বুধবার, ১৫ জুলাই 2020 | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   সিলেট -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ছাতকে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বেড়েছে দুর্ভোগ

ছাতক প্রতিনিধি: ছাতকে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সুরমা, চেলা ও পিয়াইন নদীর পানি এখনো বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শহর ও গ্রামাঞ্চলের ঘরবাড়ি থেকে বন্যার পানি নামতে শুরু হয়েছে। তবে উপজেলার নিম্নাঞ্চলের ঘরবাড়িতে এখনো বন্যার পানি রয়েছে। গত দু’দিন বন্যার পানি কমলেও এখনো বিচ্ছিন্ন রয়েছে সড়ক যোগাযোগ। গতকাল মঙ্গলবার বিকাল পর্যন্ত পৌরসভাসহ উপজেলার প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন এবং বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন হাজারো মানুষ। স্থানীয়রা জানিয়েছেন গ্রামীণ কাচা রাস্তাঘাট পানির নিচ থেকে ভেসে উঠলেও কাঁদা মাটিতে পরিণত হওয়ায় এসব রাস্তা দিয়ে পায়ে হেঁটে চলাচল করা যাচ্ছে না। এমনকি ঘরবাড়ি পানির নিচ থেকে ভেসে উঠলেও বসবাস করতে গিয়ে সীমাহিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এদিকে, বন্যা দূর্গতদের মাঝে সরকারি ও বেসরকারিভাবে ত্রান সামগ্রী পৌছে দেয়া হচ্ছে। ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ গোলাম কবির জানান, বন্যায় পৌরসভাসহ উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্র গুলোতে এখনো মানুষ রয়েছেন। বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে আরো সপ্তাহখানেক সময় লাগতে পারে বলে তিনি জানান।

ছাতকে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বেড়েছে দুর্ভোগ
                                  

ছাতক প্রতিনিধি: ছাতকে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সুরমা, চেলা ও পিয়াইন নদীর পানি এখনো বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শহর ও গ্রামাঞ্চলের ঘরবাড়ি থেকে বন্যার পানি নামতে শুরু হয়েছে। তবে উপজেলার নিম্নাঞ্চলের ঘরবাড়িতে এখনো বন্যার পানি রয়েছে। গত দু’দিন বন্যার পানি কমলেও এখনো বিচ্ছিন্ন রয়েছে সড়ক যোগাযোগ। গতকাল মঙ্গলবার বিকাল পর্যন্ত পৌরসভাসহ উপজেলার প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন এবং বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন হাজারো মানুষ। স্থানীয়রা জানিয়েছেন গ্রামীণ কাচা রাস্তাঘাট পানির নিচ থেকে ভেসে উঠলেও কাঁদা মাটিতে পরিণত হওয়ায় এসব রাস্তা দিয়ে পায়ে হেঁটে চলাচল করা যাচ্ছে না। এমনকি ঘরবাড়ি পানির নিচ থেকে ভেসে উঠলেও বসবাস করতে গিয়ে সীমাহিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এদিকে, বন্যা দূর্গতদের মাঝে সরকারি ও বেসরকারিভাবে ত্রান সামগ্রী পৌছে দেয়া হচ্ছে। ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ গোলাম কবির জানান, বন্যায় পৌরসভাসহ উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্র গুলোতে এখনো মানুষ রয়েছেন। বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে আরো সপ্তাহখানেক সময় লাগতে পারে বলে তিনি জানান।

সিলেটের কানাইঘাট ও গোয়াইনঘাটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি
                                  

সিলেট প্রতিনিধি: পাহাড়ি ঢল আর অতি বৃষ্টির কারণে সিলেটের গোয়াইনঘাট ও কানাইঘাটে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। তবে কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর ও সিলেট সদরে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকা পানির নিচে থাকায় ঘরবন্দী হয়ে পড়েছে মানুষ। দেখা দিয়েছে চরম দুর্ভোগ।

গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলা সদরে নৌকা চলাচল করছে। বন্ধ হয়ে গেছে উপজেলার সাথে সড়ক যোগাযোগও। উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ও রাস্তা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় নিত্যপণ্য ক্রয় করতে পারছেন না সাধারণ মানুষ।

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে এরই মধ্যে সিলেট জেলার সুরমা, কুশিয়ারা ও সারি নদীর চারটি এলাকায় পানি এখনও বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে প্লাবিত হয়েছে কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট, জৈন্তাপুর ও সদর উপজেলাসহ সিলেটের নিম্নাঞ্চল।

তবে গতরাতে সিলেটে বৃষ্টির পরিমাণ কম হলেও উজানে বৃষ্টির কারণে সবগুলো নদীর পানি কিছুটা বেড়েছে। যে কারণে অন্য এলাকার সাথে সিলেট নগরের তালতলা, সোবহানিঘাট, মেন্দিভাগ, উপশহর, যতরপুর, সবুজভাগ, ঘাসিটুলা, শামিমাবাদ, শাহজালাল উপশহর, তেরতন ও সাদিপুর, মাছিমপুরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় এক থেকে পানি রয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের দেয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ৯ সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সুরমা, কুশিয়ারা ও সারি নদীর পানি প্রায় সবকটি পয়েন্টেই বেড়েছে। এর মধ্যে সকাল ৯টায় কানাইঘাটে সুরমার পানি ছিল বিপদসীমার ৭১ সেন্টিমিটার উপরে। দুপুর ১২টায় তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৭ সেন্টিমিটার। সুরমার সিলেট পয়েন্টে সকাল ৯টায় পানি ছিল বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার উপরে।

দুপুর ১২টায় তা এক পয়েন্ট কমে এসেছে ৮ সেন্টিমিটারে। ফেঞ্চুগঞ্জে সকাল ৯টায় কুশিয়ারার পানি ছিল বিপৎসীমার ৩৯ সেন্টিমিটার উপরে। দুপুর ১২টায় তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২ সেন্টিমিটারে। জৈন্তাপুরের সারিঘাটে ৯টায় পানি ছিল বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার উপরে। দুপুর ১২টায় তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ সেন্টিমিটারে। এছাড়া সিলেটে ৪টি পয়েন্টেও পানি বেড়েছে।

এদিকে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিতীয় দফা বন্যায় নষ্ট হয়ে গেছে ক্ষেতের ফসল, তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট, বাড়ি-ঘর। ফলে বন্যাকবলিত এলাকার লাখো মানুষ এখন দিশেহারা। এর মাঝে বৃষ্টি নিয়ে কোনো স্বস্তির খবরও নেই আবহাওয়া অফিসের কাছে।

সিলেটের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী জানান, সিলেটে টানা বৃষ্টি হবে আরও সপ্তাহ পর্যন্ত। তবে পরিমাণ কিছুটা কমবে। মূলত উজানে ভারতের মেঘালয় ও আসামের বৃষ্টিই সিলেটে বেশি প্রভাব ফেলছে বলে তিনি জানান।

পানি উন্নয়ন বোর্ড, সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহীদুজ্জামান সরকার জানান, মাঝে মাঝে দু’একটা পয়েন্টে বন্যার পানি কিছুটা কমলেও বেশিরভাগ পয়েন্টে পানি বাড়ছে। এতে প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। এভাবে উজানের বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে আরও বড় বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাথে ডিসি’র ভার্চুয়াল কনফারেন্স
                                  

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: ১০ দিনের ব্যবধানে দ্বিতয়বারের মতো সুনামগঞ্জে বন্যা দেখা দেয়ায় প্রধামন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. আহমদ কায়কাউসের সঙ্গে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে  ভার্চুয়াল সভা করেছেন সুনামগঞ্জের ডিসি আব্দুল আহাদ। আজ রবিবার বিকালে এ ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ভিডিও কনফারেন্সে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোঃ তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোহসীন।

ভার্চুয়াল সভায় সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান, সিভিল সার্জন ডাঃ শামস উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকবৃন্দ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সবিবুর রহমানসহ অন্যান্যরা।

ভিডিও কনফারেন্সে  প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং সঠিকভাবে সমন্বয়ের মাধ্যমে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের জন্য প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত নির্দেশনা প্রদান করেন।

বৃহত্তর জৈন্তায় গ্যাস সংযোগের দাবিতে জমিয়তে উলামার মানববন্ধন
                                  

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: বৃহত্তর জৈন্তার সর্বত্র গ্যাস সংযোগ দেওয়ার দাবিতে বিশাল মানববন্ধন করেছে জমিয়তে উলামা বাংলাদেশ। জমিয়তে উলামা বাংলাদেশ জৈন্তাপুর শাখার সভাপতি মাওলানা আব্দুল জব্বার লামনীগ্রামীর সভাপতিত্বে রবিবার বিকেলে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জৈন্তার গ্যাসে সারা দেশের মানুষ উপকৃত হচ্ছে। অথচ জৈন্তাবাসী দীর্ঘদিন থেকে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বক্তারা বলেন, এবার আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণ তাঁদের অধিকার আদায় করে ছাড়বে ইনশাআল্লাহ।

জমিয়তে তালাবা বাংলাদেশ সিলেট জেলা শাখার সদস্য সচিব ছাত্র নেতা আল আমিন হাসান নাহিদের সার্বিক পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জমিয়তে উলামা বাংলাদেশ কেন্দ্রিয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ক্বারী হারুনুর রশীদ চতুলী, জেদ্দা জমিয়তে উলামার সাবেক সাধারণ সম্পাদক হযরত মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, জমিয়তে উলামা নেতা মাওলানা আব্দুল হামীদ, মাওলানা আব্দুল হাফিয, সাবেক ছাত্র নেতা মাওলানা জাকারিয়া, মাওলানা রফিউদ্দীন শাহিন, মাওলানা নজরুল ইসলাম, মাওলানা নুরুল ইসলাম সুরইঘাটী,  জমিয়তে উলামা দরবস্ত ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা বশীর আহমদ, জমিয়তে তালাবা বাংলাদেশ কেন্দ্রিয় কমিটির সভাপতি ছাত্রনেতা মাওলানা ইমাদুদ্দীন লাহিন, সিলেট জেলা জমিয়তে তালাবার আহবায়ক মাওলানা খালেদ আহমদ, জৈন্তাপুর উপজেলা জমিয়তে তালাবার সভাপতি মাওলানা সভাপতি মাওলানা আফতাব উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক হাফিয মাওলানা আলিমুদ্দীন, যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা এবাদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মৌ. আশফাকুজ্জামান, ৫ নং বড় চতুল ইউনিয়ন জমিয়তে তালাবার সাধারণ সম্পাদক মৌ. তামীম আহমদ,  কানাইঘাট পৌর জমিয়তে উলামার প্রচার সম্পাদক মাওলানা শামসুল আলম, কানাইঘাট পৌর  জমিয়তে তালাবার সভাপতি মৌ. রায়হান উদ্দীন, সাংগঠনিক সম্পাদক মৌ. মিযানুর রহমান নূরী, ছাত্র নেতা হাফিয  মাওলানা রেজওয়ানুল করীম,  পৌর জমিয়তে তালাবার প্রচার সম্পাদক নাবিল আহমদ, মাওলানা আমানুল্লাহ প্রমুখ।

সুনামগঞ্জের লক্ষাধিক বানবাসি মানুষ চরম খাদ্য সংকটে
                                  

বাবুল মিয়া, সুনামগঞ্জঃ সুনামগঞ্জের লক্ষাধিক বানবাসি মানুষ চরম খাদ্য সংকটে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে গত ২৪ ঘন্টায় ভারতের চেরাপুঞ্জিতে ২৬৬ মিলিমিটার ও সুনামগঞ্জে রবিবার সকাল ৯ টা পর্যন্ত ৯২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানান। সুুুুরমা নদীর পানি কমলেও হুহু করে বাড়ছে প্রতিটি হাওরের পানি। সেই সাথে নতুন করে হাওরপাড়ের ঘর বাড়িসহ সুনামগঞ্জ শহরের প্রতিটি পাড়া মহল্লা রাস্তা-ঘাট ডুবে যাওয়ায় আতংকের মধ্যে আছেন এসব এলাকার মানুষ।  

সুনামগঞ্জ পৌর এলাকার ৯ নং ওয়ার্ডের ওয়েজখালী গ্রামের রাজা মিয়া জানান, মহা দুর্যোগ করোনার মধ্যে ব্যবসা বাণিজ্য কাজকর্ম না থাকায় খুবই কষ্টের মাঝে পরিবার পরিজন নিয়ে কোন মতে বেঁচে আছি। এর মধ্যে পর পর  দুই বারের বন্যার কারনে আমরার বাড়ি ঘর পানির তলে গেছে। আমরা খুব কষ্টের মাঝে দিন কাটাইরাম। সরকারী বা পৌরসভা তাকি আমরারে তেমন কোন সাহায্য সহযোহিতা না করায় চোখে মুখে পথ দেখেরাম না। জানিনা আমরার কপালো কিতা আছে।

এদিকে সুনামগঞ্জে ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকায় সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৩৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলার নিম্নাঞ্চলসহ জেলা সদর প্লাবিত হয়ে  কাচা ঘররবাড়ি রাস্তাঘাট, দোকানপাট ইত্যাদি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি এসব মানুষ নিকটস্থ আশ্রয় কেন্দ্রে গিয়ে  উঠছেন। প্রবল বর্ষণ এ উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার অক্ষয়নগর, সোনাপুর, সদরগড়, আছিনপুর, লালপুর, রাজারগাঁও, গোবিনপুর,রাধানগর, পুরান লক্ষণশ্রী, বড়ঘাট, জগাইরগাঁও, উমেদশ্রী, হরিনগর, কামারটুক, হালুয়ারঘাট,  রহমতপুর, বালিকান্দি, ইব্রাহিমপুর, মুসলিমপুরসহ সুরমা ইউনিয়নের ২৬ গ্রাম প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। জেলা শহরের কাজির পয়েন্ট, ষোলঘর, পশ্চিম বাজার, মধ্যবাজার, হাছননগর, ধোপাখালী, উকিলপাড়া, মাছ বাজার, সবজি বাজার, মল্লিকপুর, হাজীপাড়া, পশ্চিম হাজিপাড়া, নতুনপাড়া, বড়পাড়া, তেঘরিয়া, সাহেব বাড়িঘাট, মুহাম্মদপুর এলাকা  প্লাবিত হয়েছে।

এদিকে জেলা প্রশাসনেরপক্ষ থেকে উদ্ভুত বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় ১১ উপজেলাসহ জেলা সদরে কন্ট্রোল রোম খোলা হয়েছে। বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে জেলা প্রশাসনে পক্ষ থেকে শুকনো খাবারসহ অন্যান্য ত্রাণ সামগ্রী দেওয়া হলেও তা চাহিদার তুলনায় খুবই অপ্রতুল। জেলা সদরের বিভিন্ন পাড়া মহল্লা ও গ্রাম ঘুরে দেখা যায় আশ্রয় কেন্দ্রে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় ভেজা কাপড় নিয়ে মাথা গুজার একটু আশ্রয়ের আশায় এদিক ওদিক ছুটছেন।

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পুলিশের অভিযানে ৮ জুয়াড়ী গ্রেফতার
                                  

কাইয়ুম সুলতানঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে জুয়া খেলার আসর থেকে ৮ জুয়াড়ীকে গ্রেফতার করেছে শাহবাজপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ।

শুক্রবার (১০জুলাই) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ইউপির কবিরা গ্রামের বন্ধন ব্রিক ফিল্ড এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ।এ সময় পুলিশ জুয়ার বোর্ডের ৪ হাজার ৮শ’ ৯০ টাকা, ২টি জুয়া খেলার বোর্ড, কয়েকটি মোবাইল ফোনসহ জুয়া খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। শনিবার দুপুরে পুলিশ গ্রেফতার জুয়াড়ীদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।

গ্রেফতার ব্যাক্তিরা হলেন উপজেলার নিজবাহাদুরপুর ইউনিয়নের কান্দিগ্রামের মৃত ইরমান আলীর ছেলে মো.শাহাজাহান (৫২), মৃত ইলিয়াস আলীর ছেলে আলীম উদ্দিন(৩২), মনাফ আলীর ছেলে- আইসেন (৩৩) , ও একই ইউনিয়নের কবিরা গ্রামের ইমাম উদ্দিনের ছেলে কামাল হোসেন(৩০), মুহিবুর রহমানের ছেলে বাবুল আহমদ(৩২), সইম আলীর ছেলে ওয়াছিম আলী(২৫) ইটাউরি গ্রামের সোহাগ আহমদের ছেলে শামীম আহমদ(২৮) এবং বিয়ানীবাজার উপজেলার জলঢুপ পাড়িবহর এলাকার মৃত আব্দুল কাইয়ুমের ছেলে সালাহ উদ্দিন(৩৩)।

পুলিশ জানায়, উপজেলার নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়নের কবিরা এলাকার বন্ধন ব্রিক ফিল্ডের শ্রমিকদের বসবাসের একটি ঘরে জুয়া খেলা হয়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সেখানে অভিযান চালায় শাহবাজপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ। এসময় সেখানে ৮ জন লোক জুয়া খেলছিল।  পুলিশ সেখান থেকে জুয়ার বোর্ডের ৪ হাজার ৮শ’ ৯০ টাকা, ২টি জুয়া খেলার বোর্ড, কয়েকটি মোবাইল ফোনসহ জুয়া খেলার সরঞ্জাম উদ্ধারসহ ৮ জুয়াড়ীকে আটক করে ।

শাহবাজপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে শনিবার দুপুরে জানান,  তাঁদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে  কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সিলেটে ভারতীয় খাসিয়ার গুলিতে আরও এক বাংলাদেশি নিহত
                                  

সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে আবারো ভারতীয় খাসিয়ার গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক মারা গেছে। নিহতের নাম আবুল হোসেন। সে উপজেলার লামাবাজার গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে। আজ শনিবার দুপুরে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উৎমা সীমান্তে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। গত ২ মাসে এই উপজেলার সীমান্তে খাসিয়াদের গুলিতে ৫ বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন।

বিজিবি ৪৮ ব্যাটালিয়নের এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল আহমেদ ইউসুফ জামিলের দাবি, বাবুল হোসেন নামের ওই ব্যক্তি অবৈধভাবে ভারতে ঢুকে খাসিয়াদের বাগান থেকে আনারস চুরি করতে গিয়েছিল। এ সময় তার অপর সহযোগি খাসিয়াদের গুলিতে আহত হয়। আহত যুবকের নাম কয়েস মিয়া।

লে. কর্ণেল আহমেদ ইউসুফ জামিল জানান, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উৎমা সীমান্ত দুইজন বাংলাদেশী নাগরিক আনুমানিক ৮০০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে আনারস চুরির জন্য যান। ভারতীয় খাসিয়া নাগরিকরা তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি করলে বাবুল হোসেন মারা যান। তার সহযোগী কয়েছ মিয়া গুলিবিদ্ধ হয়ে পালিয়ে আসেন। বর্তমানে সে পলাতক রয়েছে।

তিনি আরও জানান, সীমান্তে এই মুহূর্তে অবৈধ চলাচল রোধকল্পে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যেও সীমান্তে টহল এবং নজরদারী অব্যাহত রয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকার বাংলাদেশী নাগরিকদের অবৈধভাবে প্রবেশ না করার জন্য বারবার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বড়লেখায় করোনায় প্রথম মৃত্যু, দাফন সম্পন্ন
                                  

কাইয়ুম সুলতানঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক তবারক আলী(৭৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
মারা যাওয়া ওই শিক্ষকের বাড়ি বড়লেখা পৌরসভার বারইগ্রাম (মহুবন্দ) এলাকায়। তিনি ষাটমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক।

জানা গেছে শুক্রবার (১০ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় সিলেট মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। উপজেলায় এই প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলো। বড়লেখায় এ পর্যন্ত ৬৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে ৪০ জন সুস্থ্য হয়েছেন।

এদিকে শনিবার (১১ জুলাই) সকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ওই শিক্ষকের লাশ দাফন করেছে মৌলভীবাজার ইকরামুল মুসলিম ফাউন্ডেশন।

বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস এ তথ্য নিশ্চিত বলেন, মারা যাওয়া ওই শিক্ষক করোনার উপসর্গ জ্বর ও কাশিতে ভুগছিলেন। গত ৬ জুলাই তিনি নমুনা পরীক্ষার জন্য দেন। গত বুধবার (০৮ জুলাই) রাতে তাঁর নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন পজিটিভ আসে। পরদিন সকালে তার বাড়ি লকডাউন করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় গতকাল শুক্রবার তাকে সিলেটের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। রাতেই তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাঁর লাশ দাফন করা হয়েছে। বড়লেখায় করোনা পজিটিভ হয়ে তিনি প্রথম মৃত্যবরণ করেন।

শ্রীমঙ্গলে নতুন করে আরও ৮ জন করোনায় আক্রান্ত
                                  

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি: শ্রীমঙ্গলে ব্যাংকার, স্বাস্থ্যকর্মী ও পুলিশ সদস্যসহ নতুন করে আরও ৮ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের একজন ব্যাংক কর্মকর্তা, থানার কনস্টেবল ও একজন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারীসহ মোট ৮ জন আক্রান্ত।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইউএচইএফপিও ডা. মো. সাজ্জাদ হেসেন চৌধুরী জানান, গতকাল শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে ঢাকা ল্যাব থেকে এই আট জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। গত ৭ ও ৮ জুলাই তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছিল।  

এই আটজন নিয়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭৫ জন। এর মধ্য ৫৫ জন সুস্থ হয়েছেন এবং মারা গেছেন ৩ জন।

১০ দিনের ব্যবধানে আবারো সুনামগঞ্জ প্লাবিত
                                  

বাবুল মিয়া, সুনামগঞ্জঃ ১০ দিনের ব্যবধানে সুনামগঞ্জেে আবারো বন্যার হানা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে গত ২৪ ঘন্টায় ভারতের চেরাপুঞ্জিতে ৫২৩ মিলিমিটার ও সুনামগঞ্জে শনিবার সকাল ৯ টা পর্যন্ত ২৫২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানান। সুনামগঞ্জে ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকায় সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৪৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে জেলার নিম্নাঞ্চলসহ জেলা সদর প্লাবিত হয়ে বহু কাচা ঘররবাড়ি রাস্তাঘাট, দোকানপাট ইত্যাদি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি এসব মানুষ নিকটস্থ আশ্রয় কেন্দ্রে গিয়ে উঠছেন।

প্রবল বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার অক্ষয়নগর, সোনাপুর, সদরগড়, আছিনপুর, লালপুর, রাজারগাঁও, গোবিনপুর, রাধানগর, পুরান লক্ষণশ্রী, বড়ঘাট, জগাইরগাঁও, উমেদশ্রী, হরিনগর, কামারটুক, হালুয়ারঘাট,  রহমতপুর, বালিকান্দি,ইব্রাহিমপুর, মুসলিমপুরসহ সুরমা ইউনিয়নের ২৬ গ্রাম প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

জেলা শহরের কাজির পয়েন্ট, ষোলঘর, পম্চিম বাজার, মধ্যবাজার, হাছননগর, ধোপাখালী, উকিলপাড়া, মাছ বাজার, সবজি বাজার, জেলা প্রশাসকের বাসভবন,, জেলা জজের বাসভবন, মল্লিকপুর, হাজীপাড়া, পশ্চিম হাজিপাড়া, নতুনপাড়া, বড়পাড়া,তেঘরিয়া, সাহেব বাড়িঘাট, মুহাম্মদপুর এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এদিকে জেলা প্রশাসনেরন পক্ষ থেকে উদ্ভুত বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় ১১ উপজেলাসহ জেলা সদরে কন্ট্রোল রোম খোলা হয়েছে।

সিলেটে ফের বন্যা, বিপদসীমার ওপরে সব নদ-নদীর পানি
                                  

সিলেট প্রতিনিধি : উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে সিলেটে আবারও দেখা দিয়েছে বন্যা। সুরমা, কুশিয়ারা, সারিসহ সবকটি নদ-নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

শনিবার সকাল পর্যন্ত জেলার গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। তলিয়ে গেছে ফসলি জমি ও মাছের খামার।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুসারে, আজ সকাল ৯টায় কানাইঘাট পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৭১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। একই সময়ে সারি নদীর সারিঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ৩ সেন্টিমিটার ও কুশিয়ারার ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়।

পাউবোর তথ্য মতে, কানাইঘাটে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ৮২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। একই সময় পর্যন্ত সিলেটে ৫৫ মিলিমিটার ও শেওলায় ৩৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়। রাতভর বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় নদ-নদীর পানি বেড়েছে। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন চার উপজেলার কয়েক হাজার মানুষ।

শায়েস্তাগঞ্জে ইউএনও করোনায় আক্রান্ত
                                  

শায়েস্তাগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুমী আক্তার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া জেলায় নতুন করে আরও ২৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। ইউএনও সুমী আক্তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট পাওয়ার পর থেকে তিনি নিজ বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
গতকাল রাতে হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলিছুর রহমান উজ্জ্বল এ তথ্য দিয়েছেন।

তিনি জানান, ইউএনও সুমী আক্তার কয়েক দিন আগে করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা প্রদান করেন। গতরাতে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাব. মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টার থেকে আসা রিপোর্টে তার করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়।

হবিগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাবে গত ১১ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত হবিগঞ্জে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে হবিগঞ্জ সদর (শায়েস্তাগঞ্জসহ) ৩৩৭, চুনারুঘাট ১৫৬, মাধবপুর ১২৬, নবীগঞ্জ ৮৭, বাহুবল ৬০, লাখাই ৩৫, বানিয়াচং ৩৬ ও আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় ২৫ জন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৬ জন ও সুস্থ হয়েছেন ৩৩৫ জন।

মৌলভীবাজারে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের রহস্যজনক মৃত্যু
                                  

কাইয়ুম সুলতানঃ মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ২ নং মনুমুখ ইউনিয়নের স্বর্ণপদক প্রাপ্ত সাবেক চেয়ারম্যান সুজন মিয়া(৬০) এর মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
 বুধবার (৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তার নিজ বাড়ি থেকে ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সকালে তার বাড়ির কেয়ারটেকার সিলিংয়ের রডের সাথে রশি দিয়ে সুজন মিয়ার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। পরে আশ পাশের লোকজনকে খবর দিলে তারা পুলিশকে বিষয়টি জানান।

মৌলভীবাজার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ জিয়াউর রহমান ও মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ইউপি মেম্বার সায়েদ আলী জানান, সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে আমাকে ফোন করে বিষয়টি জানানো হলে আমি ঘটনাস্তলে এসে সুজন মিয়ার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পাই। তিনি একজন ভালো মানুষ ছিলেন,  আমার জানা মতো তার কোনো দুশমন নেই।
এব্যাপারে সদর সার্কেল এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ জিয়াউর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা বিস্তারিত তদন্তের মাধ্যমে জানা যাবে।


হবিগঞ্জে চাল কেলেঙ্কারিতে বরখাস্ত হলেন চেয়ারম্যান
                                  

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: করোনা পরিস্থিতিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে চাল বিতরণের তালিকায় অনিয়ম এবং আত্মসাতের অভিযোগে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ১১নং গজনাইনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইমদাদুর রহমান মুকুলকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে- খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির হতদরিদ্রদের তালিকা প্রণয়নে ব্যাপক অনিয়ম-নিয়মবহির্ভূতভাবে ডিলারকে দিয়ে তালিকা প্রস্তুত করা, মৃত ব্যক্তিকে ও একই ব্যক্তির নাম একাধিকবার অন্তর্ভুক্ত এবং বরাদ্দকৃত চাল সঠিক ব্যক্তির মাঝে বিতরণ না করার অভিযোগ ওঠে। এ কারণে হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ১১নং গজনাইনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমদাদুর রহমান মুকুলকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

সাময়িকভাবে বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান ইমদাদুর রহমান মুকুলকে পৃথক কারণ দর্শানো নোটিশে কেন চূড়ান্তভাবে তাকে পদ থেকে অপসারণ করা হবে না, তার জবাবপত্র এ চিঠি প্রাপ্তির ১০ কার্যদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

করোনায় সকল শ্রেণীর মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার: পরিবেশমন্ত্রী
                                  

কাইয়ুম সুলতান, মৌলবীবাজার: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, ‘করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কালীন সময়ে সরকার সকল শ্রেণী পেশার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা করোনা পরিস্থিতিতে দেশে কর্মহীন হয়ে পড়া পরিবার গুলোতে খাদ্যসামগ্রী সহায়তা এবং মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, মাদ্রাসা, গার্মেন্টসকর্মী, কৃষক-শ্রমিক এবং নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষকে নগদ অর্থসহ বিভিন্ন ভাবে সহায়তা প্রদান করে প্রধানমন্ত্রী এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে করোনা ভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১২২জন নন এমপিও শিক্ষক কর্মচারীদের মাঝে ৫ লক্ষ ৬০ হাজার টাকার বিশেষ অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এই কথাগুলো বলেন। তিনি ঢাকার সরকারি বাসভবন থেকে অনলাইনে অনুষ্ঠানের সাথে সংযুক্ত হয়েছিলেন।
মন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর দূরদর্শিতার মাধ্যমে সকলকে সঙ্গে নিয়ে যেভাবে বৈশ্বিক এই মহামারি মোকাবিলা করছেন তা বিশ্বে বিরল। দেশের অনেক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে মানুষের দুর্দশা কমেছে এবং এজন্য তিনি বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হচ্ছেন।
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কমে আসলে সরকার জনগণের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতিকল্পে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। ফলে বাংলাদেশ পুনরায় উন্নয়নের ধারায় ফিরে আসবে।
চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরান। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার উদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন, বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক উপাধ্যক্ষ এ কে এম হেলাল উদ্দিন, বড়লেখা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাওলাদার আজিজুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. উবায়েদ উল্লাহ খান প্রমুখ।

শ্রীমঙ্গলে বিপুল পরিমান বালু ও উত্তোলন সরঞ্জামাদি জব্দ
                                  

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি: শ্রীমঙ্গল উপজেলা কালাপুর ইউনিয়নের মাজদিহি নামক স্থানে চা বাগানের লিজডিডভুক্ত খাসজমির বালু কতিপয় লোকজন উত্তোলনের মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করছে- রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার এরকম তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর ১২ টার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে র‍্যাব-৯, শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর আহমেদ নোমান জাকি এর নেতৃত্বে র‍্যাব এর একটি চৌকস দল সহায়তা প্রদান করে।

অভিযান পরিচালনাকালে ঘটনাস্থলে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তোলিত স্তুপীকৃত বালু ও বালু উত্তোলনের সরঞ্জামাদি যেমন ২টি শ্যালো মেশিন, জোড়া লাগানো বেশকিছু পাইপ, ১ টি এক্সকেভেটর ও বালুভর্তি ১ টি মিনিট্রাক পাওয়া যায়। সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করার সাথে জড়িত দুর্বৃত্তরা অভিযানের খবর পেয়ে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে প্রাপ্ত আনুমানিক ৪২ হাজার ঘনফুট বালু প্রকাশ্য স্পট নিলামের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দরদাতার নিকট হতে ৪ লাখ ৪৪ হাজার টাকা নিলামমূল্য পাওয়া যায়।

এছাড়া বালু উত্তোলনের সরঞ্জামাদির মালিককে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী ২ লাখ ৮০ আশি হাজার টাকা অর্থদণ্ড আরোপ ও আদায় করা হয়।

একইসাথে প্রাপ্ত সুনির্দিষ্ট তথ্য অনুযায়ী বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত ৩ ব্যক্তির বিরুদ্ধে শ্রীমঙ্গল থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব নজরুল ইসলাম জানান, এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।


   Page 1 of 52
     সিলেট
ছাতকে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বেড়েছে দুর্ভোগ
.............................................................................................
সিলেটের কানাইঘাট ও গোয়াইনঘাটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি
.............................................................................................
সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাথে ডিসি’র ভার্চুয়াল কনফারেন্স
.............................................................................................
বৃহত্তর জৈন্তায় গ্যাস সংযোগের দাবিতে জমিয়তে উলামার মানববন্ধন
.............................................................................................
সুনামগঞ্জের লক্ষাধিক বানবাসি মানুষ চরম খাদ্য সংকটে
.............................................................................................
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পুলিশের অভিযানে ৮ জুয়াড়ী গ্রেফতার
.............................................................................................
সিলেটে ভারতীয় খাসিয়ার গুলিতে আরও এক বাংলাদেশি নিহত
.............................................................................................
বড়লেখায় করোনায় প্রথম মৃত্যু, দাফন সম্পন্ন
.............................................................................................
শ্রীমঙ্গলে নতুন করে আরও ৮ জন করোনায় আক্রান্ত
.............................................................................................
১০ দিনের ব্যবধানে আবারো সুনামগঞ্জ প্লাবিত
.............................................................................................
সিলেটে ফের বন্যা, বিপদসীমার ওপরে সব নদ-নদীর পানি
.............................................................................................
শায়েস্তাগঞ্জে ইউএনও করোনায় আক্রান্ত
.............................................................................................
মৌলভীবাজারে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের রহস্যজনক মৃত্যু
.............................................................................................
হবিগঞ্জে চাল কেলেঙ্কারিতে বরখাস্ত হলেন চেয়ারম্যান
.............................................................................................
করোনায় সকল শ্রেণীর মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার: পরিবেশমন্ত্রী
.............................................................................................
শ্রীমঙ্গলে বিপুল পরিমান বালু ও উত্তোলন সরঞ্জামাদি জব্দ
.............................................................................................
কানাইঘাটের আলোচিত সেই ধর্ষক গ্রেফতার
.............................................................................................
বাউল একাডেমী ও বাউল পল্লী নির্মাণের দাবিতে পরিকল্পনামন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি
.............................................................................................
শ্রীমঙ্গলে করোনা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে যা্ওয়ার পথে মৃত্যু
.............................................................................................
সিলেটে করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন বিএনপি নেতা এম এ হক
.............................................................................................
সিলেটে করোনা শনাক্ত আরও ৬৪ জনের
.............................................................................................
সিলেটের বিছনাকান্দি সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়ার গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
.............................................................................................
ছাতকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
.............................................................................................
মৌলভীবাজারে বিদায়ী জেলা প্রশাসককে জেলা সাংবাদিক ফোরামের সম্মাননা
.............................................................................................
সুনামগঞ্জের ডিসি অটিস্টিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুলে দিলেন ৫০হাজার টাকা
.............................................................................................
মৌলভীবাজারে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ৭০ জন
.............................................................................................
শ্রীমঙ্গলে ৫ বছরের শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধার
.............................................................................................
সুনামগঞ্জে ইউনিয়ন পরিষদ সচিব সমিতির জেলা সভাপতি করোনায় আক্রান্ত
.............................................................................................
শ্রীমঙ্গলে নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার মাস্ক ও পিপিই জব্দ, জরিমানা
.............................................................................................
সিলেটে করোনা শনাক্ত ২৮ জনের ২৬ জনই সুনামগঞ্জের
.............................................................................................
করোনায় মারা গেলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানের ছোট ভাই ফয়জুর
.............................................................................................
সুনামগঞ্জের ১১ উপজেলায় বন্যা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
.............................................................................................
বাহুবল হাসপাতালে জীবাণু নাশক বুথ দিলেন এমপি মিলাদ গাজী
.............................................................................................
ছাতকে দুই লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি
.............................................................................................
করোনায় সিলেটের আরেক চিকিৎসকের মৃত্যু
.............................................................................................
পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলসহ জেলা সদর প্লাবিত
.............................................................................................
শ্রীমঙ্গলে করোনাকালে শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত
.............................................................................................
সিলেটের জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কানাইঘাটে বন্যা
.............................................................................................
সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে ২ জেলের মৃত্যু
.............................................................................................
ঢাকা সংবাদপত্র হকার্স ইউনিয়ন সভাপতির মৃত্যুতে সিলেট মহানগর সংবাদপত্র হকার্স সমিতির শোক
.............................................................................................
করোনা উপসর্গ নিয়ে হবিগঞ্জ কারাগারে আসামির মৃত্যু
.............................................................................................
সুনামগঞ্জে করোনা পজেটিভ ৫১
.............................................................................................
শ্রীমঙ্গলে ১০ বছরের শিশু মুন্নির করোনা জয়
.............................................................................................
কানাইঘাটে রাস্তার মাইল ফলক ভাংচুর ও বাড়ীতে হামলা; থানায় অভিযোগ দায়ের
.............................................................................................
ছাতকে সিমেন্ট বোঝাই ট্রাক খাদে, আহত ১
.............................................................................................
শ্রীমঙ্গলে নতুন করে আরও ৫ জনের করোনা ভাইরাস শনাক্ত
.............................................................................................
হাফিজুর হালেমা ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান প্রদান
.............................................................................................
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় করোনার সাথে ডেঙ্গু আতংকে পৌরবাসী
.............................................................................................
শ্রীমঙ্গলে ড্রেন থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার
.............................................................................................
করোনাকালীন সময়ে মৌলভীবাজারে ব্র্যাকের মানবিক সহায়তা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft