সোমবার, ২০ জানুয়ারী 2020 | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
শেয়ারবাজারের ধীর গতি

অর্থনৈতিক ডেস্ক: বড় ধরনের ধসের পর নানামুখী তৎপরতায় বুধবার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার দেখা মেলে দেশের শেয়ারবাজারে। বৃহস্পতিবারও লেনদেনের শুরুতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা রয়েছে। তবে ধীর গতিতে বাড়ছে সূচক। এর আগে বড় ধরনের ধসের কবলে পড়ে মঙ্গলবার পর্যন্ত মাত্র ৮ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্সের ৪১১ পয়েন্ট পতন হয়। এতে ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি ৪ হাজার ৫৫ পয়েন্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা সূচকটি শুরুর অবস্থান বা ভিত্তি পয়েন্টের নিচে নেমে যায়।

শেয়ারবাজারের এ অবস্থাকে ২০১০ সালের মহাধসের থেকেও খারাপ বলে অভিহিত করেন শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টরা। দরপতনের প্রতিবাদ জানাতে মতিঝিলে অবস্থিত ডিএসইর আগের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন কিছু বিনিয়োগকারী।

অবস্থার ভয়াবহতা অনুধাবন করে ২০ জানুয়ারি জরুরি বৈঠক ডেকেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে এ পর্যন্ত যতগুলো প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, তার মধ্যে সর্বোত্তম প্রস্তাব বাস্তবায়নে সহায়তা দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

পাশাপাশি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিবের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) প্রতিনিধিরা। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কার্যালয়ে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থার জরুরি বৈঠক হয়।

বিএসইসির কমিশনার স্বপন কুমার বালার সভাপতিত্বে বৈঠকে বিএমবিএ, ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ) এবং শীর্ষ ব্রোকারেজ হাউসের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভায় কমিশনের পক্ষ থেকে স্টেকহোল্ডারদের ২০ জানুয়ারির বৈঠকে শেয়ারবাজারের জন্য করণীয় এবং কার্যকরি প্রস্তাব রাখার আহ্বান করা হয়।

বিভিন্ন পক্ষের এমন নানামুখী তৎপরতায় বুধবার লেনদেনের শুরুতেই শেয়ারবাজারে বড় উত্থানের আভাস মেলে। লেনদেনের প্রথম আধাঘণ্টায় ডিএসইর প্রাধান মূল্যসূচক ৮৩ পয়েন্ট বেড়ে যায়। তবে লেনদেনের শেষদিকে এসে বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের দরপতন হয়। এতে সূচকের বড় উত্থান কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক বাড়ে ৩১ পয়েন্ট।

উর্ধ্বমুখী প্রবণতা বৃহস্পতিবারের লেনদেনের শুরুতেও অব্যাহত রয়েছে। লেনদেনের প্রথম এক ঘণ্টায় ডিএসইর প্রধান সূচক ১৯ বেড়ে ৪ হাজার ৮৭ পয়েন্টে উঠে এসেছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ সূচক ৭ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৩৭৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে ৯১৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

প্রথম ঘণ্টায় বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৬৮ কোটি ১২ লাখ টাকা। লেনদেন অংশ নেয়া ১১৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৩০টির। ৬৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৪২২ পয়েন্টে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ২ কোটি ২১ লাখ টাকা। লেনদেন অংশ নেয়া ৯৫ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২৯টির, কমেছে ৪৯টির, অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭টির।

শেয়ারবাজারের ধীর গতি
                                  

অর্থনৈতিক ডেস্ক: বড় ধরনের ধসের পর নানামুখী তৎপরতায় বুধবার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার দেখা মেলে দেশের শেয়ারবাজারে। বৃহস্পতিবারও লেনদেনের শুরুতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা রয়েছে। তবে ধীর গতিতে বাড়ছে সূচক। এর আগে বড় ধরনের ধসের কবলে পড়ে মঙ্গলবার পর্যন্ত মাত্র ৮ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্সের ৪১১ পয়েন্ট পতন হয়। এতে ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি ৪ হাজার ৫৫ পয়েন্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা সূচকটি শুরুর অবস্থান বা ভিত্তি পয়েন্টের নিচে নেমে যায়।

শেয়ারবাজারের এ অবস্থাকে ২০১০ সালের মহাধসের থেকেও খারাপ বলে অভিহিত করেন শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টরা। দরপতনের প্রতিবাদ জানাতে মতিঝিলে অবস্থিত ডিএসইর আগের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন কিছু বিনিয়োগকারী।

অবস্থার ভয়াবহতা অনুধাবন করে ২০ জানুয়ারি জরুরি বৈঠক ডেকেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে এ পর্যন্ত যতগুলো প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, তার মধ্যে সর্বোত্তম প্রস্তাব বাস্তবায়নে সহায়তা দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

পাশাপাশি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিবের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) প্রতিনিধিরা। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কার্যালয়ে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থার জরুরি বৈঠক হয়।

বিএসইসির কমিশনার স্বপন কুমার বালার সভাপতিত্বে বৈঠকে বিএমবিএ, ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ) এবং শীর্ষ ব্রোকারেজ হাউসের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভায় কমিশনের পক্ষ থেকে স্টেকহোল্ডারদের ২০ জানুয়ারির বৈঠকে শেয়ারবাজারের জন্য করণীয় এবং কার্যকরি প্রস্তাব রাখার আহ্বান করা হয়।

বিভিন্ন পক্ষের এমন নানামুখী তৎপরতায় বুধবার লেনদেনের শুরুতেই শেয়ারবাজারে বড় উত্থানের আভাস মেলে। লেনদেনের প্রথম আধাঘণ্টায় ডিএসইর প্রাধান মূল্যসূচক ৮৩ পয়েন্ট বেড়ে যায়। তবে লেনদেনের শেষদিকে এসে বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের দরপতন হয়। এতে সূচকের বড় উত্থান কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক বাড়ে ৩১ পয়েন্ট।

উর্ধ্বমুখী প্রবণতা বৃহস্পতিবারের লেনদেনের শুরুতেও অব্যাহত রয়েছে। লেনদেনের প্রথম এক ঘণ্টায় ডিএসইর প্রধান সূচক ১৯ বেড়ে ৪ হাজার ৮৭ পয়েন্টে উঠে এসেছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ সূচক ৭ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৩৭৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে ৯১৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

প্রথম ঘণ্টায় বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৬৮ কোটি ১২ লাখ টাকা। লেনদেন অংশ নেয়া ১১৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৩০টির। ৬৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৪২২ পয়েন্টে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ২ কোটি ২১ লাখ টাকা। লেনদেন অংশ নেয়া ৯৫ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২৯টির, কমেছে ৪৯টির, অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭টির।

বাজারে আসছে ২০০ টাকার নোট ॥ দৈনিক স্বাধীন বাংলা
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে  দেশে প্রথমবারের মতো ২০০ টাকা মূল্য মানের নোট বাজারে আসছে। আগামী মার্চে ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে এ নোট বাজারে ছাড়া হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বাজারে প্রচলিত ১০/২০/৫০/১০০/৫০০ এবং ১০০০ টাকার মতই ২০০ টাকার নোট পাওয়া যাবে। লেনদেন হবে। প্রাথমিকভাবে ২০০ টাকার নোটের উপর ‘বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ নোট’ কথাটি লেখা থাকলেও পরবর্তীতে তা আর লেখা থাকবে না।

এদিকে, ১০ টাকার নোটের সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকায় বঙ্গবন্ধুর ছবি সংবলিত ৫০ টাকার নোটের রং ও আকার পরিবর্তন করে বাজারে নতুন ৫০ টাকার নোট ছেড়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। রোববার সকাল থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতিঝিল কার্যালয় থেকে নিয়মিত লেনদেনের মাধ্যমে নতুন এ নোট বাজারে ছাড়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ২০ কোটি টাকা মূল্যের নতুন নোট বাজারে ছাড়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে চাহিদা অনুযায়ী নতুন নোট বাজারে ছাড়া হবে বলেও জানান তিনি। তবে নতুন এ নোটের পাশাপাশি বাজারে চলমান পুরো নোটেও লেনদেন অব্যাহত থাকবে।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
                                  


স্বাধীন বাংলা: জাতীয় মহিলা সংস্থার বাস্তবায়নাধীন “জেলাভিত্তিক মহিলা কম্পিউটার প্রশিক্ষণ(৬৪ জেলা) (২য় সংশাধিত)” শীর্ষক প্রকল্পের কর্মকর্তা নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

আবেদনের ঠিকানা: সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পরিবহন পুল ভবন, কক্ষ নং-৮১১, সচিবালয় লিংক রােড, ঢাকা। আবেদনের শেষ তারিখ: ৭ জানুয়ারি ২০২০।

পদের নাম: সহকারী প্রােগ্রামার

পদসংখ্যা: ৭টি

যােগ্যতা: চার বছর মেয়াদী কম্পিউটার সায়েন্স/ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি। অথবা যেকোন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিসহ কম্পিউটার সায়েন্সে ১ বছর মেয়াদী পােস্ট গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি। অথবা সরকার অনুমােদিত বিশ্ববিদ্যালয়/প্রতিষ্ঠান/বিটিইবি হতে ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার সায়েন্স বা সমমানের কম্পিউটার সার্টিফিকেট কোর্স। অথবা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিসহ ৩ বছর মেয়াদী বিএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স বা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।
বেতন: সর্বসাকুল্য ৩২,৩০০ টাকা

পদের নাম: প্রশিক্ষক (কম্পিউটার)

পদসংখ্যা: ৮টি

যােগ্যতা: সরকার অনুমােদিত পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউট হতে ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার সায়েন্স/ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি। অথবা চার বছর মেয়াদী স্নাতক (সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড) ডিগ্রিসহ কমপক্ষে ছয় মাস বা তদূর্ধ্ব মেয়াদী কম্পিউটার ডিপ্লোমা কোর্সধারী। অথবা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিসহ ৩ বছর মেয়াদী স্নাতক (সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড) ডিগ্রিধারী।
বেতন: সর্বসাকুল্য ২৪,৭০০ টাকা

বিসিকের বিজয় মেলা শুরু
                                  

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) মহান বিজয় দিবসকে সামনে রেখে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (স্কিটি), উত্তরা ঢাকায়  ৫ (পাঁচ) দিনব্যাপী  বিজয় মেলা ২০১৯ আয়োজন করেছে। বিসিক চেয়ারম্যান মোঃ মোশতাক হাসান আজ এ মেলার উদ্বোধন করেন।

বিসিক শিল্প সহায়ক কেন্দ্র (ঢাকা) ও ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (স্কিটি)  যৌথভাবে এ মেলার আয়োজন করেছে।

এ মেলায় ক্রেতা সাধারণগণ ৫৮টি স্টলগুলো থেকে কারুপণ্য, নকশিকাঁথা, পাট পণ্য, বুটিকস পণ্য, জুয়েলারী, লেদারগুডস, অর্গানিক ফুডস, ইলেকট্রনিকস পণ্যসহ নিত্য ব্যবহার্য বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী ক্রয় করতে পারবেন। মেলা চলবে আগামী ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। বিজয় মেলা প্রতিদিন সকাল ১০ থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত  সকলের জন্য উন্মুক্ত।

উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিসিক পরিচালক (প্রযুক্তি) ড. মোহা. আব্দুস ছালাম, পরিচালক ( উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ) মোঃ খলিলুর রহমান, পরিচালক ( বিপণন ও নকশা) মোঃ মাহবুবুর রহমান,  আঞ্চলিক পরিচালক (ঢাকা) মোঃ আহসান হাকীম, স্কিটি অধ্যক্ষ, প্রকৌশলী শফিকুল আলম, বিসিক শিল্প সহায়ক কেন্দ্র (ঢাকা) উপ-মহাব্যবস্থাপক মোঃ আবুল বাশারসহ ঊর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মীরসরাইয়ে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের ১৩১তম শাখার উদ্বোধন
                                  

নিজস্ব সংবাদদাতা: চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ১৩১তম শাখার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ ব্যাংকের পরিচালক আলহাজ্ব মোঃ সানাউল্লাহ সাহিদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উক্ত শাখার উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব এম. শহীদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে জিপিএইচ গ্রুপের চেয়ারম্যান ও জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এবং নাহার এগ্রো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোঃ রকিবুর রহমান (টুটুল) বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ সানাউল্লাহ সাহিদ বলেন, মীরসরাই এই চট্টগ্রাম জেলার অন্যতম বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক মীরসরাই এলাকায় অধিক পরিমাণে বিনিয়োগ করে অত্র এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা পোষণ করেন।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব এম. শহীদুল ইসলাম বলেন, দেশের অর্থনীতিকে বেগবান করা এবং অধিকহারে জনগণকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনয়নের লক্ষ্যেই শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন এলাকায় গ্রাহকদের চাহিদার প্রেক্ষিতে নতুন শাখা সম্প্রসারণের কাজ অব্যাহত রাখা হয়েছে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে জিপিএইচ গ্রুপের চেয়ারম্যান ও জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক একটি আন্তর্জাতিকমানের ব্যাংক। এই ব্যাংকের প্রদত্ত সকল সেবায় আমরা অত্যন্ত সন্তুুষ্ট।

নাহার এগ্রো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোঃ রকিবুর রহমান (টুটুল) বলেন, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের সব প্রডাক্ট অত্যন্ত আকর্ষণীয়। আমরা আশা করবো শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক এই মীরসরাই এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শ্রমঘন শিল্পে বিনিয়োগ আরো অধিক পরিমাণে বৃদ্ধি করবে। এতে করে দেশের বেকার সমস্যা কিছুটা হলেও দূরীভূত হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে ব্যাংকের সমৃদ্ধি কামনা করে শাখা প্রাঙ্গণে পবিত্র কুরআন খতম, দুরূদ এবং দো’য়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

বাজারে আসছে ৫০ টাকার নতুন নোট
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে ৫০ টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়া হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।  ৫০ টাকা মূল্যমানের নতুন এ নোট লালচে কমলা রংয়ের হবে।

এ নোটটিতে বিদ্যমান ৫০ টাকা মূল্যমান ব্যাংক নোটের ডিজাইন অপরিবর্তিত রয়েছে। লালচে কমলা রং ছাড়াও প্রচলিত ৫০ টাকার নোটের ডিজাইন ও অন্যান্য সব নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য (জলছাপ, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য দুটি বিন্দু, মাইক্রোপ্রিন্ট, খসখসে লেখা ইত্যাদি) অপরিবর্তিত থাকবে।

গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, জনগণের  সুবিধার্থে লালচে কমলা রঙে বঙ্গবন্ধুর ছবি ও গভর্নর ফজলে কবিরের স্বাক্ষর সংবলিত ৫০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট মুদ্রণ করা হয়েছে, যা ১৫ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য অফিস থেকে ইস্যু করা হবে।

সিঙ্গেল ডিজিটে আসছে ব্যাংক ঋণের সুদ হার; কমিটি গঠন
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: ব্যাংকের ঋণের সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনতে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করেছে নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গর্ভনর এস এম মনিরুরুজ্জামানকে এ কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় এ কমিটি করা হয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের চেয়ারম্যান কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ওবায়েদ উল্লাহ্ আল্ মাসুদ, ব্যাংকের নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, আইএফআইসি ব্যাংকের এমডি শাহ আলম সারওয়ার ও এনআরবি ব্যাংকের এমডি মো. মেহমুদ হোসেন।

গঠিত এ কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংক ঋণের সুদহার কমানোর প্রক্রিয়ার বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তবে কমিটি চাইলে সদস্য সংখ্যা বাড়াতে পারবে বলেও এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে।

বাড়ছে লোকসানি শাখা
                                  

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : দিন দিন রাষ্ট্রায়ত্ত বা সরকারি ব্যাংকের লোকসানি শাখার সংখ্যা বেড়েই চলেছে। কোনোভাবেই তা নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। বরং কোনো কোনো ব্যাংকে তা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন বাংলাদেশ ব্যাংক। মূলত ঋণ অনিয়ম, দুর্নীতি, লুটপাট ও অব্যবস্থাপনায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আর সরকারি ব্যাংকগুলো দীর্ঘদিন ধরেই লোকসানের এ ঘানি টেনে যাচ্ছে। বারবার তাগিদ দিয়েও কাক্সিক্ষত হারে লোকসানি শাখার সংখ্যা কমানো যাচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সরকারি ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।


সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বিগত ২০১১ সালে সরকারি ৬টি ব্যাংকের লোকসানি শাখা ছিল ১৫৯টি। ২০১২ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৯১টি। আর ২০১৩ সালে ১৭৩টি, ২০১৪ সালে ছিল ১৬৮টি। মাঝে কিছুদিন ওঠানামা করলেও ধীরে ধীরে লোকসানি শাখা বাড়তে থাকে। ২০১৫ সালে ৬ ব্যাংকের লোকসানে পড়ে ২২৫টি শাখা। তবে ২০১৬ সালে সবচেয়ে বেশি শাখা লোকসানে পড়ে। ওই বছরটিতে ৬ ব্যাংকের লোকসানে পড়ে ৪৯৩টি শাখা। এরপর কিছুটা কমে ২০১৭ সালে ব্যাংকগুলোর লোকসানি শাখা ছিল ৩৬৪টি। ২০১৮ সালে সেটি আরো কমে ২২১টিতে নেমে আসে। এবার তা আবার বাড়তে শুরু করেছে। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর লোকসানি শাখার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২৫টিতে। অথচ ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ছিল ২২১টি। ৬ মাসে লোকসানি শাখা বেড়েছে ৪টি।  

সূত্র জানায়, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে রূপালী ব্যাংকের লোকসানি শাখা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত রূপালী ব্যাংকের লোকসানি শাখা ছিল ৮টি। কিন্তু চলতি বছরের জুন শেষে তা ১৬টিতে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ ৬ মাসে ব্যাংকটির লোকসানি শাখা দ্বিগুণ হয়েছে। একইভাবে গত ডিসেম্বরে অগ্রণী ব্যাংকের লোকসানি শাখা ছিল ২১টি। জুন শেষে তা বেড়ে ৪৬টিতে দাঁড়িয়েছে। জনতা ব্যাংকের ৩টি বেড়ে ৫৯টি, বেসিক ব্যাংকের ২১টি ও বিডিবিএলের লোকসানি শাখার সংখ্যা ২২টিতে অবস্থান করছে। তবে সোনালী ব্যাংকের লোকসানি শাখা কমেছে। ব্যাংকটির লোকসানি শাখা ডিসেম্বর শেষে ৯৩টি থাকলেও জুনে ৬১টিতে নেমে এসেছে।

তবে বেসিক ব্যাংকের লোকসানি শাখা নিয়ে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ রয়েছে। কারণ এখনো ব্যাংকটির এক-তৃতীয়াংশ শাখা লোকসানে রয়েছে। বেসিক ব্যাংকের মোট শাখা ৬৩টি। তার মধ্যে ২১টি শাখা লোকসানি। ব্যাংকটির শান্তিনগর ও গুলশান শাখায় ব্যাপক লুটপাট হয়েছে। উভয় শাখা থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ বের করে নিয়েছে পরিচালনা পর্ষদ। ওই কারণে শাখা দুটি এখনো লোকসানে। তাছাড়া নানা অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে বেসিক ব্যাংকের দিলকুশা, আগ্রাবাদ, বেলকুচি, চিতলমারী, কুমিল্লা, এলেঙ্গা, ফরিদপুর, ঝিনাইদহ, ঝিকরগাছা, কোটালীপাড়া, মাতুয়াইল, মহিপুর, রাজশাহী, রংপুর, সৈয়দপুর, সাতক্ষীরা, সোনারপাড়া, টুঙ্গিপাড়া ও জিন্দাবাজার শাখা লোকসানে পড়েছে।

সূত্র আরো জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংক বেসিক ব্যাংক নিয়ে চরম হতাশায় ভুগছে। কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। কারণ বছরের পর বছর ব্যাংকটি আগের অবস্থানেই পড়ে আছে। কোনো উন্নতি নেই। আর সোনালী ব্যাংকের ৬১টি শাখা লোকসানে রয়েছে। তার মধ্যে শেরাটন কর্পোরেট শাখাও রয়েছে। যেখানে হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় লুট হয়েছে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা। তাছাড়া নারায়ণগঞ্জের বৈদেশিক বাণিজ্য শাখাসহ ব্যাপক লুটপাটের শিকার ২০টি শাখাও লোকসানে পড়েছে।

সোনালী ব্যাংক সংশ্লিষ্টদের মতে, ব্যাংকটির লোকসানি শাখা কমে এসেছে এবং আরো কমে আসবে। তবে ২০টি শাখা নিয়ে বেশি বিপদে রয়েছে। জনতা ব্যাংকের লোকসানি শাখা ৫৯টি। ব্যাংক সংশ্লিষ্টদের মতে, কয়েকটি পার্টি সময়মতো টাকা না দেয়ায় লোকসানে পড়েছে ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো। সেটি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করা হচ্ছে। আর অগ্রণী ব্যাংকের ৪৬টি শাখা লোকসানে পড়েছে।

রূপালী ব্যাংকের লোকসানি শাখা ১৬টি। ব্যাংক সংশ্লিষ্টদের মতে, আগের পর্ষদের বেশির ভাগ শাখা লোকসানে পড়েছে। এখন সেখান থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাছাড়া বিডিবিএলের ২২টি শাখা লোকসানে পড়েছে। ওসব শাখা দীর্ঘদিন লোকসান গুনছে।

এদিকে লোকসানি শাখা প্রসঙ্গে অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ শামস উল ইসলাম জানান, লোকসানি শাখা কিছুটা বেড়েছে। তবে দ্রুত কমে যাবে।

অস্থির চালের বাজার
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : গত কয়েক মাস ধরেই অস্থিরতা বিরাজ করছে পেঁয়াজের বাজারে। মাত্র ৩০ টাকা কেজি থেকে ধাপে ধাপে তা বেড়ে ২৫০ টাকায় উঠে। এখনও অস্থিরতাভাব কমেনি পেঁয়াজ বাজারে। এর মধ্যে যোগ হলো এবার চালের বাজার।

এক সপ্তাহের মধ্যে রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৫ থেকে ৬ টাকা। রাজধানীতে দাম বাড়ার আগে কুষ্টিয়া ও নওগাঁতেও চালের দাম কেজিতে ৫-৭ টাকা করে বাড়ে। কুষ্টিয়ায় কিছুদিন আগে যে মিনিকেট চালের দাম ছিল ৩৮ টাকা, এখন সেই চালের দাম ৪৪ থেকে ৪৫ টাকা হয়েছে। একই হারে কুষ্টিয়ায় বেড়েছে কাজললতা চালের দামও। ৩২ টাকা থেকে বেড়ে ৩৮ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে কাজললতা চাল। তবে আটাশ চালের দাম তেমন একটা না বাড়লেও প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩২-৩৩ টাকায়।

উত্তরাঞ্চলের ধান-চালের সবচেয়ে বড় মোকাম নওগাঁতে কিছুদিন আগে ৩৬ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া জিরাশাইল’র দাম বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। আটাশ চালের দাম কেজিতে ২-৩ টাকা বেড়ে ৩৪-৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। স্বর্ণা ৩০ টাকা, কাটারিভোগ ৫০-৫২ টাকা, পাইজাম ৫০-৫২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রকারভেদে মোটা চালের দাম কেজিতে দুই টাকা বেড়েছে।

হঠাৎ করে চালের দাম বাড়ার জন্য খুচরা ব্যবসায়ীরা মিল মালিকদের দায়ী করছেন। তারা বলছেন, মিল মালিকরা দাম বাড়ানোর কারণে তারা বাড়তি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। বিশেষ করে রশিদের মিনিকেটের দাম বাড়ানোর কারণে, সবাই চালের দাম বাড়িয়েছে। ক্রেতারা বলছেন, বাজারে কার্যকর নজরদারি না থাকার কারণে একের পর এক নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে মিনিকেট চালের দাম ৫০ কেজির বস্তায় বেড়েছে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। এক সপ্তাহ আগে ৪২-৪৪ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া মিনিকেট চাল এখন বিক্রি হচ্ছে ৪৮-৫০ টাকায়। নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৫৬ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৪৮-৫০ টাকা কেজি।

চিকন চালের পাশাপাশি বেড়েছে মোটা চালের দামও। এক সপ্তাহ আগে ৩৪-৩৬ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া আটাশ চালের দাম বেড়ে হয়েছে ৩৮-৪০ টাকা। ৩০-৩২ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া স্বর্ণা চালের দাম হয়েছে ৩৪-৩৬ টাকা। খুচরার পাশাপাশি দাম বেড়েছে পাইকারিতেও। পাইকারিতে প্রতিবস্তা মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ২২৫০-২৩০০ টাকায়। আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ১৭৫০-১৮০০ টাকা, নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে ২৩৫০-২৭০০ টাকায়।

চালের এই দাম বাড়ার আগে অস্বাভাবিকভাবে বাড়ে পেঁয়াজের দাম। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া পেঁয়াজের দাম দেখতে দেখতে ২৫০ টাকায় পৌঁছে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার বিমানে করে পেঁয়াজ আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। এরপরও এখনও রাজধানীর বাজারগুলোতে দেশি পেঁয়াজের কেজি ২৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পেঁয়াজের পর চালের দাম বাড়ার বিষয়ে খিলগাঁওয়ের বাসিন্দা মানিক বলেন, চলতি মাসের শুরুতে এক বস্তা মিনিকেট চাল ২০৫০ টাকা দিয়ে কিনি। এখন সেই চালের বস্তা চাচ্ছে ২৪০০ টাকা। অর্থাৎ প্রতিবস্তায় চালের দাম বেড়েছে ৩৫০ টাকা। বাজারে কার্যকর মনিটরিং না থাকার কারণে এভাবে একের পর এক পণ্যের দাম বাড়ছে।

তিনি বলেন, চালের দাম বাড়ার আগে হু হু করে পেঁয়াজের দাম বাড়ল। ৪০ টাকার পেঁয়াজের কেজি দেখতে দেখতে ২৫০ টাকা হয়ে গেল। এরপরও যেন কারও কোনো মাথাব্যথা নেই। এক কেজি পেঁয়াজের দাম ২৫০ টাকা-এটা কীভাবে মেনে নেয়া যায়! এখন আবার চালের দাম বাড়া শুরু হয়েছে। এই দাম বৃদ্ধির হার কোথায় গিয়ে থামে এখন সেটাই দেখার বিষয়।

আবু মুরসালিন নামে কারওয়ানবাজারের এক ক্রেতা বলেন, ব্যবসায়ীরা তো এখন দেশটাকে মগের মুল্লুক মনে করছেন। ইচ্ছে হলে পেঁয়াজের দর বাড়াচ্ছে, সবজির বাজার নিয়ন্ত্রণ করছেন, এখন চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। এভাবে চলতে পারে না। দেশে ধানের সংকট নেই, বাজারে চালের অভাব নেই এর মধ্যে চালের দাম বাড়ানোর কোনো যৌক্তি কারণ থাকতে পারে না।

এ বিষয়ে কারওয়ানবাজারের পাইকার চালবিক্রেতা আবু রায়হান বলেন, গত কয়েক চারদিন ধরেই মিল মালিকরা চালের দাম বাড়িয়েছেন। সেখান থেকে আমাদের বাড়তি দামে চাল কিনে বিক্রি করতে হচ্ছে। চালের দাম বাড়ার পেছনে বিক্রেতাদের কোনো হাত নেই।

খিলগাঁও তালতলা বাজারের মেসার্স আল্লারদান রাইস স্টোরের মালিক মো. জানে আলম ভূঁইয়া বলেন, ভাই, আমাদের কিছু করার নেই। সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ৫-৬ টাকা করে বেড়েছে। মিনিকেট চালের দাম প্রতি বস্তায় বেড়েছে ৩০০ টাকা। তিনি বলেন, প্রথমে রশিদের মিনিকেটের দাম বাড়ে। এরপর সবাই একে একে চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। গত এক সপ্তাহে তিন দফায় চালের দাম বেড়েছে। প্রথম দুই দফায় বস্তায় ৫০ টাকা করে দাম বাড়ে। আর তৃতীয় দফায় একবারে বস্তায় দাম বেড়েছে ২০০ টাকা।

এর আগে গত রোববার রাজধানীর আব্দুল গণি রোডে খাদ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে এক সভায় চাল নিয়ে কেলেঙ্কারি করতে দেয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেন, পেঁয়াজ নিয়ে একটা অযথা কেলেঙ্কারি হচ্ছে। এজন্যই আপনাদের (চালকল মালিক) আমাদের ডাকা। যাতে চাল নিয়ে কোনো কেলেঙ্কারি আমাদের না হয়। এটা নিয়ে কেলেঙ্কারি করতে দেওয়া যাবে না। আপনাদের সুবিধা-অসুবিধা আমরা শুনব।

পেঁয়াজে সিন্ডিকেট : চার মাসে ভোক্তাদের ক্ষতি ৩ হাজার ১৭৯ কোটি টাকা
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : গত চার মাসে মোট ২৪ বার পেঁয়াজের দাম ওঠা-নামা করেছে। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যটি এখন দরিদ্র মানুষের কাছে রীতিমতো দুর্লভ বস্তু। সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানোর কারণে প্রতিদিন ৫০ কোটি টাকা করে চার মাসে ভোক্তাদের ৩ হাজার ১৭৯ কোটি ৩৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে কনসাস কনজুমার্স সোসাইটি-সিসিএস নামের একটি সংগঠন।

কারসাজি করে যে পরিমাণ অর্থ হাতিয়েছে, তা দিয়ে আরেকটি বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা সম্ভব-বলছে সংগঠনটি।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘পেঁয়াজ সিন্ডিকেটের মূল্য নৈরাজ্য’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ অভিযোগ করা হয়। ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ও গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে প্রকাশিত মূল্য তালিকা এবং নিজস্ব উৎস থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পেঁয়াজের মূল্য ধরে সংগঠনটি কারসাজি চক্রের হাতিয়ে নেয়া অর্থ বের করেছে।

এ জন্য ২ জুলাই থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত পেঁয়াজের মূল্য বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পেঁয়াজের লজিক্যাল মূল্য (যৌক্তিক মূল্য) ৩০ টাকা এবং অক্টোবর মাসের ৩১ দিন লজিক্যাল মূল্য ৫০ টাকা ধরা হয়েছে।

পলাশ মাহমুদ বলেন, চার মাসে ভোক্তার ক্ষতি হয়েছে ৩ হাজার ১৭৯ কোটি ৩৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এসময়ের মধ্যে শুধু জুলাই মাসে সিন্ডিকেট ৩৯৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। আগস্টে ৪৯১ কোটি ৪৩ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা, সেপ্টেম্বরে ৮২৫ কোটি ২৬ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা, অক্টোবরে ১৪০০ কোটি ৯৯ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় তারা। অর্থাৎ দিনে প্রায় ৫০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এই চক্র। গত চার মাসে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৪০০ গুণ। এই পরিমাণ অর্থ দিয়ে দ্বিতীয় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা সম্ভব।

তিনি বলেন, সম্প্রতি পেঁয়াজের খুচরা মূল্য ১২০-১৫০ টাকা। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটি এখন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র মানুষের পক্ষে এখন পেঁয়াজ দুর্লভ পণ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিসিকে ৫ দিনব্যাপী মধু মেলার উদ্বোধন
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) উদ্যোগে ৫ দিনব্যাপী মধুমেলা চলছে। বিসিক ভবন চত্ত্বরে রবিবার থেকে শুরু হওয়া এ মেলা চলবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। রবিবার সাড়ে ৩টায় এ মেলার উদ্বোধন করেন, বিসিক পরিচালক (বিপণন ও নকশা) মোঃ মাহবুবুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিসিকের প্রধান নকশাবিদ (ভাঃ) মোঃ রাহাত উদ্দিন।
 
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিসিক চেয়ারম্যান বলেন- বিসিক দেশব্যাপী ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্প খাতের উন্নয়নে উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন ধরনের সেবা-সহায়তা প্রদান করে আসছে। পাশাপাশি আধুনিক পদ্ধতিতে মৌচাষের মাধ্যমে মধু উৎপাদন বৃদ্ধির কার্যক্রমও পরিচালনা করছে। ১৯৭৭ সাল থেকে বিসিক মৌচাষের কার্যক্রম গ্রহণ করে। দেশে বর্তমানে দুই প্রজাতির যথা, অ্যাপিস মেলিফেরা এবং অ্যাপিস সেরেনা বা দেশজ প্রজাতির মৌমাছি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌবাক্সে চাষ করা হয়। মধূ উৎপাদন এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সফল পরাগায়নের মাধ্যমে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ দু প্রজাতির মৌমাছি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌবাক্সে চাষ করা প্রয়োজন। ফসলের মাঠে মৌমাছিরা বিচরণ করে সেখানে বাড়তি পরাগায়নের কারণে ফসলের উৎপাদন ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়।

অনুষ্ঠানের আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে মৌমাছি পালন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক খন্দকার আমিনুজ্জামান বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে দেশব্যাপী মৌচাষে মৌচাষীদের উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে মধু উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে মানুষের আয়বৃদ্ধির মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণ সম্ভব। এই কার্যক্রম পালনের মাধ্যমে ইতোমধ্যে বিসিক দেশব্যাপী প্রায় ১৮ হাজার নারী ও পুরুষকে আধুনিক পদ্ধতিতে মৌ-চাষ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে। তাছাড়া আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে মৌচাষ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৬ হাজার লোককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিসিক পরিচালক (প্রযুক্তি) ড. মোহা: আব্দুস ছালাম ও বিসিক পরিচালক (প্রকল্প) মোহাম্মদ আতাউর রহমান ছিদ্দিকী, মৌচাষ কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবাদুল্লাহ আবজাল।

দিনাজপুরে পিডিবিএফ’র বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা কর্মশালা
                                  

দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও অঞ্চলের পিডিবিএফ’র বার্ষিক পরিকল্পনা ও অগ্রগতি পর্যালোচনা ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়। আজ শনিবার দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হল রুমে  অনুষ্ঠিত সভায়  প্রধান অতিথি ছিলেন মোঃ আফজাল হোসনে, অতিরিক্ত সচিব (প্রতিষ্ঠান) পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত সোনার বাংলা গড়ায় অবদান রেখেছেন তাঁরই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা।  তিনি আরও বলেন, পিডিবিএফ প্রতিষ্ঠা করেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা। পল্লী দারিদ্র মানুষের আর্থ সামাজকি উন্নয়নে পিডিবিএফ অত্যন্ত গুরুত্বর্পূণ ভুমিকা পালন করছে। পিডিবিএফ এর একটি দক্ষ কর্মী বাহিনী আছে যারা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধম্যে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত সোনার বাংলা গড়ায় অবদান রাখছেন। বিগত ব্যবস্থাপনার আর্থিক দুর্নীতি  প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা ও নিয়ম বহর্ভিূতভাবে পদোন্নতিসহ বিভিন্ন অনিয়মের কারণে পিডিবিএফ  হুমকীর সম্মুখীন হয়।  বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালকের  নেতৃত্বে সকল অনিয়ম দূর করে সুন্দর পিডিবিএফ গড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পিডিবিএফ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ আমনিুল ইসলাম, পিডিবিএফ যুগ্ম পরিচালক ড. মোঃ মনারুল ইসলামসহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তা বৃন্দ । অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিডিবিএফ  উপ-পরিচালক জাহিদুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন  পিডিবিএফ’র দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও অঞ্চলের সকল  কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

জোরালো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশে দারিদ্র্য কমাচ্ছে : বিশ্ব ব্যাংক
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ দারিদ্র্য বিমোচন ও মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে, এর বেশিরভাগই সম্ভব হয়েছে শ্রমআয় বৃদ্ধির কারণে। ২০১০-২০১৬ সময়ে ৮০ লাখ বাংলাদেশি দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছে। জোরালো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশে দারিদ্র্য কমাচ্ছে। তবে দারিদ্র্য কমছে তুলনামূলক কম গতিতে। ২০১০ সাল থেকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি বাড়লেও দারিদ্র্য বিমোচনের গতি কমছে।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশ পোভার্টি অ্যাসেসমেন্ট’ নামে বিশ্ব ব্যাংক প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

এসময় বাংলাদেশ ও ভুটানে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, বিগত দশকে দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশ প্রশংসনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে। কিন্তু এখনও প্রতি চারজনের একজন দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করছে। বাংলাদেশকে আরও অনেক কিছু করতে হবে বিশেষত দারিদ্র্যের নতুন ক্ষেত্রগুলোর দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। যেমন- শহর এলাকায় দারিদ্র্য মোকাবিলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা ২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে দরিদ্র মানুষের অর্ধেক শহরে বাস করবে বলে প্রক্ষেপণ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জোরালো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের দারিদ্র্য কমাচ্ছে। তবে তুলনামূলক কম গতিতে। দারিদ্র্য বিমোচনের ৯০ শতাংশই গ্রামে হয়েছে। শহরে দারিদ্র্য কমেছে সীমিত হারে। এছাড়া অতিদারিদ্র্য জনগোষ্ঠীর মধ্যে শহরের লোকের সংখ্যা একই রয়ে গেছে। ফলে জাতীয় দারিদ্র্য বিমোচনে ধীরগতি।

কৃষি নয়, গ্রাম অঞ্চলে দারিদ্র্য কমাতে শিল্প ও সেবা খাত অবদান রেখেছে। আলোচ্য সময়কালে কৃষি প্রবৃদ্ধি ধীর ছিল এবং সবচেয়ে কম দারিদ্র্য বিমোচনে অবদান রেখেছে।

শহরাঞ্চলে ম্যানুফ্যাকচারিং বা উৎপাদন খাত বিশেষত তৈরি পোশাক খাত দারিদ্র্য কমাতে শীর্ষ স্থানীয় ভূমিকা রেখেছে। এদিকে, উৎপাদন খাতে কর্মসংস্থানের ধীর গতির কারণে সুবিধা পেতে পারতো এমন পরিবার অংশ চিহ্নিত হয়েছে। অন্যদিকে, সেবাখাতে আত্মকর্মসংস্থানে নিহতদের মধ্যে দারিদ্র্যের হার বেড়েছে। যা নগর দারিদ্র্য কমানোর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করেছে।

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ এবং প্রতিবেদনের সহ-লেখক মারিয়া ইউজেনিয়া জেনিন বলেন, এ প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে যে, প্রথাগত বিভিন্ন চালিকাশক্তি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখছে। কিন্তু অগ্রগতি আনার ক্ষেত্রে কিছু চালকের ক্ষমতা সীমিত হয়ে পড়েছে। উপরন্তু আগামী দশকের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ নিজস্ব উদ্ভাবনী নীতি পরীক্ষার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে একটি অধিকতর পরিশীলিত ও নগরায়িত অর্থনীতিতে দারিদ্র্য মোকাবেলা করতে পারে।

তিনি বলেন, যেহেতু দারিদ্র্য বিমোচনের নতুন ক্ষেত্র যেমন শহরের দারিদ্র্য এবং এক সময়কার পূর্ব-পশ্চিম বিভাগের অবস্থার পার্থক্য ফিরে এসেছে, সেহেতু এ প্রতিবেদনে প্রথাগত সমাধানের পাশাপাশি নতুন উপায় গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে, যাতে করে বাংলাদেশ দ্রুত দারিদ্র্য কমাতে পারে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে আমরা ক্ষুধামুক্ত দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। এসময় দরিদ্র মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। সরকারের অন্যতম শত্রু দারিদ্র্যতা। দারিদ্র্য বিমোচনে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ সঠিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।

আমদানিতে আগ্রহী নয় স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : বৈধ পথে স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স নিতে ব্যবসায়ীরা আশানুরূপ আগ্রহ দেখাচ্ছে না। গত ছয় মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকে এ সংক্রান্ত মাত্র ৭টি আবেদন জমা পড়েছে। মূলত মুনাফা কমার আশঙ্কা, এনবিআরের করজাল এড়ানো এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ভয়ে বৈধ পথে সোনা আমদানির লাইসেন্স নিতে কম আগ্রহ দেখাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। তবে সোনা ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, লাইসেন্স পেতে অনেক ধরনের শর্ত জুড়ে দেয়ায় বেশির ভাগ ব্যবসায়ীর পক্ষে তা পুরোপুরি মেনে আবেদন করা সম্ভব হচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাজুস সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বৈধ পথে সোনা আমদানিতে ব্যবসায়ীদের কর-ভ্যাট দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময় পর পর ব্যবসায়ীদের বিক্রয় ও মজুদ সোনার তথ্য প্রকাশ করতে হবে। তাছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনবিআর থেকেও নিয়মিত পরিদর্শন করা হবে। ফলে করজাল এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির বিষয় এখানে মুখ্য। কিন্তু বিকল্প চোরাই পথে সোনা কিনলে কর-ভ্যাট নেই। আবার তুলনামূলক কম টাকায় সোনা কেনা যায়। ফলে মুনাফা করারও সুযোগ থাকে বেশি। এসব কারণে বৈধ পথে সোনা আমদানির লাইসেন্স নিতে ব্যবসায়ীরা তেমন আগ্রহী নয়।

সূত্র জানায়, দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে বার্ষিক ১৫ থেকে ২০ মেট্রিক টন সোনার চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বৈধ আমদানির সুযোগ না থাকায় এর বেশির ভাগই চোরাচালানের মাধ্যম আসা সোনা দিয়েই পূরণ হচ্ছে। এতে প্রতিবছর বড় অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। এমন প্রেক্ষাপটে গত বছরের অক্টোবরে স্বর্ণ আমদানি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। ওই নীতিমালার আওতায় সোনা আমদানির ডিলারশিপের লাইসেন্স দিতে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চলতি বছরের ১৯ মার্চ থেকে আবেদনপত্র বিতরণ শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের ক্ষেত্রে আবেদনপত্রের সঙ্গে দিতে হবে অনুমোদিত ডিলারের লাইসেন্সের কপি, ব্যাংক লাইসেন্সের কপি, স্বর্ণ ক্রয়, সংরক্ষণ ও বিতরণ আদেশ-১৯৮৭-এর আওতায় লাইসেন্সের কপি, অফিসের মালিকানা বা ভাড়ার চুক্তিনামার কপি, আবেদনকারী অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কাজে অভিজ্ঞ জনবল, নিরাপত্তাব্যবস্থা, যোগাযোগ, তথ-প্রযুক্তি ব্যবহারসংক্রান্ত বিবরণীর উপযুক্ত প্রমাণাদি। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের আবেদনের সঙ্গে হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্সের কপি, কর শনাক্তকরণ নম্বরের (টিআইএন) সনদপত্র, মূসক নিবন্ধন, ব্যবসা শনাক্তকরণ নম্বরের (বিআইএন) সনদপত্র, স্বর্ণ ক্রয়, সংরক্ষণ ও বিতরণ আদেশ ১৯৮৭-এর আওতায় লাইসেন্সের কপি, সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠনের সদস্য পদের কপি, আয়কর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সর্বশেষ নিরূপিত আয়ের সার্টিফিকেট-আয়কর নির্ধারণী আদেশের কপি জমা দিতে হবে।

সূত্র আরো জানায়, দেশে চার থেকে পাঁচ হাজার ব্যবসায়ী সোনা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তার মধ্যে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সদস্য সংখ্যা প্রায় ৭০০। আর বাংলাদেশ জুয়েলারি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজেএমইএ) সদস্য ২০০-এর মতো, কিন্তু সোনা আমদানির লাইসেন্সের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকে গত ছয় মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে মাত্র ৭টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান আবেদন জমা দিয়েছে।

এদিকে গত ছয় মাসে কম আবেদন জমা হওয়ার কারণ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা জানান, লাইসেন্স নেয়ার আবেদনে যেসব শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে, সেগুলো সবার পক্ষে ফুলফিল করা সম্ভব নয়। বিশেষভাবে ছোট ব্যবসায়ীরা এটা করতে পারবে না। আবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ভয়ও আছে। আর যারা আবেদন করেছে, তাদেরটাই দিতে বিলম্ব করা হচ্ছে। অথচ স্বর্ণ নীতিমালায় বলা আছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে কোনো আবেদন জমা হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে এটা নিষ্পত্তি করতে হবে।

অন্যদিকে একই প্রসঙ্গে বাংলাদেশ জুয়েলারি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, যারা সোনার ব্যবসা করছেন, তাদের সবার সক্ষমতা এক নয়। ফলে অনেকের পক্ষে আবেদন করাও সম্ভব হবে না। কারণ আবেদনপত্রের সঙ্গে অনেক ধরনের কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। আছে বড় ধরনের ফিন্যান্সের বিষয়। এ ছাড়া শুরুর দিকে হয়তো অনেকে এই সুযোগ নিতে চাইবেন না। তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী সময়ে এই সুযোগ নেবেন। তবে বৈধ পথে সোনা আমদানির সুযোগ সৃষ্টি হলে এ খাতে যে অনিয়ম ছিল, সেটা আস্তে আস্তে শৃঙ্খলার মধ্যে চলে আসবে।

গ্যাস বিল আদায় নিয়ে ভোগান্তিতে তিতাস
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : আদালতের নিষেধাজ্ঞায় তিতাস গ্যাস বিতরণ কোম্পানির বিল আদায় আটকে যাচ্ছে। শিল্প মালিকরা নিজেদের আর্থিক অসচ্ছলতার কথা বলে বিল প্রদানের বিপরীতে আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে। আর আদালত প্রকৃত বিলের বদলে পরিশোধের জন্য একটি নির্দিষ্ট অঙ্ক বেঁধে দিচ্ছে। তাতেই শিল্প মালিকদের কাছে প্রতি মাসে আটকে যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের গ্যাস বিল।

বর্তমানে শিল্প মালিকদের কাছে বকেয়া গ্যাস বিলের অঙ্ক বাড়তে বাড়তে ৩৬৩ কোটিতে ঠেকেছে। আর এ খাতে তিমাসের গড়ে ৪৬ মাসের সমতুল্য বিল বকেয়া পড়েছে। তিতাস গ্যাস বিতরণ কোম্পানি সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ এবং গাজীপুর তিন জেলায় আদালতের মাধ্যমে গ্যাস বিল আটকে দেয়া শিল্প-প্রতিষ্ঠান বেশি রয়েছে। তবে এখনো ময়মনসিংহ জেলায় এমন কোন শিল্প পাওয়া যায়নি।

তিতাসের বকেয়ার অন্য সব আদায় হলেও এই বিল আদায় নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। তিতাস তার বিল আদায়ের মাসিক বিবরণীতে ওই শিল্প কারখানাকে বলা হচ্ছে নিষেধাজ্ঞাধীন শিল্প। ওসব শিল্প প্রতিষ্ঠান প্রতি মাসে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় দুই কোটি টাকা পর্যন্ত বিল আদায়ে বাধা দিচ্ছে। গ্যাস বিলের ৩৬৩ কোটি টাকা বকেয়ার মধ্যে নারায়ণগঞ্জের উদ্যোক্তাদের কাছে সব থেকে বেশি বকেয়া পড়েছে। ওই জেলার শিল্প মালিকদের কাছে তিতাসের ২৪৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে। জেলাটিতে শিল্প খাতের বিলের ৫৪ দশমিক ৬৭ মাসের সমপরিমাণ বিল অনাদায়ী রয়েছে। তারপরই রয়েছে গাজীপুরের উদ্যোক্তাদের কাছে। সেখানে বকেয়ার পরিমাণ ১০৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ওই জেলায় এ ধরনের শিল্প মালিকদের কাছে ৩৯ দশমিক ২৬ মাসের বিল বকেয়া রয়েছে। বাকি অর্থ জমে আছে ঢাকাতে। তবে ঢাকায় জমে থাকা টাকার পরিমাণ ১২ কোটি ৪৩ লাখ। সব মিলিয়ে ১৮ মাসের সমতুল্য বকেয়া রয়েছে।

সূত্র জানায়, শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকরা কয়েক মাসের বিল ইচ্ছাকৃত বকেয়া পড়ার পর তিতাস কঠোর হতে গেলেই তারা আদালতের দ্বারস্থ হন। সেক্ষেত্রে উদ্যোক্তা আদালতের কাছে আর্জিতে বলছেন, তার প্রতিষ্ঠানে বহু শ্রমিক কাজ করেন। এখন গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে তার কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে। এতে শ্রমিকরা বেকার হয়ে পড়বে। আদালত দেখা যাচ্ছে তখন ওই প্রতিষ্ঠানের বিল প্রদানের সীমা বেঁধে দিচ্ছে। ফলে প্রতি মাসেই শিল্প মালিকদের কাছে বিপুল অংকের গ্যাস বিল বকেয়া থাকছে। আর বকেয়া বিলের বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন হওয়াতে কেউ তা কথা বলতেও চান না। তবে বিল আদায় করার উদ্যোগ হিসেবে তিতাসের পক্ষ থেকে রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রীমকোর্টে আপীল করা হচ্ছে। তাতে আপীল বিভাগ কিছু অর্থ বাড়িয়ে বিল করার অনুমতি দিচ্ছে। তিতাস তখন আবার আপীল করছে।

বর্তমানে তিতাসের এ ধরনের ১ হাজার ৪০০টির মতো মামলা রয়েছে। এর ফলে একদিকে বিল তো আদায়ই হচ্ছে না. অন্যদিকে মামলা পরিচালনার জন্য তিতাসের অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে। যদিও বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আইন প্রণয়নের পর সেখানে একটি ট্রাইব্যুনাল করা হয়েছে। উচ্চ আদালত থেকে অনেক মামলা বিইআরসিতে প্রেরণের নির্দেশ দেয়া হয়। আবার কোন কোন মামলা উচ্চ আদালত আমলে নিতেও পারে।

সূত্র আরো জানায়, পেট্রোবাংলার কাছে তিতাস আগে গ্যাসের বিল বকেয়া রাখতে পারতো। কিন্তু তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এলএনজি আমদানির পর থেকে আর বিল বকেয়া রাখা যায় না। বরং তিতাস নগদ অর্থে গ্যাস ক্রয় করে বাকিতে বিক্রি করছে। তাতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে আর্থিক সঙ্কট তৈরি হচ্ছে। তবে বিদ্যুত এবং জ্বালানি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্প্রতি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বিদ্যুত এবং গ্যাসের সমস্যা সমাধানে বৈঠক করেছে। ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা, বিদ্যুত, জ্বালানি এবং খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও বিদ্যুত এবং জ্বালানি বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ব্যবসায়ীদের কাছে বিল আদায়ে সহায়তা চায় সরকার। ব্যবসায়ীরা সরকারকে বিল আদায়ে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, ব্যবসায়ীরা বলছেন তারা বিল আদায়ে সরকারকে সহযোগিতা করবেন।

এদিকে তিতাস বলছে, নিষেধাজ্ঞাধীন শিল্পের বিপরীতে সাধারণ শিল্প যারা বিল আদায়ে কোন বাধার সৃষ্টি করে না, তাদের বিল আদায়ের শতকারা হার ১০০ ভাগ। অর্থাৎ যারা গ্যাস ব্যবহার করছেন তারা সবাই বিল দিচ্ছে। গত জুলাই মাসে দেখা যায় তিতাসে নিষেধাজ্ঞাবিহীন শিল্প মালিকরা ২৩০ কোটি ৬০ লাখ টাকার গ্যাস ব্যবহার করেছেন। এর বিপরীতে তারা বিল দিয়েছে ২৩০ কোটি ৯০ লাখ টাকা। অর্থাৎ ব্যবহারের চেয়ে ৩০ লাখ টাকা বেশি বিল আদায় করেছে।

অন্যদিকে তিতাসের বিল আদায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বিল আদায় সংক্রান্ত বিষয়ে যারাই উচ্চ আদালতে যায়, তাদের বিষয়টি দেখার জন্য তিতাসের প্রধান কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়। এসব বিষয় তিতাসের প্রধান কার্যালয় থেকে দেখা হয়। আর যেহেতু বিষয়গুলো বিচারাধীন। তাই আদালতের নির্দেশ মতো কাজ কররা হয়। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।

খোলা বাজারে টিসিবি’র পেঁয়াজ বিক্রি শুরু
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : ভারতে বন্যার কারণে দাম বৃদ্ধির অজুহাতে গত শুক্রবার পেঁয়াজের রফতানি মূল্য প্রায় তিনগুণ বাড়ানো হয়েছে। গত দুই মাসের ব্যবধানে দু’দফায় এই মূল্য বাড়িয়ে প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজ ৮৫২ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করে ভারত। এর পরদিন অর্থাৎ শনিবার থেকে ঢাকার বাজারে বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। ভারতীয় পেঁয়াজের পাশাপাশি দেশি পেঁয়াজের দাম খুচরা বাজারে কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে।

এদিকে, পেঁয়াজের দামের ঊর্ধ্বগতি রোধে রাজধানীতে ৪৫ টাকা দরে ট্রাক সেলের মাধ্যমে খোলাবাজারে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করেছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবি।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে রাজধানীর ৫টি স্থানে ৪৫ টাকা কেজি দরে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন টিসিবি’র মুখপাত্র হুমায়ুন কবির। তিনি  বলেন, আজ থেকে রাজধানীর ৫টি স্থানে ৪৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। আমাদের সোর্সিং চলছে, পর্যায়ক্রমে আরও বিভিন্ন স্থান থেকে ট্রাক সেল শুরু হবে।

এদিকে, সকাল থেকেই ক্রেতাদের পেঁয়াজ কিনতে দেখা গেছে রাজধানীর খামারবাড়ীতে। প্রতি ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই কেজি করে পেঁয়াজ কিনতে পারছেন। এক একটি ট্রাকে ১০০০ কেজি পেঁয়াজ রয়েছে।

টিসিবির ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম বলেন, সকাল সাড়ে ৯টা থেকে আমরা এখানে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করেছি। প্রতি ক্রেতা দুই কেজি করে পেঁয়াজ কিনতে পারছেন। আমাদের এক হাজার কেজি পেঁয়াজ  দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সভাপতিত্বে খোলা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যের মূল্য ঊর্ধ্বগতি রোধে খোলাবাজারে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।


   Page 1 of 32
     অর্থ-বাণিজ্য
শেয়ারবাজারের ধীর গতি
.............................................................................................
বাজারে আসছে ২০০ টাকার নোট ॥ দৈনিক স্বাধীন বাংলা
.............................................................................................
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
.............................................................................................
বিসিকের বিজয় মেলা শুরু
.............................................................................................
মীরসরাইয়ে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের ১৩১তম শাখার উদ্বোধন
.............................................................................................
বাজারে আসছে ৫০ টাকার নতুন নোট
.............................................................................................
সিঙ্গেল ডিজিটে আসছে ব্যাংক ঋণের সুদ হার; কমিটি গঠন
.............................................................................................
বাড়ছে লোকসানি শাখা
.............................................................................................
অস্থির চালের বাজার
.............................................................................................
পেঁয়াজে সিন্ডিকেট : চার মাসে ভোক্তাদের ক্ষতি ৩ হাজার ১৭৯ কোটি টাকা
.............................................................................................
বিসিকে ৫ দিনব্যাপী মধু মেলার উদ্বোধন
.............................................................................................
দিনাজপুরে পিডিবিএফ’র বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা কর্মশালা
.............................................................................................
জোরালো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশে দারিদ্র্য কমাচ্ছে : বিশ্ব ব্যাংক
.............................................................................................
আমদানিতে আগ্রহী নয় স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা
.............................................................................................
গ্যাস বিল আদায় নিয়ে ভোগান্তিতে তিতাস
.............................................................................................
খোলা বাজারে টিসিবি’র পেঁয়াজ বিক্রি শুরু
.............................................................................................
পেঁয়াজে বাড়ছে ঝাঁজ
.............................................................................................
ন্যাশনাল ব্যাংকের ডিএমডি হলেন একরামুল হক
.............................................................................................
নরসিংদীতে যমুনা ব্যাংকের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালিত
.............................................................................................
পাটপণ্যের চাহিদা থাকলেও বাড়ছে না রফতানি
.............................................................................................
অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক হলেন ড. মোঃ ফরজ আলী
.............................................................................................
আস্থা হারাচ্ছে চামড়া শিল্প
.............................................................................................
ব্যাংক খাতে হঠাৎ বেড়েছে আমানত
.............................................................................................
এক মাসে স্বর্ণের দাম বাড়লো চারবার
.............................................................................................
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ
.............................................................................................
তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে নীতিমালা
.............................................................................................
চামড়া শিল্পনগরীতে ওয়াটার ফ্লো মিটার স্থাপন শুরু
.............................................................................................
মাছ-মুরগীর খাবারের নামে আমদানি হচ্ছে শূকরের বর্জ্য
.............................................................................................
আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি শুরু
.............................................................................................
রেমিট্যান্সের পালে মধ্যপ্রাচ্যের হাওয়া
.............................................................................................
ঈদে মসলার বাজারে আগুন!
.............................................................................................
জ্বালানি আনতে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি সই
.............................................................................................
আমদানি-রফতানি ব্যয় বাড়বে
.............................................................................................
ভারত থেকে জ্বালানি তেল আমদানির উদ্যোগ
.............................................................................................
৩১ জুলাই নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করবেন গভর্নর
.............................................................................................
মানিকগঞ্জে বেস্ট ইলেকট্রনিক্স এর শো-রুম উদ্বোধন
.............................................................................................
রাজস্ব আয় বাড়াতে জেলা ও উপজেলায় কমিটি চান ডিসিরা
.............................................................................................
বকেয়ার ভারে আর্থিক সঙ্কটে নেসকো
.............................................................................................
হিলি স্থলবন্দরে বাড়লো পেয়াঁজের দাম
.............................................................................................
রফতানি আয়ে সুখবর চলছেই
.............................................................................................
উপজেলায় নতুন কর অফিস
.............................................................................................
বড় ঋণখেলাপিদের চাপে রাখার উদ্যোগ
.............................................................................................
ডলার নিয়ে কাড়াকাড়ি
.............................................................................................
জেনিথ লাইফের সাথে কমিউনিটি হেলথ কেয়ারের চুক্তি
.............................................................................................
ফিলিপাইনের সাবেক ব্যাংক ব্যবস্থাপক দোষী সাব্যস্ত
.............................................................................................
আজ বাণিজ্য মেলা শুরু
.............................................................................................
দক্ষিণ এশিয়ার ২য় অর্থনীতির বাংলাদেশ
.............................................................................................
চারদিন ছুটির কবলে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর
.............................................................................................
তারল্য সংকটে ব্যাংক
.............................................................................................
ঢাকা-গুয়াংজু রুটে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট যাবে প্রতিদিন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft