাল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আমদানি করা পেঁয়াজ দেশে পৌঁছাতে শুরু করেছে। দেশীয় পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। কৃষকরা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রয় বৃদ্ধি করেছেন। ফলে পেঁয়াজের আমদানি ও সরবরাহ বেড়েছে। দেশে পেঁয়াজের কোনো ঘাটতি নেই। আমদানিকৃত পেঁয়াজ পুরোপুরি বাজারে এলে মূল্য আরো কমে আসবে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের চাহিদা মোতাবেক বাজারে পেঁয়াজের মজুদ, সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রাখতে গত বছরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরসহ দেশব্যাপী স্থানীয় প্রশাসনের নেতৃত্বে বাজার অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

এখনও পেঁয়াজের বাজার অস্থির অবস্থায় রয়েছে। আর এর কারণ গত মাসের শুরুর দিকে কোনোরূপ ঘোষণা ছাড়াই পেঁয়াজ রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ভারত। ফলে এক লাফে পণ্যটির দাম ৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ৮০ টাকা ছাড়িয়ে যায়।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

ব্যাংকঋণের কিস্তি ডিসেম্বর পর্যন্ত শোধ না করলেও খেলাপি না করার নির্দেশ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে ব্যাংকের ঋণগ্রহীতাদের জন্য বিশেষ সুবিধার সময়কাল আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে।

কোনো ঋণগ্রহীতা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঋণ শোধ না করলেও খেলাপির তালিকায় দেখানো যাবে না। আগে এ‌ই সু‌বিধাকাল ছিল ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে গতকাল সোমবার এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

নতুন এই নির্দেশনা অনুযায়ী চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের কোনো কিস্তি পরিশোধ না করলেও গ্রহীতা খেলাপি হিসেবে বিবেচিত হবেন না। এ সময়ের মধ্যে ঋণ/বিনিয়োগের ওপর কোনোরকম দণ্ড, সুদ বা অতিরিক্ত ফি (যে নামেই অভিহিত করা হোক না কেন) আরোপ করা যাবে না।

বাংলাদেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো ওই সার্কুলারে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব বিবেচনায় ঋণ শ্রেণিকরণের বিষয়ে এ বিশেষ ছাড় দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কোভিড-১৯ এর কারণে অর্থনীতির অধিকাংশ খাতই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা থাকায় অনেক শিল্প, সেবা ও ব্যবসা খাত তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছে না।

এই পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং ঋণগ্রহীতার ব্যবসায় কোভিড-১৯ এর নেতিবাচক প্রভাব সহনীয় মাত্রায় রাখার লক্ষ্যে ঋণ পরিশোধসূচি নির্ধারণ ও শ্রেণিকরণের নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন নির্দেশনায় আরো বলা হয়, ১ জানুয়ারি ঋণ/বিনিয়োগের শ্রেণিমান যা ছিল, আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে উক্ত ঋণ/বিনিয়োগ তদাপেক্ষা বিরূপমানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না। তবে কোনো ঋণ/বিনিয়োগের শ্রেণিমানের উন্নতি হলে তা যথাযথ নিয়মে শ্রেণিকরণ করা যাবে।

কোনো গ্রাহক স্বেচ্ছায় মেয়াদি ঋণ (স্বল্পমেয়াদি কৃষি ঋণ ও ক্ষুদ্রঋণসহ) কিস্তি পরিশোধ এবং চলতি ও তলবি ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ব্যাংক কর্তৃক যৌক্তিক রিবেট সুবিধা প্রদান করা যাবে। কিস্তি পরিশোধের জন্য বর্ধিত সময়ের সুবিধাপ্রাপ্ত ঋণের ওপর আরোপিত সুদ আয় খাতে স্থানান্তরকরণ এবং ঋণের বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণের বিষয়ে পরে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হবে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন-১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

সুনামগঞ্জের শুল্কবন্দরগুলো বন্ধ : সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো চরম সংকটে
                                  

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে গত মার্চ মাস থেকে সুনামগঞ্জের তিনটি শুল্কবন্দর বন্ধ থাকায় সরকারের কমপক্ষে ১৫ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে। প্রায় ৮০০ আমদানীকারক এবং ৫০ হাজার শ্রমিক আর্থিক বিপর্যয়ে পড়েছেন।

ভারতের মেঘালয় থেকে তাহিরপুর সীমান্তের বড়ছড়া, চারাগাঁও ও বাগলী শুল্ক স্টেশন দিয়ে কয়লা ও পাথর আমদানি করা হয়। এই শুল্কস্টেশনগুলোতে নানা রকম কাজে যুক্ত থাকেন ৫০ হাজারেরও বেশি শ্রমিক। শুল্কস্টেশন দিয়ে আমদানী বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন তারা। শ্রমিকরা জানান, শুল্ক বন্দর চালু না হলে না খেয়ে মরতে হবে তাদের।

তাহিরপুরের কয়লা আমদানিকারক সূত্র জানায়, ভারতের ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল মার্চের প্রথম সপ্তাহে মেঘালয়ের ২ লাখ টন উত্তোলিত কয়লা মৌখিক চালানের ভিত্তিতে রপ্তানি করার আদেশ দিয়েছিলেন। মেঘালয়ে ৩২ লাখ টন উত্তোলিত কয়লাও রয়েছে। এরমধ্যে ২ লাখ টন কয়লা রপ্তানি করার সুযোগ পেয়েছিলেন রপ্তানী কারকরা। পরবর্তীতে করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকায় এই কয়লা আমদানি হয়নি এবং পাথরও আসছে না।

বড়ছড়া-চারাগাঁও শুল্কস্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানিয়েছেন, তাহিরপুরের ৩ শুল্কবন্দর চালু থাকলে মাসে দেড় কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব আদায় হয়ে থাকে। সেই হিসাবে গত ৭ মাস বন্দর বন্ধ থাকায় ১৫ কোটি টাকার মতো রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে সরকারের।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

প্রণোদনার অর্থ যারা ঋণ নিতে পেরেছেন তারা সবাই কি ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পপতি?
                                  

ড. নাজনীন আহমেদ : কিছু ভাবনা আসছে মনে। করোনার লকডাউন এর অর্থনৈতিক স্থবিরতায় ব্যবসা-বাণিজ্য যে সমস্যায় পড়েছিল তার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকার ১ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি প্রণোদনা দেয়। বড় শিল্পের জন্য বরাদ্দকৃত ৩০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা একটা বড় অংশ ইতোমধ্যে বরাদ্দ দেয়া হয়ে গেছে বলে শুনেছি। তবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য বরাদ্দকৃত ২০ হাজার কোটি টাকার বেশিরভাগই এখনো ঋণ দেয়া হয়নি। এছাড়া, বিশেষায়িত ব্যাংক বা এনজিওর মাধ্যমে দেয়া প্রণোদনাগুলো দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আমি ভাবছি অন্য কথা। প্রণোদনার অর্থ যারা ঋণ নিতে পেরেছেন তারা সবাই কি ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পপতি? ব্যাংকগুলোকে স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে সুবিধাভোগী বেছে নিতে । সেক্ষেত্রে যাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে ব্যবসায়, তাদেরকে ব্যাংক ভালো ক্লায়েন্ট না মনে করারই কথা। বরং যাদের ক্ষতি কম হয়েছে তাদেরকে ভালো ঋণ আবেদনকারী বলে মনে করার কথা ব্যাংকের ।
তাছাড়া ব্যাংকের মালিকানা ও পরিচালনায় আছেন অনেক শিল্পপতি। সব মিলিয়ে যদি এমন হয় যে কম ক্ষতিগ্রস্তরা ঋণ পেল, আর বেশি ক্ষতিগ্রস্তরা ঋণ পেল না অথবা কম পেল, তাহলে তো প্রণোদনার প্রকৃত উদ্দেশ্য সফল হবে না । আবার সব ধরনের ব্যবসায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসেনি। সেই ধরনের পণ্যের ব্যবসায়ীরাও ঋণ পেলে তারা সেই ঋণ কি ব্যবহার করবেন? নাকি ফেলে রাখবেন ডিপোজিট হিসেবে কোন ব্যাংকে? এই বিষয়গুলো পর্যালোচনা হওয়া দরকার । এই সময়ে ৩০০০ নতুন কোটিপতি আমানতকারী অর্থনীতিতে যুক্ত হয়েছে বলে শুনছি। কোটিপতি হওয়া খারাপ কিছু নয়। কিন্তু এই নতুন কোটিপতি হওয়া প্রমাণ করে যে করোনার কারণে সকলের অবস্থা খারাপ হয়নি। তাহলে এই কোটিপতিরাও কী প্রণোদনার ঋণ নিচ্ছেন?

প্রশ্নগুলো ভাবাচ্ছে। খুব ভালো উত্তর পাচ্ছি না । অর্থনীতিকে প্রবৃদ্ধির স্বাভাবিক পথে আবার আনার জন্য এই বিষয়গুলো পর্যালোচনা হওয়া দরকার । প্রকৃতই যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের কাছে প্রণোদনার অর্থ যেন পৌঁছায় সেই বিষয়ে নজর দেয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

লেখক : ড. নাজনীন আহমেদ, অর্থনীতিবিদ ও গবেষক, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিআইডিএস)। [লেখাটি ফেসবুক থেকে সংগৃহীত]

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে এলো আরও ১০৮ টন পেঁয়াজ
                                  

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : ১০৮ মেট্রিক টন ভারতীয় পেয়াঁজ নিয়ে রোববার সন্ধ্যায় আরও পাঁচটি ট্রাক সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে প্রবেশ করেছে। এ নিয়ে দুই দিনে এই বন্দর দিয়ে মোট ৮২৯ মেট্রিক টন ভারতীয় পেঁয়াজ এলো। এর আগে পাঁচদিন বন্ধ থাকার পর শনিবার ৩১টি ট্রাকে করে ৭২১ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আসে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার যে সমস্ত পেঁয়াজের কাগজপত্র ছাড় করা ছিল সেই পেঁয়াজগুলো শনিবার ও রোববার প্রবেশ করেছে বলে জানান, ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম।

তিনি জানান, গত দুই দিনে ৩৬ ট্রাক পেঁয়াজ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। আরো ১০ ট্রাক পেঁয়াজ ছাড় করানো আছে। সোমবার থেকে পর্যায়ক্রমে বাকি ১০ ট্রাক পেঁয়াজ প্রবেশ করবে।

মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম বলেন, ভারতীয় সীমান্তে অপেক্ষমাণ বাকি পেঁয়াজ রপ্তানির জন্য প্রস্তুতি থাকলেও তা প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে না সেদেশের সরকার। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে পেঁয়াজবোঝাই ট্রাকগুলো ভারত সীমান্তে আটকে থাকায় সেগুলোর বেশিরভাগই নষ্ট হয়ে গেছে। এর ফলে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

মিয়ানমার থেকে ২ দিনে পেঁয়াজ এলো ৪৫ মেট্রিকটন
                                  

কক্সবাজার প্রতিনিধি : মিয়ানমার থেকে গতকাল শুক্রবার ও আজ শনিবার ৪৫ টন পেয়াজ কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে এসে পৌঁছেছে। প্রায় আড়াই মাস বন্ধ থাকার পর মিয়ানমার থেকে এই পেয়াজ আসার খবর নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ স্থলবন্দরের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন।

তিনি আরো জানান, জুনের শেষের দিকে মংডু-আকিয়াব বন্দরে করোনারোগী শনাক্ত হয়। তখন মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি বন্ধ করা হয়। এ অবস্থায় প্রায় আড়াই মাস পর শুক্রবার দুটি জাহাজে করে প্রায় ৩০ টন পেয়াজ আসে। শনিবার আরেকটি জাহাজ বন্দরে ভিড়েছে। এ জাহাজেও আনুমানিক ১৫ টন পেয়াজ রয়েছে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ


   Page 1 of 39
     অর্থ-বাণিজ্য
সপ্তাহের ব্যবধানে চাল-তেল-চিনির দাম বেড়েছে
.............................................................................................
অগ্রণী ব্যাংকে ভ্যাট অনলাইন পদ্ধতির উদ্বোধন
.............................................................................................
ধর্ষণের ভিডিও ধারণ, প্রকাশের ভয় দেখিয়ে বার বার ধর্ষণ
.............................................................................................
স্বর্ণের দাম কমলো, আজ থেকে কার্যকর
.............................................................................................
বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে যুক্ত হচ্ছে ড্যাশ ৮-৪০০ ‘ধ্রুবতারা’
.............................................................................................
ঢাকা-লন্ডন রুটে আবার ফ্লাইট চালু করতে চায় ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ
.............................................................................................
বাজারে আলুর দাম কমেনি, টিসিবির ট্রাকে ক্রেতাদের ভিড়
.............................................................................................
আলুর দাম ৩৫ টাকা নির্ধারণ করল সরকার
.............................................................................................
আলুর দাম কমতে ২০-২৫ দিন লাগবে : কৃষিমন্ত্রী
.............................................................................................
পাট পণ্যের রফতানি বাড়ছে
.............................................................................................
পেঁয়াজের দাম কমে আসবে
.............................................................................................
ব্যাংকঋণের কিস্তি ডিসেম্বর পর্যন্ত শোধ না করলেও খেলাপি না করার নির্দেশ
.............................................................................................
সুনামগঞ্জের শুল্কবন্দরগুলো বন্ধ : সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো চরম সংকটে
.............................................................................................
প্রণোদনার অর্থ যারা ঋণ নিতে পেরেছেন তারা সবাই কি ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পপতি?
.............................................................................................
ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে এলো আরও ১০৮ টন পেঁয়াজ
.............................................................................................
মিয়ানমার থেকে ২ দিনে পেঁয়াজ এলো ৪৫ মেট্রিকটন
.............................................................................................
সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু
.............................................................................................
সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদফতরে নিয়োগ
.............................................................................................
স্বর্ণের দাম ফের বাড়ল
.............................................................................................
পেঁয়াজবোঝাই দেড় শতাধিক ট্রাক ভোমরা দিয়ে প্রবেশের অপেক্ষায়
.............................................................................................
বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় পেঁয়াজবোঝাই ৪০০ ট্রাক
.............................................................................................
ঘুরে দাঁড়াচ্ছে অর্থনীতি, প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৮ শতাংশ : এডিবি
.............................................................................................
অস্থির পেঁয়াজের বাজার, হাঁকালো সেঞ্চুরি
.............................................................................................
কাল থেকে ৩০ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ বিক্রি করবে টিসিবি
.............................................................................................
স্বর্ণের দাম বাড়ল ভরিতে ১৭৫০ টাকা
.............................................................................................
বেড়েছে পেঁয়াজের দাম, হিলিতে প্রতি কেজি ৩২ টাকা
.............................................................................................
বিএসএমএমইউ -এ সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ
.............................................................................................
মাগুরায় আল আমিন এনজিওর প্রতারণা, ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা
.............................................................................................
মনিটরিং কমিটির তদারকিতে ১৩১ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ : বিসিক
.............................................................................................
সিলেট গ্যাস ফিল্ডস এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
.............................................................................................
মতলব উত্তরে ইউসিবি এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ১৬৩তম শাখা উদ্বোধন
.............................................................................................
আকিজ গ্রুপে নিয়োগ, কর্মক্ষেত্র ঢাকা
.............................................................................................
বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ এ নিয়োগ
.............................................................................................
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ
.............................................................................................
বাংলাদেশে করোনায় চাকরি হারা প্রায় ১৮ লাখ তরুণ
.............................................................................................
পি কে হালদারসহ ৮৩ জনের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ
.............................................................................................
স্বর্ণ দাম কমেছে ভরিতে ৩৫০০ টাকা
.............................................................................................
৩টি হাউজিং কোম্পানি রিহ্যাব থেকে বহিষ্কার
.............................................................................................
দেশে মাথাপিছু আয় ২০৬৪ ডলার
.............................................................................................
শেয়ারবাজারে প্রথম ঘণ্টায় লেনদেন ৩৫০ কোটি টাকা
.............................................................................................
৩ সেক্টরে বিদেশি শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া
.............................................................................................
দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণের মাস জুলাই
.............................................................................................
বাংলাদেশকে ১৭১৭ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন বিশ্ব ব্যাংকের
.............................................................................................
চরম অর্থ সংকটে ব্যয় সংকোচন নীতি গ্রহণ করেছে সরকার
.............................................................................................
চামড়া সংরক্ষণে লবণের ঘাটতি নেই: বিসিক
.............................................................................................
বিসিকের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর
.............................................................................................
আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ট্রানজিটের প্রথম চালান গেল ত্রিপুরায়
.............................................................................................
পরিসংখ্যান ব্যুরোতে নিয়োগ
.............................................................................................
স্বাস্থ্যবিধি মেনে দ্রুত গতিতে চলছে রুপপুর পারমাণবিকের নির্মাণ কাজ
.............................................................................................
দিনাজপুরে করোনায় পশু বিক্রি নিয়ে শঙ্কায় খামারিরা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT