শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   আইন - অপরাধ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
মেডিকেল প্রতিবেদন জমা হয়নি, খালেদার জামিন শুনানি পেছালো

স্টাফ রিপোর্টার : কারাবন্দি অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত অবস্থা নিয়ে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর মধ্য দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের জামিন আবেদনের শুনানিও পেছালো।

স্বাস্থ্য প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্ধারিত দিন বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিএসএমএমইউর পক্ষে সময় আবেদন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ আগামী ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দিয়ে ১২ ডিসেম্বর বিষয়টি পরবর্তী আদেশের জন্য দিন নির্ধারণ করেন।

এদিকে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত প্রতিবেদন দাখিলের পাশপাশি আজ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তার জামিন শুনানিও অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এ শুনানিতে স্বাস্থ্য প্রতিবেদন দাখিল না করা নিয়ে হৈচৈ করেছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। একপর্যায়ে প্রধান বিচারপতিসহ ৬ জন বিচারক তাদের আসন থেকে উঠে যান।

খালেদার স্বাস্থ্যগত তথ্যের বিষয়ে আদালতের কাছে সময় চান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তখন খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, আমাদের কাছে প্রতিবেদন আছে। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, কীসের প্রতিবেদন, ওটা ড্যাবের প্রতিবেদন। জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘বিএসএমএমইউর। গতকাল প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, খালেদা জিয়া রাজার হালে আছেন।’

এ পর্যায়ে বিএনপির আইনজীবীরা আদালতে হৈচৈ শুরু করেন। তবে মওদুদ আহমদসহ কয়েকজন সিনিয়র আইনজীবী তাদের থামানোর চেষ্টা করেন। এমন পরিপ্রেক্ষিতে বিচারকরা তাদের আসন থেকে উঠে যান।

মেডিকেল প্রতিবেদন জমা হয়নি, খালেদার জামিন শুনানি পেছালো
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : কারাবন্দি অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত অবস্থা নিয়ে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর মধ্য দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের জামিন আবেদনের শুনানিও পেছালো।

স্বাস্থ্য প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্ধারিত দিন বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিএসএমএমইউর পক্ষে সময় আবেদন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ আগামী ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দিয়ে ১২ ডিসেম্বর বিষয়টি পরবর্তী আদেশের জন্য দিন নির্ধারণ করেন।

এদিকে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত প্রতিবেদন দাখিলের পাশপাশি আজ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তার জামিন শুনানিও অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এ শুনানিতে স্বাস্থ্য প্রতিবেদন দাখিল না করা নিয়ে হৈচৈ করেছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। একপর্যায়ে প্রধান বিচারপতিসহ ৬ জন বিচারক তাদের আসন থেকে উঠে যান।

খালেদার স্বাস্থ্যগত তথ্যের বিষয়ে আদালতের কাছে সময় চান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তখন খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, আমাদের কাছে প্রতিবেদন আছে। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, কীসের প্রতিবেদন, ওটা ড্যাবের প্রতিবেদন। জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘বিএসএমএমইউর। গতকাল প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, খালেদা জিয়া রাজার হালে আছেন।’

এ পর্যায়ে বিএনপির আইনজীবীরা আদালতে হৈচৈ শুরু করেন। তবে মওদুদ আহমদসহ কয়েকজন সিনিয়র আইনজীবী তাদের থামানোর চেষ্টা করেন। এমন পরিপ্রেক্ষিতে বিচারকরা তাদের আসন থেকে উঠে যান।

অনিয়মের অভিযোগ : সুপ্রিম কোর্টের এফিডেভিট শাখার সবাইকে বদলি
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এফিডেভিট শাখার সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বদলি করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার ব্যারিস্টার মো. সাইফুর রহমান। তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এফিডেবিট শাখার সবাইকে বদলি করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

গতকাল সোমবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন সুপ্রিম কোর্টের এফিডেভিট শাখায় সিসি ক্যামেরা বসানোর পরও অনিয়ম চলা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন। এক মামলার শুনানিকে কেন্দ্র করে পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চে এই হতাশা প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি।

সোমবার একটি মামলা আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় ৩ নম্বর ক্রমিকে থাকার কথা থাকলেও সেটি ৯০ নম্বর ক্রমিকে দেখা যায়। এই অনিয়মের বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

তখন প্রধান বিচারপতি ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, কি আর করবো বলেন? এফিডেভিট শাখায় সিসি ক্যামেরা বসিয়েও অনিয়ম রুখতে পারছি না। এ সময় আপিল বিভাগের অন্য বিচারপতি উপস্থিত ছিলেন।

মাহমুদ হোসেন বলেন, সিসি ক্যামেরা বসালাম (এফিডেভিট শাখা কক্ষে), এখন সবাই বাইরে এসে এফিডেভিট করে। তখন অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, অনেকেই মামলার তালিকা ওপর নিচ করে কোটিপতি হয়ে গেছে।

তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের অনেক আইনজীবীও আদালতে আসেন না, বেতন বেশি হওয়ার কারণে এমন হচ্ছে। বেতন কম হলে তারা ঠিকই কষ্ট করে আদালতে আসতেন।

এরপর প্রধান বিচারপতি তাৎক্ষণিক এক আদেশে ডেপুটি রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসানকে আপিল বিভাগে তলব করেন। তবে মামলার সিরিয়াল করা নিয়ে মেহেদী হাসানের ব্যাখায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন প্রধান বিচারপতি নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ। তাকে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করে দেন। পরে ডেপুটি রেজিস্ট্রারকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যা : পলাতক চার আসামির সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে পলাতক চার আসামির সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।  এছাড়া আগামী ৫ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মূখ্য মহানগর হাকিম মো. কায়সারুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হেমায়েত উদ্দিন খান হিরণ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত ১৮ নভেম্বর আদালত ওই আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। গ্রেপ্তার এড়াতে আসামিরা পলাতক রয়েছেন মর্মে মঙ্গলবার পুলিশ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরপর আদালত পলাতকদের সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন।

এছাড়া মামলাটিতে স্বীকারোক্তিকারী আসামি মো. মেফতাহুল ইসলাম জিয়নের পক্ষে আইনজীবী গোলাম নূর-ই-আজমতার কাজল স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের আবেদন করেন। যা আদালত  আসামির স্বাক্ষর করিয়ে নথিভুক্তের আদেশ দিয়েছেন।

যাদের সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেওয়া হয়েছে তারা হলেন- রংপুর জেলার কোতয়ালি থানার পাকপাড়ার বাসিন্দা ডা. মো. আব্দুল জলিল মন্ডলের ছেলে বুয়েটের ইলেকট্রিক এন্ড ইলেকট্রনিক্স বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র মুহাম্মাদ মোর্শেদ-উজ-জামান মন্ডল ওরফে জিসান (২২), নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানার নেয়ামতপুর মুন্সিপাড়ার আবু মো. কাউছার ওরফে পিন্টুর ছেলে বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র এহতেশামুল রাব্বি ওরফে তানিম (২০), চাঁপাইনাবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার কাজী গ্রামের মো. রবিউল ইসলামের ছেলে বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র মোর্শেদ অমত্য ইসলাম (২২) এবং দিনাজপুর জেলার কোতয়ালি থানার উত্তর বালু বাড়ির ছায়েদুল হকের ছেলে বুয়েটের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৬তম ব্যাচের ছাত্র মুজতবা রাফিদ (২১)।

এর আগে গত ১৩ নভেম্বর মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. ওয়াহিদুজ্জামান আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছেন।

উল্লেখ্য, আবরার বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭তম ব্যাচ) ছাত্র ছিলেন। তিনি থাকতেন বুয়েটের শেরেবাংলা হলের নিচতলার ১০১১ নম্বর কক্ষে। গত ৬ অক্টোবর একই হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে তাঁকে নির্যাতন করে তাকে হত্যা করা হয়। রাত তিনটার দিকে হল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের পর তার বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে গত ৭ অক্টোবর সন্ধ্যার পর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

স্ত্রীর মামলায় পুলিশ সার্জেন্ট জেল হাজতে
                                  

মিলন রায়হান, জয়পুরহাটঃ বগুড়ায় কর্মরত পুলিশের সার্জেন্ট তরিকুল ইসলাম (৩২) কে স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুক নিরোধ আইনের মামলায় কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দিয়েছে জয়পুরহাটের আদালত। সোমবার দুপুরে জয়পুরহাট চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নাহিদ আখতার জুলিয়েট এ আদেশ দেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার নিশ্চিতা বাজার এলাকার গোলাম মোস্তফার মাস্টার্সে অধ্যয়নরত মেয়ে মায়া আকতারের সাথে এ বছরের ১৪ আগস্ট একই উপজেলার শিশি নাজিরপাড়া উত্তর হাট শহর গ্রামের তোজাম্মেল হোসেনের ছেলে তরিকুল ইসলামের পারিবারিক ভাবে বিয়ের আলোচনা হয়। তরিকুল ডিফেন্সে চাকুরি করায় তার ডিপার্টমেন্টের অনুমতি প্রয়োজন। এ জন্য ঐ দিনই তাদের কাজী দ্বারা মৌখিক বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর তরিকুল মায়ার নিকট ২০ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবী করেন। মায়া যৌতুক দিয়ে রাজি না হলে তাকে মারধর করতে থাকে। তারপর পারিবারিক ভাবে ১১ নভেম্বর তাদের ৬ লক্ষ ১ টাকা দেন মোহরে তাদের বিবাহের রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়। পরে তরিকুল, মায়ার নিকট আবারো ২০ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবী করে। মায়ার পরিবার যৌতুক দিতে রাজি না হওয়ায় তাকে মারপিট, গলাধাক্কা, টানা-হেচড়া করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। পরে ১৪ নভেম্বর মায়া আকতার বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন। সোমবার আদালতে জামিন আবেদন করলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানো নির্দেশ দেয়।

জয়পুরহাট কোর্ট ইন্সপেক্টর মাহবুবুর রহমান জেল হাজতে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সুবর্ণচওে আবারো গণধর্ষণ
                                  

নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার দক্ষিণ চর মজিদ আশ্রয়ণ কেন্দ্রে আবারও স্থানীয় সন্ত্রাসীদের সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ (২৮)। শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় সন্ত্রাসীরা ওই নারীর বসত ঘরে হামলা চালিয়ে লুটপাট করে সব নিয়ে গেছে। পরে স্থানীয়রা অচেতন অবস্থায় ওই নারী উদ্ধার করে এবং শনিবার বিকেলে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান। রাতে হাসপাতালে নির্যাতিতা ওই নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আলামত সংগ্রহ করেন চিকিৎসক।

নির্যাতিতা ওই নারী জানান, তার দাদি শাশুড়ির মৃত্যুর কারণে স্বামী বাড়িতে ছিলেন না। তিনি ঘরে একা ছিলেন। রাত প্রায় দেড়টার দিকে ৯ জন তার দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে। তাদের হাতে দেশীয় বেশ কিছু অস্ত্রও ছিল। এসময় তিনি চিৎকার দিলে অস্ত্র দেখিয়ে একজন মুখ চেপে ধরে। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে পাঁচজন পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে এবং তার গলায় ও কানে থাকা স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেয়। এ সময় তাকে মারধরও করে তারা। তিনি ধর্ষণকারী ও হামলাকারীদের সবাইকে চেনেন। তারা এলাকার সন্ত্রাসী।

তিনি জানান, আগামীকাল রোববার (১ ডিসেম্বর) তার দেবরের জামিন চাওয়ার জন্য ঘরে ২০ হাজার টাকা রাখা ছিল। ধর্ষকরা টাকাগুলোও নিয়ে যায়। এ সময় তারা ঘরের সমস্ত আসবাবপত্র তছনছ করে এবং ঘরের বেড়া কুপিয়ে ও পিটিয়ে ভাঙচুর করে। ঘরের বাইরে থাকা দুটি বৈদ্যুতিক লাইট খুলে অন্ধকার করে চলে যায়। ধর্ষকদের তাণ্ডবের আওয়াজে আশপাশের লোকজন এলেও ভয়ে কেউ তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেনি। এক পর্যায়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

এ বিষয়ে চরজব্বার থানা পুলিশের ওসি সাহেদ উদ্দিন ভাঙচুরের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নির্যাতিতাকে থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলেও জানান তিনি।

খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের প্রতিবেদন চেয়েছেন আপিল বিভাগ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে জানতে মেডিকেল বোর্ডের প্রতিবেদন চেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আগামী ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়-বিএসএমএমইউকে এ প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। সেই সঙ্গে ওই দিন পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন, মওদুদ আহমদ ও জয়নুল আবেদীন। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

শুনানিতে মানবিক দিক বিবেচনা করে খালেদা জিয়ার জামিন চেয়েছেন জয়নুল আবেদীন।

গত ২৫ নভেম্বর জামিন আবেদনের শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ ২৮ নভেম্বর দিন ঠিক করেন।

এর আগে ১৭ নভেম্বর এ আবেদন উপস্থাপনের পর আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান শুনানির জন্য ২৫ নভেম্বর পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠানোর আদেশ দেন। সেই অনুসারে সোমবার আবেদনটি কার্যতালিকায় আসে। গত ১৪ নভেম্বর আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় জামিন চেয়ে আপিল আবেদন করা হয়।

এদিকে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের কারাদ- পেয়ে বন্দি রয়েছেন খালেদা জিয়া। আপিলের পর হাইকোর্টে যা বেড়ে ১০ বছর হয়। পরে ২০১৮ সালের ১৮ নভেম্বর খালাস চেয়ে আপিল বিভাগে খালেদা জিয়া জামিন আবেদন করেন। তবে সেই আবেদন এখনো আদালতে উপস্থাপন করেননি তার আইনজীবীরা।

গত বছরের ২৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের সাত নম্বর কক্ষে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫’র বিচারক মো. আখতারুজ্জামান (বর্তমানে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি) জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

একইসঙ্গে তাকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদ- দেওয়া হয়। একই সাজা হয়েছে মামলার অপর তিন আসামিরও।

খালেদা জিয়ার পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত অপর তিন আসামি হলেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সদ্যপ্রয়াত সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

গত বছরের ১৮ নভেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এর বিরুদ্ধে আপিল করা হয়। পরে গত ৩০ এপ্রিল জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাত বছরের দ-ের বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে অর্থদ- স্থগিত এবং সম্পত্তি জব্দ করার ওপর স্থিতাবস্থা দিয়ে দুই মাসের মধ্যে ওই মামলার নথি তলব করেছিলেন।

এরপর ২০ জুন বিচারিক আদালত থেকে মামলার নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। ৩১ জুলাই বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ তার জামিন আবেদন খারিজ করে দেন। পরে ১১ সেপ্টেম্বর ফের জামিন আবেদন ফেরত দেন বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি এএসএম আব্দুল মোবিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা করা হয়। ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

তদন্ত শেষে ২০১২ সালে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদাসহ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শেষ হলে দুদকের পক্ষে এই মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণা করা হয়।

হলি আর্টিজান মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায় ঘোষণা করেছে ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। রায়ে মামলার আট আসামির মধ্যে সাতজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। একজন খালাস পেয়েছেন।

বুধবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আট আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী, রাকিবুল হাসান রিগান, রাশেদুল ইসলাম ওরফে র‌্যাশ, সোহেল মাহফুজ, হাদিসুর রহমান সাগর, শরিফুল ইসলাম ও মামুনুর রশিদ।
 
আদালত আদেশে উল্লেখ করেন, জাহাঙ্গির হোসেন, আসলাম হোসেন র‌্যাশ, হাদিসুর রহমান সাগর, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, মো. আব্দুল সবুর খান, শরিফুল ইসলাম খালেক ও মামুনুর রশীদ রিপনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯ এর ৬ (২) (অ) ধারায় দোষীসাব্যস্ত করা হলো এবং তাদের প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হলো এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হলো। তাদের মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রেখে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার নির্দেশ দেয়া হলো।

এর আগে তাদেরকে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে কারাগার থেকে আদালতে নেয়া হয়। পরে আদালতের হাজতখানা থেকে দুপুর ১২টার দিকে আসামিদের আদালতে তোলা হয়।
 
আদালতে তোলার সময় আসামি আসলাম হোসেন সরদার ভি চিহ্ন দেখান। তাদের মধ্যে অধিকাংশের মুখেই হাসি ছিল। আসামি জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধীও হাসিমুখে ছিলেন। দুপুর ১২টা ৫ মিনিটের দিকে বিচারক রায় পড়া শুরু করেন। আসামিদের উপস্থিতিতে বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন।

এদিকে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ এ জঙ্গি হামলার মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত পাড়াসহ রাজধানী ঢাকা ও সারাদেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আদালত চত্বর ও এর আশপাশ এলাকায় র‌্যাব, পুলিশ ও সাদা পোশাকের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নজরদারিতে রেখেছেন।

২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিসানে হামলা চালিয়ে বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। তাদের গুলিতে দুই পুলিশ কর্মকর্তাও নিহত হন। পরে অভিযানে পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। ওই ঘটনায় পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করে পুলিশ।

গত ১৭ নভেম্বর ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণা জন্য আজ ২৭ নভেম্বর (বুধবার) দিন ধার্য করেন।

মামলা দায়ের করার পর ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) পরিদর্শক হুমায়ুন কবির। একই বছর ২৬ নভেম্বর ৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার বিচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

দ-প্রাপ্ত আট আসামি ছাড়াও বিভিন্ন অভিযানে ১৩ জন নিহত হওয়ায় মামলা থেকে তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি দেয়া হয়।

এছাড়া হলি আর্টিসানে সেনাবাহিনীর অপারেশন থান্ডারবোল্টে নিহত পাঁচ হামলাকারী হলেন- রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, মীর সামেহ মোবাশ্বের, নিবরাস ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল ও খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল।

আলোচিত এ মামলায় আসামিদের মধ্যে বিভিন্ন ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযানে আটজন নিহত হয়েছেন। তারা হলেন- তামিম আহমেদ চৌধুরী, নুরুল ইসলাম মারজান, তানভীর কাদেরী, মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম ওরফে মুরাদ, রায়হান কবির তারেক, সারোয়ান জাহান মানিক, বাশারুজ্জামান ওরফে চকলেট ও মিজানুর রহমান ওরফে ছোট মিজান।

হলি আর্টিজান মামলার রায় আজ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : গুলশানে আলোচিত হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলা মামলার রায় আজ বুধবার ঘোষণা করা হবে। ঢাকার সন্ত্রাস দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এই রায় ঘোষণা করবেন।  মামলা দায়েরের তিন বছর চার মাস পর দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ এ জঙ্গি হামলা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

মামলায় ২১১ সাক্ষীর মধ্যে ১১৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। রায়ে আট আসামির মৃত্যুদণ্ড আশা করছেন রাষ্ট্রপক্ষ। অপরদিকে আসামি পক্ষ আদালতের কাছে ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গোলাম সারোয়ার খান জাকির বলেন, হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার ঘটনায় করা মামলায় রায়ে আট আসামির মৃত্যুদণ্ড আশা করছি। সাক্ষ্য প্রমাণে তা প্রমাণ করতে পেরেছি যে আসামিরা অপরাধী। তাই আশা করছি আট আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিবেন বিচারক।

অপরদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, সাক্ষীর জেরা ও যুক্তি উপস্থাপনে আমরা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি যে আসামিরা অপরাধ করেনি। তাই রায়ে আদালতের কাছে ন্যায় বিচার চাই।

জঙ্গি বা সন্ত্রাসবাদ নিপাত করে একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ গঠনের জন্য হামলাকারীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদানের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এ ঘটনায় নিহতদের স্বজনরা। নিহত পুলিশ কর্মকর্তা রবিউল করিমের ছোটো ভাই শামসুজ্জামান শামস বলেন, যারা এর সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হয়। এই রায় আমাদের শুধু পরিবারের চাওয়া নয়, সন্ত্রাস দমনে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও এর গুরুত্ব রয়েছে।

এদিকে, রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে সারাদেশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। বিশেষ করে কারাবন্দি দাগি জঙ্গিদের নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে। এর আগে ১৭ নভেম্বর ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণা জন্য ২৭ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।

২০১৬ সালের ১ জুলাই রাত পৌনে ৯টার দিকে হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা করে পাঁচ জঙ্গি। তারা ভেতরে থাকা সবাইকে জিম্মি করে। পুলিশের তাৎক্ষণিক অভিযানের সময় জঙ্গি হামলায় নিহত হন ডিবির সহকারী কমিশনার রবিউল করিম ও বনানী থানার ওসি সালেহ উদ্দিন। পরদিন সকালে সেনা কমান্ডোদের অভিযানে রোহান ইমতিয়াজ, নিবরাস ইসলাম, মীর সামিহ মোবাশ্বীর, খায়রুল ইসলাম পায়েল ও শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল নামে পাঁচ জঙ্গি নিহত হন। পরে হলি আর্টিজান থেকে ১৭ বিদেশি ও চার বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে জঙ্গিরা। ঘটনার দুই দিন পর গুলশান থানার এসআই উত্তম কুমার বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।

২০১৮ সালের ২৩ জুলাই আটজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট-সিটিটিসি পরিদর্শক হুমায়ুন কবির। একই বছর ২৬ নভেম্বর আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার বিচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

মামলার আসামিরা হলেন- জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী, রাকিবুল হাসান রিগান, রাশেদুল ইসলাম ওরফে র‌্যাশ, সোহেল মাহফুজ, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, হাদিসুর রহমান সাগর, শরিফুল ইসলাম ও মামুনুর রশিদ। এছাড়া বিভিন্ন অভিযানে ১৩ জন নিহত হওয়ায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি দেয়া হয়।

হলি আর্টিজানে সেনাবাহিনীর অপারেশন থান্ডারবোল্টে নিহত পাঁচ হামলাকারী হলেন- রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, মীর সামেহ মোবাশ্বের, নিবরাস ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল ও খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল। এছাড়া এ মামলায় আসামিদের মধ্যে বিভিন্ন ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযানে নিহত আটজন হলেন- তামিম আহমেদ চৌধুরী, নুরুল ইসলাম মারজান, তানভীর কাদেরী, মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম ওরফে মুরাদ, রায়হান কবির তারেক, সারোয়ান জাহান মানিক, বাশারুজ্জামান ওরফে চকলেট ও মিজানুর রহমান ওরফে ছোট মিজান।

হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলা মামলার রায় কাল
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : গুলশানে আলোচিত হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলা মামলার রায় আগামীকাল ঘোষণা করা হবে। ঢাকার সন্ত্রাস দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এই রায় ঘোষণা করবেন।

মামলা দায়েরের তিন বছর চার মাস পর দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ এ জঙ্গি হামলা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। মামলায় ২১১ সাক্ষীর মধ্যে ১১৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। রায়ে আট আসামির মৃত্যুদণ্ড আশা করছেন রাষ্ট্রপক্ষ। অপরদিকে আসামি পক্ষ আদালতের কাছে ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গোলাম সারোয়ার খান জাকির বলেন, হলি আর্টিসান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার ঘটনায় করা মামলায় রায়ে আট আসামির মৃত্যুদণ্ড আশা করছি। সাক্ষ্য প্রমাণে তা প্রমাণ করতে পেরেছি যে আসামিরা অপরাধী। তাই আশা করছি আট আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুণ্ডের আদেশ দিবেন বিচারক।

অপরদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, সাক্ষীর জেরা ও যুক্তি উপস্থাপনে আমরা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি যে আসামিরা অপরাধ করেনি। তাই রায়ে আদালতের কাছে ন্যায় বিচার চাই।

জঙ্গি বা সন্ত্রাসবাদ নিপাত করে একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ গঠনের জন্য হামলাকারীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদানের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এ ঘটনায় নিহতদের স্বজনরা। নিহত পুলিশ কর্মকর্তা রবিউল করিমের ছোটো ভাই শামসুজ্জামান শামস বলেন, যারা এর সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হয়। এই রায় আমাদের শুধু পরিবারের চাওয়া নয়, সন্ত্রাস দমনে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও এর গুরুত্ব রয়েছে।

এদিকে, রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে সারাদেশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। বিশেষ করে কারাবন্দি দাগি জঙ্গিদের নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে।

এর আগে ১৭ নভেম্বর ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণা জন্য ২৭ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।

২০১৬ সালের ১ জুলাই রাত পৌনে ৯টার দিকে হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা করে পাঁচ জঙ্গি। তারা ভেতরে থাকা সবাইকে জিম্মি করে। পুলিশের তাৎক্ষণিক অভিযানের সময় জঙ্গি হামলায় নিহত হন ডিবির সহকারী কমিশনার রবিউল করিম ও বনানী থানার ওসি সালেহ উদ্দিন। পরদিন সকালে সেনা কমান্ডোদের অভিযানে রোহান ইমতিয়াজ, নিবরাস ইসলাম, মীর সামিহ মোবাশ্বীর, খায়রুল ইসলাম পায়েল ও শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল নামে পাঁচ জঙ্গি নিহত হন। পরে হলি আর্টিজান থেকে ১৭ বিদেশি ও চার বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে জঙ্গিরা। ঘটনার দুই দিন পর গুলশান থানার এসআই উত্তম কুমার বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।

২০১৮ সালের ২৩ জুলাই আটজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট-সিটিটিসি পরিদর্শক হুমায়ুন কবির। একই বছর ২৬ নভেম্বর আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার বিচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

মামলার আসামিরা হলেন- জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী, রাকিবুল হাসান রিগান, রাশেদুল ইসলাম ওরফে র‌্যাশ, সোহেল মাহফুজ, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, হাদিসুর রহমান সাগর, শরিফুল ইসলাম ও মামুনুর রশিদ। এছাড়া বিভিন্ন অভিযানে ১৩ জন নিহত হওয়ায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি দেয়া হয়।

হলি আর্টিজানে সেনাবাহিনীর অপারেশন থান্ডারবোল্টে নিহত পাঁচ হামলাকারী হলেন- রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, মীর সামেহ মোবাশ্বের, নিবরাস ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল ও খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল।

এছাড়া এ মামলায় আসামিদের মধ্যে বিভিন্ন ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযানে নিহত আটজন হলেন- তামিম আহমেদ চৌধুরী, নুরুল ইসলাম মারজান, তানভীর কাদেরী, মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম ওরফে মুরাদ, রায়হান কবির তারেক, সারোয়ান জাহান মানিক, বাশারুজ্জামান ওরফে চকলেট ও মিজানুর রহমান ওরফে ছোট মিজান।

সাগর-রুনি হত্যা : ৬৯ বার পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ ডিসেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে আলোচিত এ হত্যাকা-ের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ৬৯ বার পেছাল।

বৃহস্পতিবার এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে, এদিন প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার শফিকুল আলম। তাই, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবব্রত বিশ্বাস ৩০ ডিসেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেন।

গত ১১ নভেম্বর চাঞ্চল্যকর এই মামলার তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খন্দকার শফিকুল আলম সেদিন আদালতকে জানান, তদন্তে কোনো ক্লু (সূত্র) পাওয়া যায়নি। চারটি ডিএনএ প্রতিবেদনের মধ্যে দু’টি মিলেছে। এ দু’টিতে আসামিদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে সেগুলো ফের যুক্তরাষ্ট্রে এফবিআই’র ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ওই বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলাটির তদন্ত করেন শেরেবাংলা নগর থানার এক কর্মকর্তা। ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত ভার পড়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. রবিউল আলমের ওপর।

দুই মাস পর হাইকোর্টের আদেশে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র‌্যাব)। সেই থেকে সাত বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি তারা।

শর্তসাপেক্ষে বিটিআরসিকে ২০০ কোটি টাকা দিতে রাজি গ্রামীণফোন
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : শর্তসাপেক্ষে ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকার মধ্যে দুইশত কোটি টাকা বিটিআরসিকে দিতে রাজি হয়েছে মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন।

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চে গ্রামীণফোনের আইনজীবী ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস এ তথ্য জানিয়েছেন। এরপর এ বিষয়ে শুনানি ও আদেশের জন্য আগমী ১৮ নভেম্বর দিন ঠিক করেছেন আপিল বিভাগ।

আদালতে ফজলে নূর তাপস বলেন, গত ৩ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয় এবং ডাক ও টেলি যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বসে আমাদের ব্যবসার বাধা দূরকরণে কিছু শর্ত দিয়েছি। তারা শর্তগুলো মানলে আমরা ২০০ কোটি টাকা দিতে রাজি আছি।

তবে বিটিআরসির আইনজীবী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আদালতের কাছে গ্রামীণফোনের কাছে পাওনা ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা আদায়ের ওপর নিষেধাজ্ঞার আদেশ স্থগিত চেয়েছেন।

এদিকে বিটিআরসির আরেক আইনজীবী খোন্দকার রেজা-ই রাব্বী সাংবাদিকদের বলেছেন, গ্রামীণফোনের কাছে পাওনা ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকার মধ্যে অর্ধেক টাকা দিতে সম্মত হলে আমরা আলোচনায় বসতে রাজি আছি।

এর আগে গত ২৪ অক্টোবর ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকার মধ্যে গ্রামীণ ফোন আপাতত বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) কত টাকা দিতে পারবে তা জানাতে বলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

গত ১৭ অক্টোবর গ্রামীণফোনের কাছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) পাওনা ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা আদায়ের ওপর দুই মাসের অন্তর্বর্তীকালীন  নিষেধাজ্ঞা দেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি আবদুল হাকিম ও বিচারপতি ফাতেমা নজীবের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে এই আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে বিটিআরসি।

এর আগে প্রায় ২৭টি খাতে ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা দাবি করে গ্রামীণফোনকে গত ২ এপ্রিল চিঠি দেয় বিটিআরসি। এই চিঠির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অর্থ আদায়ের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে গ্রামীণফোন নিম্ন আদালতে একটি মামলা করে। এরপর গত ২৮ আগস্ট নিম্ন আদালত গ্রামীণফোনের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন নামঞ্জুর করেন। পরে ওই নামঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে গ্রামীণফোন।

পরে ওই আপিলটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে দুই মাসের জন্য গ্রামীণফোনের কাছ থেকে টাকা আদায়ে নিষেধাজ্ঞা দিলেন হাইকোর্ট।

লতিফ সিদ্দিকীর জামিন স্থগিত
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের করা এক মামলায় সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে দেওয়া হাইকোর্টের জামিন আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ।

সোমবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ওই জামিন আদেশ ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করেন। এই এক সপ্তাহের মধ্যে দুদককে ওই জামিন আদেশের বিরুদ্ধে নিয়মিত লিভ টু আপিল করতে বলা হয়েছে।

আপিল বিভাগে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। আর লতিফ সিদ্দিকীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী।

বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ৪ নভেম্বর লতিফ সিদ্দিকীকে ছয় মাসের জামিন দেয়। পাশাপাশি রুল জারি করে।

হাইকোর্টের ওই আদেশ স্থগিত চেয়ে গত ৭ নভেম্বর আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে যায় দুদক।

সেদিন চেম্বার আদালত দুদকের আবেদনে কোনো আদেশ না দিয়ে আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়ে সোমবার শুনানির জন্য রাখে।  

এর মধ্যে লতিফ সিদ্দিকী যেন মুক্তি না পায় সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সে বিষয়টিও নিশ্চিত করতে বলে চেম্বার আদালত।

আপিল বিভাগের এ আদেশের ফলে লতিফ সিদ্দিকীকে আপাতত কারাগারেই থাকতে হচ্ছে।

টাঙ্গাইল-৪ আসনের সাবেক সাংসদ লতিফ সিদ্দিকী ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন। ওই সময় তিনি দুর্নীতি করেছেন অভিযোগ করে ২০১৭ সালের ১৭ অক্টোবর বগুড়ার আদমদীঘি থানায় এই মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম।

সেখানে বলা হয়, মন্ত্রী থাকাকালে লতিফ ক্ষমতার অপব্যবহার করে বাংলাদেশ জুট করপোরেশনের অধীনে থাকা বগুড়ার আদমদীঘির রানীনগর ক্রয় কেন্দ্রের ২ দশমিক ৩৮ একর জমি দরপত্রের বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই বেগম জাহানারা রশিদ নামে এক নারীর কছে বিক্রির নির্দেশ দেন, তাতে সরকারের ৪০ লাখ ৬৯ হাজার ২১ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়

মামলায় বেগম জাহানারা রশিদকেও আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে গতবছর ১৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। গত ২০ জুন লতিফ সিদ্দিকী এ মামলায় বগুড়ার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে বিচারক তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর তার আইনজীবীরা জামিনের জন্য উচ্চ আদালতে আসেন।

সম্রাটকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : অস্ত্র আইনের মামলায় ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেছে র‌্যাব।

বুধবার ঢাকা মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে চার্জশিট জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর উপ-পরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক।

রমনা থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক নিজাম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর সম্রাটের নাম আসার পর থেকেই তাকে নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়। অভিযান শুরুর পর হাইপ্রোফাইল কয়েকজন গ্রেফতার হলেও খোঁজ মিলছিল না সম্রাটের। এসবের মধ্যে তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়। এরপর ৫ অক্টোবর রাত থেকেই তার গ্রেফতার হওয়ার খবর এলেও পরদিন সকালে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

৬ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা সম্রাটকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। তার সঙ্গে আরমানকেও গ্রেফতার করা হয়। পরে ঢাকায় এনে তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়।

৬ অক্টোবর দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল কাকরাইলে ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে তালা ভেঙে সম্রাটের কার্যালয়ে ঢুকে অভিযান শুরু করে। নিজ কার্যালয়ে পশুর চামড়া রাখার দায়ে তার ছয় মাসের জেল দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

এছাড়াও র‌্যাব-১ বাদী হয়ে রমনা মডেল থানায় সম্রাটের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করে। দুই মামলার বাদী র‌্যাব-১ এর ডিএডি আব্দুল খালেক।

৭ অক্টোবর বিকেলে র‌্যাব-১ এর ডিএডি আব্দুল খালেক বাদী হয়ে রমনা থানায় দু’টি মামলা করেন। এর মধ্যে অস্ত্র মামলায় সম্রাটকে একমাত্র আসামি করা হয়। মাদক মামলায় সম্রাট এবং আরমানকে আসামি করা হয়।

গত ১৫ অক্টোবর মাদক মামলায় পাঁচ দিন এবং অস্ত্র আইনের মামলায় পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ২৪ অক্টোবর রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই আছেন।

জামিন পেলেন ড. ইউনূস
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : নিজের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সে ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করায় চাকরিচ্যুতির অভিযোগে দায়ের করা তিন মামলায় নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।  

রোববার ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাকিয়া পারভিনের আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। পরে শুনানি শেষে আদালত ১০ হাজার টাকার মুচলেকায় তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

গত ৩ জুলাই ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে ড. ইউনূসসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের প্রস্তাবিত শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালামসহ সদ্য চাকরিচ্যুত তিন কর্মচারী। পরে আদালত ৮ অক্টোবর আসামিদের হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করে। ৯ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানে ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করায় চাকরিচ্যুত করার অভিযোগে তিন মামলায় ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়।

ড. ইউনূস ছাড়াও এই মামলায় অভিযুক্ত অপর দুজন হলেন গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা ও উপ-মহাব্যবস্থাপক খন্দকার আবু আবেদীন।

স্কুলছাত্র আবরারের মৃত্যু : ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে নোটিশ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : আলোর প্রথম আলোর সহযোগী সাময়িকী কিশোর আলোর বর্ষপূর্তিতে এসে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র নাইমুল আবরারের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

দৈনিক প্রথম আলোর প্রকাশক, সম্পাদক এবং সাময়িকী কিশোর আলোর সম্পাদককে ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়েছে।

আজ রোববার কলেজটির সাবেক শিক্ষার্থী ওবায়েদ আহমেদের পক্ষে আইনজীবী ফাইজুল্লাহ ফয়েজ এই নোটিশ পাঠান।

দৈনিক প্রথম আলোর প্রকাশক ও সম্পাদক, সাময়িকী কিশোর আলোর সম্পাদক, তথ্য মন্ত্রণালয় সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিব ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সচিবকে এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের অনুষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

নোটিশ প্রাপ্তির তিনদিনের মধ্যে দৈনিক প্রথম আলোর প্রকাশক, সম্পাদক এবং সাময়িকী কিশোর আলোর সম্পাদককে ঘটনার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। এছাড়াও ওই ঘটনায় ক্ষতিপূরণের ১০ কোটি টাকা নিহত নাইমুল আবরার রাহাতের পরিবারকে হস্তান্তর করতে বলা হয়েছে।

ক্ষতিপূরণ না দিলে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত শুক্রবার ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত কিশোর আলোর বর্ষপূর্তিতে এসেছিল আবরার। সেখানে বিকালে অনুষ্ঠান চলাকালে বিদুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হয় সে। তাৎক্ষণিকভাবে ওই মাঠে স্থাপিত জরুরি মেডিক্যাল ক্যাম্পের দু’জন বিশেষজ্ঞ (এফসিপিএস) চিকিৎসক নাইমুলকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। এরপর তাকে মহাখালীর বেসরকারি ইউনিভার্সেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আবরারকে মৃত ঘোষণা করেন।

মোয়াজ্জেমের মামলা ৪০ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যার ঘটনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেফতার সোনাগাজী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেনকে জামিন দেননি হাইকোর্ট।

তবে ৪০ কার্যদিবসরে মধ্যে এ মামলা নিষ্পত্তি করতে বলেছেন। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি না হলে তার জামিন বিবেচনা করতে বলেছেন আদালত।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাই কোর্ট বেঞ্চ রোববার এ আদেশ দেয়।
 
মোয়াজ্জেম হোসেনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আহসান উল্লাহ ও রানা কাওসার। আর জামিনের বিরোধিতা করে শুনানি করেন আইনজীবী সায়েদুল হক সুমন।

ফেনীর সোনাগাজীর ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফির জবানবন্দির ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়ানোর ঘটনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গত ১৭ জুলাই সোনাগাজীর সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়।

এর বিরুদ্ধে ৩১ জুলাই হাইকোর্টে আপিল করে জামিন চান তিনি। এরপর ২৭ অগাস্ট হাইকোর্ট ওসি মোয়াজ্জেমের করা আপিলটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে ১৩ অক্টোবর শুনানির জন্য রাখে।

সেই ধারাবাহিকতায় গত ১৬ অক্টোবর জামিন শুনানি শেষে আদালত বিষয়টি রোববার আদেশের জন্য রেখেছিল।

নুসরাত গত মার্চ মাসে তার মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানীর অভিযোগ করলে সোনাগাজী থানার তৎকালীন ওসি মোয়াজ্জেম তাকে থানায় ডেকে জবানবন্দি নিয়েছিলেন।

তার কয়েক দিনের মাথায় মাদ্রাসার ছাদে নিয়ে নুসরাতের গায়ে অগ্নিসংযোগ করা হলে ওসির বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে সারাদেশে আলোচনার মধ্যে নুসরাতের সেই জবানবন্দির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

অগ্নিদগ্ধ নুসরাতের মৃত্যুর পর গত ১৫ এপ্রিল ওই ভিডিও ছড়ানোর জন্য ওসি মোয়াজ্জেমকে আসামি করে ঢাকায় বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন আইনজীবী সৈযয়দ সায়েদুল হক সুমন।

তদন্ত করে পিবিআই জানায়, নুসরাতের জবানবন্দি ভিডিও করে ওসি মোয়াজ্জেম যে তা ছড়িয়ে দিয়েছেন, তদন্তে সেই প্রমাণ মিলেছে।

এই মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়ে গত ১৬ জুন গোপনে হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন ওসি মোয়াজ্জেম। আদালত পরদিন অর্থাৎ ১৭ জুন আবেদনটি শুনানির জন্য রাখলেও ওই দিনই সুপ্রিম কোর্ট এলাকা থেকে ওসি মোয়াজ্জেমকে গ্রেপ্তার করে শাহবাগ থানা পুলিশ।

মোয়াজ্জেমকে ১৭ জুন সাইবার ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে ওই দিন আদালত তার জমিন আবেদন খারিজ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।


   Page 1 of 78
     আইন - অপরাধ
মেডিকেল প্রতিবেদন জমা হয়নি, খালেদার জামিন শুনানি পেছালো
.............................................................................................
অনিয়মের অভিযোগ : সুপ্রিম কোর্টের এফিডেভিট শাখার সবাইকে বদলি
.............................................................................................
বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যা : পলাতক চার আসামির সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ
.............................................................................................
স্ত্রীর মামলায় পুলিশ সার্জেন্ট জেল হাজতে
.............................................................................................
সুবর্ণচওে আবারো গণধর্ষণ
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের প্রতিবেদন চেয়েছেন আপিল বিভাগ
.............................................................................................
হলি আর্টিজান মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড
.............................................................................................
হলি আর্টিজান মামলার রায় আজ
.............................................................................................
হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলা মামলার রায় কাল
.............................................................................................
সাগর-রুনি হত্যা : ৬৯ বার পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন
.............................................................................................
শর্তসাপেক্ষে বিটিআরসিকে ২০০ কোটি টাকা দিতে রাজি গ্রামীণফোন
.............................................................................................
লতিফ সিদ্দিকীর জামিন স্থগিত
.............................................................................................
সম্রাটকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল
.............................................................................................
জামিন পেলেন ড. ইউনূস
.............................................................................................
স্কুলছাত্র আবরারের মৃত্যু : ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে নোটিশ
.............................................................................................
মোয়াজ্জেমের মামলা ৪০ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ
.............................................................................................
যুদ্ধাপরাধী আজহারের মৃত্যুদণ্ড আপিলেও বহাল
.............................................................................................
রাজৈরে মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণ, ধর্ষক গ্রেফতার
.............................................................................................
সাজার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে এমপি হারুনের আপিল
.............................................................................................
সাতক্ষীরা পাসপোর্ট অফিসে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান
.............................................................................................
কর্মস্থল-শপিংমলসহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনে রুল
.............................................................................................
নুসরাত হত্যা মামলার রায় কাল
.............................................................................................
মানবতাবিরোধী অপরাধ : ওয়াহিদুল হকের বিচার শুরু
.............................................................................................
আদালতে সম্রাট, বাইরে সমর্থকদের ভিড়
.............................................................................................
মানবতাবিরোধী অপরাধ : গাইবান্ধার পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড
.............................................................................................
মানবতাবিরোধী অপরাধ : গাইবান্ধার ৫ জনের রায় আজ
.............................................................................................
মানবতাবিরোধী অপরাধ : গাইবান্ধার ৫ জনের রায় মঙ্গলবার
.............................................................................................
এক মাসের মধ্যে রাজীবের দুই ভাইকে ১০ লাখ টাকা দেয়ার নির্দেশ
.............................................................................................
রিশা হত্যার রায় আজ
.............................................................................................
রিশা হত্যার রায় পেছাল
.............................................................................................
রিশা হত্যার রায় আজ
.............................................................................................
ভাতিজিকে ধর্ষণ করে ভিডিও ফেসবুকে!
.............................................................................................
অনলাইনে ক্যাসিনো : সেলিম প্রধান রিমান্ডে
.............................................................................................
সম্রাট আটক!
.............................................................................................
জি কে শামীমের সাত দেহরক্ষী কারাগারে
.............................................................................................
শামীমের অ্যাকাউন্টে ৩০০ কোটি টাকা!
.............................................................................................
কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতির বিরুদ্ধে দুই মামলা
.............................................................................................
রাজশাহীতে মা-ছেলে হত্যায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন
.............................................................................................
নৈশ প্রহরী নিয়োগ নিয়ে অপপ্রচার
.............................................................................................
২৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশীট গ্রহণ, পলাতক ২১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা
.............................................................................................
নোবেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ
.............................................................................................
ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষক আটক
.............................................................................................
র‌্যাবের হাতে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর থেকে জাল টাকাসহ আটক ১
.............................................................................................
নোয়াখালীতে শিশু এমরান খুনের রহস্য উদ্ঘাটন
.............................................................................................
জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে ব্যারিস্টার মইনুল
.............................................................................................
জামিন পাননি দুদকের সাবেক কর্মকর্তা বাছির
.............................................................................................
আদালতের এজলাস কক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি প্রদর্শনের নির্দেশ
.............................................................................................
মানবতাবিরোধী অপরাধ : রাজশাহীর সামাদের মৃত্যুদণ্ড
.............................................................................................
মানবতাবিরোধী অপরাধ : রাজশাহীর আব্দুস সামাদের রায় মঙ্গলবার
.............................................................................................
সিরাজগঞ্জে কিশোরী ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার পাঁয়তারা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft