সোমবার, ২০ জানুয়ারী 2020 | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   আন্তর্জাতিক -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ব্ল্যাকবক্স ইউক্রেনকে ফেরত দেবে ইরান

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: গত ৮ জানুয়ারি ভুলবশত ইউক্রেনের বিধ্বস্ত করা বিমানের ব্ল্যাকবক্স ইউক্রেনের কাছে ফেরত দেবে ইরান। ইরানের বেসামরিক বিমান চলাচল বিভাগের প্রধান হাসান রেজাইফার এক বিবৃতির বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, বিধ্বস্ত বিমানটির ব্ল্যাক-বক্সের রেকর্ড উদ্ধার করা সম্ভব নাও হতে পারে।

হাসান রেজাইফা বলেছেন, যদি বিমানটির ব্ল্যাক-বক্সের রেকর্ড উদ্ধার করা সম্ভব না হয় তবে আমরা এটি ফ্রান্সে পাঠাব। সেখানে এর তথ্য উদ্ধারে চেষ্টা করা হবে।

এক বিবৃতিতে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছে, ঘটনার গভীরে পৌঁছাতে এবং আরো অনুসন্ধানের স্বার্থে ইরান বিমানটির ব্ল্যাকবক্সের রেকর্ডার ইউক্রেনকে পাঠাবে।

উল্লেখ্য, গত ৮ জানুয়ারি ভুলবশত ইউক্রেনের একটি যাত্রীবাহী বিমান গুলি করে ভূপাতিত করে তেহরান। কিয়েভগামী ইউক্রেনের আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস বোয়িংয়ের ৭৩৭-৮০০-তে ১৭৬ যাত্রী ছিল।

যেখানে ইরানের ৮২ জন, কানাডার ৫৭, ইউক্রেনের ১১, সুইডেনের ১০, আফগানিস্তানের চারজন এবং যুক্তরাজ্যের তিনজন নিহত হন।

সেই বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ইরানের ওপর আর্ন্তজাতিক চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ নিয়ে তদন্ত চলছে। সেই তদন্তে সাহায্যার্থে ইউক্রেনকে ওই বিধ্বস্ত বিমানের ব্ল্যাক-বক্স পাঠাবে বলে রাজি হলো ইরান।

প্রসঙ্গত গত ৩ জানুয়ারি বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন ইরানি জেনারেল ও কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানি।

তাকে হত্যার দায় স্বীকার করে হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিবৃতি দেন, ঈশ্বর আমাদের পাশে রয়েছেন।

এর পরই জেনারেল সোলাইমানি হত্যার প্রতিশোধে গত ৮ জানুয়ারি ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালায় তেহরান। এর কয়েক ঘণ্টার পরই ইউক্রেনের যাত্রীবাহী বিমানটিকে ভুলবশত ভূপাতিত করেন ইরানের সেনারা।

ব্ল্যাকবক্স ইউক্রেনকে ফেরত দেবে ইরান
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: গত ৮ জানুয়ারি ভুলবশত ইউক্রেনের বিধ্বস্ত করা বিমানের ব্ল্যাকবক্স ইউক্রেনের কাছে ফেরত দেবে ইরান। ইরানের বেসামরিক বিমান চলাচল বিভাগের প্রধান হাসান রেজাইফার এক বিবৃতির বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, বিধ্বস্ত বিমানটির ব্ল্যাক-বক্সের রেকর্ড উদ্ধার করা সম্ভব নাও হতে পারে।

হাসান রেজাইফা বলেছেন, যদি বিমানটির ব্ল্যাক-বক্সের রেকর্ড উদ্ধার করা সম্ভব না হয় তবে আমরা এটি ফ্রান্সে পাঠাব। সেখানে এর তথ্য উদ্ধারে চেষ্টা করা হবে।

এক বিবৃতিতে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছে, ঘটনার গভীরে পৌঁছাতে এবং আরো অনুসন্ধানের স্বার্থে ইরান বিমানটির ব্ল্যাকবক্সের রেকর্ডার ইউক্রেনকে পাঠাবে।

উল্লেখ্য, গত ৮ জানুয়ারি ভুলবশত ইউক্রেনের একটি যাত্রীবাহী বিমান গুলি করে ভূপাতিত করে তেহরান। কিয়েভগামী ইউক্রেনের আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস বোয়িংয়ের ৭৩৭-৮০০-তে ১৭৬ যাত্রী ছিল।

যেখানে ইরানের ৮২ জন, কানাডার ৫৭, ইউক্রেনের ১১, সুইডেনের ১০, আফগানিস্তানের চারজন এবং যুক্তরাজ্যের তিনজন নিহত হন।

সেই বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ইরানের ওপর আর্ন্তজাতিক চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ নিয়ে তদন্ত চলছে। সেই তদন্তে সাহায্যার্থে ইউক্রেনকে ওই বিধ্বস্ত বিমানের ব্ল্যাক-বক্স পাঠাবে বলে রাজি হলো ইরান।

প্রসঙ্গত গত ৩ জানুয়ারি বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন ইরানি জেনারেল ও কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানি।

তাকে হত্যার দায় স্বীকার করে হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিবৃতি দেন, ঈশ্বর আমাদের পাশে রয়েছেন।

এর পরই জেনারেল সোলাইমানি হত্যার প্রতিশোধে গত ৮ জানুয়ারি ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালায় তেহরান। এর কয়েক ঘণ্টার পরই ইউক্রেনের যাত্রীবাহী বিমানটিকে ভুলবশত ভূপাতিত করেন ইরানের সেনারা।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যায় কমাতে ৫০০ মিলিয়ন ডলার সৌদির অনুদান
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: সৌদি আরবে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের খরচ বাবদ যুক্তরাষ্ট্রকে ৫০০ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিয়েছে সৌদি আরব। ইতোমধ্যে ১০০ কোটি ডলার ব্যাংকে জমা করে দিয়েছে সৌদি সরকার। খবর মিডল ইস্ট মিরর’র।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় কমাতে নব্বইয়ের দশকে ইরাকের বিরুদ্ধে উপসাগরীয় যুদ্ধের খরচ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে ৩৬০০ কোটি ডলার দিয়েছিল সৌদি আরব ও কুয়েতসহ উপসাগরীয় দেশগুলো।

প্রতিরক্ষা ব্যয় নিয়ে দু’দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদরদফতর পেন্টাগনের মুখপাত্র কমান্ডার রেবেকা রেবারিচ মিডলইস্ট আই-কে এ কথা জানান। তিনি বলেন, এই অর্থ প্রদান আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে ব্যয় ভাগাভাগির অংশ হিসেবে ‘প্রথম কোনো অবদান’।

রেবারিচ শুক্রবার বলেন, ‘গত আট মাস ধরে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা হুমকির জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাড়াতে সেখানে মার্কিন সেনা মোতায়েন করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সৌদির স্পর্শকাতর সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনার আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা বাড়ানো হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এই কর্মযজ্ঞের ব্যয় মেটাতে সৌদি সরকার আর্থিক সহযোগিতার বিষয়ে একমত হয়েছে এবং প্রথমবারের মতো আর্থিক অনুদান দিয়েছে।’

চীনের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: ইরানের কাছ থেকে তেল কেনা বন্ধ না করলে চীনের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল শুক্রবার ডোনাল্ড ট্রাম্পপন্থি আমেরিকান রেডিও টকশোতে হোস্ট হিউ হুইটকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এমন কথা জানান বলে ইরান প্রেসের খবরে বলা হয়। তবে এর আগে গত বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনের একতরফা নিষেধাজ্ঞা ও একচ্ছত্র বিচার প্রক্রিয়ার বিষয়ে অভিযোগ তুলে চীন ও ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করেছে বেইজিং।

ইরান ও চীনের বিরুদ্ধে এই নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গ্যাং সুয়াং বলেন, ‘আমরা  একতরফা নিষেধাজ্ঞা ও একচ্ছত্র বিচার প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করি। আমরা বিশ্বাস করি নিষেধাজ্ঞার অযৌক্তিক ব্যবহার এবং হুমকি কোনো সমস্যার সমাধান করবে না। যুক্তরাষ্ট্রের উচিত এই অবৈধ নিষেধাজ্ঞাগুলো তুলে নেওয়া। আমরা চীনা ব্যবসায়ীদের বৈধ অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার্থে সর্বদা অবিচল থাকব।’

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধি থেকে সরে আসতে ২০১৫ সালে বিশ্বের পাঁচ শক্তিধর দেশ যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে চুক্তি হয় ইরানের।  এরপর ২০১৮ সালে ট্রাম্প সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই চুক্তি থেকে বেড়িয়ে এসে ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।  

পাকিস্তানে তুষারধসে নিহত ৭৭
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তুষারধসে অন্তত ৭৭ জন নিহত ও ৯৪ জন আহত হয়েছেন। তুষারধসে বাড়ি-ঘর বিধ্বস্ত হয়েই মূলত এ প্রাণহানি হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানায়।
খবরে বলা হয়, গত কয়েকদিন ধরেই পাকিস্তানের আবহাওয়া বৈরী। পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের নীলুম উপত্যকার  অনেক গ্রামে প্রবল তুষারপাত হয়েছে। তুষারধসে চাপা পড়েছে অনেক বাড়িঘর। এতে ঘরের ভেতরে থাকা অনেকের প্রাণহানি হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও অনেকে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পুনর্বাসনমন্ত্রীর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

তুষারধসে এখন পর্যন্ত ৭৭ জন নিহত ও ৯৪ জন আহত হয়েছেন। পরবর্তীকালে প্রাণহানি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অনেকেই এখনো তুষারের নিচে চাপা পড়ে রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে কাজ করছেন গ্রামবাসী ও উদ্ধারকর্মীরা।
গত ২০ বছরের মধ্যে অন্যতম ভয়াবহ শীতকাল পার করছে পাকিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চল। টানা তুষারপাতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় ওই অঞ্চলের মানুষদের সব রকম সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

ইরানি প্রেসিডেন্টের হুঙ্কার
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে বিদেশী বাহিনীর বিরুদ্ধে হুঙ্কার দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। তিনি মধ্যপ্রাচ্য থেকে এসব সেনাবাহিনীকে প্রত্যাহার করে নিতে বলেছেন। যদি তারা ওই অঞ্চলে অব্যস্থান করে তাহলে বিপদের মুখোমুখি হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি। বুধবার টেলিভিশনে দেয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, এখন যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা বিপদের মুখে আছে। আগামীদিনে ইউরোপীয় সেনারা বিপদের মুখোমুখি হতে পারে। তবে কি রকম বিপদ, কোন কোন দেশের জন্য তিনি এমন সতর্কতা বা হুঙ্কার দিলেন সে বিষয়ে বিস্তারিত বলেন নি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তীব্র উত্তেজনার পর এবারই প্রথম সরাসরি ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর প্রতি হুমকি দিলেন রুহানি। ২০১৫ সালে ৬ বিশ্বশক্তির সঙ্গে করা পারমাণবিক চুক্তি লঙ্ঘনের যে ঘোষণা দিয়েছে তেহরান, তাকে চ্যালেঞ্জ করেছে বৃটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি।
এর একদিন পরেই এমন মন্তব্য করলেন হাসান রুহানি। ইউরোপীয় দেশগুলো মঙ্গলবার ঘোষণা করে যে, ওই চুক্তি মেনে চলতে তারা তেহরানের বিরুদ্ধে ‘ডিসপিউট মেকানিজম’ প্রয়োগ করবে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আল জাজিরা।
 
এমনিতেই মধ্যপ্রাচ্য যেন একটি বারুদের বাক্স হয়ে আছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সেখানে যখন তখন যুদ্ধ শুরু হয়ে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ জন্য ইরানকে দায়ী করে ওয়াশিংটন। কিন্তু ইরান এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে। তবে জানুয়ারির প্রথম দিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু হয়ে যাওয়ার এক ভয়াবহ প্রেক্ষাপট তৈরি হয়। কিন্তু দৃশ্যত তা অনেকটা থিতিয়ে গেছে। এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ইরান যে হুমকি দিচ্ছে তাতে পরিস্থিতি কোন দিকে যায় তা ভাবাচ্ছে। মার্কিন সেনাদের পাশাপাশি ইউরোপীয়ান বাহিনীর সেনা মোতায়েন করা আছে ইরাক , আফগানিস্তানে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবু ধাবিতে একটি নৌঘাঁটি রয়েছে ফ্রান্সের। ওদিকে বাহরাইনে একটি ঘাঁটি চালু করেছে বৃটেন।

হুমকির বিষয়ে কর্মকর্তারা অবহিত বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ইউরোপীয়ান কমিশনের মুখপাত্র পিটার স্টানো। বলেছেন, হুমকি সত্ত্বেও ইরাক ছাড়ার কোনো পরিকল্পনা নেই ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের। ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী লরেঞ্জো গুইয়েরিনি তার দেশের আইনপ্রণেতাদের বলেছেন, হরমুজ প্রণালীতে সেনা সংখ্যা বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা করছে তার দেশ। জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী আনেগ্রেট ক্রাম্প-কারেনবাউয়ের বুধবার অঘোষিতভাবে জর্ডানের আজরাক ঘাঁটি পরিদর্শনে যান। সেখানে জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মোতায়েন করা হয়েছে জার্মান সেনাদের। এ ছাড়া ইরাকি সেনাদের প্রশিক্ষণ শুরু করতে চায় জার্মানি।

ওদিকে পারমাণবিক চুক্তির বদলে একটি নতুন চুক্তির জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রস্তাব দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানিকে। তবে তিনি সে প্রস্তাবকে উদ্ভট আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছেন বলে তার সমালোচনা করেন তিনি। ট্রাম্পকে একজন মহান চুক্তির রূপকার হিসেবে প্রশংসা করে মঙ্গলবার বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ট্রাম্পকে ফোন করেন ইরানের পারমাণবিক চুক্তির পরিবর্তে একটি নতুন চুক্তি করতে, যাতে ইরান কোনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে। তবে ইরান বলে, তারা কোনো বোমা বানাচ্ছে না।

এরই মধ্যে গতকাল বুধবার দিনশেষে ইরানের রাষ্ট্রীয় মিডিয়ায় খবর প্রকাশ হয় যে, সরকার বিরোধী বিক্ষোভে উপস্থিতি নিয়ে বিরোধে ইরান ছেড়েছেন বৃটিশ রাষ্ট্রদূত রবার্ট ম্যাকেয়ার। ইরানের রাষ্ট্র পরিচালিত বার্তা সংস্থা ইরনা খবর প্রকাশ করেছে যে, রবার্ট ম্যাকেয়ারকে আগেভাগে নোটিশ দেয়ার পর তিনি ইরান ছেড়েছেন। ওদিকে বৃটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, নিয়মিত সফরের অংশ হিসেবে লন্ডন গিয়েছেন ম্যাকেয়ার। এ সফর আগে থেকেই পরিকল্পনায় ছিল।

প্রথম পর্যায়ের চুক্তি করল চীন-যুক্তরাষ্ট্র
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রায় দুই বছর ধরে চলতে থাকা বাণিজ্যযুদ্ধ শিথিল করতে প্রথম পর্যায়ের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বিশ্বের প্রধান দুই অর্থনৈতিক পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। গতকাল বুধবার ওয়াশিংটনে চুক্তি স্বাক্ষরের মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এই চুক্তি মার্কিন অর্থনীতির জন্য ‘রূপান্তরকারী’ হবে। চীনা নেতারা এটিকে ‘উইন-উইন’ চুক্তি হিসেবে অভিহিত করেছেন, যা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের আরও উন্নতি করতে সহায়তা করবে। চুক্তিতে চীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বিনিময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চীনা পণ্যের ওপর আরোপিত নতুন শুল্ক অর্ধেক করতে সম্মত হয়েছে।

ইউএস চেম্বার অব কমার্সের চীন সেন্টারের সভাপতি জেরেমি ওয়াটারম্যান বলেছেন, সামনে আরও অনেক কাজ পড়ে আছে। সারকথা হলো, তাদের আজকের দিনটি উপভোগ করা উচিত তবে দ্বিতীয় পর্যায়ে টেবিলে ফিরে আসতে খুব বেশি সময় নেবেন না। চীনের সঙ্গে বিপুল বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে ২০১৮ সাল থেকে দেশটির রফতানি পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক বসায় যুক্তরাষ্ট্র। এর পাল্টা জবাব হিসেবে মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক বসায় চীনও। তবে দু’পক্ষের কূটনৈতিক পর্যায়ে বৈঠক ও সংলাপে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি ঘটে।

ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রথম পর্যায়ের হলেও এই চুক্তির আওতায় দু’পক্ষই কৃষিপণ্য, জ্বালানি, শিল্পপণ্যসহ বিপুল পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে সম্মত হয়েছে। প্রযুক্তি স্থানান্তর, মেধাস্বত্ব, কৃষি, আর্থিক সেবা, মুদ্রা, আন্তর্জাতিক মুদ্রা বিনিময়সহ অনেক বিষয় থাকছে এ চুক্তিতে।

ব্রিটেনের ছায়া উপমন্ত্রী হলেন টিউলিপ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : বঙ্গবন্ধুর নাতনি ও শেখ রেহানার কন্যা  টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক এমপি ব্রিটেনের ছায়া উপমন্ত্রী নিযুক্ত হয়েছেন। বিরোধীদল লেবার পার্টির ছায়ামন্ত্রিসভায় তিনি শ্যাডো আর্লি ইয়ার্স মিনিস্টার নিযুক্ত হন।

এর আগেও তিনি এ পদে দায়িত্ব পালন করেন। ব্রিটেনের সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড ও কিলবার্ন আসনে টানা তৃতীয়বারের মতো জয়ী হন ৩৭ বছর বয়সী টিউলিপ। নব্বইয়ের দশক থেকে এই আসনটি ব্রিটেনের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনগুলোর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে।

ব্রিটেনের রয়্যাল সোসাইটি অব আর্টসের ফেলো টিউলিপ রেজওয়ানা সিদ্দিক ২০১৫ সালে এই আসন থেকে প্রথমবার নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনে ২৩ হাজার ৯৭৭ ভোট পান তিনি। ২০১৭ সালের নির্বাচনে তিনি ৩৪ হাজার ৪৬৪ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হন।

২০১৫ সালে টিউলিপ লেবার পার্টির ছায়া মন্ত্রিপরিষদে সংস্কৃতি, গণমাধ্যম ও ক্রীড়া বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হন। ২০১৭ সালে ব্রিটেনের লেবার পার্টির শিক্ষাবিষয়ক ছায়া মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

ছায়া মন্ত্রিসভার আরেক সদস্য  লেবার পার্টির এমপি অ্যাঞ্জেলা রেইনার টিউলিপকে নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে টুইট করেছেন। টুইট বার্তায় অ্যাঞ্জেলা বলেন, টিউলিপকে ছায়া মন্ত্রিসভায় পেয়ে খুব আনন্দিত। তিনি আমাদের ছায়া শিক্ষার দলে যোগ দেবেন। টিউলিপের সঙ্গে আমি আগেও কাজ করেছি। তিনি আমাদের শ্যাডো ফ্রন্ট বেঞ্চের দুর্দান্ত সংযোজন। টিউলিপ রেইনারের টুইটটি রিটুইট করেছেন।

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার মামলার রায় ২৩ জানুয়ারি
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে গাম্বিয়ার করা মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ ২৩ জানুয়ারি ঘোষণা করবে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে)।

বুধবার গাম্বিয়ার বিচারমন্ত্রী ও অ্যাটর্নি জেনারেল আবু বকর এম তাম্বাদুর বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানায়।

খবরে বলা হয়, গত সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে এক পোস্টে গাম্বিয়ার বিচারমন্ত্রী জানান, ২৩ জানুয়ারি আইজেসি রোহিঙ্গা গণহত্যার ঘটনায় জরুরি পদক্ষেপ চেয়ে করা মামলার একটি রায় জানাবেন।  

মামলার রায়ের ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আন্তর্জাতিক আদালতে মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয় গত বছরের ১০ থেকে ১২ ডিসেম্বর। সেসময় গাম্বিয়ার পক্ষে লড়েন দেশটির আইনমন্ত্রী এবং মিয়ানমারের পক্ষে যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন দেশটির কার্যত সরকার প্রধান অং সাং সু চি।

গত ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর পূর্ব-পরিকল্পিত ও কাঠামোগত সহিংসতা, ধর্ষণ ও নির্যাতন চালায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী। হত্যাকাণ্ড, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগের বাস্তবতায় জীবন বাঁচাতে নতুন করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। এ নৃশংসতাকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিয়ে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর জাতিসংঘের আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে) এ মামলা করে গাম্বিয়া।

মামলায় প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা ও সংঘাত আরও তীব্রতর না হওয়ার জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিতে আদালতের প্রতি আহ্বান জানায় গাম্বিয়া।

অপরদিকে আদালতে শুনানিতে অংশ নিয়ে রাখাইনে গণহত্যার পক্ষে সাফাই গান সু চি। তিনি দাবি করেন, এই বিষয়ে মামলা পরিচালনার এখতিয়ার জাতিসংঘের আদালতের নেই। গণহত্যার অভিযোগ খারিজ করতে বিচারকে তিনি আহ্বান জানান।

‘যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক ঘাঁটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায়’
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পশ্চিম এশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের যত সামরিক ঘাঁটি আছে তার প্রত্যেকটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর প্রধান নেতা হাসান নাসরুল্লাহ।

গত রোববার সন্ধ্যায় লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় বালবেক শহরে হিজবুল্লাহ সমর্থকদের উদ্দেশে দেয়া এক বক্তৃতায় সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ একথা বলেন।

তিনি বলেন, ইরাকের আইন আল-আসাদ ঘাঁটিতে নিখুঁতভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রকে সেই বার্তা দিয়েছে।

মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর জন্য ইরানের সামরিক বাহিনীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই হামলার মাধ্যমে ইসরায়েলকে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে।

হাসান নাসরুল্লাহর বক্তব্য টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। তিনি বলেন, ইহুদিবাদী ইসরাইলের বোকা প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে জানতে হবে যে, সে ভুল জায়গায় হাত দিয়েছে।

হাসান নাসরুল্লাহ বলেন, মার্কিন নেতাদের দিকে তাকান, এদের চেহারায় কি বিজয়ের ছাপ আছে? এরপর তিনি বলেন, আমি নিশ্চিত ছিলাম যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন আরবি ভাষার গণমাধ্যমে পারস্য উপসাগর সম্পর্কিত খবর দেখবেন তখন তিনি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাব দেবেন না।

তিনি আরও বলেন, আইন আল-আসাদে ইরান যা করেছে তার শুধুমাত্র আমেরিকানদের মুখে একটি চপেটাঘাত, এটি জেনারেল সোলাইমানিকে হত্যার পুরো প্রতিশোধ নয়। এটি হচ্ছে প্রথম পদক্ষেপ যা চূড়ান্তভাবে পশ্চিম এশিয়া থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর উপস্থিতির অবসান ঘটাবে।

হিজবুল্লাহর প্রতি ইরানের কমান্ডারদের আন্তরিক সমর্থনের প্রশংসা করে হাসান নাসরুল্লাহ বলেন, ইরানি সেনাদের নিশ্চিত সমর্থন পেলেই শুধুমাত্র হিজবুল্লাহ শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

রাজপরিবারে ফাটল : আজ বৈঠকে বসছেন রানী
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগানের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নির্ধারণে রাজ পরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্যদের সঙ্গে আজ সোমবার বৈঠকে বসছেন ব্রিটিশ রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ।

বৈঠকে প্রিন্স হ্যারি, ডিউক অব কেমব্রিজ ও প্রিন্স অব ওয়েলস উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া কানাডা থেকে ফোনে যোগ দেবেন মেগান। খবর বিবিসির

গত ৮ ডিসেম্বর হ্যারি এবং মেগান ঘোষণা করেন যে, তারা রাজপরিবারের সামনের কাতারের দায?িত্ব থেকে অবসর নিতে চান। একই সঙ্গে তারা যুক্তরাজ্য এবং উত্তর আমেরিকায় তাদের সময় ভাগাভাগি করে থাকতে চান। একই সঙ্গে তারা আর্থিকভাবেও স্বাধীন হতে চান, যাতে রাজকোষের অর্থের ওপর তাদের নির্ভর করতে না হয়।

তারা এই ঘোষণা দিয়েছিলেন রানি বা রাজপরিবারের কোনো সদস্যের সঙ্গে আগাম আলোচনা ছাড়াই। এজন্যেই এ ঘটনা এত তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি করে। এই ঘটনায় বাকিংহ্যাম প্রাসাদের কর্মকর্তারা হতবাক হয়ে যান। রাজপরিবারের সিনিয়র সদস্যরা নাকি এই ঘোষণায় একটা বড় ধাক্কা খেয়েছেন।

প্রিন্স হ্যারি এবং মেগান মার্কেল বিয়ের পর থেকেই সার্বক্ষণিকভাবে ব্রিটিশ ট্যাবলয়েডে প্রেসের টার্গেটে পরিণত হন। এ নিয়ে তারা তাদের হতাশা এবং দুঃখের কথা জানিয়েছিলেন গত বছরের অক্টোবরে।

প্রিন্স হ্যারি এবং মেগান বলেছিলেন, অনেক চিন্তাভাবনা করেই তারা রাজপরিবারের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সাসেক্সের রাজকীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা রাজপরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্যদের ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা নিয়ে আজ বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। তবে এই বৈঠকেই চূড়ান্ত মীমাংসা হয়ে যাবে এমন আশা করছেন না তারা।

সংবাদদাতারা জানিয়েছেন, এই বৈঠকে পরিকল্পনা সফল করার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা করা হবে।রাজপরিবারের সঙ্গে ডিউক ও ডাচেসের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক কী হবে, তা নিয়ে দ্রুত ফয়সালার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। তবে সহজে ব্যাপারটা সমাধান হয়ে যাবে বলে মনে করছেন না তারা।

কর্মকর্তারা এখন মূলত রাজপরিবারের বিপুল সম্পত্তির হিসাব-নিকাশ নিয়ে ব্যস্ত। এটা সহজে সমাধা হওয়ার বিষয় নয় বলেও মনে করছেন তারা।

আফগানিস্তানে তুষারপাত ও বৃষ্টিতে ১৭ জনের মৃত্যু
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আফগানিস্তানে বিস্তৃত অংশে গত কয়েক দিন ধরে প্রবল তুষারপাত ও বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। শনিবার প্রবল শীতে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

তীব্র শীত আফগানিস্তানের জন্য নতুন কোনো ঘটনা নয়, কিন্তু এ বছর আবহাওয়া আরও চরম আকার ধারণ করেছে বলে দেশটির আবহাওয়া বিভাগ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

আফগানিস্তানের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা টিমের মুখপাত্র তামিম আজিমি রয়টার্সকে বলেন, এই দেশে এ রকম চরম শৈত্যপ্রবাহ আশা করিনি আমরা। ভারি তুষারপাতে হতাহতের ঘটনা ঘটছে বলে খবর পাচ্ছি, কিন্তু নির্দিষ্টভাবে মোট কতোজন হতাহত হয়েছে এই মূহুর্তে সে তথ্য আমাদের কাছে নেই।

দেশটির কোনো কোনো অংশে তাপমাত্রা মাইনাস ১২ সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে গেছে। শনিবারের মৃতদের নিয়ে চলতি বছর তীব্র ঠান্ডায় এ পর্যন্ত অন্তত ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বোমা আতঙ্কে কলকাতায় বিমানের জরুরি অবতরণ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: কলকাতা থেকে মম্বাইগামী একটি বিমান বোমা আতঙ্কে মাঝ আকাশ থেকে ফের কলকাতা বিমানবন্দরে ফিরে আসে। শনিবার রাতে ঘটনা। বিমানটি তখন মাঝ আকাশে। হঠাৎ এক তরুণী যাত্রী বিমান সেবিকাকে ডেকে হাতে একটি চিরকুট ধরিয়ে দেন। বলেন, এটা ক্যাপ্টেনকে গিয়ে দিন, এখনই।’ চিঠি পৌঁছানো মাত্রই তা খুলে দেখেন পাইলট। চিঠির লেখা দেখেই বিমান ল্যান্ড করার জন্য তড়িঘড়ি করতে থাকেন পাইলট।

ওই চিঠিতে লেখা ছিল, ‘আমার শরীরের মধ্যে বোমা ভরে এনেছি।

সঙ্গে সঙ্গেই কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কলকাতায় ফিরে যাওয়ার জরুরি অনুমতি চান।

গতকাল শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে কলকাতা থেকে মুম্বইগামী এয়ার এশিয়ার। রাত ১০টা ১০ মিনিটে কলকাতার মাটি ছেড়ে ওড়া বিমান আবার কলকাতায় ফিরে আসে রাত সাড়ে ১১টার দিকে।

নিরাপত্তার স্বার্থে বিমানবন্দরের মূল ভবন থেকে দূরে ও বিচ্ছিন্ন একটি জায়গায় বিমানটিকে রাখা হয়। একে একে ওই তরুণীসহ ১১৪ জন যাত্রীকে নামিয়ে আনেন কেন্দ্রীয় শিল্প নিরাপত্তা বাহিনী বা সিআইএসএফ’র সদস্যরা। তরুণীকে আলাদা করে তল্লাশি শুরু করেন সিআইএসএফ’র নারী কর্মীরা। কিন্তু কোনো বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি তার শরীরে। বিমানেও আলাদা করে তল্লাশি করা হয়। সেখানেও পাওয়া যায়নি কিছুই।

ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক তদন্তের পর সিআইএসএফ এবং বিধাননগর পুলিশের কর্তারা নিশ্চিন্ত হন যে, বোমার ভুয়া আতঙ্কই ছড়িয়েছেন ওই যাত্রী। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এনএসসিবিআই থানার হাতে তুলে দেন ওই যাত্রীকে। রাতেই গ্রেপ্তার করা হয় কলকাতার সল্টলেকের বাসিন্দা ২৩ বছর বয়সী ওই তরুণীকে।

পুলিশকে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মাত্রাতিরিক্ত অ্যালকোহল পাওয়া গেছে ওই তরুণীর রক্তে। মদের ঝোঁকেই বোমার আতঙ্ক ছড়ান। সল্টলেকের বিএফ ব্লকের বাসিন্দা ওই তরুণী বিবিএর ছাত্রী। তার বাবা একজন ব্যবসায়ী।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ওই তরুণীর হবু স্বামী থাকেন মুম্বাইয়ে। হবু শ্বশুর হাসপাতালে ভর্তি। তাকে দেখতেই মুম্বাই যাচ্ছিলেন ওই তরুণী।

আজ রোববার ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হয় ওই তরুণীকে। পুলিশ জেরার জন্য তাকে হেফাজতে চেয়েছে। তদন্তকারী এ কর্মকর্তা জানান, মদের ঘোরে তিনি এই আতঙ্ক ছড়িয়েছেন না অন্য কোনো কারণে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ইরানে বিক্ষোভ থেকে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত গ্রেফতার
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: ইরানে বিক্ষোভে উসকানিমূলক তৎপরতা চালানোর অভিযোগে তেহরানে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত রব ম্যাকএয়ারকে গ্রেফতার করেছে ইরানের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এদিকে, আটকের ঘটনাকে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নজিরবিহীন বলে মন্তব্য করেছে লন্ডন। ব্রিটেন বলছে, রব ম্যাকেয়ারকে গ্রেফতার করে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে ইরান। খবর ইন্ডিপেন্ডেন্ট।

তবে আটক কূটনীতিককে ঘণ্টা তিনেক পরই ছেড়ে দেয়া হয়, তবে এ নিয়ে জবাবদিহি করতে ফের তাকে ডেকে পাঠানো হতে পারে বলে জানিয়েছে ইরান প্রশাসন।

ব্রিটেনের পররাষ্ট্রসচিব ডমিনিক রাব একটি বিবৃতি প্রকাশ করে বলেন, ‘কোনো রকম কৈফিয়ত ছাড়াই আমাদের রাষ্ট্রদূতকে গ্রেফতার করে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে তেহরান। এই মুহূর্তে সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে রয়েছে ইরান সরকার। হয় রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে একঘরে হওয়ার পথে এগোক তারা, নইলে কূটনৈতিক আলাপ আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমনে পদক্ষেপ করুক।’

সামরিক বাহিনীর অনিচ্ছাকৃত ভুলে ১৭৬ আরোহীসহ ইউক্রেনের একটি যাত্রীবাহী বিমান ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ভূপাতিত করার কথা গতকাল শনিবার তেহরান স্বীকার করে। এর পর একদল ইরানি বিকালে তেহরানের আমির কবির বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করে। তাতে শামিল ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত রবার্ট নাইজেল পল ম্যাকেয়ার ওরফে রব ম্যাকেয়ার। সেখান থেকে বেরিয়ে ব্রিটিশ দূতাবাসে যাওয়ার পথে একটি সেলুনে ঢোকেন। সেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির পদত্যাগের দাবিতে রাস্তায় অবস্থান করছেন হাজারো জনতা। ভুলবশত ইউক্রেনের যাত্রীবাহী বিমান ভূপাতিত করার দায় স্বীকার করার পর আন্দোলনে নামে সরকার বিরোধীরা।

তেহরানে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক দূতাবাসের কাছে আমির কবির বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের বাইরে জড়ো সরকার বিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা। ‘স্বৈরশাসক নিপাত যাক’, ‘খামেনির পদত্যাগ চাই’, নির্লজ্জ খামেনি- দেশ ছেড়ে চলে যাক’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়। এ ছাড়াও খামেনিসহ বিমান ভূপাতিত করার ঘটনায় জড়িতদের কঠোর শাস্তি দাবি করেন আন্দোলনকারীরা।

এদিকে, আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক টুইটবার্তায় ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘ইরানের বীর, ধৈর্যশীল জনগণের প্রতি : আমি প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই তোমাদের পাশে দাঁড়িয়েছি এবং আমার প্রশাসন তোমাদের পাশেই থাকবে। আমরা তোমাদের প্রতিবাদ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং তোমাদের সাহসীকতায় আমরা অনুপ্রাণিত।’

আরেক টুইটবার্তায় ইরান সরকারের প্রতি ট্রাম্প বলেন, ‘মানবাধিকার সংগঠনগুলোকে সেখানে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহের জন্য অনুমতি দিতে হবে। তারা মাঠে থেকে চলমান আন্দোলনের নিয়ে প্রতিবেদন তুলে ধরবে।’

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘শান্তিকামী আন্দোলনকারীদের ওপর আবারও যেন হত্যাযজ্ঞ চালানো না হয় এবং ইন্টারনেট সেবা যেন বন্ধ করা না হয়। কেননা, গোটা বিশ্ব দেখছে।’

জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য মরিয়া হাঙ্গেরি
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ হাঙ্গেরিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে দেশটির সরকার। হাঙ্গেরীর দক্ষিণপন্থী জাতীয়তাবাদী প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান ঘোষণা দিয়েছেন যে, সন্তানহীন দম্পতিদের বিনামূল্যে আইভিএফ (ইন-ভিট্রোফার্টিলাইজেশন) চিকিৎসা দেয়া হবে।

হাঙ্গেরিতে জন্ম হার খুবই কম, মাত্র ১.৪৮ শতাংশ। ইউরোপের অন্যান্য দেশে যেখানে অভিবাসন বাড়িয়ে জনশক্তির চাহিদা মেটানো হয়, সেখানে হাঙ্গেরির বর্তমান সরকার তার ঘোরতর বিরোধী। তারা চায় হাঙ্গেরিয়ানদের জন্মহার বাড়িয়েই এই সমস্যার সমাধান করতে হবে। গত চার দশক ধরে হাঙ্গেরির জনসংখ্যা কমছে। বর্তমানে দেশটির জনসংখ্যা ৯৭ লাখের সামান্য বেশি।

ভিক্টর অরবান গত বৃহস্পতিবার জন্মহার বাড়ানোর জন্য সরকারের নতুন নীতি ঘোষণা করেন। এর আগে গত ডিসেম্বরে তিনি দেশটির ছয়টি ফার্টিলিটি ক্লিনিক সরকারের ব্যবস্থাপনায় নিয়ে আসেন।

ফেব্রুয়ারি মাস থেকে সব সন্তানহীন দম্পতিকে বিনামূল্যে ফার্টিলিটি চিকিৎসা দেয়া হবে বলে ঘোষণা দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরও ঘোষণা করেছেন, যেসব নারী তিন বা তার অধিক সন্তান নেবেন, তাদের জন্য সরকার আয়কর মওকুফ করার কথা ভাবছে সরকার। যাদের চার বা তার অধিক সন্তান আছে, তাদের জন্য আয়কর মওকুফ করা হয়েছে এমাস থেকেই।

ভিক্টর অরবান বলেন, যদি আমরা অভিবাসীদের পরিবর্তে হাঙ্গেরিয়ান শিশু চাই এবং হাঙ্গেরিয়ান অর্থনীতি যদি প্রয়োজনীয় তহবিল জোগাতে পারে, তাহলে এর একমাত্র সমাধান পরিবার এবং সন্তান লালন-পালনের জন্য যত বেশি সম্ভব অর্থ ব্যয় করা।

অরবান ২০১০ সাল হতে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী। তিনি মূলত অভিবাসনের বিরোধিতাকেই তার নির্বাচনী প্রচারে প্রাধান্য দেন।

গত সেপ্টেম্বরে তিনি জনসংখ্যা বিষয়ক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অভিবাসনের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তৃতা দেন। ইউরোপের অনেক দেশ তাদের কমতে থাকা জনসংখ্যার কারণে সৃষ্ট সংকট সমাধানে অভিবাসন বাড়ানোর যে নীতি নিয়েছে, তিনি সেটি প্রত্যাখ্যান করেন।

অরবান ‘দ্য গ্রেট রিপ্লেসমেন্ট থিওরি’ বলে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্বে বিশ্বাসী। তার ভাষণে তিনি এটির উল্লেখ করেন। এই তত্ত্বের মূল কথা হচ্ছে, ইউরোপের শ্বেতাঙ্গ জনসংখ্যা ক্রমান্বয়ে কমিয়ে অ-ইউরোপীয় জনগোষ্ঠী দিয়ে তা পূরণ করা হচ্ছে, এর পেছনে রয়েছে ষড়যন্ত্র।

সম্মেলনে তিনি বলেন, ইউরোপে যদি ভবিষ্যতে ইউরোপের মানুষই না থাকে এবং আমরা যদি এটাই নিয়তি বলে মেনে নেই, তাহলে আমরা আসলে জনসংখ্যা বিনিময়ের কথাই বলছি, ইউরোপীয় জনসংখ্যাকে অন্য জনসংখ্যা দিয়ে প্রতিস্থাপনের কথা বলছি। ইউরোপে অনেক রাজনৈতিক শক্তি আছে, যারা আদর্শগত কারণে বা অন্য কোন কারণে এটাই চায়।

হাঙ্গেরির মতো আরও অনেক পূর্ব ইউরোপীয় দেশেও এই একই সমস্যা, জনসংখ্যা কমছে। এর কারণ মূলত দুটি: নীচু জন্ম হার এবং ব্যাপক হারে তরুণদের অভিবাসন।

জন্ম হার বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে। যেমন পোল্যা-ে প্রতিটি শিশুর জন্য সরকারের কাছ থেকে মাসে প্রায় একশো পাউন্ড ভাতা পান বাবা-মা। সূত্র : বিবিসি বাংলা

ইউক্রেনের বিমান ভূপাতিত : ‘মিথ্যা’ বলায় তেহরানে বিক্ষোভ
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইউক্রেনের একটি যাত্রীবাহী বিমান ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ভূপাতিত করার বিষয়টি প্রথমে অস্বীকার করায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মিথ্যাবাদী আখ্যা দিয়ে ইরানের রাজধানী তেহরানে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে কয়েকশ’ মানুষ।

বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিজেদের দোষের কথা স্বীকার না করলেও পরে গতকাল শনিবার সকালে ইউক্রেনের বিমান দুর্ঘটনার পেছনে নিজেদের ভুলের কথা স্বীকার করে নেয় ইরান।

কর্মকর্তারা কেন দীর্ঘ সময় ধরে এই ঘটনা নিয়ে মিথ্যা বলেছেন সেই ক্ষোভ থেকেই বিক্ষোভ করছেন বিক্ষুব্ধ জনতা। ভুলবশত ইউক্রেনের ওই বিমানটি গুলি করে ভূপাতিত করে তেহরান।

বিক্ষোভকারীরা দেশটির নেতাদের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন এবং সোলেইমানির ছবি ছিঁড়েন। পরে তারা বিমানটি ভূপাতিত করার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের এবং যারা এই ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছিল তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার আহ্বান জানান। এছাড়া “মিথ্যাবাদীদের মৃত্যুদণ্ড দাও” বলেও তারা স্লোগান দেন।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক টুইট বার্তার মাধ্যমে এই বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

ট্রাম্প ইংরেজি ও ফারসি ভাষায় করা টুইটে লিখেছেন, ইরানের সাহসী ও ভুক্তভোগী জনগণের প্রতি: আমি আমার রাষ্ট্রপতি হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণের শুরু থেকেই আপনার পাশে আছি এবং আমার সরকার আপনাদের পাশে থাকবে। আমরা আপনাদের প্রতিবাদ নিবিড়ভাবে অনুসরণ করছি। আপনাদের সাহস অনুপ্রেরণা দেয়।

বিমান দুর্ঘটনার তিনদিন পর এই ঘটনার দোষ স্বীকার করেছে ইরান। বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় ১৭৬ জন নিহত হয়েছে। গত ৩ জানুয়ারি ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা চালিয়ে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস ফোর্সের প্রধানের জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে হত্যা করা হয়।

এরপর গত ৮ জানুয়ারি ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় তেহরান। ওই হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইউক্রেনের একটি যাত্রীবাহী বিমান খামেনি বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের তিন মিনিটের মাথায় বিধ্বস্ত হয়।

কিন্তু বিমানটি কিভাবে বিধ্বস্ত হলো প্রথমদিকে সে বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। পরে গত শনিবার ইরান জানিয়েছে, তারা ভুলবশত বিমানটি ভূপাতিত করেছে।

ওই দুর্ঘটনায় বিমানটিতে থাকা অধিকাংশ আরোহীই ইরানি এবং ইরানি বংশোদ্ভূত কানাডীয় নাগরিক। নিহতদের মধ্যে ৮২ জন ইরানি, ৬৩ জন কানাডীয়, ১০ জন সুইডেনের, চারজন আফগানিস্তানের, তিনজন জার্মানির এবং তিনজন ব্রিটেনের নাগরিক। অপরদিকে নয় ক্রুসহ ১১ জন ইউক্রেনের নাগরিক নিহত হয়েছেন।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা শরীফ বিশ্ববিদ্যালয় এবং আমির কবির বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে জড়ো হয়েছেন। প্রথমদিকে তারা নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সমাবেশ করেন। কিন্তু সন্ধ্যার দিকে বিক্ষোভে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

যারা বিমান বিধ্বস্তের পেছনে দায়ী এবং যারা এই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে তাদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানায় শিক্ষার্থীরা। কমান্ডার ইন চীফ এবং সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির পদত্যাগ এবং মিথ্যাবাদীদের মৃত্যুর দাবি জানিয়ে স্লোগান দেয় তারা।

ক্ষেপণাস্ত্রে ইউক্রেনের বিমান বিধ্বস্ত করার দায় স্বীকার ইরানের
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানের রাজধানী তেহরান ইউক্রেনের একটি বিমান গত বুধবার উড্ডয়নের তিন মিনিটের মাথায় বিধ্বস্ত হয়ে ১৭৬ জন আরোহীর সবাই নিহত হন। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার পর এবার ইরানের সামরিক বাহিনী স্বীকার করেছে তারা ভুল করে ওই বিমানটি ভূপাতিত করেছিল।

এই ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ারও ঘোষণা দিয়েছে তেহরান। শনিবার সকালে এক বিবৃতিতে ইরানের জেনারেল স্টাফ এ তথ্য জানিয়েছে।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত সপ্তাহে তেহরানের অদূরে ইউক্রেনের যে যাত্রীবাহী বিমানটি ভূপাতিত হয়েছে একটি স্পর্শকাতর সামরিক স্থাপনার নিকটবর্তী হওয়ার পর মানবীয় ত্রুটির কারণে শত্রুর জঙ্গিবিমান ভেবে সেটিতে গুলি চালানো হয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ বলেছেন, একটি শোকের দিন। সশস্ত্র বাহিনীর অভ্যন্তরীণ তদন্ত শেষে প্রাথমিকভাবে এই উপসংহারে আসা গেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের হঠকারিতার কারণে তৈরি সংকটকালীন সময়ে ‘‘মানবিক ভুলের’’ কারণে এই বিপর্যয়। আমাদের জনগণ, ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবার এবং অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত জাতির প্রতি আমাদের গভীর অনুশোচনা, ক্ষমা ও শোক প্রকাশ করছি।

গত বুধবার ভোররাতে ইউক্রেনের একটি যাত্রীবাহী বোয়িং সেভেন থ্রি সেভেন বিমান তেহরানের ইমাম খামেনী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় এটির ১৭৬ আরোহীর সবাই নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন- ইরানের ৮২ জন, কানাডার ৬৩ জন, ইউক্রেনের ১১ জন (ক্রু সহ), সুইডেনের ১০ জন, আফগানিস্তানের ৪ জন, ব্রিটেনের ৩ জন এবং জার্মানির ৩ জন।

একই দিনে ইরাকের বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালায় ইরান। এই ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে হামলার আশঙ্কা প্রবল হয়ে ওঠে। এরই মধ্যে তেহরানে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনাটি দুর্ঘটনা নাকি হামলার শিকার হয়েছে তা নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়।

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তেহরানে ইউক্রেনের দূতাবাস জানায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে তার কিছুক্ষণ পরই ইউক্রেন সরকার প্রধান এই ঘটনায় হামলার সন্দেহ করেন। পরে ইউক্রেনের দূতাবাসও বিবৃতি তুলে নেয়। ইরানও বিমানটিতে কোনো প্রকার হামলার কথা পুরোপুরি অস্বীকার করে।

পরে ইরান বিধ্বস্ত বিমানের ব্লাকবক্স ইউক্রেন ও বোয়িংকে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। তারা এই ঘটনার নিজস্ব তদন্তের ঘোষণা দেয়। তবে ঘটনার একদিন পরই বিমানটি হামলার শিকার হয়েছে বলে জানান কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। সংবাদ সম্মেলনে ট্রুডো বলেন, ভুল করে এটি হয়ে থাকতে পারে।

এরপরই ক্ষেপণাস্ত্রের হামলায় বিমানটি ধ্বংস হয়েছে- এমন একটি ভিডিও প্রকাশ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাতেই অনেকটা স্পষ্ট হয়ে যায় যে বিমানটি হামলার শিকার হয়েছিল। অবশেষে ইরান ওই ঘটনাকে মানবীয় ভুল হিসেবে উল্লেখ করল।


   Page 1 of 127
     আন্তর্জাতিক
ব্ল্যাকবক্স ইউক্রেনকে ফেরত দেবে ইরান
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যায় কমাতে ৫০০ মিলিয়ন ডলার সৌদির অনুদান
.............................................................................................
চীনের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের
.............................................................................................
পাকিস্তানে তুষারধসে নিহত ৭৭
.............................................................................................
ইরানি প্রেসিডেন্টের হুঙ্কার
.............................................................................................
প্রথম পর্যায়ের চুক্তি করল চীন-যুক্তরাষ্ট্র
.............................................................................................
ব্রিটেনের ছায়া উপমন্ত্রী হলেন টিউলিপ
.............................................................................................
মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার মামলার রায় ২৩ জানুয়ারি
.............................................................................................
‘যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক ঘাঁটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায়’
.............................................................................................
রাজপরিবারে ফাটল : আজ বৈঠকে বসছেন রানী
.............................................................................................
আফগানিস্তানে তুষারপাত ও বৃষ্টিতে ১৭ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
বোমা আতঙ্কে কলকাতায় বিমানের জরুরি অবতরণ
.............................................................................................
ইরানে বিক্ষোভ থেকে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত গ্রেফতার
.............................................................................................
জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য মরিয়া হাঙ্গেরি
.............................................................................................
ইউক্রেনের বিমান ভূপাতিত : ‘মিথ্যা’ বলায় তেহরানে বিক্ষোভ
.............................................................................................
ক্ষেপণাস্ত্রে ইউক্রেনের বিমান বিধ্বস্ত করার দায় স্বীকার ইরানের
.............................................................................................
ইরানের হামলায় কোনো মার্কিন সৈন্য মারা যায়নি: ট্রাম্প
.............................................................................................
আমেরিকার ‘মুখে চপেটাঘাত’ করেছি: খামেনি
.............................................................................................
‘ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৮০ আমেরিকান নিহত’
.............................................................................................
১৮০ আরোহী নিয়ে বিধ্বস্ত বিমানের কেউ বেঁচে নেই
.............................................................................................
পিলখানা হত্যাকাণ্ড : হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
.............................................................................................
১৮০ যাত্রী নিয়ে তেহরানে ইউক্রেনের বিমান বিধ্বস্ত
.............................................................................................
তেহরানের ৫২ স্থানে ভয়াবহ হামলার হুমকি ট্রাম্পের
.............................................................................................
রুহানি-বাহরামকে এরদোগানের ফোন
.............................................................................................
রাশিয়ায় গভর্নরের তোষামোদী করায় চাকরিচ্যুত সাংবাদিক
.............................................................................................
ঈশ্বর প্রত্যেককেই ভালোবাসেন : পোপ ফ্রান্সিস
.............................................................................................
ইন্দোনেশিয়ায় বাস খাদে পড়ে নিহত ২৪
.............................................................................................
কোন অবস্থাতেই অন্ধ্রপ্রদেশে এনআরসি করতে দেব না
.............................................................................................
দিল্লিতে কাপড়ের গুদামে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯
.............................................................................................
গুয়াতেমালায় বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ২০
.............................................................................................
অভিশংসিত ডোনাল্ড ট্রাম্প
.............................................................................................
ইদলিবে বিমান হামলায় ৯ শিশুসহ নিহত ২২
.............................................................................................
নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে উত্তাল পশ্চিমবঙ্গ
.............................................................................................
একসঙ্গে জন্ম-একদিনে বিয়ে
.............................................................................................
হল্যান্ডের ইসলামিক স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির হিড়িক!
.............................................................................................
ভারত ভ্রমণে নাগরিকদের সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন
.............................................................................................
ভারতের নাগরিকত্ব আইন মুসলমানদের প্রতি বৈষম্যমূলক: জাতিসংঘ
.............................................................................................
উত্তপ্ত কাশ্মীর, গোলাগুলি; ২ ভারতীয় সেনা নিহত
.............................................................................................
আসামের পর এবার মেঘালয়ে কারফিউ জারি
.............................................................................................
ভারত সফর বাতিল বাংলাদেশের, এবার বাতিল করতে পারে জাপান
.............................................................................................
আসাম রণক্ষেত্র, মন্ত্রীর বাড়িতে আক্রমণ; নিহত ৫
.............................................................................................
নাইজারে সন্ত্রাসী হামলায় ৭১ সেনা নিহত
.............................................................................................
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা
.............................................................................................
রাখাইনে গণহত্যা হয়নি: আন্তর্জাতিক আদালতে সু চি’র মিথ্যাচার
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সিতে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৬
.............................................................................................
হেগেতে সু চি’র বিরুদ্ধে বার্মিজদের সমাবেশ
.............................................................................................
ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাস: ত্রিপুরায় ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন
.............................................................................................
নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাস: প্রতিবাদে অগ্নিগর্ভ আসাম
.............................................................................................
৩৮ আরোহীসহ নিখোঁজ চিলির সামরিক বিমান
.............................................................................................
আইসিজে‌তে রোহিঙ্গা গণহত্যার শুনানি শুরু আজ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft