মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ | বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   উপসম্পাদকীয়
  আমাদের গণতন্ত্রের অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যত
  24, February, 2018, 2:48:44:PM

॥ ফোরকান আহম্মেদ ॥
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তথা আমেরিকার জাতির পিতা বিশ্বে গণতন্ত্রের নন্দিত মহানায়ক প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন গণতন্ত্রের মূল্যায়ন যেভাবে করেছিলেন তা আজও বিশ্ববাসীর কাছে অমর বাণী হিসাবে স্বীকৃত আমেরিকার স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী বীরদের স্মরণে এক স্মরণসভার মাত্র ৩ মিনিটের এক বক্তৃতায় বলেছিলেন অফ দ্যা পিপল, বাই দ্যা পিপল, ফর দ্যা পিপল। তাঁর এ বক্তব্য আজো বিশ্বের গণতন্ত্রের বাণী চিরন্তণী হিসেবে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিচালনায় বিশ্ব নেতাদের কাছে অনুপ্রেরণাহিসাবে কাজ করছে এবং যতদিন বিশ্বে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু থাকবে ততদিন তিনিও বিশ্ব সভ্যতার তাছে অমর হয়ে থাকবেন।
ভারত উপমহাদেশ ব্রিটিশ শাসনাধীন থাকাকালীন ও এ অঞ্চলের মানুষ তাদের নাগরিক সামাজিক ও নৈতিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষে সংগ্রাম করেছেন বহু স্বাধীনতাকামী নেতার নেতৃত্বে এর মধ্যে শহীদ তিতুমীর, সিপাহী বিদ্রোহ, সন্যাস বিদ্রোহ, ফকির বিদ্রোহ অন্যতম। এক পর্যায়ে ১৯৪৭ সালে পাক-ভারত বার্মাসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে। বাংলাদেশ তখনও পাকিস্তানের আওতাধীন একটি প্রদেশ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে ব্রিটিশ শাসনাধীন থাকাকালীন ১৯০৫ সালে অবিভক্ত বাংলা ভাগ হয়ে পূর্ব বাংলা ঢাকাকে রাজধানী করে ভাগ হয়েছিল। ভারতীয় হিন্দু নেতৃবৃন্দের প্রবল বিরোধীতার ফলে বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয় ব্রিটিশ সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় পাকিস্তান, ভারত ও বার্মা স্বাধীনতা লাভ করে। কিন্তু পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী পূর্ব বাংলা বা পূর্ব পাস্তিানের ভাগ্যহত মানুষের কোন মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ না করে বৈষম্যমূলক নীতিমালার আলোকে ৭ কোটি মানুষকে নিপীড়ন ও শোষনের বেড়াজালে আটকে রেখে তাদের আধিপত্য তথা শাসনতান্ত্রিক নেতৃত্ব তাদের কব্জায় রাখতে কূটকৌশল অব্যাহত রাখে। এরই প্রেক্ষাপটে ১৯৭০সালের সাধারণ নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংখ্যাগরিষ্ট আসন পেলেও শাসকগোষ্ঠী বাঙালী জাতির অবিসাংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর গড়িমসি শুরু করে। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে শুরু হয়। অসহযোগ আন্দোলন হরতাল ধর্মঘট। এক পর্যায়ে পাক-শাসকগোষ্ঠী তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের নিরীহ মানুষের ওপর সশস্ত্র হামরা চালালে পরিস্থিতি মহান মুক্তিযুদ্ধে রূপ নেয়। দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র যুদ্ধের পর ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এবং ২ লাখ মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারী পাকিস্তানের কারগার থেকে মুক্তি পেয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন বাঙালী অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্বে এবং নির্দেশনায় এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের পবিত্র সংবিধান প্রণীত হয়। যা পাকিস্তন সরকার দীর্ঘ ২৩ বছরেও করতে পারেনি। সংবিধানে রাষ্ট্রীয় ৪টি মূল নীতি সংযোজিত হয়। এ ৪টি মূল নীতি হচ্ছে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও বাঙালী জাতীয়তাবাদ। রাষ্ট্রীয় মূল ৪টির প্রথমটি গণতন্ত্র হলেও গণতন্ত্র এখনও শঙ্কামুক্ত নয় বলেও রাজনৈতিকঅভিজ্ঞনজরা মনে করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন যখন যে দল বা জোট ক্ষমতায় আসেন তখনই তারা নিজেদের মতো করে সংবিধান সংশোধন করে নেয়।
১৯৯০ ইং সনের ৬ ডিসেম্বর তৎকালীন ৮ ও ৭ দলীয় জোটের আন্দোলনের মুখে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এবং তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ পদত্যাগ করেন গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং সংবিধানকে সমুন্নত রাখতেই তিনি পদত্যাগ করেন। ১৯৯১ইং সনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। ৮ দলীয় জোটের দাবীর মুখে ঐ সময় পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে গ্রেফতার করে সরকার। শুরু হয় সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি ও তার প্রতিষ্ঠিত জাতীয় পার্টির ওপর অত্যাচারের স্টীম রোলার। এরশাদের মুক্তির দাবীতে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা বা বিভাগীয় শহর অথবা রাজধানীতে জাতীয় পার্টি যেখানে জনসভা অথবা বিক্ষোভ মিছিলের প্রোগ্রাম ঘোষণা করে সেখানে বিএনপি অথবা তার অঙ্গ সংগঠন পাল্টা প্রোগ্রাম দেয়। নিরুপায় প্রশাসন বাধ্য হয়ে ১৪৪ ধারা জারি করে। সভা সমাবেশ হয়ে যায় প-। পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এক সময়ের তুখোর ছাত্রনেতা এবং এরশাদ মন্ত্রীসভার সফল শিক্ষামন্ত্রী শেখ শহীদুল ইসলাম মাদারীপুরের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠে জাপা আয়োজিত এক কর্মী সমর্থক সমাবেশে দুঃখ করে বলেন দেশে এখন নষ্ট গণতন্ত্রের চর্চা শুরু হয়েছে।
জাতি এখনও সেই নষ্ট গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা প্রত্যক্ষ করছে কিনা ভেবে দেখা দরকার। এটা হলো পরিচ্ছন্ন গণতন্ত্রের জন্য কাম্য নয়। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের পর বিএনপি নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে তাঁর গুলশান কার্যালয়ে ৯৩দিন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ঘেরাওয়ের মধ্যে অবরুদ্ধ রাখা হয়। এ সময় তাঁর জন্য দেয়া খাবার পানি ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়। এছাড়া বালুর ট্রাক দিয়ে ঘেরাওসহ যানবাহনে ব্যবহৃত ভেপু বাঁজিয়ে এক বিরক্তিকর পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়। যা দেশবাসী নিরব দর্শকের ভূমিকায় থেকে গভীরভাবে প্রত্যক্ষ করেছে।
একথা নির্দ্বিধায় বলা যায় আমাদের দেশের মানুষ খুবই আবেগপ্রবণ। না হলে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের একটি ঐতিহাসিক ভাষণকে সামনে রেখে তারা পতঙ্গের ন্যায় মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়লো কিভাবে? জাতির পিতার ষড়যন্ত্রমূলক মৃত্যুকে যেমন মেনে নিতে পারেনি এ জাতি, তেমনি প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুকেও ভাল চোখে দেখেনি দেশবাসী।
২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলাকে দেশবাসী যেমন সমর্থন দেয়নি তেমনি খালেদা জিয়াকে ঘেরাও করে রেখে খাবারসহ বিদ্যুৎ পানি সরবরাহ বন্ধকেও সমর্থন করেনি মানুষ। প্রত্যেক ক্রিয়ারই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। উল্লেখিত ঘটনার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও একদিন দৃশ্যমান হবে। মান্যবর শেখ শহীদুল ইসলামের নষ্ট গণতন্ত্রে নতুন ডিজিটাল সংস্কারণের গণতন্ত্রে এখন চলছে গণতান্ত্রিক জিঘাংসার বাস্তবায়ন।
শ্রদ্ধাভাজন প্রবীণ সাংবাদিক ও দৈনিক জনতার সম্মানিত প্রকাশক জনাব ছৈয়দ আন্ওয়ার এর নামকরণ করেছেন মনোতন্ত্র। তাঁর ব্যাখ্যায় বোঝা যায় গণতন্ত্রের লেবাসে মনের মতো করে দেশ পরিচালনার নাম মনোতন্ত্র। তিনি গত ৩০ জানুয়ারি দৈনিক জনতার ১ম পাতায় প্রকাশিত তাঁর মন্তব্য কলামে “মনের তন্ত্র গণতন্ত্র নয়” শিরোনামের কলামে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
অপরদিকে গত ৯ ফেব্রুয়ারি দৈনিক ইনকিলাবের ১১নং পৃষ্ঠার সম্পাদকীয় পাতায় শ্রদ্ধাভাজন সাংবাদিক কামরুল হাসান দর্পণ তার উপসম্পাদকীয় কলামে গণতন্ত্রের সংকট এবং ভারসাম্যাহীন রাজনীতি শিরোনামের লেখায় চমৎকার ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি অতীতের কিছু অপ্রিয় সত্য কথা তাঁর লেখায় তুলে ধরেছেন।
জনাব দর্পণ তাঁর লেখার শুরুতেই লিখেছেন আমাদের দেশে গণতন্ত্র আছে কি নেই, থাকলেও কতটা আছে তা সংখ্যাগরিষ্ট মানুষের পক্ষে বোঝা মুশকিল।
আমাদের প্রচলিত রাজনীতিতে একটি প্রবাদ আছে তা হচ্ছে, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় উচিত। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে আমাদের সম্মানিত দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেন না। আমাদের রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীগণ মান্যবর, জওহরলাল নেহেরু, ভারতের জাতির পিতা করমচাঁদ গান্ধী, পাকিস্তানের জাতির পিতা মহম্মদ আলী জিন্নাহ বাংলাদেশের স্থপতি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ আইউব ইয়াহিয়া ও বহু স্বৈরশাসকের পতন দেখেও শিক্ষা গ্রহণ করেনি। যারাই যেভাবে যখন ক্ষমতায় এসেছে। তারাই ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজেদের পতন ত্বরান্বিত করেছেন। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতায় এসেও কেউ গণতান্ত্রিক স্বৈরশাসকের ভূমিকায় অতীতে গিয়ে থাকলেও পরিচ্ছন্ন গণতন্ত্র যাঁরা লালন করেন তাঁরা স্বৈরাচারী আচরণ করবে না এটাই প্রকৃত গণতন্ত্রকে লালন করা বলেই তৃণমূলের সাধারণ মানুষেরা মনে করেন। গণতন্ত্রের পূজারী সাধারণ মানুষ আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের কাছে এমনটাই প্রত্যাশা করে। অন্যথায় আগামী প্রজন্মের কাছে আমাদের জাতীয় নেতাদেরকেই জবাব দিতে হবে।



সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 80        
   শেয়ার করুন
Share Button
   আপনার মতামত দিন
     উপসম্পাদকীয়
জামায়াতীদের নাগরিক মর্যাদা
.............................................................................................
অার নয় যৌতুক
.............................................................................................
আমাদের গণতন্ত্রের অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যত
.............................................................................................
১৭ নভেম্বর মওলানা ভাসানীর মাজার, জনতার মিলন মেলা
.............................................................................................
পুলিশের ভালো-মন্দ এবং অতিবল
.............................................................................................
চালে চালবাজী: সংশ্লিষ্টদের চৈতন্যোদয় হোক
.............................................................................................
একাদশ সংসদ নির্বাচন, ভোটাধিকার এবং নির্বাচন কমিশন
.............................................................................................
নির্বাচনে সেনা মোতায়েন প্রত্যাশা এবং সিইসির দৃশ্যপট
.............................................................................................
৩ মাসের মধ্যে ধর্ষকের ফাঁসি এবং বিজয় বাংলাদেশ
.............................................................................................
শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও বাংলাদেশ
.............................................................................................
মানবিক মূল্যবোধ বিনষ্ট হলে মানুষ পশু সমতুল্য হয়ে পড়ে
.............................................................................................
ফিরে ফিরে আসে ১৫ আগস্ট : কিন্তুু যা শেখার ছিল তা শেখা হলো না
.............................................................................................
ক্ষুদ্রঋণ সহায়তার নামে সুদখোরদের অত্যাচার কবে বন্ধ হবে
.............................................................................................
খেলাপি ঋণের অভিশাপ মুক্ত হোক ব্যাংক খাত
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও ১৫ আগষ্ট
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের সূচনাপর্বই ছিল ঘটনাবহুল
.............................................................................................
জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে আত্মসন্তুষ্টির অবকাশ নেই
.............................................................................................
সার্টিফিকেট নির্ভর নয়, মানসম্পন্ন শিক্ষা জরুরি
.............................................................................................
বাজেট তুমি কার
.............................................................................................
শিক্ষাক্ষেত্রে মায়ের ভূমিকা
.............................................................................................
জাতীয় সংসদ নির্বাচন: দেশী ও বিদেশীদের ভাবনা
.............................................................................................
দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধ হবে কি?
.............................................................................................
হুমকির মুখে গার্মেন্টস শিল্প, কমছে বৈদেশিক আয়
.............................................................................................
ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার গ্রামীণ জনগোষ্ঠির মাঝে আশার আলো
.............................................................................................
নিরপেক্ষ গণমাধ্যম জাতির প্রত্যাশা
.............................................................................................
নারীর উন্নয়নে দেশের উন্নয়ন
.............................................................................................
ভূমিকম্প মোকাবেলায় প্রয়োজন সচেতনতা
.............................................................................................
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো
.............................................................................................
ভূমিকম্পকে ভয় পেলে চলবে না
.............................................................................................
সিইসির বিদায় বেলায় জেলা পরিষদ ও নাসিক নির্বাচন
.............................................................................................
বিজয় দিবস বাঙালির শৌর্য-বীর্যের প্রতীক
.............................................................................................
পাকিস্তানের কূটনৈতিক পরাজয়
.............................................................................................
আইএস বিতর্কের অন্তরালে
.............................................................................................
তেলের মূল্য কমানোর সুফল কার পকেটে ?
.............................................................................................
চাই নিরক্ষরমুক্ত আত্মনিভর্রশীল ডিজিটাল বাংলাদেশ
.............................................................................................
পশ্চিমবঙ্গ: কালো তাড়াই কালো আসবে নতুন আলো...
.............................................................................................
মধ্যপ্রাচ্যে নারী নির্যাতন, আইয়্যামে জাহেলিয়ার দৃশ্যপট
.............................................................................................
বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা
.............................................................................................
গ্রাম নিয়ে যত কথা
.............................................................................................
পদ্মা সেতু থেকে বড়
.............................................................................................
ইউপি নির্বাচনের প্রতিচিত্র
.............................................................................................
ইউপি নির্বাচনের প্রতিচিত্র
.............................................................................................
মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্লিজ!
.............................................................................................
তনু হত্যার প্রসঙ্গ অপ্রসঙ্গ
.............................................................................................
সাগর কুলের নাইয়ারে - মাঝি কোথায় যাচ্ছ বাইয়া
.............................................................................................
বিশ্বময় এই অব্যাহত সন্ত্রাস কেন বন্ধ করা যাচ্ছে না?
.............................................................................................
বিশ্ব পানি দিবস
.............................................................................................
রেলের ভাড়া বাড়ে সেবা বাড়ে না
.............................................................................................
স্বাধীনতার মাস: স্বাধীনতার মূল্যবোধ
.............................................................................................
সংসদে প্রশ্নত্তোর পর্ব; চাকরির বয়স এবং আমাদের প্রত্যাশা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Nytasoft