শনিবার, 16 ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   রাজনীতি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
জামায়াত বিলুপ্ত করার পরামর্শ দিয়ে ব্যারিস্টার রাজ্জাকের পদত্যাগ

দল বিলুপ্ত এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার জন্য জাতির কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ দিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক। খবর বিবিসির।

দলের আমীর মকবুল আহমদকে পাঠানো পদত্যাগপত্রে আব্দুর রাজ্জাক তাঁর পদত্যাগের কারণ হিসেবে মূলত তুলে ধরেছেন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় দলটির ভূমিকাকেই।

তিনি বলেছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করেছে যাতে একাত্তরের ভূমিকার কারণে দলটি জাতির কাছ ক্ষমা চায়।

বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী।

এসেক্সের বারকিং থেকে পাঠানো চিঠিতে তিনি এও বলেছেন যে ওই ইস্যুতে তিনি জামায়াতকে বিলুপ্ত করে দেয়ারও প্রস্তাব করেছিলেন দলীয় ফোরামে।

এছাড়া পদত্যাগপত্রে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানের আওতায় ইসলামি মূল্যবোধের ভিত্তিতে একটি গণতান্ত্রিক দল গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি, কিন্তু সে দাবি অনুযায়ী জামায়াত নিজেকে এখন পর্যন্ত সংস্কার করতে পারেনি।

চিঠিতে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর আজও দলের নেতৃবৃন্দ ৭১-এর ভূমিকার জন্য ক্ষমা চাইতে পারেনি। এমনকি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ প্রসঙ্গে দলের অবস্থানও ব্যাখ্যা করেনি।

তিনি বলেন, অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন ৭১-এ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জামায়াতের ক্ষতিকর ভূমিকা সম্পর্কে ভুল স্বীকার করে জাতির সাথে সে সময়ের নেতাদের পক্ষ থেকে ক্ষমা চেয়ে পরিস্কার অবস্থান নেয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

আব্দুর রাজ্জাক দীর্ঘদিন ধরে লন্ডনে অবস্থান করছেন। লন্ডন যাওয়ার আগে পর্যন্ত তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সে সময়ে আটক থাকা জামায়াত নেতাদের প্রধান কৌসুলি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৬ সালে জামায়াতের সাথে সম্পৃক্ত হওয়া মি. রাজ্জাক তাঁর পদত্যাগপত্রে বলেন, গত প্রায় দুই দশক তিনি জামায়াতকে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে ৭১-এ দলের ভূমিকা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হওয়া উচিত এবং ওই সময়ে জামায়াতের ভূমিকা ও পাকিস্তান সমর্থনের কারণ উল্লেখ করে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।

তাঁর মতে, জামায়াত ৬০-এর দশকে সব সংগ্রামে যেমন অংশ নিয়েছে, তেমনি ৮০-র দশকে আট দল, সাত দল ও পাঁচ দলের সাথে যুগপৎভাবে সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছে।

মি. রাজ্জাক তাঁর পদত্যাগ পত্রে বলেন, কিন্তু দলটির এসব অসামান্য অবদান ৭১-এ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে তার ভুল রাজনৈতিক ভূমিকার কারণে স্বীকৃতি পায়নি। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা পরবর্তীকালে জামায়াতের সব সাফল্য ও অর্জন ম্লান করে দিয়েছে।

তিনি জানান, ২০০১ সালে জামায়াতের সে সময়ের আমীর এবং সেক্রেটারি জেনারেল মন্ত্রী হওয়ার পর বিজয় দিবসের আগেই ১৯৭১ নিয়ে বক্তব্য দেয়ার জন্য তিনি পরামর্শ দিয়েছিলেন। তখন একটি কমিটি এবং বক্তব্যের খসড়াও তৈরি হয়েছিলো। কিন্তু সেটি আর আলোর মুখ দেখেনি।

এছাড়া, ২০০৫ সালে কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের বৈঠকেও তিনি প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন এবং ২০০৭-০৮ সালে জরুরি অবস্থার সময়েও তিনি জামায়াতকে বোঝানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।

পরে ২০১১ সালে মজলিসে শুরার সবশেষ প্রকাশ্য অধিবেশনেও তিনি বিষয়টি তুলে ধরেন, কিন্তু দলের শীর্ষ নেতাদের একাংশের অবহেলায় তাঁর প্রস্তাব পরাজিত হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এরপরে ২০১৬ সালের ১৯শে মার্চ বর্তমান আমীর মকবুল আহমদকেও চিঠি পাঠিয়ে ১৯৭১ প্রসঙ্গে বক্তব্য দেয়ার প্রস্তাব দেন মি. রাজ্জাক।

মকবুল আহমদ আমীর হওয়ার পর ২০১৬ সালের নভেম্বরে ব্যারিস্টার রাজ্জাকের মতামত চাইলে তিনি জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া সংক্রান্ত একটি খসড়া বক্তব্য পাঠান কিন্তু সেটিও আর বাস্তবায়িত হয়নি।

মি. রাজ্জাক বলেন, সবশেষে ডিসেম্বরের নির্বাচনের পর জানুয়ারি মাসে জামায়াতের করণীয় সম্পর্কে আমার মতামত চাওয়া হয়। আমি যুদ্ধকালীন জামায়াতের ভূমিকা সম্পর্কে দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করে ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ দেই। অন্য কোন বিকল্প না পেয়ে বলেছিলাম, জামায়াত বিলুপ্ত করে দিন।

কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় আমার তিন দশকের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে,- বলেন আব্দুর রাজ্জাক।

তাঁর পদত্যাগপত্রে তিনি বৈশ্বিক রাজনীতির বাস্তবতা ও একাত্তরে দলের ভূমিকা নিয়ে বর্তমানে যে প্রভাব, তা তুলে ধরেছেন দলের আমীরের কাছে।

তিনি বলেন যে জামায়াতে যোগ দেয়ার পর তিনি দলের ভেতর থেকে সংস্কারের চেষ্টা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

‌বিগত ৩০ বছর আমি সেই চেষ্টাই করেছি। আমি কাঠামোগত সংস্কার ও নারীর কার্যকর অংশগ্রহণের পক্ষে ছিলাম। ২০১৬ সালে চিঠি দিয়ে অভ্যন্তরীণ সংস্কারের উপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। অন্য মুসলিম দেশগুলোর উদাহরণ দিয়েছি। কিন্তু কোনো ইতিবাচক সাড়া পাইনি।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন দলের সর্বশেষ পদক্ষেপ তাকে হতাশ করেছে বলেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

জামায়াত বিলুপ্ত করার পরামর্শ দিয়ে ব্যারিস্টার রাজ্জাকের পদত্যাগ
                                  

দল বিলুপ্ত এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার জন্য জাতির কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ দিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক। খবর বিবিসির।

দলের আমীর মকবুল আহমদকে পাঠানো পদত্যাগপত্রে আব্দুর রাজ্জাক তাঁর পদত্যাগের কারণ হিসেবে মূলত তুলে ধরেছেন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় দলটির ভূমিকাকেই।

তিনি বলেছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করেছে যাতে একাত্তরের ভূমিকার কারণে দলটি জাতির কাছ ক্ষমা চায়।

বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী।

এসেক্সের বারকিং থেকে পাঠানো চিঠিতে তিনি এও বলেছেন যে ওই ইস্যুতে তিনি জামায়াতকে বিলুপ্ত করে দেয়ারও প্রস্তাব করেছিলেন দলীয় ফোরামে।

এছাড়া পদত্যাগপত্রে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানের আওতায় ইসলামি মূল্যবোধের ভিত্তিতে একটি গণতান্ত্রিক দল গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি, কিন্তু সে দাবি অনুযায়ী জামায়াত নিজেকে এখন পর্যন্ত সংস্কার করতে পারেনি।

চিঠিতে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর আজও দলের নেতৃবৃন্দ ৭১-এর ভূমিকার জন্য ক্ষমা চাইতে পারেনি। এমনকি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ প্রসঙ্গে দলের অবস্থানও ব্যাখ্যা করেনি।

তিনি বলেন, অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন ৭১-এ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জামায়াতের ক্ষতিকর ভূমিকা সম্পর্কে ভুল স্বীকার করে জাতির সাথে সে সময়ের নেতাদের পক্ষ থেকে ক্ষমা চেয়ে পরিস্কার অবস্থান নেয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

আব্দুর রাজ্জাক দীর্ঘদিন ধরে লন্ডনে অবস্থান করছেন। লন্ডন যাওয়ার আগে পর্যন্ত তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সে সময়ে আটক থাকা জামায়াত নেতাদের প্রধান কৌসুলি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৬ সালে জামায়াতের সাথে সম্পৃক্ত হওয়া মি. রাজ্জাক তাঁর পদত্যাগপত্রে বলেন, গত প্রায় দুই দশক তিনি জামায়াতকে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে ৭১-এ দলের ভূমিকা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হওয়া উচিত এবং ওই সময়ে জামায়াতের ভূমিকা ও পাকিস্তান সমর্থনের কারণ উল্লেখ করে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।

তাঁর মতে, জামায়াত ৬০-এর দশকে সব সংগ্রামে যেমন অংশ নিয়েছে, তেমনি ৮০-র দশকে আট দল, সাত দল ও পাঁচ দলের সাথে যুগপৎভাবে সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছে।

মি. রাজ্জাক তাঁর পদত্যাগ পত্রে বলেন, কিন্তু দলটির এসব অসামান্য অবদান ৭১-এ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে তার ভুল রাজনৈতিক ভূমিকার কারণে স্বীকৃতি পায়নি। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা পরবর্তীকালে জামায়াতের সব সাফল্য ও অর্জন ম্লান করে দিয়েছে।

তিনি জানান, ২০০১ সালে জামায়াতের সে সময়ের আমীর এবং সেক্রেটারি জেনারেল মন্ত্রী হওয়ার পর বিজয় দিবসের আগেই ১৯৭১ নিয়ে বক্তব্য দেয়ার জন্য তিনি পরামর্শ দিয়েছিলেন। তখন একটি কমিটি এবং বক্তব্যের খসড়াও তৈরি হয়েছিলো। কিন্তু সেটি আর আলোর মুখ দেখেনি।

এছাড়া, ২০০৫ সালে কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের বৈঠকেও তিনি প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন এবং ২০০৭-০৮ সালে জরুরি অবস্থার সময়েও তিনি জামায়াতকে বোঝানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।

পরে ২০১১ সালে মজলিসে শুরার সবশেষ প্রকাশ্য অধিবেশনেও তিনি বিষয়টি তুলে ধরেন, কিন্তু দলের শীর্ষ নেতাদের একাংশের অবহেলায় তাঁর প্রস্তাব পরাজিত হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এরপরে ২০১৬ সালের ১৯শে মার্চ বর্তমান আমীর মকবুল আহমদকেও চিঠি পাঠিয়ে ১৯৭১ প্রসঙ্গে বক্তব্য দেয়ার প্রস্তাব দেন মি. রাজ্জাক।

মকবুল আহমদ আমীর হওয়ার পর ২০১৬ সালের নভেম্বরে ব্যারিস্টার রাজ্জাকের মতামত চাইলে তিনি জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া সংক্রান্ত একটি খসড়া বক্তব্য পাঠান কিন্তু সেটিও আর বাস্তবায়িত হয়নি।

মি. রাজ্জাক বলেন, সবশেষে ডিসেম্বরের নির্বাচনের পর জানুয়ারি মাসে জামায়াতের করণীয় সম্পর্কে আমার মতামত চাওয়া হয়। আমি যুদ্ধকালীন জামায়াতের ভূমিকা সম্পর্কে দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করে ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ দেই। অন্য কোন বিকল্প না পেয়ে বলেছিলাম, জামায়াত বিলুপ্ত করে দিন।

কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় আমার তিন দশকের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে,- বলেন আব্দুর রাজ্জাক।

তাঁর পদত্যাগপত্রে তিনি বৈশ্বিক রাজনীতির বাস্তবতা ও একাত্তরে দলের ভূমিকা নিয়ে বর্তমানে যে প্রভাব, তা তুলে ধরেছেন দলের আমীরের কাছে।

তিনি বলেন যে জামায়াতে যোগ দেয়ার পর তিনি দলের ভেতর থেকে সংস্কারের চেষ্টা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

‌বিগত ৩০ বছর আমি সেই চেষ্টাই করেছি। আমি কাঠামোগত সংস্কার ও নারীর কার্যকর অংশগ্রহণের পক্ষে ছিলাম। ২০১৬ সালে চিঠি দিয়ে অভ্যন্তরীণ সংস্কারের উপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। অন্য মুসলিম দেশগুলোর উদাহরণ দিয়েছি। কিন্তু কোনো ইতিবাচক সাড়া পাইনি।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন দলের সর্বশেষ পদক্ষেপ তাকে হতাশ করেছে বলেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

বিএনপির পুনরায় নির্বাচনের দাবি শিশুসুলভ: চট্টগ্রামে তথ্যমন্ত্রী
                                  

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: নেতিবাচক রাজনীতি পরিহার করে বিএনপিকে ইতিবাচক রাজনীতিতে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড.হাছান মাহমুদ। শনিবার (২ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টায় চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড.হাছান মাহমুদ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চিঠি দিয়ে নির্বাচনে অংশ নেয়া দলগুলোকে গণভবনে দাওয়াত দিয়েছেন। বিশেষ করে যারা গত নির্বাচনের পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সংলাপে বসেছিলেন। অত্যন্ত দুঃখজনক এই আমন্ত্রনে বিএনপি ও ঐক্যজোট সাড়া দেয়নি। কারণ তারা আন্দোলনের নামে মানুষ হত্যা করবে। জ্বালাও-পোড়াও, সন্ত্রাস-সহিংসতার আশ্রয় নিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করবে।
তাদের সাড়া না দেওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যারা নেতিবাচক রাজনীতি করে তারা এই চা চক্রে না যাওয়া স্বাভাবিক। যারা মানুষকে জিম্মি করে রাজনীতি করে, রাজনীতির নামে তারা মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রতি অনেক বদন্যতা দেখিয়েছেন। যে দলের নেত্রী নিজের জন্মের তারিখ বদলে দিয়ে ১৫ আগস্ট হত্যাকান্ডকে উপহাস করার জন্য হত্যাকারীদের উৎসাহিত করার জন্য কেক কাটেন তারা প্রধানমন্ত্রীর চা চক্রে যাবেননা এটাই খুব স্বাভাবিক।
বিএনপির পুনরায় নির্বাচনের দাবি শিশুসুলভ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সংবিধান অনুযায়ী এ সরকার আগামী ৫ বছর ক্ষমতায় থাকবে।
তথ্যমন্ত্রী ড.হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা বাংলাদেশীরা মেধাবী। সারাবিশ্বে বাংলাদেশীরা মেধার সাক্ষর রাখছে। আজ যে লক্ষ লক্ষ প্রবাসী বিদেশে আছে, তারা তাদের শ্রম আর মেধার সাক্ষর রাখতে পারছে বলেই সেখানে তারা সাফল্যের সাথে থাকতে পারছে। শেখ হাসিনার সরকার প্রবাসীদের কল্যানে অনেক কিছুই করেছে। ৩টি এন আর বি ব্যাংক দেয়া হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক করা হয়েছে। যারা রেমিটেন্স বেশি পাঠাচ্ছে তাদেরকে সম্মানিত করা হচ্ছে। সরকারী প্লট বা ফ্ল্যাট বরাদ্দ দিলে সেখানে প্রবাসীদের জন্য বিশেষ কোটা ও প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে। প্রবাসীরা যাতে প্রবাসে থেকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সে ব্যাপারে সরকার এবং নির্বাচন কমিশন কাজ করছে।
প্রবাসীরা প্রবাসে বাংলাদেশের একেক জন রাষ্ট্রদূত হিসেবে মন্তব্য করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, তারা তাদের আচার আচরণের মাধ্যমে বিদেশেও দেশের সম্মান তুলে ধরতে পারেন। এ ব্যাপারে প্রবাসীরা সচেতন। প্রবাসে গুটিকয়েক মানুষের জন্য যেনো দেশের সম্মান নষ্ট না হয় সে ব্যাপারে প্রবাসীদের সচেতন থাকার আহ্বান জানান ড. হাছান মাহমুদ।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে এয়ার অব শেখ জায়েদ দিবসে ‘লিডিং বাই এক্সাম্পল’ এওয়ার্ড পাওয়ায় আবুধাবী বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইফতেখার হোসেন বাবুলকে সংবর্ধনা দিতে উক্ত অনুষ্ঠােনের আয়োজন করে প্রত্যয় প্রবাসী কল্যাণ সংস্থা।
মনিরুল আলম চৌধুরী মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন প্রবাসী নেতা, আবুদাবী বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি আলহাজ্ব ইফতেখার হোসেন বাবুল, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য আখতার উদ্দিন মাহমুদ পারভেজ, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব খলিলুর রহমান, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী শাহ, আবুধাবী বঙ্গবন্ধু পরিষদ নেতা মোহাম্মদ জমির হোসাইন প্রমুখ।

সংসদে কী হচ্ছে না হচ্ছে খোঁজ-খবর রাখছি: ড. কামাল
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, সংসদ নিয়ে এখনই প্রশ্ন তুলতে চাই না। হালকাভাবে কিছু বলব না। সংসদে কী হচ্ছে না হচ্ছে খোঁজ-খবর রাখছি। এজেন্ডা নিয়ে পরে সংসদ বিষয়ে মন্তব্য করব।

বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছে। এ অধিবেশন নিয়ে তার অবজারভেশন কী? জানতে চাইলে তিনি এসব কথা বলেন।

বুধবার গণফোরামের ৫ম জাতীয় কাউন্সিলের প্রস্তুতি সভায় ডা. কামাল হোসেন সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের সম্মুখীন হন।

গণফোরামের নির্বাচিতরা শপথ নেবেন কি না? জানতে চাইলে ড. কামাল হোসেন বলেন, সেগুলোর বিষয় এখন না, প্রেস কনফারেন্স করে পরে জানানো হবে।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ভেঙে যাবে বলা হচ্ছে- এ জোট থাকবে কি না? তিনি উত্তর দেন, ‘ঐক্যফ্রন্ট ১০০ বার থাকবে।’

বিএনপির এক নেতা বলেছেন, ঐক্যফ্রন্ট থাকবে তবে আপনাকে সরে যেতে হবে। এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কী? ড. কামাল বলেন, ‘এই অনুষ্ঠানে উত্তর দেব না, অন্য অনুষ্ঠানে দেব।

এদিকে গণফোরামের সভায় উপস্থিত হননি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ। তবে দলটি থেকে নির্বাচিত আরেক এমপি মোকাব্বির খান এসেছেন।

রাজধানীর মতিঝিলে গণফোরামের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে প্রস্তুতি সভা শুরু হয়েছে বুধবার বিকেল সাড়ে ৪ টায়। এতে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচনে অংশ নেয়া রেজা কিবরিয়া, আবু সাঈদ, সুব্রত চৌধুরী। গণফোরামের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, সুলতান মনসুরকে দাওয়াত দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি আসেননি।

সূত্র জানায়, সভায় গণফোরামের নির্বাচিত দুই নেতার শপথ নেয়া, না নেয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল।

কাউন্সির পদে মাঠে সরব মনির হোসেন মোল্লা
                                  

মুহাম্মাদ আলী মিঠুল: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হতে না হতেই ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে উপ-নির্বাচন করার উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে মেয়র পদে উপনির্বাচন। একই সাথে দুই সিটির নতুন ৩৬ ওয়ার্ডেও ভোট গ্রহণ হবে। এরমধ্যে ডিএনসিসিতে ১৮টি সাধারণ ওয়ার্ড এবং ৬টি সংরক্ষিত মহিলা আসন রয়েছে।
দক্ষিণের ৭৫ নং ওয়ার্ডে সর্বত্রই বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হলেও সম্ভাব্য প্রার্থীরা এমপি ও সিনিয়র নেতাদের সমর্থন পাওয়ার লক্ষ্যে জোর লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন।
খোজ নিয়ে জানা গেছে, ৭৫ নং ওয়ার্ডে স্থানীয় এমপি মোঃ সাবের হোসেন চৌধুরীর একান্ত আস্থাভাজন যুবলীগ নেতা মনির হোসেন মোল্লা দলীয় সমর্থন পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে ওয়ার্ড জুড়ে রয়েছে তার ব্যাপক সুনাম। স্থানীয়রা জানান, ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত সদালাপী ব্যক্তি মনির হোসেন মোল্লা। বিভিন্ন সামাজি উন্নয়নমূলক কাজে তাঁকে সরব ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়। কাউন্সিল পদে অংশগ্রহণের বিষয়ে মোঃ মনির হোসেন মোল্লা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার একান্ত আস্থাভাজন, দুঃসময়ে আওয়ামী লীগের পরিক্ষিত সৈনিক, মাননীয় সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরীর নেতৃত্বে এলাকার উন্নয়ন করতে চাই। তাই আগামী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৭৫ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে দলীয় সমর্থন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাই। আমি নির্বাচিত হলে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের মহাসড়কে আমার ওয়ার্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে প্রতিটি ঘরে ঘরে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে চাই।
তিনি জানান, আমি দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছি। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে অনেক নির্যাতন সহ্য করে সাবেক নাসিরাবাদ ইউনিয়ন বর্তমান ৭৫ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ-যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দদের সাথে জননেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে কাজ করেছি। বিগত দিনে ইউপি নির্বাচন, ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে বিজয়ী করেছি। জনগণের সুখ-দুঃখে সবসময় পাশে থেকেছি। তাদের ভালবাসা অর্জন করেছি। দল অবশ্যই আমাকে মূল্যায়ন করবে। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ আমাকে মনোনয়ন দিলে ইনশাআলাহ আমি বিপুল ভোটে বিজয়ী হতে পারব।
স্থানীয়রা আরো জানায়, সিটি কর্পোরেশন উপ- নির্বাচনকে ঘিরে ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। মোঃ মনির হোসেন মোল্লাকে নিয়ে ফেসবুকে তার অনুসারীরা ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারকে নামাতে হবে: ফখরুল
                                  

লালমনিরহাট প্রতিনিধি: একাদশ নির্বাচনে প্রশাসনকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এ নির্বাচন জনগণ মেনে নেয়নি। আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারকে নামাতে হবে। ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার কোনো দিনই জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি।

লালমনিরহাট সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নের পাগলার হাট এলাকায় এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন দিনমজুর তোজাম্মেল হক নিহতের ঘটনার প্রতিবাদে এ সভার আয়োজন করা হয়। নিহত তোজাম্মেল লালমনিরহাট সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়ন বিএনপির পরিবার কল্যাণ সম্পাদক ছিলেন বলে জানিয়েছে জেলা বিএনপি।

মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ কোনো দিন জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি। ভবিষ্যতেও তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হবে না।

আন্দোলনের মাধ্যমে এই ক্ষমতাসীন সরকারকে সরিয়ে নির্দলীয় সরকারের অধীনে ভোট দাবি করেন মির্জা ফখরুল। তিনি আরও বলেন, বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের নামে প্রায় ৯৮ হাজার মামলা হয়েছে। এসব মামলায় আসামি ২৬ লাখ।

প্রতিবাদ সভায় ঐক্যফ্রন্ট নেতা জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, তোজাম্মেলের কী অপরাধ ছিল। তার অপরাধ তিনি ধানের শীষের লোক ছিলেন। তিনি ধানের শীষে ভোট দিতে এসেছিলেন বলে আওয়ামী লীগের লোকেরা তাকে হত্যা করেছে।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, এ রকম নির্বাচন পৃথিবীর কোথাও হয়নি। জনগণ এই নির্বাচন মেনে নেয়নি। তাই এই নির্বাচন বাতিল করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানান তিনি।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আন্দোলন ছাড়া আর কোনো পথ নেই। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারকে নামাতে হবে।

ওই প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগীয়) আসাদুল হাবিব দুলু।

এর আগে পৌনে দুপুর ১টার দিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন লালমনিরহাটে নিহত দিনমজুর তোজাম্মেল হকের বাড়িতে আসেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। সেখানে তার কবর জিয়ারত করেন। এরপর প্রতিবাদ সভায় যোগ দেন তারা।

প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন সকাল ৮টার দিকে তোজাম্মেল হকসহ কয়েকজন ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছিলেন।

পথে রাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন তার বাড়ির সামনে তাদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দেন।

এতে দুপক্ষের কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তোজাম্মেল হককে মারপিট ও পেটে ছুরি মারা হয়।

পরে তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা যান।

এ ঘটনায় ১ জানুয়ারি লালমনিরহাট সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন নিহতের ছেলে মো. মোস্তফা।

আসামিরা হলেন ইউপি চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন, মোজাম্মেল হোসেন মাস্টার, আঙুর মিয়া ও তার ভাই লেবু মিয়া, সিদ্দিক আলী, শাহীন, মহসিন আলী, জাহাঙ্গীর আলম ও মজি। পরে আদালতের নির্দেশে সদর থানায় ৯ জানুয়ারি মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। তবে পুলিশ এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

বিপিএল নিষিদ্ধের দাবি ওলামা লীগের
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: ক্রিকেটের জনপ্রিয় আসর বিপিএল চলার মধ্যে তা নিষিদ্ধের দাবি তুলেছে আওয়ামী লীগ সমর্থক সংগঠন ওলামা লীগ। আজ সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে সংগঠনটি বাল্যবিয়ে বিরোধ আইন বাতিলের দাবিও জানায়।

বিভিন্ন সময়ে বিতর্কিত নানা দাবি তুলে সমালোচিত ওলামা লীগ আওয়ামী লীগ সহযোগী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি না পেলেও তাদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের দেখা যায়।

বিপিএল নিষিদ্ধের দাবি তোলার পক্ষে ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান শেখ শরিয়তপুরী বলেন, এই ক্রিকেট টুর্নামেন্ট জুয়া খেলার প্রসার ঘটাচ্ছে।

তিনি বলেন, “বিপিএলের নামে দেশকে জুয়াড়ীদের আস্তানায় পরিণত করা হচ্ছে। প্রতিটি ব্যাটে বলে এখন জুয়ার বাজি ধরা হচ্ছে। বড় বড় জুয়াড়ীদের পাশাপাশি চায়ের দোকানের সাধারণ লোকজনও এখন বিপিএল, আইপিএল তথা ক্রিকেট জুয়ায় মত্ত হয়েছে, যা সম্পূর্ণ সংবিধানবিরোধী।

“বঙ্গবন্ধু দেশের সংবিধানে মদ ও জুয়া নিষিদ্ধ করেছেন। সেই জুয়াড়ী তৈরির আসর বিপিএল, আইপিএলের মতো খেলাধুলা বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করতে হবে।”

নারী ফুটবল নিয়ে বাফুফের বিরুদ্ধেও কথা বলেন ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক।

“নারী ফুটবলারদের বিয়ে নিষিদ্ধ করে লিভ টুগেদারসহ অনৈতিকতাকে উৎসাহিত করায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের  ষড়যন্ত্রকারী হোতাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে।”

বাল্যবিয়ের পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে  আবুল হাসান বলেন, এটা নিষিদ্ধের কারণে দেশে গর্ভপাত বেড়ে গেছে।

“১৮ বছরের নিচের ছেলে-মেয়েদের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের ফলে আশঙ্কাজনকহারে বেড়েই চলে অবৈধ গর্ভপাত, ভ্রুণহত্যা ও কুমারী মাতার পরিমাণ।”

ওলামা লীগের সভাপতি মুহম্মদ আখতার হুসাইন বুখারী এক জরিপের তথ্য উদ্ধৃত করে বলেন, “২০১৪ সালে বাংলাদেশে ১১ লাখ ৯৪ হাজার অবৈধ গর্ভপাত হয়েছে। এ হিসাবে গড়ে দিনে ৩ হাজার ২৭১টি গর্ভপাত করা হয়েছে।

“বৈধ ও শরীয়তসম্মত বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বললেও ১৮ বছরের নিচের টিনেজ ছেলে-মেয়েদের লাখ লাখ অবৈধ গর্ভপাতকে সমর্থন করছে বাল্যবিবাহ বিরোধীরা। অথচ বাংলাদেশের পেনাল কোড অনুযায়ী গর্ভপাত অবৈধ।”

বাল্যবিয়ে নিরোধ আইনের জন্য সরকারের সমালোচনা করে আবুল হাসান বলেন, অবিলম্বে এই ‘কুফরি আইন’ প্রত্যাহার করতে হবে। এনিয়ে এনজিওগুলোর সমালোচনাও করেন তিনি।

হ্যাকের শিকার মমতাজের ফেসবুক আইডি
                                  

জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের ফেসবুক আইডি হ্যাক করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় থানায় মামলা করেছেন মমতাজ। খুব দ্রুত আইডি ফিরে পাবেন বলে আশা করছেন তিনি।

মমতাজ বলেন, ‘রোববার (২১ জানুয়ারি) রাত ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে আইডিটি হ্যাক করা হয়েছে। এটি একটি বিব্রতকর ঘটনা। সকালে সিঙ্গাইর থানায় মামলা করেছি। আশা করছি, পুলিশি ব্যবস্থার মাধ্যমে অচিরেই ফেসবুক আইডিটি ফেরত পাবো।’

জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে নিতে আ.লীগ বিজয় উৎসব করছে: মির্জা ফখরুল
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রভাহিত করতেই আওয়ামী লীগ বিজয় উৎসব করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৩তম জন্মবার্ষিকীতে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, একাদশ নির্বাচনে গণতন্ত্রের পরাজয় হয়েছে এবং সবচেয়ে বড় পরাজয় হয়েছে আওয়ামী লীগের।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট বা ২০ দল নিয়ে আমাদের কোনো টানাপোড়েন নেই বলে জানান বিএনপি মহাসচিব।

এর আগে সকাল ১০টার পর জিয়ার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আ.লীগের বিজয় সমাবেশ দুপুরে, প্রধান অতিথি শেখ হাসিনা
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: সদ্যসমাপ্ত একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বিপুল বিজয় উপলক্ষে আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ‘বিজয় সমাবেশ’ করছে আওয়ামী লীগ। এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বেলা ১১টা থেকেই অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করা যাবে।

দুপুর আড়াইটায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সমাবেশস্থলে উপস্থিত হবেন। এর আগে সকাল ১১টা থেকেই সমাবেশস্থলে নেতাকর্মীরা উপস্থিত হবেন। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা এবং ঢাকার আশপাশের জেলাগুলো থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী সমাবেশে যোগ দেবে। সমাবেশ সফল করতে বিগত কয়েক দিন দফায় দফায় নানা বৈঠক করেছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা।

আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন- বিজয় সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বেশকিছু বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবেন। এ ছাড়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিশাল বিজয়ের জন্য দলের নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানাবেন তিনি।

সমাবেশস্থল পরিদর্শন শেষে এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, সমাবেশে নেতাকর্মীদের ক্ষমতার অপব্যবহার না করতে সতর্ক করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স। এ বিষয়ে নেতাকর্মীদের দূরে থাকতে আহ্বান জানাবেন দলের সভাপতি। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে ২১০০ সালের উন্নয়ন পরিকল্পনা (ডেল্টা প্ল্যান) বিস্তারিত তুলে ধরবেন বলেও জানান তিনি।

এদিকে টানা তৃতীয়বারের মতো বড় জয়ের পর এই প্রথম আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি, তাই একে জনসমুদ্রে রূপ দিতে চায় দলটি। গতানুগতিক সমাবেশের বাইরে উৎসবের আবহে উদ্যাপন করতে চায় এ ‘বিজয় উৎসব’। ইতিমধ্যে এটাকে স্মরণীয় করে রাখতে সব প্রস্তুতিও শেষ করেছে তারা।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান মাঠের ভেতরের পুকুরের পূর্ব পাশে নির্মাণ করা হয়েছে বিশাল মঞ্চ। যার সামনের অংশ দলীয় প্রতীক নৌকা আকৃতির। মঞ্চের ওপরে লেখা ‘সমৃদ্ধির পথে অগ্রযাত্রা’। দক্ষিণমুখী মঞ্চের সামনের মাঠে তৈরি করে রাখা হয়েছে ছোট ছোট নৌকা। নৌকার পালের ওপরে কোনোটায় লেখা ‘জয় বাংলা’ আবার কোনোটায় লেখা ‘বাংলার জয়’।

এ ছাড়া সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ আশপাশের এলাকায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবিসহ সরকারের উন্নয়ন ও অর্জনের তথ্যসংবলিত পোস্টার, ফেস্টুন ও ব্যানার লাগানো হয়েছে।

এবারের মহাসমাবেশে সর্বসাধারণের প্রবেশের জন্য গেটের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। নারীদের জন্য রয়েছে আলাদা গেটের ব্যবস্থা। এ ছাড়া অন্যান্যবারের তুলনায় এবার টয়লেটের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।

মহাসমাবেশের মঞ্চে দুপুর ১২টা থেকে শুরু হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। দেশবরেণ্য শিল্পীরা নাচ-গানের মাধ্যমে প্রাণবন্ত করে রাখবেন সমাবেশস্থল। বিজয় সমাবেশকে বিজয় আনন্দে রূপ দিতে বরণ্যে শিল্পীরা বিভিন্ন গান পরিবেশন করবেন।

এ লক্ষ্যে মূল বিজয় মঞ্চের সামনে পৃথকভাবে আরেকটি মঞ্চ করা হয়েছে। মূল মঞ্চের ব্যাকগ্রাউন্ড একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনী ইশতেহারের মলাটের রঙের আদলে সজ্জিত করা হয়েছে।

দুপুর আড়াইটার পর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সমাবেশস্থলে আসবেন। আওয়ামী লীগ সভাপতির আগমনের সময় শিল্পী মমতাজ গান পরিবেশন করবেন এবং মঞ্চে আসন গ্রহণের পর ‘জিতবে এবার নৌকা’ গানের শিল্পীরা সমবেত কণ্ঠে গান পরিবেশন করবেন।

গান পরিবেশন করবেন আঁখি আলমগীর, রফিকুল আলম, ফাহমিদা নবী, কল্পনা মজুমদার ও জলের গান-এর দল। সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিবেদন করে ‘আপনার জন্ম একটি নতুন সময়ের ইঙ্গিত’ কবিতা আবৃত্তি করবেন কবি রাসেল আশেকী। এরপর দলের নেতারা বক্তব্য দেবেন।

মূল অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন।

সমাবেশে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা মঞ্চে উপস্থিত থাকবেন। মহাসমাবেশে আওয়ামী লীগ ছাড়াও মহাজোটের শরিক বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, আইনজীবী, সাংবাদিক, কবি-সাহিত্যিক, পেশাজীবী, সংস্কৃতি ও বিনোদন জগতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।

রাজধানী ছাড়াও এর পাশের মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, সাভার, আশুলিয়া ও মুন্সীগঞ্জ জেলার বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীকে মহাসমাবেশে নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে আওয়ামী লীগের। বাস, ট্রাক ও রেলপথে নেতাকর্মীরা ঢাকায় এসে বর্ণিল মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী ময়দানে সমবেত হবেন। ঢাকা ও ঢাকার আশপাশের দলীয় এমপিরা মিছিলসহকারে মহাসমাবেশে যোগ দেবেন।

এরশাদের অবর্তমানে জিএম কাদের জাপার চেয়ারম্যান
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবর্তমানে এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিদেশে থাকাকালীন সময়ে পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তার ভাই পার্টির কো-চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের।

শুক্রবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপিতে এরশাদ বলেন, ‘আমি জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে পার্টির সর্বস্তরের নেতাকর্মী-সমর্থকদের জানাচ্ছি যে, আমার অবর্তমানে বা চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিদেশে থাকাকালীন পার্টির বর্তমান কো-চেয়্যারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।’

তিনি বলেন, ‘পার্টির গঠনতন্ত্রের ২০/১/ক ধারা মোতাবেক পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এই নিয়োগ প্রদান করেছেন। যা ইতিমধ্যেই কার্যকর হয়েছে।’


ইতোপূর্বে অনেকবার দেশের বাইরে গেছেন এরশাদ কিন্তু কখনও কাউকে চেয়ারম্যানের দায়িত্বে দিয়ে যাননি। শুধু নির্বাচনের পূর্বে দেশের বাইরে যাওয়ার সময় জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারকে সাংগঠনিক দায়িত্ব দিয়ে গিয়েছিলেন।

বেশি কিছুদিন ধরেই অসুস্থ সাবেক এই রাষ্ট্রপতি। হাসপাতালে আসা যাওয়ার মধ্যেই রয়েছেন তিনি। কিছুদিন আগে তিনি চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন। আজ শুক্রবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যাওয়ার কথা রয়েছে।

ঐক্যফ্রন্ট ভেঙে যাবে: কাদের
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: ঐক্যফ্রন্ট শেষ পর্যন্ত ভেঙে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। শুক্রবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশের প্রস্তুতি পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের রাজনীতির অভিজ্ঞাতা থেকে দেখেছি- ঐক্যফ্রন্ট গঠনের মধ্যেই ভাঙার উপাদান ছিল। সেই ফ্রন্ট না টিকারই কথা।

‘তা ছাড়া যেখানে বিএনপিতে ভাঙার সুর ধরেছে, সেখানে ঐক্যফ্রন্ট তো ভাঙবেই।’

জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবির পর উপজেলা নিবার্চনে বিএনপির অংশগ্রহণে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোনো উদ্যাগ নেয়া হবে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, ‘গণতন্ত্রকে গুরুত্ব দিলে বিএনপি উপজেলা নির্বাচনে নিজ থেকেই আসবে। জাতীয় নির্বাচনেও যেমন তারা এসেছেন, এ নির্বাচনেও তেমন আসবেন।

‘জাতীয় নির্বাচনে বিএনপিকে ডেকে আনা হয়নি, উপজেলা নির্বাচনেও হবে না,’ বলেন তিনি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের বিশাল বিজয়ের পর সরকার তিনটি বিষয়ে খুব কঠোর আছে। এবার বিজয়ী সমাবেশে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার আরও কঠোর হতে বলবে। ১৯ জানুয়ারি সমাবেশে নির্বাচনের গণজোয়ারের মতো সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়ে স্মরণকালের বিশাল সমাবেশে রূপ নেবে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, এটি আওয়ামী লীগের ও শেখ হাসিনার সততার ফসল। সারা দেশ থেকে মানুষের ঢল নামবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায়, সদস্য এসএম কামাল হোসেন ও মির্জা আজম।

ব্যর্থতার দায়ে মির্জা ফখরুলের পদত্যাগ করা উচিত: কাদের
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি আন্দোলনেও ব্যর্থ, নির্বাচনেও ব্যর্থ। ব্যর্থতার দায় নিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পদত্যাগ করা উচিত।’

বুধবার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দক্ষিণ যুবলীগ আয়োজিত বর্ধিত সভায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিবের উদ্দেশে সেতুমন্ত্রী বলেন, গত ১০ বছরে তিনি (ফখরুল) কোনো আন্দোলন করতে পারেননি। নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন। এ ব্যর্থতার কারণে বিএনপি ও পদ থেকে তার পদত্যাগ করা উচিত।

‘নির্বাচনে কারচুপির দায়ে ওবায়দুল কাদেরের উচিত স্টেডিয়ামে দাঁড়িয়ে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া’-বিএনপি মহাসচিবের এমন মন্তব্যের একদিন পর তার উদ্দেশে এমন মন্তব্য করলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

তিনি বলেন, বিএনপি মহাসচিব বেপরোয়া চালক হয়ে গেছেন। বেপরোয়া চালক কখন যে কী করে, ‘অ্যাকসিডেন্ট’ ঘটান, তার ঠিক নেই। সে জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

নির্বাচনে জালভোটসহ ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে বলে বেসরকারি সংস্থা টিআইবির প্রতিবেদন প্রকাশ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, টিআইবি এখন রূপকথার কাহিনী শোনাচ্ছে। নির্বাচনের সময় তারা কোনো ত্রুটি ধরতে পারেনি। এর জবাব জনগণ দেবে।

মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের সভাপতিত্বে বর্ধিতসভায় উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ প্রমুখ।

টিআইবির প্রতিবেদন মনগড়া কল্পকাহিনি: তথ্যমন্ত্রী
                                  

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তা ‘মনগড়া কল্পকাহিনি’ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

আজ বুধবার চট্টগ্রামে এক সংবাদ সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন নিয়ে যে বক্তব্য-গবেষণার কথা বলে টিআইবি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তা প্রকৃতপক্ষে বিএনপি-জামায়াতের পক্ষে টিআইবি একটি প্রতিবেদন দিয়েছে মাত্র। অন্য কোনো কিছু নয়।

হাছান মাহমুদ বলেন, “টিআইবির বেশিরভাগ প্রতিবেদন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ত্রুটিপূর্ণ, একপেশে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”

তিনি বলেন, টিআইবিসহ বিভিন্ন সংস্থা পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতির কল্পকাহিনি সাজিয়েছিল। তাদের উচিৎ ছিল জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়া।

মঙ্গলবার প্রকাশিত টিআইবির ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের ৩০০ আসনের মধ্যে ৫০টির ভোট পরিস্থিতি নিয়ে সমীক্ষা চালিয়ে ৪৭ আসনেই কোনো না কোনো নির্বাচনী অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে তারা।

টিআইবির মত ‘আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান’ বিভিন্ন সময়ে ‘মনগড়া কল্পকাহিনী’ প্রকাশ করে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে বলে মন্তব্য করেন এই আওয়ামী লীগ নেতা।

নারী আসনে অগ্রাধিকার পাবেন ত্যাগীরা: কাদের
                                  

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামে যারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন মনোনয়নে তারা অগ্রাধিকার পাবেন।

বুধবার সকালে ধানমন্ডি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে বের হয়ে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তেমনি অর্ধেক ভোটারও নারী। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে তরুণী ও নারীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। নির্বাচিত প্রতিনিধি হওয়ার জন্য জনগণের খেদমত করার জন্য তাদেরও আকাঙ্ক্ষা থাকে। তারাও সংসদে যেতে চায়। এ কারণে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পাওয়ার জন্য অনেকে আগ্রহী। ফলে উৎসব মুখর পরিবেশে মনোনয়ন ফরম বিক্রি হচ্ছে।

এক প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম এবং ত্যাগ তিতিক্ষা ছাড়াও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিরাও নির্বাচনকে সামনে রেখে কাজ করেছেন। তারা সারাদেশে ভালো ভূমিকা রেখেছেন। সে জন্য তাদেরও মূল্যায়ন করতে হবে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নারী আসনে আমরা যাদের সিলেক্ট করব, নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা তাদের ভোট দিয়ে এমপি নির্বাচিত করবেন। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পাওয়া আসনের সংখ্যানুপাতে আমরা প্রার্থী সিলেক্ট করব। আমাদের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভায় প্রার্থী চূড়ান্ত হবে। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যারা বোর্ডের সদস্য তারা প্রার্থী সিলেক্ট করবেন।

২৮ জানুয়ারির মধ্যে নবম ওয়েজবোর্ডের প্রজ্ঞাপন: তথ্যমন্ত্রী
                                  

আগামী ২৮ জানুয়ারির মধ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নবম ওয়েজবোর্ডের প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

আজ সোমবার বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) নেতারা সচিবালয়ে নতুন তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ও সংবর্ধনা দেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্যমন্ত্রী এ বিষয়টি জানান।

দীর্ঘদিন ধরেই নতুন ওয়েজবোর্ডের জন্য দাবি জানাচ্ছেন সাংবাদিকরা। তার প্রেক্ষিতে সাংবাদিকদের বহুল কাঙ্ক্ষিত নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে নবম ওয়েজবোর্ডের প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সাংবাদিকদের আবাসনের ব্যবস্থাও করা হবে বলে জানান তিনি।

তথ্যমন্ত্রী জানান, ব্যক্তিগতভাবে সাংবাদিকদের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে তিনি আগে থেকেই জানেন। রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ সংবাদপত্র শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে তিনি সব ধরনের ব্যবস্থা নেবেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম একদিকে যেমন রাষ্ট্র ও উন্নয়নের জন্য কাজ করতে পারে, তেমনি অপসাংবাদিকতার মাধ্যমে রাষ্ট্রের বড় ক্ষতি করতে পারে।

বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালালের সভাপতিত্বে ও ডিইউজে সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিএফইউজে মহাসচিব শাবান মাহমুদ, ডিইউজের সহসভাপতি খন্দকার মোজাম্মেল হক, যুগ্ম মহাসচিব আবদুল মজিদ, ডিইউজের যুগ্ম মহাসচিব আকতার হোসেন, আওয়ামী লীগের উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল ১৭ ফেব্রুয়ারি: ইসি সচিব
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। সোমবার ইসি ভবনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

এছাড়া আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা এবং মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে নির্বাচন শুরু হবে বলে জানান নির্বাচন কমিশন সচিব।

হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন শুরু হবে। এছাড়া ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা করা হবে।

তিনি বলেন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পরিকল্পনা ধাপে ধাপে করা হবে। এছাড়া সদর উপজেলার ভোট হবে ইভিএম পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।

এর আগে বিকালে সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল নির্ধারণ, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের তফসিল নির্ধারণ, পঞ্চম উপজেলা নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও আওয়ামী লীগের স্মারকলিপি বিষয়ে আলোচনায় বসেন নির্বাচন কমিশনাররা।


   Page 1 of 75
     রাজনীতি
জামায়াত বিলুপ্ত করার পরামর্শ দিয়ে ব্যারিস্টার রাজ্জাকের পদত্যাগ
.............................................................................................
বিএনপির পুনরায় নির্বাচনের দাবি শিশুসুলভ: চট্টগ্রামে তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
সংসদে কী হচ্ছে না হচ্ছে খোঁজ-খবর রাখছি: ড. কামাল
.............................................................................................
কাউন্সির পদে মাঠে সরব মনির হোসেন মোল্লা
.............................................................................................
আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারকে নামাতে হবে: ফখরুল
.............................................................................................
বিপিএল নিষিদ্ধের দাবি ওলামা লীগের
.............................................................................................
হ্যাকের শিকার মমতাজের ফেসবুক আইডি
.............................................................................................
জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে নিতে আ.লীগ বিজয় উৎসব করছে: মির্জা ফখরুল
.............................................................................................
আ.লীগের বিজয় সমাবেশ দুপুরে, প্রধান অতিথি শেখ হাসিনা
.............................................................................................
এরশাদের অবর্তমানে জিএম কাদের জাপার চেয়ারম্যান
.............................................................................................
ঐক্যফ্রন্ট ভেঙে যাবে: কাদের
.............................................................................................
ব্যর্থতার দায়ে মির্জা ফখরুলের পদত্যাগ করা উচিত: কাদের
.............................................................................................
টিআইবির প্রতিবেদন মনগড়া কল্পকাহিনি: তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
নারী আসনে অগ্রাধিকার পাবেন ত্যাগীরা: কাদের
.............................................................................................
২৮ জানুয়ারির মধ্যে নবম ওয়েজবোর্ডের প্রজ্ঞাপন: তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল ১৭ ফেব্রুয়ারি: ইসি সচিব
.............................................................................................
ড. কামালের বক্তব্য ঐক্যফ্রন্টের নয়: ফখরুল
.............................................................................................
সংলাপ নয়, শুভেচ্ছা বিনিময় হবে: ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
ড. কামালের সংবাদ সম্মেলন বিকেলে
.............................................................................................
শাসকগোষ্ঠী বিএনপিকে নির্মূল করতে মরিয়া: ফখরুল
.............................................................................................
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সাত্তার জয়ী
.............................................................................................
ইসি প্রহসনের নির্বাচন করেছে: ফখরুল
.............................................................................................
নতুনদের জায়গা দিতে হবে: তোফায়েল আহমেদ
.............................................................................................
জৈন্তাপুরের ইমরান আহমদ হচ্ছেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী
.............................................................................................
কূটনীতিকদের ব্রিফ করবে বিএনপি
.............................................................................................
সৈয়দ আশরাফের শূন্যতা পূরণ হওয়ার নয়: কাদের
.............................................................................................
আজ শপথ নেবেন এরশাদ
.............................................................................................
নোয়াখালীর পথে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা
.............................................................................................
নির্বাচনী অনিয়মের স্বচ্ছ তদন্ত চায় নরওয়ে
.............................................................................................
যে প্রার্থী কোন ভোট পান নি!
.............................................................................................
নেতাকর্মীদের সংযমের নির্দেশ আ’লীগের
.............................................................................................
এম এ মান্নানের হ্যাট্রিক
.............................................................................................
নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত আরও এক
.............................................................................................
নাটোর-৩ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী পলক
.............................................................................................
৪৭ বছরের ইতিহাসে সংঘাতহীন নির্বাচন: আওয়ামী লীগ
.............................................................................................
ফলাফল বর্জনের ঘোষণা আব্বাস ও আফরোজা আব্বাসের
.............................................................................................
ফলাফল মেনে নেবে আওয়ামী লীগ
.............................................................................................
দেশকে ‘মুক্ত’ করার আহ্বান খালেদা জিয়ার
.............................................................................................
এরশাদ অসুস্থ, ভোট দিতে রংপুর যাচ্ছেন না
.............................................................................................
ঐক্যফ্রন্টের সংবাদ সম্মেলন বিকেলে
.............................................................................................
পার্থর ফেসবুক আইডিতে ড. কামালকে নিয়ে কটূক্তি!
.............................................................................................
হামলায় আহত গোলাম মাওলা রনি
.............................................................................................
ঐক্যফ্রন্ট কার্যালয় ভবনে আগুন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: ঐক্যফ্রন্ট
.............................................................................................
ঢাকা-১ আসনে সালমা ইসলামকে বিএনপির সমর্থন
.............................................................................................
ঢাকা-১৭ আসন থেকে সরে দাঁড়ালেন এরশাদ
.............................................................................................
হামলায় ধানের শীষের ১৯ প্রার্থী আহত
.............................................................................................
শামীম ওসমানের পক্ষে ভোট চাওয়ায় বিএনপি নেতা বহিষ্কার
.............................................................................................
ভোটারদের উদ্দেশ্যে সুলতান মনসুরের খোলা চিঠি
.............................................................................................
বিকালে ড. কামালের সংবাদ সম্মেলন
.............................................................................................
‘ইসিতে ভিন্ন মত থাকলেও সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠের ভিত্তিতে’
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft