শনিবার, 16 ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   জীবনশৈলী -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
আজ ভালোবাসার দিন

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : দু’টি অনুভূতিপ্রবণ সতৃষ্ণ হৃদয়ের অব্যক্ত বিরহ এক সুরে কম্পোজিশনের নাম ভালোবাসা। গানে যেমন বলা হয়েছে- ধরিয়া রাখিও সোহাগে আদরে আমার মুখর পাখি তোমার প্রাসাদ-প্রাঙ্গণে।.. আদরে সোহাগে স্বপ্নের মতো দিন কাটানোর নাম ভালোবাসা, যাতে প্রিয় মানুষকে উদ্দেশ করে বারবার বলা হয়- মনে ক’রে সখী বাঁধিয়া রাখিও আমার হাতের রাখী- তোমার কনক-কঙ্কণে।

..প্রিয়জনকে কনক-কঙ্কণে বেঁধে প্রতীক্ষার ছায়া হয়ে থাকা আর তাকে মন দিয়ে- নিজ হাতে ছুঁয়ে দেওয়ার নামই তো ভালোবাসা। এক অনন্য আবেশের মৌতাতে আবিষ্ট থাকার নামই তো ভালোবাসা। হিয়ার পরশে চমকে ওঠার অনুভূতির নাম ভালোবাসা। প্রখর রোদে হিমেল হাওয়ায় শীতল হওয়ার নামই ভালোবাসা। আজ সেই অনন্য অনুভূতিকে প্রাণভরে আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করার দিন। আজ সেন্ট  ভ্যালেন্টাইস স্মরণে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস, হ্যাপী ভ্যালেন্টাইনস ডে।
পাহাড়সম ব্যস্ততা আর কাজের বাধা পেরিয়ে প্রিয়ার চোখে চোখ রেখে আজ বলতে হবে- শুধু তোমাকেই, হ্যাঁ- শুধু তোমাকেই ভালোবাসি। আজ-কাল-পরশু.. শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত শুধু তোমাকেই ভালোবাসতে চাই। জন্ম-জন্মান্তরের ভালোবাসার কথা- এ জন্মের দূরত্বটা পরের জন্মে চুকিয়ে দেব..এই জন্মের চুলের গন্ধ পরের জন্মে থাকে যেন, এই জন্মের মাতাল চাওয়া পরের জন্মে থাকে যেন..মনে থাকবে?

তুর্কি কবি নাজিম হিকমত তার জেলখানার চিঠিতে  জীবনের শেষ সময়ের কথা উল্লেখ করে সার্থকভাবেই লিখেছিলেন- নতজানু হয়ে আমি চেয়ে আছি মাটির দিকে, উজ্জ্বল নীল ফুলের মঞ্জরিত শাখার দিকে আমি তাকিয়ে, তুমি যেন মৃন্ময়ী বসন্ত- আমার প্রিয়তমা, আমি তোমার দিকে তাকিয়ে।

তারুণ্যের অনাবিল আনন্দ আর বিশুদ্ধ উচ্ছ্বাসে সারাবিশ্বের মতো আমাদের তরুণ সম্প্রদায় উদযাপন করছে ভালোবাসা দিবস। ভালোবাসার উৎসবে মুখর আজ রাজধানী। এ উৎসবের ছোঁয়া লেগেছে  গ্রামবাংলার জনজীবনেও। মুঠোফোনের খুদেবার্তা, ই-মেইল অথবা অনলাইনের চ্যাটিংয়ে বিন্দু বিন্দু কথামালা সম্মুখে দাঁড়িয়ে পরিণত হচ্ছে ভালোবাসার কথামালার সিন্ধুতে। নীল খামে হালকা লিপস্টিকের দাগ, একটা গোলাপ ফুল, চকলেট-ক্যান্ডি, ছোট্ট চিরকুট আর তাতে দু’ছত্র পদ্য হয়ে উঠতে পারে আজকের দিনের উপহার। আর ফুল তো রয়েছেই, রক্তরাঙা গোলাপ.. কত না হাজার ফুল। তবে ভালোবাসার দিনটি শুধুই প্রেমিক-প্রেমিকার জন্য নয়। মা-বাবা, স্বামী-স্ত্রী, ভাইবোন, প্রিয় সন্তান, এমনকি বন্ধুর জন্যও ভালোবাসার জয়গানে আপ্লুত হতে পারি আমরা সবাই।

ইতিহাসের তথ্যে দুটি প্রাচীন রোমান প্রথা থেকে এ উৎসবের সূত্রপাত। এক খ্রিষ্টান পাদ্রি ও চিকিৎসক ফাদার সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের নামানুসারে দিনটির নাম ‘সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস ডে’ করা হয়। ২৭০ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি খ্রিষ্টানবিরোধী রোমান সম্রাট গথিকাস আহত সেনাদের চিকিৎসার অপরাধে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে মৃত্যুদ- দেন। মৃত্যুর আগে ফাদার ভ্যালেন্টাইন তার আদরের একমাত্র মেয়েকে একটি ছোট্ট চিঠি লেখেন, যেখানে তিনি নাম সই করেছিলেন ‘ফ্রম ইয়োর ভ্যালেন্টাইন’।

সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের মেয়ে এবং তার প্রেমিক মিলে পরের বছর থেকে বাবার মৃত্যুর দিনটিকে ভ্যালেন্টাইনস ডে হিসেবে পালন করা শুরু করেন। যুদ্ধে আহত মানুষকে সেবার অপরাধে মৃত্যুদ-ে দ-িত সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে ভালোবেসে দিনটি বিশেষভাবে পালন করার রীতি ক্রমে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। ভ্যালেন্টাইনস ডে সার্বজনীন হয়ে ওঠে আরও পরে প্রায় ৪০০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে। দিনটি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাওয়ার পেছনে রয়েছে আরও একটি কারণ।

সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যুর আগে প্রতিবছর রোমানরা ১৪ ফেব্রুয়ারি পালন করত ‘জুনো’ উৎসব। রোমান পুরাণের বিয়ে ও সন্তানের দেবী জুনোর নামানুসারে এর নামকরণ। এদিন অবিবাহিত তরুণরা কাগজে নাম লিখে লটারির মাধ্যমে তার নাচের সঙ্গীকে বেছে নিত। ৪০০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে রোমানরা যখন খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীতে পরিণত হয়, তখন ‘জুনো’ উৎসব আর সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের আত্মত্যাগের দিনটি একই সূত্রে গেঁথে ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ হিসেবে উদযাপন শুরু হয়। কালক্রমে এটি সমগ্র ইউরোপ এবং ইউরোপ থেকে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

বাংলাদেশে ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ প্রচলন করে অধূণালুপ্ত জনপ্রিয় সাপ্তাহিক পত্রিকা যায়যায়দিন। এর স্বনামখ্যাত সম্পাদক শফিক রেহমান এর ব্যক্তিগত প্রষ্টোয় উৎসাহী তরুণ-তরুণীদের অংশগ্রহনে ধীরে ধীরে দিবসটির উদযাপন জনপ্রিয় হতে হতে এখন গোটা দেশে অনাবিল আনন্দের এক অন্যতম উৎসে পরিণত হয়েছে। চিয়ার্স - মি. রেহমান, আজ শুভ কামনা আপনার জন্যও ।

আজ ভালোবাসার দিন
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : দু’টি অনুভূতিপ্রবণ সতৃষ্ণ হৃদয়ের অব্যক্ত বিরহ এক সুরে কম্পোজিশনের নাম ভালোবাসা। গানে যেমন বলা হয়েছে- ধরিয়া রাখিও সোহাগে আদরে আমার মুখর পাখি তোমার প্রাসাদ-প্রাঙ্গণে।.. আদরে সোহাগে স্বপ্নের মতো দিন কাটানোর নাম ভালোবাসা, যাতে প্রিয় মানুষকে উদ্দেশ করে বারবার বলা হয়- মনে ক’রে সখী বাঁধিয়া রাখিও আমার হাতের রাখী- তোমার কনক-কঙ্কণে।

..প্রিয়জনকে কনক-কঙ্কণে বেঁধে প্রতীক্ষার ছায়া হয়ে থাকা আর তাকে মন দিয়ে- নিজ হাতে ছুঁয়ে দেওয়ার নামই তো ভালোবাসা। এক অনন্য আবেশের মৌতাতে আবিষ্ট থাকার নামই তো ভালোবাসা। হিয়ার পরশে চমকে ওঠার অনুভূতির নাম ভালোবাসা। প্রখর রোদে হিমেল হাওয়ায় শীতল হওয়ার নামই ভালোবাসা। আজ সেই অনন্য অনুভূতিকে প্রাণভরে আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করার দিন। আজ সেন্ট  ভ্যালেন্টাইস স্মরণে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস, হ্যাপী ভ্যালেন্টাইনস ডে।
পাহাড়সম ব্যস্ততা আর কাজের বাধা পেরিয়ে প্রিয়ার চোখে চোখ রেখে আজ বলতে হবে- শুধু তোমাকেই, হ্যাঁ- শুধু তোমাকেই ভালোবাসি। আজ-কাল-পরশু.. শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত শুধু তোমাকেই ভালোবাসতে চাই। জন্ম-জন্মান্তরের ভালোবাসার কথা- এ জন্মের দূরত্বটা পরের জন্মে চুকিয়ে দেব..এই জন্মের চুলের গন্ধ পরের জন্মে থাকে যেন, এই জন্মের মাতাল চাওয়া পরের জন্মে থাকে যেন..মনে থাকবে?

তুর্কি কবি নাজিম হিকমত তার জেলখানার চিঠিতে  জীবনের শেষ সময়ের কথা উল্লেখ করে সার্থকভাবেই লিখেছিলেন- নতজানু হয়ে আমি চেয়ে আছি মাটির দিকে, উজ্জ্বল নীল ফুলের মঞ্জরিত শাখার দিকে আমি তাকিয়ে, তুমি যেন মৃন্ময়ী বসন্ত- আমার প্রিয়তমা, আমি তোমার দিকে তাকিয়ে।

তারুণ্যের অনাবিল আনন্দ আর বিশুদ্ধ উচ্ছ্বাসে সারাবিশ্বের মতো আমাদের তরুণ সম্প্রদায় উদযাপন করছে ভালোবাসা দিবস। ভালোবাসার উৎসবে মুখর আজ রাজধানী। এ উৎসবের ছোঁয়া লেগেছে  গ্রামবাংলার জনজীবনেও। মুঠোফোনের খুদেবার্তা, ই-মেইল অথবা অনলাইনের চ্যাটিংয়ে বিন্দু বিন্দু কথামালা সম্মুখে দাঁড়িয়ে পরিণত হচ্ছে ভালোবাসার কথামালার সিন্ধুতে। নীল খামে হালকা লিপস্টিকের দাগ, একটা গোলাপ ফুল, চকলেট-ক্যান্ডি, ছোট্ট চিরকুট আর তাতে দু’ছত্র পদ্য হয়ে উঠতে পারে আজকের দিনের উপহার। আর ফুল তো রয়েছেই, রক্তরাঙা গোলাপ.. কত না হাজার ফুল। তবে ভালোবাসার দিনটি শুধুই প্রেমিক-প্রেমিকার জন্য নয়। মা-বাবা, স্বামী-স্ত্রী, ভাইবোন, প্রিয় সন্তান, এমনকি বন্ধুর জন্যও ভালোবাসার জয়গানে আপ্লুত হতে পারি আমরা সবাই।

ইতিহাসের তথ্যে দুটি প্রাচীন রোমান প্রথা থেকে এ উৎসবের সূত্রপাত। এক খ্রিষ্টান পাদ্রি ও চিকিৎসক ফাদার সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের নামানুসারে দিনটির নাম ‘সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস ডে’ করা হয়। ২৭০ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি খ্রিষ্টানবিরোধী রোমান সম্রাট গথিকাস আহত সেনাদের চিকিৎসার অপরাধে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে মৃত্যুদ- দেন। মৃত্যুর আগে ফাদার ভ্যালেন্টাইন তার আদরের একমাত্র মেয়েকে একটি ছোট্ট চিঠি লেখেন, যেখানে তিনি নাম সই করেছিলেন ‘ফ্রম ইয়োর ভ্যালেন্টাইন’।

সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের মেয়ে এবং তার প্রেমিক মিলে পরের বছর থেকে বাবার মৃত্যুর দিনটিকে ভ্যালেন্টাইনস ডে হিসেবে পালন করা শুরু করেন। যুদ্ধে আহত মানুষকে সেবার অপরাধে মৃত্যুদ-ে দ-িত সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে ভালোবেসে দিনটি বিশেষভাবে পালন করার রীতি ক্রমে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। ভ্যালেন্টাইনস ডে সার্বজনীন হয়ে ওঠে আরও পরে প্রায় ৪০০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে। দিনটি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাওয়ার পেছনে রয়েছে আরও একটি কারণ।

সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যুর আগে প্রতিবছর রোমানরা ১৪ ফেব্রুয়ারি পালন করত ‘জুনো’ উৎসব। রোমান পুরাণের বিয়ে ও সন্তানের দেবী জুনোর নামানুসারে এর নামকরণ। এদিন অবিবাহিত তরুণরা কাগজে নাম লিখে লটারির মাধ্যমে তার নাচের সঙ্গীকে বেছে নিত। ৪০০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে রোমানরা যখন খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীতে পরিণত হয়, তখন ‘জুনো’ উৎসব আর সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের আত্মত্যাগের দিনটি একই সূত্রে গেঁথে ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ হিসেবে উদযাপন শুরু হয়। কালক্রমে এটি সমগ্র ইউরোপ এবং ইউরোপ থেকে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

বাংলাদেশে ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ প্রচলন করে অধূণালুপ্ত জনপ্রিয় সাপ্তাহিক পত্রিকা যায়যায়দিন। এর স্বনামখ্যাত সম্পাদক শফিক রেহমান এর ব্যক্তিগত প্রষ্টোয় উৎসাহী তরুণ-তরুণীদের অংশগ্রহনে ধীরে ধীরে দিবসটির উদযাপন জনপ্রিয় হতে হতে এখন গোটা দেশে অনাবিল আনন্দের এক অন্যতম উৎসে পরিণত হয়েছে। চিয়ার্স - মি. রেহমান, আজ শুভ কামনা আপনার জন্যও ।

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আদা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: আদা সর্দি-কাশি সারাতে দারুন কাজ করে এটা অনেকেরই জানা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদায় এমন সব ঔষধি গুণ রয়েছে যা একাধিক রোগ-ব্যাধি মোকাবেলায় সাহায্য করে। প্রতি ১০০ গ্রাম আদায় ৮০ ক্যালরি এনার্জি, ১৭ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ০.৭৫ গ্রাম ফ্যাট, ৪১৫ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম এবং ৩৪ মিলিগ্রাম ফসফরাস রয়েছে। নিয়মিত আদা খেলে যেসব সমস্যা দুর করা যায়-

১. হজমের সমস্যা, বুক জ্বালা কিংবা গ্যাস কমানোর জন্য আদা অত্যন্ত কার্যকরী।

২. শরীরের নানা ধরনের ব্যথা নিরাময়ে আদা দারুনভাবে প্রভাব ফেলে। আদার রসে থাকা জিঞ্জেরল ব্যথার অসুখের মতোই কাজ করে।

৩. মার্কিন গবেষকরা বলছেন, আর্থ্রাইটিস সমস্যা কমাতেও আদা কার্যকরী।  ৪. যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান ইউনিভার্সিটির গবেষকদের মতে, ক্যানসারের কোষগুলির অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি রুখে দিতে পারে আদার রস।

৪. মাইগ্রেনের সমস্যার নিরাময়েও আদা দারুনভাবে কাজ করে। এতে থাকা অ্যান্টিহিস্টামাইন, অ্যান্টিনসিয়া উপাদান মাথা-ধরার অস্বস্তি থেকে মুক্তি দেয়।

৫. ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও দারুন কার্যকরী আদা। এটি ক্যালরি পোড়াতে ভাল কাজ করে। তাছাড়া আদার রস কার্বোহাইড্রেট দ্রুত হজম করাতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে বিপাকক্রিয়া এবং ইনসুলিনের নিঃসরণ বাড়ায়। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে আদার বেশ ভূমিকা থাকে।

৬. ঠান্ডা-গরমে খুসখুসে কাশি বা সর্দির সমস্যা দূর করতে আদার রস খুবই কার্যকরী। খুসখুসে কাশিতে গলার ভেতরের অস্বস্তি কমাতে আদার জুড়ি নেই।

৭. একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যাকটেরিয়াজনিত যে কোনও সংক্রমণ ঠেকাতে আদার রস খুবই কার্যকরী।

৮. বমি বমি ভাব কমাতে আদার কুচি মুখে রাখলে উপকার পাওয়া যায়। সূত্র : জি নিউজ

মাত্র ১ টি এলাচ খেয়ে সুস্থ্য থাকুন
                                  

খাবার খেতে বসলে মুখে এলাচ চলে গেলে মুখের স্বাদটাই মাটি হয়ে যায় অনেকের। মনে মনে ভাবতে থাকেন এলাচ খাবারে না দিলেই কি নয়? কিন্তু সত্যিই এই এলাচ রান্নাতে না ব্যবহার করলেই নয়। কারণ রান্নার স্বাদ ও গন্ধ বাড়ানো এলাচের অন্যতম কাজ। কিন্তু আপনি জানেন কি রান্না ছাড়াও আপনি এলাচ খেলে তা আপনার ১০ টি শারীরিক সমস্যা দূরে রাখবে? অনেকেই হয়তো বিষয়টি জানেন না। কিন্তু প্রতিদিন মাত্র ১ টি এলাচ খাওয়ার অভ্যাস করেই দেখুন না, নানা রকম সমস্যার সমাধান পাবেন।

১) এলাচ এবং আদা সমগোত্রীয়। আদার মতোই পেটের নানা সমস্যা এবং হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এলাচ অনেক কার্যকরী। বুক জ্বালাপোড়া, বমি ভাব, পেট ফাঁপা, অ্যাসিডিটির হাত থেকে মুক্তি পেতে এলাচ মুখে দিন।

২) দেহের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে দিতে এলাচের জুড়ি নেই। এলাচের ডিউরেটিক উপাদান দেহের ক্ষতিকর টক্সিন পরিষ্কারে সহায়তা করে।

৩) রক্তনালীতে রক্ত জমে যাওয়ার সমস্যায় ভুগে থাকেন অনেকেই। এলাচের রক্ত পাতলা করার দারুণ গুনটি এই সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে। প্রতিদিন এলাচ খেলে রক্তের ঘনত্ব সঠিক থাকে।

৪) এলাচের ডিউরেটিক উপাদান উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কমিয়ে আনতে সক্ষম। দেহের বাড়তি ফ্লুইড দূর করে এলাচ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে সহায়তা করে।

৫) মুখে খুব বেশি দুর্গন্ধ হয়? একটি এলাচ নিয়ে চুষতে থাকুন। এলাচ মুখের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।

৬) নিয়মিত এলাচ খাওয়ার অভ্যাস মুখের দুর্গন্ধের পাশাপাশি মাড়ির ইনফেকশন, মুখের ফোঁড়া সহ দাঁত ও মাড়ির নানা সমস্যা থেকে রক্ষা করে।

৭) গবেষণায় দেখা যায় নিয়মিত এলাচ খাওয়ার অভ্যাস ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। এলাচ দেহে ক্যান্সারের কোষ গঠনে বাঁধা প্রদান করে থাকে।

৮) এলাচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকে বয়সের ছাপ, রিংকেল, ফ্রি র্যাহডিকেল ইত্যাদি পড়তে বাঁধা প্রদান করে। এলাচ ত্বকের ক্ষতি পূরণেও বেশ সহায়ক।

সূত্রঃ হেলথডাইজেস্ট

ক্যান্সারকে গুডবাই জানান মাত্র দুটি উপায়ে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞরা অভিমত ব্যক্ত করেছেন যে, মানুষের অবহেলার কারণে ক্যান্সার মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ওশ স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, মস্কো, রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন, ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি নয়, কিন্তু মানুষ এই রোগে মারা যায় শুধুমাত্র উদাসীনতার কারণে।

তার মতে, মাত্র দুটি উপায় অনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার। উপায়গুলো হচ্ছে:-
১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। কেননা, শরীরে চিনি না পেলে ক্যান্সার সেলগুলো এমনিতেই বা প্রাকৃতিকভাবেই বিনাশ হয়ে যাবে।

২. এরপর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার।

মেরিল্যান্ড কলেজ অব মেডিসিন- এর একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, কেমোথেরাপির চেয়ে এটি হাজার গুণ ভাল।

৩. প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিন চা চামচ অর্গানিক নারিকেল তেল খান, ক্যান্সার সেরে যাবে।

চিনি পরিহারের পর নিচের দুটি থেরাপির যেকোনো একটি গ্রহণ গ্রহণ করুন। ক্যান্সার আপনাকে ঘায়েল করতে পারবে না। তবে অবহেলা বা উদাসীনতার কোনো অজুহাত নেই।

উল্লেখ্য, ক্যান্সার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে ডা. গুপ্তপ্রসাদ গত পাঁচ বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এই তথ্যটি প্রচার করছেন।

সেই সঙ্গে তিনি সবাইকে অনুরোধ করেছেন এই তথ্যটি শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দেয়ার জন্য।

তিনি বলেছেন, “আমি আমার কাজটি করেছি। এখন আপনি শেয়ার করে আপনার কাজটি করুন এবং আশেপাশের মানুষকে ক্যান্সার থেকে রক্ষা করুন।” সূত্র: রেডিট

মুগ ডালে উজ্জ্বল ত্বক
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : সুন্দর থাকতে আমরা প্রাকৃতিক নানা উপাদানের ওপর নির্ভর করি। এর মধ্যে ডাল একটি, ত্বকের যতেœ মশুর ডাল আর  বেসনের কথাই বেশি শোনা যায়। তবে মুগ ডালও কিন্তু পিছিয়ে নেই।
আমাদের ত্বক উজ্জ্বল ও দাগহীন কোমল মসৃণ রাখতে মুগ ডালও  দারুণ কাজ করে।

জেনে নিন কীভাবে ব্যবহার করতে হয়:

শুষ্ক ত্বকে : আপনার মুখের শুষ্ক ত্বক নরম ও নমনীয় করতে মুগডাল সারারাত কাঁচা দুধে ভিজিয়ে ডালের পেস্ট করে ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ১৫ মিনিট প্যাকমুখে মাখতে হবে। তারপর মুখ ধুয়ে একটা নরম তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নিন।

ব্রণ দূর করতে :  মুগ ডালের একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি ত্বকে তেল ময়লা আটকে পড়তে দেয় না। ব্রণের সমস্যায় মুগ ডাল পেস্টের সঙ্গে ঘি মিশিয়ে আঙুলের ডগা দিয়ে ঘষে ঘষে সারা মুখে মেখে রাখুন। ১৫ মিনিট পরে মুখ ধুয়ে নিন। ফেসপ্যাকটি সপ্তাহে তিন দিন ব্যবহার করতে হবে।

মুখের লোম : অনেকেরই মুখে লোম থাকে, যদি লোম তুলতে কেমিক্যাল ব্লিচ ব্যবহার করেন, তা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর আর থ্রেডিং একটি কষ্টকরপদ্ধতি। এটা থেকে মুক্তি পেতে সারারাত ভিজিয়ে ডালের পেস্ট তৈরি করে সাথে কিছুটা চন্দন গুঁড়া ও কমলা লেবুর খোসা গুঁড়া মেশাতে হবে। প্রয়োজনে সামান্য দুধ মেশাতে পারেন। এই পেস্টটি কয়েক বার মুখে ম্যাসাজ করতে হবে। দুই- তিন বার ব্যবহারের পরই আপনি মুখে মুখের লোমের পরিমাণ কমতে থাকবে।

সান ট্যান : নিয়মিত রোদে বের হলে সান ট্যান(ত্বক রোদে পোড়া) সাধারণ ঘটনা। ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর ইউভি রশ্মির হাত থেকে রক্ষা করতে আস্থা রাখুন মুগ ডালে। ডাল পেস্টের সঙ্গে ঠা-া দই বা আলোভেরা জেল মেশান। তারপর সেই মিশ্রণ আক্রান্ত স্থানে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রাখুন। ১০ মিনিট পর ধুয়ে নিন। এটা সপ্তাহে ২ দিন করলেই উপকার পাবেন।

বুঝতেই পারছেন ত্বকের মোটামুটি সব সমস্যার সমাধানই আসতে পারে মুগ ডাল ব্যবহারে। ধৈর্য ধরে প্রাকৃতিক পণ্য ব্যবহার করুন, উজ্জ্বল ত্বকে সুন্দর থাকুন।

যেসব খাবার দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: প্রকৃতি কত সুন্দর তা দেখি আমরা চোখ দিয়ে। শুধু প্রকৃতি কেন চোখ না থাকলে আমরা কিছুই দেখতাম না। শরীরের অন্যতম প্রধান অঙ্গ চোখ তাই চোখের যতœ নেওয়া খুবই জরুরি। তথ্যপ্রযুক্তির এ যুগে কম্পিউটার কিংবা মোবাইল স্ক্রিনে অতিরিক্ত চোখ রাখার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমাদের দৃষ্টিশক্তি। চোখের যতœ না নেওয়া নিলে গ্লুকোমা, রাতকানা রোগ, চশমার পাওয়ার বেড়ে যাওয়া এবং চোখ শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। এজন্য ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া প্রয়োজন। যেসব খাবারে ভিটামিন এ পাওয়া যায়-

১. গাজরে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ থাকে। দিনে যতটুকু ভিটামিন এ প্রয়োজন তার প্রায় ২০০ শতাংশ বেশি ভিটামিনে এ থাকে একটি গাজরে। এছাড়া এতে ভিটামিন বি, কে, ফাইবার এবং ম্যাগনেশিয়ামও থাকে। ভিটামিন এ রাতকানা রোগ হতে রক্ষা করে।

২. পালং শাকেও প্রচুর ভিটামিন এ থাকে। পালং শাকে ভিটামিন এ’র পাশাপাশি  আয়রনও থাকে যা চোখ ভাল রাখতে সাহায্য করে। মাত্র এক কাপ পরিমাণ পালং শাকে ১০০ শতাংশ ভিটামিন এ থাকে।

৩. আমাদের অন্যতম প্রধান ফল আম দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এক কাপ পরিমাণে আমে ৩৫ শতাংশ ভিটামিন এ রয়েছে।

৪. পেঁপেতে নানা ধরনের পুষ্টি উপাদান ও খনিজ থাকে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং এনজাইম স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। দিনে যতটুকু ভিটামিন এ প্রয়োজন তার প্রায় ২৯ শতাংশ পাওয়া যায় পেঁপে থেকে।   

ঈদ উৎসবে সাজবে ঘর
                                  

শারমিন আক্তার : নিজেদের সাজসজ্জা শেষে ঈদবাজারের ক্রেতারা অন্দরমহল সাজাতে ঢুঁ দিচ্ছেন নানান বিপণিবিতানে। ঈদের দিন আত্মীয়স্বজনকে যদি খানিকটা চমকই না দেওয়া গেল, তাহলে আর নতুনত্ব থাকবে না। যে পর্দা বা বিছানার চাদর সারা বছর ঘরে শোভা পেয়েছে, ঈদের দিন সেটা ঘরে থাকলে ঈদের আমেজই আসবে না।

রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, পোশাকের দোকানের মতোই বেশ জমজমাট ঘর সাজানোর উপকরণ বিক্রির দোকানগুলো। একই চিত্র রাজধানী জুড়ে বসা ঈদ মেলাগুলোতে। কোথাও প্রয়োজনের জিনিস পেয়ে খুশি ক্রেতারা, কোথাওবা বাড়তি দামের অভিযোগ।

রাজধানীর নিউমার্কেট-সংলগ্ন চন্দ্রিমা সুপার মার্কেটের নিচতলায় রয়েছে গৃহস্থালি সজ্জাসামগ্রীর বেশ কিছু দোকান। দোকানগুলো রাস্তা থেকে একটু ভেতরের দিকে হলেও তার কোনো প্রভাব পড়েনি বিক্রিবাট্টায়। ক্রেতার আনাগোনা বেশ ভালো বলেই জানালেন ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা জানান, শুধু ঈদ নয় এসব জিনিসের চাহিদা সারা বছর থাকে। ঈদের আগে চাহিদা বাড়ে। আর ক্রেতাদের বেশির ভাগই নারী।

আছে বাড়তি দাম নেয়ার অভিযোগ। তবে তা মানতে রাজি নন এখানকার ব্যবসায়ীরা। বিক্রেতা সাব্বির বলেন, ‘সারা বছর যে দামে বিক্রি হয়, এখনো সেই দামেই। দাম বাড়ে নাই। কিছু কাস্টমার আছে সিজনাল। তারা তো আর সারা বছর কেনে না। তাই তারা দাম জানে না। মিডিয়া দেখলে সবাই কয়, দাম বেশি দাম বেশি।’

এসব দোকানে বিক্রি হচ্ছে ঘর সাজানোর জন্য কাঠ, বাঁশ, বেতের তৈরি নানা অবয়ব, ধাতব ও কাঠ দিয়ে তৈরি রিক্সা, সাইকেল, মোটরসাইকেল, গরুর গাড়িসহ বাংলার পরিচয় বহনকারী বিভিন্ন জিনিস। আছে কাঠের ফ্রেমে কারুকাজ করা আয়না। চাহিদায় সবচেয়ে এগিয়ে বাতির ফ্রেম। এ ছাড়া এসব দোকানে বিক্রি হচ্ছে নানা রঙ-ঢংয়ের হস্তশিল্প।

একই ধরনের পণ্য বিক্রি হচ্ছে রাজধানী জুড়ে ঈদ উপলক্ষে বসা মেলাগুলোতে। মেলায় বাড়তি চাহিদার জন্ম দিয়েছে প্লাস্টিকের তৈরি ফুল। চাহিদা আছে বাতির ফ্রেমের। এ ছাড়া ট্যারাকোটা বা পোড়ামাটির তৈরি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রাণীর অবয়ব বিক্রি হচ্ছে এসব মেলায়। পাওয়া যাচ্ছে ফুলদানি, কলমদানি ও ফুলের টব।

মোহাম্মদপুর শ্যামলী ক্লাব মাঠে ঈদ উপলক্ষে চলছে মাসব্যাপী মেলা। মেলায় স্থান পেয়েছে গৃহস্থালি সজ্জাসামগ্রীর একাধিক দোকান। হস্তশিল্পের পাশাপাশি জায়গা করে নিয়েছে গৃহস্থালি প্রয়োজনীয় পণ্য। কোনো কোনো দোকানে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ঘড়ি, দরজার পাপোষ, শোফার কুশনসহ নানা কিছু।

ঈদের পোশাকের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মোটেও পিছিয়ে নেই এসব পণ্য। মেলাগুলোতে দামের বিষয়ে তেমন কোনো আপত্তি পাওয়া গেল না। দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্যগুলো বিক্রি হচ্ছে অধিকাংশ দোকানে। সবগুলো পণ্যই বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা হারে। বেচাকেনা নিয়ে সন্তুষ্ট মেলার বিক্রেতারা।

বিক্রেতা দুলাল মিয়া বলেন, ‘এক দামে জিনিস বিক্রি করা ভালো। কোনো দামাদামি নাই। সব একই দামের মাল। যাই নেক, ১৩০ টাকা।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের বাহিরে দোকান আছে। আমরা বিভিন্ন জায়গায় প্রায় সারা বছর মেলা করি। ঈদের টাইমে এসব আইটেম অনেক চলে। পাপোষ সবার বাসায় আছে। ছিঁড়াটারে সারা বছর অনেকে চালায়, কিন্তু ঈদের টাইম আসলে ঠিকই পাল্টায়। আবার অনেকে এক মাসের জিনিসটাও ঈদের আগে পাল্টায়।’

সন্তুষ্ট ক্রেতারাও। সুমি আক্তার ও তার বান্ধবীরা ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছেন শ্যামলী ঈদ মেলায়। কেনাকাটার তালিকায় পোশাক-গহনা-কসমেটিকসের পাশাপাশি রয়েছে ঘর সাজানোর বিভিন্ন জিনিসের নাম।

সুমি বলেন, ঈদে বাড়িতে অনেকে আসে। যারা সারা বছর আসে না। তাই সাজগোজটাও একটু বেশি। আমরা যেমন সাজি, নিজেদের ড্রেস কসমেটিকস নেয়া হয়, একইভাবে ঘরের জন্যও নেয়া হয়। পাশোষ, দরজা-জানালার পর্দা সব চেঞ্জ। কিছু প্লাস্টিকের ফুল ও ফুলদানি নিয়েছি। এগুলোও কাজে আগাবো।

এসব বিষয়ে পুরুষের মাথাব্যথা না থাকলেও ঘরণী বেশ ব্যতিব্যস্ত তার ঘর সাজাতে। ঈদে ঘরটা আর একটু পরিপাটি করে নিতে ঘর সাজানোর আলাদা বাজেট করেছেন অনেক গৃহিণী। প্রয়োজন ও শখের জায়গা থেকে অনেকে কিনছেন প্রয়োজনের অতিরিক্ত অনেক ‘হ্যান্ডিক্রাফট’ বা ঘর সাজানোর উপকরণ।

ঈদের আগেই ঝলমলে সুন্দর চুল
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : চুল ছোট হোক বা বড়, হতে হবে সুন্দর। ঈদের আগেই সুন্দর স্বাস্থ্যজ্জ্বল, ঝলমলে ও আকর্ষণীয় চুল চান? জেনে নিন বিউটি এক্সপার্ট ওমেন্স ওয়ার্ল্ডের সিইও ফারনাজ আলমের পরামর্শ।

চুল সুন্দর রাখতে আমাদের নিয়মিত যে কাজগুলো করতে হবে :

আগা ফেটে গেলে আগে ট্রিম করিয়ে তারপর যতœ নিন। টক দই চুলের জন্য খুব ভালো। সঙ্গে একটি ডিম ও একটি লেবুর রস মিলিয়ে চুলে দিয়ে ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করুন।

যদি চুল পড়া শুরু হয়, তাহলে মেহেদি, পেঁয়াজের রস ও টক দই লাগান। কয়েক দিনের মধ্যেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন।

মেথি গুঁড়া ২ চা চামচ, ২ চা চামচ অলিভ অয়েল ১টি ডিম, ভিটামনি ই ক্যাপসুল ১টি, টক দই ৩ চা চামচ। সব উপাদান মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করুন। সারারাত প্যাকটি মাথায় মেখে রেখে, পরদিন শ্যাম্পু করে ফেলুন। ঈদের আগে দু’বার ব্যবহারেই পেয়ে যাবেন স্বাস্থ্যজ্জ্বল সুন্দর চুল।  

চুলের পরিচর্যার পাশাপাশি প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় পুষ্টিকর, স্বাস্থ্যসম্মত ও কম তেল-মসলাদার খাবারের দিকে নজর দিন। রমজানে শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দেয়, ইফতার থেকে সেহরির( সন্ধ্যা থেকে ভোর রাত) সময়ের মধ্যে পর্যপ্ত পানি ও শরবত পান করতে হবে।

ইফতারে কেন ছোলা খাবেন?
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ইফতারে আর যা কিছুই থাকুক না কেন ছোলা ও খেজুর কিন্তু থাকবেই। রমজান মাসজুড়েই ইফতারে সবাই কমবেশি ছোলা খেয়ে থাকেন। কখনো কি ভেবে দেখেছেন, কেন ইফতারে ছোলা খাওয়া হয়। আর ছোলার পুষ্টিগুণই বা কি।

জেনে রাখা ভালো ছোলায় রয়েছে নানা ধরনের পুষ্টিগুণ, যা আপনার শরীরে শক্তি বৃদ্ধিতে আমিষের কাজ করে। কারণ ছোলা এমনই এক পুষ্টিকর খাবার যা আপনার সারাদিনের রোজার ক্লান্তি দূর করতে পারে। ছোলায় আমিষের পরিমাণ মাংস বা মাছের আমিষের পরিমাণের প্রায় সমান। ছোলার ডাল, তরকারিতে ছোলা, সেদ্ধ ছোলা ভাজি, ছোলার বেসন- নানান উপায়ে ছোলা খাওয়া যায়।

প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় আছে: প্রায় ১৭ গ্রাম আমিষ বা প্রোটিন, ৬৪ গ্রাম শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট এবং ৫ গ্রাম ফ্যাট বা তেল। ছোলার শর্করা বা কার্বোহাইডেটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। খাওয়ার পর খুব তাড়াতাড়িই হজম হয়ে গ্লুকোজ হয়ে রক্তে চলে যায় না। বেশ সময় নেয়। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ছোলার শর্করা ভালো।

ছোলার ফ্যাট বা তেলের বেশির ভাগই পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট ছাড়া ছোলায় আরও আছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ লবণ। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় ক্যালসিয়াম আছে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১০ মিলিগ্রাম, ও ভিটামিন এ ১৯০ মাইক্রোগ্রাম। এছাড়াও আছে ভিটামিন ব্লিø-১, বি-২, ফসফরাস ও ম্যাগনেশিয়াম। এ সবই শরীরের জন্য কাজে লাগে।

ছোলায় খাদ্য-আঁঁশও আছে বেশ। এ আঁঁশ কোষ্ঠ কাঠিন্যে উপকারী। খাবারের আঁঁশ হজম হয় না। এভাবেই খাদ্যনালী অতিক্রম করতে থাকে। এতে কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর হয়। ফলে খাদ্যনালীর ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা কমে।

রক্তের চর্বি কমাতেও সহায়ক খাদ্যের আঁঁশ। আরও নানান শারীরিক উপকার আছে খাদ্য-আঁঁশে। দেরিতে হজম হয়, এরূপ একটি খাবার হচ্ছে ছোলা।

ওজন বাড়ায় না সাদা মাখন
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : হলদে মাখনের চাইতে সাদা মাখন স্বাস্থ্যকর। আর যদি ঘরে তৈরি করা যায় তাহলে তো কথাই নেই। হলদে মাখনে থাকে উচ্চ মাত্রায় লবণ ও বেটা কেরোটিন। অন্যদিকে সাদা মাখনে লবণ থাকে না আর বেটা কেরোটিনের মাত্রাও কম। পুষ্টিবিজ্ঞানের ভাষায় মাখনে হলদেভাব হওয়ার কারণ হচ্ছে উচ্চ মাত্রায় চর্বির উপস্থিতি। আর স্থায়ীত্ব বাড়াতে অর্থাৎ প্রিজারভেটিভ হিসেবে ব্যবহার করা হয় লবণ।

অতিরিক্ত লবণ কোলেস্টেরল বাড়ায়, শরীরে পানি ধরে রাখে, বাড়াতে পারে রক্তচাপ।  এই কারণে হলদের চাইতে সাদা মাখন বহুগুণে স্বাস্থ্যোপকারী। পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে ভারতীয় পুষ্টিবিদ রুজুতা দেওয়েকর সাদা মাখনের আরও কয়েকটি উপকারিতার বিষয়ে জানান।

হলুদ মাখনে বাড়তি লবণ, চর্বি, চিনি এবং রং মেশানো হয়। অন্যদিকে হাতে তৈরি বা সাদা মাখনে এসবের কিছুই থাকে না। বরং তা অনেক বেশি পুষ্টিকর। এতে ভিটামিন এ এবং ডি ভালো পরিমাণে থাকে। বাজারের মাখনে যতই বলা হোক ক্যালরি কম বা নেই, সেটাতে আসলে সিন্থেটিক চর্বি থাকে যা ওজন বাড়ায়। সাদা মাখনে থাকে স্বাস্থ্যকর ক্যালরি। যা সুস্থ শরীর ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।  

ওজন কমাতে: সাদা মাখনে থাকে লেসিথিন যা শরীরের চর্বি পরিপাকে সাহায্য করে। খারাপ চর্বি কমাতে ভালো চর্বির প্রয়োজন। সাদা মাখন একাজে সহায়তা করে। একবার চর্বি কমানো গেলে ওজন নিয়ন্ত্রণ অনেক বেশি স্থায়ী হয়।

রোগ প্রতিরোধ: সাদা মাখনে থাকে ‘স্যাচারেইটেড ফ্যাট’ যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ভিটামিন ‘এ’ এবং ‘ডি’ সমৃদ্ধ। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল থাকলে সাদা মাখন খেতে পারেন। এটা কোনো রকম ক্ষতি করবে না।

বিপাক বৃদ্ধি: লেসিথিন কেবল খারাপ চর্বি কাটায় না বরং এটা বিপাক বাড়াতেও সাহায্য করে, যা ওজন কমানোর অন্যতম কারণ। বিপাকের হার বেশি মানেই অন্ত্রের সক্রিয় কার্যকারিতা বৃদ্ধি। এটা সুস্থ শরীরের লক্ষণ।

স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বক: যারা ত্বকের নানান সমস্যায় ভোগেন তাদের জন্য সাদা মাখন উপকারী। যদিও বলা হয়ে থাকে, ত্বকে সমস্যা দেখা দিয়ে চর্বি থেকে দূরে থাকতে। তবে সাদা মাখন এই সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে। কারণ এতে আছে অত্যাবশ্যকীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন ই যা ত্বক পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। তবে এটা খুব বেশি খেলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। সাদা মাখন ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা রক্ষা করে এবং প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল করে ত্বক।

সংযোগস্থল তৈলাক্ত রাখে: হাড়ের জোড় এবং শরীরের বিভিন্ন অংশের সংযোগস্থল পিচ্ছিল রাখতে সাহায্য করে সাদা মাখন। কারণ এর মলিকিউলার স্ট্রাকচার শরীরে চর্বি শোষণ করে সংযোগস্থল পিচ্ছিল রাখতে সাহায্য করে। যারা সংযোগস্থলের ব্যথায় ভোগেন তাদের প্রতিদিন এক টেবিল-চামচ সাদা মাখন খেলে উপকার পেতে পারেন।

উন্নত কার্যকর মস্তিষ্ক: সাদা মাখনে আছে অ্যারাকিডোনিক অ্যাসিড যা মস্তিষ্কের কর্ম ক্ষমতা বাড়ায়। দাদা-নানাদের আমলে এই অঞ্চলে পরোটার সঙ্গে মাখন খাওয়ার রেওয়াজ ছিল। দেখা গেছে যারা সাদা মাখন খেয়ে বড় হয়েছেন, তারা মনে মনে অঙ্ক কষতে পারদর্শী।

তরমুজ খেলে হতে পারে যেসব সমস্যা
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ঘর থেকে বের হলেই প্রচ- গরম। গরম থেকে স্বস্তি পেতে আমরা প্রায়ই তরমুজ খেয়ে থাকি। আপনি জানেন কি অতিরিক্ত তরমুজ খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই অতিরিক্ত তরমুজ খাওয়া থেকে রিরত থাকুন।

তরমুজে রয়েছে ৯২ শতাংশ জলীয় উপাদান যা শরীরের প্রয়োজনীয় জলের চাহিদা পূরণ করে। ফাইবার সমৃদ্ধ তরমুজে রয়েছে ভিটামিন এ, বি৬, সি, এবং খনিজ উপাদান পটাসিয়াম যা রোগ প্রতিরোধ করে, ওজন কমাতেও সাহায্য করে। কিন্তু এই তরমুজই বেশি খেতে গেলে কিন্তু হতে পারে বিপদ। ডিহাড্রেশন কাটাতে গিয়ে আরও নানা সমস্যা থাবা বসাবে শরীরে। চলুন জেনে নেয়া যাক-

তরমুজে রয়েছে ফাইবার। তাই অতিরিক্ত তরমুজ খেলে ডায়রিয়াসহ পেটের নানা রোগ দেখা দিতে পারে। এতে রয়েছে সরবিটল (সুগার কমপাউন্ড) যার ফলে অম্বল, বদহজমের মতো সমস্যা হতে পারে।

অতিরিক্ত তরমুজ খেলে শরীরে জলীয় উপাদান অনেক বেড়ে যায়। ‘ওভার-হাইড্রেশন’-এর ফলে কিডনির নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। শরীরও অনেক দুর্বল হয়ে যায়।

তরমুজে থাকে প্রচুর পরিমাণ পটাসিয়াম। এই খনিজ উপাদান আমাদের হার্ট ভালো রাখে, পেশী শক্তি বাড়ায়, হাড়ের গঠন মজবুত করে। কিন্তু, অতিরিক্ত পটাসিয়াম শরীরে গেলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে, পালস রেট কমে যায়।

লাইকোপিন নামক রাসায়নিকের কারণে তরমুজের রং উজ্জ্বল ও গাঢ় হয়। লাইকোপিন এক প্রকার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা অধিক মাত্রায় শরীরে গেলে পেটের নানা সমস্যা হতে পারে। হজমের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

তরমুজে শর্করার পরিমাণ খুব বেশি। তাই প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে তরমুজ খেলে ডায়বিটিস হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

প্রতি ১০০ গ্রাম তরমুজে ক্যালোরির পরিমাণ ৩০ ও শর্করার পরিমাণ প্রায় ৬ গ্রাম। একদিনে ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত তরমুজ হজম করা সম্ভব, কারণ এতে শরীরে ঢোকে ১৫০ ক্যালোরি। কিন্তু, এর থেকে বেশি তরমুজ খেলে সেটা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়।

ঢেঁড়সের উপকারিতা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : ঢেঁড়সের ভেতর রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, ভিটামিন এ, সি এবং ফলেট। সেই সঙ্গে রয়েছে ভিটামিন কে, বি, আয়রন, পটাশিয়াম, জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম, মেঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বিটা ক্যারোটিন। সবকটি উপাদান একযোগে ডায়াবেটিস, অ্যাস্থেমা, অ্যানিমিয়াসহ একাধিক রোগকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় : নিয়মিত এক বাটি করে ঢেঁড়সের তরকারি খেলে কিডনির ভেতর জমতে থাকা ক্ষতিকর উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

ফলেটের ঘাটতি মেটায় : শরীরকে সচল এবং রোগমুক্ত রাখতে নিয়মিত যে যে উপাদানগুলোর প্রয়োজন পরে, ফলেট তার মধ্যে অন্যতম। তাই তো দেহের ভেতরে এই উপাদানটির ঘাটতি হওয়া একেবারেই উচিত নয়। এই কারণেই তো প্রতিদিন ঢেঁড়স খাওয়া উচিত। কারণ এই সবজিটির ভেতর রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফলেট, যা দেহের চাহিদা মেটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

কনস্টিপেশনের প্রকোপ কমায় : ঢেঁড়সের শরীরে থাকা ফাইবার শুধুমাত্র হার্টের খেয়াল রাখে না, সেই সঙ্গে বাওয়েল মুভমেন্টে উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দিয়ে কনস্টিপেশন, বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের মতো রোগের প্রকোপ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, একাধিক কেস স্টাডিতে দেখা গেছে যদি নিয়মিত ঢেঁড়স খাওয়া যায়, তাহলে কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশেই হ্রাস পায়।

ক্যান্সার রোগকে প্রতিরোধ করে : প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার কারণে প্রতিদিন এই সবজিটি খেলে একদিকে যেমন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে, তেমনি কোষেদের বিভাজনও ঠিক ঠিক নিয়ম মেনে হওয়ার সুযোগ পায়। কারণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আমাদের শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের কোষেদের গঠনে পরিবর্তন করার কোনও সুযোগই দেয় না। ফলে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশেই হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, কোষেদের এই ভাবে চরিত্র বদল করে ক্ষতিকর কোষে রূপান্তরিত হওয়াকে ‘মিউটেশন অব সেল’ বলা হয়ে থাকে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : অতিরিক্ত কারণে যদি চিন্তায় থাকেন, তাহলে প্রতিদিনের ডায়েটে ঢেঁরসের অন্তর্ভুক্তি মাস্ট! কারণ এই সবজিটির ভেতর থাকা ফাইবার অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা যেমন কমে। সেই সঙ্গে বারে বারে খাওয়ার ইচ্ছাও চলে যায়। ফলে ওজন বাড়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।

অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমায় : এতে উপস্থিত বেশ কিছু পুষ্টিকর উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। ফলে অ্যানিমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশে হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার এবং দক্ষিণ এশিয়ার একাধিক দেশে মহিলাদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ গত কয়েক দশকে মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পয়েছে। আমাদের দেশে তো অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমাতে বিশেষ নীতিও গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। এমন পরিস্থিতে এই সবজিটি কতটা কাজে আসতে পারে, তা নিশ্চয় আর বলে বোঝাতে হবে না।

খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় : শরীরে উপস্থিত বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর মধ্যে দিয়ে হার্টকে সুস্থ রাখতে ঢেঁড়সের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই সবজিটি ফাইবার সমৃদ্ধি। এই উপাদানটি কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

হাড়কে শক্তপোক্ত করে : ঢেঁড়সে উপস্থিত ফলে হাড়ের গঠনে উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই কারণেই তো ৪০-এর পর থেকে প্রতিটি মহিলার নিয়ম করে ঢেঁড়স খাওয়া উচিত। আসলে একাধিক কেস স্টাডিতে দেখা গেছে. আমাদের দেশে মহিলাদের বয়স ৪০ পেরতে না পেরতেই তাদের শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিতে শুরু করে। ফলে নানাবিধ হাড়ের রোগ শরীরে এসে বাসা বাঁধে। এবার নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন মহিলাদের ঢেঁড়স খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা কতটা!

অ্যাস্থেমার মতো রোগকে প্রতিরোধে করে : আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় অথবা ধুলোবালি নাকে ঢুকলেই শ্বাস কষ্ট শুরু হয়ে যায় নাকি? তাহলে তো কষ্ট কমাতে ঢেঁড়সের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতেই হবে। কারণ এই সবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে এতটাই শক্তিশালী করে তোলে যে অ্যালার্জি সৃষ্টিকারি অ্যালার্জেনরা কোনও ধরনের ক্ষতি করার সুযোগই পায় না। ফলে অ্যাস্থেমার প্রকোপ কমতে শুরু করে।

ডায়াবেটিসের মতো রোগকে দূরে রাখে : পরিসংখ্যান বলছে ইতিমধ্যেই আমাদের দেশ সারা বিশ্বের মধ্যে ডায়াবেটিস ক্যাপিটালে পরিণত হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, প্রতি বছর নতুন করে ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্তের সংখ্যাটাও লাফিয়ে লাফিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রকাশ করা একটি রিপোর্ট অনুসারে বর্তমানে ভারতে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা প্রায় ৫০ মিলিয়ান, যা আগামী কয়েক বছরে আরও বৃদ্ধি পাবে। এমন পরিস্থিতিতে নিজেকে সুস্থ রাখবেন কিভাবে, তা জানা আছে? গবেষণা বলছে প্রতিদিন ৬-৮ টা ঢেঁড়স খেলে শরীরে ইনসুলিনের উৎপাদন চোখে পরার মতো বৃদ্ধি পায়। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গিয়ে ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে।

মোবাইল ফোনের আলো থেকে ক্যান্সার!
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: যারা দীর্ঘক্ষণ স্মার্ট মোবাইল ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকেন তাদের জন্য ভয়াবহ দু:সংবাদ দিয়েছে আন্তর্জাতিক হেলথ জার্নাল।
 
আন্তর্জাতিক হেলথ জার্নাল ‘এনভায়রোনমেন্টাল হেলথ পারসপেকটিভ’এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, স্মার্টফোনের নীল আলো থেকে ব্রেস্ট ক্যান্সার ও প্রস্টেট ক্যান্সারের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। শুধু স্মার্টফোন নয়, ট্যাবলেট বা ল্যাপটপের নীল এলইডি আলো থেকেও এমন হতে পারে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
 
বিশেষ করে অন্ধকার ঘরে স্মার্টফোনের আলো ব্রেস্ট ও প্রস্টেট ক্যান্সারের সম্ভাবনা অনেক বাড়িয়ে দেয়। পুরুষদের ক্ষেত্রে বদ্ধ অন্ধকার ঘরে নীল এলইডি আলোর সংস্পর্শে এলে প্রস্টেট ক্যান্সারের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।শুধু গ্যাজেটস নয় অন্ধকার রাস্তায় স্ট্রিট লাইটের সংস্পর্শও ক্যানসারের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিতে পারে।
 
এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করার আগে স্পেনে ৪ হাজার প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির উপরে সমীক্ষা চালান গবেষকরা।
 
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই আলোর ফলে মস্তিষ্ক থেকে মেলাটনিন নামে একটি হরমোন ক্ষরণ হয়। এই হরমোন পিনেয়াল গ্ল্যান্ড থেকে নির্গত হয়। এই হরমোন ঘুম ও জেগে থাকার মধ্যে সমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

চাকরি ক্ষেত্রে দরকার...
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : কর্মস্থলে আপনি আপনার কাজে দক্ষ এবং মনোযোগী হওয়ার পরেও এমন কিছু দৈনন্দিন অভ্যাস আছে, যার কারণে আপনার চাকরি ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। দৈনন্দিন সেসব অভ্যাস নিয়েই এ প্রতিবেদন।

কাজ এবং জীবন সম্পর্কে নেতিবাচক মানসিকতা : কেউ যদি সর্বক্ষণ কিছু না কিছু নিয়ে নালিশ বা ঘ্যানঘ্যান করতে থাকে তাহলে এটার প্রভাব অন্যদের ওপর চরমভাবে পড়ে। আসলে এইধরনের ব্যাপারগুলো সংক্রামক, যা কিছুক্ষণের মধ্যেই অন্যদের মধ্যেও প্রতিক্রিয়া ফেলে। কাজ এবং জীবন সম্পর্কে নেতিবাচক মানসিকতার ফলে সহকর্মীরা আপনার বিরুদ্ধে চলে যেতে পারে। তাছাড়া কর্মস্থলে নানারকম সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। যেমন, অফিসের কর্মকর্তা আপনার কাজে এবং আচরণে অসন্তুষ্ট হয়ে আপনার পদোন্নতি আটকে দিতে পারেন বা বদলি করে দিতে পারেন। সুতরাং নেতিবাচক মানসিকতা আপনার কর্মজীবনে ডেকে আনতে পারে ভয়ানক পরিস্থিতি।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতায় অসচেতনতা : সকালে কর্মস্থলে পৌঁছানোর তাড়া সবারই থাকে। কিন্তু বিভিন্ন ব্যস্ততার মধ্যে দাঁত ভালো করে ব্রাশ না করা বা কোনো সুগন্ধি ব্যবহার না করা খুবই বিদঘুটে পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। মুখের এবং গায়ের দুর্গন্ধ আপনার কাছ থেকে সহকর্মীদের দূরে ঠেলে দিতে পারে। তাছাড়া কর্মস্থলে আপনি সবার বিরক্তির পাত্রে পরিণত হতে পারেন। তাই নিজের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে খেয়াল রাখুন।

দায়িত্বজ্ঞানহীন : অনেকেই এমন আছেন যারা নিজের কৃতকর্মের জন্য কোনো দায়িত্ববোধ অনুভব করেন না এবং কোনো কাজে ব্যর্থতার জন্য সহকর্মীদের আক্রমণ করে বসেন। প্রথমদিকে আপনার সহকর্মীরা ভদ্রতার খাতিরে এমন আচরণ সহ্য করলেও পরিবর্তীতে আপনার নেতাগিরি নিয়ে তারা নানান কথা বলতে পারেন। এমনকি চোখে আঙুল দিয়ে আপনার ভুল দেখিয়ে দিয়ে আপনাকে অপমান করতে পারেন, যা আপনার জন্য খুব একটা ভালো হবে বলে মনে হয় না।

অমার্জিত পোশাক পরিধান : অনেক কোম্পানি আছে যেখানে ক্যাজুয়াল পোশাকের সঙ্গে ফরমালের একটি সংমিশ্রণ ব্যবহার করা হয় ড্রেসকোড হিসেবে। তার মানে এই নয় যে, ছেঁড়া-ফাটা জিন্স আর টি-শার্ট পরে অফিসে চলে আসবে কেউ। ব্র্যান্ডি ব্রিটন নামে একজন উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা বলেন, ‘পেশাজীবী পোশাক আত্মবিশ্বাস প্রদান করে এবং কাজের পরিবেশ সুন্দর রাখে।’ এক জরিপে জানা যায়, ৮০ শতাংশ অফিস কর্মকর্তা বলেন সঠিক এবং মার্জিত পোশাকের ওপর একজন কর্মচারীর পদোন্নতি অনেকাংশে নির্ভর করে।

অতিরিক্ত সুগন্ধ ছড়ানো : অফিসে কাজ করার সময় কড়া কোনো পারফিউমের গন্ধ ছড়ানোর ফলে অফিসে কাজের ব্যাঘাত ঘটার পাশাপাশি অপমানজনক হয়ে উঠতে পারে। তাছাড়া আপনার সহকর্মীরা এড়িয়ে চলতে পারেন আপনার পারফিউমের অতিরিক্ত গন্ধের জন্য। তাই অতিরিক্ত সুগন্ধ ছড়ায় এমন কোনো পারফিউম পরিহার করে চলুন। অনেক কোম্পানি এমন আছে যেখানে পারফিউমের ব্যাপারে কড়া সতর্কতা অবলম্বন করা হয়। তাছাড়া কিছু খাবার যা থেকে উগ্র গন্ধ ছড়ায়, সে ব্যাপারেও কড়া নজরদারির ব্যবস্থা থাকে কিছু কোম্পানিতে।

কলুর বলদ হওয়া : আপনি যদি নিজেকে অতিরিক্ত ইতিবাচক ভাবেন এবং সেই অনুযায়ী কাজ করেন তাহলে মানুষের আপনার প্রতি একরকম আদেশ জারিমূলক আচরণ জন্ম নেবে। সবাই যা চায় আপনি যদি তাই করেন তাহলে আপনার সহকর্মীরা মনে করবে আপনাকে দিয়ে সবকিছুই করিয়ে নেওয়া যায় কেননা আপনি কারো কথা ফেলতে পারেন না। আপনার এবং আপনার কাজের জন্য কি প্রয়োজন সেটা ভাবা বাদ দিয়ে মানুষ কি চায় সেটা নিয়ে ভাবলে আপনি কলুর বলদে পরিণত হবেন। তাছাড়া আপনাকে দুর্বল ব্যক্তিত্বের মানুষ মনে করতে তাদের বেশি সময় লাগবে না।

অফিসিয়াল লেখালেখিতে কম মনোযোগী হওয়া : সাধারণত অলসতার কারণে অফিসে কর্মচারীরা কাজে নানারকম অবহেলা করে। অফিসিয়াল বিভিন্ন ডকুমেন্টের কাজে এরকম অবহেলা বা কম মনোযোগী হলে আপনার চাকরি থাকা নিয়ে টানাটানি লাগতে পারে। আপনি যতই সুন্দর সাবলীল ভাষার মাধ্যমে কিছু উপস্থাপন করুন না কেন, আপনার লেখায় যদি ব্যকরণগত ভুলভ্রান্তি বেশি থাকে এবং আপনি যদি তা খেয়াল না করেন তাহলে আপনার কাজে অবহেলা আছে বলে ধরে নেওয়া হবে। ভুলে ভরা উন্নত লেখার তুলনায় সাধারণ এবং সংক্ষিপ্ত অফিসিয়াল ডকুমেন্ট বা লেখা ঢের ভালো।

বেশি ঢিলেমি করা : অফিসে দেরী করে আসা বা যেকোনো কাজে বেশি সময় নেওয়া আপনার চাকরির জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। একটি কোম্পানিতে যদি সময়ানুগ একটি সংস্কৃতি বিদ্যমান থাকে এবং আপনি যদি সেখানে আপনার ঢিলেমির পরিচয় দেন, তাহলে এটা ভেবে নেওয়া স্বাভাবিক যে কোম্পানির প্রতি আপনার কোনো শ্রদ্ধা নেই। যার ফলে আপনার চাকরি চলে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে।

অতিরিক্ত ‘স্যরি’ শব্দের ব্যবহার : অতিরিক্ত পরিমাণে স্যরি শব্দের ব্যবহার আপনার দুর্বল ব্যক্তিত্বের পরিচয় বলে গণ্য হবে। যখন প্রয়োজন নেই তখনও যদি আপনি ঘনঘন স্যরি বলেন তাহলে আপনার চারপাশের মানুষ ধরেই নেবে আপনি আপনার কথাবার্তায় নিশ্চিত নন। এভাবে আপনার অফিসে আপনার অবস্থান ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়বে এবং আপনার চাকরি সুখকর হবে না।

কথাবার্তায় পারদর্শী না হওয়া : আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কোনোকিছু উপস্থাপন করার ক্ষমতা না থাকলে আপনি আপনার অফিসে অদক্ষ কর্মী বলে আখ্যায়িত হতে পারেন। আপনি কিভাবে কি বলবেন তার ওপর আপনার ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি মানসিকতা নির্ভর করে এবং কর্মস্থলে এই গুণটি দ্বারা অনেক কিছুই জয় করে নেয়া যায়। আপনি যদি কথা শেষ করার সঙ্গে সঙ্গে জিজ্ঞাসাবোধক কিছু বলে ফেলেন তাহলে তা যাচ্ছেতাই বিষয় হয়ে দাঁড়াবে।

আত্মবিশ্বাসের অভাব : আপনার কর্মস্থলে আপনার আত্মবিশ্বাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আত্মবিশ্বাসহীনতার সঙ্গে কোনো কাজ করলে আপনার কাজের প্রকৃতপক্ষে কোনো মূল্য থাকবে না। সবার সঙ্গে সুন্দর সাবলীল ভাষায় কথা বলা, হাতে হাত মেলানো, দৃষ্টিসংযোগ ঠিকঠাক রাখা আত্মবিশ্বাসের পরিচয়। মূলত আপনার আত্মবিশ্বাসই নির্ধারণ করে দেবে আপনি কতদূর যাবেন।

উপকারীর উপকার মনে রাখুন : অধিকাংশ সফল ব্যক্তিগণ কারো না কারো সাহায্য নিয়েই অনেক উপরে উঠেছেন। অফিসে কেউ যদি আপনাকে কোনো কাজে সাহায্য করে থাকে বা আপনাকে কোনো ব্যাপারে সমর্থন করে থাকে তাহলে তার কথা মনে রাখুন এবং তার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করুন। সাধারণত চাকরিজীবনে এভাবেই বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে মানুষের ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং এভাবেই আপনি ব্যক্তিগতভাবে আপনার নিজস্ব একটি গ্রুপ তৈরি করে নিতে পারবেন।

সত্যিকার অর্থে দলের সদস্য না হওয়া : আপনার কর্মস্থল প্রধান সবসময় চান আপনি প্রকৃতপক্ষে দলের সদস্য হয়ে দলগত কাজে অগ্রসর হোন। আপনি যদি সত্যিকার অর্থে দলের সদস্য না হয়ে কোনোরকম দায়সারা করে কাজ করেন তাহলে সবার নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির শিকার হবেন। সবাই যেটা করছে আপনার তা করতে ভালো না লাগলে তাদের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন কিছু করুন, নতুন কিছু আপনার কোম্পানিকে উপহার দিন। তাছাড়া আপনার দলের সদস্যদের মাঝে মাঝে মুখরোচক কিছু খাবার খাওয়ান। এতে করে সম্পর্ক আরো গভীর হয়। আপনি দলের হয়ে কাজ করলে একটা সময় আপনার সমস্যায় আপনার দলে সদস্যরা আপনাকে সাহায্য করবে। এভাবেই একটি দলের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে যা চাকরিজীবনে আপনার ভবিষ্যৎ গড়ার কাজে আসবে।

কাজের সময় ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ত থাকা : অফিসে কাজ করার সময় ব্যক্তিগত নানা কাজে সবাই টুকটাক সময় দিয়ে থাকে। কিন্তু সেটা যদি নিয়মিত এবং মাত্রাতিরিক্ত হয়ে দাঁড়ায় তাহলে আপনার চাকরির বারোটা বাজবে। এতে করে প্রমাণিত হবে যে আপনি আপনার কাজের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নন এবং কোম্পানির গ্রাহ্যতা আপনার কাছে কম। সুতরাং মধ্যাহ্নভোজের সময় আপনার ব্যক্তিগত কাজ নিয়ে ভাবুন। এতে করে আপনার কাজের কোনো ক্ষতি হবে না বরং সময়টা ভালো কাটবে।

তথ্যসূত্র : রিডার্স ডাইজেস্ট

এই গরমে উপকারী শসা
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : গরম দিন দিন বেড়েই চলেছে। গরমের হাত থেকে রেহাই পেতে পানি ও পানির পরিমাণ বেশি এমন সব খাবারের দিকেই ঝুঁকছেন সবাই। রোজ খাবারের তালিকায় শসা কিংবা শসার সালাদ খেয়ে থাকেন অনেকেই। আর এই শসাই আপনাকে নানা অসুখের হাত থেকে মুক্তি দেবে।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শশায় রয়েছে ৯৫ শতাংশ পানি। যা আমাদের শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে এবং শরীর থেকে সমস্ত টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে।

শশায় প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে। যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। ত্বকের জন্যও দারুণ উপকারী শশা। প্রত্যেকদিন ত্বকে শশার রস লাগালে শুষ্ক ত্বকের সমস্যা দূর হয়ে ত্বকে ঔজ্জ্বল্য নিয়ে আসে।

আপনার ত্বক যদি রোদে পুড়ে কালো হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে শশার রসের সঙ্গে দই এবং লেবুর রস মিশিয়ে সেই মিশ্রণ ত্বকে লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এই মিশ্রণ রোজ ব্যবহার করলে সানবার্ন মুহূর্তে দূর হয়ে যাবে।

শশার বীজও মোটেই ফেলে দেওয়ার নয়। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই এবং পটাশিয়াম। যা রিঙ্কল মুক্ত করতে সাহায্য করে, ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।

বৈশাখী সাজে ত্বকের যত্ন
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক :  উৎসব মানেই রঙ বাহারি পোশাক। আর উৎসবটা যদি হয় বর্ষবরণ তাহলে তো কথাই নেই। লাল, সাদা, হলুদ, বেগুনি, সবুজ কিংবা নীল কোনো রঙেই নেই মানা। কারণ সময় বদলের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে ফ্যাশন ট্রেন্ডও। পহেলা বৈশাখে এখন আর কেউ শুধু লাল-সাদা পোশাকই পরেন না, লাল সাদার সঙ্গে অন্য রংগুলোও জড়াজড়ি করে জায়গা করে নিচ্ছে ফ্যাশন ডিজাইনারের ক্যানভাসে। আর এত কালারফুল পোশাকের সঙ্গে সাজটা সাদামাটা হলে তো আর হবে না। এদিকে গ্রীষ্মের খরতাপও সঙ্গেই থাকবে। তাই মেকআপটা করতে হবে এসব কিছু মাথায় রেখেই। একে তো গরম, ঘাম, ধুলোবালি- তাই দিনের মেকআপ একটু হালকা হওয়াই ভালো।

লেবুর রস, শশার রস আর গোলাপ জল একসাথে নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে প্রতিদিন ১৫-২০ মিনিটের জন্য পুরো মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে। ১৫-২০ মিনিট পর মুখ ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। প্রতিদিন ব্যবহারে ত্বকের রোদে পোড়া কালো দাগ দূর হয়।

গুঁড়ো দুধ, লেবুর রস, মধু এবং আমন্ড তেল একত্রে নিয়ে পেস্ট তৈরি করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, প্রতিটি উপকরণের পরিমাণ যেন সমান হয়। প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। ভালো ফল পেতে দিনে তিন বার ব্যবহার করুন। এই প্যাকটি তৈরির আরও একটি সুবিধা হলো, এটি তৈরি করার পর এক সপ্তাহের মতো প্যাকটি সংরক্ষণ করা যাবে।

কাঁচা দুধ, লেবুর রস ও হলুদের সাথে মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে পুরো মুখে লাগান। প্যাকটি মুখে পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে, ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। হলুদ ত্বককে কোমল করতে সাহায্য করবে, কাঁচা দুধ ত্বকের উজ্জলতা বাড়াবে, আর লেবু মুখের কালো দাগ দূর করবে।

রোদের পোড়া দাগ দূর করতে বেসন, লেবুর রস, আর দই সমপরিমাণ মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে, মুখে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন ব্যবহারে রোদের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বকে রক্ষা পায়।

ডিমের সাদা অংশের সাথে ২-৩ ফোঁটা মধু, লেবুর রস, দুধের সর ও ওটমিলের মিশ্রণ ১০-১৫ মিনিটের জন্য ব্যবহার করলে, ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। এটি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করলেই ভালো ফল পাওয়া যায়।

ব্ল্যাক হেডস দূর করতে পোলাওয়ের চাল ও মুগ ডাল আধা ভাঙা করে তার সঙ্গে মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এটি ১০-১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখার পর যেসব জায়গায় ব্ল্যাক হেডস বেশি, সেখানে হালকা ঘষে ঘষে তুলে ফেলুন। সুজি হালকা ভেজে নিয়ে তার সঙ্গে টকদই ও মধু মিশিয়েও ব্যবহার করা যেতে পারে।

টমেটোর রস এবং মধু রোদে পোড়া ভাব দূর করে। গাজর, মধু এবং বেকিং পাউডারের মিশ্রণও কার্যকরী। শুষ্ক ত্বকে তিলের তেল ভালোভাবে কিছুক্ষণ মালিশ করে ফেসওয়াশ দিয়ে ধুয়ে ফেলুন, হারিয়ে যাওয়া উজ্জ্বলতা ফিরে আসবে।


   Page 1 of 18
     জীবনশৈলী
আজ ভালোবাসার দিন
.............................................................................................
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আদা
.............................................................................................
মাত্র ১ টি এলাচ খেয়ে সুস্থ্য থাকুন
.............................................................................................
ক্যান্সারকে গুডবাই জানান মাত্র দুটি উপায়ে
.............................................................................................
মুগ ডালে উজ্জ্বল ত্বক
.............................................................................................
যেসব খাবার দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়
.............................................................................................
ঈদ উৎসবে সাজবে ঘর
.............................................................................................
ঈদের আগেই ঝলমলে সুন্দর চুল
.............................................................................................
ইফতারে কেন ছোলা খাবেন?
.............................................................................................
ওজন বাড়ায় না সাদা মাখন
.............................................................................................
তরমুজ খেলে হতে পারে যেসব সমস্যা
.............................................................................................
ঢেঁড়সের উপকারিতা
.............................................................................................
মোবাইল ফোনের আলো থেকে ক্যান্সার!
.............................................................................................
চাকরি ক্ষেত্রে দরকার...
.............................................................................................
এই গরমে উপকারী শসা
.............................................................................................
বৈশাখী সাজে ত্বকের যত্ন
.............................................................................................
নিজেকে সাজিয়ে তুলুন বৈশাখী সাজে
.............................................................................................
বৈশাখী সাজ
.............................................................................................
গরমে ত্বকের যত্ন
.............................................................................................
টক দই প্রতিদিন
.............................................................................................
যেসব খাবার খালি পেটে এড়ানো উচিত
.............................................................................................
চোখ কাঁপা যে ৫ রোগের ইঙ্গিত দেয়...
.............................................................................................
দৈহিক শক্তি বাড়ায় যেসব খাবার
.............................................................................................
গর্ভাবস্থায় ঘন ঘন প্রস্রাব ?
.............................................................................................
কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তির উপায়
.............................................................................................
ত্বকের বয়স কমায় পেঁয়াজ!
.............................................................................................
দাঁতে পাথর!
.............................................................................................
যে খাবারে হতে পারে ক্যানসার!
.............................................................................................
প্রেমের সমাপ্তি ভাঙনের ভয় থেকে
.............................................................................................
প্রতিদিন সকালে কমপক্ষে ১ গ্লাস পানি
.............................................................................................
বাসি ভাতে বিষক্রিয়া!
.............................................................................................
ডালিমের উপকারিতা
.............................................................................................
সকালের নাস্তায় মাশরুম
.............................................................................................
ওজন কমানোর জাদুকরী জুস
.............................................................................................
টিভির সামনে দুই ঘণ্টার বেশি নয়
.............................................................................................
হাড় ক্ষয় রোধে...
.............................................................................................
চুলের যত্ন
.............................................................................................
চিরতরে মুখের কালো দাগ মুছে দিতে!
.............................................................................................
চায়ের ভালো মন্দ
.............................................................................................
জাপানিরা শরীরের মেদ ঝরাতে যে পানীয় পান করেন
.............................................................................................
কিশমিশ খাওয়ার উপকারিতা
.............................................................................................
গুগলে নারীদের সবচেয়ে বেশি সার্চকৃত ১০টি সৌন্দর্য বিষয়ক প্রশ্নের উত্তর
.............................................................................................
৬টি কারণে হতে পারে নিতম্বে চুলকানি
.............................................................................................
প্রাকৃতিক উপায়ে মেছতা দূর করবেন যেভাবে
.............................................................................................
চেহারাকে সজীব রাখতে মুখ ধোয়ার পদ্ধতি!
.............................................................................................
লিপস্টিক দীর্ঘস্থায়ী রাখতে যা করবেন
.............................................................................................
স্মরণশক্তি বাড়ে ঘুমে
.............................................................................................
গরমে পুরুষের ত্বকের যত্নে করণীয়
.............................................................................................
১১টি সমস্যার সমাধান করবে ইসুবগুলের ভুষি!
.............................................................................................
৬টি উপায়ে নিজেকে লম্বা দেখাতে পারেন!
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft