শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   জীবনশৈলী -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
যেসব খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়

লাইফস্টাইল ডেস্ক : মহামারি নভেল করোভাইরাসে বিপর্যস্ত বিশ্বাবাসী। অদৃশ্য এই ভাইরাসে প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। প্রাণঘাতী ভাইরাস মোকাবিলায় এখনও আবিষ্কার হয়নি কোন ওষুধ। দেশে দেশে চলছে ভ্যাকসিন তৈরির যুদ্ধ। কবে বাজারে আসবে  ভ্যাকসিন তা কেউ বলতে পারছেন না।

তাই টিকা আবিষ্কারের অপেক্ষায় না থেকে আমাদের সর্তক থাকবে হবে। বাড়াতে হবে শরীরের ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। সেজন্য করোনা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত আমরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর উপায় সম্পর্কেই আলোচনা করছি বা জানার চেষ্টা করছি। কিন্তু অনেকেই মনের অজান্তে এমন খাবার খাই যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। জেনে নিন কোন কোন খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়:-

ফাস্ট ফুড : খুব কম মানুষই আছে যারা ফাস্ট ফুড খান না। কিন্তু এই ফাস্ট ফুড যে হুমকিস্বরূপ সেটা কি একবার ও ভেবে দেখেছি আমরা? ফাস্ট ফুডে প্রচুর পরিমাণে চিনি ও লবণ থাকে এবং খুব কম আঁশ থাকে। ফলে এই খাবারগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি থাকে, যা আমাদেরকে মুটিয়ে যাওয়ার দিকে ঠেলে দেয়। আমরা জানি ওবেসিটি বা স্থুলতা হলো অনেক রোগের প্রধান কারণ। সুতরাং ফাস্ট ফুড খাওয়ার ফলে আপনি যত বেশি মুটিয়ে যাবেন তত বেশি রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ফাস্ট ফুড খাওয়ার ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য যে প্রতিবর্ত প্রক্রিয়া সেটির ধরণ পাল্টে যায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।

ক্যাফেইন : আমরা অনেকেই প্রতিদিন চা অথবা কফি খাই এবং এটাও সবাই জানি যে এগুলোতে ক্যাফেইন পাওয়া যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্তি ক্যাফেইন পান করলে দেহে টি-সেল ও ইন্টারলিউকিন এর উৎপাদন কমে যায়। অর্থাৎ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।

অ্যালকোহলজাতীয় পানীয় : অ্যালকোহল সমৃদ্ধ পানীয় পানে ম্যাক্রোফেজ, ইমিউনোগ্লোবিউলিন ও সাইটোকাইন এর কার্যক্ষমতা কমে যায়। এই উপাদানই দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু যখন এগুলোর কার্যক্ষমতা কমে যাবে তখন খুব সহজেই দেহ ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগে আক্রান্ত হবে।

টেস্টিং সল্ট : বর্তমান সময়ে প্রক্রিয়াজাত খাবারের প্রতি মানুষের আগ্রহ বেড়েছে বহুগুণ। প্রায় প্রত্যেক পরিবারেই কোন না কোন ধরনের রেডি টু ইট খাবার খাওয়া হচ্ছে নিয়মিতই। এই প্রক্রিয়াজাত খাবারগুলোতে হরহামেশাই ব্যবহৃত হচ্ছে টেস্টিং সল্ট। গবেষণায় দেখা গেছে, টেস্টিং সল্ট থাইমাস ও স্পিøন এর ক্রিয়াকলাপ কমিয়ে দেয় ফলে টি-সেল ও বি-সেল এর উৎপাদন কমে যায়। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়। এ ছাড়া এই টেস্টিং সল্ট ইন্টারলিউকিন এর উৎপাদন ও কমিয়ে দেয় এবং রোগাক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

চিনি সমৃদ্ধ খাবার : আমাদের প্রতিদিনকার খাদ্য তালিকায় থাকা বেশিরভাগ খাবারই চিনি সমৃদ্ধ। চিনি হচ্ছে ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের জন্য সবচেয়ে উপাদেয় খাদ্য। তাই আমরা যত বেশি চিনি সমৃদ্ধ খাবার খাব ততবেশি ক্ষতিকর ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া আমাদের দেহে জন্ম নেবে এবং আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেবে।

স্বাধীন বাংলা/এআর

যেসব খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : মহামারি নভেল করোভাইরাসে বিপর্যস্ত বিশ্বাবাসী। অদৃশ্য এই ভাইরাসে প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। প্রাণঘাতী ভাইরাস মোকাবিলায় এখনও আবিষ্কার হয়নি কোন ওষুধ। দেশে দেশে চলছে ভ্যাকসিন তৈরির যুদ্ধ। কবে বাজারে আসবে  ভ্যাকসিন তা কেউ বলতে পারছেন না।

তাই টিকা আবিষ্কারের অপেক্ষায় না থেকে আমাদের সর্তক থাকবে হবে। বাড়াতে হবে শরীরের ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। সেজন্য করোনা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত আমরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর উপায় সম্পর্কেই আলোচনা করছি বা জানার চেষ্টা করছি। কিন্তু অনেকেই মনের অজান্তে এমন খাবার খাই যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। জেনে নিন কোন কোন খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়:-

ফাস্ট ফুড : খুব কম মানুষই আছে যারা ফাস্ট ফুড খান না। কিন্তু এই ফাস্ট ফুড যে হুমকিস্বরূপ সেটা কি একবার ও ভেবে দেখেছি আমরা? ফাস্ট ফুডে প্রচুর পরিমাণে চিনি ও লবণ থাকে এবং খুব কম আঁশ থাকে। ফলে এই খাবারগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি থাকে, যা আমাদেরকে মুটিয়ে যাওয়ার দিকে ঠেলে দেয়। আমরা জানি ওবেসিটি বা স্থুলতা হলো অনেক রোগের প্রধান কারণ। সুতরাং ফাস্ট ফুড খাওয়ার ফলে আপনি যত বেশি মুটিয়ে যাবেন তত বেশি রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ফাস্ট ফুড খাওয়ার ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য যে প্রতিবর্ত প্রক্রিয়া সেটির ধরণ পাল্টে যায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।

ক্যাফেইন : আমরা অনেকেই প্রতিদিন চা অথবা কফি খাই এবং এটাও সবাই জানি যে এগুলোতে ক্যাফেইন পাওয়া যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্তি ক্যাফেইন পান করলে দেহে টি-সেল ও ইন্টারলিউকিন এর উৎপাদন কমে যায়। অর্থাৎ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।

অ্যালকোহলজাতীয় পানীয় : অ্যালকোহল সমৃদ্ধ পানীয় পানে ম্যাক্রোফেজ, ইমিউনোগ্লোবিউলিন ও সাইটোকাইন এর কার্যক্ষমতা কমে যায়। এই উপাদানই দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু যখন এগুলোর কার্যক্ষমতা কমে যাবে তখন খুব সহজেই দেহ ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগে আক্রান্ত হবে।

টেস্টিং সল্ট : বর্তমান সময়ে প্রক্রিয়াজাত খাবারের প্রতি মানুষের আগ্রহ বেড়েছে বহুগুণ। প্রায় প্রত্যেক পরিবারেই কোন না কোন ধরনের রেডি টু ইট খাবার খাওয়া হচ্ছে নিয়মিতই। এই প্রক্রিয়াজাত খাবারগুলোতে হরহামেশাই ব্যবহৃত হচ্ছে টেস্টিং সল্ট। গবেষণায় দেখা গেছে, টেস্টিং সল্ট থাইমাস ও স্পিøন এর ক্রিয়াকলাপ কমিয়ে দেয় ফলে টি-সেল ও বি-সেল এর উৎপাদন কমে যায়। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়। এ ছাড়া এই টেস্টিং সল্ট ইন্টারলিউকিন এর উৎপাদন ও কমিয়ে দেয় এবং রোগাক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

চিনি সমৃদ্ধ খাবার : আমাদের প্রতিদিনকার খাদ্য তালিকায় থাকা বেশিরভাগ খাবারই চিনি সমৃদ্ধ। চিনি হচ্ছে ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের জন্য সবচেয়ে উপাদেয় খাদ্য। তাই আমরা যত বেশি চিনি সমৃদ্ধ খাবার খাব ততবেশি ক্ষতিকর ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া আমাদের দেহে জন্ম নেবে এবং আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেবে।

স্বাধীন বাংলা/এআর

স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ব্যায়াম
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : স্মৃতিশক্তি! এর জন্যই মানুষ হিসেবে আমাদের পরিচয়। একমাত্র মানুষ ছাড়া স্মৃতি ধরে রাখার ক্ষমতা জীব জগতে আর কারো নেই। এখানেই এ জগতে মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব। অনেক সময় দুর্বল স্মৃতিশক্তির জন্য আমরা নানা সমস্যায় পড়ে যাই। ছোটোখাটো জিনিস কোথায় রেখেছি তা হুট করেই ভুলে যাই। তবে এই দুর্বল স্মৃতিশক্তি থেকে মুক্তির উপায় আছে।

এক গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে দুই মিনিট ব্যায়াম করলে মেধা এবং স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে তুলতে পারেন। সুইডেনের জনকোপিং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলছেন, তরুণদের মেধা এবং স্মৃতিতে একক ব্যায়ামের ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে।

গবেষকরা ব্যায়ামের ১৩টি পুরোনো গবেষণাপত্র পর্যালোচনা করেছেন।  যে ধরনের ব্যায়াম পর্যালোচনা করা হয়েছিল, তার মধ্যে ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী অংশগ্রহণকারীদের হাঁটা, দৌড়ানো এবং সাইকেল চালানো অন্তর্ভুক্ত ছিল।

পর্যালোচনায় দেখা গেছে, মাত্র দুই মিনিটের মাঝারি থেকে ভারী ব্যায়াম মনোযোগ, মেধা এবং স্মৃতিশক্তি ২ ঘণ্টার জন্য বাড়িয়ে দেয়। এই যোগসূত্রের কারণ যদিও অস্পষ্ট রয়ে গেছে তবে দলটি আশা করেছেন যে, গবেষণার ফল তরুণদের নিয়মিত ব্যায়াম করতে উৎসাহিত করবে।

গবেষকরা বলছেন, এই সিস্টেমেটিক পর্যালোচনা দৃঢ়ভাবে পরামর্শ দিচ্ছে- সাঁতার, হাঁটা, জগিং এবং সাইকেল চালানোর মতো ব্যায়ামগুলো তরুণদের মনোযোগ, একাগ্রতা, মেধা এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কাজ করে। অর্থাৎ শিক্ষাসম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব থাকতে পারে। সুতরাং ব্যায়ামের কৌশলগুলো চর্চা করলে লেখাপড়া ও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

স্বাধীন বাংলা/এআর

চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বর্তমান সময়ে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রা, ঘুমের অভাব, ফোন, টিভি ও কম্পিউটারের ব্যবহার, সারাদিনের টানা কাজ, শারীরিক ও মানসিক চাপ ইত্যাদি কারণে চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে। ত্বকের লাবণ্যতা বজায় থাকলেও অনেক সময় চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে। অনেকেই কালো দাগ পড়া থেকে বাঁচতে নানা ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করেন। কিন্তু তারপরও কোন ফল পাওয়া যায় না। এজন্য কর্মব্যস্ততার মাঝে একটু সময় বের করে নিতে হবে চোখের যত্ন। জেনে নিন চোখের নিচের কালো দাগ দূর করার উপায়-

১. চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার জন্য খুব উপকারী দুধ। নিয়মিত ঠাণ্ডা দুধ দিয়ে মুখ ধুলে তা বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখে। প্রয়োজনে রাতে ঘুমানোর আগে চোখের নিচে দুধ লাগিয়ে দিতে পারেন।

২. চোখের নিচের চামড়ার জন্য অ্যালোভেরা খুবই স্বাস্থ্যসম্মত। রাতে ঘুমানোর আগে মুখ পরিষ্কার করে চোখের নিচে অ্যালোভেরা লাগাতে পারেন। এতে কালো দাগ পড়া থেকে অনেকটাই মুক্তি মিলবে।

৩. চোখের নিচে কালো দাগ দূর করতে নিয়মিত বাদাম, জাম, কলাসহ তাজা রঙিন শাকসবজি ও ফলমূল খেতে পারেন। এ ধরনের শাকসবজি ও ফলমূলে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা চোখের নিচে কালো দাগ কমাতে সাহায্য করে। বিশেষ করে রঙিন শাকসবজি ত্বকের জন্য সহায়ক।

৪. সানগ্লাস শুধুই ফ্যাশনের অনুষঙ্গ নয়, সূযের্র অতি বেগুনি রশ্মি থেকে চোখকে বাঁচানোর জন্য দরকার নিয়মিত সানগ্লাসের ব্যবহার। এছাড়া রাস্তার ধুলাবালি থেকে চোখকে রেহাই দেয়ার জন্যও সানগ্লাসের ব্যবহার প্রয়োজন।

৫. নারকেল তেল এবং আমন্ড অয়েল একসাথে ত্বককে হাইড্রেটেড করে, নরম রাখে এবং ডার্ক সার্কেল দূর করে।  এজন্য  ১ চা চামচ নারকেল তেল ও ১ চা চামচ আমন্ড অয়েল একটি বাটিতে মেশান। ঘুমাতে যাওয়ার আগে চোখের নিচে এই মিশ্রণটি লাগান। সারারাত রেখে সকালে ধুয়ে ফেলুন। ভাল ফলাফলের জন্য এই প্রতিকারটি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।

স্বাধীন বাংলা/এআর

যেসব খাবার অনিদ্রা দূর করে
                                  

জীবনশৈলী ডেস্ক : সারাদিন পরিশ্রম শেষে বালিশে মাথা দিতেই যদি চোখ বন্ধ হয়ে আসে; তবে নিশ্চয়ই সেটাকে সুনিদ্রা বলা যায়। কিন্তু যদি বিপরীত হয়? যদি নির্ঘুম কাটে সারা রাত? তবে পরদিনটা মোটেও ভালো কাটে না।

সারাদিন মানসিক বা শারীরিক পরিশ্রম করার পর প্রত্যেকেরই পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় ঘুম না হলে নানা সমস্যা দেখা দেয়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যক্তিগত অভ্যাসে পরিবর্তন, অতিরিক্ত চা-কপি পান, শোয়ারঘরে টেলিভিশন দেখার অভ্যাস প্রভৃতি কারণে অনিদ্রা হতে পারে।

অনেকেই ঘুমানোর জন্য ওষুধ খেয়ে থাকেন। কিন্তু ঘুমানোর জন্য ওষুধের প্রতি নির্ভরশীলতা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। এর থেকে মুক্তি পেতে  সাধারণ কিছু খাবার হতে পারে আপনার ওষুধের বিকল্প। অনিদ্রা সমস্যা সমাধানের জন্য নির্বিঘ্নেই খেতে পারেন এই সব খাবার। আপনার ঘুমের ওষুধের বিকল্প কিছু খাবারের সম্পর্কে জেনে নিন।

দুধ : গরম দুধ অনিদ্রা কমাতে ভীষণ কাজে লাগে । গরম দুধে থাকে ট্রিপটোফ্যান নামে অ্যামাইনো অ্যাসিড, যা সিরোটোনিন হিসেবে কাজ করে। এই সিরোটোনিন ঘুম আনতে সাহায্য করে। তাছাড়া দুধে ক্যালসিয়ামও থাকে, যা ঘুমের জন্য সহায়ক। প্রতিদিন রাতে এক গ্লাস দুধ খেলে আপনার মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যাবে এবং শরীর শিথিল হয়ে আসবে। ফলে সহজেই চলে আসবে ঘুম।

মধু : রাতে এক চামচ মধু সুনিদ্রার জন্য দারুণ সহায়ক। মধু শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। তাছাড়া এতে থাকা ট্রিপটোফ্যান মস্তিষ্ক শিথিল করতে সাহায্য করে। তাছাড়া মানসিক চাপ সৃষ্টিকারী হরমোন কমাতেও সাহায্য করে মধু।

কলা : কলা খেলে রাতে ভাল ঘুম হয়। কলাকে ঘুমের ওষুধের বিকল্পও বলা যেতে পারে। কলায় আছে ম্যাগনেসিয়াম যা মাংসপেশীকে শিথিল করে। এ ছাড়াও কলা খেলে মেলাটোনিন ও সেরোটোনিন হরমোন নির্গত হয়ে শরীরে ঘুমের আবেশ নিয়ে আসে। তাই যাদের ঘুম হয় না, তারা রাতের খাবারের সঙ্গে কলা রাখতে পারেন।

আলু : সেদ্ধ আলু বা রান্না করা আলু আপনার রাতের ঘুমের সহায়ক একটি খাবার হতে পারে। আলু খেলে ট্রাইপটোফানের সাহায্যে হাই তোলায় ব্যাঘাত সৃষ্টিকারী এসিড নষ্ট হয়ে যায়। ফলে আপনার মস্তিষ্ক বেশ দ্রুতই আপনাকে ঘুমিয়ে পড়তে সহায়তা করতে পারে।

ওটমিল : যারা ওজন সমস্যায় থাকেন তারা অনেকেই ওটমিল খেয়ে থাকেন। ওটমিলে আছে ঘুমে সহায়ক মেলাটোনিন। তাই রাতের খাবার হিসেবে ওটমিল খেলে একদিকে আপনার ওজনটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে, অন্য দিকে আপনার রাতের ঘুমটাও ভাল হবে।

বাদাম : রাতের ঘুমের জন্য আরেকটি উপকারী খাবার হলো বাদাম। যাদের রাতে ঘুমাতে সমস্যা হয় তারা প্রতিদিন রাতের খাবারে ১০/১২ টি বাদাম খেলে রাতের ঘুম ভাল হবে।

উল্লিখিত খাবারগুলো ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ৪৫ মিনিট আগে খেতে হবে। পাশাপাশি মাথা ম্যাসাজ এবং কিছু সময়ের জন্য গরম পানিতে পা ডুবিয়ে রাখলেও মাংশপেশি শিথিল হয়। এটিও অনিদ্রা দূর করতে সহায়ক।

স্বাধীন বাংলা/এআর

অতিরিক্ত চুল পড়ার কারণ ও প্রতিকার
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : চুল পড়া সকল বয়সের মানুষের কাছেই অস্বস্তিকর; তবে তরুণদের কাছে এটা এক আতঙ্কের নাম। চুল পড়া একটা স্বাভাবিক বিষয়। তবে অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যা দেখা দিলে বাড়তি পরিচর্যার প্রয়োজন। স্বাস্থ্য-বিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে অতিরিক্ত চুল পড়ার কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে জানানো হল।

খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন : প্রতিদিনের খাদ্যভাস পরিবর্তন করে নতুন খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত হতে চাইলে অনেক পুষ্টি উপাদান বাদ পড়ে যেতে পারে। আপনার দেহের প্রতি কেজি ওজনের জন্য ০.৮ গ্রাম প্রোটিন গ্রহণ করা উচিত। চুল ভালো রাখার অন্যতম চাবিকাঠি হল প্রোটিন গ্রহণ। কারণ চুলের গোড়া প্রোটিন দিয়ে তৈরি। চুল পড়ার অন্যতম কারণ হল প্রোটিনের স্বল্পতা।

ভিটামিন স্বল্পতা : ভিটামিন বি-১২ ও ডি’য়ের স্বল্পতার কারণে চুল পড়ার সমস্যা দেখা দেয়। এই দুই উপাদান চুলের বৃদ্ধিতে ও মাথার ত্বকের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। তাই ভিটামিনের ঘাটতি দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে মাল্টিভিটামিন গ্রহণ করা যেতে পারে।

জন্ম নিয়ন্ত্রণ : নারীদের ক্ষেত্রে অনেক সময় জন্ম বিরতিকরণ পিল বা বড়ি ব্যবহার চুলের ওপর প্রভাব রাখে। অধিকাংশ বড়িতে প্রোজেস্টেরন থাকে। যা চুল পড়ার অন্যতম কারণ। তাই এই ধরনের ওষুধ নির্বাচনের আগে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

গর্ভাবস্থা : গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তন জনিত কারণে চুল পড়ার সমস্যা হয়। এই সময় চুল পড়া খুব স্বাভাবিক। তবে স্থায়ী চুল পড়ার সমস্যা দেখা দিলে চিন্তার বিষয়। সাধারণত, সন্তান জন্মদানের তিন থেকে চার মাসের মধ্যে এই ধরনের সমস্যার ঠিক হয়ে যায়।

চুল বাঁধার ধরন : চুল বাঁধার ধরন বা স্টাইলের কারণও চুল পড়ার জন্য দায়ী। সব সময় উঁচু করে খোঁপা করা বা পনিটেইল করা চুলের ক্ষতি করে। তাই চুল খুব বেশি শক্ত করে না বাঁধাই ভালো।

স্বাধীন বাংলা/এআর

ভেষজ চা কেন খাবেন
                                  

জীবনশৈলী ডেস্ক : বাজারে এখন অনেক ধরনের ভেষজ চা পাওয়া যায়। আমরা অনেকেই শরীর ভালো রাখতে এসব চায়ের ওপর নির্ভর করি। তবে বেশিরভাগ মানুষই জানেন না কোন ধরনের চায়ে কি উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া কখন কীভাবে এই চা পান করা উচিত তাও অনেকের জানা নেই।

গলা খুসখুস ভাব ও ঠাণ্ডা লাগার পাশাপাশি এক কাপ গরম ভেষজ চা দূর করতে পারে কাজের ক্লান্তিও। তুলসি, পুদিনা, আদা, দারুচিনিসহ নানা ভেষজ উপাদান দিয়ে কীভাবে চা বানাবেন জেনে নিন।   

তুলসি চা : এক কাপ পরিমাণ পানিতে এক মুঠো তুলসি পাতা ফুটতে দিন। ফুটে উঠলে আঁচ কমিয়ে দিন। কম আঁচে ১০ মিনিট ফোটান। এরপর এতে ১ চা চামচ মধু এবং ২ চা চামচ লেবুর রস মেশান।  মধুতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে শক্তি জোগাবে, লেবুতে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে। তুলসির প্রভাবে জ্বর-সর্দি-কাশির প্রকোপ কমবে। নিয়মিত এই চা খেলে প্রদাহের প্রবণতা কমবে। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। এছাড়া শুকনো কাশি থাকলে ১ লিটার পানিতে ২ চা চামচ আদা কুচি, ৪ চা চামচ ধনিয়া ও এক মুঠো তুলসি পাতা দিয়ে কম আঁচে ভালো করে ফোটান। পানি কমে অর্ধেক হয়ে গেলে ছেঁকে মধু ও লেবু মিশিয়ে খান।

দারুচিনি চা : দারুচিনি, গোলমরিচ, লেবুর রস ও মধু দিয়ে বানাতে পারেন ভেষজ চা। ১ চা চামচ দারুচিনির গুঁড়া, ১/৪ চা চামচ গোলমরিচের গুঁড়া, ১ চা চামচ লেবুর রস ও ১ চা চামচ মধুর মধ্যে এক কাপ ফুটন্ত পানি দিয়ে মিশিয়ে ছেঁকে নিন। এই চা আপনাকে চাঙা রাখবে অনেকক্ষণ পর্যন্ত।

পুদিনা চা : ফুটন্ত পানিতে রোজমেরি মিশিয়ে নিন।  তাতে দিন ১০-১২টি পুদিনা পাতা। দেওয়ার আগে কুচি নেবেন। ১৫ মিনিট ঢেকে রেখে পরিবেশন করুন পুদিনা চা।

আদা চা : ১ চা চামচ আদা কুচি, ২টি লবঙ্গ, ১ ইঞ্চি দারুচিনি থেঁতো করে ২ কাপ পানি দিয়ে ফুটিয়ে নিন। এবার ৩ ইঞ্চি কমলার খোসা দিয়ে কম আঁচে ফোটান ১৫ মিনিট। দেড় চা চামচ মধু মিশিয়ে খান। জ্বর-সর্দি-গলা ব্যথার অস্বস্তি কমবে।

হলুদ চা : আধ চামচ কাঁচা হলুদ বাটা ও সিকি চামচ গোলমরিচের গুঁড়োতে ফুটন্ত জল মেশান। এতে মেশান একটা গোটা লেবুর রস আর দেড় চামচ মধু। সকাল-বিকেল খেলে ইমিউনিটি নিয়ে আর ভাবতে হবে না।

স্বাধীন বাংলা/এআর

চাল ধোয়া পানিতে ত্বক হবে উজ্জ্বল
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ত্বক উজ্জ্বল রাখতে এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে রাইস ওয়াটার বা চাল ধোয়া পানির ব্যবহার।  যেকোনো ধরনের চালের পানি এ ক্ষেত্রে কার্যকর। চাল ধোয়া পানিতে আছে ভিটামিন বি, যে কারণে ত্বক হয়ে ওঠে উজ্জ্বল।

ত্বক সুস্থ রাখার পাশাপাশি সুন্দরও রাখতে চাইলে আস্থা রাখতে পারেন রাইস ওয়াটারে। এই ফেলনা জিনিসটি আপনার ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর করে চমকে দেবে! চাল তো আছেই বাড়িতে, আজই তবে তৈরি করে রাখুন রাইস ওয়াটার আইস কিউব।

একটি বাটিতে আধাকাপ চাল নিন এবং ২ কাপ ফিল্টার করা পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখুন। কয়েক ঘণ্টা পর চাল থেকে পানি ঝরিয়ে নিয়ে সেই পানি আইস কিউব ট্রেতে রাখুন এবং ফ্রিজে রেখে জমিয়ে নিন। এরপর প্রতিদিন সকালে সেই আইস কিউব বের করে মুখে আলতো করে ম্যাসেজ করুন।

চাল ধোয়া পানির আইস কিউব আপনার মুখের ব্রণ সমস্যা দূর করার পাশাপাশি ও ত্বকও উজ্জ্বল করবে। এর ফলে ত্বক নরম এবং কোমল অনুভূত হবে। শুধু তাই নয়, এটি একটি প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন হিসেবেও কাজ করে।

সব ধরনের ত্বকের যতেœ চাল ধোয়া পানির ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও তৈলাক্ত ত্বকের যতেœ এই পানিতে তৈরি প্যাকের ব্যবহার বিশেষভাবে উপকারী। এ কথা বললেন হার্বস আয়ুর্বেদিক ক্লিনিকের রূপ বিশেষজ্ঞ শাহীনা আফরীন। ১ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি, ১ চা-চামচ মেথি পাউডারের সঙ্গে পরিমাণমতো চাল ধোয়া পানি মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। সপ্তাহে তিন দিন এই প্যাক ব্যবহার করলে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর হবে।

স্বাধীন বাংলা/এআর

ত্বক সুন্দর রাখার খাবার
                                  

জীবনশৈলী ডেস্ক : ত্বকের যত্ন নিলেই কি সৌন্দর্য ধরে রাখা যায়! সৌন্দর্য রক্ষা পায় দেহের ভিতর থেকে। আর রূপ ধরে রাখার জন্য প্রয়োজন পুষ্টিকর খাবার ও নিয়মিত ঘুম। পাশাপাশি পানি পান করতে হবে প্রচুর পরিমাণে। জেনে নিন কোন কোন খাবার খেলে আপনার ত্বক হবে উজ্জ্বল ও সুন্দর।

ডালিম : বলিরেখাহীন ত্বকের জন্য ডালিম খেতে পারেন নিয়মিত। এতে ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে। এ ছাড়া ত্বক উজ্জ্বল করার পাশাপাশি সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকেও ত্বক রক্ষা করে ডালিমে থাকা উপাদান।

আখরোট : সুন্দর ত্বক পেতে চাইলে আখরোট খান। এতে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ই ও প্রাকৃতিক তেল ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায় ভেতর থেকে।

দই : প্রতিদিন খানিকটা দই খেলে ত্বক থাকবে প্রাণবন্ত ও উজ্জ্বল। এতে থাকা প্রোটিন ত্বকের পাশাপাশি ভালো রাখে চুলও।

গাজর : গাজরে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন প্রাকৃতিকভাবে ত্বক সুন্দর রাখে। তাই প্রতিদিন অন্তত একটি গাজর খান।

ডিম : বায়োটিন এবং ভিটামিন বি এর উৎস ডিম। এ ছাড়া ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও প্রোটিন পাওয়া যায় ডিম থেকে। নিয়মিত ডিম খেলে তাই ত্বক থাকে সুন্দর ও উজ্জ্বল।

কমলা : কমলা থেকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। ভিটামিন সি ত্বকের ক্ষতিগ্রস্ত কোষ নতুন করে গঠনে সাহায্য করে। এ ছাড়া এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যামিনো অ্যাসিড ত্বক রাখে প্রাণবন্ত।

পানি : সুন্দর ত্বকের জন্য পানি পানের বিকল্প নেই। পানি কম খেলে ব্রণসহ ত্বকে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে । কোমল ও উজ্জ্বল ত্বকের জন্য  প্রতিদিন অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করুন।  

স্বাধীন বাংলা/এআর

ঝকঝকে সাদা দাঁতের জন্য
                                  

জীবনশৈলী ডেস্ক : সাদা আর ঝকঝকে দাঁত কে না চান! কিন্তু নানা কারণে দাঁতে হলদেটে দাগ দেখা দিতে পারে। সাধারণত যাদের মদ্যপান, ধূমপান বা তামাক সেবনের অভ্যাস আছে তাদের দাঁতে কালো দাগ দেখা দেয়। দাঁতে দাগ থাকলে তা অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সবার সামনে তখন প্রাণ খুলে হাসতে বা কথা বলতে দ্বিধা বোধ করেন।  তাই দাঁতের দাগ দূর করতে অনুসরণ করতে পারেন কয়েকটি ঘরোয়া পদ্ধতি।

এক. লবণ ছাড়া রান্না অকল্পনীয়। আপনি কি জানেন লবণ দাঁতের পুষ্টির ঘাটতি দূর করার পাশপাশি দাঁতের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও ভূমিকা পালন করে। তাই দাঁতের হলদে ভাব দূর করার ক্ষেত্রে লবণ ব্যবহার করতে পারেন। রোজ সকালে কাঠকয়লার সঙ্গে লবণ মিশিয়ে সেই মিশ্রণ দিয়ে দাঁত মাজতে হবে। কয়েক সপ্তাহ এই মিশ্রণ দিয়ে দাঁত মাজলেই দাঁতের হলদে ভাব কমে যাবে।

দুই. কলার নানা পুষ্টিগুণের কথা সবাই জানেন, কিন্তু কলার খোসা কি কোনো কাজে লাগে? কলা খাওয়ার পর এর খোসা যেখানে-সেখানে ফেললে নানা দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কিন্তু জানেন কি? কলা যেমন উপকারী, এর খোসার উপকারিতাও কিন্তু কম নয়। সাদা ঝকঝকে দাঁতের জন্য কলার খোসা ব্যবহার করতে পারেন। অনেকেই দাঁত থেকে হলদে ভাবটা কিছুতেই ওঠাতে পারেন না। কলার খোসার ভেতরের দিকটা দিয়ে কিছুক্ষণ দাঁত মাজুন।

তিন. তুলসি পাতা দাঁতের স্বাস্থ্যের পক্ষে বেশ উপকারি। বেশি করে তুলসি পাতা নিয়ে সেগুলিকে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। পাতাগুলো একেবারে শুকিয়ে গেলে গুঁড়া করে যেকোনো টুথপেস্টের সঙ্গে মিশিয়ে নিয়মিত ব্রাশ করলে দাঁতের হলুদ ভাব একেবারে চলে যাবে। সেই সঙ্গে দাঁতে বিভিন্ন রোগের প্রকোপও কমে যাবে।

চার. দাঁতের সৌন্দর্য ফেরাতে কমলা লেবুর খোসা দারুন কার্যকরী। রোজ রাতে সামান্য কমলা লেবুর খোসা নিয়ে দাঁতে একটু সময় নিয়ে ঘষুন। নিয়মিত এমনটা করলেই দাঁতের হলদে ভাব দূর হবে।

পাঁচ. দাঁতের হলদেটে ভাব কাটাতে খাবার সোডার বিকল্প নেই। রোজ সকালে টুথপেস্টের সঙ্গে খুব সামান্য পরিমাণে খাবার সোডা মিশিয়ে দাঁত মাজুন। তারপর উষ্ণ পানি দিয়ে ভাল করে কুলকুচি করুন। সপ্তাহে অন্তত বার দু’য়েক এই ঘরোয়া পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে দাঁতের হলুদ ভাব দূর করুন।

ছয়. সরিষার তেল এবং লবণ মিশ্রিত করে এটি ব্রাশের মতো ঘষলে দাঁত পরিষ্কার হয়। আপনার দাঁত হলুদেটে হলে এটি খুবই উপকারী হতে পারে।

সাত. দাঁতের দাগ দূর করতে গাজর বেশ কার্যকরী। এতে উপস্থিত ফাইবার দাঁত পুরোপুরি পরিষ্কার করতে ভূমিকা রাখে।  এছাড়া দাঁত ভালো রাখতে খাওয়ার পর ভালো করে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। সম্ভব হলে দিনে অন্তত দুই বার ব্রাশ করার অভ্যাস করতে হবে।

স্বাধীন বাংলা/এআর

উজ্জ্বল ও কোমল ত্বক পেতে আলুর ফেসপ্যাক
                                  

জীবনশৈলী ডেস্ক : ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর করার পাশাপাশি ত্বকের মরা চামড়া ও রোদে পোড়া দাগ কমাতে আলু বেশ কার্যকর। আলুতে রয়েছে ভিটামিন এ, সি এবং বি যা দ্রুত জৌলুস নিয়ে আসে ত্বকে। এছাড়া আলুতে থাকা ক্যালসিয়াম, প্রোটিন আয়রন ত্বকের যত্ন নেয়। ত্বক প্রাকৃতিকভাবে ব্লিচ করতে পারে আলু। ফলে ত্বক হয় উজ্জ্বল ও কোমল । জেনে নিন রূপচর্চায় আলু ব্যবহারের কয়েকটি পদ্ধতি-

কালো দাগ : ত্বকের কালো দাগ দূর করতে একটি আলু খোসা ছাড়িয়ে ব্লেন্ড করে মুখের দাগের জায়গায় লাগিয়ে নিন। পনেরো মিনিট পর আলুর রস শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরে আসবে।

ব্রণ : মুখের ব্রণ দূর করতে আলুর রস বেশ উপকারী। হালকা গ্লিসারিন আলুর রসের সাথে মিশিয়ে সারা মুখে ম্যাসাজ করুন। ২০ মিনিট ম্যাসাজ করার পর মুখ শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সপ্তাহে অন্তত দুদিন এই প্যাক ব্যবহার করুন।

ত্বকের যত্নে : একটি আলুর সঙ্গে কিছু পরিমাণ টমেটো পাল্প, বাদাম তেল, এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে পাঁচ মিনিট ধরে সারা মুখে ম্যাসাজ করুন। এইভাবে ২০ মিনিট থাকার পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। বাদাম তেলে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা আমাদের নির্জীব ত্বকের উজ্জ্বলতা ফেরাতে এবং মুখের চামড়া পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

চোখের নিচের কালো দাগ : পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়ায় চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে। দীর্ঘদিন এইরকম চলতে থাকলে আমাদের স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব পড়ে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন রাতে এক চামচ আলুর রসের সঙ্গে কিছুটা শসার রস মিশিয়ে হালকা করে চোখের উপর, নিচ এবং চারিদিক ভালো করে লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

স্বাধীন বাংলা/এআর

ঘাড়-পিঠ-কোমর ব্যথায় করণীয়
                                  

জীবনশৈলী ডেস্ক : দৈনন্দিন জীবনে কাজের চাপ বেড়েই চলেছে। অফিসে কাজের চাপ, বাড়িতে কাজের চাপ, নাজেহাল জীবন। আমাদের অনেককেই অফিসে দীর্ঘ সময় ধরে বসে কাজ করতে হয়। আর এর ফলে বাড়ছে ঘাড় থেকে শুরু করে পিঠ ও কোমর ব্যথা।

যত সমস্যাই হোক না কেন, তাড়াতাড়ি পেশা বদল করা সম্ভব নয়। তবে কাজের চাপে ঘাড়, কোমড় আর পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনা জরুরি। আমরা যদি অনিয়মিত জীবনযাত্রা, হাঁটাচলা ও বসার দিকে নজর দিই তাহলে এই ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। তাহলে চলুন জেনে নিই কি কি উপায়ে এই ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে-

এক. অফিসে বসে যতি আপনাকে দীর্ঘক্ষণ কাজ করতে হয়,  তাহলে মাঝে মধ্যে ২-৩ মিনিটের জন্য একটু হেঁটে আসুন। কারণ ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকলে ঘাড়, কোমর বা পিঠে ব্যথা বাড়ার পাশাপাশি ডায়াবেটিস বা হার্টের সমস্যাও বাড়বে।

চিকিৎসকরা বলছেন, একটানা ২ ঘণ্টা বসে থাকলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। একই সাথে শরীরের ফ্যাট ঝরানোর উৎসেচকের ক্ষরণ কমে যায় প্রায় ৯০ শতাংশ। আর একটানা ৪ ঘণ্টা বসে কাজ করলে রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা কমে যায়।
 
দুই.  আমরা অনেকেই ভুল ভঙ্গিমায় বসি বা দাঁড়িয়ে থাকি। যার ফলে ঘাড় বা পিঠে ব্যথা হয়। তাই বসা, দাঁড়ানোর বা শোওয়ার সময় তার ভঙ্গি সতর্কভাবে খেয়াল রাখুন।

তিন. আবার বেড়াতে বা কাজে যাওয়ার সময় আমাদের অনেকেই পিঠে ভারী ব্যাগ নিতে হয়। বেশি ওজনের ব্যাগ দীর্ঘক্ষণ কাঁধে থাকলে তার সমান ভার দুই কাঁধে না পড়লে ঘাড়ে ও পিঠে ব্যথা হয়। তাই ব্যাগ এমন ভাবে নিতে হবে যেন দুই কাঁধে সমান চাপ পড়ে।

চার. ঘুমানোর সময় বালিশের উচ্চতা সঠিক না হলে বা বালিশ খুব শক্ত বা খুব নরম হলে ঘাড়ে, পিঠে ব্যথা হতে পারে। বালিশের উচ্চতা এমন হওয়া উচিত, যাতে কাঁধ আর ঘাড় না বেঁকিয়ে পিঠ মোটামুটি সোজা রেখে ঘুমানো যায়।

পাঁচ. ফ্রোজেন শোল্ডার বা স্টিফ জয়েন্টের সমস্যায় সার্ভিক্যাল কলার বা ব্যাক ব্রেস পরলে সাময়িক আরাম পাওয়া গেলেও এই অভ্যাস দীর্ঘ মেয়াদী হলে বিপদ হতে পারে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, তেমন চোট এবং আঘাত না থাকলে সার্ভিক্যাল কলার বা ব্যাক ব্রেস না পরে ফিজিওথেরাপিস্টদের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়ম মেনে কসরত করাই ভাল।

স্বাধীন বাংলা/এআর

ঘুমের আগে ত্বকের যত্ন
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : সারা দিনের পরিশ্রম, ধকল ও ধুলাবালিতে লাবণ্য হারিয়ে নিস্তেজ হয়ে যায় ত্বক। দিনের শেষে নামমাত্রই ত্বকের যত্ন নেওয়া হয় বা নেওয়াই হয় না বললেই চলে! তবে ঘুমের আগে ত্বকের পরিচর্যার ব্যাপারে আলসেমি করা ঠিক নয়। ত্বককে সতেজ, সুস্থ ও প্রাণবন্ত রাখতে সঠিক পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি। ঘুমাতে যাওয়ার আগে কেন ত্বক পরিষ্কার জরুরি- সেসব কথা প্রকাশ করেছে বোল্ডস্কাই।

দিনের বেলা আপনি হয়তো ত্বকে মেকআপ বা প্রসাধনী ব্যবহার করেন। আবার বাইরে বের হওয়ার কারণে প্রচুর ধুলোবালির মধ্য দিয়ে যেতে হয়। আপনি যদি ঘরে ফিরে ত্বক পরিষ্কার না করেন তবে ধুলোবালি এবং মৃত ত্বকের কোষগুলো আপনার ত্বকের ছিদ্রতে আটকে যেতে পারে। আবার মেকআপ ত্বকের ছিদ্রগুলোর ভেতরে ঢুকে যায় এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য মুখ পরিষ্কার না করা হলে, ত্বকের ছিদ্রগুলো বন্ধ হয়ে যায়। তাই রাতে ঘুমানোর আগে ভালোভাবে মুখ পরিষ্কার করতে হবে।

চোখে দীর্ঘক্ষণ মেকআপ রাখলে চোখ জ্বালা হতে পারে এবং চোখে ইনফেকশনও হতে পারে। তাই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এগুলো ভালোভাবে পরিষ্কার করে তবেই ঘুমাতে যান।

ত্বক পরিষ্কার না করলে ব্রণ হতে পারে। তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভালোভাবে ত্বক পরিষ্কার করুন। এর ফলে ত্বকের বদ্ধ ছিদ্রগুলো খুলে যায় এবং মুখ থেকে সমস্ত ময়লা দূর হয়, যা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের কারণ হতে পারে।

ভালো ঘুম ত্বকের জন্য ভীষণ উপকারী। রাতের বেলা ত্বক পুনরায় জীবন্ত হয়ে ওঠে এবং মৃত ত্বকের কোষগুলো দূর হয়। তবে আপনি যদি রাতে মুখ না ধুয়ে ঘুমিয়ে যান, তাহলে ত্বকের এই নিরাময় প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ হয়। তাই মুখের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ধরে রাখতে ঘুমের আগে মুখ পরিষ্কার রাখা জরুরি।

স্বাধীন বাংলা/এআর

আট কাজে মজবুত হবে ভালোবাসা
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ভালোবাসা মানে কি কেবল প্রেমিকা কিংবা বউকে রাশি রাশি উপহার দেয়া, দামী রেস্তরাঁয় খেতে যাওয়া কিংবা এখানে-সেখানে ঘোরা প্রতিদিন? একদম কিন্তু নয়! এসব দিয়ে কিছু মেয়েকে খুশি করা যায় বটে, কিন্তু বেশিরভাগ মেয়েই খুশি হয়ে থাকেন একদম সাধারণ কিছু ভালোবাসায়। হয়তো আপনার কাছে সেটা খুবই আনরোমান্টিক বা মূল্যহীন, কিন্তু মেয়েদের কাছে বিষয়টির মূল্য অনেক বেশি।

আসুন, জানিয়ে দেই ৮টি এমন কাজ সম্পর্কে, যেগুলো করার মাধ্যমে খুব সহজেই জিতে নিতে পারবেন আপনি পছন্দের মেয়েটির মন। এবং সহজে আর অন্য কোন পুরুষ স্থান করে নিতে পারবে না সেই মনে। আর হ্যাঁ, আপনাদের ভালোবাসা হয়ে উঠবে অনেক বেশি মজবুত ও সুন্দর।

চুম্বনটি হোক ভীষণ আন্তরিক : অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন, চুমু তো আন্তরিকই হয়! চুমু খাওয়ার সময় তাঁর সুন্দর মুখটি নিজের দুহাতে কোমল করে ধরুন। আর অনেকটা সময় নরম করে তাকিয়ে থাকুন। দেখবেন, এই সামান্য জিনিসটি তিনি কি পছন্দই না করছেন। একটু লজ্জা পাচ্ছেন, আবার একটু খুশিও হচ্ছেন। নারীদের কাছে এই বিষয়টি খুব রোমান্টিক।

মাঝে মাঝেই তাঁর মাথায় হাত রাখুন : ভালোবাসা মানে শুধু তীব্র প্রেম আর দৈহিক আকর্ষণ নয়। একদম সাধারণ একটি স্পর্শও প্রকাশ করতে পারে গভীর ভালোবাসা। তাঁর মাথায় হাত রাখুন, কখনো চুলের মাঝে হাত বুলিয়ে দিন, মুখে চুল এসে পড়লে আলতো করে সরিয়ে দিন। আপনার এই ভালোবাসার ছোট্ট আচরণ তাঁর মনে তৈরি করে নেবে বিশাল একটি জায়গা।

আরাম করার সুযোগ দিন : আপনার স্ত্রী নিশ্চয়ই সারাদিন কাজ করেন বাসায়? আর কর্মজীবী হয়ে থাকলে তো বাসা-অফিস মিলিয়ে তাঁর অবস্থা নিশ্চয়ই কাহিল! বাড়িয়ে দিন সাহায্যের হাত। চেষ্টা করুন এটা-সেটায় তাঁকে একটু সাহায্য করতে। নিজে রাঁধতে না পারেন, মাঝে মাঝে ডিনারের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে না হয় বাইরে থেকেই খাবার কিনে আনুন। এই একটুখানি আদরে তাঁর কাছে পাবেন আন্তরিক সম্মান।
 
দুজনে বাইরে যাচ্ছেন : হয়তো স্ত্রী বা প্রেমিকা খুব সেজেগুজে বের হয়েছেন আপনা সাথে বেড়াতে যাবেন বলে। হয়তো সাধারণত রিকশা বা বাসেই চলাচল করেন আপনারা। আজ নিয়ম ভেঙে একটি সিএনজি বা ট্যাক্সি ভাড়া করে ফেলুন। একটুখানি আরামে দুজনে পাশাপাশি উপভোগ করুন খানিকটা সময়। একটা দিন নাহয় তাঁকে বাস বা রিকশার যন্ত্রণা থেকে বাঁচিয়ে দিলেন।

ভিড়ের মাঝে আগলে রাখুন : প্রচন্ড ভিড় হয়তো বাসে কিংবা মার্কেটে। হয়তো কোথাও বেড়াতে গিয়েছেন বা সিনেমায় গেছেন, সেখানেও। এই ভিড়ের মাঝে ভালোবাসার নারীকে অবশ্যই একটু আগলে রাখুন। চেষ্টা করুন তাঁকে ঠেলাঠেলি থেকে রক্ষা করতে, হাতটা শক্ত করে ধরে রাখুন। কে কী ভাবল সেসব নিয়ে চিন্তা করবেন না। সে যেন বোঝে যে জীবনের সকল পরিস্থিতিতে আপনি তাঁর পাশেই আছেন।

সুন্দর, পরিপাটি থাকার জন্য চাপ দেবেন না : হ্যাঁ, তিনিও মানুষ। সবসময় সুন্দর পোশাক পরে পরিপাটি থাকা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। সবসময়ে একজন মানুষকে দেখতে ভালো দেখানো এক কথায় অসম্ভব। তিনি যখন নিজের সবচাইতে খারাপ পোশাকটি পরে আছেন, কিংবা যেদিন তাঁকে দেখতে সবচাইতে বাজে লাগছে, কিংব সাজসজ্জা বিহীন ঘুরতে বেরিয়েছেন- তখনও তাঁকে সুন্দর বলুন। মিথ্যা করে হলেও বলুন। এই ছোট্ট মিথ্যাই তাঁকে নিয়ে আসবে আপনার খুব কাছাকাছি।
 
ভুলবেন না ছোট্ট উপহার : তাঁকে অনেক কিছু কিনে দেয়ার সামর্থ্য নিশ্চয়ই আপনার আছে। কিন্তু সেসবের ভিড়ে ছোট্ট কিন্তু প্রিয় উপহার গুলোর কথা ভুলে যাবেন না। একটু ফুল, প্রিয় চকলেট, একটা গান, এক গুচ্ছ চুড়ি কিংবা এক পাতা টিপ-এসবের মাঝেই আছে রোমান্টিকতা সেসব আসলে আর কিছুর মাঝে নেই।

ছোট্ট আদুরে জেদ করুন : এর অর্থ তাঁকে নিয়ন্ত্রণ করা নয়, বরং নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করা। কী রকম? যেমন ধরুন তাঁর চোখের কাজল আপনার খুব ভালো লাগে, কিংবা কপালের টিপটা। আদর করে জানিয়ে দিন- তুমি কিন্তু টিপ না পরে বাইরে মোটেও যাবে না! এই সামান্য ব্যাপারে তিনি যে কতটা খুশি হবেন আপনার ধারণাও নেই।

স্বাধীন বাংলা/এআর

বাড়িতেই তৈরি করুন শক্তিবর্ধক পানীয়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : এনার্জি ড্রিংক হলো শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখার সেরা উপায়। তবে আপনাকে বাজার থেকে কেনা রাসায়নিক, ক্যাফেইন এবং চিনি বোঝাই এনার্জি ড্রিংক বেছে নিতে হবে না। কারণ সেগুলো স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী না-ও হতে পারে। তাই আপনি প্রাকৃতিকভাবে শক্তি বাড়াতে চাইলে শক্তিবর্ধক পানীয় বাড়িতেও তৈরি করতে পারেন। জেনে নিন প্রাকৃতিক শক্তিবর্ধক পানীয় তৈরির উপায়।

আদা-দারুচিনি : ক্যাফেইন ও চিনি ছাড়া শক্তিবর্ধক পানীয় গ্রহণ করতে চাইলে আদা আর দারুচিনির তৈরি পানীয় খেতে পারেন। এজন্য এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে ২ টুকরা আদা নিয়ে তাতে চামচের এক চতুর্থাংশ দারুচিনির গুঁড়া, সম পরিমাণে হলুদের গুঁড়া, ১ থেকে ২ চামচ মধু মিশিয়ে নিন। আদা বিপাকক্রিয়া বাড়িয়ে হজমে সহায়তা করে। অন্যদিকে হলুদ শক্তি বাড়ায়। এছাড়া দারুচিনি শক্তি বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রক্ত সরবরাহ উন্নত করে।

ডাব-লেবুর পানি : ডাবের পানির উপকারিতা আমরা সবাই কম-বেশি জানি। তীব্র গরমে প্রাণ জুড়াতে ডাবের সুমিষ্ট পানি পান করেন অনেকেই। রাইবোফ্লবিন, নিয়াসিন, থিয়ামিন ও পাইরিডোক্সিনের মতো উপকারী উপাদানে ভরপুর ডাবের পানি প্রতিদিন পান করলে শরীরে শক্তি বৃদ্ধি পায়। এদিকে ভিটামিন সি-তে ভরপুর লেবুর গুণ সম্পর্কে সবারই জানা। দ্রুত শক্তি পাওয়ার জন্য এই দুটি উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে পান করতে পারেন। একগ্লাস ডাবের পানিতে এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিলেই যথেষ্ট। এটি আপনাকে সতেজ তো করবেই, শক্তি জোগাবে দ্রুত।

কলা-শাকসবজির স্মুদি : কলা এবং শাকসবজির স্মুদিতে পর্যাপ্ত প্রোটিন থাকায় এটি শরীরে ইলেক্ট্রোলাইট সরবরাহ ঠিক রাখে। এজন্য বেলন্ডারে একটি পাকা কলা, ২ টেবিল চামচ বাদামের বাটার অথবা আধা কাপ কাজুবাদাম, ২ টি পাতা কপি বা পালং শাক, আধা কাপ টক দই, ১ কাপ ফ্যাটবিহীন দুধ,  আধা চামচ ফ্ল্যাক্স নিয়ে ব্লেন্ড করুন। ঘন না হওয়া পর্যন্ত ব্লেন্ড করুন। মিশ্রণটি তৈরি হলে তাৎক্ষণিকভাবে পান করুন। এতে শরীরের শক্তি বাড়বে।

চা : শরীরের তাৎক্ষণিক শক্তির জন্য সবসময় যে ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় গ্রহণ করতে হবে এমন কোন কথা নেই। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টযুক্ত ডাবের পানির সঙ্গে বিভিন্ন উপাদান মিশিয়েও শক্তিবর্ধক পানীয় তৈরি করা যায়। এজন্য একটি জগে এক কাপ গ্রিন টির সঙ্গে  এক কাপ ডাবের পানি, এক চামচ মধু, সামান্য লবণ, শসা যোগ করতে পারেন। এই পানীয় শরীরে তাৎক্ষণিককভাবে শক্তি জোগাবে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া  

স্বাধীন বাংলা/এআর

চুল পড়া রোধ করার ঘরোয়া উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে চুল পড়ার সমস্যা। অনেক সময় এটা এতই বিরক্তির যে নিজের চুল নিজেই ছিঁড়তে ইচ্ছে করে। কিন্তু সমস্যা যেমন আছে তেমনই রয়েছে সমাধানও। ঘরোয়া উপায়ে কীভাবে চুলের পরিচর্যা করবেন তারই কিছু উপায় তুলে ধরা হল-

কারিপাতা, মেথি এবং আমলা : চুলে পুষ্টি জোগাতে বেশ সাহায্য করে কারিপাতা। এটি চুল পড়া বন্ধ করার পাশাপাশি চুল গজাতেও সাহায্য করে। চুলের পুষ্টিতে আমলা এবং মেথির ভূমিকাও অনেক। কারিপাতা, মেথি এবং আমলা দিয়ে তৈরি হেয়ার মাস্ক চুল পড়া বন্ধে বেশ কার্যকরী। প্রথমে কারিপাতা, মেথি এবং আমলা দিয়ে ভালো করে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। এরপর এই পেস্ট চুলের গোড়া থেকে শেষ পর্যন্ত ভালো করে ম্যাসাজ করুন। মিশ্রণটি মাথায় দিয়ে ঘণ্টাখানেক রেখে দিন। এরপর শ্যাম্পু দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।

অ্যালোভেরা এবং নারিকেল তেল : চুলের যত্ন নিতে অ্যালোভেরা এবং নারিকেল তেলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। অ্যালোভেরা এবং নারকেল তেল দিয়ে তৈরি করে নিন হেয়ার মাস্ক। পরিমাণ মতো নারিকেল তেল নিয়ে তাতে কিছুটা অ্যালোভেরা জেল মেশান। এরপর উপকরণ দুটি খুব ভালো করে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। ভালো উপকার পেতে মাস্কটি অবশ্যই রাতের বেলা ব্যবহার করবেন। পরদিন সকালে উঠে পানি দিয়ে ভালো করে মাথা ধুয়ে ফেলুন। এতে আপনার চুল পড়া অনেকটাই কমে যাবে।

তেল ও ভিটামিন ই ক্যাপসুল : ভিটামিন ‘ই’ সমৃদ্ধ হেয়ার মাস্ক চুলের জন্য ভীষণ উপকারী। এটি আপনার চুল পড়া বন্ধ করার পাশাপাশি হেয়ার ন্যারিশমেন্ট করে। চুলের গোড়া মজবুত রাখে। নারিকেল তেল, আমন্ড অয়েল, জুজুবা তেল, অলিভ অয়েল, পছন্দমতো যেকোনোটি নিন। ভিটামিন ই ক্যাপসুল নিন তিনটি। তেলের সঙ্গে ভিটামিন ই ক্যাপসুল ভেঙে মিশিয়ে নিতে হবে। এই মিশ্রণ মাথায় ও পুরো চুলে ভালো করে মাখিয়ে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করতে হবে। সারা রাত এই তেল মাথায় রাখা গেলে সব থেকে বেশি উপকার হবে। একদিন পরপর এই তেল ব্যবহার করতে পারেন। এই মাস্ক চুলের ভেতর থেকে পুষ্টি জোগাবে। এটি চুলের গোড়া পরিষ্কার করে চুলকে মসৃণ ও চুলের গোড়া শক্ত করে তুলবে।

স্বাধীন বাংলা/আফজাল

দুধ-মধু একসঙ্গে খাওয়ার উপকারিতা
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বিভিন্ন রোগ নিরাময়কারী হিসেবে বহুকাল আগে থেকেই দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাওয়ার প্রচলন চলে আসছে। মধুর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাংগাল উপাদান। আর দুধের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, বি, ডি। আরও রয়েছে ক্যালসিয়াম, প্রাণিজ প্রোটিন ও ল্যাকটিক অ্যাসিড। দুধ ও মধু যখন একসঙ্গে মেশানো হয়, এটি আরো স্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে। চলুন জেনে নেয়া যাক এই দুটি খাবার একসঙ্গে খেলে কি হয়।

হাড়ের শক্তি বাড়ে : দুধের মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম, যা হাড় মজবুত করে। এছাড়া এতে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করেন।  অন্যদিকে মধুর মধ্যে রয়েছে রোগ নিরাময়কারী উপাদান। তাই দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে হাড় শক্তিশালী হয় এবং ক্ষয়রোধে সাহায্য করে।

ফুসফুসের জন্য ভালো : মধুর সঙ্গে দুধ পান করা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা প্রতিরোধের কার্যকর একটি উপায়। উষ্ণ পানীয়টি শ্বাসনালীর সংক্রমণ কমাতে সহায়তা করে। গলা ব্যথার ক্ষেত্রেও দুধ-মধুর মিশ্রণ একটি কার্যকর প্রতিকার।

পাকস্থলীর সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই : পানীয়টির অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য পেটে সংক্রমণজনিত ব্যাকটিরিয়া ধ্বংস করে। এই মিশ্রণটি পেটের ভালো ব্যাকটেরিয়া পুনরুদ্ধার এবং পেটের অসুস্থতা থেকে দ্রুত নিরাময়ে সহায়তা করে।

ঘুমের উন্নতি করে : দুধ ও মধু মস্তিস্ককে শান্ত রাখে। ঘুমাতে যাওয়ার আগে দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে পান করলে তা আপনার ঘুমের মানের উন্নতি করতে সহায়তা করতে পারে।

ক্ষতিকর নয় : অনেকে মনে করেন, দুধের সঙ্গে মধু মেশালে তা বিষাক্ত হয়ে ওঠে। কিন্তু এই ধারণাটি সঠিক নয়। উচ্চ তাপমাত্রায় মধু গরম করা হলে তা থেকে এইচএমএফ নামক এক প্রকার বিষাক্ত রাসায়নিক নির্গত হতে পারে। কিন্তু তা দুধে মেশালেও পানীয়টির তাপমাত্রা ১৪০ ডিগ্রির চেয়েও অনেক কম থাকে। তারপরও মধু গরম না করাই ভালো। দুধ ফুটিয়ে এতে মধু যোগ করার আগে ১০ মিনিট ধরে ঠান্ডা হতে দিন।


   Page 1 of 21
     জীবনশৈলী
যেসব খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়
.............................................................................................
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ব্যায়াম
.............................................................................................
চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার উপায়
.............................................................................................
যেসব খাবার অনিদ্রা দূর করে
.............................................................................................
অতিরিক্ত চুল পড়ার কারণ ও প্রতিকার
.............................................................................................
ভেষজ চা কেন খাবেন
.............................................................................................
চাল ধোয়া পানিতে ত্বক হবে উজ্জ্বল
.............................................................................................
ত্বক সুন্দর রাখার খাবার
.............................................................................................
ঝকঝকে সাদা দাঁতের জন্য
.............................................................................................
উজ্জ্বল ও কোমল ত্বক পেতে আলুর ফেসপ্যাক
.............................................................................................
ঘাড়-পিঠ-কোমর ব্যথায় করণীয়
.............................................................................................
ঘুমের আগে ত্বকের যত্ন
.............................................................................................
আট কাজে মজবুত হবে ভালোবাসা
.............................................................................................
বাড়িতেই তৈরি করুন শক্তিবর্ধক পানীয়
.............................................................................................
চুল পড়া রোধ করার ঘরোয়া উপায়
.............................................................................................
দুধ-মধু একসঙ্গে খাওয়ার উপকারিতা
.............................................................................................
ঘুম কম হলে বিপদ...
.............................................................................................
শরীরে দুর্গন্ধ হওয়ার কারণ
.............................................................................................
ঘরেই তৈরি করুন মজাদার ডোনাট
.............................................................................................
খুশকি দূর করার ঘরোয়া উপায়
.............................................................................................
রমজানে সুস্থ থাকুন
.............................................................................................
ঘরে বসেই নিন ত্বকের যত্ন
.............................................................................................
শবে বরাতে নানা স্বাদের হালুয়া
.............................................................................................
বাড়িতে বসেই শরীরের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করুন
.............................................................................................
শিশুর মেধা বাড়াতে পাঁচ খাবার
.............................................................................................
লিভার ভালো রাখবে যে ১০ খাবার
.............................................................................................
ভালোবেসে দিই উপহার
.............................................................................................
কর্মশক্তি যোগাবে সকালের ছোট অভ্যাস
.............................................................................................
ঠান্ডায় নাক বন্ধ হলে করণীয়
.............................................................................................
যেসব অভ্যাসে বাড়ে মাইগ্রেনের ব্যথা
.............................................................................................
শীতে পানি কম খেলে বিপদ!
.............................................................................................
শীতে পা ফাটা রোধ করার সহজ উপায়
.............................................................................................
শীতেও সুস্থ উজ্জ্বল ত্বক
.............................................................................................
শীতকালে অ্যালার্জি ও অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণের উপায়
.............................................................................................
শীতে চুলের রুক্ষতা দূর করার উপায়
.............................................................................................
শীতে খুশকি দূর করুন ঘরোয়া উপায়ে
.............................................................................................
ঝলমলে চুল পাওয়ার উপায়
.............................................................................................
চুলের যত্নে জেনে নিন
.............................................................................................
ত্বকের যত্নে দুধের ব্যবহার
.............................................................................................
প্রতিদিন কতটুকু লবণ খাওয়া যাবে?
.............................................................................................
সম্পর্ক সুন্দর রাখতে চুমু তুলনাহীন
.............................................................................................
রান্নাঘরের উপকরণেই ত্বক হবে উজ্জ্বল
.............................................................................................
অ্যাসিডিটি দূর করার উপায়
.............................................................................................
চা কতটুকু পান করা উচিত?
.............................................................................................
নিজেই যখন সমস্যার কারণ
.............................................................................................
বর্ষায় পায়ের যত্ন
.............................................................................................
খুশকি থেকে বাঁচার উপায়
.............................................................................................
প্রাকৃতিক উপাদানে ঠোঁটের যত্ন নিন
.............................................................................................
মায়েদের জন্য উপকারী খাবার
.............................................................................................
সহজেই দূর করুন ঠোঁটের কালচে দাগ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT