শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   স্বাস্থ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বাংলাদেশে করোনার সংক্রমণ কম হওয়ার রহস্য

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : ভারতে করোনাভাইরাস সংক্রমণের সংখ্যা ৫০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে, কিন্তু সে তুলনায় প্রতিবেশী দেশগুলোর সংক্রমণের হার বেশ কম।

কারণটা কী?
জুন মাস থেকেই ভারতে ভাইরাস সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে - মোটামুটি যে সময়টায় দেশটিতে কঠোর লকডাউন তুলে নেয়া হয়েছিল।

ভারতে জনসংখ্যা ১৩০ কোটি - তাই দেশটিতে মোট সংক্রণমণের সংখ্যাটাও বড়। তাতে বিস্ময়ের কিছু নেই। কিন্তু দেশটিতে সংক্রমণের হার বাড়ছে ব্যাপকভাবে এবং উদ্বেগজনক হারে।

কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশে মে ও জুন মাসে সংক্রমণের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌছানোর পর এখন আক্রন্তের সংখ্যা কমে আসছে।

বাংলাদেশের চিত্র কী?
বাংলাদেশে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায় জুন মাসের মাঝামাঝি। জুলাই মাসের শেষ দিক থেকে তা কমে আসছে।

পাকিস্তানে জুন মাসে করোনাভাইরাস সংক্রমণ সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছিল। তখন প্রতিদিন ৬ হাজার করে নতুন সংক্রমণ নিশ্চিত হচ্ছিল।

কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে সে সংখ্যা কমে দৈনিক কয়েক শ`তে নেমে এসেছে। সেখানে পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর স্কুলও খুলেছে।

নেপালে সার্বিকভাবে করোনাভাইরাস সংক্রমণের সংখ্যা কম ছিল। তবে তা শীর্ষ চূড়ায় পৌঁছেছিল জুন মাসে। তার পর তা কমছিল, কিন্তু এখন আবার বাড়ছে।

আফগানিস্তানে দৈনিক সংক্রমণ এখন খুবই কমে গেছে। তবে দেশটির সরকারি পরিসংখ্যানের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন আছে।

শ্রীলঙ্কায়ও সংক্রমণ খুবই কম। এপ্রিল থেকে এখানে সংক্রমণে কয়েক দফায় উর্ধগতি দেখা গেছে কিন্তু সংখ্যার দিক থেকে তা অপেক্ষাকৃত কম। দেশটিতে কড়া কোয়ারেন্টিন ও লকডাউন, এবং কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং করা হয়েছে।

ভারত এখন টেস্টিংএর সংখ্যা ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে। ২১ আগস্ট সেখানে একদিনে ১০ লক্ষ টেস্ট করা হয়েছিল।

ভাইরোলজিস্ট ড. রশিদ জামিল বলছেন, জনসংখ্যার অনুপাতে হিসেবে এটা তেমন বড় সংখ্যা নয়, তবে মিলিয়নপ্রতি টেস্টের সংখ্যা্র দিক থেকেও এটা কম।

ভারতে এ পর্যন্ত ৬ কোটি টেস্ট করা হয়েছে। পাকিস্তানে করা হয়েছে ত্রিশ লক্ষ।

কিন্তু এই দেশগুলোতে অন্য অনেক দেশের তুলনায় টেস্টিং করা হয়েছে অনেক কম।

পাকিস্তান ও বাংলাদেশে টেস্টিংয়ের মাত্রা কমে গেছে। তা না হলে এটা করোনা পজিটিভ কেসের সংখ্যার ওপর একটা প্রভাব ফেলতো।

বাংলাদেশে সরকার জুলাই মাসে করোনাভাইরাস টেস্টের জন্য উচ্চ ফি বেঁধে দেয় - আর তার পর দেশটিতে টেস্টের সংখ্যা কমে যায়। তা ছাড়া দেশটিতে ভুয়া করোনা নেগেটিভ টেস্ট সার্টিফিকেট বিক্রি নিয়ে একটি কেলেংকারিও হয়েছে।

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা প্রতিটি নিশ্চিত করোনাভাইরাস কেসের বিপরীতে ১০ থেকে ৩০টি টেস্টের যে মাত্রা বেঁধে দিয়েছে - দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো সেই মানদণ্ডে ভালো করেনি।

তবে নেপাল ও ভারত এখন সেই মানদণ্ডে পৌঁছেছে।

রাশিয়া ও জাপানের জনসংখ্যা বাংলাদেশের মতোই। কিন্তু তারা অনেক ব্যাপকভাবে টেস্ট করছে। রাশিয়ায় প্রতি ৩৯ জনে একজন এবং জাপানে ২৮ জনে একজন করোনাভাইরাস পজিটিভ পাওয়া যাচ্ছে।

কিন্তু বাংলাদেশ প্রতি পাঁচটি টেস্টে একজন করোনা পজিটিভ পাচ্ছে - যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ডের নিচে।

দক্ষিণ এশিয়ায় করোনাভাইরাসে মৃত্যুহার কম কেন?
ভারতে করোনাভাইরাসে সর্বমোট মৃত্যুর সংখ্যা এখন পৃথিবীতে তৃতীয় সর্বোচ্চ, কিন্তু আক্রান্তদের গুরুতর অসুস্থ বা মৃত্যু হবার অনুপাত বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় কম।

দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোতেও মৃত্যুর মোট সংখ্যা বা আনুপাতিক হার পৃথিবীর অন্য অঞ্চলগুলোর চেয়ে কম।

এখানে উপাত্তের নির্ভরযোগ্যতা বা অনেক মৃত্যুর খবর না পাওয়াকে বিবেচনায় নিলেও - এ পার্থক্য চোখে পড়ার মত, বলছেন ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ প্রফেসর কামরান সিদ্দীকি।

তার মতে, এর সবচেয়ে বেশি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হলো - ইউরোপ বা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় দক্ষিণ এশিয়ার জনগোষ্ঠীগুলোতে তরুণতরদের সংখ্যা বেশি।

সূত্র : বিবিসি


স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

বাংলাদেশে করোনার সংক্রমণ কম হওয়ার রহস্য
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : ভারতে করোনাভাইরাস সংক্রমণের সংখ্যা ৫০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে, কিন্তু সে তুলনায় প্রতিবেশী দেশগুলোর সংক্রমণের হার বেশ কম।

কারণটা কী?
জুন মাস থেকেই ভারতে ভাইরাস সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে - মোটামুটি যে সময়টায় দেশটিতে কঠোর লকডাউন তুলে নেয়া হয়েছিল।

ভারতে জনসংখ্যা ১৩০ কোটি - তাই দেশটিতে মোট সংক্রণমণের সংখ্যাটাও বড়। তাতে বিস্ময়ের কিছু নেই। কিন্তু দেশটিতে সংক্রমণের হার বাড়ছে ব্যাপকভাবে এবং উদ্বেগজনক হারে।

কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশে মে ও জুন মাসে সংক্রমণের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌছানোর পর এখন আক্রন্তের সংখ্যা কমে আসছে।

বাংলাদেশের চিত্র কী?
বাংলাদেশে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায় জুন মাসের মাঝামাঝি। জুলাই মাসের শেষ দিক থেকে তা কমে আসছে।

পাকিস্তানে জুন মাসে করোনাভাইরাস সংক্রমণ সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছিল। তখন প্রতিদিন ৬ হাজার করে নতুন সংক্রমণ নিশ্চিত হচ্ছিল।

কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে সে সংখ্যা কমে দৈনিক কয়েক শ`তে নেমে এসেছে। সেখানে পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর স্কুলও খুলেছে।

নেপালে সার্বিকভাবে করোনাভাইরাস সংক্রমণের সংখ্যা কম ছিল। তবে তা শীর্ষ চূড়ায় পৌঁছেছিল জুন মাসে। তার পর তা কমছিল, কিন্তু এখন আবার বাড়ছে।

আফগানিস্তানে দৈনিক সংক্রমণ এখন খুবই কমে গেছে। তবে দেশটির সরকারি পরিসংখ্যানের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন আছে।

শ্রীলঙ্কায়ও সংক্রমণ খুবই কম। এপ্রিল থেকে এখানে সংক্রমণে কয়েক দফায় উর্ধগতি দেখা গেছে কিন্তু সংখ্যার দিক থেকে তা অপেক্ষাকৃত কম। দেশটিতে কড়া কোয়ারেন্টিন ও লকডাউন, এবং কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং করা হয়েছে।

ভারত এখন টেস্টিংএর সংখ্যা ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে। ২১ আগস্ট সেখানে একদিনে ১০ লক্ষ টেস্ট করা হয়েছিল।

ভাইরোলজিস্ট ড. রশিদ জামিল বলছেন, জনসংখ্যার অনুপাতে হিসেবে এটা তেমন বড় সংখ্যা নয়, তবে মিলিয়নপ্রতি টেস্টের সংখ্যা্র দিক থেকেও এটা কম।

ভারতে এ পর্যন্ত ৬ কোটি টেস্ট করা হয়েছে। পাকিস্তানে করা হয়েছে ত্রিশ লক্ষ।

কিন্তু এই দেশগুলোতে অন্য অনেক দেশের তুলনায় টেস্টিং করা হয়েছে অনেক কম।

পাকিস্তান ও বাংলাদেশে টেস্টিংয়ের মাত্রা কমে গেছে। তা না হলে এটা করোনা পজিটিভ কেসের সংখ্যার ওপর একটা প্রভাব ফেলতো।

বাংলাদেশে সরকার জুলাই মাসে করোনাভাইরাস টেস্টের জন্য উচ্চ ফি বেঁধে দেয় - আর তার পর দেশটিতে টেস্টের সংখ্যা কমে যায়। তা ছাড়া দেশটিতে ভুয়া করোনা নেগেটিভ টেস্ট সার্টিফিকেট বিক্রি নিয়ে একটি কেলেংকারিও হয়েছে।

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা প্রতিটি নিশ্চিত করোনাভাইরাস কেসের বিপরীতে ১০ থেকে ৩০টি টেস্টের যে মাত্রা বেঁধে দিয়েছে - দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো সেই মানদণ্ডে ভালো করেনি।

তবে নেপাল ও ভারত এখন সেই মানদণ্ডে পৌঁছেছে।

রাশিয়া ও জাপানের জনসংখ্যা বাংলাদেশের মতোই। কিন্তু তারা অনেক ব্যাপকভাবে টেস্ট করছে। রাশিয়ায় প্রতি ৩৯ জনে একজন এবং জাপানে ২৮ জনে একজন করোনাভাইরাস পজিটিভ পাওয়া যাচ্ছে।

কিন্তু বাংলাদেশ প্রতি পাঁচটি টেস্টে একজন করোনা পজিটিভ পাচ্ছে - যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ডের নিচে।

দক্ষিণ এশিয়ায় করোনাভাইরাসে মৃত্যুহার কম কেন?
ভারতে করোনাভাইরাসে সর্বমোট মৃত্যুর সংখ্যা এখন পৃথিবীতে তৃতীয় সর্বোচ্চ, কিন্তু আক্রান্তদের গুরুতর অসুস্থ বা মৃত্যু হবার অনুপাত বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় কম।

দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোতেও মৃত্যুর মোট সংখ্যা বা আনুপাতিক হার পৃথিবীর অন্য অঞ্চলগুলোর চেয়ে কম।

এখানে উপাত্তের নির্ভরযোগ্যতা বা অনেক মৃত্যুর খবর না পাওয়াকে বিবেচনায় নিলেও - এ পার্থক্য চোখে পড়ার মত, বলছেন ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ প্রফেসর কামরান সিদ্দীকি।

তার মতে, এর সবচেয়ে বেশি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হলো - ইউরোপ বা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় দক্ষিণ এশিয়ার জনগোষ্ঠীগুলোতে তরুণতরদের সংখ্যা বেশি।

সূত্র : বিবিসি


স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

যেসব কারণে বাড়ে মাইগ্রেনের ব্যথা
                                  

স্বাস্থ্য ডেস্ক : যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে, তাদের অনেক বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি। কারণ অনেক অভ্যাসের কারণে বাড়তে পারে মাইগ্রেনের ব্যথা। মাথার যে কোনো এক পাশ থেকে মাইগ্রেনের ব্যথা হয়ে থাকে। এই ব্যথা মারাত্মক কষ্টকর হয়ে ওঠে। মাইগ্রেনের যন্ত্রণা খুবই কষ্টদায়ক ও দীর্ঘস্থায়ী। কয়েকটি বিষয়ে সতর্ক থাকলে মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে দূরে থাকা সম্ভব হতে পারে-

১. বেশি সময় পেট খালি থাকলে মাইগ্রেনের সমস্যা শুরু হতে পারে। কারণ খালি পেটে থাকলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দেয়; যা মাইগ্রেনের সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

২. অতিরিক্ত রোদে ঘোরাঘুরির কারণে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হতে পারে। এ ছাড়াও অতিরিক্ত গরম, অতিরিক্ত আর্দ্রতার তারতম্যে মাইগ্রেনের ব্যথা হতে পারে।

৩. অতিরিক্ত চাপ নিয়ে একটানা কাজ করলে মাইগ্রেনের সমস্যা হতে পারে। ঘুম ও খাওয়া-দাওয়ার নির্দিষ্ট সময় মেনে না চলার কারণেও মাইগ্রেনের ব্যথা হয়। এ জন্য মানসিক চাপ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতে। খুব মানসিক চাপে থাকলে এক কাপ লেবু চা খেয়ে নিন। এতে মস্তিষ্ক কিছুটা রিলাক্স হবে।

৪. বেশি মিষ্টি খাবার খেলে রক্তের সুগারের মাত্রা বেড়ে যায়, যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত ইনসুলিনের উৎপাদন হতে থাকে। যার ফলে রক্তের সুগারের মাত্রা নেমে যায়। হঠাৎ রক্তে সুগারের মাত্রার তারতম্যের কারণে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হতে পারে।

৫. অতিরিক্ত আওয়াজ, খুব জোরে গান শোনা ইত্যাদি কারণে মাইগ্রেনের সমস্যা শুরু হতে পারে। প্রচণ্ড জোরে আওয়াজের কারণে প্রায় দু’দিন টানা মাইগ্রেনের ব্যথা হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

৬. ঘুমের সমস্যার কারণেও শরীরের উপরে খারাপ প্রভাব পড়তে পাড়ে। যারা নিয়মিত  ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা ঘুমান, তারা যদি হুট করে একদিন একটু বেশি ঘুমিয়ে ফেলেন, সেক্ষেত্রে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হয়ে যায়।

৭. গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় খেতে অভ্যস্ত, তারা হঠাৎ করে সেই অভ্যাস ত্যাগ করলে বা বন্ধ করে দিলে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হতে পারে।

মাইগ্রেনের সমস্যা প্রতিরোধে : ঢেঁকি ছাঁটা চালের ভাত, আলু ও বার্লি মাইগ্রেনের সমস্যা প্রতিরোধ করতে পারে। বিভিন্ন ফল, বিশেষ করে খেজুর ও ডুমুর ব্যথা উপশম করে। সবুজ, হলুদ ও কমলা রঙের শাকসবজি নিয়মিত খেলে উপকার হয়।

এছাড়া ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি মাইগ্রেন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। তিল, আটা ও বিট ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে। আদার টুকরো বা রস দিনে দুবার জিঞ্চার পাউডার পানিতে মিশিয়ে খেতে পারেন।

স্বাধীন বাংলা/এআর

করোনার প্রতিষেধক লুকিয়ে রয়েছে যে গাছে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:
মহামারী করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারে হয়রান পুরো দুনিয়া। কোনভাবেই কুল কিনারা করতে পারছেন না বিশেষজ্ঞরা। যদিও রাশিয়া একটি করোনার টিকা আবিষ্কার করে বাজারে ছেড়েছে। তবে সেটি নিয়েও বেশ বিতর্ক রয়েছে।

এরই মধ্যে আশা জাগানিয়া খবর জানালেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের দাবি- আর্টেমিসিয়া নামের গাছটির মধ্যে নাকি লুকিয়ে রয়েছে মহামারী করোনার প্রতিষেধক!

জার্মানির ‘ম্যাক্স প্লাঙ্ক ইনস্টিটিউট অব কোলয়েডস অ্যান্ড ইন্টার্ফেসেস’র গবেষকদের দাবি, এই ভেষজ উপাদান করোনার সংক্রমণ ও ভাইরাসের কোষ বিভাজনের প্রক্রিয়াকে সক্রিয় ভাবে বাধা দিতে সক্ষম। এমনকি আর্টেমিসিয়া গাছের নির্যাসে তাঁরা করোনা-রোধী শক্তিশালী ভেষজ উপাদানের সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বলছে,  আর্টেমিসিয়া গাছের  নির্যাস সরাসরি করোনা সংক্রমণ রুখতে পারে। যদিও তা প্রমাণ সাপেক্ষ কারণ এখনও পর্যন্ত কোনও প্রমাণ সামনে আসেনি। তার জন্য প্রয়োজন বিস্তর গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার। বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন, এই গাছটিতে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা করোনার সংক্রমণ ও শরীরে করোনাভাইরাসের বিস্তার রুখতে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে সক্ষম।

ইতিমধ্যেই বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করে দিয়েছে এই গাছটি নিয়ে। বিশেষজ্ঞরা জানান, এই গাছটি মাদাগাস্কারে পাওয়া গেলেও আর্টেমিসিয়ার উৎস এশিয়া। এশিয়া মহাদেশের অনেক দেশেই এই গাছ জন্মায়।

চোখ ভালো রাখার খাবার
                                  

স্বাস্থ্য ডেস্ক : অফিস কিংবা বাড়িতে আমরা অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা কম্পিউটারের সামনে বসে থাকি। এর সাথে হাতের মোবাইলের দিকে তো চোখ রয়েছেই। এভাবেই ধীরে ধীরে আপনার চোখের অবস্থা খারাপ হচ্ছে। দুর্বল হয়ে পড়ছে দৃষ্টিশক্তি। তাই চোখের যতœ নিতে হবে। এমন কিছু খাবার রয়েছে যা খেলে ভালো থাকবে আপনার চোখ।

পালং শাক : ঘন সবুজ রঙের বিভিন্ন শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও পুষ্টি উপাদান। তবে সবচেয়ে ভালো পালং শাক। এই শাক চোখ ভালো রাখে। পালং শাকে রয়েছে জিয়াজ্যানথিন ও লুটেইন নামের দুই ক্যারোটিনয়েড। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখের ম্যাকুলা নামের অংশের ক্ষয় আটকাতে এরা সাহায্য করে। ফলে দৃষ্টিশক্তি সতেজ থাকে।

গাজর : প্রায় সব কমলা রঙের সবজি ও ফলে বিটা-ক্যারোটিন থাকে। এই বিটা-ক্যারোটিন অত্যন্ত শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, যা ছানি পড়া, বয়সের কারণে চোখের জ্যোতি কমে যাওয়ার সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে। তাছাড়া গাজরে রয়েছে ফাইবার ও পটাশিয়াম। এ দুটি উপাদানও শরীরের জন্য ভালো।

মাছ : চোখ ভালো রাখতে খেতে পারেন ছোট মাছ, ইলিশ ও রুই। এসব মাছ ফ্যাটি অ্যাসিডে পরিপূর্ণ, যা চোখের রেটিনার চারপাশে থাকা খুবই জরুরি। এগুলো খেলে সেলেনিয়াম, ভিটামিন বি ১২, পটাশিয়ামের গুণ তো পাওয়া যায়ই, সঙ্গে মেলে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো প্রয়োজনীয় জিনিসও।

টমেটো : ভিটামিন এ, বি, সি, কে, ক্যালশিয়াম, পটাশিয়াম, লাইকোপিন, ক্রোমিয়ামসহ নানা উপাদান রয়েছে টমেটোতে। এতে থাকা লাইকোপিন রেটিনাকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
 
দুধজাতীয় খাবার : দই, দুধ এবং অন্য দুগ্ধজাত পণ্য জিঙ্ক, ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাস সমৃদ্ধ। ভিটামিন এ চোখের কর্নিয়া রক্ষা করতে সাহায্য করে, ছানি প্রতিরোধে কাজে আসে জিঙ্ক।

বাদাম : বিভিন্ন বাদামে রয়েছে ভিটামিন-ই সহ আরও অনেক ধরনের ভিটামিন। ফলে নিয়মিত বাদাম খেলে ভালো থাকবে চোখ।

ডিম : ডিমকে সুপারফুড বলা হয়। চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে ডিম খেতে পারেন। ডিমের কুসুমে আছে লিউটেইন ও জিংক, যা রেটিনায় কোনো ধরনের ক্ষয় প্রতিরোধে বেশ কার্যকর।

ভুট্টা : প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ভিটামিন বি-১২, ভিটামিন এ, সি এবং লাইকোপিন ভুট্টায় রয়েছে। এগুলো দৃষ্টিশক্তি প্রখর করতে সাহায্য করে। নিয়মিত ভুট্টা খেলে চোখের হলুদ পিগমেন্ট হারানোর কোনও ঝুঁকি থাকে না। পাশাপাশি ছানি পড়ার ঝুঁকিও কমে যায়।

মিষ্টি আলু : মিষ্টি আলুতে রয়েছে বিটা-ক্যারোটিন, ভিটামিন-সি, ই এবং ডি। ফলে মিষ্টি আলু চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। এতে রয়েছে প্রতিদিনের চাহিদার ২৮ শতাংশ ম্যাঙ্গানিজ ও ৪০ শতাংশ ভিটামিন-সি।

পর্যাপ্ত পানি : চোখ আমাদের শরীরের এমন এক অংশ, যাকে সর্বক্ষণ ভিজিয়ে রাখতে হয়। চোখ ভালো রাখতে তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন।

স্বাধীন বাংলা/এআর

করোনা টেস্টের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির উদ্বোধন মাশরাফির, ৪৫ মিনিটেই পরীক্ষা
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট:
মাত্র ৪৫ মিনিটেই করোনা পরীক্ষার বিশেষ প্রযুক্তি স্থাপন করা হয়েছে নড়াইল সদর হাসপাতালে। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজার একান্ত প্রচেষ্টায় করোনা পরীক্ষার বিশেষ এ প্রযুক্তিটি স্থাপন করা হয়। আজ শনিবার এটির আনুষ্ঠাকি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকা থেকে যুক্ত হয়ে তিনি এ প্রযুক্তির উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুস শাকুর। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (এমবিডিসি ও লাইন পরিচালক টিবি-লেপ এবং এএসপি) অধ্যাপক ডা. মো. সামিউল ইসলাম।

উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন খান নিলু, পৌর মেয়র মো. জাহাঙ্গির বিশ্বাস, সিভিল সার্জন ডা. মো. আবদুল মোমেন, মাশরাফির বাবা গোলাম মোর্ত্তজা স্বপনসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা, চিকিৎসকসহ আরও অনেকে।

জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ভাবিত অত্যাধুনিক এ প্রযুক্তিটি নড়াইল জেলার আধুনিক সদর হাসপাতালে স্থাপন করা হয়েছে। যার মাধ্যমে মাত্র ৪৫ মিনিটে করোনাভাইরাসের পরীক্ষা করা  যাবে। জরুরি প্রয়োজন এমন রোগীদের জন্যই এই প্রযুক্তিতে করোনা পরীক্ষা করা হবে।

এ ব্যাপারে নড়াইল জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মশিউর রহমান বাবু জানান, অত্যাধুনিক এই পদ্ধতিটি বাংলাদেশের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে চালু আছে। যুক্তরাষ্ট্রে উদ্ভাবিত জিন এক্সপার্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে মাত্র ৪৫ মিনিটেই করোনা পরীক্ষা করা যাবে। মাশরাফি বিন মর্তুজার প্রচেষ্টায় নড়াইল সদর হাসপাতালে এবার এটি চালু হলো।


স্বাধীন বাংলা/এম

নিম্ন রক্তচাপের কারণ ও প্রতিকার
                                  

স্বাস্থ্য ডেস্ক : রক্তচাপ কমে যাওয়া, লো প্রেশার, লো ব্লাড প্রেশার কিংবা নিম্ন রক্তচাপের সমস্যা অনেকেরই আছে। অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ভয় ও স্নায়ুর দুর্বলতা থেকে লো ব্লাড প্রেশার হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের মতো নিম্ন রক্তচাপ অর্থাৎ লো ব্লাড প্রেশারও ক্ষতিকর। তবে এ নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই।

একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের রক্তচাপ হওয়া উচিত ১২০/৮০। যদি সিস্টোলিক রক্তচাপ ৯০ মি. মি. মার্কারি ও ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ ৬০ মি. মি. মার্কারির নিচে হয় তাহলে তাকে নিম্ন রক্তচাপ বলা হয়।  

নিম্ন রক্তচাপ হলে মাথা ঘোরানো বা মাথা হালকা অনুভূত হওয়া, মাথা ঘুরে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘোরা বা ভারসাম্যহীনতা, চোখে অন্ধকার বা  ঝাপসা দেখা, শারীরিক দুর্বলতা এবং মানসিক অবসাদগ্রস্ততা, কোনো কিছুতে মনোযোগ দিতে না পারা, ঘন ঘন শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া বা হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, অস্বাভাবিক দ্রুত হৃৎস্পন্দন, নাড়ি বা পালসের গতি বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি দেখা দেয়। তাই যাদের নিম্ন রক্তচাপের সমস্যা আছে তারা এটি থেকে মুক্তি পেতে কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন।

লবণ পানি : নিম্ন রক্তচাপের সমস্যা দেখা দিলে এক গ্লাস পানিতে ১ থেকে ২ চা চামচ লবণ মিশিয়ে পান করুন। এটি রক্তচাপকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করবে।

কফি : নিম্ন রক্তচাপের সমস্যা দেখা দিলে এক কাপ কফি পান করুন। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করবে। তবে কফি অল্প সময়ের জন্যই আপনার রক্তচাপকে স্থিতিশীল করতে সহায়তা করে।

পানি পান : প্রতিদিন তিন থেকে চার লিটার পানি পান করুন। এটি শরীরের টক্সিন বের করে শারীরিক কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। একইভাবে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

সজনে শাক : সজনে শাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি উচ্চ রক্তচাপ কমানোর পাশাপাশি নিম্ন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে। এ কারণে সপ্তাহে অন্তত ২ দিন সজনে শাক খেতে পারেন।

বাদাম : নিম্ন রক্তচাপ ঠিক রাখতে সারারাত ৮-১০টি বাদাম পানিতে ভিজিয়ে রেখে দিন। সকালে খোসা ছাড়িয়ে তা আখের গুড়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেয়ে নিন। বাদামে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড নিম্ন রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

স্বাধীন বাংলা/এআর

বুক ব্যথা ও হার্ট অ্যাটাক
                                  

স্বাস্থ্য ডেস্ক : হঠাৎ বুক ব্যথা হার্ট অ্যাটাকের সবচেয়ে বৈশিষ্ট্যসূচক লক্ষণ। এটা প্রায় সবারই জানা কথা। তবে অনেকগুলো নতুন গবেষণাকর্মে দেখা গেছে, হার্ট অ্যাটার্ক সন্দেহ করে যাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে, এদের বুক ব্যথা হয়নি এবং সে জন্য হালকাভাবে চিকিৎসা হয়েছে তাদের।

১১ লাখ লোকের ওপর একটি গবেষণা রিপোর্ট পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, হার্ট অ্যাটাকের জন্য ভর্তি নারীদের ৪২ শতাংশের কোনো বুকব্যথার ইতিহাস ছিল না। তুলনামূলকভাবে ৩০.৭ শতাংশ পুরুষের ছিল না বুক ব্যথার ইতিহাস। হার্ট অ্যাটাকের পর মহিলাদের মৃত্যুর সম্ভাবনাও বেশি। নারীদের মৃত্যুহার ছিল ১৫ শতাংশ, পুরুষের ছিল তুলনামূলকভাবে ১০ শতাংশ।

এই গবেষণার একজন প্রধান গবেষক এবং ফ্লোরিডার লেকল্যান্ড রিজিওন্যাল মেডিকেল সেন্টারের চেস্ট পেইন সেন্টারের পরিচালক ডা. জন জি ক্যান্টো বলেন, আমরা মনে করি এর আংশিক কারণ হলো যেসব নারীর হার্ট অ্যাটাকের উপস্থাপনা নিয়ে আসেন তাঁদের বৈশিষ্ট্যসূচক উপসর্গ নাও থাকতে পারে। তাই হার্ট অ্যাটাক হয়েছে বলে তাঁরা চিহ্নিত হন না। সম্ভবত, এদের মধ্যে কিছু রোগীর এত দেরিতে এসব উপসর্গ হয় যে জীবন রক্ষাকারী পদ্ধতিগুলো প্রয়োগ হতেও দেরি হয়ে যায়।

নারী ও পুরুষের মৃত্যুর একটি প্রধান কারণ হলো হৃদরোগ। সারা পৃথিবীতে প্রতিবছর এতে প্রাণ হারান ৭০ লাখ লোক। ১৯৮০ সাল পর্যন্ত হৃদেরাগকে পুরুষের রোগ বলে মনে করা হতো এবং পুরুষকে লক্ষ করে বা কেন্দ্র করে অনেকগুলো গবেষণা হয়েছিল এবং এগুলো থেকে হার্ট অ্যাটাকের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ লক্ষণগুলো সম্বন্ধে একটি সংকীর্ণ ছবি আঁকা হয়েছিল মাত্র। বুকব্যথা, শ্বাসকষ্ট, ঘাড়, চোয়াল, পিঠ ও বাহু দিয়ে বয়ে আসা ব্যথা।

তবে আরও অন্তর্গত গবেষণায় দেখা গেল, নারী রোগীদের এসব উপসর্গ হলেও, কখনো কখনো এমন সব উপসর্গ তাদের হয় যা হার্ট অ্যাটাকের বৈশিষ্ট্যসূচক নয়, যেমন ঘুমের সমস্যা এবং হার্ট অ্যাটাকের কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ আগে থেকে গুরুতর ক্লান্তি, এ ছাড়া শীতলঘাম, দুর্বলতা ও মাথা ঝিমাঝিম ভাব হার্ট অ্যাটাকের সময়। নতুন এই গবেষণায় ডা. ক্যান্টো ও তাঁর সহকর্মীরা ১৯৯৪-২০০০ সাল পর্যন্ত হার্ট অ্যাটাকের জন্য হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের জাতীয় নিবন্ধীকৃত নথি পর্যালোচনা করে পুরুষদের ও মহিলাদের উপসর্গসমূহ ও মৃত্যুহার তুলনা করে দেখেছেন। বুকব্যথা মহিলা ও পুরুষের মধ্যে সবচেয়ে সচরাচর উপসর্গ হলেও সর্বমোট ৩৫ শতাংশ রোগীর কখনোই বুকব্যথা ছিল না।

৫৫-অনূর্ধ্ব নারী যাদের হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল তবে বুকে অস্বস্তি ছিল না তাদের হাসপাতালে মৃত্যুঝুঁকি, একই বয়সের পুরুষ যাদের বৈশিষ্ট্যসূচক হার্ট অ্যাটাক উপসর্গ ছিল, তাদের তুলনায় দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ বেশি ছিল। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই পার্থক্য কমে এল এবং পরে মিলিয়েও গেল। পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের উপসর্গগুলোর তারতম্য কেন হয়, তা সঠিকভাবে জানা নেই। তবে ডা. ক্যান্টোর ধারণা, অনেক উপাদান জড়িত থাকতে পারে। এমনকি হরমোনও। অনেক নারী যাঁরা গর্ভনিরোধক বড়ি সেবন করেন, তাঁদের রক্তনালি ও ধমনীসমূহ পুরুষের চেয়ে অনেক আঠালো।

ডা. ক্যান্টো বলেন, নারীদের মধ্যে বিশেষ করে তরুণ নারী যাদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাক হয়, এদের করোনারি ধমনীতে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া তরুণ পুরুষের তুলনায় আলাদা। এদের ধমনীগাত্রে চর্বিপুঞ্জ দীর্ণ হওয়ার চেয়ে বরং চর্বিপুঞ্জ ক্ষয় ও ক্ষত খসে পড়ার ঘটনা ঘটে বেশি।

যাদের হার্ট অ্যাটাক হলো অথচ বুকে চাপ চাপ ব্যথা, আঁটোসাঁটো ভাব হলো না, এঁরা বুঝতে পারেন না কী ঘটল। ডা. ক্যান্টো বলেন, তাঁরা যখন চিকিৎসার জন্য আসেন তখন ডাক্তাররা হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা অবিলম্বে বিবেচনা করতে পারেন না বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে। ফলে, তাই অবিলম্বে বাইপাস সার্জারি, হার্ট ক্যাথেটেরাইজ করা এবং অন্যান্য জীবন রক্ষাকারী পদ্ধতি প্রয়োগ অনেক কমে যায়। বাস্তবতা হলো, অনেক ডাক্তারই ভাবেন না যে কমবয়সী নারীদের হার্ট অ্যাটাক হতে পারে, বলেন আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের অন্যতম সদস্য এবং নিউইয়র্কে মন্টে ফিওবে আইনস্টাইন সেন্টার ফর হার্ট অ্যান্ড ভাসকুলার কেয়ারে কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান ডা. ম্যারিও গার্সিয়া। আবার অনেক গবেষণা থেকে এও দেখা গেছে, এমনকি যেসব নারীর বুক ব্যথাসহ হার্ট অ্যাটাকের বৈশিষ্ট্যসূচক উপসর্গ হয়েছিল তাঁরাও পুরুষদের তুলনায় চিকিৎসা-সহায়তার জন্য অনেক কম গেছেন ডাক্তারের কাছে বা হাসপাতালে।

ডা. মারিয়া গার্সিয়া বলেন, পুরুষেরা এ রকম সমস্যা হলে দ্রুত পরামর্শ নেন ডাক্তারের। নারীরা নিজেদের চেয়ে তাঁদের স্বামীদের ব্যাপারে ভাবেন বেশি। উদ্বিগ্ন হন বেশি। পৃথিবীজুড়েই নারীরা নিজেদের নিয়ে ভাবেন কম, নিজেদের যতœ নেন কম। বিবাহিতা নারীরা স্বামীদের ব্যাপারে উদ্বিগ্ন হন বেশি।

অক্টোবরেই করোনার টিকা প্রয়োগ শুরু
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: আগামী অক্টোবর মাসে মহামারী করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকা প্রয়োগ শুরু করতে যাচ্ছে রাশিয়া। রাশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরাশকো এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, বাজারে ছাড়ার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার জন্য ড্রাগ নিবন্ধনের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইন্টারফ্যাক্সকে তিনি বলেন, ‘‘আমরা অক্টোবরে বিস্তৃতভাবে টিকা প্রদানের পরিকল্পনা করেছি৷’’ প্রথম ধাপে চিকিৎসক এবং শিক্ষকদের টিকাটি প্রদান করা হবে।

এরআগে, গত মে মাসে ভ্যাকসিন উদ্ভাবনের ঘোষণা দিয়েছিল গামালিয়া ইনস্টিটিউট৷ তারা বলেছিলো, সব পরীক্ষাতেই এর সফল কার্যকারিতার প্রমাণ পেয়েছে। এমনকি টিকাটির কোন ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই৷ পাশাপাশি সম্ভাব্য আরেকটি ভ্যাকসিনও ক্লিনিক্যাল পরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে বলে জানায় গামালিয়া৷

পশ্চিমা কিছু বিশেষজ্ঞ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, রাশিয়া করোনার টিকা চালু করার  বিষয়ে তড়িঘড়ি করছে। যথাযথভাবে পরীক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না করেই রাশিয়া টিকার দৌড়ে জিততে চাইছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা৷ এখন পর্যন্ত এমনকি ভ্যাকসিনটির কোন বৈজ্ঞানিক উপাত্তও প্রকাশ করেনি দেশটি৷

তবে, রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, করোনা টিকা ব্যবহারের বিষয়ে চলতি আগস্ট মাসেই রাশিয়া অনুমোদন দেবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, করোনা ভাইরাসের কার্যকর ভ্যাকসিন আবিষ্কারে অন্তত দশটি দেশে চলছে ১৭০টিরও বেশি প্রচেষ্টা৷ এর মধ্যে চারটি পৌঁছাতে পেরেছে পরীক্ষার চূড়ান্ত ধাপে৷

সূত্র: পার্স টুডে

ফুটন্ত পানি ধ্বংস করে দেয় করোনাকে, রাশিয়ার গবেষণা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: রাশিয়ার বিজ্ঞানীরা করোনাভাইরাস নিয়ে একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। রুশ বিজ্ঞানীদের দাবি, ফুটন্ত পানি করোনাভাইরাসকে পুরোপুরি ধ্বংস করতে সক্ষম। সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনের রিপোর্ট অনুসারে স্টেট রিসার্চ সেন্টার অফ ভাইরোলজি অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি ভেক্টর এই গবেষণা করেছে। গবেষণায় আরো বলা হয়েছে সমুদ্রের পানি বা মিষ্টি পানিতে এই ভাইরাস বৃদ্ধি পায় না। তবে বলা হয়েছে করোনাভাইরাস কিছু পরিস্থিতিতে পানিতে বাস করতে পারে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, স্টেইনলেস স্টিল, লিনোলিয়াম, গ্লাস, প্লাস্টিকের পৃষ্ঠদেশে এই ভাইরাস ৪৮ ঘণ্টা থাকতে পারে।

ওই গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি ২৪ ঘণ্টায় করোনারভাইরাস মেরে ফেলতে সক্ষম ও ৭২ ঘণ্টায় তা ৯৯.৯ শতাংশ ভাইরাস মেরে ফেলতে পারে। অন্যদিকে ফুটন্ত পানি তৎক্ষণাৎ ভাইরাসকে মেরে ফেলতে পারে বলে দাবি করছে এই গবেষণা। রাশিয়ান ফেডারাল সার্ভিস ফর হিউম্যান ওয়েলবিংয়ের এই গবেষণা ইঙ্গিত দিচ্ছে, করোনাভাইরাসের স্থিতিস্থাপকতা পানির তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে।


গবেষণায় বলা হয়েছে, সাধারণ বাড়ির নানান জীবাণুনাশক পদার্থগুলো এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর। সমীক্ষায় দেখা গেছে, ইথাইল এবং আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহলের ৩০ শতাংশ মাত্র হাফ মিনিটে এক মিলিয়ন ভাইরাস মারতে পারে।

উল্লেখ্য, ব্লুমবার্গ রিপোর্ট অনুসারে রাশিয়া পরিকল্পনা করেছে অগাস্টের ১০-১২ তারিখে করোনা ভ্যাকসিন নথিভূক্ত করবে। ওই রিপোর্ট জানাচ্ছে, মস্কোর গামালেয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউট অফ ইপিডেমিওলজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজির তৈরি ভ্যাকসিন এবার জনগণের ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পাবে নথিভুক্তকরণের ৩ থেকে ৭ দিনের মধ্যে।

এটা হল সেই ভ্যাকসিন যেটা এই মাসের গোড়ায় মানুষের উপর সফলভাবে প্রয়োগ হয়েছে বলে রিপোর্ট বের হয়। জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহে এই ভ্যাকসিন মানুষের ওপর প্রয়োগের প্রথম ধাপ করা হয়েছিল। তারপর দ্বিতীয় ধাপের কাজ শুরু হয় ১৩ জুলাই থেকে। একটা ভ্যাকসিন জনগণের কাছে ছাড়া হয় না যতদিন না তিনটি ধাপে মানুষের ওপর তা প্রয়োগ করা হচ্ছে। তবে এক একটা ধাপ কয়েক মাস ধরে কাজ চলে। রিপোর্ট অনুসারে সে ক্ষেত্রে রাশিয়া পরিকল্পনা করেছে দ্বিতীয় ধাপের কাজ আগে করার এবং তৃতীয় ধাপের কাজ ছাড়াই ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমোদন দেয়া হবে।

করোনা জয়ী ৭৮ ভাগ মানুষের হার্টের জটিল সমস্যা!
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: মহামারী করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত পৃথিবীর ৬ লাখ ৭০ হাজার ২০৭ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭১ লাখ ৮৮ হাজারের অধিক। করোনাভাইরাসের সঙ্গে সংগ্রাম করে সুস্থ হয়েছেন বিপুল সংখ্যক মানুষ। এই সুস্থ হওয়া মানুষরা কি আসলেই আগের মতো পুরোপুরি সুস্থ্য ? সম্প্রতি একটি সমীক্ষার ফলাফল চরমভাবে আশাহত করেছে। ওই সমীক্ষা বলছে- করোনাভাইরাসে আক্রান্তের পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরা ৭৮ শতাংশ মানুষের হার্টে জটিল সমস্যা দেখা দিয়েছে, যা পূর্বে তাদের ছিলো না।

জামা কার্ডিওলজির পত্রিকার একটি প্রবিবেদনে প্রকাশিত ওই সমীক্ষার ফলাফলে বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছেন, করোনা থেকে সেরে ওঠার পর হার্টের নানা সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ফিরছেন হাজার হাজার মানুষ। চিকিৎসকরা দেখেছেন, এদের অধিকাংশের মধ্যেই হার্টের নানা সমস্যা যা আগে ছিল না, তা নতুন করে দেখা দিয়েছে। চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনায় এখন সুস্থতার হার অনেকটাই বেড়েছে। তবে এই ভাইরাসে একবার আক্রান্ত হওয়ার পর তার ক্ষতিকর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে!

এই সমীক্ষায় বিশেষজ্ঞরা দেখেছেন, করোনা সংক্রমণ কাটিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষদের মধ্যে প্রায় ৭৮ শতাংশই নতুন করে হার্টের নানা সমস্যার শিকার হচ্ছেন। গবেষকরা দেখেছেন, করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা অন্তত ৬০ শতাংশ মানুষের মধ্যে ‘মায়োকার্ডিয়াল ইনফ্লেমেশন’ বা হৃদযন্ত্রের পেশিতে প্রদাহজনিত সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এপ্রিল থেকে জুন মাস পর্যন্ত জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরা ১০০ জন করোনা আক্রান্তকে পর্যবেক্ষণের পর এই তথ্য পেয়েছেন গবেষকরা। করোনা সংক্রমণ কাটিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষদের একটা বড় অংশের (৭৮ শতাংশ) মধ্যে হার্টের নানা সমস্যা তৈরি হওয়া চিন্তা বাড়িয়েছে চিকিৎসক, বিশেষজ্ঞদের।

গত সপ্তাহেই ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল ২৭ জুন থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত দিল্লিতে ২১ হাজার ৩৮৭ জনকে নিয়ে সমীক্ষা চালায়। ওই সমীক্ষায় বিগত কয়েক মাসে দিল্লির বেশ কয়েকটি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, করোনা থেকে সেরে ওঠার পর কিডনি, হার্ট বা ফুসফুসের নানা সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ফিরছেন হাজার হাজার মানুষ। দিল্লি, মুম্বই-সহ দেশের বড় বড় শহরে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার ১৪-১৫ দিন পর অনেকেই সামান্য শ্বাসকষ্ট, তলপেটে ব্যথা, মাথা যন্ত্রণার মতো সাধারণ সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে আসছেন। পরীক্ষা করে দেখা গেছে, এদের অনেকের মধ্যেই নতুন করে কিডনি, হার্ট বা ফুসফুসের নানা সমস্যা তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে করোনা-পরবর্তি শারীরিক সমস্যাগুলো চিন্তা বাড়াচ্ছে বিজ্ঞানীদের।
সূত্র : জি নিউজ

১০ আগস্টের মধ্যেই আসছে রাশিয়ার করোনা ভ্যাকসিন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: বিশ্বের বেশ কয়েকটি করোনা ভ্যাকসিন পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপে রয়েছে। এরমধ্যে কয়েকটি মানন দেহে ট্রায়ালের পর্যায়ে পৌঁছেছে। কিন্তু গোটা পৃথিবীকে অবাক করে দিয়ে রাশিয়ার গামালিয়া ইনস্টিটিউটের তৈরি করোনা ভ্যাকসিন চূড়ান্ত অনুমোদন পেতে যাচ্ছে। আগামী ১০ আগস্টের মধ্যেই চূড়ান্ত অনুমোদন পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন রুশ কর্মকর্তারা।

গামালিয়া ইনস্টিটিউটের এই ভ্যাকসিন তৈরি ও গবেষণা কাজে অর্থায়ন করেছে রাশিয়ার সার্বভৌম সম্পদ তহবিল। সোভিয়েত আমলে ১৯৫৭ সালে বিশ্বের প্রথম স্যাটেলাইটের সফল উৎক্ষেপনের কথা উল্লেখ করে রুশ সার্বভৌম সম্পদ তহবিলের প্রধান কিরিল দিমিত্রিয়েভ বলেন, ‘এটি একটি স্পুটনিক মুহূর্ত। স্পুটনিকের হুইসেল শুনে আমেরিকানরা অবাক হয়েছিলেন। এই ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রেও একই অনুভূতি হবে। ভ্যাকসিন আনার কাজে রাশিয়াই প্রথম হবে।

মহামারি মোকাবিলায় নিয়োজিত সামনের সারির যোদ্ধা বিশেষ করে স্বাস্থ্য কর্মীরা প্রথমে ভ্যাকসিনটি পাবেন উল্লেখ করে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে রুশ কর্মকর্তারা বলেছেন, আগামী ১০ আগস্ট অথবা তার আগে ভ্যাকসিনটির অনুমোদনের লক্ষ্যে তারা কাজ করছেন। তারা বলেছেন, ভ্যাকসিনটি জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত হবে।

রাশিয়ার সমালোচকেরা বলছেন, রাশিয়াকে বৈশ্বিক বৈজ্ঞানিক শক্তি হিসেবে তুলে ধরতে  তাড়াহুড়ো করছে। দেশটি তীব্র রাজনৈতিক চাপের মধ্যে এই ভ্যাকসিন আনার জন্য তোড়জোড় শুরু করেছে। মানবদেহে পরীক্ষা অসম্পূর্ণ থাকায় ভ্যাকসিনটি নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগ ও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

প্রতি বছর করোনা আসবে না, জানালো ডব্লিউএইচও
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: মরণব্যাধি করোনার নিষ্ঠুরতায় গোটা পৃথিবী থমকে দাড়িয়েছে। মৃত্যুর মিছিলে এখন পর্যন্ত যুক্ত হয়েছেন ৬ লাখ ৫৭ হাজারেরও বেশি প্রাণ। এ ভাইরাসে বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত হয়েছেন ১ কোটি ৬৬ লাখ মানুষ। বিশ্বের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মরণ ভাইরাস করোনা। তাবত পৃথিবীর গবেষক-বিজ্ঞানীরা হয়রান প্রতিষেধক আবিষ্কার নিয়ে। এখন পর্যন্ত কার্যত কোন প্রতিষেধক আবিষ্কার করতে পারেনি। এরই মধ্যে করোনা নিয়ে কিছুটা হলেও সুসংবাদ নিয়ে হাজির হয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থ্যা(ডব্লিউএইচও)। প্রতিষ্ঠানটি বলছে- এ ভাইরাসের প্রকোপ একবারেই শেষ হয়ে যাবে, ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো প্রতি বছর নির্দিষ্ট ঋতুতে হাজির হবে না।

আজ মঙ্গলবার এ খবর জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

সংস্থাটির মুখপাত্র ড. মার্গারেট হ্যারিস জেনেভায় এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে বলেন, এটি বিশাল একটা ঢেউ হতে চলেছে। এটি কিছুটা ওপর-নিচ ওঠানামা করবে। তবে সেরা বিষয়টা হচ্ছে, একবার সমান হলে এটি পায়ের নিচে গড়াগড়ি খাবে। মানুষজন এখনও মৌসুম নিয়ে ভাবছে। আমাদের সবার মাথায় ঢোকানো দরকার যে, এটি একটি নতুন ভাইরাস এবং সে ভিন্নরকম আচরণ করছে।

ড. মার্গারেট হ্যারিস হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, পৃথিবীর উত্তরাঞ্চলীয় দেশগুলোতে সংক্রমণ কমায় আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোন সুযোগ নেই। সবাইকে সতর্ক এবং গণসমাবেশের মাধ্যমে ফের ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

এই মাস্ক পরলেই বিদায় হবে করোনা, দাবি পর্তুগিজ বিজ্ঞানীদের
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: পর্তুগালের বিজ্ঞানীরা এমন এক বিশেষ ধরণের মাস্ক আবিষ্কার করেছেন যেটি ব্যবহারেই করোনাভাইরাস দূর হবে। অতিরিক্ত আবরণ দিয়ে তৈরী এ মাস্কটি করোনাভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম বলে দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। বিশেষভাবে তৈরী মাস্কটি ৫০ বার ব্যবহার করার পরও করোনা প্রতিরোধে সমভাবে কাজ কার্যকর বলেও দাবি তাদের। বিজ্ঞানীরা বলছে, মাস্কের ওপর অতিরিক্ত আবরণ সম্পর্কে উদ্বেগের কিছুই নেই। কারণ, মুখের আবরণটি ওইকো-টেক্স প্রত্যায়িত, যার অর্থ এটিতে কোনো ক্ষতিকারক পদার্থ নেই এবং এটি মানুষের ব্যবহারের জন্য নিরাপদ।

একটি বিশেষ আবরণসহ একটি নতুন ফেস মাস্ক ডিজাইন করেছেন যা ফ্যাব্রিকের সংস্পর্শে এলে নভেল করোনভাইরাসকে ‘নিষ্ক্রিয়’ করতে সহায়তা করে। গবেষণা দলটির দাবি- মাস্কটি ৫০ বার ব্যবহার করার পরও ভাইরাস প্রতিরোধে সমান কার্যকর থাকবে।

লিসবনের ইনস্টিটিউট অফ মলিকুলার মেডিসিন (আইএমএম) এর পেড্রো সিমাস যিনি ওই মাস্ক তৈরীর কাজে সংযুক্ত- তিনি বলছেন, তাদের প্রস্তুতকৃত মাস্কটি করোনাভাইরাসের সংক্রামক ইউনিটগুলোকে আধা ঘণ্টার মধ্যে ৯৯ ভাগ হ্রাস করতে পারে। আমি মনে করি না এটা গেইম চেঞ্জার (অবস্থার পরিবর্তন করবে)। তবে এই মাস্ক নিয়ে আমি বেশ আশাবাদী।’

করোনাভাইরাস হাঁচি, কাশির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটির ব্যবহারে হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ভাইরাসের বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত করে দেয়। তা অত্যন্ত কার্যকর।’

আইএমএম এক বিবৃতিতে বলেছে, এই মাস্কগুলোর সক্রিয় উপাদানটি ইতোমধ্যে ফ্রান্সের ইনস্টিটিউট পাস্তের দে লিলি এইচ১এন১ ভাইরাসের বিরুদ্ধে এবং রোটা ভাইরাসের বিরুদ্ধে পরীক্ষায় সফলভাবে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।

স্যানিটাইজার ভয়ানক, লোপ পেতে পারে দৃষ্টিশক্তি!
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: করোনা মহামারির প্রাদুর্ভাব থেকে বাঁচতে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাবসের পাশাপাশি অতি জনপ্রিয় আরেকটি নাম হচ্ছে স্যানিটাইজার। কিন্তু এই স্যানিটাইজার যে মানুষের জন্য ভয়ানক হতে পারে সে বিষয়ে অনেকেই উদাসীন। ফুড এন্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন(এফডিএ) জানিয়েছে, স্যানিটাইজারের মধ্যে থাকা টক্সিক অ্যালকোহল শরীর স্বাস্থ্যের সমস্যার পাশাপাশি দৃষ্টি শক্তি কেড়ে নিতে পারে। এফডিএ সতর্ক করে বলেছে, স্যানিটাইজার ব্যবহারে কোমাতেও চলে যেতে পারেন আপনি।

এফডিএ এবং আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য প্রতিবেদন বলছে- মিথানল সস্তা হওয়ার করণে কোন কোন অনভিজ্ঞ রসায়নবিদ এই বিপজ্জনক হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করতে ব্যবহার করছেন। এটি ব্যবহারের ফলে যে প্রতিক্রিয়া হচ্ছে শরীরে সেদিকে খেয়াল করার সময় এসেছে। মনে রাখবেন, এফডিএ স্যানিটাইজারে অনুমোদন দেয় না।

‘আপনি যদি হাত স্যানিটাইজারগুলির বিষাক্ত রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসেন তবে আপনার বমি বমি ভাব মাথা ব্যথা, অন্ধত্ব, খিঁচুনি অনুভব হতে পারে। এমনকি কোমাতেও চলে যেতে পারেন আপনি’।

এফডিএ সতর্ক করে দিয়েছে যে ইথানল (ইথাইল অ্যালকোহল) রয়েছে চিহ্নিত করা বেশ কিছু হ্যান্ড স্যানিটাইজারের মধ্যে। মিথেনলের সঙ্গে পরীক্ষায় যার ফলাফল পজেটিভ। যা ‘উড অ্যালকোহল’ নামেও পরিচিত। প্রকৃতপক্ষে, এফডিএ একটি পুনর্বিবেচনা তালিকা প্রস্তুত করেছে, যার প্রায় ৬৯ টি হ্যান্ড স্যানিটাইজার পণ্য রয়েছে যা তারা গ্রাহকদের ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছে। ১৫ জুলাই, তালিকায় আরও দুটি পণ্য যুক্ত করা হয়েছে।

২ জুলাই, এফডিএ কমিশনার স্টিফেন এম হান, এমডি এক বিবৃতিতে বলেছিলেন: ‘গ্রাহক এবং স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহকারীদের মিথানলযুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা উচিত নয়। এফডিএ অ্যালকোহল ভিত্তিক নিরাপদ হ্যান্ড স্যানিটাইজারগুলির সরবরাহ বাড়াতে নির্মাতা, ফার্মাসির স্টেট বোর্ড এবং জনসাধারণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে।’

সূত্র: দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

করোনার ১৭৩টি টিকা আবিষ্কারের কাজ চলছে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: করোনাভাইরাসের টিকা আবিষ্কারের জন্য বিশ্বে ১৭৩টি উদ্যোগ চলছে জানিয়ে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, এরমধ্যে ১৪০টি টিকা এখনও প্রিক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে রয়েছে। গত ২০ জুলাই জাতিসংঘ এ তথ্য জানিয়েছে।

উনিশটি টিকার কার্যক্রম রয়েছে প্রথম পর্যায়ে অর্থাৎ ক্লিনিক্যাল টেস্টিং শুরু হয়েছে। এর ফলে মানুষের ছোট একটি গ্রুপের ওপর টিকাটি প্রয়োগ করে দেখা হয় যে, এটা নিরাপদ কিনা। সেই সাথে এটা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় কতটা প্রভাব ফেলে তাও যাচাই করা হয়।

এগারোটি টিকা রয়েছে দ্বিতীয় পর্যায়ে, যেখানে এসব টিকা কতটা নিরাপদ, তা যাচাই করে দেখা হচ্ছে। এই পর্যায়ে কয়েক শ’ মানুষের ওপর টিকার পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা এর নিরাপত্তা আর সঠিক মাত্রা নিরূপণের চেষ্টা করেন।

বিশ্বে এখন তিনটি টিকার তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা শুরুর পর্যায়ে রয়েছে। এই পর্যায়ে কয়েক হাজার মানুষের ওপর টিকার কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখা হয়, সেটা কতটা নিরাপদ, কতটা কার্যকর, বড় ধরণের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তৈরি হয় কিনা। এখানে সফলতা পেলেই সাধারণত টিকার অনুমোদন হয়ে থাকে। জাতিসঙ্ঘের নিয়ম অনুযায়ী, তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা তৃতীয় কোনো দেশে করতে হয়।

সূত্র : বিবিসি

করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দেড় কোটির অধিক
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: মহামারী করোনাভাইরাসের প্রকোপ দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। এ ভাইরাসের বিস্তার শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত পৃথিবীতে করোনা রোগী দেড় কোটি ছাড়িয়ে গেছে।

আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটার তথ্যানুযায়ী, বুধবার সকাল ৯ টা পর্যন্ত বিশ্বে করোনা মোট শনাক্ত হয়েছেন ১ কোটি ৫০ লাখ ৯৩ হাজার ৭১২ জন। সুস্থ হয়েছেন ৯১ লাখ ১০ হাজার ৭২৪ জন। মারা গেছেন ৬ লাখ ১৯ হাজার ৪৬৭ জন।

আক্রান্ত ও মৃতের তালিকায় শীর্ষে থাকা যুক্তরাষ্ট্রে ৪০ লাখ ২৮ হাজার ৫৬৯ জন শনাক্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯৫৩ জন। বিপরীতে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৮৬ হাজার ৫৮৩ জন।

আক্রান্ত ও মৃত্যুতেত দ্বিতীয় শীর্ষস্থানে রয়েছে ব্রাজিল। লাতিন আমেরিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ২১ লাখ ৬৬ হাজার ৫৩২ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৪ লাখ ৬৫ হাজার ৯৭০ জন।

আক্রান্তে তিন নম্বরে থাকা ভারতে প্রায় প্রতিদিন রোগী বাড়ছে। গত এক সপ্তাহে প্রতিদিন প্রায় ৪০ হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। দেশটিতে মোট ১১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৫ জন কোভিড-১৯ পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন, মৃত্যু ২৮ হাজার ৭৭০ জনের।

রাশিয়ায় এখন পর্যন্ত ৭ লাখ ৮৩ হাজার ৩২৮ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ১২ হাজার ৫৮০ জন।

আক্রান্তে পাঁচ নম্বরে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকায় ৩ লাখ ৮১ হাজার ৭৯৮ জন শনাক্ত হয়েছেন। দেশটিতে মারা গেছেন ৫ হাজার ৩৬৮ জন।


   Page 1 of 16
     স্বাস্থ্য
বাংলাদেশে করোনার সংক্রমণ কম হওয়ার রহস্য
.............................................................................................
যেসব কারণে বাড়ে মাইগ্রেনের ব্যথা
.............................................................................................
করোনার প্রতিষেধক লুকিয়ে রয়েছে যে গাছে
.............................................................................................
চোখ ভালো রাখার খাবার
.............................................................................................
করোনা টেস্টের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির উদ্বোধন মাশরাফির, ৪৫ মিনিটেই পরীক্ষা
.............................................................................................
নিম্ন রক্তচাপের কারণ ও প্রতিকার
.............................................................................................
বুক ব্যথা ও হার্ট অ্যাটাক
.............................................................................................
অক্টোবরেই করোনার টিকা প্রয়োগ শুরু
.............................................................................................
ফুটন্ত পানি ধ্বংস করে দেয় করোনাকে, রাশিয়ার গবেষণা
.............................................................................................
করোনা জয়ী ৭৮ ভাগ মানুষের হার্টের জটিল সমস্যা!
.............................................................................................
১০ আগস্টের মধ্যেই আসছে রাশিয়ার করোনা ভ্যাকসিন
.............................................................................................
প্রতি বছর করোনা আসবে না, জানালো ডব্লিউএইচও
.............................................................................................
এই মাস্ক পরলেই বিদায় হবে করোনা, দাবি পর্তুগিজ বিজ্ঞানীদের
.............................................................................................
স্যানিটাইজার ভয়ানক, লোপ পেতে পারে দৃষ্টিশক্তি!
.............................................................................................
করোনার ১৭৩টি টিকা আবিষ্কারের কাজ চলছে
.............................................................................................
করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দেড় কোটির অধিক
.............................................................................................
রাশিয়ার করোনা ভ্যাকসিন প্রস্তুত: উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
৬ ধরনের করোনাভাইরাসের সন্ধান দিলেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা
.............................................................................................
এন্টিবডি তৈরীতে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন সফল
.............................................................................................
করোনা ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি পেয়েছে যেসব হাসপাতাল
.............................................................................................
করোনায় ২৪ ঘন্টায় ২ লাখ ৬০ হাজার মানুষ আক্রান্ত
.............................................................................................
মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে করোনার ওষুধ বাজারে আনছে ইরান!
.............................................................................................
করোনা ভ্যাকসিনের হিউম্যান ট্রায়াল শুরু করেছে ভারত
.............................................................................................
করোনার টিকা আবিষ্কারে সফল রাশিয়া
.............................................................................................
ভয়ঙ্কর করোনাভাইরাসের নতুন তথ্য
.............................................................................................
করোনা ভ্যাকসিনের পরীক্ষায় সফলতার দাবী রাশিয়ার
.............................................................................................
ন্যাজাল স্প্রেতেই করোনা প্রতিরোধ!
.............................................................................................
বাতাসে ছড়াতে পারে করোনা, খতিয়ে দেখছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
.............................................................................................
করোনা শনাক্তদের তালিকায় বিশ্বে ৮ম বাংলাদেশ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
.............................................................................................
‘করোনার ভ্যাক্সিন পেতে আড়াই বছর লাগবে’
.............................................................................................
৩৭০ শয্যার ‘করোনা সেন্টার’ চালু হচ্ছে বিএসএমএমইউতে
.............................................................................................
বাংলাদেশের ‘গ্লোব বায়োটেক’ করোনার টিকা আবিষ্কার করেছে, কাল সংবাদ সম্মেলন
.............................................................................................
ডেক্সামিথাসোন ব্যবহারে সতর্ক হই
.............................................................................................
রোগী যখন থ্যালাসিমিয়া আক্রান্ত
.............................................................................................
কালোজিরা ৮টি অসুখ থেকে দূরে রাখে
.............................................................................................
জ্বর হলেই করোনা আতঙ্ক নয়
.............................................................................................
যে ৮ সমস্যা থাকলে করোনার ঝুঁকি বেশী
.............................................................................................
করোনা সংক্রমণে প্রচুর বিশ্রাম ও পানি পান করুন
.............................................................................................
করোনা থেকে আপনার সন্তানকে বাঁচাতে করণীয়
.............................................................................................
করোনা নাকি সাধারণ ফ্লু, বুঝবেন কীভাবে
.............................................................................................
করোন আতঙ্কে নওগাঁয় হাসপাতাল ছেড়ে পালালো রোগীরা!
.............................................................................................
হাঁপানী বা এ্যাজমা চিকিৎসায় হোমিও
.............................................................................................
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়
.............................................................................................
করোনাভাইরাস কী ও যেভাবে ছড়ায়
.............................................................................................
শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় যে খাবার
.............................................................................................
রোটা ভাইরাসের ঝুঁকিতে শিশুরা
.............................................................................................
ভালো ঘুমের জন্য
.............................................................................................
সতর্ক বার্তা: রেনিটিডিনে ক্যান্সার উপাদান । ডেইলি স্বাধীন বাংলা
.............................................................................................
নিয়ম মেনে হাঁটুন-মেদ কমান
.............................................................................................
২৪ ঘন্টায় নতুন করে ৩৪ জন আক্রান্ত
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT