শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   ইসলাম -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
আজ পবিত্র আশুরা

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : আজ পবিত্র আশুরা তথা হিজরী সালের ১০ মহররম। ইসলামের ইতিহাসে এক হৃদয়বিদারক দিন। এই দিনে ইরাকের ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে পৃথিবীর নির্মমতম ঘটনার অবতারণা হয়।

মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা:)-এর প্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসেন (রা.) মাত্র ৭২ জন সহযোগী নিয়ে ইয়াজিদের বিশাল বাহিনীর সঙ্গে জিহাদ করে শহীদ হন। তার আগে ইয়াজিদ বাহিনীর ঘাতকরা ইমাম হোসেন (রা:)-এর স্ত্রী, পুত্র ও সব নিকটাত্মীয়কে একে একে হত্যা করে।

মুসলিম জাহানের তৎকালীন স্বঘোষিত খলিফা ইয়াজিদ দায়িত্ব তুলে দেয়ার কথা বলে কুফা নগরীতে আমন্ত্রণ জানায় হযরত ইমাম হোসেন (রা.)-কে। পথে কারবালার প্রান্তরে অবরুদ্ধ করা হয় তাদের।

ফোরাত নদী অবরোধ করে তৃষ্ণার্ত ইমাম হোসেন (রা:)-কে পানি পর্যন্ত পান করতে দেয়া হয়নি। তার সব সঙ্গী ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে শহীদ হওয়ার পর নির্মমভাবে সীমারের হাতে শহীদ হন মহানবী (স.)-এর প্রিয় দৌহিত্র।

ইয়াজিদ ঘোষিত পুরস্কারের লোভে সীমার এ বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড ঘটায়। কারবালার ঘটনা ছাড়া আরো অনেক কারণে ১০ মহররম মুসলিম বিশ্বে তাৎপর্যমণ্ডিত। ইসলামের ইতিহাসে এই দিনে সৃষ্টি-ধ্বংসের অনেক ঘটনা ঘটেছিল।

মহান আল্লাহ্‌তায়ালা পৃথিবী সৃষ্টি করে এই দিন আরশে বসেছিলেন এবং এই দিনেই পৃথিবী ধ্বংস তথা কিয়ামত হবে।

এদিনে অনেক নবী-রাসূল জন্মগ্রহণ করেন। আদি পিতা হযরত আদম (আ.)-এর তওবা কবুল হয়েছিল এই দিনে। এদিনই হযরত নূহ (আ.) ও তার সঙ্গীরা ভয়াবহ প্লাবন থেকে মুক্তি পান।

হযরত ইউনূস (আ.) মাছের পেট থেকে মুক্তি পান এই দিনে। প্রায় ১৪০০ বছর ধরে সারা বিশ্বের মুসলমান ১০ মহররমের শোককে শক্তিতে পরিণত করতে রোজা রাখেন।

এদিনটি তাই একদিকে মুসলমানদের জন্য শোকাবহ, অন্যদিকে তাৎপর্যমণ্ডিত। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও নানা আয়োজনে দিবসটি পালন করা হয়।

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি পালন করা হবে।

তবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকির কারণে এবার তাজিয়া মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ইমামবাড়াগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ধর্মীয় অনুষ্ঠান করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী প্রদান করেছেন।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

আজ পবিত্র আশুরা
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : আজ পবিত্র আশুরা তথা হিজরী সালের ১০ মহররম। ইসলামের ইতিহাসে এক হৃদয়বিদারক দিন। এই দিনে ইরাকের ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে পৃথিবীর নির্মমতম ঘটনার অবতারণা হয়।

মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা:)-এর প্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসেন (রা.) মাত্র ৭২ জন সহযোগী নিয়ে ইয়াজিদের বিশাল বাহিনীর সঙ্গে জিহাদ করে শহীদ হন। তার আগে ইয়াজিদ বাহিনীর ঘাতকরা ইমাম হোসেন (রা:)-এর স্ত্রী, পুত্র ও সব নিকটাত্মীয়কে একে একে হত্যা করে।

মুসলিম জাহানের তৎকালীন স্বঘোষিত খলিফা ইয়াজিদ দায়িত্ব তুলে দেয়ার কথা বলে কুফা নগরীতে আমন্ত্রণ জানায় হযরত ইমাম হোসেন (রা.)-কে। পথে কারবালার প্রান্তরে অবরুদ্ধ করা হয় তাদের।

ফোরাত নদী অবরোধ করে তৃষ্ণার্ত ইমাম হোসেন (রা:)-কে পানি পর্যন্ত পান করতে দেয়া হয়নি। তার সব সঙ্গী ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে শহীদ হওয়ার পর নির্মমভাবে সীমারের হাতে শহীদ হন মহানবী (স.)-এর প্রিয় দৌহিত্র।

ইয়াজিদ ঘোষিত পুরস্কারের লোভে সীমার এ বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড ঘটায়। কারবালার ঘটনা ছাড়া আরো অনেক কারণে ১০ মহররম মুসলিম বিশ্বে তাৎপর্যমণ্ডিত। ইসলামের ইতিহাসে এই দিনে সৃষ্টি-ধ্বংসের অনেক ঘটনা ঘটেছিল।

মহান আল্লাহ্‌তায়ালা পৃথিবী সৃষ্টি করে এই দিন আরশে বসেছিলেন এবং এই দিনেই পৃথিবী ধ্বংস তথা কিয়ামত হবে।

এদিনে অনেক নবী-রাসূল জন্মগ্রহণ করেন। আদি পিতা হযরত আদম (আ.)-এর তওবা কবুল হয়েছিল এই দিনে। এদিনই হযরত নূহ (আ.) ও তার সঙ্গীরা ভয়াবহ প্লাবন থেকে মুক্তি পান।

হযরত ইউনূস (আ.) মাছের পেট থেকে মুক্তি পান এই দিনে। প্রায় ১৪০০ বছর ধরে সারা বিশ্বের মুসলমান ১০ মহররমের শোককে শক্তিতে পরিণত করতে রোজা রাখেন।

এদিনটি তাই একদিকে মুসলমানদের জন্য শোকাবহ, অন্যদিকে তাৎপর্যমণ্ডিত। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও নানা আয়োজনে দিবসটি পালন করা হয়।

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি পালন করা হবে।

তবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকির কারণে এবার তাজিয়া মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ইমামবাড়াগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ধর্মীয় অনুষ্ঠান করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী প্রদান করেছেন।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

পবিত্র আশুরা আগামীকাল
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : আগামীকাল ৩০ আগস্ট রোববার পবিত্র আশুরা। কারবালার শোকাবহ ইতিহাসসহ সৃষ্টি-ধ্বংসের ঘটনাবহুল এ দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ত্যাগ ও শোকের প্রতীকের পাশাপাশি বিশেষ পবিত্র দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে এ দিনটি। এ উপলক্ষে রোববার সরকারি ছুটির দিন।

হিজরি ৬১ সনের ১০ মহররম এই দিনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসেইন (রা.) এবং তার পরিবার ও অনুসারীরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে শহীদ হন।

এ ঘটনা স্মরণ করে বিশ্ব মুসলিম যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালন করে থাকে। শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম ইসলামের মহান আদর্শকে সমুন্নত রাখতে তাদের এই আত্মত্যাগ মানবতার ইতিহাসে সমুজ্জ্বল হয়ে রয়েছে। কারবালার এই শোকাবহ ঘটনা ও পবিত্র আশুরার চিরন্তন বাণী সকলকে অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং সত্য ও সুন্দরের পথে চলতে প্রেরণা যোগায়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) আগামীকাল (১০ মহররম) পবিত্র আশুরা উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় সব ধরণের তাজিয়া, শোক ও পাইক মিছিল নিষিদ্ধ করেছে।

বুধবার ডিএমপির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান করোনাভাইরাস সংক্রমণের পরিস্থিতিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ডিএমপি আশুরা উপলক্ষে সব ধরণের তাজিয়া, শোক ও পাইক মিছিল নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

তবে ধর্মপ্রাণ নগরবাসী স্বাস্থ্যবিধি মেনে ইমাম বাড়াসমূহে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে পারবেন। এসব অনুষ্ঠানস্থলে দা, ছোরা, কাঁচি, বর্শা, বল্লম, তরবারি, লাঠি ইত্যাদি বহন এবং আঁতশবাজি ও পট্কা ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক আগামীকাল বিশেষ প্রবন্ধ, নিবন্ধ প্রকাশ করবে।

বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন বেসরকারি রেডিও-টিভি চ্যানেলও এই দিনের তাৎপর্য নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করবে। সূত্র : বাসস

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

মক্কা-মদিনার মসজিদ পরিচালনায় ১০ নারী
                                  


স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : সৌদি আরব সরকার পবিত্র নগরী মক্কা ও মদিনার মসজিদ পরিচালনা কমিটির উচ্চ পর্যায়ে ১০ জন নারীকে নিয়োগ দিয়েছে।

মক্কা ও মদিনার দুই মসজিদে প্রশাসনিক ও কারিগরিসহ বিভিন্ন পদে এই ১০ নারীকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

নারীর কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্যে সৌদি সরকার এ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে। এর আগে, ২০১৮ সালে এই দুই মসজিদে নেতৃত্ব পর্যায়ে ৪১ জন নারীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।

সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরব সরকার নারীদের জন্য বেশ কিছু সংস্কার এনেছে। সেখানে নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে, সিনেমা হলে নারীরা যেতে পারে এবং কনসার্টে নারী-পুরুষ সহাবস্থান করতে পারে। সূত্র : আরব নিউজ ও ডেইলি মেইল

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

২০ হাজার পরিবারকে কোরবানির গোশত প্রদান
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্টার : কাতার চ্যারিটি বাংলাদেশ অফিসের তত্ত্বাবধানে এবার ২০ হাজার অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে কোরবানির গোশত বিতরণ করা হয়েছে। করোনা মহামারির বিষয়টি মাথায় রেখে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের ১৯টি কেন্দ্র থেকে এই গোশত বিতরণ করা হয়েছে।

আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রকল্প পরিচালক মো. সোহেল আলম জানান, গোশত বিতরণের আগে অত্যন্ত পরিচ্ছিন্নভাবে তা প্রস্তুত করা হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশু জবাই করার পর প্রতিটি অংশ আলাদাভাবে ঝুলিয়ে রাখা হয়, তারপর গোশত ছোট ছোট আকারে কেটে পলিথিন ব্যাগে পরিমাণ মতো ভরে বিতরণ করা হয়।

গোশত গ্রহীতারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে লাইন ধরে একজনের পর একজন কাতার চ্যারিটির এই ঈদ উপহার গ্রহণ করেন। এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে কোরবানির গোশত পৌঁছে দেয়া হয়।
 
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে গোশত বিতরণের এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কাতার চ্যারিটির বাংলাদেশ অফিসের পরিচালক ড. মো. আমিন হাফিজ ওমর কিশোরগঞ্জের ভৈরব সেন্টারে উপস্থিত থেকে গোশত বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এছাড়া রংপুরের গঙ্গাচড়া, লালমনিরহাটের আদিতমারী, ঢাকার ধামরাই, সিলেট সদর, কুষ্টিয়ার কুমারখালি এবং বাগেরহাটের ফকিরহাটসহ গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে কাতার চ্যারিটির বাংলাদেশ অফিসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।  

গোশত বিতরণের এই কার্যক্রম সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

পবিত্র হজে আরাফাতের খুতবায় যা বললেন খতিব
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি হল হজ। আর্থিক এবং শারীরিক সক্ষম প্রত্যেক মুসলমানের জন্য জীবনে একবার হলেও হজ করাকে ফরজ করা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে এবারের হজ সীমিত পরিসরে পালন হচ্ছে। মাত্র ১০ হাজার মসল্লি নিয়ে এবারের হজে অংশ নিতে পেরেছেন। বাংলাদেশ সময় ৩টা ২৫ মিনিটে আরাফাতের ময়দানে মসজিদে নামিরা থেকে খুতবা দেয়া হয়। শেষ হয় ৩টা ৫৭ মিনিটে। খুতবা প্রদান করেন শায়খ আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমান আল-মানিয়া।

এরআগে, ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই আরাফাতের ময়দানে হাজির হন।

খুতবায় শায়খ আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমান আল-মানিয়া, আল্লাহতায়ালার প্রশংসা ও নবীজি (সা.) এর ওপর দরুদ পাঠ করার পর বলেন- হে মুসলিম সম্প্রদায়, আমি তোমাদের প্রতি উপদেশ দিচ্ছি, তোমরা আল্লাহতায়ালাকে ভয় কর। এর মাধ্যমে আপতিত সব আপদ-বিপদ তিনি দূর করে দিবেন। আল্লাহতায়ালাকে ভয় করার অর্থ হল- সুখে-দুঃখে, শান্তিতে-অশান্তিতে আল্লাহতায়ালার কাছেই সমর্পিত হওয়া। কোনো কিছুর প্রয়োজন হলে তাঁর কাছেই চাওয়া। পৃথিবীর কোনো সৃষ্টির কাছে না চাওয়া। এটাই কালিমার দাবি।

কুরআনে আল্লাহতায়ালা বলেছেন, তোমরা আল্লাহতায়ালার ইবাদত কর, তার সঙ্গে কাউকে শরিক করো না।

তিনি বলেন, আল্লাহতায়ালার ওপরে, তার সৃষ্ট ফেরেশতাদের ওপরে, আসমানি কিতাবসমূহের ওপরে, আগত সমস্ত রাসূলের ওপরে, কিয়ামত দিবসের ওপরে এবং ভালো-মন্দ যা কিছু হয় তা আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে হয়- এ কথার ওপরে অন্তরে দৃঢ়বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে।

তিনি বলেন, আল্লাহতায়ালা আমাদের জন্য একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা দিয়েছেন। ঐতিহাসিক বিদায় হজের ভাষণে নবীজি (সা.) কুরআনের আয়াত পড়েছিলেন- আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম এবং আমার নেয়ামতকে তোমাদের ওপরে পরিপূর্ণ করলাম, আর তোমাদের জন্য মনোনীত করলাম ইসলাম ধর্মকে।

খতিব বলেন, আল্লাহতায়ালা পবিত্র কুরআনের আরেক জায়গায় বলেছেন- হে ইমানদারগণ, তোমরা সাহায্য প্রার্থনা কর সবর এবং সালাতের মাধ্যমে। নিশ্চয়ই আল্লাহতায়ালা ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।

হে মানব সম্প্রদায়, পৃথিবী দুঃখকষ্ট থেকে মুক্ত নয়। জীবনের পদে পদে আপদ-বিপদ আসবেই। তখন আমাদের নিরাশ হলে চলবে না। ধৈর্যধারণ করে আল্লাহতায়ালার কাছে সাহায্য চাইতে হবে।

আল্লাহতায়ালা বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে আমাদের ঈমানকে যাচাই করতে চান। ধৈর্যধারণ করে সেই পরীক্ষায় আমাদের উত্তীর্ণ হতে হবে। আল্লাহতায়ালা বলেন, আমি অবশ্যই তোমাদের ভয় দিয়ে, ক্ষুধা দিয়ে এবং জানমালকে সংকীর্ণ করে দিয়ে পরীক্ষা করব। সুসংবাদ ধৈর্যশীলদের জন্য।

হে মানবসম্প্রদায়, আল্লাহতায়ালার দয়া ও অনুগ্রহ অত্যন্ত প্রশস্ত। তিনি আমাদের জন্য সবকিছু সহজ করতে চান। পবিত্র কুরআনে আছে, প্রত্যেক কাঠিন্যতার সঙ্গেই সহজতা আছে। সাময়িক কিছু দুঃখ-দুর্দশা আমাদের জীবনে এলেও এর বিনিময়ে আল্লাহতায়ালা আমাদের উত্তম বিনিময় দান করবেন।

তিনি বলেন, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহতায়ালার বিধান মানা আমাদের জন্য আবশ্যক; যা হালাল তা উপার্জন করতে হবে। আর যা হারাম তা পরিত্যাগ করতে হবে। পবিত্র কুরআনে আছে- আল্লাহতায়ালা ক্রয়-বিক্রয়কে হালাল করেছেন এবং রিবা তথা সুদকে হারাম করেছেন। তাই সুদ-ঘুষ খাওয়া যাবে না।

অন্যায়ভাবে কারও সম্পদ ভোগ করতে আল্লাহতায়ালা নিষেধ করেছেন। তাকদির আমাদের জন্য নির্ধারিত। মানুষের সঙ্গে সদাচরণ করতে হবে। পৃথিবীতে ফ্যাসাদ সৃষ্টি করা যাবে না। পরস্পরে ভাতৃত্ব ও সৌহার্দ বজায় রাখতে হবে। নারী-পুরুষ সবার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এটাই ইসলামের বিধান।

আল্লাহতায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, আল্লাহতায়ালা তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন যে, তোমরা তার ইবাদত করবে এবং মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণ করবে। তাদের দু`জনের একজনকে বা দুজনকেই যদি বৃদ্ধ অবস্থায় পাও, তাহলে তাদের সামনে (তাদের আচরণে বিরক্ত হয়ে) উফ বলবে না এবং তাদের ধমক দিবে না। বরং তাদের সঙ্গে নম্রভাবে কথা বলবে।

হে মানবসম্প্রদায়, আল্লাহতায়ালা তোমাদের ন্যায় ও ইনসাফের নির্দেশ দিয়েছেন। ইসলামে মানবজাতির জন্য এমন বিধিবিধান রাখা হয়েছে, যার মাধ্যমে সমশ্রেণির মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

আল্লাহতায়ালা বলেছেন, তোমরা আল্লাহতায়ালার রঞ্জুকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে ভেদাভেদ সৃষ্টি করো না।

বিদায় হজের ভাষণে নবীজি (সা.) বলেছেন- সতর্ক হয়ে যাও, নিশ্চয়ই আল্লাহতায়ালা তোমাদের প্রতি তোমাদের রক্ত ও মালকে হারাম করে দিয়েছেন। যেমন তোমাদের এদিন হারাম তোমাদের এই শহরে, তোমাদের এই মাসে।

হে মানবসম্প্রদায়, নবীজি (সা.) বলেছেন, তোমরা কুষ্ঠরোগী দেখলে পলায়ন করো, যেমন বাঘ দেখলে পলায়ন করে থাক। তেমনিভাবে, তোমাদের কোনো এলাকায় যদি মহামারী দেখা দেয়, তাহলে সেখান থেকে বের হইও না এবং সেখানে প্রবেশ করো না।

এই হাদিসগুলোর প্রতি লক্ষ্য করে উদ্ভূত মহামারীর কারণে সৌদি সরকার এবারের হজকে সীমিত পরিসরে আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেয়। খাদিমুল হারামাইন শারিফাইন বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ এবং তার সন্তান মোহাম্মদ বিন সালমানকে আল্লাহতায়ালা উত্তম বিনিময় দান করুন।

হে আল্লাহতায়ালার বান্দারা, আজকের এ আরাফাতের দিন দোয়া কবুলের দিন। আমরা নিজেদের জন্য, অন্য সবার জন্য এবং মহামারী থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করব। আল্লাহতায়ালা কুরআনে বলেছেন- তোমাদের প্রতিপালক বলছেন, তোমরা আমার কাছে প্রার্থনা কর। আমি তোমাদের প্রার্থনাকে কবুল করব।


সূত্র: যুগান্তর

এবার বাংলা ভাষায় শুনা যাবে হজের খুতবা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে ধর্মীয় উৎসব হলো পবিত্র হজ। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা ও মদীনা শরীফে যান। হজের খুতবা শুধুমাত্র আরবি ভাষায় প্রচারিত হয়ে আসছিলো। তবে গতবছর আরবি ছাড়া আরও ৫টি ভাষায় খুতবার অনুবাদ প্রচার হয়েছিলো। এবার বাংলা ভাষায়ও হজের খুতবা প্রচারিত হবে। এবার মোট ১০টি ভাষায় প্রচারিত হবে পবিত্র হজের খুতবা।

গ্র্যান্ড মসজিদ ও মসজিদে নববীর জেনারেল অ্যাফেয়ার্সের চেয়ারম্যান ড. আব্দুল রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল সুদাইস জানিয়েছেন, এ বছর আরবি ছাড়াও ইংরেজি, মালয়, উর্দু, ফার্সি, ফ্রেঞ্চ, মান্দারিন, তুর্কি, রুশ, হাবশি ও বাংলা ভাষায় হজের খুতবা অনুষ্ঠিত হবে।

মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে এবারের হজ আগের মতো ব্যাপক অংশ গ্রহণে হচ্ছে না। সৌদি সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এক সপ্তাহ আগে থেকে হজে অংশগ্রহণকারীদের আইসোলেশনের মাধ্যমে এবারের হজের কার্যক্রম শুরু হবে। মহামারি করোনা ভাইরাস যেন হজের সময় কারও মধ্যে না ছড়ায় সে লক্ষ্যে বিভিন্ন সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে সৌদি সরকার। পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি বিনা অনুমতিতে মক্কা ও এর আশপাশের এলাকায় প্রবেশের ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গত ২২ জুন এক ঘোষণায় সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায়, দেশটি বসবাসকারী সব দেশের নাগরিকদের এবারের হজে সীমিত আকারে অংশগ্রহণের অনুমতি দেবে।


সূত্র : গালফ নিউজ

১ আগস্ট ঈদুল আযহা
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট: বাংলাদেশের আকাশে আজ জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। চাঁদ দেখা না যাওয়ায় আগামীকাল ৩০ জিলকদ। আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) থেকে জিলহজ মাস শুরু হবে বাংলাদেশে। ১০ জিলহজ অর্থ্যাৎ ১ আগস্ট পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হবে সারা দেশে।

আজ জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সহ-সভাপতি ও ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নূরুল ইসলাম।

এরআগে, গতকাল সৌদিআরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে জিলহজ মাসের দেখা যায়নি। তাই মধ্যপ্রাচ্যে পবিত্র ঈদুল আযহা পালিত হবে ৩১ জুলাই।

স্পেনের কর্ডোভা মসজিদ খুলে দিতে শারজার আমিরের আহ্বান
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: স্পেনের বৃহত্তর ও বিশ্ববিখ্যাত করডোভা মসজিদের মালিক কেবল মুসলমানরাই। তাই এটি মুসলমানদের জন্য খুলে দিতে আহ্বান জানিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ নগরীর আমির সুলতান বিন মুহাম্মাদ কাসিমি।

করডোভা মসজিদটি ৭৮২ খ্রিস্টাব্দে স্পেনে উমাইয়া শাসনের প্রবর্তক আবদুর রহমান আদ দাখিল কর্ডোভা নগরীতে এটি পুননির্মাণ করেন। পরে ১২৩৬ খ্রিস্টাব্দে খ্রিস্টানরা স্পেন বিজয় করলে বিশ্ববিখ্যাত এ মসজিদটি ক্যাথলিকদের গির্জায় রূপান্তর করা হয়।

শারজাহ’র আমির এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘আমরা কর্ডোভা মসজিদকে আবারও  মসজিদ হিসেবে ব্যবহারের দাবি জানাচ্ছি। আমাকে বলা হয়, সিটি কাউন্সিল তা খ্রিস্টানদের দিয়েছে। তখন আমি বললাম, মালিকানাহীন বস্তু অনুপযুক্তকে দেওয়া হয়েছে। অথচ এর মালিকানা শুধু  মুসলিমদের।’ -আলজাজিরা।

উল্লেখ্য, স্পেনে মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়েছিল মুর জাতির মাধ্যমে। তারা রাজধানী হিসেবে বেছে নিয়েছিল কর্ডোভা নগরীকে। ৭১১ থেকে ১৪৯২ সাল পর্যন্ত মুসলিম শাসনামলে সভ্যতার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছায় স্পেন। এ সময় স্পেনে শিক্ষা-দীক্ষা ও জ্ঞানবিজ্ঞানের ব্যাপক প্রসার ঘটে। নির্মিত হয় অনেক লাইব্রেরি, হাম্মাম (গোসলখানা) ও মসজিদ। অসাধারণ শিল্পনৈপুণ্যে তৈরি অসংখ্য মুসলিম স্থাপনা যে কোনো মানুষের দৃষ্টি কেড়ে নিতে সক্ষম। এসব স্থাপনার মধ্যে কর্ডোভা মসজিদ অন্যতম।

কুরবানি নিয়ে দারুল উলুম দেওবন্দের ভাবনা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: প্রাণঘাতী বৈশ্বিক মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাবের এ সময়ে পবিত্র ঈদুল আজহা সন্নিকটে। করোনায় পশু জবেহ না করে কুরবানির টাকা দান করা যাবে কি? করোনার এ সংকটকালীন সময়ে কুরবানি নিয়ে মতামত জানিয়েছে উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দ। দেওবন্দের অনলাইন ফতোয়া সাইট এ বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মী উৎসব ঈদ। ঈদুল ফিতরে মুমিন মুসলমান ফিতরা আদায় করেন। আর ঈদুল আজহায় সামর্থবান কিংবা নিসাব পরিমান সম্পদের মালিকরা পশু কুরবানি করে থাকেন। আর তা সম্পদশালীদের জন্য ওয়াজিব বা আবশ্যক কাজ।

চাঁদ দেখা সপেক্ষে আগামী ৩১ জুলাই কিংবা ১ আগস্ট অনুষ্ঠি হবে এ ঈদ। আর এ দিন মুসলিম উম্মাহ পশু জবেহের মাধ্যমেই পালন করবে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত কুরবানি।

বিশ্বব্যাপী মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাবে এ সময়ে কুরবানি না করে এ অর্থ গরিব-অসহায়দের মাঝে দান করার বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ সম্পর্কে দেশ-বিদেশের অনেক ইসলামিক স্কলার তাদের মতামত সুস্পষ্ট করেছেন।

দারুল উলুম দেওবন্দও তাদের অনলাইন ফতোয়া সাইটে মতামত তুলে ধরেছে। কুরবানির পশু জবাই না করে সে অর্থ অন্যদের মাঝে বিতরণ সম্পর্কে তারা জানিয়েছে যে,-
`পশু কুরবানির বিকল্প নেই৷ কুরবানি না করে তার অর্থ দান করা যাবে না।`

তবে কেউ যদি কুরবানির জন্য নির্ধারিত দিনে কোনো কারণে কুরবানি আদায় করতে সক্ষম না হয় তবে কুরবানির সমপরিমাণ অর্থ গরিব-অসহায়দের মাঝে বিতরণ করতে হবে বলেও জানিয়েছে দারুল উলুম দেওবন্দ।

তবে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কুরবানি বিধান পালন করতে হবে। কুরবানি পরবর্তী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে বিশেষ খেয়াল রাখার প্রতিও গুরুত্বারোপ করেছে দারুল উলুম দেওবন্দ।

ঈদের নামাজ পড়া সম্পর্কে দারুল উলুম দেওবন্দ আরও ঘোষণা করে যে, ঈদুল আজহার নামাজও মুসলিমরা বাড়িতেই আদায় করবে। যেভাবে ঈদুল ফিতরের নামাজ ভারতের মুসলিমরা বাড়িতে আদায় করেছিল। দারুল উলুম দেওবন্দের শরিয়াহ কাউন্সিল সবার প্রতি তা পালনে উদ্বাত্ত আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য যে, হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম পশু কুরবানির মাধ্যমে এ ইবাদত চালু করেছিলেন৷ বিশ্বনবি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়েও তা যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের অন্যতম মাধ্যম কুরবানি আদায়ে কোনো মুমিন মুসলমানেরই বিরত থাকা ঠিক নয়।

কেননা কুরবানি নাম ইবাদতের মাধ্যমে মুমিন মুসলমান মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করে থাকে। এ ইবাদতের মাধ্যমেই মুমিন মুসলমানের সঙ্গে মহান আল্লাহর নিবিড় সম্পর্ক তৈরি হয়। কেননা কুরবানির পশুর রক্ত, গোশ্ত বা হাড় কোনো কিছুই মহান আল্লাহর কাছে পৌঁছে না; বরং মানুষের কুরবানির করার নিয়ত বা মনের সংকল্পই মহান আল্লাহর কাছে পৌঁছে। তাই এ ইবাদতের মাধ্যমেই বান্দা সহজে মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করতে সক্ষম হয়।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে কুরবানি আদায় করে তার নৈকট্য অর্জনের তাওফিক দান করুন। গরিবদের মাঝে অর্থ সাহায্যের নামে কুরবানি থেকে বিরত থাকা থেকে হেফাজত করুন। কুরবানি করে গোশ্ত ও চামড়ার অর্থ বিতরণ করে গরিব-অসহায়দের মাঝে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।


সূত্র: আমাদের সময়

জার্মানিতে মুসলিমরা পাচ্ছেন ডিজিটাল ধর্মীয় সেবা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: জার্মানির মুসলিমদের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল জানিয়েছে, করোনাভাইরাসকেন্দ্রিক এই দুর্যোগের সময়ে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের মাঝে ডিজিটাল যোগাযোগ বেড়েছে, বিশেষ করে মসজিদে যারা নিয়মিত আসতেন তাদের মাঝে।

‘আমরা ডিজিটাল সেবা দিতে গিয়ে খুব ভালো সাড়া পাচ্ছি,’ বার্তা সংস্থা ইপিডিকে জানান কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী আয়মান মাজিয়েক। কাউন্সিল যেই ডিজিটাল সেবাটি দিচ্ছে তাতে ইমামদের বক্তব্য ও ধর্মোপদেশ ছাড়াও রয়েছে প্রশ্ন ও উত্তরের অংশ। শুধু তাই নয়, এই সেবা তরুণদের সাহায্য নিয়ে বয়স্করা একসঙ্গে বসে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ধর্মীয় তথ্যসেবা গ্রহণ করছেন।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে মসজিদগুলো এখন পুরোপুরি বন্ধ। মাজিয়েক জানিয়েছেন, কাউন্সিলের অধীনে জার্মানিতে ৩৫টি সংগঠনের প্রায় ৩০০টির মতো মসজিদ আছে। অন্যান্য উপাসনালয়ের মতো মসজিদেও নামাজ আদায় বা প্রার্থনা করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে খ্রিস্টানরা যেমন খালি চার্চ থেকে শুধু পুরোহিতের মন্ত্র লাইভ প্রচার করেন এবং ঘর থেকে তা অন্যরা অনুসরণ করেন, তেমনটি মুসলিমদের ক্ষেত্রে ধর্মীয় কারণে এখনও করা যাচ্ছে না।

‘এই বিকল্প আসলে সম্ভব নয়,’ বললেন মাজিয়েক। তিনি জানান, সংগঠনের ভেতর ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ইসলামিক স্কলাররা এ নিয়ে আলোচনা না করে কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারবেন না। শুক্রবারের জুম্মার নামাজ শুধু মসজিদেই করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। তবে সাধারণ মানুষ এই ডিজিটাল আলোচনা ও ধর্মোপদেশ ভালোভাবেই গ্রহণ করেছে বলে জানান মাজিয়েক।

মাজিয়েক মনে করেন, করোনাভাইরাস সৃষ্টিকর্তার কোনো সাজা নয়, তবে একটা পরীক্ষা। ‘সাজা নয়, এটি সৃষ্টিকর্তার একটি পরীক্ষা যে, এত বিধিনিষেধ সত্ত্বেও কেমন করে সহানুভূতি, দানশীলতা, ধৈর্য্য ও ক্ষমার মানসিকতা ধরে রাখতে হয়’।

তিনি বলেন, মহামারির সময় কোনো এলাকার সুরক্ষা বা পৃথকীকরণ করার বিষয়ে নবীর নির্দেশনা আছে। সেগুলো বাস্তবসম্মত। ইসলামের বিশ্বাসও অন্ধভাবে ধংস হয়ে যাওয়া সমর্থন করে না। ডিডাব্লিউ

কুরআনের সেই পাণ্ডুলিপি বিক্রি হলো ৭৩ কোটি টাকায়
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: ১৫শ শতাব্দীতে মিং রাজবংশের সময়ে এক ধরণের চাইনিজ পেপারে সোনার প্রলেপে লেখা কুরআনের অনেক মূল্যবান সেই পাণ্ডুলিপিটি ৭০ লাখ পাউন্ডে বিক্রি হয়েছে। যা টাকার অংকে দাঁড়ায় ৭৩ কোটি ১৬ লাখ ৪০ হাজার।

বিশেষ ধরনের চাইনিজ পেপারে লিখিত সাড়ে ৫শ বছরের পুরনো কুরআনের দৃষ্টিনন্দন ‘তিমুরিদ কুরআন’-এর পাণ্ডুলিপিটি দেখতে যেমন অনিন্দ্য সুন্দর তেমনি আকর্ষণীয়। সুন্দর ও নিখুঁতভাবে লিখিত কুরআনের এ পাণ্ডুলিপি দেখলেই আবেগে অশ্রু ঝরবে, হৃদয়ে অন্য রকম এক শিহরণ জাগ্রত হবে।

গত ২৬ জুন শুক্রবার লন্ডনের ক্রিশ্চিয়াস নিলাম সেন্টারে `তিমুরিদ কুরআন`-এর এ পাণ্ডুলিপি বিক্রির জন্য উপস্থাপন করা হয়েছিল । দেখতে চমৎকার লোভনীয় দৃষ্টিনন্দন এ পাণ্ডুলিপিটি সেখানে নিলামে ৭০ লাখ পাউন্ডে বিক্রি হয়েছে।

নিলাম বিশেষজ্ঞরা আগেই ধারণা করেছিলেন যে, এ পাণ্ডুলিপিটি ৮০০ ডলার থেকে বিট শুরু হবে। যা ১.২ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। অবশেষে তা ৭০ লাখ পাউন্ড (প্রায় ৭.৩ মিলিয়ন) তথা ৭৩ কোটি ১৬ লাখ ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি হলো।

বহু শতাব্দী ধরে কুরআনের এ পাণ্ডুলিপিটি দেখতে স্বচ্ছ ও নিখুঁত। এটির রঙ ও উজ্জ্বলতা এখন অক্ষুন্ন রয়েছে। অনন্য মাত্রায় লেখা আশ্চর্যজনক ক্যালিগ্রাফিতে সাজানো কুরআনের পুরো পাণ্ডুলিপি। বিশেষ ধরনের চীনা কাগজে লিখিত কুরআনের এই পাণ্ডুলিপির পৃষ্ঠা এবং প্রচ্ছদে স্বর্ণের কাজ করা রয়েছে।

মহিমান্বিত রজনী: লাইলাতুল কদর
                                  

মুহাম্মদ শামসুল ইসলাম সাদিক
হাজার মাসের চেয়েও উত্তম রজনী লাইলাতুল কদর। উম্মতে মুহাম্মাদির জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত। আল্লাহর প্রেমে সিক্ত, জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাত অর্জনের এক বিশেষ সুযোগের রাত লাইলাতুল কদর। ‘শবে কদর’ শব্দটি ফারসি। শব অর্থ রাত বা রজনী আর কদর অর্থ মহিমান্বিত, সম্মান, মর্যাদা, গুণাগুণ, সম্ভাবনা, ভাগ্য ইত্যাদি। শবে কদরের অর্থ হলো মর্যাদার রাত বা ভাগ্যরজনী। শবে কদরের আরবি হলো লাইলাতুল কদর তথা সম্মানিত রাত। যে রাতে কোরআন নাজিল হয়েছে, সে রাতকে লাইলাতুল কদর বলা হয়। ইরশাদ হচ্ছে- ‘নিশ্চয়ই আমি কোরআন নাজিল করেছি মর্যাদাপূর্ণ কদর রজনীতে। আপনি কি জানেন, মহিমাময় কদর রজনী কী? মহিমান্বিত কদর রজনী হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। সে রাতে ফেরেশতাগণ জিবরাইল (আ:)-সহ সমভিব্যাহারে অবতরণ করেন; তাঁদের প্রভু আল্লাহর নির্দেশ ও অনুমতিক্রমে, সব বিষয়ে শান্তির বার্তা নিয়ে। এই শান্তির ধারা চলতে থাকে উষা পর্যন্ত (সুরা:কদর,আয়াত-১:৫)। প্রতিবছর রমজানের শেষ দশকের রাতগুলোর মধ্যে কোনো এক বিজোড় রাত হলো ভাগ্য নির্ধারণ বা লাইলাতুল কদরের রাত। ইরশাদ হচ্ছে- ‘শবে কদর এক হাজার মাসের চেয়েও উত্তম’ (সুরা:কদর,আয়াত-৩)।
রমজান মাস কোরআন নাজিলের মাস। শবে কদর কোরআন নাজিলের রাত। এ রাতেই প্রথম মক্কার হেরা পর্বতের গুহায় আল্লাহর পক্ষ থেকে জিবরাইল (আ:)-এর মাধ্যমে রাসুল (সা:)-এর প্রতি কোরআন অবতীর্ণ হয়। ইরশাদ হচ্ছে- ‘রমজান মাস! যে মাসে কোরআন নাজিল হয়েছে মানবের দিশারি ও হিদায়াতের সুস্পষ্ট নিদর্শনরূপে’ (সুরা:বাকারা,আয়াত-১৮৫)। শবে-কদর এমন এক রাত, যে রাতে সৃষ্টজীবের পূর্ণ এক বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করা হয়। প্রত্যেক প্রাণির রিযিক, জীবিকাসহ সর্বপ্রকার কাজ-কর্ম নির্ধারণ করা হয় বলে এই রাতকে লাইলাতুল কদর বা পরিমাপ নির্ধারণী রাত বলা হয়। রাসুল (সা:)-এরশাদ করেন- ‘যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদরে ঈমান সহকারে ও আল্লাহর কাছ থেকে বড় শুভফল লাভের আশায় ইবাদতের জন্য দাঁড়িয়ে থাকবে, তার পেছনের সব গুনাহ মাফ হয়ে যাবে’ (বুখারি ও মুসলিম)। এ রাতে বান্দার প্রতি আল্লাহর নূর বর্ষিত হয়। ফেরেশতাগণ এবং জিবরাঈল (আ:) এ রাতে যমীনে অবতরণ করেন। এ রাতের কল্যাণ থেকে একমাত্র হতভাগ্য লোক ছাড়া আর কেউ বঞ্চিত হয় না (ইবনে মাজাহ ও মিশকাত)।
মহিমান্বিত এ রজনীতে সমস্ত কুমন্ত্রনা, শয়তানি ওয়াসওয়াসা থেকে মুক্ত, অকেজো শয়তানের সমস্ত কাজ। উবাই ইবনে কা’ব (রা:) বলেন, ‘শয়তান এ রাতে কাউকে ক্ষতি বা রুগ্ন করতে পারে না, অথবা কোন বিশৃঙ্খলা ঘটাতে পারে না এবং কোন যাদুকর তার যাদু কার্যকর করতে পারে না’। রাসুল (সা:) ইরশাদ করেন- ‘ফেরেশতারা এ রাতে রহমত, বরকত ও প্রশান্তি নিয়ে অবতরণ করেন’। আবার কারো কারো মতে, ‘আল্লাহ এ বছরে যে সকল বিষয়ে নির্ধারণ ও ফয়সালা করেছেন ফেরেশতারা তা নিয়ে অবতরণ করেন’। রাসুল (সা:) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদরে ঈমানসহকারে ও সওয়াবের আশায় ইবাদতের জন্য দাঁড়িয়ে থাকবে (রাত্রি জাগরত করবে), তার পেছনের সব গুনাহ মাফ হয়ে যাবে’(বুখারি)। আবু বকর (রা:) ও আবব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা:)-থেকে বর্ণিত এবং হাদিস থেকেও এই তথ্যসহ কোনো কোনো ইসলামী মনীষী নিজস্ব ইজতিহাদ, গবেষণা, বিশ্লেষণের মাধ্যামে রমজানের ২৭ তারিখের রাতে (২৬ রমজানের রাতে) শবে কদর হওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা জোর দিয়ে বলেছেন। কিন্তু রাসুল (সা:) এটাকে সুনির্দিষ্ট করেননি; বরং কষ্ট করে খুঁজে নিতে বলেছেন। আল্লাহ তাঁর প্রিয় বান্দাদের পরিচয় এভাবেই দিয়েছেন- ‘তাঁরা রাত্রি যাপন করে রবের উদ্দেশে সিজদাবনত হয়ে ও দাঁড়িয়ে থেকে’ (সুরা: ফুরকান,আয়াত- ৬৪)।
মহিমান্বিত এ রাতকে আল্লাহ রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে লুকিয়ে রেখেছেন। বান্দাহ বিনিদ্র রজনী কাটাবে, সবর করবে এর মধ্যে খুঁজে পাবে সম্মানিত রাত, পাবে আল্লাহর রহমত ও মাগফিরাত; ফেরেশতার অদৃশ্য মোলাকাতে সিক্ত হবে তার হৃদয়, আপন রবের ভালোবাসায় হবে সে উদ্বেলিত। এ যেন দীর্ঘ বিরহের পর আপনজনকে ফিরে পাওয়ার আনন্দ। এ দীর্ঘ প্রতিক্ষার কষ্ট-বিরহের মাধ্যমে রব তার বান্দাহকে আরো আপন করে নেন। কাজেই শেষ দশ দিনের বেজোড় রাতগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ইবাদতে মশগুল হতে হবে। প্রতিটি রাতকেই লাইলাতুল কদর মনে করতে হবে। তাহলে লাইলাতুল কদর হাতছাড়া হবে না। আল্লাহর প্রিয় বান্দাহদের একটি গুণ। ‘তাদের পার্শ দেশ বিছানা থেকে পৃথক থাকে (তারা শয্যা গ্রহণ করে না ; ও ইবাদতে মশগুল থাকেন)। তারা দোযখের ভয়ে এবং রহমতের আশায় তাদের প্রভুকে ডাকতে থাকে এবং আমি যা দিয়েছি তা থেকে দান করে থাকে। কেউ জানে না। তাদের আমালের পুরস্কারস্বরূপ (আখিরাতে) তাদের জন্য কী জিনিস গোপনে রাখা হয়েছে’ (সুরা: সিজদা, আয়াত- ১৬:১৭)।
আবু হুরায়রা (রা:)-হতে বর্ণিত, রাসুল (সা:)-এরশাদ করেন- ‘স্বপ্নে আমাকে লাইলাতুল কদর দেখানো হল। কিন্তু আমার এক স্ত্রী আমাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে দেয়ায় আমি তা ভুলে গিয়েছি। অতএব, তোমরা তা রমজানের শেষ দশকে অনুসন্ধান কর’ (মুসলিম)। রাসুল (সা:) এরশাদ করেন- ‘তোমরা রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে শবে কদরকে অনুসন্ধান করো। (মুসলিম)। রমজানের ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯ তারিখের রাতগুলোই ( অর্থাৎ ২০, ২২, ২৪, ২৬ ও ২৮ শে রোজার দিবাগত রাত ) হলো শেষ দশকের বেজোড় রাত। রমজান মাসের শেষ দশকের বিজোড় রাতের মধ্যে কোনো একদিন লাইলাতুল কদর। তবে হাদিসে উল্লেখ পাওয়া যায় আবহাওয়া বা ঝলমলে একটি প্রাশান্তির রাত হবে সেদিন। এই রাতটি হবে খুবই শান্ত ও শান্তিময়। এই রাত শেষে সকালটি হবে প্রশান্তির। এ রাতে প্রত্যেক বস্তুকে সেজদারত অবস্থায় দেখা যাবে। প্রতিটি স্থান হবে বেহেস্তী আলোয় আলোকিত। সবচেয়ে সুস্পষ্ট নিদর্শন হচ্ছে, এই রাতের ইবাদত অন্তরে তৃপ্তি জোগাবে। এটি ভাগ্য বা মহিমান্বিত রজনী যা দোয়া কবুলের রাত। এ রাতেই আল্লাহ আমাদের ভাগ্য নির্ধারণ করে থাকেন। আয়েশা (রা:) রাসুল (সা:)-কে জিজ্ঞাসা করলেন- হে আল্লাহর রাসুল! (সা:)-আমি যদি লাইলাতুল কদর সম্পর্কে জানতে পারি, তাহলে আমি ওই রাতে আল্লাহর কাছে কী দোয়া করব? রাসুল (সা:) বলেন; তুমি বলবে, অর্থাৎ ‘হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন’ (ইবনে মাযাহ)।
কদরের আমল : নফল নামাজ, তাহিয়্যাতুল অজু, দুখুলিল মাসজিদ, আউওয়াবিন, তাহাজ্জুদ, সালাতুত তাসবিহ, তাওবার নামাজ, সালাতুল হাজাত, সালাতুশ শোকর ও অন্যান্য নফল নামায। বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত ও দরুদ পড়া, তাওবা-ইস্তিগফার, দোয়া-কালাম, তাসবিহ-তাহলিল, জিকির-আজকার, কবর জিয়ারত করা বিশেষ করে পিতা-মাতার জন্য ও সব মোমিন মুসলমানের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা। বান্দা তার প্রভুর কাছে চায়। আল্লাহ এতে ভীষণ খুশি হন। আল্লাহ তার বান্দার প্রতি এতটাই অনগ্রহশীল যে, তিনি তাঁর কাছে না চাইলে অসস্তুষ্ট হন। ‘যে আল্লাহর কাছে কিছু চায় না আল্লাহ তার ওপর রাগ করেন’ (তিরমিজি)। রাসুল (সা:)- এরশাদ করেন- ‘তোমাদের পরওয়ারদিগার লজ্জাশীল ও দাতা; লজ্জাবোধ করেন যখন তাঁর বান্দা তাঁর কাছে দু’হাত ওঠায়, তখন তা খালি ফিরিয়ে দিতে’ (তিরমিজি, আবু দাউদ, বায়হাকি)। হে তামাম সৃষ্টির ¯্রষ্ঠা তোমার দরবারে গোজারিশ আমাদের এ রাতে বেশি বেশি ইবাদত বন্দেগী করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
লেখক: প্রাবন্ধিক

বিষণ্ণ পৃথিবীতে মুক্তির মাস রমজান
                                  

মুহাম্মদ শামসুল ইসলাম সাদিক: রমজান শব্দটি আরবি রমজ ধাতু থেকে এসেছে। যার অর্থ পুড়িয়ে ফেলা, দহন করা, জ্বালিয়ে দেয়া। সারা বছর আমাদের শরীর এবং মনের ওপর যে আবর্জনার আস্তর জমে তা পুড়িয়ে ফেলে সুস্থতা আর শুদ্ধতার সন্ধান দেয় রমজান। রোজা হচ্ছে দ্বিমুখী- দেহশুদ্ধি এবং অন্তরশুদ্ধি। না খেয়ে থাকাটা রোজার একটা অংশ। রোজার আরেকটি অংশ হলো- গীবত, রাগ, ক্ষোভ, ঘৃণা, ঈর্ষা অর্থাৎ যে অন্যায় মানুষের মনকে কলুষিত করে তা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা এবং মানুষের পাশবিক ইচ্ছা ও জৈবিক চাহিদার মধ্যে সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখা। রোজার দ্বারা মানুষ আত্মশুদ্ধি ও পবিত্রতা অর্জনের মাধ্যমে সফলতার স্বর্ণশিখরে আরোহন সহ সংযমী করে।

বিশ্বে ইতিহাসে এবারের রমজান মুসলিমদের কাছে ভিন্ন রকম এক চিত্র নিয়ে হাজির। যখন সমস্ত পৃথিবী করোনা ভাইরাস নামের মহামারীতে আক্রান্ত। এ মহামারী ইতিমধ্যে প্রথম মহাযুদ্ধের চেয়েও বেশি মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছে। আরও কত জীবন কেড়ে নেবে সে আশঙ্কায় ভুগছে বিশ্বের প্রতিটি মানুষ। বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা মহামারীর দরুন সবাই এখন ঘরবন্দি। দেশে দেশে চলছে লকডাউন ও কারফিউ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ আছে মাসখানেক ধরে। পৃথিবীর ব্যস্ততম স্থানগুলোতে বিরাজ করছে পিনপুন নীরবতা। নেই মানুষের কোলাহল ও পদচারণ। এমন বিমর্ষ ও অচেনা বিষণ্ন পৃথিবীতে বছর ঘুরে ফিরে এলো রমজান। এই দুঃসময়ের মধ্যেও কোটি কোটি মুসলমান রোজা পালন করছেন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টির জন্য। ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি এবং মর্যাদাপূর্ণ অবশ্যপালনীয় ইবাদত রোজা। রোজা যে মানবদেহের জন্য কল্যাণকর তা আধুনিক বিজ্ঞানও স্বীকার করে। রমজান একটি পবিত্র মাস। রমজানের রোজা মুসলমানদের উপর ফরজ। ইরশাদ হচ্ছে- ‘হে ইমানদারগণ, তোমাদের জন্য রোজা ফরজ করা হয়েছে যেমন তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের প্রতি ফরজ করা হয়েছিল’ (সূরা বাকারার, আয়াত ১৮৩)

রমজানের আগমনে খুলে দেয়া হয়েছে জান্নাতের সব দুয়ার। বন্ধ হয়ে গেছে জাহান্নামের সবক’টা দরজা। শয়তানকে বেঁধে রাখা হয়েছে শেকলে। এ মাসে একটি রজনী রয়েছে- যা অন্য হাজার মাসের থেকেও উত্তম। যে এ মাসের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হল সে যেন (জীবনের) সব কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত হল।’ রাসুল (সা.) তাঁর সাহাবিদের রমজানের সুসংবাদ শোনাতেন। রমজানের মর্যাদার কথা বলতেন। ইবাদত ও সাধনায় মনোযোগী হওয়ার উপদেশ দিতেন। বেশি বেশি নেকি অর্জনে উৎসাহ জোগাতেন। আমাদের কর্তব্য হল, ইবাদতের বসন্তকাল রমজান মাস কে যথার্থ মূল্যায়ন করা। তার প্রাপ্য সম্মান দেয়া। রমজান মাস দুহাত ভরে পাওয়ার মাস কারণ, আমরা যদি এর উপযুক্ত মূল্য দিতে না পারি, জান্নাত লাভের এমন সুযোগকেও হাতছাড়া করে ফেলি, রাসুল (স) বলেছেন, যে জীবনে রমজান মাস পেল কিন্তু তার ভুল-ত্রুটি অন্যায় পাপাচার থেকে বেরিয়ে আসতে পারল না, নিশ্চয়ই এ জগতে তার চেয়ে বড় হতভাগা আর কে হতে পারে! রোজাকে আল্লাহ নিজের দিকে সম্বোধিত করে বলেছেন, ‘মানুষের সব আমল তাঁর জন্য; তবে রোজা ছাড়া। কেননা তা আমার জন্য এবং আমিই তার প্রতিদান দেব। রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মিশকের চেয়ে বেশি সুগন্ধিযুক্ত’ (বুখারি)। অন্য হাদিসে এসেছে, ‘রোজা ঢালস্বরূপ, যতক্ষণ তা ত্রুটিযুক্ত করা হয়’ (সুনানে নাসায়ি)। সে জন্য রোজার মাধ্যমে মানুষ আত্মসংযমের শিক্ষা পায়। এ সংযম মানুষকে শুদ্ধচারী হওয়ার পথ দেখায়। এছাড়া তাকওয়া বা আল্লাহভীতি অর্জন করা এবং এটা রোজার অন্তর্নিহিত প্রধান তাৎপর্য। কেননা ঘরে খাদ্য থাকতেও রোজা পালনের সময় সেই খাদ্য গ্রহণ থেকে মুমিনরা দূরে থাকে। আল্লাহর প্রতি ভয় তাদের দীর্ঘ সময় খাদ্য ও পানীয় থেকে দূরে থাকতে উদ্বুদ্ধ করে।

রমজান মাসে মহান প্রভু তাঁর বিশেষ অনুগ্রহে প্রত্যেকটি ভালো কাজের সওয়াব বা বরকত ৭০ গুণ বা তার বেশি পরিমাণ দিয়ে থাকেন। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এ মাস খাদ্য সংযমের মাস, পরিমিতিবোধের মাস, আত্ম উপলব্ধির মাস। কিন্তু বেনিয়াদী পুঁজিবাদীদের দিয়ে প্রভাবিত হয়ে আমরা অনেকে ভোগের উৎসবে মেতে উঠি। সংযমী হয়ে নিজেকে পরিশুদ্ধির চেয়ে খাবারে, কেনাকাটায় বা আচরণে অসংযম, আসক্তি বা অস্থিরতা এখন দৃশ্যমান। আমরা যেন এ অভিশপ্তদের অন্তর্ভুক্ত না হই। আমরা যত সংকটেই পড়ি না কেন, মহামারী করোনার বিপদ-আপদ পেরিয়ে শত বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও আমরা যেন সিয়াম সাধনা থেকে বঞ্চিত না হই।
আমরা ইবাদতের মাধ্যমে এ মাসের দিন-রাতগুলো কাটানোর প্রস্তুতি নেব। দ্বিগুণ উৎসাহ ও নিষ্ঠার সঙ্গে আমল করব। জীবনকে সুন্দর অর্থবহ পরিতৃপ্তিময় ও বিকশিত করার জন্যে রোজার বিকল্প নাই। এ মাসের প্রথম ১০ দিন রহমতের, মাঝের ১০ দিন মাগফিরাত এবং শেষ ১০ দিন দোজখের আগুন থেকে পরিত্রাণ লাভের। এ মাসে যে ব্যক্তি তার অধীনদের কাজ হালকা করে দেয়, আল্লাহ তাকে মাফ করে দেন এবং দোজখ থেকে নাজাত দান করেন। আমরা করোনার এই দুঃসময়ে গবির-দুঃখীরা যাতে সাহরি ও ইফতারের তৌফিক লাভ করে তা নিশ্চিত করতে তাদের পাশে দাঁড়াব। আল্লাহর কাছে বিশ্ববাসীকে করোনা ভাইরাসের থাবা থেকে মাফ করার প্রার্থনা জানাব। আল্লাহ রমজানে আমাদের প্রতি তাঁর রহমতের কুদরতী হাত বাড়াবেন- আমরা এমন আশা করতে চাই।

লেখক: প্রাবন্ধিক

১৪০০ বছর পর এবার মুসলিমদের তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদে আকসা মুসল্লি শূন্য
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: মুসলিমদের কাছে তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদে আকসা প্রতিষ্ঠার পর অর্থাৎ ১৪০০ বছর পর এবার পবিত্র রমজান মাসে মুসল্লি শূন্য। মসজিদটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে একসঙ্গে হাজার হাজার মানুষ পাশাপাশি দাঁড়িয়ে জামাতে নামাজ পড়েন এবং ২০ রমজান থেকে সেখানে মুসল্লির সংখ্যা লাখও ছাড়িয়ে যায়। তবে এ বছর সব হিসাব বদলে দিল মহামারি করোনাভাইরাস।

তবে নামাজ আদায়ে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও পাঁচ ওয়াক্তেই আল আকসায় যথারীতি আজান দেওয়া হচ্ছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ফিলিস্তিনে আজ শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে রোজা। তবে করোনা মহামারির কারণে দেশটিতে সব ধরনের জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বন্ধ স্কুল-কলেজ, রেস্টুরেন্ট, বিনোদনকেন্দ্র। স্থগিত করা হয়েছে মসজিদে জামাতে নামাজ আদায়ও।

পূর্ব জেরুজালেমের বাসিন্দা আম্মার বাকির বলেন, ‘কোনো মুসল্লি নেই, কোনো মানুষ নেই। ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর আল-আকসা মসজিদ বন্ধের ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।’

আল-আকসার পরিচালক শেখ ওমর আল-কিসোয়ানি বলেন, ‘এমন সিদ্ধান্ত ১৪০০ বছরের মধ্যে প্রথমবার নেওয়া হয়েছে। এটা খুবই কঠিন, এতে সবার মনেই কষ্ট হচ্ছে।’

মহামারির কারণে গত ২২ মার্চ আল-আকসা মসজিদে জামাতে নামাজ আদায় বন্ধ ঘোষণা করে জেরুজালেম ইসলামিক ওয়াকফ কাউন্সিল। গত ১৬ এপ্রিল তারা জানায়, এ নিষেধাজ্ঞা এবারের রমজান মাসজুড়েও অব্যাহত থাকবে। সবাইকে তারাবিহর নামাজ বাড়িতেই আদায় করার অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আজহারীর জন্য অঝোরে কাঁদলেন আরেক বক্তা
                                  

স্টাফ রিপোর্টার: বর্তমান সময়ের আলোচিত-সমালোচিত বক্তা মিজানুর রহমান আজহারীর জন্য অঝোরে কাঁদলেন আরেক বক্তা মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বাশার। মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বাশারের বাড়িও কুমিল্লায়।

গত শনিবার আবুল কালাম আজাদ বাশারের ওয়াজ মাহফিলের একটি ভিডিও ইউটিউবে দেখা যায়, তিনি মিজানুর রহমান আজহারীর প্রসঙ্গ তুলে কেঁদে ফেলেন।

মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বাশার ওয়াজের মধ্যে বলেন, আমাদের কুমিল্লার কৃতি সন্তান। বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো বক্তার মাহফিল শোনার জন্য এত যুবক একসঙ্গে একত্রিত হয়েছে আমার জানা নেই। এ দেশের যুবকরা সিনেমা দেখা ছেড়ে দিয়েছে। তারা ফুটবল ক্রিকেট খেলা ছেড়ে দিয়েছে। ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী পর্যন্ত এখন আমার আজহারীর মাহফিল শোনার জন্য পাগল হয়ে গিয়েছে। যে যুবকদের আমি পারিনি সিনেমা হল থেকে ফেরাতে, আমি পারিনি তাদের ক্রিকেট খেলার মাঠে থেকে কোরআনের তাফসির মাহফিলে আনতে। কিন্তু আমার এক ভাই, আল্লাহর এক বড় নেয়ামত উনার মাহফিলে এক হাজার, ১০ হাজার, ২০ হাজার যুবক লাখ লাখ একত্রিত হচ্ছে।

বাশার আরও বলেন, কোরআনের কথা শুনতে যদি যুবক যায়, কোনো ছাত্র যখন টুপি মাথায় দিয়ে মাদ্রাসায় যায় আমার অন্তরে আনন্দের হিন্দোল বয়ে যায়। যখন মসজিদের দিকে মুসল্লি যায়, আনন্দে আমার অন্তর লাফায়। মাহফিলে যখন যুবকরা যায়, কথা ছিল আনন্দে আমার মন লাফাবে। কিন্তু কেন যায়, আজকে আমার আজহারীর বিরুদ্ধে চতুর্মুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়ে গেছে। হয় তো আমার এই প্রিয় ভাইটিকে এই মাঠে কথা বলতে দেবে না। আলেমরা পেছন থেকে জামা টেনে ধরে, এটা কেমন চরিত্র।



সূত্র: সমকাল

এশার পর বিতর নামাজ পড়া আবশ্যক
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: বিতর নামাজ পড়া মুমিন মুসলমানের জন্য আবশ্যক। ইশা নামাজ আদায় করার পর এ নামাজ পড়তে হয়। ৩ রাকাআতের এ নামাজ পড়ার পর রয়েছে ছোট্ট একটি তাসবিহ। যা মহান রাব্বুল আলামিনের প্রশংসামূলক তাসবিহ।

বিতর নামাজে মুমিন মুসলমান আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগানের পর তার কাছে দুনিয়া ও পরকালের সফলতা লাভে অনেক দোয়া করে থাকে। এ প্রশংসা ও কামনা-বাসনাগুলো দোয়া কুনুতে ভরপুর। বিতর নামাজ শেষে এ তাসবিহ পড়তেন বিশ্বনবি। হাদিসে এসেছে-

হজরত উবাই ইবনে কাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিতরের নামাজের সালাম ফেরানোর পর (৩ বার) এই দোয়া পড়তেন-
سُبْحَانَ المَلِكِ الْقُدُّوْس
উচ্চারণ : ‘সুবহানাল মালিকিল কুদ্দুস’
অর্থ : ‘পূতপবিত্র রাজাধিরাজ আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি’(মিশকাত)

তাই মুমিন মুসলমানের উচিত সুন্নাতের অনুসরণে বিতর নামাজের পর ছোট্ট এ তাসবিহটি ৩ বার পড়ে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়অ সাল্লাম অনুসরণ ও অনকুরণে আল্লাহ পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে বিতর নামাজের পর উল্লেখিত ছোট্ট তাসবিহটি যথাযথ পড়ার তাওফিক দান করুন। হাদিসের ওপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


   Page 1 of 8
     ইসলাম
আজ পবিত্র আশুরা
.............................................................................................
পবিত্র আশুরা আগামীকাল
.............................................................................................
মক্কা-মদিনার মসজিদ পরিচালনায় ১০ নারী
.............................................................................................
২০ হাজার পরিবারকে কোরবানির গোশত প্রদান
.............................................................................................
পবিত্র হজে আরাফাতের খুতবায় যা বললেন খতিব
.............................................................................................
এবার বাংলা ভাষায় শুনা যাবে হজের খুতবা
.............................................................................................
১ আগস্ট ঈদুল আযহা
.............................................................................................
স্পেনের কর্ডোভা মসজিদ খুলে দিতে শারজার আমিরের আহ্বান
.............................................................................................
কুরবানি নিয়ে দারুল উলুম দেওবন্দের ভাবনা
.............................................................................................
জার্মানিতে মুসলিমরা পাচ্ছেন ডিজিটাল ধর্মীয় সেবা
.............................................................................................
কুরআনের সেই পাণ্ডুলিপি বিক্রি হলো ৭৩ কোটি টাকায়
.............................................................................................
মহিমান্বিত রজনী: লাইলাতুল কদর
.............................................................................................
বিষণ্ণ পৃথিবীতে মুক্তির মাস রমজান
.............................................................................................
১৪০০ বছর পর এবার মুসলিমদের তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদে আকসা মুসল্লি শূন্য
.............................................................................................
আজহারীর জন্য অঝোরে কাঁদলেন আরেক বক্তা
.............................................................................................
এশার পর বিতর নামাজ পড়া আবশ্যক
.............................................................................................
ইসলামে জুয়া-বাজি সম্পূর্ণ হারাম
.............................................................................................
আল্লাহু আকবার ধ্বনিতে মুখরিত আরাফার আকাশ-বাতাস
.............................................................................................
হজ ব্যবস্থাপনায় সফলতম ইতিহাস : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী
.............................................................................................
সুন্নত পালনের মধ্যে রয়েছে মুক্তি
.............................................................................................
ইয়াহুদিরা যে কারণে মাথায় টুপির মতো ‘কিপ্পা’ পরে
.............................................................................................
কাল পবিত্র আশুরা
.............................................................................................
পবিত্র আশুরা ২১ সেপ্টেম্বর
.............................................................................................
রোজা শুরু কবে, জানা যাবে আজ সন্ধ্যায়
.............................................................................................
নামাজে অলসতা ভয়াবহ পাপের কারণ
.............................................................................................
পালিয়ে বিয়ে করা নিয়ে ইসলাম কি বলে?
.............................................................................................
পবিত্র লাইলাতুল মি’রাজ ১৪ এপ্রিল
.............................................................................................
মৃত্যুর সময় ফেরেশতাকে চপেটাঘাত করেছিলেন যে নবী!
.............................................................................................
জাহান্নামের শাস্তি শুধু উত্তপ্ত আগুন নয়, তীব্র ঠান্ডাও
.............................................................................................
ইমাম কর্তৃক নায়েব নিয়োগ করা
.............................................................................................
কাফের-মুরতাদ আখ্যা দিতে পারে একমাত্র ইসলামি রাষ্ট্রের: কা’বার ইমাম
.............................................................................................
রাসুল (সা:) যে দুয়া পড়ে রাতে ঘুমাতেন
.............................................................................................
ইসলামে দৃষ্টিতে বিয়ে
.............................................................................................
ক্ষমার অতুলনীয় আদর্শ মুহাম্মদ (সা:)
.............................................................................................
যেভাবে হয় হজে এসে মৃত্যুবরণকারীদের কাফন-দাফন
.............................................................................................
আজ পবিত্র হজ
.............................................................................................
এবারের হজে সবচেয়ে বেশি বয়স্ক মানুষ তিনি!
.............................................................................................
‘হে মানুষ! তোমরা তোমাদের রবের ইবাদত কর’
.............................................................................................
যে আল্লাহর ওপর ভরসা করে, তার জন্য তিনিই যথেষ্ট
.............................................................................................
ইসলামের দৃষ্টিতে মিথ্যা শপথের মাধ্যমে কোন মুসলমানের সম্পদ দখলের শাস্তি
.............................................................................................
বিশেষ পুরস্কার রয়েছে কোরআন তেলাওয়াতকারীর জন্য
.............................................................................................
পবিত্র হজযাত্রার প্রস্তুতিতে যেসব বিষয় মনে রাখা দরকার
.............................................................................................
মুমিনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ লাইলাতুল কদর
.............................................................................................
ইতিকাফ : উদ্দেশ্য-প্রকারভেদ ও করণীয়-বর্জনীয়
.............................................................................................
বাংলাদেশ ইসলামি অর্থনৈতিক সূচকে ১৫তম
.............................................................................................
কুরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে দুবাই গেলেন হাফেজ তরিক
.............................................................................................
সবচেয়ে লম্বা রোজা গ্রিনল্যান্ডে, ছোট চিলিতে
.............................................................................................
এক মিনিটে আদায় করার মতো কিছু আমল
.............................................................................................
পঞ্চগড়ে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা
.............................................................................................
ক্যাথলিক ধর্মে ঈশ্বরকে খুঁজে না পেয়ে আইরিশ নারীর ইসলাম গ্রহণ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT