মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   ফিচার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
এসি ছাড়াই এসির হাওয়া!

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: প্রচন্ড গরমে জনজীবন ওষ্ঠাগত। এই সময় শরীর জুড়াতে হিম শীতল ঘরে ঠাইঁ নেনে অনেকে। যাদের ঘরে এসি আছে তারাই কেবল ঠান্ডা হাওয়া গায়ে মাখতে পারেন। কিন্তু যাদের ঘরে এসি নেই তাদের কি হবে? আপনি যদি বুদ্ধি খাঁটান হবে এসি ছাড়াই পেতে পারেন এসির হাওয়া। জেনে নিন সেই কৌশল।

০১. গরমে তাপমাত্রার পারদ এখন ক্রমশ উর্দ্ধমুখী৷ মে, জুন মাসে গরম আরও বাড়বে৷ ভাবছেন অফারে একটা এসি এ বার কিনে নিতেই হবে। না হলে আর রক্ষে নেই! কিন্তু ইলেকট্রিক বিল! সেটার কী হবে? এসি ঘরের তাপমাত্রা কমালেও ইলেকট্রিক বিল লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়বে। তাই ঝটপট জেনে নিন এমন কিছু উপায়, যাতে আপনার ঘর এসি ছাড়াই থাকবে ঠান্ডা!

০২. ঘরে ভেন্টিলেটর থাকলে, ভালে করে সেটিকে পরিষ্কার করে রাখুন৷
 
০৩. প্রয়োজন ছাড়া ঘরের আলো একদম জ্বালাবেন না৷ ঘরে টিউব লাইট ব্যবহার করুন৷ সম্ভব হলে কম আলোর এলইডি আলো ব্যবহার করুন।
 
০৪. ঘরের জানলা যদি কাচের হয়, তাহলে মোটা পর্দা দিয়ে ঢেকে দিন৷ পর্দার রং গাঢ় হওয়া চাই। কারণ, গরমে হালকা রঙের পর্দায় তাপ আটকানোর ক্ষেত্রে মোটেই কার্যকরী নয়৷
 
০৫. বাজারে উপলব্ধ খেসের পর্দা কিনে নিয়ে এসে জানলায় লাগিয়ে দিন৷ সুযোগ মতো মাঝে মাঝে সেটিকে জল দিয়ে ভিজিয়ে দিন৷
 
০৬. ঘরের মধ্যে ছোট বা বড় টবে গাছ রাখুন৷ দেখবেন এর ফলে ঘর বেশ খানিকটা ঠান্ডা অনুভব করবেন৷
 
০৭. ঘর মোছার সময় জলের মধ্যে বেশ খানিকটা পরিমাণ নুন ঢেলে নিন৷ নুন জল দিয়ে ভিজে ভিজে করে ঘর মুছতে পারলে  ঘরের তাপমাত্রা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে৷

এসি ছাড়াই এসির হাওয়া!
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: প্রচন্ড গরমে জনজীবন ওষ্ঠাগত। এই সময় শরীর জুড়াতে হিম শীতল ঘরে ঠাইঁ নেনে অনেকে। যাদের ঘরে এসি আছে তারাই কেবল ঠান্ডা হাওয়া গায়ে মাখতে পারেন। কিন্তু যাদের ঘরে এসি নেই তাদের কি হবে? আপনি যদি বুদ্ধি খাঁটান হবে এসি ছাড়াই পেতে পারেন এসির হাওয়া। জেনে নিন সেই কৌশল।

০১. গরমে তাপমাত্রার পারদ এখন ক্রমশ উর্দ্ধমুখী৷ মে, জুন মাসে গরম আরও বাড়বে৷ ভাবছেন অফারে একটা এসি এ বার কিনে নিতেই হবে। না হলে আর রক্ষে নেই! কিন্তু ইলেকট্রিক বিল! সেটার কী হবে? এসি ঘরের তাপমাত্রা কমালেও ইলেকট্রিক বিল লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়বে। তাই ঝটপট জেনে নিন এমন কিছু উপায়, যাতে আপনার ঘর এসি ছাড়াই থাকবে ঠান্ডা!

০২. ঘরে ভেন্টিলেটর থাকলে, ভালে করে সেটিকে পরিষ্কার করে রাখুন৷
 
০৩. প্রয়োজন ছাড়া ঘরের আলো একদম জ্বালাবেন না৷ ঘরে টিউব লাইট ব্যবহার করুন৷ সম্ভব হলে কম আলোর এলইডি আলো ব্যবহার করুন।
 
০৪. ঘরের জানলা যদি কাচের হয়, তাহলে মোটা পর্দা দিয়ে ঢেকে দিন৷ পর্দার রং গাঢ় হওয়া চাই। কারণ, গরমে হালকা রঙের পর্দায় তাপ আটকানোর ক্ষেত্রে মোটেই কার্যকরী নয়৷
 
০৫. বাজারে উপলব্ধ খেসের পর্দা কিনে নিয়ে এসে জানলায় লাগিয়ে দিন৷ সুযোগ মতো মাঝে মাঝে সেটিকে জল দিয়ে ভিজিয়ে দিন৷
 
০৬. ঘরের মধ্যে ছোট বা বড় টবে গাছ রাখুন৷ দেখবেন এর ফলে ঘর বেশ খানিকটা ঠান্ডা অনুভব করবেন৷
 
০৭. ঘর মোছার সময় জলের মধ্যে বেশ খানিকটা পরিমাণ নুন ঢেলে নিন৷ নুন জল দিয়ে ভিজে ভিজে করে ঘর মুছতে পারলে  ঘরের তাপমাত্রা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে৷

তরমুজ খান-সতেজ থাকুন
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : প্রচণ্ড গরমে প্রাণ জুড়াতে তরমুজের শরবতের জুড়ি নেই। গ্রীষ্ম না আসলেও বাজারে এসেছে সবুজ তরমুজ।

গরমে প্রাণ জুড়াতে ঠান্ডা ঠান্ডা মিষ্টি স্বাদের তরমুজ খেতে ভালোবাসেন সবাই। বাইরে গাঢ় সবুজ আর ভেতরে টকটকে লাল রঙের আকর্ষণীয় এই ফলে রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ।

তরমুজ দেহের ভেতর থেকে পুষ্টি জোগানোর পাশাপাশি আমাদের ত্বকও সুন্দর রাখে। ভিটামিন এ, বি, সি সমৃদ্ধ তরমুজ ত্বককে সজীব করে, পাশাপাশি উজ্জ্বল ও নরম রাখে। তাই নির্দ্বিধায় এই ফলটি ব্যবহার করা যায় রূপচর্চার কাজে।

তরমুজ হার্টের জন্য খুবই উপকারি। রক্তবাহী ধমনীকে নমনীয় ও শীতল রাখে। স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে বেশ কার্যকর।

কিডনির জন্য বেশ উপকারি ফল তরমুজ। ডাবের পানির যে গুণাগুণ, তরমুজেও রয়েছে সেই গুণাগুণ। কিডনি ও মুত্রথলিকে বর্জ্যমুক্ত করতে সহায়তা করে।

পানিশূন্যতা জাতীয় সমস্যা প্রতিরোধ করে তরমুজ। একই সঙ্গে রক্তচাপ কমায় ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

বাঁচতে হলে জেনে নিন, বজ্রপাতের সময় ভুলেও যা করবেন না
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে আশঙ্কাজনকহারে বেড়ে গেছে বজ্রপাত। অতি বজ্রপাতের কারণ অনুসন্ধানে বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন। কারণ অনুসন্ধান ও প্রতিকারের ব্যবস্থা সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বজ্রপাতের ছোবল থেকে বাঁচতে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার।
বজ্রপাতের সময় বাসা-বাড়ির মধ্যে থাকলে এর প্রভাব থেকে কিছুটা বাঁচা যায়। তবে রাস্তায় কিংবা খোলা মাঠে থাকাকালীন এমন পরিস্থিতি সামনে পড়লে কীভাবে সুরক্ষিত থাকবেন? বজ্রপাতের সময় ভুলেও করবেন না এই ৭টি কাজ ;-
১. বজ্রপাতের সময় উঁচু গাছপালার কাছাকাছি থাকবেন না। কারণ ফাঁকা জায়গায় কোনো যাত্রী ছাউনি বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই গাছ থেকে কমপক্ষে ৪ মিটার দূরত্বে অবস্থান করতে হবে।
২. ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা, উঁচু জায়গায় কিংবা টিনশেডের বাড়িতে না থাকাই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয় যদি কোনো পাকা বাড়িতে আশ্রয় নেওয়া যায়।
৩. বজ্রপাতের সময় রাস্তায় গাড়িতে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব গাড়ি থেকে বেরিয়ে পাকা কোনো বাড়ির ছাউনি কিংবা বারান্দায় অবস্থায় নেওয়া।

৪. বজ্রপাতের সময় মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, টিভি, ফ্রিজসহ সকল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির সুইচ বন্ধ রাখা। বজ্রপাতের আভাস পেলে আগেই এগুলোর প্লাগ খুলে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করুন।
৫. বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না। এমনকি ল্যান্ড লাইন টেলিফোনও স্পর্শ করবেন না। বজ্রপাতের সময় এগুলোর সংস্পর্শ এসে অনেকে আহত হন।
৬. নদীতে নৌকায় অবস্থান করলেও পানি থেকে সরে আসতে হবে এবং নৌকার ছাউনিতে ঢুকে পড়তে হবে।

৭. বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই বৈদ্যুতিক খুঁটি বা তার আছে এসব জায়গায় যাবেন না বা কাছাকাছি থাকবেন না।

দেশেই চাষ হচ্ছে বিদেশী ফসল ‘চিয়া’
                                  

জাহাঙ্গীর কবির জুয়েল,ময়মনসিংহ: চিয়া। এটি একটি তৈলজাত ফসলের নাম। নামটির সাথে পরিচিত নয় বাংলাদেশের মানুষ। কারণ এটি বাংলাদেশে চাষ হত না। ফসলটির উৎপত্তি মেস্কিকোতে। যা বৈজ্ঞানিক নাম Salivia hispanica L.    ইহা একটি বর্ষজীবি, বিরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। এটিতে রয়েছে ১৫-২৫ ভাগ প্রোটিন, ৩৪ ভাগ লিপিড, ২৪ ভাগ ফাইবার এ্যাশ ৪-৫ ভাগ ও শক্তিশালী এন্টিঅক্্িরডেন্ট সমৃদ্ধ। এছাড়াও এ ফসলে রয়েছে শরীরের জন্য রয়েছে ওমেগা-৩ যা একটি অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি এসিড। যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। বর্তমানে ফসলটি বাংলাদেশে চাষ শুরুতে সফলতা পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যপক ড. মো. আলমগীর হোসেন। ২০১০ সালে মালয়েশিয়ায় পোস্ট-ডক্টরেট করার সময় চিয়া বীজ সংগ্রহ করেন তিনি। দীর্ঘ ৭ বছর ধরে অদ্যবধি চিয়া নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন এই গবেষক। তিনি জানান, ইতিমধ্যেই আমরা কৃষক বান্ধব চিয়া চাষ পদ্ধতি ও বীজ উৎপাদন কৌশল উদ্ভাবন করেছি। খুব শীঘ্রই আমরা ‘বাউ চিয়া’ নামে একটি জাত অবমুক্তকরণের মাধ্যম কৃষক পর্যায়ে চিয়া চাষ সম্প্রসারণে আশাবাদী।

অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর হোসেন বলেন, চিয়া হলো মিন্ট প্রজাতির উদ্ভিদ। এটি প্রধানত মেক্সিকো ও দক্ষিণ আমেরিকায় জন্মায়। চিয়া বীজ এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ্জ আমিষ, চর্বি, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও আঁশ থাকে যা আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে প্রয়োজন। মানবদেহে চিয়া বীজের কার্যকারিতা সম্পর্কে তিনি বলেন, চিয়া বীজে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড আমাদের শরীরের কোলেস্টরল কমাতে সহায়তা করে। এছাড়াও চিয়া বীজের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আমাদের শরীরের অপ্রয়োজনীয় উপাদান বের করে দিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। দেশীয় আবহাওয়ায় চিয়ার চাষাবাদ সম্পর্কে তিনি বলেন, ২০১০ সালে চিয়া বীজ দেশে নিয়ে আসি। এরপর বাকৃবির ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগীয় মাঠে ৪ বছর ধরে চিয়া বীজের অভিযোজন পরীক্ষা করা হয়। অভিযোজন পরীক্ষায় সফল হওয়ার পর ৩ বছর ধরে চিয়া বীজের চাষাবাদ নিয়ে গবেষণা করা হয়। ২০১৭ সালে দেশের পাবনা, বগুড়া, গাইবান্ধা, ময়মনসিংহ ও চারঞ্চলে চিয়া চাষে ব্যপক সফলতা আসে। রবিশস্য হিসেবে এটি বাংলাদেশে চাষ করা যায়। ফসল ঘরে উঠাতে ৯০দিন সময় লাগে। বেশি ফলনের জন্য ১৫ই নভেম্বরের মধ্যে চাষ করতে হবে। তবে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ এবং ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেও বোনা যেতে পারে। ফসলটি সব রকম মাটিতে এটি চাষ করা যায়। জমি তিন থেকে চারটি চাষ দিয়ে মাটি ঝুড়ঝুড়া করে নিতে হবে। এই উদ্ভিদের পোকা-মাকড় ও রোগবালাই খুবই কম হওয়ায় পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও প্রতি হেক্টরে সর্বোচ্চ ২ টন উৎপাদন লাভ করা সম্ভব।

বাংলাদেশে চিয়ার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. জাকির হোসেন বলেন, চিয়া বীজ শুকনো অবস্থাতেই খাওয়া যায়। তবে চিয়া বীজকে বিভিন্ন খাবার যেমন দই,পুডিং বা বিস্কিটের সাথে যোগ করে এর চাহিদা বাড়ানো যেতে পারে।

‘বাউ-চিয়া’ জাত উদ্ভাবনের প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ‘খুব শীঘ্রই এই জাতটি অবমুক্তকরণের মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে নেয়া হবে। তবে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় চিয়া চাষ দ্রুত সম্প্রসারিত হবে এবং পুষ্টি নিরাপত্তায় বাংলাদেশ আরো এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। গবেষক দলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন- ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাসুদুল করিম, মো. আরিফ সাদিক পলাশ এবং আহাদ আলম শিহাব।   

ঘরেই তৈরি করুন আলুর চিপস
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : চিপস খেতে বাচ্চারা খুব পছন্দ করে। অনেক সময় বড়রাও এর স্বাদ পেতে পিছপা হন না। তবে বাইরের অস্বাস্থ্যকর চিপস খাওয়ার চেয়ে ঘরেই তৈরি করুন সুস্বাদু আলুর চিপস।

উপকরণ: বড় আকারের আলু- ৪ টি, লবণ- ৩ টেবিল চামচ, পানি, তেল- ভাজার জন্য, লবণ ও গোলমরিচ- পরিমাণমতো।

প্রণালি: প্রথমে আলু ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। এরপর ফুড প্রসেসর বা স্লাইসার বা ছুরি দিয়ে কেটে পাতলা গোল গোল স্লাইস করে কেটে নিন আলুগুলো।

সব আলু কাটা না হওয়া পর্যন্ত আলুগুলো পানিতে চুবিয়ে রাখুন যাতে কেটে রাখা আলু বাদামী রঙ ধারণ না করে। এরপর আলুগুলো ছেঁকে পানিতে ভালো করে ধুয়ে নিন।

তারপর একটি বোলে পানি নিয়ে এতে ৩ টেবিল চামচ লবণ দিয়ে তাতে আলু ডুবিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট।

এরপর পানি ছেঁকে ফেলে দিয়ে আলুগুলো ভালো করে ধুয়ে নিন। এতে করে আলুর গায়ের অতিরিক্ত স্টার্চ সরে যাবে।

কিচেন পেপার বা কিচেন তোয়ালে দিয়ে আলুর চিপসগুলো চেপে চেপে ভালো করে শুকনো করে নিন।

এবার প্যানে তেল গরম হয়ে এলে এতে অল্প অল্প করে আলুর চিপসগুলো ডুবো তেলে লালচে সোনালী করে ভেজে তুলুন। কিচেন পেপার বা টিস্যু পেপারে তুলে রাখুন। এরপর উপরে লবণ ও গোলমরিচ গুঁড়ো ছিটিয়ে যেকোন সস বা চাটনির সাথে পরিবেশন করুন সুস্বাদু মুচমুচে আলুর চিপস।

কাপাসিয়া ধাঁধার চর সৌন্দর্যের এক লীলাভূমি
                                  

আশরাফুল ইসলাম শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: নদী পরিব্রাজক দল শ্রীপুর ফাইভ স্টার ফ্রেন্ডস এর শাখার সাথে ২০ জন ভ্রমণ পিপাসু নিয়ে ৮ মার্চ বৃহস্পতিবার নদীর প্রেমে নৌপথে ছুটে চলি ঢাকার পাশেই গাজীপুরের কাপাসিয়া ধাঁধার চরে। বহুদিন আগেই নাম শুনে তার বুকে পা রাখার ইচ্ছে জাগে মনে। সাত সকালে বের হয়ে শ্রীপুরের বরমী থেকে কাপাসিয়ার রানীগঞ্জ শীতলক্ষ্যার জলে নেচে গেয়ে পৌঁছাই বেলা ২.৩০ মিনিটে।

শ্রীপুর ফাইভ স্টার ফ্রেন্ডস এর আয়োজনে সারাটা দিন ছিলো মন মাতানো গানের আয়োজন, চরে যাওয়ার পর হৈ চৈ করে শুরু হয় ফুটবল খেলা, নদীতে সাতার কাটার উল্লাস মেতে উঠেন সবাই, সব শেষে চলে পুরষ্কার বিতরনের পর্ব, এসময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর ফাইভ স্টার ফ্রেন্ডস ক্লাবের এর প্রতিষ্ঠাতা ও সাংবাদিক টি আই সানি নোমান গ্রুপের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাফেজ শামীম আহম্মেদ মৃধা, ফয়সাল মৃধা, ফজলুল হক মৃধা, সাদ্দাম মৃধা, সিডেফ মানবাধিকার সংস্থা গাজীপুর জেলা শাখার সভাপতি মোকছেদুর রহমান আসিফ, সাধারন সম্পাদক আবু হানিফ, সাংবাদিক আশরাফুল ইসলাম আকাশ, আশিকুর রহমান সবুজ, জহিরুল ইসলাম, মুজাহিদুল ইসলাম, শেখ ছফির আহম্মেদ সাগর, আব্দুর রহিম প্রমুখ।

গাজীপুরের কাপাসিয়ার কাছে ব্রহ্মপুত্র নদ আর শীতলক্ষা নদীর মোহনায় দ্বীপের মতো এ চর। প্রায় দু’শ বছর আগে জেগে ওঠা নৌকা আকৃতির এ চরের নাম দেওয়া হয়েছে “ধাঁধার চর”। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা আর জীববৈচিত্রের এ ধাঁধার চর মনোরম পর্যটন কেন্দ্র হতে পারে এমনটি মনে করেন প্রকৃতি প্রেমীরা।

নদীর দু-কূলের বীজতলার সবুজ আর নানা বর্ণ ধারণ করা সবজি¦ ক্ষেতের ভিতর দিয়ে উঠি চরের বুকে। বরই বাগান, পেয়ারা বাগান, কলা, মূলা, সরিষা, মিষ্টি আলু সহ নানা রকম ফল-মূল আর সবজি¦ দেখে মনে হলো কৃষকের স্বর্গ রাজ্য। এ যেন এক ভিন্ন জগৎ, সবুজের মাঝে একখন্ড দ্বীপ। শীতলক্ষ্যার বুকে অপার সম্ভাবনা নিয়ে জেগে উঠা প্রকৃতির এক অপরূপ নিদর্শন। সত্যিই ধাঁধার চর যেন সৌন্দর্যের গোলক ধাঁধা। স্থানীয়রা অনেকে এটাকে মাঝির চর নামেও ডাকে।

যোগাযোগ- ঢাকার মহাখালী হতে ভাওয়াল পরিবহনে কাপাসিয়ার রানীগঞ্জ বাজার। এছাড়া গুলিস্থান থেকে প্রভাতি বনশ্রীতে কাপাসিয়া বাজার, সেখান থেকে সিএনজি বা অটোতে রানীগঞ্জ বাজার। খেয়াঘাট থেকে ইঞ্চিন নৌকায় ধাঁধার চর । মোট কথা গাজীপুর চৌরাস্তা বা রাজেন্দ্রপুর চৌরাস্তা অথবা কাপাসিয়া বাজার আসলে সহজেই চলে যাবেন ধাঁধার চর। তবে এসব এলাকাতেই দুপুরের খাবার জোগার করে নেওয়া ভাল। প্রাইভেট কার বা মোটর সাইকেল হলে তো কথাই নেই। দিনে আসবেন দিনে যাবেন। রাতে থাকলে সস্তায় হোটেল পাবেন গাজীপুরেই।

ভ্রমনপ্রেমীরা জীবনের একটি দিন এই নদীর বুকেই জেগে ওঠা টাইটানিকের বুকে উৎস্বর্গ করতে পারেন। ধাঁধার চরে এখনও সেভাবে পর্যটকদের পদচারণা নেই সুতরাং ভালো হবে যদি স্থানীয় কাউকে সঙ্গে রাখেন । তাতে ঘুরে বেড়ানো যথেষ্ট নিরাপদ।

দিনে ৬টির বেশি সেলফি, ‘সেলফাইটিসের’ রোগী
                                  

মিজানুর রহমান: মোবাইল ফোনে সেলফি তোলা অনেকেরই প্রিয়। কিন্তু কত প্রিয় হলে তা ‘নেশা’ হিসেবে গণ্য হওয়া উচিত? গবেষকরা জানিয়েছেন, সেলফি তোলার আসক্তি সত্যি সত্যিই একটা ‘সমস্যা’। আপনি যদি দিনে ৬টির বেশি সেলফি তোলেন এবং তা সামাজিক মাধ্যমে আপলোড করার তাড়না বোধ করেন - তাহলে আপনার ‘ক্রনিক সেলফাইটিস’ হয়েছে।
 
বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি ইংল্যান্ডের নটিংহ্যাম ট্রেন্ট বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভারতের থিয়াগারাজার স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট মিলে একটি জরিপ করে এমনটি জানিয়েছেন। এখন কথা হলো ৬টির বেশি সেলফি তুললে যদি ‘সেলফাইটিস’ হয়েছে বলা হয় - তাহলে জুনায়েদ আহমেদকে কি বলা যাবে?
 
বাইশ বছর বয়স্ক জুনায়েদ আহমেদ থাকেন ইংল্যান্ডের এসেক্স কাউন্টিতে। প্রতিদিন প্রায় ২০০টি সেলফি তোলেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে তার ফলোয়ার বা অনুসারী আছে ৫০ হাজার। তিনি কখন সেলফি পোস্ট করবেন সেই সময়টাও ঠিক করেন খুব ভেবে চিন্তে - যাতে যত বেশি সম্ভব ‘লাইক’ পাওয়া যায়। যদি কোন সেলফি ৬০০-র কম লাইক পায় তাহলে সেটা তিনি ‘ডিলিট’ করেন বা মুছে দেন। তিনি নিজেই স্বীকার করেন যে তিনি সেলফিতে আসক্ত।

এরকম আরো দু চারজনের সাথে কথা বলেছেন বিবিসির সংবাদদাতা বেটা শাহ। এদের একজন ড্যানি বোম্যান। বয়স ২৩। তিনিও সেলফি তুলে সোশাল মিডিয়ায় দিতে দিতে আসক্তির শিকার হয়েছিলেন।
 
তিনি আয়নার সামনে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত কাটিয়েছেন, ক্রমাগত সেলফি তোলার জন্য। আর সব ছবিতেই তিনি তার চেহারার ত্রুটি খুঁজে পেতেন। তিনি একসময় আত্মহত্যারও চেষ্টা করেন। এর পর রিহ্যাবে যান। তিনি মনে করেন তার দেহ নিয়ে হীনমন্যতার সমস্যা তৈরিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একটা বড় ভূমিকা ছিল।
 
ব্রিটেনের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক রয়াল সোসাইটি এখন সরকার ও সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যেন তারা এমন ব্যবস্থা করে যাতে একটানা দু ঘণ্টা অনলাইনে কাটালেই তার ফোনে একটা বার্তা দিয়ে তাকে সতর্ক করা হয়। সোসাইটি বলছে, সামাজিক মাধ্যম কিভাবে তরুণদের ওপর প্রভাব ফেলছে, তাদের মধ্যে বিষণ্ণতা এবং দুশ্চিন্তা তৈরি করছে - তা নিয়ে গবেষণার পর তারা এ আহ্বান জানানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

বিলুপ্তি প্রায় চড়ুই পাখি
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : চড়ুই পাখি এখন বিলুপ্ত প্রায়। হঠাৎ হঠাৎ দেখা মেলে। তেমনই দেখা মিললো মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বাশবাড়িয়া হাটের উপর বকুল ফুল গাছে এক ঝাঁক। সন্ধা নামলে এলাকার মানুষ চড়ুইয়ের গান শুনতে ভিড় করে।

চড়ুই পাখি গ্রাম বাংলার সুপরিচিত পাখি। অনেকে একে বাউই বলে ডাকে। এই পাখির দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫ সেন্টিমিটার। খাবারের তালিকায় রয়েছে শস্যদানা, ফল, কচি ঘাসের ডগা, বীজ, ছোট কীটপতঙ্গ ও ফুলের কুঁড়ি। এদের ইংরেজি নাম হাউজ স্প্যারো বাংলায় গৃহস্খালি চড়ুই। এরা জনবসতির মধ্যে থাকতে ভালোবাসে। তবে গেছো চড়ুই একটি বিরল পাখি। সচরাচর এই পাখির ঝাঁক চোখে পড়ে না আগের মতো। দিন দিন এই পাখির সংখ্যা কমে যাচ্ছে। বিশেষ করে পাতি চড়ুই এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। পাখির মাংস খুব সুস্বাদু বলে অনেক পাখিদের শিকারির শিকার হয়ে বাজারেও বিক্রি হতে হয়।

খোলা মাঠে ঝাঁকে ঝাঁকে এই চড়ুই পাখির দল এখন আর তেমন একটা চোখে পড়ে না। আর পাতি চড়ুই আমাদের গ্রাম বাংলার ঘর-বাড়ি ও শহরের ইমারতের গর্তে অতি সহজে চোখে পড়ে। এরা সাধারণত শহরের ইমরাতের গর্তেই বসবাস করতে বেশি পছন্দ করে। গৃহে বসবাসকারী পাতি চড়ুই খুবই মানুষ ঘেঁষা। কিন্তু এরা অনেকটা চালাক এবং মানুষের কাছ থেকে একটু দূরে থাকতে চায়। কাছে গেলেই এরা গাছের মগ ডালে চলে যায়। বিশেষ করে ধারে কাছে যদি বরই গাছ থাকে। দলের একটি উড়াল দিলে বাকিগুলোও একে একে উড়ে যায়।

পথচারীদের ফেলে দেওয়া চীনা বাদামের দানা খেতে পিচঢালা সড়কেও নামে। ঘাসের মধ্যেও পোকামাকড় খুঁজে বেড়ায়। জোড়া পায়ে লাফিয়ে লাফিয়ে গ্রামের মাঠের কাছে ঝোপ-জঙ্গলে নদীর ধারে গ্রামের ঘরের চালের ওপরে দল বেঁধে থাকে। সব সময় একই সুরে ডাকে। ঝোপালো গাছে অথবা ঘরের চালের ভিতর বাসা করে সাধারণত মার্চ থেকে আগস্ট এই ছয় মাসে ছয়টি ডিম পাড়ে এবং বাচ্চা ফুটাতে সময় লাগে ১৩ থেকে ১৫ দিন। বাচ্চারা উড়তে শিখলে বড়দের সঙ্গে তারা মাঠে যায় খাবার খেতে।
বাংলাদেশ ছাড়াও এ পাখি ইন্দোনেশিয়া, ভারত, নেপাল, ভুটান, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, চীন, ও মিয়ানমারে রয়েছে।

গোপালগঞ্জে উড়োজাহাজ বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিলেন আরমান
                                  

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জের নিভৃত গ্রামের কিশোর আরমানুল ইসলাম। উড়োজাহাজ বানিয়ে এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন তিনি। শুধু প্লেন দেখতে নয়, তাকে দেখতেও প্রতিদিন ভিড় করছেন আশ পাশের গ্রামের মানুষ। আরমানুল ইসলাম জেলার কাশিয়ানী উপজেলার পুইশুর ইউনিয়নের মো: হাফিজুর রহমান সমাদ্দারের একমাত্র ছেলে। তিনি একই উপজেলার রামদিয়া এস কে কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র।

২০০১ সালের ১ আগস্ট রাজবাড়ী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন আরমান। বাবার চাকরির সুবাদে ২০১৭ সালের বাগেরহাট জেলার বেতাগা ইউনাইটেড হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন। তার বাবা বর্তমানে বাগেরহাটের মংলায় ব্র্যাক এনজিও’তে মাঠকর্মী হিসেবে কর্মরত আছেন। নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হয়েও আরমানুল ইসলাম পড়াশোনার পাশাপাশি উদ্ভাবনী কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন, যা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে বলে জানালেন তার কলেজের অধ্যক্ষসহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আরমানের এ আবিষ্কার দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।

ছোটবেলা থেকে ইচ্ছা ছিল প্লেন বানানোর। আর তাই তখন থেকেই সোলা দিয়ে ছোট ছোট প্লেন বানিয়ে উড়ানোর চেষ্টা করতেন আরমান। নবম শ্রেণিতে পড়াকালীন একটি প্লেন বানানোর মনস্থির করেন আরমান। কিন্তু অর্থনৈতিক দৈন্যতার কারণে পেরে উঠেনি। এসএসসি পাস করার পর গ্রামের বাড়িতে চলে আসতে হয় তাকে। আর তাই বাড়ির পাশের রামদিয়া এস কে কলেজে ভর্তি হওয়া। কলেজে ভর্তি হওয়ার পর প্রবল ইচ্ছা শক্তির কারণে পরিবার থেকে তাকে প্লেন বানানোর জন্য সাড়ে ১২ হাজার টাকা দেয়। আর এ টাকার একটি বড় অংশ দেন তার দাদি হাফিজা বেগম। বাকি টাকা দেন তার বাবা এবং তার সহযোগী সিতারামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী জাসিয়া আকতারের বাবা দুবাই প্রবাসী এনামুল হক।

গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে শুরু হয় আরমানুলের প্লেন বানানোর কাজ। সপ্তাহ দুয়েক চেষ্টার পর অবশেষে গত ৮ জানুয়ারি পরীক্ষামূলক আকাশে উড়ে তার প্লেন। ওই দিনই বাড়ির পাশের মাঠে উড়ানো হয় প্লেনটি। উড্ডয়নের পর প্রায় ১৫ মিনিট আকাশে উড়তে সক্ষম হয় তার প্লেনটি। এরপর একই মাঠে অবতরণ করা হয় এটি। বিপুল সংখ্যক মানুষ তার প্লেনটি আকাশে উড়া দেখতে ভিড় করেন। হতবাক হয়েছেন তারা এ কিশোরের আবিষ্কার করা প্লেন আকাশে উড়তে দেখে।
ক্ষুদে উদ্ভাবক আরমানুল ইসলাম দাবি করলেন, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে চীন ও আমেরিকার মতো উন্নত প্রযুক্তির মনুষ্যবিহীন প্লেন ও ড্রোন বানাতে পারবেন তিনি, যা গোয়েন্দা কাজে, সেনাবাহিনীর কাজের ক্ষেত্রে এবং  ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যাবে। তিনি আরো বলেন, আমার ইচ্ছা ভবিষ্যতে পাইলট বা ড্রোন ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার। তবে সরকারের সহযোগিতা আমার খুব প্রয়োজন। কারণ, আমার পরিবারের স্বচ্ছলতা নাই যে, আমাকে এ সব কাজে সহযোগিতা করবে।
আরমানুল ইসলাম আরো জানালেন, তার আবিষ্কৃত প্লেনটির ওজন ৮’শ গ্রাম, দৈর্ঘ্য ৩৬ ইঞ্চি ও উইং ৫০ ইঞ্চি। প্লেনটিতে ব্র্যাশ লেস ডিসি মটর ব্যবহার করা হয়েছে। মটরের স্পিড কন্ট্রোল করার জন্য ইলেকট্রিক স্পিড কন্ট্রোলের সঙ্গে আরো ৪টি সারভো মটর লাগানো হয়েছে। ইলেকট্রিক স্পিড কন্ট্রোল মেইন মটরকে কন্ট্রোল করে। সারভো মটর এলোরন অ্যালিভেটর এবং রাডার কন্ট্রোল করে। প্লেনটিতে সিক্স চ্যানেলের একটি প্রোগ্রামেবল রিমোট সংযোজন করা হয়েছে। প্লেনটি দেড় কিলোমিটার রেঞ্জে চলতে পারে। তবে প্রযুক্তি ব্যবহার করলে রেঞ্জ আরো বাড়ানো সম্ভব বলেও দাবি আরমানের।

তার সহযোগী জাসিয়া আকতার বলেন, আরমান ভাইয়ের খুব শখ ছিল একটা প্লেন বানিয়ে আকাশে উড়ানোর। বিষয় গুলো সে আমার সঙ্গে শেয়ার করত। এরপর আমিও তার এ কাজে সহযোগিতা করার ইচ্ছা পোষণ করি। তারপর তার সঙ্গে পে¬ন বানাতে কাজ করি। তিনি আরো জানান, প্লেন আকাশে উড়ার পর তার খুব ভালো লেগেছে। ভবিষ্যতে সে দেশের জন্য কাজ করতে চায় বলেও জানায় জাসিয়া।
আরমানের মা রেহানা পারভীন বলেন, ছোটবেলা থেকে ছেলের সৃজনশীল কাজের প্রতি অনেক ঝোঁক। স্কুল জীবনে বিভিন্ন সময় বিজ্ঞান মেলায় সে অনেক কিছু উদ্ভাবন করেছে। তাতে পুরস্কারও পেয়েছে। আর ছোটবেলা থেকে ইচ্ছা ছিল একটি পে¬ন বানানোর। কিন্তু তার জন্য যে টাকার প্রয়োজন, তা দেওয়ার সামর্থ আমাদের ছিল না। পরে ওর দাদু, বাবা ও জাসিয়ার বাবার সহযোগিতায় টাকা জোগাড় হয়। তিনি আরো বলেন, গত নভেম্বর মাসে ওই টাকা দিয়ে ঢাকা থেকে প্লেন বানানোর বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনা হয়। বাড়িতে এসে দুই সপ্তাহ লেগেছে প্লেনটি বানাতে। সত্যিই আমি গর্বিত।

রামদিয়া এস কে কলেজের শিক্ষার্থী শেখ হাসান ও মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, আরমান অনেক মেধাবী ছেলে। সে অনেক প্রতিবন্ধকতাকে হার মানিয়ে প্লেন বানিয়েছে। এই কলেজের ছাত্র হিসেবে আমরা নিজেদের ধন্য মনে করছি।
কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান নিত্যানন্দ রায় বলেন, আমরা যখন জানতে পারলাম ছেলেটি একটি প্লেন বানাতে চায়। তখন তাকে প্লেন বানানোর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে কলেজের পক্ষে যে সব সহযোগিতার প্রয়োজন ছিল তা করেছি। পরে শুনতে পারলাম ছেলেটি একটি প্লেন বানিয়েছে এবং আকাশে উড়িয়েছে। এতে আমরা গর্বিত।

কলেজের অধ্যক্ষ আবু বকর সিদ্দিক বলেন, আমরা অভিভূত। এ কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র আরমানুল ইসলাম প্লেন বনিয়েছে। আর সেই প্লেন একই কলেজ মাঠে উড়িয়েছে। সত্যিই অনেক ভাল লেগেছে। আমরা কলেজ থেকে যতটুকু সম্ভব তার পড়াশোনার পাশাপাশি তার বিভিন্ন উদ্ভাবনী কাজে সহায়তার চেষ্টা করব।

নীলফামারীতে জমিদারী আমলের ইতিহাস ঐতিহ্য’র বিষ্ণুমন্দির
                                  

হামিদা আক্তার, নীলফামারী থেকে: ইতিহাস ঐতিহ্য’র জমিদার শাসন কিংবা প্রথা এখন শুধুই স্মৃতি আর ইতিহাস সমৃদ্ধ। বর্তমান প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের কাছে যেন এক কল্পনা। কিন্তু এই তো সে দিন মাত্র এক দেড়’শ বছর পূর্বেই আমার ঠাঁকুর দা ছিলেন এই অঞ্চলের জমিদার। তৎকালীণ রঙ্গপুর (রংপুর) মহুকুমার রাজা রাম মোহন পুরো রংপুরে জমিদারী শাসন চালাতেন। আমার বাবাও দেখেছেন সে জমিদারী। ১৪ নভেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে ইতিহাস খ্যাত ঐতিহাসিক একটি মন্দিরের খোঁজ খবর নিতে গিয়েই একান্তে আলাপ চারিতায় উল্লেখিত কথাগুলি বলছিলেন নীলফামারীর পলাশবাড়ী ইউনিয়নের তরণীবাড়ী বাবুপাড়া গ্রামের জমিদার স্বর্গীয় ধর্মনারায়ণ রায় বসুনীয়ার নাতী স্বর্গীয় জোগেন্দ্রনাথ রায়ের পুত্র ৮২ বছর বয়সী ধীরেন্দ্রনাথ রায়। দীর্ঘক্ষন একান্ত আলাপে ধর্মনারায়ণ রায় তৎকালীণ সময়ের কিছু কথা তিনি এভাবেই বলেন-আমার ঠাঁকুরদা ধর্মনারায়ণ ছিলেন এ অঞ্চলের জমিদার। তিনি প্রায় ২ হাজার একর জমির জমিদারী দেখতেন। আর আমার ঠাঁকুরদাকে দেখাশুনার ভার ছিলো রাজা রামহন রায়ের একান্ত ও আস্থাভাজন হিসাবরক্ষক স্বর্গীয় বাবু উপেন্দ্রনাথের উপড়। তিনি রংপুর থেকেই ঠাঁকুরদার এ জমিদারী দেখাশুনা করতেন।

১২০৪ বঙ্গাব্দে (অনু:) প্রায় ২’শ ২০ বছর আগে ঠাঁকুরদার জমিদারী আমলেই নির্মিত হয় নির্মাণ শৈলীর এই কৃষ্ণ মন্দিরটি। তিনিই নিার্মণ করেন এই মন্দির। তিনি জানান, তৎকালীণ সময়ে এই বিষ্ণু মন্দিরটি পরিচালনায় আমার ঠাঁকুর দা ঠাঁকুরের নামে উৎসর্গ করেন প্রায় এক’শ একর জমি। কালের পরিবর্তনে জমিগুলি এখন আর মন্দিরের নামে নেই। ধীরে ধীরে দেবত্ত্বরের নামে উৎসর্গীয় এই জমিগুলি স্থানীয়দের কাছে বিক্রি ও বেদখল হয়ে গেছে। তিনি আরো বলেন, সে সময়ে মন্দিরের ভক্তদের জন্য মন্দিরের পার্শ্বেই খনন করা হয় প্রায় ৫’শ থেকে ৬’শ ফুট গভীর তিনটি ইন্দ্রিরা (কুয়া)। এই ইন্দ্রিগুলি থেকেই জ্বল তুলে ভক্তবৃন্দ জ্বলপান করতেন। যেগুলি এখনও কালের স্বাক্ষী হয়ে রয়েছে এখানেই। বর্তমানেও ইন্দ্রিগুলির গভীরতা রয়েছে প্রায় ১’শ থেকে ২’শ ফুট । মন্দিরটি অনেক পুরনো হলেও এখনও কোন সংস্কার ছাড়াই দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাস ঐতিহ্য’র শতশত বছরের স্বাক্ষী হয়ে। মন্দিরটির প্রবেশ দ্বারে রাখা হয়েছে দুইটি সিড়ি। মন্দিরের চারি দিকে নির্মাণ শৈলীতে রয়েছে গনেশ ঠাঁকুরের মূর্তি। বেশকিছু নির্মাণ শৈলী রয়েছে মন্দিরের গাঁয়ে।  অনেক পুরনো হওয়ায় ধীরে ধীরে ভেঙ্গে পড়ছে সেগুলি। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবী জানিয়ে বলেন, মন্দিরটি সরকারের প্রতœতত্ত্ব বিভাগের আওতায় নেওয়া হলে হয়ত মন্দিরটি ইতিহাসের প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে থাকবে আরো হাজারও বছর ধরে। সেই সাথে মন্দিরটি সংস্কারের দাবীও করেন তিনি।  


ফ্রান্সে চকলেটের পোশাকে ফ্যাশন শো!
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: সম্প্রতি ফ্রান্সের প্যারিসে হয়ে গেল একটি ফ্যাশন শো। এই শহরে ফ্যাশন শো নৈমিত্তিক ঘটনা। কিন্তু সর্বশেষ এই ফ্যাশন শো’টির বিশেষত্ব ছিল, এর পোশাকগুলো তৈরী করা হয়েছিল চকলেট ব্যবহার করে।
 
অদ্ভুত এই ফ্যাশন শো দেখতে অগণিত মানুষ ভিড় করে। তারা পোশাক থেকে চকলেট নিয়ে স্বাদ গ্রহণের সুযোগ না পেলেও চকলেটের ঘ্রাণে তাদের মন ভরেছে। এই ফ্যাশন শো’র মডেলরা চকলেট ড্রেস পরে ক্যাটওয়াক করেন। ফ্যান্সের নামীদামি ফ্যাশন ডিজাইনারদেরও পোশাক পরে মডেলরা এই শোতে অংশ নেয়।

 


 
এমনকি দেশটির বেশ কয়েকজন সেলিব্রিটি মডেলদেরও চকোলেট ব্যবহার করে তৈরী এসব পোশাক পরে ক্যাটওয়াকে অংশ নিতে দেখা যায়। ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এই শোয়ের আয়োজন করা হয়। খবর এনডিটিভি

অন্যরকম মানুষ ইসহাক শরিফ
                                  

মো:আরিফ হোসেন: বরিশালে টানা ৩৫ বছর কলেজে শিক্ষকতা করেছেন। অবসর নেওয়ার পর এখন তিনি পরিচিত হকার হিসেবে! এই পরিচিতিতে আনন্দ পান তিনি। এক বছর ধরে অবসরপ্রাপ্ত এই কলেজশিক্ষক প্রতিদিন প্রত্যন্ত অঞ্চলে সংবাদপত্র বিলি করেন। এ নিয়ে পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের মধ্যে ছিল তীব্র আপত্তি। বিদ্রুপও করেছেন অনেকে। কিন্তু এই কলেজশিক্ষক সবকিছু তুচ্ছ করে কাজটি করেই চলেছেন। প্রতিদিন আড়াই শর বেশি পত্রিকা বিক্রি করেন তিনি। ইসাহাক শরিফ নামের এই অন্য রকম মানুষটির বাড়ি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায়। এত কাজ থাকতে কেন এমন কাজ বেছে নিলেন? প্রশ্ন করতেই মৃদু হাসলেন। বললেন, ‘কোনো কাজেই অগৌরব নেই, কাজের মধ্যে যদি আনন্দ পাওয়া যায়, সততা থাকে, সেটাই হলো প্রকৃত কাজ।’ আর্থিক অসচ্ছলতা নেই, তবু কেন হকারি করছেন? বললেন, ‘দেখুন, অর্থের জন্য এটা করি তা নয়। এখানে বড় ব্যাপার হচ্ছে, মানুষ হিসেবে আমার যে দায়িত্ব তা কতটুক করতে পারছি আমি। পত্রিকা বিলি করে যে টাকা আয় হয় তার বেশির ভাগই গ্রাহকদের বকেয়া বাবদ কেটে দিই। তবু তো কিছু মানুষ সংবাদপত্র পড়ল। সংবাদপত্র হলো সমাজের আয়না। জ্ঞান অর্জনের জন্য প্রতিদিনকার হালনাগাদ তথ্য মানুষের জানা উচিত। এতে মানসিক সুস্থতা আসে, সামাজিক স্থিরতা আসে। জ্ঞান শুধু বইয়ের মধ্যে নয়, জ্ঞান ছড়িয়ে আছে পৃথিবীজুড়ে। এ জন্যই দুর্গম এলাকার মানুষের কাছে পত্রিকা পৌঁছে দিই।’ ইসাহাক শরিফের মতে, ‘পাঠে মনোযোগী হলে নবীনেরা বিভ্রান্ত হবে না, মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে থাকবে। পত্রিকায় ভালো-মন্দ সব খবর আছে। এতে ভালো-মন্দের তফাতটা বুঝতে পারে মানুষ। আমাদের সমাজ ও চিন্তাকে সুস্থির, সাবলীল ও ইতিবাচক করতে হলে জ্ঞান ও তথ্যের বিকল্প নেই।’ বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নে ১৯৪৯ সালে জন্ম ইসাহাক শরিফের। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে স্নাতকোত্তর করার পর বাবুগঞ্জ উপজেলার রাকুদিয়া গ্রামে তাঁর বাবার নামে প্রতিষ্ঠিত আবুল কালাম ডিগ্রি কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন। কলেজের পাশেই তাঁর মায়ের নামে রয়েছে জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ইসাহাক শরিফ দুই ছেলেমেয়ের বাবা। দুজনই উচ্চশিক্ষিত, চাকরিরত। স্ত্রী হাফিজা বেগম আবুল কালাম ডিগ্রি কলেজের লাইব্রেরিয়ান পদে চাকরি করছেন। কথা প্রসঙ্গে বললেন, অবসর গ্রহণের পর বাকি জীবনে কিছু একটা করা দরকার। তা ছাড়া প্রত্যেক মানুষেরই একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা আছে। ঠিক করলেন প্রত্যন্ত এলাকায় পত্রিকা বিলির কাজ করবেন তিনি। এতে যেমন নবীন-প্রবীণ সব শ্রেণির মানুষের পাঠাভ্যাস গড়ে উঠবে, তেমনি ঘাম ঝরিয়ে নিজেকে সুস্থ রাখা যাবে। কখনো যানবাহনে করে, কখনো হেঁটে তিনি প্রতিদিন উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে পত্রিকা হাতে ছুটে বেড়ান। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তিনি এই কাজ করেন। ইসাহাক শরিফের স্ত্রী হাফিজা বেগম এখন মানিয়ে নিয়েছেন স্বামীর এ কাজ। তিনি বলেন, ‘অবসর সময়ে তিনি (ইসাহাক শরিফ) এখন মানুষের মধ্যে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছেন। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তিনি এটা করছেন। অবসর সময়ে তিনি এটা করে শান্তি পাচ্ছেন—এটাই আনন্দের কথা।’ দেহেরগতি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান বলেন, বছরখানেক আগে স্যারের বগলে পত্রিকার বান্ডিল দেখে বিস্মিত হই। তাঁকে এ কাজ করতে বারণ করি। কিন্তু তিনি শোনেননি। এখন বুঝি আমরাই ভুলের মধ্যে ছিলাম। এখন স্যারকে নিয়ে আমরা গর্ব করি। এমন সাদামনের মানুষেরা আসলেই দেশের সম্পদ।’ ইসাহাক শরিফ বলেন, ‘একটি আকাক্ষক্ষা আছে আমার। সেটা হলো, একটি ভ্রাম্যমাণ পাঠাগার করা। একটি যানবাহনে টেবিল-চেয়ার, বই-সংবাদপত্র থাকবে। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে এই পাঠাগার জ্ঞান বিলাবে। এ জন্য আমার সচ্ছল আত্মীয়স্বজনের কাছে সহায়তা চাইব। তাঁরা সহায়তা না দিলে পথে নামব। এটাই এখন আমার বাকি জীবনের স্বপ্ন।


গ্রামীণ ইউনিক্লো এর ঈদ কালেকশন
                                  

উৎসব উদযাপনে নতুন পোশাক সবসময় আনন্দের মাত্রাকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। উৎসবের আনন্দকে নতুন মাত্রা দিয়ে, উৎসবকে আরও আলোকিত করতে গ্রামীণ ইউনিক্লো নিয়ে এসেছে সবার জন্য ঈদ কালেকশন। সব মানুষের চাহিদাকে বিবেচনা করে গ্রামীণ ইউনিক্লো নিয়ে এসেছে শার্ট, টি- শাট, পোলো- শাট, জিনস-প্যান্ট, চিনো- প্যান্টস ও মেয়েদের অনেক ডিজাইনের কামিজ ও ক্যাজুয়াল র্শার্ট। এছাড়াও ছেলেদের বক্সার-ব্রিফ, ট্যাংক-টপ ও মেয়েদের পালাজ্জো, লেগিংস, ওমেন পেন্সিলপ্যান্ট। আরামদায়ক ও ট্রেন্ডি এসব পোশাক মিলবে সাশ্রয়ী মূল্যে।

ছেলেদের শার্ট পাওয়া যাবে ৯৯০ টাকা থেকে ১৪৯০ টাকার মধ্যে, মেয়েদের কামিজ পাওয়া যাবে ১৬৯০ টাকা থেকে ১৯৯০ টাকার মধ্যে, মেয়েদের ক্যাজুয়াল শার্ট কালেকশন পাওয়া যাবে ১১৯০টাকা থেকে ১২৯০টাকায় । ছেলেদের বিভিন্ন জিনস পাবেন ১৫৯০ টাকায়। এছাড়াও কিছু পোশাক মিলবে হ্রাসকৃত মূল্যে।

ঈদ কালেকশন
                                  

উৎসব উদযাপনে নতুন পোশাক সবসময় আনন্দের মাত্রাকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। উৎসবের আনন্দকে নতুন মাত্রা দিয়ে, উৎসবকে আরও আলোকিত করতে গ্রামীণ ইউনিক্লো নিয়ে এসেছে সবার জন্য ঈদ কালেকশন। সব মানুষের চাহিদাকে বিবেচনা করে গ্রামীণ ইউনিক্লো নিয়ে এসেছে শার্ট, টি- শাট, পোলো- শাট, জিনস-প্যান্ট, চিনো- প্যান্টস ও মেয়েদের অনেক ডিজাইনের কামিজ ও ক্যাজুয়াল র্শার্ট। এছাড়াও ছেলেদের বক্সার-ব্রিফ, ট্যাংক-টপ ও মেয়েদের পালাজ্জো, লেগিংস, ওমেন পেন্সিলপ্যান্ট। আরামদায়ক ও ট্রেন্ডি এসব পোশাক মিলবে সাশ্রয়ী মূল্যে।

ছেলেদের শার্ট পাওয়া যাবে ৯৯০ টাকা থেকে ১৪৯০ টাকার মধ্যে, মেয়েদের কামিজ পাওয়া যাবে ১৬৯০ টাকা থেকে ১৯৯০ টাকার মধ্যে, মেয়েদের ক্যাজুয়াল শার্ট কালেকশন পাওয়া যাবে ১১৯০টাকা থেকে ১২৯০টাকায় । ছেলেদের বিভিন্ন জিনস পাবেন ১৫৯০ টাকায়। এছাড়াও কিছু পোশাক মিলবে হ্রাসকৃত মূল্যে।

সিগারেটের পোড়া টুকরো দিয়ে তৈরি হবে রাস্তা!
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: ধূমপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। জানেন সকলেই। কিন্তু, বহু চেষ্টা করেও সুখটানের আকর্ষণ এড়াতে পারেন না অনেকেই। রাস্তাঘাট, অফিস, স্কুল সর্বত্র পোড়া সিগারেটের টুকরো পড়ে থাকতে দেখা যায়। কিন্তু জানেন কি, সিগারেটের এই পোড়া টুকরো থেকে তৈরি হতে পারে ঝাঁ চকচকে রাস্তা? অবাক হচ্ছেন তো। সম্প্রতি একটি গবেষণায় এমনই তথ্য মিলেছে। গবেষকদের দাবি, রাস্তা তৈরিতে যদি পোড়া সিগারেটে টুকরো ব্যবহার করা হয়, তাহলে একদিকে যেমন বর্জ্য পদার্থের পুনর্ব্যবহার করা সম্ভব হবে, তেমনি শহরাঞ্চলে কমবে গরমও।

সারা বিশ্বেই নেশার সামগ্রী হিসেবে সিগারেট ব্যবহার বহুল প্রচলিত। কিন্তু, ধুমপানের পর সিগারেটে যে পোড়া অংশটি অবশিষ্ট থাকে, সেটি ফেলে দেন ধুমপায়ীরা। এভাবেই প্রতি বছর কোটি কোটি সিগারেটের পোড়া টুকরো প্রকৃতিতে জমা হতে থাকে। কিন্তু, এই পোড়া সিগারেটের টুকরোগুলি প্রকৃতিতে পুরোপুরি মিশে যেতে বহু বছর লেগে যায়। আর দীর্ঘ সময় ধরে সিগারেটের বিষাক্ত রাসায়নিক ছড়িয়ে পড়ে খালবিল, নদী ও সমুদ্রে। প্রবলভাবে দুষিত হয় প্রকৃতি। এই দুষণ কীভাবে রোখা যায়, তা নিয়ে গবেষণা চালিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির বিজ্ঞানীরা। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পোড়া সিগারেটের টুকরোয় অ্যাশফল্টের একটি বিশেষ ধরনের মিশ্রণ থাকে। যা অনায়াসেই রাস্তার ভারী গাড়ি চলাচলের চাপ সামলে দিতে পারবে। বস্তুত, রাস্তা তৈরির উপযোগী করে তোলার জন্য সিগারেটের টুকরোর সঙ্গে মোম ও বিটুমেন মেশান গবেষকরা। পরে তা চোবানো হয় গরম অ্যাশফল্টের মিশ্রণে। গবেষকদের দাবি, পরিবর্তিত এই সিগারেটের টুকরো অনায়াসে রাস্তা-সহ যেকোনও নির্মাণকাজে ব্যবহার করা সম্ভব। শুধু তাই নয়, রাস্তা তৈরিতে সিগারেটে টুকরোর ব্যবহার শুরু হলে পরিবেশ দুষণও উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলেও মনে করছেন গবেষকরা।

প্রসঙ্গত, সিগারেটের পোড়া টুকরো থেকে পরিবেশ দুষণ কীভাবে ঠেকানো যায়, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা করছেন মেলবোর্ন ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির বিজ্ঞানীরা। এর আগে ইট তৈরিতে সিগারেটের পোড়া টুকরো ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছিলেন তাঁরা।

শরীরে সুগন্ধি দীর্ঘ সময় ধরে রাখবেন যেভাবে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: স্নিগ্ধ সকাল, তপ্ত দুপুর, এমনকি বৃষ্টি বিকেলেও সুগন্ধির ব্যবহার অপরিহার্য। দিন-রাতের কর্মব্যস্ততা আর ছোটাছুটিতে নিজেকে সতেজ রাখতে সুগন্ধির জুড়ি নেই। বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে সুগন্ধি নিয়ে লিখেছেন মারজান ইমু

কোথায় কিভাবে
দীর্ঘস্থায়ী সুগন্ধি পেতে ব্যবহারের কিছু কৌশল জেনে নিন। শরীরের নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় সুগন্ধি ব্যবহার করলে সুগন্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয়। কসমোলজিস্ট শোভন সাহা জানান, শরীরের পালস পয়েন্টগুলো পারফিউম দেওয়ার আদর্শ জায়গা। কবজি, কনুইয়ের ভাঁজের অংশ, কলার বোন, বাহুমূলে, হাঁটুর পেছনে, পায়ের গোড়ালি, নাভির কাছে, কানের পেছনে পারফিউম লাগালে সেই গন্ধটা স্থায়ী হয় বেশ কিছু সময়। বেশ খানিকটা দূর থেকে চুলে পারফিউম স্প্রে করলেও বেশ ভালো ফল মিলবে। ব্যবহারের আগে নির্দিষ্ট স্থানে একটু পেট্রোলিয়াম জেলি বা ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে সুগন্ধি দিন। এতে ত্বকের ভেতর পর্যন্ত শোষণ হয়ে সুগন্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে। বিশেষ করে শুষ্ক ত্বকে সুগন্ধি তুলনামূলক কম দীর্ঘস্থায়ী হয়। সে ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে উপকার পাবেন। সাধারণত ব্যবহারের সময় পারফিউমের বোতল শরীর ৩ থেকে ৫ ইঞ্চি দূরে রেখে স্প্রে করুন। আর বডি স্প্রের ক্ষেত্রে এই দূরত্ব হবে এক ফুট।

কার জন্য কেমন
ছেলেদের জন্য একটু কড়া ধরনের সুগন্ধি মানানসই। জোর্জিও, আরমানি, কেলভিন ক্লেইন,  বস, ডানহিল, ফেরারি, ডেভিডাভ, বুলগেরি, ডানহিল, জিরোজিরো সেভেন, জোভান ম্যাক্স, ক্রিশ্চিয়ান ডিওর। মেয়েদের জন্য আছে গুচি, ভার্সাচি, হুগো বস, এসকাডা, ক্রিড, বারবেরির মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ড। ফুলের সুগন্ধ পছন্দ করলে ফ্লোরাল কালেকশন থেকে সুগন্ধি বেছে নিন। ছেলে ও মেয়েদের জন্য আলাদা করে ফ্লোরাল পারফিউম তৈরি করে বিখ্যাত ব্র্যান্ডগুলো। চাইলে পাবেন আপেল, পিচ, চেরি, আভোকেডা, কমলা, লেবুর মতো ফলের সুগন্ধি। ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্য আলাদা করে রয়েছে চকোলেট, ক্যান্ডি ও স্পাইসি উড গন্ধযুক্ত সুগন্ধি। ছেলেদের কথা মাথায় রেখে স্পাইসি উড ফ্লেভার বাজারে আনা হলেও মেয়েদের জন্য রয়েছে উড বা কাঠের গন্ধযুক্ত সুগন্ধির সংগ্রহ। কড়া সুগন্ধি পছন্দ করলে কাঠের সুবাসযুক্ত ঝাঁজালো এই সুগন্ধি বেছে নিতে পারেন। দেশে  তৈরি পারফিউম এসএইচ৬৯ দেখতে পারেন। যার পরিবেশক ওমেন্স ওয়ার্ল্ড কসমেটিকস।

রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি আরো জানান, ‘সবার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সব ধরনের সুগন্ধি মানায় না। সুগন্ধির সঙ্গে ত্বকের রসায়নের বিষয় জড়িত । তাই বন্ধুর পারফিউম পছন্দ হলেই হুট করে কিনে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। বরং সময় নিয়ে পারফিউম পছন্দ করুন। ত্বকে স্প্রে করার পর পর পারফিউমের গন্ধ নিন। এরপর ২০ থেকে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে আবার গন্ধ নিন। দুইবারের সুগন্ধ যুতসই মনে হলেই বুঝবেন পারফিউম আপনার জন্য পারফেক্ট। ’ চাইলে কয়েকটি ফ্লেভারের ট্রায়াল প্যাক কিনে নিতে পারেন। সেখান থেকে যেটি ভালো মানাবে পরে সেটি নিজের সুগন্ধির তালিকায় তুলে নিন।

আবহাওয়া ও উপলক্ষ
সুগন্ধি ব্যবহারের সময় নিয়ে ডিভাইন বিউটি লাউঞ্জ এর সঙ্গীতা খান বলেন, ‘দিনে-রাতের সুগন্ধি আলাদা। অফিস আর উত্সবের সুগন্ধিও কিন্তু এক হবে না। একইভাবে গরম আর ঠাণ্ডার সময়ের সুগন্ধির উপাদান ও সৌরভে ভিন্নতা থাকবে। বিশেষ কোনো উপলক্ষ না থাকলে সকালে হালকা সৌরভ আর সন্ধ্যার পরে অপেক্ষাকৃত গাঢ় সৌরভের বেছে নিন। ফুল, ফল, উড, স্পাইসি ও ফ্রেশ—সব ফ্লেভারের সুগন্ধিতেই হালকা ও কড়া দুই রকমের গন্ধযুক্ত সুগন্ধি পাবেন। ফুলপ্রেমীরা সকালে জেসমিন বা রোজ আর বিকেলে ল্যাভেন্ডার বা ক্যামোমিল নিতে পারেন।   গরমের জন্য উপযুক্ত হালকা ও দীর্ঘস্থায়ী সুগন্ধি। ফ্রেশ ফ্রুটি, আইস কুল, ল্যাভেন্ডার, গোলাপ সুগন্ধি ব্যবহার করা যেতে পারে।   স্পাইসি ও উড কালেকশন বেছে নিতে পারেন বৃষ্টির সময়টাতে। কিছু কিছু পারফিউম নির্দিষ্টভাবে ব্যবহার করা হয় রাত ও দিনের জন্য। ’

টিপস
* সুগন্ধি বাছাইয়ের সহজ সূত্র হলো, পোশাক অনুযায়ী সুগন্ধি ব্যবহার করুন। হালকা পোশাকে স্নিগ্ধ ঘ্রান। আর জমকালো পোশাকে একটু কড়া ঘ্রাণ ব্যবহার করতে পারেন। ।
* গোসলের সময় লোমকূপ খুলে যায়। এ কারণে গোসলের পরপরই পারফিউম ব্যবহার করা হলে লোমকূপ সুগন্ধ অনেকাংশেই টেনে নেয়। সুগন্ধি এ কারণে অনেকক্ষণ ধরে থেকে যায়।
* ত্বকের ধরনভেদে সুগন্ধির স্থায়িত্ব বিভিন্ন রকম হতে পারে। যেমন-তৈলাক্ত ত্বকে সুগন্ধি বেশিক্ষন স্থায়ী হয়। আর শুষ্ক ত্বকে তাড়াতাড়ি চলে যায়।
* ত্বক থেকে চুলে সুগন্ধির ঘ্রাণ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়। ভালো ফল পেতে চিরুনিতে সুগন্ধি স্প্রে করে পুরো চুল একবার আচড়ে নিন।
* যেকোনো গয়না পরার আগে সুগন্ধি ব্যবহার করুন। অন্যথায় গয়নার রঙ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকবে।
* মুখ খোলার পর দীর্ঘদিন ব্যবহার না করে রেখে দিলে পারফিউমের কার্যকারিতা কমে যেতে থাকে।
* শুষ্ক এবং ঠান্ডা জায়গায় সুগন্ধি সংরক্ষণ করুন। এবং অবশ্যই সরাসরি সূর্যালোক থেকে দূরে রাখুন।

সুগন্ধির আভিজাত্যের ছোঁয়া এখন সামর্থ্যে আটকে নেই। সচেতন মানুষ মাত্রই পরিপাটি পোশাকের সঙ্গে একটু সুগন্ধির বার্তা বয়ে চলতে চান। গরম বা বৃষ্টি সব সময়ে প্রয়োজন হচ্ছে সুগন্ধির। সুগন্ধি সম্পর্কে বলতে গিয়ে রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি বলেন, ‘সুগন্ধির সৌরভ শুধু ঘাম বা দুর্গন্ধের মোকাবেলার জন্য নয়। সুগন্ধির আবেদন এখন পোশাকের মতোই জরুরি। শুধু বাইরে নয়, ঘরেও সুগন্ধি ব্যবহার করা উচিত। ’ অ্যারোমা থেরাপিস্ট আমিনা হক জানান, ‘প্রাচীনকাল থেকেই সুগন্ধির  প্রচলন রয়েছে। সুগন্ধি ব্যবহারের উপকারিতাও আছে। সুবাস মনকে তরতাজা রাখে, স্মরণশক্তি বাড়ায়। দীর্ঘ সময় ধরে মনঃসংযোগ ধরে রাখতেও পছন্দের সুগন্ধি প্রণোদনা যোগায়। আত্মবিশ্বাস ও কর্মোদ্দীপনা জোগাতেও সুগন্ধির ভূমিকা মিলেছে গবেষণায়। ’

রকমসকম
বডি স্প্রে, বডি মিস্ট ও পারফিউম—এই তিন ধরনের সুগন্ধি পাবেন বাজারে। বডি স্প্রের স্থায়িত্ব খুব অল্প। আট থেকে ১২ ঘণ্টার উল্লেখ থাকলেও ঘাম বা গরমে এর স্থায়িত্ব কয়েক ঘণ্টার বেশি হয় না। পারফিউমকে বনেদিয়ানার প্রতীক বলা হয় এর দীর্ঘস্থায়ী সুগন্ধের জন্য। সাধারণত ধুয়ে ফেলার আগ পর্যন্ত এটি সুগন্ধ ছড়াতে থাকে। বডি মিস্টের সুগন্ধ স্থায়িত্বের দিক থেকে বডি স্প্রের তুলনায় ৩ থেকে ্ল৪ গুণ বেশি হয়। আর দামও পারফিউমের চেয়ে তুলনামূলক কম। ধরনভেদে এদের ব্যবহারও আলাদা। বডি স্প্রে সরাসরি শরীরে স্প্রে করতে হয়, কাপড়ে নয়। বডি মিস্ট লোশনের মতো হাতের তালুতে নিয়ে গায়ে মাখতে হয়। আর পারফিউম আবার দুই ধরনের আছে। একটা গায়ে ও অন্যটি কাপড়ে স্প্রে করলে সুগন্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয়।


   Page 1 of 8
     ফিচার
এসি ছাড়াই এসির হাওয়া!
.............................................................................................
তরমুজ খান-সতেজ থাকুন
.............................................................................................
বাঁচতে হলে জেনে নিন, বজ্রপাতের সময় ভুলেও যা করবেন না
.............................................................................................
দেশেই চাষ হচ্ছে বিদেশী ফসল ‘চিয়া’
.............................................................................................
ঘরেই তৈরি করুন আলুর চিপস
.............................................................................................
কাপাসিয়া ধাঁধার চর সৌন্দর্যের এক লীলাভূমি
.............................................................................................
দিনে ৬টির বেশি সেলফি, ‘সেলফাইটিসের’ রোগী
.............................................................................................
বিলুপ্তি প্রায় চড়ুই পাখি
.............................................................................................
গোপালগঞ্জে উড়োজাহাজ বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিলেন আরমান
.............................................................................................
নীলফামারীতে জমিদারী আমলের ইতিহাস ঐতিহ্য’র বিষ্ণুমন্দির
.............................................................................................
ফ্রান্সে চকলেটের পোশাকে ফ্যাশন শো!
.............................................................................................
অন্যরকম মানুষ ইসহাক শরিফ
.............................................................................................
গ্রামীণ ইউনিক্লো এর ঈদ কালেকশন
.............................................................................................
ঈদ কালেকশন
.............................................................................................
সিগারেটের পোড়া টুকরো দিয়ে তৈরি হবে রাস্তা!
.............................................................................................
শরীরে সুগন্ধি দীর্ঘ সময় ধরে রাখবেন যেভাবে
.............................................................................................
ঘরেই তৈরি করুন এগ নুডলস!
.............................................................................................
প্লাস্টিকের চাল বলে আসলে কিছু নেই
.............................................................................................
ঈদ রান্না: ফ্রুট প্যানাকোটা
.............................................................................................
চট্রগ্রাম-সিলেটে ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা
.............................................................................................
নাশতায় মাসালা ম্যাকারনি
.............................................................................................
ইফতারে লাহোরি বিফ কাবাব
.............................................................................................
সেহরিতে মাছের রকমারি
.............................................................................................
নকল প্লাস্টিক চাল চিনবেন যেভাবে
.............................................................................................
রাতে জন্ম নেয়া শিশুরা ব্যতিক্রম হয়
.............................................................................................
উড়িষ্যায় প্রেম দিবসে যুগল ধরা পড়লেই বিয়ের হুমকি
.............................................................................................
ভালোবাসা দিবসে প্রেমিকার জন্য উপহার
.............................................................................................
প্রয়োজনে ওয়াশিং মেশিন
.............................................................................................
অ্যাজমা নিরাময়ে এলাচ!
.............................................................................................
লেবুর খোসার ব্যবহার
.............................................................................................
কিডনি ভালো রাখবেন যেভাবে
.............................................................................................
চুল গজাবে রসুনের রসে
.............................................................................................
শশা খাওয়ার আগে ঘষে নিতে হয় কেন?
.............................................................................................
M দিয়ে শুরু নামের মানুষরা কেমন হয়?
.............................................................................................
তরমুজ ফল না সবজি
.............................................................................................
বিশ্বের দীর্ঘতম ট্রেন!
.............................................................................................
রান্নাঘরে যে কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে
.............................................................................................
ঘরে বসে তৈরি করুন ইটালিয়ান পাস্তা
.............................................................................................
ইলিশ মাছের সুস্বাদু কাবাব!
.............................................................................................
সম্পূর্ণ নতুন একটি “চাইনিজ” খাবারের রেসিপি!
.............................................................................................
সরিষার উপকারিতা...
.............................................................................................
কিভাবে তৈরি করবেন আলুবোখারার চাটনি
.............................................................................................
এই কাজগুলো করুন বয়স ২৫ হবার আগেই
.............................................................................................
সুখে থাকার রহস্য!
.............................................................................................
যে খাবারগুলো এনার্জি ড্রিংকের মতো কাজ করে
.............................................................................................
কোঠরে ঢুকে যাওয়া চোখের যত্ন
.............................................................................................
বাসায় পোলাও জর্দা রান্না করবেন যেভাবে
.............................................................................................
২টি অত্যন্ত কার্যকরী ‘কফ সিরাপ’
.............................................................................................
সুগন্ধি কালোজিরার সব উপকারিতা
.............................................................................................
টমেটো চোখ, হার্ট, কিডনি, সুস্থ রাখবে
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft