মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই 2020 | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   জীবনশৈলী -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
রমজানে সুস্থ থাকুন

লাইফস্টাইল ডেস্ক : সুস্থ থাকার জন্য নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি একটি বিষয়। আর সাম্প্রতিক সময়ে করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় সবাই ঘরবন্দি অবস্থায় আছেন। এমনই একটি সময়ে এবার পবিত্র রমজান পালিত হচ্ছে বলে সুস্থতার জন্য আমাদের আরও বেশি সতর্ক থাকা চাই। আর তাই, নিয়মিত ব্যায়ামের পাশাপাশি প্রয়োজন পুষ্টিকর খাবারের রুটিন। এছাড়াও রমজানে সুস্থতা বজায় রাখতে প্রয়োজন রুটিন মেনে চলার একনিষ্ঠতা। আপনাদের রমজানের রোজা সুস্থ-সবল দেহ নিয়ে পালনের জন্য রইলো পরামর্শ।

খাবার গ্রহণে সতর্ক থাকুন : সারাদিন না খেয়ে থেকেছেন তাই ক্ষুধা থাকবে এটা স্বাভাবিক। তাই বলে সব খাবার ইফতারের সময় একসঙ্গে খাওয়া ঠিক নয়। রোজা ভাঙবেন এক বা তিনটি শস্যদানা পরিমাণ যেকোনো কিছু দিয়ে। সেটা খেজুরও হতে পারে। এরপর নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি পান করে নামাজ আদায় করে নিন। এসময়ের মধ্যে পাকস্থলীকে বিশ্রাম নিতে দিন যেন সে পুনরায় খাবার গ্রহণে উদগ্রীব থাকে। নামাজ আদায় শেষে স্যুপ বা সবজি সালাদ খেতে পারেন যা আপনার ক্ষুধা নিবারণ করতে সক্ষম। একইসঙ্গে সামান্য ক্যালরি আছে এমন কিছু খেতে পারেন। এরপর আপনি প্রোটিনযুক্ত মূল খাবার (গরুর মাসং, মুরগির মাংস বা মাছ) গ্রহণ করুন। সঙ্গে রাখতে পারেন ভাত বা রুটি। তবে এগুলোর কোনোটাই অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া যাবে না। এরপর তারাবীহর নামাজ শেষে ফল বা গরুর দুধ পান করতে পারেন। এরপর মধ্যরাতে কম পরিমাণ সবজি, ভাত বা জুস খেতে পারেন। সেহরিতে খাবারের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি আপনাকে সারাদিনের জন্য শক্তি যোগাবে। তাই এসময় অবশ্যই ফাস্ট ফুড এড়িয়ে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ করুন।

ইফতার ও সেহরিতে মিষ্টান্ন রাখুন : মিষ্টি জাতীয় খাবার কিছু না কিছু অবশ্যই রাখবেন ইফতারের টেবিলে। সম্ভব হলে সেহেরিতেও রাখুন মিষ্টান্ন। খেজুর রমজানে শরীরের ভীষণ বন্ধু এক খাবার। কাজেই ফল এবং মিষ্টি উপাদান হিসেবেও খেজুর বেছে নিন খাদ্য তালিকায়। দুধ-চাল আর বাদামের মিশ্রণে সাধারণ পায়েসও মজাদার খাবার হতে পারে ইফতারে।

কড়া পানীয়কে না বলুন : কড়া পানীয়ের বদলে হালকা পানীয় গ্রহণ করুন এই এক মাস! চা ছাড়া দিন চলে না যাদের তারা লাল চায়ের অভ্যাস করুন। এছাড়া কোমল পানীয় এড়িয়ে চলবেন।

রোজায়ও চলুক ব্যায়াম : রমজানে সুস্থতা পালনে শরীর চর্চার সঠিক সময় হচ্ছে ইফতারের ঠিক পূর্বে। তাই, ইফতারের ঘণ্টা দু-এক আগে নিজের শরীর চাঙ্গা রাখতে হালকা ব্যায়াম বা যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। ইফতারের পর ১৫-২০ মিনিটের জন্য বাইরে হেঁটে আসতে পারেন। তবে কখনোই ভারী ব্যায়াম করবেন না।

দুপুরের পর একটু ঘুমান : রোজার সময় প্রতিদিন দুপুরের পরে একটু ঘুমিয়ে নিন। তাহলে আর রোজার ক্লান্তিতে আপনার শরীর ভেঙে পড়বে না। জোহরের নামাজের পর থেকে আছরের নামাজের মধ্যবর্তী সময়টি দিবানিদ্রার সবচেয়ে ভালো সময়।

ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপে করণীয় : উচ্চরক্তচাপ যাদের আছে তারা রোজা রাখতে পারেন। তবে তাদেরকে নিয়মিত ওষধ খেতে হবে। তাহলেই তারা রোজা রাখতে পারবেন। ইউরিক এসিড থাকলে ডালের তৈরি খাবার কম খেতে হবে। এছাড়া যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তাদেরকে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে ওষুধ খাওয়ার নতুন তালিকা করবেন। শরীরের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখার ওপর গুরুত্ব দিন। এসব বিষয় খেয়াল রাখলে রমজানেও আপনার শরীর-স্বাস্থ্য পুরোপুরি ফিট থাকবে।

রমজানে সুস্থ থাকুন
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : সুস্থ থাকার জন্য নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি একটি বিষয়। আর সাম্প্রতিক সময়ে করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় সবাই ঘরবন্দি অবস্থায় আছেন। এমনই একটি সময়ে এবার পবিত্র রমজান পালিত হচ্ছে বলে সুস্থতার জন্য আমাদের আরও বেশি সতর্ক থাকা চাই। আর তাই, নিয়মিত ব্যায়ামের পাশাপাশি প্রয়োজন পুষ্টিকর খাবারের রুটিন। এছাড়াও রমজানে সুস্থতা বজায় রাখতে প্রয়োজন রুটিন মেনে চলার একনিষ্ঠতা। আপনাদের রমজানের রোজা সুস্থ-সবল দেহ নিয়ে পালনের জন্য রইলো পরামর্শ।

খাবার গ্রহণে সতর্ক থাকুন : সারাদিন না খেয়ে থেকেছেন তাই ক্ষুধা থাকবে এটা স্বাভাবিক। তাই বলে সব খাবার ইফতারের সময় একসঙ্গে খাওয়া ঠিক নয়। রোজা ভাঙবেন এক বা তিনটি শস্যদানা পরিমাণ যেকোনো কিছু দিয়ে। সেটা খেজুরও হতে পারে। এরপর নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি পান করে নামাজ আদায় করে নিন। এসময়ের মধ্যে পাকস্থলীকে বিশ্রাম নিতে দিন যেন সে পুনরায় খাবার গ্রহণে উদগ্রীব থাকে। নামাজ আদায় শেষে স্যুপ বা সবজি সালাদ খেতে পারেন যা আপনার ক্ষুধা নিবারণ করতে সক্ষম। একইসঙ্গে সামান্য ক্যালরি আছে এমন কিছু খেতে পারেন। এরপর আপনি প্রোটিনযুক্ত মূল খাবার (গরুর মাসং, মুরগির মাংস বা মাছ) গ্রহণ করুন। সঙ্গে রাখতে পারেন ভাত বা রুটি। তবে এগুলোর কোনোটাই অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া যাবে না। এরপর তারাবীহর নামাজ শেষে ফল বা গরুর দুধ পান করতে পারেন। এরপর মধ্যরাতে কম পরিমাণ সবজি, ভাত বা জুস খেতে পারেন। সেহরিতে খাবারের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি আপনাকে সারাদিনের জন্য শক্তি যোগাবে। তাই এসময় অবশ্যই ফাস্ট ফুড এড়িয়ে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ করুন।

ইফতার ও সেহরিতে মিষ্টান্ন রাখুন : মিষ্টি জাতীয় খাবার কিছু না কিছু অবশ্যই রাখবেন ইফতারের টেবিলে। সম্ভব হলে সেহেরিতেও রাখুন মিষ্টান্ন। খেজুর রমজানে শরীরের ভীষণ বন্ধু এক খাবার। কাজেই ফল এবং মিষ্টি উপাদান হিসেবেও খেজুর বেছে নিন খাদ্য তালিকায়। দুধ-চাল আর বাদামের মিশ্রণে সাধারণ পায়েসও মজাদার খাবার হতে পারে ইফতারে।

কড়া পানীয়কে না বলুন : কড়া পানীয়ের বদলে হালকা পানীয় গ্রহণ করুন এই এক মাস! চা ছাড়া দিন চলে না যাদের তারা লাল চায়ের অভ্যাস করুন। এছাড়া কোমল পানীয় এড়িয়ে চলবেন।

রোজায়ও চলুক ব্যায়াম : রমজানে সুস্থতা পালনে শরীর চর্চার সঠিক সময় হচ্ছে ইফতারের ঠিক পূর্বে। তাই, ইফতারের ঘণ্টা দু-এক আগে নিজের শরীর চাঙ্গা রাখতে হালকা ব্যায়াম বা যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। ইফতারের পর ১৫-২০ মিনিটের জন্য বাইরে হেঁটে আসতে পারেন। তবে কখনোই ভারী ব্যায়াম করবেন না।

দুপুরের পর একটু ঘুমান : রোজার সময় প্রতিদিন দুপুরের পরে একটু ঘুমিয়ে নিন। তাহলে আর রোজার ক্লান্তিতে আপনার শরীর ভেঙে পড়বে না। জোহরের নামাজের পর থেকে আছরের নামাজের মধ্যবর্তী সময়টি দিবানিদ্রার সবচেয়ে ভালো সময়।

ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপে করণীয় : উচ্চরক্তচাপ যাদের আছে তারা রোজা রাখতে পারেন। তবে তাদেরকে নিয়মিত ওষধ খেতে হবে। তাহলেই তারা রোজা রাখতে পারবেন। ইউরিক এসিড থাকলে ডালের তৈরি খাবার কম খেতে হবে। এছাড়া যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তাদেরকে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে ওষুধ খাওয়ার নতুন তালিকা করবেন। শরীরের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখার ওপর গুরুত্ব দিন। এসব বিষয় খেয়াল রাখলে রমজানেও আপনার শরীর-স্বাস্থ্য পুরোপুরি ফিট থাকবে।

ঘরে বসেই নিন ত্বকের যত্ন
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক: সাধারণ ছুটির এই সময়ে দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বন্ধ সমস্ত সৌন্দর্যচর্চা প্রতিষ্ঠানগুলোও। এদিকে পুরুষরা যেমন চুল কাটা, শেভ করা, চুলে রঙ করাসহ নানা কাজে সেলুনে যান, তেমনি মেয়েদের জন্যও পার্লার বা বিউটি স্যালনে যেতে হয় নানারকম  গ্রুমিংয়ের জন্য। আজকাল নারীদের পাশাপাশি অনেক পুরুষও ত্বকের যত্নের ব্যাপারে সচেতন।

পুরুষদের ত্বক ও চুলের যত্ন নেওয়ার জন্য রয়েছে আলাদা বিউটি স্যালন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন বয়সী ছেলেরা চুল কেটে টাক হয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু মেয়েদের জন্য চুল কাটা বা ট্রিম করার পাশাপাশি আরও কিছু ক রয়েছে যার জন্য পার্লারে না গেলেই নয়। আসুন দেখে নেই কোয়ারেন্টাইনের এই সময়ে কীভাবে ঘরে বসেই নিজের যত্ন নিতে পারেন।

ঘরোয়া ফেসিয়ালের পদ্ধতি : অনেকেই অন্তত মাসে একবার পার্লার বা স্যালনে যেয়ে ফেসিয়াল করান। ত্বকের পরিপূর্ণ যত্নের জন্য ফেসিয়াল দারুণ উপকারি। এটি মূলত কয়েক ধাপে করা হয়। আসুন দেখে নেই ঘরেই কীভাবে ফেসিয়াল করতে পারেন। সবার আগে ফেস ওয়াশ বা মৃদু কোন সাবান দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। তারপর ঘরে বানানো স্ক্রাব দিয়ে মাসাজ করুন। এটি বানাতে আধা চা চামচ নারকেল তেল ও আধা চা চামচ কফির গুড়ো ব্যবহার করুন।

ভালো করে মিশিয়ে মুখে, গলায় ও কাঁধে হালকা হাতে কিছুক্ষণ মাসাজ করে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চাইলে মোছার জন্য পার্লারের মত ছোট ছোট তোয়ালে বা রুমালও ব্যবহার করতে পারেন। এবার ঘরোয়া উপারে স্টিম বা ভাপ নিতে হবে যাতে রোমকুপ পরিষ্কার হয়। একটা পাত্রে গরম পানি নিয়ে মাথার ওপর তোয়ালে দিয়ে ঢেকে মুখ নিচু করে ভাপ নিন। এরপরের ধাপে যেকোন ফেসমাস্ক ব্যবহার করুন। এক চা চামচ ওটমিল, এক চা চামচ মধু ও অর্ধেকটা কলা চটকে মাস্ক বানিয়ে মুখ, গলা ও কাঁধে মাখুন। পনেরো থেকে বিশ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার মাখুন।

ওয়াক্সিং : বাড়িতে ওয়াক্সিং স্ট্রিপ বা ওয়াক্সিং কিট দিয়েই কাজ চালাতে পারেন। সেটি যদি না থাকে তাহলে আপাতত সমাধান মিলতে পারে রেজর ও হেয়ার রিমুভাল ক্রিমে। পশম যেদিকে তার উল্টোদিকে চেপে রেজর ব্যবহার করতে হবে।

মেনিকিওর ও পেডিকিওর : হাত ও পায়ের যত্ন নিলে সেটি শুধুমাত্র হাত-পা পরিষ্কারই করবে না, রিলাক্সেশনেরও কাজ করবে। সহনীয় মাত্রার গরম পানিতে লবণ, লেবুর রস ও কয়েক ফোঁটা শ্যাম্পু বা বডি ওয়াশ দিয়ে হাত ও পা ভিজিয়ে রাখুন দশ থেকে পনেরো মিনিট। এরপর নখের চারপাশ পরিষ্কার করুন, নখ কাটুন ও একটি ব্রাশ দিয়ে ঘষে হাত ও পায়ের ত্বক পরিষ্কার করুন। তারপর পায়ের গোড়ালি ঘষে মরাত্বক পরিষ্কার করুন। সবার শেষে পরিষ্কার পানি দিয়ে হাত এবং পা ধুয়ে মুছে ময়েশ্চারাইজার লাগান।

চুলের স্পা : সবার আগে চুলে দেওয়ার যেকোন তেল হালকা গরম করে নিয়ে মাথার তালুতে ঘষে ঘষে লাগান। তেল গরম রাখার জন্য একটি কাপে গরম পানি নিয়ে তার উপর তেলের বাটি রাখুন। পাঁচ থেকে দশ মিনিট মাসাজ করে তারপর ভাপ দিতে হবে। এর জন্য একটা বড় আর ভারী তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে পানি ঝরিয়ে সেটি মাথায় পেচান। মিনিট পনেরো রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন। এভাবে ভাপ দিলে তেল চুলের গোড়ায় পৌঁছে ও তেলের সমস্ত গুণাগুণ চুলের ভেতরে যায়। এছাড়াও চুলের জন্য ঘরোয়া মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। একটি ডিম, এক চামচ মধু, কিছুটা টক দই, লেবুর রস আর নারকেল তেল দিয়ে ভালমত ফেটে নিয়ে চুলের গোড়ায় দিন। এই মিশ্রণ দেওয়ার পর একইভাবে গরম তোয়ালে দিয়ে পনেরো থেকে বিশ মিনিট মাথা ঢেকে রাখতে হবে। তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন।

শবে বরাতে নানা স্বাদের হালুয়া
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : আগামীকাল ৯ এপ্রিল পবিত্র শবে বরাত। সাধারণত শবে বরাতের দিন বাড়িতে নানা রকম হালুয়া তৈরি করে থাকেন অনেকেই। বিভিন্ন স্বাদের হালুয়া তৈরির কয়েকটি রেসিপি।

গাজরের হালুয়া

উপকরণ : গ্রেট করা গাজর ৪ কাপ, চিনি আধা কাপ, ঘন দুধ ২ কাপ, ঘি ৩ টেবিল চামচ, এলাচিগুঁড়া ১ চা–চামচ, কিশমিশ, কাজু, পেস্তাকুচি সাজানোর জন্য।

প্রণালি : প্যানে গ্রেট করা গাজর ও দুধ একসঙ্গে দিয়ে চুলায় বসান। সেদ্ধ হয়ে এলে চিনি দিন। চিনির পানি শুকিয়ে গেলে তাতে ঘি ও এলাচিগুঁড়া দিয়ে নাড়তে থাকুন। প্যানের গা ছেড়ে এলে কিশমিশ, বাদাম দিয়ে নেড়েচেড়ে নামিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

ডিমের হালুয়া

উপকরণ : ডিম ৪টি, দুধ ১ লিটার, ঘি আধা কাপ বা প্রয়োজন মতো, চিনি ১ কাপ, এলাচ-দারুচিনি ২-৩টি, কাজু বাদাম ১ টেবিল চামচ, পেস্তা বাদাম ১ টেবিল চামচ, জাফরান সামান্য, গোলাপজল ১ টেবিল চামচ।

প্রণালি : দুধ জ্বাল দিয়ে ১ কাপ করে নিন। দুধ ঠা-া হলে ডিম দিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে নিন। চিনি দিন। ভালো করে নেড়ে নিন। গোলাপজলে জাফরান ভিজিয়ে রাখুন। প্যানে ঘি দিয়ে সব উপকরণ দিয়ে ভালো করে নাড়তে থাকুন। যতক্ষণ না দানার মতো হচ্ছে ততক্ষণ নাড়তে থাকুন। নামিয়ে সার্ভিং ডিশে ঢেলে নিন। ঠাণ্ডা হলে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

নেসেস্তার হালুয়া

উপকরণ : সুজি ১ কাপ, চিনি ২ কাপ, ঘি পৌনে ১ কাপ, ফুড কালার ইচ্ছামতো, পেস্তাবাদাম কুচি ১ টেবিল চামচ, কিশমিশ ১ টেবিল চামচ।

প্রণালি : সুজি ৬-৭ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন, এবার সুজি ভালো করে চটকে নিন। একটা পাতলা কাপড়ে ঢেলে ছেঁকে পানিটুকু নিন। আঠালো জিনিসটা ফেলে দিন। এরপর সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে প্যানে জ্বাল দিন এবং ভালো করে নাড়তে থাকুন। যখন প্যান থেকে ছেড়ে আসবে তখন নামিয়ে নিন। সার্ভিং ডিশে ঢেলে নিন। কেটে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

কমলার হালুয়া

উপকরণ : কমলার রস ১ কাপ, পানি আধা কাপ, কর্নফ্লাওয়ার আধা কাপ, চিনি এক কাপ, গ্রেট করা কমলার খোসা আধা চা–চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, কমলা ফুড কালার এক চিমটি, ঘি সিকি কাপ, এলাচির গুঁড়া সামান্য, কাঠবাদামকুচি সাজানোর জন্য।

প্রণালি : প্রথমেই কমলার রস ছেঁকে কর্নফ্লাওয়ারের সঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিন, যেন কোনো দলা না বেঁধে থাকে। চুলায় মাঝারি আঁচে হাঁড়ি বসিয়ে চিনি ও আধা কাপ পানি ঢেলে দিন। কিছুক্ষণ পর লেবুর রস দিন। চিনি গলে এলে কমলার রস ও কর্নফ্লাওয়ারের মিশ্রণ ঢেলে দিন। চুলার আঁচ কমিয়ে দিয়ে অনবরত নাড়তে থাকুন। সামান্য ফুড কালার দিন। মিশ্রণটি ঘন হয়ে এলে নেড়ে একটু করে করে ঘি দিন। এবার ঘন ঘন নাড়তে থাকুন। হালুয়ার রং স্বচ্ছ হয়ে গেলে এলাচির গুঁড়া দিয়ে নাড়ুন। যে বাটিতে হালুয়া রাখবেন, সেখানে অল্প ঘি মিশিয়ে হালুয়া রেখে চেপে চেপে সমান করুন। এবার হালুয়ার ওপরে কাঠবাদামকুচি ছিটিয়ে এক ঘণ্টা রুম টেম্পারেচারে রেখে দিন। হালুয়া জমে গেলে নিজের পছন্দমতো সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

মুগ ডালের হালুয়া

উপকরণ : মুগ ডাল আধা কেজি, চিনি দেড় কাপ বা প্রয়োজন মতো, দুধ ২ কাপ, মাওয়া আধা কাপ, এলাচি ২-৩টি, দারুচিনি ২-৩ টুকরা, ঘি আধা কাপ, কিশমিশ ১ টেবিল চামচ, জাফরান সামান্য, গোলাপ জল ১ টেবিল চামচ, কাঠ বাদাম কুচি ১ টেবিল চামচ।

প্রণালি : মুগ ডাল আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। দুধ ও সামান্য পানি দিয়ে ডাল সিদ্ধ করে বেটে নিন। এবার প্যানে ঘি দিয়ে কিশমিশ, এলাচ ও দারুচিনি দিন। মুগ ভাল ও অন্যান্য উপকরণ দিয়ে ভালো করে নাড়তে থাকুন। গোলাপজল মিশ্রিত জাফরান দিন। আঠালো হয়ে গেলে নামিয়ে নিন। পাত্রে ঢেলে বাদাম দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

বাড়িতে বসেই শরীরের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করুন
                                  

জীবনশৈলী ডেস্ক : বর্তমানে এক ভয়াবহ আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ভাইরাসটি বিশ্বের সব দেশের মানুষকে আক্রান্ত করে বৈশ্বিক পরিস্থিতি দুর্যোগময় করে তুলেছে। এমনকি প্রতিনিয়ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা  বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে। এখন পর্যন্ত এই মহামারির প্রতিষেধক আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি।

তবে এই ভাইরাসটির লক্ষণ দেখা দিলে ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রেই বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে থেকে সুস্থ্য হওয়া সম্ভব। এছাড়া যারা আক্রান্ত হননি কিন্তু ভয়ে রয়েছেন তারাও সতর্ক থাকতে পারেন। এমন অবস্থায় চিকিৎসকরা বাড়িতে বসেই যাতে শরীরের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করতে পারেন তার কয়েকটি টিপস দিয়েছেন। সেগুলো হলো-

সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে : সর্বদা বলা হয়ে থাকে যে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট। তবে গবেষকরা জানিয়েছেন এই সংখ্যাটি আসলে ৯৭.৯ ডিগ্রির কিছুটা কম। তবে শরীরের ওজন উচ্চতা এবং অন্যান্য কারণে এর তারতম্য হতে পারে। কিন্তু যদি আপনার তাপমাত্রা ১০০.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট হয় তবে আপনার জ্বর হয়েছে এমনটি ধরে নিবেন।

সময় গুরুত্বপূর্ণ : সাধারণত শরীরের তাপমাত্রা দিনে এবং রাতে কিছুটা ওঠানামা করে। দিনের বেলায় তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকে এবং বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে। এজন্য দিনে অন্তত দুই বার তাপমাত্রা পরিমাপ করুন। যার একটি সর্বোচ্চ থাকার সময়ে এবং অন্যবার দিনের যেকোনো সময়ে। তবে প্রতিদিন যদি আপনি একই সময়ে তাপমাত্রা পরিমাপ করেন তাহলে শরীরের তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হলে সহজেই তা ধরতে পারবেন।

কেমন থার্মোমিটার ব্যবহার করা উচিত : শরীরের সঠিক তাপমাত্রা পরিমাপ করার জন্য সাধারণ ফার্মেসিতে পাওয়া থার্মোমিটারই যথেষ্ট। এটি আপনাকে মোটামুটি সঠিক তথ্য দেয়। এজন্য আপনাকে বড় স্ক্যানার কিনতে হবে না। কারণ স্ক্যানারগুলো বিমানবন্দরের মতো ট্রাফিক এরিয়ায় ব্যবহৃত। বড় স্ক্যানার ও সাধারণ থার্মোমিটারের তথ্য দেয়ার মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। তবে তাপমাত্রা পরিমাপের পর ডিভাইসটি জীবানুমুক্ত করুন এবং পরিবারের সব সদস্যের জন্য আলাদা আলাদা থার্মমিটার ব্যবহার করুন।

জ্বর হওয়ার অন্যান্য লক্ষণ : আপনার জ্বর হয়েছে কি না তা জানার সবচেয়ে সঠিক উপায় থার্মোমিটার দিয়ে পরীক্ষা করা। তবে দেহে জ্বর রয়েছে কি না তা জানার জন্য থার্মোমিটার ছাড়াও অন্যান্য লক্ষণ রয়েছে। যেমন শরীরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার পর ঘাম দেয়া, ব্যথা ইত্যাদি শরীরে জ্বরের নির্দেশ করে। যদি কয়েকদিনের মধ্যেও তাপমাত্রা না কমে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

শিশুর মেধা বাড়াতে পাঁচ খাবার
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : পৃথিবীতে সন্তানকে নিয়ে যারা সব চেয়ে বেশি চিন্তা করেন, তারা হলেন বাবা-মা। বাবা-মার এ চিন্তা লেগে থাকে কীভাবে তার শিশুর মেধা ও বিকাশ বৃদ্ধি হবে। শিশুর কিছু নিয়মিত পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবার দৈহিক ও মানসিক বিকাশে সাহায্য করে থাকে। তবে এটাও ঠিক, সব খাবারে একই পুষ্টিগুণ থাকে না, এমন কিছু খাবার আছে যার মধ্যে অনেক বেশি পুষ্টিগুণ বিদ্যমান।

যা শিশুর মস্তিষ্ক সক্রিয় ও সতেজ রাখে। মস্তিষ্ক সক্রিয় এবং সতেজ থাকলে শিশুর মেধা ও বুদ্ধি বিকাশ ত্বরান্বিত হয়। যেহেতু শিশুদের বেড়ে ওঠায় কিছু খাবার অনেক বেশি ভূমিকা রাখে; সেহেতু আমাদের মনে রাখতে হবে সেই খাবারগুলো শিশুদের যাতে বেশি করে দেয়া যায়।

এ বিষয়ও দেখতে হবে যে ছোট বাচ্চাদের পাকস্থলি ছোট থাকে তাই তাদের পেট অল্পতেই ভরে যায়। এক্ষেত্রে আপনাকে চেষ্টা করতে হবে অল্প পরিমাণ খাদ্য দিয়ে কীভাবে বেশি করে পুষ্টি দিতে পারেন। পনির প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিসমৃদ্ধ একটি দুধজাতীয় খাবার। এতে আছে প্রচুর আমিষ এবং ক্যালসিয়াম, যা সুস্থ হাড় ও দাঁতের জন্য আবশ্যক।

একই সঙ্গে পনির মুখের ভেতর যে অ্যাসিড দাঁতের ক্ষয়ের জন্য দায়ী, সেগুলোকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। সুতরাং এ খাবার শিশুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মস্তিষ্ক মানবদেহের অন্যান্য অংশের বিকাশ ও সঠিক পরিচালনা অনেকাংশেই নির্ভর করে। শিশুকালেই এ অতি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির উপযুক্ত বিকাশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। জেনে নেই মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে সন্তানকে কোন খাবারগুলো খেতে দেয়া বেশি দরকার।

ডিম : শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশসাধন হয় উল্লেখযোগ্য হারে। এসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী একটি পুষ্টি হচ্ছে কোলাইন। মস্তিষ্কের গভীরে স্মৃতিকোষ তৈরি করতে কোলাইনের প্রয়োজন রয়েছে। ডিমের কুসুমে পর্যাপ্ত কোলাইন পাওয়া যায়। আট বছর পর্যন্ত প্রতিদিন যতটুকু কোলাইন লাগে তার প্রায় সমপরিমাণ পুষ্টি একটি ডিমের কুসুম সরবরাহ করতে পারে। ডিমে প্রচুর প্রোটিন, আয়রন, ভিটামিন এ ও ফোলেটও রয়েছে- এদের প্রত্যেকটিই কোষের বৃদ্ধি, বিকাশসাধন ও মেরামতে দরকার। তাই শিশু ডিমের প্রতি অ্যালার্জিক না হলে তাদেরকে প্রতিদিন ডিম খেতে উৎসাহিত করুন।

তৈলাক্ত মাছ : তৈলাক্ত মাছ অনেক উপকার করতে পারে। মস্তিষ্কের বিকাশসাধন ও স্বাস্থ্যের জন্য ওমেগা ৩ সমৃদ্ধ মাছ খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কোষের বিকাশসাধনের জন্য অন্যতম বিল্ডিং ব্লক হচ্ছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। এ পুষ্টি নিউরোট্রান্সমিটার ফাংশনে ভূমিকা রেখে আচরণগত সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। কিছু গবেষণায় নিম্নমাত্রার ওমেগা ৩ এর সাথে কম মেধার যোগসূত্র দেখা গেছে এবং অন্যদিকে ওমেগা ৩ সাপ্লিমেন্টেশনে মেমোরি ফাংশন বৃদ্ধি পেয়েছিল।

হোল গ্রেন : শিশুদের সকালের নাস্তায় হোল গ্রেন (গোটা শস্য) রাখা উচিত। কার্বোহাইড্রেটে সমৃদ্ধ এই খাবার মস্তিষ্কের জ্বালানি হিসেবে গ্লুকোজ ও এনার্জির যোগান দেয়। এতে প্রচুর বি ভিটামিনও থাকে, যা নার্ভাস সিস্টেমকে সুস্থ ও পুষ্ট রাখে। অনেক গবেষণায় পাওয়া গেছে, হোল গ্রেনের ব্রেকফাস্ট শর্ট-টার্ম মেমোরি ও মনোযোগ বৃদ্ধি করতে পারে। অন্যদিকে সকালের নাশতা হিসেবে পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট গ্রহণে এমন লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখা যায়নি। হোলগ্রেনে উচ্চ পরিমাণে ফাইবারও রয়েছে, যা শরীরে গ্লুকোজ সাপ্লাই নিয়ন্ত্রণ করে।

বিনস : শিমের বিচির মতো বিচি প্রকৃতির খাবারে (বিনস) উচ্চ মাত্রায় প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেল পাওয়া যায়। পিন্টো ও কিডনি বিনসে ওমেগা ৩ ফ্যাট বেশি থাকে, যা মস্তিষ্কের বৃদ্ধি ও কার্যক্রমের জন্য দরকারী। শিশুদের বিনস খাইয়ে স্কুলে পাঠালে ক্লাশরুমে মন বসবে। এছাড়া এসব খাবার তাদেরকে দীর্ঘসময় সতেজ রাখবে।

দুধ : দুধ, দই ও পনির এতটা পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার যে শিশুর ডায়েটে চোখ বন্ধ করে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। দুধ জাতীয় খাবারের প্রোটিন, বি ভিটামিন ও অন্যান্য পুষ্টি মস্তিষ্কের টিস্যু, নিউরোট্রান্সমিটার ও এনজাইমের গ্রোথের জন্য প্রয়োজনীয়। এসবকিছু মস্তিষ্কের কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। আরেকটি উপকারিতা হচ্ছে, এসব খাবার ক্যালসিয়ামে সমৃদ্ধ বলে এগুলো খেলে দাঁত ও হাড় মজবুত হবে তথা সুস্থ থাকবে। শিশুদের বয়স অনুসারে বিভিন্ন মাত্রার ক্যালসিয়াম প্রয়োজন হতে পারে। আপনার শিশুকে দুই থেকে তিন ধরনের ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে চেষ্টা করুন।

লিভার ভালো রাখবে যে ১০ খাবার
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : লিভার। শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। সুস্থ থাকতে লিভারের খেয়াল রাখতেই হবে। বেশ কিছু খাবার আছে যেগুলো আমাদের লিভারকে ভালো রাখার জন্য বিস্ময়করভাবে উপকারী। আজ থেকেই সেগুলো নিয়মিত খাওয়া শুরু করুন।

সবুজ শাক-সবজি : স্পিনাক, করলা, সুবজ সরিষা শাক এর মতো সবুজ শাক-সবজি খেতে হবে নিয়মিত। কারণ সবুজ শাক-সবজি পায়খানা সৃষ্টি এবং মলত্যাগের হার বাড়ায়। যার ফলে লিভার এবং রক্ত থেকে বর্জ্য পরিষ্কার হয়।

হলুদ : সোনালি মশলা নামে পরিচিত হলুদ লিভারের সবচেয়ে বেশি উপকার করে। কারণ এই মশলাটি দেহ থেকে খাদ্য বিষ নিঃসরণের কাজ করে যেসব এনজাইম সেসবকে সহায়তা করে। এ কারণেই ভারতীয় উপমহাদেশের রান্নায় সবসময়ই হলুদ ব্যবহার করা হয়। প্রতিদিন এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে এক চা চামচ হলুদ মিশিয়ে পান করুন।

লেবু : ভিটামিন সি সমৃদ্ধ লেবু দেহকে বিষাক্ত পদার্থ সংশ্লেষণ করে এমন বস্তুতে রুপান্তরিত করে, যাকে পানি সহজেই শুষে নিতে পারে। আর এ কারণেই সকালে লেবু-জল পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কারণ লেবু-পানি লিভারকে কার্যকরভাবে কাজ করতে উদ্দীপনা যোগায়।

আপেল : সকালে একটি আপেল খেলে তা লিভারকে দিনভর টক্সিন বা খাদ্য-বিষ থেকে রক্ষা করে। এতে আছ পেকটিন নামের উপাদান যা হজম নালিকে টক্সিন বা বিষমুক্ত ও পরিষ্কার করতে জরুরি। এছাড়া অন্যান্য টক্সিন থেকেও লিভারকে সুরক্ষা দেয় আপেল।

অলিভ অয়েল : অলিভ অয়েল দেহে থেকে লিভারের মতোই টক্সিন শুষে নিতে পারে। ফলে এটি লিভারের সহায়ক হাত হিসেবে কাজ করে।

জাম্বুরা : জাম্বুরাতে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে উচ্চ মাত্রায়। প্রতিদিন এক গ্লাস জাম্বুরার জুস পান করলে লিভারকে বিষমুক্ত করতে সহায়ক এনজাইমের উৎপাদন বেড়ে যায়। ফলে ক্যানসারজনক এবং অন্যান্য টক্সিন দেহে থেকে বের হয়ে যায় সহজেই।

রসুন : এতে আছে উচ্চামাত্রার অ্যালিসিলিন এবং সেলেনিয়াম। এই উপাদান লিভারকে পরিষ্কার প্রক্রিয়া জোরদার করে। তবে প্রতিবেলা খাবারের সঙ্গে সীমিত পরিমাণে খেতে হবে রসুন। বেশি খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে।

বিটরুট : উদ্ভিদ-ফ্ল্যাভোনোয়েড এবং বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ এই খাবারটি লিভারের কর্মতৎপরতা জোরদার করে। এবং রক্তকেও বিষমুক্ত করে।

অ্যাভোকাডো : নিয়মিতভাবে এই খাবারটি খেলে দেহে গ্লুটাথিওন এর উৎপাদন বাড়ে। যা লিভারকে ক্ষতিকর টক্সিন বা খাদ্য-বিষ থেকে মুক্ত করতে জরুরি একটি উপাদান।

আখরোট : এতে আছে গ্লুটাথিওন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড এবং অ্যামাইনো এসিড আর্জিনিন যা লিভারকে পরিষ্কার করতে সহায়ক। এছাড়া অ্যামোনিয়া টক্সিনমুক্ত করতে সহায়ক। আখরোট খাওয়ার সময় তা গলাধকরনের আগে ভালো করে চিবিয়ে নিন।

ভালোবেসে দিই উপহার
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ভালোবাসার মানুষের জন্য বিশেষ দিনে কিছু উপহার দেওয়ার কথা ভাবছেন। কিন্তু কিছুতেই সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না, কি হতে পারে সেই কাক্সিক্ষত পণ্য?  আপনারদের সুবিধার জন্য উপহারের কিছু ধারণা দেওয়া হলো। আগেই ঠিক করে নিন কোন উপহারটি আপনি কিনতে চান। তাহলে ভ্যালেনটাইন’স ডে-র কেনাকাটা অনেক সহজ হয়ে যাবে।

মেয়েদের জন্য কিনতে পারেন :  কার্ড, ফুল, মগ, সানগ্লাস, চকলেট, গয়না, ব্যাগ, হাতঘড়ি, সুগন্ধি, গয়নার বক্স, ফুলদানি, পেইন্টিংস, ফটোফ্রেম, মোবাইল ফোন সেট, পোশাক, ডায়েরি ও বই।

ছেলেদের জন্য : কার্ড, ফুল, মগ, সানগ্লাস, চকলেট, মানিব্যাগ, সুগন্ধি, চাবির রিং, শেভিং কিটস, স্মার্ট ওয়াচ, বেল্ট, পোশাক, ফটোফ্রেম, কলম, কাফলিংক সেট, টাই, ব্যাগ আর বই। এক্ষেত্রে আপনার বাজেট অনুযায়ী কি ধরনের উপহার কিনতে পারেন এটাও জেনে নিন।

ধরুন আপনি ৫০০ টাকার উপহার কিনবেন। এই বাজেটেও প্রিয় মানুষটির জন্য কার্ড, ফুল, পুতুল, মগ, শোপিস, ফটোফ্রেম ও চকলেট হতে পারে সুন্দর উপহার। বাজেট ২০০০ টাকা হলে, পছন্দের পারফিউ, প্লেটেড গয়না অথবা ড্রেস দিতে পারেন। সঙ্গে ফুল, কার্ড, চকোলেট তো থাকবেই।

২ থেকে ৫ হাজার টাকা বাজেট : শাড়ি অথবা ড্রেস, ঘড়ি, হীরার নাকফুল আর হ্যান্ড ব্যাগও কেনা যায়। এ ক্ষেত্রে দেশি তাঁত, জামদানী শাড়ি বেছে নিতে পারেন। বাজেট যদি আরও বেশি হয় তবে মোবাইল ফোন সেট, নেটবুক এবং হীরার আংটি উপহার দিতে পারেন। ভ্যালেনটাইন’স ডে-র উপহার দেওয়া-নেওয়া শুধু প্রেমিক প্রেমিকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। স্বামী-স্ত্রী, বাবা-মা, ভাই-বোন, সন্তান এবং প্রিয় বন্ধুকে উপহার দিতে পারেন। বিশেষ দিনের ছোট একটি উপহার মানুষের সর্ম্পক আরও বেশি মধুর করে তোলে।

কর্মশক্তি যোগাবে সকালের ছোট অভ্যাস
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : প্রতিটি নতুন দিন জীবনে বয়ে আনে নতুন সম্ভাবনার হাতছানি। আপনার করণীয় একটাই, সময় ও সুযোগের সঠিক ব্যবহার করা। তবে এর জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে দিনের শুরু থেকেই। থাকতে হবে জীবনের নানান ঝক্কি সামাল দেওয়ার ক্ষমতা। এই মানসিকতা অর্জন করার মোক্ষম সময় হল সকালবেলা।

সকালের প্রথম দুঘণ্টা কীভাবে ব্যয় করছেন তার উপর সারাদিনের সময়ানুবর্তীতা নির্ভর করে অনেকটাই। তাই সকালে নিজেকে প্রস্তুত করা সম্পর্কে কিছু পন্থা জানানো হল স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনের আলোকে।

বিছানা গোছানো : খুবই সামান্য এই ঘরের কাজকে অনেকেই অবহেলা করেন। তবে এরসঙ্গে মানসিক যোগাযোগ আছে। সকালে বিছানা গোছানোই আপনাকে সারাদিনের জন্য গোছানো শ্রেণির মানুষে পরিণত করবে। পাশাপাশি, দিনের প্রথম কাজটি ভালোভাবে সম্পাদনের মাধ্যমে মিলবে মানসিক প্রশান্তিও। আর নিজের ঘরটাও দেখতে পরিচ্ছন্ন, পরিপাটি মনে হবে।

আর্দ্রতার যোগান : সকালে পানি পান করা প্রতিটি মানুষের অবশ্য কর্তব্য। শরীরের সকল কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে অব্যাহত রাখার জন্য পানি কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা আমরা সবাই জানি। সকালে বড় এক গ্লাস পানি পান করলে শরীর থেকে বর্জ্য অপসারণ সহজ হয়। ঠান্ডা, কুসুম গরম, লেবুর রস মিশিয়ে ইত্যাদি যেকোনো-ভাবেই পানি পান করতে পারেন, সবই উপকারী। যেভাবেই পান করুন না কেনো, প্রধান বিষয় হল পানি পান করতে হবে।

শরীরচর্চা : সকালের রুটিনে শরীরচর্চা থাকাটাও কম জরুরি নয়। ব্যায়ামাগারে গিয়ে ভারি ব্যায়াম থেকে শুরু করে সাধারণ ‘জগিং’, যেটাই করেন না কেনো তাতে শরীর উপকৃত হবে। যেকোনো ধরনের শারীরিক পরিশ্রম করলেই আনন্দদায়ক অনুভূতি সৃষ্টিকারী হরমোন নিঃসৃত হয়। সকালবেলাতেই এই হরমোনে স্বাদ পেলে স্বভাবতই দিনটা কাটবে ফুরফুরে মেজাজে।

করণীয় কাজের তালিকা : সারাদিনের কাজগুলোর তালিকা ও তাদের সুষ্ঠু সম্পাদনার পরিকল্পনাটা দিনের শুরুতেই করতে পারলে সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে সুবিধা হবে। কোনো কাজটা কতটুকু জরুরি সে অনুযায়ী পরিকল্পনা সাজালে কোনো কাজ নিজের অজান্তে বাদ পড়ে যাবে না, সময় ব্যবস্থাপনাও হবে শক্তিশালী। পরিকল্পনা অক্ষরে অক্ষরে মানতে না পারলেও সমস্যা নেই। দিন শেষে পুরো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হওয়াটাই মুখ্য বিষয়।

মোবাইলে সময় নষ্ট নয় : প্রযুক্তির কল্যাণে পাওয়া স্মার্টফোন জীবনের বিভিন্ন দিক সহজ করে তুলেছে ঠিক। তবে সেই সঙ্গে সময় অপচয়ের একটি বড় কারণ হয়েও দাঁড়িয়েছে। তাই সকালে নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া স্মার্টফোন থেকে দূরে থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। বরং এ সময় নিজেকে সময় দিন।

কাজে যাওয়ার প্রস্তুতি : ঘুম থেকে উঠেই কাজে বের হওয়ার জন্য তড়িঘড়ি শুরু হয় আমাদের। আর এই তাড়াহুড়োই আসলে ভুল হওয়ার ও সময় নষ্ট হওয়ার একটি বড় কারণ। কাজে বের হওয়ার আগে করণীয় কাজগুলোর তালিকা তৈরি করতে হবে। তারপর কোনটার পর কোনো কাজটি করবেন তা গুছিয়ে নিতে হবে। আর সে অনুযায়ী কাজ করে যেতে হবে। গোছানোর প্রক্রিয়াটা আগেই সেরে রাখতে পারলে কোনটা রেখে কোনটা করি এমন দ্বন্দ্বেও ভুগতে হবে না। আর সবগুলো করতে কতটুকু সময় লাগবে সেটাও জানতে পারবেন। সে অনুযায়ী ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস গড়তে পারবেন।

সকালের নাস্তা : সকালবেলা ঘর ছেড়ে খালি পেটে জীবন যুদ্ধে নামলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তাই সকালের নাস্তাটা হওয়া চাই স্বাস্থ্যকর। যে খাবার পছন্দ সেটাই খান। তবে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রেখে। অন্যথায় শরীরের আলসেমি বাড়বে।

ঠান্ডায় নাক বন্ধ হলে করণীয়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেরই সর্দি-কাশির সমস্যা বাড়ছে। বাইরে বের হলে কারও কারও ঠান্ডায় নাক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এতে শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছে।

অনেকেই এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে দিনের পর দিন ওষুধ খাচ্ছেন। তারপরও সমস্যা থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না। নাক বন্ধ সমস্যা কমাতে প্রাকৃতিক কিছু উপাদানও গ্রহণ করতে পারেন। যেমন-

১. রসুনের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান বন্ধ নাকের সমস্যা দূর করে। সেই সঙ্গে ফ্লু প্রতিরোধেও কাজ করে। ভালো ফল পেতে ২-৩টি রসুন থেঁতলে এক কাপ পানিতে ১০ মিনিট জ্বাল দিন। এরপর পানি ছেঁকে হালকা গরম অবস্থায় মিশ্রণটি পান করুন। দিনে দু’বার রসুনপানি পানে দ্রুতই নাক বন্ধভাব ভালো হয়ে যাবে।

২. আদা কুঁচি করে কেটে অল্প লবণে মেখে চিবিয়ে আদার রস গ্রহণ করুন। এভাবে সরাসরি আদার রস পান করলে দ্রুতই নাক বন্ধ সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

৩. সংক্রমণ ও নাক বন্ধের সমস্যায় লেবু খেতে পারেন। এ জন্য অর্ধেকটি লেবুর রস, এক গ্লাস পানি ও এক চা চামচ মধু মিশিয়ে একটি শিম্রণ তৈরি করুন। প্রথমে পানি গরম করে এতে মধু মিশিয়ে নিতে হবে। পরে এতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করতে হবে। রোজ দুবার লেবু-মধুর মিশ্রণ খেলে এ সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

৪. তেজপাতায় থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান ঠান্ডাজনিত সমস্যা কমায়। বিশেষ করে বন্ধ নাকের সমস্যাটি কমিয়ে স্বাদ ফিরিয়ে আনতে তেজপাতা খুব ভালো কাজ করবে। এ জন্য দেড় গ্লাস পানিতে ৫-৬টি তেজপাতা পনেরো মিনিট জ্বাল দিন। জ্বাল দেয়া শেষ হলে পানিটা ছেঁকে পান করতে পারেন।

৫. নাক বন্ধ সমস্যা দূর করার আরেকটি ভালো উপায় হলো মেনথল। গরম পানির মধ্যে কয়েক ফোঁটা মেনথল ফেলে একটি তোয়ালে দিয়ে ঢাকুন। এরপর গরম পানির ভাপ নিন। এতে নাক বন্ধ হওয়ার সমস্যা অনেকটা কমে যাবে।

যেসব অভ্যাসে বাড়ে মাইগ্রেনের ব্যথা
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে, তাদের অনেক বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি। কারণ অনেক অভ্যাসের কারণে বাড়তে পারে মাইগ্রেনের ব্যথা। মাথার যে কোনো এক পাশ থেকে মাইগ্রেনের ব্যথা হয়ে থাকে। এই ব্যথা মারাত্মক কষ্টকর হয়ে ওঠে। মাইগ্রেনের যন্ত্রণা খুবই কষ্টদায়ক ও দীর্ঘস্থায়ী। তাই জেনে নিন যেসব অভ্যাসে বাড়ে মাইগ্রেনের ব্যথা-

পেট খালি রাখা : দীর্ঘক্ষণ পেট খালি থাকলে মাইগ্রেনের ব্যথা বা সমস্যা শুরু হতে পারে। এর কারণ হল, খালি পেটে থাকলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা মাথা চাড়া দেয় যা মাইগ্রেনের ব্যথাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

আবহাওয়া : অতিরিক্ত রোদে ঘোরাঘুরির কারণে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হতে পারে। এছাড়াও অতিরিক্ত গরম, অতিরিক্ত আর্দ্রতার তারতম্যে মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়তে পারে।

মানসিক চাপ : যারা অনেক বেশি চাপ নিয়ে একটানা কাজ করে চলেন এবং নিজের ঘুম ও খাওয়া-দাওয়ার কোনো নির্দিষ্ট সময় মেনে চলতে পারেন না, তাদের বেশি মাইগ্রেনে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। তাই মানসিক চাপ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। খুব মানসিক চাপে থাকলে এক কাপ লেবু চা খেয়ে নিন। এতে মস্তিষ্ক কিছুটা রিলাক্স হবে।

অতিরিক্ত আওয়াজ : অতিরিক্ত আওয়াজ, খুব জোরে গান শোনা ইত্যাদির কারণেও মাইগ্রেনের সমস্যা শুরু হয়ে যেতে পারে। প্রচণ্ড জোরে আওয়াজের কারণে প্রায় দু’দিন টানা মাইগ্রেনের ব্যথা হওয়ার আশংকা থাকে।

অতিরিক্ত ঘুম : মাত্র এক দিনের ঘুমের অনিয়মের কারণে শরীরের উপরে খারাপ প্রভাব পড়তে পাড়ে। যেমন, যারা নিয়মিত মোটামুটি ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা করে ঘুমান, তারা যদি হুট করে একদিন একটু বেশি ঘুমিয়ে ফেলেন, সেক্ষেত্রে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হয়ে যায়।

চিনি জাতিয় খাবার খাওয়া বেশি খাওয়া : আমরা যখন অনেক বেশি মিষ্টি খাবার খেয়ে ফেলি তখন আমাদের রক্তের সুগারের মাত্রা বেড়ে যায় যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত ইনসুলিনের উৎপাদন হতে থাকে। যার ফলে রক্তের সুগারের মাত্রা নেমে যায়। এভাবে হঠাৎ হঠাৎ রক্তে সুগারের মাত্রার তারতম্যের কারণে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হতে পারে।

হঠাৎ কফি খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া : সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যারা নিয়মিত ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় খেতে অভ্যস্ত, তারা হঠাৎ করে সেই অভ্যাস ত্যাগ করলে বা বন্ধ করে দিলে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হতে পারে।

যেসব খাবার মাইগ্রেনের সমস্যা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে

১. ম্যাগনেশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার। যেমন ঢেঁকি ছাঁটা চালের ভাত, আলু ও বার্লি মাইগ্রেন প্রতিরোধক।

২. বিভিন্ন ফল, বিশেষ করে খেজুর ও ডুমুর ব্যথা উপশম করে।

৩. সবুজ, হলুদ ও কমলা রঙের শাকসবজি নিয়মিত খেলে উপকার হয়।

৪. ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি মাইগ্রেন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। তিল, আটা ও বিট ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে।

৫. আদার টুকরো বা রস দিনে দুবার জিঞ্চার পাউডার পানিতে মিশিয়ে খেতে পারেন।

যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

১. চা, কফি ও কোমলপানীয়, চকলেট, আইসক্রিম, দই, দুধ, মাখন, টমেটো ও টক জাতীয় ফল খাবেন না।

২. গম জাতীয় খাবার, যেমন রুটি, পাস্তা, ব্রেড ইত্যাদি।

৩. আপেল, কলা ও চিনাবাদাম।


তবে ব্যক্তিভেদে ভিন্ন ভিন্ন খাবারে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সবচেয়ে ভালো হয় একটা ডায়েরি রাখা। যাতে আপনি নোট করে রাখতে পারেন কোন কোন খাবার ও কোন কোন পারিপার্শ্বিক ঘটনায় ব্যথা বাড়ছে বা কমছে। এ রকম এক সপ্তাহ নোট করলে আপনি নিজেই নিজের সমাধান পেয়ে যাবেন। তবে ব্যথা বেশি হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

শীতে পানি কম খেলে বিপদ!
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : মানবদেহের ৭৫ ভাগই পানি। শারীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া সচল রাখার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি খুব প্রয়োজন। গরমকালে ঘাম বেশি হয় বলে পানি খাওয়া হয় বেশি। কিন্তু শীতে এলেই পানি খাওয়ার পরিমাণ প্রায় কমে যায়। পানি কম খেলে কিন্তু শীতকালেও দেখা দিতে পারে একাধিক সমস্যা। শরীরে পানির জোগান ঠিক না থাকলে ব্যাহত হয় শারীরের সাধারণ প্রক্রিয়া।

শরীরে পানির পরিমাণ কম কিনা তা জানা যায় কয়েকটি লক্ষণের মাধ্যমে। দেখে নেয়া যাক পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি না খেলে কী কী সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া : শীতকালে আবহাওয়ার জন্য ত্বক এমনিতেই কিছুটা শুষ্ক থাকে। তাই অনেকে এই বিষয়ে খুব একটা লক্ষ্য দেন না। কিন্তু যদি পানি কম খাওয়া হয়, তাহলে শরীরে টক্সিনের পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে যায়। ফলে র্যিাশ, ব্রণের মতো একাধিক ত্বকের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া ত্বকে হালকা জ্বালাও অনুভব করতে পারেন। এরকম হলেই বুঝবেন পানি খাওয়ার পরিমাণ কম হচ্ছে।

মাথা যন্ত্রণা : অনেকের মাইগ্রেন বা মাথা যন্ত্রণার সমস্যা এমনিতেই থাকে। কিন্তু শীতকালে পানি না খেলে সবার মধ্যেই এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেকে ভাবেন হয়তো বেশি কাজ করার জন্য এই মাথা যন্ত্রণা করছে। কিন্তু আদতে কারণ অন্য। তাই বেশিক্ষণ মাথা যন্ত্রণা করলে সঙ্গে সঙ্গে বেশি পরিমাণ পানি খান। তাহলে দেখবেন অনেকটা আরাম পাচ্ছেন।

অল্পেই ক্লান্তি : গরমকালের তুলনায় শীতকালে ক্লান্তির পরিমাণ অনেকটা কম হয়। শীতপ্রধান দেশের বাসিন্দাদের কাজের ক্ষমতা তাই অনেক বেশি হয়। কিন্তু যদি শীতকালেও দেখেন যে অল্পে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন, তাহলে বুঝবেন শরীরে পানির ঘাটতি হচ্ছে। ফলে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া ঠিকমতো হচ্ছে না। পানি খেলেই দেখবেন অনেকটা তরতাজা লাগছে নিজেকে।

কোষ্ঠকাঠিন্য : শীত হোক বা গ্রীষ্ম, পানি কম খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকবেই। গরমের সময় এই সমস্যা বাড়লেও শীতকালেও যদি পানি কম খাওয়া হয় তাহলে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। যাদের অর্শ বা অন্য কোনো সমস্যা রয়েছে তাদের তো আরও সতর্ক থাকা উচিত। তাই শীতকালে পানি কম লাগে মনে করে কম খাবেন না কিন্তু। পানি খান। সকালে ফুরফুরে মেজাজে বাথরুম থেকে বেরোন।

প্রস্রাবের সময় জ্বালা : পানি কম খেলে মুত্রনালীতে সমস্যা দেখা দিতে পারে। কারণ প্রস্রাবের সময় মুত্রনালী দিয়ে অনেকটা পরিমাণে টক্সিন বাইরে বেরিয়ে যায়। তাই পানি কম খেলে প্রস্রাব করার সময় ব্যথা হতে পারে। পানি পর্যাপ্ত পরিমাণে খেলে এই জ্বালার পরিমাণ কমে যায়।

তাই যদি পানি ঠিকমতো খান, দেখবেন সুস্থ থাকবেন। আনন্দে থাকবেন।

শীতে পা ফাটা রোধ করার সহজ উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শীত এলেই অনেকেরই পা ফাটা শুরু হয়। শীতকালে আবহাওয়া শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে ওঠে, বাতাসের আর্দ্রতা কমে যায়। এ কারণে ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে যায়। ফাটা পায়ের তলা বা গোড়ালি নিয়ে হাঁটা চলা করাটাও বেশ কষ্টকর। ফাটা গোড়ালি নিয়ে রাস্তাঘাটে হাঁটা চলা করতে গিয়ে ত্বকের ফাটা অংশে ধুলো লেগে পরিস্থিতি আরও মারাত্মক হয়ে ওঠে।

এর জন্য বাজারে নানা রকমের ক্রিম পাওয়া যায়। কিন্তু সেগুলিতে ব্যবহৃত রাসায়নিকের জন্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার একটা আশঙ্কা থেকেই যায়। কয়েকটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ঘরোয়া পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে পায়ের ফাটা গোড়ালির সমস্যা থেকে সহজেই রেহাই পাওয়া যেতে পারে।

নারকেল ও কলার ফুট মাস্ক : পা ফাটার সমস্যা মারাত্মক পর্যায়ে চলে গেলে এই ফুট মাস্কটি ব্যাবহার করার চেষ্টা করুন। সমস্যার সমাধান হবে খুব দ্রুত।

উপকরণ: টুকরো করে কাটা কলা, লম্বা করে কাটা ৩-৪ টুকরো নারকেল।

পদ্ধতি: একটি কলা টুকরো করে নিয়ে এর সঙ্গে টাটকা ৩-৪ টুকরো নারকেল একসঙ্গে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন বা ভাল করে বেটে নিন। এরপর এটি পায়ের ফাটা জায়গায় ভাল করে লাগিয়ে নিন। প্যাক শুকিয়ে গেলে সামান্য উষ্ণ গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। যদি হাতের কাছে নারকেল নাও পান তবে একটি কলা চটকে নিয়ে তাতে ২-৩ চামচ নারকেল তেল দিয়ে মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করেও লাগাতে পারেন।

চাল বাটা ও তেল : পা ফাটার সমস্যার সমাধানে সবচেয়ে কার্যকরী পদ্ধতি হচ্ছে প্রাকৃতিক স্ক্রাবার ব্যবহার। ঘরোয়াভাবে তৈরি এই স্ক্রাবটি প্রতিদিন ব্যাবহার করে খুব দ্রুত পা ফাটার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

উপকরণ: ২-৩ চামচ চাল, অলিভ অয়েল, সাদা ভিনেগার ও মধু।

পদ্ধতি: প্রথমে চাল একটু ভিজিয়ে রেখে ভাল করে বেটে নিন। খুব মিহি করে বাটবেন না। এরপর এর সঙ্গে ৩ চামচ ভিনেগার আর ২ চামচ মধু দিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন।

এবার একটি বড় পাত্রে সামান্য উষ্ণ গরম পানিতে ১০-১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ভেজা পায়ে ঘন পেস্টটি ভাল করে মালিশ করুন। মালিশ করার পর ১০ মিনিট রেখে দিন। এরপর সামান্য উষ্ণ গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ভাল করে পা মুছে নিন। এরপর সামান্য অলিভ অয়েল গরম করে নিয়ে পায়ে মালিশ করুন। সপ্তাহে ২-৩ বার এই প্যাক ব্যবহার করলে পা ফাটায় দ্রুত ভাল ফল পাবেন।

গ্লিসারিন ও গোলাপ পানিতের ফুট মাস্ক : ফাটা গোড়ালি সমস্যায় প্রাথমিক পর্যায়ে এই ফুট মাস্ক ব্যবহার করে দ্রুত উপকার পাওয়া যেতে পারে।

উপকরণ: ফুট মাস্কের জন্য আপনার লাগবে নুন, লেবুর রস, গ্লিসারিন, গোলাপ পানি ও সামান্য উষ্ণ পানি।

পদ্ধতি: একটি বড় পাত্রে ২ লিটার সামান্য উষ্ণ গরম পানি নিয়ে তাতে ১ চামচ নুন, ১টি গোটা লেবুর রস, ১ কাপ গোলাপ পানি দিয়ে এতে অন্তত ১০-১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর খসখসে কিছু একটা দিয়ে যেমন, পেডিকিউরের পিউমিস স্টোন দিয়ে পায়ের গোড়ালি ভাল করে ঘষে শক্ত, মোটা ও মরা চামড়া তুলে পা ধুয়ে ফেলুন।

এরপর ১ চামচ লেবুর রস, ১ চামচ গ্লিসারিন ও ১ চামচ গোলাপ পানি মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে পায়ে লাগান। এভাবে সারা রাত রেখে দিন। সকালে উঠে সামান্য উষ্ণ গরম পানি দিয়ে পা ভাল করে ধুয়ে ফেলুন।

শীতেও সুস্থ উজ্জ্বল ত্বক
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শুরু হয়েছে শীতের আমেজ। নিঃসন্দেহে এই আবহাওয়াটা বেশ উপভোগ্য হলেও ত্বকের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে শীত। ঠাণ্ডায় ত্বক-ঠোঁটে টান ধরে এবং চির ফাটলও ধরে। কারণ এ সময়ে ত্বক বড় বেশি শুষ্ক থাকে। তাই নিয়মিত যত্ন না নিলে একেবারে নির্জীব এবং বয়স্ক ছাপ পড়ে যায়।

শীতে অভ্যাসে পরিবর্তন আনা জরুরি। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে সাধারণ কিছু নিয়ম মেনে চললেই শীতের ক্ষতি থেকে আপনার ত্বক বাঁচবে, এর সঙ্গে থাকবে উজ্জ্বলও। এবার সে সম্পর্কে জানা যাক...

১. শীত যতই হোক গরম পানি দিয়ে গোসল করা উচিত নয়। তবে ঠান্ডা পানির মধ্যে একটু গরম পানি মিশিয়ে পানির ঠান্ডা ভাবটা কাটিয়ে নেয়া যেতে পারে। ঈষদুষ্ণ পানিতে গোসল করা ভাল। এতে ত্বকের স্বাভাবিক তেলের মাত্রা বজায় থাকে।

২. গোসলের আগে ভাল করে তেল মেখে নেওয়া ভালো। অলিভ অয়েল মাখতে পারেন। সরিষার তেল বা নারকেল তেল হলেও সমস্যা নেই। তেল মাখার পর মিনিট দশেক অপেক্ষা করুন। তেল গায়ে বসলে তারপর গোসল করে ফেলুন।

৩. গোসল করতে মন না চাইলে বা বেশি ঠান্ডা লাগলে ঈষদুষ্ণ পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে ভাল করে শরীর মুছে নিতে পারেন।

৪. যারা তেল মাখতে পছন্দ করেন না তাদের জন্যও সমস্যা নেই। তারা গোসলের পর ভালো করে ময়েশ্চারাইজার লাগাতে পারেন।

৫. গরমকালের মতো শীতেও সানস্ত্রিন ব্যবহার করা যেতে পারে। কারণ, শীতের দুপুরেও রোদের তেজ অনেক বেশি থাকে।

৬. শীতে প্রকৃতিও বড় বেশি রুক্ষ। বাতাসে আর্দ্রতা একেবারেই কমে যায়। ফলে ধুলো ওড়ে। ত্বক ময়লা হয় বেশি। ডিপ ক্লিনজার দিয়ে দিনে দু’বার ত্বক পরিষ্কার করুন।

৭. সারাদিন বাইরে কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। ত্বকের আলাদা করে যতœ নেয়ার সময় হয়ে ওঠে না। তাহলে কাজ থেকে বাড়ি ফিরে ভাল করে মুখ পরিষ্কার করে গোলাপজল দিয়ে ধুয়ে নিন। এবার ভাল কোনো ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। ত্বকও সারা দিনের ক্লান্তি কাটিয়ে আবার উজ্জ্বলতা ফিরে পাবে।

৮. রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে হাত-পা ভালো করে পরিষ্কার করে ময়েশ্চারাইজার লাগান।

৯. শীতকালে পানি খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। এতে শরীর ড্রাই হয়ে যায়। ত্বকে এর প্রভাব পড়ে খুব বেশি। শীতকালেও বেশি করে পানি খেতে হবে।

১০. শীতকালে মাস্ক লাগালে ত্বক টানটান, মসৃণ ও নরম থাকে। এক্ষেত্রে অলিভ অয়েল, কলা, দই ও এসেনশিয়াল অয়েল দিয়ে বাড়িতেই মাস্ক তৈরি করে নিতে পারেন।

১১. শীতে ত্বকে মৃত কোষ বাড়ে। সে জন্য নিয়মিত এক্সফোলিয়েশন করাও দরকার। মুসুর ডাল বাটা বা বেসন দিয়ে স্ক্রাব করতে পারেন।

১২. আপনার ত্বক তৈলাক্ত মানে এই নয় যে, শীতের দিনেও ত্বক তেলতেলে থাকবে। ঠিকমতো যতœ না নিলে তৈলাক্ত ত্বকও রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। এ জন্য মুখে ব্রণ বা কালো ভাব দেখা দিতে পারে। তাই শীতেও তৈলাক্ত ত্বকের জন্য দরকার বাড়তি যত্ন। এ ধরনের ত্বকে ব্ল্যাকহেডস, হোয়াইট হেডসের সমস্যা থাকে। শীত কালে যা প্রকট হয়। তাই এ সময়ে নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

১৩. শীতকালে ঠোঁট ফেটে যাওয়াটা আরও একটা বড় সমস্যা। ঠোঁটে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগাতে পারেন। গ্লসি লিপস্টিক লাগালেও ঠোঁট নরম থাকে। ঘুমোতে যাওয়ার আগে লিপবামও ব্যবহার করা যায়।

এসব নিয়ম মেনে চলুন এবং ত্বক নিয়ে চিন্তা না করে শীতের মজা নিন।

শীতকালে অ্যালার্জি ও অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণের উপায়
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : শীতকালে অ্যাজমা ও আলার্জি রোগীদের বাড়তি সতর্ক থাকতে হয়। কেননা, অন্য মৌসুমের তুলনায় শীতকালে এসব রোগীদের বেশি ভুগতে হয়।

দ্য আমেরিকান কলেজ অব অ্যালার্জি, অ্যাজমা অ্যান্ড ইমিউনোলজি (এসিএএআই) শীতে অ্যালার্জি ও অ্যাজমার প্রকোপ থেকে বাঁচতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছে।

ফ্লুর টিকা নিন : অ্যাজমা থাকলে আপনার জন্য এ পরামর্শটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হচ্ছে, অ্যাজমা ও ফ্লু উভয়েই শ্বাসতন্ত্রের রোগ। অ্যাজমা রোগীদের ফ্লু হলে তারা ঘনঘন তীব্র অ্যাজমা অ্যাটাকে আক্রান্ত হতে পারেন, এমনকি জীবননাশক জটিলতাও তৈরি হতে পারে।

ফায়ারপ্লেস থেকে দূরে থাকুন : শীতকালে ঠান্ডা তাড়াতে অনেকে বাইরের উন্মুক্ত স্থানে বিভিন্ন জিনিস বা আবর্জনা একত্রিত করে আগুন জ্বালিয়ে থাকেন। কিন্তু এ ধরনের ফায়ারপ্লেস অ্যাজমা রোগীদের জন্য ভালো নয়। অগ্নিকূণ্ডের ধোঁয়া অ্যাজমা অ্যাটাকের কারণ হতে পারে।

হাত ধোয়ার প্রবণতা বজায় রাখুন : আপনার নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস থাকলে ভালো, কিন্তু না থাকলে বাইরে থেকে ঘরে আসামাত্র হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এ অভ্যাসে কোল্ড ও ফ্লুর ভাইরাস দূর হয়ে যায়। এসব ভাইরাস অ্যাজমা ও অ্যালার্জির উপসর্গকে আরো খারাপ করে। নিয়মিত সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধোয়া হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি, যা আপনাকে বিভিন্ন মারাত্মক ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারে।

নিয়মিত ঘর পরিষ্কার করুন : এটা ঠিক যে শীতকালে বাইরের চেয়ে ঘরের অ্যালার্জেন দ্বারা অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি। এ কারণে আপনার অথবা পরিবারের কোনো সদস্যের অ্যালার্জি থাকলে প্রতিদিন ঘর পরিষ্কার করার ব্যাপারে মনোযোগী হতে হবে। ডাস্ট মাইটের (ধুলোর কীট) মতো অ্যালার্জেন দূর করতে নিয়মিত ম্যাট্রেস ও বিছানা পরিষ্কার করতে হবে। ঘরের বেসমেন্ট ও বাথরুমের স্যাঁতসেতে জায়গায় ছত্রাকের বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পোষা প্রাণীর শরীর থেকে খসে পড়া আঁইশ, লালা ও মূত্রের একটি প্রোটিন অ্যালার্জিতে ভোগায় বলে শীতকালে এগুলোর সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে।

ফার্নেস ফিল্টার ব্যবহার করুন : ফার্নেস ফিল্টার ঘরের বাতাসের মান নিয়ন্ত্রণ রাখতে সহায়তা করে। ডিভাইসটি ঘরের ভেতরের অনাকাঙ্ক্ষিত নোংরা বা ধুলো দূর করে এগুলোর রিসার্কুলেটিং প্রতিরোধ করে। ঘরের বাতাস থেকে নোংরা বা ধুলোর পরিমাণ কমলে অ্যালার্জির প্রবণতাও কমে যায়। আপনার ঘরের বাতাস থেকে অ্যালার্জেন দূর করতে এমইআরভি-১১ বা ১২ ফিল্টার বেছে নিন। প্রতি এক থেকে তিন মাসে ফার্নেস ফিল্টার পরিবর্তন করা ভালো।

চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন : ঠিক কি কারণে আপনাকে অ্যালার্জি ও অ্যাজমার উপসর্গে ভুগতে হচ্ছে জানতে অ্যালার্জি বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে পারেন। টেস্টের মাধ্যমে চিকিৎসক ভোগান্তির প্রকৃত কারণ শনাক্ত করতে পারেন এবং এ সমস্যা থেকে আপনাকে মুক্তি দিতে সঠিক চিকিৎসা করতে পারেন।

শীতে চুলের রুক্ষতা দূর করার উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শীতে ত্বকের সঙ্গে চুলও রুক্ষ হয়। আবহাওয়ার শুষ্কতা, বাতাসে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি কম ইত্যাদি কারণে চুলের গোড়া রুক্ষ হয় ও ফেটে যায় সহজে। এই সমস্যা কেবল লম্বা চুলের মানুষদের ক্ষেত্রেই ঘটে তা নয়, শীতে চুল পড়া বা রুক্ষ হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন কম-বেশি অনেকেই।

মূলত ঠাণ্ডা আবহাওয়া ও শীতে কিছুটা যত্নের অভাবেই চুলের এমন দফারফা অবস্থা হয়। শীতের সময় নিয়ম মেনে শ্যাম্পু বা চুলের যত্নে অনীহা দেখা যায় অনেকের মধ্যেই। আর তাতেই সমস্যার সূত্রপাত।

শীতে চুলের মসৃণতা ধরে রাখতে অনেকে বিভিন্ন ধরনের হেয়ার মিস্ট ব্যবহার করেন। তবে বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির হেয়ার মিস্ট চুলের ক্ষতি করতে পারে। এজন্য খুব সহজে বাড়িতেই তৈরি করতে পারেন শীতের স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য হেয়ার মিস্ট।

একবার তৈরি করে নিলে একটানা চার-পাঁচ দিন চুলের যত্নে এই মিস্ট ব্যবহার করতে পারবেন। চলুন দেখে নেয়া যাক মিস্ট তৈরির উপাদান ও পদ্ধতি সম্পর্কে।

গ্রিন টি মিস্ট : এই মিস্টের প্রধান উপকরণ চা পাতা। চায়ের লিকার এমনিতেই চুলের সেরা কন্ডিশনার। তাই চুলের রুক্ষতা দূর করার পাশাপাশি এই মিস্ট চুলকে নরম করে। আধ কাপ গ্রিন টি, এক কাপ পানি, দু’ফোঁটা পিপারমিন্ট অয়েল, এক চা চামচ টি ট্রি অয়েল ও এক চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে ভাল করে ব্লেন্ড করে একটি পুরনো শ্যাম্পুর স্প্রে বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন।

টি ট্রি অয়েল অ্যান্টিফাঙ্গাল হওয়ায় খুশকির সমস্যাও দূরে থাকে। নারকেল তেল চুলে পুষ্টিগুণের জোগান দেবে। প্রতিদিন গোসলের পর মিস্ট লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ভাল করে চুল ধুয়ে নিলেই চুলের লাবণ্য ও আর্দ্রতা বজায় থাকবে।

অ্যালোভেরা মিস্ট : ঘন ঘন চুলে আর্দ্রতা কমে গেলে ভরসা রাখতে পারেন অ্যালোভেরা মিস্টে। আধা কাপ অ্যালোভেরা রস, এক কাপ পানি, এক চা চামচ জোজোবা অয়েল ও এক চা চামচ নারকেল তেলেই এই মিস্ট বাজিমাত করবে। এই মিশ্রণ শ্যাম্পুর বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। প্রতি দিন গোসলের পর মিস্ট লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ভাল করে চুল ধুয়ে নিন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন ব্যবহার করুন।

শীতে খুশকি দূর করুন ঘরোয়া উপায়ে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : প্রকৃতিতে শীতের হাওয়া লেগে গেছে। এই সময়ে ত্বকের বিশেষ যতœ নিতে হয়। চুলেরও আলাদা করে যতœ নিতে হয়। না হয় ত্বক রুক্ষ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি চুলেও খুশকি দেখা দেয়।

শীতকালের শুষ্ক আবহাওয়ার কারণেই চুলে খুশকির সমস্যা দেখা দেয়। পাশাপাশি অতিরিক্ত দূষণের ফলেও মোটামুটি সারা বছর এ সমস্যা লেগেই থাকে।

অত্যধিক চুল ঝরা, রুক্ষ চুল, বিভিন্ন ধরনের স্ক্যাল্প ইনফেকশনের জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দায়ী এ খুশকি। তাই খুশকির সমস্যার সমাধানে সঠিক সময়ে তৎপর না হলে মাথা ভরা চুল ঝরে গিয়ে অল্পদিনের মধ্যেই তালু হয়ে যেতে পারে।

খুশকির সমস্যা থেকে বাঁচতে আমরা নানা উপাদান ব্যবহার করে থাকি। এসবের কোনোটা উপকারী আবার কোনোটা চুলের বারোটা বাজিয়ে ছাড়ে।

ঘরোয়া কিছু উপায় অবলম্বন করেও খুশকির সমস্যার সমাধান করা যায়। এগুলোর খরচও কম। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে। আসুন জেনে নিই চিকিৎসা ছাড়াই খুশকির সমস্যার সমাধান করার কয়েকটি উপায়।

খুশকি তাড়াবে টকদই : খুশকির সমস্যা থেকে বাচঁতে টকদই অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। খুশকি দূর করতে মাথার ত্বকে টকদই দিয়ে ভালোভাবে মালিশ করুন। এরপর মিনিট দশেক রেখে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। খুশকির সমস্যা পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত সপ্তাহে অন্তত দু’বার এই ভাবে চুলে টকদই ব্যবহার করুন।

ভালো ফল দেয় মেথি : ২-৩ চামচ মেথি সারারাত জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেঁকে নিয়ে ভাল করে বেটে নিন। ছেঁকে নেওয়া জল ফেলে দেবেন না। এবার মেথি বাটা চুলের গোঁড়ায় মাথার ত্বকে ভাল করে লাগিয়ে নিয়ে ঘণ্টা খানেক রেখে দিন। এরপর শুকিয়ে গেলে চুল ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। চুল ধোয়ার পর মেথি ভেজানো জল দিয়ে আরও একবার চুল ধুয়ে নিন। এভাবে সপ্তাহে দু’বার মেথি ব্যবহার করলে খুশকির সমস্যা দ্রুত দূর হবে।

সহজলভ্য লেবুর রস : ২ চামচ পাতি লেবুর রস সামান্য জলের সঙ্গে মিশিয়ে মাথার ত্বকে ভালভাবে মালিশ করুন। মিনিট পাঁচেক চুলের গোড়ায় ভালভাবে মালিশ করার পর চুল ধুয়ে নিন। খুশকির সমস্যা পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত সপ্তাহে অন্তত ২ বার এই ভাবে পাতি লেবু ব্যবহার করুন।

নারকেল তেলে খুশকি দূর : নারকেল তেল চুলের যেকোনো সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে একটি অপরিহার্য উপাদান। খুশকির প্রকোপ কমাতেও এটি অত্যন্ত কার্যকর। এছাড়া চুলে গোড়ার আদ্রতা বজায় রেখে খুশকি এবং ‘স্ক্যাল্প ইনফেকশন’ এর আশঙ্কাও অনেকটাই কমিয়ে দেয় নারকেল তেল। সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার চুলের গোড়ায় সামান্য উষ্ণ নারকেল তেলের মালিশ করলে ফল পাবেন হাতেনাতে।

কার্যকরী পেঁয়াজের রস : ২টি পেঁয়াজ ভাল করে বেটে এক মগ জলে মিশিয়ে নিন। এবার পেঁয়াজের রস মেশানো ওই জল মাথায় লাগিয়ে ভাল করে মালিশ করুন। কিছু ক্ষণ পর উষ্ণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার পেঁয়াজের রস মাথার ত্বকে মাখলে খুশকির সমস্যায় দ্রুত উপকার পাবেন।


   Page 1 of 20
     জীবনশৈলী
রমজানে সুস্থ থাকুন
.............................................................................................
ঘরে বসেই নিন ত্বকের যত্ন
.............................................................................................
শবে বরাতে নানা স্বাদের হালুয়া
.............................................................................................
বাড়িতে বসেই শরীরের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করুন
.............................................................................................
শিশুর মেধা বাড়াতে পাঁচ খাবার
.............................................................................................
লিভার ভালো রাখবে যে ১০ খাবার
.............................................................................................
ভালোবেসে দিই উপহার
.............................................................................................
কর্মশক্তি যোগাবে সকালের ছোট অভ্যাস
.............................................................................................
ঠান্ডায় নাক বন্ধ হলে করণীয়
.............................................................................................
যেসব অভ্যাসে বাড়ে মাইগ্রেনের ব্যথা
.............................................................................................
শীতে পানি কম খেলে বিপদ!
.............................................................................................
শীতে পা ফাটা রোধ করার সহজ উপায়
.............................................................................................
শীতেও সুস্থ উজ্জ্বল ত্বক
.............................................................................................
শীতকালে অ্যালার্জি ও অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণের উপায়
.............................................................................................
শীতে চুলের রুক্ষতা দূর করার উপায়
.............................................................................................
শীতে খুশকি দূর করুন ঘরোয়া উপায়ে
.............................................................................................
ঝলমলে চুল পাওয়ার উপায়
.............................................................................................
চুলের যত্নে জেনে নিন
.............................................................................................
ত্বকের যত্নে দুধের ব্যবহার
.............................................................................................
প্রতিদিন কতটুকু লবণ খাওয়া যাবে?
.............................................................................................
সম্পর্ক সুন্দর রাখতে চুমু তুলনাহীন
.............................................................................................
রান্নাঘরের উপকরণেই ত্বক হবে উজ্জ্বল
.............................................................................................
অ্যাসিডিটি দূর করার উপায়
.............................................................................................
চা কতটুকু পান করা উচিত?
.............................................................................................
নিজেই যখন সমস্যার কারণ
.............................................................................................
বর্ষায় পায়ের যত্ন
.............................................................................................
খুশকি থেকে বাঁচার উপায়
.............................................................................................
প্রাকৃতিক উপাদানে ঠোঁটের যত্ন নিন
.............................................................................................
মায়েদের জন্য উপকারী খাবার
.............................................................................................
সহজেই দূর করুন ঠোঁটের কালচে দাগ
.............................................................................................
বর্ষায় ত্বক সুস্থ রাখতে করনীয়
.............................................................................................
ঘুমের অভ্যাস ঠিক করতে করণীয়
.............................................................................................
সহজে ঘুমিয়ে পড়ার কিছু উপায়
.............................................................................................
অ্যালার্জি থেকে বাঁচতে করনীয়
.............................................................................................
আজ ভালোবাসার দিন
.............................................................................................
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আদা
.............................................................................................
মাত্র ১ টি এলাচ খেয়ে সুস্থ্য থাকুন
.............................................................................................
ক্যান্সারকে গুডবাই জানান মাত্র দুটি উপায়ে
.............................................................................................
মুগ ডালে উজ্জ্বল ত্বক
.............................................................................................
যেসব খাবার দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়
.............................................................................................
ঈদ উৎসবে সাজবে ঘর
.............................................................................................
ঈদের আগেই ঝলমলে সুন্দর চুল
.............................................................................................
ইফতারে কেন ছোলা খাবেন?
.............................................................................................
ওজন বাড়ায় না সাদা মাখন
.............................................................................................
তরমুজ খেলে হতে পারে যেসব সমস্যা
.............................................................................................
ঢেঁড়সের উপকারিতা
.............................................................................................
মোবাইল ফোনের আলো থেকে ক্যান্সার!
.............................................................................................
চাকরি ক্ষেত্রে দরকার...
.............................................................................................
এই গরমে উপকারী শসা
.............................................................................................
বৈশাখী সাজে ত্বকের যত্ন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft