শনিবার, ২ জুলাই 2022 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   জীবনশৈলী -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
অন্য স্বাদের মুরগির মালাইকারি, রইলো রেসিপি

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
চিংড়ির মালাইকারি পছন্দ করেন না এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া মুশকিল বটে। তাই তো মালাইকারি নাম শুনলেই মনে পড়ে চিংড়ির কথা। তবে শুধু চিংড়ি নয় মুরগি দিয়েও রান্না করতে পারবেন মালাইকারি। খুব সহজ উপায়ে মুরগির মালাইকারি রান্না করতে পারবেন। জেনে নিন এই সহজ রেসিপিটি-

উপকরণ:

১. মুরগির মাংস ১ কেজি

২. নারকেলের দুধ ২ কাপ

৩. মিষ্টি দই ২ টেবিল চামচ

৪. আদা বাটা ১ চা চামচ

৫. রসুন বাটা ১ চা চামচ

৬. কাঁচা মরিচ ৫-৬টি

৭. পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল চামচ

৮. কাজুবাদাম বাটা ১ টেবিল চামচ

৯. দারচিনি ২ টুকরো

১০. এলাচ ৪টি

১১. ডিম ১টি

১২. বাদামকুচি ১ চা চামচ

১৩. ময়দা ১ টেবিল চামচ

১৪. ঘি ১ টেবিল চামচ

১৫. লবণ পরিমাণ মতো

১৬. টমেটো পিউরি ৪ চা চামচ

১৭. মরিচ গুঁড়া ২ চা চামচ

১৮. তেল প্রয়োজন মতো

পদ্ধতি:

প্রথমে মাংসের টুকরোগুলো ভালোভাবে ধুয়ে জল ঝরিয়ে রাখুন। এবার এর সঙ্গে আদা-রসুন বাটা, কাঁচা মরিচ বাটা, লবণ, ময়দা এবং ডিম ফাটিয়ে মাখিয়ে ১০ মিনিট ম্যারিনেট করুন।

গ্যাসে প্যান বসিয়ে গরম করে নিন। অল্প ঘি আর তেল দিয়ে গরম করে তাতে মাংসের টুকরোগুলো হালকা বাদামি করে ভেজে তুলে নিন। একই প্যানে পেঁয়াজ বাটা, দারচিনি ও এলাচ দিয়ে একটু ভেজে নিন। এবার এতে আদা-রসুন বাটা, হলুদ ও শুকনা মরিচগুঁড়া দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন।

অন্য স্বাদের মুরগির মালাইকারি, রইলো রেসিপি
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
চিংড়ির মালাইকারি পছন্দ করেন না এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া মুশকিল বটে। তাই তো মালাইকারি নাম শুনলেই মনে পড়ে চিংড়ির কথা। তবে শুধু চিংড়ি নয় মুরগি দিয়েও রান্না করতে পারবেন মালাইকারি। খুব সহজ উপায়ে মুরগির মালাইকারি রান্না করতে পারবেন। জেনে নিন এই সহজ রেসিপিটি-

উপকরণ:

১. মুরগির মাংস ১ কেজি

২. নারকেলের দুধ ২ কাপ

৩. মিষ্টি দই ২ টেবিল চামচ

৪. আদা বাটা ১ চা চামচ

৫. রসুন বাটা ১ চা চামচ

৬. কাঁচা মরিচ ৫-৬টি

৭. পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল চামচ

৮. কাজুবাদাম বাটা ১ টেবিল চামচ

৯. দারচিনি ২ টুকরো

১০. এলাচ ৪টি

১১. ডিম ১টি

১২. বাদামকুচি ১ চা চামচ

১৩. ময়দা ১ টেবিল চামচ

১৪. ঘি ১ টেবিল চামচ

১৫. লবণ পরিমাণ মতো

১৬. টমেটো পিউরি ৪ চা চামচ

১৭. মরিচ গুঁড়া ২ চা চামচ

১৮. তেল প্রয়োজন মতো

পদ্ধতি:

প্রথমে মাংসের টুকরোগুলো ভালোভাবে ধুয়ে জল ঝরিয়ে রাখুন। এবার এর সঙ্গে আদা-রসুন বাটা, কাঁচা মরিচ বাটা, লবণ, ময়দা এবং ডিম ফাটিয়ে মাখিয়ে ১০ মিনিট ম্যারিনেট করুন।

গ্যাসে প্যান বসিয়ে গরম করে নিন। অল্প ঘি আর তেল দিয়ে গরম করে তাতে মাংসের টুকরোগুলো হালকা বাদামি করে ভেজে তুলে নিন। একই প্যানে পেঁয়াজ বাটা, দারচিনি ও এলাচ দিয়ে একটু ভেজে নিন। এবার এতে আদা-রসুন বাটা, হলুদ ও শুকনা মরিচগুঁড়া দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন।

বর্ষাকালে চুলের যত্ন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
শীত-গ্রীষ্মের মতো বর্ষাকালেও চুলের নানা সমস্যা দেখা দেয়। এই সময়ে চুলের বিশেষ যত্ন নেয়া প্রয়োজন। এবিপি আনন্দ সাইটের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বর্ষাকালে চুলের যত্ন নেয়ার জন্য কী কী করতে হবে। চলুন দেখে নেই।

-

১. বর্ষাকালে চুল শুকাতে অনেক বেশি সময় নেয়। চুল শুকানোর অর্থ, মাথার ত্বক যেন সঠিকভাবে শুষ্ক থাকে। বিশেষ করে যদি বৃষ্টিতে চুল ভেজে, তাহলে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে বৃষ্টিতে ভেজার পর বাড়িতে এসে ফের শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধোয়া দরকার। তারপর তা ভালো করে শুকিয়ে তবে বাঁধতে হবে কিংবা শুতে হবে।

-

২. শ্যাম্পু করার মিনিট পনেরো আগে নারকেল তেল দিয়ে তালুতে ম্যাসাজ করতে হবে। এতে চুলের ময়েশ্চারাইজার সঠিক থাকে। চুল পড়া রোধ করে এবং চুল কোমল থাকে।

-

৩. চুল সুস্থ রাখার জন্য খাদ্যাভ্যাসে বিশেষ নজর দেয়া প্রয়োজন বলে মত বিশেষজ্ঞদের। চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে ডিম, বাদাম, দুগ্ধজাত খাবার, শস্যদানা এবং প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাক-সবজি খেতে হবে। এ ছাড়া তালিকায় রাখতে হবে টাটকা ফল, যেমন- বেরি, আঙুর। পালং শাক, মিষ্টি আলু খেতে হবে নিয়মিত।

-

৪. চুল যাতে অহেতুক ছিঁড়ে না যায়, তার জন্য ব্যবহার করতে হবে সঠিক চিরুনি। খুব সরু আলের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ালে চুল তুলনায় অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মোটা আলের চিরুনি দিয়ে ভালো করে রোজ চুল আঁচড়াতে হবে।

-

৫. খুসকির সমস্যা দূর করতে কিংবা চুল পড়া রোধ করতে সপ্তাহে এক দিন হলুদ ও নিমের পেস্ট তৈরি করে তা ব্যবহার করতে হবে। এতে থাকা উপকারী উপাদান চুলের জন্য দারুণ উপকারী।

-

৬. চুলের ডগা ফেটে যাওয়ার সমস্যা রোধ করতে চুল বেঁধে রাখতে হবে। চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। অহেতুক ক্ষতিকর কেমিক্যাল দেয়া রং ব্যবহার করা বন্ধ করতে হবে।

স্বামীর কাছে যে জিনিসগুলো আশা করেন স্ত্রী
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
বেশিরভাগ নারীই মুখ ফুটে মনের কথা বলতে চান না। বিশেষ করে প্রিয় মানুষটির কাছে। তারা মনে মনে প্রত্যাশা করেন, প্রিয় মানুষটি যেন না বলতেই সব বুঝে নেন। এই বুঝতে পারা না পারার দ্বন্দ্বে সম্পর্ক টালমাটাল হয়ে পড়তে পারে! তাই পুরুষকে একটু চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। স্ত্রী মনে মনে কী চায় তা বুঝতে পারার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। অবশ্য মনের কথা তো আর সবটা বোঝা সম্ভব নয়, অন্তত কোন পরিস্থিতিতে স্ত্রী কী করলে খুশি হবে, সেটুকু মাথায় রাখলেই চলবে। জেনে নিন, স্ত্রী আপনার কাছ থেকে মনে মনে কোন বিষয়গুলো আশা করেন-

​ঘরের কাজে সাহায্য করা

সংসার তো দুজনেরই। স্ত্রী যদি গৃহিণী হন তবে সারাদিন বাড়ির কাজই তাকে সামলাতে হয়। এদিকে স্বামী ব্যক্তিটি সারাদিন বাইরে থেকে খেটেখুটে ঘরে ফিরে থাকেন ক্লান্ত। তাই মুখ ফুটে স্বামীকে ঘরের কাজের কথা বলতেও পারেন না। সারাদিন বাড়ির কাজ করে দিনশেষে আপনার স্ত্রীও ক্লান্ত হয়ে যান। তাই তিনি মুখে না বললেও মনে মনে আপনার কিছু সাহায্য প্রত্যাশা করেন। তার প্রতি সহানুভূতিশীল হয়েই আপনি তাকে কিছু কাজে সাহায্য করতে পারেন। এতে আপনাদের সম্পর্ক আরও সুন্দর হবে।

তার কথা শোনা

স্ত্রী যেহেতু আপনার জীবনসঙ্গী তাই জীবনের নানা সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তার মতামত নেওয়া জরুরি। আপনি কেবল নিজের দিকটা ভেবেই সিদ্ধান্ত নিতে যাবেন না। আপনার স্ত্রী কী চাইছেন সেটিও ভেবে দেখুন। তার কথা মন দিয়ে শুনুন। আপনার স্ত্রীও কিন্তু মনে মনে এটাই চান। দুজন মিলে সিদ্ধান্ত নিলে তাতে ভুল হওয়ার ভয় কম থাকবে।

তাকে নিয়ে বেড়িয়ে আসুন

বেশিরভাগ মানুষই ঘুরতে ভালোবাসেন। বিশেষ করে আপনার স্ত্রী যদি বাড়িতেই বেশিরভাগ সময় কাটান তবে তার ইচ্ছাটা আরও বেশি হতে পারে। তাই সময় ও সুযোগ বুঝে তাকে নিয়ে ঘুরতে যান। তার কোথায় যেতে ভালোলাগে তা আগেই জেনে নিন। সেভাবেই পরিকল্পনা করুন।

তাকে ​সারপ্রাইজ দিন

সারপ্রাইজ পেতে সবাই পছন্দ করেন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে ব্যস্ততার কারণে পুরুষেরা বিভিন্ন উপলক্ষ্যের কথা মনে রাখতে পারেন না। এদিকে আপনার স্ত্রী কিন্তু বিশেষ দিনগুলোতে মনে মনে ক্ষণ গুনতে থাকেন, কখন আপনি তাকে সারপ্রাইজ দেবেন। মনে রাখবেন, জীবনে কিছু চমক থাকা প্রয়োজন। নয়তো সম্পর্কগুলো একঘেয়ে হতে শুরু করবে। নতুনত্ব না থাকলে সম্পর্ক যেতে পারে ভাঙনের দিকেও।

তাকে ​প্রাধান্য দিন

সব মানুষই প্রিয় মানুষের কাছে প্রাধান্য পেতে চান, পেতে চান গুরুত্ব। আপনার স্ত্রীও মনে মনে এটাই আশা করেন। তাই তাকে প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা করুন। আপনার কথা, কাজ, আচরণে যেন তিনি বুঝতে পারেন যে তাকে আপনি প্রাধান্য দিচ্ছেন। এতেই তিনি খুশি থাকবেন। এতে আপনাদের সম্পর্ক আরও সুন্দর হয়ে উঠবে।

ফিশ পাকোড়া তৈরির রেসিপি
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
পাকোড়া সাধারণত আমরা সবজি দিয়েই তৈরি করে খাই। কিন্তু এটি চাইলে তৈরি করতে পারেন মাংস কিংবা মাছ দিয়েও। ভাবছেন মাছের কাঁটার কী হবে? এখানে নিতে হবে মাছের মাংসল অংশ, যেখানে কাঁটা নেই। উপরের চামড়াও বাদ দিতে হবে। এক্ষেত্রে ভেটকি, শোল, পাঙ্গাস, কর্ড, পোয়া, কিং ফিশ ইত্যাদি মাছ বেছে নিতে পারেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক ফিশ পাকোড়া তৈরির রেসিপি-

তৈরি করতে যা লাগবে

ফিশ ফিলেট (টুকরো করে কাটা)- ৩০০ গ্রাম

লবণ- স্বাদমতো

হলুদ- সামান্য

মরিচ গুঁড়া- ১ চা চামচ

আদা ও রসুন বাটা- ১/২ চা চামচ।

বেসনের গোলা তৈরিতে যা লাগবে

ডিম- ছোট ১টি

টক দই- ১/৪ কাপ

লবণ- সামান্য

বেসন- ১/৩ কাপ

চালের গুঁড়া- ২ টেবিল চামচ

লবণ- ১/৩ চা চামচ

জিরা- ১/৪ চা চামচ

তেল- ভাজার জন্য

চাট মশলা ও লেবুর রস- পরিবেশনের জন্য।

 

যেভাবে তৈরি করবেন

টুকরো করে কাটা ভেটকি মাছের ফিলেটের সঙ্গে লেবুর রস, লবণ, হলুদ ও আদা-রসুনবাটা দিয়ে ভালো করে মেখে ২০ মিনিট রেখে দিন। এবার একটি বাটিতে ডিম, লবণ ও টকদই দিয়ে ভালো করে ফেটে নিন। এরপর তাতে বেসন, চালের গুঁড়া ও জিরা দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে গোলা তৈরি করে নিন। এবার মাছের টুকরাগুলো গোলায় ডুবিয়ে ডুবো তেলে মচমচে করে করে ভেজে নিন।

সঙ্গীর পাশে ঘুমালে সুস্থ থাকে শরীর, বলছে গবেষণা
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক

দিনের শেষে পরিপূর্ণ ঘুম আরেকটি দিন সুন্দরভাবে শুরু করার রসদ জোগায়। ঘুমের সময় সঙ্গী পাশে থাকলে ঘুম ভালো হয়, সৃষ্টি হয় মিষ্টি কিছু স্মৃতিরও। মশারি টাঙানো নিয়ে ছোটখাটো ঝগড়া, নাকডাকা নিয়ে অপরজনের অভিযোগ, বিছানার বেশিরভাগ দখল নিয়ে কাড়াকাড়ি, এগুলোই এক সময় অভ্যাস হয়ে দাঁড়ায়। এদিকে গবেষণাও বলছে ইতিবাচক খবর। সঙ্গীর পাশে ঘুমালে সুস্থ থাকে শরীর ও মন, এমনটাই জানাচ্ছে গবেষণা।

‘অক্সফোর্ড অ্যাকাডেমিক স্লিপ’-এ প্রকাশিত এক নতুন গবেষণায় জানা গেছে, একা ঘুমানোর বদলে প্রিয় মানুষের পাশে ঘুমালে বিষণ্নতা দূর হয়, কেটে যায় মানসিক উদ্বেগ। এই অভ্যাসের কারণে ঘুম দ্রুত আসে। ভালো ও দীর্ঘ ঘুমের জন্য এই অভ্যাস উপযোগী। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত মনের মানুষের পাশে ঘুমান, তাদের ক্লান্তিভাব কেটে গিয়েছে এবং ঘুম তুলনামূলক বেশি ভালো হয়।

গবেষকদের দাবি, ভালোবাসার মানুষের পাশে ঘুমোনোর অভ্যাস ঘুমের গুণমানকে উন্নত করে। সেইসঙ্গে ঘুমের সময় শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি এবং অনিদ্রাও কমিয়ে দেয় অনেকাংশে। বায়োহ্যাকার এবং মনোবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ টিম বলেন, ‌‘কেউ যখন সঙ্গীর সঙ্গে ঘুমান তখন তার শরীর থেকে একাধিক রাসায়নিকের নিঃসরণের প্রক্রিয়া বেড়ে যায়। আর এসব রাসায়নিক রাতের গভীর নিদ্রায় সহায়ক।’ তার মতে, রাসায়নিকগুলো মূলত এক ধরনের হরমোন, যেগুলোর মধ্যে রয়েছে অক্সিটোসিন বা ভালোবাসার হরমোন এবং সেরোটোনিন বা ভালোলাগার হরমোন। এই গবেষণায় বলা হয়, উচ্চ মাত্রায় অক্সিটোসিন নিঃসরণ হলে কমে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিও।

গবেষণা থেকে স্পষ্টই বোঝা যায়, সঙ্গীর মধ্যে ঘুমের সময় বিরক্তিকর অভ্যাস না থাকলে অপরজনের শরীর খুব দ্রুতই সুস্থতা অনুভব করবে। এদিকে সায়েন্স অ্যালার্টের এক ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ঘুমের সময় সঙ্গীর বিভিন্ন বিরক্তিকর অভ্যাস থাকলেও, তা দীর্ঘদিন একসঙ্গে থাকার কারণে অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়। ঘনিষ্ঠ এবং পরিচিত কারো পাশে ঘুমানোর কারণে আমাদের ভেতরে এক ধরনের নিরাপত্তা বোধ ও ইতিবাচক অনুভূতির সৃষ্টি হয়। এটি ঘুমকে আরও গাঢ় করে।

নরওয়েজিয়ান ইউনিভার্সিটির মেন্টাল হেলথ বিভাগের গবেষক হেনিং জোহানেস ড্রিউজ বলেন, ‘কারো সঙ্গী যদি তাকে ঘুমাতে বাধা দেয় বা ঘুমে ব্যাঘ্যাত ঘটায় তবে সে হয়তো একাই ঘুমাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। এ ধরনের ক্ষেত্রে একা ঘুমানোই বেশি উপকারী।’

পাইলসের সমস্যা দূর করবে যে ৫ খাবার
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক

পাইলসের কষ্ট ভুক্তভোগীরাই জানেন। পাইলসের প্রাথমিক পর্যায়ে খাবারের তালিকায় পরিবর্তন করে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। পাইলস হলে মলত্যাগের সময় রক্তপাতের মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। তাই পাইলস নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। পাইলস থাকলে মলদ্বারের ভেতরে কিছু রক্তনালী ফুলে যায়। কোষ্ঠকাঠিন্য হলে সেই ফুলে যাওয়া রক্তনালী থেকে রক্তপাত হয়। জেনে নিন পাইলস দূর করার জন্য কোন ৫ খাবার খাবেন-


পর্যাপ্ত পানি পান করুন

সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি। এদিকে পাইলস দূর করার জন্যও করতে হবে পর্যাপ্ত পানি পান। অন্যথায় দেখা দেবে কোষ্ঠকাঠিন্য। কারণ পর্যাপ্ত পানি পান করলে মল নরম হবে। শরীরে পানিশূন্যতারও সৃষ্টি হবে না। ফলে দূর হবে পাইলসের সমস্যা। তাই পাইলসের সমস্যা দূর করার জন্য প্রতিদিন তিন লিটারের মতো পানি পান করতে হবে।

ভুসি খান নিয়মিত

পাইলস থেকে মুক্তি পেতে চাইলে ভুসি খেতে হবে নিয়মিত। ভুসিতে থাকে পর্যাপ্ত ফাইবার। এটি আমাদের অন্ত্রে কার্যকরী প্রভাব ফেলে। যে কারণে মল নরম হয়। থাকে না কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা। প্রতিদিন সকালে একগ্লাস পানিতে দুই চা চামচ ভুসি ভিজিয়ে খান। এতে পাইলসের সমস্যা কমবে।

রাতে রুটি খান

আমাদের অনেরকই তিনবেলা ভাত খাওয়ার অভ্যাস। কেউ কেউ রাতের বেলা রুটি খেয়ে থাকেন। আপনার যদি পাইলেসর সমস্যা থাকে তাহলে রাতের বেলা ভাতের বদলে রুটি খাবেন। কারণ ভাতের তুলনায় রুটিতে বেশি ফাইবার থাকে। ফাইবার হজমে সহায়তা করে শরীর সুস্থ রাখে। মল নরম করে দেয়। তাই পাইলস দূর করার জন্য রাতের বেলা রুটি খাওয়ার অভ্যাস করুন।

 

ওটস রাখুন খাবারের তালিকায়

ওটস একটি উপকারী খাবারের নাম। এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভীষণ উপকারী। সেইসঙ্গে এটি পাইলসের রোগীদের ক্ষেত্রেও সহায়ক। ওটসে থাকে প্রচুর ফাইবার। তাই নিয়মিত ওটস খেলে হজম ও মলত্যাগে সমস্যা হয় না। ফলে পাইলস দূর করা সহজ হয়। তাই পাইলসের সমস্যা থাকলে নিয়মিত ওটস খান।

ফল ও শাক-সবজি

ফল ও শাক-সবজি হলো ভীষণ উপকারী খাবার। শুধু পাইলস নয়, যেকোনো অসুখ দূর করতে এসব খাবার যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। কারণ বিভিন্ন ধরনের ফল ও শাক-সবজিতে থাকে প্রচুর ফাইবার। তাই পাইলসের সমস্যা দূর করার জন্য নিয়মিত ফল ও শাক-সবজি খেতে হবে।

স্ট্রোকের শঙ্কা কমাতে প্রকৃতির ছোঁয়া, জানাচ্ছে গবেষণা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
সারাবিশ্বে প্রতি বছর অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয় স্ট্রোকের কারণে। একসময় মনে করা হতো যে, বয়স বাড়লে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। কিন্তু সেই ধারণা একদমই ভুল। বর্তমানে অল্প বয়সেও অনেকেই স্ট্রোকে প্রাণ হারিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জীবনচর্চা আর খাদ্যাভ্যাসে বদল আনতে পারলে অনেকটাই কমানো যেতে পারে প্রাণঘাতী এই রোগের ঝুঁকি।

সম্প্রতি স্ট্রোক প্রতিরোধে আরো একটি দিক উন্মোচিত করলেন বিজ্ঞানীরা। স্পেনের এক দল গবেষকের দাবি, প্রকৃতির কাছাকাছি থাকতে পারলে অনেকটাই কমে স্ট্রোকের ঝুঁকি।

স্পেনের কাতালোনিয়ার গবেষকরা ৩৫ লাখেরও বেশি মানুষের চিকিত্‍সা সংক্রান্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখেছেন। গবেষণা বলছে, যে ব্যক্তিরা অরণ্য কিংবা ঘন গাছপালা রয়েছে এমন প্রাকৃতিক পরিবেশের ৩০০ মিটারের মধ্যে বসবাস করেন তাদের ক্ষেত্রে স্ট্রোকের ঝুঁকি প্রায় ১৬ শতাংশ কম।

কিন্তু কেন এমন হয়?

নিশ্চিত ভাবে বলতে না পারলেও বিশেষজ্ঞদের ধারণা, প্রকৃতির পরশ একাধিক উপায়ে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে। বিশেষ করে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ও চাপ কমাতে চারপাশে গাছপালা থাকা খুবই জরুরি। পাশাপাশি আসেপাশে বাগান থাকলে মানুষের মধ্যে হাঁটাহাঁটির উত্‍সাহও বৃদ্ধি পায়। যা শারীরিকভাবেও ভালো রাখে শরীর। পাশাপাশি, গাছপালা বেশি থাকলে পরিবেশ দূষণের মাত্রা কম থাকে। গবেষকদের দাবি, পরিবেশ দূষণের মাত্রা বাড়লে বেড়ে যেতে পারে স্ট্রোকের আশঙ্কাও।bs

স্নানের আগে বা পরে কি করা উচিৎ নয় জেনে নিন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
বাস্তুশাস্ত্রে, কোথায় থেকে বাড়ি বানাবেন, ঘরে রাখা জিনিসগুলি কীভাবে ব্যবহার করবেন? এগুলি সবিস্তারে যেমন ব্যাখ্যা করা হয়েছে, ঠিক তেমনই বাস্তুতে স্নানের নিয়ম বলা হয়েছে। প্রায়ই দেখা যায় স্নান করে বাথরুম নোংরা করে ফেলে। চলুন জেনে নেওয়া যাক স্নান করার সময় কী ধরনের ভুল করা উচিত্‍ নয়?

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে বাথরুম নোংরা রাখলে রাহু কেতু ক্রুদ্ধ হয়। যা মানুষের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। স্নান করতে গেলে ভুলেও বাথরুমে ভেজা কাপড় রাখবেন না। কারণ এটিকে বাস্তুর একটি বড় দোষ বলে মনে করা হয়।

স্নানের আগে সবসময় নোংরা কাপড় ধুয়ে ফেলুন। স্নানের পর নোংরা কাপড় ধোয়া উচিত্‍ নয়।
ধোয়ার পর কাপড় সাথে সাথে শুকতে দিন।

কাপড় ধোয়ার পর যে নোংরা জলে থাকে তা ফেলে দিন। বালতিতে পরিষ্কার জল ভর্তি রাখার চেষ্টা করুন। কারো কারো এই অভ্যাস থাকে যে স্নান করার পর ছেঁড়া চুল বাথরুমে রেখে দেয়। বাস্তু মতে এটা খুবই ভুল।

স্নানের পর ছেঁড়া চুল বাথরুমে ফেলে রেখে দিলে শনিদেব ও মঙ্গলদেব ক্রুদ্ধ হন এবং খারাপ ফল দিতে থাকেন। করা কাজও খারাপ হতে থাকে।

স্নানের পরে, কলটি সঠিকভাবে বন্ধ করুন কারণ প্রবাহিত জল বাস্তু দোষ তৈরি করে।
বাথরুমে খালি বালতি রাখবেন না। স্নানের পর বালতিতে জল ভরে নিন। না ভর্তি হলে বালতি উল্টে রাখুন।

বাস্তু অনুসারে, জলের পাত্র খালি রাখা আর্থিক সীমাবদ্ধতাকে উত্‍সাহিত করে। এছাড়াও মনে রাখবেন বাথরুমে রাখা জিনিসগুলো এদিক ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখবেন না।

নিয়মিত আপেল খাওয়ার ১০টি স্বাস্থ্য উপকারিতা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
কথিত আছে, নিয়মিত আপেল খেলে নাকি ডাক্তারের কাছে যেতে হয় না। আপেল একটি সুস্বাদু ফল। আপেল খেলে পেটও ভরে বলে হালকা খাবার হিসেবে আপেলের জুড়ি নেই। চোখ ধাঁধানো রঙ এর কারণে ছোটরাও বেশ পছন্দ করেই খায় এই ফলটি। আসুন জেনে নেয়া যাক প্রতিদিন আপেল খাওয়ার ১০টি স্বাস্থ্য উপকারীতা

১.
ক্যান্সার প্রতিরোধঃ আপেল ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে । আপেলের মধ্যে পেকটিন জাতীয় একটি উপাদান থাকে যা শরীরকে কোলন ক্যান্সার থেকে দূরে রাখে। ফুসফুসের ক্যান্সার ও লিভার ক্যান্সার প্রতিরোধেও আপেলের ভূমিকা আছে।

২. হার্ট ভালো রাখেঃ আপেলে রয়েছে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট উপাদানসমূহ, যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

৩. ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকেঃ প্রতিদিন গড়ে ৩টি আপেল খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা বেশ সহজ হয়।

৪. দাঁত ভালো রাখেঃ আপেলের রস দাঁতের জন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। ফলে দাঁত ভালো থাকে।

৫. ত্বক ভালো থাকেঃ গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে প্রতিদিন আপেল খেলে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হয়।

৬. হজম ক্ষমতা বাড়েঃ প্রতিদিন আপেল খেলে হজমের জন্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরী হয় পেটে| ফলে হজম শক্তি বাড়ে।

৭. হাড় শক্ত করেঃ আপেলে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে বোরন যা হাড়কে শক্ত রাখতে সাহায্য করে।

৮. অ্যালঝেইমার্স প্রতিরোধঃ প্রতিদিন আপেল খেলে বয়সজনিত জটিল অ্যালঝেইমার্স রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।

৯. জলশুন্যতা দূর করেঃ আপেলে আছে প্রচুর পরিমানে জল যা তৃষ্ণা ও জলশুন্যতা দূর করে এবং শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সহায়তা করে।

১০. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেঃ আপেলে পেকটিন নামের একটি উপাদান থাকে। পেকটিন ইনসুলিনের পরিমাণ ঠিক রেখে ডায়াবেটিস।

রক্তে শর্করার মাত্রা কম থাকবে এই উপায়ে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
ডায়াবিটিস বা বহুমূত্র এমন একটি রোগ যা আরও অনেক রোগের জন্ম দেয়। তাই এটিকে বলা হয় বহু রোগের জন্মদাতা বা পিতা। ডায়াবিটিস থেকে বাঁচতে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত জরুরি। রোগ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যেমন জরুরি, তেমনই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে জীবনযাত্রাও। বিশেষজ্ঞদের মতে, ৯টি সহজ নিয়ম মেনে চললেই কম থাকবে রক্তে শর্করার পরিমাণ। জেনে নিন কী সেই ৯ উপকারী উপায়-

১। নিয়মিত শরীরচর্চা ও হাঁটাহাঁটি করা অত্যন্ত জরুরি। রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে এটিই সবচেয়ে মোক্ষম ওষুধ।

২। খাদ্যে লাগাম টানুন। বাঙালি দুধে-ভাতে বা মাছে-ভাতে থাকতে পছন্দ করে বটে। তবে তিন বেলা ভাত খাওয়া এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

৩। বেশি বেশি ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খান। এতে ধীর হয় বিপাকের গতি। আচমকা শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় আশঙ্কা কম থাকে।

৪। পর্যাপ্ত পানি পান করুন। রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেলে কিডনিতে চাপ পড়ে। পানিশূন্যতা দেখা দিলে আরও বাড়তে পারে বিপদ।

৫। একসঙ্গে প্রচুর খাবার না খেয়ে ভাগে ভাগে খাবার খান। প্রয়োজনে নিন পুষ্টিবিদের পরামর্শ।

৬। খাওয়ার সময়ে খোঁজ নিন খাবারের গ্লাইসেমিক সূচক সম্পর্কে। যে যে খাবারের গ্লাইসেমিক সূচক বেশি, সেই খাবারগুলো এড়িয়ে চলুন।

৭। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন। মানসিক চাপ বাড়িয়ে দেয় ডায়াবিটিসের ঝুঁকি। মানসিক স্বস্তিতে থাকতে প্রয়োজনে পরামর্শ নিন মনোবিদের।

৮। নিয়মিত মাপুন রক্তের শর্করার মাত্রা। সেই অনুযায়ী পরিবর্তন করুন খাওয়া ও পথ্যের তালিকা।

৯। ধূমপান ও মদ্যপান ত্যাগ করুন। ডায়াবিটিসের সমস্যা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয় এই অভ্যাসগুলো।

পটলের স্বাস্থ্য উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ অনেক
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক

পটলে খুব কম পরিমানে ক্যালরি রয়েছে ফলে এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। পটল তরকারি হিসাবে আমরা বিভিন্ন ভাবে খেয়ে থাকি। এটি ভাজি,ভর্ত্তা, ও রান্না করে খাওয়া যায়। বর্তমানে পটল আয়ুর্বেদে ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি গ্যাসট্রিক সমস্যার চিকিৎসার জন্য ব্যববহৃত হয়।

 

আমাদের খুব পরিচিত একটি সবজি পটল। পটলের স্বাস্থ্য উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ রয়েছে অনেক। পটলে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও খনিজ উপাদান রয়েছে। এতে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি 1, ভিটামিন বি 2 এবং ভিটামিন সি সহ আরোও অনেক দরকারি উপাদান রয়েছে। পটলে খুব কম পরিমানে ক্যালরি রয়েছে ফলে এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। পটল তরকারি হিসাবে আমরা বিভিন্ন ভাবে খেয়ে থাকি। এটি ভাজি,ভর্ত্তা, ও রান্না করে খাওয়া যায়। বর্তমানে পটল আয়ুর্বেদে ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি গ্যাসট্রিক সমস্যার চিকিৎসার জন্য ব্যববহৃত হয়।এবং এটি একটি প্রাকৃতিক আফ্রোডিসিয়াক হিসাবে ব্যবহৃত হয় যা যৌন জীবন উন্নত করতে পারে। পটলের উপকারিতা নিচে আলোচনা করা হলো।


পটলের স্বাস্থ্য উপকারিতা
পটল শুধু সবজিই নয় এটি স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দারুন ভূমিকা রাখে।কারন পটলে বিভিন্ন ধরনের উপাদান রয়েছে তার মধ্যে ক্যালসিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অন্যতম। পটল খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া এটি কৃমি দূর করে কাশি ও জ্বরে ভালো কাজ করে। তাছাড়া পটলের পুষ্টিগুণ প্রচুর থাকায় এটি সকলের কাছে পছন্দের সবজি। আরো ও পটলের উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিই।

কোলেস্টেরল কমায়
পটলে ক্যালরির পরিমান কম থাকায় এটি আমাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। তাই এই সবজি সকলে খেতে পারে। যাদের কোলেস্টেরল এর মাত্রা বেশি তাড়া নিয়মিত পটল খেলে এর মাত্রা স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

হজম শক্তি বৃদ্ধি করে
আমরা সকলে কম বেশি জানি যার হজমক্রিয়া ভালো তার স্বাস্থ্য ও ভালো থাকে। হজমশক্তির উপর দেহের ভারসাম্য নির্ভর করে। আমরা যে সকল খাদ্য দ্রব্য খেয়ে থাকি তা হজমক্রিয়ার মাধ্যমে সমস্ত শরীরে পৌছায়। তাই যখন হজম ভালো হয় খাদ্যের সার অংশ দেহের সমস্ত স্থানে পৌছায়। এই প্রধান কারন পটলে প্রচুর পরিমানে ফাইবার রয়েছে। যে খাদ্যে ফাইবার এর পরিমান যত বেশি সেই খাদ্য হজমশক্তি তত বৃদ্ধি করে।


কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
বর্তমান সময়ে অধিকাংশ মানুষের কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দেখা যায়। এর কারন আমাদের খাদ্যভাসে ফাইবার জাতীয় খাদ্য কম রাখি। অনেক সময় ফাস্ট ফুড জাতীয় খাদ্য আমাদের বেশি খাওয়া হয়। আর এর জন্য হজমক্রিয়া সঠিক হয় না, ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। নিয়মিত পটল ও পটলে বিচি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

রক্ত ​​পরিশোধক
পটল আমাদের রক্ত, টিস্যু পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং ত্বকের যত্নও প্রদান করে। রক্ত পরিশোধন আমাদের প্রতিটি মানুষের জন্য সত্যই গুরুত্বপূর্ণ। এটি আপনাকে সমস্ত রোগ থেকে মুক্ত রাখবে। তাছাড়া আমাদের দেহের ভিতরে থাকা অমেধ্যগুলি রক্ত ​​প্রবাহ থেকে দূরে চলে যাবে। রক্ত পরিস্কার হলে সকল ধরনের চর্মরোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

মাথা ব্যাথা দূর করে
পটল খাদ্য তালিকায় যেমন প্রথম দিকে এর ঔষধিগুণ ও সবার উপরে। মাথা ব্যাথা হলে পটলের রস মাথায় নিলে ব্যাথা দূর হয়ে যাবে। তাছাড়া নতুন চুল গজাতে পটলের রস ব্যবহার করা হয়।

ওজন নিয়ন্ত্রণ করে
পটলে কম ক্যালরি থাকায় এটি খেলে ওজন বৃদ্ধি পাবে না। বরং নিয়মিত পটল খেলে ওজন স্বাভাবিক অবস্থায় চলে আসবে। পটলের সাথে সাথে এর বিচিও অনেক উপকারি এটিতে অধিক পরিমানে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় কোলেস্টেরল ও চিনির পরিমাণ স্বাভাবিক থাকে।

পটলের পুষ্টিগুণ
আমরা অনেকেই জানিনা পটলের পুষ্টিগুণ কত। এটি দেহের শক্তি যোগাতে দুর্দান্ত কাজ করে থাকে। নিচে পটলের পুষ্টি উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হলো
প্রতি ১০০ গ্রাম পটলে আছে
পরিমান উপাদান
খাদ্যশক্তি ৩১ কিলোক্যালরি
ফাইবার ৩ গ্রাম
আমিষ ২.৪ গ্রাম
ভিটামিন এ ২৫৫ আইইউ
লোহা ১.৭ মিলিগ্রাম
শর্করা ৪.১ গ্রাম
ক্যালসিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম
ভিটামিন সি ২৯ মিলিগ্রাম
নিকোটিনিক এসিড ০.৫ মিলিগ্রাম
ফসফরাস ৪০ মিলিগ্রাম
পটাশিয়াম ৮৩ মিলিগ্রাম
চর্বি ০.৬ গ্রাম

পেঁয়াজ খাওয়ার উপকারিতা গুনাগুন সম্পর্কে জেনে নিন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
রান্নার কাজে প্রয়োজনীয় একটি উপাদান হলো পেঁয়াজ। কাঁচা পেঁয়াজেরও আছে অনেক রকম ব্যবহার। খাবারে স্বাদ এবং রং যোগ করতে সাহায্য করে এটি। শুধু তাই নয়, পেঁয়াজে আছে অনেক অনেকগুলো পুষ্টি উপাদান। এগুলো আপনাকে রক্ষা করবে মৌসুমী বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে।

পেঁয়াজের গুণ

ফ্ল্যাভোনয়েড নামক উদ্ভিজ যৌগ এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ হলো পেঁয়াজ।

এটি আমাদের হাড়ের স্বাস্থ্য, হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্য এবং কিছু নির্দিষ্ট ধরনের ক্যান্সার ও ডায়াবেটিস থেকে বাঁচতে সাহায্য করে। একটি মাঝারি আকারের পেঁয়াজে ৪৪ ক্যালোরি থাকে এবং এটি ভিটামিন সি দিয়ে পূর্ণ। তাই নিয়মিত খাবারের তালিকায় পেঁয়াজ যোগ করতে হবে। এতে সুস্থ থাকার পথ আরও সহজ হবে।

গরমে পেঁয়াজ খাওয়ার উপকারিতা

গরমের সময়ে পেঁয়াজ খাওয়ার রয়েছে অনেক উপকারিতা। আমাদের জানা আছে নিশ্চয়ই, সর্দি-কাশির নিরাময় হিসেবে সেই প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে পেঁয়াজ। তাই তো গরমের সময়ে খাবারের তালিকায় পেঁয়াজ যোগ করতে বলেন পুষ্টিবিদেরা। এতে এসময় সর্দি-কাশির সমস্যা হলে সহজেই সুস্থ হওয়া সম্ভব।

শক্তিশালী রাসায়নিক

পেঁয়াজে আছে শক্তিশালী রাসায়নিক উপাদান। যে কারণে পেঁয়াজ খেলে কমে ক্যান্সারের ঝুঁকি সেইসঙ্গে এটি সুস্থ রাখে পাচনতন্ত্রকেও। পেঁয়াজ খেতে পারেন অনেক ধরনের খাবারের সঙ্গেই। এটি সালাদের সঙ্গে যোগ করেও খেতে পারেন। সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে পেঁয়াজ একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

হিটস্ট্রোক এড়াতে

তীব্র গরমে হিটস্ট্রোকের মতো সমস্যা থেকে বাঁচতে সাহায্য সাহায্য করবে পেঁয়াজ। কারণ পেঁয়াজে থাকা অনেক উপকারী উপাদান প্রখর রোদে তাপ রক্ষা করে। পেঁয়াজ খেলে তা শরীরে শীতলতা এনে দিতে পারে। তাই গরমের সময়ে হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচতে নিয়মিত পেঁয়াজ রাখুন পাতে।

ভিটামিন ও খনিজ

পেঁয়াজে আছে পর্যাপ্ত ভিটামিন, খনিজ এবং উদ্ভিদ রাসায়নিক। এসব উপাদান বিভিন্ন উপায়ে আমাদের স্বাস্থ্যের উপকার করে। শুধু তাই নয়, হৃদরোগ, মাথাব্যথা, মুখের আলসার ইত্যাদি সমস্যায়ও পেঁয়াজ উপকার করে। পেঁয়াজে আছে কোয়ারসেটিন নামক উপাদান যা আমাদের ঘামাচি থেকে রক্ষা করে।

 

স্লিম হতে চান? আজই বাদ দিন এই ৫ ফল
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক

শরীর সুস্থ-সবল রাখতে যে খাবারগুলি অপরিহার্য, তার মধ্যে অন্যতম হল ফল। তাই খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন প্রকার মরসুমি ফল রাখার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখার পাশাপাশি শরীরের বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও ফলের বিকল্প নেই। কিন্তু সব রকম ফল কি ওজন কমাতে পারে? পুষ্টিবিদরা বলছেন, ওজন কমিয়ে রোগা হতে চাইলে খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিতে হবে কয়েকটি ফল।

আসুন জেনে নেওয়া যাক, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে কোন কোন ফল খাওয়া বন্ধ করতে হবে -

অ্যাভোকাডো:
ওজন কমাতে চাইলে যে কোনও উচ্চ ক্যালরিযুক্ত ফল কম খাওয়া উচিত। আর এই উচ্চ ক্যালরিযুক্ত ফলগুলির মধ্যে একটি হল অ্যাভোকাডো। এই ফলটিতে হেলদি ফ্যাট থাকে, তাই বেশি পরিমাণ খাওয়া হলে ওজন কমার পরিবর্তে বেড়ে যেতে পারে। তবে একেবারেই খাওয়া বন্ধ করে দেবেন না, বরং পরিমিত পরিমাণে খাওয়া ভাল।

নারকেল:
নারকেল খুবই স্বাস্থ্যকর হলেও, প্রচুর পরিমাণে খেলে শরীরের ওজন বাড়তে পারে। এতে ক্যালরি এবং কার্বোহাইড্রেট খুব বেশি থাকে।

ড্রাই ফ্রুটস:
ড্রাই ফ্রুটস, যেমন - প্রুনস, কিশমিশ, এগুলিতে বেশি ক্যালোরি থাকে। বলা হয় যে, এক গ্রাম কিশমিশে আঙুরের তুলনায় বেশি ক্যালরি থাকতে পারে। তাই ওজন কমাতে চাইলে ড্রাই ফ্রুটস সীমিত পরিমাণে খাওয়াই ভাল।

কলা:
হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন! কলা অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর হলেও ওজন কমাতে সাহায্য করে না। কলায় প্রচুর ক্যালরি এবং প্রাকৃতিক শর্করা থাকে। দিনে ২-৩টি কলা খেলে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। তাই সারা দিনে মাত্র একটি কলা খাওয়াই ভাল।

আম:
আনারস এবং আমের মতো গ্রীষ্মকালীন ফলগুলিতে গুপ্ত ক্যালরি থাকতে পারে, যে কারণে আপনার ওজন কমানোয় বাধা পড়তে পারে। তাই, অতিরিক্ত মিষ্টিজাতীয় এই ফলগুলো এড়িয়ে চলাই ভাল।

পরামর্শ্ : এই আর্টিকেলে দেওয়া সমস্ত তথ্য সাধারণ অনুমান এবং তথ্যের উপর ভিত্তি করে লেখা। বিজ্ঞানের নিত্য নতুন আবিস্কার অনেক ধারনাই অদল বদল করতে পারে।তাই আপনার স্বাস্থ্য অনুযায়ী কোনও কিছু করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করে নেবেন।

 

গোলাপ ফুলের পাপড়ীর উপকারিতা
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
গোলাপ ফুলের ব্যবহার একদা আমাদের সমাজ পরিবারের সাথে প্রতিনিয়ত ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকলেও কারের বিবর্তনে তা ভাটা পড়েছে। আগে মহিলারা গোসল করার পানিতে
গোলাপ ফুলের পাপড়ী কিছু সময় ভিজিয়ে রেখে ওই পানি দিয়ে গোসল করতেন। কেউ পুকুরে গোসল করার পর বাসায় গোলাপ ফুলের পাপড়ী ভিজিয়ে রাখা পানি সারা শরীরে খুব যত্নেরসাথে ঢেলে নিতেন।

কিন্তু এখন এর ব্যবহার নেই বললে চলে। গোলাপ ফুলের বিভিন্ন উপকারী দিক নিয়ে দৈনিক স্বাধীন বাংলার আজকের প্রতিবেদন


১. ওজন নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে
গোলাপের পাপড়ি তে বিদ্যমান যৌগ মেটাবলিজমকে উন্নত করে এবং দেহের বিষ দূর করে যা ওজন কমাতে খুবই কার্যকরি। এক মুঠ গোলাপ পাপড়ী সেবনে সেন্স কে উন্নত করবে এবং আপনাকে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত খাবার গ্রহন থেকে দূরে রাখবে যা ন্যাচারাল ভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করবে।

টিপস
এক গ্লাস গরম পানিতে ১০-১৫টি গোলাপের পাপড়ি ছেড়ে দিন এবং অপেক্ষা করুন যতক্ষন পর্যন্ত পানি গোলাপি রং ধারন না করে। এর মধ্যে আপনি সামান্য পরিমাণ মধু এবং এক চিমটি দারুচিনি গুড়া মিশিয়ে নিন। এই পানীয় পান করুন প্রতিদিন সকালে যা আপনার দেহের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সাহায্য করবে।

২. মানসিক চাপ এবং হতাশা দূর করে
হতাশা এবং মানসিক চাপ সাধারণত আসে অনিদ্রা এবং বিশ্রামহীনতার অভাবে যা অত্যন্ত বিরক্তবোধ এবং উদাসীনতা সৃষ্টি করে। গোলাপের পাপড়ি এবং এর নির্যাস এই ধরনের সমস্যা দূর করনে অধিক কার্যকরি। Department of Physiology and Pathology/LTF, University of Paraíba-Caixa এর একটি গবেষণা অনুসারে যখন গোলাপের নির্যাস যখন নাক দিয়ে নিঃশ্বাসের সাথে নেওয়া হয় তখন তা চরম প্রশান্তি সৃষ্টি করে।

টিপস
গরম পানিতে কিছু গোলাপ পাপড়ি ছিটিয়ে নিন এবং সেই পানি দিয়ে গোসল করুন। গরম পানির তাপে গোলাপের সুগন্ধ পুরো ওয়াশরুমে ছড়িয়ে যাবে যা আপনার মনকে অনেক প্রশান্তি দিবে এবং দেহ কে করবে প্রফুল্ল।

৩. কামশক্তি বৃদ্ধিতে
পৃথিবীতে গোলাপ শুধু মাত্র ভালোবাসারই চিহ্ন নয় পাশাপাশির এর রয়েছে কামশক্তি বৃদ্ধির অন্যতম ক্ষমতা। আয়ুর্ভেদা অনুসারে কামভাবনাকে আরো প্রশান্তিদায়ক করতে গোলাপের পাপড়ির অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে। তাদের মতে গোলাপের পাপড়ির দুটি উপকারী ডোজ আপনার দেহ, মন, হৃদপিন্ড এবং নার্ভাস প্রক্রিয়াকে পরিচালিত করতে সহায়তা করে যা সঙ্গমে আপনাকে দীর্ঘস্থায়ী করে তুলবে।

টিপস
কিছু গোলাপ পাপড়ি নিয়ে তা ভালো করে ধুয়ে নিন এবং প্রতিদিন খেতে পারেন এতে আপনি শুধু শক্তিশালী এবং সতেজই অনুভব করবেন না পাশাপাশি আপনাকে সেক্সুয়ালি সক্রিয় রাখবে।

৪. পাইলস সমস্যা দূরি করনে সাহায্য করে
জি আপনি সঠিক শুনেছেন, গোলাপের পাপড়ী পাইলস দূরি করনে খুবই সহয়ায়তা করে। এর অন্যতম কারন হচ্ছে এর মধ্যে রয়েছে ফাইবার এবং পানি এছাড়াও রয়েছে হজম শক্তি বৃদ্ধিকারি যৌগ যা দেহে বিষ বের করে দিতে সাহায্য করে। ব্লিডিং পাইলস দূরি করনে এবং তৎক্ষণাৎ ব্যাথা দূর করনে খুবই কার্যকরি।

টিপস
একমুঠ গোলাপ পাপড়ি নিন এবং ৫০ml পানি মিশিয়ে হামান দিস্তায় পিষিয়ে নিন। এইবার খালি পেটে খেয়ে ফেলুন। এইভাবে ৩ দিন সেবন করুন তাতে আপনি ব্লিডিং পাইলস থেকে মুক্তি পাবেন।

৫. ত্বকের সুরক্ষায়
ত্বকের সুরক্ষায় গোলাপ জল অনেক উপকারী বিশেষ করে সেনসিটিভ ত্বকের রুক্ষতা দূর করতে, ত্বকের তৈলাক্ততা সমাধানে, ত্বককে সফট করতে খুবই কার্যকরি। ত্বকের সুরক্ষার ক্ষেত্রে গোলাপ জলকে বেছে নেওয়াটা খুবই বুদ্ধিমানের কারন এটি ত্বকের গভীরে পরিষ্কার করে যা আপনার ত্বককে অনেক বেশি নবীন করে তুলে। গোলাপ পাপড়িতে বিদ্যমান এন্টিওক্সিডেন্ট এবং এন্টিব্যাক্টেরিয়াল যৌগ যা ত্বকের ত্বকের রুক্ষতা দূর করে ত্বককে দেয় প্রশান্তি এবং ঘামাচি ও চুলকানি থেকে দূরে রাখে।

টিপস
আপনার ত্বকের যত্নের রুটিনের বাইরেও আপনি প্রতিদিন গোলাপ জলের ছিটা ত্বকের লাগাতে পারেন এতে আপনার ত্বক অনেক বেশি গ্লো হয়ে উঠবে।

৬. ব্রন সমস্যা দূরি করনে
আপনি যদি ব্রন সমস্যায় ভুগে থাকেন আর এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে চান তাহলে একমাত্র গোলাপ জল আপনাকে এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে প্রস্তুত। গোলাপের পাপড়ির এন্টিব্যাক্টেরিয়াল যৌগ ব্রন সমস্যা দূর করনে অতীব কার্যকরি। এছাড়াও ফেনিল ইথানল, এন্টিসেপ্টিক যৌগ যা গোলাপ জলে বিদ্যমান তা ব্রনের সমস্যা দূর করবে নিমিষেই।

টিপস
সারা রাত ধরে মেথি পানিতে ভিজিয়ে রাখুন এবং গোলাপ জল দিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। ফেইসে লাগিয়ে নিন এবং ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন তারপর পরিষ্কার ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৭. ঠোঁটের কালার উজ্জ্বল করুন
গোলাপ ঠোঁটের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে কার্যকরি ভূমিকা রাখে। এটি শুধু ঠোঁটের উজ্জ্বলতাই বৃদ্ধি করবে না পাশাপাশি ঠোঁটকে অনেক সফট এবং গোলাপি করে তুলবে। এছাড়াও গোলাপের পাপড়ি ঠোঁট ফাটা দূর করতে সাহায্য করবে।

টিপস
দুধের সর এবং কয়েক ফোটা মধু গোলাপের পাপড়ির সাথে মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এখন আপনি পেস্টটি ঠোঁটে লাগিয়ে নিন। ১৫-২০ মিনিট রাখুন এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

সতর্কতা
যাদের এলার্জিজনিত সমস্যা আছে তারা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তারপর ব্যাবহার করুন।

ত্বকের জন্য গোলাপ ফুল
ত্বক উজ্জ্বল, টানটান ও মসৃণ করতে গোলাপফুল বেশ কার্যকর। গোলাপ জলের থেকে কাঁচা ফুলের পাঁপড়ি ত্বকের জন্য বেশি উপকারী। এই উপাদানটি ত্বকের রুক্ষতা ও কালচে ভাব দূর করে চেহারার জৌলুস ধরে রাখতে সাহায্য করে।

১. নিয়মিত গোলাপফুলের রস মুখে লাগান। এটি প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে কাজ করে, যা চেহারার বলিরেখা দূর করে ত্বককে টানটান করে।

২. গোলাপফুলের রস ত্বককে সতেজ রাখে। দুশ্চিন্তা দূর করতে কয়েকটি গোলাপের পাঁপড়ি মুখে ঘষে কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। এটি মানসিক দুশ্চিন্তা দূর করার পাশাপাশি ত্বকের রুক্ষতাও দূর করবে।
৩. যাঁদের ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক ও স্পর্শকাতর, তাঁরা নিয়মিত ত্বকে গোলাপফুলের এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহার করুন। এটি ত্বককে নরম ও মসৃণ করে।
৪. গোলাপফুলে ভিটামিন সি রয়েছে, যা ত্বকের নতুন কোষ জন্মাতে সাহায্য করে। ত্বকের কালচে ভাব, ব্রণের দাগ ও খসখসে ভাব দূর করতে নিয়মিত গোলাপফুলের পাঁপড়ির সঙ্গে মধু মিশিয়ে মুখে লাগান। পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা গোলাপের পাঁপড়ি পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর এই পাঁপড়ি শিলপাটায় বেটে এর সঙ্গে চার টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার পানি দিয়ে মুখ ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।

ত্বকের কোমলতা বাড়াতে
১. রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ২ কাপ পানিতে একটি তাজা গোলাপ ফুলের পাপড়ি ভিজিয়ে রাখুন। ঘুম থেকে উঠে এই পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের উজ্জ্বলতা ও কোমলতা বাড়বে।
২. ২ টেবিল চামচ মধু, ২ টেবিল চামচ দুধের সাথে শুকনো গোলাপের পাপড়ি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে রাতে ঘুমানোর পূর্বে মুখে লাগান এবং শুকানোর পর ধুয়ে ফেলুন।

ময়েশ্চারাইজার হিসেবে
২ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল ও ১ চা চামচ গোলাপের রস মিশিয়ে মুখে লাগান।এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার এর কাজ করবে।

ব্রণ দূর করতে
১. ব্রণের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে গোলাপের পাপড়ি। ব্রণের স্থানগুলোতে গোলাপের পাপড়ি বেটে লাগাতে পারেন।
২. গোলাপের পাপড়ির সাথে কয়েক ফোটা লেবুর রস মিশিয়ে ব্রণের স্থানটিতে লাগিয়ে ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি ব্রণের সমস্যা দূর করতে বেশ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
৩. নিমপাতা ও আলুর সাথে গোলাপের পাপড়ি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগান। সপ্তাহে ২-৩ বার এটি ব্যবহার করতে পারেন।

অত্মহত্যাকারী অভিনেত্রী পল্লবীর প্রেমিক গ্রেপ্তার
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
কলকাতার টিভি সিরিয়ালের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পল্লবী দে’র মৃত্যুর ঘটনায় তার প্রেমিক সাগ্নিক চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সাগ্নিককে আগেই আটক করা হয়েছিল।

সোমবার রাতভর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালেও চলে জেরা। তার তারপর সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় তাকে।  

অভিনেত্রী পল্লবীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয় রোববার। তখন থেকেই আলোচনায় ছিল সাগ্নিকের নাম। সামনে আসছিল নানা ঘটনা।

পল্লবীর বাবা গতকাল অভিযোগ করেন, ঐন্দ্রিলা নামে একটি মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল সাগ্নিকের। সেজন্যই পল্লবীকে খুন করেছে সাগ্নিক চক্রবর্তী। পল্লবীর টাকাও হাতিয়েছে। তার টাকাতেই কিনেছেন অডি গাড়ি, যাতে চড়ে বেড়াতেন সাগ্নিক।

এই অভিযোগের ভিত্তিতে খুন ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়। তার পর থেকেই শুরু হয় সাগ্নিককে জেরা।

এদিকে সাগ্নিকের প্রাক্তন ‌স্ত্রী সুকন্যা জানিয়েছেন, তার মাধ্যমেই সাগ্নিকের সঙ্গে আলাপ হয়েছিল পল্লবীর। পল্লবী ছিলেন তার খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। সাগ্নিক ছিলেন তার হবু স্বামী। কিন্তু তাতে কিছুই আটকে থাকেনি। একটা সময় তাকে সরিয়েই দু’‌ জনের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সরে যান তিনি নিজেই।

সুকন্যা আরও বললেন, ‌পল্লবী ভালো ছিল না। আর যাই হোক সাগ্নিক কাউকে খুন করতে পারে না।

আচার খাওয়ার লাভ ক্ষতি
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
আচার আমাদের কাছে কেবল একটি খাবারই নয়, এই শব্দের সঙ্গে জড়িয়ে আছে নানা স্মৃতি। নানি-দাদি, মা-চাচিদের তৈরি কত মজার আচার, সেসব চুরি করে খেতে গিয়ে ধরা পড়ার ভয়! এমন অনেক স্মৃতিই আমাদের স্মতিকাতর করে দেয়। খাবারের সঙ্গে একটুখানি আচার হলে খাবারের স্বাদ যেন দ্বিগুণ বেড়ে যায়।

কাঁচা আমের সময়টা আচারপ্রেমীদের কাছে বেশি প্রিয়। কারণ এসময় নানা স্বাদের আচার তৈরি করে সংরক্ষণ করা যায়। সেই আচার খাওয়া যায় দীর্ঘদিন ধরে। তেল আর বিভিন্ন রকম মসলা যোগ হয়ে তা আচারকে আরও বেশি সু্স্বাদু করে তোলে। এই যে আচার আমরা খাই, এটি কি উপকারী? নাকি কেবল স্বাদের কারণেই খেয়ে থাকি? শুধু স্বাদ নয়, আচার কিন্তু শরীরের জন্য অনেক উপকারও করে থাকে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

আচারের উপকারিতা

আচার তৈরি করার সময় তাতে তেল বা ভিনেগার মেশানো হয়। ফল বা সবজির আচার তৈরির ক্ষেত্রে তেল বা ভিনেগারের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ল্যাকটিক, সাইট্রিক ও অ্যাসেটিক তৈরি করে। এই তিন অ্যাসিডই শরীরের পক্ষে ভালো। এই উপাদানগুলো শরীরের মধ্যে উপকারী মাইক্রোবসদের আরও সক্রিয় ও শক্তিশালী করে তুলতে সাহায্য করে। আমাদের অন্ত্রে কাজ করে এই মাইক্রোবস। যে কারণে  আচার খেলে বাড়ে হজমশক্তি, মেটাবলিজম ভালো হয়। সেইসঙ্গে কিছু ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণে থাকে কোলেস্টেরলের মাত্রাও।

বাড়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

আচারে তেল বা ভিনেগার ছাড়াও দেওয়া হয় নানা রকমের মসলা। লবণ, মরিচ, হলুদ ও অন্যান্য মসলা ব্যবহার করার কারণে আচারে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট যোগ হয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, আমরা যদি নিয়মিত আচার খাই তাহলে আমাদের ইমিউনিটি সিস্টেম বা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায় অনেকটাই।

আচার খাওয়ার অপকারী দিক

এদিকে কিছু গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা। সেখানে বলা হয়, প্রতিদিন যদি আচার খান তবে শরীরে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। ফল বা সবজি দিয়ে তৈরি আচারে ক্যালোরি থাকে অনেক কম। তাই আচার খেলে তখন অন্য খাবারও বেশি বেশি খেতে ইচ্ছা করে। আচার খুব দ্রুত খাবার হজম হতে সাহায্য করে এবং ক্ষুধা বাড়িয়ে দেয়, তাই নিয়মিত আচার খেলে অনেক সময় অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়তে পারে। সেসব খাবার খেতে সুস্বাদু হলেও তাতে কোনো পুষ্টি থাকে না। সেসব খাবার শরীরে প্রোটিন, ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে ওজন বৃদ্ধি, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ দেখা দিতে পারে।

বাজার থেকে কেনা আচার নয়

আচার খেতে চাইলে বাড়িতে তৈরি করা আচার খাওয়াই ভালো। কারণ বাজার থেকে কিনে আনা আচারে থাকে অতিরিক্ত লবণ, তেল ও রাসায়নিক। যা শরীরের জন্য মোটেই উপকারী নয়। কাঁচা আমের এই সময়ে তাই বাড়িতে তৈরি করে নিন পছন্দের স্বাদের আচার। পরিমিত পরিমাণে খান, এতে মিলবে উপকারিতা।


   Page 1 of 25
     জীবনশৈলী
অন্য স্বাদের মুরগির মালাইকারি, রইলো রেসিপি
.............................................................................................
বর্ষাকালে চুলের যত্ন
.............................................................................................
স্বামীর কাছে যে জিনিসগুলো আশা করেন স্ত্রী
.............................................................................................
ফিশ পাকোড়া তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
সঙ্গীর পাশে ঘুমালে সুস্থ থাকে শরীর, বলছে গবেষণা
.............................................................................................
পাইলসের সমস্যা দূর করবে যে ৫ খাবার
.............................................................................................
স্ট্রোকের শঙ্কা কমাতে প্রকৃতির ছোঁয়া, জানাচ্ছে গবেষণা
.............................................................................................
স্নানের আগে বা পরে কি করা উচিৎ নয় জেনে নিন
.............................................................................................
নিয়মিত আপেল খাওয়ার ১০টি স্বাস্থ্য উপকারিতা
.............................................................................................
রক্তে শর্করার মাত্রা কম থাকবে এই উপায়ে
.............................................................................................
পটলের স্বাস্থ্য উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ অনেক
.............................................................................................
পেঁয়াজ খাওয়ার উপকারিতা গুনাগুন সম্পর্কে জেনে নিন
.............................................................................................
স্লিম হতে চান? আজই বাদ দিন এই ৫ ফল
.............................................................................................
গোলাপ ফুলের পাপড়ীর উপকারিতা
.............................................................................................
অত্মহত্যাকারী অভিনেত্রী পল্লবীর প্রেমিক গ্রেপ্তার
.............................................................................................
আচার খাওয়ার লাভ ক্ষতি
.............................................................................................
বাসাতেই তৈরি করুন চিংড়ির পাকোড়া, রইল রেসিপি
.............................................................................................
যোগাসন না কি ভারী ব্যায়াম, ফিট সুহানার ভরসা কী
.............................................................................................
তেল ছাড়া রাধুন মুরগির মাংস রান্না
.............................................................................................
কাঁচা আম দিয়ে শোলের ঝোল
.............................................................................................
করলার পুষ্টিগুণ বেশুমার
.............................................................................................
চুলে রং করিয়েছেন? এই অভ্যাস তা নষ্ট করে দিতে পারে
.............................................................................................
গরমে হিট স্ট্রোক এড়াতে করণীয়
.............................................................................................
হিট স্ট্রোক কেন হয়, কী করবেন
.............................................................................................
রুই মাছের ডিমের কাবাব তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
গরমে ত্বক ভালো রাখার উপায়
.............................................................................................
গরমে তৃপ্তির স্বাদ পেতে দুপুরে খান আম-ভাত
.............................................................................................
কিমা আলুর চপ
.............................................................................................
ইফতারে কমলা-পুদিনার জুস
.............................................................................................
বাড়িতে পুদিনার চাষ করবেন যেভাবে
.............................................................................................
ইফতারে চিকেন নাগেট
.............................................................................................
রোজায় পুষ্টিকর খাবার জরুরি
.............................................................................................
ঈদের বাজারে তরুণীদের পছন্দের শীর্ষে ‘কাঁচা বাদাম’
.............................................................................................
তরমুজের খোসায় যতগুণ
.............................................................................................
রোজায় সুস্থ থাকতে যেভাবে খাবার খাবেন
.............................................................................................
রমজান মাসে সহবাস নিয়ে হাদিস কি বলছে
.............................................................................................
সুতিতেও আধুনিক ফ্যাশন
.............................................................................................
জুটি বেঁধে পোশাক ফ্যাশন
.............................................................................................
যেভাবে বানাবেন মিষ্টি কুমড়ার ‘বেগুনি’
.............................................................................................
পপ অফ কালার স্বীকৃতি দিল ৫০ স্বাবলম্বী নারীকে
.............................................................................................
রোজা রেখে মাথা ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে যা করণীয়
.............................................................................................
প্রেমে পড়ার আগে এড়িয়ে যান এই তিন সঙ্গী
.............................................................................................
যারা কখনোই অসুস্থ হন না তাদের ২১ অভ্যাস জানা গেল
.............................................................................................
মশার উৎপাত থেকে মুক্তি দেবে ৫টি গন্ধ
.............................................................................................
প্রেমে পড়লেন ৭০ বছরের বৃদ্ধা, প্রেমিকাকে পেলেন বৃদ্ধাশ্রমেই
.............................................................................................
আপনি সঙ্গীর প্রথম পছন্দ নন এই লক্ষণে বুঝে নিন
.............................................................................................
শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়াতে করণীয়
.............................................................................................
৪৩তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
.............................................................................................
মেডিকেলে ও ডেন্টালে ভর্তিপরীক্ষার তারিখ প্রকাশ
.............................................................................................
জেলেদের মাঝে লাইফ জ্যাকেট বিতরণ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT