বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   জাতীয় -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ছয় শতাধিক চরমপন্থীর আত্মসমর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সক্রিয় চারটি সংগঠনের ৬১৪ জন চরমপন্থী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অস্ত্রসহ আত্মসমর্পন করেছে।  গতকাল পাবনা জেলা স্টেডিয়ামে ১৫ জেলার চরমপন্থীদের এ আত্মসমর্পন অনুষ্ঠিত হয়। যে চারটি সংগঠনের সদস্যরা আত্মসমর্পন করেন সেগুলো   হলোÑপূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি (লাল পতাকা), সর্বহারা, নিউ বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি ও কাদামাটি। সম্প্রতি সুন্দরবনের জলদস্যু এবং কক্সবাজারের মাদক ব্যবসায়ীদের আত্মসমপর্ণের পর এবার নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠনের বিপুল সদস্য একযোগে আত্মসমর্পণ করলো।

গত রোববার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানিয়েছিলেন, আত্মসমর্পনকারী চরমপন্থীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সব ধরণের সহায়তা করা হবে।

এরই অংশ হিসেবে রাজবাড়ী, খুলনা, সাতক্ষীরা, ফরিদপুর, বাগেরহাট, যশোর, পাবনা, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, রংপুর, জয়পুরহাট, নওগাঁ ও টাঙ্গাইল জেলার অন্তত ২২ টি গ্রুপের ৬ শতাধিক  চরমপন্থী আত্মসমর্পন করলো। ২০০৮ সালে জাতীয় নির্বাচনে শেখ হাসিনার নির্বাচনী ইশতেহারে চরমপন্থীদের সাধারণ জীবনে আসার আহ্বান জানানো হয়েছিলো। জলদস্যু ও মাদক ব্যবসায়ীদের মতো সেই সুযোগটাকেই কাজে লাগাতে যাচ্ছে চরমপন্থীরা।

আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, বাংলাদেশের পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দক্ষ। আজ যারা আত্মসমর্পন করলেন তাদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা হবে।

মন্ত্রী  বলেন, সরকার চরমপন্থা অনুসরনকারীদের ভালো পথে ফেরার সুযোগ দিয়েছে। যারা আত্মসমর্পণ করলেন, তাদের জন্য প্রধানমন্ত্রী প্রণোদনা দিয়েছেন। যারা এখনও অন্ধকার জগতে রয়েছে তাদের ফিরে আসার আহবান জানিয়েছে তিনি বলেন, তারা যদি ফিরে না আসে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন পুলিশের আইজি ড. জাবেদ পাটোয়ারি । তিনি বলেন, পথচ্যুত মানুষদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে কাজ করছে সরকার। বাংলাদেশ পুলিশ তাদের আইনি সহায়তা  দিয়ে যাচ্ছে। উগ্রপন্থা ও চরমপন্থা দমনে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে রোল মডেল। আজ যেসব চরমপন্থি আত্মসমর্পন করছে তাদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সহযোগিতা করা হবে, যাতে তারা মুলধারায় ফিরে আসতে পারে।

বিশেষ অথিতির বক্তব্য রাখেন, সংরক্ষিত নারী আসনের (পাবনা-সিরাজগঞ্জ) এমপি নাদিরা ইসলাম জলি, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি এম খুরশীদ হোসেন, পাবনা-১ আসনের এমপি ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, পাবনা-২ আসনের এমপি আহমেদ ফিরোজ কবির, পাবনা-৩ আসনের এমপি মকবুল হোসেন, পাবনা-৪ আসনের এমপি শামসুর রহমান শরীফ ডিলু, পাবনা-৫ আসনের এমপি গোলাম ফারুক প্রিন্স, রাজশাহী-৪ আসনের এমপি প্রকৌশলী এনামুল হক, পাবনার জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য দেন, পাবনার পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম।

ছয় শতাধিক চরমপন্থীর আত্মসমর্পণ
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সক্রিয় চারটি সংগঠনের ৬১৪ জন চরমপন্থী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অস্ত্রসহ আত্মসমর্পন করেছে।  গতকাল পাবনা জেলা স্টেডিয়ামে ১৫ জেলার চরমপন্থীদের এ আত্মসমর্পন অনুষ্ঠিত হয়। যে চারটি সংগঠনের সদস্যরা আত্মসমর্পন করেন সেগুলো   হলোÑপূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি (লাল পতাকা), সর্বহারা, নিউ বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি ও কাদামাটি। সম্প্রতি সুন্দরবনের জলদস্যু এবং কক্সবাজারের মাদক ব্যবসায়ীদের আত্মসমপর্ণের পর এবার নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠনের বিপুল সদস্য একযোগে আত্মসমর্পণ করলো।

গত রোববার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানিয়েছিলেন, আত্মসমর্পনকারী চরমপন্থীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সব ধরণের সহায়তা করা হবে।

এরই অংশ হিসেবে রাজবাড়ী, খুলনা, সাতক্ষীরা, ফরিদপুর, বাগেরহাট, যশোর, পাবনা, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, রংপুর, জয়পুরহাট, নওগাঁ ও টাঙ্গাইল জেলার অন্তত ২২ টি গ্রুপের ৬ শতাধিক  চরমপন্থী আত্মসমর্পন করলো। ২০০৮ সালে জাতীয় নির্বাচনে শেখ হাসিনার নির্বাচনী ইশতেহারে চরমপন্থীদের সাধারণ জীবনে আসার আহ্বান জানানো হয়েছিলো। জলদস্যু ও মাদক ব্যবসায়ীদের মতো সেই সুযোগটাকেই কাজে লাগাতে যাচ্ছে চরমপন্থীরা।

আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, বাংলাদেশের পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দক্ষ। আজ যারা আত্মসমর্পন করলেন তাদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা হবে।

মন্ত্রী  বলেন, সরকার চরমপন্থা অনুসরনকারীদের ভালো পথে ফেরার সুযোগ দিয়েছে। যারা আত্মসমর্পণ করলেন, তাদের জন্য প্রধানমন্ত্রী প্রণোদনা দিয়েছেন। যারা এখনও অন্ধকার জগতে রয়েছে তাদের ফিরে আসার আহবান জানিয়েছে তিনি বলেন, তারা যদি ফিরে না আসে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন পুলিশের আইজি ড. জাবেদ পাটোয়ারি । তিনি বলেন, পথচ্যুত মানুষদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে কাজ করছে সরকার। বাংলাদেশ পুলিশ তাদের আইনি সহায়তা  দিয়ে যাচ্ছে। উগ্রপন্থা ও চরমপন্থা দমনে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে রোল মডেল। আজ যেসব চরমপন্থি আত্মসমর্পন করছে তাদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সহযোগিতা করা হবে, যাতে তারা মুলধারায় ফিরে আসতে পারে।

বিশেষ অথিতির বক্তব্য রাখেন, সংরক্ষিত নারী আসনের (পাবনা-সিরাজগঞ্জ) এমপি নাদিরা ইসলাম জলি, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি এম খুরশীদ হোসেন, পাবনা-১ আসনের এমপি ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, পাবনা-২ আসনের এমপি আহমেদ ফিরোজ কবির, পাবনা-৩ আসনের এমপি মকবুল হোসেন, পাবনা-৪ আসনের এমপি শামসুর রহমান শরীফ ডিলু, পাবনা-৫ আসনের এমপি গোলাম ফারুক প্রিন্স, রাজশাহী-৪ আসনের এমপি প্রকৌশলী এনামুল হক, পাবনার জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য দেন, পাবনার পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম।

ভূমি সেবা সপ্তাহ শুরু আজ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : ভূমি ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়ানো, গতিশীলতা আনয়ন ও জনসাধারণের মধ্যে ভূমি অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্দেশে ভূমি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আজ থেকে দেশব্যাপী সপ্তাহব্যাপী ‘ভূমি সেবা সপ্তাহ এবং ভূমি উন্নয়ন কর মেলা’ অনুষ্ঠিত হবে।

আজ থেকে এই কার্যক্রম শুরু হলেও ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী আগামীকাল বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয়ভাবে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা ভবন সংলগ্ন স্থানে সেবা ক্যাম্পের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন।

‘রাখবো নিষ্কণ্টক জমি বাড়ি, করব সবাই ই-নামজারি’ প্রতিপাদ্য নিয়ে দেশের আটটি বিভাগ, ৬৪ জেলা এবং ৫০৭টি উপজেলা/সার্কেল ভূমি অফিসে সেবা ক্যাম্প স্থাপন এবং সেবা দেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা সৈয়দ মো. আব্দুল্লাহ আল নাহিয়ান বলেন, প্রত্যেক জেলা, উপজেলা, রাজস্ব সার্কেল, ইউনিয়ন ও পৌর ভূমি অফিসে সেবা পাওয়া যাবে। সেবা ক্যাম্পে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ঘরে বসে সহজে স্বল্প সময়ে, অনায়াসে ও নির্ধারিত ফি’তে ভূমি সেবা পাওয়ার বিষয়ে অবহিতকরণ করা হবে।

দেশের যেকোনো উপজেলা ভূমি অফিসে ই নামজারির আবেদন প্রক্রিয়া প্রদর্শন এবং লিখিত অনুসরণীয় বার্তা এবং ফর্ম দেওয়া হবে। তাৎক্ষণিক ই-নামজারি সেবা দেওয়া, ভূমি উন্নয়ন কর গ্রহণ, খাস জমি বন্দোবস্তের আবেদন গ্রহণ, বন্দোবস্তের কবুলিয়ত দেওয়া, রিভিউ মোকদ্দমার আবেদন গ্রহণ, বিবিধ মোকদ্দমার আবেদন গ্রহণ ও সম্ভাব্য ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে।

সেবা ক্যাম্পে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১৬ লাখ স্কাউটকে ভূমি বিষয়ে প্রাথমিক জ্ঞান দেওয়া হবে। প্রত্যেক স্কাউট দুটি পরিবারকে সচেতন করলে ৩২ লাখ পরিবার সচেতন হবে। সেবা ক্যাম্পে স্কাউটরা তাবু নির্মাণ করবেন এবং ই-নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর আদায়সহ অন্যান্য সেবা প্রদানে প্রত্যক্ষভাবে স্কাউটরা অংশগ্রহণ করবেন।

সেবাগ্রহীতাদের সেবা সম্পর্কিত বিভিন্ন জিজ্ঞাসার জবাব অনলাইনে দেওয়ার জন্য ক্যাম্পে একজন কর্মকর্তা থাকবেন। ‘ভূমি সেবা ও জনগণের প্রত্যাশা’ নামে বিদ্যালয় পর্যায়ে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে এবং সেরা তিনজনকে পুরস্কার বিতরণ করা হবে।

খালেদা জিয়ার প্যারোল!
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তি নিয়ে রাজনীতির আঙ্গিনাসহ সমাজ-সংস্কৃতির নানা স্তরে গুঞ্জন চলছিল বেশ কিছুদিন থেকে। অসুস্থ বিএনপি নেত্রীর সূচিকিৎসা নিয়ে বিএনপি বরাবরই স্বোচ্চার। সরকারের মন্ত্রীসভার সদস্য এবং আ.লীগের একাধিক নেতা অনেকবার বলেছেন, বিএনপি নেত্রী মুক্তি পেতে চাইলে তাকে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করতে হবে।

এমন পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল গতকাল বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে এখনো কোনো আবেদন পাওয়া যায়নি। সুনির্দিষ্ট কারণ দেখিয়ে আবেদন করা হলে তাঁর মুক্তির বিষয়ে সরকার চিন্তা করবে। গতকাল দুপুরে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় বাহাদুরাবাদ নৌ-থানার নতুন ভবন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মন্ত্রী বলেন, প্যারোলে মুক্তি পেতে হলে তাঁকে একটা ‘কজ’ দিয়ে- একটা কারণ দর্শিয়ে আবেদন করতে হবে। সেই আবেদনটা এখনো আমাদের কাছে আসেনি। আবেদন এলে তারপর আমরা চিন্তা করব তিনি যাবেন কি যাবেন না।

এক প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল আরো বলেন, দেখুন, বিরাট পুলিশ বাহিনী। পুলিশ বাহিনীর মধ্যে দুই এক হাজার পুলিশ যদি অন্যায় কাজ করে থাকেন, তার জন্য আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা হচ্ছে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। পুলিশ হোক, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা হোক- যেই হোক, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা হোক- যেই হোক, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর    আমলে কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। সেটা বারবার আমাদের দেশের মানুষ টের পেয়েছে, প্রমাণ পেয়েছে। আমাদের পুলিশ বাহিনীর মধ্যে দুই-একজন যদি অন্য ধরনের লোক থাকে, যারা নাকি পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্ট করে, তারা আইনের ঊর্ধ্বে নয়, তাদের বিচার হবে। এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ, জামালপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোজাফ্ফর হোসেন, জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ফরিদুল হক খান দুলাল, পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মো. মোখলেছুর রহমান, নৌপুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) শেখ মুহাম্মদ মারুফ হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে গত ১ এপ্রিল দুপুরে ঢাকার পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেওয়া হয়। বর্তমানে সেখান তাঁর চিকিৎসা চলছে। এরপর গুজব ছড়িয়ে পড়ে, খালেদা জিয়া প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন। কিন্তু খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তির বিষয় নিয়ে তিনি ও তাঁর পরিবারের কেউ কোনো আবেদন করেননি। এমনকি সরকারের পক্ষ থেকেও প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার কোনো প্রস্তাব দেওয়া হয়নি বলে জানান তাঁর আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন।

গত ৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে সমিতির বিদায়ী কমিটির সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ব্যারিস্টার খোকন এসব কথা বলেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন বলেন, প্যারোলে মুক্তির বিষয়টি শুধু গণমাধ্যমেই আমরা জেনেছি। খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে দৃষ্টি ভিন্ন দিকে নিতে এটা একটা কৌশল হতে পারে। সরকার বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে খালেদা জিয়াকে কেরানীগঞ্জ কারাগারে নেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে।

আইনজীবী সমিতির বিদায়ী সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, অসুস্থ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তিতে সরকারের সদিচ্ছা নেই। রাজনৈতিক মামলা দিয়ে তাঁকে দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দি করে রাখা হয়েছে। তাঁকে দিন দিন মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। জয়নুল আবেদীন বলেন, কোনো মামলায় খালেদা জিয়াকে হাইকোর্ট জামিন দিলেও সরকারের পক্ষ থেকে বারবার জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করা হয়। অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের জন্য কাজ না করে সরকারের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে কাজ করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

শ্রীমঙ্গল ঘুরে গেলেন ৫৩ দেশের রাষ্ট্রদূত
                                  

আবুজার বাবলা: পররাষ্ট্র মন্ত্রী  ড. এ. কে. আব্দুল মোমেনের আমন্ত্রণে ৫৩ দেশের কূটনীতিকরা শ্রীমঙ্গল ঘুরে দেখেছেন। বাংলাদেশকে জানা আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য দেখানোর জন্যই বিদেশী রাষ্ট্রদূতদের চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গলে নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। এ সময় মন্ত্রী বলেছেন, ‘আমাদের দেশের মিডিয়া গুলো মারামারি ছাড়া আর কিছুই দেখায় না। আমেরিকাতে প্রতিবছর হাজারখানের লোক পুলিশ মেরে ফেলে। তার একটা নাম বা ছবিও মিডিয়াতে দেখা যায়নি। আমাদের মিডিয়াকেও পরিবর্তন হতে হবে। মারামারি কাটাটারির পরও যে একটা দেশ আছে, সেটা তুলে ধরতে হবে। আমাদের দেশের মিডিয়া গুলোকে আরো দায়িত্বশীল হতে হবে। নেগেটিভ নিউজ পরিহার করে পজেটিভ নিউজ করতে হবে। মিডিয়াকে এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানান তিনি।

শুক্রবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রনে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ঘুরতে এসে গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এ্যান্ড গল্ফ এ সাংবাদিকদের সাথে এক প্রেস ব্রিফিং কালে তিনি এসব কথা বলেন তিনি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রী পররাষ্ট্র মন্ত্রী  ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন বলেন, ‘ঢাকা একটা সীমাবদ্ধ জায়গা। বাংলাদেশকে জানার মতো কুটনীতিকদের তেমন সুযোগ হয় না। আমাদের দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য দেখানো বাংলাদেশকে জানা ও বিনোদনের জন্যই জন্য বিদেশী রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গলে আজ তাদের নিয়ে আসা। আমাদেরও গর্ব করার অনেক কিছু আছে, মারামারি কাটাকাটির পরেও যে একটা দেশ আছে, কত সুন্দর কতকিছু আছে, পরিবেশ-প্রকৃতি, গান, সংস্কৃতি আছে। তা দেখানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ভারতসহ ৫৩টি দেশের রাষ্ট্রদুত ও তাদের পরিবারের সদস্য এবং কয়েকটি উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি নিয়ে শ্রীমঙ্গলে আসা’। এর মাধ্যমে বিদেশী রাষ্ট্রগুলোর সাথে আমাদের দেশের আরো সুসর্ম্পক তৈরী হবে’ যোগ করেন তিনি।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এগারো বারো লক্ষ রোহিঙ্গাদের আমরা কিভাবে খা্ওয়াবো, পরাবো। এখন বিদেশী সাহায্যের পরিমাণও কমে আসছে। তাছাড়া সামনে বৃষ্টির দিন আসছে। তাই রোহিঙ্গারা যেন খুব তাড়াতাড়ি তাদের দেশে ফেরত যায় তার জন্য আমারা যত ধরনের তৎপরতা সব চালাচ্ছি। এছাড়া রোহিঙ্গারা যেন তাদের এলাকা ছাড়া অন্য কোথাও না যায় তার জন্যও যথেষ্ট ব্যবস্থা নিয়েছি’।

দুর্নীতি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশে কিছু লোক আছে দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। বিমান এর উদাহরণ দিয়ে বলেন বাংলাদেশ বিমানের টিকিট কাটতে গেলে টিকিট পাওয়া যায় না। ৪১৯ জনের প্লেন। অথচ বিমানে উঠলে দেখা যায় মাত্র ৫৩ যাত্রী। পুরো সিট খালি। কোটি কোটি টাকা বিমানকে লস (লোকসান) দেখিয়ে চুরি করছেন তারা। এই চোরদের সরকার সনাক্ত করতে পেরেছেন। তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলছে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে তিনি কঠোর অবস্থানে রয়েছেন’।
 
পররাষ্ট্র মন্ত্রী বিফ্রিংয়ে আরো বলেন, ‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ১কোটি ১৬ লক্ষ প্রবাসী  রয়েছেন। বাংলাদেশী মহিলা-পুরুষদের বিদেশে যাওয়ার পর সবচেয়ে বেশী সমস্যায় পড়েন ভাষাগত কারণে। তারা ইংরেজিও বলতে পারে না, আরবিও বলতে পারেনা। তাই এজন্য বিদেশ যাওয়ার আগে সম্প্রতিকালে সরকার তাদের ভাষা শিখানো এবং ট্রেনিং দিয়ে বিদেশে পাঠাচ্ছে। তবে যারা বিদেশে গিয়ে সমস্যায় পড়ছে তাদের জন্য সরকার আশ্রয় কেন্দ্র গড়ে তুলেছে। অনেকেই সেখানে আশ্রয় নিচ্ছে এবং তাদের অনেকেই দেশে আসতে চায়না’।
 
তিনি আরো বলেন, ‘শমসেরনগর বিমান বন্দর এক সময় চালু ছিল, এখন বন্ধ। আপনারা মিডিয়া কর্মীরা তথ্য বহুল রিপোর্ট করেন, নিশ্চয় চালু হবে। তবে কবে হবে তিনি জানেন না’।
 
এর আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রী বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিকসহ অতিথিদের নিয়ে গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এ্যান্ড গল্ফ এ পৌঁছালে তাদের বাদ্যযন্ত্র মণিপুরী নৃত্য ও ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়। এসময় মৌলভীবাজার জেলা প্রসাশক মো: তোফায়েল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো: শাহ জালাল, এডিসি (রাজস্ব) আশরাফুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: নজরুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামান, অফিসার ইনচার্জ কে এম নজরুল উপস্থিত ছিলেন।
আগত রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে ছিলেন, ভারত, ইতালী, লিবিয়া, কোরিয়া, মালয়েশিয়া, মরক্কো, নেপাল, আফগানিস্তান, ভূটান, ব্রাজিল, কুয়েত, কানাডা, ফ্রান্স, তুর্কি, ইউএসএ, ওমান, জাপান, ফিলিপাইন, ডেনমার্ক, সুইজারল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও পাকিস্তানসহ ৫৩টি রাষ্ট্র। এছাড়া উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ইউএনডিপি, সার্ক, ব্রিমস্টেক, ইউএনএফপিএ, ইউসিকেইএফ বিডি, ইউএনএইচসিআর, ইউএসডিএসএস।         
বিকেলে রামনগর মণিপুরি গ্রাম পরিদর্শন এবং তাদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে ইস্পাহানি চা বাগান ও চা বাগান কারখানা পরিদর্শন করেন।

শনিবার সকালে ঢাকার উদ্দেশ্যে তাদের শ্রীমঙ্গল ত্যাগ করার কথা রয়েছে।
 



জনগণ উন্নয়ন চায়, শান্তি চায়: প্রধানমন্ত্রী
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: জনগণ উন্নয়ন চায়। শান্তি চায়। সুন্দরভাবে বাঁচতে চায়। আমরা দেশে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছি। তাতে আওয়ামী লীগ জনগণের আস্থা আর বিশ্বাস অর্জন করেছে। এজন্যই আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ জয় হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার বিকেলে গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা ক্ষমতায় আসার আগে দেশে ছিল অর্থনৈতিক মন্দা। দুর্ভিক্ষের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল বিএনপি। এদের অপকর্মে দেশেটি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছিল। শান্তিতে চলাফেরা করতে পারতো না মানুষ। চুরি-ডাকাতি বা সন্ত্রাসবাদ এমনকি মাদকের বিস্তার ছিল দেশে। আয়ের তুলনায় ব্যয় ছিল বেশি মানুষের। যে কারণে দেশের মানুষ তাদের ক্ষমতাচ্যূত করেছে। তাদের হাতে ক্ষমতা দেওয়া হলে, দেশ লুট করে খাবে- এটা বুঝতে পেরেছে জনগণ।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, নির্বাচনের আগেই বিভিন্ন জরিপ বলেছিল, আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় আসছে। আমাদেরও বিশ্বাস ছিল জনগণ আমাদের বারবার চায়। সে বিশ্বাস আমরা বাস্তবে দেখেছি। নির্বাচন নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। ২০০৮-এর নির্বাচনেও কোনো প্রশ্ন ছিল না। এছাড়া জনগণের সেবা করতেই আমরা নির্বাচন করি।

হাসপাতাল ছাড়লেন ওবায়দুল কাদের
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের হাসপাতল ছেড়েছেন। আজ শুক্রবার সিঙ্গাপুর সময় বিকেল তিনটায় তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এরআগে চিকিৎসার জন্য ওবায়দুল কাদের গত ৪ মার্চ সিঙ্গাপুরে যান।

মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসা সমন্বয়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক এবং নিউরোলজিস্ট অধ্যাপক আবু নাসার রিজভী আজ বিকেলে হাসপাতাল লবিতে উপস্থিত পরিবারের সদস্য ও অন্যান্যদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ওবায়দুল কাদের সুস্থ আছেন। তাঁর রক্তচাপ স্বাভাবিক এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ফলোআপ চিকিৎসায় থাকবেন। এরপর চিকিৎসকের পরামর্শের ভিত্তিতে দেশে ফিরবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

এ সময় সামগ্রিক সুস্থতার জন্য ওবায়দুল কাদেরের পরিবারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা এবং দেশবাসীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

অগ্নিঝুঁকিতে ঢাকার হাসপাতাল
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : গত ফেব্রুয়ারি মাসে অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটে খোদ রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। আগুন লাগার খবরে রোগী, স্বজন, চিকিৎসক ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আগুন ও ধোঁয়ার কু-লি থেকে রক্ষা পেতে রোগী ও স্বজনরা ভয়ে-আতঙ্কে আর্তচিৎকার শুরু করে দেন। যে যেভাবে পারেন পড়িমড়ি নেমে আসেন হাসপাতাল থেকে।

ঘটনার পরপরই বিভিন্ন স্থান থেকে সরকারি-বেসরকারি শতাধিক অ্যাম্বুলেন্স হাসপাতালে পৌঁছে রোগীদের অন্যত্র সরিয়ে নেয়। ফায়ার সার্ভিসের ১৮টি ইউনিট তিন ঘণ্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। অগ্নিকান্ডে কোন হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও ভর্তি হাসপাতালের ১২শ’ রোগীকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার সময় এক শিশুর মৃত্যু ঘটে। রাজধানীর পুরান ঘিঞ্জি এলাকা থেকে শুরু করে শহরের অভিজাত এলাকার অত্যাধুনিক বহুতল ভবন, মার্কেট-হাসপাতাল এখন সবই যেন আগুনের লেলিহান শিখার আওতায়। কেবল আতঙ্কের প্রহর গোনা, কখন এবং কোথায় তা ঘটবে!

নিমতলী থেকে চকবাজারের চুড়িহাট্টা, আশুলিয়ার তাজরিন গার্মেন্টস থেকে টঙ্গির ট্যাম্পাকো ফয়েলস প্যাকেজিং কারখানা; আর এখন বনানীর পুড়ে যাওয়া এফ আর টাওয়ারও সাক্ষী হয়ে আছে আগুনের ভয়াবহতার। বাংলাদেশে অগ্নিঝুঁকি প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। যেখানে প্রতি বছরই অগ্নিকা-ের ঝুঁঁকি হ্রাস পাওয়ার কথা, সেখানে পরিসংখ্যান দিচ্ছে উল্টো তথ্য। শুধু পুরান ঢাকার ঘিঞ্জি এলাকা বা নতুন ঢাকার বহুতল ভবনগুলো নয়, আগুনের ঝুঁকিতে রয়েছে রাজধানীর হাসপাতাল, শপিং কমপ্লেক্স থেকে শুরু করে প্রায় ৯৫ ভাগ স্থাপনা।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, রাজধানীর ৪৩৩টি হাসপাতালের মধ্যে ৪২২টিই ঝুঁকিপূর্ণ। এর মধ্যে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে ১৭৩টি এবং সাধারণ ঝুঁকিতে আছে ২৪৯টি হাসপাতাল। সে হিসাবে ঢাকা শহরের শতকরা ৯৭.৫ ভাগ হাসপাতালই অগ্নিঝুঁকিতে রয়েছে। সূত্র আরো জানায়, রাজধানীর এসব হাসপাতাল ভবনের ধারণক্ষমতা, বেজমেন্ট আছে কি না, সাধারণ সিঁড়ির সংখ্যা ও প্রশস্ততা, জরুরি নির্গমণ সিঁড়ির সংখ্যা, লিফটের সংখ্যা, জেনারেটর রুম, ট্রান্সফর্মার রুম, সুইচ গিয়ার রুম, পাম্প রুম, ফায়ার কন্ট্রোল রুম আছে কি না, প্রতি তলায় স্মোক বা হিট ডিটেক্টর আছে কি না ইত্যাদি বিষয়ের ওপর সার্ভে করেই ফায়ার সার্ভিস এই তালিকা চূড়ান্ত করেছে। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানে দফায় দফায় নোটিশ দেয়ার পরও তারা অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার উন্নয়নে কোনো ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। ‘এটা কত বড় আত্মঘাতি ঘটনা, সেটা বোঝার মত বিবেচনাবোধও যেন হারিয়ে ফেলেছে মানুষগুলো’- বলেন এক ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা।

ফায়ার সার্ভিসের তালিকায় খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হাসপাতালের তালিকায় নাম রয়েছে- জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতাল, জাতীয় ক্যান্সার ইন্সটিটিউট হাসপাতাল, ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ইএনটি, মেট্রোপলিটন মেডিকেল সেন্টার, হাইটেক মর্ডান সাইকিয়াট্রিক হাসপাতাল, এস.পি.আর.সি অ্যান্ড নিউরোলজি হাসপাতাল, ফার্মগেটের আল-রাজী হাসপাতাল, ব্রেইন এন্ড লাইফ কেয়ার হাসপাতাল, তেজগাঁও থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সিপিএইচডি জেনারেল হাসপাতাল, কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল, গুলশানের প্রত্যয় মেডিকেল ক্লিনিক, প্রমিসেস মেডিকেল লিমিটেড, গুলশান মা ও শিশু ক্লিনিক, আর এ হাসপাতাল ও বাড্ডা জেনারেল হাসপাতাল।

এ ছাড়া সাধারণ ঝুঁকিপূর্ণ তালিকার মধ্যে আছে- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল, বারডেম হাসপাতাল, বারডেম জেনারেল হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল, জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল, ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল, জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্র, ঢাকা মহানগর জেনারেল হাসপাতাল, মাতৃসদন হাসপাতাল, আইসিডিডিআরবি হাসপাতাল, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতাল, মনোয়ারা হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেড, আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শমরিতা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ, ল্যাবএইড হাসপাতাল, পপুলার ডায়গনস্টিক সেন্টার, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মেরিস্টোপ বাংলাদেশ, ইব্রাহিম জেনারেল হাসপাতাল, হলি ক্রিসেন্ট হসপিটাল অ্যান্ড ডায়গনস্টিক কমপ্লেক্স, সিকদার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, সরকারি ইউনানী আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ধানমন্ডি জেনারেল অ্যান্ড কিডনি হাসপাতাল, ধানমন্ডি কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউট, বিএসওএইচ হাসপাতাল, প্যানোরমা হসপিটাল লিমিটেড ও ধানমন্ডি মেডি এইড জেনারেল হাসপাতাল লিমিটেড।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইন্টেনেন্স) মেজর এ কে এম শাকিল নেওয়াজ বলেন, ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে ২০১৭ সালে দুই দফা ঢাকাসহ সারাদেশের হাসপাতালগুলো পরিদর্শন করে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ হাসপাতালগুলোর একটি তালিকা তৈরি করা হয়। এখন পর্যন্ত তাদের তিন দফা নোটিশ ও স্মরণিকা দিয়ে সতর্ক করা হয়েছে, কিন্তু তারা কোনো পদক্ষেপ নেননি। ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের সদ্য বিদায়ী মহাপরিচালক (ডিজি) আলী আহম্মদ খান পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, ঢাকার হাসপাতালগুলো মারাত্মক অগ্নিঝুঁকিতে রয়েছে। ফায়ার সার্ভিস থেকে বিভিন্ন সময় সেসব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হলেও এখন পর্যন্ত তেমন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

এবার শপথ নিলেন মোকাব্বির খান
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : সুলতান মনসুরের পথ ধরে এবার সিলেট-২ আসন থেকে গণফোরামের উদীয়মান সূর্য প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোকাব্বির খান শপথ নিলেন। মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তার সংসদ ভবন কার্যালয়ে মোকাব্বিরকে শপথ বাক্য পাঠ করান। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংসদ সচিব জাফর আহমদ খান।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী ৩০০ প্রার্থীর মধ্যে মোকাব্বিরকে নিয়ে মোট ২৯৪ জন এ পর্যন্ত শপথ নিয়েছেন।  বিএনপি থেকে নির্বাচিত ছয়জনই এখন শুধু বাকি।

শপথ অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, হুইপ ইকবালুর রহিম, হুইপ মাহবুব আরা বেগম গিনি, হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ, আবদুল লতিফ, আবদুস সোবহান গোলাপ এবং আব্দুস সালাম মুর্শেদী উপস্থিত ছিলেন। শপথ গ্রহণ শেষে মোকাব্বির খান এমপি রীতি অনুযায়ী শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে অংশ নিয়ে মাত্র ছয়টি আসনে জয় পায় বিএনপি। আর গণফোরামের দুটি মিলিয়ে ঐক্যফ্রন্ট পায় মোট আটটি আসন।

নির্বাচনে ‘ভোট ডাকাতির’ অভিযোগ তুলে পুনর্র্নিবাচনের দাবি তোলে তারা। নির্বাচিতরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবে না বলেও ঘোষণা দেওয়া হয় বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে।

কিন্তু ধানের শীষ প্রতীকে ভোট করে জয়ী হওয়া গণফোরামের সুলতান মনসুর গত ৭ মার্চ শপথ নিয়ে এরইমধ্যে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন। ওই সময় মোকাব্বিরও শপথ নেবেন বলে জানানো হলেও শেষ পর্যন্ত তিনি পিছু হটেন।

শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করার অনুরোধ জানিয়ে সোমবার সংসদ সচিবালয়ে নতুন করে চিঠি পাঠানোর পর মোকাব্বির দাবি করেন, দলীয় সিদ্ধান্তেই সংসদে যাচ্ছেন তিনি।

গণফোরামের প্যাডে পাঠানো ওই চিঠিতে তিনি লিখেছেন, আমি ও আমার দল গণফোরাম আগামী ২রা এপ্রিল বা ৩রা এপ্রিল শপথ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

কিন্তু গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু বলেন, দলীয় ফোরামে এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সুলতান মনসুর শপথ নেওয়ার পর তাকে দল থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছিল গণফোরাম।

অটিজম প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয় : প্রধানমন্ত্রী
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : অটিজম প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয় জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,  শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে তাদের সুপ্ত প্রতিভাকে কাজে লাগাতে পারলে তারাই হবে আমাদের সম্পদ। তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী বা অটিস্টিক শিশুদের প্রতি দায়িত্বশীল এবং সহানুভূতিশীল হতে হবে। শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দেশের সম্পদ বানাতে হবে। তাদের অবহেলা করা যাবে না। তারা যাতে এগিয়ে যেতে পারে সে জন্য সমাজের সুস্থ সবাইকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।

মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ১২তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০১৯ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধীদের আঁকা ছবি দিয়ে আমি প্রতিবছর ঈদ কার্ড করি। যাদের ছবি দিয়ে এই কার্ড করি তাদেরকে পারিশ্রমিকও দেয়া হয়। প্রতিবন্ধীরা যাতে ভালোভাবে চলতে পারে সে জন্য ট্রাস্টে বৃত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করছি।

তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে তার পিছিয়ে পড়া সন্তানদের এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তিনি সর্বপ্রথম বিভিন্ন স্কুলে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার জন্য ব্যবস্থা করেন। সেই ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগ সরকারে থাকা এবং না থাকা উভয় অবস্থাতেই প্রতিবন্ধীদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী এসময় সব প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ ভাতা দেওয়া হবে বলে জানান। তিনি বলেন, আগামী অর্থ বছরে ১৪ লাখ প্রতিবন্ধী শিশুকে ভাতার আওতায় আনা হবে। এছাড়া বর্তমানে ১০ লাখ প্রতিবন্ধীকে প্রতিমাসে ৭০০ টাকা ভাতা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ৯০ হাজার শিক্ষার্থীকে বিশেষ ভাতা দেওয়া হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিবন্ধী মানুষের অধিকার সুরক্ষায় ‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩’ এবং ‘নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট আইন ২০১৩’ প্রণয়ন করা হয়েছে। দশম জাতীয় সংসদের শেষ অধিবেশনে ‘বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল আইন ২০১৮’ অনুমোদন করা হয়েছে। এছাড়াও প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকারবিষয়ক কর্মপরিকল্পনা ২০১৯ অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমার বিশ্বাস, অটিস্টিক শিশু-কিশোরদের সম্ভাবনাগুলোকে চিহ্নিত করে সঠিক পরিচর্যা, শিক্ষা ও স্নেহ-ভালোবাসা দিয়ে গড়ে তোলা হলে তারা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য বোঝা না হয়ে অপার সম্ভাবনা বয়ে আনবে।

রোহিঙ্গাদের জন্য ভাসানচরে যা আছে
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জাতিগত শুদ্ধিঅভিযানের মুখে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে এসে  লাখ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে কক্সবাজারের বিস্তীর্ণ এলাকায়। যার সংখ্যা এখন নতুন-পুরাতন মিলে এগারো লাখ ছাড়িয়ে গেছে।

কক্সবাজারে অবস্থারত রোহিঙ্গাদের  একটি অংশ নোয়াখালীর ভাসানচরে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি প্রায় শেষের পথে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এই প্রকল্পের অবকাঠামো নির্মাণে উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত আহমেদ মুক্তা। তিনি বিবিসি বাংলাকে জানান, আগামী দেড় মাসের মধ্যে সেখানে বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, আশ্রয় কেন্দ্রসহ সব ধরনের অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শেষ হবে।

বঙ্গোপসাগরে ১৩ হাজার একরের দ্বীপ ভাসানচরের তিন হাজার একর জায়গার চারপাশে বাঁধ নির্মাণ করে সেখানে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি বসতি গড়ে তোলা হচ্ছে। লাগানো হয়েছে নারকেল, সুপারিসহ বহু গাছপালা।

প্রকল্পে যতো রাস্তা ও অবকাঠামো আছে সেগুলোর নির্মাণ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান আহমেদ মুক্তা। তিনি বলেন, নকশা অনুযায়ী ১,৪৪০টি ঘর বানানো হয়েছে, যার প্রতিটি ঘরে ১৬টা করে পরিবারের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

প্রতিটা পরিবারে যদি চারজন করে সদস্য হয় তাহলে তাদের আলাদা একটা কক্ষ দেয়া হবে এবং তাদের জন্য আলাদা রান্নাবান্না ও টয়লেটের সুবিধাও রাখা হয়েছে।

বন্যা বা জলোচ্ছাসের পানি ঠেকাতে বাড়িগুলো মাটি থেকে চার ফুট উঁচু করে বানানো হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। সব মিলিয়ে ঘরগুলোর কাজ প্রায় ৮৫% শেষ হয়েছে বলে তিনি জানান।

মুক্তা আশা করেন, প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সময়সীমা বেধে দেয়া হয়েছে। তার আগেই অর্থাৎ এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই পুরো প্রকল্পের শতভাগ কাজ শেষ হয়ে যাবে।

এই প্রকল্পটির আরেকটি লক্ষ্যণীয় বিষয় হল, এখানে সব ধরণের সেবা দেয়া হচ্ছে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে। যেমন এখানে মানুষের উচ্ছিষ্ট থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদন ও ব্যবহারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সেই গ্যাস দিয়েই চলবে রান্নাবান্না। এছাড়া বিদ্যুতের জন্য সোলার প্যানেল বসানো হয়েছে।

প্রতিটি স্থানে পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহের জন্য তিনটি বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সেগুলো হল, ভূমি থেকে ৭২০ ফুট গভীর থেকে পানি উত্তোলন, বৃষ্টির পানি ধরে রাখা এবং পর্যাপ্ত পুকুর।

মুক্তা বলেন, প্রত্যেক বাড়ির টিন থেকে পড়া বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করে সংরক্ষণ করা হবে যেন মানুষ তাদের দৈনন্দিন কাজে সেই পানি ব্যবহার করতে পারে। এছাড়া প্রতিটা ক্লাস্টারে ১২০টা পুকুর তৈরি করা হয়েছে।

তবে রোহিঙ্গাসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার মনে বড় ধরণের আশঙ্কা রয়েছে যে, এই অঞ্চলটিতে বড় ধরণের ঘূর্ণিঝড় বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।

মুক্তা বলেন, যে কোনো দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি থেকে মানুষকে রক্ষায় ১২০টি সাইক্লোন সেন্টার বানানো হয়েছে। এগুলোর একেকটি চার তলা ভবন। যার নীচতলা পুরো খালি থাকবে এবং প্রতিটি শিবিরে এক হাজার মানুষ জরুরি অবস্থায় আশ্রয় নিতে পারবে।

তাছাড়া আশ্রয় কেন্দ্রগুলোও ভূমি থেকে চার ফুট উঁচু করে বানানো হয়েছে। সব মিলিয়ে ভূমি থেকে ভবনটির নীচতলার ছাদ ১৪ ফুট ওপরে। অর্থাৎ যদি কোনো জলোচ্ছ্বাস ১৪ ফুটের ওপরে না আসে তাহলে কেউই ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

তিন দিনের সফরে ব্রুনাই যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : তিন দিনের সফরে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে ব্রুনাই যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  আসিয়ান সদস্যভুক্ত দেশ ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত। বোর্নিও দ্বীপের উত্তর উপকূলে অবস্থিত ব্রুনাইয়ের উত্তরে দক্ষিণ চীন সাগর, বাকি তিন দিকে মালয়েশিয়া।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে জ্বালানি ও কৃষি সহযোগিতা, কূটনৈতিক এবং সরকারি পাসপোর্টধারীদের ভিসা ছাড়সংক্রান্ত চুক্তিসহ আরও কয়েকটি চুক্তি হতে পারে।  

ব্রুনাই তেল ও গ্যাসসমৃদ্ধ দ্বীপরাষ্ট্র। দেশটি প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণে তেল ও গ্যাস উৎপাদন করে থাকে। সাগর থেকে তেল ও গ্যাস আহরণে ব্রুনাইয়ের অভিজ্ঞতাও ব্যাপক। দেশটি অর্থনৈতিকভাবেও সমৃদ্ধিশালী। এ কারণে সরকার চাইছে জ্বালানি বিষয়ে দু’ দেশের মধ্যে সহযোগিতা বিষয়ক একটি সমঝোতা চুক্তি করতে। ব্রুনাইয়ের সুলতানের সঙ্গে বৈঠকে এ ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের সাগর থেকে গ্যাস ও তেল সম্পদ আহরণের জন্য ব্রুনাইকে প্রস্তাবও দেবেন তিনি। বাংলাদেশ সরকার মনে করছে, জ্বালানি ক্ষেত্রে সমঝোতা হলে উভয় দেশই লাভবান হবে।

এদিকে ব্রুনাইতে বর্তমানে প্রায় ১৬ হাজার বাংলাদেশি কর্মরত আছেন। সেখানে নার্সের প্রচুর চাহিদা। বাংলাদেশ থেকে সেখানে প্রশিক্ষিত ও ভালো ইংরেজি জানা আরও নার্স পাঠাতে ব্রুনাইয়ের সুলতানকে প্রস্তাব দেয়ার সম্ভাবনা আছে প্রধানমন্ত্রীর।

অন্যদিকে ব্রুনাই সরকার কৃষিখাতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। তারা কৃষিজাত পণ্যের জন্য আমদানির ওপর নির্ভরশীল। সফরে কৃষিখাতে বিনিয়োগের জন্য শেখ হাসিনা ব্রুনাই সরকার ও দেশটির বেসরকারি উদ্যোক্তাদের আহ্বান জানাবেন।

প্রধানমন্ত্রীর ১৫ নির্দেশনা
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : অগ্নি দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ১৫ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে বনানীর এফআর টাওয়ারের অগ্নি দুর্ঘটনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর প্রধানমন্ত্রী এসব ‘অনুশাসন’ দেন বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানান। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকার ভবনগুলো পরিদর্শনের জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ২৪টি দল গঠন করেছে। এই দলগুলো ভবন পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দিলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি জানান, গত ২৮ মার্চ বনানীতে এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকা-ে ২৬ জন নিহত ও ১৩০ জন আহত হওয়ার ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীর কামাল আতাতুর্ক এভিনিউতে ফারুক রূপায়ণ (এফ আর) টাওয়ারে আগুন কেড়ে নেয় এক বিদেশি নাগরিকসহ ২৬ জনের জীবন। ওই আগুনের রেশ কাটার আগেই পরদিন একই এলাকার আরেকটি ভবনে আগুন লাগে, যদিও ফায়ার সার্ভিস সেখানে যাওয়ার আগেই ভবনের লোকজন আগুন নিভিয়ে ফেলতে সক্ষম হন। এর একদিন পর শনিবার গুলশান ১ নম্বরের ডিএনসিসি মার্কেট লাগোয়া কাঁচাবাজারে  আগুন লেগে ভস্মীভূত হয় দুই শতাধিক দোকান।
ওই আগুন নেভার কয়েক ঘণ্টা পর গুলশানের ডেলটা লাইফ টাওয়ারে আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ছুটে যায় ঘটনাস্থলে। কিন্তু তার আগেই ভবনের লোকজন আগুন নিভিয়ে ফেলে।
এসব অগ্নিকা- নিয়ে রাজধানীসহ দেশজুড়ে আগুন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে গতকাল মন্ত্রিসভায় অগ্নিদুর্ঘটনা এড়াতে প্রধানমন্ত্রী ১৫টি নির্দেশনা প্রধান করেন।
১. ফায়ার সার্ভিসের ক্লিয়ারেন্স নিয়ে হাইরাইজ বিল্ডিং নির্মাণ করতে হবে এবং অগ্নিদুর্ঘটনা এড়ানোর পরামর্শগুলো মানা হচ্ছে কিনা সেগুলোর নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে।
২. ভবনগুলোর অগ্নিনিরোধক সিস্টেম বা ক্লিয়ারেন্স প্রতি বছর নবায়ন করতে হবে। আবাসিক ও বাণিজ্যিক সব ভবনের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
৩. বিল্ডিং কোড অনুসরণ করে ভবন নির্মাণ করতে হবে এবং এর কোনও ব্যত্যয় সহ্য করা হবে না।
৪. বিভিন্ন ভবন বা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ফায়ার ড্রিল করতে হবে এবং এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে।
৫. অগ্নিকা-ের সময় ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণের কোনও উপায় আছে কিনা তা খুঁজে বের করতে হবে। কারণ আগুনে পোড়ার চেয়ে ধোঁয়ার কারণেই বেশি নিহতের ঘটনা ঘটে।
৬. রাজধানীতে প্রায়ই পানির অভাবে আগুন ঠিকমতো নেভানো যায় না। এজন্যই আগুনের কথা মাথায় রেখে রাজধানীতে পর্যাপ্ত জলাশয় ও জলাধার তৈরি করতে হবে।
৭. রাজধানীর আশপাশের লেকগুলো সংরক্ষণ করতে হবে।
৮. অগ্নিকা- বা অন্যান্য দুর্ঘটনায় ২৩ তলা পর্যন্ত পৌঁছানোর উপযোগী লেডার বা লম্বা সিঁড়ি তিনটি আছে ফায়ার সার্ভিসের। এর সংখ্যা বাড়াতে হবে।
৯. বাসাবাড়ি, অফিস বা বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করতে হবে চারপাশে দরজা-জানালাসহ এবং শতভাগ ফায়ার এক্সিট নিশ্চিত করতে হবে।
১০. বৈদ্যুতিক দরজা পরিত্যাগ করে অন্য দরজা লাগাতে হবে যাতে বিদ্যুৎ না থাকলে বা দুর্ঘটনার সময় তা খোলা যায়।
১১. ভবনের চারপাশে জাল লাগানো সিস্টেম থাকতে হবে। কেউ যাতে ওপর থেকে পড়ে মারা না যায় সেজন্য এই ব্যবস্থা রাখতে হবে।
১২. হাসপাতাল ও স্কুলে অবশ্যই বারান্দা রাখতে হবে যেন কোনও দুর্ঘটনার সময় মানুষ আশ্রয় নিতে পারে।
১৩. ইন্টেরিয়র ডিজাইনাররা জায়গা বাঁচাতে ভবনের ভেতর সব জায়গা বন্ধ করে ডিজাইন করে। এরকম কোনও ডিজাইন করা যাবে না। মানুষ যেন অবাধে যাতায়াত করতে পারে সেই ব্যবস্থা রাখতে হবে।
১৪. দুর্ঘটনার সময় মানুষ যাতে লিফট ব্যবহার না করে সেজন্য সচেতনতা বাড়াতে হবে।
১৫. যে কোনও ভবনে আশা-যাওয়ার জন্য একাধিক দরজা রাখতে হবে। ভবনে প্রবেশের একটা দরজার সিস্টেম পরিহার করতে হবে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সচিব জানান, মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে গণপূর্তমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২৪টি টিম রাজধানীর প্রতিটি ভবন পরিদর্শন করবে। ভবনগুলোতে অগ্নিদুর্গটনা এড়াতে নিরাপত্তামূলক পর্যাপ্ত ব্যবস্থা আছে কিনা তা তারা দেখবে। তারা প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেবে।

চতুর্থ ধাপের ভোটগ্রহণ চলছে
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে টানা ৪টা পর্যন্ত চলবে এ ভোটগ্রহণ। এ ধাপে দেশের ১০৭টি উপজেলার ভোট হচ্ছে। আর পঞ্চম ও শেষ ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হবে ঈদুল ফিতরের পর।

নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৪৮ উপজেলায় নিয়োগ করা হয়েছে র‌্যাব, বিজিবির অতিরিক্ত ফোর্স। কড়া নজরদারির জন্য এসব উপজেলায় ১১১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৪৮ প্লাটুন রিজার্ভ থাকবে। আর র‌্যাবের পাঁচটি অতিরিক্ত টিমও মোতায়েন রয়েছে।

এ ধাপে ছয়টি উপজেলায় সম্পূর্ণভাবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএমে) ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে। যেসব উপজেলায় ইভিএমে ভোটগ্রহণ হবে সেগুলো হলো— কক্সবাজার সদর, পটুয়াখালী সদর, ময়মনসিংহ সদর, বাগেরহাট সদর, মুন্সিগঞ্জ সদর ও ফেনী সদর।

ইসির জনসংযোগ পরিচালক এসএম আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, চতুর্থ ধাপে ১২২ উপজেলায় ভোটগ্রহণের তফসিল দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এগুলোর মধ্যে খুলনার ডুমুরিয়া, ফেনীর ছাগলনাইয়া, ময়মনসিংহের ত্রিশাল ও কুমিল্লার বড়ুরার নির্বাচন আদালতের আদেশে স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া এই ধাপে যুক্ত হয়েছে তৃতীয় ধাপের পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া ও নোয়াখালীর কবিরহাটের নির্বাচন। এছাড়া ১৫ উপজেলার সকল পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তাই চতুর্থ ধাপে ভোটগ্রহণ হচ্ছে ১০৭টি উপজেলায়।

চতুর্থ ধাপে মোট ভোটার ২ কোটি ৫৫ লাখ ৪০ হাজার ৭০৪ জন। এতে ৯ হাজার ৭৪০টি কেন্দ্র এবং ৬৩ হাজার ৬৯৬টি ভোটকক্ষ রয়েছে।

যেসব উপজেলায় ভোট হচ্ছে আজ : পটুয়াখালী জেলার সদর, দশমিনা, গলাচিপা, কলাপাড়া, মির্জাগঞ্জ, দুমকী ও বাউফল উপজেলা; ভোলা জেলার দৌলতখান, তজুমদ্দিন ও লালমোহন উপজেলা; বরগুনা জেলার সদর, আমতলী, বেতাগী, বামনা ও পাথরঘাটা উপজেলা; পিরোজপুর জেলার সদর, ইন্দুরকানী, কাউখালী, ভাণ্ডারিয়া, নেছারাবাদ ও নাজিরপুর উপজেলা।

যশোর জেলার সদর, বাঘারপাড়া, ঝিকরগাছা, চৌগাছা, অভয়নগর, মনিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলা; খুলনা জেলার দিঘলিয়া, কয়রা, দাকোপ, পাইকগাছা, রুপসা, তেরখাদা, ফুলতলা ও বটিয়াঘাটা উপজেলা; বাগেরহাট জেলার সদর, মোংলা, মোরেলগঞ্জ, চিতলমারী, কচুয়া, রামপাল, ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও শরণখোলা উপজেলা।

ময়মনসিংহ জেলার সদর, হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, ফুলপুর, ঈশ্বরগঞ্জ, ফুলবাড়ীয়া, গৌরীপুর, নান্দাইল, মুক্তাগাছা ও ভালুকা উপজেলা; নরসিংদী জেলার সদর; মুন্সীগঞ্জ জেলার সদর, সিরাজদিখান, লৌহজং, শ্রীনগর, টঙ্গিবাড়ী ও গজারিয়া উপজেলা; নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার, সোনারগাঁও ও রূপগঞ্জ উপজেলা; ঢাকা জেলার ধামরাই, দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা; টাঙ্গাইল জেলার সদর, ধনবাড়ী, মধুপুর, মির্জাপুর, দেলদুয়ার, নাগরপুর, ঘাটাইল, ভূঞাপুর, কালিহাতী, গোপালপুর, বাসাইল ও সখিপুর উপজেলা।

কুমিল্লা জেলার তিতাস, চান্দিনা, মুরাদনগর, বুড়িচং, ব্রাহ্মণপাড়া, মেঘনা ও হোমনা উপজেলা; নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ, সেনবাগ, সোনাইমুড়ী, সুবর্ণচর ও চাটখিল উপজেলা; ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর, সরাইল, আখাউড়া, আশুগঞ্জ, নাসিরনগর ও নবীনগর উপজেলা; ফেনী জেলার সদর, ফুলগাজী, সোনাগাজী ও দাগনভূঞা উপজেলা; কক্সবাজার ও দিনাজপুর জেলার সদর; গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ; কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী এবং চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা।

পা হারানো রাসেলকে ৫০ লাখ টাকা দেয়ার আদেশ বহাল
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীতে গ্রিন লাইন বাসের চাপায় পা হারানো রাসেল সরকারকে ৫০ লাখ টাকা দিতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ।

হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত চেয়ে গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষের করা আবেদন খারিজ করে দিয়ে রবিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

এই আদেশের ফলে পা হারানো রাসেল সরকারকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতেই হবে গ্রিন লাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষকে।

গত ১২ মার্চ বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ সংক্রান্ত রুলের শুনানি নিয়ে ওই ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দেন। এ জন্য দুই সপ্তাহ সময়ও বেঁধে দেন আদালত।

একই সঙ্গে রাসেলের চিকিৎসা-সংক্রান্ত যাবতীয় খরচ বহন এবং তার কৃত্রিম পা লাগানোর ব্যবস্থা করতেও গ্রীন লাইনকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এরপর পরবর্তী শুনানির জন্য ৩১ মার্চ তারিখ নির্ধারণ করেন।

৩১ মার্চ আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে গ্রীন লাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষ। তাদের আপিলটি খারিজ হয়ে যাওয়ায় ক্ষতিপূরণের ওই অর্থ পাচ্ছেন রাসেল সরকার।

আদালতে এদিন গ্রীন লাইনের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট অজিউল্লাহ।

উল্লেখ্য, গত বছর ২৮ এপ্রিল মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারে কথা কাটাকাটির জেরে গ্রীন লাইন পরিবহনের বাস চালক প্রাইভেটকার চালক রাসেল সরকারের (২৩) উপর দিয়েই গাড়ি চালিয়ে দেন। এতে রাসেলের দেহ থেকে বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

পা হারানো রাসেলের বাবার নাম শফিকুল ইসলাম, গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে। ঢাকার আদাবর এলাকার সুনিবিড় হাউজিং এলাকায় তার বাসা। ওই দুর্ঘটনার পর সংরক্ষিত আসনের এমপি উম্মে কুলসুম স্মৃতি হাইকোর্টে ক্ষতিপূরণ চেয়ে একটি রিট আবেদন করেন। রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ক্ষতিপূরণের আদেশ দেন।

জনগণের দোরগোড়ায় স্বাধীনতার সুফল পৌঁছাতে কাজ করছে সরকার
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : স্বাধীনতার সুফল জনগণের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ছিল। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।’

সোমবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে মানুষের কল্যাণে গৌরবময় ও অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৩ ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশ সম্পর্কে বিশ্ববাসীর দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে গেছে বলে মনেও করেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশকে যারা এক সময় ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ মনে করত তারাই এখন বাংলাদেশের প্রশংসা করছে। বাংলাদেশিদের এখন সবাই সম্মানের চোখে দেখে। আর এটা সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে গত ১০ বছর ধরে বিরামহীন কাজ করে যাওয়ায়।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, একসময় বাংলাদেশকে সম্মানের চোখে দেখা হতো না। বাংলাদেশকে দেখা হতো একটি দুর্ভিক্ষ দেশ হিসেবে। যে জাতি রক্তের বিনিময়ে এই দেশ স্বাধীন করেছে সেই দেশকে কেউ যদি অসম্মান করে তাহলে তা কষ্টের কারণ। সেই থেকে আমরা যাতে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে থাকতে পারি সেই লক্ষ্যে কাজ করছি। বর্তমানে স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বে একটি স্থান করে নিয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, চলতি বছরে আমরা ৮ ভাগ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হচ্ছি। আমাদের মাথাপিছু আয় এখন ১৯০৯ ডলার। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের রোলমডেল। আজ বাংলাদেশের নাম শুনলে সবাই সম্মানের চোখে দেখে। এটাই আমাদের তৃপ্তি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী জানান, তার সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র হয়েছে। পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়েছে। তবে তার সততার শক্তির কারণে তিনি ভেঙে পড়েননি এবং দুর্নীতির কোনো প্রমাণ বিশ্বব্যাংক দিতে পারেনি।

বঙ্গবন্ধু কন্যা জানান, জাতির পিতা বলেছিলেন আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না। তার সরকার জাতির পিতার সেই স্বপ্নই বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে।

শেখ হাসিনা ২৫ মার্চ কালরাতে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে জানান, এই গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেতে সরকার কাজ করছে। দেশের এবং প্রবাসে থাকা সব নাগরিককে সেজন্য চেষ্টা চালাতে অনুরোধ করেন তিনি।

প্রস্তুত জাতীয় স্মৃতিসৌধ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে প্রস্তুত সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ।

দিবসটি পালনে ইতিমধ্যেই সৌধ চত্ত্বরের সৌন্দর্য বর্ধনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সম্পন্ন হয়েছে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় সম্মান নিবেদনে তিনবাহিনীর কসরত। কড়া নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলে স্থানীয় পুলিশও প্রস্তুত দিবসটি পালনে।

স্বাধীনতাকামী বীরদের বীরত্বের স্মরণ এবং বীর শহীদদের প্রতি জাতির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও শ্রদ্ধা নিবেদনে ঢাকার অদূরে সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধ। নাম জানা-অজানা লাখো বীর শহীদদের স্মরণে নির্মিত পবিত্র এ স্থানটি ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার আর রং-তুলির আঁচড়ে রাঙানো হয়েছে। কেটে-ছেঁটে পরিষ্কার করা হয়েছে সবুজ অরণ্যের গাছ-গাছালি, সবুজ ঘাস। সারিয়ে নেয়া হয়েছে ল্যাম্প পোস্টের বাতি।

সৌন্দর্য বর্ধণ করা হয়েছে স্মৃতির মিনার, ফুল বাগান, পুস্পবেদী, গণসমাধি, কৃত্রিম হ্রদ, হেলিপ্যাড, অভ্যথর্না কেন্দ্র, উন্মুক্ত মঞ্চ, মসজিদসহ সৌধ চত্ত্বরের সকল স্থাপনার। সৌন্দর্য বর্ধনের সকল কাজ শেষে ফুলে ফুলে সুশোভিত স্মৃতিসৌধ এখন প্রস্তুত। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কাল ২৬ মার্চ এখানে ঢল নামবে লাখো দেশপ্রেমিক জনতার।

জাতীয় স্মৃতিসৌধের দায়িত্বে নিয়োজিত গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: মিজানুর রহমান জানান, প্রতিবছরই স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধকে বর্ণিল করে তোলা হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

মিজানুর রহমান জানান, এবার ৪৯তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন করবে গোটা জাতি। স্বাধীনতা দিবসের প্রত্যৃষে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাবেন  রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এরপর দলীয় প্রধান হিসেবে নেতা-কর্মীদের আরও একবার শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে জাতীয় সংসদের স্পিকার, বিরোধী দল, মন্ত্রীপরিষদ সদস্য, কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রধানগণ শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপরই স্মৃতিসৌধের মূল ফটক খুলে দেওয়া হবে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য।

স্বাধীনতা দিবসে মানুষের ঢল নামে জাতীয় স্মৃতিসৌধে, তাই নিরাপত্তা জোরদারে আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে ঢাকা জেলা পুলিশ। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতিসহ সকল দর্শনার্থীর নিরাপত্তা বিধানে পুরো স্মৃতিসেীধে অতিরিক্ত পুলিশ ছাড়াও র‌্যাব, সেনা সদস্য মোতায়েন থাকবে। সিসিটিভির মাধ্যমেও নজরদারি থাকবে পুলিশের। আইন মেনে দর্শনার্থীদের স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করতে হবে।

স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা নিবেদনের মূল পর্বটি সম্পন্ন হয় তিনবাহিনীর অংশগ্রহণে। তাদেরও প্রস্তুতি শেষ। সব মিলিয়ে পুরোপুরি প্রস্তুত জাতীয় স্মৃতিসৌধ। অপেক্ষা শুধু জাতির শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় সিক্ত হওয়ার।


   Page 1 of 246
     জাতীয়
ছয় শতাধিক চরমপন্থীর আত্মসমর্পণ
.............................................................................................
ভূমি সেবা সপ্তাহ শুরু আজ
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার প্যারোল!
.............................................................................................
শ্রীমঙ্গল ঘুরে গেলেন ৫৩ দেশের রাষ্ট্রদূত
.............................................................................................
জনগণ উন্নয়ন চায়, শান্তি চায়: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
হাসপাতাল ছাড়লেন ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
অগ্নিঝুঁকিতে ঢাকার হাসপাতাল
.............................................................................................
এবার শপথ নিলেন মোকাব্বির খান
.............................................................................................
অটিজম প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয় : প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
রোহিঙ্গাদের জন্য ভাসানচরে যা আছে
.............................................................................................
তিন দিনের সফরে ব্রুনাই যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রীর ১৫ নির্দেশনা
.............................................................................................
চতুর্থ ধাপের ভোটগ্রহণ চলছে
.............................................................................................
পা হারানো রাসেলকে ৫০ লাখ টাকা দেয়ার আদেশ বহাল
.............................................................................................
জনগণের দোরগোড়ায় স্বাধীনতার সুফল পৌঁছাতে কাজ করছে সরকার
.............................................................................................
প্রস্তুত জাতীয় স্মৃতিসৌধ
.............................................................................................
স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
আজ জাতীয় গণহত্যা দিবস
.............................................................................................
এক মিনিট নীরব থাকবে বাংলাদেশ
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চাই
.............................................................................................
তৃতীয় ধাপে ১১৭ উপজেলায় ভোট চলছে
.............................................................................................
পদ্মাসেতুতে বসছে নবম স্প্যান
.............................................................................................
দ্বিতীয় দিনে সড়কে শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
ওবায়দুল কাদেরের বাইপাস সার্জারি চলছে
.............................................................................................
জাতির পিতার ঐক্যের ডাক আজও প্রাসঙ্গিক
.............................................................................................
রমজানে পণ্যবাজার নজরদারির উদ্যোগ
.............................................................................................
বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্সে নিষেধাজ্ঞা
.............................................................................................
টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রী, ৩১ প্রকল্পের উদ্বোধন
.............................................................................................
সোমবার কেবিনে নেয়া হতে পারে ওবায়দুল কাদেরকে
.............................................................................................
৭৮ উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে
.............................................................................................
খুলে দেওয়া হয়েছে শ্বাসনালীর নল, কথা বলছেন ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
এমপি হিসেবে সুলতান মনসুরের শপথ
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
.............................................................................................
নকল প্রসাধনী কিনে ঠকছেন ক্রেতারা
.............................................................................................
পাটের লোকসান শুনতে চাই না
.............................................................................................
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ
.............................................................................................
রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
বজ্রমেঘের প্রভাবে সারাদেশে বৃষ্টি, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
.............................................................................................
দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখুন
.............................................................................................
বিস্ফোরক ছিল না পলাশের শরীরে
.............................................................................................
বিমান ছিনতাই চেষ্টাকারী ‘তালিকাভুক্ত অপরাধী’
.............................................................................................
সারাদেশে পালিত হচ্ছে রাষ্ট্রীয় শোক
.............................................................................................
আজ পিলখানা ট্র্যাজেডির এক দশক
.............................................................................................
ধনী দেশের সদিচ্ছা প্রয়োজন
.............................................................................................
কক্সবাজারে ১০২ ইয়াবা কারবারির আত্মসমর্পণ
.............................................................................................
নদী দখল ও দূষণ রোধে ১০ বছরের মাস্টারপ্ল্যান
.............................................................................................
মুসল্লিদের আগমনে মুখরিত টঙ্গীর তুরাগ তীর
.............................................................................................
তৃতীয় ধাপের ভোট ২৪ মার্চ
.............................................................................................
নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে নির্বাচন পরিচালনা করতে হবে
.............................................................................................
জার্মানির পথে প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft