শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   উপসম্পাদকীয়
  পুলিশের ভালো-মন্দ এবং অতিবল
  16, October, 2017, 4:44:17:PM

১ লাখ ১২ হাজার পুলিশ নিয়োগের মহাপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে চলছে বর্তমান সরকার। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে পুলিশবাহিনীর সদস্য সংখ্যা দাঁড়াবে দুই লাখ ৬৭,৮৫৯ জন। পুলিশ বাহিনীতে সচিব পদমর্যাদার (গ্রেড-১) অতিরিক্ত আইজিপির পদ হবে ২০টি ও অতিরিক্ত আইজিপির (গ্রেড-২) পদ হবে ৪০টি। অর্থাৎ অতিরিক্ত আইজিপির মোট পদ হবে ৬০টি। ডিআইজির পদ ১০০টি ও এসপির পদ হবে ৩৮০টি।
কিছুদিন পরপর পুলিশের তরফ থেকে বিভিন্ন পদ সৃষ্টির বিষয়ে প্রস্তাব যায় অর্থ মন্ত্রণালয়ে। এ পরিপ্রেক্ষিতে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এক বছর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে পুলিশ কত পদ চায় তা জানতে চাওয়া হয়।
পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সেই চিঠি পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হয়। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে গত মাসের শেষের দিকে তাদের মহাপরিকল্পনার কথা জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সেটি পাঠায় অর্থ মন্ত্রণালয়ে।
বাংলাদেশের আইনি বর্তমানে নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে বরাবরের মত অবিরত চেষ্টা করে জানতে পেরেছি যে, ডিআইজি রয়েছেন ৫২ জন; এ পদের সংখ্যা বাড়িয়ে ১০০ এবং অতিরিক্ত ডিআইজির পদের সংখ্যা ৭৭ থেকে বাড়িয়ে ১৫০ জন করার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। বর্তমানে এসপি পদ রয়েছে ২৭০টি। সেটি বাড়িয়ে ৩৮০ জন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। অবশ্য সেই সাথে আরো জানা গেছে যে, পুলিশবাহিনীতে ১২১টি ক্যাডার পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। এসবের মধ্যে রয়েছে তিনটি ডিআইজি, ১৩টি এসপি, ৩৭টি অতিরিক্ত এসপি ও ৬৮টি এএসপির পদ। এসব পদ পুলিশ সদর দপ্তরে সংরক্ষিত থাকবে। বিভিন্ন সময় পুলিশ কর্মকর্তারা মিশনে চলে যাওয়ায় সমস্যায় পড়তে হয়। এ সমস্যা সমাধানের জন্য গত বছর সংরক্ষিত পদ সৃষ্টির প্রস্তাব পাঠানো হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। মানুষের জীবনমান উন্নত না হলেও আমাদের নিরাপত্তার নামে পুলিশ সদস্য ক্রমশ বাড়ছে। বর্তমানে পুলিশ বাহিনীতে আইজিপি পদ মর্যাদার (গ্রেড-১) রয়েছেন তিনজন, অতিরিক্ত আইজিপি (গ্রেড-২) রয়েছেন ৯ জন; ডিআইজি ৫২, অতিরিক্ত ডিআইজি ৭৭, সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (এসপি) ২৭০, অতিরিক্ত এসপি ৫৬৭, সিনিয়র এএসপি ২৭১, এএসপি ১,০৮৪, ইনস্পেক্টর ৪,০১৫, সাব-ইনস্পেক্টর ১৫,২৯৭, সার্জেন্ট ১,৭৬৪, সহকারী সাব-ইনস্পেক্টর (এএসআই) ১৭,৫০৪, নায়েক ৬,৫৬৪ ও কনস্টেবল রয়েছেন ১,০৮,৩২০ জন। সব মিলিয়ে পুলিশবাহিনীতে রয়েছেন এক লাখ ৫৫,৭৯৭ জন কর্মকর্তা ও সদস্য। পুলিশ সদর দপ্তর গ্রেড-১ থেকে কনস্টেবল পর্যন্ত এক লাখ ১২,০৬২টি পদ সৃষ্টির নতুন পরিকল্পনার পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আমলা-মন্ত্রী-এমপিদের আখের গোছানোর জন্য মূলত তৈরি হচ্ছে নিয়োগ পক্রিয়াটি। নিয়োগের এই পক্রিয়ার রাস্তা ধরে এগিয়ে যেতে যেতে জানা প্রয়োজন যে, জাপানে ২৫০ জন সাধারণ মানুষের বিপরীতে একজন পুলিশ রয়েছে। থাইল্যান্ডে ২৬০ জনে একজন ও মালয়েশিয়ায় ২৭০ জনে একজন পুলিশ রয়েছে। ভারতে প্রতি ৭৩০ জনে একজন পুলিশ রয়েছে। এই বর্তমানে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতে দুই কোটি মানুষ অধ্যুষিত এই মেগাসিটিতে ৬০০ মানুষের জন্য রয়েছে মাত্র ১ জন পুলিশ। যে পুলিশের লক্ষ্যই থাকে কোন না কোনভাবে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার সাধারণ মানুষকে কষ্ট দিয়ে, ফাঁদে ফেলে টাকা আদায় করার চেষ্টা। এই চেষ্টায় আমাদের রাজধানী পরিণত হয়েছে অভিশপ্ত নগরীতে। বাংলাদেশে স্বাধীনতার ৪৭ বছরে বারবার মানুষ শান্তির নামে অশান্তির শিকার হয়েছে বারবার। অথচ আমাদের বন্ধুদেশ চিনের ৩৮ কিলোমিটারের শহর লানবা।
ক্ষয়ে যাওয়া আমাদের বাংলাদেশের মাটিতে স্বাধীনতার ৪৭ বছর পার হয়ে গেলেও পুলিশ-প্রশাসনের জালে বন্দী জনগন আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, এ শহরটিতে গত ১২ বছরে কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়নি। বিষয়টি অবাক হওয়ার মতোই। বিস্ময়ের আরও বাকি আছে। দক্ষিণ পশ্চিম চীনের ওই শহরে একজন মাত্র পুলিশ আছেন। তিনি একাই সারা শহর টহল দিয়ে বেড়ান। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল ওই পুলিশকর্মী চোখে দেখেন না। গ্লুকোমায় দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন ২০০২ সালে। তারপরও তার চাকরি আছে। কারও করুণায় নয়, চাকরিটি আছে তার দক্ষতায়। কারণ তিনি একাই একটা শহরকে যেভাবে শান্ত রাখতে পারেন, তাতে তাকে সরানোর প্রশ্নই ওঠে না। আর তাই দৃষ্টিশক্তি না থাকলেও পুলিশের কাজটি রয়েছে তার। তিনি প্রতিদিন নিয়ম করে পুলিশের পোশাক পরে বেরিয়ে পড়েন কাজে। অবশ্য তার স্ত্রী থাকেন সঙ্গে। এ পুলিশ অফিসারের নাম প্যান ইয়ং। বয়স ৪৫ বছর। প্যান ইয়ংয়ের দৃষ্টিশক্তি না থাকলেও নিজের শহরটাকে চেনেন হাতের তালুর মতো। চেনেন সেখানকার মানুষজনকে। তাই সিয়া চং পুলিশ স্টেশনের ওই একমাত্র পুলিশ কর্মকর্তাকে কর্তৃপক্ষ কখনই সরানোর চিন্তা করেনি। সিয়া চং রেলওয়ে স্টেশনকে ঘিরে লানবা শহরের চারপাশের এলাকা ৩৮ কিলোমিটার। এ এলাকার ভেতরে আছে ৩টি প্রশাসনিক গ্রাম, ১৩টি ছোট গ্রাম। আর এ গ্রামগুলোর দায়িত্বে আছেন প্যান ইয়ং। তার দক্ষতার কারণে সেখানে গত ১২ বছরে কোনো খুন-খারাবি হয়নি। চুরি-ছিনতাই হয়নি। ঘটেনি কোনো দুর্ঘটনাও। অবশ্য এর পেছনে আরও একজনের নীরব ভূমিকা রয়েছে। তিনি প্যানের স্ত্রী তাও হংগিং। তিনি লোকাল রেলওয়ে স্টেশনের রক্ষী। প্রতিদিন তিনিও সারা শহর চক্কর মারেন পুলিশ স্বামীর সঙ্গে। ভাগ্যে বিশ্বাস করেন প্যানের স্ত্রী। তিনি মনে করেন, ভাগ্যে ছিল বলেই তারা দু’জন একসঙ্গে। প্যান ইয়ং অবশ্য ছোট থেকেই অপরাধের বিরুদ্ধে সরব। তিনি বেড়ে উঠেছেন পুলিশ থানা চৌহদ্দিতেই। সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে প্যান বলেন, আমার পদটা বড় নয়। তবু আমি আমার পুলিশের এই পেশাটাকে ভালোবাসি। অপরাধকে কখনো প্রশ্রয় দিইনি।’ এমন করে ভাবনার রাস্তায় আমাদের পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের ৯০ ভাগও হাটেন না। বরং তারা রাজনীতিকদের ফুটফরমাশ খাটার মত অবিরত তৈরি হয়ে এগিয়ে চলছে।
বাংলাদেশের বর্তমান প্রশাসনিক কালো ফাঁদে দূর্নীতি ও বাংলাদেশ পুলিশ কাহিনি নিয়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন নিরন্তর সময়। এই সময়ে অগ্রসর হতে হতে ৭০% লোক মনে করে পুলিশ এবং দূর্নীতি একটি আরেকটির উল্টো পিঠ। এটা একটা জটিল এবং বিতর্কিত বিষয়। প্রতিদিন বাংলাদেশে যে যে ক্ষেত্রে দুর্নীতি সংঘটিত হয় তার ৯৫% বা তার বেশি ক্ষেত্রে এসব থাকে সাধারণ জনগনের আড়ালে। আর পুলিশের দুর্নীতির বিষয়টা ৯৫% জানে মানুষ। এই জানা এবং অজানার কারণেই পুলিশ বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কাঝে এক আতঙ্কের নাম। কিন্তু এমটা হওয়া উচিত ছিল না। সাধারণত আমাদের ট্রাফিক পুলিশ রাস্তার গাড়ী আটকে রেখে ১০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ খায়। হ্যাঁ খায়, তাতে কী? শুধু পুলিশের এই ১০ টাকার ঘুষটাই আমাদের চিন্তার বিষয়। কিন্তু এর মূলে কী রয়েছে? যখন রাস্তার একজন সম্মানিত ব্যক্তি গাড়ী নিয়ে বের হন তখন তার উপর অনেকগুলি কর্তব্য অর্পিত হয়। গাড়ী চালাতে হলে অবশ্যই আপনার কাছে বৈধ্য ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকা লাগবে। সম্ভবত আমাদের দেশের ৯০% বা তার বেশি ড্রাইভারদের গাড়ীর বৈধ্য লাইসেন্স থাকে না। আর যাদের কাছে রয়েছে অবৈধ্য লাইসেন্স রয়েছে তারা দুর্নীতির কয়টা স্তর পাড়ি দিয়ে তা সংগ্রহ করেছেন তার ভেবে মাথা নষ্ট করার দরকার নাই। ঘুষ, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, উদ্ধত আচরণ ইত্যাকার নানাবিধ অনাকাঙ্খিত আচরণের জন্য পুলিশ সৃষ্টির আদিকাল থেকেই সমালোচিত, আলোচিত এবং অনেক ক্ষেত্রে অপমানিত। যেহেতু খারাপ খবরই হল পত্রিকার জন্য ‘ভাল খবর’, তাই এই জাতীয় অসদাচরণ যে পত্রিকার শিরোনাম হবে তা সহজেই অনুমেয়। নিকট অতীতে অপরাধ দমনে পুলিশের চ্যালেঞ্জ বহুলাংশে বেড়ে গেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পুলিশ অপরাধীর পেছনে ছোটে- পুলিশের পেশার এই বৈশিষ্ট্যের দিকে সমাজের সহানুভূতির দৃষ্টি তেমন নেই। জনবল, সরঞ্জাম, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের ঘাটতি কাটানোর পাশাপাশি পুলিশের সদাচরণ ও সেবার মান বৃদ্ধি এবং মানসিক গঠন পরিবর্তনের মাধ্যমে সুনাম বাড়ুক; পুলিশ হয়ে উঠুক প্রকৃত সমাজবান্ধব- এমন প্রত্যাশা দেশের নাগরিকদেরও।
মনে রাখতে হবে বাংলাদেশের সর্বপ্রকার উন্নয়ন ও অগ্রগতির পূর্বশর্ত হলো শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা। শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে পুলিশের ওপর সমাজ নির্ভরশীল। বিশেষ করে জনগণের জানমালের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা অনস্বীকার্য। পুলিশের ওপর সাধারণ নাগরিকরা যেমন ভরসা করেন, তেমনি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগেরও অন্ত নেই। পুলিশের দায়িত্বহীনতা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা প্রশ্ন তোলা হয়ে থাকে। পুলিশের ভাল কাজ ছাপিয়ে তার দুর্নীতি ও কিছু গর্হিত অপরাধের কথা ফলাও করে প্রচারিত হওয়ার সংস্কৃতি থেকে সমাজ বেরিয়ে আসতে পারেনি। ফলে এটাও সত্য সমাজে পুলিশের যে ভাবমূর্তি গড়ে তোলা হয়েছে তা মোটেই সম্মানজনক নয়। এর জন্য দায়ি পুলিশ-প্রশাসনের সর্বনিন্ম থেকে সর্বোচ্চ স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-সংসদিয় কমিটি এবং আমলাগণ। রাজধানীতে এত অল্পসংখ্যক পুলিশ দিয়ে বিপুলসংখ্যক জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা বিধান কিভাবে সম্ভব। তবে বাড়ছে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগও।
উদাহরণ স্বরুপ বলি- আমি এবং আমার সহধর্মিনী শান্তা ফারজানা বিভিন্ন টিভি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রতিদিন-ই বাসায় ফিরি রাত ১২ টা থেকে ১ টার সময়। একদিন নেওয়াজবাগের বাসায় যাচ্ছিলাম রাত ১ টা। রিক্সা না পাওয়ায় দেড়ি হচ্ছিলো পথে। এমন সময় পাশে এসে সবুজবাগ থানার এস আই দাড়ান এবং বলেন, আপনি এত রাতে কোথায় যাচ্ছেন? উত্তরে বললাম, বাসায় যাচ্ছি। এবার তিনি রাগত স্বরে বললেন, এত রাতে বাসায় যাচ্ছেন কেন? উত্তরে আমি বললাম এত রাতে বাসায় যাবো না তো কোথায় যাবো, থানায়? তিনি এবার চড়াও হলেন- কি করেন আপনি? বললাম-সাংবাদিক। এবার তিনি স্বর নিচু করলেন এবং ততক্ষণে চারপাশে ঘিরে দাড়ানো কনস্টেবলদেরকে সরে যেতে ইঙ্গিত করতে করতে বললেস, একটু তাড়াতাড়ি বাসায় যাওয়া যায় না। বললাম-না। কেননা, আমাকে কাজ শেষ করেই বাসায় ফিরতে হয়। কাজ শেষ না করে বাসায় ফেরার মত ধনি আমি নই।
রিক্সা একটা পাওয়ার পর বাসায় ফেরার পথে সেই রিক্সাওয়ালা জানালেন, গতকাল রাতে তার ছেলেকে ইয়াবা পকেটে দিয়ে পুলিশ থানায় নিয়ে গেছে। এখন দাবী করছে ৫০ হাজার টাকা। এমন পুলিশ আমরা চাই না। চাই না লক্ষ লক্ষ পুলিশ। চাই অল্প সংখ্যক পুলিশ, চাই সচেতনতা তৈরি অন্যায়ের বিরুদ্ধে...

মোমিন মেহেদী : চেয়ারম্যান, নতুনধারা বাংলাদেশ-এনডিবি



সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 121        
   শেয়ার করুন
Share Button
   আপনার মতামত দিন
     উপসম্পাদকীয়
জামায়াতীদের নাগরিক মর্যাদা
.............................................................................................
অার নয় যৌতুক
.............................................................................................
আমাদের গণতন্ত্রের অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যত
.............................................................................................
১৭ নভেম্বর মওলানা ভাসানীর মাজার, জনতার মিলন মেলা
.............................................................................................
পুলিশের ভালো-মন্দ এবং অতিবল
.............................................................................................
চালে চালবাজী: সংশ্লিষ্টদের চৈতন্যোদয় হোক
.............................................................................................
একাদশ সংসদ নির্বাচন, ভোটাধিকার এবং নির্বাচন কমিশন
.............................................................................................
নির্বাচনে সেনা মোতায়েন প্রত্যাশা এবং সিইসির দৃশ্যপট
.............................................................................................
৩ মাসের মধ্যে ধর্ষকের ফাঁসি এবং বিজয় বাংলাদেশ
.............................................................................................
শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও বাংলাদেশ
.............................................................................................
মানবিক মূল্যবোধ বিনষ্ট হলে মানুষ পশু সমতুল্য হয়ে পড়ে
.............................................................................................
ফিরে ফিরে আসে ১৫ আগস্ট : কিন্তুু যা শেখার ছিল তা শেখা হলো না
.............................................................................................
ক্ষুদ্রঋণ সহায়তার নামে সুদখোরদের অত্যাচার কবে বন্ধ হবে
.............................................................................................
খেলাপি ঋণের অভিশাপ মুক্ত হোক ব্যাংক খাত
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও ১৫ আগষ্ট
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের সূচনাপর্বই ছিল ঘটনাবহুল
.............................................................................................
জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে আত্মসন্তুষ্টির অবকাশ নেই
.............................................................................................
সার্টিফিকেট নির্ভর নয়, মানসম্পন্ন শিক্ষা জরুরি
.............................................................................................
বাজেট তুমি কার
.............................................................................................
শিক্ষাক্ষেত্রে মায়ের ভূমিকা
.............................................................................................
জাতীয় সংসদ নির্বাচন: দেশী ও বিদেশীদের ভাবনা
.............................................................................................
দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধ হবে কি?
.............................................................................................
হুমকির মুখে গার্মেন্টস শিল্প, কমছে বৈদেশিক আয়
.............................................................................................
ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার গ্রামীণ জনগোষ্ঠির মাঝে আশার আলো
.............................................................................................
নিরপেক্ষ গণমাধ্যম জাতির প্রত্যাশা
.............................................................................................
নারীর উন্নয়নে দেশের উন্নয়ন
.............................................................................................
ভূমিকম্প মোকাবেলায় প্রয়োজন সচেতনতা
.............................................................................................
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো
.............................................................................................
ভূমিকম্পকে ভয় পেলে চলবে না
.............................................................................................
সিইসির বিদায় বেলায় জেলা পরিষদ ও নাসিক নির্বাচন
.............................................................................................
বিজয় দিবস বাঙালির শৌর্য-বীর্যের প্রতীক
.............................................................................................
পাকিস্তানের কূটনৈতিক পরাজয়
.............................................................................................
আইএস বিতর্কের অন্তরালে
.............................................................................................
তেলের মূল্য কমানোর সুফল কার পকেটে ?
.............................................................................................
চাই নিরক্ষরমুক্ত আত্মনিভর্রশীল ডিজিটাল বাংলাদেশ
.............................................................................................
পশ্চিমবঙ্গ: কালো তাড়াই কালো আসবে নতুন আলো...
.............................................................................................
মধ্যপ্রাচ্যে নারী নির্যাতন, আইয়্যামে জাহেলিয়ার দৃশ্যপট
.............................................................................................
বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা
.............................................................................................
গ্রাম নিয়ে যত কথা
.............................................................................................
পদ্মা সেতু থেকে বড়
.............................................................................................
ইউপি নির্বাচনের প্রতিচিত্র
.............................................................................................
ইউপি নির্বাচনের প্রতিচিত্র
.............................................................................................
মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্লিজ!
.............................................................................................
তনু হত্যার প্রসঙ্গ অপ্রসঙ্গ
.............................................................................................
সাগর কুলের নাইয়ারে - মাঝি কোথায় যাচ্ছ বাইয়া
.............................................................................................
বিশ্বময় এই অব্যাহত সন্ত্রাস কেন বন্ধ করা যাচ্ছে না?
.............................................................................................
বিশ্ব পানি দিবস
.............................................................................................
রেলের ভাড়া বাড়ে সেবা বাড়ে না
.............................................................................................
স্বাধীনতার মাস: স্বাধীনতার মূল্যবোধ
.............................................................................................
সংসদে প্রশ্নত্তোর পর্ব; চাকরির বয়স এবং আমাদের প্রত্যাশা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft