রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি 2021 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   জীবনশৈলী -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
মেডিকেলে ও ডেন্টালে ভর্তিপরীক্ষার তারিখ প্রকাশ

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : দেশের সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস কোর্সে ২ এপ্রিল এবং ডেন্টাল কলেজ ও ইউনিটগুলোর বিডিএস কোর্সে ভর্তির পরীক্ষা ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধীনে কেন্দ্রীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে এ পরীক্ষা।

আজ শনিবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ৪ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. আহসান হাবিব জানান, ‘আগামী বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) থেকে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু হবে। অনলাইনে নির্ধারিত আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে। চলবে ১ মার্চ পর্যন্ত।’

তিনি জানান, ২০ থেকে ২৫ মার্চ এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র দেওয়া হবে। এছাড়া বিডিএস কোর্সের আবেদন শুরু হবে ২৭ মার্চ থেকে এবং আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত। ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ২৪ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত বিতরণ করা হবে। ২ এপ্রিল ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দুয়েক দিনের মধ্যেই এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ করা হবে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

মেডিকেলে ও ডেন্টালে ভর্তিপরীক্ষার তারিখ প্রকাশ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : দেশের সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস কোর্সে ২ এপ্রিল এবং ডেন্টাল কলেজ ও ইউনিটগুলোর বিডিএস কোর্সে ভর্তির পরীক্ষা ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধীনে কেন্দ্রীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে এ পরীক্ষা।

আজ শনিবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ৪ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. আহসান হাবিব জানান, ‘আগামী বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) থেকে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু হবে। অনলাইনে নির্ধারিত আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে। চলবে ১ মার্চ পর্যন্ত।’

তিনি জানান, ২০ থেকে ২৫ মার্চ এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র দেওয়া হবে। এছাড়া বিডিএস কোর্সের আবেদন শুরু হবে ২৭ মার্চ থেকে এবং আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত। ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ২৪ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত বিতরণ করা হবে। ২ এপ্রিল ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দুয়েক দিনের মধ্যেই এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ করা হবে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

জেলেদের মাঝে লাইফ জ্যাকেট বিতরণ
                                  

কক্সবাজার প্রতিনিধি : কক্সবাজারে জেলেদের জীবনের নিরাপত্তার জন্য লাইফ জ্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে। জেলা অফিস সম্মেলন কক্ষে ২ ফেব্রুয়ারি সকালে ওয়াল্ড ফিশ বাংলাদেশ আয়োজিত অনুষ্ঠানে ১৮০ জন জেলেকে এসব লাইফ জ্যাকেট বিতরণ করেন জেলা মত্স্য কর্মকর্তা। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগের মত্স্য বিভাগের উপপরিচালক এস এম মহিবুল্লাহ জেলা মত্স্য কর্মকর্তা এস এম খালেকুজ্জামানের হাতে লাইফ জ্যাকেটগুলো হস্তান্তর করেন।

ইউএসএইড এর আর্থিক সহযোগিতায় ওয়াল্ড ফিশ বাংলাদেশ এবং মত্স্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে টেকনাফ, উখিয়া ও মহেশখালী উপজেলার জেলেদের মধ্যে এসব  লাইফ জ্যাকেট বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ইলিশ উন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী, কক্সবাজার সদরের সিনিয়র উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তা তারাপদ চৌহান এবং  ইকোফিশ ওয়ানওয়ান এক্টিভিটির বিজ্ঞানী ড. মো: নাহিদুজ্জামান।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

বাংলাদেশ ব্যাংক ১৪৩৯ জনকে নিয়োগ দেবে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : বাংলাদেশ ব্যাংক জনবল নিয়োগ দেবে।  ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্যভুক্ত পাঁচটি ব্যাংকে ‘অফিসার (ক্যাশ)’ পদে এক হাজার ৪৩৯ জনকে নিয়োগ দেবে।  যোগ্য প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

পদের নাম : অফিসার (ক্যাশ)।

পদ সংখ্যা :

সোনালী ব্যাংক লিমিটেডে- ৮৬৪ জন

জনতা ব্যাংক লিমিটেডে- ১০৫ জন

আগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডে- ৪০০ জন

রূপালী ব্যাংক লিমিটেডে- ৮৫ জন

বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডে- ০৩ জন।

যোগ্যতা : যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে কোনো বিষয়ে স্নাতক অথবা স্নাতকোত্তর পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।  কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি থাকা যাবে না। প্রার্থীর বয়স অনূর্ধ্ব-৩০ বছর।  মুক্তিযোদ্ধা/ শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়স অনূর্ধ্ব-৩২ বছর।

বেতন : জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ /- টাকা।

আবেদনের প্রক্রিয়া : আগ্রহী প্রার্থীকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ সংক্রান্ত ওয়েবসাইটের (www.erecruitment.bb.org.bd) মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।


অনলাইনে আবেদন করা যাবে ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১১:৫৯ পর্যন্ত।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

৪৩তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ৬ আগস্ট
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : আগামী ৬ আগস্ট ৪৩তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেওয়া হবে। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) আজ সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তারিখ ঘোষণা করে। এতে বলা হয়, ৬ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষা হবে।

এই পরীক্ষার হল, আসন ব্যবস্থা এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি আকারে জানানোর পাশাপাশি পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষা অংশ নিতে আগামী ৩১ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

গত বছরের ৩০ নভেম্বর ৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি জানায়, এ পরীক্ষার মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাডারে এক হাজার ৮১৪ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ৩০০ জন, পুলিশে ১০০ জন, পররাষ্ট্রে ২৫ জন এবং শিক্ষায় ৮৪৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

এছাড়া ৪৩তম বিসিএসে অডিটে ৩৫ জন, ট্যাক্সে ১৯ জন, কাস্টমসে ১৪ জন, সমবায়ে ২০ জন, ডেন্টাল সার্জন পদে ৭৫ জনসহ অন্যান্য ক্যাডারে আরও ৩৮৩ জন নিয়োগ দেওয়া হবে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে আকিজ গ্রুপ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : আকিজ গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ‘ইঞ্জিনিয়ার’ পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারেন।

পদের নাম : ইঞ্জিনিয়ার (অটোমেশন অ্যান্ড ইনস্ট্রুমেন্টেশন)।

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা : স্বীকৃত যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে বিএসসি পাস প্রাথীরা আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থীর পাঁচ থেকে সাত বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। অনূর্ধ্ব-৩৫ বছর বয়স পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

কর্মস্থল : ঢাকা (ধামরাই)।

বেতন : আলোচনা সাপেক্ষে।

আবেদনের পদ্ধতি : আগ্রহী প্রার্থীদের বিডিজবস অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের শেষ তারিখ : ৩০ জানুয়ারি, ২০২১।

সূত্র : বিডিজবস

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : ২০২১-বি ডিইও ব্যাচে কমিশন্ড অফিসার নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। কমিশন্ড অফিসার পদে আগ্রহী প্রার্থীরা ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

শাখার নাম : ইঞ্জিনিয়ারিং ও ইলেকট্রিক্যাল শাখা, পুরুষ।

শিক্ষাগত যোগ্যতা : সরকার কর্তৃক স্বীকৃত স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নেভাল আর্কিটেকচার/মেকানিক্যাল/ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস বিষয়ে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং। প্রার্থীকে এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ–৪.৫০ এবং বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে সিজিপিএ–৩.০০ (৪ স্কেলে) প্রাপ্ত হতে হবে।

বয়স : ১ জুলাই ২০২১ তারিখে অনূর্ধ্ব–২৮ বছর (অ্যাফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়)।
বিজ্ঞাপন

শাখার নাম : ভলান্টিয়ার রিজার্ভ কমিশন (বিএনভিআর) সাপ্লাই শাখা, পুরুষ ও নারী

শিক্ষাগত যোগ্যতা : সরকার কর্তৃক স্বীকৃত স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাণিজ্য, পরিসংখ্যান ও অর্থনীতিতে সম্মান অথবা বিবিএ। প্রার্থীকে এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ–৪.৫০ সহ স্নাতক (সম্মান) এবং বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে সিজিপিএ–৩.০০ (৪ স্কেলে) প্রাপ্ত হতে হবে।

বয়স : ১ জুলাই ২০২১ তারিখে অনূর্ধ্ব–২৮ বছর (অ্যাফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়)।

শাখার নাম : শিক্ষা শাখা, পুরুষ ও নারী

শিক্ষাগত যোগ্যতা : সরকার কর্তৃক স্বীকৃত স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি/মনোবিজ্ঞান/পদার্থ/এডুকেশনে স্নাতকসহ (সম্মান) স্নাতকোত্তর। প্রার্থীকে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ–৪.৫০ এবং স্নাতকে (সম্মান) সিজিপিএ–৩.০০ (৪ স্কেলে) প্রাপ্ত হতে হবে।

বয়স : ১ জুলাই ২০২১ তারিখে অনূর্ধ্ব–৩০ বছর (অ্যাফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়)।

সব শাখার জন্য শারীরিক যোগ্যতা : পুরুষের উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, ওজন ৫০ কেজি, বুকের মাপ স্বাভাবিক ৩০ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি। নারীদের উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি, ওজন ৪৭ কেজি, বুকের মাপ স্বাভাবিক ২৮ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি।
 
বৈবাহিক অবস্থা : অবিবাহিত/বিবাহিত

আবেদনের নিয়ম :  আগ্রহী প্রাথীরা http://www.joinnavy.navy.mil.bd–এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
 
আবেদন ফি : ৭০০ টাকা
আবেদনের শেষ সময় : ৩০ জানুয়ারি ২০২১

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

ত্বকের যত্নে চালের গুঁড়া
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : চালের গুঁড়া মানেই তো পিঠাপুলি তৈরির অন্যতম উপকরণ। তবে দৈনন্দিন রূপচর্চায়ও এর কার্যকারিতা কম নয়। কারণ, চালের গুঁড়া এমন একটি উপকরণ, যা সব ধরনের ত্বকের জন্য উপকারী। ত্বক পরিষ্কার করতে চালের গুঁড়া খুব কাজে দেয়। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। আপনি চাইলে ত্বকের যত্নে চালের গুঁড়ার তৈরি প্যাক নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন। এতে ত্বক যেমন হবে বলিরেখাহীন টানটান, তেমনি দূর হবে ত্বকের শুষ্কতা ও মরা চামড়া।

চালের গুঁড়া, ডিম ও গ্লিসারিন : ১ চা চামচ চালের গুঁড়ার সঙ্গে একটি ডিমের সাদা অংশ এবং দুই থেকে তিন ফোঁটা গ্লিসারিন মিশিয়ে নিন। ২০ মিনিট মুখে পেস্টটি লাগিয়ে রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তৈলাক্ত ত্বক যাদের, তারা এই পেস্টটি সপ্তাহে দুইবার লাগান। ত্বক হবে তেলহীন ও উজ্জ্বল।

চালের গুঁড়া, দুধের সর ও হলুদ : দুধের সর ত্বককে হাইড্রেট করতে সহায়তা করে আর হলুদে রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক। ১ চা চামচ চালের গুঁড়ার সঙ্গে ১ চা চামচ দুধ এবং ১ চিমটি হলুদের গুঁড়া মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ত্বকে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন।

চালের গুঁড়া ও ঠাণ্ডা দুধ : চালের গুঁড়ার সঙ্গে ঠাণ্ডা দুধ মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। প্যাকটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন না শুকানো পর্যন্ত। শুকিয়ে গেলে চাল ধোয়া পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার ব্যবহার করলে ধীরে ধীরে উজ্জ্বল হবে ত্বক।

চালের গুঁড়া, মধু ও টক দই : এই তিন উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে লাগিয়ে রাখুন ত্বকে। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আসার পাশাপাশি টানটান হবে ত্বক।  

চালের গুঁড়া, ক্যাস্টর অয়েল, কলা : চালের গুঁড়ার সঙ্গে পাকা কলা ও কয়েক ফোঁটা ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে নিন। এটি ডার্ক সার্কেল দূর করবে। চোখের আশেপাশের ত্বকে লাগিয়ে রাখুন মিশ্রণটি। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন।  

চালের গুঁড়া ও জাফরান : চালের গুঁড়ার সঙ্গে পরিমাণ মতো দুধ ও কয়েকটি জাফরান মিশিয়ে ত্বকে লাগান। এটি ত্বকের রোদে পোড়া দাগ দূর করবে। পাশাপাশি দূর হবে ত্বকে জমে থাকা মরা চামড়া।

স্বাধীন বাংলা/এআর

ত্বকের মৃতকোষ দূর করার উপায়
                                  

জীবনশৈলী ডেস্ক : সাধারণত প্রতি ২৭ থেকে ২৮ দিন পরপর ত্বকের কোষ তৈরি হয় আর ত্বকের উপরিভাগের কোষ মারা যায়। এই মরা কোষ নিচের নতুন কোষের সঙ্গে মিশে থাকে। এগুলো ঠিকমতো পরিষ্কার না করলে ত্বকে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। জেনে নিন মুখমণ্ডলে ত্বকের মৃতকোষ দূর করার কিছু উপায় :-

ফেস স্ক্রাব : মৃতকোষ সরাতে একটি জনপ্রিয় উপায় হলো এক্সফোলিয়েটিং স্ক্রাব বা ফেস স্ক্রাব। কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে যে এটা ত্বককে ড্যামেজ করতে পারে। তাই সঠিক ফেস স্ক্রাব বেছে নিতে হবে। কঠিন কণা রয়েছে এমন প্রোডাক্ট এড়িয়ে চলুন, যেমন- বাদামের খোসা। যেসব স্ক্রাব লবণ বা চিনি থেকে তৈরি করা হয়েছে তা ব্যবহার করতে পারেন, কারণ এগুলো সহজে মিশে যায় ও ত্বকে সূক্ষ্ম ক্ষত সৃষ্টি করে না। শুষ্ক বা সংবেদনশীল ত্বকের জন্য লবণ-চিনির স্ক্রাব উপযুক্ত নয় এবং সপ্তাহে একবারের বেশি ব্যবহার করবেন না।

ওয়াশক্লথ : অতিরিক্ত সংবেদনশীল ত্বকের মৃতকোষ দূর করতে ক্লথওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। একটি ক্লথওয়াশ কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে নিন। তারপর ছোট ছোট বৃত্তে ত্বকে মৃদুভাবে ঘষতে থাকুন। এক্সফোলিয়েশনের পূর্বে মুখমণ্ডল ধুয়ে নিলে আরো উপকার পাওয়া যেতে পারে, কারণ এতে ত্বকের ছিদ্র উন্মুক্ত হয়।

ন্যাচারাল স্পঞ্জ : মুখমণ্ডলের মৃতকোষ অপসারণে ন্যাচারাল স্পঞ্জ বেশ কার্যকর হতে পারে। প্রথমে একটি ন্যাচারাল স্পঞ্জ পানিতে ভিজিয়ে চিপে নিন। তারপর ছোট ছোট বৃত্তে হালকা ঘষে মুখমণ্ডলের মরা কোষ তুলে ফেলুন। ত্বককে উক্ত্যক্ত করতে না চাইলে স্পঞ্জ দিয়ে বেশি চাপ দেবেন না। হালকা ঘর্ষণই মৃতকোষকে তুলে আনতে যথেষ্ট।

কেমিক্যাল এক্সফোলিয়েশন : কেমিক্যাল এক্সফোলিয়েশনের জন্য যেসব প্রোডাক্ট পাওয়া যায় সেগুলোতে মাইল্ড অ্যাসিড থাকে, যা ত্বকের মরা কোষগুলোকে দূর করে। মুখমণ্ডলে এক্সফোলিয়েশনের জন্য বাজারজাত অধিকাংশ প্রোডাক্টেই কম মাত্রায় কেমিক্যাল এক্সফোলিয়েন্ট ব্যবহার করা হয়, তাই এগুলো বেশিরভাগ মানুষের জন্য নিরাপদ। কেমিক্যাল এক্সফোলিয়েন্টের সবচেয়ে প্রচলিত ধরন হলো আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড, বিটা হাইড্রক্সি অ্যাসিড ও রেটিনল।

আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড মৃতকোষগুলোকে সহজে অপসারনের মাধ্যমে নতুন কোষকে প্রকাশমান করে। বিটা হাইড্রক্সি অ্যাসিড বন্ধ হয়ে যাওয়া ত্বকের ছিদ্রকে খুলে দেয়। এটা তৈলাক্ত ত্বকে ব্যবহারের জন্য বেশি উপযুক্ত। আর রেটিনল মরা কোষ অপসারণ ও ব্রণের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। রেটিনল প্রদাহ বাড়াতে পারে। তাই একজিমা, সোরিয়াসিস ও রোসাশিয়া থাকলে রেটিনল এড়িয়ে চলুন।

স্বাধীন বাংলা/এআর

ফ্যাশন জগতের নক্ষত্র পিয়ের কার্দানের চিরবিদায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : আধুনিক ফ্যাশন ব্র্যান্ডিংয়ের পথিকৃত, এলিটদের ফ্যাশন ডিজাইনার পিয়ের কার্দান  চিরবিদায় নিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল  ৯৮ বছর। গতকাল মঙ্গলবার প্যারিসের নিউলি এলাকার এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

রেডি-টু-ওয়্যার পোশাক বিশ্বে পরিচয় করিয়েছেন পিয়ের কার্দান। দীর্ঘ ৭০ বছর তিনি বিশ্ব ফ্যাশনে অবদান রেখেছেন। ফ্যাশনকে সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তার নাম মনে রাখবে বিশ্বের ফ্যাশনপ্রেমীরা।  

ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে পিয়ের কার্দান এভিনিউ গড়েছেন নিজের মত করে। প্যারিসের পোশাক রুচি ছিল সব সময়ই দামি। ফরাসি ফ্যাশন প্রবক্তারা বিশ্বাস করতেন, পোশাক হবে সবার জন্য আলাদাভাবে আলাদা মাপে, আলাদা নকশায় তৈরি; ফ্যাশন হবে এক্সক্লুসিভ, চোখ ধাঁধানো, দামে হবে সেরা।

কার্দান সেই দর্শন ভাঙলেন। মাপ দিয়ে বানানোর ঝামেলা এড়িয়ে দোকান থেকে কিনে নিশ্চিন্তে পরে ফেলা যায়, এমন পোশাক রীতির প্রবর্তন করলেন। উঁচু তলার ফ্যাশনকে নিয়ে এলেন মধ্যবিত্তের নাগালে।

১৯৫০ সালে নিজের ফ্যাশন হাউস তৈরি করেন কার্দান। ১৯৫১ সালে তিনি ডিজাইন করেছিলেন ‘পার্টি অফ দ্য সেঞ্চুরি’-র ৩০টি পোশাক। ওই সময়ে পোশাকগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তারপর থেকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।  

ইতালি, জাপান, আমেরিকা, ইংল্যান্ডের পর প্রথম ফরাসী ডিজাইনার হিসেবে তিনি চীনের সঙ্গেও তার ডিজাইন করা পোশাকের মাধ্যমে যোগসূত্র স্থাপন করেন। তিনিই প্রথম ডিজাইনার যিনি মস্কোর রেড স্কোয়ারে ফ্যাশন শোয়ের আয়োজন করে্ছিলেন, যেখানে প্রায় দুই লাখ দর্শক হয়েছিল।   

পরিবার মৃত্যুর খবর ঘোষণা করার পর কার্দানের অফিসিয়াল ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টে তার একটি উক্তি পোস্ট করা হয়। যেখানে তিনি বলে গেছেন: আমি সব সময় কাজ করেছি আমার নিজের মত করে, যা অন্য সবার চেয়ে আলাদা। আমি সব সময় স্টাইলে আলাদা হওয়ার চেষ্টা করে গেছি, কারণ এটাই টিকে থাকার একমাত্র উপায়।

স্বাধীন বাংলা/এআর

আত্মগ্লানি কাটানোর সহজ উপায়
                                  

জীবনশৈলী ডেস্ক : জীবনে ছোট-বড় নানান কাজে আমরা ব্যর্থ হই। কখনো স্কুল-কলেজের পরীক্ষায়, কখনো কর্মক্ষেত্রে আবার কখনো বা জীবনের দায়িত্ব পালনে। একটি-দুটি কাজে ব্যর্থ হয়ে জীবনটাই বরবাদ হলো- এমন ভাবার কোন কারণ নেই। যেমন ইংরেজি প্রবাদ যার ভাবার্থ ব্যর্থতাই সফলতার চাবি কাটি। সুতরাং ছোট খাটো ব্যর্থতার কথা ভুলে ভাবুন যে আপনি মানুষ এবং আপনাকে দিয়ে সব কিছুই সম্ভব! নেতিবাচক চিন্তা থেকে দূরে থাকার এর চেয়ে ভালো উপায় আর হয় না! জীবনে চলার পথে ছোট-খাট দুর্ঘটনা ঘটবেই। কখনো আমরা হেরে যাব, কখনো সফল হবো। কোনো কাজে ব্যর্থ হওয়া মানে এই নয় যে আর কোনো কাজেই আপনি সফল হবেন না। আর যদি ব্যর্থতায় মন ভেঙেও যায়, এই বোঁধ কাটিয়ে উঠুন ৬টি উপায়ে।

ভালো দিক খুঁজুন : কোনো কাজে ব্যর্থ হলে মানুষ নিজেকে অনবরত দোষারোপ করতে থাকে। আপনি একটি কাজে ব্যর্থ হয়ে গেলেন বলেই কি নিজে মন্দ হয়ে গেলেন? বরং ভেঙে না পড়ে নিজের ভালো দিকগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন। আপনি কোন বিষয়ে ভালো, কী কী ভালো কাজ করেন, কোন কাজগুলো ভালো পারেন - এসব ব্যাপার খুঁজে বের করুন এবং নিজেকে অটোসাজেশন দিতে থাকুন, আপনি একটা বিষয়ে মন্দ তো কী হয়েছে? অন্য বিষয়গুলোতে তো ভালো! আপনার কোন ব্যাপারগুলো নিজের কাছে ভালো লাগে সেগুলো নিয়ে ভাবুন।

আত্মোন্নয়ন করার চেষ্টা করুন : নিজের আত্মিক উন্নতির চেষ্টা করুন। আপনার কেন ব্যর্থ হলেন, আপনার কী ভুল ছিল ভেবে বের করুন, সেগুলো শোধরানোর চেষ্টা করুন। আপনার কর্মজীবন ও ব্যক্তিজীবনে পরিবর্তন আনুন। কর্মক্ষেত্রে আরো কৌঁসুলি ও পরিশ্রমী হোন। ক্যারিয়ারে উন্নতি করার জন্য নিজের স্কিল বাড়ানোর চেষ্টা করুন। যদি নিজের ব্যক্তিগত কিছু আপনার নিজেরই অপছন্দের হয়, তাহলে সেগুলো শোধরানোর চেষ্টা করুন। যদি চেহারা নিয়ে আপনার মধ্যে হীনমন্যতা থাকে তাহলে অন্যান্য বাহ্যিক বিষয়গুলোর দিকে নজর দিন। যেমন পোশাক-আশাক, কথা বলার ভঙ্গি, নিজেকে উপস্থাপনের ঢং ইত্যাদি। মোটকথা নিজের ব্যক্তিত্বকে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করুন। দেখবেন, ব্যর্থতার গ্লানি মুছে গেছে অনেকখানি।

সুন্দর ব্যবহারের অধিকারী হোন : সুন্দর ব্যবহার দিয়ে জয় করা যায় সকলের মন। কেউ যদি আপনার শত্রুও হয়, আপনার ভালো ব্যবহারের কাছে পরাস্ত হয়ে যাবে সেও। সকলের সাথে ভালো ব্যবহার করুন। ভালো ব্যবহারের অধিকারী হলে আপনার ব্যর্থতার কথা কেউ মনেও রাখবে না। ধৈর্য ধরে সকলের কথা শুনুন এবং জবাব দিন। চট করে রেগে যাবেন না। তাহলে অনবরত খোটা দেবার লোক বেড়ে যাবে। আর যদি আপনি শান্ত থেকে ভালো ব্যবহার করেন তাহলে এই মানুষগুলোই আপনার ব্যর্থতায় সান্ত¡না দেবে। আপনি ব্যর্থতার ধকল কাটিয়ে উঠতে পারবেন খুব দ্রুত।

তুলনা নয় : যে আপনার চেয়ে সফল তার সাথে নিজের তুলনা করতে যাবেন না। এতে আপনার মনোকষ্ট বাড়বে বই কমবে না। অন্যের সাথে নিজের তুলনা বার বার নিজের ব্যর্থতার কথাই মনে করিয়ে দেবে। তাই অন্যের সাথে নিজের তুলনা না করে নিজের সাফল্যর সাথেই নিজের ব্যর্থতার তুলনা করুন। এতে যেমন নিজের ভুলগুলো বুঝতে পারবেন, তেমনি নিজের ব্যর্থতার কষ্টও কমে যাবে।

নিন্দুক নিকটজন পরিত্যাগ করুন : আমাদের আশপাশে কিছু মানুষজন থাকে যাদের কাজই হলো অপরের নিন্দা করা! আপনি ব্যর্থ হলে বা মন্দ কাজ করলে নিন্দা তো করবেই, ভালো কিছু করলেও কথা শোনাতে ছাড়বে না! আত্মীয়দের মাঝে যেমন এরকম মানুষ থাকতে পারে, তেমনি থাকতে পারে বন্ধুদের মাঝেও। এমন মানুষদের সঙ্গ ত্যাগ করাই শ্রেয়। এ ধরনের মানুষদের কাছ থেকে যতটা দূরে থাকা যায় ততটাই মঙ্গল। কারণ এরা বারবার মনে করিয়ে দিতে থাকবে আপনার ব্যর্থতার কথা। এদের কথায় কান না দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। নিন্দুকের কটু কথায় কান দিলে আপনি এগোতে পারবেন না, ভবিষ্যতের সাফল্যও আপনার হাতছাড়া হয়ে যাবে। তাই নিন্দুক নিকটজনকে ত্যাগ করুন।

সৃজনশীল প্রতিভার চর্চা করুন : প্রত্যেক মানুষই কোনো না কোনো কাজ ভালো পারে। বিশেষ করে তা যদি হয় সৃজনশীল কিছু, তাহলে ব্যর্থতার গ্লানি কাটিয়ে তা খুবই সাহায্য করে। আপনি গান, নাচ, ছবি আঁকা, আবৃত্তি, লেখালিখি - যাই ভালো পারেন না কেন, সেটার চর্চা করুন। এতে যেমন মন ভালো থাকবে তেমনি যখন অন্যরা এটার প্রশংসা করবে তখন আপনার মন ভরে উঠবে আত্মপ্রশান্তিতে। আর দূরে পালিয়ে যাবে ব্যর্থতার কষ্ট।

স্বাধীন বাংলা/এআর

শীতেও চোখের যত্ন প্রয়োজন
                                  

জীবনশৈলী ডেস্ক : শীতে ত্বকের পাশাপাশি চোখের যত্নও নেওয়া প্রয়োজন। কারণ, এ সময় পরিবেশে ধুলাবালি বেশি থাকে এবং আবহাওয়া শুষ্ক হওয়ায় চোখের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হয়। ফলে চোখের অ্যালার্জি, চুলকানি, ছানিপড়া, শুষ্ক চোখ, খচখচ করার মতো সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। আবার মানসিক চাপ ও পরিবেশের প্রভাবেও অনেকের চোখের সমস্যা দেখা দিতে পারে। শীতকালে কিছু খাবার ও সতর্কতা অবলম্বন করলে এই সমস্যা থেকে রেহাই মিলবে। যেমন-

শরীর আর্দ্র রাখুন : শরীর আর্দ্র রাখতে প্রচুর তরলজাতীয় খাবার খেতে হবে। এমনিতেই শীতে পানি পান কমে যায়। তাই পানি ছাড়াও বিভিন্ন ফলের রস, গরম স্যুপ ইত্যাদি খেতে পারেন, যা শরীর উষ্ণ ও আর্দ্র রাখতে সাহায্য করবে। এতে চোখের শুষ্কভাবও কমে যাবে।

আমলকী : ভিটামিন সি`য়ে পরিপূর্ণ আমলকী শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। এটি শরীরের সংযোগকারী টিস্যুগুলির অখণ্ডতা বজায় রাখে। সেই সঙ্গে রক্তনালী সুরক্ষিত করে। ফলে রেটিনা সম্পর্কিত সমস্যাও কমে।

পেয়ারা : উচ্চ পুষ্টি সমৃদ্ধ পেয়ারা দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে। এই ফল বয়সজনিত চোখের নানা জটিলতাও কমায়।

মিষ্টি আলু : মিষ্টি আলুতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ ও বিটা ক্যারোটিন পাওয়া যায় যা চোখের জন্য খুবই উপকারী। বিটা ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তি উন্নত করার পাশাপাশি ভিটামিন এ চোখের শুষ্কতা কমায়।

শাকসবজি খান: শাকসবজিতে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, ক্যারোটিন ইত্যাদি আছে, যা চোখ ভালো রাখে। ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন–এ চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। চোখের পুষ্টি উপাদানের ‘পাওয়ার হাউস’ বলা যেতে পারে মিষ্টিকুমড়াকে।

স্বাধীন বাংলা/এআর

স্মৃতিশক্তি বাড়ায় ডালিম
                                  

জীবনশৈলী ডেস্ক : ডালিমে রয়েছে ভাইরাস ও টিউমার-রোধী উপাদান। পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন এ, সি এবং ই’সহ ফলিক অ্যাসিডের ভালো উৎস। পুষ্টিগুণে আধিক্যতার কারণে আমাদের স্বাস্থ্য রক্ষায় ডালিমের অবদান অপরিসীম। আর এই স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা ভেবে অনেকেই নিয়মিত ডালিম খেয়ে থাকেন। ডালিম একটি প্রায় চর্বিমুক্ত ফল।

ডালিম দানা হিসেবে খাওয়ার পাশাপাশি এর জুস করেও খেতে পারেন। ডালিম খাওয়ায় রয়েছে বহু উপকারিতা। বাত, অস্টিওআর্থারাইটিস, পেশির ব্যথা কমাতে সাহায্য করে বেদানা। তরুণাস্থির ক্ষয় রুখতেও উপকারী বেদানা। এ ছাড়া এটি হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা উপশম করতে সহায়তা করে।

তাছাড়া রক্তস্বল্পতা দূর করার জন্য বেদানাতে রয়েছে প্রচুর আয়রন। ডালিম রুচি বৃদ্ধি করে, কোষ্টকাঠিন্য রোধ করে। বেদানাতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দাঁতে প্লাক জমতে বাধা দেয়। এ ছাড়া এটি ফাংগাস ইনফেকশনের বিরুদ্ধেও ভূমিকা রাখে। ডালিম স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। আর এ কারণে এটি অ্যালঝেইমার্সের মতো রোগীদের জন্যও উপকারি।

আয়রন, ক্যালসিয়াম, শর্করা ও আঁশ (ফাইবার) সমৃদ্ধ ডালিম রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করে দেহে রক্ত চলাচল সচল রাখে। এতে অ্যানেমিয়া ও রক্তের নানা সমস্যা দূর করতে ভূমিকা রাখে। প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকার কারণে ডালিম রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে। ফলে স্ট্রেস এবং টেনশন কমে, হার্টের অসুখে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। যদি উচ্চ রক্তচাপে ভোগেন তাহলে নিয়মিত ডালিম খাওয়ার অভ্যাস করুন উপকার পাবেন।

ডালিম ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। বিশেষ করে স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে এর ভূমিকা প্রমাণিত হয়েছে গবেষণায়। ডালিম ত্বক সুস্থ রাখতে অনেক ভূমিকা পালন করে। ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন সি, সাইট্রিক আসিড ও ট্যানিন সমৃদ্ধ বেদানা ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে বিশেষ উপকারী। এটি ত্বকের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ রোধ করে।

স্বাধীন বাংলা/এআর

ফুসফুসের জন্য উপকারী যেসব খাবার
                                  

জীবনশৈলী ডেস্ক : শরীরের যে অঙ্গটি নিরলসভাবে কাজ করে যায় তা হল ফুসফুস। শরীরের কার্যকারিতা ঠিক রাখতে ফুসফুসের যত্ন নেয়া প্রয়োজন। অতিরিক্ত বায়ুদূষণ ও ধূমপানের কারণে ফুসফুসের ক্ষতি হয়ে থাকে। তবে কিছু কিছু খাবার আছে যে গুলো ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে। আসুন জেনে নিই যা খেলে ভালো থাকে ফুসফুস :-

আপেল : নিয়মিত আপেল খেলে শ্বাসযন্ত্রের অনেক জটিলতা কমে। আপেলে থাকা ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট  উপাদান অ্যাজমা ও ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

বাদাম : বাদাম ও বীজজাতীয় খাবারে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াস থাকে। যা খাদ্যাভ্যাসের জন্য বেশ উপকারী। এটি ফুসফুসের স্বাস্থ্যকর কার্যাবলী অক্ষুণ্ন রাখতে সাহায্য করে।

অলিভ অয়েল : অলিভ অয়েলে অ্যান্টি -ইনফ্ল্যামেটরী, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন ই থাকায় এটি অ্যাজমা ও শ্বাসযন্ত্রের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করতে ভূমিকা রাখে। সালাদ তৈরি বা রান্নায় এ তেলটি ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।

কোকো : চকলেটে তৈরিতে কোকো ব্যবহার করা হয়। এতে থাকা উচ্চ পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ফুসফুস সুস্থ রাখতে ভূমিকা রাখে। এটি অ্যালার্জিজনিত সমস্যা ও ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমায়।  

গ্রিন টি : গ্রিন টি শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফুসফুসের প্রদাহ কমায় ও কার্যকারিতা বাড়ায়। গবেষণা থেকে জানা গেছে, যারা নিয়মিত দুই কাপ গ্রিন টি পান করেন, তাদের ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ে।

আদা : অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরী উপাদান সমৃদ্ধ আদা ঠান্ডা, কাশি সারাতে ভূমিকা রাখে। এটি শ্বাসনালীতে জমে থাকা টক্সিনও দূর করে। এ কারণে নিয়মিত আদা খেলে ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ে।

মধু : মধুতে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান শ্বাসতন্ত্রের নানা অস্বস্তি কমায়। নিয়মিত মধু খেলে শ্বাসতন্ত্রের নানা জটিলতা কমে।

কাঁচা হলুদ : কাঁচা হলুদে থাকা কারকুমিন উপাদান যেকোন ধরনের প্রদাহ কমায়। সেই সঙ্গে ফুসফুস পরিষ্কার করে এর কার্যকারিতা বাড়ায়। ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়াতে প্রতিদিন এক টুকরা কাঁচা হলুদ চিবিয়ে কিংবা দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন।

স্বাধীন বাংলা/এআর

শীতে শিশুর যত্নে করণীয়
                                  

জীবনশৈলী ডেস্ক : সারাদেশে বইছে শীতের আমেজ। এরই মধ্যে উত্তরের জেলাগুলোতে ধীরে ধীরে জেঁকে বসছে শীত। দিনে রোদের তাপ থাকলেও সন্ধ্যার পর থেকেই কুয়াশা পথঘাটে দৃষ্টিসীমা হরণ করছে। রাত বাড়ার সঙ্গে বাড়ছে কুয়াশার গাঢ়ত্ব। কুয়াশার চাদর ফুঁড়ে উঁকি দিচ্ছে প্রভাতের সূর্য। শীতের আমেজ বোঝা যাচ্ছে রাজধানীতেও। ভোরে বাসা থেকে বের হলেই শীত অনুভূত হয়। বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে শীতের আবহ কেটে গেলেও আগের মতো গরম পড়ছে না। রোদের তেজও কমেছে।

এই মৌসুমের মিশ্র আবহাওয়ায় বড়দের খাপ খাওয়াতে সমস্যায় পড়তে হয়। সেখানে ছোটদের আরও বেশি সমস্যা। স্বাস্থ্য সমস্যার মধ্যে প্রথমে চলে আসে জ্বর, ঠান্ডাজনিত সর্দি-কাশি। বিশেষত শীতের শুরুতে তাপমাত্রা যখন কমতে থাকে, তখনই এর প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। এটা মূলত শ্বাসতন্ত্রের ওপরের অংশের রোগ। চিকিৎসা করলেও ৭ দিন লাগে। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে কাশি কয়েক সপ্তাহ থাকতে। আর শীতে শিশুরা একটু বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ে। তবে দুশ্চিন্তা না করে এ সময়টাতে শিশুদের বিশেষ পরিচর্যা নিলে শীতেও আপনার সোনামণি থাকবে সুস্থ। জেনে নিন শীতে শিশুর যত্নে করণীয় সম্পর্কে :-

এক. শীতের কনকনে ঠান্ডা থেকে শিশুকে রক্ষা করতে অনেকেই মোটা সোয়েটার, দস্তানা, মোজা দিয়ে ঢেকে রাখার চেষ্টা করি। কিন্তু শীতকালীন  এসব প্রয়োজনীয় জিনিস শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় হলেও খুব বেশি উষ্ণতা তার জন্য অস্বস্তি বোধ হতে পারে। এজন্য শিশুকে কাপড় পরানোর আগে আপনার ঘরের তাপমাত্রা মূল্যায়ন করতে হবে; সেই তাপমাত্রা অনুযায়ী শিশুকে পোশাক পরান। শিশুকে এমন পোশাক পরাবেন যা তার শরীর ঢেকে রাখে। তবে এমন কাপড় পরাবেন না যা তার চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে।

দুই. আপনার শিশুর ঘর উষন রাখার জন্য গরম তাপমাত্রা বজায় রাখুন। আপনি যদি এমন কোনও জায়গায় বসবাস করেন যেখানে বেশিরভাগ সময় রাতেই ঠাণ্ডায় পড়ে, তবে জানালা বন্ধ করে রাখুন। যদি আপনার শিশুর ঘরে হিটার ব্যবহার করেন তবে ঘরের তাপমাত্রা তার পক্ষে স্বাচ্ছন্দ্যজনক কিনা তা পরীক্ষা করে দেখুন।  এটি খুব বেশি গরম হওয়া উচিত না। এছাড়া, আপনার শিশুর ঘর বায়ু চলাচল উপযুক্ত রাখুন।

তিন. শীতকালে শিশুকে ম্যাসাজ করার ব্যাপারে চিন্তার প্রয়োজন নেই, কারণ একটা মালিশ তার ত্বক এবং স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত উপকারী হয়ে উঠতে পারে। ভিকস বেবিরাব এর মতো একটি প্রশমনকারী বাম দিয়ে আপনার শিশুকে ম্যাসেজ করলে তা তার ত্বকে আর্দ্রতা বজায় রাখতে এবং সেটি শুকিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করবে। নিয়মিত ম্যাসেজ শিশুর রোগ প্রতিরোধ কার্যক্ষমতার উন্নতি করতে সহায়তা করবে। সুতরাং, প্রতিদিন শিশুকে রুটিন করে মালিশ করার চেষ্টা করবেন।

চার. শিশু যদি ঘুমের সময় জোরে জোরে শাঁ শাঁ শব্দের সাথে শ্বাস ফেলে বা মারাত্মক কাশে তাহলে বুঝবেন সে হয়তো কোনও সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে। তাই তাকে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। আর যদি এটি একটি সাধারণ সর্দি–কাশি হয় এবং অবস্থাটি খুব তীব্র না হয় তবে আপনি ঘরোয়া প্রতিকারগুলো বেছে নিতে পারেন।

পাঁচ. গোসল করানোর পরে আপনার শিশুর দিকে খেয়াল না করলেব তার সর্দি-কাশি হয়ে যেতে পারে। শীতের সময় শিশুকে গোসল করালে গরম পানি ব্যবহার করুন এবং বাথরুম ও ঘরের তাপমাত্রার মধ্যে একটা ভারসাম্য বজায় রাখুন। গোসলের পরে তাকে তোয়ালে দিয়ে জড়িয়ে রাখুন এবং দেরি না করে পোশাক পরিয়ে দিন।

স্বাধীন বাংলা/এআর

পেটের চর্বি কমানোর সহজ উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : পেটে চর্বি জমা বা ভুঁড়ি বাড়ার সমস্যা নিয়ে বিব্রত অনেকেই। শুধু তা-ই নয়, পেটে চর্বি জমা সরাসরি হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কোলন ক্যানসার ইত্যাদির সঙ্গে জড়িত। শরীরের মধ্যভাগে চর্বি বেশি থাকলে বলা হয় ‘আপেল’ শেপের বডি, যা অতিরিক্ত বিএমআইয়ের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর। পেটের চর্বি মূলত ভিসেরাল ফ্যাট। এ থেকে বিপাকক্রিয়ায় নানা জটিলতা ঘটে, রক্তনালিতে ও যকৃতে চর্বি জমে, ইনসুলিন রেসিসট্যান্স হয়।

পেটে চর্বি জমাতে না চাইলে ইনসুলিনের উৎপাদন কমাতে হবে। ইনসুলিন উৎপাদন কমানোর সর্বোত্তম উপায় হলো ডায়েট থেকে কার্বোহাইড্রেট কমিয়ে ফেলা এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে ফ্যাট ও প্রোটিন খাওয়া। এছাড়া দুশ্চিন্তা কমাতে হবে, বেশি করে ঘুমাতে হবে ও প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাকসবজি খেতে হবে। পেটের চর্বি কমাতে লাইফস্টাইলে পরিবর্তন আবশ্যক। পেটের চর্বি কমানোর কিছু কার্যকর উপায় জেনে নিন।

এক. পেটের চর্বি কমানোর উত্তম উপায় হলো প্রোটিন খাওয়া। শরীরে প্রোটিনের কাজ হলো পেশি গঠন করা ও পেশির ঘনত্ব বাড়ানো। পেশির ঘনত্ব যত বাড়বে, শরীর তত বেশি চর্বি পোড়াতে পারবে। সাদা পাউরুটি ও পাস্তার মতো সরল কার্বোহাইড্রেট বাদ দিয়ে গোটা শস্যের মতো জটিল কার্বোহাইড্রেট, মৌসুমী ফল ও শাক-সবজি খান।

দুই. ভার্জিন কোকোনাট অয়েল বা নারকেল তেল খেলে কোমরের আকার ও পেটের চর্বি কমে। প্রতিদিন ২ টেবিল চামচ ভার্জিন কোকোনাট অয়েল খেতে পারেন।

তিন. মানসিক চাপ দীর্ঘস্থায়ী হলে পেটে চর্বি জমতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ করটিসোল নামক হরমোনের উৎপাদন বাড়ায়। করটিসোল ইনসুলিনের উৎপাদন বাড়ায়। বাড়তি ইনসুলিন ওজন বৃদ্ধি করে, বিশেষ করে পেটে চর্বি জমায়। মানসিক চাপ কমাতে প্রশান্তিদায়ক কাজকর্মে যুক্ত হোন, যেমন- মেডিটেশন, গভীর শ্বাসক্রিয়া, প্রশান্তিদায়ক গোসল ও সবুজ পরিবেশে ঘুরে বেড়ানো। প্রতিদিনকার জীবনযাপনে মানসিক চাপ কমাতে পারলে পেটের চর্বি কমে যাবে।

চার. পেটের চর্বি কমানোর ক্ষেত্রে গ্রিন টি হলো একটি পারফেক্ট ডিটক্স ড্রিংক। কফি পানের অভ্যাস থাকলে এখন থেকে এর পরিবর্তে গ্রিন টি পানের কথা বিবেচনা করতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে, ওজন কমাতে দৈনিক চার-পাঁচ কাপ গ্রিন টি পানের প্রয়োজন রয়েছে। গ্রিন টি থেকে সর্বোচ্চ ফল পেতে চিনি ছাড়াই পান করুন।

পাঁচ. শরীরচর্চা ছাড়াই পেটের চর্বি কমানোর একটি উপায় হলো ঘুমানো। স্থূলতা ও পেটের চর্বির সঙ্গে স্লিপ এপনিয়ার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। গবেষণায় স্লিপ এপনিয়ার রোগীদের পেটে অতিরিক্ত চর্বি পাওয়া গেছে। কিন্তু প্রতিরাতে সাত-আট ঘণ্টা ঘুমালে পেটের চর্বি কমতে পারে।

স্বাধীন বাংলা/এআর

শীতে ঠোঁট থাকুক সুন্দর
                                  

জীবনশৈলী ডেস্ক : শীতের শুষ্কতা আসার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের বিশেষ কিছু যতেœর প্রয়োজন পড়ে। শীতে অন্যতম সমস্যা ঠোঁট ফাটা। এছাড়াও ঠোঁট কালো হওয়া এবং প্রাণহীন দেখায়। এজন্য  বারবার লিপ-বাম জাতীয় কিছু ব্যবহার করতে হয়। এগুলো আমাদের ঠোঁটকে সাময়িক স্বস্তি দেয় ঠিকই। কিন্তু স্থায়ী স্বস্তি দেয় না। শীতকালের শুষ্ক ঠোঁটের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার কয়েকটি ঘরোয়া পদ্ধতি হলো-

নারকেল তেল : এতে রয়েছে প্রচুর ফ্যাটি অ্যাসিড। তাই দেরি না করে নিয়মিত ঠোঁটে নারকেল তেল ব্যবহার করুন। নারকেল তেল, অলিভ অয়েল, ক্যারিয়ার অয়েল প্রাকৃতিক ভাবে ময়শ্চারাইজারের কাজ করে। এগুলোর মধ্যে স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। যা ত্বককে আর্দ্র করে। ঠোঁটকে নরম ও কোমল করে তুলে।

মধু-পেট্রোলিয়াম জেলি: মধু খুবই ভালো অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াজাত পদার্থ এবং পেট্রোলিয়াম জেলি ত্বককে কোমল করতে সাহায্য করে, ত্বকের শুষ্ক হয়ে যাওয়া রোধ করে। এই দুটি জিনিস একসঙ্গে ঠোঁটে ব্যবহার করলে ঠোঁট ফাটার সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।

প্রথমে ঠোঁটে মধু লাগিয়ে নিয়ে তার উপর দিয়ে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে নিন। ১০-১৫ মিনিট এই উপাদান ঠোঁটে লাগিয়ে রাখতে হবে। এবার টিস্যু বা পাতলা কাপড়ের সাহায্যে ঠোঁটের ওই আস্তরণ তুলে ফেলুন। প্রতিদিন একবার করে এই দুই উপাদান ঠোঁটে লাগান। এক সপ্তাহের মধ্যেই আপনার ফাটা ঠোঁটের সমস্যার সমাধান হবে।

অ্যালোভেরা : অ্যালোভেরা পাতা কেটে নিয়ে ভিতরে থাকা জেল বের করে একটি পাত্রে রাখতে হবে। ওই জেল রাতে ঘুমতো যাওয়ার আগে ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন। সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন রাতেই এটি ব্যবহার করলে দ্রুত ঠোঁট ফাটা রোধ হবে।

গ্রিন টি ব্যাগ : ফাটা ঠোঁটের সমস্যার সমাধানে এটি অত্যন্ত জরুরি উপাদান। একটি গ্রিন টি ব্যাগ, এক কাপ গরম পানিতে কয়েক মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। এরপর ওই টি ব্যাগটি সরাসরি ফাটা ঠোঁটে লাগিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন একবার করে এটা করতে পারেন। এতে ঠোঁট ফাটা থেকে অনেকটাই মুক্তি মিলবে।

স্বাধীন বাংলা/এআর


   Page 1 of 22
     জীবনশৈলী
মেডিকেলে ও ডেন্টালে ভর্তিপরীক্ষার তারিখ প্রকাশ
.............................................................................................
জেলেদের মাঝে লাইফ জ্যাকেট বিতরণ
.............................................................................................
বাংলাদেশ ব্যাংক ১৪৩৯ জনকে নিয়োগ দেবে
.............................................................................................
৪৩তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ৬ আগস্ট
.............................................................................................
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে আকিজ গ্রুপ
.............................................................................................
বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে
.............................................................................................
ত্বকের যত্নে চালের গুঁড়া
.............................................................................................
ত্বকের মৃতকোষ দূর করার উপায়
.............................................................................................
ফ্যাশন জগতের নক্ষত্র পিয়ের কার্দানের চিরবিদায়
.............................................................................................
আত্মগ্লানি কাটানোর সহজ উপায়
.............................................................................................
শীতেও চোখের যত্ন প্রয়োজন
.............................................................................................
স্মৃতিশক্তি বাড়ায় ডালিম
.............................................................................................
ফুসফুসের জন্য উপকারী যেসব খাবার
.............................................................................................
শীতে শিশুর যত্নে করণীয়
.............................................................................................
পেটের চর্বি কমানোর সহজ উপায়
.............................................................................................
শীতে ঠোঁট থাকুক সুন্দর
.............................................................................................
শীতে যে কারণে খাবেন আমলকী
.............................................................................................
শীতেও ত্বক থাকবে উজ্জ্বল
.............................................................................................
চুল পড়া বন্ধ করার উপায়
.............................................................................................
দুশ্চিন্তা ডেকে আনতে পারে মারাত্মক রোগ
.............................................................................................
যেসব খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়
.............................................................................................
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ব্যায়াম
.............................................................................................
চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার উপায়
.............................................................................................
যেসব খাবার অনিদ্রা দূর করে
.............................................................................................
অতিরিক্ত চুল পড়ার কারণ ও প্রতিকার
.............................................................................................
ভেষজ চা কেন খাবেন
.............................................................................................
চাল ধোয়া পানিতে ত্বক হবে উজ্জ্বল
.............................................................................................
ত্বক সুন্দর রাখার খাবার
.............................................................................................
ঝকঝকে সাদা দাঁতের জন্য
.............................................................................................
উজ্জ্বল ও কোমল ত্বক পেতে আলুর ফেসপ্যাক
.............................................................................................
ঘাড়-পিঠ-কোমর ব্যথায় করণীয়
.............................................................................................
ঘুমের আগে ত্বকের যত্ন
.............................................................................................
আট কাজে মজবুত হবে ভালোবাসা
.............................................................................................
বাড়িতেই তৈরি করুন শক্তিবর্ধক পানীয়
.............................................................................................
চুল পড়া রোধ করার ঘরোয়া উপায়
.............................................................................................
দুধ-মধু একসঙ্গে খাওয়ার উপকারিতা
.............................................................................................
ঘুম কম হলে বিপদ...
.............................................................................................
শরীরে দুর্গন্ধ হওয়ার কারণ
.............................................................................................
ঘরেই তৈরি করুন মজাদার ডোনাট
.............................................................................................
খুশকি দূর করার ঘরোয়া উপায়
.............................................................................................
রমজানে সুস্থ থাকুন
.............................................................................................
ঘরে বসেই নিন ত্বকের যত্ন
.............................................................................................
শবে বরাতে নানা স্বাদের হালুয়া
.............................................................................................
বাড়িতে বসেই শরীরের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করুন
.............................................................................................
শিশুর মেধা বাড়াতে পাঁচ খাবার
.............................................................................................
লিভার ভালো রাখবে যে ১০ খাবার
.............................................................................................
ভালোবেসে দিই উপহার
.............................................................................................
কর্মশক্তি যোগাবে সকালের ছোট অভ্যাস
.............................................................................................
ঠান্ডায় নাক বন্ধ হলে করণীয়
.............................................................................................
যেসব অভ্যাসে বাড়ে মাইগ্রেনের ব্যথা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT