বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   খেলাধূলা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
আগুয়েরোর পেনাল্টি মিসে সিটির হার

ক্রীড়া ডেস্ক : ম্যানচেস্টার সিটিকে এগিয়ে দেয়ার সুযোগ ছিল সার্জিও আগুয়েরোর। কিন্তু আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার পেনাল্টি থেকেও গোল করতে পারেননি। এরপর ম্যাচ যাচ্ছিল ড্রয়ের দিকে।

শেষ দিকে এসে টটেনহাম হটস্পারকে জিতিয়ে দিলেন সন হিউং মিন। মঙ্গলবার রাতে তার একমাত্র গোলেই ম্যানসিটিকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমির পথে এক ধাপ এগিয়ে গেছে ঘরের মাঠের টটেনহাম।

টটেনহামের নতুন স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার রাতে ম্যাচের ১৩ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত সিটি। রাহিম স্টার্লিংয়ের শট বক্সের ভেতর ড্যানি রোজের হাতে লাগলে ভিএআরের সাহায্য নিয়ে পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি। কিন্তু পেনাল্টি থেকে আগুয়েরোর শট বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকান টটেনহামের ফরাসি গোলরক্ষক হুগো লরিস।

চ্যাম্পিয়নস লিগে এই নিয়ে চারটি পেনাল্টি মিস করলেন আগুয়েরো। ২০০৮-০৯ মৌসুমে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের অভিষেকের পর ইউরোপ সেরার মঞ্চে তার চেয়ে বেশি পেনাল্টি আর কেউ মিস করেননি! আর লরিস ২০১৯ সালে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তিনবার পেনাল্টির মুখোমুখি হলেন, সেভ করলেন তিনটিই।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বড় ধাক্কা খায় টটেনহাম। ফ্যাবিয়ান ডেলফের সঙ্গে বল দখলের লড়াইয়ে বাঁ পায়ের গোড়ালিতে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন টটেনহাম অধিনায়ক হ্যারি কেন। এই মৌসুমেই সম্ভবত আর মাঠে নামতে পারবেন না ইংলিশ ফরোয়ার্ড।

এই গোড়ালির চোটেই গত ১৪ জানুয়ারি থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছিল কেনকে। সেই সময়ের মধ্যে টটেনহামের হয়ে চার ম্যাচে চার গোল করেছিলেন সন। তবে কেন ফেরার পর সাত ম্যাচে সন গোল করতে পারেন মাত্র একটি। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, কাল কেন ৫৫ মিনিটে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়লেন এবং সন জয়সূচক গোল করলেন!

নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হতে তখন ১২ মিনিট বাকি। নিশ্চিত ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছিল ম্যাচ। ক্রিস্টিয়ান এরিকসেনের ক্রসে সন বল পেলেন বক্সের ভেতরে। প্রথমে অবশ্য শট নিতে পারেননি। বল চলে গিয়েছিল বাইলাইনে। সেখান থেকে ফিরিয়ে এনে দুই ডিফেন্ডারের মাঝ দিকে কোনাকুনি শটে বল জালে পাঠান দক্ষিণ কোরিয়ান ফরোয়ার্ড।

চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪০ ম্যাচে সনের গোলও হলো ৪০টি। গত মৌসুমে ৫৩ ম্যাচে তার গোল ছিল মাত্র ১৮টি। পরিসংখ্যানই বলছে, এই মৌসুমে কী দুর্দান্ত ফর্মেই না আছেন সন!

কোয়াড্রপল (এক মৌসুমে চার শিরোপা) জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখতে আগামী ১৭ এপ্রিল ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ফিরতি লেগ খেলবে পেপ গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটি।

আগুয়েরোর পেনাল্টি মিসে সিটির হার
                                  

ক্রীড়া ডেস্ক : ম্যানচেস্টার সিটিকে এগিয়ে দেয়ার সুযোগ ছিল সার্জিও আগুয়েরোর। কিন্তু আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার পেনাল্টি থেকেও গোল করতে পারেননি। এরপর ম্যাচ যাচ্ছিল ড্রয়ের দিকে।

শেষ দিকে এসে টটেনহাম হটস্পারকে জিতিয়ে দিলেন সন হিউং মিন। মঙ্গলবার রাতে তার একমাত্র গোলেই ম্যানসিটিকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমির পথে এক ধাপ এগিয়ে গেছে ঘরের মাঠের টটেনহাম।

টটেনহামের নতুন স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার রাতে ম্যাচের ১৩ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত সিটি। রাহিম স্টার্লিংয়ের শট বক্সের ভেতর ড্যানি রোজের হাতে লাগলে ভিএআরের সাহায্য নিয়ে পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি। কিন্তু পেনাল্টি থেকে আগুয়েরোর শট বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকান টটেনহামের ফরাসি গোলরক্ষক হুগো লরিস।

চ্যাম্পিয়নস লিগে এই নিয়ে চারটি পেনাল্টি মিস করলেন আগুয়েরো। ২০০৮-০৯ মৌসুমে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের অভিষেকের পর ইউরোপ সেরার মঞ্চে তার চেয়ে বেশি পেনাল্টি আর কেউ মিস করেননি! আর লরিস ২০১৯ সালে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তিনবার পেনাল্টির মুখোমুখি হলেন, সেভ করলেন তিনটিই।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বড় ধাক্কা খায় টটেনহাম। ফ্যাবিয়ান ডেলফের সঙ্গে বল দখলের লড়াইয়ে বাঁ পায়ের গোড়ালিতে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন টটেনহাম অধিনায়ক হ্যারি কেন। এই মৌসুমেই সম্ভবত আর মাঠে নামতে পারবেন না ইংলিশ ফরোয়ার্ড।

এই গোড়ালির চোটেই গত ১৪ জানুয়ারি থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছিল কেনকে। সেই সময়ের মধ্যে টটেনহামের হয়ে চার ম্যাচে চার গোল করেছিলেন সন। তবে কেন ফেরার পর সাত ম্যাচে সন গোল করতে পারেন মাত্র একটি। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, কাল কেন ৫৫ মিনিটে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়লেন এবং সন জয়সূচক গোল করলেন!

নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হতে তখন ১২ মিনিট বাকি। নিশ্চিত ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছিল ম্যাচ। ক্রিস্টিয়ান এরিকসেনের ক্রসে সন বল পেলেন বক্সের ভেতরে। প্রথমে অবশ্য শট নিতে পারেননি। বল চলে গিয়েছিল বাইলাইনে। সেখান থেকে ফিরিয়ে এনে দুই ডিফেন্ডারের মাঝ দিকে কোনাকুনি শটে বল জালে পাঠান দক্ষিণ কোরিয়ান ফরোয়ার্ড।

চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪০ ম্যাচে সনের গোলও হলো ৪০টি। গত মৌসুমে ৫৩ ম্যাচে তার গোল ছিল মাত্র ১৮টি। পরিসংখ্যানই বলছে, এই মৌসুমে কী দুর্দান্ত ফর্মেই না আছেন সন!

কোয়াড্রপল (এক মৌসুমে চার শিরোপা) জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখতে আগামী ১৭ এপ্রিল ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ফিরতি লেগ খেলবে পেপ গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটি।

ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টিতেও হোয়াইটওয়াশ শ্রীলঙ্কা
                                  

ক্রীড়া ডেস্ক : দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে তাদেরকে হোয়াইটওয়াশ করে সফরের শুরুটা দুর্দান্ত হয়েছিল শ্রীলঙ্কার। কিন্তু ফরম্যাট বদলে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে আসতেই বড্ড বিবর্ণ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের দল। ওয়ানডে সিরিজের পর দক্ষিণ আফ্রিকার মাঠে এবার টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হোয়াইটওয়াশ হয়েছে লঙ্কানরা।

তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষটিতে গতকাল জোহানেসবার্গে মুখোমুখি হয় দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কা। টস হেরে লঙ্কানদের আমন্ত্রণে আগে ব্যাট করে ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস ও রিজা হেনড্রিকসের দাপুটে ব্যাটিংয়ে ২ উইকেটে ১৯৮ রান রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে শ্রীলঙ্কার ইনিংসের ১২তম ওভারের প্রথম বলে ৬ উইকেটে ১১১ রানের সময় বৃষ্টি শুরু হয়। এরপর ডিএল মেথডে লঙ্কানদের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৭ ওভারে ১৮৩। কিন্তু নির্ধারিত ওভারের ৮ বল বাকি থাকতেই ১৩৭ রানে থেমে যায় শ্রীলঙ্কার দৌঁড়।

টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে অ্যাইডেন মারক্রাম ১৫ রানে বিদায় নেন। ৩৭ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর প্রোটিয়াদের হাল ধরেন হেনড্রিকস ও প্রিটোরিয়াস। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দ্বিতীয় উইকেটে ৯০ রান যোগ করেন দুজনে। ৫২ বলে ৮ চার ও ২ ছয়ে ৬৬ রানের পর হেনড্রিকসকে ফেরান জেফরি ভ্যান্ডারসে। এরপর উইকেটে প্রিটোরিয়াসের সঙ্গী হন ডুমিনি। শেষ ৩০ বলে দুজনে ৭১ রান যোগ করেন। ১৪ বলে দুই চার ও ৩ ছয়ে ৩৪ রানে অপরাজিত ছিলেন ডুমিনি। এছাড়া দলের হয়ে ৪২ বলে ৭ চার ও ৩ ছয়ে ৭৭ রানের সর্বোচ্চ ইনিংসটি খেলে অপরাজিত ছিলেন প্রিটোরিয়াস।

লঙ্কানদের হয়ে জেফরি ভ্যান্ডারসে ও সুরাঙ্গা লাকমল একটি করে উইকেট নেন।

১৯৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা খারাপ ছিল না শ্রীলঙ্কার। ধনঞ্জয়া ডি সিলভার সঙ্গে ৪.১ ওভারে ৪২ রানের জুটি গড়েন নিরোশান ডিকভেলা। তবে ধনঞ্জয়া মাত্র ৮ রানে সাজঘরে ফেরার পর শীলঙ্কার ইনিংসের বিপর্যয় শুরু হয়। এরপর ৫৪ রানের ব্যবধানে প্রথম ৭ ব্যাটসম্যান সাজঘরে যান।

প্রোটিয়া পেসার আন্দিলে ফেলুকাওয়োর দাপটে সুবিধা করতে পারেনি লঙ্কানরা। দলের হয়ে ৩৮ রানের সেরা ইনিংসটি ছিল ডিকভেলার। শেষ দিকে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন ইসুরু উদানা। তবে তার ২৩ বলে ৩৬ রানের ইনিংসটাও লক্ষ্যে পৌঁছার জন্য যথেষ্ট ছিল না।

স্বাগতিকদের হয়ে ২৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন ফেলুকাওয়ো। দুটি করে উইকেট পান লুথো সিপামলা ও জুনিয়র দালা।

লিঁওকে উড়িয়ে শেষ আটে বার্সা
                                  

ক্রীড়া ডেস্ক : চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ঘরের মাঠে আবারও দুর্দান্ত রূপে নিজেকে মেলে ধরলেন লিওনেল মেসি। জোড়া গোল করার পাশাপাশি দুই সতীর্থের গোলে রাখলেন অবদান। অধিনায়কের এমন জাদুকরী পারফরম্যান্সে লিওঁকে উড়িয়ে দিয়ে কোয়ার্টার-ফাইনালে পা রাখলো বার্সেলোনা।

গতকাল ঘরের মাঠে লিওঁকে ৫-১ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা। জোড়া গোল করেছেন মেসি। বাকি একটি করে গোল করেছেন ফিলিপে কৌতিনিয়ো, জেরার্দ পিকে ও উসমান দেম্বেলে। এরআগে লিওঁর মাঠে প্রথম পর্ব গোলশূন্য ড্র হয়েছিল।

ক্যাম্প ন্যুতে ম্যাচের ১৭তম মিনিটেই দলকে এগিয়ে নেন মেসি। মেসির বাড়ানো বল ধরে ডি-বক্সে ঢোকা লুইস সুয়ারেস ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। পেনাল্টিতে সফল স্পট শটে বল জালে পাঠান আর্জেন্টাইন তারকা।

৩১তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুন করেন ফিলিপে কৌতিনিয়ো। বিরতির পর ৫৮তম মিনিটে বাঁ দিক থেকে বার্সেলোনার ডি-বক্সে উড়ে আসা বল ডিফেন্ডাররা ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে বল পেয়ে যান স্বাগতিক তারকা তুজা।  নিচু শটে ব্যবধান কমান ফরাসি এই মিডফিল্ডার।

৭৮তম মিনিটে ব্যবধান আবারও দ্বিগুন করেন মেসি। ক্লাব ফুটবলের ইউরোপ সেরা প্রতিযোগিতায় এবারের আসরে মেসির এটি অষ্টম ও সব মিলিয়ে ১০৮তম গোল। আর ঘরের মাঠে ৬১ ম্যাচে ৬২তম গোল। পাশাপাশি টানা ১১ মৌসুমে ক্লাবের হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে কমপক্ষে ৩৫টি করে গোল করার কীর্তি গড়লেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

শেষের দিকে পিকে আর দেম্বেলের গোলে বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সা। এই নিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ঘরের মাঠে টানা ৩০ ম্যাচ অপরাজিত থাকলো বার্সেলোনা। দিনের অপর ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখকে তাদের মাঠে ৩-১ গোলে উড়িয়ে শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে লিভারপুল।

এর আগে কোয়ার্টার-ফাইনাল নিশ্চিত করা দলগুলো হলো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ম্যানচেস্টার সিটি, টটেনহ্যাম হটস্পার, আয়াক্স, পোর্তো ও ইউভেন্তুস।

ভালো শুরুর পরও হতাশার ব্যাটিং
                                  

ক্রীড়া প্রতিবেদক : বৃষ্টিতে ভেসে গেছে ওয়েলিংটন টেস্টের প্রথম দুই দিন। টসও হয়নি বৃষ্টির দাপটে।  তৃতীয় দিনে খেলা শুরু হলেও হ্যামিল্টনে প্রথম ইনিংসের ভাগ্য পাল্টাতে পারেনি বাংলাদেশ। ভালো শুরুর পরও হতাশার শেষ। হ্যামিল্টন টেস্টের প্রথম ইনিংসের সঙ্গে ওয়েলিংটনের প্রথম ইনিংসেও এমন মিল রেখে ব্যাট করেছে বাংলাদেশ দল।

বেসিন রিজার্ভে দিনের শুরুতে তামিম ইকবালের ব্যাটে সম্ভাবনাময়ী শুরু ছিলো বাংলাদেশের। কিন্তু নেইল ওয়াগনার চিরচেনা আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছেন তার প্রতিরোধ। তাকে সঙ্গ দেন আরেক পেসার ট্রেন্ট বোল্ট। এই দুজনের বোলিং তোপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২১১ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। তবে স্বস্তির বিষয় হলো ৮ রানেই নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনারকে তুলে নিয়েছেন টাইগার পেসার আবু জায়েদ রাহী। দিন শেষে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৩৮ রান। তারা পিছিয়ে ১৭৩ রানে।

প্রথম দুই দিনের খেলা পরিত্যক্ত হওয়ায় রবিবার তৃতীয় দিন রোদেলা সকালে আধঘণ্টা আগে টস করে দুই দল। নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন টস জিতে নেন ফিল্ডিং। এমন বিরুদ্ধ কন্ডিশনে আগে ব্যাটিংয়ের ঝুঁকির কথা বলা হলেও তেমন সম্ভাবনা দেখা যায়নি। পেসাররা শুরুতে সহযোগিতা পাননি উইকেট থেকে। উল্টো ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে জ্বলে ওঠেন ওপেনার তামিম। হ্যামিল্টন টেস্টের পর ওয়েলিংটনেও আগ্রাসী ছিলেন তিনি। হ্যামিল্টনে ১২৬ ও ৭৪ রান করা এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ৮১ বলে ৬ চারে ফিফটি তুলে নেন। তার আগে ৭৫ রানের জুটি গড়েন সাদমান ইসলামকে নিয়ে।

২১তম ওভারে প্রতিরোধ গড়া এই জুটি ভেঙে দেন কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম। ৫৩ বলে ২৭ রান করে রস টেলরকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাদমান। কিছুক্ষণ পর বল হাতে নেন ওয়াগনার। প্রথম ওভারে ১০ রান দিলেও পরের তিন ওভারে মুমিনুল হক ও মোহাম্মদ মিঠুনকে ফিরিয়ে বাংলাদেশ ইনিংসে আঘাত হানেন। এই আঘাতে বাংলাদেশ প্রথম সেশন শেষ করে ৩ উইকেটে ১২৭ রানে।

দ্রুত দুই ব্যাটসম্যানকে হারালেও তামিমের ফিফটিতে স্বস্তিতে ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তাকে থামিয়ে বাংলাদেশকে বিপদে ফেলে দেন ওয়াগনার। ১১৪ বলে ১৯ চারে ৭৪ রান করে বিদায় নেন তামিম। ক্যাচ দেন টিম সাউদিকে। হ্যামিল্টনে শেষ ইনিংসে লড়াই করা ?মাহমুদউল্লাহ ও সৌম্য সরকার মাঠে নেমে স্কোরবোর্ড সমৃদ্ধ করতে পারেননি এই টেস্টে। ২০ রান করে ম্যাট হেনরির শিকার হয়েছেন সৌম্য। আর ১৩ রানে মাহমুদউল্লাহকে ফেরান ওয়াগনার।

দারুণ শুরু করা বাংলাদেশ বেহাল অবস্থায় পড়ে যায় ১৬৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে। দলকে লড়াইয়ে ফেরানোর চেষ্টা করেন লিটন দাস ও তাইজুল ইসলাম। কিন্তু শেষ দিকে ট্রেন্ট বোল্টের জোড়া আঘাতে ভেঙে যায় তাদের প্রতিরোধও। তাইজুলকে (৮) এলবিডাব্লিউ করে ৩৮ রানের জুটি ভাঙেন কিউই পেসার। একই ওভারে মোস্তাফিজুর রহমানকে বোল্ড করেন তিনি।

এরপর লেজ ছেঁটে ফেলতে সময় লাগেনি নিউজিল্যান্ডের। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৩ রান করা লিটনকে বিদায় দেন সাউদি। আবু জায়েদ রাহীকে (৪) বোল্ড করে বাংলাদেশকে গুটিয়ে দেন বোল্ট। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন ওয়াগনার। তিনটি নেন আরেক পেসার বোল্ট।

এর পর তৃতীয় সেশনে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আবু জায়েদ রাহী ও ইবাদত হোসেনের বোলিংয়ের বিপক্ষে অস্বস্তিতে ছিলেন রাভাল এবং লাথাম। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে লাথামের বেশ কঠিন পরীক্ষাই নেন রাহী। ওভারের শেষ বলে বাঁহাতি এ ওপেনারকে উইকেটের পেছনে ক্যাচে পরিণত করে সাজঘরে পাঠান ২৫ বছর বয়সী এ পেসার। লাথাম করেন ৪ রান।

মাত্র ৫ রানে প্রথম উইকেট হারিয়ে খোলসবন্দী হয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। দ্বিতীয় উইকেটে রক্ষণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন কেন উইলিয়ামসন এবং জিত রাভাল। অপরপ্রান্ত থেকে দারুণ লাইন-লেন্থে বোলিং করেন ইবাদত। নবম ওভারে যার ফায়দা নেন রাহী। এবার তিনি সাজঘরে পাঠান আরেক ওপেনার রাভালকে। শর্ট কভারে ক্যাচটি ধরেন সৌম্য সরকার।

৮ রানে ২ ওপেনারকে হারিয়ে অস্বস্তিতে পড়ে যাওয়া নিউজিল্যান্ডের আর বিপদের মুখোমুখি হতে হয়নি দিনের শেষ ভাগে। কারণ তৃতীয় সেশনটা আগেভাগে শেষ হয়েছে ফের বৃষ্টি হানা দেওয়ায়। গুঁড়ি গুড়ি বৃষ্টি নামায় পরিত্যক্ত হয়েছে বাকি সময়ের খেলা। নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৩৮ রান। ব্যাট করছেন কেন উইলিয়ামসন (১০) ও রস টেলর (১৯)। তারা পিছিয়ে ১৭৩ রানে। মোট ৭২.৪ ওভার খেলা হয়েছে আজ। কালকেও ম্যাচ শুরু হবে আধা ঘণ্টা আগে।

দ্বিতীয় দিনেও টস করতে দেয়নি বৃষ্টি
                                  

ক্রীড়া প্রতিবেদক : প্রথম দিনের মতো অঝোর ধারায় বৃষ্টি হয়নি শনিবার। কিন্তু রাতের বৃষ্টিতে আউটফিল্ড ছিল ভেজা। আর কিছুক্ষণ বিরতি দিয়ে হয়েছে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি। তাতে নিউজিল্যান্ড ও বাংলাদেশের খেলা দ্বিতীয় দিনও হয়েছে পরিত্যক্ত। আগের দিনের মতোই সারাদিন অপেক্ষা করেও টস করা সম্ভব হয়নি।

শুক্রবার ম্যাচের প্রথম দিন `স্টাম্পস` ঘোষণা করতে আম্পায়াররা সময় নিয়েছিলেন কেবল ৪ ঘণ্টার একটু বেশি। শনিবার দ্বিতীয় দিন মেঘের লুকোচুরি খেলার কারণে সবাইকে অপেক্ষা করতে হয়েছে প্রায় ৬ ঘণ্টা। কিন্তু থেমে থেমে বৃষ্টি চলতেই থাকায় টানা দ্বিতীয় দিনের মতো টস ছাড়াই `স্টাম্পস` ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছেন দুই আম্পায়ার।

ওয়েলিংটনের আবহাওয়ার পূর্ভাবাসে বলাই ছিলো শুক্র এবং শনিবার হবে টানা বৃষ্টি। ধরেই নেয়া হয়েছিল হয়তো প্রথম দুই দিন একটি বলও মাঠে গড়াবে না বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্টের।

এমনকি প্রকৃতির অবস্থা দেখে দ্বিতীয় দিন তথা শনিবার দুই দল টিম হোটেল থেকে মাঠেও এসেছে প্রায় ঘণ্টাদেড়েক পরে। যেখানে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরুর কথা ছিলো নির্ধারিত সময়ের ত্রিশ মিনিট আগে। তবু মুষলধারে বৃষ্টির কারণে একদমই আশা ছিল না দ্বিতীয় দিনে খেলা হওয়ার।

তবে শনিবার সকাল পেরিয়ে দুপুর গড়াতেই বেসিন রিজার্ভে মেলে আশার আলো, থেমে যায় মুষলধারে চলতে থাকা বৃষ্টি। এমনকি আকাশে জমে থাকা মেঘও সরে যেতে শুরু করে ওয়েলিংটনের আকাশ থেকে। যে কারণে ম্যাচের আম্পায়াররা মনে করছিলেন হয়তো অন্তত এক সেশনের জন্য হলেও খেলা যাবে দ্বিতীয় দিনে।

সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ সময় সকাল ৮.৪৫ মিনিটে আরেক দফায় পিচ ও আউটফিল্ড পর্যবেক্ষণে নামার কথা ঠিক দুই আম্পায়ার পল রেইফেল এবং রুচিরা পাল্লিয়াগুরুগে। কিন্তু তখন আবার শুরু হয় গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি। তবু আকাশ পরিষ্কার থাকায় আশা ছিলো খেলা শুরু করার। কিন্তু বৃষ্টি আর না থামায় সম্ভব হয়নি দ্বিতীয় দিনের খেলাও।

ব্যাটিং-বোলিংয়ে ভালো করার প্রত্যয় মাহমুদউল্লাহর
                                  

ক্রীড়া প্রতিবেদক : টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম ইনিংস যেকোনো দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। এই ইনিংসে যে দল এগিয়ে যাবে তারাই মূলত ম্যাচের লাগাম ধরে রাখবে। হ্যামিল্টনের সিরিজের প্রথম টেস্টে যেমন প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে ভালো শুরু করেও শেষ পর্যন্ত বড় সংগ্রহ করতে পারেনি। ফলে দেখতে হয়েছে বাজে হার।

সেডন পার্কে টাইগারদের প্রথম ইনিংসে এক তামিম ইকবাল ছাড়া আর কাউকেই খুঁজে পাওয়া যায়নি। ইনিংসের মোট রানের অর্ধের বেশি এসেছে তার ব্যাট থেকেই। ফলে সফরকারীরা দ্বিতীয় ইনিংসে ভালো খেললেও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইনিংস হার এড়াতে পারেনি।

অন্যদিকে কিউইদের মাটিতে বোলিংটাও যাচ্ছেতাই হচ্ছে। স্বাগতিকরা তাদের প্রথম ইনিংসের ব্যাটিংয়ে আবু জায়েদ-মিরাজদের পিটিয়ে রেকর্ড সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল। তবে ওয়েলিংটনে দ্বিতীয় টেস্টে ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই সতীর্থদের জ্বলে ওঠার আশা করছেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

মাহমুদউল্লাহ বলেন, টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম ইনিংসটা সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ব্যাটিং করেন বা বোলিং এটা আপনাকে ভালো একটা বিল্ডআপ দেয়। সেদিক থেকে প্রথম ইনিংস আসলেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমরাও চাই প্রথম ইনিংসে যদি ব্যাটিং করি, তবে একটা ভালো পার্টনারশিপ, ভালো শুরু এবং ভালো একটা টোটাল যেন করতে পারি। আর বোলিং করলে যেন দ্রুত কিছু উইকেট নিতে পার। প্রতিপক্ষের শিবিরে কিছুটা চাপ তৈরি করতে পারি।

কোচ স্টিভ রোডসের সুরে তাল মিলিয়ে মাহমুদউল্লাহও জানান, দ্বিতীয় টেস্টে হয়তো মুশফিকুর রহিমের খেলা হচ্ছে না। তবে তাকে তৃতীয় টেস্টে অবশ্যই পাওয়া যাবে। আর চোট থাকলেও ওয়েলিংটনে খেলবেন তামিম ইকবাল। এছাড়া পেসার হিসেবে নেওয়া হতে পারে মোস্তাফিজুর রহমানকে।

এদিকে, হ্যামিল্টন টেস্টে বোল্ট-ওয়াগনারদের বাউন্সার গতিতে প্রথম ইনিংসে ডুবেছে বাংলাদেশ। যার পরিনাম ছিল ইনিংস ব্যবধানে হার। সফরকারীদের এই দুর্বলতার সুযোগ দ্বিতীয় টেস্টেও নিতে চায় স্বাগতিকরা। তাই ওয়েলিংটনে বাংলাদেশের মুখোমুখি হওয়ার আগে নিজেদের শর্ট বলের মন্ত্রের কথাই স্পষ্ট করলেন কিউই পেস তারকা ট্রেন্ট বোল্ট।

দ্বিতীয় টেস্টকে সামনে রেখে বোল্ট জানান, আমি নিশ্চিত ওরাও জানে এটাই (শর্ট বল) হবে। আমার  মনে হয় এটি ভালো কৌশল হবে।

প্রথম টেস্টে বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছেন ওয়াগনার। দ্বিতীয় টেস্টেও তার উপরেই আস্থা বোল্টের। তার কথায়, আমাদের ওয়াগনার আছে যে এই(বাউন্সার) পরিকল্পনা খুব ভালোভাবেই কাজে লাগাতে জানে। এটি এমন কৌশল যা আমরা ব্যবহার করে সফল হয়েছি এবং নিশ্চিত থাকুন এখানেও তা অব্যাহত থাকবে।

শুক্রবার ভোর ৪ টায় ওয়েলিংটনে দ্বিতীয় টেস্টে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড।

এল ক্লাসিকোতেও বার্সার কাছে হারলো রিয়াল
                                  

ক্রীড়া ডেস্ক : কোপা দেল’রের সেমিফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদকে তিন দিন আগে হারিয়েছিল বার্সেলোনা। ফুটবল ভক্তরা মজা করে বলে, রিয়ালের মাঠের নাম সান্তিয়াগো বার্নাব্যু নয়, ক্যাম্প বার্নাব্যু করা হোক। কারণ বার্সেলোনা এখানে ঘরের মাঠের মতো খেলে। রিয়াল যেন নিজ দর্শকদের সামনে মিউয়ে যায়। কোপায় হারের তিনদিন পর শনিবার এল ক্লাসিকো ম্যাচে আবার ১-০ গোলে হেরেছে লস ব্লাঙ্কোসরা।

বার্নাব্যুতে এল ক্লাসিকোর এ ম্যাচটি ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তবে দিন শেষে শেষ হাসি হেসেছে বার্সা। ব্লুগ্রেনাদের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেছেন ক্রোয়েশিয়ান তারকা ইভান রাকিতিচ। তাতে প্রতিপক্ষের মাঠে থেকে ১-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে ফিরেছে মেসি-সুয়ারেজরা।

ক্লাসিকোতে এ জয়ের মধ্য দিয়ে মুখোমুখি লড়াইয়ে রিয়ালের চেয়ে এগিয়ে গেল বার্সা। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মুখোমুখি লড়াইয়ে বার্সেলোনার এটি ৯৬তম জয়। রিয়ালের জয় ৯৫টি। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে রিয়ালের বিপক্ষে চারবারের দেখায় তিনটিতেই জিতল বার্সেলোনা। দুই দলের অপর ম্যাচটি ড্র হয়েছে।

লা লিগায় প্রথম পর্বে গত অক্টোবরে লিওনেল মেসিকে ছাড়া খেলতে নেমে লুইস সুয়ারেজের হ্যাটট্রিকে রিয়ালকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল বার্সেলোনা। ফেব্রুয়ারিতে কোপা দেল’রে সেমি-ফাইনালের প্রথম পর্বে ন্যু ক্যাম্পে দুদলের ম্যাচটি ১-১ ড্র হয়। আর গত বুধবার ফিরতি লেগে মাদ্রিদের ক্লাবটিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে কাতালান ক্লাবটি। এবার প্রতিপক্ষের ডেরায় গিয়ে আরও এক জয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের উপর আধিপত্য আরও বিস্তার করল বার্সা।

বার্নাব্যুতে গতকাল রাতে ম্যাচের শুরুর দিকে আক্রমণে এগিয়ে ছিল বার্সা। ফলে ২৬তম মিনিটে স্বাগতিক দর্শকদের উচ্ছ্বাস থামিয়ে দিতে সক্ষম হয় ভালভার্দের শিষ্যরা। এসময় সার্জিও রবার্তোর পাস ধরে গোলরক্ষকের উপর দিয়ে বল জালে পাঠান রাকিতিচ। ম্যাচের শেষ সময় পর্যন্ত এ গোলের শোধ দিতে ব্যর্থ হলে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় রিয়ালকে।

স্প্যানিশ লা লিগায় এ জয়ের ফলে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থানটি আরেকটু পাকাপোক্ত হয়েছে বার্সেলোনার। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের হারানোর পর ২৬ ম্যাচ শেষে শীর্ষে থাকা বার্সার পয়েন্ট এখন ৬০। সমান ম্যাচে তাদের চেয়ে ১২ পয়েন্ট পিছিয়ে তৃতীয় স্থানে রিয়াল মাদ্রিদ। আর ২৫ ম্যাচে ৫০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানটি দখলে নিয়েছে মাদ্রিদের আরেক ক্লাব অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ।

সৌম্য-মাহমুদউল্লাহর বীরত্বের পরও ইনিংস পরাজয়
                                  

ক্রীড়া প্রতিবেদক : সৌম্য সরকার ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের জোড়া সেঞ্চুরির পরও ইনিংস পরাজয় এড়াতে পারলো না বাংলাদেশ। হ্যামিল্টনের তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এক ইনিংস ও ৫১ রানে হার মানে সফরকারীরা।

টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে ২৩৪ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। জবাবে কেন উইলিয়ামসনের ডাবল সেঞ্চুরিতে ভর করে ৬ উইকেটে ৭১৫ রানে ইনিংস ঘোষণা দেয় নিউজিল্যান্ড। ৪১৮ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিং শুরু করে সফরকারীরা। এরপর সৌম্য ও মাহমুদউল্লাহর জোড়া সেঞ্চুরিতে ৪২৯ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। ফল,  ৫২ রান ও ইনিংস ব্যবধানে হার মাহমুদউল্লাহর দলের।

কিউইদের বিপক্ষে ৪ উইকেটে ১৭৪ রান নিয়ে চতুর্থ দিনে খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। পঞ্চম উইকেটে দারুণভাবে টাইগাররা ঘুরে দাড়ায় সৌম্য-মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে। সাদা পোষাকে প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পান সৌম্য। নিউজিল্যান্ডের বড় সংগ্রহের জবাবে পঞ্চম উইকেটে ২৩৫ রান যোগ করেন তারা। পঞ্চম উইকেট জুটিতে যা বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ। ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলে ১৪৯ রান করে আউট হন সৌম্য সরকার। এরপর টেস্টে ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি তুলে নেন মাহমুদউল্লাহ।

ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিতে সৌম্য ছুঁয়েছেন বাংলাদেশের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। শেষ পর্যন্ত নতুন রেকর্ড গড়তে না পারলেও ছুঁয়েছেন ঠিকই। ৯৪ বলে করেছেন সেঞ্চুরি। ২০১০ সালে লর্ডসে ৯৪ বলে সেঞ্চুরি করে রেকর্ডটি এতদিন একার ছিল তামিমের। ১ রানের জন্য ছুঁতে পারেননি দেড়শ। তবে ১৭১ বলে ১৪৯ রানের ইনিংস তার প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারেও সর্বোচ্চ। ২১টি চারের সঙ্গে ইনিংসে ছক্কা মেরেছেন ৫টি।

তবে সৌম্যর পর ব্যাটিংয়ে নেমে মাহমুদউল্লাহকে সঙ্গ দিতে পারেননি লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজনেই সাজঘরে ফিরেছেন ব্যক্তিগত ১ রান করে। তাদের ব্যাট থেকে কিছু রান আসলে হয়তো ইনিংস ব্যাবধানে হারটা এড়ানো যেতো। চা বিরতিতে থেকে ফিরে বাংলাদেশের ব্যাটিংটাও সুখকর হয়নি। ব্যক্তিগত দেড়শ রান থেকে চার রান দূরে থাকতে আউট হয়ে যান মাহমুদউল্লাহ। সাউদির বলে বোল্টের হাতে ধরা পড়ার আগে ২২৯ বলে ২১ চার ও ৩ ছক্কায়  ১৪৬ রান আসে তার ব্যাট থেকে।

বল হাতে দ্বিতীয় ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের হয়ে একাই ৫ উইকেট নেন ট্রেন্ট বোল্ট। টিম সাউদি পান ৩টি উইকেট। আর বাকি দুটি উইকেট নেন নেইল ওয়াগনার।

ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় বললেন গেইল
                                  

ক্রীড়া ডেস্ক : দেখতে দেখতে ক্রিস গেইলের বয়স হয়ে গেছে ৩৯। বুড়িয়ে যাওয়া এমন সময়ের আগেই অনেকে বিদায় বলে দেন ক্রিকেটকে। ‘ব্যাটিং দানব’ হিসেবে খ্যাত ক্রিস গেইল এতদিন খেলাটা খেলে গেছেন দাপটের সঙ্গেই। ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই মারকুটে ব্যাটসম্যান মনে করছেন তার বিদায় বলবার সময় হয়ে গেছে! তাই আগামী বিশ্বকাপের পরই বিদায় বলবেন ওয়ানডে ক্রিকেটকে।

ক্যারিবীয়দের হয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি। আর মাত্র ২৭৩ রান করলেই দ্বিতীয় ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান হিসেবে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মাইলফলকে পৌঁছে যাবেন তিনি।

তবে গেইল ভাবছেন বিশ্বকাপ জয়ের কথা। তার মতে প্রথমবারের মতো এ শিরোপা ছুঁয়ে বিদায় নিতে পারাটা হবে রূপকথার মতো। মূলত তরুণ ক্রিকেটারদের সুযোগ করে দিতেই ওয়ানডে থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন গেইল।

নিজের অবসরের কথা জানিয়ে গেইল বলেন, পঞ্চাশ ওভারের ক্রিকেটে নিশ্চিতভাবেই বিশ্বকাপটাই হবে আমার শেষ। আমি বিশ্বকাপেই শেষের দাগটা টানতে চাই। বলা ভালো বাঁধন ছিড়তে যাই। অনেক তো খেললাম। এবার বাইরে বসে তরুণ খেলতে দেখবো।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বকাপ জিতে বিদায় নিতে পারাটা হবে রূপকথার গল্পের মতো। দলের তরুণ ক্রিকেটারদের কাছে আমি এটা পাওনা। আমার জন্য তাদের এটা করতে হবে এবং আমাকে ট্রফি এনে দিতে হবে। অবশ্যই আমি নিজেও নিজের সেরাটা দিতে কার্পণ্য করবো না।

এখনো পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ২৮৪টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন ৩৯ বছর বয়সী গেইল। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে একটি ডাবল সেঞ্চুরিসহ মোট ২৩টি সেঞ্চুরি ও ৪৯টি হাফসেঞ্চুরিতে ওয়ানডে ক্রিকেটে তার মোট রান ৯৭২৭।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বুধবার শুরু হতে যাওয়া ওয়ানডে সিরিজের দলে রয়েছেন তিনি। জানালেন ওয়ানডে ছাড়লেও টি-টোয়েন্টি খেলে যেতে চান। এমনকি ২০২০ সালে ইংল্যান্ডের আয়োজিত ১০০ বলের টুর্নামেন্টেও খেলতে আগ্রহী, আমার মনে হয় ইংল্যান্ডের আমাকে আমন্ত্রণ জানানো উচিত। তাহলে টুর্নামেন্ট ধামাকা করার চেষ্টা করবো এবং বলবো ধন্যবাদ, এবার না হয় তরুণ কাউকে ডাকো।

বিবর্ণ ব্যাটিং-বোলিংয়ে সিরিজ হারল টাইগাররা
                                  

ক্রীড়া প্রতিবেদক : মেঘে ঢাকা গুমোট সকালে আঁধারে ডুবে থাকল বাংলাদেশের ব্যাটিং। রৌদ্রোজ্জ্বল দুপুরেও আলোকিত হলো না বোলিং। ব্যাটে-বলে হতাশার যুগলবন্দী বয়ে আনল আরেকটি হার। নিশ্চিত হলো সিরিজ হারও। নিউ জিল্যান্ডের টানা দ্বিতীয় জয়ে অলংকার হয়ে রইল মার্টিন গাপটিলের টানা দুই সেঞ্চুরি

নেপিয়ারে প্রথম ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৮ উইকেটে হেরেছিল বাংলাদেশ। শনিবার ক্রাইস্টচার্চে দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও কিউইদের কাছে ৮ উইকেটে পরাজিত হল মাশরাফির দল। টানা দুই ম্যাচ হেরে সিরিজ খোয়ানো বাংলাদেশ এখন হোয়াইটওয়াশ হওয়ার শঙ্কায়।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৪৯.৪ ওভারে ২২৬ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৭ রান করেন মোহাম্মদ মিঠুন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৩ রান আসে সাব্বির রহমানের ব্যাট থেকে। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ৪৩ রানে ৩টি উইকেট নেন ডানহাতি পেসার লুকি ফার্গুসন। জিমি নিশাম আর টড অ্যাস্টল শিকার করেন ২টি। ম্যাট হেনরি, কলিড ডি গ্র্যান্ডহোম আর ট্রেন্ট বোল্ট পান একটি করে উইকেট।

২২৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট কতে নেমে দলীয় ৪৫ রানে হেনরি নিকোলসকে (১৪) হারায় নিউজিল্যান্ড। তবে দ্বিতীয় উইকেটে মার্টিন গাপটিল-উইলিয়ামসনের ১৪৩ রানের জুটিতে জয়ের রাস্তা তৈরি করে ফেলে স্বাগতিকরা।

মাত্র ৭৬ বলে ক্যারিয়ারের ১৬তম ও চলতি সিরিজে টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন গাপটিল । শেষ পর্যন্ত ৮৮ বলে ১১৮ রান করে মোস্তাফিজের বলে আউট হন তিনি। নিজের ইনিংসটি ১৪টি চার আর ৪টি ছক্কায় সাজান গাপটিল। এরপর রস টেলরকে (২১*) নিয়ে বাকি কাজটুকু সেরে ফেলেন উইলিয়ামসন। ক্যারিয়ারের ৩৭তম ফিফটি তুলে নেয়া উইলিয়ামন অপরাজিত থাকেন ৬৫ রান করে ।

বাংলাদেশের ইনিংসের শুরুটাই ছিল বাজে। দলীয় ৫ রানে প্রথম উইকেট হারায় সফরকারি দল। বোল্টের বলে লুকি ফার্গুসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন লিটন দাস (১)। আরেক ওপেনার তামিম ইকবালও টিকতে পারেননি। ৫ রান করে হেনরির বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন তিনি। দলীয় ৪৮ রানে তৃতীয় উইকেটের পতন হয়। ডি গ্র্যান্ডহোম তুলে নেন সৌম্য সরকারকে। ২৩ বলে ২২ রান করেন তিনি।

চতুর্থ উইকেটে মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গে জুটি বেঁধে বিপদ কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে ২০০ ওয়ানডে খেলার মাইলফলক স্পর্শ করা মুশি ভালোই খেলছিলেন। কিন্তু দলীয় ৮১ রানে ফার্গুসনের দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে যান তিনি। ফেরার আগে ৩৬ বলে করেন ২৪ রান। মুশির বিদায়ের পর দ্রুতই মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে হারায় বাংলাদেশ। ৮ বলে ৭ রান করে লেগস্পিনার টড অ্যাস্টলের বলে উইকেটের পেছনে টম লাথামের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রিয়াদ।

নেপিয়ারে প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের বিপর্যয়ের সময় হাল ধরেছিলেন মোহাম্মদ মিঠুন। ক্রাইস্টচার্চে বাঁচা-মরার লড়াইয়েও দলকে টানেন তিনি। ৯৩ রানে ৫ উইকেট খুইয়ে ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশকে পথ দেখান এই ডানহাতি। ষষ্ঠ উইকেটে সাব্বিরের সঙ্গে ৭৫ রানের জুটি গড়েন বিপদ সামাল দেন মিঠুন । ক্যারিয়ারের চতুর্থ ও চলতি সিরিজে টানা দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নেন তিনি। তবে এবারও ইনিংসটাকে বড় করতে পারেননি। অ্যাস্টলকে মারতে গিয়ে বোল্ড হন ব্যক্তিগত ৫৭ রানে। ৬৯ বলে ৭ বাউন্ডারি আর এক ছক্কায় ইনিংসটি সাজান তিনি।

মিঠুনের বিদায়ের পর ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন সাব্বির। মেহেদি হাসান মিরাজ যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি তাকে। ৪০তম ওভারে হেনরির বলে একবার ক্যাচ তুলে বেঁচে যান তিনি। বাউন্ডারি লাইনে তার ক্যাচ ছাড়েন হেনরি নিকোলস। পরের ওভারে জিমি নিশামকে মারতে গিয়ে সেই নিকোলসের হাতেই ধরা পড়েন মিরাজ (১৬)। দলীয় ১৯০ রানে সপ্তম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর ২১ রানের ব্যবধানে সাব্বির (৪৩) ও সাইফউদ্দিনও (১০) বিদায় নেন। মাশরাফির ১৮ বলে ১৩ রানের সুবাদে শেষ পর্যন্ত ৪৯.৪ ওভারে ২২৬ রানে থামে বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

বাংলাদেশ: ৪৯.৪ ওভারে ২২৬/১০ (তামিম ৫, লিটন ১, সৌম্য ২২, মুশফিক ২৪, মিঠুন ৫৭, মাহমুদউল্লাহ ৭, সাব্বির ৪৩, মিরাজ ১৬, সাইফউদ্দিন ১০, মাশরাফি ১৩, মোস্তাফিজ ৫*; ফার্গুসন ৩/৪৩, নিশাম ২/২১, অ্যাস্টল ২/৫২, হেনরি ১/৩০, বোল্ট ১/৪৯, ডি গ্র্যান্ডহোম ১/২৫)

নিউজিল্যান্ড: ৩৬.১ ওভারে ২২৯/২ (নিকোলস ১৪, গাপটিল ১১৮, উইলিয়ামসন ৬৫*, টেলর ২১*, মোস্তাফিজ ২/৪২)

ম্যাচসেরা: মার্টিন গাপটিল

শেষ মুহূর্তের গোলে রিয়ালের জয়
                                  

ক্রীড়া ডেস্ক : নিশ্চিত ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল ম্যাচ। এমন সময়ে দারুণ এক গোল করে রিয়াল মাদ্রিদের সমর্থকদের আনন্দে ভাসান মার্কো আসেনসিও। বুধবার রাতে তার ওই শেষ মুহূর্তের গোলেই আয়াক্সের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপাধারীররা।

ঘরের মাঠে দারুণ উজ্জীবিত ছিল আয়াক্স। বারবার রিয়ালের আক্রমণ ভেস্তে দিয়েছে। পাল্টা আক্রমণে অতিথিদের ঘাম ঝরিয়েছে। প্রথমে জালে বল পাঠায় স্বাগতিকরাই। ৩৮ মিনিটে হেডে নিশানাভেদ করেন নিকোলাস তাগলিয়াফিকো। তবে তাদিচ অফসাইডে থাকায় ভিএআরের সহায়তায় গোলটি বাতিল করেন রেফারি।

প্রথমার্ধে গোলশূন্য ড্র খেলা দ্বিতীয়ার্ধে আরো জমে ওঠে। গোল পেতে মরিয়া হয়ে পড়ে দুই দলই। তবে এগিয়ে যায় রিয়াল। ৬০ মিনিটে দারুণ এক আক্রমণ থেকে দলকে লিড এনে দেন করিম বেনজেমা। ডি-বক্সে ভিনিসিউসের পাস ধরে বজ্রগতির শটে বল ঠিকানায় পাঠান তিনি।

তবে এ আনন্দ বেশিক্ষণ থাকেনি রিয়ালের। ৭৫ মিনিটে অতিথিদের স্তব্ধ করে আয়াক্সকে সমতায় ফেরান হাকিম। ডি-বক্সে নেরেসের বাড়ানো বল পেয়ে ঠাণ্ডা মাথায় নিখুঁত প্লেসিং শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি। এতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই আরো বেগবান হয়। গোল পেতে মুখিয়ে থাকে দুই দল। একে অপরের শিবিরে তোলে আক্রমণের ঢেউ।

এবার আর নিস্তার পায়নি আয়াক্স। ৮৭ মিনিটে সফল লক্ষ্যভেদে দলকে জয় এনে দেন মার্কো আসেনসিও। দানি কারভাহালের দূরের পোস্টে বাড়ানো দুর্দান্ত ক্রসে পা বাড়িয়ে বল লক্ষ্যে পাঠান তিনি। তবে দুর্দান্ত জয়ের পরও অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছেড়েছে সর্বোচ্চ ১৩বারের ইউরোপ চ্যাম্পিয়নরা। ইনজুরি টাইমে সার্জিও রামোস হলুদ কার্ড পাওয়ায় আসছে ৫ মার্চ ফিরতি পর্বে নিজেদের দূর্গে অধিনায়ককে পাবে না তারা।

ব্যাটিংয়ে সিলেট সিক্সার্স
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: মাঝে একদিন ব্যবধান গেলো। একদিনের ব্যবধানে আবারও মুখোমুখি সিলেট সিক্সার্স এবং রংপুর রাইডার্স। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে স্বাগতিক সিলেট টস হেরে ব্যাট করতে নেমেছে মাশরাফি বিন মর্তুজার দল রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে।

অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নারের এটাই বিপিএলে সম্ভবত শেষ ম্যাচ। কনুইয়ের চোট নিয়েও দুই ম্যাচ খেলে ফেলেছেন তিনি। রংপুরের বিপক্ষেই বুধবার খেলতে গিয়ে ব্যাথা পেয়েছিলেন ওয়ার্নার। যে কারণে দ্রুতই তার দেশে ফিরে যাওয়ার কথা। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি সিদ্ধান্ত নেন, সিলেট পর্ব শেষ করেই তবে দেশে ফিরবেন তিনি।

হাতের ফোলা নিয়েও শুক্রবার ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছিলেন ওয়ার্নার। ৪৩ বলে খেলেছিলেন ৬৩ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস। ৮টি বাউন্ডারির সঙ্গে ১টি ছক্কার মারও মেরেছিলেন তিনি।

আজ টানা তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নেমেছেন ওয়ার্নার এবং তার দল সিলেট সিক্সার্স। মাশরাফির সঙ্গে টস করতে নেমে হারতে হয়েছিল ওয়ার্নারকে। তবুও প্রথমে ব্যাট করার আমন্ত্রণ পান তিনি।

আগের দুই ম্যাচের মতই এই ম্যাচে সিলেটের ইনিংস ওপেন করতে নেমেছেন লিটন দাস আর সাব্বির রহমান। তবে ৮ বলে ১১ রান করে লিটন দাস আউট হয়ে গেলেও মারমুখি হয়ে খেলার চেষ্টা করছেন সাব্বির রহমান এবং আফিফ হোসেন।

এ রিপোর্ট লেখার সময় সিলেটের রান ৪ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৩৮। ৮ রান নিয়ে সাব্বির এবং ১৮ রান নিয়ে ব্যাট করছেন আফিফ হোসেন ধ্রুব।

কাতার বিশ্বকাপে ৪৮ দল
                                  

১৯৯৮ সাল থেকে বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে ৩২ দল। এই সংখ্যা ২০২৬ সালের আসরে ৪৮-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা থাকলেও ২০২২ সালের আসরেই তা বাস্তবায়ন করতে চাইছে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

রাশিয়া বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর থেকেই শোনা যাচ্ছিল কাতার বিশ্বকাপ হবে ৪৮ দলের। এমন গুঞ্জন নিয়ে আয়োজক কমিটি এত দিন সরাসরি কিছু না বললেও গত বৃহস্পতিবার ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানালেন, কাতারে অনুষ্ঠেয় ২০২২ বিশ্বকাপেই ৪৮ দলের অংশগ্রহণ দেখা যেতে পারে।

মরক্কোর শহর মারাকেচে ফিফার এক সভায় ইনফান্তিনো বলেন, কাতারিরা এই (৪৮ দলের বিশ্বকাপ) আইডিয়া নিয়ে কাজ করছে। তারা এটা নিয়ে ইতিবাচক। ফেডারেশনের প্রায় সবাই এটাকে সাপোর্ট করছেন। তবে আপনাকে এটা দেখতে হবে যে সাংগঠনিক পর্যায়ে এর সম্ভাব্যতা কতটা।

তিনি আরো বলেন, অবশ্যই, শুধু কাতারে ৪৮ দলের বিশ্বকাপ আয়োজন সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে পার্শ্ববর্তী কোনো দেশের সহায়তা নিতে হতে পারে।

কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের অধিকাংশ দেশের সঙ্গে কাতারের রাজনৈতিক সম্পর্ক এখন তলানিতে।  ২০১৭ সালের জুন থেকে সাবেক বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইনসহ ৬ আরব রাষ্ট্র কাতারের ওপর কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করে রেখেছে। এমন পরিস্থিতে পার্শ্ববর্তী দেশের সহায়তা কিভাবে পাবে কাতার- এ প্রশ্নের জবাবে ইনফান্তিনো বলেন, আমরা ফুটবল নিয়ে আছি, রাজনীতি নয়। আমরা দেখব কি করা যায়।

ফুটবল বিশ্বকাপের পাশাপাশি ক্লাব বিশ্বকাপকেও আরো বেশি অংশগ্রহণমূলক করার আগ্রহের কথাও জানান ফিফা প্রধান। তিনি বলেন, আমরা এটাকেও (ক্লাব বিশ্বকাপ) সত্যিকার অর্থে বিশ্বকাপ বানাতে চাই, যেখানে সব মহাদেশ থেকে ২৪টি দল অংশ নেবে। সেরা ক্লাবের প্রায় সবই ইউরোপে অবস্থিত। কিন্তু আমাদের সারা পৃথিবী থেকেই দল প্রয়োজন।

নিষিদ্ধ সাব্বির
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে সাব্বির রহমানের ওপর। নিষিদ্ধ সেই ক্রিকেটার নিয়েই একাদশ সাজিয়েছে সিলেট সিক্সার্স। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের বিপক্ষে মাঠে নামছেন তিনি।

গেল সেপ্টেম্বরে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে নিষিদ্ধ হন সাব্বির। আসছে মার্চে নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে তার। এর আগেই মূলধারার ক্রিকেটে নিজেকে ঝালিয়ে নেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি।

চলতি বছরের মে মাসে ইংল্যান্ডে বসবে আইসিসি-২০১৯ বিশ্বকাপ। বিশ্বমঞ্চে পারফরম করতে আগেভাগেই জাতীয় দলে ফিরতে চান সাব্বির। স্বাভাবিকভাবেই বিপিএলে পাখির চোখ তার। দেশের জনপ্রিয় ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগে প্রমাণ করেই বাংলাদেশ দলে ফিরতে মুখিয়ে তিনি।

সাব্বিরের পাশাপাশি এ ম্যাচে সিলেট একাদশে আছেন অফফর্মে থাকা তাসকিন আহমেদ। তবে জায়গা হয়নি ইনজুরির কারণে দীর্ঘদিন খেলার বাইরে থাকা নাসির হোসেনের।

সিলেট সিক্সার্স একাদশ:
ডেভিড ওয়ার্নার (অধিনায়ক), লিটন দাস, সাব্বির রহমান, নিকোলাস পুরান, আফিফ হোসেন ধ্রুব, তৌহিদ হৃদয়, অলোক কাপালি, সন্দীপ লামিচানে, মোহাম্মদ ইরফান, আল-আমিন হোসেন ও তাসকিন আহমেদ।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স একাদশ:
এভিন লুইস, তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, স্টিভেন স্মিথ (অধিনায়ক), শোয়েব মালিক, শহীদ আফ্রিদি, আনামুল হক বিজয়, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, মেহেদি হাসান, আবু হায়দার রনি ও মোহাম্মদ শহীদ।

ফিল্ডিংয়ে কুমিল্লা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: বিপিএলের দ্বিতীয় দিনের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। টসে হেরে আগে ব্যাটিং করতে নামবে ডেভিড ওয়ার্নারের নেতৃত্বাধীন সিলেট সিক্সার্স।

কুমিল্লার পক্ষে টস করতে নেমেছেন ডেভিড ওয়ার্নারের স্বদেশী স্টিভেন স্মিথ। আগেরদিনই কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স সুত্রে জানা গিয়েছিলো এবার আর তামিম ইকবাল নন, দলকে নেতৃত্ব দেবেন স্মিথই।

আসরের প্রথম দিনেও প্রথম ম্যাচে টসে জিতে আগে বোলিং করেই ম্যাচ জিতেছিলো চিটাগং ভাইকিংস। সেই একই পরিকল্পনায় আজও টসে জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কুমিল্লা। স্মিথ ছাড়া তাদের দলে বাকি তিন বিদেশী খেলোয়াড় হলেন শহিদ আফ্রিদি, শোয়েব মালিক এবং এভিন লুইস।

আজ শুরু হচ্ছে বিপিএলের ষষ্ঠ আসর
                                  

সাত দল নিয়ে আজ শুরু হচ্ছে বিপিএলের ষষ্ঠ আসর। মিরপুরে উদ্বোধনী ম্যাচে দুপুর সাড়ে বারোটায় চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে মাঠে নামবে রংপুর রাইডার্স। প্রস্তুতির ঘাটতি ম্যাচ খেলেই পুষিয়ে নিতে চান রাইডার্স ক্যাপ্টেন মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা। গত আসরের ব্যর্থতা কাটিয়ে সাফল্যের দেখা পেতে এবার প্রথম ম্যাচ থেকেই জয় চান চিটাগং ভাইকিংস অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। বিকাল পাঁচটা ২০-এ ঢাকা ডায়নামাইটসের মুখোমুখি হবে রাজশাহী কিংস। ক্রিস গেইল, এবি ডি ভিলিয়ার্স, রবি বোপারা। তবে তারায় ভরার রংপুর রাইডার্সের সবচেয়ে বড় তারকা মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা। আগের পাঁচ আসরের চারবারই চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়ক মাশরাফি।

অন্যদিকে,ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বের করে আনতে এবার চিটাগং ভাইকিংস ভর করেছে মুশফিকুর রহিমের ওপর। দলটির অন্যতম আকর্ষণ নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে দলে ফেরা আশরাফুল। আছেন মোহাম্মদ শেহজাদ, ক্যামেরুন দেলপোর্টরা। যদিও বিদেশির চাইতে মুশফিকের ভরসার স্থানীয়রাই। আন্দ্রে রাসেল, কাইরন পোলার্ড, রভমেন পাওয়েল, সুনীল নারাইন। ঢাকার নাম বদলে ক্যারিবিয়ান ডায়নামাইটসও রাখা যেতে পারে। সাকিবের নেতৃত্বে এবার ভালো কিছুরই আশা আন্দ্রে রাসেলের। তুলনায় রাজশাহী কিংসের ভরসা স্থানীয় ক্রিকেটাররা। ঢাকা, চট্টগ্রাম আর সিলেটে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবারের বিপিএল। প্রায় একমাসের আয়োজন শেষ হবে ৮ ফেব্র“য়ারির ফাইনালে।


   Page 1 of 43
     খেলাধূলা
আগুয়েরোর পেনাল্টি মিসে সিটির হার
.............................................................................................
ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টিতেও হোয়াইটওয়াশ শ্রীলঙ্কা
.............................................................................................
লিঁওকে উড়িয়ে শেষ আটে বার্সা
.............................................................................................
ভালো শুরুর পরও হতাশার ব্যাটিং
.............................................................................................
দ্বিতীয় দিনেও টস করতে দেয়নি বৃষ্টি
.............................................................................................
ব্যাটিং-বোলিংয়ে ভালো করার প্রত্যয় মাহমুদউল্লাহর
.............................................................................................
এল ক্লাসিকোতেও বার্সার কাছে হারলো রিয়াল
.............................................................................................
সৌম্য-মাহমুদউল্লাহর বীরত্বের পরও ইনিংস পরাজয়
.............................................................................................
ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় বললেন গেইল
.............................................................................................
বিবর্ণ ব্যাটিং-বোলিংয়ে সিরিজ হারল টাইগাররা
.............................................................................................
শেষ মুহূর্তের গোলে রিয়ালের জয়
.............................................................................................
ব্যাটিংয়ে সিলেট সিক্সার্স
.............................................................................................
কাতার বিশ্বকাপে ৪৮ দল
.............................................................................................
নিষিদ্ধ সাব্বির
.............................................................................................
ফিল্ডিংয়ে কুমিল্লা
.............................................................................................
আজ শুরু হচ্ছে বিপিএলের ষষ্ঠ আসর
.............................................................................................
বড়দিন উদযাপন করলেন রোনাল্ডো
.............................................................................................
টানা তৃতীয় হারে টাইগ্রেসদের বিদায়
.............................................................................................
তিন উইকেট হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ
.............................................................................................
চাপে টাইগাররা
.............................................................................................
ভারতকে ৪-২ গােলা হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ
.............................................................................................
মাঠ-ম্যাচকে স্মরণীয় করে রাখতে সিলেটে বাজবে ঘণ্টা
.............................................................................................
সুয়ারেজের হ্যাটট্রিকে বিধ্বস্ত রিয়াল
.............................................................................................
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট স্কোয়াডে নতুন মুখ
.............................................................................................
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ
.............................................................................................
সিরিজ জয়ের মিশনে মাঠে নামছে টাইগাররা
.............................................................................................
বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে লড়াই শুরু আজ
.............................................................................................
শেষ মুহুর্তের গোলে আর্জেন্টিনাকে হারাল ব্রাজিল
.............................................................................................
ঢাকায় পা রাখল জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল
.............................................................................................
১৬ বছর পর নেদারল্যান্ডসের কাছে হারল জার্মানি
.............................................................................................
জেসুস-সান্দ্রোর গোলে জিতল ব্রাজিল
.............................................................................................
বার্সাকে রুখে দিল ভ্যালেন্সিয়া
.............................................................................................
শিরোপা জয়ে বদ্ধপরিকর বাংলাদেশ
.............................................................................................
মৌসুমিদের গ্রুপসেরার লড়াই আজ
.............................................................................................
ফুটবলের নতুন রাজা লুকা মদরিচ
.............................................................................................
টাইগারদের টিকে থাকার লড়াই আজ
.............................................................................................
লেবাননকে গোল বন্যায় ভাসাল মেয়েরা
.............................................................................................
মরুর বুকে ভারত-পাকিস্তান মহারণ আজ
.............................................................................................
বাহরাইনের বিরুদ্ধে ১০-০ গোলে বাংলাদেশের জয়
.............................................................................................
আজ হারলেই শ্রীলঙ্কার বিদায়
.............................................................................................
মরুর বুকেও উড়লো বিজয় কেতন
.............................................................................................
ইনজুরি আক্রান্ত তামিমও ফিরে গেলেন!
.............................................................................................
১ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ
.............................................................................................
এশিয়া কাপ: ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
.............................................................................................
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ
.............................................................................................
এশিয়া কাপ: আজ মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ-শ্রীলংকা
.............................................................................................
এশিয়া কাপের পর্দা উঠছে আজ, উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা
.............................................................................................
ব্রাজিলের জয়-আর্জেন্টিনার ড্র
.............................................................................................
ফিফার বর্ষসেরা তালিকা ‘লজ্জাজনক’: গ্রিজম্যান
.............................................................................................
বাংলাদেশ-পাকিস্তান মুখোমুখি আজ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft