বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
উপজেলায় নতুন কর অফিস

বিশেষ প্রতিনিধি : জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) করের আওতা বাড়াতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে। ওই লক্ষ্যে বর্তমানে ৮২ উপজেলায় কর অফিস থাকলেও নতুন করে ২শ উপজেলায় আয়কর অফিস করা হবে। মূলত কর আদায়ের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে থাকা উপজেলাকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি  এনবিআর ভ্যাট ও শুল্ক বিভাগের মতো কর বিভাগেও গোয়েন্দা বিভাগ চালু, উৎসে কর আদায় ব্যবস্থাপনাকে যুগোপযোগী করতে আলাদা বিশেষায়িত ইউনিট স্থাপন, অনলাইন ট্যাক্স ব্যবস্থাপনার জন্য আলাদা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছে। এনবিআর সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বর্তমানে দেশে কর শনাক্তকরণ নম্বরধারীর (ই-টিআইএন) সংখ্যা ৩৬ লাখের কিছু বেশি। তার মধ্যে গত তিন বছরেই নতুন করে করের খাতায় নাম লিখিয়েছেন ১৫ লাখের ওপরে। অবশ্য তার বেশিরভাগই চাকরিজীবী। করযোগ্যদের করের আওতায় আনতে গত ৩ বছরে সরকার বাজেটে বেশকিছু উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে টিআইএনধারী বেড়েছে। তবে সরকার মনে করছে ১৬ কোটি মানুষের দেশে অন্তত এক কোটি মানুষের কর দেয়ার সামর্থ্য রয়েছে। যদিও ওই বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কোনো পরিসংখ্যান কিংবা গবেষণা নেই।

সূত্র জানায়, বিদ্যমান করদাতা ও আয়কর আদায় বাড়ানোর লক্ষ্যে কর কাঠামোয় সংস্কারের জন্য এনবিআর সদস্য আলমগীর হোসেনকে প্রধান করে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে এনবিআর। ওই ইতিমধ্যে এদেশে কর্মরত বহুজাতিক কোম্পানির কাছ থেকে যথাযথ কর আদায় ও ট্রান্সফার প্রাইসিং ব্যবস্থা তদারকির লক্ষ্যে বিশেষায়িত ইন্টারন্যাশনাল ট্যাক্স ইউনিটসহ বেশকিছু উদ্যোগ নেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। ওই লক্ষ্যে সম্প্রতি একটি প্রস্তাব সম্বলিত প্রতিবেদন এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সূত্র আরো জানায়, বর্তমান সরকারের অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল কর হার বাড়ানোর চাইতে করের আওতা বাড়াতে এনবিআরকে নির্দেশনা দিয়েছেন। ওই লক্ষ্যে কর প্রশাসনকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়ারও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে আগামী জুনে বাজেট ঘোষণাকালে অর্থমন্ত্রী কর বিভাগের সংস্কার ও সম্প্রসারণের এ ঘোষণা দিতে পারেন।

এদিকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অ্যাকশন এইডের তথ্যানুযায়ী দেশে বর্তমানে কর দেয়ার সামর্থ্য রাখেন প্রায় ৬০ লাখ মানুষ। কিন্তু দেশে টিআইএনধারী বাড়লেও ওই হারে প্রকৃত করদাতা বাড়ছে না। ৩৬ লাখ টিআইএনধারী হলেও গত করবর্ষে ১৮ লাখের মতো আয়কর বিবরণী দাখিল করেছেন। অর্থাৎ বাদবাকি ১৮ লাখ টিআইএনধারীর তথ্য এনবিআর জানতে পারেনি। তবে ওসব টিআইএনধারীর বিষয়ে খোঁজ নিতে শুরু করেছে এনবিআর। ওই লক্ষ্যে সেকেন্ডারি সোর্সকে কাজে লাগাচ্ছে এনবিআর। তার অংশ হিসেবে বিআরটিএ (বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ), বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিতরণকারী কর্তৃপক্ষ, ভূমি নিবন্ধন অফিসসহ এ ধরনের অন্যান্য সূত্র থেকে তথ্য নিচ্ছে কর বিভাগ। পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের কাছে থাকা তথ্য ভান্ডার পরীক্ষা করেও নতুন করদাতা চিহ্নিত করার লক্ষ্য রয়েছে।

অন্যদিকে এ বিষয়ে এনবিআর সদস্য আলমগীর হোসেন জানান, যাদের করযোগ্য আয় আছে, তাদের চিহ্নিত করে কর আদায় করার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই চেষ্টা চালিয়ে আসছে এনবিআর। সেজন্য আধুনিক কর প্রশাসন প্রয়োজন। উপজেলা পর্যায়ে কর অফিস বিস্তৃত করা হলে করযোগ্য ব্যক্তিদের করের আওতায় আনা সহজ হবে। আর অন্যান্য দেশের ন্যায় কর কাঠামোকে শক্তিশালী, অনলাইনভিত্তিক করা তথা কর ফাঁকি রোধে যা করা প্রয়োজন এনবিআর চেয়ারম্যানকে সম্প্রতি দেয়া প্রস্তাবে তা তুলে ধরা হয়েছে।

উপজেলায় নতুন কর অফিস
                                  

বিশেষ প্রতিনিধি : জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) করের আওতা বাড়াতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে। ওই লক্ষ্যে বর্তমানে ৮২ উপজেলায় কর অফিস থাকলেও নতুন করে ২শ উপজেলায় আয়কর অফিস করা হবে। মূলত কর আদায়ের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে থাকা উপজেলাকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি  এনবিআর ভ্যাট ও শুল্ক বিভাগের মতো কর বিভাগেও গোয়েন্দা বিভাগ চালু, উৎসে কর আদায় ব্যবস্থাপনাকে যুগোপযোগী করতে আলাদা বিশেষায়িত ইউনিট স্থাপন, অনলাইন ট্যাক্স ব্যবস্থাপনার জন্য আলাদা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছে। এনবিআর সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বর্তমানে দেশে কর শনাক্তকরণ নম্বরধারীর (ই-টিআইএন) সংখ্যা ৩৬ লাখের কিছু বেশি। তার মধ্যে গত তিন বছরেই নতুন করে করের খাতায় নাম লিখিয়েছেন ১৫ লাখের ওপরে। অবশ্য তার বেশিরভাগই চাকরিজীবী। করযোগ্যদের করের আওতায় আনতে গত ৩ বছরে সরকার বাজেটে বেশকিছু উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে টিআইএনধারী বেড়েছে। তবে সরকার মনে করছে ১৬ কোটি মানুষের দেশে অন্তত এক কোটি মানুষের কর দেয়ার সামর্থ্য রয়েছে। যদিও ওই বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কোনো পরিসংখ্যান কিংবা গবেষণা নেই।

সূত্র জানায়, বিদ্যমান করদাতা ও আয়কর আদায় বাড়ানোর লক্ষ্যে কর কাঠামোয় সংস্কারের জন্য এনবিআর সদস্য আলমগীর হোসেনকে প্রধান করে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে এনবিআর। ওই ইতিমধ্যে এদেশে কর্মরত বহুজাতিক কোম্পানির কাছ থেকে যথাযথ কর আদায় ও ট্রান্সফার প্রাইসিং ব্যবস্থা তদারকির লক্ষ্যে বিশেষায়িত ইন্টারন্যাশনাল ট্যাক্স ইউনিটসহ বেশকিছু উদ্যোগ নেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। ওই লক্ষ্যে সম্প্রতি একটি প্রস্তাব সম্বলিত প্রতিবেদন এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সূত্র আরো জানায়, বর্তমান সরকারের অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল কর হার বাড়ানোর চাইতে করের আওতা বাড়াতে এনবিআরকে নির্দেশনা দিয়েছেন। ওই লক্ষ্যে কর প্রশাসনকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়ারও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে আগামী জুনে বাজেট ঘোষণাকালে অর্থমন্ত্রী কর বিভাগের সংস্কার ও সম্প্রসারণের এ ঘোষণা দিতে পারেন।

এদিকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অ্যাকশন এইডের তথ্যানুযায়ী দেশে বর্তমানে কর দেয়ার সামর্থ্য রাখেন প্রায় ৬০ লাখ মানুষ। কিন্তু দেশে টিআইএনধারী বাড়লেও ওই হারে প্রকৃত করদাতা বাড়ছে না। ৩৬ লাখ টিআইএনধারী হলেও গত করবর্ষে ১৮ লাখের মতো আয়কর বিবরণী দাখিল করেছেন। অর্থাৎ বাদবাকি ১৮ লাখ টিআইএনধারীর তথ্য এনবিআর জানতে পারেনি। তবে ওসব টিআইএনধারীর বিষয়ে খোঁজ নিতে শুরু করেছে এনবিআর। ওই লক্ষ্যে সেকেন্ডারি সোর্সকে কাজে লাগাচ্ছে এনবিআর। তার অংশ হিসেবে বিআরটিএ (বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ), বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিতরণকারী কর্তৃপক্ষ, ভূমি নিবন্ধন অফিসসহ এ ধরনের অন্যান্য সূত্র থেকে তথ্য নিচ্ছে কর বিভাগ। পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের কাছে থাকা তথ্য ভান্ডার পরীক্ষা করেও নতুন করদাতা চিহ্নিত করার লক্ষ্য রয়েছে।

অন্যদিকে এ বিষয়ে এনবিআর সদস্য আলমগীর হোসেন জানান, যাদের করযোগ্য আয় আছে, তাদের চিহ্নিত করে কর আদায় করার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই চেষ্টা চালিয়ে আসছে এনবিআর। সেজন্য আধুনিক কর প্রশাসন প্রয়োজন। উপজেলা পর্যায়ে কর অফিস বিস্তৃত করা হলে করযোগ্য ব্যক্তিদের করের আওতায় আনা সহজ হবে। আর অন্যান্য দেশের ন্যায় কর কাঠামোকে শক্তিশালী, অনলাইনভিত্তিক করা তথা কর ফাঁকি রোধে যা করা প্রয়োজন এনবিআর চেয়ারম্যানকে সম্প্রতি দেয়া প্রস্তাবে তা তুলে ধরা হয়েছে।

বড় ঋণখেলাপিদের চাপে রাখার উদ্যোগ
                                  

বিশেষ প্রতিনিধি : ব্যাংকের বড় ঋণখেলাপিদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে বিশেষ তদারকির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিশেষ করে ১শ কোটি টাকা বা তার বেশি খেলাপি ঋণ আদায় জোরদার করতে ব্যাংকে আলাদা সেল গঠন করা হবে। শিগগিরই এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তাতে খেলাপি গ্রাহকের নাম-পরিচয় ছাড়াও ব্যবসার ধরন, কতদিন ধরে খেলাপি, খেলাপি হওয়ার কারণসহ বিভিন্ন তথ্য চাওয়া হবে। আর ওসব ঋণখেলাপিকে বিশেষ তদারকির আওতায় এনে ঋণ আদায়ে আলাদা সেল গঠন বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সূত্র মতে, বাংলাদেশ ব্যাংকের টাস্কফোর্স  সেলে ব্যাংকগুলোর ঋণ আদায়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও নিয়মিত তদারকির ত্রৈমাসিক অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওই সেল আদায় অগ্রগতি, ব্যাংকের সঙ্গে গ্রাহকের যোগাযোগ এবং সংশ্নিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দেখবে। প্রয়োজন হলে সময়ে-সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শক দল মাঠ পর্যায়ে প্রকৃত অবস্থা যাচাই করবে।

বর্তমানে ব্যাংকভিত্তিতে খেলাপি ঋণের তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। তাছাড়া প্রতিটি ব্যাংকের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির কার কাছে কী পরিমাণ পাওনা রয়েছে, তার তথ্য নেয়া হয়। যদিও বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া এসব তথ্য আলাদাভাবে পর্যালোচনা করা হয় না। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বাক্ষরিত এমওইউতে শীর্ষ খেলাপিদের কাছ থেকে ঋণ আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে দেয়া হয়। প্রতি ত্রৈমাসিকে আদায় অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হলেও প্রত্যেক গ্রাহককে আলাদা তদারকি করা হয় না। এখন সব ব্যাংকের শতকোটি টাকার বেশি ঋণখেলাপিদের আলাদাভাবে তদারকির আওতায় রাখা হবে।

সূত্র জানায়, গত ডিসেম্বর শেষে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৩ হাজার ৯১১ কোটি টাকা, যা ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ। আর গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৯ হাজার ৩২১ কোটি টাকার ঋণ অবলোপন করা হয়েছে। অবলোপন করা ঋণও খেলাপি ঋণ। এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের এমন উদ্যোগ প্রসঙ্গে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বড় ঋণখেলাপিদের প্রতি নজরদারি বাড়াতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়ে থাকতে পারে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক হয়তো বিশেষ বার্তা দিতে চাইছে। তবে এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া কী হবে, তা দেখার বিষয়। সাধারণভাবে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এমন ধরনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বাধা দেয়া হয়। পাশাপাশি ঋণখেলাপিদের পুনঃতফসিল, পুনর্গঠন বা সুদ মওকুফসহ নানা সুবিধা দেয়া হয়। অনেক সময় ঋণখেলাপিরা উচ্চ আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নিয়ে আসে। এভাবে আইনি দীর্ঘসূত্রতা তৈরি করা হয়। ওসব সমস্যা নিরসন করতে না পারলে শুধু তদারকি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে লাভ হবে না।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্বশীলদের মতে, ব্যাংক খাতের প্রধান সমস্যা হলো প্রভাবশালী বড় ঋণখেলাপিরা। নানা উপায়ে তারা ব্যাংকের টাকা ফেরত না দিলেও প্রভাব-প্রতিপত্তি নিয়ে চলেন। এখন একটা দাবি উঠেছে, ঋণখেলাপিদের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা কমানো হোক। আইন সংস্কারের মাধ্যমে ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত এলে তখন তাদের নামের তালিকা প্রকাশ করা সহজ হবে। তাছাড়া বড় খেলাপিদের আলাদাভাবে তদারকি করা হলে ব্যাংকের ওপর বাড়তি চাপ থাকবে। ব্যাংকগুলোও তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনার কথা বলে গ্রাহকের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারবে।

নতুন সরকারের অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই খেলাপি ঋণ নিয়ে সরব। বিভিন্ন বৈঠকে তিনি বলেছেন, আগামীতে খেলাপি ঋণ আর এক টাকাও বাড়বে না; বরং কমবে। তাছাড়া ইচ্ছাকৃত খেলাপি হওয়া অসাধু ব্যবসায়ীদের তিনি সাবধান করেছেন।

ডলার নিয়ে কাড়াকাড়ি
                                  

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : তীব্র চাহিদায় মার্কিন ডলার নিয়ে কাড়াকাড়ি চলছে। বর্তমানে ব্যাংকগুলো আমদানি ও বিদেশী ঋণের দায় মেটাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে। ফলে চাহিদা তীব্র হওয়ায় মাত্র ১ বছরের ব্যবধানে টাকার বিপরীতে ডলারের দাম বেড়েছে ৭ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্মিলিতভাবে কোনো উপায় বের না করলে ডলার নিয়ে সঙ্কট আরো বাড়বে। যা বাড়িয়ে দিতে পারে বৈদেশিক বাণিজ্যের খরচ। ব্যাংকিং খাত সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, মাত্র এক বছর আগে এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকের এক ডলারের কিনতে খরচ হতো ৭৮ টাকা ৯০ পয়সা। আর গত ১২ ফেব্রুয়ারি তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৪ টাকা ৫ পয়সা। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে ডলারের তুলনায় টাকার মান কমেছে ৭ শতাংশের বেশি। তার অন্যতম কারণ ব্যাংকগুলোর হাতে বিদেশী ঋণের দায় ও আমাদনি খরচ মেটানোর তো পর্যাপ্ত ডলার নেই। কারণ ব্যাংকের লাগামহীন অফশোর ইউনিটের মাধ্যমে বিদেশী ঋণ দাঁড়িয়েছে ৬২ হাজার কোটি টাকারও বেশি। আর চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) আমদানি ব্যয় বেড়েছে ২৯ শতাংশ। অথচ প্রাপ্তির খাতায় রফতানি আয় ৭ দশমিক ১৫ শতাংশ এবং রেমিটেন্স ১২ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে।

সূত্র জানায়, বর্তমানে ডলারের সঙ্কট এতোটাই তীব্র যে ইতোমধ্যেই আমদানি ঋণপত্রের দায় কিংবা বিদেশী ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে গিয়ে ব্যাংকগুলোর মধ্যে অসম প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। এক ব্যাংকের গ্রাহকের রফতানি বিল বেশি মূল্যে হাঁকিয়ে নিচ্ছে অন্য ব্যাংক। ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংক এই অভিযোগে বেশ কিছু ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে।

এদিকে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ডলার নিয়ে এমন অবস্থা নিরসনে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাফেদার দ্রুত সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে। তা না হলে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটতে পারে। অস্থিতিশীলতার জন্য চিহ্নিত ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শান্তি নিশ্চিত করা উচিত বলেও মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

জেনিথ লাইফের সাথে কমিউনিটি হেলথ কেয়ারের চুক্তি
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিঃ এর সাথে বাংলাদেশ কমিউনিটি হেলথ কেয়ার লিঃ গ্রুপ বীমা চুক্তি সম্পাদন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির সদস্যদের গ্রুপ সাময়িক জীবন বীমা সুবিধা দিতে সম্প্রতি বীমা কোম্পানিটির প্রধান কার্যালয়ে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জেনিথ ইসলামী লাইফ এ তথ্য জানিয়েছে।

জেনিথ ইসলামী লাইফের পক্ষে কোম্পানির মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিসি) এস এম নুরুজ্জামান এবং বাংলাদেশ কমিউনিটি হেলথ কেয়ারের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সেলিম শেখ চুক্তি পত্রে স্বাক্ষর করেন।

ফিলিপাইনের সাবেক ব্যাংক ব্যবস্থাপক দোষী সাব্যস্ত
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় সংশ্লিষ্ট অর্থপাচারে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ফিলিপাইনের আরসিবিসি ব্যাংকের ব্যাবস্থাপক মায়া সান্তোষ দেগুইতো বৃহস্পতিবার দেশটির অর্থনৈতিক কেন্দ্র মেকাটি শহরের একটি আদালত এ রায় দিয়েছে।

মায়া সান্তোষ দেগুইতো ম্যানিলা ভিত্তিক রিজাল কমার্সিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনে কাজ করতেন। তাকে ৩২-৫৬ বছরের জেল দেয়া হয়েছে। প্রতিটি অপরাধের জন্য দেয়া হয়েছে চার থেকে ৭ বছরের জেল। মায়াকে জরিমানা হিসেবে ১০৯ মার্কিন ডলার পরিশোধেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

২০১৬ সালের বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই অর্থ চুরির ঘটনায় এই প্রথমবারের মতো কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
সূত্র: মালয় মেইল

আজ বাণিজ্য মেলা শুরু
                                  

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ইপিবির যৌথ আয়োজনে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০১৯ আজ থেকে শুরু হচ্ছে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অস্থায়ী মাঠে এক মাস ধরে এ মেলা চলবে।

বুধবার বিকেল ৪টায় বাণিজ্য মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এবারের বাণিজ্য মেলাকে আরো দৃষ্টিনন্দন করতে প্রধান গেট মেট্রোরেলের আদলে তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের থিম থাকছে মেলাজুড়ে।

মেলার আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, এবারের মেলায় ভিন্ন আঙ্গিক আনার চেষ্টা করা হয়েছে। মেলার প্রধান ফটকেও আনা হয়েছে পরিবর্তন। এ ছাড়া দর্শনার্থীদের জন্য মেলার ভিতরে খোলামেলা স্থান রাখা হবে। যাতে পরিবার ও পরিজনদের নিয়ে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে ঘোরাঘুরি করতে পারেন। আর মেলার দুই প্রান্তে সুন্দরবনের আদলে ইকো পার্ক করা হবে। সেই সঙ্গে থাকবে ডিজিটাল এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার (ডিজিটাল টাচ স্ক্রিন প্রযুক্তি)। যার মাধ্যমে ক্রেতা-দর্শনার্থীরা নির্দিষ্ট স্টল ও প্যাভিলিয়ন অতি সহজে খুঁজে বের করতে পারবেন। মেলায় কোনো সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে না। সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বিভিন্ন ক্যাটাগরির মোট প্যাভিলিয়নের সংখ্যা ১১০টি। মোট মিনি প্যাভিলিয়নের সংখ্যা ৮৩টি ও মোট স্টলের সংখ্যা ৪১২টি। মেলা মাঠের আয়তন ৩১ দশমিক ৫৩ একর।

মেলায় প্রবেশের জন্য প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য টিকিটের ফি নির্ধারণ হয়েছে ৩০ টাকা ও অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ২০ টাকা। এবার অনলাইন ও কিউআর কোডের মাধ্যমেও টিকেট কাটতে পারবেন দর্শনার্থীরা।

দক্ষিণ এশিয়ার ২য় অর্থনীতির বাংলাদেশ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংস্থা সিইবিআর বলছে বৃহৎ অর্থনীতির দেশের তালিকায় বিশ্বে ৪১তম অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ, যা দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থান। পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে জিডিপির আকারের ভিত্তিতে বৃহৎ অর্থনীতির দেশের তালিকায় ৪১তম অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। যুক্তরাজ্য ভিত্তিক অর্থনৈতিক পরামর্শ কেন্দ্র ‘সেন্টার ফর ইকোনোমিকস এন্ড বিজনেস রিসার্চ’ (সিইবিআর) এর ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ টেবিল’ (ডব্লিউইএলটি) প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। তালিকায় ভারতের অবস্থান ৫ম এবং পাকিস্তান ৪৪তম।

২০১৮ সালে সিইবিআরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৪৩তম। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান দুইধাপ উপরে। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোর মধ্যে শ্রীলংকা ৬৬তম, নেপাল ১০১ তম, আফগানিস্তান ১১৫তম এবং ভুটান ১৬৬তম।

সিইবিআর প্রতিবেদনের দশম সংস্করণ ছিল এটি। প্রতিবেদনে আভাস দেওয়া হয়েছে, সামনের বছরগুলোতে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে। ২০০৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত নেওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে মূল্যায়ন করা হয়েছে ১৯৩টি দেশের বার্ষিক অবস্থান। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ সম্ভাব্যতা বিচার করে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত দেশগুলোর অবস্থানের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তালিকায় শীর্ষ পাঁচ অর্থনীতির দেশ হিসেবে নাম রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, জার্মানি ও ভারতের।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লীগ টেবিল অনুযায়ী, আগামী ১৫ বছরে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে। ২০২৩ সাল নাগাদ শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৩৬তম হবে। আর ২০২৮ সাল নাগাদ ২৭তম অবস্থানে চলে আসবে বাংলাদেশ। ২০৩৩ সাল নাগাদ এ অবস্থান হবে ২৪তম।

সিইবিআর-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৮-২০৩৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশে গড়ে ৭ শতাংশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হওয়ার কথা। এর মধ্য দিয়ে ২০১৮ সালের তুলনায় ২০৩৩ সালে ১৯ ধাপ অগ্রগতি হয়ে ২৪তম বৃহত্তর অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ। ডব্লিউইএলটি অনুসারে, ২০১৮ থেকে ২০৩৩ পর্যন্ত টানা সর্বশেষ অবস্থানে থাকছে টুভালু।

ব্রিটিশ এই প্রতিষ্ঠানের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, তৈরি পোশাক রপ্তানি, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি, ভারতীয় বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার, দেশীয় ও সরকারি ব্যয়ে বাংলাদেশ ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে। প্রায় ৪৩ শতাংশ বাংলাদেশি কৃষি কর্মের সঙ্গে যুক্ত। যাদের অধিকাংশই ধান এবং পাট উৎপাদন করেন। এছাড়া দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ভুট্টা, শাকসবজি এবং গমের উৎপাদন ক্রমবর্ধমান ভূমিকা রাখছে।

সিইবিআর বলছে, বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী সঙ্কট আরো গুরুতর আকার ধারণ করছে। আমদানির হার বেশি থাকায় বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের সফলতা নিয়ে ঝুঁকিও দেখছে প্রতিষ্ঠানটি। এজন্য অবকাঠামো খাতে অর্থায়ন ও রাজস্ব বৃদ্ধি এবং সামাজিক নিরাপত্তার জন্য সরকারকে নতুন নতুন খাতের দিকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

চারদিন ছুটির কবলে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর
                                  

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ঃ চারদিনের ছুটির কবলে পড়েছে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দর। আজ শুক্রবার থেকে আগামী ৩১ ডিসেম্পর পর্যন্ত একাদশ জাতীয় নির্বাচন ও ব্যাংক হলি ডে উপলক্ষে এই চারদিন ভোমরা স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। আগামী ১ জানুয়ারী থেকে আবারও যথারীতি চলবে ভোমরা স্থল-বন্দরের আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম। তবে, পাসপোর্ট যাত্রীরা এ সময় যথারীতি যাতায়াত করতে পারবেন।
ভোমরা স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান নাসিম জানান, জাতীয় নির্বাচন ও ব্যাংক বন্ধের কারণে সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে আজ শুক্রবার থেকে আগামী সোমবার পর্যন্ত ভোমরা স্থলবন্দরে সবধরণের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারী মঙ্গলবার থেকে আবারও যথারীতি চলবে  বন্দরের আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম।
ভোমরা স্থল-বন্দর শুল্ক ষ্টেশনের সহকারী পরিচালক সাগর সেন জানান, আগামী ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচন ও ব্যাংক হলি ডে উপলক্ষে ভোমরা স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ভোমরা স্থলবন্দরে সবধরণের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাদের কাছে একটি পত্র প্রেরন করেছেন। যেহেতু তারা আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ রাখবেন সেহেতু আমাদের কিছু করার থাকেনা। তবে, আমাদের অফিস যথারীতি খোলা থাকবে এবং এ বন্দর দিয়ে পাসপোর্ট যাত্রীরা এ সময় যথারীতি যাতায়াত করতে পারবেন।

তারল্য সংকটে ব্যাংক
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: হঠাৎ করেই ব্যাংকে নগদ টাকার সংকট তীব্র হয়েছে। গ্রাহকদের চাহিদা মেটাতে গত এক সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ধার করেছে ব্যাংকগুলো। ছোট-বড় সব অঙ্কের টাকা তোলার চাপ বাড়ায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন ব্যাংক কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, ২৫ ডিসেম্বর বড় দিন ও জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ব্যাংক খাতে ৫ দিন লেনদেন বন্ধ থাকবে। এ কারণে গ্রাহকেরা এখনই প্রয়োজনীয় টাকা তুলে রাখছেন। এর ফলে নগদ টাকার চাহিদা বাড়ছে। তবে কেউ কেউ বলছেন, ব্যাংক খাত থেকে অতি সম্প্রতি সরকারের ঋণ নেওয়ার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণেও ব্যাংকগুলোর হাতে নগদ টাকার টান পড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনের ছুটি, ২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর শুক্র ও শনিবার; ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি; ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংক হলিডে। এ কারণে এদিনও ব্যাংকে কোনও ধরনের লেনদেন হবে না। অর্থাৎ এই বছরের শেষ সাত দিনের মধ্যে পাঁচ দিন ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ থাকবে।

প্রসঙ্গত, নগদ টাকার চাহিদা বেড়ে গেলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে যে টাকা ধার নেয়, তাকে রেপো বলে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বর্তমান রোপো রেট ছয়।

জানা গেছে, গত সপ্তাহে ২১টি ব্যাংক নগদ টাকার চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রেপোর মাধ্যমে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার বেশি ধার নিয়েছে। গত ১৮ ডিসেম্বর ৫৪৬ কোটি ও ১৯ ডিসেম্বর নিয়েছে ৭৬৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। সর্বশেষ ২০ ডিসেম্বর নিয়েছে সবচেয়ে বেশি ৯২৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।

এ প্রসঙ্গে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকারস, বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘সম্প্রতি ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া, এখন ডিসেম্বর ক্লোজিং চলছে ব্যাংক খাতে। এরসঙ্গে যোগ হয়েছে একাদশ জাতীয় নির্বাচন। আছে ছুটিও। সব মিলিয়ে নগদ টাকার চাহিদা বেড়েছে।

সূত্র জানায়, গত সপ্তাহে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সবচেয়ে বেশি ধার নিয়েছে এবি ব্যাংক। এই ব্যাংকটি ধার নিয়েছে ৪০০ কোটি টাকা। ইস্টার্ন ব্যাংক ১৮৩ কোটি টাকা, ট্রাস্ট ব্যাংক ৫০ কোটি টাকা, ওয়ান ব্যাংক ২০০ কোটি টাকা, ন্যাশনাল ব্যাংক ৯৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা, এনআরবি ব্যাংক ৪১ কোটি টাকা, উত্তরা ব্যাংক ২৭ কোটি টাকা ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক নিয়েছে ২৫ কোটি টাকা।

এদিকে, নগদ টাকার সংকট কাটাতে আন্তঃব্যাংক রেপোতে সবচেয়ে বেশি টাকা ধার নেওয়া হয়েছে গত ১৮ ডিসেম্বর। ওই দিনটিতে দুই হাজার ৩২২ কোটি ৭১ লাখ টাকা ধার নিয়েছে বিভিন্ন ব্যাংক। ওই দিন সর্বোচ্চ সুদের হার ছিল সর্বনিম্ন চার দশমিক ২৫ ও সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ। গড় সুদহার দাঁড়িয়েছে পাঁচ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

অন্যদিকে, নগদ টাকার সংকটে কলমানি মার্কেটেও বেড়েছে সুদের হার। গত ১৮ ডিসেম্বর কলমানি মার্কেটে সর্বনিম্ন এক দশমিক ৭৫ শতাংশ সুদে টাকা ধার পাওয়া যেতো। পরের দিন ১৯ ডিসেম্বর থেকেই সর্বনিম্ন সুদের হার উঠেছে দুই দশমিক ৮০ শতাংশে। এক শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে এক দিনের ব্যবধানেই। এভাবে প্রতিদিনই বাড়ছে সুদের হার।  গত ২০ ডিসেম্বরে কলমানি মার্কেটে ছয় হাজার ১৮৮ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।

এদিকে, প্রয়োজনীয় আমানত না আসায় গত দুই বছরে অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে ৭৭ হাজার কোটি টাকারও বেশি পরিমাণ অর্থ ধার করে গ্রাহকদের ঋণ দিয়েছে ব্যাংকগুলো। বাংলাদেশ ব্যাংক তথ্য বলছে, ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (২৪ মাসে) ব্যাংকগুলো ঋণ বিতরণ করেছে ২ লাখ ৪২ হাজার ১০৬ কোটি টাকা। অথচ এই সময়ে ব্যাংকগুলোতে আমানত এসেছে মাত্র ১ লাখ ৬৪ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকা। ফলে এই দুই বছরে ব্যাংকগুলোকে ৭৭ হাজার ৭৪১ কোটি টাকা ধার করতে হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় বছরজুড়েই ৩০টিরও বেশি ব্যাংক এখন ধার করে (ঋণ করে) চলছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিআরআর (নগদ জমা) ও এসএলআর (বিধিবদ্ধ সঞ্চিতির হার) জমা রাখতে পারছে না। বেশ কয়েকটি ব্যাংক প্রয়োজনীয় মূলধন সংরক্ষণ করতে পারছে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাবে, গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক খাতে ঋণ খেলাপি হয়েছে ৯৯ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। গত জুন পর্যন্ত খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৮৯ হাজার কোটি টাকা। সে হিসাবে তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১০ হাজার কোটি টাকাও বেশি।

ঢাকা-গুয়াংজু রুটে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট যাবে প্রতিদিন
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ঢাকা-গুয়াংজু রুটে সপ্তাহে চারটি ফ্লাইট পরিচালিত হলেও আগামী ৬ ডিসেম্বর থেকে প্রতিদিন ঢাকা থেকে গুয়াংজু রুটে ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউএস-বাংলা।
৮টি বিজনেস ক্লাসসহ মোট ১৬৪ আসন বিশিষ্ট বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে ঢাকা-গুয়াংজু রুটের ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা থেকে গুয়াংজু রুটে নূন্যতম ওয়ান ওয়ের ভাড়া ১৯,৯৯৯ টাকা এবং রিটার্ণ ভাড়া ২৯,৯৯৯ টাকা। সকল ভাড়ায় ট্যাক্স ও সারচার্জ অন্তর্ভূক্ত। বর্তমানে ঢাকা থেকে মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি ও রবিবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে গুয়াংজুর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এবং গুয়াংজু পৌঁছায় স্থানীয় সময় রাত ৩.৫০মিনিটে। আবার গুয়াংজু থেকে বুধ, শুক্র, রবি ও সোমবার ভোর ৫.০০ টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে এবং ঢাকায় পৌঁছায় সকাল ৭.৩০ মিনিটে।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ঢাকা-গুয়াংজু রুটে ভ্রমণকারীদের জন্য দিচ্ছে ২ রাত ৩ দিনের আকর্ষণীয় ভ্রমণ প্যাকেজ। প্যাকেজ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতিজনের জন্য সর্বসাকুল্যে ৩৬,৯৯০ টাকা। প্যাকেজের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত রয়েছে ঢাকা-গুয়াংজু-ঢাকা এয়ার টিকেট, ৩ তারকা বিশিষ্ট হোটেলে আবাসন ব্যবস্থা, সকালের নাস্তা। বিনাসুদে ৬মাসের কিস্তির সুবিধাও রয়েছে।  

বর্তমানে গুয়াংজু ছাড়াও আন্তর্জাতিক রুট সিঙ্গাপুর, কুয়ালালামপুর, ব্যাংকক, দোহা, মাস্কাট ও কলকাতায় ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। এছাড়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরীন সকল রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা। সপ্তাহে প্রায় ৩৩০টির অধিক অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে ইউএস-বাংলা। ১৭ জুলাই ২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করার পর চার বছরের কিছু অধিক সময়ে প্রায় ৫১ হাজার ফ্লাইট পরিচালনা করেছে ইউএস-বাংলা, যা বাংলাদেশে বিমান চলাচলের ইতিহাসে একটি রেকর্ড।
বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এর বিমান বহরে চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ ও তিনটি ড্যাশ৮-কিউ৪০০ সহ মোট সাতটি এয়ারক্রাফট রয়েছে। খুব শীঘ্রই আরো দু’টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ বিমান বহরে যুক্ত হচ্ছে। ২০১৯ সালের মধ্যে চেন্ন্াই, কলম্বো, মালেসহ আরো বেশ কয়েকটি রুটে ফ্লাইট শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে ইউএস-বাংলার।  

জামালপুরে চার দিনব্যাপি আয়কর মেলা শুরু
                                  

জামালপুর প্রতিনিধি: “উন্নয়ন ও উত্তরণ আয়করের অর্জন, আয়করে প্রবৃদ্ধি দেশ ও দশের সমৃদ্ধি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জামালপুরে চার দিনব্যাপি আয়কর মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার সকালে পুরাতন পৌরসভা গেট জামালপুর আয়কর অফিসে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ময়মনসিংহ কর অঞ্চল জামালপুর সার্কেল-৭ এর সহকারী কর কমিশনার নুরুল হুদা ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে ও আইটিপি মো. আঃ রশিদের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ও বেলুন উড়িয়ে আয়কর মেলার উদ্বোধন করেন জামালপুর পুলিশ সুপার মো. দেলোয়ার হোসেন পিপিএম বার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুর পৌরসভার মেয়র মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি, দি জামালপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সহ-সভাপতি ইকরামুল হক নবীন, জামালপুর জেলা আয়কর বার এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আতাউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক প্রমুখ।   
বক্তারা সরকারের বিভিন্ন সুবিধা পেতে সকলকে আয়করের আওতায় আসার আহ্বান জানান।

সঞ্চয়পত্রে ঝুঁকছেন বিনিয়োগকারীরা
                                  

স্বাধী বাংলা রিপোর্ট: ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দা, ব্যাংক আমানতের সুদের চেয়ে দ্বিগুণ মুনাফা মিলছে সঞ্চয়পত্রে ও পুঁজিবাজারে আস্থাহীনতাসহ নানা কারণে সঞ্চয়পত্রে ঝুঁকছেন বিনিয়োগকারীরা।
চলতি অর্থবছরের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রথম ৩ মাসেই ১৩ হাজার ৪১২ কোটি টাকার নেট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। যা চলতি অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র বিক্রির মোট লক্ষ্যমাত্রার ৫১ দশমিক ২৩ শতাংশ। জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতরের সর্বশেষ হাল নাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের (২০১৮-১৯) জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে সঞ্চয়পত্র থেকে মোট বিনিয়োগ এসেছে ২২ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা। এ সময় আগে বিক্রি করা সঞ্চয়পত্রের মূল ও সুদ পরিশোধে ব্যয় হয়েছে ৮ হাজার ৮৪৪ কোটি টাকা। এরমধ্যে মূল পরিশোধে ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ৪০৭ কোটি টাকা এবং মুনাফা বাবদ পরিশোধ করা হয় ৫ হাজার ৪৩৭ কোটি টাকা। মূল ও মুনাফা পরিশোধের পর সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের নেট ঋণ দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৪১২ কোটি টাকা।
বাজেট ঘাটতি মেটাতে সঞ্চয়পত্রের উপর সরকারের নির্ভরশীলতা দিন দিন বাড়ছে। ফলে সুদ পরিশোধের চাপও বাড়ছে। সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে ঋণ নেয়া তুলনামূলক সহজ হওয়ায় সরকার এদিকেই বেশি ঝুঁকছে। যা অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ব্যাংকের আমানতের সুদের চেয়ে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা বেশি। এছাড়া নানা কারণে দেশে পুঁজিবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা কম। ব্যবসা-বাণিজ্যের অবস্থাও খুব একটা ভাল না। সব মিলিয়েই নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মানুষ সঞ্চয়পত্র কিনছেন।
তবে সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে সংগৃহীত ঋণের অর্থ সঠিকভাবে ব্যয়ের পরামর্শ দিয়েছেন এ অর্থনীতি বিশ্লেষক। তা না হলে এই ঋণ আগামীতে বড় বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। কারণ সঞ্চয়পত্রের উপর নির্দিষ্ট হারে সুদ দিতে হয়।

তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত কয়েক বছর ধরেই সরকার ঘাটতি বাজেট অর্থায়নে সঞ্চয়পত্রের উপর বেশি জোর দিচ্ছে। বিগত অর্থবছরে (২০১৭-১৮) মোট ৭৮ হাজার ৭৮৪ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে মূল ও মুনাফা পরিশোধে ব্যয় হয়েছে ৩২ হাজার ২৫৪ কোটি টাকা। আর শুধু মুনাফা বা সুদ বাবদ পরিশোধ করতে হয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা।
এদিকে সঞ্চয়পত্রে সাধারণ মানুষের বিনিয়োগ বেড়ে যাওয়ায় মুদ্রাবাজারে এক ধরনের ভারসাম্যহীনতা দেখা দিয়েছে বলে মনে করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। তাদের মতে সুদহার বেশি হওয়ায় সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণের বড় অংশই আসছে এ খাত থেকে। এতে বাজারে সুদহার কমানো যেমন সহজ হচ্ছে না, তেমনি সরকারের বেশি সুদবাহী দায় বাড়ছে। অন্যদিকে বন্ড মার্কেট উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যাংকগুলোতে অতিরিক্ত তারল্য জমছে। যা সামলাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিল বিক্রি করে বাজার থেকে টাকা তুলে নিচ্ছে। এতে পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় সঞ্চয়পত্রের সুদহার যৌক্তিক করার বিষয়ে সরকার উদ্যোগ নিতে পারে।
সঞ্চয়পত্রে সুদের হার পুনর্নির্ধারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরামর্শ ও ব্যাংক পরিচালকসহ বিভিন্ন মহলের চাপ সত্ত্বেও নির্বাচনী বছরে বহুল আলোচিত সঞ্চয়পত্রের সুদের হার না কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
সর্বশেষ ২০১৫ সালের ১০ মে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের সুদ হার গড়ে ২ শতাংশ কমানো হয়েছিল। কিন্তু তাতে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি কমেনি।
বর্তমানে পরিবার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ। পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ১১ দশমিক ০৪ শতাংশ, পেনশনার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। ২০১৫ সালের ২৩ মের পর থেকে এই হার কার্যকর আছে।

ব্যবসা সংস্কারে বাংলাদেশের অগ্রগতি
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: ব্যবসা সংস্কারে বাংলাদেশ একধাপ এগিয়ে ১৬৬তম স্থানে অবস্থান করছে। এর আগে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৭৭তম। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের ডুইং বিজনেস-২০১৯ : ট্রেইনিং ফর রিফর্ম প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
বিশ্বের ১৯০টি দেশের মধ্যকার হিসেবে বাংলাদেশ এই একধাপ অগ্রগতি অর্জন করেছে।
বিশ্ব ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১২ মাসে বাংলাদেশ তার বিদ্যুৎ গ্রিডে বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে।

এতে আরো বলা হয়, ২০১৫ সাল থেকে বাংলাদেশ চট্টগ্রাম ও ঢাকায় নেটওয়ার্ক সক্ষমতা বাড়িয়েছে। ফলে উভয় শহর এখন আরো সংযোগের অনুরোধ রক্ষার সক্ষমতা অর্জন করেছে। এতে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার ক্ষেত্রে সময়ক্ষেপণ হ্রাস পেয়েছে।

বিশ্ব ব্যাংকের এই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, অভ্যন্তরীণ ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা সহজীকরণের উন্নয়নে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের অর্থনীতির আরো অগ্রগতি হয়েছে। এক্ষেত্রে শীর্ষ অগ্রগতির দেশ হচ্ছে আফগানিস্তান ও ভারত।


জেনিথ ইসলামী লাইফের এজিএম অনুষ্ঠিত
                                  

স্বাধীন বাংলা: জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের ৫ম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি মতিঝিলস্থ কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান, মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক এমপি ফরিদুন্নাহার লাইলী।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চেয়ারম্যান রেজাকুল হায়দার মনজু, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান একেএম বদিউল আলম, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান আলী আজীম খান, ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান আবদুল জলীল, পরিচালক সামছুল আলম সুমন ও সৈয়দা নাসরিন আজিম, মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিসি) এস এম নুরুজ্জামান এবং কোম্পানি সচিব আবদুর রহমান।

বড়পুকুরিয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু
                                  

পার্বতীপুর প্রতিনিধিঃ প্রায় ৩ মাস পর বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে বানিজ্যিকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু হওয়ায় দীর্ঘ ৫৩ দিন বন্ধ থাকার পর দিনাজপুর পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন পুনরায় শুরু হয়েছে।
২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটির উৎপাদন শুরু করার লক্ষে বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় স্টিম চালু করা হয়। পরে রাত ২টা ২৭ মিনিট থেকে উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যোগ হয় বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎ। তৃতীয় এ ইউনিটটি চালু রাখতে প্রতিদিন দুই হাজার ৮০০ টন কয়লা প্রয়োজন। আগামীতে কয়লার মজুদ বাড়লে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিট দুটি চালু করা হবে। শুক্রবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল হাকিম সরকার।
বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেডের (বিসিএমসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ ফজলুর রহমান প্রতিনিধিকে জানান- দীর্ঘ প্রায় তিন মাস বন্ধ থাকার পর গত ৭ আগস্ট রাত থেকে খনির নতুন ১৩১৪ নম্বর কোল ফেইজ হতে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়। বৃহস্পতিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬ টা পর্যন্ত উত্তোলন করা হয়েছে ৮ হাজার ৩৬২ দশমিক ৭৫ মেট্রিক টন কয়লা। প্রতিদিন যে পরিমাণ কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে তা সাথে সাথে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সরবরাহ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন বর্তমানে প্রতিদিন ১ হাজার ২‘শ টন থেকে ২ হাজার টন পর্যন্ত কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে। ক্রমান্নয়ে তা ৪ হাজার টনে উন্নিত হবে।
উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া খনির ওপর নির্ভর করে খনির পার্শ্বে কয়লাভিত্তিক ৫২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হয়। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি ও ১২৫ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিট রয়েছে। কেন্দ্রটি পূর্ণ উৎপাদন থাকলে প্রতিদিন গড়ে ৫ হাজার ২ শ’ মেট্রিক টন কয়লার প্রয়োজন হয়।
কয়লার অভাবে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হওয়ার দারপ্রান্তে উপনিত হলে খনির ইয়ার্ড থেকে প্রায় ২৩০ কোটি টাকার প্রায় ১ লাখ ৪৫ হাজার টন কয়লা কেলেঙ্কারির ঘটনাটি ধরা পড়ে গত ১৯ জুলাই। জ্বালানী সংকটে পড়ে দেশের একমাত্র কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গত ২২ জুলাই রাতে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। তবে ঈদ উল আজহাকে সামনে রেখে রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলে লো ভোল্টেজ সমস্যা এড়াতে ২০ আগস্ট থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ২ নম্বর ইউনিটটি চালু রেখে সীমিত আকারে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়েছিল।

সিলেট-ঢাকা রুটে ইউএস-বাংলার অতিরিক্ত ফ্লাইট শুরু
                                  

নিজস্ব সংবাদদাতা: যাত্রী সাধারণের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স প্রতিনিয়ত সেবা প্রদান করে আসছে। সিলেটবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে প্রাথমিকভাবে আজ ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শনি ও মঙ্গলবার ব্যাতিত সপ্তাহে পাঁচদিন রাত ৮টা ৩৫মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ফ্লাইট ছেড়ে যাচ্ছে। এর আগে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে সিলেটের উদ্দেশ্যে ফ্লাইট ছেড়েছে।
এছাড়া সপ্তাহে প্রতিদিন দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে সিলেট এবং দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে সিলেট থেকে ঢাকায় ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। খুব শীঘ্রই ঢাকা-সিলেট-ঢাকা রুটের অতিরিক্ত ফ্লাইটটি সপ্তাহে প্রতিদিন পরিচালনা করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আজ ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এর ঢাকা-সিলেট রুটের অতিরিক্ত ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে ৭৬ জন যাত্রী নিয়ে সিলেটে অবতরন করেছে। আগত যাত্রীদেরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর প্রেসিডেন্ট জনাব খন্দকার শিপার আহমেদ, আটাব সিলেট জোনের চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল জব্বার জলিল ও সেক্রেটারী জিয়াউর রহমান খান রিজওয়ান, হাব সিলেট জোনের সেক্রেটারী জনাব জহিরুল কবির চৌধুরী শিরু, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এর ব্যবস্থাপক জনাব হাফিজ আহমেদ ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এর জেনারেল ম্যানেজার- পাবলিক রিলেশন মোঃ কামরুল ইসলাম সহ এয়ারলাইন্স-এর সিলেট স্টেশনের কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার প্রতিনিধিবৃন্দ।
যাত্রা শুরুর পর থেকেই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ প্রত্যেকটি রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। অভ্যন্তরীণ রুট ছাড়াও কলকাতা, সিঙ্গাপুর, কুয়ালালামপুর, ব্যাংকক, গুয়াংজু, মাস্কাট, দোহা রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।


   Page 1 of 30
     অর্থ-বাণিজ্য
উপজেলায় নতুন কর অফিস
.............................................................................................
বড় ঋণখেলাপিদের চাপে রাখার উদ্যোগ
.............................................................................................
ডলার নিয়ে কাড়াকাড়ি
.............................................................................................
জেনিথ লাইফের সাথে কমিউনিটি হেলথ কেয়ারের চুক্তি
.............................................................................................
ফিলিপাইনের সাবেক ব্যাংক ব্যবস্থাপক দোষী সাব্যস্ত
.............................................................................................
আজ বাণিজ্য মেলা শুরু
.............................................................................................
দক্ষিণ এশিয়ার ২য় অর্থনীতির বাংলাদেশ
.............................................................................................
চারদিন ছুটির কবলে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর
.............................................................................................
তারল্য সংকটে ব্যাংক
.............................................................................................
ঢাকা-গুয়াংজু রুটে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট যাবে প্রতিদিন
.............................................................................................
জামালপুরে চার দিনব্যাপি আয়কর মেলা শুরু
.............................................................................................
সঞ্চয়পত্রে ঝুঁকছেন বিনিয়োগকারীরা
.............................................................................................
ব্যবসা সংস্কারে বাংলাদেশের অগ্রগতি
.............................................................................................
জেনিথ ইসলামী লাইফের এজিএম অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
বড়পুকুরিয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু
.............................................................................................
সিলেট-ঢাকা রুটে ইউএস-বাংলার অতিরিক্ত ফ্লাইট শুরু
.............................................................................................
চামড়া নিচ্ছে না বিদেশীরা
.............................................................................................
কর ফাঁকির আশঙ্কা বাড়ছে
.............................................................................................
রিজার্ভ চুরি: সিআইডির ফরেনসিক রিপোর্ট ফিলিপাইনের আদালতে উঠছে বৃহস্পতিবার
.............................................................................................
নিয়ন্ত্রণহীন ডলারের দাম
.............................................................................................
রমজান উপলক্ষে ইউএস বাংলা’র বিশেষ প্যাকেজ
.............................................................................................
গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে কর্মীদের আরো আন্তরিক হওয়ার আহবান
.............................................................................................
আকর্ষণীয় হলিডে প্যাকেজ নিয়ে ইউএস-বাংলা
.............................................................................................
পেঁয়াজ-রসুনের গায়ে আগুন
.............................................................................................
হিলিতে বেড়েছে যাত্রী ও রাজস্ব, বাড়েনি সেবার মান
.............................................................................................
ব্যাংক এশিয়ায় চাকরির নিয়োগ
.............................................................................................
হিলিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৫ টাকা
.............................................................................................
বড় ঋণখেলাপিদের ছবি ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে
.............................................................................................
ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিষদ থেকে শীর্ষ ৫ কর্মকর্তার পদত্যাগ
.............................................................................................
সুদের হার কমছে না সঞ্চয়পত্রে
.............................................................................................
আমদানী নেই তবু স্বর্ণে ভরা দেশ
.............................................................................................
‘সরকারি সংস্থাগুলোর আমানতের ৫০ ভাগ বেসরকারি ব্যাংকে রাখা হবে’
.............................................................................................
রিজার্ভ চুরি ‘রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায়’: এফবিআই
.............................................................................................
কাল আখাউড়া স্থলবন্দর বন্ধ থাকবে
.............................................................................................
বাংলাদেশকে ১৫ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
.............................................................................................
বিশ্ব অর্থনীতির ৪০তম দেশ হবে বাংলাদেশ : পরিকল্পনামন্ত্রী
.............................................................................................
কৃষকের কলার কাঁটা ‘আলু’
.............................................................................................
কাল ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের কাস্টমার সাক্সেস সামিট
.............................................................................................
এডিপি কাটছাঁট, লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা
.............................................................................................
বিশ্বের পরিবেশবান্ধব ১০ কারখানার ৭টিই বাংলাদেশে
.............................................................................................
রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে, ৮ মাসে এসেছে ৯৪৬ কোটি ডলার
.............................................................................................
পদ ৯টি, আবেদন ৭৮ হাজার!
.............................................................................................
৩ দিনের জন্য রবির ব্যাংক হিসাব জব্দ
.............................................................................................
দ্বিতীয় পদ্মা সেতু হলে অর্থ দেবে এডিবি
.............................................................................................
মধ্যআয়ের দেশ হলেও সহযোগিতায় পরিবর্তন হবে না : এডিবি
.............................................................................................
জিএসপি সুবিধার কোন প্রয়োজন নেই: তোফায়েল
.............................................................................................
ফের পেছালো রিজার্ভ চুরি মামলার প্রতিবেদন
.............................................................................................
রবির ব্যাংক হিসাব জব্দ
.............................................................................................
বাংলায় লিখতে হবে ঋণ মঞ্জুরিপত্র
.............................................................................................
জ্বালানি তেল পাচার রোধে সীমান্তে নজরদারির উদ্যোগ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft