মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ঢাকা-গুয়াংজু রুটে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট যাবে প্রতিদিন

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ঢাকা-গুয়াংজু রুটে সপ্তাহে চারটি ফ্লাইট পরিচালিত হলেও আগামী ৬ ডিসেম্বর থেকে প্রতিদিন ঢাকা থেকে গুয়াংজু রুটে ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউএস-বাংলা।
৮টি বিজনেস ক্লাসসহ মোট ১৬৪ আসন বিশিষ্ট বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে ঢাকা-গুয়াংজু রুটের ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা থেকে গুয়াংজু রুটে নূন্যতম ওয়ান ওয়ের ভাড়া ১৯,৯৯৯ টাকা এবং রিটার্ণ ভাড়া ২৯,৯৯৯ টাকা। সকল ভাড়ায় ট্যাক্স ও সারচার্জ অন্তর্ভূক্ত। বর্তমানে ঢাকা থেকে মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি ও রবিবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে গুয়াংজুর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এবং গুয়াংজু পৌঁছায় স্থানীয় সময় রাত ৩.৫০মিনিটে। আবার গুয়াংজু থেকে বুধ, শুক্র, রবি ও সোমবার ভোর ৫.০০ টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে এবং ঢাকায় পৌঁছায় সকাল ৭.৩০ মিনিটে।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ঢাকা-গুয়াংজু রুটে ভ্রমণকারীদের জন্য দিচ্ছে ২ রাত ৩ দিনের আকর্ষণীয় ভ্রমণ প্যাকেজ। প্যাকেজ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতিজনের জন্য সর্বসাকুল্যে ৩৬,৯৯০ টাকা। প্যাকেজের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত রয়েছে ঢাকা-গুয়াংজু-ঢাকা এয়ার টিকেট, ৩ তারকা বিশিষ্ট হোটেলে আবাসন ব্যবস্থা, সকালের নাস্তা। বিনাসুদে ৬মাসের কিস্তির সুবিধাও রয়েছে।  

বর্তমানে গুয়াংজু ছাড়াও আন্তর্জাতিক রুট সিঙ্গাপুর, কুয়ালালামপুর, ব্যাংকক, দোহা, মাস্কাট ও কলকাতায় ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। এছাড়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরীন সকল রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা। সপ্তাহে প্রায় ৩৩০টির অধিক অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে ইউএস-বাংলা। ১৭ জুলাই ২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করার পর চার বছরের কিছু অধিক সময়ে প্রায় ৫১ হাজার ফ্লাইট পরিচালনা করেছে ইউএস-বাংলা, যা বাংলাদেশে বিমান চলাচলের ইতিহাসে একটি রেকর্ড।
বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এর বিমান বহরে চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ ও তিনটি ড্যাশ৮-কিউ৪০০ সহ মোট সাতটি এয়ারক্রাফট রয়েছে। খুব শীঘ্রই আরো দু’টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ বিমান বহরে যুক্ত হচ্ছে। ২০১৯ সালের মধ্যে চেন্ন্াই, কলম্বো, মালেসহ আরো বেশ কয়েকটি রুটে ফ্লাইট শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে ইউএস-বাংলার।  

ঢাকা-গুয়াংজু রুটে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট যাবে প্রতিদিন
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ঢাকা-গুয়াংজু রুটে সপ্তাহে চারটি ফ্লাইট পরিচালিত হলেও আগামী ৬ ডিসেম্বর থেকে প্রতিদিন ঢাকা থেকে গুয়াংজু রুটে ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউএস-বাংলা।
৮টি বিজনেস ক্লাসসহ মোট ১৬৪ আসন বিশিষ্ট বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে ঢাকা-গুয়াংজু রুটের ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা থেকে গুয়াংজু রুটে নূন্যতম ওয়ান ওয়ের ভাড়া ১৯,৯৯৯ টাকা এবং রিটার্ণ ভাড়া ২৯,৯৯৯ টাকা। সকল ভাড়ায় ট্যাক্স ও সারচার্জ অন্তর্ভূক্ত। বর্তমানে ঢাকা থেকে মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি ও রবিবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে গুয়াংজুর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এবং গুয়াংজু পৌঁছায় স্থানীয় সময় রাত ৩.৫০মিনিটে। আবার গুয়াংজু থেকে বুধ, শুক্র, রবি ও সোমবার ভোর ৫.০০ টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে এবং ঢাকায় পৌঁছায় সকাল ৭.৩০ মিনিটে।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ঢাকা-গুয়াংজু রুটে ভ্রমণকারীদের জন্য দিচ্ছে ২ রাত ৩ দিনের আকর্ষণীয় ভ্রমণ প্যাকেজ। প্যাকেজ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতিজনের জন্য সর্বসাকুল্যে ৩৬,৯৯০ টাকা। প্যাকেজের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত রয়েছে ঢাকা-গুয়াংজু-ঢাকা এয়ার টিকেট, ৩ তারকা বিশিষ্ট হোটেলে আবাসন ব্যবস্থা, সকালের নাস্তা। বিনাসুদে ৬মাসের কিস্তির সুবিধাও রয়েছে।  

বর্তমানে গুয়াংজু ছাড়াও আন্তর্জাতিক রুট সিঙ্গাপুর, কুয়ালালামপুর, ব্যাংকক, দোহা, মাস্কাট ও কলকাতায় ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। এছাড়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরীন সকল রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা। সপ্তাহে প্রায় ৩৩০টির অধিক অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে ইউএস-বাংলা। ১৭ জুলাই ২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করার পর চার বছরের কিছু অধিক সময়ে প্রায় ৫১ হাজার ফ্লাইট পরিচালনা করেছে ইউএস-বাংলা, যা বাংলাদেশে বিমান চলাচলের ইতিহাসে একটি রেকর্ড।
বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এর বিমান বহরে চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ ও তিনটি ড্যাশ৮-কিউ৪০০ সহ মোট সাতটি এয়ারক্রাফট রয়েছে। খুব শীঘ্রই আরো দু’টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ বিমান বহরে যুক্ত হচ্ছে। ২০১৯ সালের মধ্যে চেন্ন্াই, কলম্বো, মালেসহ আরো বেশ কয়েকটি রুটে ফ্লাইট শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে ইউএস-বাংলার।  

জামালপুরে চার দিনব্যাপি আয়কর মেলা শুরু
                                  

জামালপুর প্রতিনিধি: “উন্নয়ন ও উত্তরণ আয়করের অর্জন, আয়করে প্রবৃদ্ধি দেশ ও দশের সমৃদ্ধি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জামালপুরে চার দিনব্যাপি আয়কর মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার সকালে পুরাতন পৌরসভা গেট জামালপুর আয়কর অফিসে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ময়মনসিংহ কর অঞ্চল জামালপুর সার্কেল-৭ এর সহকারী কর কমিশনার নুরুল হুদা ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে ও আইটিপি মো. আঃ রশিদের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ও বেলুন উড়িয়ে আয়কর মেলার উদ্বোধন করেন জামালপুর পুলিশ সুপার মো. দেলোয়ার হোসেন পিপিএম বার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুর পৌরসভার মেয়র মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি, দি জামালপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সহ-সভাপতি ইকরামুল হক নবীন, জামালপুর জেলা আয়কর বার এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আতাউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক প্রমুখ।   
বক্তারা সরকারের বিভিন্ন সুবিধা পেতে সকলকে আয়করের আওতায় আসার আহ্বান জানান।

সঞ্চয়পত্রে ঝুঁকছেন বিনিয়োগকারীরা
                                  

স্বাধী বাংলা রিপোর্ট: ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দা, ব্যাংক আমানতের সুদের চেয়ে দ্বিগুণ মুনাফা মিলছে সঞ্চয়পত্রে ও পুঁজিবাজারে আস্থাহীনতাসহ নানা কারণে সঞ্চয়পত্রে ঝুঁকছেন বিনিয়োগকারীরা।
চলতি অর্থবছরের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রথম ৩ মাসেই ১৩ হাজার ৪১২ কোটি টাকার নেট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। যা চলতি অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র বিক্রির মোট লক্ষ্যমাত্রার ৫১ দশমিক ২৩ শতাংশ। জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতরের সর্বশেষ হাল নাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের (২০১৮-১৯) জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে সঞ্চয়পত্র থেকে মোট বিনিয়োগ এসেছে ২২ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা। এ সময় আগে বিক্রি করা সঞ্চয়পত্রের মূল ও সুদ পরিশোধে ব্যয় হয়েছে ৮ হাজার ৮৪৪ কোটি টাকা। এরমধ্যে মূল পরিশোধে ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ৪০৭ কোটি টাকা এবং মুনাফা বাবদ পরিশোধ করা হয় ৫ হাজার ৪৩৭ কোটি টাকা। মূল ও মুনাফা পরিশোধের পর সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের নেট ঋণ দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৪১২ কোটি টাকা।
বাজেট ঘাটতি মেটাতে সঞ্চয়পত্রের উপর সরকারের নির্ভরশীলতা দিন দিন বাড়ছে। ফলে সুদ পরিশোধের চাপও বাড়ছে। সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে ঋণ নেয়া তুলনামূলক সহজ হওয়ায় সরকার এদিকেই বেশি ঝুঁকছে। যা অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ব্যাংকের আমানতের সুদের চেয়ে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা বেশি। এছাড়া নানা কারণে দেশে পুঁজিবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা কম। ব্যবসা-বাণিজ্যের অবস্থাও খুব একটা ভাল না। সব মিলিয়েই নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মানুষ সঞ্চয়পত্র কিনছেন।
তবে সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে সংগৃহীত ঋণের অর্থ সঠিকভাবে ব্যয়ের পরামর্শ দিয়েছেন এ অর্থনীতি বিশ্লেষক। তা না হলে এই ঋণ আগামীতে বড় বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। কারণ সঞ্চয়পত্রের উপর নির্দিষ্ট হারে সুদ দিতে হয়।

তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত কয়েক বছর ধরেই সরকার ঘাটতি বাজেট অর্থায়নে সঞ্চয়পত্রের উপর বেশি জোর দিচ্ছে। বিগত অর্থবছরে (২০১৭-১৮) মোট ৭৮ হাজার ৭৮৪ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে মূল ও মুনাফা পরিশোধে ব্যয় হয়েছে ৩২ হাজার ২৫৪ কোটি টাকা। আর শুধু মুনাফা বা সুদ বাবদ পরিশোধ করতে হয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা।
এদিকে সঞ্চয়পত্রে সাধারণ মানুষের বিনিয়োগ বেড়ে যাওয়ায় মুদ্রাবাজারে এক ধরনের ভারসাম্যহীনতা দেখা দিয়েছে বলে মনে করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। তাদের মতে সুদহার বেশি হওয়ায় সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণের বড় অংশই আসছে এ খাত থেকে। এতে বাজারে সুদহার কমানো যেমন সহজ হচ্ছে না, তেমনি সরকারের বেশি সুদবাহী দায় বাড়ছে। অন্যদিকে বন্ড মার্কেট উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যাংকগুলোতে অতিরিক্ত তারল্য জমছে। যা সামলাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিল বিক্রি করে বাজার থেকে টাকা তুলে নিচ্ছে। এতে পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় সঞ্চয়পত্রের সুদহার যৌক্তিক করার বিষয়ে সরকার উদ্যোগ নিতে পারে।
সঞ্চয়পত্রে সুদের হার পুনর্নির্ধারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরামর্শ ও ব্যাংক পরিচালকসহ বিভিন্ন মহলের চাপ সত্ত্বেও নির্বাচনী বছরে বহুল আলোচিত সঞ্চয়পত্রের সুদের হার না কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
সর্বশেষ ২০১৫ সালের ১০ মে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের সুদ হার গড়ে ২ শতাংশ কমানো হয়েছিল। কিন্তু তাতে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি কমেনি।
বর্তমানে পরিবার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ। পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ১১ দশমিক ০৪ শতাংশ, পেনশনার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। ২০১৫ সালের ২৩ মের পর থেকে এই হার কার্যকর আছে।

ব্যবসা সংস্কারে বাংলাদেশের অগ্রগতি
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: ব্যবসা সংস্কারে বাংলাদেশ একধাপ এগিয়ে ১৬৬তম স্থানে অবস্থান করছে। এর আগে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৭৭তম। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের ডুইং বিজনেস-২০১৯ : ট্রেইনিং ফর রিফর্ম প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
বিশ্বের ১৯০টি দেশের মধ্যকার হিসেবে বাংলাদেশ এই একধাপ অগ্রগতি অর্জন করেছে।
বিশ্ব ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১২ মাসে বাংলাদেশ তার বিদ্যুৎ গ্রিডে বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে।

এতে আরো বলা হয়, ২০১৫ সাল থেকে বাংলাদেশ চট্টগ্রাম ও ঢাকায় নেটওয়ার্ক সক্ষমতা বাড়িয়েছে। ফলে উভয় শহর এখন আরো সংযোগের অনুরোধ রক্ষার সক্ষমতা অর্জন করেছে। এতে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার ক্ষেত্রে সময়ক্ষেপণ হ্রাস পেয়েছে।

বিশ্ব ব্যাংকের এই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, অভ্যন্তরীণ ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা সহজীকরণের উন্নয়নে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের অর্থনীতির আরো অগ্রগতি হয়েছে। এক্ষেত্রে শীর্ষ অগ্রগতির দেশ হচ্ছে আফগানিস্তান ও ভারত।


জেনিথ ইসলামী লাইফের এজিএম অনুষ্ঠিত
                                  

স্বাধীন বাংলা: জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের ৫ম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি মতিঝিলস্থ কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান, মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক এমপি ফরিদুন্নাহার লাইলী।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চেয়ারম্যান রেজাকুল হায়দার মনজু, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান একেএম বদিউল আলম, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান আলী আজীম খান, ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান আবদুল জলীল, পরিচালক সামছুল আলম সুমন ও সৈয়দা নাসরিন আজিম, মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিসি) এস এম নুরুজ্জামান এবং কোম্পানি সচিব আবদুর রহমান।

বড়পুকুরিয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু
                                  

পার্বতীপুর প্রতিনিধিঃ প্রায় ৩ মাস পর বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে বানিজ্যিকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু হওয়ায় দীর্ঘ ৫৩ দিন বন্ধ থাকার পর দিনাজপুর পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন পুনরায় শুরু হয়েছে।
২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটির উৎপাদন শুরু করার লক্ষে বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় স্টিম চালু করা হয়। পরে রাত ২টা ২৭ মিনিট থেকে উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যোগ হয় বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎ। তৃতীয় এ ইউনিটটি চালু রাখতে প্রতিদিন দুই হাজার ৮০০ টন কয়লা প্রয়োজন। আগামীতে কয়লার মজুদ বাড়লে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিট দুটি চালু করা হবে। শুক্রবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল হাকিম সরকার।
বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেডের (বিসিএমসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ ফজলুর রহমান প্রতিনিধিকে জানান- দীর্ঘ প্রায় তিন মাস বন্ধ থাকার পর গত ৭ আগস্ট রাত থেকে খনির নতুন ১৩১৪ নম্বর কোল ফেইজ হতে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়। বৃহস্পতিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬ টা পর্যন্ত উত্তোলন করা হয়েছে ৮ হাজার ৩৬২ দশমিক ৭৫ মেট্রিক টন কয়লা। প্রতিদিন যে পরিমাণ কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে তা সাথে সাথে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সরবরাহ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন বর্তমানে প্রতিদিন ১ হাজার ২‘শ টন থেকে ২ হাজার টন পর্যন্ত কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে। ক্রমান্নয়ে তা ৪ হাজার টনে উন্নিত হবে।
উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া খনির ওপর নির্ভর করে খনির পার্শ্বে কয়লাভিত্তিক ৫২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হয়। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি ও ১২৫ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিট রয়েছে। কেন্দ্রটি পূর্ণ উৎপাদন থাকলে প্রতিদিন গড়ে ৫ হাজার ২ শ’ মেট্রিক টন কয়লার প্রয়োজন হয়।
কয়লার অভাবে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হওয়ার দারপ্রান্তে উপনিত হলে খনির ইয়ার্ড থেকে প্রায় ২৩০ কোটি টাকার প্রায় ১ লাখ ৪৫ হাজার টন কয়লা কেলেঙ্কারির ঘটনাটি ধরা পড়ে গত ১৯ জুলাই। জ্বালানী সংকটে পড়ে দেশের একমাত্র কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গত ২২ জুলাই রাতে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। তবে ঈদ উল আজহাকে সামনে রেখে রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলে লো ভোল্টেজ সমস্যা এড়াতে ২০ আগস্ট থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ২ নম্বর ইউনিটটি চালু রেখে সীমিত আকারে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়েছিল।

সিলেট-ঢাকা রুটে ইউএস-বাংলার অতিরিক্ত ফ্লাইট শুরু
                                  

নিজস্ব সংবাদদাতা: যাত্রী সাধারণের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স প্রতিনিয়ত সেবা প্রদান করে আসছে। সিলেটবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে প্রাথমিকভাবে আজ ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শনি ও মঙ্গলবার ব্যাতিত সপ্তাহে পাঁচদিন রাত ৮টা ৩৫মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ফ্লাইট ছেড়ে যাচ্ছে। এর আগে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে সিলেটের উদ্দেশ্যে ফ্লাইট ছেড়েছে।
এছাড়া সপ্তাহে প্রতিদিন দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে সিলেট এবং দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে সিলেট থেকে ঢাকায় ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। খুব শীঘ্রই ঢাকা-সিলেট-ঢাকা রুটের অতিরিক্ত ফ্লাইটটি সপ্তাহে প্রতিদিন পরিচালনা করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আজ ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এর ঢাকা-সিলেট রুটের অতিরিক্ত ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে ৭৬ জন যাত্রী নিয়ে সিলেটে অবতরন করেছে। আগত যাত্রীদেরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর প্রেসিডেন্ট জনাব খন্দকার শিপার আহমেদ, আটাব সিলেট জোনের চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল জব্বার জলিল ও সেক্রেটারী জিয়াউর রহমান খান রিজওয়ান, হাব সিলেট জোনের সেক্রেটারী জনাব জহিরুল কবির চৌধুরী শিরু, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এর ব্যবস্থাপক জনাব হাফিজ আহমেদ ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এর জেনারেল ম্যানেজার- পাবলিক রিলেশন মোঃ কামরুল ইসলাম সহ এয়ারলাইন্স-এর সিলেট স্টেশনের কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার প্রতিনিধিবৃন্দ।
যাত্রা শুরুর পর থেকেই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ প্রত্যেকটি রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। অভ্যন্তরীণ রুট ছাড়াও কলকাতা, সিঙ্গাপুর, কুয়ালালামপুর, ব্যাংকক, গুয়াংজু, মাস্কাট, দোহা রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

চামড়া নিচ্ছে না বিদেশীরা
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিদেশী ক্রেতারা বাংলাদেশ থেকে চামড়া কেনা কমিয়ে দিয়েছে। ফলে দেশি চামড়ার মান ও জোগান ভালো এবং শ্রমব্যয় কম হওয়া সত্ত্বেও দিন দিন চামড়া খাত গুরুত্বহীন হয়ে পড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে চামড়া রফতানির লক্ষ্যমাত্রা কমিয়েও ধস ঠেকানো যাচ্ছে না। অথচ চামড়া ছিল দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রফতানি আয়ের খাত। মূলত চামড়া সংগ্রহ ব্যবস্থাপনায় অরাজকতা আর পরিবেশবান্ধব উপায়ে প্রক্রিয়াজাত না হওয়ায় এমন সঙ্কট তৈরি হয়েছে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের চাপে দেশি বড় প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিদেশ থেকে চামড়া এনে পণ্য রপ্তানি করতে হচ্ছে। চামড়া শিল্প সংশ্লিষ্টদের সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দেশের চামড়াশিল্পকে টেকসই করতে পরিবেশবান্ধব উপায়ে পণ্য উৎপাদনে সরকার উদ্যোগ নিলেও তা যথাযথ বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে সরকার ২০২১ সালে চামড়া খাত থেকে ৫শ কোটি ডলার রপ্তানি আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, তা অধরাই থেকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর এবারের কোরবানি পশুর চামড়া সংগ্রহ ও দরপতন ওই আশঙ্কাকে আরো গভীর করেছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করে দেশের আয় হয়েছে ১০৮ কোটি ডলার। ওই আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২১ শতাংশ কম। তার আগের বছরের চেয়েও ওই আয় ১২ শতাংশ কম। আর সদ্যবিদায়ী অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৩৮ কোটি ডলার। কিন্তু নেতিবচাক প্রবৃদ্ধির ফলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চলতি অর্থবছরের (২০১৮-১৯) লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ১১২ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছরের চেয়ে ২৬ কোটি ডলার কম। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসেও (জুলাই) চামড়া শিল্পের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ও প্রবৃদ্ধি দুটিই কম হয়েছে। ওই সময়ে আয় হয়েছে ৯ কোটি ১১ লাখ ডলার (৮১০ কোটি ৬০ লাখ টাকা), যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫.৫৫ শতাংশ কম। গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়েও ওই আয় ২১.৭৩ শতাংশ কম। গত অর্থবছরের জুলাই মাসে এই খাত থেকে আয় হয়েছিল ১১ কোটি ৬৪ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

সূত্র জানায়, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১০৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। চলতি অর্থবছরে ওই খাতে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১১২ কোটি ৪০ লাখ ডলার। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে ওই খাতের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯ কোটি ৬৫ লাখ ২০ হাজার ডলার। ওই মাসে কাঁচা চামড়া রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক কোটি ৫৮ লাখ ডলার। অথচ রপ্তানি আয় হয়েছে এক কোটি ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৬.২০ শতাংশ কম। গত অর্থবছরের জুলাই মাসে কাঁচা চামড়া রপ্তানি করে আয়  হয়েছিল এক কোটি ৩৩ লাখ ২০ হাজার ডলার। আগের অর্থবছরের প্রথম মাসের তুলনায়ও চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে কাঁচা চামড়ার রপ্তানি আয় ২৪.৩২ শতাংশ কম। ওই সময়ে চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছিল এক কোটি ৪৮ লাখ ৪০ হাজার ডলার। চলতি অর্থবছরের জুলাই মাসে চামড়া খাতের পণ্য রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল দুই কোটি ৯২ লাখ ডলার। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় কম হয়েছে ৪৯.১৮ শতাংশ। ওই আয় আগের অর্থবছরের জুলাই মাসের চেয়ে ৬১.৪৯ শতাংশ কম। তবে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জুলাই মাসে চামড়ার জুতা রপ্তানিতে লক্ষ্যমাত্রা ও প্রবৃদ্ধি দুই ভালো হয়েছে। ওই সময়ে আয় হয়েছে ৬ কোটি ৬২ লাখ ৪০ হাজার ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৮.৫৭ শতাংশ বেশি।

এদিকে দেশের চামড়া শিল্পের অবস্থা সম্পকে চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন এলএফএমইএবির সভাপতি সাইফুল ইসলাম জানান, দেশের চামড়াশিল্পের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে এবং পরিবেশবান্ধব উপায়ে প্রক্রিয়াজাত করতে হাজারীবাগ থেকে ট্যানারিগুলো সাভারে নেয়া হয়। কিন্তু চামড়া নগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধানাগার (সিইটিপি) কার্যকর না হওয়ায় এই খাতে চরম নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তবে দেশি কিছু প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ইটিপি থাকার ফলে রপ্তানি আয় এখনো কিছুটা সচল থাকলেও এই শিল্পকে রক্ষা করতে এখনই চামড়া নগরীর সিইটিপি কার্যকর করা জরুরি। সেজন্য চীনা প্রতিষ্ঠানের কাজ বাতিল করে তৃতীয় কোনো দেশের কারিগরি সহায়তা নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

অন্যদিকে একই প্রসঙ্গে রপ্তানিকারদের সংগঠন ইএবির সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী জানান, পরিবেশবান্ধব চামড়া শিল্প তৈরি করা না গেলে দেশের সম্ভাবনাময় চামড়া খাতের টিকে থাকাই কঠিন হয়ে পড়বে। বাংলাদেশে চামড়ার মান ভালো, শ্রমব্যয় কম হওয়ার পরও এর সম্ভাবনা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। দিন দিন মুখ থুবড়ে পড়ছে। পাশাপাশি চীন-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যযুদ্ধের পর বাংলাদেশ থেকে চামড়া কেনা কমিয়েছে বিদেশি ক্রেতারা। অন্যদিকে পরিবেশবান্ধব উপায়ে চামড়া প্রক্রিয়াজাত না হওয়ায় বিদেশি ক্রেতারা দেশি বড় ব্র্যান্ড কম্পানিগুলোকে বিদেশ থেকে চামড়া আমদানি করে পণ্য রপ্তানি করার পরামর্শ দেন। ফলে সাভারের চামড়া শিল্প নগরীকে পরিবেশবান্ধব করা না গেলে সম্ভাবনাময় খাতটিকে দেশের সোনালি আঁশ পাটের পরিণতি ভোগ করতে হবে।

কর ফাঁকির আশঙ্কা বাড়ছে
                                  

বিশেষ প্রতিনিধি : অনলাইনে ভ্যাট নিবন্ধন নেয়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অনেকগুলোই ভুয়া হিসাবে প্রমাণিত হয়েছে। অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকই জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক হিসাবসহ ভুয়া তথ্যের মাধ্যমে নিবন্ধন নিয়েছে। এর ফলে ভ্যাটের পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানিতে শুল্ক-কর ফাঁকির আশঙ্কা বাড়ছে। যদিও সরকার ব্যবসায়ের হিসাবে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং কাক্সিক্ষত রাজস্ব আদায়ে অনলাইন ভ্যাট নিবন্ধন কার্যক্রম বাধ্যতামূলক করেছে।

ওই প্রেক্ষিতে গত জুলাই থেকে আগের নিয়মে আর ভ্যাট নিবন্ধন নম্বর দেয়া হচ্ছে না। তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, অনলাইনে ভ্যাট নিবন্ধন নেয়া ও ভ্যাট পরিশোধের ক্ষেত্রে বেশকিছু সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তাতে রাজস্ব ঝুঁকির আশঙ্কা বাড়ার বিষয়টি জানিয়ে একাধিক মাঠপর্যায়ের অফিস থেকে এনবিআরকে লিখিতভাবে অবহিত করা হচ্ছে। এনবিআর সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।


সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, সম্প্রতি ঢাকা পশ্চিম ভ্যাট কমিশনারেটের আওতাভূক্ত কয়েকটি এলাকায় অনলাইনে নিবন্ধন নেয়া বেশকিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরেজমিনে যাচাই করা হয়। তাতে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বড় ধরণের গলদের চিত্র বেরিয়ে এসেছে। রাজধানীর মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও সংলগ্ন এলাকা সাভার, ধামরাই এবং মানিকগঞ্জে ৩১০টি নিবন্ধন নেয়া প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহে সরেজমিনে যাচাই করা হয়। তাতে ১৬০টি প্রতিষ্ঠানেরই অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। মাত্র দেড়শ’ প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। শুধুমাত্র ঢাকা পশ্চিম ভ্যাট কমিশনারেট অফিসের ক্ষেত্রেই এমন নয়, অন্যান্য অফিসেও আওতাধীন এলাকায়ও এ ধরণের অনিয়ম পাওয়া গেছে। এনবিআরের হিসাবে বর্তমানে অনলাইনে নিবন্ধন নেয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার। নিবন্ধন নেয়ার সময় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকের টিআইএন (করদাতা সনাক্তকরণ নম্বর), ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, বাড়িভাড়ার চুক্তিপত্র টেলিফোন বা ই-মেইলসহ বেশকিছু তথ্য দিতে হয়। সংশ্লিষ্ট ভ্যাট অফিসগুলো ওসব তথ্যের বেশকিছুই ভুল বা ভুয়া হিসেবে প্রমাণ পেয়েছে। সূত্র জানায়, এনবিআরের একটি ভ্যাট অফিস থেকে ২৯টি ব্যাংকে ৬ হাজার বা কারা জড়িত, সার্ভেইলেন্স সফটওয়ার দেখে তাদের চিহ্নিত করে প্রতিবেদনও জমা দেওয়া হয়েছে। অথচ কমিশন এসব কোম্পানির বিষয়ে কোনো তদন্ত করছে না।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, চলতি বছরের ২৮ এপিল ওষুধ খাতের কোম্পানি লিব্রা ইনফিউশন লিমিটেডের শেয়ারের দাম ছিলো ৪৯৩ টাকা ৪০ পয়সা। এরপর থেকে কোনো কারণ ছাড়াই কেবল কারসাজি চক্রের দাপটে শেয়ারের দাম ৭৬৮ টাকা বেড়ে ২ জুলাই দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৬১ টাকা ২০ পয়সায়।

এক নাগাড়ে শেয়ারটি দাম বাড়ার পেছনে কে বা কারা জড়িত সার্ভেইলেন্স দেখে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা অভিহিত করে দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ। বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করতে কোম্পানিকে কয়েক দফা অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে কোনো সংবদেনশীল তথ্য আছে কিনা জানতে চেয়ে নোটিশ দিয়েছে। কোম্পানি জানায়, অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির বিষয়ে কোনো কারণ জানা নেই। কিন্তু  স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতিবেদন দেওয়ার পর কমিশনের নিজস্ব সার্ভেইলেন্সে দেখেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। গঠন করেনি তদন্ত টিমও। এ সুযোগে কয়েকগুণ বেশি দাম বৃদ্ধি করে শেয়ার বিক্রি করে দেয় কারসাজি চক্র। তারপর থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত শেয়ারে দাম ৫৮১ দশমকি ১০ টাকা কমে ৬৮০ দশমিক ১০ পয়সায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে যারা অতিলোভে পড়ে শেয়ার কিনেছিলেন তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।    

একই কায়দায় এমবি ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেডের প্রতিটি শেয়ারের দাম ৪৩৬ দশমিক ২০ টাকা বাড়িয়ে শেয়ার বিক্রি করে টাকা তুলে নেয় কারসাজি চক্র। ডিএসইর তথ্য মতে, ২৯ মার্চ শেয়ারটির দাম ছিল ৩৭৮ দশমিক ১০ টাকা। সেই শেয়ার ২২ জুলাই বিক্রি হয়েছে ৮১৪ দশমিক ৩০ টাকা। যা গত ৩০ আগস্ট বিক্রি হয়েছে ৫৮৯ দশমিক ২০ পয়সায়। অর্থাৎ দাম কমেছে ৩২৫ টাকার বেশি।

একইভাবে ফার্মা এইড লিমিটেডের শেয়ার ২৮৪ দশমিক ৫০ টাকা থেকে ৬৮৮ দশমিক ৬০ টাকা প্রতিটি শেয়ারের দাম বাড়িয়েছে কারসাজি চক্র। ৩০ আগস্ট সেই শেয়ারের দাম ১৪৭দশমকি ৫০ পয়সা কমে দাঁড়িয়েছে ৫৪১ টাকায়। এ সময়ে শেয়ার বিক্রি করে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

শুধু লিব্রা ইনফিউশন, এমবি ফার্মা এবং ফার্মা এইড কোম্পানিই নয়, বিডি অটোকার, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার, মুন্নু স্টাফলার্স, মুন্নু সিরামিক, কে অ্যান্ড কিউ, আজিজ পাইপস, স্টাইল ক্রাফট এবং  ড্রাগন সোয়েটার কোম্পানির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক ভাবে বেড়েছে। কারসাজিও হয়েছে, কিন্তু কমিশনের নিরব রয়েছে।

বিএসইসি’র সাবেক চেয়ারম্যান ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, যেসব কোম্পানির শেয়ার কারসাজি হচ্ছে বলে মনে হয়, সার্ভেইলেন্সে দেখে সেগুলোকে তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ।

রিজার্ভ চুরি: সিআইডির ফরেনসিক রিপোর্ট ফিলিপাইনের আদালতে উঠছে বৃহস্পতিবার
                                  

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনার ফরেনসিক রিপোর্ট ফিলিপাইনের অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং কাউন্সিল আদালতে জমা দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। রিপোর্ট জমা দেয়া দুই কর্মকর্তা হচ্ছেন সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার রায়হান উদ্দিন খান এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাহিম।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্লা নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনার তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তা ফিলিপাইনের আদালতের শুনানিতে অংশ নিতে সম্প্রতি সেখানে যান। বৃহস্পতিবার সেখানকার আদালতে ফরেনসিক রিপোর্ট জমা দেন।

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, ফিলিপাইনে শুনানির সময় সে দেশের আদালত বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের কাছে হ্যাকিং এবং এ ঘটনায় জড়িতদের নাম জানতে চেয়েছেন। এর প্রেক্ষিতে সেখানকার আদালতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই প্রতিবেদনটি দাখিল করা হয়। এই মামলার অন্যতম আসামি ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশনের (আরসিবিসি) কর্মকর্তা মায়া দেগুইতো।

এর আগে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সুইফট সিস্টেম ব্যবহার করে ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রায় ১০১ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৮৮০ কোটি টাকা) চুরির ঘটনা ঘটে। অর্থের একটি বড় অংশ আরসিবিসির মাধ্যমে ফিলিপাইনের জুয়ার টেবিলে চলে যায়।

চুরির মাসখানেক পর বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির হিসাব ও বাজেট শাখার যুগ্ম পরিচালক জুবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২, তথ্য ও প্রযুক্তি আইন ২০০৬-এর ৫৪ ধারায় এবং বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ৩৭৯ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। এতে ‘অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের’ আসামি করা হয়। সংবেদনশীল এই মামলাটির তদন্তের দায়ভার দেয়া হয় সিআইডিকে।

দীর্ঘ তদন্তে রিজার্ভ থেকে অর্থ চুরির ঘটনায় বিভিন্ন পর্যায়ে জড়িতদের অনেকের নামও শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন- জাপানের সাসাকিম তাকাশি, জয়দেবা, আরসিবিসির জুপিটার শাখা ব্যবস্থাপক মায়া সান্তোস দেগুইতো, এনজেলা তেরেস, মাইকেল ফ্রান্সিসকো ক্রুজ, জেসি ক্রিস্টোফার লাগোরাস, আলফ্রেড ভারগারা, এনরিকো তায়েদ্রো ভাসকুয়েজ, কিম ওং, স্লুইড বাতিস্তা, ফিলিপাইনের ব্যবসায়ী উইলিয়াস গো সো, শ্রীলঙ্কার এনজিও শালিকা ফাউন্ডেশনের গামাজ শালিকা পেরেরা, সানজেবা টিসা বান্দরা, শিরানি ধাম্মিকা ফার্নান্দো, ডন প্রসাদ রোহিতা, নিশান্থা নালাকা, ওয়ালাকুরুয়ারাচ্চি প্রমুখ।

নিয়ন্ত্রণহীন ডলারের দাম
                                  

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : টাকার বিপরীতে প্রতিনিয়ত বাড়ছে মার্কিন মুদ্রা ডলার। বিশ্বব্যাপী ডলারের দাম পড়তির দিকে হলেও বাংলাদেশ বিপরীত অবস্থা। কোনোভাবেই তা নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। খোদ বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপেও পরিস্থিতির উন্নতি ঘটছে না। বরং কম রফতানি এবং আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ডলারের চাহিদা বাড়ছে। তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দামও। রোজা ও ঈদের সময় মানুষের বিদেশ যাওয়ার পরিমাণ বেড়ে যায়। সেজন্যও ডলারের চাহিদা বাড়ছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, ডলার সঙ্কটের কারণে ব্যাংকগুলোর এলসি খুলতেও সমস্যা হচ্ছে। ব্যাংকিং খাত সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দেশে ডলার সঙ্কট এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে, অধিকাংশ বেসরকারি ব্যাংকই এখন আমদানির জন্য বড় কোনো এলসি (ঋণপত্র) খুলে ঝুঁকি নিতে চাচ্ছে না। পাশাপাশি পুরনো এলসিগুলোর দায় পরিশোধের ক্ষেত্রেও অনেক ব্যাংক এখনো হিমশিম খাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক গত কয়েক মাসে বাজারে প্রচুর ডলার ছেড়ে দাম ঠিক রাখার চেষ্টা করছে। কিন্তু গত ২/৩ মাসে ডলারের দাম ব্যাপক হারে বাড়ছে। এক বছর আগের চেয়ে এখন বেড়েছে প্রায় ৪ টাকা। আর গত এক মাসে বেড়েছে প্রায় এক টাকা। আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার এখন ৮৩ টাকা ৭০ পয়সা বিক্রি হচ্ছে। গত বছরের জানুয়ারিতে যা ছিল ৭৮ টাকা ৭০ পয়সা। তবে ব্যাংকগুলো ঘোষিত বিনিময় হার মানছে না। ফলে ব্যাংক থেকেই ডলার কিনতে গ্রাহকদের সাড়ে ৮৫ টাকা পর্যন্ত দিতে হচ্ছে। আর কার্ব মার্কেটে (খোলা বাজারে) ডলারের দাম আরো বেশি। সূত্র জানায়, ডলার বাজার নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংক এডি (অথরাইজড ডিলার) ব্যাংকগুলোর সঙ্গে দফায় দফায় মিটিং করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক গতবছরের শেষের দিকে ঘোষিত বিনিময় হার মেনে না চলায় ২৬ ব্যাংককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। বাজার নিয়ন্ত্রণের রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিদিনই ডলার ছাড়ছে। তবে তাতে খুব বেশি ফলাফল আসছে না। কারণ রমজান উপলক্ষে বিভিন্ন নিত্যপণ্যের আমদানি বেড়েছে। তাতে আমদানি ব্যয়ও বাড়ছে। যার প্রভাব পড়ছে ডলারের বাজারে।

রমজান উপলক্ষে ইউএস বাংলা’র বিশেষ প্যাকেজ
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স যাত্রীসাধারনের আকাশ পথের যাত্রাকে স্বাচ্ছন্দ্যময় করার জন্য আসন্ন রমজান মাসে কক্সবাজার ও থাইল্যান্ডের বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্যে পর্যটকদেও জন্য নানা রকমের আকর্ষণীয় হলিডে প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। স্বল্প খরচে দেশ বিদেশকে দেখার ও জানার সুযোগ করে দিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।
ভ্রমণপিপাসু বাংলাদেশী পর্যটকদের সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স রমজান মাসে দেশীয় পর্যটকদের আকর্ষণ করার জন্য কক্সবাজারে ঘোষণা করেছে আকর্ষণীয় হলিডে প্যাকেজ। পাহাড় আর সমুদ্রের অপূর্ব সৌন্দর্য্য একসাথে উপভোগ করার জন্য নূন্যতম ১০, ৯৯০ টাকায় কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারকা হোটেলে দুই রাত তিনদিন থাকা, ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা সকল প্রকার ট্যাক্সসহ এয়ারটিকেট, এয়ারপোর্ট-হোটেল-এয়ারপোর্ট যাতায়াত, সকালের নাস্তাসহ আরো নানাবিধ সুবিধা রয়েছে ট্যূর প্যাকেজে। আপনার পছন্দ অনুযায়ী কক্সবাজাওে আন্তর্জাতিকমানের বিভিন্ন পাঁচ তারকা মানের হোটেলে প্যাকেজ সুবিধার সুযোগ রয়েছে ইউএস-বাংলা’র হলিডে প্যাকেজে। হোটেল গুলোর মধ্যে রয়েছে- হোটেল সী প্যালেস, হোটেল কক্স টুডে, ওশান প্যারাডাইজ, সীগাল হোটেল, সায়মনবিচ রিসোর্ট এবং রয়েল টিউলিপ সী পার্ল বিচরিসোর্ট এন্ড স্পা।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স দেশীয় পর্যটন কেন্দ্রগুলির বিকাশ সাধনে শুরু থেকেই কাজ করে যাচ্ছে। “দেশকে জানা আর বিদেশকে চেনা” এই উপলব্ধি থেকেই দেশীয় পর্যটন বিকাশের সাথে সাথে দেশীয় পর্যটকদের বিভিন্ন দেশেস্বল্প খরচে ঘুওে আসার সুযোগ কওে দিচ্ছে ইউএস-বাংলা ।
আধুনিক পর্যটন কেন্দ্রগুলির অন্যতম থাইল্যান্ডের ব্যাংকক, পাতায়া কিং বাফুকেট। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স কম খরচে ব্যাংকক ও পাতায়া ভ্রমণের সুযোগ কওে দিচ্ছে। স্বল্পতম খরচে প্রতি জনের জন্য মাত্র ২২,৯৯০টাকায় ২ রাত ৩ দিনের ব্যাংকক ভ্রমনের প্যাকেজ দিচ্ছে ইউএস-বাংলা। ব্যাংকক ও পাতায়ায় ৪ রাত ৫ দিনের প্যাকেজ দিচ্ছে প্রতি জন মাত্র ২৮,৯০০ টাকায়। প্যাকেজ গুলোর মধ্যে অন্তর্ভূক্ত রয়েছে ঢাকা-ব্যাংকক-ঢাকা রিটার্ন এয়ারটিকেট, হোটেল, ব্যাংকক এয়ারপোর্ট-পাতায়া হোটেল-ব্যাংকক হোটেল- ব্যাংকক এয়ারপোর্ট ট্রান্সফারসহ সকালের নাস্তা।এছাড়া ব্যাংকক ও ফুকেটে ৪ রাত ৫ দিনের প্যাকেজ দিচ্ছে প্রতিজন মাত্র ৪২,৯৯০ টাকায়। প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে ঢাকা-ব্যাংকক-ঢাকা রিটার্ন এয়ার টিকেট, ব্যাংকক-ফুকেট-ব্যাংকক এয়ার টিকেট, হোটেল, এয়ারপোর্ট-হোটেল-এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার ও সকালের নাস্তা। এছাড়া ব্যাংকক ও কারাবি এবং ব্যাংকক ও কোহসামুই ভ্রমণে আকর্ষণীয় প্যাকেজ দিচ্ছে ইউএস-বাংলা হলিডেজ।
ইউএস-বাংলা’র হলিডে প্যাকেজগুলো কমপক্ষে দু’জনের জন্য প্রযোজ্য। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স পর্যটকদের সুবিধার্থে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ছয় মাসের ইএমআই সুবিধাও দিচ্ছে। প্যাকেজের সুবিধাগুলি আগামী ১৫ই মে থেকে ৯জুন ২০১৮ পর্যন্ত সময়সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।
এছাড়া কলকাতা, মালয়শিয়া ও সিঙ্গাপুরেও রয়েছেইউএস-বাংলা’র আকর্ষণীয় হলিডে প্যাকেজ।
ইউএস-বাংলা’র হলিডে প্যাকেজ সংক্রান্ত যে কোনো তথ্যের জন্য ইউএস-বাংলা এয়ার লাইন্সের যে কোনো সেলস্ অফিস তথা আপনার নিকটস্থ ট্রাভেল এজেন্ট এর সাথে যোগাযোগ করুন। ০১৭৭৭৭৭৭৮৮১-৮৮৩ অথবা হটলাইন ১৩৬০৫ অথবা ০৯৬৬৬৭১৩৬০৫ নম্বরে যোগাযোগ করে আপনার ট্রাভেল প্যাকেজ গ্রহন করতে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে কর্মীদের আরো আন্তরিক হওয়ার আহবান
                                  

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তা ও মাঠকর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন জেনিথ ইসলামী লাইফের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিসি) এস এম নুরুজ্জামান। শুক্রবার কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত ব্যবসা সফল কর্মীদের পুরস্কার প্রদান উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আনন্দ ভ্রমন ও উন্নয়ন সম্মেলনে এ আহবান জানান।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন কোম্পানির ডিএমডি মো. আব্দুল কাদের, লিগ্যাল রিটেইনার এডভোকেট তনয় কুমার সাহা ও সাবেক সিএফও মো. সিরাজুল ইসলাম এফসিএ। কোম্পানির ডিএমডি মো. কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ডিএমডি মোহাম্মদ হাসান খাঁন।

মূখ্য নির্বাহী এসএম নুরুজ্জামান বলেন, সাধারণ মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে তাদের সঞ্চয়ে আগ্রহী করে তুলতে হবে। গ্রাহকদের মাঝে আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে সেবার মাধ্যমে। শুধু পলিসি করালেই হবে না। পলিসি নিয়মিত করার জন্য গ্রাহকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করতে হবে। নবায়ন প্রিমিয়াম দিতে গ্রাহকদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে। পলিসি করার সামর্থ আছে এমন গ্রাহকদের বীমা করাতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে কোন অবস্থাতেই যেন পলিস ল্যাপস না হয়।

বীমা কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পেশাকে সম্মান করুন। দায়সারা বা দায়িত্বহীনভাবে যারা কাজ করতে চায় তাদের এ পেশায় থাকার প্রয়োজন নেই। তিনি আরো বলেন, আপনারা গ্রাহকদের কাছ থেকে যে প্রিমিয়াম নিচ্ছেন তা আমানত। তা তাদের ফেরত দিতে হবে বোনাসসহ। এ দায়িত্ব একা কোম্পানির নয়, আজ যারা এ কোম্পানিতে আছেন তাদের সকলের। আজকে আপনারা আনন্দ করছেন তা আপনাদের প্রাপ্য। আপনাদের আজকের এ আনন্দ গ্রাহকদের প্রতি দায়িত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। আশাকরি এটা ভুলবেন না।

কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত উন্নয়ন সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেনিথ ইসলামী লাইফের এসএভিপি ও বাড্ডা মডেল সার্ভিস সেন্টার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম, এসএভিপি ও যশোর সার্ভিস সেন্টার ইনচার্জ মো. মোস্তফা, এসএভিপি ও লক্ষ্মীপুর সার্ভিস সেন্টার ইনচার্জ রেজাউল করিম লিটন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ২০১৭ সালে সর্বোচ্চ প্রিমিয়াম সংগ্রহ করার জন্য কর্মীদের মাঝে মোটরসাইকেল, বিমানের টিকেট, ওমরা হজের টিকেট, চেয়াম্যান অ্যাওয়ার্ড ও সনদ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সারাদেশের ব্যবসা সফল কর্মীরা অংশ নেন।

ব্যবসার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করায় ওমরা হজের টিকেট পেয়েছেন ডিএমডি মো. কামরুল ইসলাম। মোটরসাইকেল পুরস্কার পেয়েছেন এসএভিপি ও বাড্ডা মডেল সার্ভিস সেন্টার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম এবং এসএভিপি ও নাটোর সার্ভিস সেন্টার ইনচার্জ মো. হাবিবুর রহমান।

আকর্ষণীয় হলিডে প্যাকেজ নিয়ে ইউএস-বাংলা
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স পর্যটকদের চীনের গুয়াংজুতে নানাবিধ সুবিধা দিয়ে হলিডে প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। ব্যবসায়ী আর পর্যটকদের আকর্ষণ এখন বর্ণিল গুয়াংজুতে ট্রাভেল প্যাকেজ দিচ্ছে ইউএস-বাংলা।

গুয়াংজু ভ্রমণে দুই রাত তিন দিনে হলিডে প্যাকেজে প্রতি জনের জন্য নূন্যতম ৪৫,৯৯০ টাকা নির্ধারন করা হয়েছে। কমপক্ষে দুই জনের জন্য প্যাকেজটি প্রযোজ্য। প্যাকেজে দুই বছরের অধিক শিশুদের জন্য অতিরিক্ত বিছানাসহ ৩৮,৯৯০ টাকা এবং অতিরিক্ত বিছানা ছাড়া ৩২,৯৯০ টাকা নির্ধারন করা হয়েছে। এছাড়া ২ বছরের নিচে শিশুদের জন্য ৩,৯৯০ টাকা নির্ধারিত। এখানে উল্লেখ্য যে, একজনের জন্য ৫০,৯৯০ টাকায় দুইরাত তিন দিনের স্পেশাল প্যাকেজও ঘোষনা করেছে কর্তৃপক্ষ। প্যাকেজের মধ্যে সকল ধরনের ট্যাক্সসহ বিমানভাড়া, তিন তারকা মানের হোটেল, সকালের নাস্তাসহ নানাবিধ সুবিধা রয়েছে।

এখানে উল্লেখ্য যে, গুয়াংজু ভ্রমণের জন্য চীনের ভিসা প্রাপ্তির ব্যাপারে সকল ধরনের সহযোগিতাও করে থাকে ইউএস-বাংলা।

গুয়াংজু ভ্রমণ করার জন্য পর্যটকদের পছন্দ অনুযায়ী ৬ মাসের সহজ কিস্তিতে বিনা সুদে বাংলাদেশের নেতৃস্থানীয় বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্রেডিটকার্ড ব্যবহারকারীগণ এ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। গ্রাহককে প্রতি মাসে গুয়াংজু ভ্রমনে ৭,৬৬৫ টাকা প্রদান করতে হবে। ভ্রমণপিপাসুদের এ সুবিধা দিতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- ব্যাংক এশিয়া, সিটি ব্যাংক লিমিটেড, ঢাকা ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, যমুনা ব্যাংক, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, মেঘনা ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, এনআরবি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, স্টান্ডার্ড ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, স্টান্ডার্ড চার্টার্ড ও ইউসিবিএল।

সপ্তাহে তিনদিন (শনি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার) রাত ৯.৫০ মিনিটে চীনের গুয়াংজুর উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করে। এবং স্থানীয় সময় ভোর ৫.০০ টায় গুয়াংজু থেকে (রবি, বুধ ও শুক্রবার) ঢাকার উদ্দেশ্যে ফ্লাইট ছেড়ে আসে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ৮টি বিজনেস ক্লাস ও ১৫৬টি ইকোনমি ক্লাসসহ মোট ১৬৪ আসনের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে ঢাকা-গুয়াংজু-ঢাকা রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে।

বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে চীনের গুয়াংজু ছাড়াও কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক, কলকাতায় আকর্ষণীয় হলিডে প্যাকেজ সেবা দিয়ে যাচ্ছে। দেশের অভ্যন্তরে কক্সবাজার, সিলেটসহ বিভিন্ন গন্তব্যে কিস্তি সুবিধায় রয়েছে ইউএস-বাংলার ভ্রমণ প্যাকেজ।

হলিডে প্যাকেজ সংক্রান্ত যে কোনো তথ্য জানতে যোগাযোগ করুন- ০১৭৭৭৭৭৭৮৮১-৩ অথবা ১৩৬০৫।

পেঁয়াজ-রসুনের গায়ে আগুন
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: রমজানের প্রক্কালে রাজধানীতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে রমজানের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বাজারে উত্তাপ ছড়াচ্ছে পেঁয়াজ, রসুন ও আদা। মৌসুম হওয়া সত্ত্বেও পেঁয়াজের দাম গত তিন সপ্তাহ ধরেই বাড়ছে। এক সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে প্রায় ১০ টাকা। সরবরাহ ঘাটতির কারণে শাক সবজির দামও কিছুটা বেড়েছে বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন।

রমজান মাস আসতে বাকি আছে এখনো প্রায় দুই সপ্তাহ। কিন্তু খাদ্যপণ্য কেনাকাটার প্রস্তুতি এখন থেকে শুরু করেছে রাজধানীবাসী। তাঁরা বলছেন, রমজান মাস শুরু হলে দাম বাড়বে, সেইসঙ্গে বাজার করার জন্য সময় বের করাও কঠিন হয়ে যাবে।

শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি পাল্লা (৫ কেজি) দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকা আর আমদানি করা পেঁয়াজ ১৪০ টাকা। সেই হিসাবে দেশি পেঁয়াজের কেজি ৩৮ টাকা আর আমদানি করা পেঁয়াজের কেজি পড়ছে ২৮ টাকা।

ঠিক এক সপ্তাহ আগে কারওয়ান বাজারে কেজিপ্রতি দেশি পেঁয়াজ ছিল ৩৪ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ছিল ২৫ টাকা। এই বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা রাশেদুল ইসলাম বলেন, মাঝখানে কিছুদিন দাম স্থিতিশীল ছিল। এখন মোকামে দাম বাড়তে শুরু করেছে।

পেঁয়াজের পাশাপাশি আমদানি করা রসুনের দামও কেজিতে অন্তত ৩০ টাকা বেড়েছে। পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়ার কারণেই খুচরায় দাম বাড়তে শুরু করেছে বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন। তবে দেশি রসুন আগের মতোই প্রতিকেজি ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দুই সপ্তাহ আগে চীনা রসুন প্রতিকেজি ৮০ টাকা দরে বিক্রি হলেও গত সপ্তাহে তা বেড়ে গিয়ে ৯০ টাকায় বিক্রি হয়। চলতি সপ্তাহে চীনা রসুনের দাম প্রতিকেজি ১২০ টাকা। রসুনের মতো বিভিন্ন মানের আদার দামও গত দুই সপ্তাহে ৮০ টাকা থেকে বেড়ে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

গত সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতিকেজি ১৬০ টাকায় ঠেকলেও চলতি সপ্তাহে তা কমে আবার ১৪০ টাকায় নেমেছে। তবে আগের মতোই কিছুটা বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে শাক-সবজি।

কারওয়ান বাজারে প্রতি কেজি পটল ৪০ টাকা, ঢেঁড়শ ২৫ টাকা, করল্লা ৪০ টাকা, কাঁচামরিচ ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঝিঙা ৪০ টাকা, শসা ২৫ টাকা, বেগুন ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রমজান মাস সামনে রেখে এবার ডাল-ছোলাসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে বলে মুদি দোকানিরা জানিয়েছেন। তবে গত এক সপ্তাহে চিনির দাম কিছুটা বেড়েছে।

বাজারে সবচেয়ে ভালো মানের ছোলা বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৭০ টাকায়। এছাড়া ৬৪ টাকা ও ৬৫ টাকা দরেও ছোলা বিক্রি হচ্ছে। কাবলি বুট প্রতি কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া খেসারি ডাল কেজিপ্রতি ৫৫ টাকা, ডাবলি ৩৮ টাকা, মসুর ডাল ৫৫ টাকা থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

হিলিতে বেড়েছে যাত্রী ও রাজস্ব, বাড়েনি সেবার মান
                                  

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোটে যাত্রী যাতায়াতের সংখ্যা পূর্বের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে, পাশাপাশি রাজস্ব বেড়েছে দিগুন। তবে সেবার মান বাড়ানো হলে আরও বেশী রাজস্ব পাবে সরকার এমন অভিমত যাত্রীদের। এদিকে যাত্রীসেবার মান আরও বাড়ানো হবে বলছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দার্জিলিং, কোলকাতা, চেননাই, মাদ্রাজ সহ ভারতের বিভিন্ন জেলার সাথে হিলির সড়ক ও ট্রেন যোগাযোগ অনেক ভালো থাকায় চিকিৎসা নিতে যাওয়া রুগী, শিক্ষার্থী, ভ্রমনকারীরা এবং দেশী-বিদেশী নাগরিক সহজ পথে চলাচলের জন্য এই হিলি চেকপোষ্ট বেছে নিয়েছে। আর এ কারনেই যাত্রী পারাপার বেড়েছে হিলি চেকপোষ্ট দিয়ে। স্কেনার মেসিন না থাকার কারনে যাত্রীদের ব্যাগেজ তল্লাসী চলছে সেই সনাতন পদ্ধতিতে। চেকপোষ্টটির একমুখি পথ ধরে পণ্য আমদানি-রপ্তানীর পাশাপাশি ঝুঁকির মাঝে যাতায়াত করতে হচ্ছে যাত্রীসহ তাদের সাথে থাকা বাচ্চাদের।

এখানে নেই সোনালী ব্যাংকের শাখা অফিস, টেক্স জমা দেতে যেতে হয় এক কিলোমিটার দূরে। নেই যাত্রী ছাউনী, গাদাগাদি করে অফিসের বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। একটি শৌচাগার রয়েছে, নারী-পুরুষ উভয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে তা ব্যাবহার করে। নেই খাবারের কোন ক্যান্টিন, রোদ-বৃষ্টিতে ভিজে দেশী-বিদেশী নাগরিকেরা পারাপার হচ্ছেন এই পথে। হিলি ইমিগ্রেশন অফিসার আফতাব হোসেন জানান, পন্য আমদানি-রপ্তানীর পাশাপাশি একমুখি পথ ধরে ঝুঁকির মাঝে যাতায়াত করতে হচ্ছে যাত্রী সাধারনের। তবে রাজস্ব আদায়ের স¦ার্থে দ্রুত যাত্রীদের সেবারমান বাড়াতে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। অল্পদিনের মধ্যেই অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে মর্মে কতৃপক্ষের কাছ থেকে আশ্বস্থ হয়েছেন তিনি।

এদিকে হিলি কাষ্টম ডেপুটি কমিশনার রেজভী আহম্মেদ বলেন, গত অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত ৬ মাসে প্রায় ৮৪ হাজার ৬০৪ জন দেশী-বিদেশী নাগরিক পাসপোর্টে এই হিলি চেকপোস্ট দিয়ে যাতায়াত করেছে। এর মধ্যে ৪২ হাজার ৮৪৬ বহিঃগমন যাত্রীদের কাছে হিলি কাষ্টমস নাজস্ব আয় করেছে ২ কোটি ১১ লক্ষ ১৯ হাজার ৫ শত টাকা। তিনি আরও বলেন অল্প দিনের মধ্যে যাত্রীদের ব্যাগেজ তল্লাসীর জন্য স্কেনার মেসিনসহ আরও আধুনিকতার ছোঁয়া লাগবে বলে উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের আশ্বাশে তিনি আশ্বস্থ করেন।


   Page 1 of 29
     অর্থ-বাণিজ্য
ঢাকা-গুয়াংজু রুটে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট যাবে প্রতিদিন
.............................................................................................
জামালপুরে চার দিনব্যাপি আয়কর মেলা শুরু
.............................................................................................
সঞ্চয়পত্রে ঝুঁকছেন বিনিয়োগকারীরা
.............................................................................................
ব্যবসা সংস্কারে বাংলাদেশের অগ্রগতি
.............................................................................................
জেনিথ ইসলামী লাইফের এজিএম অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
বড়পুকুরিয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু
.............................................................................................
সিলেট-ঢাকা রুটে ইউএস-বাংলার অতিরিক্ত ফ্লাইট শুরু
.............................................................................................
চামড়া নিচ্ছে না বিদেশীরা
.............................................................................................
কর ফাঁকির আশঙ্কা বাড়ছে
.............................................................................................
রিজার্ভ চুরি: সিআইডির ফরেনসিক রিপোর্ট ফিলিপাইনের আদালতে উঠছে বৃহস্পতিবার
.............................................................................................
নিয়ন্ত্রণহীন ডলারের দাম
.............................................................................................
রমজান উপলক্ষে ইউএস বাংলা’র বিশেষ প্যাকেজ
.............................................................................................
গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে কর্মীদের আরো আন্তরিক হওয়ার আহবান
.............................................................................................
আকর্ষণীয় হলিডে প্যাকেজ নিয়ে ইউএস-বাংলা
.............................................................................................
পেঁয়াজ-রসুনের গায়ে আগুন
.............................................................................................
হিলিতে বেড়েছে যাত্রী ও রাজস্ব, বাড়েনি সেবার মান
.............................................................................................
ব্যাংক এশিয়ায় চাকরির নিয়োগ
.............................................................................................
হিলিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৫ টাকা
.............................................................................................
বড় ঋণখেলাপিদের ছবি ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে
.............................................................................................
ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিষদ থেকে শীর্ষ ৫ কর্মকর্তার পদত্যাগ
.............................................................................................
সুদের হার কমছে না সঞ্চয়পত্রে
.............................................................................................
আমদানী নেই তবু স্বর্ণে ভরা দেশ
.............................................................................................
‘সরকারি সংস্থাগুলোর আমানতের ৫০ ভাগ বেসরকারি ব্যাংকে রাখা হবে’
.............................................................................................
রিজার্ভ চুরি ‘রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায়’: এফবিআই
.............................................................................................
কাল আখাউড়া স্থলবন্দর বন্ধ থাকবে
.............................................................................................
বাংলাদেশকে ১৫ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
.............................................................................................
বিশ্ব অর্থনীতির ৪০তম দেশ হবে বাংলাদেশ : পরিকল্পনামন্ত্রী
.............................................................................................
কৃষকের কলার কাঁটা ‘আলু’
.............................................................................................
কাল ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের কাস্টমার সাক্সেস সামিট
.............................................................................................
এডিপি কাটছাঁট, লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা
.............................................................................................
বিশ্বের পরিবেশবান্ধব ১০ কারখানার ৭টিই বাংলাদেশে
.............................................................................................
রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে, ৮ মাসে এসেছে ৯৪৬ কোটি ডলার
.............................................................................................
পদ ৯টি, আবেদন ৭৮ হাজার!
.............................................................................................
৩ দিনের জন্য রবির ব্যাংক হিসাব জব্দ
.............................................................................................
দ্বিতীয় পদ্মা সেতু হলে অর্থ দেবে এডিবি
.............................................................................................
মধ্যআয়ের দেশ হলেও সহযোগিতায় পরিবর্তন হবে না : এডিবি
.............................................................................................
জিএসপি সুবিধার কোন প্রয়োজন নেই: তোফায়েল
.............................................................................................
ফের পেছালো রিজার্ভ চুরি মামলার প্রতিবেদন
.............................................................................................
রবির ব্যাংক হিসাব জব্দ
.............................................................................................
বাংলায় লিখতে হবে ঋণ মঞ্জুরিপত্র
.............................................................................................
জ্বালানি তেল পাচার রোধে সীমান্তে নজরদারির উদ্যোগ
.............................................................................................
অর্থ সংকটে দেশের ব্যাংকগুলো
.............................................................................................
গুলশান-১ এ ইউএস-বাংলার সেলস্ অফিসের কার্যক্রম শুরু
.............................................................................................
জ্বালানি তেল সংকটে উত্তরের ৮ জেলা, শঙ্কায় কৃষক
.............................................................................................
প্যারাডাইস পেপারসের নতুন তালিকায় ২০ বাংলাদেশি
.............................................................................................
পেঁয়াজের ন্যূনতম রপ্তানিমূল্য তুলে নিল ভারত
.............................................................................................
বাণিজ্য মেলার সময় ৪ দিন বৃদ্ধি
.............................................................................................
২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকা-দাম্মাম রুটে উড়বে রিজেন্ট
.............................................................................................
হিলিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৪ টাকা
.............................................................................................
‘মাথায় থাকা একটুকরো কাপড় যোগ্যতাকে কমিয়ে দেবে না’
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft