শনিবার, ২২ জানুয়ারী 2022 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লায়েন্স ম্যানেজমেন্ট’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবে বিসিক

ডেস্ক রিপোর্ট :
দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সম্ভাবনাময় ও বিদ্যমান শিল্প মালিকগণ, শিল্প কারখানায় নিয়োজিত কর্মকর্তা, ব্যবস্থাপকগণ, আগ্রহী উদ্যোক্তাগণ, কমপ্লায়েন্স অফিসার, ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীগণ প্রশিক্ষনার্থীদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লায়েন্স ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থা বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউট এক সপ্তাহব্যাপী আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মডিউল অনুযায়ী ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লায়েন্স ম্যানেজমেন্ট’ প্রশিক্ষণ  কোর্সটি আয়োজন করেছে।

প্রশিক্ষণ কোর্সটি আগামী ৩০ জানুয়ারি  থেকে ৩ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত চলবে। বিসিক প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট হতে  ১৯৮৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৫০ হাজারের অধিক সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লায়েন্স ম্যানেজমেন্ট প্রশিক্ষণ কোর্সটিতে সশরীরে  উপস্থিত থেকে এবং ভার্চুয়ালি (অনলাইনে) অংশগ্রহণ করা যাবে। সশরীরে  উপস্থিত থেকে অংশ নিতে ইচ্ছুক উদ্যোক্তাদের জন্য কোর্স ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার পাঁচশত টাকা এবং অনলাইনে অংশগ্রহণকারীদের জন্য এক হাজার টাকা।

প্রশিক্ষণ কোর্সটিতে শিল্পের পরিচালনা সংক্রান্ত কর্মকান্ড,ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লায়েন্স (পরিচিতি, গুরুত্ব, উপাদান, কার্যাবলী) ফায়ার সেইফটি, বিল্ডিং সেইফটি, কেমিক্যাল ম্যানেজমেন্ট, ই-ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট, বায়ার্স কোড অফ কন্ডাক্ট, কমপ্লায়েন্স অডিট, সংশোধনী উদ্যোগ, শিল্প ব্যবস্থাপনায় আইএলও কনভেনশন সমুহ, শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী শিল্পে কর্মী শৃঙ্খলা বিধান, উৎপাদন ও মজুতমাল ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল স্টোর ম্যানেজমেন্ট, পণ্যমান নিয়ন্ত্রন, পণ্য উন্নয়ন ও ডিজাইন, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, শিল্প নিরাপত্তা, আইএসও ৯০০১:২০১৫,  কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (কিউএমএস),  উৎপাদনশীলতা উন্নয়নের কৌশল (ঔধঢ়ধহরং কঅওতঊঘ, ৫ঝ এর আলোকে), শিল্পে কারিগরি ও স্বাস্থ্যসম্মত নিরাপত্তামূলক শর্তাবলী, শিল্পে পরিবেশ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি- ওঝঙ ১৪০০১, ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লায়েন্স এ সার্টিফিকেশন এবং ডকুমেন্টেশনের গুরুত্ব ও নিয়মাবলি  সম্পর্কে বাস্তব ধারনা প্রদান করা হবে।

আগ্রহী উদ্যোক্তাদেরকে আগামী ৩০ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে আবেদনসহ রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।  প্রকৌশলী স্বর্ণা আইচ মিমি (সহযোগী অনুষদ সদস্য ০১৮৪৩-৮৬০৭৫০) এবং  মোঃ কামরুল আহসান (সহকারী অনুষদ সদস্য, ০১৮৪৭-৩০৬৫৬০ ), মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক (সহকারী অনুষদ সদস্য, ০১৭৭৩-৭৫৯৮২৪) এর মাধ্যমে কোর্স ফি জমা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা যাবে।

প্রশিক্ষণ কোর্সটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে প্রকৌশলী মোঃ শফিকুল আলম, অধ্যক্ষ, স্কিটি, ফোন : ৮৯৩৩৬৬১ (অফিস) বরাবর যোগাযোগ করা যেতে পারে। সফলভাবে কোর্স সমাপ্তির পর সম্ভাবনাময় যোগ্য উদ্যোক্তাদেরকে বিসিকের নিজস্ব তহবিল এবং কর্মসংস্থান ব্যাংক থেকে ঋণ প্রদানে সহায়তা করা হবে। সেই সাথে শিল্প নিবন্ধন প্রদান করা হবে।

‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লায়েন্স ম্যানেজমেন্ট’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবে বিসিক
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :
দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সম্ভাবনাময় ও বিদ্যমান শিল্প মালিকগণ, শিল্প কারখানায় নিয়োজিত কর্মকর্তা, ব্যবস্থাপকগণ, আগ্রহী উদ্যোক্তাগণ, কমপ্লায়েন্স অফিসার, ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীগণ প্রশিক্ষনার্থীদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লায়েন্স ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থা বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউট এক সপ্তাহব্যাপী আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মডিউল অনুযায়ী ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লায়েন্স ম্যানেজমেন্ট’ প্রশিক্ষণ  কোর্সটি আয়োজন করেছে।

প্রশিক্ষণ কোর্সটি আগামী ৩০ জানুয়ারি  থেকে ৩ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত চলবে। বিসিক প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট হতে  ১৯৮৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৫০ হাজারের অধিক সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লায়েন্স ম্যানেজমেন্ট প্রশিক্ষণ কোর্সটিতে সশরীরে  উপস্থিত থেকে এবং ভার্চুয়ালি (অনলাইনে) অংশগ্রহণ করা যাবে। সশরীরে  উপস্থিত থেকে অংশ নিতে ইচ্ছুক উদ্যোক্তাদের জন্য কোর্স ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার পাঁচশত টাকা এবং অনলাইনে অংশগ্রহণকারীদের জন্য এক হাজার টাকা।

প্রশিক্ষণ কোর্সটিতে শিল্পের পরিচালনা সংক্রান্ত কর্মকান্ড,ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লায়েন্স (পরিচিতি, গুরুত্ব, উপাদান, কার্যাবলী) ফায়ার সেইফটি, বিল্ডিং সেইফটি, কেমিক্যাল ম্যানেজমেন্ট, ই-ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট, বায়ার্স কোড অফ কন্ডাক্ট, কমপ্লায়েন্স অডিট, সংশোধনী উদ্যোগ, শিল্প ব্যবস্থাপনায় আইএলও কনভেনশন সমুহ, শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী শিল্পে কর্মী শৃঙ্খলা বিধান, উৎপাদন ও মজুতমাল ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল স্টোর ম্যানেজমেন্ট, পণ্যমান নিয়ন্ত্রন, পণ্য উন্নয়ন ও ডিজাইন, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, শিল্প নিরাপত্তা, আইএসও ৯০০১:২০১৫,  কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (কিউএমএস),  উৎপাদনশীলতা উন্নয়নের কৌশল (ঔধঢ়ধহরং কঅওতঊঘ, ৫ঝ এর আলোকে), শিল্পে কারিগরি ও স্বাস্থ্যসম্মত নিরাপত্তামূলক শর্তাবলী, শিল্পে পরিবেশ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি- ওঝঙ ১৪০০১, ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লায়েন্স এ সার্টিফিকেশন এবং ডকুমেন্টেশনের গুরুত্ব ও নিয়মাবলি  সম্পর্কে বাস্তব ধারনা প্রদান করা হবে।

আগ্রহী উদ্যোক্তাদেরকে আগামী ৩০ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে আবেদনসহ রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।  প্রকৌশলী স্বর্ণা আইচ মিমি (সহযোগী অনুষদ সদস্য ০১৮৪৩-৮৬০৭৫০) এবং  মোঃ কামরুল আহসান (সহকারী অনুষদ সদস্য, ০১৮৪৭-৩০৬৫৬০ ), মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক (সহকারী অনুষদ সদস্য, ০১৭৭৩-৭৫৯৮২৪) এর মাধ্যমে কোর্স ফি জমা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা যাবে।

প্রশিক্ষণ কোর্সটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে প্রকৌশলী মোঃ শফিকুল আলম, অধ্যক্ষ, স্কিটি, ফোন : ৮৯৩৩৬৬১ (অফিস) বরাবর যোগাযোগ করা যেতে পারে। সফলভাবে কোর্স সমাপ্তির পর সম্ভাবনাময় যোগ্য উদ্যোক্তাদেরকে বিসিকের নিজস্ব তহবিল এবং কর্মসংস্থান ব্যাংক থেকে ঋণ প্রদানে সহায়তা করা হবে। সেই সাথে শিল্প নিবন্ধন প্রদান করা হবে।

উদ্যোক্তা উন্নয়নে এক সপ্তাহের প্রশিক্ষণ দেবে বিসিক
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক :

শিল্প প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসা গড়ে তুলতে আগ্রহী উদ্যোক্তাদের জন্য এক সপ্তাহব্যাপী ‘উদ্যোক্তা উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন এর আওতাধীন বিসিক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (স্কিটি)।

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মডিউল অনুযায়ী এ প্রশিক্ষণ কোর্সটি প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রশিক্ষণ কোর্সটি আগামী ২৩ জানুয়ারি থেকে শুরু  হয়ে ২৭ জানুয়ারি ২০২২ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত চলবে। প্রশিক্ষণ কোর্সটিতে সশরীরে উপস্থিত থেকে এবং ভার্চ্যুয়ালি (অনলাইনে) অংশগ্রহণ করা যাবে বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সশরীরে উপস্থিত থেকে অংশ নিতে ইচ্ছুক উদ্যোক্তাদের জন্য কোর্স ফি নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার পাঁচশত  টাকা এবং অনলাইনে অংশগ্রহণকারীদরে জন্য এক হাজার টাকা। আগ্রহী উদ্যোক্তাদেরকে আগামী ২৩ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে আবেদনসহ রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

বিকাশ নম্বর: ০১৭১০-০১৩১৬১ (জোনায়েত হোসেন) এবং০১৬৮৬-৩৯৫৪৫৯ (জুবায়ের ইসলাম) এর মাধ্যমে কোর্স ফি জমা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা যাবে।

প্রশিক্ষণ কোর্সটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে মুনিরা মান্নান, সহকারী অনুষদ সদস্য, শিল্পোদ্যোক্তা উন্নয়ন অনুষদ, স্কিটি, বিসিক, প্লট-২৪/এ, রোড-১৩/এ, সেক্টর-৬, উত্তরা, ঢাকা বরাবর যোগাযোগ করা যেতে পারে।

আরও বিস্তারিত জানতে প্রকৌশলী মো. শফিকুল আলম, অধ্যক্ষ, স্কিটি, ফোন: ৮৯৩৩৬৬১, ৪৮৯৬১৯৪৮ (অফিস) বরাবর যোগাযোগ করা যেতে পারে।

দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ করদাতা সিলেটের জামিল ইকবাল
                                  

স্টাফ রিপোর্টার :
২০২০-২১ কর বছরের  ফার্ম ক্যাটাগরিতে সারা দেশের মধ্যে  দ্বিতীয় স্থান ও সিলেট কর অঞ্চল এর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন সিলেটের স্বনামধন্য ঠিকাদারী ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান মেসার্স মোহাম্মদ জামিল ইকবাল কোম্পানি।

আজ বুধবার ২৪ নভেম্বর রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আয়োজিত ২০২০-২০২১ কর বছরের জাতীয় ট্যাক্স কার্ড ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে মেসার্স জামিল ইকবাল কোম্পানির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জামিল ইকবালের হাতে ট্যাক্স কার্ড ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপি।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সিনিয়র সচিব (অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ) আবু হেনা মোঃ রহমাতুল মুমিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মোহাম্মদ জামিল ইকবাল জানান, ব্যবসা শুরুর পরের বছর থেকেই আমি আয়করদাতা হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করি। ব্যবসায় যত এগিয়েছে কর দেওয়া ততোই বাড়িয়েছি। বিগত বছরগুলোতে আমি সাতবার সিলেট অঞ্চলের সেরা করদাতা হিসেবে সম্মাননা পেয়েছি। এবার জাতীয় পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করায় দেশের একজন সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। আমরা সবাই যদি সঠিকভাবে কর প্রদান করি তাহলে আমাদের দেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে বিশ্বে অবস্থান আরো মজবুত করবে।

সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার আখাখাজনা (বড় বাড়ি) মরহুম আশহাক আহমেদ ও হবিবুন নেছা চৌধুরীর পুত্র মোহাম্মদ জামিল ইকবাল ও মোহাম্মদ জাহিদ ইকবাল দীর্ঘদিন থেকে সুনামের সহিত ঠিকাদারি ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। বর্তমানে মেসার্স জামিল ইকবাল কোম্পানিতে প্রায় ছয় হাজার কর্মী কাজ করছেন। ঠিকাদারি ব্যবসার পাশাপাশি মোহাম্মদ জামিল ইকবাল এনআরবি ব্যাংক লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান, কনস্ট্রাকশন মেশিনারিজের আমদানিকারক, মধ্যপ্রাচ্যের দুবাইয়ের বিখ্যাত আলআনুদ পারফিউমের পার্টনার সহ আরো অনেক প্রতিষ্ঠিত ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছেন। মোহাম্মদ জামিল ইকবাল বিগত সাত বছর ধরে  সিলেট অঞ্চলের সেরা করদাতা হিসেবে সম্মানিত হয়েছেন।

হিলিতে কমেছে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের দাম
                                  

হিলি প্রতিনিধি :
দিনাজপুরের হিলিতে পাইকারী বাজারে কমেছে ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ এবং কাঁচা মরিচের দাম। তিন দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজ কেজি প্রতি প্রকারভেদে ৫ থেকে ৬ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা এবং কাঁচা মরিচ কেজি প্রতি ১০টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। আমদানি বেশি হওয়াতে কমেছে দাম বলছেন ব্যবসায়ীরা। দাম কমাতে খুশি সাধারণ ক্রেতারা। সোমবার (১৫ নভেম্বর) হিলি বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া যায়।

পেঁয়াজ এবং কাঁচা মরিচ কিনতে আসা ক্রেতারা জানান, তিন দিন পূর্বে পেঁয়াজ এবং কাঁচা মরিচের দাম অনেকটাই বেশি ছিলো। এখন কিছুটা দাম কমেছে। তবে কাঁচা মরিচ ৩০ টাকার নিচে এবং পেঁয়াজ ২০ টাকার মধ্যে থাকলে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য সুবিধা হতো। সেই সাথে বাজার মনিটরিং এর দাবিও জানান তারা।

পেঁয়াজ বিক্রেতা ফিরোজ হোসেন জানান, গত সপ্তাহে পেঁয়াজের আমদানি কম হওয়াতে দাম বৃদ্ধি ছিলো। বর্তমানে চলতি সপ্তাহে আমদানি বৃদ্ধি পাওয়াতে কমতে শুরু করেছে দাম। সোমবার (১৫ নভেম্বর) হিলি পাইকারী বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ কেজি প্রতি ৩৫ থেকে ৩৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আমদানি বেশি হলে আরো দাম কমতে পারে বলেও জানান বিক্রেতারা।

এদিকে কাঁচা মরিচ বিক্রেতা বিপ্লব জানান, দেশীয় বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ বৃদ্ধি এবং ভারত থেকে আমদাদি অব্যাহত থাকায় কমতে শুরু করেছে দাম। গত তিন দিনের ব্যবধানে ১০ টাকা কমে কেজি প্রতি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। দাম কমাতে ক্রেতার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

হিলি কাস্টমসের তথ্য মতে, চলতি সপ্তাহের দুই কর্ম দিবসে ভারতীয় ৩১ ট্রাকে ৮৩২ মেট্রিটন পেঁয়াজ এবং ৪ ট্রাকে ৪২ মেট্রিকটন কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছে এই বন্দর দিয়ে।

করোনার মধ্যেও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখায় বাংলাদেশের প্রশংসায় এডিবি
                                  

স্বাধীন বাংলা অনলাইন :
২০২১-২২ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ৬ দশমিক ৮ শতাংশ হবে পূর্বাভাসে জানিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) এডিবির এক প্রকাশনায় এই পূর্বাভাসের কথা জানানো হয়।

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুকের ওই প্রকাশনায় বলা হয়, উৎপাদন খাত শক্তিশালীকরণ, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অব্যাহত সম্প্রসারণ ও সরকারের কার্যকর পুনরুদ্ধারের নীতির ওপর ভিত্তি করে এই পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। অর্থবছর শেষে মুদ্রাস্ফীতি কিছুটা বেড়ে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ হওয়ার আশঙ্কা করছে এডিবি।

এডিবি জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরে জিডিপির ঘাটতি হবে শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ। এছাড়া করোনার প্রকোপ বাড়লে তা অর্থনীতির জন্য প্রধান ঝুঁকির কারণ হবে বলে উল্লেখ করেছে এডিবি।

এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ বলেন, মানুষের কর্মসংস্থান রক্ষা ও জীবন বাঁচানোর জন্য সরকারের নীতিগুলো বাংলাদেশের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করেছে। সাম্প্রতিক কঠিন সময়ে প্রশংসনীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা বিশ্বের কয়েকটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ একটি বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য অব্যাহত প্রচেষ্টা, দ্রুত টিকা দেওয়া ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহের উন্নতি অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত করবে।

এডিবি বাংলাদেশে তার কর্মসূচির অগ্রাধিকার পুনর্বিন্যাস করেছে। স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা, দক্ষতা ও গ্রামীণ উন্নয়ন, পানি ও স্যানিটেশনের ওপর এডিবি জোর দিচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

জামানত ছাড়াই ব্যাংক ঋণ পাবেন পাড়া মহল্লার নিম্ন আয়ের মানুষ
                                  

স্বাধীন বাংলা অনলাইন :
মহামারীর প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত নিম্ন আয়ের পেশাজীবী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড পুনরুদ্ধার ও অব্যাহত রাখতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ১০ টাকার হিসাবধারীদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার পুনঃ অর্থায়ন স্কিম গঠন করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই তহবিল থেকে পাড়া-মহল্লা, গ্রামে ছোট ও অতিক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও পেশাজীবী, কামার, কুমার, জেলে, ভূমিহীন কৃষক, হকার, দোকানি ও রিকশাচালকেরা সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকার জামানতবিহীন ঋণ নিতে পারবেন। এই ঋণের সর্বোচ্চ সুদহার হবে ৭ শতাংশ।

রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্ট এ-সংক্রান্ত নতুন একটি স্কিম পুনর্গঠন করে নীতিমালা জারি করেছে। কোভিড-১৯-এর প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত নিম্ন আয়ের পেশাজীবী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরুদ্ধার ও অব্যাহত রাখতে ঋণসীমা ও তহবিলের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রমের আওতায় এই স্কিমের অধীনে ঋণ-সুবিধা গ্রহণকারী সব গ্রাহকই হবেন বিদ্যমান ১০, ৫০ ও ১০০ টাকার হিসাবধারী। তবে এই স্কিমের আওতায় ঋণ-সুবিধা নেওয়ার জন্য নতুন গ্রাহকদের আবশ্যিকভাবে ১০, ৫০ ও ১০০ টাকার ব্যাংক হিসাব খুলতে হবে।

পাড়া, মহল্লা, গ্রামভিত্তিক ক্ষুদ্র-অতিক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও পেশাজীবী (যেমন—চর্মকার, স্বর্ণকার, ক্ষৌরকার, কামার, কুমার, জেলে, দর্জি, হকার ও ফেরিওয়ালা থেকে শুরু করে আচার বা পিঠা প্রস্তুতকারী) এবং যে কোনো ধরনের আয় উত্সারী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি (যেমন :ভ্রাম্যমাণ কাপড়ের দোকানি, ক্ষুদ্র বা কুটিরশিল্প, হস্তশিল্প, কনফেকশনারিসহ অন্যান্য খাবার প্রস্তুতকরণ ও অন্য যে কোনো সম্ভাবনাময় উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি) এই ঋণ-সুবিধার আওতাভুক্ত হিসেবে বিবেচিত হবেন।

এছাড়া যেকোনো দুর্যোগে (প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট) ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, নিম্ন আয়ের পেশাজীবী এবং চর ও হাওর এলাকায় বসবাসকারী স্বল্প আয়ের জনগোষ্ঠী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই ঋণ-সুবিধা পাবেন। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি ও নারী উদ্যোক্তারা যে কোনো ধরনের আয় উত্সারী কর্মকাণ্ডে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই ঋণ-সুবিধা পাবেন। এছাড়া স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রমের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত ও অসচ্ছলরা বৃত্তিমূলক, কারিগরি, তথ্যপ্রযুক্তিসহ অন্যান্য প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো উক্ত স্কিমের আওতায় অভিভাবকের পরিশোধ গ্যারান্টির ভিত্তিতে ঋণ-সুবিধা প্রদান করতে পারবে।

খেলাপি ঋণগ্রহীতা এই স্কিমের আওতায় ঋণসুবিধা প্রাপ্য হবেন না এবং বাংলাদেশ সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংকের সুদ ভর্তুকির আওতায় অন্য কোনো স্কিমের অধীন ঋণগ্রহীতার প্রাপ্ত ঋণ অসমন্বিত অবস্থায় থাকলে ঐ ঋণগ্রহীতা ঋণ-সুবিধা প্রাপ্য হবেন না।

রেলে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক :
জনবল নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এতে ‘সহকারী স্টেশন মাস্টার’ পদে স্থায়ীভাবে ২৩৫ জনকে নিয়োগ দেবে প্রতিষ্ঠানটি। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর থেকে আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন অনলাইনে।

পদের নাম: সহকারী স্টেশন মাস্টার (গ্রেড-১৫)

পদ সংখ্যা: ২৩৫ জন

যোগ্যতা: যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাস।

বেতন: ৯৭০০/- থেকে ২৩৪৯০/-

চাকরির ধরন: স্থায়ী

এতে নারী-পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন।

বয়স: আবেদনের সময়সীমা ১৮-৩০ বছর। তবে আগ্রহী প্রার্থীর বয়স ২০২০ সালের ২৫ মার্চ হিসাবে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে আবার এ বছর ১ সেপ্টেম্বরে যাদের বয়স ১৮ হয়েছে তারাও আবেদন করতে পারেবেন। আর প্রতিবন্ধী ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা http://br.teletalk.com.bd/ -এ ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করতে পারবেন। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখুন এই ঠিকানায়

আবেদনের শেষ সময়: আগ্রহীরা ২০২১ সালের ৬ অক্টোবর বিকাল ৫টা পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

জামিল ইকবাল এনআরবি ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান পুননির্বাচিত
                                  

স্বাধীন বাংলা অনলাইন :
এনআরবি ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন মোঃ জামিল ইকবাল। গত ২৫ আগস্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় তাকে পুনঃনির্বাচিত করা হয়।

মোঃ জামিল ইকবাল বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের যৌথ নাগরিক। তিনি দেশের অন্যতম বৃহত্তম কনস্ট্রাকশন কোম্পানি জামিল ইকবাল লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার আখাখাজনা বড়বাড়ি গ্রামের স্বনামধন্য পরিবারের জন্মগ্রহণকারী জামিল ইকবাল দেশের অন্যতম বৃহৎ কনস্ট্রাকশন মেশিনারিজের আমদানিকারক। তিনি সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের একজন সদস্য।

জামিল ইকবাল সিলেটের সর্বোচ্চ কর প্রদানকারী হিসেবে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সাতবার জাতীয় পুরস্কার অর্জন করেন।

আমদানি-রপ্তানির সময় বৃদ্ধির জন্য ভারতীয় ব্যবসায়ীদের আবেদন
                                  

হিলি প্রতিনিধি :
করোনাভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধি হওয়ার কারনে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি সময় কিছুটা কমানো হয়েছিলো। আমদানি-রপ্তানির সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য ভারতীয় ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের কাছে আবেদন করা হয়েছে। এই বন্দর দিয়ে আগের মতো সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আমদানি-রফতানি চালুর দাবি করেন তারা।  

শনিবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় হিলি সীমান্তের চেকপোস্ট গেটের শূন্যরেখায় ভারতের হিলি এক্সপোটার্স অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ধীরাজ অধিকারী এ বিষয়ে চিঠি দেন বাংলাদেশের হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল আজিজের কাছে।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন, ভারতীয় ব্যবসায়ী গণেশ সাহা, হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রেজাসহ অনেকেই।

চিঠিতে বলা হয়, ভারত থেকে প্রায় এক হাজার ২শ’ পণ্যবোঝাই ট্রাক রপ্তানি পণ্য নিয়ে তাদের (ভারত) ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়কে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে। ফলে জাতীয় সড়কে অন্যান্য যানবাহন চলাচলে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এর উপর এতদিন চাল রফতানি বন্ধ ছিল, বর্তমানে আবারও বন্দর দিয়ে চাল রফতানি শুরু হয়ে গেছে। এতে তারা সময়ের অভাব অনুভব করছে। সেই জন্য সন্ধা ৬টা পর্যন্ত সময় তারা বৃদ্ধি করার জন্য চিঠি দিয়েছেন।  

হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল আজিজ জানান, দেশে করোনা ভাইরাসের কারনে সরকার বিভিন্ন সময় লকডাউন ঘোষনা করার কারনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে হিলি বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছিলো। সময় বৃদ্ধি করা জন্য এমতাবস্থায় গতকাল শনিবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় তারা আমাদের চিঠি দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য, বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে সিন্ধান্ত গ্রহন করা হবে।

তানোরে মৌসুমী আলু ব্যবসায়ীরা বিপাকে
                                  

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি:
রাজশাহীর তানোরে স্টোরজাত আলু নিয়ে কৃষক ও মজুদদারেরা বিপাকে পড়েছেন। মৌসুমী ব্যবসায়ী ও আলুচাষিরা মৌসুমে আলু বিক্রির পরেও তারা পুনরায় আলু চাষের জন্য প্রতি বছরের ন্যায় এবারেও বেশী দামের আশায় আলু স্টোরে মজুত করেছে। কিন্তু বর্তমানে খুচরা বাজারে আলুর দাম থাকলেও পাইকারী বাজারে নিতান্তই কম।

প্রতি বিঘায় আলু চাষে ৪০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়। এতে উৎপাদন বিঘায় ৭০ থেকে ৮০ মন। প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন খরচ পড়ে প্রায় ১৩ টাকা থেকে ১৪ টাকা। অথচ পাইকারী হিসেবে স্টোরে আলু বিক্রি চলছে ১১ টাকা থেকে ১৩ টাকা। মৌসুমের চেয়েও আলুর দাম কমসহ উপকরণের অতিরিক্ত মুল্যে ও শ্রমিকের মজুরী বৃদ্ধিতে আসন্ন মৌসুমের আগে ন্যায্যমূল্যে আলু বিক্রি করতে না পেরে আলুচাষিরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।

এদিকে মৌসুমী আলু ব্যবসায়ী মজুদদাররা স্টোরে রাখা আলুতে লাভের চেয়ে দ্বিগুন লোকশানে তাঁদের মাথায় হাত পড়েছে। আলুর ন্যায্য দাম না পেলে তাঁদের পথে বসতে হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

জানা গেছে, তানোরে আলুচাষ উপযোগী উর্ব্বর মাটি ও অনুকূল আবহাওয়ায় প্রচুর পরিমাণে আলু চাষ হয়। বিগত বছর আলুর ভালো ফলন ও দাম পেয়ে বেশী লাভের আশায় এবারে অধিক আলু চাষে কৃষকরা ঝুঁকে। কিন্তু সে আশা গুঁড়ে বালি হযে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া এলাকার অনেক মৌসুমী আলু ব্যবসায়ী আলু ক্রয় করে স্টোরে মজুত করে রেখেছেন। মজুদাররা মওসুমে ১ বস্তা (৬০ কেজি) ৭৫০ টাকা থেকে ৮০০ টাকায় আলু ক্রয় করেছে। সেই আলু স্টোর খরচ বস্তায় ২৫০ টাকা, বস্তার দাম ৮০ টাকা বহন ও শ্রমিক খরচ ৪০ টাকা প্রতি বস্তায় খরচ হয়েছে মোট ১১২০ টাকা।

আলুচাষিরা জানান, স্টোরের ভাড়া দফায় দফায় বাড়ছে, বাড়ছে শ্রমিকের মজুরী ও কীটনাশকের মূল্য, এসব দেখার কেউ নেই।  আলুচাষি লুৎফর রহমান বলেন, খুরচা বাজারে ২০ টাকা থেকে ২৫  টাকা কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে। অথচ স্টোরজাত আলুর মূল্য প্রতি কেজি ১১ টাকা থেকে ১৪ টাকায় মিলছে। সকল খরচ দিয়ে পাইকারি পর্যায়ে তাদের প্রতি বস্তায় ৩০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা লোকশান গুনতে হচ্ছে।

স্থানীয় কৃষক ও আলু ব্যবসায়ীরা এ বিষয়ে সরকারী ব্যবস্থাপনাকে দায়ী করছেন। সরকারী ব্যবস্থায় আলু দেশ ও দেশের বাইরে নেয়ার ব্যবস্থা থাকলে তাদের দুরাবস্থা কমতো। সরকারীভাবে কোন ব্যবস্থা না থাকায়  আক্ষেপ করে তাঁরা বলেন, স্টোরজাত আলুর যে অবস্থা তা দেখার কেউ নেই।

কচুয়ায় আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের আউটলেট শাখার উদ্বোধন
                                  

কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি :
আধুনিক ব্যাংকিং ও উন্নত গ্রাহক সেবার লক্ষে চাঁদপুরের কচুয়ায় গতকাল বৃহস্পতিবার আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের আউটলেট শাখা ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন, সাবেক সিনিয়র জেলা জজ মো. আমিনুল ইসলাম।
 
সমাজসেবক নজরুল ইসলাম বুলবুলের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের হাজীগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মো. আনোয়ার হোসেন।
 
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন,ডা: এম.এ তাহের নয়ন,সমাজসেবক মোহাম্মদ মহরম আলী মাষ্টার, আওয়ামীলীগ নেতা সোহাগ খান, সাংবাদিক মোহাম্মদ আরিফ বিল্লাহ, আবু সায়েম মাষ্টার, মোজাম্মেল হাসিব, আউটলেট শাখার ব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ কাফি প্রমুখ।  

স্বর্ণের দাম ভরিতে বেড়েছে ১ হাজার ৫১৬ টাকা
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি ও চাহিদার তুলনায় দেশে আমদানি কম হওয়ায় দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম। প্রতি ভরিতে বেড়েছে ১ হাজার ৫১৬ টাকা। অর্থাৎ ২২ ক্যারেট স্বর্ণের অলংকার কিনতে ভরিতে ৭৩ হাজার ৪৮৩ টাকা দিতে হবে।

নতুন মূল্য রোববার থেকে কার্যকর হবে বলে সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। তবে স্বর্ণের দাম বাড়লেও রুপার আগের দামই বহাল রয়েছে।

বাজুস জা‌নি‌য়ে‌ছে, করোনার কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকট ও বিভিন্ন জটিল সমীকরণের কারণে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট বন্ধ থাকা, আমদানি পর্যায়ে শুল্ক জটিলতা (উপকরণ কর রেয়াত) ও বিভিন্ন দাফতরিক জটিলতার কারণে গোল্ড ডিলাররা স্বর্ণবার আমদানি করতে পারছেন না। তাছাড়া চাহিদার বিপরীতে যোগান কম থাকায় দেশীয় বুলিয়ন ও পোদ্দার মার্কেটেও স্বর্ণের দাম বেড়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট মা‌নের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫১৬ টাকা বাড়িয়ে ৭৩ হাজার ৪৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ৭০ হাজার ৩৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ৬১ হাজার ৫৮৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হ‌য়ে‌ছে ৫১ হাজার ২৬৩ টাকা।

শনিবার পর্যন্ত ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট মা‌নের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ৭১ হাজার ৯৬৭ টাকা। ২১ ক্যারেটের দাম ছিল ৬৮ হাজার ৮১৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ছিল ৬০ হাজার ৭০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ৪৯ হাজার ৭৪৭ টাকা।  

স্বর্ণের দাম কমলেও অবশ্য রুপা আগের নির্ধা‌রিত দামেই রয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫১৬ টাকা। আর ২১ ক্যারেটের রুপার দাম এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম ৯৩৩ টাকা করা হয়েছে।

পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেয়ার ঘোষণায় স্বস্তিতে কুয়াকাটার পর্যটন ব্যাবসায়ীরা
                                  

দুলাল কৃষ্ণ নন্দী, পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়ার খবরে কুয়াকাটায় পর্যটন ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এমন ঘোষণায় কুয়াকাটার শতাধিক হোটেল মোটেলের কর্মকর্তা-কর্মচারী সাজগোজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এতে সকল ধরনের পর্যটন ব্যবসায়ীরা নুতন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করছেন। করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতে চলমান লকডাউনে পর্যটন কেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকায় গভীর সংকটে পড়েছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট সকল ধরনের ব্যবসায়িরা। প্রায় ৫ মাস ধরে বন্ধ থাকায় কয়েক’শ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে এমন দাবি কুয়াকাটা পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িদের।

এদিকে বৃহস্পতিবার মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সমন্বয় অধিশাখার উপ-সচিব মো. রেজাউল ইসলামের স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনে সূত্রে জানা গেছে, ১৯ শে আগস্ট থেকে পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিনিউটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র আসন সংখ্যা শতকার ৫০ ভাগ ব্যবহার করে চালু করতে পারবে। সকল ক্ষেত্রে মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কতৃক প্রনীত স্বাস্থ্য বিধি যথাযথ ভাবে পালত করবে। স্বাস্থ্য বিধি প্রতিপালনে অবহেলা করলে কতৃপক্ষ দায়িত্ব বহন করবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়ার এ সিদ্ধান্ত গ্রহন করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন কুয়াকাটা পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, হোটেল-মোটেলগুলো ধুয়েমুছে পরিষ্কার করছেন কর্মচারীরা। পর্যটকদের থাকার জন্য নিরাপত্তা সহ সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁরা। মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং জীবানুনাশক স্প্রে ব্যাবহারের প্রস্তুতি নিচ্ছেন হোটেল মোটেল কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় হোটেল মোটেল মালিকরা জানায়, লকডাউনে কারনে অফিসের কোন কাজ কর্ম নেই। করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে সব কিছুই বন্ধ হয়ে গেছে। দীর্ঘ সময় বসে বসে খেয়ে অনেকেরই ঋনের বোঝা ভারি হয়েছে। তাই হোটেল মোটেল ছেড়ে কেউ চাষাবাদ করছে। কেউ কেউ নিজ বাড়িতে গবাদী পশুসহ হাঁস মুরগীর খমার শুরু করছেন। কেউ আবার পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। তবে ১৯ আগস্ট দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়ায় ঘোষনায় কুয়াকাটায় ট্যুরিজম ব্যবসায়ীদের মাঝে এখন খুশির বন্যা বইছে।

কুয়াকাটা পায়রা ফুডস এন্ড মিনি চাইনিজ`র স্বত্ত্বাধিকারী মো.রেজাউল করিম জানান, দীর্ঘ পাঁচ মাস ধরে বসে খেয়েছি, কর্মচারী এবং দোকান ভাড়া গুনেছি। এমন খবর শুনে আবার নতুন করে শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
 
কুয়াকাটা সৈকতের ট্যুরিজম ব্যাবসায়ী কে এম বাচ্চু জানান, দীর্ঘদিন ধরে পর্যটক না আসায় আমরা বেকার হয়ে পড়েছি। সরকারের এমন সিদ্ধান্তে নুতন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছি।

পটুয়াখালীতে রেভিনিউ স্ট্যাম্প বিহীন বিদ্যুৎ বিল জমা; রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার
                                  

দুলাল কৃষ্ণ নন্দী, পটুয়াখালী প্রতিনিধি :
পটুয়াখালী পৌরশহরে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে বিদ্যুৎবিলে রেভিনিউ স্ট্যাম্প লাগানো হয় না। ফলে সরকার প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পটুয়াখালী পৌর এলাকায় প্রায় ২৬ হাজারেরও বেশী বিদ্যুৎ গ্রাহক রয়েছে, তাদের মাসে বিদ্যুৎ বিল বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকে পরিশোধ করেন। প্রতি মাসে ৪ কোটি ২৫ লাখের উপরে বিদ্যুৎবিল পরিশোধ করা হয় কিন্তু অধিকাংশ ব্যাংকে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের সময় ১০ টাকার রেভিনিউ স্ট্যাম্প লাগানো হয় না।

নিয়ম রয়েছে ৪০০ টাকার উপরে বিদ্যুৎ বিল হলেই ১০ টাকা মুল্যের রেভিনিউ স্ট্যাম্প লাগাতে হবে এবং এ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হবে। জনৈক গ্রাহক অভিযোগ করেন তিনি গত মঙ্গলবার পুরাণ বাজার অগ্রণী ব্যাংক শাখায় বিদ্যুৎ বিল জমা দেন। গ্রাহক নং ৬০১১১৫০১৩ হিসাব নম্বরে ১২৩৮ টাকা এবং একই হিসাব নম্বরেই ১১১৪ টাকা এবং অন্য একজন গ্রাহক যার গ্রাহক নং ৬০১১২৫০১০ হিসাবে ১০৮৪ টাকা এবং ঐ হিসাবেই ১৩০১ টাকা জমা দেন। কিন্তু বিলগুলোতে স্ট্যাম্প ছাড়াই ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ বিলের টাকা রেখে একটি ইনিসিয়াল স্বাক্ষর ও সীল মেরে গ্রাহক কপি ফেরৎ দেন।

এরকম অনেক বিল আছে ৪০০ টাকার উপরে যাতে স্ট্যাম্প  লাগানো হয়নি। গ্রাহকগণ জানান, পুরাণ বাজার অগ্রণী ব্যাংকের ক্যাশ কাউন্টারে যেখানে বিল জমা নেওয়া হয় সেখানে ব্যাংকের কর্মকর্তার পরিবর্তে আনসার সদস্য মোঃ ফোরকানকে দিয়ে কাজ চালিয়ে নিচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যাংক কর্মকর্তা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পটুয়াখালীতে এ ধরণের কর্মকান্ড চালিয়ে আসছেন, এদের একটি সিন্ডিকেটও আছে।

এ ব্যাপারে অগ্রণী ব্যাংকের রিজিওনাল ম্যানেজার এনামুল কবিরের সাথে কথা বললে কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি। এ চক্রের সাথে জড়িত ব্যাংক ম্যানেজার, ক্যাশ অফিসার ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জড়িত আছে বলে জানা যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যুত অফিসের জনৈক কর্মকর্তা বলেন, নিউমার্কেট এবং পুরাণ বাজার শাখায় এ ধরণের কার্যকলাপ পরিচালিত হচ্ছে বলে আমাদের কাছে অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে প্রতি মাসে বিপুল অংকের রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানান।

বরিশালে কৃষি ঋণের নামে হরিলুট
                                  

মনির হোসেন, বরিশাল ব্যুরো :
হঠাৎ করে ব্যাংক থেকে ফোন দিয়ে কৃষি ঋণের সমুদয় টাকা পরিশোধের জন্য চাঁপ প্রয়োগ করা হয়। নতুবা মামলার হুমকি দিয়েছেন ব্যাংক কর্মকর্তারা। এ ঘটনার পর থেকে ঋণ উত্তোলন না করেও এখন দেনাদার হওয়া কৃষকদের মাঝে চরম হতাশা ও মামলার আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এনিয়ে বিশেষ অনুসন্ধানে জানা গেছে, কৃষি ঋণের নামে ব্যাপক হরিলুট করা হয়েছে সোনালী ব্যাংক বরিশালের সাহেবেরহাট শাখায়। চিহ্নিত কয়েকজন দালালের মাধ্যমে ব্যাংকের কতিপয় কর্মকর্তা ভুয়া জমির পর্চা, চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট, জামিনদার, এনআইডি কার্ডের ফটোকপি, ছবি, ভূয়া স্বাক্ষর ও টিপ সই দিয়ে গ্রামের সহজ সরল মানুষের নামে বছরের পর বছর ঋণ বিতরণ দেখিয়ে পুরো টাকা আত্মসাত করে নিয়েছেন।

অধিকাংশ গ্রাহক জানেন না ব্যাংক ঋণের বিষয়ে। আবার কেউ কেউ দালালের খপ্পরে পরে ঋণের টাকার নামেমাত্র টাকা হাতে পেয়েছেন। যাছাই বাছাই না করেই দালালের মাধ্যমে কতিপয় ব্যাংক কর্মকর্তার যোগসাজশে কিভাবে এমন ঘটনা ঘটেছে তা নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সচেতন নাগরিকরা।

বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ১০নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার মোঃ আল-আমিন গাজী জানান, তার নামে ব্যাংক ঋণ হয়েছে অথচ তিনি কখনও ব্যাংকের ধারে কাছেও জাননি। ২০১৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর তাকে চরকাউয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা দেখিয়ে (০৩৩১৯৬২০০০২৬৪) নম্বর ঋণ এ্যাকাউন্টে জমির ভূয়া পর্চা, ভূয়া জামিনদার আর ভূয়া স্বাক্ষর করে তার নামে ২০ হাজার টাকা ঋণ উত্তোলন করা হয়। অথচ ভূমিহীন হওয়ায় সরকারের পক্ষ থেকে তাকে ঘর দেয়া হয়েছে। তার নামে কোন জমি নেই দাবি করে আল-আমিন আরও জানান, কিভাবে তার নামে ঋণ উত্তোলন করা হয়েছে তা তিনি নিজেও জানেন না।

তিনি বলেন, অতিসম্প্রতি ব্যাংক ম্যানেজার নজরুল ইসলাম তাকে ফোন করে ঋণের সমুদয় টাকা পরিশোধের জন্য চাঁপ প্রয়োগ করেন। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরেরও হুমকি দেয়া হয়। এরপর থেকে তিনি জানতে পারেন তার নামে ব্যাংক থেকে ঋণ উত্তোলণ করা হয়েছে। মোঃ সালাম গাজী নামের অপর এক গ্রাহক জানান, ২০১৬ সালে (০৩৩১৯৬২০০০১৭৪) লোন হিসেব নম্বরে তার নামে ২৪ হাজার টাকা ঋণ উত্তোলন করা হয়েছে। শতকরা নয় ভাগ মুনাফাসহ বর্তমানে যার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২ হাজার ৮৫৩ টাকা। অথচ অক্ষরজ্ঞানহীন সালাম গাজী ঋণের বিষয়ে কিছুই জানেন না।

৭৩-৮৩৩ হিসেব নম্বরের গ্রাহক মোঃ ফারুক সরদার জানান, তিনি অক্ষরজ্ঞানহীন। ব্যাংকে না গেলেও তার নামে কিভাবে ঋণ হয়েছে এনিয়ে বর্তমানে তিনি মহাদুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন। তিনি আরও জানান, সম্প্রতি সময় তাকে ব্যাংকের নিচে দাঁড় করিয়ে দালাল নজরুল ইসলাম একটি কাগজে তার একটি টিপসই নেয়। পরে দালাল নজরুল তাকে দুইহাজার টাকা হাতে দিয়ে বলে তোমাকে সাহায্য করা হয়েছে। অতিসম্প্রতি ব্যাংক ম্যানেজারের ফোন পাওয়ার পর তিনি জানতে পারেন, তার নামে ঋণ উত্তোলন করা হয়েছে।

ফারুক সরদার জানান, ব্যাংক কর্মকর্তারা তাকে না দেখে তার একটি টিপ সইতে কিভাবে ঋণ দিয়েছে তা প্রশ্নবিদ্ধ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সদর ইউনিয়নের চরকাউয়া এলাকার চিহ্নিত দালাল নজরুল ইসলাম এবং বাকেরগঞ্জের চরাব্দি এলাকার আলতাফ গাজী নামের দুই দালালের সহযোগিতায় তৎকালীন ব্যাংক ম্যানেজার এবং লোন কর্মকর্তারা ব্যাপক অনিয়মের মাধ্যমে ভূয়া নাম দিয়ে কৃষি ঋণের টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করেছেন। দালালের মাধ্যমে ঋণের নামে প্রতারনার শিকার হওয়া ওই শাখার অসংখ্য গ্রাহকরা একই অভিযোগ করেছেন।

এ ব্যাপারে তৎকালীন ব্যাংক ম্যানেজার (বর্তমানে উজিরপুর শাখায় কর্মরত) মহসিন হাওলাদার বলেন, এমন ভুল হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। যদি হয় তবে ম্যানেজার হিসেবে দায়ভারতো আমাকেই নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, মেহেদী আল মিরাজ নামের এক কর্মকর্তা গ্রাহকদের শনাক্ত করার পর ঋণ বিতরণ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের সুপারিশে সর্বশেষ আমি স্বাক্ষর করেছি।
নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে ঋণ বিতরণ কর্মকর্তা (বর্তমানে বরিশাল নগরীর বগুড়া রোড শাখায় কর্মরত) রফিকুল ইসলাম বলেন, এমন অনিয়ম হতেই পারেনা। যারা অভিযাগ করেছেন তারা মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করেছেন।

সোনালী বাংকের ডিজিএম আবু বকর সিদ্দিক জানান, বিষয়টি শুনে তিনি সাহেবেরহাট শাখা থেকে সব কাগজপত্র এনে যাছাই বাছাই করছেন। কোন সমস্যা পেলে অবশ্যই যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ব্যাংকের কোন কর্মকর্তা ঘটনার সাথে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে দূর্নীতি দমন কমিশন বরিশালের উপ-পরিচালক দেবব্রত মন্ডল বলেন, বিষয়টি নিয়ে এখনো কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাটি গুরুত্বর অপরাধ। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বগুড়ায় “নগদ” কোম্পানীর ছিনতাই নাটকে দিশেহারা এজেন্ট-গ্রাহক
                                  

বগুড়া প্রতিনিধিঃ
২৫ মে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় কথিত ছিনতাইয়ের অযুহাতে অসহায় এজেন্টদের প্রায় ৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়েছে কোম্পানির “ডিএসও” পদবির এক সদস্য। এ ঘটনার পর থেকেই নানা তালবাহানা দিয়ে কালক্ষেপণ করছেন কোম্পানির উর্ধতন কর্মকর্তারা। এতে করে ঋণ নিয়ে ব্যবসায় আসা প্রতিবন্ধিসহ অনেকেই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। টাকাগুলো কোম্পনির কর্মকর্তারা নিজেদের পকেটে রেখেছে এমন অভিযোগ ভুক্তভোগিদের।

কথিত ছিনতাই ঘটনায় নগদ কোম্পানির বগুড়া অফিস বাদি হয়ে সোনাতলা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। এঘটনায় বিভিন্ন এজেন্টরাও থানায় জিডি করেছে, কিন্তু এখনো কোন সুরহা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে বগুড়া জেলা কার্যালয়ের সিনিয়র ম্যানেজার গোলাম সিদ্দিক রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি এলোমেলো কথাবার্তা বলেন। প্রথমের দিকে তিনি বলেন দু-তিনদিনের মধ্যেই এজেন্টদের টাকা ফিরে দেয়া হবে। ২য় দফায় বলেন ছিনতাই ঘটনায় খোয়া যাওয়া সিম ও মোবাইলটি থানায় জমা রয়েছে যার কারনে টাকাগুলো দেয়া যাচ্ছে না। ৩য় দফায় বলেন ৪-৫ দিনের মধ্যে যদি টাকা না দেয়া যায় তখন আমিই বুদ্ধি শিখিয়ে দেবো কিভাবে টাকা উদ্ধার করতে হবে।

বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগি এজেন্টদের সাথে কথা বললে তারা বলেন- ২৫ মে ডাকাতির ঘটনা ঘটলেও আমাদের জানানো হয়নি, যেই সিমটিতে টাকা দেয়া হচ্ছিলো সেটাতে না দিতে। বরং ঐ সিমেই আমরা প্রতিনিয়ত টাকা দিয়ে থাকি। তাদের দাবি সিমটি এখোনো চলমান। যেহেতু ঐ সিমেই কোম্পানির সাথে আমাদের লেনদেন হচ্ছে তাহলে আমাদের দেয়া টাকা তারা আটকিয়ে রেখেছে কেনো। আমাদের টাকা বগুড়া অফিসের কর্মকর্তাদের কাছেই আছে মিছেমিছি এটি নিয়ে তালাবাহানা করে আমাদের ক্ষতি করছে।

সোনাতলা উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের কালাইহাটা বাজারের প্রতিবন্ধি এজেন্ট দেলোহার এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলাম। ২৫ তারিখে ডাকাতির ঘটনা জানতাম না। ২৬ তারিখে ৫১ হাজার টাকা উল্লেখিত সিমেই দেই কিন্তু প্রায় আড়াই মাস পার হলেও এখনো কোন টাকা কিংবা ভরসা কিছুই পাইনি। আমি সর্বশান্ত।

সিমটি এখনো চলমান আছে এমন বিষয় জানতে চাইলে বগুড়া জোনের ম্যানেজার সিদ্দিক প্রথমে বলেন ওই সিমেতো বন্ধ। সিমে কল ঢুকছে এবং নগদ কোম্পানির লোক রিসিভ করে কথাও বলেছে বললে তিনি বলে, ওই সিমেতো কল ঢোকার কথা নয়। অনেক ঘোরানো প্যাচানো কথার পরে বলেন ২৫ তারিখ থেকে ২৮ তারিখ পর্যন্ত ঐ সিমটির ট্রানজেকসন ব্লকড করে রেখেছে প্রশাসন। বিষয়টি নিয়ে সোনাতলা থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিমের সাথে কথা বললে তিনি বলেন তাদের ওই সিম আমাদের কাছে নেই এবং আমরা ব্লকড করেও রাখিনি। বিষয়টি নিয়ে আবারো সিদ্দিকের সাথে কথা বললে তিনি বলেন এটা আমরাই ব্লকড করে রেখেছি।
 
এ বিষয়ে নগদ কোম্পানির ঢাকা প্রধান কার্যালয়ের হেড অব অপারেশন আলমগীর কবিরের সাথে কথা বললে তিনি বলেন ছিনতাই হওয়া টাকা উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত এজেন্টদের টাকা ফেরত দেয়া সম্ভব নয়।

উল্লেখিত ঘটনার কথা বিভিন্ন মহলে আলোচনা হলে অনেকেই মনে করছেন উক্ত ছিনতাই কান্ডের সাথে ম্যানেজার গোলাম সিদ্দিক সাহেব জড়িত আছে কিনা বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার।

প্রসংগত, গত ২৫ মে দুপুরে সোনাতলা উপজেলার কর্পূর বালুয়াহাট রোডের পাঁচকুরো ব্রীজের নিকট এই কথিত ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। তবে, ছিনতাই ঘটনার সাথে কোন বহিরাগতরা ছিলো না। বরং নগদ কোম্পানির সোনাতলা উপজেলার দায়িত্বে থাকা ডিএসও আবুল কালাম আজাদ ছিনতাইয়ের অভিনয় করে নিজেই টাকা নিয়ে উধাও হয়েছে। আজাদ সোনাতলা উপজেলার জোরগাছা ইউনিয়নের মধ্য দিঘলকান্দী গ্রামের সাকু আকন্দের পুত্র।


   Page 1 of 46
     অর্থ-বাণিজ্য
‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লায়েন্স ম্যানেজমেন্ট’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবে বিসিক
.............................................................................................
উদ্যোক্তা উন্নয়নে এক সপ্তাহের প্রশিক্ষণ দেবে বিসিক
.............................................................................................
দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ করদাতা সিলেটের জামিল ইকবাল
.............................................................................................
হিলিতে কমেছে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের দাম
.............................................................................................
করোনার মধ্যেও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখায় বাংলাদেশের প্রশংসায় এডিবি
.............................................................................................
জামানত ছাড়াই ব্যাংক ঋণ পাবেন পাড়া মহল্লার নিম্ন আয়ের মানুষ
.............................................................................................
রেলে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
.............................................................................................
জামিল ইকবাল এনআরবি ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান পুননির্বাচিত
.............................................................................................
আমদানি-রপ্তানির সময় বৃদ্ধির জন্য ভারতীয় ব্যবসায়ীদের আবেদন
.............................................................................................
তানোরে মৌসুমী আলু ব্যবসায়ীরা বিপাকে
.............................................................................................
কচুয়ায় আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের আউটলেট শাখার উদ্বোধন
.............................................................................................
স্বর্ণের দাম ভরিতে বেড়েছে ১ হাজার ৫১৬ টাকা
.............................................................................................
পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেয়ার ঘোষণায় স্বস্তিতে কুয়াকাটার পর্যটন ব্যাবসায়ীরা
.............................................................................................
পটুয়াখালীতে রেভিনিউ স্ট্যাম্প বিহীন বিদ্যুৎ বিল জমা; রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার
.............................................................................................
বরিশালে কৃষি ঋণের নামে হরিলুট
.............................................................................................
বগুড়ায় “নগদ” কোম্পানীর ছিনতাই নাটকে দিশেহারা এজেন্ট-গ্রাহক
.............................................................................................
কাঁচা মরিচের ডাবল সেঞ্চুরি, সবজির দাম অপরিবর্তিত
.............................................................................................
প্রবৃদ্ধিতে করোনার ধাক্কা
.............................................................................................
আড়াই কোটি টাকা ভ্যাট দিলো ফেসবুক
.............................................................................................
বরিশালে ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল
.............................................................................................
ব্যাংক লেনদেন বন্ধ থাকবে ১ ও ৪ আগস্ট
.............................................................................................
পুঁজি পেলে সবাই আমাকে হিরো বলবে : ইভ্যালি’র সিইও রাসেল
.............................................................................................
বিধিনিষেধ শিথিলের সাথে নতুন ভাবে ব্যাংকিংয়ের সময় নির্ধারণ
.............................................................................................
মহা সংকটে দেশের তাঁত শিল্প
.............................................................................................
জাফলংয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে চা শ্রমিকের আত্মহত্যা
.............................................................................................
রূপালী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান ছানাউল হকের যোগদান
.............................................................................................
কুষ্টিয়ায় বেড়েই চলেছে চালের দাম
.............................................................................................
৩২ মাসের সর্বোচ্চ দামে তেল
.............................................................................................
আজ সংসদে উত্থাপিত হবে বাজেট
.............................................................................................
লকডাউনের সাথে ব্যাংক লেনদেনের সময়ও বাড়লো
.............................................................................................
ব্যাংক লেনদেনের সময় বাড়ল আড়াইটা পর্যন্ত
.............................................................................................
২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন
.............................................................................................
বেড়েছে পেঁয়াজের দাম
.............................................................................................
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ৪ দিন আমদানি-রফতানি বন্ধ
.............................................................................................
টিকা কিনতে বাংলাদেশকে ৮ হাজার কোটি টাকা দেবে এডিবি
.............................................................................................
বাগেরহাটে চিংড়ি শিল্পে বিপর্যয়, দেখা দিয়েছে পোনা সংকট
.............................................................................................
কাল চট্টগ্রাম বন্দরে ১৩৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, চেয়ারম্যানের শুভেচ্ছা
.............................................................................................
বিশেষ প্রয়োজনে খোলা থাকবে ব্যাংক
.............................................................................................
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চালু থাকবে আমদানি-রপ্তানি
.............................................................................................
লকডাউনে ব্যাংক বন্ধের ঘোষণায় টাকা তোলার হিড়িক
.............................................................................................
আগামী ২ দিন ব্যাংকে লেনদেন হবে ১টা পর্যন্ত
.............................................................................................
কুষ্টিয়ায় পেঁয়াজের দাম কমে যাওয়ায় বিপাকে কৃষক
.............................................................................................
জুনের মধ্যে ৫০ কোটি টাকা ঋণ দেবে বিসিক
.............................................................................................
বাড়ছে করোনা: কুষ্টিয়ায় নতুন করে ১১ জনের করোনা শনাক্ত
.............................................................................................
ধর্মঘট প্রত্যাহার: হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানী শুরু
.............................................................................................
বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৪ বিলিয়ন ডলার
.............................................................................................
আইসিএমএবি বেস্ট কর্পোরেট অ্যাওয়ার্ড পেল অগ্রণী ব্যাংক
.............................................................................................
বিসিকের ৫ দিনব্যাপী হস্ত ও কুটির শিল্প মেলা শুরু
.............................................................................................
কাতার পেট্রোলিয়াম বাংলাদেশে ১২ লাখ টন এলএনজি রপ্তানি করবে
.............................................................................................
হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ আজ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT