বুধবার, ১৫ জুলাই 2020 | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   স্বাস্থ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
করোনা ভ্যাকসিনের পরীক্ষায় সফলতার দাবী রাশিয়ার

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সফল পরীক্ষা চালানোর দাবি করেছে রাশিয়া। রুশ বিজ্ঞানীদের দাবি, গামালেই ইনস্টিটিউট অব এপিডেমোলজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজি তৈরি করা করোনার ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা সফল হয়েছে, যা বিশ্বে প্রথম।

প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, রাশিয়ার গামালেই ইনস্টিটিউট অব এপিডেমোলজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজি করোনার এই ভাকসিনটি তৈরি করেছে। গত ১৮ জুন সেচেনভ বিশ্ববিদ্যালয়ে সেটির ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা শুরু হয়। বিশ্বের প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে তারাই স্বেচ্ছাসেবকদের ওপরে এই ওষুধের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করল বলে দাবি সেচেনভ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের।

বিশ্বে নজির গড়ে এই প্রথম মানব শরীরে করোনার ভ্যাকসিনের সফল প্রয়োগ হয়েছে বলে জানাল সেচেনভ বিশ্ববিদ্যালয়। এক দল স্বেচ্ছাসেবকের ওপর এই পরীক্ষা চালানো হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন ইনস্টিটিউট অব ট্রান্সন্যাশনাল মেডিসিন অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি’র ডিরেক্টর ভাদিম তারাসোভ। তাকে উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম Sputnik আরেও জানিয়েছে, ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী স্বেচ্ছাসেবকদের প্রথম দলকে আগামী বুধবার ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। আর দ্বিতীয় দলটি আগামী ২০ জুলাই বাড়িতে ফিরতে পারবেন।

সেচেনভ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল প্যারাসাইটোলজি, ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ভেক্টর বর্ন ডিজিসেসের ডিরেক্টর অ্যালেকজান্দ্রা লুকাসেভ জানিয়েছেন, পরীক্ষার এই পর্যায়ের মূল লক্ষ্য ছিল মানব শরীরে এই ভ্যাকসিন কতটা নিরাপদ তা খতিয়ে দেখা। এই পরীক্ষা সাফল্যের সঙ্গে শেষ হয়েছে। সংবাদমাধ্যম Sputnik-কে তিনি বলেছেন, ‘এই ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ নিরাপদ। ক্লিনিক্যাল টেস্টেই তা প্রমাণিত হয়েছে।’ আরো ভ্যাকসিন তৈরির ভাবনা তাদের আছে বলে জানিয়েছে ওই রুশ বিশ্ববিদ্যালয়টি।

করোনা ভ্যাকসিনের পরীক্ষায় সফলতার দাবী রাশিয়ার
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সফল পরীক্ষা চালানোর দাবি করেছে রাশিয়া। রুশ বিজ্ঞানীদের দাবি, গামালেই ইনস্টিটিউট অব এপিডেমোলজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজি তৈরি করা করোনার ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা সফল হয়েছে, যা বিশ্বে প্রথম।

প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, রাশিয়ার গামালেই ইনস্টিটিউট অব এপিডেমোলজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজি করোনার এই ভাকসিনটি তৈরি করেছে। গত ১৮ জুন সেচেনভ বিশ্ববিদ্যালয়ে সেটির ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা শুরু হয়। বিশ্বের প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে তারাই স্বেচ্ছাসেবকদের ওপরে এই ওষুধের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করল বলে দাবি সেচেনভ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের।

বিশ্বে নজির গড়ে এই প্রথম মানব শরীরে করোনার ভ্যাকসিনের সফল প্রয়োগ হয়েছে বলে জানাল সেচেনভ বিশ্ববিদ্যালয়। এক দল স্বেচ্ছাসেবকের ওপর এই পরীক্ষা চালানো হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন ইনস্টিটিউট অব ট্রান্সন্যাশনাল মেডিসিন অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি’র ডিরেক্টর ভাদিম তারাসোভ। তাকে উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম Sputnik আরেও জানিয়েছে, ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী স্বেচ্ছাসেবকদের প্রথম দলকে আগামী বুধবার ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। আর দ্বিতীয় দলটি আগামী ২০ জুলাই বাড়িতে ফিরতে পারবেন।

সেচেনভ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল প্যারাসাইটোলজি, ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ভেক্টর বর্ন ডিজিসেসের ডিরেক্টর অ্যালেকজান্দ্রা লুকাসেভ জানিয়েছেন, পরীক্ষার এই পর্যায়ের মূল লক্ষ্য ছিল মানব শরীরে এই ভ্যাকসিন কতটা নিরাপদ তা খতিয়ে দেখা। এই পরীক্ষা সাফল্যের সঙ্গে শেষ হয়েছে। সংবাদমাধ্যম Sputnik-কে তিনি বলেছেন, ‘এই ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ নিরাপদ। ক্লিনিক্যাল টেস্টেই তা প্রমাণিত হয়েছে।’ আরো ভ্যাকসিন তৈরির ভাবনা তাদের আছে বলে জানিয়েছে ওই রুশ বিশ্ববিদ্যালয়টি।

ন্যাজাল স্প্রেতেই করোনা প্রতিরোধ!
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এক অধ্যাপক ডেভিড এডওয়ার্ডস দাবি করেছেন, সেপ্টেম্বরের মধ্যে তিনি এবং তার সহযোগীরা এমন একটি ‘ন্যাজাল স্প্রে’ বাজারে আনতে চলেছেন যা নাকে স্প্রে করলেই দমন হবে এই মারণ ভাইরাস। সমগ্র দুনিয়া যেখানে করোনা টিকা আবিষ্কারে নাকানি চুবানি খাচ্ছে সেখানে নতুন দিশার সন্ধান দিলেন ডেভিড এডওয়ার্ডস।

কোনওরকম রাসায়নিকের ব্যবহারে নয়, সমুদ্রের পানি পাওয়া যায় এমন প্রাকৃতিক লবণাক্ত উপাদান দিয়েই তৈরি হয়েছে এই ‘ফর্মুলা’, যা প্রায় ১০০ শতাংশের কাছাকাছি সংক্রমণ রোধে সক্ষম বলে দাবি করে তিনি জানান, রীতিমতো সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের ডিএনএ-এর ওপর গবেষণা চালিয়ে এই স্প্রে তৈরির দিকে পা বাড়িয়েছে তার স্টার্টআপ সংস্থা ‘সেন্সরি ক্লাউড’।

‘ফেন্ড’ নামে এই ওষুধটি নাকে স্প্রে করলে শ্বাসনালীর মাধ্যমে তা সরাসরি ফুসফুসে প্রবেশ করে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই চালাবে বলে জানিয়েছেন তিনি। চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের মতো যারা করোনা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামনের সারিতে রয়েছেন, পিপিই, মাস্কের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই বিশেষ ‘ন্যাজাল স্প্রে’টির ব্যবহার তাদের জন্য বিশেষ কার্যকরী হতে চলেছে বলেই মত এডওয়ার্ডসের।

মোট ১০ জনের উপর স্প্রেটি পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা। এই দশজনের মধ্যে পাঁচ জনের বয়স ৬৫ বছরের বেশি। বাকি পাঁচজন দশের নীচে। নিঃশ্বাসের মাধ্যমে এই ‘মিস্ট’ জাতীয় স্প্রেটি ফুসফুসে প্রবেশ করার পর ঠিক কীভাবে কাজ করে, গত মঙ্গলবার একটি মেডিকেল জার্নালে সে বিষয়ে একটি গবেষণা প্রকাশ করা হয়েছে  সেন্সরি ক্লাউডের পক্ষ থেকে।

আগামী মাস দু’য়েকের মধ্যে ক্রেতারা তাদের অনলাইন সাইটের মাধ্যমে ওষুধটি কিনতে পারবেন বলে জানিয়েছে প্রস্তুতকারক সংস্থাটি। পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে সামনের সারিতে থাকা করোনা-যোদ্ধাদের কাছেও এই ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চালানো হবে বলে জানিয়েছে এডওয়ার্ডসের সংস্থা। সূত্র: টেকক্রাঞ্চ

বাতাসে ছড়াতে পারে করোনা, খতিয়ে দেখছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: প্রথমদিকে আমলে না নিলেও এখন বিশ্ব স্বাস্থ্য স্বীকার করেছে যে বাতাসে ভেসে থাকা ক্ষুদ্র কণার মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়ানোর প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। যেখানে মানুষের ভিড় বেশি, বন্ধ ঘর অথবা যেখানে বাতাস চলাচলের ভালো ব্যবস্থা নেই- সেসব জায়গায় বাতাসের মাধ্যমে করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিষয়টি উড়িয়ে দেয়া যায় না। এমন কথা বলেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক কর্মকর্তা।

যদি এই পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায় তাহলে আবদ্ধ জায়গায় স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নিয়মে পরিবর্তন আনার প্রয়োজন হতে পারে।

এর আগে বিশ্বের ২০০’র বেশি বিজ্ঞানী এক খোলা চিঠিতে অভিযোগ করেছিল যে করোনাভাইরাস বাতাসের মাধ্যমে সংক্রমিত হবার বিষয়টিকে খাটো করে দেখাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

এখন পর্যন্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলে আসছে যে হাঁচি এবং কাশির মাধ্যমে যেসব ক্ষুদ্র জলীয় কণা বের হয়, সেগুলোর মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়ায়।

কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই অবস্থানের সাথে একমত হতে পারছেন না ৩২টি দেশের ২৩৯জন বিজ্ঞানী।

তারা বলছেন, মানুষের কথা বলা এবং শ্বাসপ্রশ্বাস নেবার পর ক্ষুদ্র কণা কয়েক ঘণ্টা বাতাসে ভেসে থাকে। এর মাধ্যমে করোনাভাইরাস সংক্রমিত হতে পারে বলে তারা উল্লেখ করেছেন।

‘আমরা চাই করোনাভাইরাস বাতাসে ছড়ানোর বিষয়টিকে তারা স্বীকার করে নিক,’ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে একথা বলেন যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো ইউনিভার্সিটির রসায়নবিদ জোসে জিমেনেজ, যিনি খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন।

মি: জিমেনেজ বলেন, যে খোলা চিঠি দেয়া হয়েছে সেটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উপর কোন আক্রমণ নয়।

‘এটা একটা বৈজ্ঞানিক বিতর্ক। তথ্য-প্রমাণ নিয়ে তাদের সাথে অনেক বার আলোচনার পরেও তারা এটা প্রত্যাখ্যান করেছে। সেজন্য আমরা মনে করেছি যে বিষয়টি জনসম্মুখে প্রকাশ করা উচিত।’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, বাতাসের মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়ানোর তথ্য-প্রমাণ এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে আছে এবং এজন্য আরো পর্যালোচনা দরকার।

সূত্র: বিবিসি

করোনা শনাক্তদের তালিকায় বিশ্বে ৮ম বাংলাদেশ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে সপ্তাহে নতুন করে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের র‌্যাংকিংয়ে শুক্রবার বাংলাদেশ ৮ম স্থানে উঠে এসেছে। ডব্লিউএইচওর দেশ, এলাকা ও অঞ্চল ভিত্তিক তৈরি মহামারি ড্যাশবোর্ড অনুসারে, বাংলাদেশে গত সাত দিনে নতুন করে ২৬,৫৯৮ জন কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছে।

অন্যদিকে, ডব্লিউএইচওর প্রতিদিন নতুন করে কোভিড-১৯ এ আক্রান্তের প্রতিবেদন অনুসারে বিশ্বের মধ্যে ৯ম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

সপ্তাহে নতুন করে শনান্তদের তালিকায় ৩ লাখ ৪ হাজার ১৫৬ আক্রান্ত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম অবস্থানে রয়েছে। এ সপ্তাহে ২ লাখ ৬০ হাজার ১২২ জন শনাক্ত নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত তালিকার তিন নম্বরে উঠে এসেছে। দেশটিতে গত একসপ্তাহে ১ লাখ ৩১ হাজার ৫৩৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। আর ৪৭,৫৩৭ ও ৪৭,১৩৭ নতুন শনাক্ত নিয়ে চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে আছে যথাক্রমে দক্ষিণ আফ্রিকা ও রাশিয়া।

এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন করে শনাক্ত ২৫ হাজার ৪৭৭ জন নিয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে চিলি এবং ২৬,৯৫৮ শনাক্ত নিয়ে সৌদি আরব আছে সপ্তম অবস্থানে।
-ইউএনবি

‘করোনার ভ্যাক্সিন পেতে আড়াই বছর লাগবে’
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: মহমারী করোনার ভ্যাক্সিন হাতে পেতে অপেক্ষা করতে হবে আরো অনন্ত আড়াই বছর। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্পেশাল এনভয় ড. ডেভিড নাবারো তথ্য জানিয়ে বলেন, আপাতত করোনা থেকে সম্পূর্ণ মুক্তির কোনো উপায় নেই। যদি কেউ এমনটা দাবি করেন, তাহলে তার প্রমাণ দরকার। খবর- ইন্ডিয়া টুডে

ইন্ডিয়ান টুডেকে তিনি বলেন, ভ্যাক্সিন দেয়ার পর কেউ করোনা থেকে সম্পূর্ণ নিরাপদ হচ্ছে কিনা, তা বুঝতে সময় লাগবে। এছাড়া বিশ্বের প্রত্যেকে ভ্যাক্সিন পাচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গরিব দেশ হোক বা ধনী দেশ, প্রত্যেকে যাতে ভ্যাক্সিন পায়, সে বিষয়টাও নিশ্চিত করতে হবে।

এখন সারা বিশ্বে ১০০ টি প্রতিষেধকের উপর বিভিন্ন স্তরে পরীক্ষা চলছে। কিন্তু পাকাপাকি সুফল নিয়ে করোনার সঙ্গে লড়াই করবে এমন প্রতিষেধকের খোঁজ এখনও ধোঁয়াশায়। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় নির্মিত প্রতিষেধক আশা দেখাচ্ছে। কিন্তু কবে প্রতিষেধক প্রয়োগে কোভিড আতঙ্ক থেকে মুক্তি মিলবে তা এখনও অনিশ্চিত।

৩৭০ শয্যার ‘করোনা সেন্টার’ চালু হচ্ছে বিএসএমএমইউতে
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: মহামারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ৩৭০ শয্যার ‘করোনা সেন্টার’ চালু করা হচ্ছে। আজ শনিবার থেকে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় এই সেবা চালু করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার মজুমদার জানান, ৩৭০ শয্যার মধ্যে ‘কেবিন ব্লকে’ শয্যার সংখ্যা ২৫০টি এবং ‘বেতার ভবনে’ শয্যার সংখ্যা ১২০টি। ‘কেবিন ব্লকে’ ২৫০ শয্যার মধ্যে ইমার্জেন্সি রোগীদের জন্য রয়েছে ২৪টি শয্যা এবং আইসিইউ শয্যা সংখ্যা হল ১৫টি।

কেবিন ব্লকে ‘সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট’ স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও রোগীদের সেবা নিশ্চিত করার জন্য হাইফ্লো ন্যাসাল ক্যানুলা, নন ইনভেসিভ ভেন্টিলেটর, যেমন- সি-প্যাপ, অক্সিজেন কনসানট্রেটর ইত্যাদি স্থাপন করার কাজ প্রায় সম্পন্নের দিকে। প্রতিটি শয্যায় রয়েছে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপোর্টসহ অন্যান্য চিকিৎসা সুবিধাসমূহ। মূলত গুরুতর অসুস্থ রোগীরাই এখানে ভর্তি হবেন।

এদিকে, বেতার ভবনের ১২০ শয্যায় ভর্তি হবেন করোনায় আক্রান্ত মডারেট রোগাক্রান্ত রোগীরা।

ইতিমধ্যে ‘কেবিন ব্লক’ ও ‘বেতার ভবনে’ করোনা সেন্টার চালুর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়ার সভাপতিত্বে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ডাক্তার, নার্সসহ সব পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের সাথে অনুষ্ঠিত সফল সভাসমূহে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।



সূত্র: যুগান্তর

বাংলাদেশের ‘গ্লোব বায়োটেক’ করোনার টিকা আবিষ্কার করেছে, কাল সংবাদ সম্মেলন
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: মহামারী করোনাভাইরাসের টিকা আবিষ্কারে পৃথিবীর সকল গবেষক-বিজ্ঞানী যখন অনেকটা ব্যর্থতার কিনারে ঠিক এমনই মুহুর্তে বাংলাদেশের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি জানিয়েছে। ইতোমধ্যে পশুর শরীরে এটি প্রয়োগও করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আাগমীকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় গ্লোব বায়োটেকের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের প্রধান ডা. আসিফ মাহমুদ দেশের গণমাধ্যমে দেয়া বক্তব্যে দাবি করেন, ‘আসলে আমরা কাজ শুরু করার পর প্রাথমিকভাবে এটা নিয়ে সফল হয়েছি। এনিমেল মডেলে এটা সফল হয়েছে। এখন আমরা আশা করি মানবদেহেও এটা সফলভাবে কাজ করবে। আমরা বিষয়টি নিয়ে এখন সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর কাছে যাব। এরপর তাদের দেয়া গাইডলাইন অনুযায়ী পরবর্তী ধাপগুলো সম্পন্ন করবো৷’

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের বিষয়টি নিয়ে গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড একটি বিবৃতিও দিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এনসিবিআই ভাইরাস ডাটাবেজ অনুযায়ী মঙ্গলবার (৩০ জুন) পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী ৫ হাজার ৭৪৩টি সম্পূর্ণ জিনোম সিকোয়েন্স জমা হয়েছে। যার মধ্যে বাংলাদেশ থেকে জমা হয়েছে ৭৬টি। উক্ত সিকোয়েন্স বায়োইনফরম্যাটিক্স টুলের মাধ্যমে পরীক্ষা করে গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড তাদের টিকার টার্গেট নিশ্চিত করে। যা যৌক্তিকভাবে এই ভৌগোলিক অঞ্চলে অধিকতর কার্যকরী হবে বলে আশা করছেন তারা।

প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, উক্ত টার্গেটের সম্পূর্ণ কোডিং সিকোয়েন্স যুক্তরাষ্ট্রের এনসিবিআই ভাইরাস ডাটাবেজে জমা দিয়েছেন যা ইতোমধ্যেই এনসিবিআই কর্তৃক স্বীকৃত ও প্রকাশিত হয়েছে।

টিকা আবিষ্কারের বিষয়ে আরো বলা হয়, গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের গবেষণাগারে আবিষ্কৃত টিকাটির বিশদ বিশ্লেষণের পর ল্যাবরেটরি এনিমেল মডেলে পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করে যথাযথ এন্টিবডি তৈরিতে সন্তোষজনক ফলাফল পাওয়া গেছে বলেও দাবি করছেন তারা।

বিষয়টি নিয়ে গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. হারুনুর রশিদ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘এই টিকাটির সুরক্ষা ও কার্যকারিতা নিরীক্ষার লক্ষ্যে আমরা ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। এই সুরক্ষা ও কার্যকারিতা পরীক্ষায় সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করছি।’

ডেক্সামিথাসোন ব্যবহারে সতর্ক হই
                                  

গতকাল বিশ্বমিডিয়ায় প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস এর ঔষধ হিসেবে ‘ডেক্সামিথাসোন’ আবিষ্কার হয়েছে এই নিউজটি ফলাওভাবে প্রচার করা হয়। ডেক্সামিথাসোনকে করোনার বিরুদ্ধে কার্যকরী ঔষধ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলোতে। যেহেতু ১৯৫৭ সালে এই ঔষধটি সর্বপ্রথম আবিষ্কার হয় এবং ১৯৬১ সালে ঔষধটি ব্যবহারের অনুমতিপ্রাপ্ত হয় তাই অনেক আগে থেকেই এই ঔষধটি বাজারে বিদ্যমান রয়েছে। এছাড়া ঔষধটির দামও তুলনামূলক কম ফলে যে কেউ ঔষধটি যেকোন সময় কিনতে পারেন বাজার থেকে। গতকাল করোনভাইরাসের ঔষধ হিসেবে ‘ডেক্সামিথাসোন’ কার্যকরী এই সংবাদটি মিডিয়ায় আসার পর বাংলাদেশের ফার্মেসীগুলোতে এটি কেনার হিড়িক পড়ে যায়।

ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ ক্রয় একটি মারাত্বক ভুল। ঔষধের ভুল বা অযাচিত ব্যবহারের ফলে মৃত্যু হতে পারে যে কোন সময়। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত আগে ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানা এবং ডাক্তারের পরামর্শ মতো ঔষধ সেবন করা।

এবার তাহলে এই ঔধধটি আসলে কিভাবে কাজ করে সেটি জেনে নেয়া যাক। ডেক্সামিথাসোন ঔষধটি একটি হরমোন জাতীয় ঔষধ। এটি কর্টিকোস্টেরয়েড নামক স্টেরয়েড হরমোন যা অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি থেকে সংশ্লেষণ করা হয়। এই ঔষধটি মূলত করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীর শরীরে “সাইটোকাইন স্টোর্ম” প্রতিরোধ বা প্রশমিত করার উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়। কোনো ব্যক্তি যদি ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয় তাহলে তার শরীরের শ্বেত রক্তকণিকা (দেহের অভ্যন্তরে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করলে মেরে ফেলতে বা কার্যক্ষমতা নষ্ট করতে সহায়তা করে) প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি উৎপন্নহয়। এবং এই অতিরিক্ত শ্বেত রক্ত কণিকা অতিরিক্ত সাইটোকাইন (এক ধরনের রাসায়নিক, কোষ থেকে কোষের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে অর্থাৎ মেসেনজার হিসেবে কাজ করে)  উৎপাদন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে। দেহের এর অতিরিক্ত সাইটোকাইন উৎপাদন করার প্রক্রিয়াকে “সাইটোকাইন স্টোর্ম” বলা হয়। সাইটোকাইন স্টোর্মের ফলে রোগীর দেহে অতিরিক্ত জ্বর, খুবই নিম্নরক্তচাপ, রক্ত জমাট বাধা, অক্সিজেনের অভাব, রক্তের পিএইচ কমে যাওয়া এবং ফুসফুসে তরল (হায়ালিন মেমব্রেন) জমা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়। শ্বেত রক্তকণিকার কাজ হলো দেহের অভ্যন্তরে ক্ষতিকর কোনো ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া ঢুকলে সেটি শনাক্ত করা এবং মেরে ফেলা বা কার্যকারিতা নষ্ট করে দেওয়া কিন্তু করোনা আক্রান্ত রোগীর দেহে অতিরিক্ত শ্বেত রক্তকনিকা উৎপন্ন হয় যা ক্ষতিকর ভাইরাসকে মারার পরও প্রচুরপরিমাণে অবশিষ্ট থেকে যায়। এই অবশিষ্ট শ্বেত রক্তকনিকাগুলো দেহের সুস্থ্য কোষগুলো বিশেষ করে ফুসফুসের কোষগুলো মেরে ফেলতে শুরু করে। ফলে ফুসফুসে তরল (হায়ালিন মেমবব্রেন) জমতে শুরু করে যা অক্সিজেন পরিবহনে বাধা প্রদান করে। এজন্য রোগীর শ্বাসকষ্ট শুরু হয় খুবই তীব্র আকারে। এছাড়া দেহের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের সুস্থ্য কোষ মেরে ফেলে ফলে আরো কিছু উপসর্গ দেখা দেয় যা উপরে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনা গুলো ঘটে তীব্র আক্রান্ত (সিভিয়ার) রোগীর ক্ষেত্রে। কিন্তু করোনা আক্রান্ত বেশীরভাগ রোগীই মিল্ড অবস্থায় থাকে। আর ডেক্সামিথাসোন ব্যবহার করা হয়েছে সিভিয়ার রোগীর ক্ষেত্রে তাদের “সাইটোকাইন স্টোর্ম” প্রতিরোধ করার জন্য যাতে ফুসফুস ও দেহের অন্যান্য কোষগুলো ধ্বংস না হয় এবং দেহে অক্সিজেন পরিবহনে বাধার সৃষ্টি না হয়। অর্থাৎ, ডেক্সামিথাসোন দেহের শ্বেত রক্তকণিকার পরিমান কমিয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

তার মানে হলো মিল্ড রোগীর ক্ষেত্রে ডেক্সামিথোসেন ব্যবহার করা হলে রোগীর রোগ প্রতিরোধ কমে যাবে যা রোগীর মৃত্যুঝুকি বাড়িয়ে দেবে। সুতরাং এটি শুধুমাত্র সিভিয়ার রোগীর ক্ষেত্রে ডেক্সামিথাসোন প্রযোজ্য। এছাড়া এই ঔষধ ব্যবহারের আরো কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে যেমন অতিরিক্ত ওজন, অস্টিপোরোসিস, হাত পা ফোলা, ডায়াবেটিস বেড়ে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ ও ক্ষুধা বাড়া ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। তাই আসুন ডেক্সামিথাসোনের যত্রতত্র ব্যবহার পরিহার করি। নিজেরা ডাক্তার না হই। সচেতন থাকি, সুস্থভাবে বাঁচি।

লেখক-
মোঃবিল্লালহোসেন
শিক্ষার্থী, জীববিজ্ঞানঅনুষদ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ।

রোগী যখন থ্যালাসিমিয়া আক্রান্ত
                                  

ডাঃ মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ


থ্যালাসেমিয়া একটি মারাত্মক রোগ হলেও সহজে প্রতিরোধযোগ্য। এটি একটি বংশগত রোগ হওয়ায় বাবা-মা দুজনেই এই রোগের বাহক হলে সন্তানও আক্রান্ত হতে পারে। আর এ কারণে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার মাধ্যমে প্রায় এক কোটি ১০ লাখ মানুষ নিজের অজান্তে হয়ে উঠছেন এ রোগের বাহক, শিশুরা বংশগতভাবে তাদের পিতা- মাতা থেকে পেয়ে থাকে।বিজ্ঞানীদের মতে,সাধারণত চাচাত ভাই- বোনদের মধ্যে বিয়ে হলে সন্তানদের থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।এই রোগীদের রক্তের লাল কণিকা( RBC) তাড়াতাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়।ফলে তাদের রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কম থাকে এবং আয়রণের পরিমাণ বেড়ে যায়।এই কারণে এদেরকে ২০ থেকে ৩০ দিন পরপর রক্ত দিতে হয় এবং শরীর থেকে অতিরিক্ত আয়রণ বের করার জন্য ঔষধ খেতে হয়।খুব ছোট শিশুদের মধ্যে রক্তশূণ্যতা,জ্বর,শারীরিক বৃদ্ধি না হওয়া,প্লীহা বড় হয়ে যাওয়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখে থ্যালাসেমিয়া রোগ সন্দেহ করেন এবংরক্তের বিশেষ মাইক্রোস্কোপিক
পরীক্ষার মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে নিশ্চিতহন।যেহেতু এই রোগের চিকিৎসায় প্রচুর টাকা খরচ হয়,সেহেতু মধ্যবিও বা দরিদ্ররা এই রোগে আক্রান্ত হলে ভিখারী হতে বেশী সময় লাগে না।এতো পয়সা খরচ করেও এসব শিশুদেরকে সাধারনত বিশ- এিশ বছরের বেশী বাচাঁনো যায় না।ধ্বংসপ্রাপ্ত লাল কণিকা থেকে নির্গত আয়রণের লিভার,হৎপিন্ড এবংপেনক্রিয়াসে জমা হতে থাকে একংশরীরের অতিরিক্ত আয়রণের বিষক্রিয়ায় এরা লিভার সিরোসিস,হার্ট ফেইলিওর,প্লীহা বড় হওয়া ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হয় এবং এদের শরীরে যৌবনের আগমণ ঘটে বিলম্বে আর এদের শারীরিক বৃদ্ধিও তেমন একটা ঘটেনা।আজ থ্যালাসেমিয়া নিয়ে কলাম লিখেছেন,বাংলাদেশের বিশিষ্ট হোমিও গবেষক, ডা.এম এ মাজেদ তিনি  তার কলামে লিখেন, বর্ততমানে থ্যালাসেমিয়া ধারণকারী মানুষ সাধারণত রক্তে অক্সিজেনস্বল্পতাবা“অ্যানিমিয়া”তে ভুগে থাকেন। অ্যানিমিয়ার ফলে অবসাদগ্রস্ততা থেকে শুরু করে অঙ্গহানি ঘটতে পারে। ত্রুটিপূর্ণ হিমোগ্লোবিন জিনের কারণে থ্যালাসেমিয়া হয়। বাবা অথবা মা, অথবা বাবা- মা উভয়েরই থ্যালাসেমিয়া জীন থাকলে বংশানুক্রমে এটি সন্তানের মধ্যে ছড়ায়।

থ্যালাসেমিয়া দুইটি প্রধান ধরনের হতে পারে: আলফা থ্যালাসেমিয়া ও বেটা থ্যালাসেমিয়া। সাধারণভাবে আলফা থ্যালাসেমিয়া ß থ্যালাসেমিয়া থেকে কম তীব্র। আলফা থ্যালাসেমিয়াবিশিষ্ট ব্যক্তির ক্ষেত্রে রোগের উপসর্গ মৃদু বা মাঝারি প্রকৃতির হয়। অন্যদিকে বেটা থ্যালাসেমিয়ার ক্ষেত্রে রোগের তীব্রতা বা প্রকোপ অনেক বেশি; এক-দুই বছরের শিশুর ক্ষেত্রে ঠিকমত চিকিৎসা না করলে এটি শিশুর মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
 বিশ্বে বেটা থ্যালাসেমিয়ার চেয়ে আলফা থ্যালাসেমিয়ার প্রাদুর্ভাব বেশি। আলফা থ্যালাসেমিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও চীনের সর্বত্র এবং কখনও কখনও ভূমধ্যসাগরীয় ও মধ্যপ্রাচ্যের লোকদের মধ্যে দেখতে পাওয়া যায়। প্রতিবছর বিশ্বে প্রায় ১ লক্ষ শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করে।আর এটি একটি মারাক্ত জেনিটিক ডিজিজ বিধায় খুব একটা নিরাময় হয় না বলে সবাই বিশ্বাস করত।তবে ইদানীং বিভিন্ন দেশের অনেক হোমিওবিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অগণিত থ্যালাসিমিয়া রোগীকে সমপুর্ণরুপে আরোগ্য করার দাবী করেছেন যাদের ডিসচার্জ করার পর পাচঁ ছয় বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন হয়নি।হোমিওস্পেশালিষ্টদের মতে,শতকরা ৫০ ভাগ থ্যালাসেমিয়া রোগীকে হোমিওচিকিৎসার মাধ্যমে পুরোপুরি রোগ মুক্ত করা আল্লাহর রহমতে সম্ভব।আর অবশিষ্ট থ্যালাসেমিয়া রোগীরা পুরা পুরী রোগমুক্ত না হলেও হোমিওচিকিৎসায় তাদের অবস্থা এতটাই উন্নত হয় যে,অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের মাধ্যমে চিকিৎসা নিলে মাসে বা বছরে একবার রক্ত নিলেই চলে।হ্যাঁ,হোমিওপ্যাথিতে মনো-দৈহিক গঠনগত চিকিৎসা কন্সটিটিউশনাল নামে এক ধরণের চিকিৎসা পদ্ধতি প্রচলিত আছে যার অর্থ হলো রোগের লক্ষণ,রোগীর শারীরিক লক্ষণ,রোগীর মানসিক লক্ষণ,রোগীর বংশগত রোগের ইতিহাস ইত্যাদি বিচার করে ঔষধ নির্বাচন করা।এতে চিকিৎসক একজন রোগীর পেছনে প্রচুর সময় দিতে হয় এবং তাকে অনেক চিন্তা- ভাবনা করতে হয়।হোমিওপ্যাথির দুইশ বছরের ইতিহাসে দেখা গেছে যে,এমন সব কঠিন রোগও খুব সহজে নিরাময় হয়ে যায় য়া অন্যান্য চিকিৎসা বিজ্ঞানে একেবারে অবিশ্বাস্য মনে করা হয়ে থাকে।থ্যালাসেমিয়া থেকে মুক্তির জন্য  একজন হোমিওবিশেষজ্ঞেরর পরামর্শ মতো চলা উচিত,যিনি রোগীর শারীরিক,মানসিক,পারিবারিক লক্ষণ বিবেচনা করে সঠিক ঔষধ নির্বাচন করে থাকে,কিন্ত দুঃখের বিষয় যে, ইদানিং কিছু কিছু হোমিওচিকিৎসক বের হয়েছে তারা কোন রোগীর লক্ষণ নির্বাচন না করে, থ্যালাসেমিয়ার রোগীকে পেটেন্ট,টনিক দিয়ে চিকিৎসা দিয়ে থাকে,ঐসব ডাক্তার বাবুদের কে ডাঃহানেমান বলে থাকে শংকর জাতের হোমিওপ্যাথ।
হোমিওপ্রতিবিধানঃ রোগ নয় রোগীকে চিকিৎসাকরা হয়। এই জন্য অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকগন যেই সব ঔষধ ব্যবহার করে থাকে,সিয়ানোথাস,এসিড সালফ,ফেরাম মেট,আর্সেনিক এল্ব,অ্যান্ড্রাগ্রাফিস,চায়না,কার্ডুয়াস মেরী,ক্যালকেরিয়া ফ্লোর,ইউক্যালিপটাস, আলফালফা,থুজা,মেডোরিনাম সহ আরো অনেক ঔষধ লক্ষণের উপর আসতে পারে।সাবধান অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসক ছাড়া ঔষধ নিজে নিজে ব্যাবহার করলে রোগ আরো জটিল আকারে পৌঁছতে পারে।
লেখক,
ডাঃ মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ
সম্পাদক ও প্রকাশক, দৈনিক স্বাস্থ্য তথ্য
কো-চেয়ারম্যান, হোমিওবিজ্ঞান গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
বিশেষজ্ঞ হোমিওগবেষকও জটিল রোগীর চিকিৎসক

কালোজিরা ৮টি অসুখ থেকে দূরে রাখে
                                  

স্বাস্থ্য ডেস্ক : কালোজিরা আমরা সকলেই চিনি। নিমকি বা কিছু তেলে ভাজা খাবারে ভিন্ন ধর্মী স্বাদ আনতে কালোজিরা বেশি ব্যবহার করা হয় থাকে। এছারা অনেকেই কালজিরার ভর্তা খেয়ে থাকেন। অনেকে আবার কালোজিরা খেতে পছন্দ করেন না। কিন্তু কালোজিরার ব্যবহার খাবারে একটু ভিন্নধর্মী স্বাদ আনাতেই সীমাবদ্ধ নয়। আয়ুর্বেদিক ও কবিরাজি চিকিৎসাতে কালোজিরার অনেক ব্যবহার হয়। কালোজিরার বীজ থেকে তেল পাওয়া যায়, যা আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারী। এতে আছে ফসফেট, আয়রন, ফসফরাস। এছাড়াও কালোজিরা আমাদের দেহকে রক্ষা করে অনেক ধরনের রোগের হাত থেকে। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক প্রতিদিন কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে : কালোজিরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে। নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে। এতে করে যে কোন জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহকে প্রস্তুত করে তোলে এবং সার্বিকভাবে স্বস্থ্যের উন্নতি করে।

ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণ : কালোজিরা ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তের গ্লুকোজ কমিয়ে দেয়। এতে করে কালোজিরা ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণ : কালোজিরা নিন্ম রক্তচাপ কে বৃদ্ধি করে স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। এবং দেহের কলেস্টোরল নিয়ন্ত্রণ করে উচ্চরক্ত চাপ হ্রাস করে শরীরে রক্ত চাপ এর স্বাভাবিক মাত্রা বজায় রাখে।

যৌনক্ষমতা বৃদ্ধি : কালোজিরা নারী-পুরুষ উভয়ের যৌনক্ষমতা বাড়ায়। প্রতিদিন কালোজিরা খাবারে সাথে খেলে পুরুষের স্পার্ম সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং পুরুষত্বহীনতা থেকে মুক্তির সম্ভাবনা তৈরি করে।

স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি : কালোজিরা খেলে আমাদের দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হত। এতে করে মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চলন বৃদ্ধির হয়। যা আমাদের স্মৃতি শক্তি বাডড়য়ে তুলতে সাহায্য করে।

হাঁপানী রোগের উপশম : যারা হাঁপানী বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমসসায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য কালোজিরা অনেক বেশি উপকারী। প্রতিদিন কালোজিরার ভর্তা রাখুন খাদ্য তালিকায়। কালোজিরা হাঁপানি বা শ্বাস কষ্টজনিত সমস্যা উপশম হবে।

রিউমেটিক এবং পিঠেব্যথা দূর : কালোজিরার থেকে যে তেল বের করা হয় তা আমাদের দেহে বাসা বাঁধা দীর্ঘমেয়াদী রিউমেটিক এবং পিঠে ব্যথা কমাতে বেশ সাহায্য করে। এছাড়াও সাধারণভাবে কালোজিরা খেলেও অনেক উপকার পাওয়া যায়।

শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি : শিশুদের কালোজিরা খাওয়ানোর অভ্যাস করলে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে। শিশুর মস্তিষ্কের সুস্থতা এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতেও অনেক কাজ করে কালোজিরা।

জ্বর হলেই করোনা আতঙ্ক নয়
                                  

স্বাস্থ্য ডেস্ক : জ্বর হলেই কি তাহলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হয়েছে বলে আপনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়বেন? নিজেকে গৃহবন্দি করে ফেলবেন? ছুটে যাবেন করোনাভাইরাস সংক্রমণ হয়েছে কি না সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষানিরীক্ষা করাতে?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, না। তার কোনো দরকার নেই। তাতে অযথা মানুষকে ভীতসন্ত্রস্ত করে তোলা হবে। কারণ, মৌসুম বদলালে অনেকেরই জ্বর, সর্দি, কাশি হয়।

তবে বর্তমানে করোনাভাইরাস নিয়ে পুরো বিশ্ব যখন উদ্বিগ্ন তখন বাড়তি সতর্কতা নিশ্চয়ই প্রয়োজন। তবে জ্বর হলে প্রথমেই করোনা আতঙ্কে না থেকে নমুনা পরীক্ষার পাশাপাশি পরামর্শগুলো মেনে চলুন :
 
বিশেষজ্ঞরা বলেন, জ্বর হলে-

* স্যুপ, হারবাল চা, কফি, মধু দিয়ে গরম পানি বারবার পান করুন।

* শরীরের অতিরিক্ত তাপ হলেই আমরা জ্বর বলি। সিজনাল জ্বর হলেও থার্মোমিটার দিয়ে নিয়মিত জ্বর মেপে একটি ছক করে লিখে রাখুন।

* হালকা গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে বারবার শরীর মুছে নিন। এতে জ্বরের তাপ কমবে।

*  ঠাণ্ডা সর্দিতে আমাদের নাক চুলকায়, নাক দিয়ে পানি পড়ে, টিস্যু দিয়ে বারবার নাক মোছার ফলে অনেক সময় নাকের চামড়া ছিলে যায়। এজন্য নাক বেশি ঘষা যাবে না। নাকে ক্রিম ব্যবহার করুন।

* ভিটামিন সি জাতীয় ফল লেবু, কমলা, পেঁপে, পেঁয়ারা, আমলকি বেশি বেশি খান। ঠাণ্ডা কমবে আর খাবার খেতেও রুচি হবে।

* অ্যান্টিসেপটিক দিয়ে হাত সব সময় পরিষ্কার করতে হবে।

* দাঁত মাজার ব্রাশ, চিরুনি, তোয়ালে এগুলো আলাদা রাখতে হবে।

* কাশি ও হাচিঁ দেওয়া সময় রুমাল ব্যবহার করুন।

*  হাত দিয়ে ঘন ঘন নাক অথবা চোখ চুলকানো যাবে না।

* নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করতে হবে।

* পরিবারের কেউ ঠাণ্ডা জ্বরে আক্রান্ত হলে অন্যদের সাবধানে রাখুন। ভাইরাল ফেভারের সময় আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা না করাই ভালো।

* আর বৃদ্ধদের শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। তাদের জন্য নিতে হবে বাড়তি সতর্কতা।

উপসর্গগুলো দ্রুত সমাধান না হলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

যে ৮ সমস্যা থাকলে করোনার ঝুঁকি বেশী
                                  

স্বাস্থ্য ডেস্ক : বিশ্বের ১৬৫টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে বুধবার বাংলাদেশে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ জনে। আর বিশ্বে এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসে মারা গেছেন ৮ হাজার ২২৫ জন, আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৩ হাজার ৫৬৯ জন।

মৌসুমি ফ্লুর চেয়ে করোনাভাইরাস ১০ গুণ বেশি মারণঘাতী। আর আগে থেকেই যাদের শরীরে কিছু সমস্যা রয়েছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে তাদের ঝুঁকি বেশিÑ বলছেন বিশেষজ্ঞরা। নিচের ৮টির মধ্যে কোনো সমস্যা নিজের সঙ্গে মিলে গেলে বাড়তি সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা

ডায়াবেটিস : ডায়াবেটিসে আক্রান্ত যারা অন্যদের তুলনায় তাদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। যুক্তরাজ্যের ডায়াবেটিস চিকিৎসক ডন হওয়ার্থ বলেন, করোনায় ডায়াবেটিসে ভুগতে থাকা ব্যক্তিদের জন্য বিপজ্জনক।

তিনি আরও বলেন, যদি কারো ডায়াবেটিস থাকে এবং কাশি হয়, শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়, শ্বাসকষ্ট হয়; তাহলে ব্লাড সুগার মাঝেমাঝেই পরীক্ষা করে দেখা দরকার।

হার্টের সমস্যা : করোনা আক্রান্ত হলে ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের তালিকায় দুই নম্বরে রয়েছে হার্টের রোগীরা। কারণ, হার্টের সমস্যায় ভুগতে থাকা রোগীদের ইমিউন সিস্টেম এমনিতেই দুর্বল হয়ে থাকে। ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তাদের শরীর শক্তিশালীভাবে তা প্রতিরোধ করতে পারে না।

অ্যাজমা : ফুসফুসের বাইরে ও ভেতরে বাতাস যাতায়াতে সাহায্য করে আস্ট্রা। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেহেতু অ্যাজমা রোগীরা এমনিতেই এই সমস্যার মধ্য দিয়ে যায়, করোনাভাইরাস তাদের ঝামেলা আরও বাড়িয়ে দেয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে অ্যাজমা রোগীদের ইনহেলার ব্যবহার করা উচিত। সচেতন না হলে প্রাণহানি ঘটতে পারে।

ফুসফুসে সমস্যা কিংবা যক্ষ্মা হলে : ফুসফুসে সমস্যা থাকলে কিংবা যক্ষ্মা হলে করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করা অনেক বেশি কঠিন হয়ে যায়।

ক্যান্সার : ক্যান্সারের রোগীরা করোনাভাইরাসে সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে। আর আক্রান্ত হলে সেরে ওঠা অনেক বেশি কঠিন। তাদের দুর্বল ইমিউন সিস্টেমকে সহজে কাবু করার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইবে না করোনাভাইরাস।

পাকস্থলীর সমস্যা : যাদের হজমে সমস্যা আছে এবং পাকস্থলী নিয়ে চরম বিপাকে রয়েছেন, করোনাভাইরাস তাদের কাছে যমদূতের মতো।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা এ ধরনের সমস্যায় ভুগছেন, এ সময় তাদের বাড়তি সচেতন থাকা দরকার। করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করার মতো ইমিউন সিস্টেম এ ধরনের সমস্যায় ভুগতে থাকা ব্যক্তিদের নেই।

দুর্বল ইমিউন সিস্টেম : বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাস মোকাবেলার মতো কোনো ভ্যাকসিন এখন পর্যন্ত আবিষ্কার হয়নি। একে প্রতিরোধ করার একমাত্র উপায় ইমিউন সিস্টেম। এজন্য প্যারাসিটামল না খাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তারা।  তবে যাদের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল, তারা ঝুঁকিতে রয়েছেন।

ধূমপান : বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্যদের তুলনায় ধূমপায়ীরা করোনাভাইরাসে আক্রান্তের ঝুঁকি ১৪ গুণ বেশি। সে কারণে এই দুঃসময়ে ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

করোনা সংক্রমণে প্রচুর বিশ্রাম ও পানি পান করুন
                                  

স্বাস্থ্য ডেস্ক : চীনের উহান শহর থেকে বিস্তার শুরু করে বিশ্বের ১১৫টিরও বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস। গত বুধবার এই ভাইরাসকে বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।  চীনে করোনার প্রভাব কিছুটা কমলেও ইতালি-ইরানসহ বিশ্বের অন্য কয়েকটি দেশে এর প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করছে।

বুধবার পর্যন্ত বিশ্বে করোনাভাইরাসে নিহত হয়েছেন ৪৬৩৩ জন। অপরদিকে ৬৮ হাজার ২৮৬ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বিশ্বে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ২৬ হাজার ২৯৩ জন।
 
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্যানডেমিক বা বিশ্ব মহামারীকে এভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন- ‘নতুন রোগের বিশ্বব্যাপী বিস্তার’। রোগটির ভৌগলিক বিস্তার, রোগের গুরুতর প্রকৃতি, সমাজের উপর এর প্রভাব সব মিলিয়ে এটি নির্ধারণ করা হয়।

‘প্যানডেমিক’ শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ ‘প্যান’ আর ‘ডেমস’ থেকে, যা নির্দেশ করে এটি বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আক্রমণ করেছে।

কভিড ১৯ এর নিরাময় নাই, এর জন্য টিকাও নাই। তবে আমেরিকার জাতীয় স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট বলেছে, টিকা বের হতে বছর খানেক লাগতে পারে।

ভাল করে বার বার নিয়মিত হাত ধোয়া হল প্রতিরোধ ব্যবস্থা। মৃদু করোনা সংক্রমণের চিকিৎসা ফ্লুর মতো। প্রচুর বিশ্রাম, পানি পান, ব্যথা হলে ওষুধ। গুরুতর হলে হাসপাতালের যন্ত্রপাতির সাহায্য লাগে, শ্বাসকষ্ট বেশি হলে শ্বাসক্রিয়া চালু রাখার জন্য লাগতে পারে ভেনটিলেটার।

করোনা থেকে আপনার সন্তানকে বাঁচাতে করণীয়
                                  

স্বাস্থ্য ডেস্ক : বিশ্ববাসীর কাছে এখন আতঙ্কের নাম প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস। এ ভাইরাসে  প্রতিদিন যেমন বাড়ছে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা তেমনি দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল।

এমন পরিস্থিতিতে জেনে নিন আপনার সন্তানকে কিভাবে সুস্থ্য রাখবেন ।

ভারতের মুম্বাইয়ে ক্লাউড নাইন হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. বিনয় জোশী বলেছেন, কিছু বেসিক হাইজিন মানতে হবে, আতঙ্ক ছড়িয়ে লাভ নেই।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল অন্তত ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধোয়া। হাতের দুই পৃষ্ঠ খুব ভালো করে ধুতে হবে। আঙুলের খাঁজ যাতে ভালোভাবে পরিষ্কার হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

* স্কুলে বা পড়তে যাওয়ার সময় অথবা বাইরে গেলে আপনার সন্তানকে ভালো হ্যান্ড স্যানিটাইজার সাথে রাখতে বলুন।

* সহপাঠীর জ্বর হলে খুব বেশি কাছে না ঘেঁষাই ভালো, এই সময়ে হ্যান্ড শেক যেন না করে।

* যে সব দেশে করোনার আক্রমণ হচ্ছে, সদ্য সে দেশ থেকে ফিরলে আপনার সন্তানকে প্রথম কয়েকদিন স্কুলে পাঠাবেন না।

* স্কুল কর্তৃপক্ষ ক্লাসরুমের টেবিল চেয়ার পরিচ্ছন্ন রাখুন। মেঝে, দেওয়াল, বাথরুম পরিষ্কার করা হোক জীবাণুনাশক দিয়ে।

* হাঁচি-কাশি হলে সন্তানদের মুখে মাস্ক পরার পরামর্শ দিন।

* বাইরে ঘুরতে গেলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার সঙ্গে রাখুন। পরিচ্ছন্ন হোটেলে ওঠার চেষ্টা করবেন। মশলাদার খাবার খাবেন না। মাংস খাওয়ার সময় বিশেষ করে সতর্ক হোন।

* জ্বর হলে জন্মদিন বা এরকম কোনও অনুষ্ঠান এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

করোনা নাকি সাধারণ ফ্লু, বুঝবেন কীভাবে
                                  

স্বাস্থ্য ডেস্ক : নভেল করোনাভাইরাস মূলত সাধারণ সর্দি-কাশি বহনকারী গ্রুপ। এই গ্রুপের ভাইরাস বছর দশেক আগেও এত ভয়াবহ ছিল না। আমরা প্রত্যেকেই এর প্রকোপে জ্বর-সর্দি-কাশিতে ভুগেছি। আবার সুস্থও হয়ে গিয়েছি নিজের নিয়মে। তবে জিনগত মিউটেশনের ফলে এর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এতই মারাত্মক হয়ে উঠল যে ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

‘২০১৯ এনসিওভি’ নাম নিয়ে আসা এই ভাইরাস ইতিমধ্যেই ত্রাসের জন্ম দিয়েছে বিশ্বব্যাপী। এই ভাইরাস থেকে ছড়িয়ে পড়া রোগের নাম কোভিড-১৯। বিশ্বে করোনাভাইরাসের সংক্রমণে আতঙ্কিত মানুষজন।

কিন্তু সত্যিই কি এতটা ভয় পাওয়ার মতো কিছু হয়েছে? সাধারণ জ্বর-হাঁচি-সর্দি-কাশি হলেই আতঙ্কে গৃহবন্দি হওয়ার কোনও প্রয়োজন আছে কি? সাধরাণ সর্দি-কাশি নাকি করোনা বোঝার উপায় কিছু আছে কি?

এ বিষয়ে বক্ষরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বর-সর্দি-হাঁচি-কাশি হলে এত দিন যা করছিলেন তাই করবেন। ঘরে শুয়ে-বসে বিশ্রাম নেবেন। হালকা খাবার খাবেন। পানি খাবেন পর্যাপ্ত। দরকার মতো প্যারাসিটামল, কাশির ওষুধ খাবেন। নরমাল স্যালাইন ড্রপ দেবেন নাকে। হাঁচি-কাশির সময় পরিষ্কার রুমাল ব্যবহার করবেন। শিশু, বয়ষ্ক ও গর্ভবতীদের থেকে দূরে থাকবেন। এটুকু করলেই ধীরে ধীরে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মাধ্যমেই ভাইরাসকে কাবু করা যাবে। তখন বুঝতে হবে এটা সাধারণ ফ্লু-ই ছিল।

কিন্তু আশপাশে করোনাভাইরাসে রোগী নেই তা কী করে বোঝা যাবে? হাঁচি-সর্দি নিয়ে তো অনেকেই ঘুরে বেড়ান। তাঁদের কারও যদি এই সংক্রমণ হয়ে থাকে ও তিনি যদি আপনার কাছে এসে হেঁচে-কেশে দেন, তা হলে সমস্যা হতেই পারে!

কলকাতার বক্ষরোগ বিশেষজ্ঞ সুমিত সেনগুপ্তের মতে, এই ভাইরাস যদি ১০০ জনকে সংক্রামিত করে তার মধ্যে ১০-১৫ কি ২০ জনের অবস্থা জটিল হয়। বিপদ হয় দু-এক জনের। বাকি ৮০-৮৫ শতাংশ মানুষের সাধারণ ভাইরাস সংক্রমণের মতো উপসর্গ হয়। শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হলে তা নিজের নিয়মেই কমে যায়। তবে এঁরা অসুস্থ শরীরে রোগ ছড়াতে পারে। কিন্তু তাতেও উদ্বেগের কিছু নেই। প্রথমত, রোগ হলেও ৮০-৮৫ শতাংশ সম্ভাবনা যে আপনি প্রথম প্রথম অসুখটা টেরও পাবেন না। কাজেই রোগ হচ্ছে এমন কোনও জায়গায় যদি সফর না করে থাকেন, তা হলে নূন্যতম সচেতনতা মেনে চললেই হবে।

বক্ষরোগ বিশেষজ্ঞ বিশ্বনাথ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, এক্ষেত্রে কিছু বিষয় মাথায় রাখুন। কারও যদি হার্ট-লাং-কিডনি-লিভারের ক্রনিক অসুখ না থাকে, বা কোনও অসুখ বা ওষুধের কারণে শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে না যায় কিংবা বয়স খুব বেশি না হয়, তা হলে অত ভয়ের নেই। সে ক্ষেত্রে রোগের উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করা যেতে পারে। তার পর যদি দেখা যায় উপসর্গ কমার বদলে বাড়ছে, প্রবল জ্বর উঠছে বা শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, রক্তচাপ কমে মাথা ঘুরছে, প্রলাপ বকতে শুরু করছেন, তা কিন্তু বিপদের লক্ষণ।-সূত্র আনন্দবাজার

করোন আতঙ্কে নওগাঁয় হাসপাতাল ছেড়ে পালালো রোগীরা!
                                  

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার আব্দুল খালেকের সিঙ্গাপুর ফেরত হতভাগা ছেলে মেহেদী হাসানকে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে নওগাঁ সদও হাসপাতালে ভর্তি করা হলে হাসপাতালে অবস্থানরত বিভিন্ন রোগীরা আতঙ্কে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন। অনেকে ছাড়পত্র নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগের চেষ্টা করছেন। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে মেহেদীকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে অপ্রীতিকর এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, গত শুক্রবার মেহেদী হাসান সিঙ্গাপুর থেকে তার গ্রামের বাড়িতে আসেন। করোনাভাইরাস সন্দেহে মেহেদী হাসান হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সংবাদ পেয়ে অনেক রোগী হাসপাতাল ছেড়ে চলে গেছে। অনেকে ছাড়পত্র নিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পুরো হাসপাতালে এখন সেবিকা ও রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তবে হাসপাতালে মেহেদী হাসানের সঙ্গে তার মা হাসিনা খাতুন রয়েছেন।

মেহেদী হাসানের মা হাসিনা খাতুন বলেন, মেহেদী সিঙ্গাপুর থেকে গত শুক্রবার গ্রামের বাড়িতে আসে। গত দুইদিন সে ভালই ছিল। হঠাৎ করে রোববার রাত থেকে জ্বর, সর্দি ও মাথা ব্যথা শুরু হয়। সোমবার বিকালে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারকে দেখালে ডাক্তারের পরামর্শে তাকে নওগাঁ হাসপাতালে নিয়ে আসি। মেহেদীর আগে থেকে নাকে পলিপাস ছিল। মাঝে মধ্যেই নাক বন্ধ হয়ে মাথা ব্যথা ও সর্দি হতো। এসি মাইক্রোতে করে ঢাকা থেকে বাড়ীতে আসার কারণে তার হয়তো পলিপাসের সমস্যা দেখা দিয়েছে। এছাড়া ডাক্তাররা ছেলের পরীক্ষার জন্য রক্ত নিয়ে গেছে। এখন জ্বর কমেছে। করোনা বলে কোনো সন্দেহ করছেন না তিনি।

নওগাঁ সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. মুনির আলী আকন্দ বলেন, করোনার যে উপসর্গ (জ্বর, সর্দি, কাশি) তার মধ্যে সবই আছে। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনও আমরা নিশ্চিত না। পরীক্ষার জন্য কিছু নমুনা আমরা ঢাকায় পাঠিয়েছি।


   Page 1 of 15
     স্বাস্থ্য
করোনা ভ্যাকসিনের পরীক্ষায় সফলতার দাবী রাশিয়ার
.............................................................................................
ন্যাজাল স্প্রেতেই করোনা প্রতিরোধ!
.............................................................................................
বাতাসে ছড়াতে পারে করোনা, খতিয়ে দেখছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
.............................................................................................
করোনা শনাক্তদের তালিকায় বিশ্বে ৮ম বাংলাদেশ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
.............................................................................................
‘করোনার ভ্যাক্সিন পেতে আড়াই বছর লাগবে’
.............................................................................................
৩৭০ শয্যার ‘করোনা সেন্টার’ চালু হচ্ছে বিএসএমএমইউতে
.............................................................................................
বাংলাদেশের ‘গ্লোব বায়োটেক’ করোনার টিকা আবিষ্কার করেছে, কাল সংবাদ সম্মেলন
.............................................................................................
ডেক্সামিথাসোন ব্যবহারে সতর্ক হই
.............................................................................................
রোগী যখন থ্যালাসিমিয়া আক্রান্ত
.............................................................................................
কালোজিরা ৮টি অসুখ থেকে দূরে রাখে
.............................................................................................
জ্বর হলেই করোনা আতঙ্ক নয়
.............................................................................................
যে ৮ সমস্যা থাকলে করোনার ঝুঁকি বেশী
.............................................................................................
করোনা সংক্রমণে প্রচুর বিশ্রাম ও পানি পান করুন
.............................................................................................
করোনা থেকে আপনার সন্তানকে বাঁচাতে করণীয়
.............................................................................................
করোনা নাকি সাধারণ ফ্লু, বুঝবেন কীভাবে
.............................................................................................
করোন আতঙ্কে নওগাঁয় হাসপাতাল ছেড়ে পালালো রোগীরা!
.............................................................................................
হাঁপানী বা এ্যাজমা চিকিৎসায় হোমিও
.............................................................................................
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়
.............................................................................................
করোনাভাইরাস কী ও যেভাবে ছড়ায়
.............................................................................................
শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় যে খাবার
.............................................................................................
রোটা ভাইরাসের ঝুঁকিতে শিশুরা
.............................................................................................
ভালো ঘুমের জন্য
.............................................................................................
সতর্ক বার্তা: রেনিটিডিনে ক্যান্সার উপাদান । ডেইলি স্বাধীন বাংলা
.............................................................................................
নিয়ম মেনে হাঁটুন-মেদ কমান
.............................................................................................
২৪ ঘন্টায় নতুন করে ৩৪ জন আক্রান্ত
.............................................................................................
পরোক্ষ ধূমপানও মৃত্যু ঘটায়
.............................................................................................
ইচ্ছে হলেই ওষুধ নয়
.............................................................................................
বিশ্ব অটিজম দিবস আজ
.............................................................................................
আজ বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস
.............................................................................................
শিশুর নিউমোনিয়া প্রতিরোধে করণীয়
.............................................................................................
স্বাস্থ্য খাতে এডিবির বরাদ্দ বাড়ছে
.............................................................................................
শরীরচর্চা করে না বিশ্বের একচতুর্থাৎশ মানুষ: ডব্লিউএইচও
.............................................................................................
মুখে ঘা হলে যা করণীয়
.............................................................................................
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার সহজ উপায়
.............................................................................................
যখন তখন ঘুমের ওষুধ নয়
.............................................................................................
জেনে নিন ক্যান্সারের পূর্বাভাস
.............................................................................................
ঘুমের ওষুধ অপ্রয়োজনে নয়
.............................................................................................
নিয়মিত লবঙ্গ খাওয়ার উপকারিতা
.............................................................................................
ক্যান্সার প্রতিষেধক টিকা আবিষ্কার করেছে কিউবার বিজ্ঞানীরা
.............................................................................................
২ কোটি মানুষ কিডনি রোগে আক্রান্ত
.............................................................................................
স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে ‘যুগান্তকারী’ ওষুধ
.............................................................................................
শীতে শিশুর যত্ন
.............................................................................................
ক্যান্সার রোগ নয়, ব্যবসা!
.............................................................................................
কালোজিরার উপকারিতা
.............................................................................................
আগুনে পোড়া ক্ষত সারাতে ভিটামিন ডি
.............................................................................................
শিশুর জ্বর হলে যা করবেন
.............................................................................................
মেরুদন্ডের সমস্যায় করণীয়
.............................................................................................
স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে ...
.............................................................................................
হার্ট ভাল রাখতে ৪টি জরুরি বিষয়
.............................................................................................
ভারতে হাসপাতালে ২৪ ঘন্টায় ১৬ শিশুর মৃত্যু
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft