বুধবার, 16 অক্টোবর ২০১৯ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
দিনাজপুরে পিডিবিএফ’র বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা কর্মশালা

দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও অঞ্চলের পিডিবিএফ’র বার্ষিক পরিকল্পনা ও অগ্রগতি পর্যালোচনা ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়। আজ শনিবার দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হল রুমে  অনুষ্ঠিত সভায়  প্রধান অতিথি ছিলেন মোঃ আফজাল হোসনে, অতিরিক্ত সচিব (প্রতিষ্ঠান) পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত সোনার বাংলা গড়ায় অবদান রেখেছেন তাঁরই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা।  তিনি আরও বলেন, পিডিবিএফ প্রতিষ্ঠা করেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা। পল্লী দারিদ্র মানুষের আর্থ সামাজকি উন্নয়নে পিডিবিএফ অত্যন্ত গুরুত্বর্পূণ ভুমিকা পালন করছে। পিডিবিএফ এর একটি দক্ষ কর্মী বাহিনী আছে যারা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধম্যে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত সোনার বাংলা গড়ায় অবদান রাখছেন। বিগত ব্যবস্থাপনার আর্থিক দুর্নীতি  প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা ও নিয়ম বহর্ভিূতভাবে পদোন্নতিসহ বিভিন্ন অনিয়মের কারণে পিডিবিএফ  হুমকীর সম্মুখীন হয়।  বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালকের  নেতৃত্বে সকল অনিয়ম দূর করে সুন্দর পিডিবিএফ গড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পিডিবিএফ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ আমনিুল ইসলাম, পিডিবিএফ যুগ্ম পরিচালক ড. মোঃ মনারুল ইসলামসহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তা বৃন্দ । অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিডিবিএফ  উপ-পরিচালক জাহিদুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন  পিডিবিএফ’র দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও অঞ্চলের সকল  কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

দিনাজপুরে পিডিবিএফ’র বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা কর্মশালা
                                  

দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও অঞ্চলের পিডিবিএফ’র বার্ষিক পরিকল্পনা ও অগ্রগতি পর্যালোচনা ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়। আজ শনিবার দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হল রুমে  অনুষ্ঠিত সভায়  প্রধান অতিথি ছিলেন মোঃ আফজাল হোসনে, অতিরিক্ত সচিব (প্রতিষ্ঠান) পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত সোনার বাংলা গড়ায় অবদান রেখেছেন তাঁরই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা।  তিনি আরও বলেন, পিডিবিএফ প্রতিষ্ঠা করেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা। পল্লী দারিদ্র মানুষের আর্থ সামাজকি উন্নয়নে পিডিবিএফ অত্যন্ত গুরুত্বর্পূণ ভুমিকা পালন করছে। পিডিবিএফ এর একটি দক্ষ কর্মী বাহিনী আছে যারা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধম্যে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত সোনার বাংলা গড়ায় অবদান রাখছেন। বিগত ব্যবস্থাপনার আর্থিক দুর্নীতি  প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা ও নিয়ম বহর্ভিূতভাবে পদোন্নতিসহ বিভিন্ন অনিয়মের কারণে পিডিবিএফ  হুমকীর সম্মুখীন হয়।  বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালকের  নেতৃত্বে সকল অনিয়ম দূর করে সুন্দর পিডিবিএফ গড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পিডিবিএফ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ আমনিুল ইসলাম, পিডিবিএফ যুগ্ম পরিচালক ড. মোঃ মনারুল ইসলামসহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তা বৃন্দ । অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিডিবিএফ  উপ-পরিচালক জাহিদুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন  পিডিবিএফ’র দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও অঞ্চলের সকল  কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

জোরালো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশে দারিদ্র্য কমাচ্ছে : বিশ্ব ব্যাংক
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ দারিদ্র্য বিমোচন ও মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে, এর বেশিরভাগই সম্ভব হয়েছে শ্রমআয় বৃদ্ধির কারণে। ২০১০-২০১৬ সময়ে ৮০ লাখ বাংলাদেশি দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছে। জোরালো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশে দারিদ্র্য কমাচ্ছে। তবে দারিদ্র্য কমছে তুলনামূলক কম গতিতে। ২০১০ সাল থেকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি বাড়লেও দারিদ্র্য বিমোচনের গতি কমছে।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশ পোভার্টি অ্যাসেসমেন্ট’ নামে বিশ্ব ব্যাংক প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

এসময় বাংলাদেশ ও ভুটানে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, বিগত দশকে দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশ প্রশংসনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে। কিন্তু এখনও প্রতি চারজনের একজন দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করছে। বাংলাদেশকে আরও অনেক কিছু করতে হবে বিশেষত দারিদ্র্যের নতুন ক্ষেত্রগুলোর দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। যেমন- শহর এলাকায় দারিদ্র্য মোকাবিলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা ২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে দরিদ্র মানুষের অর্ধেক শহরে বাস করবে বলে প্রক্ষেপণ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জোরালো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের দারিদ্র্য কমাচ্ছে। তবে তুলনামূলক কম গতিতে। দারিদ্র্য বিমোচনের ৯০ শতাংশই গ্রামে হয়েছে। শহরে দারিদ্র্য কমেছে সীমিত হারে। এছাড়া অতিদারিদ্র্য জনগোষ্ঠীর মধ্যে শহরের লোকের সংখ্যা একই রয়ে গেছে। ফলে জাতীয় দারিদ্র্য বিমোচনে ধীরগতি।

কৃষি নয়, গ্রাম অঞ্চলে দারিদ্র্য কমাতে শিল্প ও সেবা খাত অবদান রেখেছে। আলোচ্য সময়কালে কৃষি প্রবৃদ্ধি ধীর ছিল এবং সবচেয়ে কম দারিদ্র্য বিমোচনে অবদান রেখেছে।

শহরাঞ্চলে ম্যানুফ্যাকচারিং বা উৎপাদন খাত বিশেষত তৈরি পোশাক খাত দারিদ্র্য কমাতে শীর্ষ স্থানীয় ভূমিকা রেখেছে। এদিকে, উৎপাদন খাতে কর্মসংস্থানের ধীর গতির কারণে সুবিধা পেতে পারতো এমন পরিবার অংশ চিহ্নিত হয়েছে। অন্যদিকে, সেবাখাতে আত্মকর্মসংস্থানে নিহতদের মধ্যে দারিদ্র্যের হার বেড়েছে। যা নগর দারিদ্র্য কমানোর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করেছে।

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ এবং প্রতিবেদনের সহ-লেখক মারিয়া ইউজেনিয়া জেনিন বলেন, এ প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে যে, প্রথাগত বিভিন্ন চালিকাশক্তি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখছে। কিন্তু অগ্রগতি আনার ক্ষেত্রে কিছু চালকের ক্ষমতা সীমিত হয়ে পড়েছে। উপরন্তু আগামী দশকের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ নিজস্ব উদ্ভাবনী নীতি পরীক্ষার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে একটি অধিকতর পরিশীলিত ও নগরায়িত অর্থনীতিতে দারিদ্র্য মোকাবেলা করতে পারে।

তিনি বলেন, যেহেতু দারিদ্র্য বিমোচনের নতুন ক্ষেত্র যেমন শহরের দারিদ্র্য এবং এক সময়কার পূর্ব-পশ্চিম বিভাগের অবস্থার পার্থক্য ফিরে এসেছে, সেহেতু এ প্রতিবেদনে প্রথাগত সমাধানের পাশাপাশি নতুন উপায় গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে, যাতে করে বাংলাদেশ দ্রুত দারিদ্র্য কমাতে পারে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে আমরা ক্ষুধামুক্ত দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। এসময় দরিদ্র মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। সরকারের অন্যতম শত্রু দারিদ্র্যতা। দারিদ্র্য বিমোচনে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ সঠিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।

আমদানিতে আগ্রহী নয় স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : বৈধ পথে স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স নিতে ব্যবসায়ীরা আশানুরূপ আগ্রহ দেখাচ্ছে না। গত ছয় মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকে এ সংক্রান্ত মাত্র ৭টি আবেদন জমা পড়েছে। মূলত মুনাফা কমার আশঙ্কা, এনবিআরের করজাল এড়ানো এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ভয়ে বৈধ পথে সোনা আমদানির লাইসেন্স নিতে কম আগ্রহ দেখাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। তবে সোনা ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, লাইসেন্স পেতে অনেক ধরনের শর্ত জুড়ে দেয়ায় বেশির ভাগ ব্যবসায়ীর পক্ষে তা পুরোপুরি মেনে আবেদন করা সম্ভব হচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাজুস সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বৈধ পথে সোনা আমদানিতে ব্যবসায়ীদের কর-ভ্যাট দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময় পর পর ব্যবসায়ীদের বিক্রয় ও মজুদ সোনার তথ্য প্রকাশ করতে হবে। তাছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনবিআর থেকেও নিয়মিত পরিদর্শন করা হবে। ফলে করজাল এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির বিষয় এখানে মুখ্য। কিন্তু বিকল্প চোরাই পথে সোনা কিনলে কর-ভ্যাট নেই। আবার তুলনামূলক কম টাকায় সোনা কেনা যায়। ফলে মুনাফা করারও সুযোগ থাকে বেশি। এসব কারণে বৈধ পথে সোনা আমদানির লাইসেন্স নিতে ব্যবসায়ীরা তেমন আগ্রহী নয়।

সূত্র জানায়, দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে বার্ষিক ১৫ থেকে ২০ মেট্রিক টন সোনার চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বৈধ আমদানির সুযোগ না থাকায় এর বেশির ভাগই চোরাচালানের মাধ্যম আসা সোনা দিয়েই পূরণ হচ্ছে। এতে প্রতিবছর বড় অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। এমন প্রেক্ষাপটে গত বছরের অক্টোবরে স্বর্ণ আমদানি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। ওই নীতিমালার আওতায় সোনা আমদানির ডিলারশিপের লাইসেন্স দিতে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চলতি বছরের ১৯ মার্চ থেকে আবেদনপত্র বিতরণ শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের ক্ষেত্রে আবেদনপত্রের সঙ্গে দিতে হবে অনুমোদিত ডিলারের লাইসেন্সের কপি, ব্যাংক লাইসেন্সের কপি, স্বর্ণ ক্রয়, সংরক্ষণ ও বিতরণ আদেশ-১৯৮৭-এর আওতায় লাইসেন্সের কপি, অফিসের মালিকানা বা ভাড়ার চুক্তিনামার কপি, আবেদনকারী অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কাজে অভিজ্ঞ জনবল, নিরাপত্তাব্যবস্থা, যোগাযোগ, তথ-প্রযুক্তি ব্যবহারসংক্রান্ত বিবরণীর উপযুক্ত প্রমাণাদি। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের আবেদনের সঙ্গে হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্সের কপি, কর শনাক্তকরণ নম্বরের (টিআইএন) সনদপত্র, মূসক নিবন্ধন, ব্যবসা শনাক্তকরণ নম্বরের (বিআইএন) সনদপত্র, স্বর্ণ ক্রয়, সংরক্ষণ ও বিতরণ আদেশ ১৯৮৭-এর আওতায় লাইসেন্সের কপি, সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠনের সদস্য পদের কপি, আয়কর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সর্বশেষ নিরূপিত আয়ের সার্টিফিকেট-আয়কর নির্ধারণী আদেশের কপি জমা দিতে হবে।

সূত্র আরো জানায়, দেশে চার থেকে পাঁচ হাজার ব্যবসায়ী সোনা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তার মধ্যে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সদস্য সংখ্যা প্রায় ৭০০। আর বাংলাদেশ জুয়েলারি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজেএমইএ) সদস্য ২০০-এর মতো, কিন্তু সোনা আমদানির লাইসেন্সের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকে গত ছয় মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে মাত্র ৭টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান আবেদন জমা দিয়েছে।

এদিকে গত ছয় মাসে কম আবেদন জমা হওয়ার কারণ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা জানান, লাইসেন্স নেয়ার আবেদনে যেসব শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে, সেগুলো সবার পক্ষে ফুলফিল করা সম্ভব নয়। বিশেষভাবে ছোট ব্যবসায়ীরা এটা করতে পারবে না। আবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ভয়ও আছে। আর যারা আবেদন করেছে, তাদেরটাই দিতে বিলম্ব করা হচ্ছে। অথচ স্বর্ণ নীতিমালায় বলা আছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে কোনো আবেদন জমা হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে এটা নিষ্পত্তি করতে হবে।

অন্যদিকে একই প্রসঙ্গে বাংলাদেশ জুয়েলারি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, যারা সোনার ব্যবসা করছেন, তাদের সবার সক্ষমতা এক নয়। ফলে অনেকের পক্ষে আবেদন করাও সম্ভব হবে না। কারণ আবেদনপত্রের সঙ্গে অনেক ধরনের কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। আছে বড় ধরনের ফিন্যান্সের বিষয়। এ ছাড়া শুরুর দিকে হয়তো অনেকে এই সুযোগ নিতে চাইবেন না। তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী সময়ে এই সুযোগ নেবেন। তবে বৈধ পথে সোনা আমদানির সুযোগ সৃষ্টি হলে এ খাতে যে অনিয়ম ছিল, সেটা আস্তে আস্তে শৃঙ্খলার মধ্যে চলে আসবে।

গ্যাস বিল আদায় নিয়ে ভোগান্তিতে তিতাস
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : আদালতের নিষেধাজ্ঞায় তিতাস গ্যাস বিতরণ কোম্পানির বিল আদায় আটকে যাচ্ছে। শিল্প মালিকরা নিজেদের আর্থিক অসচ্ছলতার কথা বলে বিল প্রদানের বিপরীতে আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে। আর আদালত প্রকৃত বিলের বদলে পরিশোধের জন্য একটি নির্দিষ্ট অঙ্ক বেঁধে দিচ্ছে। তাতেই শিল্প মালিকদের কাছে প্রতি মাসে আটকে যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের গ্যাস বিল।

বর্তমানে শিল্প মালিকদের কাছে বকেয়া গ্যাস বিলের অঙ্ক বাড়তে বাড়তে ৩৬৩ কোটিতে ঠেকেছে। আর এ খাতে তিমাসের গড়ে ৪৬ মাসের সমতুল্য বিল বকেয়া পড়েছে। তিতাস গ্যাস বিতরণ কোম্পানি সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ এবং গাজীপুর তিন জেলায় আদালতের মাধ্যমে গ্যাস বিল আটকে দেয়া শিল্প-প্রতিষ্ঠান বেশি রয়েছে। তবে এখনো ময়মনসিংহ জেলায় এমন কোন শিল্প পাওয়া যায়নি।

তিতাসের বকেয়ার অন্য সব আদায় হলেও এই বিল আদায় নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। তিতাস তার বিল আদায়ের মাসিক বিবরণীতে ওই শিল্প কারখানাকে বলা হচ্ছে নিষেধাজ্ঞাধীন শিল্প। ওসব শিল্প প্রতিষ্ঠান প্রতি মাসে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় দুই কোটি টাকা পর্যন্ত বিল আদায়ে বাধা দিচ্ছে। গ্যাস বিলের ৩৬৩ কোটি টাকা বকেয়ার মধ্যে নারায়ণগঞ্জের উদ্যোক্তাদের কাছে সব থেকে বেশি বকেয়া পড়েছে। ওই জেলার শিল্প মালিকদের কাছে তিতাসের ২৪৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে। জেলাটিতে শিল্প খাতের বিলের ৫৪ দশমিক ৬৭ মাসের সমপরিমাণ বিল অনাদায়ী রয়েছে। তারপরই রয়েছে গাজীপুরের উদ্যোক্তাদের কাছে। সেখানে বকেয়ার পরিমাণ ১০৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ওই জেলায় এ ধরনের শিল্প মালিকদের কাছে ৩৯ দশমিক ২৬ মাসের বিল বকেয়া রয়েছে। বাকি অর্থ জমে আছে ঢাকাতে। তবে ঢাকায় জমে থাকা টাকার পরিমাণ ১২ কোটি ৪৩ লাখ। সব মিলিয়ে ১৮ মাসের সমতুল্য বকেয়া রয়েছে।

সূত্র জানায়, শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকরা কয়েক মাসের বিল ইচ্ছাকৃত বকেয়া পড়ার পর তিতাস কঠোর হতে গেলেই তারা আদালতের দ্বারস্থ হন। সেক্ষেত্রে উদ্যোক্তা আদালতের কাছে আর্জিতে বলছেন, তার প্রতিষ্ঠানে বহু শ্রমিক কাজ করেন। এখন গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে তার কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে। এতে শ্রমিকরা বেকার হয়ে পড়বে। আদালত দেখা যাচ্ছে তখন ওই প্রতিষ্ঠানের বিল প্রদানের সীমা বেঁধে দিচ্ছে। ফলে প্রতি মাসেই শিল্প মালিকদের কাছে বিপুল অংকের গ্যাস বিল বকেয়া থাকছে। আর বকেয়া বিলের বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন হওয়াতে কেউ তা কথা বলতেও চান না। তবে বিল আদায় করার উদ্যোগ হিসেবে তিতাসের পক্ষ থেকে রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রীমকোর্টে আপীল করা হচ্ছে। তাতে আপীল বিভাগ কিছু অর্থ বাড়িয়ে বিল করার অনুমতি দিচ্ছে। তিতাস তখন আবার আপীল করছে।

বর্তমানে তিতাসের এ ধরনের ১ হাজার ৪০০টির মতো মামলা রয়েছে। এর ফলে একদিকে বিল তো আদায়ই হচ্ছে না. অন্যদিকে মামলা পরিচালনার জন্য তিতাসের অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে। যদিও বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আইন প্রণয়নের পর সেখানে একটি ট্রাইব্যুনাল করা হয়েছে। উচ্চ আদালত থেকে অনেক মামলা বিইআরসিতে প্রেরণের নির্দেশ দেয়া হয়। আবার কোন কোন মামলা উচ্চ আদালত আমলে নিতেও পারে।

সূত্র আরো জানায়, পেট্রোবাংলার কাছে তিতাস আগে গ্যাসের বিল বকেয়া রাখতে পারতো। কিন্তু তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এলএনজি আমদানির পর থেকে আর বিল বকেয়া রাখা যায় না। বরং তিতাস নগদ অর্থে গ্যাস ক্রয় করে বাকিতে বিক্রি করছে। তাতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে আর্থিক সঙ্কট তৈরি হচ্ছে। তবে বিদ্যুত এবং জ্বালানি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্প্রতি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বিদ্যুত এবং গ্যাসের সমস্যা সমাধানে বৈঠক করেছে। ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা, বিদ্যুত, জ্বালানি এবং খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও বিদ্যুত এবং জ্বালানি বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ব্যবসায়ীদের কাছে বিল আদায়ে সহায়তা চায় সরকার। ব্যবসায়ীরা সরকারকে বিল আদায়ে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, ব্যবসায়ীরা বলছেন তারা বিল আদায়ে সরকারকে সহযোগিতা করবেন।

এদিকে তিতাস বলছে, নিষেধাজ্ঞাধীন শিল্পের বিপরীতে সাধারণ শিল্প যারা বিল আদায়ে কোন বাধার সৃষ্টি করে না, তাদের বিল আদায়ের শতকারা হার ১০০ ভাগ। অর্থাৎ যারা গ্যাস ব্যবহার করছেন তারা সবাই বিল দিচ্ছে। গত জুলাই মাসে দেখা যায় তিতাসে নিষেধাজ্ঞাবিহীন শিল্প মালিকরা ২৩০ কোটি ৬০ লাখ টাকার গ্যাস ব্যবহার করেছেন। এর বিপরীতে তারা বিল দিয়েছে ২৩০ কোটি ৯০ লাখ টাকা। অর্থাৎ ব্যবহারের চেয়ে ৩০ লাখ টাকা বেশি বিল আদায় করেছে।

অন্যদিকে তিতাসের বিল আদায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বিল আদায় সংক্রান্ত বিষয়ে যারাই উচ্চ আদালতে যায়, তাদের বিষয়টি দেখার জন্য তিতাসের প্রধান কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়। এসব বিষয় তিতাসের প্রধান কার্যালয় থেকে দেখা হয়। আর যেহেতু বিষয়গুলো বিচারাধীন। তাই আদালতের নির্দেশ মতো কাজ কররা হয়। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।

খোলা বাজারে টিসিবি’র পেঁয়াজ বিক্রি শুরু
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : ভারতে বন্যার কারণে দাম বৃদ্ধির অজুহাতে গত শুক্রবার পেঁয়াজের রফতানি মূল্য প্রায় তিনগুণ বাড়ানো হয়েছে। গত দুই মাসের ব্যবধানে দু’দফায় এই মূল্য বাড়িয়ে প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজ ৮৫২ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করে ভারত। এর পরদিন অর্থাৎ শনিবার থেকে ঢাকার বাজারে বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। ভারতীয় পেঁয়াজের পাশাপাশি দেশি পেঁয়াজের দাম খুচরা বাজারে কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে।

এদিকে, পেঁয়াজের দামের ঊর্ধ্বগতি রোধে রাজধানীতে ৪৫ টাকা দরে ট্রাক সেলের মাধ্যমে খোলাবাজারে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করেছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবি।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে রাজধানীর ৫টি স্থানে ৪৫ টাকা কেজি দরে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন টিসিবি’র মুখপাত্র হুমায়ুন কবির। তিনি  বলেন, আজ থেকে রাজধানীর ৫টি স্থানে ৪৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। আমাদের সোর্সিং চলছে, পর্যায়ক্রমে আরও বিভিন্ন স্থান থেকে ট্রাক সেল শুরু হবে।

এদিকে, সকাল থেকেই ক্রেতাদের পেঁয়াজ কিনতে দেখা গেছে রাজধানীর খামারবাড়ীতে। প্রতি ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই কেজি করে পেঁয়াজ কিনতে পারছেন। এক একটি ট্রাকে ১০০০ কেজি পেঁয়াজ রয়েছে।

টিসিবির ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম বলেন, সকাল সাড়ে ৯টা থেকে আমরা এখানে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করেছি। প্রতি ক্রেতা দুই কেজি করে পেঁয়াজ কিনতে পারছেন। আমাদের এক হাজার কেজি পেঁয়াজ  দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সভাপতিত্বে খোলা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যের মূল্য ঊর্ধ্বগতি রোধে খোলাবাজারে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

পেঁয়াজে বাড়ছে ঝাঁজ
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভারতে বন্যার কারণে দাম বৃদ্ধির অজুহাতে পেঁয়াজের রফতানি মূল্য প্রায় তিনগুণ বাড়ানো হয়েছে। গত দুই মাসের ব্যবধানে দু’দফায় এই মূল্য বাড়িয়ে প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজ ৮৫২ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করায় বিপাকে পড়েছেন হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা। তবে নতুন মূল্যের এই পেঁয়াজ দেশে আসতে এখনও দুই-তিনদিন সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে। এর ফলে ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৮০-৯০ টাকা দরে বাংলাদেশে বিক্রি করা হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে আরও কয়েকটি দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত থাকায় বাজারে তেমন প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন ঢাকার পাইকাররা।

এদিকে গতকাল শনিবার দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কোনো পেঁয়াজ দেশে ঢুকেনি। একারণে হিলিতে বৃহস্পতিবার যে পেঁয়াজ ৩৮ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে তা শনিবার বিক্রি হয়েছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়। আর খুচরা বাজারে এসে বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। বাংলাদেশে পেঁয়াজের রপ্তানি নিরুৎসাহিত করতে ভারত এ কাজ করেছে বলে দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলো খবর দিয়েছে। ভারতের কাঁচা পণ্য নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ন্যাপিডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজ ৮৫০ ডলারের কমে রপ্তানি করা যাবে না। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা ইতিমধ্যে ভারতীয় রপ্তানিকারকদের পাশপাশি হিলি কাস্টমসে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আগে টনপ্রতি ২৫০-৩০০ মার্কিন ডলার মূল্যে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি করতেন দেশটির ব্যবসায়ীরা।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দিল্লি আর কলকাতার খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ রুপিতে, যা সপ্তাহ দুই আগেও ২০ থেকে ৩০ রুপি ছিল। এদিকে ঢাকার বাজারে শনিবার প্রতি কেজি ভারতীয় পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় এবং দেশি পেঁয়াজ ৫৫ টাকা থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারকরা জানান, ভারতের নতুন সিদ্ধান্ত শনিবার সকাল থেকেই কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে সকাল থেকে পুরানো এলসিগুলোর বিপরীতে কোনো পেঁয়াজ রপ্তানি করেনি ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। টেন্ডার হওয়া আগের এলসিগুলো এম্যান্ডমেন্ট করে ডলার বৃদ্ধি করলেই ভারতীয় রপ্তানিকারকরা বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি করবেন। আর রবিবার ব্যাংক খুললে সেগুলো এম্যান্ডমেন্ট করে তবেই পেঁয়াজ আমদানি হবে। ভারতের নতুন রপ্তানি মূল্য অনুযায়ী প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম ৭২ থেকে ৭৩ টাকায় গিয়ে পড়বে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।

হিলি বন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মোবারক হোসেন জানান, ভারত থেকে ৩৫০-৪০০ ডলারে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছিল। তাতে বন্দরের মোকামে পেঁয়াজের প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছিল ৩২-৩৬ টাকায়। গত বৃহস্পতিবার আবার প্রতি কেজিতে দুই টাকা বেড়ে বিক্রি হয়েছে ৩৮ টাকায়। ৮৫২ ডলারে পেঁয়াজ আমদানি করা হলে প্রতি কেজিতে ৭২ টাকার মত পড়বে। এ কারণে পেঁয়াজ আমদানি করা নিয়ে ব্যবসায়ীরা সবাই চিন্তাগ্রস্ত।

ভারতের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী পান্না ও অনিল ঠাকুর হিলি স্থলবন্দরে জানান, ভারতের মহারাষ্ট্র ও উত্তর প্রদেশে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। এবার এসব অঞ্চলসহ ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে বন্যায় পেঁয়াজ উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। এজন্য ভারতজুড়ে পেঁয়াজের দাম বাড়তে থাকে। গত দুই মাস থেকে ৩৫০-৪০০ ডলারে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি করা হচ্ছিল। সর্বশেষ গত বুধবার আবার বাংলাদেশে পেঁয়াজের রফতানি মূল্য বাড়িয়ে ৮৫২ ডলার করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত সরকার।

তারা বলেন, মনে হচ্ছে- বাংলাদেশসহ অন্যান্য প্রতিবেশী দেশে পেঁয়াজ রফতানিতে নিরুৎসাহিত করতে সরকার এই প্রদক্ষেপ নিয়েছে। তবে এই মূল্যের পেঁয়াজ এখনও বাংলাদেশে রফতানি শুরু করা হয়নি। এছাড়া ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৪০-৫০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে।

এর ফলে চলতি সপ্তাহেই দেশের বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাবে বলে ধারণা করছেন আমদানিকাররা। যদিও ঢাকার শ্যামবাজারের পাইকারি বিক্রেতারা বলছেন, ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বাড়লেও সার্বিকভাবে পেঁয়াজের বাজার অতোটা চড়বে না বলে মনে করছেন তারা। আবদুল মাজেদ নামে এক পাইকার বলছেন, আমাদের আমদানিকারকরা ইতিমধ্যে তুরস্ক, মিসর, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করেছেন। ফলে ভারতের সিদ্ধান্তের কারণে বাজার নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ার মতো কোনো প্রভাব পড়ার কথা না।

ন্যাশনাল ব্যাংকের ডিএমডি হলেন একরামুল হক
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: মোঃ একরামুল হক ন্যাশনাল ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থপনা পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। এর আগে তিনি একই ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দিলকুশা শাখার ব্যবস্থাপক ছিলেন। তিনি ২০০৬ সালে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে ন্যাশনাল ব্যাংকে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি বাবুবাজার, বংশাল, মতিঝিল, বৈদেশিক বাণিজ্য, গুলশান শাখার ব্যবস্থাপক ও আঞ্চলিক প্রধান খুলনা এবং সর্বশেষ দিলকুশা শাখার ব্যবস্থাপকসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজ কল্যাণে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। র্দীঘ একযুগ ধরে তিনি ন্যাশনাল ব্যাংক লিঃ এর বিভিন্ন শাখায় সফল শাখা ব্যবস্থাপক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি দেশ-বিদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেছেন। মোঃ একরামুল হক নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার মধ্য নগর গ্রামে একটি সভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন।

নরসিংদীতে যমুনা ব্যাংকের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালিত
                                  

নরসিংদী প্রতিনিধিঃ বৃহস্পতিবার সকালে যমুনা ব্যাংক মাধবদী শাখার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও পরিচর্যা নিশ্চিতকরণ প্রসঙ্গে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীপালিত হয়। যমুনা ব্যাংক মাধবদী শাখাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মহসিনের নেতৃত্বে মাধবদী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচী সূচনা করা হয়। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, সহকারী শিক্ষক মোঃ আতাউর রহমান, যমুনা ব্যাংকের কর্মকর্তা মোঃ তৌহিদুল ইসলাম, মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোঃ খলিলুর রহমান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, ওয়াহিদ সাঈদ খান, মোঃ এমরানুল ইসলাম, মেহেদী হাসান প্রমুখ।

পাটপণ্যের চাহিদা থাকলেও বাড়ছে না রফতানি
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু তারপরও রফতানি বাড়ছে না। বরং দেশের পাট রফতানি বহুমুখী সঙ্কটে রয়েছে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে পণ্যের দাম বেশি পড়া। তাছাড়া পাটের ব্যবসায় পুঁজির সংকট, প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়া, আধুনিক প্রযুক্তির অভাব- এসব কারণে পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানির পরিমাণ দিন দিন কমছে। ইপিবি এবং পাটখাত সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, পাটের বহুমুখী ব্যবহার বাড়াতে ইতিমধ্যে সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে। পাটের তৈরি পলিথিন তৈরি করা হয়েছে। এ পলিথিন ১৫ দিনের মধ্যে মাটির সঙ্গে মিশে যাবে। যে কারণে এটি পরিবেশসম্মত। কিন্তু এখনো এটি দেশের ভেতরে ব্যাপকভাবে প্রচলন করা সম্ভব হয়নি। কারণ এর দাম বেশি পড়ছে। তাছাড়া পাট পাতা থেকে চা তৈরি করে সেগুলো রফতানি করা হচ্ছে। কিন্তু দেশের বাজারে এটি এখনো ব্যাপকভাবে বাজারজাত করা সম্ভব হয়নি। ফলে পাটজাত পণ্যের রফতানি বাড়ানো যাচ্ছে না।

এদিকে ইপিবি সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিগত ২০১০-১১ অর্থবছরে এদেশ থেকে পাট ও পাটজাত পণ্য রফতারি হয় ১১১ কোটি ৪৯ লাখ ডলার। ২০১১-১২ অর্থবছরে তা কমে দাঁড়ায় ৯৬ কোটি ৭৩ লাখ ডলারে। ২০১২-১৩ অর্থবছরে সেটি আবার বেড়ে দাঁড়ায় ১০৩ কোটি ৬ লাখ ডলারে। কিন্তু ২০১৩-১৪ অর্থবছরে তা আশঙ্কাজনকভাবে কমে ৮২ কোটি ৪৪ লাখ ডলারে দাঁড়ায়। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে এ খাতের রফতানি আয় আবার কমে ৮৬ কোটি ৮৫ লাখ ডলার হয়।

২০১৫-১৬ অর্থবছরে রফতানি সামান্য বেড়ে দাঁড়ায় ৯১ কোটি ৯৫ লাখ ডলারে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এই রফতানি সামান্য বেড়ে হয় ৯৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রফতারি আয় বেড়ে হয় ১০২ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এই খাত থেকে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ১০৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার। অর্জিত হয়েছে ৮১ কোটি ৬৩ লাখ ডলার। যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ২০ দশমিক ৪১ শতাংশ কম। আর চলতি অর্থবছরে এ খাতে ৮২ কোটি ৪০ লাখ ডলারের রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, যা গত অর্থবছরের চেয়ে সামান্য বেশি। এর আগে এই লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি রফতানি আয়ের নজির রয়েছে।

দেশের পাট ও পাটজাত পণ্য প্রসঙ্গে বাংলাদেশ জুট গুডস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম জানান, বিদেশি বাজারে এখন পাটপণ্যের চাহিদা বাড়ছে। যে কারণে রফতানিও বাড়ছে। কিন্তু চাহিদা মেটানো যাচ্ছে না। এছাড়া বিদেশের বাজারে প্রতিযোগিতায় পাটপণ্য পিছিয়ে পড়ছে। কেননা দেশে পাটজাত পণ্যের দাম বেশি পড়ছে। এ ব্যবসায় সবচেয়ে বড় সংকট পুঁজির। কেননা ব্যাংকগুলো এ খাতে ঋণ দিতে চায় না। ফলে উদ্যোক্তারা ব্যবসাকে এগিয়ে নিতে পারেন না।

অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক হলেন ড. মোঃ ফরজ আলী
                                  

ড. মোঃ ফরজ আলী অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড এ পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক হিসেবে যোগদান করেছেন। এ পদে যোগদানের পূর্বে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং এন্ড ইন্সুরেন্স ডিপার্টমেন্টের গেষ্ট স্পীকার এবং মাষ্টার্স অব ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম (এমটিএম) এর এ্যাডজাংক্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে কোর্স পরিচালনা করতেন। তিনি ১৯৮৪ সালে সিনিয়র অফিসার হিসেবে জনতা ব্যাংক এ যোগদান করেন। সুদীর্ঘ ৩৩ বছরে ব্যাংকিং পেশায় তিনি উক্ত ব্যাংকের বিভিন্ন গ্রেডের শাখা প্রধান, ডিভিশন বেইসড কর্পোরেট শাখা প্রধান, ডিভিশনাল হেড, হেড অব অডিট এন্ড ইন্সপেকশন এবং হেড অব আইসিসি সহ প্রধান কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপ–র্ণ বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন এবং উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহণকরেন।
তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজী সাহিত্যে অনার্স ও মাষ্টার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ, প্রাইম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি এবং প্রিষ্টন ইউনিভার্সিটি, ইউনাইটেড ষ্টেটস থেকে পিএইচডি অর্জন করেন। তিনি ডিপ্লোমেইড এসোসিয়েটস অব দি ইনস্টিটিউট অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত ও অফিসিয়াল কাজে তিনি অষ্ট্রেলিয়া, চায়না, সৌদি আরব, ভারত, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, সিংগাপুর, থ্যাইল্যান্ড, হংকং ও মালয়েশিয়া ভ্রমণ করেন।

আস্থা হারাচ্ছে চামড়া শিল্প
                                  

বিশেষ প্রতিনিধি : দেশের চামড়া খাত কমপ্লায়েন্স ইসুতে বিদেশী ক্রেতাদের আস্থা হারাচ্ছে। নানা উদ্যোগের পরও দেশের চামড়া শিল্প আন্তর্জাতিক পরিবেশের মান বজায় রাখতে পারছে না। ফলে রফতানিতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা এই শিল্প খাতে এর প্রভাব পড়েছে। ওই ধারাবাহিকতায় গত কয়েক বছর ধরে ক্রাস্ট ও ফিনিশড চামড়া রফতানি কমে গেছে। গত অর্থবছরে চামড়া রফতানি হ্রাস পেয়েছে ৬ শতাংশ।

তবে আশার কথা হচ্ছে এই সময়ে আবার বাংলাদেশে উৎপাদিত চামড়াজাত পণ্য ও জুতা রফতানি বেড়েছে। ক্রেতারা অবশ্য চামড়ার পরিবেশের মান বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছে। লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ (এলডব্লিউজি) চামড়াজাত পণ্যের কাঁচামাল কতটা পরিবেশবান্ধব তার সনদ দেয়। আন্তর্জাতিক সংস্থাটি ইতিমধ্যে এদেশের দুটি ট্যানারিকে সনদ দিয়েছে। ইপিবি এবং চামড়া শিল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, যে কোন পণ্য বিশ্ববাজারে রফতানি করতে গেলে উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক কিছু নিয়ম-কানুন মেনে পণ্য উৎপাদন করতে হয়। পণ্যটির গুণগত মান কতটুকু বজায় রাখা হয়েছে তা নির্ধারণে সার্টিফিকেশনের প্রয়োজন হয়। সেজন্য আবার প্রয়োজন হয় কমপ্লায়েন্সের। এক্ষেত্রে নিরাপদ কর্মপরিবেশ বজায় রাখা, শ্রমিকদের মজুরি নিয়মিত প্রদান ও পরিবেশ দূষণরোধ করে পণ্য উৎপাদনসহ আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত মেনে চলতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশের চামড়া শিল্প খাতে কমপ্লায়েন্স একটি বড় বাধা। সাভারের চামড়া শিল্পনগরীর পাশেই ধলেশ্বরী নদীর অবস্থান। চামড়ার বর্জ্যে ধরেশ্বরীসহ আশপাশের পরিবেশ প্রতিনিয়ত দূষণ হচ্ছে। এছাড়া কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার পুরোদমে চালু করা সম্ভব হয়নি। চারটির মধ্যে কোন রকমে দুটি মডিউল দিয়ে বর্জ্য শোধনাগারের কাজ চলছে।

সূত্র জানায়, এদেশ থেকে বিগত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১১০ কোটি ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানি হয়েছে। এর মধ্যে ৮৪ কোটি ৭০ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য ও জুতা রফতানি হয়েছে। বাকি ১৬ কোটি ৫০ লাখ ডলারের ক্রাস্ট ও ফিনিশড চামড়া রফতানি হয়। এ শিল্প খাতে পরিবেশ দূষণ ও বর্জ্য শোধনাগার একটি বড় বিষয়। ক্রেতাদের চাপে হাজারীবাগ থেকে সাভারের চামড়া শিল্পনগরীতে ট্যানারিগুলো সরিয়ে নেয়া হলেও সেগুলো কমপ্লায়েন্স হতে পারেনি। দু’একটি কারখানা ছাড়া আন্তর্জাতিক মানদ- ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে ট্যানারিগুলো। এ অবস্থায় ক্রেতাদের আস্থাহীনতার সঙ্কট বেড়েছে। ফলে ধারাবাহিকভাবে রফতানি আদেশ কমেছে।

সূত্র আরো জানায়, এদেশে শত বছর ধরে চামড়া শিল্প গড়ে উঠলেও এই শিল্পে সুপরিকল্পিত কোন বিনিয়োগ হয়নি। এছাড়া সাভারে শিল্প প্লট পেয়ে যারা ট্যানারি মালিক হয়েছেন তাদের মধ্যে পেশাদারিত্বের যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। অবকাঠামোগত সমস্যা তো রয়েছেই। এসব কারণে ক্রাস্ট ও ফিনিশড চামড়া রফতানি ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। চামড়াজাত পণ্যের কাঁচামাল কতটা পরিবেশবান্ধব তার সনদ দেয় লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ (এলডব্লিউজি)। ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক ওই সংস্থাটি এদেশের দুটি ট্যানারিকে সনদ দিয়েছে। তবে বেশিরভাগ ট্যানারির সনদ না থাকায় রফতানি কমেছে। গত তিন মাস আগে সাভারের চামড়া শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার বা সিইটিপি পরিদর্শন করে মানোন্নয়নের পরামর্শ দিয়েছেন এলডব্লিউজির প্রতিনিধিরা। ফিনিশড লেদারের প্রধান ক্রেতা চীন, ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো। কিন্তু এর বাইরেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চামড়া রফতানি হয়ে থাকে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে পণ্য রফতানি করতে গেলে অবশ্যই কারখানাটি শতভাগ কমপ্লায়েন্স হতে হয়। এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও লাতিন আমেরিকার দেশগুলোতে কমপ্লায়েন্স একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পোশাকের মতো চামড়া খাত উন্নয়নে ইতোমধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কারখানায় আন্তর্জাতিক পরিবেশ মান বজায় রাখতে সক্ষম হলে তৈরি পোশাক শিল্পের মতো এদেশের চামড়া খাতও শীর্ষ বাণিজ্য পণ্যের তালিকায় চলে আসবে।

এদিকে সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চামড়া শিল্প খাত নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ট্যানার্স এ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মোঃ শাহিন আহমেদ আক্ষেপ করে বাণিজ্যমন্ত্রীকে বলেন, মজুদকৃত ফিনিশড চামড়া রফতানি করা যাচ্ছে না। গত বছরের অর্ধেকের বেশি চামড়া এখনও ট্যানারিগুলোতে রয়ে গেছে। এরই মধ্যে এবার কোরবানির চামড়া কিনতে হবে। ক্রেতারা চামড়া না নেয়ায় এ শিল্পের উদ্যোক্তারা চাপে আছেন। শুধু তাই নয়, বিশ্বজুড়ে নন-লেদার আইটেমের উৎপাদন বেড়েছে। এ কারণে চামড়া বিক্রি কমে যাচ্ছে।

ব্যাংক খাতে হঠাৎ বেড়েছে আমানত
                                  

অর্থনৈতিক ডেস্ক: হঠাৎ করেই ব্যাংক খাতে আমানতের পরিমাণ বেড়েছে। এর ফলে এ খাতের সৃষ্ট তারল্য সংকটও কেটে যাচ্ছে। প্রতিমাসে ব্যাংকগুলো আমানত পাচ্ছে গড়ে ২০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। আর গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন) আমানত বেড়েছে ৬০ হাজার ৭৮৬ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, এ বছরের শুরুতেও ব্যাংক থেকে আমানত চলে যাচ্ছিল। কোনও কোনও ব্যাংক আমানতে সুদহার বাড়িয়েও সেভাবে আমানত বাড়াতে পারছিল না। আমানতের একটা বড় অংশ চলে যাচ্ছিল সঞ্চয়পত্রে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, গত এক বছরে (২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০১৯ সালের জুন) পর্যন্ত ব্যাংকগুলোতে মোট আমানত বেড়েছে ১ লাখ ২১ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রথম ৯ মাসে বাড়ে ৬০ হাজার ৮৮২ কোটি টাকা। আর শেষ ৩ মাসে বেড়েছে ৬০ হাজার ৭৮৬ কোটি টাকা। অথচ এ বছরের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) এর পরিমাণ ছিল মাত্র ৪ হাজার ১৭ কোটি টাকা।
হঠাৎ আমানতের এ জোয়ারের জন্য সুদহার বৃদ্ধি ও সঞ্চয়পত্রে কড়াকড়ি আরোপকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ বলে মনে করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘ব্যাংকগুলো বেশ কিছুদিন ধরে আমানতে সুদ হার বাড়িয়েছে। অন্যদিকে সঞ্চয়পত্রে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। এর প্রভাব কিছুটা পড়েছে আমানত বৃদ্ধির ক্ষেত্রে।’ তার মতে, আমদানি ব্যয় কমে গেছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদাও কমে গেছে। আবার ঋণ বিতরণ বাড়ছে না। যে কারণে হয়তো এখন ব্যাংকে আমানত বাড়ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বলেন, সঞ্চয়পত্র কেনায় কড়াকড়ি ছাড়াও ব্যাংকগুলো আমানতে আকর্ষণীয় সুদহার ঘোষণা করার পর ব্যাংকে নতুন আমানত আসছে। আমদানির জন্য ডলার কিনতে গিয়ে একটা বড় অংশ টাকা আটকা পড়েছিল। আমদানি ব্যয় কমা ও রফতানি আয় বেড়ে যাওয়াও আমানত বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন তিনি। এই ব্যাংক কর্মকর্তার মতে, ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর সর্তকতাও আমানত বাড়ার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, গত এক বছরে (২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০১৯ সালের জুন) ব্যাংকগুলোর মোট ঋণ বেড়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ৬৪৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে শেষ ৩ মাসে বেড়েছে ৪০ হাজার ৬৪৮ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, হঠাৎ আমানত বাড়ার কারণে ঋণ আমানত অনুপাত (এডিআর) পরিস্থিতিরও উন্নতি হয়েছে। জুন পর্যন্ত এডিআর সীমার ওপরে রয়েছে ১৫টি ব্যাংক। ৩ মাস আগেও যা ১৯টি ব্যাংক সীমার ওপরে ছিল।
জানা গেছে, গত কয়েক মাস ধরে কোনও কোনও ব্যাংক ১৪ শতাংশের বেশি সুদ দিয়ে আমানত সংগ্রহ করছে। অধিকাংশ ব্যাংক আমানত বাড়াতে অনেক কর্মকর্তাকে লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছে। কোনও কোনও ব্যাংক ৫ বছরে টাকা দ্বিগুণ করার আশ্বাসে আমানত সংগ্রহ করছে। যদিও বছরখানেক আগে আমানতে সুদহার ছিল ৮ থেকে ৯ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ব্যাংক খাতে আমানত বেশি বেড়েছে বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে। এসব ব্যাংকে শেষ ৩ মাসে (এপ্রিল-জুন) বেড়েছে ৪৬ হাজার ৭৫৬ কোটি টাকা। আর গত অর্থবছরে (২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত) আমানত বেড়েছে ৯৫ হাজার ২৭৮ কোটি টাকা। অন্যদিকে সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে এক বছরে আমানত বেড়েছে ১৪ হাজার ৭১৫ কোটি টাকা। বিশেষায়িত ২ ব্যাংকে বেড়েছে ১ হাজার ৯৩৭ কোটি টাকা। বিদেশি ব্যাংকগুলোতে আমানত বেড়েছে ৯ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে এক বছরে (জুন পর্যন্ত) ব্যাংকগুলোর আমানত বেড়েছে ১১ দশমিক ৪৮ শতাংশ। একই সময়ে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২ দশমিক ৩৮ শতাংশ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বেসরকারি ব্যাংকে মোট আমানত রয়েছে (জুন পর্যন্ত) ৭ লাখ ৯৬ হাজার ১৩৫ কোটি টাকা। সরকারি ব্যাংকে আমানত রয়েছে ৩ লাখ ৯৯৯ কোটি টাকা। বিশেষায়িত ব্যাংকে রয়েছে ৩০ হাজার ৫৮ কোটি টাকা। বিদেশি ব্যাংকে আমানত রয়েছে ৫৪ হাজার ১৪৭ কোটি টাকা।
প্রসঙ্গত, সঞ্চয়পত্রের বিক্রি কমাতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই অর্থবছরে ৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্রের সুদের ওপর উৎসে কর ৫ শতাংশের পরিবর্তে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। এছাড়া ১ লাখ টাকার বেশি টাকার সঞ্চয়পত্র কিনতে টিআইএন ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া একই ব্যক্তির একাধিক জায়গা থেকে সঞ্চয়পত্র কেনা ঠেকাতেও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এক মাসে স্বর্ণের দাম বাড়লো চারবার
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : সরকার স্বর্ণ বৈধ করার যে সুযোগ দিয়েছিল, তাতে দাম স্থিতিশীল হবে বলে প্রত্যাশা ছিল দেশবাসীর। বরং ঘটেছে উল্টো ঘটনা। এক বছরে স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ানো হয়েছে সাড়ে ১০ হাজার টাকার বেশি। সবশেষ গত সোমবার ভরিপ্রতি স্বর্ণ এক হাজার ১৬৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন দর নির্ধারণ করেছে বাজুস। চলতি আগস্টে এ নিয়ে টানা চারবার বাড়ানো হলো স্বর্ণের দাম।

জুয়েলারি মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক অস্থিরতা ও ডলারের দরপতনের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। ফলে দেশীয় বুলিয়ন মার্কেটে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সর্বসম্মত মতামতের ভিত্তিতে দাম বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বাজুস’র প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, গত এক বছরে দশ বারে স্বর্ণের মোট দাম বাড়ানো হয়েছে ১০ হাজার ৫৫৬ টাকা।

২০১৮ সালের ৬ আগস্ট ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ৪৭ হাজার ৪৭২ টাকা ৪৮ পয়সা। ২০১৯ সালের ২৭ আগস্ট সেই একই মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম বেড়ে হয়েছে ৫৮ হাজার ২৮ টাকা।

এবিষয়ে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ছে তাই আমাদেরও বাড়াতে হচ্ছে। চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিশ্ব বাজারে আউন্সপ্রতি স্বর্ণের দাম বেড়েছে ২৫০ ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় আনুমানিক একুশ হাজার টাকার মত। আমরা এই একুশ হাজার টাকা একসঙ্গে না বাড়িয়ে ধাপে ধাপে বৃদ্ধি করেছি।

নতুন দাম অনুযায়ী, ২৭ আগস্ট থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের ভরিপ্রতি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৮ হাজার ২৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরিপ্রতি স্বর্ণ ৫৫ হাজার ৬৯৫ এবং ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ভরিপ্রতি ৫০ হাজার ৬৮০ টাকায় বিক্রি হবে। এছাড়া সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণের দাম বেড়ে হয়েছে ৩০ হাজার ৩২৬ টাকা আর ২১ ক্যারেটের ভরিপ্রতি রুপার (ক্যাডমিয়াম) দাম পূর্বের নির্ধারিত ৯৩৩ টাকাই বহাল রাখা হয়েছে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ
                                  

স্বাধীন বাংলা: কিছু সংখ্যক শূন্য পদে সরাসরি জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। নিয়োগ সম্পর্কে তথ্য নিচে দেয়া হলো।

পদের নাম: হিসাবরক্ষক
পদ সংখ্যা: ১টি
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে বাণিজ্য বিভাগে দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক ডিগ্রী।

অন্যান্য যোগ্যতা: কম্পিউটার চালনায় দক্ষ হতে হবে।
বেতন: ১১,৩০০ – ২৭,৩০০ টাকা।

পদটিতে সকল জেলার প্রার্থী আবেদন করতে পারবেন।


পদের নাম: ডাটা এন্ট্রি/কন্ট্রোল অপারেটর
পদ সংখ্যা: ১টি
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যে কোনো স্বীকৃত বোর্ড হতে উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পাস।
অন্যান্য যোগ্যতা: কম্পিউটার টাইপিংয়ে প্রতি মিনিটে বাংলা ও ইংরেজিতে যথাক্রমে ২০ ও ২০ শব্দের গতিসহ অ্যাপটিটিউড টেস্টে উত্তীর্ণ হতে হবে।
বেতন স্কেল :  ৯,৩০০ – ২২,৪৯০ টাকা

পদটিতে সকল জেলার প্রার্থী আবেদন করতে পারবেন।


পদের নাম: ক্যাশ সরকার
পদ সংখ্যা: ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড হতে বাণিজ্য বিভাগে এইচ.এস.সি বা সমমান পাস।
অন্যান্য যোগ্যতা: কম্পিউটার চালনায় দক্ষ হতে হবে।
বেতন: ৯,০০০ – ২১,৮০০ টাকা।

পদটিতে সকল জেলার প্রার্থী আবেদন করতে পারবেন।


পদের নাম: অফিস সহায়ক
পদ সংখ্যা: ৫টি (রাজস্বখাতে স্বায়ী)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড হতে এস.এস.সি পাস।
বেতন: ৮,২৫০ – ২০,০১০ টাকা।

যে সকল জেলার প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন: নোয়াখালী, কুমিল্লা, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, নাটোর, যশোর, মাগুরা, পিরোজপুর এবং পটুয়াখালী ব্যতীত অন্য সকল জেলা।


পদের নাম: অফিস সহায়ক
পদ সংখ্যা: ১টি (নবসৃষ্ট রাজস্বখাতে অস্বায়ী)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এস.এস.সি পাস।
বেতন: ৮,২৫০ – ২০,০১০ টাকা।

যে সকল জেলার প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন: নোয়াখালী, কুমিল্লা, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, নাটোর, যশোর, মাগুরা, পিরোজপুর এবং পটুয়াখালী ব্যতীত অন্য সকল জেলা।

আবেদন শুরুর সময়: ১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ সকাল ১০টা।
আবেদনের শেষ সময়: ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ বিকাল ৫টা।

আবেদনের পদ্ধতি:  আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে http://moys.teletalk.com.bd এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে নীতিমালা
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সুনির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম চালাতে চাচ্ছে। সেজন্য দেশে প্রথমবারের মতো তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে নীতিমালা তৈরি করতে যাচ্ছে সরকার। স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর জাতীয় অর্থনীতি ও উৎপাদনশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অনুসন্ধানে একটি সুনির্দিষ্ট নীতি অনুসরণ করে কাজ করতে চাচ্ছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

কারণ সরকার পরিবর্তন এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে দেশের জ্বালানি খাতের নীতি ও সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হয়। ক্ষেত্রে শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে নীরব প্রতিযোগিতাও চলে। বর্তমানে দেশজ গ্যাসের সন্ধান কমে যাওয়ায় আমদানি নির্ভর হয়ে পড়ছে জ্বালানি খাত। ফলে শিল্প উৎপাদনে ব্যয়বৃদ্ধিসহ সকল পর্যায়েই জ্বালানি বাবদ ব্যয় বাড়ছে। জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দেশজ প্রাকৃতিক তেল-গ্যাস অনুসন্ধান নীতিমালা প্রণীত হলে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নেতিবাচক প্রতিযোগিতার সুযোগ কমবে। অনুসন্ধান শুরু ও শেষ করার কাজটি একটি কাঠামোর মধ্যে আনা যাবে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে থমকে থাকা অনুসন্ধান কার্যক্রমও গতি পাবে। ইতিমধ্যে দেশজ প্রাকৃতিক তেল-গ্যাস অনুসন্ধান নীতিমালা-২০১৯ প্রণয়নে একটি খসড়া তৈরি করা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব এটি চূড়ান্ত করা হবে। সূত্র জানায়, তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দেশের স্থলভাগকে ২২টি ব্লকে এবং সমুদ্রভাগকে ২৬টি ব্লকে ভাগ করা হয়েছে।

খসড়া নীতিমালার ভূমিকায় বলা হয়েছে- দেশে ব্যাপক ভিত্তিতে গ্যাসের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশের উৎপাদিত গ্যাস এই বর্ধিষ্ণু চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয়। লিকুইফাইড ন্যাচারাল গ্যাস (এলএনজি) আমদানির মাধ্যমে গ্যাসের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আমদানি করা এলএনজি অত্যধিক ব্যয়বহুল হওয়ায় দেশে সরবরাহকৃত জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই সুপরিকল্পিতভাবে দেশের গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম গ্রহণ করা দরকার। সরকারি অনুসন্ধান বা উত্তোলন কোম্পানিসমূহ কর্তৃক গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রমের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে পূর্বনির্ধারিত মানদ- অনুসরণ করবে।

এ লক্ষ্যে বাপেক্স একটি পূর্ণাঙ্গ ম্যানুয়াল তৈরি করবে এবং তার অনুসরণ নিশ্চিত করবে। স্থলভাগের যেসব সম্ভাবনাময় এলাকায় এখনো ভূতাত্ত্বিক জরিপ সম্পাদন করা হয়নি সেসব এলাকায় ধারাবাহিকভাবে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ভূতাত্ত্বিক জরিপ সম্পাদন করা হবে। ক্ষেত্রবিশেষে অনুসন্ধান কাজে সম্ভব হলে বাপেক্সের সঙ্গে জিএসবিকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ভূতাত্ত্বিক জরিপের ভিত্তিতে অনশোরে যেসব সম্ভাবনাময় এলাকায় এখনো দ্বিমাত্রিক ভূকম্প জরিপ (২ডি সাইসমিক সার্ভে) সম্পাদন করা হয়নি, সেসব এলাকায় নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ক্লোজ গ্রিড জরিপ সম্পাদন করতে হবে। দ্বিমাত্রিক জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে চিহ্নিত ও সম্ভাবনাময় এলাকাগুলোতে ত্রিমাত্রিক ভূকম্প জরিপ পরিচালনা করার পর কূপ খনন করতে হবে।

দীর্ঘদিনের চর্চা অনুযায়ী ব্লক ব্যবস্থাপনায় বিদেশি কোম্পানির (আইওসি) অংশগ্রহণ এবং তাদেরকে আকর্ষণ করার জন্য পিএসসি পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়েছে নীতিমালায়। সূত্র আরো জানায়, খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী তেল-গ্যাস অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও উৎপাদনসহ আহরিত যাবতীয় প্রাথমিক ও প্রক্রিয়াজাত ডাটা সুপ্তভাবে সংরক্ষণ, ব্যবহার ও শেয়ারের লক্ষ্যে একটি ডাটা পলিসি এবং ডাটা ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হবে।

চামড়া শিল্পনগরীতে ওয়াটার ফ্লো মিটার স্থাপন শুরু
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) চামড়া শিল্পনগরীর শিল্প ইউনিটগুলোতে অতিরিক্ত পানি ব্যবহার রোধে ওয়াটার ফ্লো মিটার স্থাপনের কাজ শুরু করেছে।

বিসিক চামড়া শিল্পনগরীর প্রকল্প পরিচালক  প্রকৌশলী জিতেন্দ্রনাথ পাল বলেন, চামড়া শিল্পনগরীর  চালু ১২৩ টি শিল্প ইউনিটে বিসিকের নিজস্ব পাম্পের সাহায্যে পানি সরবারহ করা হয়। কিছু কিছু শিল্প ইউনিট বিসিকের সরবারহ করা পানি ছাড়াও তাদের নিজস্ব পাম্পের সাহায্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি ব্যবহার করে। শিল্প ইউনিটগুলোতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানির ব্যবহার রোধ করার জন্য ওয়াটার ফ্লো মিটার স্থাপন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, শিল্প ইউনিটগুলোতে পরিমিত পানি ব্যবহার করতে হাইকোর্টের নির্দেশনা রয়েছে।

আগামী দুই এক দিনের মধ্যে যে সকল শিল্প ইউনিট নিজস্ব পাম্পের সাহায্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি ব্যবহার করে সেগুলোতে মিটার স্থাপনের কাজ শেষ হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন,  যে  শিল্প ইউনিটগুলোতে বিসিকের পাম্পের সাহায্যে পানি সরবারহ করা হয় সেগুলোতেঅতিরিক্ত পানি ব্যবহার রোধ করতে ইতোমধ্যে ওয়াটার ফ্লো মিটার  স্থাপন করা হয়েছে।


   Page 1 of 31
     অর্থ-বাণিজ্য
দিনাজপুরে পিডিবিএফ’র বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা কর্মশালা
.............................................................................................
জোরালো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশে দারিদ্র্য কমাচ্ছে : বিশ্ব ব্যাংক
.............................................................................................
আমদানিতে আগ্রহী নয় স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা
.............................................................................................
গ্যাস বিল আদায় নিয়ে ভোগান্তিতে তিতাস
.............................................................................................
খোলা বাজারে টিসিবি’র পেঁয়াজ বিক্রি শুরু
.............................................................................................
পেঁয়াজে বাড়ছে ঝাঁজ
.............................................................................................
ন্যাশনাল ব্যাংকের ডিএমডি হলেন একরামুল হক
.............................................................................................
নরসিংদীতে যমুনা ব্যাংকের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালিত
.............................................................................................
পাটপণ্যের চাহিদা থাকলেও বাড়ছে না রফতানি
.............................................................................................
অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক হলেন ড. মোঃ ফরজ আলী
.............................................................................................
আস্থা হারাচ্ছে চামড়া শিল্প
.............................................................................................
ব্যাংক খাতে হঠাৎ বেড়েছে আমানত
.............................................................................................
এক মাসে স্বর্ণের দাম বাড়লো চারবার
.............................................................................................
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ
.............................................................................................
তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে নীতিমালা
.............................................................................................
চামড়া শিল্পনগরীতে ওয়াটার ফ্লো মিটার স্থাপন শুরু
.............................................................................................
মাছ-মুরগীর খাবারের নামে আমদানি হচ্ছে শূকরের বর্জ্য
.............................................................................................
আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি শুরু
.............................................................................................
রেমিট্যান্সের পালে মধ্যপ্রাচ্যের হাওয়া
.............................................................................................
ঈদে মসলার বাজারে আগুন!
.............................................................................................
জ্বালানি আনতে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি সই
.............................................................................................
আমদানি-রফতানি ব্যয় বাড়বে
.............................................................................................
ভারত থেকে জ্বালানি তেল আমদানির উদ্যোগ
.............................................................................................
৩১ জুলাই নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করবেন গভর্নর
.............................................................................................
মানিকগঞ্জে বেস্ট ইলেকট্রনিক্স এর শো-রুম উদ্বোধন
.............................................................................................
রাজস্ব আয় বাড়াতে জেলা ও উপজেলায় কমিটি চান ডিসিরা
.............................................................................................
বকেয়ার ভারে আর্থিক সঙ্কটে নেসকো
.............................................................................................
হিলি স্থলবন্দরে বাড়লো পেয়াঁজের দাম
.............................................................................................
রফতানি আয়ে সুখবর চলছেই
.............................................................................................
উপজেলায় নতুন কর অফিস
.............................................................................................
বড় ঋণখেলাপিদের চাপে রাখার উদ্যোগ
.............................................................................................
ডলার নিয়ে কাড়াকাড়ি
.............................................................................................
জেনিথ লাইফের সাথে কমিউনিটি হেলথ কেয়ারের চুক্তি
.............................................................................................
ফিলিপাইনের সাবেক ব্যাংক ব্যবস্থাপক দোষী সাব্যস্ত
.............................................................................................
আজ বাণিজ্য মেলা শুরু
.............................................................................................
দক্ষিণ এশিয়ার ২য় অর্থনীতির বাংলাদেশ
.............................................................................................
চারদিন ছুটির কবলে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর
.............................................................................................
তারল্য সংকটে ব্যাংক
.............................................................................................
ঢাকা-গুয়াংজু রুটে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট যাবে প্রতিদিন
.............................................................................................
জামালপুরে চার দিনব্যাপি আয়কর মেলা শুরু
.............................................................................................
সঞ্চয়পত্রে ঝুঁকছেন বিনিয়োগকারীরা
.............................................................................................
ব্যবসা সংস্কারে বাংলাদেশের অগ্রগতি
.............................................................................................
জেনিথ ইসলামী লাইফের এজিএম অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
বড়পুকুরিয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু
.............................................................................................
সিলেট-ঢাকা রুটে ইউএস-বাংলার অতিরিক্ত ফ্লাইট শুরু
.............................................................................................
চামড়া নিচ্ছে না বিদেশীরা
.............................................................................................
কর ফাঁকির আশঙ্কা বাড়ছে
.............................................................................................
রিজার্ভ চুরি: সিআইডির ফরেনসিক রিপোর্ট ফিলিপাইনের আদালতে উঠছে বৃহস্পতিবার
.............................................................................................
নিয়ন্ত্রণহীন ডলারের দাম
.............................................................................................
রমজান উপলক্ষে ইউএস বাংলা’র বিশেষ প্যাকেজ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft