বুধবার, ৮ এপ্রিল 2020 | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   জাতীয় -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
নারায়ণগঞ্জে সেনাবাহিনীর অনির্দিষ্টকালের লকডাউন ঘোষণা

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: করোনাভাইরাসের প্রদুর্ভাব ঠেকাতে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুরোপুরি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। আগামীকাল ৮ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত লকডাউন কার্যকর থাকবে। আজ মঙ্গলবার রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, জরুরি পরিষেবা যেমন চিকিৎসা, খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ এই নির্দেশনার আয়তামুক্ত থাকবে। অসামরিক প্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করবে।

উল্লেখ্য, গতকাল রাত ১২টা থেকে এখন পর্যন্ত না.গঞ্জে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৩ জন মারা গেছেন। আক্রান্তের সংখ্যাও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এর আগে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছিল- গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৪১ জনের দেহে করোনার উপস্থিতি শনাক্ত করা গেছে। এর মধ্যে ২০ জন ঢাকার ও ১৫ নারায়ণগঞ্জের।

নারায়ণগঞ্জে সেনাবাহিনীর অনির্দিষ্টকালের লকডাউন ঘোষণা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: করোনাভাইরাসের প্রদুর্ভাব ঠেকাতে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুরোপুরি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। আগামীকাল ৮ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত লকডাউন কার্যকর থাকবে। আজ মঙ্গলবার রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, জরুরি পরিষেবা যেমন চিকিৎসা, খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ এই নির্দেশনার আয়তামুক্ত থাকবে। অসামরিক প্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করবে।

উল্লেখ্য, গতকাল রাত ১২টা থেকে এখন পর্যন্ত না.গঞ্জে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৩ জন মারা গেছেন। আক্রান্তের সংখ্যাও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এর আগে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছিল- গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৪১ জনের দেহে করোনার উপস্থিতি শনাক্ত করা গেছে। এর মধ্যে ২০ জন ঢাকার ও ১৫ নারায়ণগঞ্জের।

বাতাসে ছড়াতে পারে করোনাভাইরাস
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: মরণঘাতী করোনাভাইরাসে প্রকম্পিত বিশ্ব সম্প্রদায়। মৃত্যুর মিছিলে প্রতিনিয়ত যোগ হচ্ছে নতুন নতুন নাম। ভাইরাসটি নতুন হওয়ায় এর প্রতিরোধে হিমশিম খাচ্ছে পুরো বিশ্ব। ভাইরাস থেকে বাঁচতে এবং পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বিশেষজ্ঞরা প্রাণপন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। নতুন নতুন তথ্য দিচ্ছেন। এরই মধ্যে জানা গেলো- প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসটি বাতাসেও ছড়াতে পারে।

ইতোমধ্যে ভাইরাসটি আমাদের দেশেও হানা দিয়েছে। আক্রান্তের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। রাষ্ট্রীয় সাধারণ ছুটির মধ্যে পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যতা রেখে বিভিন্ন পদক্ষে নেয়া হচ্ছে। লক্ষ্য একটাই, নতুন প্রাণঘাতী ভাইরাস সংক্রমনের হার কমিয়ে আনা। সংক্রমণ কমিয়ে আনলে মৃতের হারও কমে আসবে।

করোনাভাইরাস সম্পর্কে গবেষকরা প্রথমে ধারণা করছিলেন এটি কেবল ড্রপলেট ইনফেকশন মানে মুখ থেকে নিঃসৃত দিয়ে হতে পারে। পরে গবেষণার মাধ্যমে জানা যায়, এর আকার ৪ মাইক্রনের চেয়ে কম মানে এরোসল টাইপ। বাতাসে ছড়িয়ে পড়ার সামর্থ রয়েছে এর। তাই একে মোকাবেলা করতে হিমশিম খাচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলে আসছে, যারা আক্রান্ত তারাই মাস্ক ব্যবহার করবে তবুও আমরা সকলেই এটি ব্যবহার করেছি। যার ফলে এটির ব্যাপক বিস্তার হয়তো কিছুটা কম। বড় বড় দেশে এতো এতো মানুষ আক্রান্ত কারণ এই রোগ যে শুধু যারা আক্রান্ত তাদের দ্বারা ছড়ায় তা নয় বরং যাদের লক্ষণ নেই তারাও ছড়ায়।

আমাদের দেশে এখন কোন পর্যায়ে রয়েছে আসলে? স্টেজ ৩ না ৪? কেউ বলছেন ৩ কেউবা বলছেন ৪। যাই হোক তা মোকাবেলা করতে হবে।

আমাদের দেশ চীনের মত প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেনটাইনের ব্যবস্থা করতে পারেনি প্রথম থেকে আবার অনেক দেশের মত হাজার হাজার পরীক্ষা শুরু করতে পারেনি প্রাথমিক পর্যায়ে। যা হওয়ার হয়ে গেছে, বের হয়ে আসতে হবে সেই পর্যায় থেকে।

পাশের দেশ ভারতের একটি উদাহরণ দেখতে পারি আমরা যেখানে ছত্রিশগড়ে যাদের হোম কোয়ারেনটাইনে রাখা হয়েছে বাধ্যতামূলকভাবে তাদের সবাইকে মোবাইলে একটি অ্যাপস ডাউনলোড করে দেওয়া হয় যা দিয়ে স্থানীয় পুলিশ তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। এমনকি সেই ব্যক্তি যদি নির্ধারিত স্থানের চেয়ে ২০০ মিটার বাইরে যান তাহলে সেটি তৎক্ষণাৎ পুলিশকে জানিয়ে দিচ্ছে। তাহলে তাকে নজরদারি করা বেশ সহজেই সম্ভবপর হয়।

আবার গোয়াতে তাদের দেশের নির্ধারিত ২১ দিনের লকডাউনের শেষ দিকে তিনদিন ব্যাপী ৭০০০ জনের একটি দল তৈরি করে প্রতিটি মহল্লা, বাড়িতে যোগাযোগ করবে উপস্থিত হয়ে। সঙ্গে থাকবে থার্মোমিটার, কিছু প্রশ্ন সম্বলিত একটি প্রশ্নপত্র যার মাধ্যমে বের করে আনা সম্ভব সম্ভাব্য আক্রন্ত কিনা ব্যক্তি বা পরিবারটি। সন্দেহ হলে সেখানেই কালেকশান করা হবে স্যাম্পল এবং তার ভিত্তিতে ব্যক্তি বা পরিবারকে চিকিৎসা দেওয়া হবে।

উপরের দুইটি কাজই কিন্তু আমাদের দেশে করা সম্ভব। আমাদের যেহেতু পরীক্ষা করার সেন্টার বৃদ্ধি পেয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কারণে মানুষ এখন বেশিরভাগই বাসায় অবস্থান করছে তাই এখনই উপযুক্ত সময় আক্রান্ত খুঁজে বের করা।

রোগী রোগ নিয়ে আসবে তারপর চিকিৎসা দেওয়া হবে সেটির সঙ্গে বর্তমান রোগটি মেলে না। এটি সমগ্র সমাজকে একই সঙ্গে আক্রান্ত করে দিচ্ছে মুহূর্তে। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহযোগিতায় প্রশিক্ষিত জনবল দিয়ে এলাকার প্রতিনিধি দিয়ে একগুচ্ছ গ্রুপ তৈরি করা যায় সহজেই।

উপরেই উল্লেখ করেছি জাপানের মত আমরা পারবো না দীর্ঘদিন অর্থনীতির চাকা আটকে রাখতে। সময়ের এক ফোঁড় আর অসময়য়ের অসংখ্য ফোঁড়। সিলিকন ভ্যালি কেন্দ্রিক মতয়ানি জাদেজা ফাউন্ডেশন ভারতে আগামী ১০ তারিখ থেকে ৭২ ঘণ্টার একটি অনলাইন প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে

যেখানে পুরস্কার হিসাবে ১০ হাজার ডলার ঘোষণা করা হয়েছে। উদ্দেশ্য কী? একটাই উদ্দেশ্য, ৩০০০ হাজারের বেশি প্রতিযোগী থেকে আইডিয়া নেওয়া কিভাবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোন জিনিসটা প্রয়োগ করা কোন সেক্টরে বেশি জরুরি।

সেক্টরগুলোর মাঝে রয়েছে- 1)Medical treatment and testing; 2) Travel and Tourism; 3) Mitigation – Isolation, protection/masks, and social distancing in India; 4) Social life,welfare, and awareness; 5) Research and development; 6) Open innovation for COVID-19;  7) Education and awareness; and 8)Industry.

তারা এসব ডাটা নিয়ে কেন্দ্রিয় সরকারকে পরামর্শ দেবে কীভাবে করোনাভাইরাস মোকাবেলা করা যায়। কারণ এই যুদ্ধে সমগ্র বিশ্ব ক্ষতিগ্রস্থ। যে যত দ্রুত কাটিয়ে উঠবে এই অবস্থা সেই টিকে থাকবে পরবর্তীতে।


নারায়ণগঞ্জে ১৪ ঘণ্টায় ৩ জনের মৃত্যু
                                  

নিজস্ব সংবাদদাতা: রাজধানীর অদূরে নারায়ণগঞ্জে গত ১৪ ঘন্টায় ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত ব্যক্তিরা হলেন- চৌধুরী মুহাম্ম হাসান, খাইরুল আলম হিরো (৩০) তাকে সবাই হিরো লিসান নামেই ডাকতো এবং সিদ্দিকুর রহমান।

চৌধুরী মুহাম্মদ হাসান সোমবার রাত ১২ দিকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি নারায়নগঞ্জের চাষাঢ়া মাসুদা প্লাজার স্বত্তাধিকারী ছিলেন।
এদিকে, সঙ্গীত জগতের পরিচিত মুখ ‘হিরো লিসান’ আজ মঙ্গলবার সকালে করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যান। তার আসল নাম হলো খাইরুল আলম হিরো (৩১)। নারায়ণগঞ্জের দেওভোগের বাসা থেকে তার লাশ একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে সরানোর চেষ্টা করলে এলাকাবাসীর বাধায় তা সম্ভব হয়নি।  

এছাড়াও দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া শহরের মিশনপাড়া এলাকার বাসিন্দা সিদ্দিকুর রহমান মারা যান। মিশনপাড়া এলাকার জলিল মিয়ার ছেলে সিদ্দিকুর রহমান কয়েকদিন ধরেই জ্বর, ঠান্ডা, সর্দি, ব্যথাসহ করোনা উপসর্গে ভুগছিলেন।

নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ ইমতিয়াজ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নারায়ণগঞ্জে এক জনের মৃত্যুর খবর তিনি পেয়েছেন। বাকিদের বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হননি।

দেশে করোনায় আরও ৫ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৪১
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : নভেল করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া নতুন করে ৪১ জনের দেহে এই ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭৯২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয় জানিয়ে ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, এই নমুনা পরীক্ষায় আরও ৪১ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফলে দেশে করোনায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১৬৪ জন। আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ জন মারা গেছেন। এতে মৃতের সংখ্যা ১৭। নতুন করে কেউ সুস্থ হননি। অর্থাৎ করোনায় সুস্থ রোগীর সংখ্যা ৩৩-ই আছে।

এর আগে পরীক্ষার পরিধি বাড়ানোর পর রোববার বাংলাদেশে একদিনেই নতুন করে ১৮ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়। সোমবার সে সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৫-এ। আর মঙ্গলবার সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১জনে। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ২০ জনই ঢাকার। ১৫ জন নারায়ণগঞ্জের।

আইইডিসিআর পরিচালক জানান, আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষ ২৮ জন ও নারী ১৩ জন। নতুন করে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পুরুষ চারজন, নারী একজন। দুজন ঢাকার, তিনজন ঢাকার বাইরের।

ডা. আবুল কালাম আজাদ জানান, অন্যান্য দিন এই অনুষ্ঠানকে আইইডিসিআরের অনলাইন প্রেস ব্রিফিং বলা হলেও এটিকে এখন থেকে দৈনন্দিন হেলথ বুলেটিন বলব আমরা। এখন থেকে আর গণমাধ্যমকর্মীদের কাছ থেকে কোনো প্রশ্ন গ্রহণ বা উত্তর দেয়া হবে না।

ত্রাণের তালিকায় কৃষিপণ্য
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে কৃষককের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ত্রাণের তালিকায় কৃষিপণ্য অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
 
মঙ্গলবার ত্রাণ কার্যক্রমে নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষিপণ্য অন্তর্ভুক্ত করতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিবকে চিঠি পাঠিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

চিঠি বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে কৃষক যেন তার উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করে নায্যমূল্য পেতে পারে সে লক্ষ্যে ত্রাণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দরিদ্র মানুষের মধ্যে বিতরণযোগ্য খাদ্যসামগ্রীর আওতায় আলুসহ নিত্য প্রয়োজনীয় কৃষিপণ্য অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হল।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সারাদেশে সারকার ঘোষিত সাধারণ ছুটিতে মানুষ ও যানবাহন চলাচল কমে যাওয়া স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বিক্রি অনেক কমে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকরা।

হবিগঞ্জ জেলা লকডাউন
                                  

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধে পুরো হবিগঞ্জ জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহিরের উপস্থিতিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ সিদ্ধান্ত হয়।  

মো. আবু জাহির বলেন, করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি প্রতিরোধে হবিগঞ্জ জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবার আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। করোনার কারণে সৃষ্ট সংকট পরিস্থিতি মোকাবিলায় গ্রামে গ্রামে ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত দু’দিনে হবিগঞ্জ থেকে করোনা সন্দেহ ৮৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এর আগে ৩১ জনের নমুনা পরীক্ষায় মেলেনি করোনাভাইরাস। এছাড়া হবিগঞ্জে হোম কোয়ারেন্টিন শেষ হয়েছে ৯০ জনের। এখনো রয়েছেন ১১৪ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন দু’জন।

করোনার উপসর্গ নিয়ে ৫ জনের মৃত্যু
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে দেশের ৫ জেলায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে খুলনায় বৃদ্ধা, টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা, চাঁপাইনবাবগঞ্জে  শ্রমিক, নারায়ণগঞ্জে ব্যবসায়ী ও নেত্রকোনায় এক ব্যক্তি মারা গেছেন।

আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠনো খবর-

খুলনা : খুলনার রূপসায় জ্বর, সর্দি ও কাশিতে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ-খুমেক হাসপাতালে মারা যান তিনি।

রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আনিসুর রহমান জানান, জ্বর, সর্দি, কাশিতে আক্রান্ত ওই বৃদ্ধা এক সপ্তাহ আগে তার নাতির সাথে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে আসেন। তিনি তথ্য গোপন করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নেন। পরে সোমবার রাতে তিনি মেডিকেল কলেজের হাসপাতালে মারা গেছেন।

সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ জানান, মৃত বৃদ্ধা ও তার নাতির নমুনা সংগ্রহ করে খুলনা মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা হবে।

রূপসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন আকতার জানান, যারা ওই নারীর সংস্পর্শে এসেছিলেন তাদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তাদেরকে দ্রুত হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হবে।

টাঙ্গাইল : করোনার উপসর্গ নিয়ে  টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম খানের (৫৫) মৃত্যু হয়েছে। সোমবার তিনি মারা যান। এ ঘটনায় তার বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। তিনি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন কি না, তা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরে বিশেষ ব্যবস্থায় তাকে দাফন করা হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আলীম আল রাজী বলেন, জাহাঙ্গীর আলম হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। তাকে সোমবার সকালে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বজনেরা নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় তাকে মৃত অবস্থায় পান চিকিৎসকেরা।

তিনি রোববার স্থানীয় একজন ফার্মাসিস্টের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। ওই ফার্মাসিস্টের মাধ্যমে তারা জানতে পেরেছেন, জাহাঙ্গীর আলমের শ্বাসকষ্টসহ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার নানা উপসর্গ ছিল। ওই ফার্মাসিস্ট তাকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, মৃত জাহাঙ্গীর আলমের বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। ওই বাড়ি থেকে কেউ যেন বের না হন এবং অন্য কেউ যেন বাড়িতে প্রবেশ না করেন, তার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ : চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার চৌডালা ইউনিয়নের পূর্ব সাহেবগ্রামে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার রাত ১০টার দিকে নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা জানান, সোমবার সকাল ১১টার দিকে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে মানিকগঞ্জ থেকে বাড়ি ফেরেন শ্রমিক মোজাফ্ফর ও তার সহযোগী। জ্বর বেড়ে গেলে রাত ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে গভীর রাতে তার দাফন সম্পন্ন করে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী জানান, মোজাম্মেল হক মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর এলাকায় কৃষি কাজ করতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে সোমবার বাড়িতে ফেরার পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি মারা যান। তার শরীরে জ্বর ও গলা ব্যথা ছিল। তবে সর্দি বা শ্বাসকষ্ট ছিল না।

তিনি আরও জানান, মোজাম্মেলের পরিবারের সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। বাড়িতে আসার পর তিনি পরিবারের সদস্যদের থেকে আলাদা ছিলেন। এছাড়াও মোজাম্মেলের সঙ্গে আসা একই এলাকার এরান নামে অপর এক ব্যক্তিকে আলাদা রাখা হয়েছে। তবে তার শরীরে করোনাভাইরাসের লক্ষণ দেখা দেয়নি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুবুল আলম খান জানান, চৌডালা ইউনিয়নটি লকডাউন করা হয়েছে। মারা যাওয়া শ্রমিকের সহযোগীকে একটি বাড়িতে আলাদা রেখে বাড়িটি লকডাউন করা হয়েছে। গ্রামের প্রবেশ মুখে বসানো হয়েছে পুলিশের চেকপোস্ট।

নারায়ণগঞ্জ : করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে নারায়ণগঞ্জের এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে। সোমবার রাত ১২টার দিকে ওই ব্যবসায়ী মারা যান।

মৃতের স্বজনদের দাবি, ৬-৭ দিন ধরে সর্দি-জ্বরে ভুগছিলেন ওই ব্যবসায়ী। রোববার তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে তিনি সোমবার মারা যান। প্রাথমিকভাবে করোনার উপসর্গ বলে তাদের জানানো হয়েছে। নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রিপোর্ট দিলে জানা যাবে।

১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ জানান, মরহুমের পরিবারের সাথে কথা বলে বিষয়টি জানা গেছে। লাশ নারায়ণগঞ্জ এনে দাফন করার ব্যবস্থা হচ্ছে।

নেত্রকোনা : নেত্রকোনার পূর্বধলার গোহালাকান্দা ইউনিয়নের শ্যামগঞ্জের কিসমত বারেগা এলাকায় জ্বর, সর্দি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে আরও এক ব্যক্তি (৪০) মারা গেছেন। সোমবার রাত পৌনে ৯টায় নিজ বাড়িতে তিনি মারা যান। এর আগে রবিবার  ভোরে একই উপজেলার হুগলা ইউনিয়নে একই উপসর্গ নিয়ে এক নারী (৫০) মারা যান।  

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে করোনাভাইরাস আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ওই বাড়িটিসহ আশপাশের সাতটি বাড়ি লকডাউন করে দিয়েছে প্রশাসন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রশাসন সূত্র জানা গেছে, ওই ব্যক্তি গত বুধবার থেকে হঠাৎ করে হালকা জ্বর ও কাশি সমস্যায় ভুগছিলেন। রবিবার থেকে তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। খবর পেয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসকরা সোমবার সকালে তার রক্ত সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষার জন্য নিয়ে যান। তাকে প্রয়োজনীয় ওষুধও সরবরাহ করা হয়। কিন্তু রাত পৌনে ৯টায় তিনি মারা যান।

পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ওই ব্যক্তির মৃত্যুতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করায় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের নির্দেশে আটটি বাড়ি লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে। আর মৃতদেহের কাছে কাউকে আসতে নিষেধ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সুরক্ষা পোষাক পরে মৃতদেহ দাফন করা হবে।

জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম বলেন, ওই ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কিনা তার শরীর থেকে সংগ্রহীত নমুনা পরীক্ষার পর জানা যাবে। এর আগ পর্যন্ত ওই বাড়িটিসহ আশপাশের সাতটি বাড়ি লকডাউন থাকবে।

বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনি মাজেদ গ্রেফতার
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত)আবদুল মাজেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সোমবার দিবাগত গভীর রাতে রাজধানীর মিরপুর থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সদস্যরা তাকে গ্রেফতার করে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা তাকে গ্রেফতার করেছি। শিগগিরই তাকে আদালতে তোলা হবে।

আবদুল মাজেদ ভারতে পালিয়ে ছিলেন বলে এর আগে বিভিন্ন সময়ে খবর এসেছে সংবাদ মাধ্যমে।

তাকে সেখান থেকে পাঠানো হয়েছে কি না; জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা তাকে বাংলাদেশেই পেয়েছি। হয়ত করোনার ভয়ে চলে এসেছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পলাতক ছয় খুনির মধ্যে আব্দুল মাজেদ অন্যতম। পলাতক বাকি খুনিরা, আব্দুর রশিদ, শরিফুল হক ডালিম, এম রাশেদ চৌধুরী, এসএইচএমবি নূর চৌধুরী ও রিসালদার মোসলেম উদ্দিন।

আসামিরা সবাই সাবেক সেনা কর্মকর্তা। তারা বিভিন্ন দেশে পলাতক অবস্থায় আছে। সরকার তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়। ৩৪ বছর পর ২০০৯ সালের ১৯ নভেম্বর বর্বরোচিত এই হত্যাকাণ্ডের বিচার শুরু হয়। খুব ধীরে দীর্ঘ বারো বছরে নিম্ন আদালত থেকে শুরু করে আইনের প্রতিটি ধাপ স্বচ্ছতার সঙ্গে অতিক্রম করে সর্বোচ্চ আদালতের মাধ্যমে স্বঘোষিত খুনিদের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১২ আসামির মধ্যে কারাবন্দি পাঁচ আসামির ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি দিবাগত রাতে ফাঁসি কার্যকর হয়। তারা, সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, মুহিউদ্দিন আহমেদ, বজলুল হুদা ও এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য ছয় আসামি পলাতক ছিলেন। তাদের মধ্যে আবদুল মাজেদকে আজ গ্রেপ্তার করা হয়।

এছাড়া পলাতক বাকি পাঁচজনের মধ্যে লে. কর্নেল (অব.) খন্দকার আব্দুর রশিদ (বরখাস্ত) লিবিয়া ও বেলজিয়ামে অবস্থান করছেন। বেশিরভাগ সময় লিবিয়াতে থেকেই ব্যবসা-বাণিজ্য করছেন।

লে. কর্নেল (অব.) শরীফুল হক ডালিম (বরখাস্ত) পাকিস্তানে অবস্থান করছে বলে জানা গেছে।

লে. কর্নেল (অব.) এ এম রাশেদ চৌধুরী (বরখাস্ত) যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে, লে. কর্নেল (অব.) এন এইচ এমবি নূর চৌধুরী (বরখাস্ত) কানাডায় রয়েছে। আর রিসালদার মোসলেম উদ্দিন ভারতের কারাগারে আটক বলে অনেকে ধারণা করা হচ্ছে।

ঝুঁকি নিয়ে যারা কাজ করছেন-পুরস্কৃত হবেন
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসক, নার্সসহ স্বাস্থ্য খাতে যাঁরা নিয়োজিত আছেন, তাদের পুরস্কৃত করা হবে। তাদের জন্য বিশেষ বীমার ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু যারা পালিয়ে আছেন, তারা এই প্রণোদনা পাবেন না।

মঙ্গলবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলার সময় এই মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় যারা জীবন বাজি রেখে কাজে নিয়োজিত, তাদের পুরস্কৃত করা হবে। তাদের তালিকা করতে বলেছি। তাদের সম্মানী দিতে চাই। তারা বিশেষ বীমা পাবেন। আক্রান্তদের চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে যদি কোনো চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত হোন তাহলে পদবী অনুযায়ী তাদের ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা স্বাস্থ্যবীমা করা হবে। আর কেউ মারা গেলে তার ৫ গুণ অর্থ সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া কথাও জানান তিনি।  

তিনি আরও বলেন, যারা করোনার সময় কাজ করছেন, জীবনের ঝুঁকি নিচ্ছেন, এই প্রণোদনা তাদের জন্য। আর যারা পালিয়ে আছেন, তারা এই প্রণোদনা পাবেন না। ভবিষ্যতে তারা ডাক্তারি করতে পারবেন কি না, সে চিন্তাও করতে হবে। কেউ যদি এখন কাজে আসতে চান, তবে তিন মাস তার কাজ দেখে তাদের কথা চিন্তা করা হবে। কাউকে শর্ত দিয়ে কাজে আনবেন না তিনি।

করোনাভাইরাসের রোগী সন্দেহে রাজধানীর কয়েকটি হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে মারা যাওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র সে যেকোনোভাবে রোগে আক্রান্ত হয় কিন্তু সে যখন হাসপাতালে চিকিৎসা করতে  যায়, এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ঘুরে বেড়ায় কোনো ডাক্তার পায়নি চিকিৎসা করতে। এটা সত্যিই খুব কষ্টকর, সত্যিই খুব দুঃখজনক যে ডাক্তাররা কেন চিকিৎসা করবে না।

প্রধানমন্ত্রী সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির বাইরে যারা আছেন, এবং করোনা পরিস্থিতির কারণে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন, তাদের জন্য রেশনের ব্যবস্থা করতে বলেছেন। এনআইডি কার্ডের মাধ্যমে তারা রেশন কার্ড করতে পারবেন।

শেখ হাসিনা বলেন, যারা দিন আনে দিন খায়, ছোটখাটো ব্যবসা-বাণিজ্য করেন, তাঁদের কাজ বন্ধ হয়ে আছে। তাঁরা নানা ধরনের কষ্ট সহ্য করছেন। অনেকে আছেন, যাঁরা অনুদান নেবেন না, কিন্তু কিনে খেতে চান, তাঁদের জন্য ব্যবস্থা করতে হবে। যাঁরা হাত পাততে পারবেন না, তাঁদের তালিকা করতে হবে। তাঁদের বাচ্চা নিয়ে যাতে কষ্ট না হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতটুকু মাটিও যেন অনাবাদি না থাকে। তিনি এ ব্যাপারে কৃষিমন্ত্রী, মৎস্যমন্ত্রীকে বলেছেন।

দুর্ভোগের সময় কেউ অনিয়ম করলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি উপসর্গ দেখা দিলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোগ লুকাবেন না। এটা লজ্জার বিষয় না। মাঠপর্যায়ে যারা করানাভাইরাস মোকাবিলায় কাজ করছেন, প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশসহ সবাইকে ধন্যবাদ দিয়েছেন শেখ হাসিনা।

এপ্রিলে করোনার সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়াতে পারে : প্রধানমন্ত্রী
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : চলতি এপ্রিল মাসে দেশে নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়াতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এই ভাইরাসটির প্রসারিত হওয়ার বিষয়টি অঙ্কের মতো। এপ্রিলে আমাদের দেশে এর ধাক্কা ব্যাপকভাবে আসবে। এ রকমই আলামত পাওয়া যাচ্ছে। এ ধরনের কিছু প্রতিবেদনও আমরা দেখতে পাচ্ছি। সেই অবস্থায় আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

মঙ্গলবার সকালে গণভবন থেকে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের জেলাগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে মতবিনিময়কালে তিনি এ আশঙ্কার কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন,  আমাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে হবে। আমাদের এমনভাবে চলতে হবে যেন এর প্রভাবে আমাদের দেশের মানুষে যেন ক্ষতি কম হয়।

কারো করোনার লক্ষণ দেখা দিলে না লুকিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, কারো মধ্যে যদি এতটুকু করোনা ভাইরাসের অসুস্থতা দেখা দেয় তিনি সঙ্গে সঙ্গে খবর দেবেন। চিকিৎসার ব্যবস্থা যথাযথ আছে। আমরা চিকিৎসার ব্যবস্থা করে রেখেছি। যারা চিকিৎসা সেবা দেবেন তাদের জন্য পিপিইসহ সবধরনের সুরক্ষা ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, কেউ লুকাতে যাবেন না। কারণ আপনি একজন লুকাবেন, আরও ১০ জনকে সংক্রমিত করবেন। কেউ লুকাবেন না। এটা কোনো লজ্জার বিষয় না।

রাজধানীর মসজিদে মাইকিং করে বাসায় নামাজ পড়ার আহ্বান
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: মরণঘাতী করোনার বিস্তাররোধে সচেতনতার অংশ হিসেবে মসজিদে জামাতে নামাজ আদায় না করার সিদ্ধান্ত নেয় ধর্মমন্ত্রণালয়। এরই প্রেক্ষিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মসজিদে মাইকিং করে ঘরে নামাজ আদায়ের অনুরোধ জানানো হচ্ছে। রাজধানীর পল্টন, পুরান ঢাকা, যাত্রাবাড়ী, মাতুয়াইল, বাড্ডা, তেজগাঁও, বংশাল, রমনা এলাকার বিভিন্ন মসজিদ থেকে একই ধরনের নির্দেশনা দিয়ে মাইকিং করা হয়।

বিকেলে যাত্রাবাড়ীর উত্তর রায়েরবাগের বাইতুর রহমত জামে মসজিদ ও মাতুয়াইলের চান বানু জামে মসজিদ থেকে ঘোষণা করা হয়, করোনাভাইরাসের কারণে মসজিদে জনসমাগম এড়াতে আপনারা সবাই বাসায় নামাজ আদায় করে নেবেন।

ফার্মগেটের পশ্চিম তেজতুরী বাজার মসজিদ ও বাড্ডা এলাকার মসজিদে ‘দয়া করে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ বাসায় আদায় করার অনুরোধ’ জানানো হয়।

বংশালের পেয়ালাওয়ালা জামে মসজিদে আসর নামাজে দেয়া এক ঘোষণায়, মাগরিবের ওয়াক্ত থেকে নামাজ ঘরে আদায়ের অনুরোধ জানানো হয়।

এর আগে গণমাধ্যমে পাঠানো এ-সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, ‘ইতিমধ্যে মুসলিম স্কলারদের অভিমতের ভিত্তিতে পবিত্র মক্কা মুকাররমা ও মদিনা মুনাওয়ারাসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশের মসজিদে মুসল্লিদের আগমন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এ রোগের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রিত না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ ধর্মীয়প্রতিষ্ঠানে সর্বসাধারণের আগমন বন্ধ রাখার জোর পরামর্শ দিয়েছেন।’

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশে তারা কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- ‘মসজিদে জামাত চালু রাখার প্রয়োজনে সম্মানিত খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম মিলে পাঁচ ওয়াক্তের নামাজে অনধিক পাঁচজন এবং জুমার জামাতে অনধিক ১০ জন শরিক হতে পারবেন। জনস্বার্থে এর বাইরে মুসল্লি মসজিদের ভেতরে জামাতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।’

এছাড়াও শুক্রবার জুমার জামাতে অংশগ্রহণের পরিবর্তে ঘরে জোহরের নামাজ আদায়ের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ ডিএমপির
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: ওষুধের দোকান ছাড়া প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রাজধানীর কাঁচাবাজার ও সুপারশপসহ সব ধরনের দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। আজ সোমবার ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে সব ইউনিটকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মাসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মাসুদুর রহমান বলেন, সুপারশপ ও স্বীকৃত কাঁচাবাজারগুলো ভোর ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চালু রাখা যাবে। পাড়ামহল্লার মুদি দোকানগুলো খোলা থাকবে ভোর ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। চালু থাকবে শুধুমাত্র ওষুধের দোকান।

এদিকে সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত রাজধানীর সব বাণিজ্য বিতান ও শপিং মল বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির সভাপতি তৌফিক এহসান বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত সব বাণিজ্য বিতান ও শপিং মল বন্ধ রাখা হবে। পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে সরকার পরবর্তীতে নতুন কোনো নির্দেশনা দিলে ওই নির্দেশনাও কার্যকর হবে।

এই সংকটময় পরিস্থিতিতে মহানগরের বিত্তবান ব্যবসায়ীরা নিজ নিজ এলাকায় অসহায়-দুস্থদের সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সবাইকে ঘর থেকে বের না হওয়ার অনুরোধ করেন তৌফিক এহসান।

জামাতে নামাজের বিষয়ে নতুন নির্দেশনা
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে বিশে^র প্রায় সকল দেশ হিমশিম খাচ্ছে। বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন পদক্ষে নেয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের মসজিদে জামাতে নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। নির্দেশনা মোতাবেক এখন থেকে মসজিদে জামাতে নামাজে ৫ জনের বেশি উপস্থিত থাকতে পারবে না। জুম্মার নামাজের ক্ষেত্রে ১০ জনের বেশি থাকা যাবে না।

একইভাবে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের নিজ নিজ বাসায় উপাসনা করতে নির্দেশ জারি করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। আজ সোমবার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়।

এতে বলা হয়, করোনাভাইরাস মানুষের হাঁচি কাশি নিঃশ্বাস ও সংস্পর্শের মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে সংক্রমিত হয়। বিশ্বে এ পর্যন্ত এ রোগের কোন প্রতিষেধক বা চিকিৎসা আবিষ্কৃত হয়নি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মসজিদ, মন্দির, গীর্জা ও প্যাগোডাসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে জনসমাগমের মাধ্যমে এ রোগের বিস্তার ঘটেছে। ইতোমধ্যে মুসলিম স্কলারদের ভিত্তিতে পবিত্র মক্কা মুকাররমা ও মদিনা মুনাওয়ারাসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশের মসজিদে মুসল্লিদের আগমন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ এ রোগের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রিত না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে মসজিদ, মন্দির, গীর্জা ও প্যাগোডাসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সর্বসাধারণের আগমন বন্ধ রাখার জোর পরামর্শ দিয়েছেন।

বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে কয়েকটি নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে:
ভয়ানক করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধকল্পে মসজিদের ক্ষেত্রে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমগণ ব্যতীত অন্য সকল মুসুল্লিকে সরকারের পক্ষ থেকে নিজ নিজ বাসস্থানে নামাজ আদায় এবং জুমআর জামায়াতে অংশগ্রহণের পরিবর্তে ঘরে জোহরের নামাজ আদায়ের নির্দেশ দেয়া যাচ্ছে।

মসজিদে জামায়াত চালু রাখার প্রয়োজনে সম্মানিত খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম মিলে পাঁচ ওয়াক্তের নামাযে অনধিক ৫ জন এবং জুমআর জামায়াতে অনধিক ১০ জন শরিক হতে পারবেন। জনস্বার্থে বাহিরের মুসল্লি মসজিদের ভিতরে জামায়াতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

একই সাথে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অন্যান্য ধর্মের অনুসারীদেরকেও উপাসনালয়ে সমবেত না হয়ে নিজ নিজ বাসস্থানে উপাসনা করার জন্য নির্দেশ দেয়া যাচ্ছে।

এ সময়ে সারাদেশে কোথাও ওয়াজ মাহফিল, তাফসির মাহফিল, তাবলীগি তালীম বা মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা যাবে না। সবাই ব্যক্তিগতভাবে তিলাওয়াত, যিকির ও দুআর মাধ্যমে মহান আল্লাহর রহমত ও বিপদ মুক্তির প্রার্থনা করবেন।

অন্যান্য ধর্মের অনুসারীগণও এ সময়ে কোন ধর্মীয় বা সামাজিক আচার অনুষ্ঠানের জন্য সমবেত হতে পারবেন না।

দেশে ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত ৩৫, সর্বমোট ১২৩
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: মরণঘাতী করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘন্টায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ জন এবং মারা গেছে ৩ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১২৩ জনে পৌঁছেছে এবং মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২। দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।

এর আগে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান অ্যান্ড সার্জন্স (বিসিপিএস) ভবনে এক বৈঠকে স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ২৯ জন এবং মারা গেছে ৪ জন। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের সংশোধনী দিল আইইডিসিরআর।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, বানানের বিভ্রান্তির কারণে এটা হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রী তখন একটি বৈঠকে ছিলেন। তিনি আমাদের ফোন করেছিলেন। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য তিনি তথ্য চেয়েছিলেন আমাদের কাছে।

বাংলাদেশকে ২১ মিলিয়ন পাউন্ড দেবে যুক্তরাজ্য
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : নভেল করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় প্রস্তুতি সাড়াদান পরিকল্পনা ও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য সহায়তা হিসেবে ২১ মিলিয়ন পাউন্ড দেবে যুক্তরাজ্য।

আজ সোমবার ঢাকার যুক্তরাজ্য হাইকমিশন থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই ২১ মিলিয়ন পাউন্ডের মধ্যে ৭ মিলিয়ন ইউনিসেফ, হু ও বিশ্বব্যাংকের মাধ্যমে জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যকর্মীদের পিপিই সরবরাহ, হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ ইত্যাদিতে ব্যয় করা হবে।

৩ মিলিয়ন পাউন্ড ইউএনডিপির মাধ্যমে দেশের ২০টি শহরের বস্তি এলাকায় ২১ লাখ ৬০ হাজার মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতায় তথ্য সরবরাহ, হাতধোয়া সুবিধা নিশ্চিত ও স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবার সমন্বয়ে ব্যয় করা হবে।

এছাড়া ১ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করা হবে ব্র্যাকের মাধ্যমে ৫০ হাজার কমিউনিটির স্বাস্থ্যকর্মীদের করোনাভাইরাস সচেতনতায়।

আর ১০ মিলিয়ন পাউন্ড জাতিসংঘ ও এনজিওদের মাধ্যমে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় কমিউনিটির মধ্যে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নানা কর্মসূচিতে ব্যয় করা হবে।

নিউইয়র্কে করোনায় ৭৮ বাংলাদেশির মৃত্যু
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে কমপক্ষে ৭৮ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। গত ১৪ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

গত ৪ এপ্রিল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সের হাসপাতালে মারা গেছেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম (৭৭)। বেশ কয়েকদিন থেকে এলমহার্স্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রবীণ এই নেতা।

একইদিন সন্ধ্যায় ওই হাসপাতালে তাহমিনা ইসলাম খান তমা (৩০) নামের আরেক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তিনি জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা সদরের বাসিন্দা। তাহমিনা ২০১৮ সালের ১৯ ডিসেম্বর অভিবাসী ভিসায় নিউইয়র্কে গিয়েছিলেন।

এছাড়া ৫ এপ্রিল নিউইয়র্ক সিটির কুইন্স এবং ব্রুকলীনে কামাল আহমেদ (৬৬), রাফায়েল (৪৫), বাবুল (৬০), আতাউর রহমান (৫৬) নামক ৩ বাংলাদেশির মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন তাদের স্বজনরা।


   Page 1 of 279
     জাতীয়
নারায়ণগঞ্জে সেনাবাহিনীর অনির্দিষ্টকালের লকডাউন ঘোষণা
.............................................................................................
বাতাসে ছড়াতে পারে করোনাভাইরাস
.............................................................................................
নারায়ণগঞ্জে ১৪ ঘণ্টায় ৩ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
দেশে করোনায় আরও ৫ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৪১
.............................................................................................
ত্রাণের তালিকায় কৃষিপণ্য
.............................................................................................
হবিগঞ্জ জেলা লকডাউন
.............................................................................................
করোনার উপসর্গ নিয়ে ৫ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনি মাজেদ গ্রেফতার
.............................................................................................
ঝুঁকি নিয়ে যারা কাজ করছেন-পুরস্কৃত হবেন
.............................................................................................
এপ্রিলে করোনার সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়াতে পারে : প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
রাজধানীর মসজিদে মাইকিং করে বাসায় নামাজ পড়ার আহ্বান
.............................................................................................
সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ ডিএমপির
.............................................................................................
জামাতে নামাজের বিষয়ে নতুন নির্দেশনা
.............................................................................................
দেশে ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত ৩৫, সর্বমোট ১২৩
.............................................................................................
বাংলাদেশকে ২১ মিলিয়ন পাউন্ড দেবে যুক্তরাজ্য
.............................................................................................
নিউইয়র্কে করোনায় ৭৮ বাংলাদেশির মৃত্যু
.............................................................................................
দেশে করোনায় আক্রান্ত ২৯ জন, মৃত্যু আরও ৪
.............................................................................................
পাবনায় জ্বর-শরীর ব্যথা নিয়ে এডওয়ার্ড কলেজের ছাত্র কোয়ারেন্টিনে
.............................................................................................
করোনায় দুদক পরিচালকের মৃত্যু
.............................................................................................
শেরপুরে করোনায় আক্রান্ত ২, হাসপাতাল লকডাউন
.............................................................................................
কেরানীগঞ্জে লকডাউনে ৪ হাজার পরিবার
.............................................................................................
দেশে তাবলিগ জামাতের সব কার্যক্রম স্থগিত
.............................................................................................
কয়েকটি দেশ থেকে প্রবাসীদের ফিরিয়ে আনছে সরকার
.............................................................................................
ঢাকা মেডিকেলের আইসোলেশনে এক জনের মৃত্যু
.............................................................................................
বাসাবো-মিরপুরে করোনা আক্রান্ত বেশি
.............................................................................................
ছুটি বাড়লো ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত
.............................................................................................
দেশে একদিনেই করোনায় আক্রান্ত ১৮ জন, মৃত্যু ১
.............................................................................................
ঢাকায় আগমন-বহির্গমন বন্ধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ আইজিপির
.............................................................................................
মন্ত্রিসভার বৈঠক সোমবার
.............................................................................................
চীন ছাড়া সব রুটে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
.............................................................................................
প্রণোদনা প্যাকেজে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে : অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
অর্থনীতির নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে এখনও বলার সময় আসেনি : প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, একটি মৃত্যুও কাম্য নয় : প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা
.............................................................................................
১১ এপ্রিল পর্যন্ত পোশাক কারখানা বন্ধ রাখার আহ্বান
.............................................................................................
কাল থেকে ঢাকায় মিলবে ১০ টাকা কেজির চাল
.............................................................................................
১১ এপ্রিল পর্যন্ত গণপরিবহন বন্ধ
.............................................................................................
জ্বর-সর্দি-কাশিতে চার জেলায় ৫ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
দেশে করোনায় আরও দুজনের মৃত্যু, আক্রান্ত বেড়ে ৭০
.............................................................................................
‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল’
.............................................................................................
বায়তুল মোকাররমে মুসল্লি কম, খুতবা সংক্ষিপ্ত
.............................................................................................
রাজধানীতে হঠাৎ বৃষ্টির হানা
.............................................................................................
ভিডিও কনফারেন্সে হতে পারে সংসদ অধিবেশন
.............................................................................................
জরুরি সেবার আওতায় সংবাদপত্র
.............................................................................................
দায়িত্ব পালনকালে মাস্ক পরার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
.............................................................................................
করোনাভাইরাস : দেশে আরও দুই রোগী শনাক্ত
.............................................................................................
ঢাকা ছাড়লেন ৩২৭ জাপানি নাগরিক
.............................................................................................
সাবেক মন্ত্রী শামসুর রহমান আর নেই
.............................................................................................
লন্ডনে করোনায় সিলেটের তোয়াহিদ আলীর মৃত্যু
.............................................................................................
বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাংকের ৩৫ কোটি ডলার অনুদান
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft