মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   চিত্র-বিচিত্র -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
গরু-মহিষের আবাসিক হোটেল!

যশোর প্রতিনিধি: হাটে অবিক্রিত গবাদী পশু নিয়ে ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েন, আর সেই উপলব্ধি করেই গড়ে যশোরের কেশবপুরে গড়ে ওঠেছে গরু-মহিষের আবাসিক হোটেল। দূর-দূরান্ত থেকে হাটে নিয়ে আসা গরু, মহিষ ও ছাগলের রাত্রি যাপনের জন্য আবাসিক হোটেলটি গড়ে তুলেছেন কেশবপুরের আবদুল মজিদ।
 
উপজেলা শহর থেকে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত সড়কে ঢুকেই পশু হাটের উত্তর পাশে টিনের ছাউনি দেয়া আবদুল মজিদের বাড়িটি। বাড়ির ভিতর প্রবেশ করে চোখে পড়লো বিভিন্ন আকৃতির ঘরে গবাদিপশু রাখার জন্য চার সারি দড়ি বাঁধার হুক। আর এটিই সেই আবাসিক হোটেল।
 
জানা গেছে, হাটে বিক্রি না হওয়া গরু এ হোটেলে রাখা হয়। এতে গরু প্রতি খরচ হয় ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। তবে খরচের তুলনায় সুবিধাই বেশি বলে জানালেন স্থানীয় অনেকে।
 
বরিশালের গরু ব্যবসায়ী ফজলুর রহমান ও আদম আলী ব্যাপারী বলেন, হাট থেকে গরু কিনে ওইদিন রাতেই গাড়িতে লোড করা খুব ঝামেলা। তাই গরু এই হোটেলে এক রাত রেখে পরদিন সকালে গন্তব্যে নিয়ে যাই। তিনি বলেন, হোটেলে গবাদিপশুর প্রায় সব ধরনের খাবার পাওয়া যায়। রয়েছে গোসলের সু-ব্যবস্থা। তাছাড়া গরুর রাখালের জন্যেও থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।
 
গবাদিপশুর হোটেলের মালিক আবদুল মজিদ বলেন, আগে ১০ থেকে ১২টি গরু-মহিষ রাখার মতো ক্ষুদ্র পরিসরে হোটেল চালু করেন তিনি। তবে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দু বছর আগে ১৯ শতাংশ জমির ওপর ৬৫ থেকে ৭০টি গরু-মহিষ ও ছাগল রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, হোটেল থেকে মাসে প্রায় ২৫ হাজার টাকা আয় হয়। আগামীতে এটি আরও বড় করার ইচ্ছা পোষণ করেন তিনি।

গরু-মহিষের আবাসিক হোটেল!
                                  

যশোর প্রতিনিধি: হাটে অবিক্রিত গবাদী পশু নিয়ে ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েন, আর সেই উপলব্ধি করেই গড়ে যশোরের কেশবপুরে গড়ে ওঠেছে গরু-মহিষের আবাসিক হোটেল। দূর-দূরান্ত থেকে হাটে নিয়ে আসা গরু, মহিষ ও ছাগলের রাত্রি যাপনের জন্য আবাসিক হোটেলটি গড়ে তুলেছেন কেশবপুরের আবদুল মজিদ।
 
উপজেলা শহর থেকে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত সড়কে ঢুকেই পশু হাটের উত্তর পাশে টিনের ছাউনি দেয়া আবদুল মজিদের বাড়িটি। বাড়ির ভিতর প্রবেশ করে চোখে পড়লো বিভিন্ন আকৃতির ঘরে গবাদিপশু রাখার জন্য চার সারি দড়ি বাঁধার হুক। আর এটিই সেই আবাসিক হোটেল।
 
জানা গেছে, হাটে বিক্রি না হওয়া গরু এ হোটেলে রাখা হয়। এতে গরু প্রতি খরচ হয় ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। তবে খরচের তুলনায় সুবিধাই বেশি বলে জানালেন স্থানীয় অনেকে।
 
বরিশালের গরু ব্যবসায়ী ফজলুর রহমান ও আদম আলী ব্যাপারী বলেন, হাট থেকে গরু কিনে ওইদিন রাতেই গাড়িতে লোড করা খুব ঝামেলা। তাই গরু এই হোটেলে এক রাত রেখে পরদিন সকালে গন্তব্যে নিয়ে যাই। তিনি বলেন, হোটেলে গবাদিপশুর প্রায় সব ধরনের খাবার পাওয়া যায়। রয়েছে গোসলের সু-ব্যবস্থা। তাছাড়া গরুর রাখালের জন্যেও থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।
 
গবাদিপশুর হোটেলের মালিক আবদুল মজিদ বলেন, আগে ১০ থেকে ১২টি গরু-মহিষ রাখার মতো ক্ষুদ্র পরিসরে হোটেল চালু করেন তিনি। তবে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দু বছর আগে ১৯ শতাংশ জমির ওপর ৬৫ থেকে ৭০টি গরু-মহিষ ও ছাগল রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, হোটেল থেকে মাসে প্রায় ২৫ হাজার টাকা আয় হয়। আগামীতে এটি আরও বড় করার ইচ্ছা পোষণ করেন তিনি।

যুবতী থেকে এক রাতেই যুবকে পরিণত, একনজর দেখতে লোকজনের ভিড়!
                                  

সিরাজগঞ্জ: ১৯ বছরের টগবগে যুবতী কলেজ পড়–য়া খাদিজা পারভীন সেতু। সিরাজগঞ্জের তাড়াশ পৌরসভায় তার বাড়ি। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার রাতেও সেতু যুবতী হিসেবে ঘুমায়। ঘুম থেকে সকালে ওঠে নিজেকে সম্পূর্ণ যুবক হিসেবে নিজেকে আবিষ্কার করে। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে সেতু থেকে নাম পরিবর্তন করে যুবক শাহুল সিদ্দিকী হিসাবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।

শুক্রবার সকালে থেকে তাড়াশ পৌরসভা শহরের দক্ষিণ পাড়ার হাসমত আলী শীতলের বাড়িতে এই ঘটনাটি দেখতে শত শত জনসাধারণ ভীড় করে ।

সরজমিনে জানা যায়, উপজেলার পৌরসভা শহরের দক্ষিণ পাড়াস্থ অবসর প্রাপ্ত সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট হাসমত আলী সেতুর কলেজ পড়ুয়া মেয়ে খাদিজা উরফে সেতু শরীরে ৩ মাস মাস থেকে পরিবর্তন পরিলক্ষিত হলেও গত বৃহস্থপতিবার রাতে সম্পূর্ণ বদলে যায়, হয়ে যান যুবকে পরিনত।

আজ শুক্রবার সকালে যুবক হিসাবে সাহুল সিদ্দিকি নাম দেয় তার পরিবার । মেয়ে থেকে পুরুষে পরিণত যুবক শাহুল কে দেখার জন্য শত শত নারী পূরুষ ভীড় করে ।

গতকাল উপজেলা শহরের একটি মসজিদে নামাজ আদায় করেন শাহুল । মেয়েটির পিতা হাসমত আলী জানান আমরা প্রথমে দুঃচিন্তায় থাকলেও ডাক্তার তার মেয়েকে এখনও সমস্যা নেই বলে আশ্বাস দিয়েছে।

প্রেমিকের পুরুষাঙ্গ ‘হেয়ার স্ট্রেটনার’ দিয়ে পোড়ালেন তরুণী
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: প্রতারণার অভিযোগে প্রেমিকের পুরুষাঙ্গ পুড়িয়ে দিল ২২ বছরের এক তরুণী। তাও আবার ‘হেয়ার স্ট্রেটনার’ দিয়ে। ইতিমধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অস্ট্রেলিয়ার মাউন্ট বার্কারের ব্রাউন জয় পার্কার প্রতারণার প্রতিশোধ নিতে গিয়ে এখন জেলে।

পুলিশ সূত্রে খবর, বিচারক পল ম্যাসকট বলেছেন, পার্কারের এই ‘কীর্তি’ ব্যতিক্রমী ঘটনা। তার পুরুষসঙ্গীটি এখন হাসপাতালে। শুধু পুরুষাঙ্গ পুড়ে যাওয়াই নয়, ক্ষতের চোটে তাঁর অবস্থা এখন আশঙ্কাজনক।

জানা গেছে, প্রেমিকের সাবেক প্রেমিকাকে নিয়ে সংশয় ও ঈর্ষায় ভুগতেন পার্কার। তার সঙ্গে যুবকটির আলাপ ফেসবুকের সৌজন্যে। গত কয়েক মাস ধরেই তারা একে অপরের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন।

যেখানে চলে প্রকাশ্যে নারী কেনাবেচা!
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: ভারতের উত্তর প্রদেশের বাগপথ গ্রামে প্রকাশ্যেই চলে নারী কেনাবেচা। আর এই দাবী বাইরের কারো নয় বরং স্থানীয়দের।

সম্প্রতি এই গ্রামের এক যুবকের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। আর এই ঘটনা তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। প্রথমে মনে করা হয়েছিল, স্ত্রীর অপহরণের পর আত্মহত্যা করেন ওই যুবক। কিন্তু ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে আসে।

জানা গেছে, ওই যুবকের আত্মহত্যার নেপথ্য কারণ নারী কেনাবেচা ও পাচার। ওই যুবকের নাম মুকেশ। কয়েকদিন আগে এক তরুণীকে বিয়ে করেছিলেন সরুরপুর গ্রামের এই মুকেশ। কিন্তু তার পরিবার জানিয়েছে, ওই তরুণীকে বিয়ে করেননি তিনি। বরং নিলামে তাকে কিনেছিলেন। ২২ হাজার টাকা দর হাঁকিয়েছিলেন মুকেশ। ১৫ হাজার ৫০০ টাকা তখনই মেটান। বাকি টাকা পরে মেটাবেন বলে মনু নামে এক এজেন্টকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মুকেশ। ৪ দিন পরে মুকেশের বাড়ি আসেন মনু। টাকা শোধ না করায় মুকেশের নববধূকে তিনি তুলে নিয়ে যান বলে অভিযোগ।

স্থানীয়দের দাবি, গ্রামের ইটভাটায় নারীদের কেনাবেচা চলে। ওই দিন আরও ৩ নারীকে নিলামে বিক্রি করা হয়েছিল। মনু নারী পাচারচক্রের সঙ্গে যুক্ত। এদিকে, মনুর খোঁজে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।

সূত্র: জি-নিউজ

বিয়ে ছাড়াই সন্তানের মা!
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: ঘটনাটি ঘটেছে ভরতের কলকাতায়। শিউলি মুখোপাধ্যায় নামের ওই মহিলা চিকিৎসক বিয়ে ছাড়াই একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কলকাতায় ‘একক মাতৃত্ব’ নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছেন এতোদিন বিভিন্ন নারীকে তিনি মাতৃত্বের স্বাদ গ্রহণের সুযোগও করে দিলেও এবার নিজেই সেই পথে হাঁটলেন।

কলকাতার বালির বাসিন্দা এ নারী দেড় বছর আগে তিনি একক মাতৃত্বের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেন। তার একাকিত্ব ঘোঁচাতে ও অন্যদের উৎসাহিত করতে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। সেই ভাবনা থেকেই অবিবাহিত শিউলিদেবী এখন এক পুত্র সন্তানের মা।

৩৯ বছরের শিউলিদেবী ছেলের নাম রেখেছেন ‘রণ’। তবে ছেলের জন্মের পরেই এক তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে শিউলির। তিনি বলেন, ‘ছেলের জন্মের কাগজপত্রে বাবার নামের জায়গায় কী লিখবেন সেটা বুঝে উঠতে পারছিলেন না।’

তিনি জানান, শেষে আদালতে এফিডেভিট করে এবং সিঙ্গল মাদারের ক্ষেত্রে কলকাতা পৌরসভার দেয়া একটি শিশুর জন্মের কাগজপত্রের কপি ও সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কাগজপত্র পৌরসভায় জমা দেয়ার পরেই নিজের সন্তানের কাগজপত্র তৈরি হয়।

শিশু বয়স থেকেই রণকে সিঙ্গেল পেরেন্ট বা সিঙ্গল মাদারের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বোঝাতে চান শিউলি। শনিবার নিজের বেসরকারি হাসপাতালে বসে তিনি বলেন, ‘ছোট থেকেই ওকে বুঝিয়ে দিলে বড় হয়ে আর মনে কোনও সংশয় থাকবে না।’

প্রায় ১১ বছর আগে স্ত্রী-রোগ চিকিৎসক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে তার হাতেই জন্ম হয়েছে অসংখ্য শিশুর। তবে সিজারিয়ান করে ছেলের জন্মের পরে প্রথম তাকে কোলে নেওয়ার অনুভূতি একেবারে অন্যরকম বলেই জানান তিনি।

শিউলিদেবী জানান, এমডি পড়ার সময় থেকেই বাড়ি থেকে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়া শুরু হয়। কিন্তু বিয়ে বিষয়টি ছিল তার অপছন্দের।

শিউলি বলেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে ক্রমশ একাকীত্বও বাড়ছিল। অল্পতেই রেগে যাচ্ছিলাম। তখনই এই সিদ্ধান্ত নিলাম।’

এর পরেই বাবা-মায়ের সঙ্গে আলোচনা করে পাকাপাকি ভাবে সিঙ্গেল পেরেন্ট হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন তিনি।

নিজের হাসপাতালের স্পার্ম ব্যাঙ্ক থেকে শুক্রাণু নিয়ে প্রবেশ করানো হয় তার শরীরে। হায়দরাবাদ ও মালদহের দুই মহিলাও তার চিকিৎসাতে সিঙ্গেল মাদার হতে চলেছেন।

২০টি ডিম পেড়েছে এ কিশোর
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার ১৪ বছরের এক কিশোর স্থানীয় একটি হাসপাতালে দুটি ডিম পেড়েছে। তবে ওই কিশোরের দাবি, এটাই প্রথম নয়, গত দুই বছরে সে আরো ১৮টি ডিম পেড়েছে। মঙ্গলবার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এশিয়ান করেসপনডেন্ট এ তথ্য জানিয়েছে।

ওই কিশোরের নাম আকমল রুসিল। সে সাউথ সুলাওয়েসি প্রদেশের কাবুপাতেন গোয়া গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবা জানিয়েছেন, আকমল পেটব্যাথায় ভুগছিল। ব্যাথার মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় তাকে সায়েচ ইউসুফ সুংগুমিনাসা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসর্ াএক্সরে করে তার পেটের ভেতরে দুটি মুরগির ডিমের মতো বস্তু দেখতে পায়। পরে তার পায়ু পথে অপারেশন করে সেগুলো বের করে আনা হয়।

আকমল অবশ্য দাবি করেছে, মুরগির মতো ডিম পাড়ার প্রাকৃতিক ক্ষমতা তার আছে। গত দুই বছরে সে ২০টি ডিম পেড়েছে।

আকমলের বাবা বলেন, ‘আমি প্রথম ডিমটি ভেঙ্গে দেখেছি এর ভেতরের উপাদানগুলো হলুদ; সাদা কোনো কিছু এর ভেতরে ছিল না। এক মাস পর আরেকটি ডিম ভেঙ্গেছি, যার ভেতরটা ছিল সাদা; কোনো হলুদ উপাদান ছিল না।’

হাসপাতালের মুখপাত্র মুহাম্মদ তাসলিম বলেছেন, ‘আমাদের সন্দেহ আকমলের পায়ুপথ দিয়ে এগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে প্রবেশ করানো হয়েছে। তবে আমরা এ ধরণের কোনো কিছু পাইনি।’

তিনি বলেন, ‘বৈজ্ঞানিকভাবে মানুষের দেহের ভেতরে মুরগির ডিম সৃষ্টি হতে পারে না। এটা অসম্ভব, বিশেষ করে হজম প্রক্রিয়ার ভেতরে।

বিশ্বের প্রথম ভাসমান দেশ!
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: অবিশ্বাস্য মনে হলেও প্রশান্ত মহাসাগরের উপরে তাহিটির কাছে তৈরি হচ্ছে একটি ভাসমান দেশ।

২০২০ সালের মধ্যেই তৈরি হতে চলেছে এই ভাসমান দেশ। অস্ট্রেলিয়া থেকে মাত্র ৪৯০০মাইল দূরে এই দেশটি তৈরি হতে চলেছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে যাবে এই দেশটি। এই দেশটির মধ্যেই থাকবে হোটেল, ঘরবাড়ি, রেঁস্তোরাসহ আরো অনেক কিছু। পেপাল সংস্থাটি এই ভাসমান দেশ তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছে ইতিমধ্যেই। এই ভাসমান দেশটি সমগ্র বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একেবারে আলাদাভাবে তৈরি হচ্ছে। এই দেশটি চলবে একেবারে তাদের নিজস্ব আইন-কানুন মারফত। এই ভাসমান দেশ নিয়ে মুখ খুললেন সিস্টিডিং ইনস্টিটিউট। তিনি বলেন, আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় হাজার খানেক ভাসমান শহর তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে এই সংস্থাটি৷

এই বিষয়টি নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছেন, এই ভাসমান দেশের একেবারে নিজস্ব আইন-কানুন থাকবে। এমনকি এই দেশে একনায়কতন্ত্র বজায় থাকবে একেবারেই। ২০২০ সালের মধ্যে এই ভাসমান দেশটিতে তৈরি হতে খরচ হবে প্রায় ৬০মিলিয়ন ডলার। এই ভাসমান দেশেরের বিল্ডিংগুলো তৈরি হয়েছে বাঁশ, নারকেলের ছোবড়, কাঠ এবং প্লাস্টিক দিয়ে।

ফ্রেঞ্চ পলিনেসিয়ান সরকার গত জানুয়ারিতে এই প্ল্যানটি বাস্তবায়িত করার জন্য প্রথম সম্মতি জানিয়েছিল। প্রায় ১০০একর এলাকা নিয়ে তৈরি হতে চলেছে এই দেশটি। ১১৮টি উপত্যকসহ এই নতুন শহরটিতে ২ লক্ষ মানুষ একসঙ্গে থাকতে পারবেন। সূত্র: কলকাতা২৪

মঙ্গল গ্রহের বাসিন্দা ছিলেন এই যুবক!
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: কয়েক দশক ধরে মঙ্গলগ্রহে বসতি স্থাপনের স্বপ্ন দেখছে মানুষ। সে নিয়ে অনেকদূর এগিয়েও গেছেন গবেষকরা। নাসার লক্ষ্য ২০৩০ সালে মঙ্গলে মানুষ পাঠানো। কিন্তু তার আগেই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন রাশিয়ার এক তরুণ। তার দাবি, গত জন্মে মঙ্গলের বাসিন্দা ছিলেন তিনি।

২০ বছর বয়সী বরিস্কা কিপ্রিয়ানোভিচের পরিবারের দাবি, জন্মের কয়েক মাসের মধ্যেই সবাইকে চমকে দিয়ে কথা বলতে শেখে সে। সেই থেকেই ভিনগ্রহীদের সভ্যতা ও জীবন নিয়ে নানা কথা বলে বরিস্কা।

পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ১৯৯৬ সালে বরিস্কার জন্ম। ২ বছর বয়সে পড়তে, লিখতে ও ছবি আঁকতে যায় বরিস্কা।

পেশায় চিকিৎসক বরিস্কার মা জানিয়েছেন, ছেলের যে বিশেষ প্রতিভা রয়েছে তা তারা বুঝতে পারেন জন্মের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই। তখনই কারও সাহায্য ছাড়া মাথা উঁচু করতে পারত সে।

বরিস্কার দাবি, মঙ্গলের পৃষ্ঠে সভ্যতা বিলুপ্ত হলেও মঙ্গলবাসী বর্তমানে বাস করছেন মাটির নীচে। অক্সিজেন নয়, কার্বন ডাই অক্সাইডে শ্বাস নেয় তারা। এমনকী মঙ্গল গ্রহের মানুষের উচ্চতা ৭ ফুট বলে জানান ওই তরুণ।

বরিস্কার বলেন, মঙ্গল গ্রহের বাসিন্দারা অমর। ৩৫ বছরের পর আর তাদের বয়স বাড়ে না। এমনকী মঙ্গলের বাসিন্দাদের সঙ্গে মিশরের মানুষের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। মঙ্গলগ্রহের মহাকাশযানের পাইলট হিসাবে এর আগে একবার পৃথিবীতেও এসেছিলেন বলে দাবি করেন বরিস্কা।

রুশ তরুণের এই দাবির বিষয়ে বিজ্ঞানীদের কোনও মন্তব্য এখনও মেলেনি। তবে মনোবিদরা বলছেন, বিশ্বের বিভিন্ন অংশে অনেকেই নিজেকে জাতিস্মর বলে দাবি করেন। বিশেষ করে, যেসব ধর্মে পুনর্জন্মের বিশ্বাস রয়েছে, সেখানে বেশি দেখা মেলে জাতিস্মরের। সূত্র: জিনিউজ।


ছাগলের পেট থেকে মানবাকৃতির বাচ্চার জন্ম!
                                  

বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ার শেরপুরে ছাগলের পেট থেকে মানবাকৃতির একটি অদ্ভুত বাচ্চার জন্ম হয়েছে। গতকাল শনিবার উপজেলার সামীবাড়ী ইউনিয়নের কদিম হাসড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই গ্রামের পলাশ মিয়ার একটি ছাগল ভোররাতে মৃত অবস্থায় বাচ্চাটির জন্ম দেয়।

এরপর অদ্ভুত বাচ্চার জন্ম হওয়ার সংবাদ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে মানুষ ভিড় করে। পরে আজ দুপুরে বাড়ির পিছনে পাটিতে পুঁতে রাখা হয়।

ছাগলের মালিক পলাশ মিয়া জানান, গত বৈশাখ মাসে একটি ছাগল গর্ভবতী হয় এবং সেই ছাগলের পেট থেকে কিছুটা মানুষ আকৃতির মৃত বাচ্চার জন্ম হয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চারপাশে খবর ছড়িয়ে পড়ে।

এরপর অসংখ্য উৎসক লোকজন মানুষ আকৃতির ছাগলের বাচ্চাটি দেখতে তার বাড়িতে ভিড় করে। পরে দুপুরের দিকে মৃত বাচ্চাটি বাড়ির পাশে পুঁতে রাখা হয়। তবে মা ছাগল সুস্থ আছে।

বগুড়ার শেরপুর উপজেলা প্রাণি সম্পদ অধিদফতরের ভেটেরিনারী সার্জন ডা. মো. রায়হান জানান, অস্বাভাবিকভাবে ভ্রুণ বৃদ্ধিজনিত কারণে বাচ্চা বিভিন্ন আকৃতির হতে পারে। এটা অ্যাবনরমাল অ্যামব্রাইয়োনিক ডেভলোপমেন্ট বা টেরাটোজেনিক প্রভাবের কারণে ছাগলের পেট থেকে বিভিন্ন আকৃতির বাচ্চা জন্ম নিতে পারে বলে মত দেন এই চিকিৎসক।

৩০ জনকে খুন করে মাংস খাওয়া দম্পতি
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: আফ্রিকার গহন অরণ্যে আজও ঘুরে বেরায় ‘হেড-হান্টার’ বা নরমুণ্ড শিকারিরা। শত্রুর মাথা কেটে নরমাংস-সহযোগে মহাভোজের আয়োজন করে তারা। হাড়হিম করা এমন ঘটনার কথা জানিয়েছেন ‘ডার্ক কন্টিনেন্ট’-এর অনেক অভিযাত্রী। তবে এবার আর জঙ্গল নয়। খোদ শহরের বুকেই খোঁজ মিলল এক নরখাদক দম্পতির। রাশিয়ার এক শহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের। প্রায় ৩০ জন মানুষ তাদের রাক্ষুসে ক্ষিদে মেটাতে প্রাণ দিয়েছেন।

জানা গিয়েছে, দক্ষিণ রাশিয়ার ক্রাসনোদার থেকে গ্রেপ্তার করা হয় দিমিত্রি বাকসিভ ও তার স্ত্রী নাতালিয়া বাকসিভাকে। এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, প্রায় ৩০ জন মানুষকে খুন করে ভক্ষণ করেছে ওই দম্পতি। শুধু তাই নয়, খাওয়ার আগে মৃতদেহের সঙ্গে সেলফি তুলে রাখত তারা। এই ‘ক্যানিবল’ দম্পতি তাদের শিকারকে মাদক খাইয়ে বেহুঁশ করত। তারপর জীবন্তে তাঁদের ছাল ছাড়িয়ে নেওয়া হত। এই পৈশাচিক কর্মের পর মৃতদেহের সঙ্গে সেলফি তুলত তারা। তারপর শুরু হত নরমাংস সহযোগে মহাভোজ।

দিমিত্রির বন্ধুরা জানিয়েছেন, তাঁদের কখনওই ঘরে ঢুকতে দিত না দিমিত্রি ও তার স্ত্রী। তবে ঘরের মধ্যে এমন ভয়াবহ কাণ্ড চলছে তা ঘুণাক্ষরেও বুঝতে পারেনি তাঁরা।

তা কী করে ধরা পড়ল ওই নরখাদক দম্পতি? পুলিশ সূত্রে খবর, ক্রাসনোদার শহরের রাস্তায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। ওই ফোনেই একটি ছবি দেখে প্রায় ভিরমি খেয়ে যান পুলিশকর্মীরা। ছবিটিতে দেখা যায়, একটি মানুষের শরীর থেকে মাংস খুবলে খাচ্ছে দিমিত্রি। তারপরই তদন্তে নামে পুলিশ। মোবাইল ফোনের তথ্য ঘেঁটে দিমিত্রির সন্ধান পান তদন্তকারীরা। গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। বিবিসি সূত্রে খবর, পুলিশি জেরায় অপরাধের কথা স্বীকার করেছে ওই দম্পতি। রুশ সেনার একটি সৈন্য ঘাঁটিতে বেশ কিছুদিন কর্মরত ছিল ওই দম্পতি। এই পৈশাচিক ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই তোলপাড় শুরু হয় দেশ জুড়ে। রাশিয়ার অপরাধের ইতিহাসে এই ঘটনা নজিরবিহীন।

এদিনের মধ্যে ৫৭ জন নারীর সঙ্গে যৌনসঙ্গম করে বিশ্ব রেকর্ড!
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: শারিরীক সম্পর্ক গড়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে চলেছেন সিঙ্গাপুরের এক বাসিন্দা৷ মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৫৭ জন নারীর সঙ্গে যৌনসঙ্গমে লিপ্ত হয়েছেন তিনি৷ তবে একদিন কিংবা দু’দিন নয়৷ দীর্ঘ দু’মাস ধরে তিনি রীতিমত ট্রেনিং নিয়েছেন এই কাণ্ডটি ঘটানোর জন্য৷

চেজ রিপাবলিকের এক ব্রোথেল একটি কনটেস্ট করেন৷ সেই কনটেস্টটির মাধ্যমে তিনি যাচাই করে দেখতে চেয়েছিলেন কোন ব্যক্তি সবথেকে বেশি নারীর সঙ্গে যৌনসঙ্গমে লিপ্ত হতে পারেন৷ এই কনটেস্টে জিতে বিশ্ব রেকর্ড গড়ার পথে সিঙ্গাপুরের এক বাসিন্দা৷ যদিও তিনি নিজের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক৷
 
তিনি জানিয়েছেন, বরাবরই সেক্সের প্রতি তার একটা আসক্তি ছিল৷ তাই এই কনটেস্টটির কথা শুনে তিনি খুবই উচ্ছসিত হয়ে পরেন৷ দীর্ঘ দু’মাস ধরে একনাগাড়ে প্র্যাকটিস করতে থাকেন তিনি এই বিষয়টি নিয়ে৷ অবশেষে সফল তিনি৷

এই বিষয়টি নিয়ে তার মত, প্রফেসনাল বেশ কিছু খেলাধুলার থেকেও এটি খুবই কঠিন৷ একজন ব্যক্তির রেকর্ড রীতিমত ভেঙে দিলেন তিনি৷ এর আগে ১৯৮৩ সালে ৫৫জন মেয়ের সঙ্গে যৌনসঙ্গম করে রেকর্ড গড়েছিলেন এক পর্নস্টার৷


সূত্র: বিডিপি

সেলফিপ্রেমীদের শীর্ষ ১০ শহর!
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, গুগল প্লাস খুললেই দেখা যায় নানা ধরনের সেলফি। যে যখন যে অবস্থায় থাকেন, সেই অবস্থায় সেলফি তুলে দেখা যায় শেয়ার করতে। সেলফী তুলতে গিয়ে অনেকে চরম অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। অনেকে সেলফি তুলতে গিয়ে চিরতরে পরপারে পাড়ি জমিয়েছন।তবে এই সেলফিপ্রেমীদের শীর্ষে রয়েছে ১০টি শহর।

এক কথায় বলা চলে সেলফি মানুষের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। ক্যামেরাওয়ালা ফোন ব্যবহার করেন কিন্তু সেলফি তোলেন না এমন মানুষের সংখ্যা কম। ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাসের প্রতিবেদন অনুসারে চলুন জেনে নেয়া যাক, সেলফির ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে বিশ্বের কোন শহরগুলো।

১. মাকাটি শহর এবং পাসিগ, ফিলিপাইন
বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সেলফিপ্রেমী রয়েছে ফিলিপাইনের মাকাটি এবং পাসিগ শহরে। এই শহর দুইটি দেশটির রাজধানী ম্যানিলার অন্যতম অংশ। প্রায় ৫ লাখ জনসংখ্যা রয়েছে এবং প্রতি ১ লাখের মানুষের মধ্যে ২৫৮ জন সেলফি তুলে থাকে। এই দেশের নাগরিকদের এবং বিশেষ করে এই শহর  দুটির বাসিন্দাদের প্রযুক্তি এবং সামাজিক মিডিয়াগুলোর সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে। কিছু সমাজবিজ্ঞানী বিশ্বাস করেন যে, নাগরিকরা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে।

২. ম্যানহাটন, নিউ ইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
সবচেয়ে বেশি সেলফি তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটন শহর। এই শহরে প্রতি ১ লাখ বাসিন্দাদের মধ্যে প্রায় ২০২ জন সোশ্যাল মিডিয়ায় সেলফি পোস্ট করে থাকে। সেলফির ক্ষেত্রে শহরটি এতো উচ্চ অবস্থানের কারণ হচ্ছে, পর্যটকরা। শহরটিতে পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে অনেকেই ছুটি উপভোগে এসে সোশ্যাল মিডিয়া সেলফি পোস্ট করে। নানা জনপ্রিয় পর্যটন স্পটের কারণে শহরটি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয়।

৩. মিয়ামি, ফ্লোরিডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
সবচেয়ে বেশি সেলফি তোলার তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা রাজ্যের মিয়ামি শহর। টাইম ম্যাগাজিনের তথ্যানুসারে, এ শহরে প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে ১৫৫জন সেলফিপ্রেমী। মিয়ামি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন শহর, তাই এখানে অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সেলফি শেয়ার করতে আগ্রহী। সুন্দর সৈকত, জনপ্রিয় নৈশ জীবন এবং এই শহরে মাঝে মাঝে সেলিব্রিটি দেখা দেওয়া- এ সবই যথেষ্ট যে সেলফি তোলার জন্য বিশ্বে শহরটির উচ্চ অবস্থান অস্বাভাবিক কিছু নয়।

নিচের তালিকা থেকে দেখে নিন, সবচেয়ে বেশি সেলফি তোলা হয় যেসব শহরে

১. মাকাটি শহর এবং পাসিগ, ফিলিপাইন (প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে সেলফি তুলে থাকেন ২৫৮ জন)

২. ম্যানহাটন, নিউ ইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে সেলফি তুলে থাকেন ২০২ জন)

৩. মিয়ামি, ফ্লোরিডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে সেলফি তুলে থাকেন ১৫৫ জন)

৪. অ্যানাহেইম এবং সান্তা অ্যানা, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে সেলফি তুলে থাকেন ১৪৭ জন)

৫. পেটালিং জায়া, মালয়েশিয়া (প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে সেলফি তুলে থাকেন ১৪১ জন)

৬. তেল আবিব, ইসরায়েল (প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে সেলফি তুলে থাকেন ১৩৯ জন)

৭. ম্যানচেস্টার, ইংল্যান্ড (প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে সেলফি তুলে থাকেন ১১৪ জন)

৮. মিলান, ইতালি (প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে সেলফি তুলে থাকেন ১০৮ জন)

৯. সেবু, ফিলিপাইন (প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে সেলফি তুলে থাকেন ৯৯ জন)

১০. জর্জ টাউন, মালয়েশিয়া (প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে সেলফি তুলে থাকেন ৯৫ জন)

এক পরিবারের ১৪ জনই মোবাইল চোর!
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: ভারতের দিল্লিতে একই পরিবারের ১৪ জন সদস্যই মোবাইল চোর। বেশ কিছু দিন ধরেই মিলছিল বিভিন্ন মেট্রো স্টেশন থেকে মোবাইল চুরির খবর। এক এক দিন তো আবার ২০-২৫টা করে অভিযোগ। এত অভিযোগ পাওয়ার পর নড়েচড়ে বসে দিল্লি পুলিশ। শুরু হয় তদন্ত। সোমবার পুলিশের জালে ধরা পড়ে এক জন। তাকে জেরা করে যে তথ্য মিলল, তাতে চক্ষু চড়কগাছ তদন্তকারীদের।

দিল্লি মেট্রো সূত্রে খবর, ১৪ জনের একটি দল বেশ কিছু দিন ধরেই অপারেশন চালাচ্ছিল বিভিন্ন স্টেশনে। চোরেরা প্রত্যেকে একই পরিবারের সদস্য। ধৃতদের মধ্যে রয়েছে বেশ কয়েক জন নাবালকও।

দিল্লি মেট্রো পুলিশের এক পদস্থ কর্তা জানিয়েছেন, সোমবার দুপুরে গ্রেফতার করা হয় বচ্চন সিংহ নামে এক অভিযুক্তকে। জেরায় সে চুরির কথা স্বীকার করে। তার কাছ থেকেই তদন্তকারীরা জানতে পারেন ছ’জন নাবালক-সহ ১৪ জনের এই দলের কথা।

জেরার মুখে বচ্চন জানান, তাঁর সঙ্গীরা সবজি মান্ডি থানার কাছে একটি পার্কে বিশ্রাম নিচ্ছে। এর পরই কাশ্মীরি গেট মেট্রোর পুলিশ সেখানে হানা দেয়। বাকি ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে ২৪টা মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে। ধৃতরা সবাই আগরার কাছে বিষ্ণুপুরা গ্রামের বাসিন্দা।

তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতরা জানিয়েছেন, তাঁদের গ্রামের অনেকেই চুরি করে। অন্য সময় চাষ বা জুতো সারাইয়ের কাজ করে। কিন্তু মোবাইল ফোন চুরিই তাঁদের আসল পেশা।

জেরায় পুলিশ জানতে পেরেছে, মাস কয়েক আগে ওই পরিবারের কয়েক জন দিল্লিতে এসেছিলেন। তখনই তাঁরা বুঝতে পারে, মেট্রো যাত্রীদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন চুরি করা খুব সহজ। এর পর গোটা পরিবার মেট্রোয় মোবাইল ফোন চুরির ছক কষে।

পুলিশ জানতে পেরেছে, ৫-৬ জনের দু’টি দলে ভাগ হয়ে তাঁরা মেট্রোয় উঠে মোবাইল চুরি করত। ‘টার্গেট’কে অন্যমনস্ক করে দিত এক জন। তার সঙ্গে থাকা অন্য জন মোবাইল চুরি করে দলের অপর এক সদস্যর কাছে পাচার করে দিত।

গর্ভবতীর পেটের উপর ২০ হাজার মৌমাছি!
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: প্রায় ২০ হাজার মৌমাছি বসে রয়েছে এক গর্ভবতী মহিলার পেটের উপর। তাঁর চেহারায় অবশ্য ভয়ের কোনও চিহ্ন নেই। দিব্যি হাসছেন। হঠাৎ এই দৃশ্য দেখলে চমকে যেতে হয়। তবে একটু খেয়াল করলে বুঝবেন, মৌমাছিগুলিকে ওই মহিলাই বসতে দিয়েছেন তাঁর পেটের উপর।  

এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এমিলি মুলার তাঁর গর্ভবতী হওয়ার খুশিতেই এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন। এই নিয়ে চতুর্থ সন্তানের জন্ম দিতে চলেছেল তিনি। পেশায় এমিলি এক মৌমাছি সংরক্ষণ সংস্থার মালিক। কয়েকদিন আগেই তাঁর ইচ্ছা হয়, মৌমাছিদের সঙ্গে ছবি তুলবেন।

এর কারণ তিনি জানান, ‘‘মৌমাছিরা পরিবেশের এক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। নিজেদের কাজের মধ্যে দিয়ে জীবন-মৃত্যু দুটোর ছবিই সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে ওরা। আমার ইতিমধ্যেই তিনবার মিসক্যারেজ হয়েছে। যে সন্তানরা পৃথিবীর আলো দেখার আগেই চলে গিয়েছে, তাদের কথা মনে রেখেই এই ছবিগুলো তুললাম।’’

এতগুলি মৌমাছির স্পর্শ কেমন লাগল এমিলির? এ প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ‘‘গর্ভের উপর যখন ওরা (মৌমাছিরা) বসেছিল, একটা সম্পূর্ণ অন্যরকম অনুভূতি হচ্ছিল। এমন আধ্যাত্মিক অনুভূতি, যার সবটা হয়তো মুখে ব্যাখ্যা করা যায় না।’’

এতগুলি মৌমাছির সান্নিধ্যে থেকে ছবি তোলা যে বিপদের, তা অবশ্য মানতে নারাজ এমিলি। তিনি বলেন, ‘‘আমি বরং মানুষকে বোঝাতে চাইছি ওরা একেবারেই ক্ষতিকারক নয়। এই উদ্যোগটাই হয়তো মৌমাছি সংরক্ষণের ব্যাপারে মানুষকে আরও সচেতন হতে সাহায্য করবে।’’

চার বছরের ছেলেকে দিয়ে যৌনকর্ম; আটক অষ্টাদশী তরুণী
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: ব্যস্ততার কারণেই পরিবারের কারও পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না, সারাদিন বাচ্চাটির খেয়াল রাখা। তাই রাখা হয়েছিল এক বেবি সিটারকে। কিন্তু ভাবাও যায়নি, কেমন বিপদে পড়তে চলেছে নিষ্পাপ শিশুটি। তাকে যৌনক্রিয়ায় অংশ নিতে জোর করার অভিযোগে শেষমেশ  গ্রেফতার হল ১৮ বছরের ওই বেবি সিটার।

এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের সূত্রে জানা যাচ্ছে, মেরি মেডেলিন নামের ওই তরুণীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

কেমন করে ফাঁস হল তরুণীর বিকৃতকামের খবর? সে কাজটি করেছে ওই নির্যাতিত শিশুই। সে তার মাকে সব কথা জানালে তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হন।

শিশুটির বক্তব্য থেকে পরিষ্কার, ওই বেবি সিটার  তাকে যৌনক্রিয়া করতে জোর করে। ওই শিশু ও তরুণীর উপর পরীক্ষা চালানো হয়েছে। পরীক্ষায় তরুণীর স্তনে শিশুটির ডিএনএ পাওয়া গিয়েছে। ওই তরণীর যৌনাঙ্গ থেকেও ডিএনএ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সেটি ওই শিশুরই কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

তরুণী পুলিশের কাছে প্রাথমিক ভাবে সব অপরাধ অস্বীকার করলেও পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরে সবটাই স্পষ্ট হয়ে যায় পুলিশের কাছে। এর পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়।  আপাতত ৭৫০০০ ডলারের বিনিময়ে তাকে জামিন দেওয়া হয়েছে।

শরীর এক, রক্তের গ্রুপ দুই!
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: ভারতের জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে রক্ত স্বল্পতায় ভোগা এক রোগী পরীক্ষার জন্য রক্ত দিতে গিয়ে ডাক্তারদে চক্ষু কপালে। রক্ত পরীক্ষার রিপোর্টে কখনও আসছে এবি পজিটিভ, কখনও এবি নেগেটিভ। পর পর তিন দিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে অবশেষে ফ্যাক্টর খুঁজে পেলেন চিকিৎসকরা।  

হাসপাতাল সুপার গয়ারাম নস্কর জানান, ১০ লাখের মধ্যে একজনের শরীরে এই ধরনের লক্ষণ মেলে। তাদের রক্তে লোহিতকণিকার মধ্যে এই ধরনের অ্যান্টিজেন রেসেস ফ্যাক্টর বা আরএইচ ফ্যাক্টর হয়ে কাজ করে। সেটাই হয়েছে জলপাইগুড়ির সদর ব্লকের বাহাদুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মাম্পি রায়ের (২১) শরীরে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার রক্ত স্বল্পতার সমস্যা নিয়ে স্ত্রীকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান স্বামী শম্ভু রায়। তিনি পেশায় দিনমজুর। রক্ত দেওয়ার আগে রুটিনমতো গ্রুপ জানতে চাইলে তিনি জানান, এবি পজিটিভ। কিন্তু তারপরও রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করা হয়। তাতে ধরা পড়ে এবি নেগেটিভ। স্বামীর কথা এবং টেস্টের রেজাল্ট না মেলায় সন্দেহ হতেই উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে রক্ত পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। সেখান থেকে রিপোর্ট আসে এবি পজিটিভ। বেসরকারি দুটি প্যাথলজিতে রক্ত পরীক্ষার জন্য পাঠালে এক জায়গার রিপোর্টে পজিটিভ আর এক জায়গা থেকে নেগেটিভ রিপোর্ট জমা পড়ে।

আর এই ঘটনার পরই তোলপাড় পড়ে যায় হাসপাতালের চিকিৎসক মহলে। বুধবার বিভাগের বিশিষ্ট চিকিৎসক এবং প্যাথলজিস্টদের সঙ্গে আলোচনায় বসে সিদ্ধান্তে পৌঁছান, আরএইচ ফ্যাক্টর কাজ করছে মাম্পির শরীরে। এই ধরনের ফ্যাক্টর যাদের শরীরে কাজ করছে তারা সংশ্লিষ্ট গ্রুপের নেগেটিভ রক্ত শরীরে নিতে পারবেন। আর দিতে পারেন একই গ্রুপের পজিটিভ রোগীকে।

টানা তিন দিন পর সিদ্ধান্তে পৌঁছে এদিন দুপুরেই মাম্পি রায়ের শরীরে রক্ত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় হাসপাতালে।  

হাসপাতাল সুপার গয়ারাম নস্কর জানান, বিশেষ পর্যবেক্ষণের মধ্যে রেখে দেওয়া হয় এবি নেগেটিভ রক্ত। যা পেয়ে খানিকটা সুস্থ বোধ করেন মাম্পি। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর স্ত্রীকে খানিকটা চনমনে দেখে স্বস্তিতে স্বামী শম্ভু রায়। স্ত্রীর শরীরে বিরল এই ফ্যাক্টরের খবরে খানিকটা অবাকও তিনি। বলেন, ‘ভালোভাবে স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি ফিরবো সেই অপেক্ষায় রয়েছি।’


   Page 1 of 5
     চিত্র-বিচিত্র
গরু-মহিষের আবাসিক হোটেল!
.............................................................................................
যুবতী থেকে এক রাতেই যুবকে পরিণত, একনজর দেখতে লোকজনের ভিড়!
.............................................................................................
প্রেমিকের পুরুষাঙ্গ ‘হেয়ার স্ট্রেটনার’ দিয়ে পোড়ালেন তরুণী
.............................................................................................
যেখানে চলে প্রকাশ্যে নারী কেনাবেচা!
.............................................................................................
বিয়ে ছাড়াই সন্তানের মা!
.............................................................................................
২০টি ডিম পেড়েছে এ কিশোর
.............................................................................................
বিশ্বের প্রথম ভাসমান দেশ!
.............................................................................................
মঙ্গল গ্রহের বাসিন্দা ছিলেন এই যুবক!
.............................................................................................
ছাগলের পেট থেকে মানবাকৃতির বাচ্চার জন্ম!
.............................................................................................
৩০ জনকে খুন করে মাংস খাওয়া দম্পতি
.............................................................................................
এদিনের মধ্যে ৫৭ জন নারীর সঙ্গে যৌনসঙ্গম করে বিশ্ব রেকর্ড!
.............................................................................................
সেলফিপ্রেমীদের শীর্ষ ১০ শহর!
.............................................................................................
এক পরিবারের ১৪ জনই মোবাইল চোর!
.............................................................................................
গর্ভবতীর পেটের উপর ২০ হাজার মৌমাছি!
.............................................................................................
চার বছরের ছেলেকে দিয়ে যৌনকর্ম; আটক অষ্টাদশী তরুণী
.............................................................................................
শরীর এক, রক্তের গ্রুপ দুই!
.............................................................................................
বাছুরকে স্বামী বানিয়ে সংসার করছেন নারী!
.............................................................................................
সন্তান প্রসবের সময়ও সেলফি!
.............................................................................................
কুমিরের মুখে যুবকের মাথা!
.............................................................................................
চীনের রাস্তায় আগুন-বৃষ্টি!
.............................................................................................
এবার তামাক দিয়ে চলবে বিমান!
.............................................................................................
কলাগাছ দেখতে জনতার ঢল
.............................................................................................
১০টি অজানা দেশের তথ্য
.............................................................................................
বিমান আকাশে, পাইলট ঘুমে!
.............................................................................................
মেয়ের নাম ‘আল্লাহ’ রাখতে আদালতে বাবা-মা
.............................................................................................
কিশোরকে ধর্ষণ করলেন তরুণী!
.............................................................................................
কোটি ডলারের লটারি জিতে বিজয়িনী বিপাকে!
.............................................................................................
রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর সামনে নগ্ন প্রতিবাদ!
.............................................................................................
১০ শহরে নগ্নতা বৈধ
.............................................................................................
প্রেমিকার কাঁধে হাত, জরিমানা ২০০ টাকা!
.............................................................................................
জাপানে কারখানায় তৈরি হচ্ছে বাঁধাকপি!
.............................................................................................
তরুণী থেকে পেশিবহুল বডিবিল্ডার!
.............................................................................................
মুসলিমদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ যে গ্রামে
.............................................................................................
ট্রাম্পের নামে টিউমারের নামকরণ
.............................................................................................
ডাকাডাকি করায় মোরগের জেল, মালিককে বেত্রাঘাত
.............................................................................................
ছাত্রের সঙ্গে যৌনকর্মের দায়ে শিক্ষিকার কারাদণ্ড
.............................................................................................
পুলিশের কাছে মা রাজহাঁসের আকুতি
.............................................................................................
জন্মের মাত্র ৫ সেকেন্ড পরেই বিশ্ব রেকর্ড
.............................................................................................
সেলফি তুলে চাকরি হারালেন নারী পুলিশ
.............................................................................................
ছাগলের পেটে মানবশিশু!
.............................................................................................
রূপান্তরিত হয়ে সহপাঠীকে বিয়ে
.............................................................................................
স্বামীর বাড়িতে চমক দিতে পুলিশ সেজে গ্রেফতার বউ
.............................................................................................
মেয়েকে বাবার যৌন হয়রানী, ফেসবুকে মায়ের ভিডিও
.............................................................................................
পুকুরে হঠাৎ গর্ত, ২৫ টন মাছ উধাও
.............................................................................................
অর্থের অভাবে ডিম্বাণু বিক্রি করছে ভারতের কলেজছাত্রীরা
.............................................................................................
তিমির পেটে তিনদিন; অতঃপর লোকালয়ে
.............................................................................................
মানুষের জীবন বাঁচাতে কলমের ক্যাপে ছিদ্র!
.............................................................................................
মেয়েদের বয়স ১৮ বছর হলেই গায়েব!
.............................................................................................
১৬ বছরে ৮০০ সন্তানের পিতা!
.............................................................................................
ভ্যান চালানোর টাকায় হজ পালন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft