বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর 2022 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   জীবনশৈলী -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সকালের নাশতায় রুটি, সবজি, মুরগির ঝোল

জীবনশৈলী ডেস্ক
সকালটা শুরু হয় তাড়াহুড়া করে। তাই নাশতায় প্রয়োজন চটজলদি বানানো যায় এমন পদ। রেসিপি দিয়েছেন জেবুন্নেসা বেগম
রুটি

উপকরণ: আটা ২ কাপ, পানি সোয়া কাপ, লবণ আধা চা-চামচ, তেল-১ চা-চামচ।

প্রণালি: পানি ফুটে গেলে লবণ ও তেল দিয়ে দিন। এবার আটা দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিন। আটার খামিরকে ভালোভাবে মথে নিন। ছোট লেচি কেটে রুটি তৈরি করুন। মাঝারি আঁচে রুটির দুপাশ ছেঁকে নিন। পাতলা কাপড়ের ওপর রুটি রেখে চেপে রাখুন যাতে গরম থাকে। আর সংরক্ষণ করতে চাইলে হালকা ছেঁকে নরমাল ফ্রিজে রেখে দিন। খাওয়ার আগে পুনরায় ছেঁকে নিন।
সবজিভাজি
সকালের নাশতায় রুটি, সবজি, মুরগির ঝোল

উপকরণ: আলু আধা কাপ, বরবটি আধা কাপ, গাজর আধা কাপ, পেঁপে আধা কাপ, সবুজ মটর আধা কাপ, তেল ১ টেবিল চামচ, রসুনকুচি ১ চা-চামচ, হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, কালোজিরা ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, টমেটোকুচি ১ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচকুচি ১ চা-চামচ, তেজপাতা ১টি, ধনেপাতা ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল চামচ।

প্রণালি: সব সবজি ছোট ছোট করে টুকরা করে নিন। চাইলে কুচি করেও কেটে নিতে পারেন। তেলে তেজপাতা, রসুনকুচি, কালোজিরা ভেজে নিন। পেঁয়াজকুচি ও বাকি সব মসলা দিন। এবার সবজি দিয়ে নাড়ুন। ১০ মিনিট ঢেকে রাখুন। প্রয়োজনে সামান্য পানি দিন। সবজি সেদ্ধ হয়ে এলে লবণ, কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা দিয়ে দিন।
মুরগির ঝোল

উপকরণ: মুরগি ১ কেজি, পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল চামচ, আদাবাটা ১ টেবিল চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, গরমমসলা কয়েকটা (এলাচি, দারুচিনি, তেজপাতা, লবঙ্গ)। টক দই ৩ টেবিল চামচ, পেঁয়াজকুচি ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, পাউরুটি ২ টুকরা, পানি দেড় কাপ, কাঁচা মরিচ ৫-৬টি, গরমমসলাগুঁড়া আধা চা-চামচ, তেল দেড় টেবিল চামচ।

প্রণালি: মুরগির মাংসের টুকরার সঙ্গে টক দই ও লবণ মেখে রাখুন। পাউরুটির চারপাশের বাদামি অংশ ফেলে টুকরা করে ব্লেন্ডারে গুঁড়া করে নেবেন। তেলে পেঁয়াজকুচি ও গরমমসলা ভাজুন। পেঁয়াজ বাদামি হয়ে এলে সব বাটা মসলা দিয়ে কষান। এবার ম্যারিনেট করা মুরগির মাংস ঢেলে দিন। মাংস কয়েক মিনিট নেড়ে ঢেকে দিন। ১০ মিনিট পর পাউরুটির গুঁড়া ও পরিমাণমতো পানি দিয়ে মাংস সেদ্ধ করুন। স্বাদ বাড়াতে ১ চা-চামচ ঘি দিতে পারেন। মাংস সেদ্ধ হয়ে গেলে কাঁচা মরিচ ও গরমমসলাগুঁড়া দিয়ে চুলা বন্ধ করে দিন।

সকালের নাশতায় রুটি, সবজি, মুরগির ঝোল
                                  

জীবনশৈলী ডেস্ক
সকালটা শুরু হয় তাড়াহুড়া করে। তাই নাশতায় প্রয়োজন চটজলদি বানানো যায় এমন পদ। রেসিপি দিয়েছেন জেবুন্নেসা বেগম
রুটি

উপকরণ: আটা ২ কাপ, পানি সোয়া কাপ, লবণ আধা চা-চামচ, তেল-১ চা-চামচ।

প্রণালি: পানি ফুটে গেলে লবণ ও তেল দিয়ে দিন। এবার আটা দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিন। আটার খামিরকে ভালোভাবে মথে নিন। ছোট লেচি কেটে রুটি তৈরি করুন। মাঝারি আঁচে রুটির দুপাশ ছেঁকে নিন। পাতলা কাপড়ের ওপর রুটি রেখে চেপে রাখুন যাতে গরম থাকে। আর সংরক্ষণ করতে চাইলে হালকা ছেঁকে নরমাল ফ্রিজে রেখে দিন। খাওয়ার আগে পুনরায় ছেঁকে নিন।
সবজিভাজি
সকালের নাশতায় রুটি, সবজি, মুরগির ঝোল

উপকরণ: আলু আধা কাপ, বরবটি আধা কাপ, গাজর আধা কাপ, পেঁপে আধা কাপ, সবুজ মটর আধা কাপ, তেল ১ টেবিল চামচ, রসুনকুচি ১ চা-চামচ, হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, কালোজিরা ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, টমেটোকুচি ১ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচকুচি ১ চা-চামচ, তেজপাতা ১টি, ধনেপাতা ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল চামচ।

প্রণালি: সব সবজি ছোট ছোট করে টুকরা করে নিন। চাইলে কুচি করেও কেটে নিতে পারেন। তেলে তেজপাতা, রসুনকুচি, কালোজিরা ভেজে নিন। পেঁয়াজকুচি ও বাকি সব মসলা দিন। এবার সবজি দিয়ে নাড়ুন। ১০ মিনিট ঢেকে রাখুন। প্রয়োজনে সামান্য পানি দিন। সবজি সেদ্ধ হয়ে এলে লবণ, কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা দিয়ে দিন।
মুরগির ঝোল

উপকরণ: মুরগি ১ কেজি, পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল চামচ, আদাবাটা ১ টেবিল চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, গরমমসলা কয়েকটা (এলাচি, দারুচিনি, তেজপাতা, লবঙ্গ)। টক দই ৩ টেবিল চামচ, পেঁয়াজকুচি ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, পাউরুটি ২ টুকরা, পানি দেড় কাপ, কাঁচা মরিচ ৫-৬টি, গরমমসলাগুঁড়া আধা চা-চামচ, তেল দেড় টেবিল চামচ।

প্রণালি: মুরগির মাংসের টুকরার সঙ্গে টক দই ও লবণ মেখে রাখুন। পাউরুটির চারপাশের বাদামি অংশ ফেলে টুকরা করে ব্লেন্ডারে গুঁড়া করে নেবেন। তেলে পেঁয়াজকুচি ও গরমমসলা ভাজুন। পেঁয়াজ বাদামি হয়ে এলে সব বাটা মসলা দিয়ে কষান। এবার ম্যারিনেট করা মুরগির মাংস ঢেলে দিন। মাংস কয়েক মিনিট নেড়ে ঢেকে দিন। ১০ মিনিট পর পাউরুটির গুঁড়া ও পরিমাণমতো পানি দিয়ে মাংস সেদ্ধ করুন। স্বাদ বাড়াতে ১ চা-চামচ ঘি দিতে পারেন। মাংস সেদ্ধ হয়ে গেলে কাঁচা মরিচ ও গরমমসলাগুঁড়া দিয়ে চুলা বন্ধ করে দিন।

উৎসবে বাড়িতে বানিয়ে ফেলুন গোলাপের পায়েস
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
কারও জন্মদিন হোক কিংবা কোনও শুভ অনুষ্ঠান— বাঙালি বাড়িতে পায়েস না হলে ঠিক চলে না। পায়েস খেতে ভালবাসেন না, এমন মানুষ হাতে গোনা। চেনা পায়েসের স্বাদবদল করতে বানিয়ে ফেলুন গোলাপের পায়েস। জেনে নিন কী করে বানাবেন গোলাপের পায়েস।

উপকরণ:

দুধ: ২ লিটার
গোবিন্দভোগ চাল: ১২০ গ্রাম
গুঁড়া চিনি: ৪০ গ্রাম
গোলাপ জল: আধ চা চামচ
গোলাপের শুকনো পাপড়ি: ১০ গ্রাম
কাঠবাদাম: ১০০ গ্রাম

প্রণালী:

চাল ভাল করে ধুয়ে নিয়ে ২০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এ বার দুধ ফুটিয়ে ঘন করে নিন। দুধ ততক্ষণ ফোটাতে হবে যত ক্ষণ দুধ ঘন হয়ে অর্ধেক না হয়ে যায়। এ বার পানি ঝরানো চাল দুধে দিয়ে ফোটান। চাল সেদ্ধ হয়ে এলে দুধ আরও গাঢ় হয়ে যাবে। বাদাম কুচি দিয়ে আরও মিনিট ১৫ ফোটাতে হবে। দুধ ঘন হয়ে এলে চিনি দিয়ে দিন। মিনিট পাঁচেক পর গ্যাস বন্ধ করে দিন। ঠান্ডা করে গোলাপ জল মিশিয়ে ফ্রিজে রাখন। এ বার খানিকটা বাদাম কুচি শুকনো তাওয়ায় সেঁকে নিন। ঠান্ডা পায়েসের উপর গোলাপের পাপড়ি আর বাদাম কুচি ছরিয়ে পরিবেশন করুন। সূত্র: আনন্দবাজার

মধুর খাওয়ার উপকারিতা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে মধু। সুস্থ্য থাকতে প্রতিদিন এক চামচ করে মধু খাওয়ায়র অভ্যাস গড়ে তুলুন। অনেকে আবার কালোজিরার গুড়ার সাথে মধু মিশিয়ে খেয়ে থাকেন যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি।

ত্বকের যত্নে মধু-হলুদ:

আসুন জেনে নেয়া যাক মধু খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে-
হজমে সহায়তা করে
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
রক্তশূন্যতার সমস্যা সমাধান করে
অনিদ্রার সমস্যা দূর করে
দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সহায়ক
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে
তারুণ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে
উচ্চ রক্তচাপ কমাতে কার্যকরি ভূমিকা রাখে
হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে

ডাবের পানির উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
সহজলভ্য ফলের মধ্যে ডাব অন্যতম। ডাবের পানির উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ প্রচুর। হেলথলাইন ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ডাবের পানির উপকারিতার কথা। চলুন দেখে নেই।

ডাবের পানিতে ক্যালসিয়াম, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাসের উপস্থিতি উচ্চমাত্রায়। এসব খনিজ লবণ আমাদের দাঁতের ঔজ্জ্বল্য বাড়ায়। দাঁত ও মাড়িকে করে মজবুত। অনেকের দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে, মাড়ি কালচে লাল হয়ে যায়। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ দেয় খনিজ লবণ।

আমাদের দেহে ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়ামের অভাব হলে কিংবা নানা ধরনের অসুখ-বিসুখ হলে ডাক্তার ডাবের পানি পান করার পরামর্শ দেন৷ এর কারণ ডায়রিয়া বা কলেরা রোগীদের ঘনঘন পাতলা পায়খানা ও বমি হয়। ফলে দেহে পানি ও খনিজ পদার্থের ঘাটতি দেখা যায়৷ এই ঘাটতি পূরণের জন্য ডাবের পানি অনেকাংশেই কাজ করে।

আমাদের শরীরে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা। নিয়াসিন রাইবোফ্লবিন, থিয়ামিন ও পাইরিডোক্সিনের মতো উপকারী উপাদানে ভরপুর ডাবের পানি। প্রতিদিন এই পানি পান করলে শরীরের ভেতরের শক্তি বৃদ্ধি পায়। ফলে জীবাণুর বিরুদ্ধে শরীর ভালোভাবে কাজ করে।

গ্রীষ্মকালীন গরমে ছোট-বড় সবারই দেহের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক তাপমাত্রা বেড়ে যায়। ফলে ত্বকে ফুটে ওঠে লালচে কালো ভাব। ডাবের পানি দেহের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা কমিয়ে শরীরকে রাখে ঠান্ডা। তারুণ্য ধরে রাখতে এর অবদান অনেক। ডাবের পানি যেকোনো কোমল পানীয় থেকে অধিক পুষ্টিসমৃদ্ধ। এর কারণ এটি চর্বিবিহীন পানীয়। ডাবের পানি সামান্য মিষ্টি হওয়া সত্ত্বেও ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য উপকারী।

যাদের মুখে জলবসন্তের দাগসহ বিভিন্ন ছোট ছোট দাগ রয়েছে ,তারা সকালে ডাবের পানি মুখে লাগালে দাগ চলে যায় এবং মুখের লাবণ্য ও উজ্জ্বলতা ফিরে আসে। ডাবের পানিতে আছে সাইটোকিনিস নামে একটি অ্যান্টি-এজিং উপাদান, যা শরীরের ওপর বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। ডাবের পানিতে বিদ্যমান অ্যামাইনো অ্যাসিড ও ডায়াটারি ফাইবার ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

পাইলসের সমস্যা বাড়ায় এই ৫ সবজি
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক

পাইলসের সমস্যা বেশ পরিচিত। অনেকেই এখন এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। একটা সময় এই সমস্যা গুরুতর অবস্থায় পৌঁছে যেতে পারে। তাই সতর্ক থাকতে হবে খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে। কারণ কিছু খাবার আছে যেগুলো পাইলসের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে।

কিছু উপকারী সবজিও আছে এই তালিকায়। আপনি বুঝতেও পারবেন না, সাধারণ এসব সবজি আপনার পাইলসের সমস্যা বাড়িয়ে দিচ্ছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক পাইলসের সমস্যা বাড়িয়ে দেয় সবজিগুলো-

আলু

আলু একটি উপকারী সবজি। শুধু বাঙালি খাবারই নয়, পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশে বিভিন্ন খাবার তৈরিতে আলুর কদর অনেক। কিন্তু এই আলুই পাইলস রোগীদের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। কারণ ১০০ গ্রাম আলুতে থাকে ২ গ্রামেরও কম ফাইবার। যে কারণে মল ঠিকভাবে তৈরি হতে পারে না। দেখা দেয় কোষ্ঠকাঠিন্য। তাই পাইলসের সমস্যা থাকলে যতটা সম্ভব আলু কম খাবেন। আলুর খোসা বাদ দিয়ে খেলে সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে।

 

ঝিংগা

সবজি হিসেবে ঝিংগা বেশ সুস্বাদু। এই সবজির আছে অনেক উপকারিতা। সবজি হিসেবে এই ঝিংগা অনেকের কাছে পছন্দেরও। কিন্তু ঝিংগায় ফাইবার থাকে খুবই কম। তাই পাইলসের সমস্যা থাকলে ঝিংগা খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক হোন। কারণ এই সবজি কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়ায়। ফলে দেখা দেয় পাইলস।

টমেটো
টমেটোর উপকারিতা নিয়ে কারও সন্দেহ নেই। এতে থাকে প্রচুর ভিটামিন সি। সেইসঙ্গে থাকে বিটা ক্যারোটিন। কিন্তু এই টমেটোই বাড়িয়ে দিতে পারে পাইলসের সমস্যা। কারণ টমেটোতে অন্যান্য সবজির তুলনায় ফাইবার অনেক কম থাকে। তাই পাইলস থাকলে টমেটো খেতে হবে রয়েসয়ে।


পালংশাক
পালংশাক খুবই সুস্বাদু এবং এটি উপকারীও। অনেকের কাছেই এটি পছন্দের। এই শাকে থাকে খনিজ, ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তবে যাদের পাইলস রয়েছে তাদের জন্য ততটা উপকারী নয় এই শাক। কারণ এতে ফাইবারের পরিমাণ তুলনামূলক কম। তাই পাইলস থাকলে পালং শাক কম খাবেন।

বেথো শাক
বেথো শাক অনেকের কাছেই পছন্দের। সুস্বাদু এই শাকে আছে খনিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন। কিন্তু এই শাক বেশি খেলে পাইলস রোগীদের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। কারণ বেথো শাকে ফাইবার থাকে অনেক কম। যে কারণে পাইলস রোগীদের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।

বর্ষার খিচুড়ি রেসিপি
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
খিচুড়ি সবারই প্রিয় খাবার। বিশেষ করে আষাঢ়ের সময় বৃষ্টির দিনে মাংসের খিচুড়ি খেতে ইচ্ছে করে। আজ আপনাদের জন্য বর্ষার খিচুড়ি রেসিপি দেয়া হল। বর্ষাকালে মাঝে মাঝে রান্না করে পরিবারের সাথে বসে জমিয়ে খেতে পারেন এই মজাদার খিচুড়ি।

গরুর মাংস (১ কেজি),
বাসমতি চাল (১ কাপ),
চার রকমের ডাল (২কাপ) ( মুগ ডাল -১/২ কাপ , বুটের ডাল-১/২কাপ , মাষকলাই ডাল ১/২ কাপ , মুসুর ডাল ১/২ কাপ),
সরিষার তেল (১/২ কাপ),
হলুদ গুঁড়া (দেড় চা চামচ ),
মরিচ (১ চা চামচ),
ধনে ও জিরা গুঁড়া (১ টেবিল চামচ করে),
গরম মশলাগুঁড়া (১টেবিল চামচ),
রসুন কোয়া (৬/৭ টি ),
শুকনো মরিচ (৪/৫ টি),
কাঁচামরিচ (৫/৬ টি),
টমেটো পিউরি (১ টেবিল চামচ),
এলাচ ও দারচিনি (৩/৪ টে করে),
লবণ ও পানি (পরিমাণ মত),
পেঁয়াজের বেরেস্তা (১/২ কাপ ),
চিনি (১ চা চামচ), গাওয়া ঘি (২ টেবিল চামচ),
তেজপাতা (২/৩ টা)।
প্রণালী:


চাল ,ডাল, মাংস আলাদা আলাদা করে ধুয়ে নিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। একটি বড় পাতিল মানে হাঁড়িতে সরিষা তেল দিন।

তেল ভাল করে গরম হলে শুকনো মরিচ, তেজপাতা ফোড়ন দিয়ে তার মধ্যে মাংস এবং সব উপকরণ এক সঙ্গে ( কাঁচা মরিচ, ঘি, বেরেস্তা বাদে ) দিয়ে ভালভাবে কষাতে হবে। কষানোর পর দেড় কাপ এর মত পানি দিয়ে মাঝারি আঁচে ২০/২৫ মিনিট রান্না করতে হবে । পানি কমে আসলে রসুন কোয়া ও ভিজিয়ে রাখা সব ডাল গুলো দিয়ে ভাল করে নেড়েচেড়ে পরিমান মত পানি দিয়ে ২০/২৫ মিনিট মত ঢেকে রাখতে হবে ।

এরপর ঘি ,কাঁচা মরিচ , পেঁয়াজ বেরেস্তা , চিনি দিয়ে ৫/৬ মিনিট দমে রাখতে হবে । এবার গরম গরম পরিবেশন । ব্যস বর্ষার খিচুড়ি রেডি। সঙ্গে কিমা স্টাফ করা বেগুন রাখতে পারেন। গরুর মাংসের বদলে খাসির মাংস দিয়ে ও এই রান্না করতে পারবেন। যাদের গরুর মাংস খেতে সমস্যা আছে তারা খাসির মাংস দিয়ে একই নিয়মে রান্না করবেন।

এই পঞ্চ খাদ্য ত্বকের জন্য ক্ষতিকর
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
ত্বক ভালো রাখার জন্য খাবার খেতে হবে বুঝেশুনে। যেসব খাবার ত্বকের ক্ষতি করে সেগুলোর দিকে হাত বাড়ানো যাবে না। কেবল বাইরে থেকে যত্ন নিলেই ত্বক ভালো থাকে না, যদি খাবারের তালিকায় ভুলভাল খাবার ঠুকে পড়ে। সঠিক খাবার না খেলে ত্বক আর ভালো থাকবে কী করে! ত্বক ভালো রাখার জন্য পর্যাপ্ত পানি, ফলমূল আর প্রচুর শাক-সবজি তো খাবেনই, সেইসঙ্গে তালিকা থেকে বাদ দেবেন এই খাবারগুলো-

অতিরিক্ত মসলাদার খাবার
খাবার রান্নার সময় খেয়াল রাখুন যেন তাতে অতিরিক্ত তেল-মসলা ব্যবহার না করা হয়। সেইসঙ্গে বাইরেও অতিরিক্ত মসলাদার খাবার খাওয়া বন্ধ করুন। খাবারে অতিরিক্ত তেল-মসলা যোগ করলে তা আপনার ত্বককে খারাপ করে দেবে। ডুবো তেলে ভাজা খাবারও বাদ দিন। এর বদলে তাজা ও সতেজ খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। খাবারের তালিকায় ফল ও সবজি রাখুন।

কোমল পানীয় ও অ্যালকোহল
কোমল পানীয় ও অ্যালকোহলযুক্ত যেকোনো ড্রিংক ত্বকের জন্য যথেষ্ট ক্ষতিকর। এ ধরনের পানীয় পান করলে কেবল ব্রণই বাড়ে না, সেইসঙ্গে ত্বককে করে ডিহাইড্রেট। ফলে দেখা দিতে পারে পানিশূন্যতা। এ ধরনের পানীয় পান করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে যায়। যে কারণে অল্প বয়সেই দেখতে বয়স্ক লাগে।

ফাস্টফুড
ফাস্টফুড খেতে ভালোবাসেন প্রায় সবাই। এ ধরনের খাবার খুবই মুখরোচক। সুতরাং এগুলো এড়িয়ে চলা মুশকিল। কিন্তু আপনি যদি স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করেন তবে ফাস্টফুড বাদ দিতেই হবে। এসব খাবারে কোনো উপকারিতা থাকে না। নিয়মিত ফাস্টফুড খেলে বাড়ে ত্বকের সমস্যা। খুব বেশি খেতে মন চাইলে মাঝে মাঝে এক-আধটু খেতে পারেন, কিন্তু এসব খাবারে অভ্যাস্ত হওয়া যাবে না। ত্বক ভালো রাখতে চাইলে ফাস্টফুড এড়িয়ে চলুন যতটা সম্ভব।

ভাজাপোড়া ধরনের খাবার
বিকেল বেলা ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার খেতে মন চাইতেই পারে। কিন্তু ত্বকের কথা ভেবে এ ধরনের খাবার বাদ দিতে হবে। কারণ নিয়মিত ভাজাপোড়া খেলে তার ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে আপনার ত্বকে। মাঝেমধ্যে চপ-সিঙ্গাড়া খেতে পারেন, কাঁটায় কাঁটায় হিসাব করে তো চলা যায় না! কিন্তু এ ধরনের খাবারে আসক্ত হওয়া যাবে না।

চকোলেট
চকোলেটের অনেক উপকারিতা অনেক সময় জেনেছেন। কিন্তু সেগুলো বেশিরভাগই পাওয়া যায় ডার্ক চকোলেটে। মিষ্টি চকোলেটে চিনির পরিমাণ থাকে অনেক বেশি। যা আমাদের শরীরের জন্য খারাপ। এতে থাকা অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট শরীরের ক্ষতি করে। বাড়ায় সেবামের উৎপাদন এবং বলিরেখা। তাই চকোলেট খাওয়ার ইচ্ছা হলে ডার্ক চকোলেট বেছে নিন।

দই ফুচকা তৈরি করুন: রইল রেসিপি
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
ফুচকা খেতে পছন্দ করেন এমন কারও কাছে দই ফুচকাও বিশেষ প্রিয়। বিশেষ করে মেয়েদের কাছে পছন্দের একটি খাবার এই দই ফুচকা। বাইরে গিয়ে কিনে তো খেতেই পারেন কিন্তু তা অস্বাস্থ্যকর হওয়ার ভয় থাকে। তাই সবচেয়ে ভালো হয় ঘরেই তৈরি করে খেতে পারলে। এটি তৈরি করা খুবই সহজ। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক দই ফুচকা তৈরির রেসিপি-

তৈরি করতে যা লাগবে
আলু চটকানো- ২ টেবিল চামচ
চটপটির মসলা- ১ চা চামচ
ছোট নিমকি- ২ টেবিল চামচ
ঝুরি চানাচুর- ২ টেবিল চামচ
গাজর কুচি- ১ টেবিল চামচ
বিট লবণ- পরিমাণমতো
তেঁতুলের চাটনি- পরিমাণমতো
ধনেপাতা কুচি- পরিমাণমতো
ব্লেন্ড করা মিষ্টি দই- ১ কাপ
কাঁচা মরিচ কুচি- আধ চা চামচ
ফুচকা- ৫টি।

তৈরি করবেন যেভাবে
মিষ্টি দই, গাজর, চানাচুর, তেঁতুলের চাটনি ও ফুচকা বাদে অন্যসব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার একটি প্লেটে ফুচকা রেখে উপরে একটু ভেঙে ভেতরে মিশ্রণ রাখুন। এবার তাতে দিন তেঁতুলের চাটনি। এরপর দিন নিমকি, ঝুরি চানাচুর ও গাজর কুচি। সবশেষে দিন দইয়ের মিশ্রণ। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল সুস্বাদু দই ফুচকা। এবার পরিবেশন করুন।

৩ কাপের বেশি চা নয়: অনেক ক্ষতি হতে পারে স্বাস্থ্যের
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
ভারতে চা প্রেমীদের অভাব নেই, এটা ছাড়া অনেকেরই দিন শুরু হয় না এবং চায়ে চুমুক না দিয়ে মানুষকে মাথাব্যথা ও ক্লান্তির সম্মুখীন হতে হয়, এটি সতেজতা ও স্বস্তি দেয়। . কিন্তু কিছু লোকের চা পানের অদ্ভুত অভ্যাস আছে, তারা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অনেক কাপ চা পান করে, যদিও এই ধরনের লোকদের বোঝা উচিত যে অতিরিক্ত চা খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।

গ্রেটার নয়ডার জিআইএমএস হাসপাতালে কর্মরত বিখ্যাত ডায়েটিশিয়ান ডাঃ আয়ুশি যাদব জানিয়েছেন যে আমাদের দিনে কত কাপ চা পান করা উচিত।
দিনে কত কাপ চা পান করা উচিত?

আমরা সবাই জানি যে চায়ে ক্যাফেইন থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য তেমন ভালো বলে মনে করা হয় না। তবে তা নির্ভর করে চা পাতার গুণমানের ওপর, কোন ব্র্যান্ডে কতটা ক্যাফেইন থাকবে। সাধারণত এক কাপ চায়ে প্রায় 60 মিলিগ্রাম ক্যাফেইন থাকে। এই মতে, দিনে 3 কাপের বেশি চা পান করা স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক প্রমাণিত হতে পারে।

বেশি চা পানের অসুবিধা

আয়রনের ঘাটতি
যদি আপনি দিনে 4 বা তার বেশি কাপ চা পান করেন তবে এই পানীয়টিতে উপস্থিত ট্যানিন শরীরে আয়রনের শোষণ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। যারা নিরামিষাশী, তাদের অতিরিক্ত চা খাওয়া স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে।

চায়ে ক্যাফেইনের পরিমাণ অনেক বেশি, যা আমাদের মস্তিষ্কে খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে, যার কারণে এটি মাথা ঘোরা হতে পারে , তাই বেশিরভাগ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা অতিরিক্ত চা খাওয়া এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন।

অম্বল
আপনি যদি দিনে 5 থেকে 10 কাপ চা পান করেন তবে অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা বেড়ে যায়, যার কারণে আপনার বুকে শীঘ্রই অভিযোগ হতে পারে। তাই আপনার শখ নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করুন।

ঘুমের অভাব
চা আপনাকে সতেজতা দেয় যাতে আপনি টেনশন ছাড়াই দিনের প্রয়োজনীয় কাজ করতে পারেন, কিন্তু আপনি যদি নিয়মিত বিরতিতে চা পান করতে থাকেন তবে ঘুমের সমস্যা হতে পারে।

মাছের পুডিং তৈরির সহজ পদ্ধতি জেনে নিন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
বাড়িতে অতিথি আপ্যায়ন কিংবা উৎসব উদযাপন, বাঙালির পাতে মাছ না পড়লে চলে না। কিন্তু ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সেই একই ধরনের মাছের পদ সবসময় কারোই ভাল লাগে না। তাই স্বাদ বদল করতে এবার মাছের অন্য রকম একটা পদ ট্রাই করে দেখুন। বাড়িতেই বানান মাছের পুডিং। পুডিং বলতে প্রথমেই দুধ এবং ডিমের তৈরি পুডিংয়ের কথাই মনে আসে, কিন্তু এটা খেয়ে দেখুন, একবার খেলে বারবার খেতে ইচ্ছা করবে। দেখে নিন মাছের পুডিংয়ের সহজ রেসিপি।

উপকরণ
৬-৭ পিস কাতলা মাছ
ব্রেড ক্রাম্বস
পেঁয়াজ কুচি
২ টেবিল চামচ পাতিলেবুর রস
এক কাপ দুধ
মাখন পরিমাণমতো
১ টেবিল চামচ রসুন কুচি
চিজ
৩টে ডিম
১ চা চামচ মিক্সড হার্বস
১ চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো

তৈরির পদ্ধতি
১) প্রথমে মাছের পিসগুলো ভাল করে ধুয়ে নিন। কড়াইতে পরিমাণমতো পানি দিয়ে মাছগুলো সেদ্ধ করে নিন ভাল করে।
২) মাছগুলো একেবারে সেদ্ধ হয়ে পানি থেকে তুলে নিন। মাছের চামড়া ও কাঁটা ছাড়িয়ে নেবেন।
৩) একটি বাটিতে ডিম ফেটিয়ে নিন। তাতে দুধ, পেঁয়াজ কুচি, রসুন কুচি, মিক্সড হার্বস ও গোলমরিচ গুঁড়ো দিয়ে মিশিয়ে নিন ভাল করে।
৪) এবার অন্য একটি বাটিতে মাছের টুকরো, লেবুর রস, ব্রেড ক্রাম্বস, গলানো চিজ, লবণ একসঙ্গে মাখিয়ে নিন। তাতে ডিমের মিশ্রণটা ঢেলে আরও একবার ভাল করে মাখিয়ে নিন। এতে গলানো মাখনও দেবেন।
৫) একটা বেকিং ট্রে-তে মাখন ব্রাশ করে নিন। এতে মাছের মিশ্রণটা পুরোটা ঢেলে ছড়িয়ে দিন। একেবারে সমান করে দেবেন। ওপরে গ্রেট করা চিজ ও ব্রেড ক্রাম্বস ছড়িয়ে দেবেন।
৬) মাইক্রোওয়েভ ওভেনে ১০-১২ মিনিট বেক করে নিন। তারপর ছোটো ছোটো পিস করে কেটে পরিবেশন করুন বেকড ফিস পুডিং।

হিলারি আর লড়বেন না প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন জানিয়েছেন, ২০০৮ এবং ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট পদে লড়াই করে পরাজিত হওয়ায় তিনি আর দেশটির প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) দেশটির স্থানীয় একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে সাক্ষাৎকার দেয়ার সময় এক প্রশ্নের উত্তরে হিলারি জানান যে, তিনি আর কখনও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে করবেন না।

তবে নির্বাচনে নিজে লড়াই না করলেও দেশের গণতন্ত্র ও আইনের শাসনকে সম্মান করেন এবং দেশের মর্যাদা সমুন্নত রাখেন, যুক্তরাষ্ট্রে যেন এমন একজন প্রেসিডেন্ট থাকে তা নিশ্চিত করতে যা যা করা সম্ভব তার সবকিছুই করার প্রতিশ্রুতি দেন হিলারি। এরপর অনুষ্ঠানের উপস্থাপক যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প (সাবেক প্রেসিডেন্ট) আবারও লড়াই (নির্বাচনে) করলে কেমন হবে? এর জবাবে হিলারি ক্লিনটন বলেন, “ট্রাম্প এ পদের জন্য আর ‘ফিট’ নন। তিনি আবার প্রেসিডেন্ট পদে লড়াই করলে হেরে যেতে পারেন।”

প্রসঙ্গত, হিলারি ক্লিনটন ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে পরাজিত হন। ২০১৬ সালের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্যেই সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ওবামা প্রশাসনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন হিলারি ক্লিনটনের একটি ব্যক্তিগত ইমেইল সার্ভার ছিল। এ খবর প্রকাশের পরপরই তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন হিলারি। এ নিয়ে তদন্ত শুরু করে এফবিআই।

এদিকে ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়াইয়ের ইচ্ছা ইঙ্গিত দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। জরিপের তথ্য বলছে, রিপাবলিকানদের মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়েও এগিয়ে আছেন ট্রাম্প। এর আগে গত জুনে টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে হিলারি বলেছিলেন, জো বাইডেন পপুলার ভোটে ট্রাম্পকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। আমি মনে করি, এর থেকে অনেক কিছুই স্পষ্ট হয়।

সূত্রঃ ইয়াহু নিউজ, এনডিটিভি

ঝরঝরে পোলাও রান্নার রেসিপি
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক
বাড়িতে অতিথি এলে কিংবা যেকোনো উৎসবে তো পোলাও থাকেই, এমনকী ছুটির দিন দুপুরে একটু ভালো-মন্দ রান্না করলে সেই তালিকায়ও থাকে পোলাও। তবে পোলাও নিয়ে বেশিরভাগেরই অভিযোগ থাকে, রান্নার পরে তেমন একটা ঝরঝরে হয় না। এক্ষেত্রে পোলাও রান্নার সময় খেয়াল রাখতে হবে কিছু বিষয়ের দিকে। তাহলেই পোলাও হবে ঝরঝরে। চলুন জেনে নেওয়া যাক রেসিপি-

তৈরি করতে যা লাগবে
চাল- আধা কেজি
কাঁচা মরিচ- ৪/৫ টি
পেঁয়াজ কুচি- ২/৩টি
তেজপাতা- ২/৩টি
দারুচিনি- ৪/৫ টুকরা
এলাচ- ৪/৫টি
আদা বাটা- ১চামচ
কিশমিশ
গরম পানি
লবণ- স্বাদমতো
ঘি ও তেল- পরিমাণমতো।

যেভাবে তৈরি করবেন
চাল ভালো করে ধুয়ে রেখে দিন ১০ মিনিট। চুলায় হাড়ি বসিয়ে তাতে তেল বা ঘি দিন। তেল ভালভাবে গরম হলে তাতে তেজপাতা ও পেঁয়াজ কুচি দিয়ে নাড়ুন। কিছুক্ষণ পর চাল ঢেলে দিয়ে আরও মিনিট দশেক নাড়ুন।

অন্য পাতিলে পানি গরম করুন। এরপর লবণ, আদা বাটা, এলাচ, কিশমিশ, দারুচিনি দিয়ে কিছুক্ষন নাড়ুন। এবার গরম পানি পরিমাণমতো দিয়ে অল্প নেড়েচেড়ে ঢেকে দিন। অল্প আঁচে মিনিট পনেরো রাখুন। মাঝে মাঝে ঢাকনা খুলে নেড়ে দিন। চাল শক্ত থাকলে আরও মিনিট পাঁচেক চুলায় রাখুন, এরপর নামিয়ে পরিবেশন করুন।

আইসক্রিম খান, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ান
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : আইসক্রিম। শিশু থেকে বড় সবারই পছন্দের একটি খাবার। মন খারাপের মাঝেও একটু আইসক্রিম মন ভালো করার অন্যতম উপাদান। তবে আইসক্রিমের মিষ্টির জন্য যেমন অনেকে এড়িয়ে চলেন; আবার ওজন বাড়ার ভয়েও অনেকে আইসক্রিম খেতে চান না। কিন্তু আমাদের অনেকেরই জানা নেই আইসক্রিম খেয়েও ওজন না বাড়িয়ে সুস্থ থাকা যায়।

অতিরিক্ত পরিমাণে আইসক্রিম খেলে হয়তো ওজন বেড়ে যেতে পারে। কিন্তু পরিমিত পরিমাণে খেলে উপকার মিলবে অনেক। আসুন জেনে নেওয়া যাক, আইসক্রিম খেলে স্বাস্থ্যের কী কী উপকার হতে পারে -

এনার্জি বাড়ায় : আইসক্রিম তাত্‍ক্ষণিক শক্তি বৃদ্ধি করে। শরীরে এনার্জি, ফ্যাট এবং কার্বোহাইড্রেট প্রদান করে।

হাড় মজবুত করে : হাড় শক্তিশালী রাখতে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় খনিজ হল ক্যালসিয়াম। শরীরে ক্যালসিয়ামের চাহিদা মেটাতে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া খুবই প্রয়োজন। আইসক্রিম ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ, তাই আপনার ডায়েটে এটি অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভাল : গবেষণায় দেখা গেছে, আইসক্রিম মানসিক স্বাস্থ্য ভাল রাখতে পারে, কারণ দুধে ট্রিপটোফ্যান থাকে,, যা সেরোটোনিন (হ্যাপি হরমোন) নিঃসরণে সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় : শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে আইসক্রিম। আইসক্রিম ফারমেন্টেড খাবারের গোত্রে পড়ে, যা শ্বাসযন্ত্র এবং গ্যাস্ট্রোইনস্টেনটিনালের জন্য উপকারী।

খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ : আইসক্রিম কেবল প্রোটিন সমৃদ্ধ নয়, এতে ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, পটাশিয়াম, আয়োডিন, ফসফরাস, ভিটামিন এ এবং বি কমপ্লেক্সের মতো খনিজ পদার্থও রয়েছে। শরীরকে সুস্থ ও তরতাজা রাখতে এই খনিজগুলির অত্যন্ত প্রয়োজন।

স্বাধীন বাংলা/এআর

ত্বক উজ্জ্বল করার ঘরোয়া উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক
ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে চান সবাই। সেজন্য অনেকে দামী সব উপাদানও ব্যবহার করেন। এতে সাময়িকভাবে উজ্জ্বলতা বাড়লেও পরবর্তীতে অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই ত্বক উজ্জ্বল করতে চাইলে বেছে নিতে পারেন ঘরোয়া উপায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক তেমনই কিছু উপায়-

অ্যালোভেরা ব্যবহার
অ্যালোভেরা ত্বকের যত্নে উপকারী। এতে আছে বিভিন্ন উপকারী উপাদান। যেমন ভিটামিন, এনজাইম, মিনারেল, সুগার, লিগনিন, স্যাপোনিন, স্যালিসাইলিক অ্যাসিড এবং অ্যামাইনো অ্যাসিড। ভিটামিন এ, সি এবং ই আছে এই অ্যালোভেরায়। এগুলো অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের ভূমিকা পালন করে। অ্যালোভেরায় আরও আছে ভিটামিন বি ১২, ফলিক অ্যাসিড এবং কোলাইন। তাই ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন। এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।

বেসনের ফেসপ্যাক ব্যবহার
ত্বক উজ্জ্বল করতে ব্যবহার করতে পারেন বেসন। ৩ টেবিল চামচ বেসন, ১ টেবিল চামচ হলুদ এবং ৩ টেবিল চামচ টক দই নিন। এবার একটি পাত্রে সব উপাদান মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি মুখে, গলায় ও ঘাড়ে লাগিয়ে নিন। এভাবে অপেক্ষা করুন মিনিট বিশেক। এরপর মুখ ধুয়ে নিন। আপনি যদি নিয়মিত বেসনের এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করেন তবে তা ত্বকের দাগ-ছোপ দূর করে উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দেয়।

গোলাপজলের ব্যবহার
ত্বক ভালো রাখার জন্য ময়েশ্চারাইজ করা জরুরি। এই কাজে সাহায্য করে গোলাপজল। এটি আমাদের ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে কাজ করে। প্রতিদিন সকালে উঠে মুখ ধুয়ে নিন। এরপর গোলাপজল লাগিয়ে নিন। এতে ত্বক ভালো থাকবে। বাইরে বের হলে ব্যাগে গোলাপজল রাখতে পারেন। এর ব্যবহার আপনাকে সতেজ রাখতে কাজ করবে।

সঠিক সাবান ব্যবহার
সাবান ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক হোন। এক্ষেত্রে বেছে নিতে হবে সঠিক সাবান। তবে সাবান ত্বকে সরাসরি ব্যবহার করবেন না। প্রথমে পানির সঙ্গে মিশিয়ে এরপর ব্যবহার করুন। আপনার ত্বকে যদি আগে থেকেই সমস্যা থাকে তবে আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে। মুখে সাবান বা ক্লিনজার বারবার ব্যবহার করবেন না। এতে ত্বক আরও শুষ্ক হয়ে যাবে।

ভালোবাসায় হৃদয় ভেঙেছে? থাকলো উপায় ঘুরে দাঁড়ানোর
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
প্রতিটি মানুষের জীবনে অন্তত একবার একতরফা প্রেম বা ক্রাশ থাকে। যদিও আপনি এই জিনিসটি সবসময় কাউকে বলতে পারবেন না, তবে এই অনুভূতিটি খুব সুন্দর। এমন প্রেমে অনেক সময় আমরা দিনরাতের কথা জানি না। যদিও একজন ব্যক্তি কখনই এই ক্রাশকে বর্ণনা করতে পারে না, এবং একটি দিন আসে যখন তাদের একতরফা ভালবাসা অন্যের হয়ে যায়।

এমন পরিস্থিতিতে হার্টব্রেক অনিবার্য, তবে আপনি কিছুই করতে পারবেন না। এমন অবস্থায় দুঃখের পাহাড় ভেঙে যেত। এখন প্রশ্ন উঠেছে, এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে এগোনো যায়।
আপনার ভবিষ্যত্‍ নিয়ে ভাবুন,

আপনি একজন মানুষকে যতই ভালোবাসুন না কেন, কিন্তু এখন সেই মানুষটি আপনার হবে না। তাই সত্যকে মেনে নিয়ে জীবনে এগিয়ে যাওয়াই ভালো। এর জন্য আপনাকে নিজের ভবিষ্যত্‍ নিয়ে ভাবতে হবে, তবেই আপনি জীবনকে ইতিবাচকভাবে এগিয়ে নিতে পারবেন। তোমাকে বুঝতে হবে জীবনটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারো স্মৃতির কারণে এটাকে নষ্ট করা যাবে না।

তাদের স্মৃতি মুছে ফেলুন
আমরা যখন কাউকে একতরফাভাবে ভালবাসি, তখন আমরা তাদের সাথে সম্পর্কিত অনেক কিছু সংরক্ষণ করি বা সংরক্ষণ করি। এটি তাদের ছবি বা উপহার বা বার্তা অন্তর্ভুক্ত করতে পারে। সবকিছু মুছে ফেলা বা নিষ্পত্তি করা ভাল। কারণ এসবের উপস্থিতিতে আপনি তাদের স্মৃতি মুছে দিতে পারবেন না

নিজেকে গুরুত্ব দিন
গিঁট বেঁধে নিন যে আপনার কাছে নিজের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ কিছুই নয়। নিজেকে ভালোবাসুন এবং চিন্তা করার জন্য সময় নিন। বই পড়া, ভ্রমণ, ব্যায়াম ইত্যাদির মতো উত্পাদনশীল জিনিসগুলিতে আপনার ফোকাস এবং মন রাখুন।

বন্ধুবান্ধব এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সাথে সময় কাটান

প্রায়ই আমরা একতরফা প্রেমের সম্পর্কে আমাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং আত্মীয়দের থেকে দূরত্ব বজায় রাখি, কিন্তু এখন তাদের কাছে ফিরে যাই এবং তাদের সমস্যার মুখোমুখি করি। এতে করে আপনার মন হালকা হবে এবং আপনি কোনো ধরনের বিষণ্ণতার শিকার হবেন না।

বাবা-মায়ের যে বদঅভ্যাস সন্তানের ওপর পড়ে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
একটি শিশুর জন্য নৈতিক শিক্ষা লাভের প্রথম ভিত্তি হচ্ছে তার পরিবার। আর পরিবারের মধ্যে শিশুর প্রথম শিক্ষক হচ্ছেন তার মা-বাবা। যারা কিনা ছোট থেকেই পারিবারিক শিক্ষায় সন্তানকে বড় করে তোলেন। জীবনের শুরুতে বাবা-মা সন্তানকে যে শিক্ষায় শিক্ষিত করবেন, বড় হয়ে সন্তান তারই প্রতিচ্ছবি দেখাবে।

পৃথিবীতে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো সন্তান লালন-পালন করা। এক্ষেত্রে পরিবারকে সবকিছু করতে হবে বুঝে-শুনে। কারণ বাবা-মা যদি খারাপ প্যারেন্টিং অনুসরণ করেন, তবে তা সন্তানের ওপর দীর্ঘমেয়াদী খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই কিছু কিছু কাজ আছে, যেগুলো সন্তানের সঙ্গে বা তার সামনে না করা উত্তম।

শিশুকে তিরস্কার করা
সন্তান যদি কিছু ভুল করে, তাহলে সে ভুলের জন্য তাকে তিরস্কার বা অনেক বেশি বকাঝকা করা যাবে না। কারণ তিরস্কার বা অধিক বকাঝকা আপনার সন্তানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সন্তান সততা দেখিয়ে নিজের ভুল স্বীকার করার পরও যদি আপনি তাকে বকাঝকা করেন, তাহলে আপনার ক্রিয়াটি আরও খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে।

সবার সামনে শিশুকে শাসন করবেন না

কিছু বাবা-মা আছেন যারা কিনা অতিথিদের সামনে তাদের সন্তানের ওপর রাগ প্রকাশ করেন। অন্যদের সামনে তাদের বকাঝকা করেন। আবার অনেকে গায়ে হাতও তোলেন। এটি আপনার সন্তানের আত্মবিশ্বাসের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। শৃঙ্খলার এই পদ্ধতি থেকে উদ্ভূত লজ্জার অনুভূতি তার মনে শিকড় গেড়ে বসে।

শুধু উপদেশ নয়, উৎসাহ দিন
বাবা-মা সন্তানকে উপদেশ দেবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু উপদেশ না দিয়ে উৎসাহ দিলে শিশু যেকোনো কাজে নিজের গতি ফিরে পায়। নিজের ভেতর বাড়তি চাপ অনুভব করে না।

নিয়মানুবর্তিতা
ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে শিশুদের সামনে কিছু নিয়ম ও সীমারেখা তৈরি করতে হয়। আপনি যদি আপনার সন্তানকে নিয়মানুবর্তিতা না শেখাতে পারেন, তাহলে বাইরের জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা বা মানিয়ে নেওয়া তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

শিশুর অনুভূতি সম্মান না করা
সন্তানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে এবং তার অনুভূতি বুঝতে সময় নেন। যখন একটি শিশুর মতামত এবং অনুভূতি উপেক্ষা করা হয় এবং একটি স্বাস্থ্যকর উপায়ে সম্বোধন করা হয় না, এটি শিশুদের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।


   Page 1 of 26
     জীবনশৈলী
সকালের নাশতায় রুটি, সবজি, মুরগির ঝোল
.............................................................................................
উৎসবে বাড়িতে বানিয়ে ফেলুন গোলাপের পায়েস
.............................................................................................
মধুর খাওয়ার উপকারিতা
.............................................................................................
ডাবের পানির উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ
.............................................................................................
পাইলসের সমস্যা বাড়ায় এই ৫ সবজি
.............................................................................................
বর্ষার খিচুড়ি রেসিপি
.............................................................................................
এই পঞ্চ খাদ্য ত্বকের জন্য ক্ষতিকর
.............................................................................................
দই ফুচকা তৈরি করুন: রইল রেসিপি
.............................................................................................
৩ কাপের বেশি চা নয়: অনেক ক্ষতি হতে পারে স্বাস্থ্যের
.............................................................................................
মাছের পুডিং তৈরির সহজ পদ্ধতি জেনে নিন
.............................................................................................
হিলারি আর লড়বেন না প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে
.............................................................................................
ঝরঝরে পোলাও রান্নার রেসিপি
.............................................................................................
আইসক্রিম খান, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ান
.............................................................................................
ত্বক উজ্জ্বল করার ঘরোয়া উপায়
.............................................................................................
ভালোবাসায় হৃদয় ভেঙেছে? থাকলো উপায় ঘুরে দাঁড়ানোর
.............................................................................................
বাবা-মায়ের যে বদঅভ্যাস সন্তানের ওপর পড়ে
.............................................................................................
হজমশক্তি বাড়াতে মাংসের সাথে যা খাবেন
.............................................................................................
দীর্ঘক্ষণ হেডফোন ব্যবহারের ক্ষতি
.............................................................................................
আইসক্রিমের যত গুণ?
.............................................................................................
জবা ফুলের চায়ের যত গুণ জেনে নিন?
.............................................................................................
অবসর সময়ে ৩ কাজ করলে বাড়বে আয়ু
.............................................................................................
বেশী খাবার খেলেও বাড়বে না ওজন
.............................................................................................
যত কেরামতি করলার!
.............................................................................................
ফাস্টফুড খাওয়ার আগে মাথায় রাখুন এই চিন্তা
.............................................................................................
হাই কোলেস্টেরল কমাবে এই সবুজ সবজির চা!
.............................................................................................
আলুর প্যানকেক তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় লোকপ্রশাসন বিভাগে শাড়ি-পাঞ্জাবি উৎসব
.............................................................................................
গরমের আরামে ঠান্ডা পানি: কতটা ক্ষতি করছে শরীরের
.............................................................................................
কথায় কথায় মিথ্যা বলছে শিশু? সমাধান জানুন
.............................................................................................
ওজন ঝরাতে ভাত ছেড়ে ওট্স ধরেছেন
.............................................................................................
পেঁপের সঙ্গে যে তিন খাবার খেলে হবে বিপদ
.............................................................................................
চামচের তুলনায় হাত দিয়ে খাওয়া কি বেশি স্বাস্থ্যকর
.............................................................................................
রসনায় ভিন্ন স্বাদের স্বাধীন বাংলা স্পেশাল গরুর চাপ রোস্ট
.............................................................................................
কাঠাল বিচি দিয়ে গরুর মাংস ভুনা
.............................................................................................
অতিরিক্ত গরমে সুস্থ থাকতে যা করবেন
.............................................................................................
মাংস রান্না ও খাওয়ার প্রয়োজনীয় টিপস
.............................................................................................
ঝুরা মাংস তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
গরু গোস্ত দইকারি তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
অন্য স্বাদের মুরগির মালাইকারি, রইলো রেসিপি
.............................................................................................
বর্ষাকালে চুলের যত্ন
.............................................................................................
স্বামীর কাছে যে জিনিসগুলো আশা করেন স্ত্রী
.............................................................................................
ফিশ পাকোড়া তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
সঙ্গীর পাশে ঘুমালে সুস্থ থাকে শরীর, বলছে গবেষণা
.............................................................................................
পাইলসের সমস্যা দূর করবে যে ৫ খাবার
.............................................................................................
স্ট্রোকের শঙ্কা কমাতে প্রকৃতির ছোঁয়া, জানাচ্ছে গবেষণা
.............................................................................................
স্নানের আগে বা পরে কি করা উচিৎ নয় জেনে নিন
.............................................................................................
নিয়মিত আপেল খাওয়ার ১০টি স্বাস্থ্য উপকারিতা
.............................................................................................
রক্তে শর্করার মাত্রা কম থাকবে এই উপায়ে
.............................................................................................
পটলের স্বাস্থ্য উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ অনেক
.............................................................................................
পেঁয়াজ খাওয়ার উপকারিতা গুনাগুন সম্পর্কে জেনে নিন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT