মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   আইন - অপরাধ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
কুমিল্লার মামলায় খালেদার জিয়ার জামিন বহাল

নিজস্ব সংবাদদাতা: নাশকতার অভিযোগে কুমিল্লায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেয়া হাইকোর্টের জামিন আবারও বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

খালেদা জিয়ার জামিনের বিরুদ্ধে করা রাষ্ট্রপক্ষের ‘লিভ টু’ আপিলের শুনানি নিয়ে সোমবার সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ৬ ডিসেম্বর ওই মামলায় খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে ১৩ ডিসেম্বরের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষকে ‘লিভ টু’ আপিল করতে বলা হয়।

সোমবার আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।



কুমিল্লার মামলায় খালেদার জিয়ার জামিন বহাল
                                  

নিজস্ব সংবাদদাতা: নাশকতার অভিযোগে কুমিল্লায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেয়া হাইকোর্টের জামিন আবারও বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

খালেদা জিয়ার জামিনের বিরুদ্ধে করা রাষ্ট্রপক্ষের ‘লিভ টু’ আপিলের শুনানি নিয়ে সোমবার সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ৬ ডিসেম্বর ওই মামলায় খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে ১৩ ডিসেম্বরের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষকে ‘লিভ টু’ আপিল করতে বলা হয়।

সোমবার আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।



কারাগারে গিয়াস কাদের
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: প্রধানমন্ত্রীকে ‘হত্যার হুমকির’ মামলায় জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত। আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জয়ন্তী রানী রায় এ আদেশ দেন।
জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গত ২৯ মে ফটিকছড়িতে এক আলোচনা সভায় গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পরিণতি বঙ্গবন্ধুর চেয়েও খারাপ হবে। ওই বক্তব্য নিয়ে একটি স্থানীয় দৈনিকে প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়। ঘটনার পরদিন ফটিকছড়ি থানায় মামলাটি করেন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জামাল উদ্দিন। মামলায় স্থানীয় বিএনপি নেতা সারওয়ার আলমগীরসহ আরও ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়।
চট্টগ্রাম জেলা আদালতের ওসি (প্রসিকিউশন) বিজন কুমার বড়ুয়া জানান, গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর পক্ষে চারটি মামলায় জামিনের আবেদন করা হয়। এর মধ্যে তিনটিতে জামিনের আদেশ হয়।
“প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির অভিযোগে করা মামলাটিতে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ হয়েছে। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”
একাদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে প্রার্থী হতে নির্বাচন কমিশন থেকে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন গিয়াস কাদের। তার ছেলে সামির কাদের চৌধুরী চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে মনোনয়ন নিয়েছেন।

পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া যুবক শনাক্ত: দাবি পুলিশের
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গতকাল বুধবার সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া যুবক এবং পুলিশের গাড়ির উপরে ওঠে উল্লাস করা হেলমেটধারী যুবকদেরকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। পুলিশের মতিঝিল বিভাগের সহকারী কমিশনার মিশু বিশ্বাস আজ বৃহস্পতিবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, পুলিশের গাড়িতে যে যুবক আগুন দিয়েছেন, তাঁর নাম শাহজালাল খন্দকার। তিনি পল্টন থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। অপরদিকে পুলিশের গাড়ির ওপর যে যুবককে লাফাতে দেখা গেছে, তাঁকেও শনাক্ত করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশের মতিঝিল বিভাগের এই সহকারী কমিশনারের। তাঁর ভাষ্য, এই যুবকও ছাত্রদলের।

মিশু বিশ্বাস বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় গতকাল রাত পর্যন্ত ৩০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া অভিযান চালিয়ে ৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে আসামি করে পুলিশ তিনটি মামলা করেছে। গতকাল বুধবার পল্টন থানায় এই মামলাগুলো করা হয়।

পল্টন থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, রাস্তা অবরোধ, পুলিশকে মারধর ও সরকারি কাজে বাধার অভিযোগে এসব মামলা করা হয়েছে।

আদালতে খালেদা জিয়া
                                  

আদালত প্রতিবেদক: নাইকো দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আদালতে হাজির করা হয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে হুইল চেয়ারে করে নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত ঢাকার ৯ নং বিশেষ জজ মাহমুদুল কবিরের আদালতে হাজির করা হয় বিএনপি প্রধানকে।
এর আগে গত ৮ নভেম্বর বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগার চত্বরে স্থাপিত বিশেষ আদালতে নাইকো দুর্নীতি মামলার শুনানি হয়। এরপর পরবর্তী শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করেছিলেন বিচারক।
কানাডীয় প্রতিষ্ঠান নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় নাইকো দুর্নীতি মামলাটি করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম। মামলা করার পরের বছরের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়।
খালেদা জিয়া ছাড়াও মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, বাগেরহাটের সাবেক সাংসদ এম এ এইচ সেলিম এবং নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া-বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। এরপর বিএনপি প্রধানকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে আপিলে খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করা হয়। এছাড়া জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিশেষ আদালতে সাত বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন তিনি।

জামিনে মুক্ত আমীর খসরু
                                  

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র তত্ত্বাবধায়ক প্রশান্ত কুমার বণিক বলেন, উচ্চ আদালত থেকে রোববার জামিননামা আসে কারাগারে। এটি যাচাই–বাছাই করে আমীর খসরুকে মুক্তি দেওয়া হয়।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় নওমী নামে একজনের সঙ্গে আমীর খসরুর কথিত ফোনালাপ ফাঁস হয়ে যায়।

ওই ঘটনায় চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর গত ৪ অগাস্ট তথ্য প্রযুক্তি আইনে আমীর খসরুর বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় এ মামলা করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, বিএনপি নেতা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছিলেন। ইলেকট্রনিকস ডিভাইস ব্যবহারের মাধ্যমে রাষ্ট্রে নৈরাজ্য সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তিনি উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন।

এ মামলায় গত ২৭ অগাস্ট হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন নিয়েছিলেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী; যা পরে আপিল বিভাগও বহাল রাখে।

এ আগাম জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই গত ৭ অক্টোবর চট্টগ্রামের জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। ২১ অক্টোবর আদালত জামিন নামঞ্জুর করে খসরুকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

ওই আদেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেছিলেন খসরু। বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি জাফর আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ৪ নভেম্বর তা মঞ্জুর করে তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেয়।

লিয়াকত-আমিনুলের মৃত্যুদণ্ড
                                  

আদালত প্রতিনিধি: একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হবিগঞ্জের লাখাই থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মো. লিয়াকত আলী এবং কিশোরগঞ্জের আমিনুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন। গতকাল রোববার এ মামলার রায়ের তারিখ ঠিক করে দেন ট্রাইব্যুনাল।
এর আগে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল গত ১৬ আগস্ট মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন। দুই আসামির বিরুদ্ধে গণহত্যা, লুটপাটসহ মানবতাবিরোধী সাতটি অভিযোগের বিচারকাজ শেষ হয়।

ব্যারিস্টার মইনুলকে ছাত্রলীগের চড়-থাপ্পড়-জুতা নিক্ষেপ
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: মানহানির মামলায় আদালতে হাজির করার সময় রংপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে গ্রেফতারকৃত ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের উপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। এসময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ব্যারিস্টার মইনুলকে উপর্যুপরি চড়-থাপ্পড়ের পাশাপাশি তার উপর জুতা ও ডিম নিক্ষেপ করে। বেলা সাড়ে বারোটার সময় আদালত চত্বরে মইনুলের উপর হামলার ঘটনা ঘটে।
রংপুর যুব মহিলালীগের কর্মী মিলি মায়া বেগমের দায়ের করা মানহানির মামলায় আজ রোববার রংপুর আদালতে হাজির করার জন্য শনিবার সন্ধ্যায় রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয় ব্যারিষ্টার মইনুল হোসেনকে।
আদালতে ব্যারিস্টার মইনুলকে হাজির করার সংবাদে সকাল ৯ টা থেকে রংপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের গেটে অবস্থান নেয় আওয়ামীলীগ এবং সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
বেলা ১১টায় রংপুর জেলা যুব মহিলালীগ সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নাছিমা জামান ববির নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা ব্যারিষ্টার মইনুলের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ঝাড়ু মিছিল বের করে।
এসময় তারা মইনুলবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেখানে জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক রমজান আলী তুহিন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান রনির নেতৃত্বে নেতাকর্মীরাও বিক্ষোভে অংশ নেয়।
উল্লেখ্য, গত ১৬ অক্টোবর মধ্যরাতে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল একাত্তর টিভির টক-শোর একপর্যায়ে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন চরিত্রহীন বলে উল্লেখ করেন। এরপর গত ২২ অক্টোবর রংপুর আদালতে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেন মিলিমায়া বেগম। ওইদিন সন্ধ্যায়ই ব্যরিস্টার মইনুলকে গ্রেফতার করা হয়।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় শোন অ্যারেস্ট ব্যারস্টিার মইনুল
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: নারী সাংবাদিককে কটূক্তির অভিযোগে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখানোর (শোন অ্যারেস্ট) আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম (এসিএএম) আসাদুজ্জামান নূর এ আবেদন মঞ্জুর করেন।
রাজধানীর গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জিয়াউল ইসলাম ডিজিটাল আইনে করা মামলায় মইনুলকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। আদালতে শুনানির জন্য আজ বৃহস্পতিবার (১ নভেম্বর) দিন ধার্য ছিল।
এর আগে ২৪ অক্টোবর ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আস সামশ জগলুল হোসেনের আদালতে মইনুলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এ মামলাটি করেন আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া উপ-কমিটির সদস্য সুমনা আক্তার লিলি। আদালত মামলাটি এজাহার হিসাবে গণ্য করার জন্য গুলশান থানাকে নির্দেশ দেন। ২৬ অক্টোবর গুলশান থানা মামলাটি এজাহার হিসাবে গণ্য করেন। ২৭ অক্টোবর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত এজাহারটি গ্রহণ করেন।
সুমনা আক্তার মামলার অভিযোগে বলেন, আমি বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। নারী ও শিশুদের মানবাধিকার রক্ষায় কাজ করছি। গত ১৬ অক্টোবর নিজ বাসায় ৭১ টেলিভিশনের টকশো দেখছিলাম। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে মাসুদা ভাট্টির প্রশ্নের জবাবে আইনজীবী মইনুল তাকে ‘চরিত্রহীন’ বলে মন্তব্য করেন।
মইনুল হোসেন এ মন্তব্য নারী জাতির সম্মানহানি ঘটিয়েছে। অথচ তিনি ক্ষমা চাননি। বরং গত ২১ অক্টোবর বিকেলে ৩টা থেকে ২২ অক্টোবর রাত ৯টার মধ্যে পুনরায় একটি টেলিফোন অডিও রেকর্ড ডিজিটাল ডিভাইসে প্রকাশ করেন। মইনুল হোসেন নিজে অডিও রেকর্ডটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।
মইনুল হোসেন ইংরেজি দৈনিক নিউ নেশন পত্রিকার প্যাডে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মাসুদা ভাট্টি সম্পর্কিত বিতর্কিত ব্যাখ্যার আড়ালে পুনরায় ফেসবুকে মাসুদা ভাট্টির ব্যক্তিগত চরিত্র জঘন্য বলে মন্তব্য করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ১৬ অক্টোবর একাত্তর টেলিভিশনের টক শোতে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টির এক প্রশ্নে রেগে গিয়ে মইনুল হোসেন বলেন, ‘আপনার দুঃসাহসের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দিচ্ছি। আপনি চরিত্রহীন বলে আমি মনে করতে চাই। আমার সঙ্গে জামায়াতের কানেকশনের কোনো প্রশ্নই নেই। আপনি যে প্রশ্ন করেছেন তা আমার জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর।’
মইনুলের এ ধরনের বাক্য ব্যবহারে সমালোচনা শুরুর পর তার বিরুদ্ধে ঢাকাসহ দেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় মানহানির মামলা হয়। এর মধ্যে কয়েকটিতে তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন।
গত ২২ অক্টোবর এ ঘটনায় রংপুরের দায়ের করা একটি মামলায় মইনুকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। পরে ২৩ অক্টোবর মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম (এসিএমএম) কায়সারুল ইসলাম তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

খালেদা জিয়ার সাজা বেড়ে ১০ বছর
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে নিম্ন আদালতের দেওয়া ৫ বছরের সাজার বিরুদ্ধে করা দুদকের রিভিশন আবেদন গ্রহণ করে তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এ মামলায় আপিলকারী অন্য দুই আসামি কাজী সালিমুল হক কামাল ও শরফুদ্দিন আহমেদের আপিলও খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে এ দুই আসামিকে নিম্ন আদালতের দেওয়া ১০ বছরের সাজা বহাল থাকছে।

মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। তবে খালেদা জিয়ার পক্ষে কোনও আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

এই রায়ের ফলে খালেদা জিয়া আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে আসন গ্রহণের পর আদালত বলেন, রায়ের কার্যকর অংশটুকু ঘোষণা করা হচ্ছে। তিনটি আপিল (খালেদা জিয়া, সাবেক সাংসদ কাজী সালিমুল হক কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ) খারিজ করা হলো। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা রিভিশন আবেদনের রুল যথাযথ ঘোষণা করা হলো। খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড করা হলো।

এর আগে সোমবার (আপিল বিভাগ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় অর্থের উৎস নিয়ে করা খালেদা জিয়ার আবেদন হাইকোর্টকে এক দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেন। আপিল বিভাগের সেই নির্দেশনামূলক আদেশ দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বিকালে হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চে দাখিল করেন।

কিন্তু অর্থের উৎস নিয়ে খালেদা জিয়ার পক্ষে অতিরিক্ত সাক্ষ্য চেয়েও হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা উপস্থিত না থাকার বিষয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন দুদক আইনজীবী। এ অবস্থায় সাক্ষ্য চেয়ে করা খালেদা জিয়ার আবেদনটি নামঞ্জুর করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ মামলার অন্য আসামিদের আপিলের ওপর হাইকোর্টের রায় ঘোষণার জন্য মঙ্গলবার দিন নির্ধারণ করেন।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর কারাদণ্ডাদেশ দেন বিচারিক আদালত। একইসঙ্গে খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানসহ মামলার অন্য পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বাকি চার আসামি হলেন সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, সাবেক সাংসদ ও ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ এবং জিয়াউর রহমানের ভাগনে মমিনুর রহমান। এর মধ্যে পলাতক আছেন তারেক রহমান, কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান। পাশাপাশি ছয় আসামির প্রত্যেককে দুই কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়।

রায় ঘোষণার পরপরই খালেদা জিয়াকে ওইদিন বিকালে (৮ ফেব্রুয়ারি) নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। এতদিন তিনি সেখানেই ছিলেন। বর্তমানে চিকিৎসার জন্য তাকে বিএসএমএমইউতে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়) নেওয়া হয়েছে।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণার ১১ দিন পর ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে রায়ের সার্টিফায়েড কপি (অনুলিপি) হাতে পান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। এরপর ২০ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়। একইসঙ্গে এ মামলার অন্য দুই আসামি কাজী সালিমুল হক কামাল ও শরফুদ্দিন আহমেদ খালাস চেয়ে আপিল করেন। পাশাপাশি এ মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে রিভিশন আবেদন করে দুদক।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার ৭ বছরের কারাদণ্ড
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চার আসামির ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেকের ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৫ নম্বর অস্থায়ী বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ৩৬ মামলার মধ্যে এ নিয়ে দ্বিতীয় মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে। গত ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির আরেক মামলায় ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন একই আদালত।

এ দিন কারাগার থেকে মনিরুল ইসলাম খান ও জিয়াউল ইসলাম মুন্নাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। বেগম খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাকে আদালতে হাজির করা হয়নি।

এর আগে ১৬ অক্টোবর রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন আদালত।
মামলার অপর আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তৎকালীন সহকারী একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। এদের মধ্যে হারিছ চৌধুরি পলাতক। খালেদা জিয়াসহ তিন জন কারাগারে রায়েছেন।

খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই বিচার চলবে: আদালত
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার চালানো প্রশ্নে তার আইনজীবীদের করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। এর ফলে জিয়া চ্যারিটেবল মামলা চালাতে আর আইনগত কোনো বাধা নেই।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে সাত সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেন।

সর্বোচ্চ আদালতের এই আদেশের ফলে পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করতে কোনো আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা এ মামলার রায় ঘোষণা জন্য আজ (সোমবার) দিন ধার্য রয়েছে। রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৫ নম্বর অস্থায়ী বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করবেন।

খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে কারা আদালতে বিচার চলবে -এ সংক্রান্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করেছিলেন খালেদার আইনজীবীরা। গত ২০ সেপ্টেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া আদালতে না যাওয়ায় তার অনুপস্থিতিতে বিচার চলবে বলে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আখতারুজ্জামান আদেশ দেন।

আদেশে আদালত বলেন, আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে খালেদা জিয়া আদালতে আসতে অনিচ্ছুক। অথচ মামলার দুই আসামি প্রতিদিন হাজির হচ্ছেন। কিন্তু গত ফেব্রুয়ারি থেকে খালেদা জিয়া আদালতে হাজির হননি। এমন অবস্থায় ন্যায়বিচারের স্বার্থে খালেদা জিয়াকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিয়ে তাকে জামিনে রেখে বিচার চলবে।

খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বিচার চলবে- আদালতের এমন আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করা হয়। সে রিভিশন আবেদন গত ১৪ অক্টোবর খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। এরপর ওই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে ২৫ অক্টোবর চেম্বার আদালতে আপিল আবেদন করে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

মইনুল ও জাফরুল্লাহর জামিন স্থগিতের শুনানি সোমবার
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদনের শুনানি পিছিয়ে আগামী সোমবার ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ দিন নির্ধারণ করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। অন্যদিকে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন ও ডা. জাফরুল্লাহের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, খন্দকার মাহবুব হোসেন, মাহবুব উদ্দিন খোকন, মো. মাসুদ রানা, এ কে এম এহসানুর রহমান প্রমুখ।

বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনটির ওপর শুনানির কথা ছিলো। কিন্তু শুনানি না করে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আদালতকে জানান, আমরা হাইকোর্টের জামিন আদেশের কপি হাতে পেয়েছি। এখন এ বিষয়ে নিয়মিত আপিল করতে চাই। তাই আবেদনটি আজ শুনানির জন্য নট টু ডে (আজ নয়) আদেশ দিন।

এরপর আদালত নট টু ডে আদেশ দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনটির শুনানি পিছিয়ে ২৯ অক্টোবর নির্ধারণ করেন।

এর আগে গত ১৬ অক্টোবর টকশোতে মাসুদা ভাট্টিকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন। এ ঘটনায় ২১ অক্টোবর ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মাসুদা ভাট্টি এবং জামালপুর আদালতে যুব মহিলা লীগের জামালপুর শাখার আহ্বায়ক ফারজানা ইয়াসমীন লিটা ২০ হাজার কোটি টাকার মানহানির অভিযোগে মামলা করেন। এ মামলায় আদালত পৃথকভাবে মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এই আদেশের পর ওই দিনই হাইকোর্টে হাজির হয়ে জামিন নেন মইনুল হোসেন। পরে সেই জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করে। এদিকে মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন স্থানে আরো কয়েকটি মামলা হয়েছে। রংপুরে দায়ের করা মামলায় গত ২২ অক্টোকর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

অপরদিকে জমি দখল, চাঁদাবাজির অভিযোগে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় পৃথক তিনটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে জমি দখল ও এক কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে গত ১৫ অক্টোবর মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুরের মোহাম্মদ আলী এবং এক কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে ১৯ অক্টোবর আশুলিয়ার ঘোড়াপীর মাজার এলাকার হাসান ইমাম বাদি হয়ে জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ বেশ কয়েকজনকে আসামি করে আশুলিয়া থানায় পৃথক দুটি মামলা করেন। এ দুই মামলায় জাফরুল্লাহ চৌধুরী ২১ অক্টোবর হাইকোর্ট থেকে জামিন নেন। এর মধ্যে একটি মামলায় জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

ব্যারিস্টার মইনুলকে আজ আদালতে তোলা হবে
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে কটূক্তির ঘটনায় রংপুরে দায়ের করা মানহানির মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে ঢাকা মহানগর আদালতে নেয়া হবে আজ। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে তাকে আদালতে নেয়া হতে পারে।

সোমবার রাতে আ স ম আবদুর রবের উত্তরার বাসা থেকে গ্রেপ্তারের পর মইনুলকে ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম জানান, আটকের পরপরই ব্যারিস্টার মইনুলকে গোয়েন্দা কার্যালয়ে আনা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হচ্ছে।

তিনি জানান, ব্যারিস্টার মইনুলকে রংপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাকে আদালতে নেয়া হবে।

রংপুরে সোমবার ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেন মানবাধিকারকর্মী মিলি মায়া। তিনি রংপুর নগরীর মুলাটোল মহল্লার বাসিন্দা। মামলাটি তার পক্ষে রংপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দাখিল করেন সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আইনুল হোসেন। আদালতের বিচারক আরিফা ইয়াসমিন মুক্তা মামলাটি গ্রহণ করেন।

সম্প্রতি এক টেলিভিশন টকশোতে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে ‘চরিত্রহীন’বলার পর থেকে সমালোচনার মুখে পড়েন মইনুল। একপর্যায়ে তিনি টেলিফোনে ক্ষমা চাইলেও মাসুদা ভাট্টি প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন। তা না করায় মইনুলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন মাসুদা ভাট্টি।

পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানেও মানহানির অভিযোগে একাধিক মামলা হয় তার বিরুদ্ধে। এসব মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর মইনুল কয়েকটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিনও নেন।

তৃতীয় মামলাতেও ডা. জাফরুল্লাহ’র জামিন
                                  

নিজস্ব সংবাদদাতা: সাভারের আশুলিয়া থানায় দায়ের হওয়া চাঁদাবাজি ও জমি দখলের তৃতীয় মামলায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এক জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মুহাম্মদ আবদুল হাফিজ ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ জামিন আদেশ দেন।
আদালতে তার জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। তার সঙ্গে ছিলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, এ কে এম এহসানুর রহমান প্রমুখ। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
এর আগে গত ২১ অক্টোবর রাতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে আবারও চাঁদাবাজি ও জমি দখলের অভিযোগে মামলা হয়। সেলিম আহমেদ নামে একব্যক্তি বাদী হয়ে ওই মামলাটি দায়ের করেন। এ নিয়ে আশুলিয়া থানায় জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগে মোট তিনটি মামলা দায়ের করা হলো।
এ মামলাতেও জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে প্রধান আসামি করে গণবিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন, পরিচালক সাইফুল ইসলাম শিশির ও আওলাদ হোসেনের নাম উল্লেখসহ আরও বেশ কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পাশে সেলিম আহমেদ জমি কিনে ভোগ দখল করে আসছিলেন। তবে গত কয়েক মাস যাবৎ ওই জমি দখল করে নেওয়ার জন্য পাঁয়তারা করে আসছে জাফরুল্লাহ’র লোকেরা। এছাড়া, জমির মালিকের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করেন তারা।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৫ অক্টোবর গভীর রাতে মানিকগঞ্জের মোহাম্মদ আলী ও ১৯ অক্টোবর রাতে হাসান ইমাম নামের একব্যক্তি চাঁদাবাজি ও জমি দখলের অভিযোগে আশুলিয়া থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলা দুটিতেও হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেয়েছেন ডা. জফরুল্লাহ চৌধুরী।

কুড়িগ্রামের মামলায় ব্যারিস্টার মইনুলের জামিন আবেদন
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: ‘একাত্তর জার্নাল’ টকশো-তে নারী সাংবাদিককে কটূক্তি করায় কুড়িগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে দায়ের হওয়া পাঁচ হাজার কোটি টাকার মানহানির মামলায় হাইকোর্টে আগাম জামিন চেয়ে আবেদন করেছেন ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন। আবেদনটির বিষয়ে আজ সোমবার হাইকোটের বিচারপতি মুহাম্মদ আবদুল হাফিজ ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের বেঞ্চে শুনানি হতে পারে। আদালতে ব্যারিস্টার মইনুলের পক্ষে জামিন আবেদনের শুনানি করবেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।
এর আগে গত ২১ অক্টোবর কুড়িগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল কোর্টে ব্যারিস্টার মইনুলের বিরুদ্ধে পাঁচ হাজার কোটি টাকার এ মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। জেলার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অ্যাডভোকেট মাকসুদা বেগম বেবি বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ৫০৪/৫০৫ ও ৫০৯ ধারায় মামলাটি করেন।
আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সমন জারি করেন। সমনে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে আগামী ২২ নভেম্বর আমলি আদালতে হাজির হওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণীতে বলা হয়, গত ১৬ অক্টোবর ৭১ টিভির ‘একাত্তর জার্নাল’ টকশো-তে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে উদ্দেশ করে অবমাননাকর বক্তব্য রাখেন, যা সমগ্র নারী সমাজের সম্মান ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন করেছে। তার বক্তব্য মানহানিকর। তাই এ মামলায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে।

খালেদা জিয়ার রায় ২৯ অক্টোবর
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রায় আগামী ২৯ অক্টোবর (সোমবার) ঘোষণা করা হবে। মঙ্গলবার রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৫ নম্বর অস্থায়ী বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান এ দিন ধার্য করেন।

খালেদা জিয়ার জামিন বাতিল কেন করা হবে না -এ বিষয়ে আদেশের জন্য আজ মঙ্গলবার দিন ধার্য ছিল। অপরদিকে মামলার বিচার কার্যক্রম শেষ করে রায় ঘোষণার জন্য রাষ্ট্রপক্ষ যে আবেদন করেছেন তার আদেশ দেয়ারও দিন ধার্য ছিল।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার কয়েকটি ধার্য তারিখে আসামিপক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন না করায় বিচারের এ অংশটি বাদ দিয়েই রায়ের তারিখ নির্ধারণের জন্য আদালতে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। আদালত তা আমলে নিয়ে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সমাপ্তি ঘোষণা করে এই আদেশ দেন।

এ মামলার যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য গত ১২ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য ছিল। কিন্তু সেদিন খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করতে পারেনি কারা কর্তৃপক্ষ। তার পরিবর্তে খালেদার কাস্টডি আদালতে পাঠানো হয়।

সেখানে উল্লেখ করা হয়, খালেদা জিয়া আদালতে হাজির হতে ‘অনিচ্ছুক’। এরপর ১৩ সেপ্টেম্বরও খালেদার ‘অনিচ্ছা’র কথা জানিয়ে একই কাস্টডি পাঠানো হয় আদালতে।

সেদিন মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য শুনে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই বিচার চলবে কি-না, এ বিষয়ে আদেশের জন্য ২০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত।

পরে আদেশে আদালত বলেন, ‘মামলাটা পৌনে দুই বছর যাবত যুক্তিতর্ক শুনানির পর্যায়ে আছে, খালেদা জিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে আদালতে হাজির হচ্ছেন না। মামলার কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। অন্য আসামিরাও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।’

এমতাবস্থায় খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই অন্যান্য আসামির পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য আইনজীবীদের নির্দেশ দেন আদালত। পরে শুনানি পুনরায় শুরুর জন্য ২৪, ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়া দণ্ডিত হওয়ার পর থেকে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি আছেন। এরপর থেকে তারিখ পড়লেও অসুস্থ থাকায় চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আদালতে হাজির হতে পারেননি তিনি।

চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় মোট আসামি চারজন। খালেদা ছাড়া অভিযুক্ত অপর তিন আসামি হলেন- তার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ-এর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

এর মধ্যে হারিছ চৌধুরী পলাতক রয়েছেন। খালেদা জিয়াসহ অন্য তিনজন রয়েছেন জামিনে। ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা করা হয়। এ ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে প্রায় ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে এ মামলা করে দুদক।


   Page 1 of 70
     আইন - অপরাধ
কুমিল্লার মামলায় খালেদার জিয়ার জামিন বহাল
.............................................................................................
কারাগারে গিয়াস কাদের
.............................................................................................
পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া যুবক শনাক্ত: দাবি পুলিশের
.............................................................................................
আদালতে খালেদা জিয়া
.............................................................................................
জামিনে মুক্ত আমীর খসরু
.............................................................................................
লিয়াকত-আমিনুলের মৃত্যুদণ্ড
.............................................................................................
ব্যারিস্টার মইনুলকে ছাত্রলীগের চড়-থাপ্পড়-জুতা নিক্ষেপ
.............................................................................................
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় শোন অ্যারেস্ট ব্যারস্টিার মইনুল
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার সাজা বেড়ে ১০ বছর
.............................................................................................
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার ৭ বছরের কারাদণ্ড
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই বিচার চলবে: আদালত
.............................................................................................
মইনুল ও জাফরুল্লাহর জামিন স্থগিতের শুনানি সোমবার
.............................................................................................
ব্যারিস্টার মইনুলকে আজ আদালতে তোলা হবে
.............................................................................................
তৃতীয় মামলাতেও ডা. জাফরুল্লাহ’র জামিন
.............................................................................................
কুড়িগ্রামের মামলায় ব্যারিস্টার মইনুলের জামিন আবেদন
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার রায় ২৯ অক্টোবর
.............................................................................................
খালেদার অনুপস্থিতিতেই চলবে বিচার
.............................................................................................
শপথ নিলেন নতুন তিন বিচারপতি
.............................................................................................
দুর্নীতির মামলায় খালাস মায়া চৌধুরী
.............................................................................................
মুন সিনেমার মালিককে ৯৯ কোটি টাকা দেবে সরকার
.............................................................................................
অবৈধভাবে সিম বিক্রির অভিযোগে আটক ২
.............................................................................................
খালাফ হত্যা মামলায় সাইফুলের মৃত্যুদণ্ড বহাল
.............................................................................................
খালাফ হত্যা : সাইফুলের সাজা বহাল থাকবে কি না জানা যাবে রোববার
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার বিচার প্রশ্নে আদেশ আজ
.............................................................................................
৫ দিনের রিমান্ডে বিএনপি নেতা সোহেল
.............................................................................................
সাতক্ষীরায় একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে লুটপাটের অভিযোগ
.............................................................................................
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা : রায়ের দিন ধার্য হতে পারে আজ
.............................................................................................
এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যানকে দুদকে তলব
.............................................................................................
শহিদুল আলমের ডিভিশন বহাল
.............................................................................................
ডাকসু নির্বাচন : হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ঢাবি প্রশাসনের আপিল
.............................................................................................
আদালতে যাননি খালেদা জিয়া
.............................................................................................
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পটুয়াখালীর তিন আসামির আপিল
.............................................................................................
জামিন পেলেও মুক্তি মিলছে না মোজাম্মেলের
.............................................................................................
জামিন পেলেন যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব
.............................................................................................
নেপালি ছাত্রীকে ‘যৌন নিপীড়ন’, অভিযুক্ত চিকিৎসক আটক
.............................................................................................
জামিন পেলেন না শহিদুল আলম
.............................................................................................
শহিদুল আলমের জামিন আবেদন মঙ্গলবারই নিষ্পত্তির নির্দেশ
.............................................................................................
গাজীপুরে মিলন হত্যায় সাতজনের ফাঁসি
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার বিচার : কারাগারে বসছে আদালত, নিরাপত্তা জোরদার
.............................................................................................
শহিদুল আলমের জামিন শুনানিতে বিব্রত হাইকোর্ট
.............................................................................................
শহিদুল আলম রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক কাজ করেছেন: অ্যাটর্নি জেনারেল
.............................................................................................
আলোকচিত্রী শহিদুলকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার নির্দেশ
.............................................................................................
শহিদুল আলমের রিমান্ড চ্যালেঞ্জ করে রিট
.............................................................................................
সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইজারার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
.............................................................................................
কুমিল্লায় নাশকতার মামলায় খালেদার জামিন বহাল
.............................................................................................
কুমিল্লার দুই মামলা : আটকে গেল খালেদা জিয়ার জামিন
.............................................................................................
যৌথ প্রযোজনা ছাড়া বিদেশি সিনেমা আমদানি ও প্রদর্শন নয়: আপিল বিভাগ
.............................................................................................
আবারও দুদকের মুখোমুখি বাচ্চু
.............................................................................................
রাজীবের ভাইদের কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ স্থগিত
.............................................................................................
রাজীবের দুই ভাইকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ স্থগিত
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft