মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   উপসম্পাদকীয়
  নির্বাচনে সেনা মোতায়েন প্রত্যাশা এবং সিইসির দৃশ্যপট
  16, September, 2017, 5:12:16:PM

নির্বাচনে পূর্বাপর উদাহরণ ও দৃষ্টান্তের আলোকে দেশের বিভিন্ন পর্ষদের আইনশৃংখলা বাহিনীর যথেষ্ট দক্ষতা, মনোবল, লজিস্টিক সার্পোট ও অবদান থাকা স্বত্ত্বেও শুধু তাদের মাধ্যমে নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্টুভাবে না হওয়ার আশংকা থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ দেশের যে কোন নির্বাচনে প্রার্থী, রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম ও নির্বাচন পর্যবেক্ষক মহল থেকে বারংবারই নির্বাচন আসলেই সেনাবাহিনী মোতায়েনের যেমনি প্রত্যাশা করা হয়ে থাকে তেমনি ইসি ও সিইসির নিকট দাবীও জানানো হয়ে থাকে। যার ফলে ৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে ৭৩, ৭৯, ৮৬, ৮৮, ৯১, ৯৬ - ১৫ ফেব্র“য়ারী, ৯৬ - ১২ জুন, ২০০১, ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে স্ট্রাইকিং ফোর্স এবং ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে নিজ অবস্থান অর্থাৎ ক্যান্টনমেন্টে রিজার্ভ (জবংবৎাব) ফোর্স হিসেবে মোতায়েন রাখা হয়।             

তদোপরি বেশীর ভাগ নির্বাচনেই আনসার, পুলিশ, বিজিবি (সাবেক বিডিআর) আমর্ড পুলিশ, কোস্টগার্ড এবং সেনাবাহিনী আইনশৃংখলা বাহিনীর আলোকেই ইন্সট্রাকশান রিগার্ডিং এইড টু সিভিল পাওয়ার (ওহংঃৎঁপঃরড়হ জবমধৎফরহম ধরফ ঃড় পরারষ ঢ়ড়বিৎ) অনুসারে দায়িত্ব পালন করে থাকে। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের ৯ম জাতীয় সংসদের পর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে, ২০১৩ সালে আরপিওতে (জচঙ) সংশোধনী এনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সংজ্ঞা থেকে সশস্ত্র বাহিনীকে বাদ দেয়া হয়ে থাকে। যদিও ৭২ সালের সংবিধান আরপিওর (জচঙ) ৫ (১) প্রদত্ত অনুচ্ছেদের ক্ষমতা বলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) একাদশ সংসদ নির্বাচনে আইনশৃংখলা রক্ষায় পূর্ণ ক্ষমতা দিয়ে নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে দেশের প্রথিতযশা আইন বিশ্লেষক ও নির্বাচন বিশ্লেষকদের জোরালো অভিমত রয়েছে।

যা ইসি ও সিইসির সাথে ৩১ জুলাই সুশীল সমাজ ১৬ ও ১৭ আগস্ট বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিনিধি, অনলাইন, টেলিভিশন, রেডিওর প্রতিনিধি এবং পরবর্তী সময় দুটি রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনাকালে বেশীর ভাগ উপস্থিতির কাছ থেকেই এই পরামর্শই প্রতিফলিত হয়। যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে সুবিন্যস্থভাবে প্রকাশিত হয়ে থাকে।                

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের গর্ব আমাদের অহংকার। সেনাবাহিনী আমাদেরই ভাই, আমাদেরই স্বজন, বন্ধু এবং আমাদেরই সন্তান। সেনাবাহিনী অন্য কোন ভিন্ন জগতের প্রাণী নহে। তাছাড়া সেনাবাহিনী জাতির সুখ, দুঃখ ও উন্নয়নের সাথীসহ বহিশত্র“র হাত থেকে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষার অতন্দ্র প্রহরী। ৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের উষালগ্ন থেকে ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধে হানাদার বাহিনীকে জলে, স্থলে, আকাশে সমূলে পরাজিত করে দেশ মাতৃকার সূর্যসন্তান  মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় ছিনিয়ে এনে বিশ্বের মানচিত্রে লাল সবুজের পতাকা উড্ডীন করতে অপরিসীম বীরত্বগাথা সৃষ্টি করেছে। তদোপরি ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবর রহমান, মাওলানা ভাসানী, জিয়াউর রহমান, জেনারেল এম.এ.জি ওসমানীর অবদানসহ অন্যান্যদের বীরত্বগাথা ও ত্যাগের অবদানকে কোন মতেই অবজ্ঞা করার সুযোগ নেই।                   

জাতিসংঘের শান্তি মিশনে এ দেশের সেনাবাহিনী দুনিয়ার বিভিন্ন দেশে যে পারফরম্যান্স (ঢ়বৎভড়ৎসধহপব) কৃতিত্ব ও সম্মান খুঁড়িয়েছে তা গোঠা দুনিয়ার মানুষের কাছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশের অকৃত্রিম সম্মান ও প্রশংসার দাবী রাখে।       

আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে কে হারল কে জয় লাভ করল এটা বড় কথা নয়। অবাধ, সুষ্টু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনই দেশের সকল শ্রেণী পেশার মানুষের কাম্য। এর জন্য নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রক্ষার স্বার্থেই সেনাবাহিনীকে স্ট্রাইকিং ফোর্স বা রিজার্ভ (জবংবৎাব) ফোর্স নয় যথাযথ ক্ষমতা অর্পন করে অন্যান্য বাহিনীর সাথে নির্বাচনের দায়িত্বে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রত্যাশা করে আসছে দেশের সুশীল সমাজ ও অনেকেই।      

এদিকে দেশের দুটি প্রধান রাজনৈতিক দল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এর জাতীয় সংসদের বাইরে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের ব্যাপারে পরষ্পর বিরোধী অবস্থান রয়েছে। সরকারী দল আওয়ামী লীগ মূলত নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের পক্ষে নয়। তবে দলটির নেতাদের বক্তব্য থেকে মনে হয় নির্বাচনের সময় স্ট্রাইকিং ফোর্স বা রিজার্ভ (জবংবৎাব) ফোর্স হিসেবে সেনা মোতায়েনে তাদের আপত্তি নেই। অন্যদিকে বিএনপি চাচ্ছে নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনী নিয়মিত আইনশৃংখলা বাহিনীর ভূমিকা পালন করুক।  

একাদশ সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের ব্যাপারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে.এম. নুরুল হুদা ১৭ আগস্ট অনলাইন ও গণমাধ্যমে প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেবে ইসি। কেও চাইল বা না চাইল তার ওপর নির্ভর করে কিছু হবে না। পরিবেশ পরিস্থিতিতে যদি প্রয়োজন মনে করি সবই করব। দরকার মনে না করলে সেনাবাহিনী আসবে না। এটা সম্পূর্ণভাবে ইসির ওপর ছেড়ে দিতে হবে। তারপর ২২ আগস্ট গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে ভোটার তালিকা হাল নাগাদ করা উপলক্ষে রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম পরিদর্শন ও মত বিনিমিয় সভায় নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন সংক্রান্ত ব্যাপারে সিইসি বলেছেন, একাদশ সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের ব্যাপারে আমরা সুস্পষ্টভাবে এখনও কিছু বলতে পারছি না। যদি দেখি সেনাবাহিনী মোতায়েন ছাড়া সুষ্টু নির্বাচন সম্ভব নয় তাহলে সেনাবাহিনী মোতায়েনের ব্যাপারে ভেবে দেখা যাবে। এর আগে ২ জুলাই নির্বাচন কমিশনের সচিব বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতৈক্য হলে আগামী সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে। তিনি আরো বলেছেন, তার জানা মতে নাকি অতীতে কোন সাধারণ নির্বাচনে (সংসদ নির্বাচন) সেনা উপস্থিতি ছাড়া হয়নি।  

দেশের মানুষের প্রত্যাশা ও দাবীর মুখে একাদশ সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে কি হবে না তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে অনেকেই অভিমত রেখে বলেছেন কোন অবস্থাতেই সেনাবাহিনীকে তাদের অবস্থান অর্থাৎ ক্যান্টনমেন্টে বা অন্য কোথায়ও রিজার্ভ রেখে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা করার পদ্ধতি যেন আবিষ্কার না করা হয়। দেশের মানুষ ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনাবাহিনীকে নিজ অবস্থান (ক্যান্টনমেন্টে) রিজার্ভ রাখার কথা গণমাধ্যমেও মিডিয়াতে সেই সময় লক্ষ্য করেছে।  

রিজার্ভ ফোর্স (জবংবৎাব) সম্পর্কে এ নিবন্ধে তথ্য, তত্ত্ব ও বইপুস্তুকের সূত্রের আলোকে ও প্রবীনদের কাছ থেকে শুনে ব্রিটিশ আমলের একটি ঘটনা উপস্থাপন করা হলো। ভারতবর্ষে ১৯৪৭ সালের ১৪ ও ১৫ আগস্ট পাকিস্তান ও হিন্দুস্থান রাষ্ট্র দুটি স্বাধীন হওয়ার আগে এ দেশে জমিদারদের দাপট, নিষ্পেশন ও বিষাদের কাহিনী কারো না জানার কথা নয়। সেই সময় দেশের অন্যান্য এলাকার মতো তদানীন্তন বৃহৎ ময়মনসিংহ জেলায় (বর্তমানে বিভাগ) অনেকগুলো জমিদার ছিল। যা ইতিহাসের পাতায় আজো সাক্ষ্য হয়ে রয়েছে। তাদের মধ্যে মুক্তাগাছা, গৌরিপুর, আঠারবাড়ী, শেরপুর ও কিশোরগঞ্জের পরামানিক অত্যাচারী জমিদারের নাম উল্লেখযোগ্য। তম্মধ্যে শেরপুরের জমিদারের সানে বান্দাইল ঘাট নিয়ে জমিলা সুন্দরীর কিচ্ছা আজো এ অঞ্চলে বহুল প্রচলিত। সেই সময় পাকুন্দিয়া এলাকার জাঙ্গালিয়ায় দগদঘায় জমিদারের তস্য জমিদার কৃষ্টমোহন সাহার প্রজাদের ওপর অকথ্য অত্যাচার, অবিচার, শোষণ নির্যাতনের ঘটনায় প্রজা বিদ্রোহ এবং রিজার্ভ ফোর্সের ব্যর্থতার কথা জানা যায়। উক্ত এলাকায় কৃষ্ট মোহন সাহার বিরুদ্ধে প্রজা অসন্তোষ ও প্রজা বিদ্রোহ দেখা দিলে পাকুন্দিয়া এবং হোসেনপুর থানায় ব্রিটিশের লালটুপী ও হাফপ্যান্ট পরিহিত প্রচুর ফোর্স অবস্থান করে থাকে। জানা যায় সেই

সময় কিশোরগঞ্জ মহকুমার এসডিও বা মহকুমা প্রশাসক ছিলেন ইংরেজ ওয়ারেন থমাস এবং মহকুমার এসডিপিও বা মহকুমা পুলিশ অফিসার ছিলেন রাম সিং এবং ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার দুজনেই ছিলেন ইংরেজ। যা এলাকায় জানাজানি হয়ে গেলে এলাকার সকল প্রজারা সতর্কপন্থা অবলম্বন করে থাকে। একদিন রাতে কৃষ্ট মোহন সাহার বাড়ীতে আসা রাস্তার সমস্ত সংযোগ প্রজারা বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে বড় বড় গাছের ডোম ফেলে রাস্তায় ব্যারিকেড সৃষ্টি করে কৃষ্ট মোহন সাহার বাড়ীতে প্রজারা আগুন দিলে কৃষ্ট মোহন সাহা প্রজাদের ওপর নির্বিচারে গুলি বর্ষন করে। এতে অনেক প্রজা আহত ও নিহত হয়। তারপর প্রজাদের দিকবিদিগ আক্রমণ ও আগুনে সপরিবারে তস্য জমিদার কৃষ্ট মোহন সাহা মারা যাওয়ার পর ব্রিটিশের হাফপ্যান্ট ও লাল টুপি পরিহিত রিজার্ভ ফোর্স এসে ঘটনার ভয়াবহতা দেখে বিকল্প কোন পন্থা না পেয়ে এলাকার নীরিহ, নিরপরাধ ও সাধারণ প্রজাদিগকে রাগে ক্ষোভে অমানুষিক অত্যাচার সহ যা ইচ্ছা তা করে থাকে। এলাকাময় আতংক ও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে থাকে। যদি আগ থেকেই রিজার্ভ ফোর্স এলাকায় সক্রীয়ভাবে অন্যান্য ফোর্স মোতায়েন থাকতো তবে যেমনিভাবে জমিদারসহ তার পরিবার বর্গ প্রজাদের আগুনে মৃত্যুবরণ করতে হত না, তেমনিভাবে তস্য জমিদারের গুলিতে প্রজারা আহত, নিহত ও ব্রিটিশের লাল টুপি মার্কা রিজার্ভ ফোর্সদের মাধ্যমে নিগৃহীত অত্যাচারিত ও শত শত নিরীহ প্রজাকে জেলে যেতে হত না।

আগামী সংসদ নির্বাচন এখনো প্রায় ১৬/১৭ মাস সামনে রয়েছে। কোন অবস্থাতেই সেনাবাহিনীকে রিজার্ভ (জবংবৎাব) বা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে না রেখে নির্বাচনের ১০/১৫ দিন আগ থেকেই পরিপূর্ণ ক্ষমতা দিয়ে সেনাবাহিনীকে নির্বাচনী এলাকায় মোতায়েন রাখার ব্যাপারে দেশের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ প্রত্যাশা ও অভিমত ব্যাক্ত করে আসছে।

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) পরামর্শ দেয়া অনেকের মতো একজন নগন্য নিবন্ধক হিসেবে সুযোগ খুবই পরিমিত। তারপরও বলতে হয়, একাদশ সংসদ নির্বাচনের ব্যাপারে বাস্তবসম্মত বিভিন্ন কর্মপন্থা নেয়ার ব্যাপারে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, গণমাধ্যম প্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক পরিসর থেকে ইসি, সিইসিকে বারবার বলা হচ্ছে এবং যথোপযুক্ত পরামর্শও দেয়া হচ্ছে। তারপরও যদি বোধদয় না হয় এবং দেশে আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে বড় ধরণের কোন জটিলতা হয়, অতীতের মতো আবার নতুন করে একতরফা নির্বাচন হয় এবং পরষ্পর রাজনৈতিক সংঘাতে কোন মায়ের বুক খালি হয়, তাতে ইসি সিইসি দায়ী থাকার কথা বলে বিজ্ঞজনরা মনে করে থাকে।

এখনো ইসি, সিইসির হাতে অনেক সময়। এই সময়ের মধ্যে নির্বাচনে পরিপূর্ণ ক্ষমতা নিয়ে নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে কি থাকবেনা এ ধরণের বক্তব্য থেকে সরে এসে দেশের মানুষের আশা, আকাংখা ও প্রত্যাশার আলোকে নির্বাচনে দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে, এটাকে সাধুবাদ জানিয়ে ঐক্যমত পোষণ দোষের কিছু নহে। বরং ইহাই ইসি সিইসির গর্ব করার মতো উপাখ্যান। তাছাড়া সেনাবাহিনী এদেশেরই সন্তান ও ভোটারও বটে। দেশের জন্য সেনাবাহিনীর দয়া মায়া কারো চেয়ে কোন অংশেই কম নহে।

এখনো সভাসমাবেশে আজিজ মার্কা নির্বাচন কমিশন ও সদ্য বিদায়ী কাজী রকিব কমিশনের কথা আলোচনা, সমালোচনা করতে অনেকেই ভুল করেনি। বর্তমান ইসি এবং সিইসির বিরুদ্ধে এমন অবস্থান পুনরাবৃত্তি হোক, তা কেহ প্রত্যাশা করেনা। নির্বাচন কমিশন এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার দৃঢ় থেকে এবং দৃঢ়তার সাথে সুষ্টু ও শান্তিপূর্ণভাবে যাতে আগামী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করে, পূর্বের সমালোচিত ইসি ও সিইসির ভুলন্ঠিত রেকর্ড ভঙ্গ করে দেশ, জাতি, জনগণ ও বহির্বিশ্বের নতুন দিক দর্শন, অবাধ, স্বচ্ছ, সুষ্টু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ন নির্বাচনের ইতিহাস সৃষ্টি করুক ইহাই সকলের প্রত্যাশা। মনে রাখা উচিত, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে ও ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ আমার, আপনার সকলের। বাংলাদেশ আমাদের অহংকার, বাংলাদেশ আমাদের গর্ব। তদোপরি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যেমনি নবদিগন্তের দিশারী তেমনি আশার আলো।        
 
এ.কে.এম শামছুল হক রেনু
(লেখক কলামিষ্ট)



সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 119        
   শেয়ার করুন
Share Button
   আপনার মতামত দিন
     উপসম্পাদকীয়
জামায়াতীদের নাগরিক মর্যাদা
.............................................................................................
অার নয় যৌতুক
.............................................................................................
আমাদের গণতন্ত্রের অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যত
.............................................................................................
১৭ নভেম্বর মওলানা ভাসানীর মাজার, জনতার মিলন মেলা
.............................................................................................
পুলিশের ভালো-মন্দ এবং অতিবল
.............................................................................................
চালে চালবাজী: সংশ্লিষ্টদের চৈতন্যোদয় হোক
.............................................................................................
একাদশ সংসদ নির্বাচন, ভোটাধিকার এবং নির্বাচন কমিশন
.............................................................................................
নির্বাচনে সেনা মোতায়েন প্রত্যাশা এবং সিইসির দৃশ্যপট
.............................................................................................
৩ মাসের মধ্যে ধর্ষকের ফাঁসি এবং বিজয় বাংলাদেশ
.............................................................................................
শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও বাংলাদেশ
.............................................................................................
মানবিক মূল্যবোধ বিনষ্ট হলে মানুষ পশু সমতুল্য হয়ে পড়ে
.............................................................................................
ফিরে ফিরে আসে ১৫ আগস্ট : কিন্তুু যা শেখার ছিল তা শেখা হলো না
.............................................................................................
ক্ষুদ্রঋণ সহায়তার নামে সুদখোরদের অত্যাচার কবে বন্ধ হবে
.............................................................................................
খেলাপি ঋণের অভিশাপ মুক্ত হোক ব্যাংক খাত
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও ১৫ আগষ্ট
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের সূচনাপর্বই ছিল ঘটনাবহুল
.............................................................................................
জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে আত্মসন্তুষ্টির অবকাশ নেই
.............................................................................................
সার্টিফিকেট নির্ভর নয়, মানসম্পন্ন শিক্ষা জরুরি
.............................................................................................
বাজেট তুমি কার
.............................................................................................
শিক্ষাক্ষেত্রে মায়ের ভূমিকা
.............................................................................................
জাতীয় সংসদ নির্বাচন: দেশী ও বিদেশীদের ভাবনা
.............................................................................................
দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধ হবে কি?
.............................................................................................
হুমকির মুখে গার্মেন্টস শিল্প, কমছে বৈদেশিক আয়
.............................................................................................
ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার গ্রামীণ জনগোষ্ঠির মাঝে আশার আলো
.............................................................................................
নিরপেক্ষ গণমাধ্যম জাতির প্রত্যাশা
.............................................................................................
নারীর উন্নয়নে দেশের উন্নয়ন
.............................................................................................
ভূমিকম্প মোকাবেলায় প্রয়োজন সচেতনতা
.............................................................................................
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো
.............................................................................................
ভূমিকম্পকে ভয় পেলে চলবে না
.............................................................................................
সিইসির বিদায় বেলায় জেলা পরিষদ ও নাসিক নির্বাচন
.............................................................................................
বিজয় দিবস বাঙালির শৌর্য-বীর্যের প্রতীক
.............................................................................................
পাকিস্তানের কূটনৈতিক পরাজয়
.............................................................................................
আইএস বিতর্কের অন্তরালে
.............................................................................................
তেলের মূল্য কমানোর সুফল কার পকেটে ?
.............................................................................................
চাই নিরক্ষরমুক্ত আত্মনিভর্রশীল ডিজিটাল বাংলাদেশ
.............................................................................................
পশ্চিমবঙ্গ: কালো তাড়াই কালো আসবে নতুন আলো...
.............................................................................................
মধ্যপ্রাচ্যে নারী নির্যাতন, আইয়্যামে জাহেলিয়ার দৃশ্যপট
.............................................................................................
বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা
.............................................................................................
গ্রাম নিয়ে যত কথা
.............................................................................................
পদ্মা সেতু থেকে বড়
.............................................................................................
ইউপি নির্বাচনের প্রতিচিত্র
.............................................................................................
ইউপি নির্বাচনের প্রতিচিত্র
.............................................................................................
মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্লিজ!
.............................................................................................
তনু হত্যার প্রসঙ্গ অপ্রসঙ্গ
.............................................................................................
সাগর কুলের নাইয়ারে - মাঝি কোথায় যাচ্ছ বাইয়া
.............................................................................................
বিশ্বময় এই অব্যাহত সন্ত্রাস কেন বন্ধ করা যাচ্ছে না?
.............................................................................................
বিশ্ব পানি দিবস
.............................................................................................
রেলের ভাড়া বাড়ে সেবা বাড়ে না
.............................................................................................
স্বাধীনতার মাস: স্বাধীনতার মূল্যবোধ
.............................................................................................
সংসদে প্রশ্নত্তোর পর্ব; চাকরির বয়স এবং আমাদের প্রত্যাশা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft