মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   স্বাস্থ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
আজ বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস আজ। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘ডায়াবেটিস প্রতিটি পরিবারের উদ্বেগ’। বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।

বাংলাদেশের জন্য দিনটি বিশেষভাবে গর্বের। কারণ এগারো বছর আগে বাংলাদেশের উদ্যোগেই দিবসটি ‘জাতিসংঘ দিবসের’ মর্যাদা লাভ করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, ডায়াবেটিস এখন একটি মহামারি রোগ। এই রোগের অত্যধিক বিস্তারের কারণেই সম্প্রতি এমন ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। প্রদত্ত বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ডায়াবেটিস সম্পর্কে গণসচেতনতা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তির প্রসার ও নগরায়ণের প্রভাবে মানুষের জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। কায়িক পরিশ্রমের প্রয়োজনীয়তা হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও শরীরচর্চার স্থান ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে। অতিমাত্রায় ফাস্টফুড, কোমল পানীয়র মতো ক্যালরিসমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণের ফলে বাড়ছে স্থুলতার ঝুঁকি।

প্রদত্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করে একটি সুস্থ জাতি গঠনের মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা সক্ষম হবো।’

বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা সৃষ্টিসহ নানামুখী কার্যক্রম করে চলেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ সমিতির উদ্যোগে রাজধানীসহ সারাদেশে গর্ভকালীন নারীদের বিনামূল্যে ডায়াবেটিস পরীক্ষা ও স্বল্পমূল্যে সেবা দিতে দেশব্যাপী সেবাকেন্দ্র খোলা হয়েছে। কাজীদের মাধ্যমে নবদম্পতিদের সচেতন করতেও বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় একযোগে কাজ করে চলেছে।’

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে ডায়াবেটিস সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবার বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতিসহ (বাডাস) বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ উপলক্ষে দেশব্যাপী ডায়াবেটিস সম্পর্কিত সচেতনতামূলক পোস্টার, লিফলেট বিতরণ ছাড়াও র‌্যালির আয়োজন করা হয়েছে।

এদিকে দিবসটি উপলক্ষে সেগুন বাগিচাস্থ বারডেম হাসপাতাল অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

আজ বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস আজ। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘ডায়াবেটিস প্রতিটি পরিবারের উদ্বেগ’। বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।

বাংলাদেশের জন্য দিনটি বিশেষভাবে গর্বের। কারণ এগারো বছর আগে বাংলাদেশের উদ্যোগেই দিবসটি ‘জাতিসংঘ দিবসের’ মর্যাদা লাভ করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, ডায়াবেটিস এখন একটি মহামারি রোগ। এই রোগের অত্যধিক বিস্তারের কারণেই সম্প্রতি এমন ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। প্রদত্ত বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ডায়াবেটিস সম্পর্কে গণসচেতনতা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তির প্রসার ও নগরায়ণের প্রভাবে মানুষের জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। কায়িক পরিশ্রমের প্রয়োজনীয়তা হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও শরীরচর্চার স্থান ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে। অতিমাত্রায় ফাস্টফুড, কোমল পানীয়র মতো ক্যালরিসমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণের ফলে বাড়ছে স্থুলতার ঝুঁকি।

প্রদত্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করে একটি সুস্থ জাতি গঠনের মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা সক্ষম হবো।’

বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা সৃষ্টিসহ নানামুখী কার্যক্রম করে চলেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ সমিতির উদ্যোগে রাজধানীসহ সারাদেশে গর্ভকালীন নারীদের বিনামূল্যে ডায়াবেটিস পরীক্ষা ও স্বল্পমূল্যে সেবা দিতে দেশব্যাপী সেবাকেন্দ্র খোলা হয়েছে। কাজীদের মাধ্যমে নবদম্পতিদের সচেতন করতেও বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় একযোগে কাজ করে চলেছে।’

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে ডায়াবেটিস সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবার বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতিসহ (বাডাস) বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ উপলক্ষে দেশব্যাপী ডায়াবেটিস সম্পর্কিত সচেতনতামূলক পোস্টার, লিফলেট বিতরণ ছাড়াও র‌্যালির আয়োজন করা হয়েছে।

এদিকে দিবসটি উপলক্ষে সেগুন বাগিচাস্থ বারডেম হাসপাতাল অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

শিশুর নিউমোনিয়া প্রতিরোধে করণীয়
                                  

স্বাস্থ্য ডেস্ক : নিউমোনিয়া শব্দটির সঙ্গে আমরা প্রায় সবাই পরিচিত। এতে ফুসফুসে ইনফেকশন হয় এবং চিকিৎসা না করালে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। শীতে শিশু মৃত্যুর অন্যতম কারণ এই নিউমোনিয়া। তবে এ অসুখ বছরব্যাপী হতে পারে। তাই এ সম্পর্কে আমাদের যথাযথ ও পর্যাপ্ত জ্ঞান এবং সচেতনতা জরুরি।

শীতে অতিরিক্ত ঠাণ্ডা  লাগার ফলে শিশুদের নিউমোনিয়া হতে পারে। তাই শিশুদের অতি যত্নে রাখতে হবে। শীতের মধ্যে ঠাণ্ডা  পানীয়, আইসক্রীম খাওয়া এবং গরম কাপড় না পড়ার কারণে নাক, কান, গলার সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। বিশেষ করে শিশুদের ও বয়স্কদের প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে। কারণ তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। অতিরিক্ত ঠাণ্ডা থেকে শিশুদের নিউমোনিয়াও হয়ে যেতে পারে। যার ফলে এসময় শিশু ও বয়স্কদের বেশি রোগ ব্যধি লেগেই থাকে। তারপরও এসময় মাম্স, ভাইরাসজনিত জ্বর ও অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

নিউমোনিয়া হলো ফুসফুস এবং শ্বাসতন্ত্রের রোগ। সংক্রমণ এবং এর পরবর্তী প্রদাহ থেকে এ রোগ হয়। নিউমোনিয়ায় জ্বর থাকে। সঙ্গে থাকে কফ এবং শ্বাসকষ্ট। দুই মাসের নিচের শিশুদের শ্বাস নেওয়ার হার মিনিটে ৬০ বারের বেশি, ২ মাস থেকে ১১ মাস ২৯ দিনের শিশুদের মিনিটে ৫০ বার বা তার বেশি এবং ১২ মাস থেকে ৫ বছরের শিশুরা মিনিটে ৪০ বার তা তার বেশি শ্বাস-প্রশ্বাস নিলে তাকে শ্বাসকষ্ট বলা যায়। এর সঙ্গে শিশুর বুকের পাঁজরের নিচের অংশ দেবে গেলে, তা নিউমোনিয়ার লক্ষণ। প্রাথমিকভাবে শিশুর এসব লক্ষণ দেখার পাশাপাশি চিকিৎসক বুকের এক্স-রে এবং রক্ত পরীক্ষা করে এটি নিশ্চিত হতে পারেন।

কিংবা কোনো পরীক্ষা ছাড়াই শুধু জ্বর, শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি এবং পাঁজরের নিচে দেবে যাওয়া দেখে প্রাথমিকভাবে নিউমোনিয়া শনাক্ত করতে পারেন।

শিশুর নিউমোনিয়া প্রতিরোধে সর্বপ্রথম বুকের দুধ নিশ্চিত করতে হবে। বায়ুদূষণ শিশুদের নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। মা-বাবা কিংবা অন্যরা শিশুর সামনে ধূমপান করলে শিশুর শ্বাসতন্ত্রের ক্ষতি হয়।

শিশুকে যারা যত্ন করেন, কোলে নেন, খাবার দেন বা আদর করেন সবারই সাবান দিয়ে সঠিক নিয়মে হাত ধোয়া উচিত। এতে শিশুর অন্য রোগের পাশাপাশি নিউমোনিয়ার ঝুঁকি অনেক কমে যাবে। বড়দের কারো সর্দি, কাশি বা নিউমোনিয়া হলে শিশুদের সঙ্গ এড়িয়ে চলা ভালো।

শীতের সময় শিশুকে গরম কাপড় পরালেও নিউমোনিয়ার ঝুঁকি কমবে। শীতে শিশুকে অযথা বাইরে নেওয়া উচিত নয়। শিশুদের নিউমোনিয়া প্রতিরোধে নিয়মিত সব টিকা দেওয়া উচিত।

গবেষণায় দেখা গেছে, জিঙ্ক গ্রহণ করলে শিশুদের নিউমোনিয়া ১৪ থেকে ২৫ ভাগ কমে যায়। তাই শিশুদের জিঙ্ক ট্যাবলেট বা সিরাপ এবং জিঙ্কসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ানো উচিত। সর্বোপরি শিশু নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ সেবন করাতে হবে।

স্বাস্থ্য খাতে এডিবির বরাদ্দ বাড়ছে
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : দেশের শহরগুলোতে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবার সুযোগ বাড়াতে আরও প্রায় ৯২১ কোটি টাকার (১১ কোটি ডলার) ঋণ সহায়তা দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-এডিবি।

ম্যানিলাভিত্তিক আন্তর্জাতিক এই ঋণদাতা সংস্থাটির পরিচালনা পর্ষদ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় নেওয়া নেওয়া একটি প্রকল্পের জন্য বাড়তি এই ঋণ অনুমোদন করেছে বলে বুধবার এডিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

শরীরচর্চা করে না বিশ্বের একচতুর্থাৎশ মানুষ: ডব্লিউএইচও
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: বিশ্বের একচতুর্থাংশের বেশি মানুষ পর্যাপ্ত শরীরচর্চা বা কয়িক পরিশ্রম না করায় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
পর্যাপ্ত শরীরচর্চা না করলে হৃদরোগ, টাইপ-টু ডায়াবেটিস এবং ক্যান্সারের মত স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ে। বিশ্বের প্রায় ১৪০ কোটি মানুষ এ ঝুঁকিতে আছে জানানো হয়েছে ডব্লিউএইচও’র প্রতিবেদনে।
এতে আরো বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে পুরুষদের তুলনায় নারীদের মধ্যে শরীরচর্চা করার প্রবণতা কম। যদিও এশিয়ার দুইটি অঞ্চলে এর ব্যতিক্রম দেখা গেছে।
ডব্লিউএইচও গবেষকরা ১৬৮টি দেশে জরিপ চালিয়ে ‘দ্য লানসেট গ্লোবাল হেল্থ’ এর জন্য এ গবেষণা প্রতিবেদন তৈরি করেছেন।
গবেষণায় প্রায় ১৯ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছে। যারা তাদের দৈনিক শরীরচর্চার তথ্য গবেষকদের দিয়েছেন।
গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মত উচ্চ আয়ের দেশে ২০০১ সালের তুলনায় শরীরচর্চার হার কমেছে।
ওইসব দেশে ২০০১ সালে জনগণের মধ্যে শরীরচর্চা করার হার ছিল ৩৭ শতাংশ। ২০১৬ সালে যা কমে ৩২ শতাংশ হয়েছে।
নিম্ম আয়ের দেশগুলোতে অবস্থার তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি।  উভয় সময়েই এই সংখ্যা ১৬ শতাংশের কাছাকাছি রয়েছে।
পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো ছাড়া বিশ্বজুড়ে পুরুষদের তুলনায় নারীরা শরীরচর্চা কম করে।
দক্ষিণ এশিয়া, মধ্য এশিয়া, মধ্য প্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা এবং উচ্চ আয়ের পাশ্চিমা দেশগুলোতে পুরুষ ও নারীর মধ্যে শরীরচর্চা করার হারে ব্যবধানও অনেক বেশি।
এজন্য বিভিন্ন প্রচলিত সামাজিক ও ধর্মীয় নিয়ম কানুনকে দায়ী করেছেন গবেষকরা। যেমন, সন্তান যতেœর দায়িত্ব নারীদেরই বেশি নিতে হয় এবং নানা ধর্মীয় কারণে নারীদের জন্য শরীরচর্চা করা কঠিন হয়ে পড়ে।
উন্নত দেশগুলোতে চাকরির ধরন এবং শখের কারণে শরীরচর্চা বা কায়িক পরিশ্রম করার হার কমে যাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করেছেন গবেষকরা। এছাড়া, ওইসব দেশে গণপরিবহনের তুলনায় গাড়ির ব্যবহার বেড়ে যাওয়াও এর কারণ বলে মনে করেন তারা।
অন্যদিকে, নিম্ম আয়ের দেশগুলোতে লোকজন হেঁটে বা গণপরিবহনে চড়ে কর্মস্থলে বেশি যাতায়াত করে।

মুখে ঘা হলে যা করণীয়
                                  

স্বাস্থ্য ডেস্ক : চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় দেখা যায় যে, প্রায় দুইশত রোগের প্রাথমিক লক্ষণ মুখ গহ্বরে দৃষ্টি গোচর হয়। বর্তমানকালের  মরণঘাতী রোগ এইডস থেকে শুরু করে ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, হূদরোগ এমনকি গর্ভাবস্থায় অনেক লক্ষণ মুখের ভিতরে প্রকাশ পায়।
যেমন একটি রোগীর মুখ পরীক্ষা করে যদি দেখা যায় যে, তার মাড়িতে তীব্র প্রদাহ রয়েছে, মাড়ি ফুলেছে, তাতে পূঁজ জমা হয়েছে, মাড়ি থেকে দাঁত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং সামান্য আঘাতে রক্ত বের হয়ে আসছে তবেই তাকে আমরা পেরিওডেন্টাল ডিজিজ বা মাড়ির রোগ হিসেবে বলতে পারি। অনেক ক্ষেত্রে এই সমস্ত রোগীর ইতিহাস নিয়ে দেখা যায় যে, কয়েক বৎসর যাবত তাদের ডায়াবেটিস এবং তারা নিয়মিতভাবে ইনসুলিন নেন। এই সমস্ত রোগীদের ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন থেকে একটি সুন্দর বই দেয়া হয়, তাতে তার একটা মোটামুটি ইতিহাস পাওয়া যায় যেমন- তার রক্তচাপ, অন্যান্য রোগের উপস্থিতি, খাদ্যাভাস সম্পর্কে কিছু প্রয়োজনীয় উপদেশ এবং নিয়মিতভাবে তার রক্তের শর্করা পরীক্ষার ফলাফল- দেখা যায় প্রতিমাসেই তার শর্করা পরীক্ষা করা হয়েছে এবং প্রায়ই রক্তের শর্করা স্বাভাবিকের চাইতে বেশী। জেনে রাখা প্রয়োজন রক্তের শর্করার স্বাভাবিক পরিমাণ হচ্ছে-অভুক্ত অবস্থায় ৬.৪ মিঃ মোল এবং খাবার দু`ঘন্টা পর ৭.৮ মিঃ মোলের কম। বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, যে সমস্ত ডায়াবেটিক রোগী ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখেন না তাদেরই মাড়ির রোগের প্রদাহ বা পেরিওডেন্টাল ডিজিজ অধিকমাত্রায় লক্ষ্যণীয়। তবে তার অর্থ এই নয় যে যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদেরই এই রোগ বেশী হবে।

পরীক্ষা করে দেখা গেছে যাদের মুখে ডেন্টাল প্লাক রয়েছে এবং জিনজিভাইটিস রয়েছে তাদের ডায়াবেটিস-এর কারণে মুখের এবং মাড়ির রোগ আরও বেড়ে যায় এবং প্রদাহ আরও তীব্রতর আকার ধারণ করে পরবর্তীতে দাঁতগুলো পড়ে যায় এবং ফেলে দিতে হয়। তাছাড়া আরও একটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে মাড়ির প্রদাহের কারণেই ডায়াবেটিস রোগটিকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় না এবং রক্তের শর্করাও ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে পারে। সুতরাং ভালোভাবে খাদ্যদ্রব্য চিবিয়ে খাওয়ার জন্য যেমন সুস্থ্য মাড়ি ও দাঁতের প্রয়োজন তেমনি ডায়াবেটিস রোগটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেও মাড়িকে প্রদাহমুক্ত বা সুস্থ্য রাখা প্রয়োজন। মুখের আরও একটি বিশেষ রোগ মুখের ঘা। মুখের এই ঘা নানা কারণে হতে পারে- যাদের বিভিন্ন রোগ রয়েছে যেমন- ডায়াবেটিস, হূদরোগ, উচ্চরক্তচাপ, রিউমাটিক, রক্তস্বল্পতা, ক্যান্সার, এইডস ইত্যাদি।

যে সমস্ত ঘা হতে পারে সেগুলোর মধ্যে লিউকোপ্লাকিয়া, লাইকেন প্লানাস ইত্যাদি রয়েছে। যারা নিয়মিতভাবে অন্যান্য রোগের চিকিৎসার সাথে ওষুধ খান তাদের মুখেও ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা রোগ প্রতিরোধক শক্তি কম হওয়ায় মুখের ঘা সাময়িকভাবে দেখা দিতে পারে- যা ওষুধ বন্ধের সাথে সাথেই নিরাময় হতে পারে। যেমন গর্ভবর্তী মায়েদের গর্ভাবস্থায় মাড়ির প্রদাহ দেখা যায় এবং গর্ভপাতের সাথে সাথেই তা নিরাময় হয়। তবে এটি সাধারণতঃ হয় হরমোনের তারতম্যের কারণে, তবে লক্ষ্য রাখতে হবে যে, মাড়িতে প্লাক জমা রয়েছে কিনা, যদি থাকে তবে তা অবশ্যই স্কেলিং করিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। মুখে আরও একটি ঘা সব বয়সেই হতে পারে এর নাম ‘এপথাস আলসার’। বিশেষ কোনো (বি) ভিটামিন স্বল্পতা, কোনো দুঃচিন্তা, অনিদ্রা মুখের অস্বাস্থ্যকর অবস্থা, মানসিক অস্থিরতা ইত্যাদির কারণে এপথাস আলসার বেশী হয়। অনেক সময় এই ঘা আরও প্রকট হয়ে দেখা যায়। তবে উপযুক্ত সময়ে এই ঘায়ের চিকিৎসা করাতে পারলে ভালো। এই রোগের চিকিৎসা হলো দুশ্চিন্তা দূর করা, ঘুম যাতে স্বাভাবিক হয় তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া এবং এক ধরণের ষ্টেরয়েড জাতীয় মলম   ব্যবহার করলে স্থানীয়ভাবে ঐ স্থানে লেগে থেকে ঘা টিকে তাড়াতাড়ি শুকাতে সহায্য করে। আরও একটি কারণে মুখের ঘা দেখা দিতে পারে, সেটি ক্ষয়ে যাওয়া দাঁতের ধারালো অংশ ক্রমাগতভাবে যদি জিহ্বাতে অথবা গালের মাংসে ঘষতে থাকে তবে ঐ স্থানে ঘা হতে পারে। তাছাড়া কৃত্রিম দাঁত, ক্রাউন বা মুকুট, ফিলিং মেটিরিয়াল ইত্যাদির ধারালো অংশের ঘর্ষণেও ঘা হতে পারে।

সুতরাং প্রয়োজন হবে খুব তাড়াতাড়ি ঐ সমস্ত ধারালো দাঁতের চিকিৎসা করা। যেমন ধারালো দাঁতকে যদি ঘষে একটু মসৃণ করে দেয়া যায় অথবা কৃত্রিম দাঁতের ধারালো অংশকে যদি ঘষে দেয়া যায় তবেই নিরাময় সম্ভব এর জন্য বিশেষ কোনো ওষুধের প্রয়োজন নাই। সমপ্রতি আমাদের দেশে এবং পাশ্ববর্তী রাষ্ট্রগুলোতে (বিশেষতঃ ভারতে) গবেষণায় দেখা যায় যে, যাদের ধূমপান এবং জর্দ্দা পান ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে তাদের মধ্যে মুখের ঘা খুব বেশী হয় এবং সেই সাথে মুখের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনাও বেশী। তবে, যাদের রক্ত পরীক্ষার পর ভিটামিন স্বল্পতা পাওয়া যাবে, তাদেরকে সেই ভিটামিন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দেয়া যেতে পারে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার সহজ উপায়
                                  

স্বাস্থ্য ডেস্ক : ডায়াবেটিস একবার হলে তা আর কখনো ঠিক হয় না- এমন মন্তব্য পুরনো। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন সমীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছেন যে, সতর্কভাবে সঠিক খাবার খেলে ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব? ওষুধ না খেয়েও কীভাবে ডায়াবেটিস দূরে রাখা যায় সেটি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ডয়চে ভেলে।

খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এনে ওজন কমানো : জার্মান ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ প্রফেসর স্টেফান মার্টিন জানান, খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এনে অতিরিক্ত ওজন কমানোর মাধ্যমে ডায়াবেটিস শতকরা ৯০ ভাগ কমানো সম্ভব, যদি সে রোগীর ডায়াবেটিসে ভোগার সময়কাল চার বছরের কম হয়ে থাকে?

নুডলস এড়িয়ে চলুন : নুডলস বা মিষ্টি জাতীয় খাবারের শর্করা রক্তে চিনির মাত্রা মুহূর্তের মধ্যে বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে শরীরের কোষে ইনসুলিন হরমোন ছড়িয়ে পড়ে? এ কারণে ডায়াবেটিস থেকে বাঁচতে নুডলস এড়িয়ে চলুন।

প্রতিদিন ৬০০ ক্যালোরি : ২০০ ডায়াবেটিস রোগী নিয়ে করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়াবেটিস রোগীরা কড়া ডায়াটিং করে, অর্থাৎ দিনে মাত্র ৬০০ ক্যলোরি প্রোটিনযুক্ত খাবার খাওয়ার পর ওষুধ সেবন বন্ধ করতে পেরেছেন? তাছাড়া দীর্ঘ তিন মাস শর্করাজাতীয় খাবার পুরোপুরি বাদ দিয়ে শুধু প্রোটিনযুক্ত খাবার খেয়েও একই ফল পাওয়া গেছে?

তিন বেলা প্রোটিন : তিন সপ্তাহ ধরে তিন বেলা প্রোটিনযুক্ত খাবার খেলে অবশ্যই রক্তে চিনির মাত্রা কমে যাবে বলে জানান বিশেষজ্ঞ স্টেফান মার্টিন? মাছ, মুরগি, ডিম, মটরশুটি এবং দুধজাতীয় খাবারে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন?

খেতে পারেন বাদাম : ডায়াবেটিস রোগীকে প্রতিদিন একমুঠো বাদাম, আখরোট খাওয়ার পরামর্শ দেন ডাক্তাররা। কারণ, বাদামের ম্যাগনেশিয়াম ইনসুলিনের প্রভাব নিয়ন্ত্রণে রাখে?

সবজি ও বিভিন্ন সালাদ পাতা : সবজি ও বিভিন্ন সালাদ পাতায় ক্যালোরি নাই বললেই চলে? তবে এতে থাকা পানি পেট ভরায় এবং খুব ধীরে ধীরে রক্তে প্রবেশ করে? সালাদের সাথে অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিলে অনেকক্ষণ খিদেও পায় না? তাই প্রচুর সালাদ খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা?

স্ট্রবেরি, আপেল : এসব ফলে অন্যান্য ফলের তুলনায় অনেক কম শর্করা রয়েছে? কাজেই ওজন কমাতে এবং ব্লাডপ্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে কোনো চিন্তা না করে এ ধরনের ফল যত খুশি খাওয়া যায়?

বাইরের কেনা খাবার একেবারেই বাদ রাখুন : ডায়াসবেটিস রোগীর এক প্লেট খাবারের অর্ধেকটাই হতে হবে সালাদ বা সবজি? আর বাকি অর্ধেকে চার ভাগের তিন ভাগ প্রোটিনযুক্ত খাবার আর এক ভাগ থাকতে পারে শর্করাজাতীয় খাবার? বাইরের কেনা খাবার একেবারেই বাদ রাখুন?

এই নিয়মগুলো মেনে চললে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা খুব সহজ হবে।

যখন তখন ঘুমের ওষুধ নয়
                                  

স্বাস্থ্য ডেস্ক : সাধারণত এনেস্থেসিয়া এবং নিদ্রাহীনতায় ঘুমের ওষুধ ব্যবহার করা হয়। তবে অপ্রয়োজনে ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ব্যতীত ঘুমের ওষুধের ব্যবহার ক্ষতিকর।
ঘুমের ওষুধের ক্ষতিকর প্রভাবসমূহ:

লম্বা সময় ধরে নিয়মিত ঘুমের ওষুধ ব্যবহার করলে ঘুমের ওষুধের প্রতি আসক্তি তৈরি হয়। পরে সময়মতো ঘুমের ওষুধ গ্রহণ না করলে বা গ্রহণ না করতে চাইলে উইথড্রোয়াল সিমটোম দেখা যায়। এ কারণে অস্থিরতা এবং অনিদ্রা রোগ থেকে খিঁচুনি ও মৃত্যু পর্যন্ত্ম হতে পারে।

অ্যালকোহল বা মদে আসক্ত ব্যক্তিরা নিয়মবহির্ভূতভাবে ঘুমের ওষুধ সেবন করলে আকস্মিক মৃত্যু ঘটতে পারে।

ঘুমের ওষুধের ক্ষেত্রে এমনটিও পরিলক্ষিত হয়েছে যে যেই রোগ কমানোর জন্য ওষুধ দেওয়া হয়েছে, তা ওষুধ খাবার পর আরও বেড়ে গেছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এই সমস্যাটিকে বলা হয় `প্যারাডক্সিক্যাল রিঅ্যাকশন`।

অনেক ঘুমের ওষুধ নিয়মবহির্ভূতভাবে দীর্ঘদিন যাবৎ অত্যধিক ব্যবহার করলে স্মৃতিবিলোপ ঘটতে পারে।

লম্বা সময় ধরে ঘুমের ওষুধ ব্যবহার করলে একসময় ঐ একই ডোজ আর একই কার্যক্ষমতা দেখাতে পারে না। তখন ওষুধের কাক্সিক্ষত কার্যক্ষমতা পেতে হলে ডোজ বৃদ্ধি করতে হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই বিষয়টিকে বলা হয় `ড্রাগ টলারেন্স`। ঘুমের ওষুধের ডোজ বা মাত্রা ইচ্ছামতো বাড়ালে মৃত্যু পর্যন্ত্ম হতে পারে।

রাতে ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমালে পরের দিন ঘুমঘুম ভাব থেকে যায়। এ সমস্যাটি গাড়িচালক ও সম্পর্কিত পেশাজীবীদের ক্ষেত্রে বিপজ্জনক।

ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমালে (বিশেষত আধা-চেতনার ক্ষেত্রে) অনেকের মধ্যে অস্বাভাবিক নড়াচড়া, আচরণ, আবেগ, উপলব্ধি ও স্বপ্ন পরিলক্ষিত হয়। হয়তো ঘুম থেকে জেগে রোগী এসব মনে করতে পারবেন না। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এই বিষয়টিকে বলা হয় `প্যারাসোমনিয়া`।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির ঘুমবিষয়ক গবেষক শন ইউংস্টেইট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম সিএনএন এর কাছে দাবি করেন `ঘুমের ওষুধ খুবই ক্ষতিকর। ইহা দৈনিক এক প্যাকেট সিগারেট ধূমপানের সমান ক্ষতিকর`।

নির্দিষ্ট রোগের ক্ষেত্রে ঘুমের ওষুধ খুবই প্রয়োজনীয় একটি চিকিৎসা পদ্ধতি। নিবন্ধিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ঘুমের ওষুধ ক্রয়, বিক্রয় ও সেবন করা ঝুঁকিপূর্ণ।

জেনে নিন ক্যান্সারের পূর্বাভাস
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: কোনো অসুখ হলে আমাদের শরীরই নানা রকম সংকেতের মাধ্যমে তা জানান দেয়। মানুষের যত রকম ক্যান্সার হয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শরীর সে সম্পর্কে কোন না কোন পূর্বসংকেত দেয়। কিছু লক্ষণ দেখে আপনি সন্দেহ করতে পারবেন যে আপনার দেহে হয়তো ক্যান্সার হয়ে থাকতে পারে।

কি লক্ষণ সেগুলো? চিকিৎসকেরা বলছেন সেই সংকেত মূলত সাতটি।

তাই সেটিকে বলাও হয় ক্যান্সারের সাতটি সতর্ক চিহ্ন। জেনে নেয়া যাক কি সেগুলো।

ক্স হঠাৎ শরীরের ওজন কমতে শুরু করেছে কিন্তু তার তেমন কোন ব্যাখ্যা নেই।

ক্স হজম ও মল-মূত্র ত্যাগের অভ্যাসে কোন ধরনের পরিবর্তন হওয়া। যেমন ডাইরিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য। যেমন আপনার হয়ত কোষ্ঠকাঠিন্য নেই কিন্তু সেটিই হচ্ছে ইদানীং। অথবা পাতলা পায়খানা।

ক্স সারাক্ষণ জ্বর বা খুসখুসে কাশি যা ঠিক যাচ্ছেই না।

ক্স শরীরের কোথাও কোন পিণ্ড বা চাকার উপস্থিতি।

ক্স ভাঙা কণ্ঠস্বর যা কোন চিকিৎসায় ভালো হচ্ছে না।

ক্স তিল বা আঁচিলের সুস্পষ্ট পরিবর্তন।

ক্স শরীরের কোন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থেকে অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ।

মোটা দাগে এই উপসর্গ বা শরীরের সংকেতের কোন একটি যদি দু থেকে তিন সপ্তাহ ধরে থাকে আর সেগুলোর সাধারণ চিকিৎসায় না কমে যায় - তবেই ক্যান্সার শব্দটি মাথায় রেখে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

তবে তাই বলে উপরের লক্ষণগুলোর যেকোনো একটা দেখা দিলেই নিশ্চিত হয়ে ধরে নেবেন না আপনার ক্যান্সারই হয়েছে।

কিন্তু সাবধান থাকতে তো আর দোষ নেই। তাই একটু না হয় ঘুরেই আসুন ডাক্তারের চেম্বার থেকে।

সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল

ঘুমের ওষুধ অপ্রয়োজনে নয়
                                  

স্বাধীন বাংলা স্বাস্থ্য: সাধারণত এনেসথেসিয়া এবং নিদ্রাহীনতায় ঘুমের ওষুধ ব্যাবহার করা হয়। তবে অপ্রয়োজনে ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ব্যাবস্থাপত্র ব্যাতিত ঘুমের ওষুধের ব্যাহার ক্ষতিকর।

ঘুমের ওষুধের ক্ষতিকর প্রভাবসমূহ:
লম্বা সময় ধরে নিয়মিত ঘুমের ওষুধ ব্যাবহার করলে ঘুমের ওষুধের প্রতি আসক্তি তৈরি হয়। পরে সময়মত ঘুমের ওষুধ গ্রহণ না করলে বা গ্রহণ না করতে চাইলে উইথড্রোয়াল সিমটোম দেখা যায়। একারণে অস্থিরতা এবং অনিদ্রা রোগ থেকে খিঁচুনি ও মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
অ্যালকোহল বা মদে আসক্ত ব্যাক্তিরা নিয়মবহির্ভূত ভাবে ঘুমের ওষুধ সেবন করলে আকস্মিক মৃত্যু ঘটতে পারে।
ঘুমের ওষুধের ক্ষেত্রে এমনটিও পরিলক্ষিত হয়েছে যে যেই রোগ কমানোর জন্য ওষুধ দেওয়া হয়েছে তা ওষুধ খাবার পর আরও বেড়ে গেছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এই সমস্যাটিকে বলাহয় ‘প্যারাডক্সিক্যাল রিঅ্যাকশন’।
অনেক ঘুমের ওষুধ নিয়মবহির্ভূতভাবে দীর্ঘদিন যাবৎ অত্যধিক ব্যাহার করলে স্মৃতিবিলোপ ঘটতে পারে।
লম্বা সময় ধরে ঘুমের ওষুধ ব্যাবহার করলে একসময় ঐ একই ডোজ আর একই কার্যক্ষমতা দেখাতে পারেনা। তখন ওষুধের কাক্সিÿত কার্যক্ষমতা পেতে হলে ডোজ বৃদ্ধি করতে হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই বিষয়টিকে বলাহয় ‘ড্রাগ টলারেন্স’। ঘুমের ওষুধের ডোজ বা মাত্রা ইচ্ছেমত বাড়ালে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
রাতে ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমালে পরের দিন ঘুমঘুম ভাব থেকে যায়। এ সমস্যাটি গাড়ি চালক ও সম্পর্কিত পেশাজীবিদের ক্ষেত্রে বিপজ্জনক।
ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমালে (বিশেষত আধা-চেতনার ক্ষেত্রে) অনেকের মধ্যে অস্বাভাবিক নড়াচড়া, আচরণ, আবেগ, উপলব্ধি ও স্বপ্ন পরিলক্ষিত হয়। হয়তো ঘুম থেকে জেগে রোগী এসব মনে করতে পারবেন না। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এই বিষয়টিকে বলা হয় ‘প্যারাসোমনিয়া’।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির ঘুমবিষয়ক গবেষক শন ইউংস্টেইট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম সিএনএন এর কাছে দাবি করেন ‘ঘুমের ওষুধ খুবই ক্ষতিকর। ইহা দৈনিক এক প্যাকেট সিগারেট ধুমপানের সমান ক্ষতিকর’।
নির্দিষ্ট রোগের ক্ষেত্রে ঘুমের ওষুধ খুবই প্রয়োজনীয় একটি চিকিৎসা পদ্ধতি। নিবন্ধিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ব্যাবস্থাপত্র ছাড়া ঘুমের ওষুধ ক্রয়, বিক্রয় ও সেবন করা ঝুঁকিপূর্ণ।
লেখক: প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসি অনুষদের শিক্ষার্থী।

নিয়মিত লবঙ্গ খাওয়ার উপকারিতা
                                  

আল মামুন: ‘লবঙ্গ’ আকারে বেজায় ছোট। কিন্তু প্রাকৃতিক শক্তির দিক থেকে যদি বিচার করেন, তাহলে বলতেই হয় লবঙ্গের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। প্রসঙ্গত, বেশ কিছু আধুনিক গবেষণাতেও এই কথাটি প্রমাণিত হযে গেছে। শুধু তাই নয়, একথাও প্রমাণিত হয়েছে যে নিয়মিত এই প্রকৃতিক উপাদানটি খাওয়া শুরু করলে ক্যান্সারের মতো রোগ দূরে থাকতেও বাধ্য হয়। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে।

মেলে আরও অনেক উপকার। আসলে ‘দা হেলদিয়েস্ট ফুড’ এর তকমা পাওয়া লবঙ্গের শরীরে মজুত রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন কে, ফাইবার, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্যালসিয়াম। এই সবকটি উপাদানই নানাভাবে শরীরে কাজে লেগে থাকে। শুধু তাই নয়, ভিতর থেকে শরীরকে এতটা শক্তিশালী করে তোলে যে একাধিক রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। যেমন ধরুন...

১. অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজে পরিপূর্ণ: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে এই প্রকৃতিক উপাদানটির অন্দরে উপস্থিত একাধিক অ্যান্টি-অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজ যে কোনও ধরনের জীবাণুকে মেরে ফেলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো সংক্রমণের থেকে দূরে থাকতে অনেকেই নিয়মিত লবঙ্গ খেয়ে থাকেন। একই কাজ আপনিও কিন্তু করতে পারেন, যদি ইনফেকশনের থেকে দূরে থাকতে চান তো!

২. আর্থ্রাইটিসের যন্ত্রণা কমায়: লবঙ্গে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ এই ধরনের হাড়ের রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে এক কাপ লবঙ্গ চা বানিয়ে কয়েক ঘন্টা ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। তারপর সেই ঠান্ডা চা ব্যথা জায়গায় কম করে ২০ মিনিট লাগালে দেখবেন যন্ত্রণা একেবারে কমে গেছে। প্রসঙ্গত, জয়েন্ট পেন কমানোর পাশাপাশি পেশির ব্যথা এবং ফোলা ভাব কমাতেও এই ঘরোয়া ঔষধিটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।


৩. দাঁতের ব্যাথা নিমেষে কমে: লবঙ্গতে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এমন কিছু বিক্রিয়া করে যে নিমেষে দাঁতের যন্ত্রণা কমে যায়। তাই তো এবার থেকে দাঁতে অস্বস্তি বা মাড়ি ফোলার মতো ঘটনা ঘটলে কয়েকটা লবঙ্গ চা খেয়ে নেবেন। দেখবেন উপকার পাবেন।

৪. জ্বরের প্রকোপ কমায়: লবঙ্গে থাকা ভিটামিন কে এবং ই, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এতটাই শক্তিশালী করে দেয় যে শরীরে উপস্থিত ভাইরাসেরা সব মারা পরে। ফলে ভাইরাল ফিবারের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার হয়ে যাওয়ার পর সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে যায়।

৫. ত্বকের সংক্রমণ সারাতে কাজে আসে: এবার থেকে কোনও ধরনের ত্বকের সংক্রমণ হলেই চোখ বুজে ক্ষতস্থানে লবঙ্গের রস বা এই প্রকৃতিক উপাদানটি দিয়ে বানানো চা লাগাতে ভুলবেন না। এমনটা করলে দেখবেন কষ্ট কমতে একেবারে সময়ই লাগবে না। আসলে লবঙ্গে উপস্থিত ভোলাটাইল অয়েল শরীরে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। সেই সঙ্গে জীবাণুদেরও মেরে ফেলে। ফলে সংক্রমণজনিত কষ্ট কমতে একেবারেই সময় লাগে না।

৬. সাইনাস ইনফেকশনের প্রকোপ কমায়: মাঝে মধ্য়েই কি সাইনাসের আক্রমণ সহ্য করতে হয়? তাহলে তো বলতে হয় এই প্রবন্ধটি আপনার জন্যই লেখা। কারণ লবঙ্গ যে এই ধরনের সমস্যা দূর করতে কাজে আসতে পারে, সে বিষয়ে কি জানা ছিল? আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটির শরীরে উপস্থিত ইগুয়েনাল নামে একটি উপাদান সাইনাসের কষ্ট কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই কারণেই তো আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা আজও এই ধরনের অসুখের চিকিৎসায় লবঙ্গের উপরই ভরসা করে থাকেন।


৭. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে: লাঞ্চ বা ডিনারের আগে লবঙ্গ দিয়ে বানানো এক কাপ গরম গরম চা খেলে হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে পেটের দিকে রক্ত প্রবাহেরও উন্নতি ঘটে। ফলে খাবার হজম হতে সময় লাগে না। তাই যাদের কম ঝাল-মশলা দেওয়া খাবার খেলেও বদ-হজম হয়, তারা লবঙ্গ চা পান করে একবার দেখতে পারেন। এমনটা করলে উপকার যে মিলবে, তা হলফ করে বলতে পারি।

৮. লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ায়: লবঙ্গে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে প্রবেশ করার পর দেহের অন্দরে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শুধু লিভার নয়, শরীরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই নিয়মিত যদি অ্যালকোহল খাওয়ার অভ্যাস থাকে, তাহলে রোজ লবঙ্গ খেতেও ভুলবেন না যেন!

সূত্র: বোল্ডস্কাই

ক্যান্সার প্রতিষেধক টিকা আবিষ্কার করেছে কিউবার বিজ্ঞানীরা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: মরণঘাতী ক্যান্সারের প্রতিষেধক আবিষ্কার করতে বিজ্ঞানীরা নিরন্তর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। অবশেষে, কিউবার বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন ক্যান্সার রোগের প্রতিষেধক টিকা।

দেশটির সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমনই দাবি করা হয়েছে। শুধু মারণ রোগ ক্যান্সারের চিকিৎসাই নয়, শরীরে ক্যান্সারের ছড়িয়ে পড়া রুখতে সক্ষম একটি কার্যকরী ভ্যাকসিন তৈরি করেছে কিউবার বিজ্ঞানীরা। তাদের আবিষ্কৃত টিকায় ইউটেরাস, প্রস্টেট ও ব্রেস্ট ক্যান্সার শুধু প্রতিরোধ নয়, সেরেও যায়।

জানা যায়, কিউবায় ৪ হাজার রোগীর উপর পরীক্ষামূলকভাবে এই টিকা প্রয়োগ করা হয়। বিজ্ঞানীদের দাবি, তারা এখন সম্পূর্ণ সুস্থ। এই টিকার বেশ কিছু দিক রয়েছে-

- ক্যান্সারের অ্যাডভান্সড স্টেজেও কাজ করবে টিকা
- ব্রেস্ট, ইউটেরাস, প্রস্টেট ক্যান্সারের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি
- নতুন টিকার প্রয়োগে সেরে যাবে এই ক্যান্সারগুলোও
- কেমোথেরাপি বা রেডিয়েশনের মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই

কিউবায় ক্যান্সার নিরাময়ের এই মিরাকল টিকা মিলবে বিনামূল্যেই। তবে অন্যান্য দেশের বাসিন্দাদের জন্যও দাম রাখা হয়েছে সাধ্যের মধ্যেই। সম্প্রতি বসনিয়া, প্যারাগুয়ে, কলোম্বিয়া ও পেরুতে পাওয়া যাচ্ছে এই টিকা।

ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্তদের নিয়ে ২০০৭-এ একটি গবেষণা চালানো হয়। সেই সমীক্ষার রিপোর্ট ক্লিনিক্যাল অঙ্কোলজি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। এই রিপোর্ট অনুসারে, সীমাভ্যাক্স নামে একটি ভ্যাকসিনে উপকৃত হয়েছেন ক্যান্সারে আক্রান্তরা।

যে রোগীদের শরীরে এই ভ্যাকসিনের ব্যবহার হয়েছে তাদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি রোগীর শরীরে ক্যান্সারের টিউমার ধ্বংস করার অ্যান্টিবডি তৈরি হতে শুরু করে। রোগীদের ওপর ওই গবেষণার অনুসারে, ওই ভ্যাকসিনের ব্যবহারে ষাট বছরের কম বয়সের রোগীদের বেঁচে থাকার সংখ্যা বেশ বেড়ে গেছে। সূত্র: এএনএন নিউজ।

২ কোটি মানুষ কিডনি রোগে আক্রান্ত
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: বাংলাদেশে ১ কোটি ৮০ লাখ মানুষ কোনো না কোনোভাবে কিডনি রোগে আক্রান্ত। এর মধ্যে প্রতিবছর ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মানুষ মারা যায়। কিডনি রোগ এখন বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্য সমস্যা। একুইট কিডনি ইনজুরিতে (একেআই) প্রতিবছর ১ কোটি ৩৩ লাখ লোক আক্রান্ত হচ্ছে। উন্নয়নশীল দেশে এর পরিমাণ ১ কোটি ১৩ লাখ। এর মধ্যে বছরে ১৭ লাখ মারা যায়।

শনিবার কিডনি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী ১৩ম জাতীয় সম্মেলন ও বৈজ্ঞানিক সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

কিডনি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আবদুল মালিক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. একে আজাদ খান ও যুক্তরাজ্যের রয়াল লন্ডন হাসপাতালের কনসালটেন্ট ডা. স্ট্যানলি ফ্যান।

অধ্যাপক হারুন অর রশিদ বলেন, ক্রনিক কিডনি রোগের প্রধান কারণ ডায়াবেটিস। এজন্য যথাযথ চিকিৎসা ও সচেতনতা জরুরি। কিডনি রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করলে ৬০ ভাগ ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব।

তিনি বলেন, এ রোগ প্রতিরোধে ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এছাড়াও প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটা, অতিরিক্ত লবণ পরিত্যাগ করা এবং হরহামেশা ব্যথানাশক ওষুধ ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করা।

ফাস্টফুড, চর্বি জাতীয় ও ভেজাল খাবারসহ ধূমপান বর্জন করা জরুরি। বছরে অন্তত একবার কিডনি ফাংশন পরীক্ষা করারও পরামর্শ দেন তিনি। সেমিনারে বক্তারা জানান, ডায়াবেটিসের কারণে ৪০ শতাংশ ও উচ্চরক্তচাপের কারণে ২০ শতাংশ এবং ক্রনিক নেফ্রাইটিসের কারণে ২০-৩০ শতাংশ রোগী কিডনি রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। দেশে ৮০ লাখ লোক ডায়াবেটিসে এবং ২ কোটি লোক উচ্চরক্তচাপে ভুগছে।

কিডনি রোগের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল- প্রথমদিকে এর কোনো উপসর্গ থাকে না। কিন্তু যখন উপসর্গ ধরা পড়ে ততক্ষণে কিডনির প্রায় ৭৫ ভাগই বিকল হয়ে পড়ে।

অথচ জনসাধারণকে সচেতন করা গেলে এবং শুরুতে শনাক্ত করা সম্ভব হলে এ রোগ প্রতিরোধ অনেকাংশেই সম্ভব।

স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে ‘যুগান্তকারী’ ওষুধ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে দুটি নতুন ওষুধের অনুমোদন দিয়েছে ব্রিটেনের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস বা এনএইচএস। ক্যান্সার প্রতিরোধে এই প্রতিষেধককে ‘যুগান্তকারী’ হিসেবে বলা হচ্ছে। যা চিকিৎসার সবশেষ ধাপ হিসেবে ব্যবহৃত হবে। গবেষকরা বলছেন, এটি ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকরী হিসেবে কাজ করবে। ইংল্যান্ডে অন্তত আট হাজার নারী এই ওষুধের সেবা পাবেন। দেশটিতে প্রতিবছর ৪৫ হাজার মানুষ স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসা নেন।

গবেষক, চিকিৎসক প্রফেসার নিকোলাস টার্নার বলেছেন, অনেক গবেষণার মধ্য দিয়ে এটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যা চিকিসার শেষ দুটি ধাপ হিসেবে বিবেচিত হবে। এটি জীবন বাঁচাবে এবং পরবর্তী দীর্ঘ জীবনের নিশ্চয়তা দেবে বলে আশা রাখি। এদিকে নারীদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারের প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। ভারতীয় একটি গবেষণায় জানা গেছে, প্রতি আটজন নারীর মধ্যে একজন স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্তন ক্যান্সারের সঙ্গে যে স্টিগমা যুক্ত থাকে তা নির্ণয় করতে কখনও কখনও দেরি হয়ে যায়। ফলে রোগীর জীবন বিপন্ন হয়ে পড়ে। একপ্রকার বাধ্য হয়েই রোগীকে স্তন দেহ থেকে বাদ দিতে হয়।

স্তন ক্যান্সারের প্রথম লক্ষণ লাম্প হওয়া। এর কারণে আকার ও ত্বকের গঠনে প্রভাব পড়ে। ব়্যাশ হয়। স্তনবৃন্তে অস্বাভাবিকত্ব লক্ষ্য করা যায়। এগুলো দেখা গেলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

শীতে শিশুর যত্ন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: শিশুদের জন্য শীতের আগমন মানেই মায়েদের দুশ্চিন্তা বেড়ে যাওয়া। তাই তাদের প্রতি একটু বাড়তি যত্নই নিতে হয়। শীতে জ্বর, সর্দি কিংবা কাশি সাধারণ ঘটনা। জ্বর, নাক দিয়ে পানি পড়া, কাশির জন্য বয়স অনুযায়ী সাধারণ ওষুধেই ভালো হয়ে যায়। অনেকের আবার তাও লাগে না। লবণ পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার এবং বুকের দুধ ও পর্যাপ্ত তরল খাবার খাওয়ালেই ভালো হয়ে যায়। বাসক পাতার রস এবং মধুও ভালো কাজ দেয়।
 
শীতে শিশুর সর্দি-কাশির বেশিরভাগই ভাইরাসজনিত। এগুলো সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো দরকার পড়ে না। তাই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অহেতুক অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার করলে শিশুর ক্ষতি হতে পারে। ঘরোয়া চিকিৎসাতেই অধিকাংশ সর্দি-জ্বর ভালো হয়। এ সময় মায়েদের উষ্ণ পানি দিয়ে শিশুদের গোসল করাতে হবে। হালকা ফ্যান ছেড়ে ঘুমালেও কোনো ক্ষতি নেই। নাক যদি বন্ধ হয়ে যায়, তবে লবণ পানির ড্রপ ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ছাড়া বাজারে নরসল ড্রপ কিনতে পাওয়া যায়। পাতলা কাপড় বা কটন বাডে দুই ফোঁটা নরসল ড্রপ লাগিয়ে নাক পরিষ্কার করা যেতে পারে। যদি কাশি হয় তবে ওষুধ ব্যবহার না করে ঘরেই প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি করা যেতে পারে।
 
যেমন-আধা কাপ লাল চায়ের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খাওয়ানো যায়। অথবা আধা কাপ গরম পানির সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ও মধু বা তুলসী পাতার রস ও মধু মিশিয়ে খাওয়ানো যায়। আদা কুচি করে বা আদা-চায়ের সঙ্গে মধু মিশিয়েও শিশুকে খাওয়ানো যেতে পারে। জ্বর ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে উঠলে প্যারাসিটামল সিরাপ খাওয়ানো উচিত। এ ছাড়া তোয়ালে ভিজিয়ে বারবার শিশুর গা মুছিয়ে দিতে হবে। তবে বাচ্চার নিউমোনিয়ার ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে। এজন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। শিশুর শ্বাসনালী অতি সংবেদনশীল। তাই শীতে হাঁপানির প্রকোপ বাড়ে। এই রোগ প্রতিরোধে বাসায়, শোবার ঘরে কার্পেট রাখবেন না। লোমযুক্ত চাদর, কম্বল ব্যবহার করবেন না। হাঁপানি নিরাময়ে সালবিউটামল সিরাপ এক বছরের নিচের জন্য আধা চামচ আর এক বছর থেকে পাঁচ বছরের জন্য এক চামচ করে দিনে তিনবার খাওয়াতে পারেন।

শিশুর ত্বক ও শ্বাসতন্ত্র নাজুক ও অপরিণত। তাই শিশু তাপ ধরে রাখতে পারে না, সহজে ঠান্ডা হয়ে যায়। এ সময় তাই তাকে পর্যাপ্ত শীতের কাপড় পরাতে হবে। তবে এর মানে এই নয় যে, শিশুকে নাক-মুখ বন্ধ করে, শক্ত করে মুড়িয়ে দিতে হবে। শীতের কাপড় যেন আরামদায়ক হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। শীতে ঘাম কম হওয়ার কারণে শিশুর প্রশ্রাব বেশি হয়। এজন্য নবজাতকের কাঁথা ভিজে যাচ্ছে কি না বা একটু বড় শিশুর প্যান্ট ভিজছে কি না তা সব সময় খেয়াল রাখতে হবে। অনেকে বেশি প্রশ্রাব করছে দেখে শিশুকে বুকের দুধ ও তরল খাবার কমিয়ে দেন। এটি খুবই মারাত্মক একটি পদক্ষেপ, যা কখনোই করা উচিত নয়। এতে কিডনিসহ অন্যান্য অঙ্গের ক্ষতি হতে পারে। শীতে সোনামণিদের কোমল ত্বকের যতেœ অবশ্যই ভালো মানের লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। শুধু মুখে নয়, সারা শরীরে। শিশুকে পর্যাপ্ত সময় রোদে রাখতেও ভুলবেন না। শীতে গোসল করতে কিন্তু বাধা নেই। কুসুম গরম পানি দিয়ে শিশুকে নিয়মিত গোসল করাতে পারেন। অনেকে গোসলের আগে সরষের তেল মাখিয়ে দেন। এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই, অবশ্য ক্ষতিও নেই। তবে গোসল করানোর সময় কানে যাতে পানি না ঢোকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আর শরীর ভালোভাবে মুছতে ভুলবেন না।
 
শিশুকে নিয়ে বেশি ভয় থেকে কিংবা বয়োজ্যেষ্ঠদের পরামর্শে শীতে অনেক মা খাওয়া-দাওয়া ও জীবনাচরণে খুবই কঠোরতা অবলম্বন করেন। বিশেষ করে নবজাতকের মায়েরা এসব বেশি করেন। অনেকে নিজের সর্দি-কাশি হলে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ করে দেন। গ্রামাঞ্চলের মতো শহরেও এসব ঘটনা বিরল নয়। এসবে শিশুর তো লাভ হয়ই না বরং ক্ষতি হতে পারে। আসলে বিভিন্ন ঋতুর মতো শীতেও শিশুর নানা রোগ হতে পারে, এটা আলাদা বিশেষ কোনো ব্যাপার নয়। এজন্য দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই।

রাতে ঘুমানোর আগে গ্লিসারিনের সঙ্গে পানি মিশিয়ে শিশুর হাত-পায়ে লাগানো যেতে পারে। শীতে বাচ্চাদের মোটা সুতি কাপড় পরানো যেতে পারে। আঁটসাঁট বা উলের কাপড় পরালে তাদের শরীর ঘেমে ঘামাচি উঠতে পারে। এ ক্ষেত্রে ফ্লানেলের জামা পরানো যেতে পারে। রাতে ঘুমানোর সময় শিশুর গলায় ও মাথায় পাতলা কাপড় পেঁচিয়ে রাখলে ভালো হয়। রাতে টুপি বা মোজা পরে শিশুকে কখনোই ঘুমাতে দেয়া উচিত নয়। কারণ, শিশু রাতে ঘুমানোর সময় বিছানা ভিজিয়ে ফেলে। ভেজা বিছানায় শুয়ে থাকলে তার ঠান্ডা লাগার ভয় থাকে বেশি। তাই এ বিষয়ে বাবা-মাকে অবশ্যই বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।
 
শীতের কিছু সাধারণ সমস্যা যেমন জ্বর, সর্দি, কাশি, হাঁপানি বেড়ে যায়। এজন্য ঘাবড়ে না গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এসময়ে শিশু যেন মেঝেতে খালি পায়ে না হাঁটে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। শিশুর জন্য বাসায় ব্যবহার উপযোগী জুতা কিনতে পারেন। ঘরের মেঝেতেও কার্পেট অথবা মোটা কাপড় বিছিয়ে দিতে পারেন। তাহলে মেঝেতে বসে খেলা করলেও ঠান্ডা লাগবে না। শিশুর কাপড় ঘরে না শুকিয়ে রোদে শুকাবেন। এ ছাড়া শিশুর বিছানা-বালিশ প্রতিদিন রোদে গরম করে নিলে শিশু আরাম বোধ করবে। এ সময় শিশুরা বারবার ন্যাপি ভিজিয়ে ফেলে। ন্যাপি বার বার পাল্টে দিতে হবে। তা না হলে নবজাতকের ঠান্ডা লেগে নিউমোনিয়া অথবা মামস হয়ে যেতে পারে। শীতে শুষ্ক আবহাওয়ায় ধুলোবালি বেশি থাকে। খেয়াল রাখতে হবে শিশুর গায়ে যেন ধুলোবালি না লাগে এবং কাপড় চোপড়ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

শিশুর যত্নের ক্ষেত্রে আরও কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি। তা হলো শিশুর ত্বক শুষ্ক হতে দেয়া যাবে না। দিনে দুই-তিনবার বেবি অয়েল বা ভ্যাসলিন দিতে হবে। সকাল-বিকাল কানঢাকা টুপি ও হালকা শীতের কাপড় পরিয়ে রাখতে হবে। রাতে ডায়াপার পরিয়ে শোয়াতে হবে। শিশুর নাক-মুখ যেন লেপ, কম্বল দিয়ে ঢেকে না যায় তার জন্য সতর্ক থাকতে হবে।

ক্যান্সার রোগ নয়, ব্যবসা!
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: ক্যান্সার কোন বড় রোগ নয়, এটা একটি ব্যবসা। আধুনিক পৃথিবীতে আমরা যেটাকে ক্যান্সার বলে জানি সেটা একটি মিথ্যা ধারণা ছাড়া আর কিছুই নয় বলে সম্প্রতি এক বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দাবি করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর ক্যান্সারের সংক্রামণ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়।
ডা. এক্স বলেন, বর্তমানে ক্যান্সারের সংক্রামণ এত ব্যাপক হারে বেড়ে যাচ্ছে যেটা থেকে বৃদ্ধ, তরুণ, বাচ্চা কেউই বাদ যাচ্ছে না। তারা শুধুমাত্র ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পকে তাদের ঔষধ বিক্রিতে বাড়তি আয়ের যোগান দিচ্ছে না, একই সঙ্গে ক্যান্সারের কারণে তাদের বাড়তি টু পাইস আয়েরও ব্যবস্থা করে দিচ্ছে।

প্রাকৃতিক উপায়ে ঘরে বসেই কিভাবে ক্যান্সার নিরাময় করা যায় এ বিষয়ে একটি বই লেখা হয়েছে যার নাম হয়তো আমরা অনেকেই জানিনা। ‘ওয়ার্ল্ড উইদাউট ক্যান্সার’ নামক বইটি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এ যাবত প্রায় অসংখ্য ভাষায় অনুদিত হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, আমাদের সকলেরই জানা উচিৎ ক্যান্সার কোন ভয়াবহ ব্যাধি নয় এটা শুধুমাত্র ভিটামিন বি-১৭ এর অভাব জনিত রোগ। তাহলে কেন আমরা কেমোথেরাপি, সার্জারি বা হাইপাওয়ারের ঔষধ গ্রহণ থেকে বিরত থকবো না।

স্কুভি নামে একটি বিরল রোগে আক্রান্ত হয়ে অসংখ্য সামুদ্রিক প্রাণী মারা যায়। এসব মৃত প্রাণীর দেহাবাষেশ বিক্রি করে লোকেরা প্রচুর আর করতেন। পরবর্তীতে অনেক গবেষণার মধ্যে দিয়ে আবিষ্কার হয় যে, শুধুমাত্র ভিটামিন সি এর অভাবে সামুদ্রিক প্রাণীরা স্কুভি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়।
একইভাবে ভিটামিন বি-১৭’র অভাবে ক্যান্সার সংক্রমন হয়ে থাকে। বর্তমান বিশ্বে ক্যান্সার হচ্ছে একটি জনপ্রিয় ব্যাবসা যেটা থেকে কোটি কোটি টাকা আর করছে ঔষধ শিল্প।

ক্যান্সারকে কোন প্যানিক হিসেবে নয়, কিছু নির্ধারিত কৌশল মেনে ঘরে বসেই কোন ঔষধ ছাড়া ক্যান্সারের প্রতিরোধ ও প্রতিকার করা সম্ভব। একজন ব্যক্তি প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০টি খাঁটি সুগন্ধি পাথর কিংবা আমলকি জাতীয় ফলের শক্ত গোটা, গমের গুড়া, আপেল, চেরি, পীচ, নাশপাতির বীজ, মটরশুটি ইত্যাদি খেলে অলৌকিক ভাবে অ্যান্টি ক্যান্সার হিসেবে কাজ করবে। নিউজ রেসকিউ

কালোজিরার উপকারিতা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: কালোজিরা খুব পরিচিত একটি নাম। ছোট ছোট কালো দানাগুলোর মধ্যে সৃষ্টিকর্তা যে কী বিশাল ক্ষমতা নিহিত রেখেছেন তা সত্যি বিস্ময়কর। প্রাচীনকাল থেকে কালোজিরা মানবদেহের নানা রোগের প্রতিষেধক এবং প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে।

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন: “তোমরা কালোজিরা ব্যবহার করবে, কেননা এতে একমাত্র মৃত্যৃ ব্যতীত সর্বরোগের মুক্তি এতে রয়েছে”। সহীহ বুখারীঃ ১০/১২১

# কালোজিরায় কি আছে
কালোজিরার মধ্যে রয়েছে ফসফেট, লৌহ,ফসফরাস, কার্বো-হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণু নাশক বিভিন্ন উপাদান সমূহ।কালোজিরার রয়েছে ক্যন্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হর্মোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক।

# ক্রিয়াক্ষেত্র
মস্তিষ্ক, চুল, টাক ও দাঁদ, কান, দাঁত, টনসিল, গলাব্যথা,পোড়া নারাঙ্গা বা বিসর্গ, গ্রন্থি পীড়া, ব্রণ, যাবতীয় চর্মরোগ, আঁচিল, কুষ্ঠ, হাড়ভাঙ্গা,ডায়াবেটিস, রক্তের চাড় ও কোলেষ্টরেল, কিডনী, মুত্র ওপিত্তপাথরী, লিভার ও প্লীহা,ঠান্ডা জনিত বক্ষব্যাধি,হৃদপিন্ড ও রক্তপ্রবাহ, অম্লশূল বেদনা, উদরাময়, পাকস্থলী ও মলাশয়, প্রষ্টেট, আলসার ও ক্যান্সার। চুলপড়া, মাথাব্যথা, অনিদ্রা,মাথা ঝিমঝিম করা, মুখশ্রী ওসৌন্দর্য রক্ষা,

অবসন্নতা-দুর্বলতা, নিষ্কিয়তা ও অলসতা,আহারে অরুচি,মস্তিষ্কশক্তি তথা স্মরণশক্তি বাড়াতেও কালোজিরা উপযোগী। কালোজিরার যথাযথ ব্যবহারে দৈনন্দিন জীবনে বাড়তি শক্তি অজির্ত হয়। কালোজিরার তেল ব্যবহারে রাতভর আপনি প্রশান্তিপর্ন নিদ্রা যেতে পারেন।কালোজিরার দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

# ওষুধ প্রস্তুত
আগেই বলেছি আমরা কালোজিরার টীংচার, বড়ি ও তেল ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করছি। কখনো এককভাবে কখনো অন্য ওষুধের সাথে সংমিশ্রিত করে রোগীক্ষেত্র প্রয়োগ করে থাকি। কালোজিরা তেলের সাথে জলপাই তেল, নিম তেল, রসুনের তেল, তিল তেল মিশিয়ে নেয়া যায়। কালোজিরা আরক+কমলার রস।

# ব্যবহার
কালোজিরা + পুদিনা চায়ের সাথে কালোজিরা কালোজিরা + রসুন + পেঁয়াজ কালোজিরা + গাজর

# মাথাব্যথা
মাথা ব্যথায় কপালে উভয় চিবুকে ও কানেরপার্শ্ববর্তি স্থানে দৈনিক ৩/৪বার কালোজিরার তেল মালিশ করূন। ৩ দিন খালি পেটে চা চামচে এক চামচ করে তেল পান করুন। সচরাচর মাথাব্যথায় মালিশের জন্য রসুনের তেল, তিল তেল ও কালোজিরার তেলের সংমিশ্রণ মাথায় ব্যবহার করুন।

হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ন্যাট্রম মিউর ও ক্যালকেরিয়া ফসের মধ্যে লক্ষণ মিলিয়ে একটা হোমিওপ্যাথিক ও অপরটা বায়োকেমিক হতে প্রয়োগ করুন। প্রয়োজনবোধে প্রথমে বেলেডোনা ব্যবহার করে নিতে পারেন।

# চুলপড়া
লেবু দিয়ে সমস্ত মাথার খুলি ভালোভাবে ঘষুণ। ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ও ভালোভাবে মাথা মুছে ফেলুন। তারপর মাথার চুল ভালোভাবে শুকানোর পর সম্পুর্ন মাথার খুলিতে কালোজিরার তেল মালিশ করুন। ১ সপ্তাতেই চুলপড়া বন্ধ হবে।মাথার যন্ত্রনায় কালোজিরার তেলের সাথে পুদিনার আরক দেয়া যায়। এক্ষেত্র পুদিনার টীংচার রসুনের তেল, তিলতেল, জলপাই তেল ও কালোজিরার তেল একসাথে মিশিয়েও নেয়া যেতে পারে।

# কফ ও হাঁপানী
বুকে ও পিঠে কালোজিরারতেল মালিশ। এক্ষেত্রে হাঁপানীতে উপকারী অন্যান্য মালিশের সাথে এটা মিশিয়েও নেয়া যেতে পারে। রীতিমতো হোমোওপ্যাথিক ওষুধ আভ্যন্তরীন প্রয়োগ।

# স্মরণশক্তি ও ত্বরিত অনুভুতি
চা চামচে ১ চামচ কালোজিরার তেল ও ১০০ গ্রাম পুদিনা সিদ্ধ ১০দিন সেব্য। পাশাপাশি ক্যালকেরিয়া ফস ১২এক্স, ৩০এক্স দিনে ৩ বার ৪ বড়ি করে। সামান্য ঈষদোষ্ণ পানি সহ সেবন। কালোজিরার টীংচার ও পুদিনার টীংচারের মিশ্রণ দিনে ৩ বার ১৫-২০ ফোটা করে আহারের ১ঘন্টা আগে এবং ১ ঘন্টা পরে ক্যালকেরিয়া ফস ১২এক্স ও ৪বড়ি করে। প্রয়োজন বোধে ক্যালি ফস ১২এক্স ও একসঙ্গে দেয়া যেতে পারে।

# ডায়াবেটিস
কালোজিরার চূর্ণ ও ডালিমের খোসাচূর্ণ মিশ্রন, কালোজিরার তেল ডায়াবেটিসে উপকারী। রোগীর অবস্থানুযায়ী অন্যান্য হোমিওপ্যাথিক মাদার ও ভেষজ সহ ব্যবস্থেয়।

# কিডনির পাথর ও ব্লাডার ২৫০ গ্রাম কালোজিরা ও সমপরিমান বিশুদ্ধ মধু। কালোজিরা উত্তমরূপে গুড়ে করে মধুর সাথে মিশ্রিত করে দুই চামচ মিশ্রন আধাকাপ গরম পানিতে মিশিয়ে প্রতিদিন আধা চা কাপ পরিমাণ তেলসহ পান করতে হবে। কালোজিরার টীংচার মধুসহ দিনে ৩/৪ বার ১৫ ফোটা করে সেবন। পযায়ক্রমে বার্বারিস মুল আরক বা নির্দেশিত হলে অন্য কোন হোমিও অথবা বায়োকেমিক ওষুধের
পাশাপাশি।

# মেদ ও হৃদরোগ/ধমনী সংকোচন চায়ের সাথে নিয়মিত কালোজিরা মিশিয়ে অথবা এর তেল বা আরক মিশিয়ে পান করলে হৃদরোগে যেমন উপকার হবে, তেমনি মেদ ও বিগলিত হবে।

# অ্যাসিডিটি ও গ্যাসষ্ট্রিক এককাপ দুধ ও এক বড় চামচ কালোজিরার তেল দৈনিক ৩বার ৫-৭ দিন সেবনে আরোগ্য হয়।

# চোখেরপীড়া রাতে ঘুমোবার আগে চোখের উভয়পাশে ও ভুরূতে কালোজিরার তেল মালিশ করূন এবং এককাপ গাজরের রসের সাথে একমাস কালোজিরা তেল সেবন করুন। নিয়মিত গাজর খেয়ে ও কালোজিরা টীংচার সেবনে আর তেল মালিশে উপকার হবে। প্রয়োজনে নির্দেশিত হোমিও ও বায়োকেমিক ওষুধ সেবন।

# উচ্চরক্তচাপ যখনই গরম পানীয় বা চা পান করবেন তখনই কালোজিরা কোন না কোন ভাবে সাথ খাবেন। গরম খাদ্য বা ভাত খাওয়ার সময় কালোজিরার ভর্তা খান। এ উভয় পদ্ধতির সাথে রসুনের তেল সাথে নেন। সারা দেহে রসুন ও কালোজিরার তেল মালিশ করুন। কালোজিরা, নিম ও রসুনের তেল একসাথে মিশিয়ে মাথায় ব্যবহার করুন। ভালোমনে করলে পুরাতন রোগীদের ক্ষেত্রে একাজটি ২/৩ দিন অন্তরও করা যায়।

# ডায়রিয়া সেলাইন ও হোমিও ওষুধের পাশাপাশি ১ কাপ দই ও বড় এক চামচ কালোজিরার তেল দিনে ২ বার ব্যবস্থেয়। এর মুল আরকও পর্ক্ষীনীয়।

# জ্বর সকাল-সন্ধায় লেবুর রসের সাথে ১ বড় চামচ কালোজিরা তেল পান করুন আর কালোজিরার নস্যি গ্রহন করুন। কালোজিরা ও লেবুর টীংচার (অ্যাসেটিক অ্যাসিড) সংমিশ্রন করেও দেয়া যেতে পারে।

# যৌন-দুর্বলতা কালোজিরা চুর্ণ ও যয়তুনের তেল (অলিভ অয়েল), ৫০ গ্রাম হেলেঞ্চার রস ও ২০০ গ্রাম খাটি মধু = একত্রে মিশিয়ে সকাল খাবারের পর ১চামচ করে সেব্য। কালোজিরার মূল আরক, হেলেঞ্চা মুল আরক, প্রয়োজনীয আরো কোন মুল আরক অলিভ অয়েল ও মধুসহ পরীক্ষনীয়।

# স্ত্রীরোগ, প্রসব ও ভ্রুন সংরক্ষণ কালোজিরা মৌরী ও মধু দৈনিক ৪ বার সেব্য।

# স্নায়ুবিক উত্তেজনা কফির সাথে কালোজিরা সেবনে দুরীভুত হয়।

# চেহারার কমনীয়তা ও সৌন্দর্যবৃদ্ধি অলিভ অয়েল ও কালোজিরা তেল মিশিয়ে অঙ্গে মেখে ১ ঘন্টা পর সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলন।

# উরুসন্ধি প্রদাহ স্থানটি ভালভাবে সাবান দিয়ে ধুয়ে নিয়ে ৩দিন সন্ধায় আক্রান্ত স্থানে কালোজিরা তেল লাগান সন্ধ্যায়, সকালে ধুয়ে নিন।

# ছুলি/শ্বেতী আক্রান্ত স্থানে আপেল দিয়ে ঘষে কালোজিরা তেল লাগান। ১৫দিন হতে ১মাস।

# আঁচিল হেলেঞ্চা দিয়ে ঘষে কালোজিরা তেল লাগান। হেলেঞ্চা মুল আরক মিশিয়ে নিলেও হবে। সাথে খেতে দিন হোমিও ওষুধ।

# পিঠ ও বাত আক্রান্ত পিঠে ও অন্যান্য বাতের বেদনায় কালোজিরার তেল মালিশ করুন। খেতে দিন কোন নির্বাচিত হোমিওপ্যাথি ওষুধ।

# সকল রোগের প্রতিষেধক মধুসহ প্রতিদিন সকালে কালোজিরা সেবনে স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও সকল রোগ মহামারী হতে রক্ষা পাওয়া যায়।

নিয়মিত কালোজিরা সেবনে চুলের গোড়ায় পুষ্টি ঠিকমতো পায়, ফলে চুলের বৃদ্ধি ভালো হয় এবং চুল পড়া বন্ধ হয়। নিয়মিত অল্প পরিমাণ কালোজিরা খেলে মস্তিষ্ক এবং অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের রক্ত সঞ্চালন ও বৃদ্ধি সঠিকভাবে হয় এবং সুস্বাস্থ্য বজায় থাকে।


   Page 1 of 13
     স্বাস্থ্য
আজ বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস
.............................................................................................
শিশুর নিউমোনিয়া প্রতিরোধে করণীয়
.............................................................................................
স্বাস্থ্য খাতে এডিবির বরাদ্দ বাড়ছে
.............................................................................................
শরীরচর্চা করে না বিশ্বের একচতুর্থাৎশ মানুষ: ডব্লিউএইচও
.............................................................................................
মুখে ঘা হলে যা করণীয়
.............................................................................................
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার সহজ উপায়
.............................................................................................
যখন তখন ঘুমের ওষুধ নয়
.............................................................................................
জেনে নিন ক্যান্সারের পূর্বাভাস
.............................................................................................
ঘুমের ওষুধ অপ্রয়োজনে নয়
.............................................................................................
নিয়মিত লবঙ্গ খাওয়ার উপকারিতা
.............................................................................................
ক্যান্সার প্রতিষেধক টিকা আবিষ্কার করেছে কিউবার বিজ্ঞানীরা
.............................................................................................
২ কোটি মানুষ কিডনি রোগে আক্রান্ত
.............................................................................................
স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে ‘যুগান্তকারী’ ওষুধ
.............................................................................................
শীতে শিশুর যত্ন
.............................................................................................
ক্যান্সার রোগ নয়, ব্যবসা!
.............................................................................................
কালোজিরার উপকারিতা
.............................................................................................
আগুনে পোড়া ক্ষত সারাতে ভিটামিন ডি
.............................................................................................
শিশুর জ্বর হলে যা করবেন
.............................................................................................
মেরুদন্ডের সমস্যায় করণীয়
.............................................................................................
স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে ...
.............................................................................................
হার্ট ভাল রাখতে ৪টি জরুরি বিষয়
.............................................................................................
ভারতে হাসপাতালে ২৪ ঘন্টায় ১৬ শিশুর মৃত্যু
.............................................................................................
রোবটের সাহায্যে মানুষের দাঁতে অস্ত্রোপচার
.............................................................................................
প্রতি বছর স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন ২২ হাজার নারী!
.............................................................................................
স্ট্রোক হতে পারে উচ্চ রক্তচাপ থেকে
.............................................................................................
‘সুপার ম্যালেরিয়া’ ছড়িয়ে পড়ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়
.............................................................................................
ঘুমন্ত অবস্থায় যেভাবে চর্বি গলে ওজন কমবে!
.............................................................................................
শ্বাসকষ্ট, সর্দি-কাশি, এলার্জি হলে যা করবেন
.............................................................................................
ওজন কমাতে ক্যালসিয়াম
.............................................................................................
চুমু স্বাস্থ্যের জন্য কতটুকু ভালো বা মন্দ
.............................................................................................
ক্যান্সার এড়াতে করনীয়
.............................................................................................
পিরিয়ডের ব্যথায় সহজে মুক্তি পেতে
.............................................................................................
যুবতীর পেট থেকে ৭৫০ গ্রাম চুল!
.............................................................................................
বায়োপসি করালে কি ক্যানসার বাড়ে?
.............................................................................................
ক্যানসার-হৃদরোগে মৃত্যু ঠেকাবে যে ওষুধ
.............................................................................................
হঠাৎ হাতের কব্জিতে ব্যথা
.............................................................................................
রক্তের অভাব দূর করতে কৃত্রিম রক্ত!
.............................................................................................
রক্তে কোলেস্টেরল বাড়ার কারণ
.............................................................................................
ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া ভয়ঙ্কর
.............................................................................................
চোখের ভেতরে থেকে ৮টি পাথর অপসারণ
.............................................................................................
হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ ও প্রতিকার
.............................................................................................
ত্বকের ক্যানসার সারাবে যে সবজি
.............................................................................................
ক্যানসারের সেল নষ্ট করবে ভিটামিন সি!
.............................................................................................
যে কারণে হয় ভাইরাল হেপাটাইটিস
.............................................................................................
পুরুষের যেসব শারীরিক লক্ষণে অবহেলা করবেন না
.............................................................................................
ক্যান্সারের চিকিৎসায় বিপ্লবী উদ্ভাবন
.............................................................................................
দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ নয়!
.............................................................................................
গনোরিয়া নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হুশিয়ারি
.............................................................................................
চিকুনগুনিয়া থেকে নতুন রোগ!
.............................................................................................
ওষুধের বিকল্প বাত-ব্যথার কার্যকরী চিকিৎসা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft