শনিবার, ২৪ অগাস্ট ২০১৯ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   শিক্ষা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা-২০১৯ এর সময়সূচি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবারের পরীক্ষা ১৭ নভেম্বর শুরু হয়ে শেষ হবে ২৪ নভেম্বর। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) মন্ত্রণালয় পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করে। যা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে (ttps://mopme.gov.bd) পাওয়া যাবে।

পরীক্ষায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
 
পরীক্ষার সূচি:
প্রাথমিক সমাপনীতে ১৭ নভেম্বর ইংরেজি, ১৮ নভেম্বর বাংলা, ১৯ নভেম্বর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, ২০ নভেম্বর প্রাথমিক বিজ্ঞান, ২১ নভেম্বর ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এবং ২৬ নভেম্বর গণিত বিষয়ের পরীক্ষা হবে।

ইবতেদায়ী সমাপনীতে ১৭ নভেম্বর ইংরেজি, ১৮ নভেম্বর বাংলা, ১৯ নভেম্বর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এবং বিজ্ঞান, ২০ নভেম্বর আরবি, ২১ নভেম্বর কোরআন মাজিদ ও তাজবীদ এবং আকাঈদ ও ফিকহ্ এবং ২৪ নভেম্বর গণিত বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ২০০৯ সাল এবং ইবতেদায়ীতে এই পরীক্ষা শুরু হয় ২০১০ সালে। প্রথম দুই বছর বিভাগভিত্তিক ফল দেওয়া হলেও ২০১১ সাল থেকে গ্রেডিং পদ্ধতিতে ফল দেওয়া হচ্ছে। ২০১৩ সাল থেকে এই পরীক্ষার সময় আধা ঘণ্টা বাড়িয়ে আড়াই ঘণ্টা করা হয়। সমাপনী পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিয়ে থাকে সরকার।

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার সূচি প্রকাশ
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা-২০১৯ এর সময়সূচি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবারের পরীক্ষা ১৭ নভেম্বর শুরু হয়ে শেষ হবে ২৪ নভেম্বর। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) মন্ত্রণালয় পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করে। যা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে (ttps://mopme.gov.bd) পাওয়া যাবে।

পরীক্ষায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
 
পরীক্ষার সূচি:
প্রাথমিক সমাপনীতে ১৭ নভেম্বর ইংরেজি, ১৮ নভেম্বর বাংলা, ১৯ নভেম্বর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, ২০ নভেম্বর প্রাথমিক বিজ্ঞান, ২১ নভেম্বর ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এবং ২৬ নভেম্বর গণিত বিষয়ের পরীক্ষা হবে।

ইবতেদায়ী সমাপনীতে ১৭ নভেম্বর ইংরেজি, ১৮ নভেম্বর বাংলা, ১৯ নভেম্বর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এবং বিজ্ঞান, ২০ নভেম্বর আরবি, ২১ নভেম্বর কোরআন মাজিদ ও তাজবীদ এবং আকাঈদ ও ফিকহ্ এবং ২৪ নভেম্বর গণিত বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ২০০৯ সাল এবং ইবতেদায়ীতে এই পরীক্ষা শুরু হয় ২০১০ সালে। প্রথম দুই বছর বিভাগভিত্তিক ফল দেওয়া হলেও ২০১১ সাল থেকে গ্রেডিং পদ্ধতিতে ফল দেওয়া হচ্ছে। ২০১৩ সাল থেকে এই পরীক্ষার সময় আধা ঘণ্টা বাড়িয়ে আড়াই ঘণ্টা করা হয়। সমাপনী পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিয়ে থাকে সরকার।

ধলেশ্বরী নদীতে গোসল করতে গিয়ে ৩ শিক্ষার্থী নিখোঁজ
                                  

নিজস্ব সংবাদদাতা: রাজধানীর ধানমন্ডি আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের তিন শিক্ষার্থী  সাভারের ধলেশ্বরী নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয়েছেন। এ ঘটনায় অসুস্থ আরও এক শিক্ষার্থীকে নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সাভারের ধলেশ্বরী নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ শিক্ষার্থীরা হলেন- বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী, আকাশ ও রাজন।
সাভার ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার লিটন আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১২ জন শিক্ষার্থী সাভারের ব্যাংকটাউন এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে নৌভ্রমণে আসেন।

পরে তারা সাড়ে ১১টার দিকে গোসল করতে নেমে তিন শিক্ষার্থী নিখোঁজ হন। এসময় আরও এক শিক্ষার্থীকে অসুস্থ অবস্থায় সাভারের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নিখোঁজদের সন্ধানে ডুবুরি দলকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান সিনিয়র স্টেশন অফিসার লিটন।

দ্বিতীয় দিনের মতো ঢাবির সব ভবনে তালা
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : সরকারি সাত  কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।

সোমবার আন্দোলনের দ্বিতীয় দিনেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনে তালা লাগিয়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনকারীদের মুখপাত্র শাকিল মিয়া বলেন, আজও স্বতঃস্ফূর্তভাবে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে অংশ নিয়েছে। সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা দেয়া হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্লাস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকছে।

জানা গেছে, সকাল আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা দেয় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এরপর সেখানে বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে অবস্থান নেয় তারা। সকাল দশটার দিকে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিনসহ কয়েকজন শিক্ষকের বাগবিতণ্ডা হয়। আন্দোলনকারীরা বলেন, অধ্যাপক আ ক ম জামালের আচরণ কোনোভাবেই শিক্ষকসুলভ নয়।

এ সময় তারা ‘প্রশাসন করে কী, খায় দায় ঘুমায় নাকি’, ‘নির্লজ্জ প্রশাসন, ধিক্কার, ধিক্কার’, ‘ঢাবির সম্মান, নষ্ট হতে দেব না’, ‘সাত কলেজ বাতিল চাই’, ‘রক্তে ঢাবির সম্মান, সাত কলেজ বেমানান’ ইত্যাতি স্লোগান দিতে থাকেন।

সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলসহ চার দফা দাবিতে গতকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট ডেকেছে শিক্ষার্থীরা। পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি চলছে। অধিভুক্তি বাতিলসহ দাবিগুলো হলো-চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই অধিভুক্ত সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিল করা; দুই মাসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষার ফলাফল দেয়া; বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম ডিজিটালাইজেশন করা এবং ক্যাম্পাসে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও রিকশা ভাড়া নির্ধারণ করা।

এর আগে পরীক্ষায় গণহারে ফেল করানোর প্রতিবাদে ও সঠিক সময়ে ফল প্রকাশের দাবিতে একাধিকবার সড়ক অবরোধ করে কর্মসূচি পালন করেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।

আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্তি থেকে সরকারি সাত কলেজকে বাদ দেওয়ার দাবিতে ১৭ জুলাই বিক্ষোভ করেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা। একই দাবিতে গতকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ফটকে তালা লাগিয়ে আন্দোলন করছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা।

সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের দাবিতে ঢাবির সব ফটকে তালা
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : সরকারি সাত  কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ফটকে তালা লাগিয়ে দিয়েছেন  শিক্ষার্থীরা।

রোববার ২১ জুলাই সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার বিল্ডিং, কলাভবন, ব্যাবসায় অনুষদ, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এসময় আন্দোলনকারীরা অধিভুক্তি বাতিলের দাবি না মেনে নেয়া পর্যন্ত তালা খুলবেন না বলে জানান।

এ বিষয়ে আন্দোলন কর্মী আসিফ  বলেন, আমরা রেজিস্টার বিল্ডিং, কলাভবন, এফবিএস, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদে তালা ঝুলিয়েছি। সাত কলেজের বাতিলের সুনির্দিষ্ট আশ্বাস পাওয়ার আগে আমাদের অবস্থান থেকে সরে আসবো না।

এদিকে শিক্ষার্থীদের একাংশের আন্দোলনের ফলে সকালে ক্লাস করতে এসে ফিরে গিয়েছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এর আগে ৮টায় কর্মচারীরা তালা খুলতে এলে তাদের বাধা দেয় আন্দোলনকারীরা।

সর্বশেষ সকাল ৯টার দিকে প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মু. সামাদ তার কার্যালয়ে ঢোকার চেষ্টা করলেও শিক্ষার্থীদের বাধায় ঢুকতে পারেননি। এ সময় প্রো-ভিসি তাদের বলেন, এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের একক কোনো সিদ্ধান্ত না, জাতীয় সিদ্ধান্ত। তাই কোনো কিছু করতে হলে একটা প্রসেসের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। সেই সময় পর্যন্ত তোমরা আন্দোলন স্থগিত করো।

প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা তালা খুলে দেয়নি।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, সাত কলেজ বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গলার কাঁটা হিসেবে পরিণত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৭ হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ সেখানে অতিরিক্ত সাত কলেজের পৌনে ২ লাখ শিক্ষার্থীর দায়িত্বভার গ্রহণ অযৌক্তিক ও অনভিপ্রেত। তাই তারা সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিল চান।

শতভাগ পাস ৯০৯ প্রতিষ্ঠানে, ৪১টিতে পাস করেনি কেউ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে শতভাগ পাস করেছে এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯০৯টি, যা গতবার ছিল ৪০০টি। আর একজনও পাস করেনি এমন প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৪১টি, যা গতবার ছিল ৫৫টি।

গণভবনে বুধবার সকাল ১০টার পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট বোর্ডের চেয়ারম্যানরা তাদের স্ব স্ব বোর্ডের ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। এরপর সংবাদ সম্মেলনে ফল ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের ১০ শিক্ষাবোর্ডের প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা গতবারের চেয়ে দিগুণেরও বেশি বেড়েছে। অন্যদিকে পাস না করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২০১৮ সালের চেয়ে কমেছে।

সারাদেশের মোট ৮ হাজার ৯৮৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। যা গতবার ছিল ৮ হাজার ৯৪৫টি। এবার মোট কেন্দ্র ছিল ২৫৬০টি, যা গতবার ছিল ২৫৪০টি। এইসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলাকালীন বিভিন্ন কারণে বহিষ্কার হয়েছেন ৬৬১ জন, যা গতবার ৮২৬ জন।

যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফল
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : সারাদেশে একযোগে প্রকাশ করা হয়েছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল । আজ দুপুর ১টায় শিক্ষার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নিজ কলেজ ও মাদরাসা থেকে ফল জানতে পারবে।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট থেকেও পরীক্ষার ফল জানতে পারবেন শিক্ষার্থীরা; জানা যাবে মোবাইল ফোনে এসএমএস করেও। এবার উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় সার্বিকভাবে পাস করেছে ৭৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ৪৭ হাজার ২৮৬ জন পেয়েছে জিপিএ-৫।

আজ দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এবারের ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী। বেলা ১টা থেকে পরীক্ষার্থীরা নিজেদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট (http://www.educationboard.gov.bd) থেকে ফল জানতে পারবেন।

এসএমএসে ফল : আটটি সাধারণ বোর্ডের অধীনে এইচএসসির ফল জানাতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৯ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

আলিমের ফল জানতে Alim লিখে স্পেস দিয়ে Mad স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৯ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল পাওয়া যাবে।

এছাড়া এইচএসসি ভোকেশনালের ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে Tec লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৯ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

ফল পুনঃনিরীক্ষা : রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক থেকে আগামী ১৮ থেকে ২৪ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা যাবে।

ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

ফিরতি এসএমএসে ফি বাবদ কত টাকা কেটে নেয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর (পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর-PIN) দেওয়া হবে।

আবেদনে সম্মত থাকলে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।

প্রতিটি বিষয় ও প্রতি পত্রের জন্য দেড়শ’ টাকা হারে চার্জ কাটা হবে।

যে সব বিষয়ের দুটি পত্র (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র) রয়েছে যে সকল বিষয়ের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করলে দুটি পত্রের জন্য মোট ৩০০ টাকা ফি কাটা হবে।

একই এসএমএসে একাধিক বিষয়ের আবেদন করা যাবে, এক্ষেত্রে বিষয় কোড পর্যায়ক্রমে ‘কমা’ দিয়ে লিখতে হবে।

এইচএসসিতে পাশের হার ৭৩.৯৩ শতাংশ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : উচ্চ মাধ্যমিক-এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১০ বিভাগে পাসের গড় হার ৭৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৭ হাজার ২৮৬ জন। গত বছর এ পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২৯ হাজার ২৬২ জন।

বুধবার সকাল ১০টার পর গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

এরপর সংশ্লিষ্ট বোর্ডের চেয়ারম্যানরা তাদের স্ব স্ব বোর্ডের ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৩ লাখ ৩৬ হাজার ৬২৯ জন। এরমধ্যে পাস করেছেন ৯ লাখ ৮৮ হাজার ১৭২ জন। ফেল করেছেন ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৪৫৭ জন।

শতভাগ পাস করেছে এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯০৯টি এবং একজনও পাস করেনি এমন প্রতিষ্ঠান ৪১টি।

প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী আটটি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডে পাস করেছে ৭১ দশমিক ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। মোট জিপিএ-ফাইভ পেয়েছেন ৪১ হাজার ৮০৭ জন।

মাদ্রাসা বোর্ডে পাস করেছে ৮৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ শিক্ষার্থী। জিপিএ-ফাইভ পেয়েছে দুই হাজার ৫৪৩ জন। কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৮২.৬২। জিপিএ ফাইভ পেয়েছে তিন হাজার ২৩৬ জন।

গত ১ এপ্রিল থেকে এএইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। শেষ হয় মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে। এবছর ১০টি বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৮১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাড়ে ১৩ লাখের মতো শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে ৬ লাখ ৬৪ হাজার ৪৯৬ জন ছাত্র এবং ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৯ জন ছাত্রী। দুই হাজার ৫৭৯টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ বেলা সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন মন্ত্রী। তবে পরীক্ষার্থীরা দুপুর ১টা থেকে নিজেদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট (www.educationboardresults.gov.bd) থেকে ফল জানতে পারবেন।

এমপিওভুক্তিতে অবহেলিত এলাকা অগ্রাধিকার পাবে
                                  

বিশেষ প্রতিনিধি : দীঘ ৮ বছর পর সরকার স্বীকৃত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে হাওড়-বাঁওড়, পাহাড়িসহ দুর্গম এলাকা এবং নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। তার মধ্যে রয়েছে বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। চলতি অর্থবছরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এক হাজার ১৪৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। আর নতুন ও পুরাতন এমপিওভুক্ত সকল শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা হিসেবে সরকার ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে। গত অর্থবছরে এই বরাদ্দ ছিল ১৩ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, প্রায় ১০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওর জন্য আবেদন করলেও তার মধ্যে যোগ্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা খুব বেশি নেই। দুই হাজারেও কম প্রতিষ্ঠান এমপিওর জন্য প্রযোজ্য চার শর্ত শতভাগ পূরণ করতে পেরেছে। তবে দীর্ঘদিন এমপিও বন্ধ থাকার কথা বিবেচনায় নিয়ে আরো কিছু প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করতে চাচ্ছে সরকার। এখন পর্যন্ত সম্ভাব্য এমপিওর তালিকায় এসেছে দুই হাজার ৭৬২ প্রতিষ্ঠান। কিন্তু হাওড়-বাঁওড়, পাহাড়ীসহ দুর্গম এলাকা ও নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দিয়েই ওই তালিকা চূড়ান্ত করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে মোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা আরো বেড়ে প্রায় তিন হাজার হতে পারে। এমনকি দুর্গম অঞ্চলের প্রতিষ্ঠানকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে নতুন এমপিও নীতিমালা কিছুটা শিথিল করাও হতে পারে।

সূত্র জানায়, এখন পর্যন্ত এমপিওভুক্ত তালিকায় আসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১ হাজার ৬২৯টি স্কুল ও কলেজ, ৫৮২টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ৫৫১টি মাদ্রাসা রয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিওভুক্ত হওয়ার সব যোগ্যতা রয়েছে। বর্তমানে দেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে ২৭ হাজার ৮১০টি। ওসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৫ লাখ। নতুন আরো তিন হাজার প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হলে ওই প্রতিষ্ঠান ও আগের ২৭ হাজার ৮১০ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা হিসেবে নতুন অর্থবছরে ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে সরকার। তার আগে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে এই বরাদ্দ ছিল ৫ হাজার ৩৪৩ কোটি টাকা, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৫ হাজার ৬২০ কোটি, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৯ হাজার ৬৯১ কোটি, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১০ হাজার ৯৩৩ কোটি। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১১ হাজার ১২ কোটি, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১৩ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল।

সূত্র আরো জানায়, বিগত ২০১০ সালের পর কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত হয়নি কোন। ওই সময়ে ৭ হাজারেরও বেশি বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাছাড়া ২০১০ সালের আগে একাডেমিক স্বীকৃতি পাওয়া নন-এমপিও প্রতিষ্ঠানও রয়েছে প্রায় ৩ হাজার। সব মিলিয়ে এমপিওর অপেক্ষায় ১০ হাজারেরও বেশি সরকার স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এমপিওর জন্য ওসব প্রতিষ্ঠানের কয়েক লাখ শিক্ষক কর্মচারী বছরের পর বছর ধরে অপেক্ষা করছেন। ২০১১ সাল থেকেই চলছে এমপিওর দাবির আন্দোলন। বিভিন্ন সময় সংসদ সদস্যরাও নিজ এলাকার প্রতিষ্ঠান এমপিওর জন্য একই দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন। তবে এবার এমপিও নিয়ে অপেক্ষার অবসান হচ্ছে।

এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টদের মতে, কয়েক হাজার প্রতিষ্ঠান এমপিওর অপেক্ষায় থাকলেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই এমপিওর যোগ্যতা পূরণ করতে পারছে না। ফলে অর্থ সঙ্কটের বাইরে প্রতিষ্ঠানের অযোগ্যতাও এমপিওর পথে একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের ৫ থেকে ২০ আগস্ট বেসরকারি স্কুল ও কলেজের কাছ থেকে অনলাইনে এমপিওভুক্তির আবেদন নেয়া হয়। প্রায় ১০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইনে আবেদন করে। নতুন এমপিওর জন্য চারটি শর্ত দিয়ে আবেদন করার নির্দেশ দেয়া হয়।

চারটি শর্ত হলো-প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক স্বীকৃতির বয়স, শিক্ষার্থী সংখ্যা, পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবং পাসের হার। যেসব প্রতিষ্ঠান এই শর্তগুলো পূরণ করেছে তাদের মধ্য থেকে স্বয়ংক্রিয় গ্রেডিংয়ের মাধ্যমে শীর্ষ প্রতিষ্ঠানকে এমপিও দেয়ার জন্য বাছাই করা হয়। বর্তমানে দেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে ২৭ হাজার ৮১০টি। ওসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৫ লাখ। প্রতি মাসে এদের বেতনভাতা বাবদ সরকারের খরচ হয় ৯৪২ কোটি টাকা।

এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠান সরকারী করার প্রক্রিয়ায় আছে। সর্বশেষ ২০১০ সালে এক হাজার ৬২৪ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়। এরপর আর কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়নি। প্রতিষ্ঠান এমপিওর দাবিতে ওসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের সংগঠন ‘ননএমপিও শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশন’ বহুদিন যাবত আন্দোলন করছে।

অন্যদিকে এমপিওভুক্তির বাছাই কমিটির সদস্য ও ব্যানবেইসের মহাপরিচালক মোঃ ফসিউল্লাহ জানান, এমপিওভুক্তির জন্য ১০০ নম্বরের যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে। দুর্গম এলাকার যেসব প্রতিষ্ঠান শতভাগ যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি, সেগুলোকে কীভাবে বিবেচনায় নেয়া যায় তা ভাবা হচ্ছে। নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও অগ্রাধিকার পাবে। তা করা হলে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কিছু বাড়বে। তবে এখনও কিছু চূড়ান্ত হয়নি। তবে কাজ দ্রুত এগোচ্ছে।

মৌলিক গবেষণায় পিছিয়ে পড়ছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মৌলিক গবেষণায় ক্রমাগত পিছিয়ে পড়ছে। এমনকি অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণাই হচ্ছে না। আর যেটুকু হচ্ছে তাও মানসম্মত না হওয়ায় আন্তর্জাতিক জার্নালে ছাপা যাচ্ছে না। অভিযোগ রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার জন্য কম বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। আবার যেটুকু বরাদ্দ রাখা হচ্ছে তাও অনেক বিশ্ববিদ্যালয় খরচ করতে পারছে না। ফলে মৌলিক গবেষণা ও আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশনা কমে যাওয়ায় দেশের উচ্চশিক্ষা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দেশে সরকারি ও বেসরকারি ১৩১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৪১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। তার মধ্যে সরকারি ১০টি আর বেসরকারি ৩১টি। ২০১৭ সালে সরকারি- বেসরকারি ১৩৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ১২৭টিতে শিক্ষা কার্যক্রম ছিল। তার মধ্যে ৩৭টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮টিতে এবং ৯০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৭টিতে কোনো গবেষণা প্রকল্পই ছিল না। পিএইচডি ও এমফিল ফেলোশিপ গ্রহণেও অনাগ্রহ দেখা গেছে। ইউজিসির ১০০টি পিএইচডি ফেলোশিপ থাকলেও ২০১৭ সালে মাত্র ৫৮ জন শিক্ষক তা গ্রহণ করেন। তার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ২৫ জন ও কলেজ শিক্ষক ৩৩ জন। সমাপ্ত করেন ৩৪ জন। ৫০টি এমফিল ফেলোশিপ থাকলেও গ্রহণ করেন ৬ জন। সবাই কলেজ শিক্ষক। সমাপ্ত করেন ৫ জন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তথ্যানুযায়ী ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে এমফিলে ১১৬ ও পিএইচডি প্রোগ্রামে ৫১ জন গবেষক ভর্তি হন। ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে এমফিলে ভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৪৯ ও পিএইচডিতে ২২। এক বছরের ব্যবধানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে গবেষণায় অংশগ্রহণের হার কমেছে ৫৮ শতাংশ।

সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা প্রকল্প প্রদানে স্বজনপ্রীতি, ভালো ল্যাব না থাকা, গবেষণায় বরাদ্দে অপ্রতুলতা, ভালো গবেষণার স্বীকৃতি না পাওয়া, পদোন্নতিতে গবেষণার চেয়ে রাজনৈতিক মতাদর্শকে প্রাধান্য দেয়ায় মেধাবী শিক্ষকরা গবেষণাবিমুখ হচ্ছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন শুধু ডিগ্রি প্রদান প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা আরো করুণ। অর্ধেকের বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো গবেষণাই হচ্ছে না। বাকিগুলো নামমাত্র বরাদ্দ রেখে দায় সারছে।

সূত্র আরো জানায়, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য অনুন্নয়ন বরাদ্দ দেয়া হয় ৪ হাজার ১৫১ কোটি টাকা। ৩৭টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা বাবদ বরাদ্দ রাখা হয় ৬১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা (১.৪৮%)। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৪৫ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুন্নয়ন বাজেট অনুমোদন করা হয় ৪ হাজার ৮৩৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। ৩৪টি বিশ্ববিদ্যালয়কে ৬২ কোটি ৩৬ লাখ টাকা গবেষণা বরাদ্দ দেওয়া হয়, যা অনুন্নয়ন বাজেটের ১.২৯ শতাংশ। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৪৫ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বাজেট অনুমোদন করা হয় ৮ হাজার ৮৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। তার মধ্যে অনুন্নয়ন বাজেট ৫ হাজার ৮৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। ৩৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গবেষণা বরাদ্দ দেয়া হয় ৬৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা, যা অনুন্নয়ন বাজেটের ১.২৬ শতাংশ। প্রতি বছরই গবেষণায় বরাদ্দের হার কমেছে। আবার ওই বরাদ্দও খরচ করতে পারছে না অনেক বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে গবেষণা খাতে বরাদ্দ দেয়া হয় ১৪ কোটি টাকা। বছর শেষে দেখা যায়, খাতটিতে ব্যয় হয়েছে ৮ কোটি ৪২ টাকা। বরাদ্দের ৪০ শতাংশই ব্যয় করতে পারেনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। পরের বছর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বরাদ্দ কমিয়ে ৯ কোটি করা হয়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গবেষণা বরাদ্দ ছিল এক কোটি টাকা। টাকাটা অব্যয়িত থেকে যায়। প্রতিটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্রই এক।

এদিকে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাবেক চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী জানান, গবেষণা করতে না পারলে স্কুল আর বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ তিনটি। গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান উৎপাদন, বিভিন্ন প্রকাশনার মাধ্যমে সেই জ্ঞান সংরক্ষণ ও পাঠদানের মাধ্যমে জ্ঞান বিতরণ। বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শুধু পুরনো জ্ঞান বিতরণ হচ্ছে, নতুন জ্ঞানের আবিষ্কার হচ্ছে না। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য যে বরাদ্দ দেয়া হয় তার বেশিরভাগই খরচ হয় বেতন-ভাতা ও অবকাঠামো নির্মাণে। গবেষণায় বরাদ্দ নামমাত্র। পর্যাপ্ত সরঞ্জামসহ গবেষণা ল্যাব নেই। ভালো গবেষণার জন্য পুরস্কৃত করার ব্যবস্থা নেই। পদোন্নতি বা নিয়োগের ক্ষেত্রে গবেষণা মূল্যায়ন করা হয় না। রাজনৈতিক বিবেচনায় অনেকে পদোন্নতি পাচ্ছেন। ওই কারণে মেধাবীদের কেউ কেউ অর্থের জন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পার্টটাইম শিক্ষকতায় যুক্ত হচ্ছেন, কেউ পদোন্নতি ও সুযোগ-সুবিধার জন্য রাজনীতিতে সময় দিচ্ছেন। ফলে মেধাবী গবেষক পাওয়া যাচ্ছে না।

তাছাড়া কম বরাদ্দের মধ্যেও কিছু বিশ্ববিদ্যালয় সম্পূর্ণ অর্থ খরচ করতে পারছে না। আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের ওপর বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। কেউ পাচ্ছে, কেউ পাচ্ছে না। আবার যারা গবেষণা করছেন, সঠিক মান বজায় না রাখায় আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশ করতে পারছে না। যেহেতু কোনোরকমে গবেষণা একটা করে অনলাইনে বা ফ্যাকাল্টি জার্নালে প্রকাশ হলেই পদোন্নতি হচ্ছে, তাই মৌলিক গবেষণা ও আন্তর্জাতিক জার্নালে তা প্রকাশের চেষ্টাও করা হচ্ছে না। ওসব কারণে গবেষণার সংস্কৃতিই গড়ে উঠছে না।

অন্যদিকে এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির সদ্য-সাবেক ভিজিটিং রিসার্চ ফেলো ড. রাহমান নাসির উদ্দিন জানান, বিশ্ববিদ্যালয় যে একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানও সেটা আমরা শিক্ষা-দর্শনে কখনোই বিবেচনায় নেই না। বিশ্বের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে, সেখানে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা খাতে সরকারি বরাদ্দ খুবই অপ্রতুল। বেসরকারিভাবে গবেষণার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রণোদনা নেই।

অথচ বিশ্বের অনেক দেশেই বেসরকারি খাত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বাজেটের বড় অংশ আসে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে মৌলিক গবেষণা তেমন একটা হচ্ছে না। বাংলাদেশের প্রধান পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণায় কিছু বরাদ্দ রাখে যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সামান্য। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক তাই গবেষণার চেয়ে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িয়ে অধিক অর্থ উপার্জনে আগ্রহী। আবার গবেষণা বরাদ্দ অনেক ক্ষেত্রে গবেষণা প্রকল্পের গুণগত মানের চেয়ে রাজনৈতিক পরিচয় এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিত্তিতে দেয়া হয়। ফলে অনেক মেধাবী শিক্ষক হয়তো গবেষণা করতে চেয়েও প্রকল্প পাচ্ছে না। এভাবে সরকারি বরাদ্দের অপ্রতুলতা, বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাব, বরাদ্দ অর্থের যথাযথ বণ্টন-মনিটরিং-মূল্যায়নের অভাব এবং সর্বোপরি শিক্ষকদেরও গবেষণায় ক্রমবর্ধমান অনাগ্রহের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে যতটা এবং যে মানের গবেষণা হওয়া উচিত সেটা হচ্ছে না। ফলে উচ্চশিক্ষার মানও ক্রমান্বয়ে নিম্নমুখী। কিন্তু জ্ঞান উৎপাদন না করে জ্ঞান বিতরণের চিন্তা বাস্তবসম্মত নয়।

ফেসবুক পেজের বিরুদ্ধে রাবি ছাত্রীর জিডি
                                  

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী একটি ফেসবুক পেজের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছেন। গতকাল শুক্রবার ওই ছাত্রী মতিহার থানায় একটি জিডি করেন।

সাধারণ ডায়েরিতে (জিডি) তিনি উল্লেখ করেন, ৪ এপ্রিল মধ্যরাতে ‘আরইউ ক্রাশ অ্যান্ড হেইট কনফেশন’ নামের একটি ফেসবুক পেজে তাঁর ছবিসহ একটি পোস্ট দেওয়া হয়। এতে তাঁর সম্মানহানি করে আপত্তিকর ও বিব্রতকর কথাবার্তা লেখা হয়। তিনি ফেসবুক পেজটির কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানালেও তারা পোস্টটি সরিয়ে নেয়নি। তাই তিনি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় একটি জিডি করেছেন।

জানতে চাইলে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘ওই ছাত্রীর জিডি পেয়েছি। ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একজন এসআইকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. লুৎফর রহমান বলেন, ‘ছাত্রীটি আমার কাছে এসেছিল। আমি মতিহার থানায় যোগাযোগ করে তাঁকে থানায় অভিযোগ করতে বলি।’

প্যানেল ঘোষণা করলো কোটা আন্দোলনকারীরা
                                  

ঢাবি প্রতিনিধি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু নির্বাচনের জন্য প্যানেল ঘোষণা করেছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ব্যানারে এই প্যানেল ঘোষণা করা হয়।

সোমবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে ডাকসু ভবনের সামনে সংগঠনের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন এই প্যানেল ঘোষণা করেন।

এই প্যানেলে সহসভাপতি (ভিপি) পদে লড়বেন নুরুল হক নুর, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে মোহাম্মদ রাশেদ খান, সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ফারুক হোসেন।  এই তিনজনই কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।

পূর্ণাঙ্গ প্যানেলে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল হুদা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক সোহরাব হোসেন, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক শেখ জামাল, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল্লাহ বেলালী, সাহিত্য সম্পাদক আকরাম হোসেন, সংস্কৃতি সম্পাদক নাহিদ ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক মামুনুর রশীদ, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক রাজিবুল ইসলাম, সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন, সদস্য পদে উম্মে কুলসুম বন্যা, রাইয়ান আবদুল্লাহ, সাবআল মাসানী, ইমরান হোসেন, শাহরিয়ার আলম সৌম্য লড়বেন।

দুদক জ্বরে কাঁপছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
                                  

বিশেষ সংবাদদাতা: কোচিং বাণিজ্য এবং ভর্তিতে অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অভিযোগ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সম্প্রতি বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে দুর্নীতির কিছু প্রমাণও পেয়েছে দুদক। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেয়া হয়েছে। আর এ কারণেই দুর্নীতিগ্রস্থ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রীতিমতো দুদক জ্বরে কাঁপছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত ভর্তি ফি নেয়ার হচ্ছে- এমন অভিযোগে দুদকের হটলাইনে অভিযোগকারীদের ফোন পেয়ে নড়েচড়ে বসে দুদক। ফোনের প্রতিক্রয়ায় তাৎক্ষণিক অভিযানে নামে দুদকের টিম। গত ১৬ জানুয়ারি অবৈধ ভর্তির খবরে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে অভিযানে যায় দুদকের একটি টিম। যদিও সেখানে তেমন কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে দুদক থেকে জানানো হয়।

এর পরদিন রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল ও কলেজে ভিআইপি কোটায় ভর্তি-বাণিজ্যের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে দুদকের একটি দল ওই স্কুলে অভিযান চালায়। দলটি প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পায় এবং এ বিষয়ে অধিকতর যাচাই চলমান রয়েছে বলে জানানো হয়।

এরপর কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ পেয়ে গত ২০ জানুয়ারি রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজে অভিযান চালায় দুদক। অভিযানের সময় স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ ৩০ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়।

গত ২৭ জানুয়ারি চট্টগ্রামের বেশ কিছু স্কুলে গোপনে অভিযানে যান দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। সেখানে গিয়ে বেশিরভাগ শিক্ষকদের অনুপস্থিত দেখতে পান। এরপর চেয়ারম্যান গণমাধ্যমকে জানান, আমাদের সন্তানদের শিক্ষা নিয়ে কাউকেই ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবে না। প্রয়োজনে দুদক দণ্ডবিধির ১৬৬ ধারা প্রয়োগ করবে।

এদিকে সর্বশেষ গত ২৮ জানুয়ারি মতিঝিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিযান চালায় দুদক। প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে রশিদ ছাড়াই এক হাজার টাকা করে আদায় করার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রধান শিক্ষক নূরজাহান হামিদাকে সাময়িক বরখাস্ত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

দুদক থেকে বলা হয়, এ বছর ভর্তি বাবদ প্রধান শিক্ষক অবৈধভাবে ৫ লাখ ৭৭ হাজার টাকা আয় করেছেন। দুদকের এমন অভিযানে আতঙ্কে রয়েছে রাজধানীর বিভিন্ন নামীদামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে মিরপুরের মনিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ধানমন্ডির জুনিয়র ল্যাবরেটরি হাই স্কুল, স্ট্যামফোর্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কাকলি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বাড্ডার আলাতুন্নেছা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কিছু স্কুল কর্তৃপক্ষ আতঙ্কে রয়েছে।

রাজধানীর স্ট্যামফোর্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, প্লে থেকে কেজি শ্রেণিতে ভর্তি ফি নিয়েছে ২৮ হাজার টাকা। প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমে বেতনসহ ভর্তি ফি ৩০ থেকে ৩৩ হাজার টাকা পর্যন্ত নেয়া হয়েছে। এই অতিরিক্ত ফি ফেরত দেয়া হবে কি না জানতে স্কুলটির অধ্যক্ষের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক বলেছেন, অতিরিক্ত ফি ফেরত দেয়ার চিন্তাভাবনা চলছে।

মাসুমা আক্তার নামে এক অভিভাবক বলেন, ‘আমরা গত কয়েকদিন ধরেই শুনেছি টাকা ফেরত দেবে, কিন্তু দিচ্ছে না। হয়তো দুদক অভিযান না আসা পর্যন্ত কোনো কাজ হবে না।

এদিকে সরকারি নীতিমালা অনুসরণ না করে জুনিয়র ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের ভর্তি ফি অতিরিক্ত নিলেও তা অতিরিক্ত মনে করছেন না স্কুলটির প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুল্লাহ খান। তিনি বলেন, ‘আমরা এই নিয়মেই গত কয়েকবছর ধরে ফি নিয়ে আসছি, অভিভাবকরাও দিচ্ছে। দুদক যদি অভিযানে আসে তাহলে আমরা আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করবো। আমরা নিজ খরচেই চলি, সরকার আমাদেরকে কোনো টাকায় দেয় না। তারপরও দুদক যদি টাকা ফেরত দিতে বলে তাহলে দেবো।’

ডাকসু নির্বাচন: ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে বৈঠকে প্রশাসন
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন ইস্যুতে ক্যাম্পাসে ক্রিয়াশীল সবগুলো ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও সংবিধান পর্যবেক্ষণ কমিটি। বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদুল মতিন ভার্চুয়াল শ্রেণিকক্ষে এই বৈঠক শুরু হয়েছে।

এর আগে গত ৬ জানুয়ারি সব ছাত্র সংগঠনকে সভায় উপস্থিত থেকে নিজ নিজ সংগঠনের পক্ষে প্রস্তাবনা দেওয়ার জন্য চিঠি দেওয়া হয়। বৈঠকে ছাত্র সংগঠনের নেতারা তাদের বক্তব্য তুলে ধরবেন।

সভায় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানের নেতৃত্ব অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, অধ্যাপক রহমত উল্লাহ, অধ্যাপক জিনাত হুদা, প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ সংসদের সদস্যরা উপস্থিত আছেন।

এছাড়া ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে ছাত্রলীগের পক্ষ হতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন; ছাত্রদলের পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার সিদ্দিকী; ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি ফয়েজ উল্লাহ, ফেডারেশনের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি উম্মে হাবিবা বেনজীরসহ ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতারা উপস্থিত আছেন।

১৬-১৭ জানুয়ারি শাবিতে নবীনদের ওরিয়েন্টেশন
                                  

শাবি প্রতিনিধি: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টশন আগামী ১৬ ও ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি আরও জানান, ১৬ জানুয়ারি ‘এ ইউনিট’ ও ১৭ জানুয়ারি ‘বি ইউনিট’র ওরিয়েন্টেশন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।

হাসনা হেনার মুক্তির দাবিতে ভিকারুননিসায় অনশন
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষক হাসনা হেনার মুক্তির দাবিতে অনশন শুরু করেছে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একদল শিক্ষার্থী। তবে পরীক্ষা যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

অরিত্রী আত্মহত্যা পর তার বাবার করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গত বুধবার গ্রেফতার করা হয়েছে হাসনা হেনাকে।

শিক্ষকের মুক্তি দেওয়া না হলে অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। অনশনে উপস্থিত রয়েছে কয়েকজন অভিভাবক ও সাবেক শিক্ষার্থীও।

সেখানে উপস্থিত এক অভিভাবক বলেন, দোষীদের বিচার অবশ্যই চাই। তাই বলে নির্দোষ কোনো ব্যক্তি ষড়যন্ত্রের শিকার হতে পারেন না।

নিখোঁজ জাবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সৈকত
                                  

নিজস্ব সংবাদদাতা: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম সৈকতকে পাওয়া যাচ্ছেনা বলে জানিয়েছে তার ঘনিষ্ঠজনরা। তাকে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা তুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছে দলীয় নেতাকর্মীরা। বুধবার (১৪ নভেম্বর) সকাল ৭টার দিকে সাভার বাজারে আসার পর থেকে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে তারা জানিয়েছেন।
এদিকে সভার ও আশুলিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে জাবি শাখা ছাত্রদলের কাউকে তারা গ্রেফতার করেনি।
অন্যদিকে এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতিয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম।


   Page 1 of 27
     শিক্ষা
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার সূচি প্রকাশ
.............................................................................................
ধলেশ্বরী নদীতে গোসল করতে গিয়ে ৩ শিক্ষার্থী নিখোঁজ
.............................................................................................
দ্বিতীয় দিনের মতো ঢাবির সব ভবনে তালা
.............................................................................................
সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের দাবিতে ঢাবির সব ফটকে তালা
.............................................................................................
শতভাগ পাস ৯০৯ প্রতিষ্ঠানে, ৪১টিতে পাস করেনি কেউ
.............................................................................................
যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফল
.............................................................................................
এইচএসসিতে পাশের হার ৭৩.৯৩ শতাংশ
.............................................................................................
এমপিওভুক্তিতে অবহেলিত এলাকা অগ্রাধিকার পাবে
.............................................................................................
মৌলিক গবেষণায় পিছিয়ে পড়ছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো
.............................................................................................
ফেসবুক পেজের বিরুদ্ধে রাবি ছাত্রীর জিডি
.............................................................................................
প্যানেল ঘোষণা করলো কোটা আন্দোলনকারীরা
.............................................................................................
দুদক জ্বরে কাঁপছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
.............................................................................................
ডাকসু নির্বাচন: ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে বৈঠকে প্রশাসন
.............................................................................................
১৬-১৭ জানুয়ারি শাবিতে নবীনদের ওরিয়েন্টেশন
.............................................................................................
হাসনা হেনার মুক্তির দাবিতে ভিকারুননিসায় অনশন
.............................................................................................
নিখোঁজ জাবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সৈকত
.............................................................................................
ঢাবি’র চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটে পাস ১৯ দশমিক ৪৫
.............................................................................................
অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতাকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ
.............................................................................................
ঢাবির ৫১তম সমাবর্তন আজ
.............................................................................................
হাটগোপালপুর মর্নিংসান কিন্ডার গার্টেন স্কুলে বৃত্তির অর্থ ও সনদপত্র বিতরণ
.............................................................................................
ভর্তি পরীক্ষা : ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ
.............................................................................................
খুবিতে প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদন শুরু
.............................................................................................
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে ৯৭৬৭ জন চূড়ান্ত
.............................................................................................
পদ্মা সেতুর ৪র্থ স্প্যান বসলো
.............................................................................................
আজ থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু
.............................................................................................
কনুই দিয়ে লিখে জিপিএ-৫!
.............................................................................................
দেশসেরা রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড
.............................................................................................
অধ্যাপক আসিফ নজরুলকে জুতাপেটার হুমকি
.............................................................................................
এসএসসির ফল যেভাবে পাওয়া যাবে
.............................................................................................
গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে ‘এ্যাডমিশন ফেয়ার’ শুরু
.............................................................................................
এসএসসির ফল আগামীকাল
.............................................................................................
জবি’র ভর্তি পরীক্ষায় থাকছে না এমসিকিউ
.............................................................................................
প্রতিবাদ করে নিজেই ‘হলছাড়া’ ঢাবি ছাত্র
.............................................................................................
গভীর রাতে ছাত্রীদের হল থেকে বের করে দিল ঢাবি কর্তৃপক্ষ
.............................................................................................
অনুমোদন পেলো আরও দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
.............................................................................................
৬ মে এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ : শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
সুফিয়া কামাল হল ছাত্রলীগের সভাপতি এশা বহিষ্কার
.............................................................................................
কোটা সংস্কার আন্দোলন: বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন
.............................................................................................
কোটা সংস্কার: ঢাবিতে সংঘর্ষ, ছাত্রলীগের গুলি
.............................................................................................
ডাস্টার দিয়ে ছাত্রের মাথা ফাটালেন শিক্ষক
.............................................................................................
শৃঙ্খলা বজায় রেখে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের আহ্বান ঢাবি উপাচার্যের
.............................................................................................
হ্যাকারের কবলে শাবি’র ওয়েবসাইট
.............................................................................................
ঢাবি উপাচার্যের সঙ্গে উত্তর কোরিয়া রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
.............................................................................................
ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, জাবি ছাত্রকে গণধোলাই
.............................................................................................
জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলায় ঢাবি শিক্ষককে অব্যাহতি
.............................................................................................
কঠোর নজরদারির মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু
.............................................................................................
এইচএসসি পরীক্ষা: ২০০ গজের মধ্যে প্রবেশ নিষেধ
.............................................................................................
ঢাবিতে কাল সকাল ৬টায় পতাকা উত্তােলন
.............................................................................................
চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ
.............................................................................................
শাবিতে জাফর ইকবালের উপর হামলা, হাসপাতালে ভর্তি
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft