বুধবার, ১৫ জুলাই 2020 | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   শিক্ষা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ছাত্র হত্যা মামলায় পদ হারালেন ইবি কর্মচারী

ইবি প্রতিনিধি: ছাত্র হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক কর্মচারীকে পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ওই কর্মচারীর নাম জে. এম ইলিয়াস। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের নেটওয়ার্ক টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এসব তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, শৈলকূপা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মহসীন হােসেন গত ৮ জুলাই এক লিখিত চিঠিতে জানায়, আইসিটি সেলের নেটওয়ার্ক টেকনিশিয়ান জে. এম ইলিয়াস গত ৬ জুলাই আদালতে আত্মসমর্পন করে। আত্মসমর্পনের পর বিজ্ঞ আদালত জামিন না মঞ্জুর করে ওই কর্মচারীকে জেল হাজতে পাঠায়। এমতাবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী দক্ষতা ও শৃঙ্খলা বিধির ১৫-এ ধারা মােতাবেক তাকে নেটওয়ার্ক টেকনিশিয়ান পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে বরখাস্তকালীন জীবনধারণ ভাতা পাবে।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ এপ্রিল জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হন কুষ্টিয়া রবীন্দ্রমৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আরাফাত হোসেন (২৩)। পরে গত ৬ জুলাই মামলার পঞ্চম আসামী ইলিয়াস ঝিনাইদহ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (প্রথম) আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

এছাড়া ওই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে গিয়ে অপহরণ ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে

ছাত্র হত্যা মামলায় পদ হারালেন ইবি কর্মচারী
                                  

ইবি প্রতিনিধি: ছাত্র হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক কর্মচারীকে পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ওই কর্মচারীর নাম জে. এম ইলিয়াস। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের নেটওয়ার্ক টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এসব তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, শৈলকূপা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মহসীন হােসেন গত ৮ জুলাই এক লিখিত চিঠিতে জানায়, আইসিটি সেলের নেটওয়ার্ক টেকনিশিয়ান জে. এম ইলিয়াস গত ৬ জুলাই আদালতে আত্মসমর্পন করে। আত্মসমর্পনের পর বিজ্ঞ আদালত জামিন না মঞ্জুর করে ওই কর্মচারীকে জেল হাজতে পাঠায়। এমতাবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী দক্ষতা ও শৃঙ্খলা বিধির ১৫-এ ধারা মােতাবেক তাকে নেটওয়ার্ক টেকনিশিয়ান পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে বরখাস্তকালীন জীবনধারণ ভাতা পাবে।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ এপ্রিল জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হন কুষ্টিয়া রবীন্দ্রমৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আরাফাত হোসেন (২৩)। পরে গত ৬ জুলাই মামলার পঞ্চম আসামী ইলিয়াস ঝিনাইদহ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (প্রথম) আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

এছাড়া ওই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে গিয়ে অপহরণ ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে

ইবি ছাত্রলীগকর্মীর সচেতনতামূলক কার্যক্রম
                                  

ইবি প্রতিনিধি: বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লোভস ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রলীগ কর্মী নাসিম হাসান নাঈম। রবিবার সকাল ১১ টায় নাঈমের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে ও ক্যাম্পাস পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকায় এসব সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে ছাত্রলীগের স্থানীয় কর্মীরা।

জানা যায়, করোনা বিস্তার রোধে পাঁচশতাধিক মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেছে ইবি শাখা ছাত্রলীগকর্মী নাঈম। নিজ উদ্যোগে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন কর্মচারী, ভ্যানচালক, পথচারী ও দোকানীদের মাঝে এসব বিতরণ করেন তিনি।

এ ব্যাপারে নাঈম বলেন, ‘সচেতনতায় করোনা ঠেকানোর প্রধান হাতিয়ার। ছাত্রলীগের একজন একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছি। তার এমন সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।’

রাবির ইমেরিটাস অধ্যাপক এবিএম হোসেন আর নেই
                                  

রাজশাহী প্রতিনিধি : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়-রাবির ইমেরিটাস প্রফেসর ড. ফখরুল ইসলামের মৃত্যুর শোক কাটতে না কাটতেই আরেক ইমেরিটাস অধ্যাপককে হারালো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। ফখরুল ইসলামের মৃত্যুর ১০ দিন না পেরোতেই এবার না ফেরার দেশে চলে গেলেন প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ বি এম হোসেন।

শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে রাজধানী ঢাকার একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

রাবির ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মাহফুজুর রহমান বলেন, এবিএম হোসেন স্যারের মৃত্যুতে আমরা একজন অভিভাবক হারালাম। জাতি হারাল একজন বিদগ্ধজন। আমরা তার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

অধ্যাপক এবিএম হোসেনের পুরো নাম আবুল বাশার মোশারফ হোসেন। ১৯৩৪ সালে তিনি কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ধামতী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬০ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন। ১৯৭২ সালে অধ্যাপক পদে উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে তিনি বিভাগীয় প্রধান, কলা অনুষদের ডিন ও প্রশাসনিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০১ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম প্রফেসর ইমেরিটাস হিসাবে সম্মাননা পান তিনি। নিবিড় গবেষণার বিষয়বস্তু ইসলামী শিল্পকলা হলেও মোশারফ হোসেন তার মূলধারার বিষয় মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাস থেকে সরে দাঁড়াননি। তার লিখিত গবেষণা গ্রন্থের সংখ্যা ১১টি। ১৯৭৭ সালে নরওয়েজিয়ান পার্লামেন্ট তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য গঠিত বোর্ডে তাদের মনোনীত সদস্য নির্বাচিত করেন। তিনি বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি ও বাংলা একাডেমির সম্মানিত আজীবন ফেলো।

উল্লেখ্য, গত ২ জুলাই দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইমেরিটাস প্রফেসর ড. ফখরুল ইসলাম। রাবির ফলিত রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ছিলেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র হত্যা: ইবি কর্মচারী গ্রেফতার
                                  

ইবি প্রতিনিধি: কুষ্টিয়া রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আরাফাত হত্যা মামলায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ওই কর্মচারীর নাম ইলিয়াস জোয়ার্দার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের কর্মচারী। সোমবার (৬ জুলাই)  আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শৈলকূপা থানার ওসি মহসিন হোসেন জানান, একটি হত্যা মামলায় গতকাল তিনি কোর্টে আত্মসমর্পণ করেছেন। এখন তিনি ঝিনাইদহ জেলহাজতে আছেন। তদন্ত শেষ হলে মামলার বিচার হবে।

জানা যায়, গ্রেপ্তার হওয়া কর্মচারী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের কর্মচারী ও ক্যাম্পাস পার্শ্ববর্তী শেখপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আরাফাত রহমানের হত্যার সাথে জড়িত ছিলেন। হত্যা মামলার তিনি ৫নং আসামি ছিলেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ বলেন,‘আমরা এ বিষয়ে কিছু জানতে পারিনি। তথ্য নিশ্চিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার শেখপাড়া গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া আরাফাত রহমান খুন হয়েছিলেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

প্রাথমিকে ৪০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ আসছে
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: করোনাভাইরাসে সৃষ্ট উদ্ভুত পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিকে প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। ৪০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে এরই মধ্যে শিক্ষা অধিদফতরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আগামী নভেম্বর থেকে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বড় আকারের নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রাক-প্রাথমিকে ভর্তিতে শিশুদের বয়স ৪ ও মেয়াদকাল ২ বছর করা হয়েছে। এ কারণে শিক্ষক দরকার হবে। সারা দেশে এ স্তরে ২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। একই সঙ্গে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য। এসব বিদ্যালয়ে নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। সব মিলিয়ে ৪০ হাজার শিক্ষক দরকার হবে।

প্রাথমিকের ২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় পাস হয়েছে জানিয়ে আকরাম হোসেন বলেন, প্রাক-প্রাথমিক স্তরে নতুন ২৬ হাজার শিক্ষকের পদ সৃজন করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়। সেই প্রস্তাব সচিব কমিটি অনুমোদন দিয়েছে। কেবিনেট সভায় এটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। যেহেতু প্রতিটি বিদ্যালয়ে একজন করে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষকের পদ সৃজন করা হয়েছে, তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে।

ইবি’র দুই শিক্ষকের পেনশনের চেক প্রদান
                                  

ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের(ইবি) অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফকে পেনশন ও আনুতোষিকের চেক প্রদান করা হয়েছে। রবিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ অাসকারী তাঁদের হাতে এ চেক তুলে দেন।

এসময় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা, ভারপ্রাপ্ত অর্থ ও হিসাব পরিচালক মোঃ ছিদ্দিক উল্যা এবং অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ভারপ্রাপ্ত ড. মোঃ নওয়াব আলী খান উপস্থিত ছিলেন।

চেক প্রদানকালে শিক্ষা ও গবেষণায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। এসময় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা তাঁদের অবসরকালীন সুখময় জীবন কামনা করেন।

উল্লেখ্য, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন ১৯৮৯ হতে ২০১৯ সাল পর্যন্ত এবং অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ ১৯৮৭ হতে ২০২০ সাল পর্যন্ত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে সুনামের সাথে শিক্ষকতা করেছেন।

এসএসসি পর্যন্ত কোন বিভাগ থাকছে না
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: বিজ্ঞান শিক্ষাকে শুধুমাত্র মেধাবীদের মাঝে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। সকল শিক্ষার্থীকে কমপক্ষে এসএসসি পর্যন্ত বাধ্যতামূলকভাবে বিজ্ঞান শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে মন্তব্য করে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, মাধ্যমিক পর্যায়ে সাইন্স, আর্টস, কমার্স নামে কোনো বিভাজন থাকবে না। উন্নত বিশ্বে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে একই ধারায় পড়াশোনা করতে হয়। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা পছন্দের বিষয় অধ্যয়ন করে।

আজ শনিবার বাংলাদেশ স্টিম (সাইন্স, টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যাথমেটিক্স) সোসাইটি আয়োজিত রেজিলিয়েন্স রিকভারি অফ ন্যাশনাল ইকনোমি থ্রু সাইন্স টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন ডিউরিং পোস্ট কভিড ১৯ এ্যরা শীর্ষক এক ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

উপমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের উদ্যোক্তরা অনেক ক্ষেত্রে বলে থাকেন তারা দক্ষ জনশক্তি পাচ্ছেন না। তাই বিদেশ থেকে দক্ষ লোকবল নিয়ে আসতে হয়। আবার চাকরিপ্রার্থীরা অনেক সময় বলে থাকেন তারা চাকরি পাচ্ছেন না। দুই পক্ষের মধ্যে গ্যাপ তা পূরণ করতে বিশ্ববিদ্যালয় সমুহকে উদ্যোগ নিতে হবে। ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা অনুযায়ী জনশক্তি তৈরি করতে হবে। এজন্য ইন্ডাস্ট্রি একাডেমিয়া লিংকেজ খুবই জরুরি।

কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে বয়সের বাধ্যবাধকতা তুলে দেয়া হচ্ছে জানিয়ে উপমন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় সমূহ অসংখ্য গ্রাজুয়েটস তৈরি করছে যাদের কোনো কারিগরি দক্ষতা নাই। ফলে অনেক গ্রাজুয়েটস এর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয় না এবং আমাদের বিপুল সংখ্যক জনশক্তি শ্রমবাজারের বাহিরে থেকে যায়। এই অবস্থা চলমান থাকলে আমরা ভিশন ২০৪১ এবং সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল অর্জন করতে পারব না। পাশাপাশি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে সক্ষম হব না।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যামেস্ট্রি বিভাগের প্রফেসর ড. আল-নকীব চৌধুরী সভাপতিত্বে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্কিটেকচার বিভাগের প্রফেসর ড. আজিজুল মাওলার সঞ্চালনায় এই ওয়েবিনারে আরো সংযুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি সত্য প্রসাদ মজুমদার, আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন যুক্তরাষ্ট্রের মনমথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. গোলাম এম. মাতবর, ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ সাইন্স ব্যাঙ্গালোরের প্রতিনিধি ড. সঞ্জীব কে শ্রীভাস্টাভা, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ফরিদ আহমেদ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিসি প্রফেসর ফায়েকুজ্জামান, ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. লুৎফুল হাসান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ফারজানা ইসলামসহ বাংলাদেশের প্রায় ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যবৃন্দ। মুখ্য আলোচক হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম ।

ছাত্রীর সাথে অশ্লীল ফোনালাপ ফাঁস, ইবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি
                                  

ইবি প্রতিনিধি: ছাত্রীর সাথে অশ্লীল ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের(ইবি) ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একইসাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসি’র পরিচালকের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তথ্যটি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি সূত্রে, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান ও এক নারী শিক্ষার্থীর মধ্যে কথােপকথনের একাধিক অডিও সামাজিক যােগাযােগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে তা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগােচর হয়। অধ্যাপক ও নারী শিক্ষার্থীর মধ্যে অডিওতে যেভাবে অশ্লীল ও আপত্তিকর কথাবার্তা হয়েছে তা শিক্ষক হিসেবে নৈতিক স্ফলনের সামিল। যাতে শিক্ষক সমাজসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমুর্তি এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যকার সম্পর্কের পবিত্রতা ক্ষুন্ন হয়েছে। এরুপ কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত থাকার অভিযােগে অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে টিএসসি সি’র পরিচালকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হলাে। এছাড়া ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কেন চূড়ান্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা চিঠি পাওয়ার আগামী ০৭ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রার বরাবর কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।

একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. হালিমা খাতুনকে অাহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কমিটির অন্যরা হলেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম ও দেশরত্ন শেখ হাসিনা হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. সেলিনা নাসরিন। কমিটিকে যথাশীঘ্র সম্ভব উপাচার্যের নিকট তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হয়েছে।

এব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ অাসকারী বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান ও এক নারী শিক্ষার্থীর অশ্লীল প্রেমালাপের দুটি অডিও ক্লিপ ফেসবুকে ভাইরাল হয়। অডিও ক্লিপের একটিতে ড. মিজানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীকে একা বাসায় আসার প্রস্তাব দেওয়াসহ বিভিন্ন ধরণের অশ্লীল আলাপ করতে শোনা যায়।

শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : শততম বর্ষে পদার্পণ করল প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আজ ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ১৯২১ সালের এই দিনে যাত্রা শুরু এই বিশ্ববিদ্যালয়ের।

কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে স্বল্প পরিসরে দিবসটি উদযাপিত হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন প্রাঙ্গণে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বেলুন ওড়ানোর মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হবে।

বেলা ১১টায় অধ্যাপক আবদুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক  মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনলাইন সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে মূল বক্তা হিসেবে জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ‘শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, প্রসঙ্গ: আন্দোলন ও সংগ্রাম’ শীর্ষক বক্তব্য দেবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন), উপ-উপাচার্য (শিক্ষা), কোষাধ্যক্ষ, সাবেক দুই জন উপাচার্য, দুই জন ডিন, একজন প্রভোস্ট, একজন রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট, ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং ঢাবি শিক্ষক সমিতিসহ অন্যান্য সমিতির পক্ষ থেকে নেতারা এই অনলাইন অনুষ্ঠানে সংযুক্ত হবেন।

৯৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান এক শুভেচ্ছা বাণীতে বলেন, শিক্ষা ও গবেষণার বিস্তার, মুক্তচিন্তার উন্মেষ ও বিকাশ এবং সৃজনশীল কর্মকা-ের মাধ্যমে নতুন ও মৌলিক জ্ঞান সৃষ্টির লক্ষ্যে  ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০২১ সালে অস্তিত্বপ্রতিম এই প্রতিষ্ঠান শতবর্ষপূর্তি উদযাপন করবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীও একই বছর উদযাপিত হবে। তাই বছরটি হবে আমাদের জন্য এক বিশেষ মর্যাদা, সম্মান, আবেগ, অনুভূতির সংশ্লেষে গৌরবদীপ্ত ও স্মৃতি-ভাবুকতার বছর। ইতোমধ্যেই সেই উৎসব আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। কালিক নৈকট্যে এ বছরের প্রতিষ্ঠা দিবসেও আমাদের প্রাণে তার ছোঁয়া এসে লেগেছে। তবে প্রকৃতি ও জীবন বাস্তবতার অভিঘাত অগ্রাহ্য করার শক্তি কারও নেই।

তিনি আরও বলেন, নভেল করোনাভাইরাসের অতিসংক্রমণের কারণে সমগ্র বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশও গভীর সংকটময় মূহূর্ত অতিক্রম করছে। আশার কথা এই যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা বিশেষ করে বিশাল সংখ্যক শিক্ষার্থীরা শুধু তুলনামূলক নিরাপদে নেই, জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলায় মানবিক সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন অনেকে। আমাদের বিশ্বাসÑ সুদিন সামনে, বিপদবিঘœ পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অতীতের ন্যায় আবারও মুখরিত হবে শিক্ষার্থীদের প্রাণচাঞ্চল্যে, স্পন্দিত হবে মহান ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক মানবিক মূল্যবোধ চর্চার অদম্য প্রতিযোগিতায়।

ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনকালে স্বাধীন জাতিসত্তার বিকাশের লক্ষ্যে বিশ শতকের দ্বিতীয় দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া শুরু হয়। ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ। এর মাত্র তিনদিন আগে ভাইসরয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আবেদন জানিয়েছিলেন ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ, ধনবাড়ির নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক এবং অন্যান্য নেতারা।

২৭ মে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য ব্যারিস্টার আর নাথানের নেতৃত্বে ডি আর কুচলার, ড. রাসবিহারী ঘোষ, নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী, নবাব সিরাজুল ইসলাম, ঢাকার প্রভাবশালী নাগরিক আনন্দচন্দ্র রায়, ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ ডব্লিউ এ টি আর্চিবল্ড, জগন্নাথ কলেজের অধ্যক্ষ ললিত মোহন চট্টোপাধ্যায়, ঢাকা মাদরাসার (বর্তমান কবি নজরুল সরকারি কলেজ) তত্ত্বাবধায়ক শামসুল উলামা আবু নসর মুহম্মদ ওয়াহেদ, মোহাম্মদ আলী (আলীগড়), প্রেসিডেন্সি কলেজের (কলকাতা) অধ্যক্ষ এইচ এইচ আর জেমস, প্রেসিডেন্সি কলেজের অধ্যাপক সি ডব্লিউ পিক এবং সংস্কৃত কলেজের (কলকাতা) অধ্যক্ষ সতীশ চন্দ্র আচার্যকে সদস্য করে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠিত হয়।

১৯১৩ সালে প্রকাশিত হয় নাথান কমিটির ইতিবাচক রিপোর্ট এবং ওই বছরই ডিসেম্বর মাসে সেটি অনুমোদিত হয়। ১৯১৭ সালে গঠিত স্যাডলার কমিশনও ইতিবাচক প্রস্তাব দিলে ১৯২০ সালের ১৩ মার্চ ভারতীয় আইন সভায় পাস হয় ‘দ্য ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট (অ্যাক্ট নম্বর-১৩) ১৯২০’। ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বার উন্মুক্ত হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই।

সে সময়কার ঢাকার সবচেয়ে অভিজাত ও সৌন্দর্যম-িত রমনা এলাকায় প্রায় ৬০০ একর জমির ওপর পূর্ববঙ্গ এবং আসাম প্রদেশ সরকারের পরিত্যক্ত ভবনসমূহ ও ঢাকা কলেজের (বর্তমান কার্জন হল) ভবনসমূহের সমন্বয়ে মনোরম পরিবেশে গড়ে ওঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তিনটি অনুষদ ও ১২টি বিভাগ নিয়ে একটি আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়। কলা, বিজ্ঞান ও আইন অনুষদের অন্তর্ভুক্ত বিভাগগুলো ছিল সংস্কৃত ও বাংলা, ইংরেজি, শিক্ষা, ইতিহাস, আরবি, ইসলামিক স্টাডিজ, ফারসি ও উর্দু, দর্শন, অর্থনীতি ও রাজনীতি, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, গণিত এবং আইন।

প্রথম শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন বিভাগে মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ছিল ৮৭৭ জন এবং শিক্ষক সংখ্যা ছিল মাত্র ৬০ জন। যেসব প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্নে শিক্ষকতার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন তারা হলেন-হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, এফ সি টার্নার, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, জি এইচ ল্যাংলি, হরিদাস ভট্টাচার্য, ডব্লিউ এ জেনকিন্স, রমেশচন্দ্র মজুমদার, এ এফ রহমান, সত্যেন্দ্রনাথ বসু, নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত, জ্ঞানচন্দ্র ঘোষ প্রমুখ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন অস্থিরতা ও দেশভাগের কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা কিছুটা ব্যাহত হয়। ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন পূর্ববঙ্গের বা পরবর্তী সময়ের পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত প্রদেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে এ দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা উজ্জীবিত হয়। নতুন উদ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকা- শুরু হয়। তৎকালীন পূর্ববাংলার ৫৫টি কলেজ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হবার সুযোগ লাভ করে। ১৯৪৭-৭১ সময়ের মধ্যে পাঁচটি নতুন অনুষদ, ১৬টি নতুন বিভাগ ও চারটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং এর পরবর্তী সকল জন-আন্দোলন ও সংগ্রামে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে গৌরবময় ভূমিকা। স্বাধীনতা যুদ্ধে এ বিশ্ববিদ্যালয় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আক্রমণের শিকার হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ছাত্রছাত্রীসহ শহীদ হয়েছেন অনেকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের কঠোর নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে প্রণীত ১৯৬১ সালের আইয়ুব সরকারের জারিকৃত অর্ডিন্যান্স বাতিলের জন্য ষাটের দশক থেকে শিক্ষকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্বাধীনতার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উক্ত অর্ডিন্যান্স বাতিল করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ-১৯৭৩ জারি করেন। ফলে এই বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করে এবং পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক রীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।

বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩টি অনুষদ, ১৩টি ইনস্টিটিউট, ৮৪টি বিভাগ, ৬০টি ব্যুরো ও গবেষণা কেন্দ্র এবং ছাত্রছাত্রীদের ১৯টি আবাসিক হল, চারটি হোস্টেল ও ১৩৮টি উপাদানকল্প কলেজ ও ইনস্টিটিউট রয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৪৬ হাজার ১৫০ জন। পাঠদান ও গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন প্রায় দুই হাজার ৮ জন শিক্ষক।

শিক্ষা কার্যক্রম ও সমসাময়িক বিষয়ে জবি শিক্ষার্থীদের ভাবনা
                                  

মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপঃ বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ এর প্রভাবে পুরো বিশ্ব এখন ভীত-সন্ত্রস্ত, ব্যতিক্রম নয় বাংলাদেশও। ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা কার্যক্রম। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ও অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে ক্লাস-পরীক্ষা। সংকটকালীন এই মুহূর্তে শিক্ষা কার্যক্রম অনেকটা স্থবির হয়ে আছে।

এ সময়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কিভাবে সময় কাটাচ্ছে? অনলাইন ক্লাস, সেশন জট নিয়ে ভাবনা, করোনাকালীন ক্ষতি কিভাবে পুষিয়ে উঠবে শিক্ষার্থীরা, ফেলে আসা প্রিয় ক্যাম্পাস স্মৃতি নিয়ে কথা বলেছেন পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মো মিনহাজুল ইসলাম বলেন, আশা করছি খুব শীঘ্রই করোনা মহামারী কেটে যাবে, তখন শিক্ষক - শিক্ষার্থীদের কোলাহলে মুখরিত হয়ে উঠবে আমাদের প্রাণের জগন্নাথ। তবে মহামারী কেটে গেলেও আমাদের শিক্ষাক্ষেত্র সহ সব জায়গায়ই সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার প্রয়োজন পড়বে। এখন যেমন সবাই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অনলাইন যোগাযোগের মাধ্যমে একে অপরের পাশে এসে সহযোগিতা ও সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে, ঠিক তেমনি করোনা পরবর্তী সময়ের জন্যেও নতুন করে ভাবার সময় এসে গেছে। আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। সময়ের সাথে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য আমাদের শিক্ষার্থীদের একুশ শতকের দক্ষতায় দক্ষ করে তুলতে হবে। করোনা কালীন এই সময়ে আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার যে ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে সেই ঘাটতি পূরণের জন্য শিক্ষকদের এগিয়ে আসার প্রয়োজন খুব বেশি। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একে অন্যের পাশে এসে দাঁড়ানোর সুযোগগুলো আরও বাড়ানো। করোনা পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের শিখনের জন্য যুগোপযোগী এডুকেশনাল রিসোর্স প্রয়োজন। জীবনমুখী ও প্রাকৃতিক শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিতে হবে অনেক। দক্ষতাভিত্তিক কারিকুলামের পাশাপাশি বাস্তবমুখী নানা কার্যক্রমও কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। আমাদের কোর্সগুলো আরও যুগোপযোগী এবং বিস্তৃত করে তৈরি করতে হবে। প্রতিটি কোর্সের সাথে একটা করে ওয়ার্কবুক তৈরি করে দিলে শিক্ষার্থীরা বাসায় বসে বাড়ির কাজগুলো নিজেরাই সম্পূর্ণ করতে পারবে। শিক্ষার্থীদের পড়া মূল্যায়ন পদ্ধতিতে আনতে হবে পরিবর্তন। সহজে কিভাবে শিক্ষার্থীদের পড়া মূল্যায়নে পরিবর্তন আনা যায়, তা নিয়ে আরও চিন্তা করতে হবে। প্রয়োজনে সামাজিক মাধ্যম যেমন- হোয়াটসআপ, ইমো, ভাইভার, ফেইসবুক, ইউটিউব এবং জুম ব্যবহার করতে হবে। উৎসাহী করতে হবে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের,  তাহলে ভবিষ্যতে যদি আবারো করোনার মতন কোনো মহামারী আসেও তাহলে আমরা অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবো। তাহলে শিক্ষাক্ষেত্রে এবার যেমন ক্ষতি সাধন হচ্ছে তা আর হবে না।

তবে এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য ইন্টারনেট, কম্পিউটার, রেডিও, টেলিভিশন এবং মোবাইল ফোনের ব্যবহার আরও সহজলভ্য করে তুলতে হবে। প্রয়োজনে শিক্ষা প্রদানের জন্য ফিচার ফোন এবং বাইটস সাইজ এডুকেশন চালু করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে সরকারের সহায়তাও জরুরি।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী লামিয়া আহমেদ জানান, বতর্মানের এই মহামারীর সময়ে আমাদের সবাইকেই বন্দী জীবন কাটাতে হচ্ছে। এই সময়টা আসলেই অনেক কষ্টের। কারণ সবসময় ব‍্যস্ততায় কাটানো মানুষগুলো কখনো এই ভাবে অলস জীবনযাপনে অভ‍্যস্ত হতে পারেনা। এই সময়টাতে যেহেতু ঘরে থাকা উচিত তাই খুব বেশি প্রয়োজন না হলে বাড়ির বাইরে বের হই না, আর প্রয়োজনে বের হলেও সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাখি। যে কাজগুলো ব‍্যস্ততার জন‍্য মন মতন করতে পারতাম না সেগুলো এখন করা চেষ্টা করি । টুক টাক রান্না - বান্না করি, প্রচুর মুভি দেখি, বই পড়ার চেষ্টা করছি। পুরো সময়টাই এখন পরিবারের সাথে কাটাচ্ছি।

লকডাউনে লেখা পড়ার কিছুটা ক্ষতিতো হচ্ছেই। তাছাড়া সেশনজটে  পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এই ক্ষতিটা  সম্পূর্ণভাবে পুষিয়ে উঠা হয়তো শীঘ্রই সম্ভব হবে না। তাছাড়া সকল শিক্ষার্থীদের সুবিধা - অসুবিধা বিবেচনা করে ইতিমধ্যে  বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শর্তসাপেক্ষে অনলাইন ক্লাস নেওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। আমি মনে করি একটি শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ থাকলে এবং শিক্ষক - শিক্ষার্থী উভয়ের সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাবই কেবল এই ক্ষতি পুষিয়ে দিতে পারবে। সে ব‍্যাপারে আমাদের অভিজ্ঞ কোর্সটিচাররা রয়েছেন সিলেবাসের সংশোধন পরিমার্জন কিংবা সংযোজনের জন‍্য।

যেটাই হোক আশা করি শিক্ষার্থীদের জন‍্য চাপের হবে না। তবে আমার এই বিশ্বাসটুকু রয়েছে আমাদের শিক্ষকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন যাতে সেশনজট না হয়। প্রার্থনা করছি এই মহামারীর সময়টা যেন অতি দ্রুত শেষ হয়।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী আহাদ মোহাম্মদ তাহমিদ বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা ধর্মগ্রন্থের ন্যায় পবিত্র। উপাগত ক্ষণে করোনা ভাইরাস এর কারনে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত। সরকার ধাপে ধাপে সাধারন ছুটির মেয়াদ বাড়াচ্ছে৷ হয়ত দ্রুতই এই অন্ধকার থেকে আমরা ভোরের রক্তিম আলো দেখব। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় খুললেই প্রথম প্রশ্নটি আসবে শিক্ষা ব্যবস্থা কোথায় থেমেছিল আর কোথায় শুরু হবে। শিক্ষার্থীরা করোনা ভাইরাস আসার পূর্বে একটি শিক্ষাবর্ষের মাঝ বরাবর ছিল,  কারো পরিক্ষা সন্নিকটে আবার কারো পরিক্ষা চলছিল। হঠাৎ করোনা ভাইরাস জনিত কারনে সব বন্ধ হওয়ায় এবং নির্দিষ্ট কতদিন পর সব স্বাভাবিক হবে তার নিশ্চয়তা না থাকায় সবাই নিয়মিত জ্ঞানচর্চা থেকে দুরে সরে গেছে৷ এর প্রভাবে, হঠাৎ ঝড় আসলে যেমন সুরক্ষা নেওয়া কষ্টসাধ্য ; ঠিক তেমনই হঠাৎ ওইস্থান থেকে শিক্ষাকার্যক্রম শুরু হলে তা শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই কষ্টসাধ্য হবে। অধিকাংশ শিক্ষার্থীর এর কারনে ফলাফল খারাপ হতে পারে। আমি নিজে একজন শিক্ষার্থী হিসেবে স্বজ্ঞান এ কক্ষনো চাইব না আমার ফলাফল খারাপ হোক,  বা আমি অপ্রস্তুত হয়ে কোন পরিক্ষায় অংশ নিই। অদক্ষ বা আধাদক্ষ যোদ্ধা কখনই যুদ্ধে জয়লাভ করতে পারে না। তাই নতুনভাবে নতুন করে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করানোই উত্তম। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত রাখার উদ্দেশ্য করে অনলাইন ক্লাস এর আয়জনের কথা উঠেছে।  দেখের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গুলো ইতিমধ্যে শুরু করেছে। আমি এর পক্ষে এবং বিপক্ষে দুদিকেই আছি। বাংলাদেশ মধ্যমমানের  দেশ। এদেশের এখনও সর্বত্র বিদুৎ পৌছে নি সেখানে ইন্টারনেট সেবা পৌছাবে এটা ভাবাই মস্ত ভুল। তারপরও সবার কাছে পর্যাপ্ত সরঞ্জাম নাও থাকতে পারে৷ আবার ইন্টারনেট ক্রয় করে চালানোটাও অনেক ব্যয়বহুল।  যেখানে মানুষ খাবার জোটাতে ব্যর্থ,  সেখানে অনেক পরিবার ই আছেন তারা এটাতে অংশ নিতে পারবেন। তাই সরকার যদি তাদের উপহার হিসেবে বা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ডিভাইস এবং সবার জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা দেয় তাহলে এটা একটা ভালো উপায় হবে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষাচর্চা করানোর।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে জীবাণুনাশক বুথ স্থাপন
                                  

ইবি প্রতিনিধি: মহামারী করোনা সংক্রমণ হতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের রক্ষা করতে একটি জীবাণুনাশক বুথ স্থাপন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের নিচ তলায় এ বুথের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

এ ব্যাপারে ইবি করোনা প্রতিরোধ সেলের আহবায়ক অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্মণ বলেন, ইবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হারুন-উর-রশিদ আসকারীর নির্দেশে ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহিনুর রহমান ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. সেলিম তোহার পরামর্শে প্রশাসনিক ভবনের প্রবেশপথে একটি জীবাণুনাশক বুথ স্থাপন করা হয়েছে। বুথের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

বুয়েটের নতুন উপাচার্য সত্য প্রসাদ মজুমদার
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-বুয়েটের উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক সত্য প্রসাদ মজুমদার।

বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব সৈয়দ আলী রেজা স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ বিভাগ তাকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক সত্য প্রসাদ মজুমদারকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তিনি বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক। শর্ত সাপেক্ষে তাকে চার বছরের জন্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, উপাচার্য পদে তাকে বর্তমান বেতন-ভাতা সুবিধা প্রদান করা হবে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাস সীমানায় অবস্থান করবেন।

রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আগের উপাচার্য সাইফুল ইসলামের মেয়াদ গত ২২ জুন শেষ হওয়ায় নতুন ভিসি নিয়োগ দেয়া হলো।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: এইএএসসি পরীক্ষা কবে নাগাদ হবে তা এই মুহুর্তে বলা যাচ্ছে না। পরীক্ষা নেয়ার মতো স্বাস্থ্য ঝুঁকিহীন পরিবেশ তৈরি হলেই পরীক্ষা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আজ শনিবার বিকেলে ভার্চুয়াল মাধ্যমে শিক্ষকদের অনলাইনে প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা-ভর্তি এক বিশাল কর্মযজ্ঞ। এর সঙ্গে জড়িত বিশাল সংখ্যক মানুষের স্বাস্থ্যকে তো আমরা ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারি না। কাজেই এ মুহূর্তে কোনোভাবেই আমরা বলতে পারছি না যে এইচএসসি পরীক্ষা কবে নাগাদ নেওয়া সম্ভব। যখন আমাদের এ পরীক্ষা নেওয়ার মতো স্বাস্থ্য ঝুঁকিবিহীন পরিবেশ তৈরি হবে, আমরা তখনই কেবল পরীক্ষাটি নিতে পারব।

এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের কলেজে ভর্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন না হতে আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, যারা এসএসসি পরীক্ষায় পাস করেছে কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে তাদের অনেক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আমি বলব যে এ নিয়ে একেবারেই উদ্বিগ্ন হবে না।

অনলাইনে শিক্ষা নিতে এবং পাঠদান করাতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের যাতে ইন্টারনেট খরচ নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে না হয় সে বিষয়টি নিয়ে আমরা চিন্তাভাবনা করছি উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বল্পমূল্যে বা বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা দিতে মোবাইল কম্পানিগুলোর সাথে আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি।

ইবির বোটানিক্যাল গার্ডেনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
                                  
ইবি প্রতিনিধি: চলতি মৌসুমে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বোটানিক্যাল গার্ডেনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ অাসকারী।
 
জানা যায়, এ কর্মসূচির আওতায় ভেষজ, ফলজ, মসলা ও ফুলের গাছসহ বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদের চারা ও বীজ পুরো মৌসুম জুড়ে লাগানো হবে। ভেষজ উদ্ভিদের মধ্যে নীম, নিসিন্দা, বহেরা, হরিতকি, বাসক, ছাতিম, কালোমেঘ, অশোক ও ফলজ উদ্ভিদের মধ্যে শরীফা, জয়তুন, মাল্টা, আপেলকূল, ড্রাগন ফল, চেরী, বেদানা, নাশপাতি, কালো আঙ্গুর, পিচফল ইত্যাদির চারা রোপণ করা হবে। এছাড়াও মসলা জাতীয় উদ্ভিদ যেমন গোলমরিচ, দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, তেজপাতা সহ নানা প্রকৃতির ফুলের গাছ যেমন পলাশ, কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া, কনকচাঁপা, কামিনীসহ বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদের চারা ও বীজ পুরো মৌসুম জুড়ে রোপণ করা হবে। 
 
উদ্বোধনকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা, মার্কেটিং বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. জাকারিয়া রহমান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আলীমুজ্জামান টুটুল, উপ-রেজিস্ট্রার (এস্টেট) সাইফুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
 
উল্লেখ্য, গতবছর ৩ আগস্ট ঔষধি, ফল, ফুল ও কাঠ সহ মোট ৮৫ প্রজাতির গাছ নিয়ে বোটানিক্যাল গার্ডেনের উদ্বোধন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকের পাশেই ৬ বিঘা জমির উপর করা হয়েছে এই গার্ডেন। 


নাসিমকে নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস, ইবি শিক্ষার্থী বহিষ্কার
                                  

ইবি প্রতিনিধি: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে রাজনৈতিক দল ও বর্ষীয়ান নেতাদের কটাক্ষ করার অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টাকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই শিক্ষার্থীর নাম সাদিকুল ইসলাম (জি কে সাদিক)। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী এবং শাখা `ছাত্র ইউনিয়নের` সাধারণ সম্পাদক।

সোমবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ স্বাক্ষরিত অফিস আদেশের মাধ্যমে তথ্যটি জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, সাদিক তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে বিভিন্ন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদসহ, বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক দল সম্পর্কে অশ্লীল, ব্যাঙ্গাত্মক, আপত্তিকর, প্রতিহিংসামূলক ও নৈতিক মূল্যবোধ পরিপন্থি বক্তব্য ধারাবাহিক ভাবে উপস্থাপন করে চলেছে। তার প্রদত্ত স্ট্যাটাস বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে এবং যা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির কারণ হতে পারে। ফলে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রত্ব থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়াও ছাত্র শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী তাকে কেন স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না এ মর্মে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, সাদিক তার ব্যক্তিগত ফেসবুকে কয়েকটি স্ট্যাটাস দেন। এতে সদ্য প্রয়াত অাওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিম ও সরকারের সমালোচনায় আপত্তিকর ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও তিনি দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার সমালোচনা করে বিভিন্ন পোস্ট দেন। তার এসব পোস্টের পর থেকেই শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান ও সাবেক নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ জানিয়ে সাদিকের শাস্তি দাবি করে। ছাত্রলীগের দাবির প্রেক্ষিতে তার বহিস্কারের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এদিকে ছাত্র ইউনিয়ন ইবি সংসদের সাধারণ সম্পাদক সাদিকুল ইসলামের বহিষ্কারাদেশ তুলে নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির বিভিন্ন সংসদের নেতা-কর্মীরা।

এক যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেহেদী হাসান নোবেল ও সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের যৌক্তিক সমালোচনা করলেই কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ণ করে ভয় ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। এরই ধারাবাহিকতায়, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক জিকে সাদিককে অভিযুক্ত করে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। আমরা অনতিবিলম্বে এই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করার দাবি জানাচ্ছি।

এবিষয়ে জি কে সাদিক বলেন, আমার কিছু ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর প্রতিবাদের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে আমার যৌক্তিক অবস্থান তুলে ধরে কারণ দর্শাবো।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী বলেন, জাতীর এ ক্রান্তিলগ্নে আমার শিক্ষার্থীর এমন কুরুচিপূর্ণ ও প্রতিহিংসামূলক বক্তব্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছে। সে এগুলো কেন বলেছে, কি জন্য বলেছে তার জবাব দিবে। আমরা ছাত্র উপদেষ্টাকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। কমিটি রিপোর্ট জমা দিলে তার প্রেক্ষিতে চূড়ান্ত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

৬ আগস্ট পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: প্রাণঘাতী মহামারী করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকানো ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হয়েছে।

আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসং‌যোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে করোনা সংকটের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি কয়েকদফা বাড়ানো হয়। সর্বশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়িয়ে ১৫ জুন পর্যন্ত করা হয়। এখন তা বাড়িয়ে ৬ আগস্ট পর্যন্ত করা হলো।


   Page 1 of 32
     শিক্ষা
ছাত্র হত্যা মামলায় পদ হারালেন ইবি কর্মচারী
.............................................................................................
ইবি ছাত্রলীগকর্মীর সচেতনতামূলক কার্যক্রম
.............................................................................................
রাবির ইমেরিটাস অধ্যাপক এবিএম হোসেন আর নেই
.............................................................................................
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র হত্যা: ইবি কর্মচারী গ্রেফতার
.............................................................................................
প্রাথমিকে ৪০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ আসছে
.............................................................................................
ইবি’র দুই শিক্ষকের পেনশনের চেক প্রদান
.............................................................................................
এসএসসি পর্যন্ত কোন বিভাগ থাকছে না
.............................................................................................
ছাত্রীর সাথে অশ্লীল ফোনালাপ ফাঁস, ইবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি
.............................................................................................
শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
.............................................................................................
শিক্ষা কার্যক্রম ও সমসাময়িক বিষয়ে জবি শিক্ষার্থীদের ভাবনা
.............................................................................................
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে জীবাণুনাশক বুথ স্থাপন
.............................................................................................
বুয়েটের নতুন উপাচার্য সত্য প্রসাদ মজুমদার
.............................................................................................
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
ইবির বোটানিক্যাল গার্ডেনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
.............................................................................................
নাসিমকে নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস, ইবি শিক্ষার্থী বহিষ্কার
.............................................................................................
৬ আগস্ট পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে
.............................................................................................
আবারও বাড়ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি
.............................................................................................
করোনায় আক্রান্ত ইবি’র উপ-প্রকৌশলী
.............................................................................................
করোনায় চরম সংকটে শিক্ষাব্যবস্থা, দুশ্চিন্তায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
জিপিএ-৫ পেয়েও কান্না থামছে না জুই’র: অর্থাভাবে একাদশে ভর্তি নিয়ে শঙ্কা!
.............................................................................................
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ইবি ছাত্রলীগের বৃক্ষরোপণ
.............................................................................................
৮ জুন খুলছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
.............................................................................................
নটর ডেম-হলিক্রস-সেন্ট যোসেফ-সেন্ট গ্রেগরি কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়া স্থগিত
.............................................................................................
এসএসসি ও সমমানে পাসের হার ৮২.৮৭%
.............................................................................................
এসএসসি-সমমানের ফল প্রকাশ
.............................................................................................
যেভাবে জানা যাবে এসএসসির ফল
.............................................................................................
এসএসসি’র ফল প্রকাশের পরপরই একাদশে ভর্তি
.............................................................................................
ইবিতে সিওয়াইবি’র অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
জবির আরও এক শিক্ষার্থী করোনা আক্রান্ত
.............................................................................................
৩০ মে পর্যন্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ
.............................................................................................
জবির সাবেক শিক্ষার্থী করোনায় আক্রান্ত
.............................................................................................
নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জবি ছাত্রী
.............................................................................................
কারিগরি ও মাদরাসার ৯৮২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত
.............................................................................................
করোনা যুদ্ধে জয়লাভ করলেন জবি শিক্ষার্থী
.............................................................................................
করোনায় মুঠোফোনে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে জবির মনোবিজ্ঞান বিভাগ
.............................................................................................
অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
.............................................................................................
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ছে
.............................................................................................
ঢাবি শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ
.............................................................................................
ঢাবিতে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ
.............................................................................................
পরীক্ষার সময় রাজনৈতিক কর্মসূচি না দেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে জবি শিক্ষক সমিতির শ্রদ্ধা
.............................................................................................
গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে ‘রিয়েল এস্টেট সেল্স এ্যান্ড মার্কেটিং’ শীর্ষক ওয়ার্কশপ
.............................................................................................
উৎসবমুখর পরিবেশে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন চলছে
.............................................................................................
চবিতে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় আটক ২০
.............................................................................................
বারৈচা বালিকা বিদ্যালয়ে খোলা মাঠে পাঠদান
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন জবির ৬ শিক্ষার্থী
.............................................................................................
হাসপাতাল ছাড়লেন ঢাবির সেই ছাত্রী
.............................................................................................
শিক্ষার্থী ধর্ষণের প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল ঢাবি
.............................................................................................
ঢাবি ছাত্রীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে অনশন
.............................................................................................
ফারাবির অবস্থার উন্নতি, খোলা হয়েছে লাইফ সাপোর্ট
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft