বৃহস্পতিবার, ৬ মে 2021 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   স্বাস্থ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
পালস অক্সিমিটার ব্যবহারের নিয়ম

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক :
প্রাণঘাতী করোনার ভয়াবহতার করোনাকালে সবার ঘরেই পালস অক্সিমিটার রাখা জরুরি। যেকোনো সময় শরীরের অক্সিজেন লেভেল কমে যেতে পারে। রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা পরিমাপের জন্য পালস অক্সিমিটারের ব্যবহারের ক্ষেত্রেও আছে কয়েকটি নিয়ম।

করোনা আক্রান্ত রোগীর রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ ওঠা-নামার উপর নির্ভর করেই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা ৯৪ এর নিচে নামলে দ্রুত হাসপাতালে নিবে হবে করোনা রোগীদের।

বর্তমানে হাসপাতালগুলো পর্যাপ্ত অক্সিজেন না থাকায় কম লক্ষণযুক্ত করোনা রোগীদেরকে বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে আসছে চিকিৎসকরা। এ সময় পালস অক্সিমিটার ব্যবহার করবেন কীভাবে তা জেনে নিন-

* নখে নেলপালিশ থাকলে শুরুতেই তা মুছে ফেলতে হবে।

* বেশি লাইট বা রোদেরে মধ্যে পালস অক্সিমিটার ব্যবহার করলে সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যাবে না।

* পালস অক্সিমিটার ব্যবহারের সময় হাতের আঙুল ঠান্ডা থাকলে, তা ঘষে গরম করতে হবে।

* পালস অক্সিমিটার ব্যবহারের আগে ৫ মিনিট বিশ্রাম নিন।


* এরপর পালস অক্সিমিটার এর সুইচ অন করে, সেটিকে আঙুলের ডগায় রাখুন।

* প্রথমে পালস অক্সিমিটারের স্ক্রিনে কিছু সংখ্যা উঠবে। সঠিক পরিমাপের জন্য কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। যতক্ষণ না মিটারের সংখ্যা স্থির হচ্ছে; ততক্ষণ অপেক্ষা করুন।

* অন্তত ৫ সেকেন্ড রিডিং স্থির থাকলে সর্বোচ্চ সংখ্যাটি লিখে নিন।

* পালস অক্সিমিটার ব্যবহারে প্রতিবার মিটারে নজর রাখুন।

* বেসলাইন থেকে রেকর্ড করা শুরু করুন। দিনে তিন বার মাপুন।

* রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ ৯৪ এর উপরে থাকলে ভালো যদি থাকে, তাহলে ৪-৫টি বালিশে মাথা রেখে পেটের উপর ভর দিয়ে শোয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

করোনা রোগীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো, পালস অক্সিমিটারের সাহায্যে নিয়মিত রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ মাপা। রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ যেন কখনই ৯৪ শতাংশের কম না হয়।

এ ছাড়াও করোনা রোগীদের ৬ মিনিট হাঁটার আগে ও পরে রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ মাপার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। হাঁটার আগে ও পরের পরিমাপে ৪ শতাংশের বেশি পার্থক্য থাকলে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন হতে পারে।

সূত্র: পিস হেলথ

পালস অক্সিমিটার ব্যবহারের নিয়ম
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক :
প্রাণঘাতী করোনার ভয়াবহতার করোনাকালে সবার ঘরেই পালস অক্সিমিটার রাখা জরুরি। যেকোনো সময় শরীরের অক্সিজেন লেভেল কমে যেতে পারে। রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা পরিমাপের জন্য পালস অক্সিমিটারের ব্যবহারের ক্ষেত্রেও আছে কয়েকটি নিয়ম।

করোনা আক্রান্ত রোগীর রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ ওঠা-নামার উপর নির্ভর করেই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা ৯৪ এর নিচে নামলে দ্রুত হাসপাতালে নিবে হবে করোনা রোগীদের।

বর্তমানে হাসপাতালগুলো পর্যাপ্ত অক্সিজেন না থাকায় কম লক্ষণযুক্ত করোনা রোগীদেরকে বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে আসছে চিকিৎসকরা। এ সময় পালস অক্সিমিটার ব্যবহার করবেন কীভাবে তা জেনে নিন-

* নখে নেলপালিশ থাকলে শুরুতেই তা মুছে ফেলতে হবে।

* বেশি লাইট বা রোদেরে মধ্যে পালস অক্সিমিটার ব্যবহার করলে সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যাবে না।

* পালস অক্সিমিটার ব্যবহারের সময় হাতের আঙুল ঠান্ডা থাকলে, তা ঘষে গরম করতে হবে।

* পালস অক্সিমিটার ব্যবহারের আগে ৫ মিনিট বিশ্রাম নিন।


* এরপর পালস অক্সিমিটার এর সুইচ অন করে, সেটিকে আঙুলের ডগায় রাখুন।

* প্রথমে পালস অক্সিমিটারের স্ক্রিনে কিছু সংখ্যা উঠবে। সঠিক পরিমাপের জন্য কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। যতক্ষণ না মিটারের সংখ্যা স্থির হচ্ছে; ততক্ষণ অপেক্ষা করুন।

* অন্তত ৫ সেকেন্ড রিডিং স্থির থাকলে সর্বোচ্চ সংখ্যাটি লিখে নিন।

* পালস অক্সিমিটার ব্যবহারে প্রতিবার মিটারে নজর রাখুন।

* বেসলাইন থেকে রেকর্ড করা শুরু করুন। দিনে তিন বার মাপুন।

* রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ ৯৪ এর উপরে থাকলে ভালো যদি থাকে, তাহলে ৪-৫টি বালিশে মাথা রেখে পেটের উপর ভর দিয়ে শোয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

করোনা রোগীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো, পালস অক্সিমিটারের সাহায্যে নিয়মিত রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ মাপা। রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ যেন কখনই ৯৪ শতাংশের কম না হয়।

এ ছাড়াও করোনা রোগীদের ৬ মিনিট হাঁটার আগে ও পরে রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ মাপার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। হাঁটার আগে ও পরের পরিমাপে ৪ শতাংশের বেশি পার্থক্য থাকলে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন হতে পারে।

সূত্র: পিস হেলথ

করোনার ভারতীয় ধরন নিষ্ক্রিয় করতে পারে কোভ্যাক্সিন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি ও ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চের (আইসিএমআর) সঙ্গে মিলে কোভ্যাক্সিন টিকা তৈরি করেছে ভারত বায়োটেক এর টিকা করোনার ভারতীয় ধরনটিকে নিষ্ক্রিয় করতে পারে।

গত ৩ জানুয়ারি ভারতে জরুরি ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই টিকা অনুমোদন দেওয়া হয়। আইসিএমআর বলছে, এই টিকার কার্যকারিতা ৭৮ শতাংশ।

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত বিজ্ঞানী অ্যান্থনি ফাউসি মঙ্গলবার বলেছেন, এ বিষয়ে আরও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। পিটিআইয়ের খবরে বলা হয়, ভারতে পাওয়া করোনার ধরনটির নাম বি.১.৬১৭।

অ্যান্থনি ফাউসি বলেন, এ বিষয়ে অধিকতর তথ্য-উপাত্ত আমরা সংগ্রহ করে চলেছি। তবে সাম্প্রতিক তথ্যে দেখা গেছে, বি.১.৬১৭-কে নিষ্ক্রিয় করতে পারে কোভ্যাক্সিন।

‘যারা এই টিকা নিয়েছেন, তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যই আমলে নেওয়া হয়েছে। সুতরাং ভারতে যে কঠিন পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে, তা মোকাবিলায় টিকা দেওয়া একটি ভালো সমাধান হতে পারে।’

বিএসএমএমইউতে স্থাপন করা হচ্ছে ২০ হাজার লিটার ক্ষমতা সম্পন্ন অক্সিজেন ট্যাংক
                                  

স্বাধীন বাংলা অনলাইন :
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য যাতে অক্সিজেনের কোনো ধরণের সংকট না হয়, সেজন্য ২০ হাজার লিটার ক্ষমতা সম্পন্ন ভ্যাকুয়াম ইনসুলেটেড ইভাপোরেটর বা লিকুইড অক্সিজেন ট্যাংক স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ। আজ (২৭ এপ্রিল ২০২১) বি- ব্লক, কেবিন ব্লক, সি ব্লকসহ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পরিদর্শনকালে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই সময় তিনি বলেন, কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা আগে থেকেই নিশ্চিত করতে হবে। আশা করি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য অক্সিজেনের সংকট হবে না। লিকুইড অক্সিজেন ৫ হাজার লিটার থেকে বৃদ্ধি করে ২৫ হাজার লিটারে উন্নীত করা হবে।

এসময় তিনি ভারতের ডাবল মিউটেন্ট ভ্যারিয়েন্ট যাতে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য কমপক্ষে দুই সপ্তাহ বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্ত সমূহ বন্ধ রাখার সরকারের সিদ্ধান্তকে সময়োপযোগী বলে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ভারত থেকে যারা দেশে আসেন তাদের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে হবে। এসময় হাসপাতাল ও ক্যাম্পাসে অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা  নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে সড়কের সম্প্রসারণ ও ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যবর্ধণের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

এদিকে আজ (মঙ্গলবার) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ তাঁর কার্যালয়ে প্রশাসনিক সভা এবং ডা. মিল্টন হলে দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের সহায়তায় নির্মাণাধীন সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের বিষয়ে আলাদাভাবে ২টি সভায় অংশগ্রহণ করেন। এসময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলম, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ জাহিদ হোসেন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. এ কে এম মোশাররফ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোঃ জুলফিকার রহমান খান, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল হান্নান, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মোঃ হাবিবুর রহমান দুলাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেনশন সেন্টারে আজ চলমান কঠোর লকডাউনের মাঝেও দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন ১৩১৬ জন। ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছেন ৫৪ হাজার ৫ শত ৬৪ জন। আজ (২৭ এপ্রিল) পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন ২৩ হাজার ৬ শত ২০ জন। বেতার ভবনের পিসিআর ল্যাবে গতকাল ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত ১ লক্ষ ৩৫ হাজার ৯ শত ৩০ জনের কোভিড-১৯ টেস্ট করা হয়েছে। বেতার ভবনের ফিভার ক্লিনিকে  গতকাল ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত ৯২ হাজার ২ শত ৭০ জন রোগী চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। অন্যদিকে করোনা ইউনিটে আজ মঙ্গলবার ২৭ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত ৮ হাজার ৩ শত ৪১ জন রোগী সেবা নিয়েছেন। ভর্তি হয়েছেন ৪ হাজার ৭ শত ১৭ জন। সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন ৩ হাজার ৯ শত ৪৪ জন। বর্তমানে ভর্তি আছেন ১৪৫ জন রোগী এবং আইসিইউতে ভর্তি আছেন ১১ জন রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ১২ জন।

আগামী মাসের শুরুতে ২১ লাখ টিকা পাবে বাংলাদেশ
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট:
মহামারী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহেই প্রায় ২১ লাখ টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশ। আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাশার খুরশীদ আলম সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তিনি বলেন, এই টিকার মধ্যে এক লাখ ডোজ টিকা দেবে কোভ্যাক্স, আর বিশ লাখ ডোজ দেবে সেরাম ইনস্টিটিউট।

বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস উপলক্ষ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আয়োজিত এক আলোচনা সভার পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি বলেন,  মে মাসের প্রথম সপ্তাহে করোনাভাইরাসের প্রায় ২১ লাখ টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশ। এর একটি অংশ আনবে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস। আরেকটি পাওয়া যাবে কোভ্যাক্স থেকে।

‘বেক্সিমকো আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে অক্সফোর্ড–অ্যাস্ট্রাজেনেকার ২০ লাখ টিকা দিচ্ছে। এ ছাড়া কোভ্যাক্স থেকে ফাইজারের উৎপাদিত ১ লাখ টিকা পাওয়া যাবে।’  

বেক্সিমকো কবে টিকা দেওয়ার কথা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জানিয়েছে জানতে চাইলে অধ্যাপক আবুল বাশার খুরশীদ আলম বলেন, গত পরশু বেক্সিমকো তাদের ২০ লাখ টিকার কথা জানিয়েছে।

দেশে ভারতের ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি আছে কিনা এমন কোনো নিশ্চিত খবর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে নেই বলে জানান সংস্থাটির মহাপরিচালক। তবে দেশে নাইজেরিয়ার ভ্যারিয়েন্ট পাওয়ার কথা তিনি গণমাধ্যমেই জেনেছেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি জরুরি প্রয়োজনে টিকা পেতে বাংলাদেশসহ ৬ টি দেশের সমন্বয়ে একটি জোট তৈরি হয়েছে। ইমার্জেন্সি ভ্যাকসিন স্টোরেজ ফ্যাসেলিটি টু সাউথ এশিয়া ফোরামে নেপাল, আফগানিস্তান, চীন, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ। এখানে যদি টিকা আসে বাংলাদেশও টিকা পাবে।

করোনাভাইরাস মারার মাস্ক আবিস্কার করলেন গবেষকরা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:
করোনাভাইরাসের তান্ডবে বিপর্যস্ত ভারতের একদল গবেষক করোনাভইরাস সহ যাবতীয় ভাইরাস মেরে ফেলার মাস্ক আবিস্কার করেছেন। ইতোমধ্যে তাদের তৈরী মাস্ক সারা বিশ্বের গবেষকদের কাছে খুবই ফলপ্রসু বলে দাবি করা হয়েছে। এই মাস্কের সংস্পর্শে আসলে করোনাভাইরাস বেঁচে থাকতে পারবে না। সম্প্রতি আমেরিকার একটি জার্নাল ‘আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটি- অ্যাপ্লায়েড মেটেরিয়ালস অ্যান্ড ইন্টারফেসেস’ এ প্রকাশিত হয়েছে এই গবেষণা।

সারা বিশ্বের কাছেই এই গবেষণা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হতে চলেছে বলে দাবি করলেন আইআইটি মান্ডির এক দল গবেষক।

মহামারি করোনা রুখতে আশা দেখাচ্ছেন আইআইটি মান্ডির গবেষক অমিত জায়সওয়ালের নেতৃত্বে সৌনক রায়, প্রবীণ কুমার এবং অনিতা সরকারের নিরন্তর পরিশ্রম। মলিবডেনাম ডাইসালফাইড, এই বিশেষ উপাদান দিয়ে একটি চুলের থেকেও কয়েক গুণ পাতলা একটি আস্তরণ তৈরি করা হয়েছে। যা মাস্কের ওপরে লাগিয়ে দিচ্ছেন গবেষকরা।

এই উপাদানটিরই নাকি অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল, অ্যান্টিভাইরাল গুণাগুণ রয়েছে। ১০০ থেকে ২০০ ন্যানোমিটারের কোনও ভাইরাস বা ব্যাকটিরিয়া এই আস্তরণের উপর চলে এলে নিমেষে তাকে মেরে ফেলে ওই আস্তরণ। করোনা ভাইরাসটি ১২০ ন্যানোমিটারের। তাই এই উপাদানের সংস্পর্শে এলে ভাইরাসও মারা যায়।
গবেষকরা জানাচ্ছেন, মলিবডেনাম ডাইসালফাইডের ওই আস্তরণ জীবাণুনাশে দুইভাবে কাজ করে। এর উপরিতল অত্যন্ত ধারালো। ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রের তলায় দেখলে মনে হবে ঠিক যেন অনেকগুলো ছুরি পর পর রাখা রয়েছে। করোনা বা কোনও জীবাণুর সংস্পর্শে এলেই তাদের কোষপর্দা ভেদ করে ভেতরে প্রবেশ করে ছুরির মতো ধারালো অংশগুলো। ফলে মারা যায় ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া।

সূর্যের আলোয় অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে ওঠে এই উপাদান। কিছু ক্ষণ সূর্যালোকে থাকলেই ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত এর তাপমাত্রা হয়ে যায়। যা অনেক জীবাণুকেই বাঁচতে দেয় না। মাস্কের ওপর ঘাঁটি গড়ে তোলা করোনা মেরে ফেলার জন্য নিশ্চিন্ত হয়ে একাধিক বার ব্যবহার করা যেতে পারে এই মাস্ক। আবার সহজেই শুধুমাত্র রোদে ফেলে রেখে জীবাণুমুক্তও করে ফেলা যায়। এই উপাদানের আরও একটি বিশেষত্ব হলো বার বার সাবান জল দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করলেও এর কার্যকারিতার কোনও হেরফের হয় না।  

পরীক্ষায় দেখা গেছে ৬০ বার সাবান পানিতে  ধোয়ার পরও একইভাবে জীবাণু ধ্বংস করতে পারছে এই উপাদানে তৈরি মাস্ক। এই উপাদান দিয়ে শুধু মাস্কই নয়, পিপিইও তৈরি করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। এই উপাদান পরে শ্বাস নিতেও কোনও কষ্ট হবে না বলেও দাবি করেছেন তারা। এর সঠিক ব্যবহারে মাস্কের সংস্পর্শে আসা ৯০ শতাংশেরও বেশি জীবাণু ধ্বংস করে দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে এর, দাবি ওই গবেষকদের।

এখনও তারা কোনও মাস্ক, পিপিই উৎপাদনকারী সংস্থার সঙ্গে কথা বলেননি। আরও কিছু দিন গবেষণা চালাতে চান তারা। তার পরই বাণিজ্যিক উৎপাদনের জন্য এই উপাদানের ফর্মূলা বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে শতাংশ করে নেবেন তারা। এর দাম আকাশছোঁয়া হবে না বলেও আশ্বাস দিয়েছেন ওই গবেষকেরা। মধ্যবিত্ত মানুষের নাগালের মধ্যেই থাকবে দাম।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

করোনার ‘নতুন ধরণ ও মিউটেশন’ দেশে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট:
করোনার ‘নতুন ধরণ ও মিউটেশন’ দেশে ভাইরাসটির সংক্রমণ ছড়াচ্ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। বুধবার (২১ এপ্রিল) কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতর আয়োজিত ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মুখপাত্র ডা. মোহাম্মদ রোবেদ আমিন বলেন, ‘করোনার দ্বিতীয় ঢেউ পার করছে দেশ। সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়েছে। করোনার নতুন ধরন ও মিউটেশনের কারণে এ ভাইরাস ছড়াচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য সবচেয়ে জরুরি প্রয়োজন হলো অক্সিজেন সিলিন্ডার। সারা দেশে ২০/২৫ হাজার অক্সিজেন সিলিন্ডার ছড়িয়ে আছে।’

রোবেদ আমিন বলেন, ‘করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় নতুন করে যোগ হয়েছে ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতাল। সেখানে ইতোমধ্যে ১৩৮ জন চিকিৎসককে পদায়ন করা হয়েছে। যাদের মধ্যে ৩৮ জনই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। পর্যায়ক্রমে আরও দেয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘যারা যারা নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন, তারাই শুধু এই হাসপাতালে যাবেন। আর যারা ইতোমধ্যেই আক্রান্ত হয়ে কোথাও চিকিৎসাধীন, তারা এখানে এসে ভিড় করবেন না।’

ডা. রোবেদা বলেন, ‘করোনায় মৃত্যুবরণকারীদের অধিকাংশই বয়স্ক। আমরা প্রতিদিনের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখতে পাচ্ছি, ষাটোর্ধ্বরাই বেশি মারা যাচ্ছে এবং তাদের মধ্যে ডায়াবেটিস ও হাইপারটেনশনের রোগীই বেশি।’

তিনি বলেন, ‘তবে করোনার নতুন যে ধরণ এসেছে তাতে তরুণরাও ব্যাপকভাবে আক্রান্ত হচ্ছে। সুতরাং জটিল রোগে আক্রান্ত বা আক্রান্ত নয়, এটা দেখার কোনো সুযোগ নেই। সবাইকেই সচেতন হতে হবে। সবাইকে মাস্ক ও স্বাস্থ্যবিধিতে জোর দিতে হবে।’

আগামী দুই সপ্তাহ মধ্যে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা কমে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

নতুন আরও ৪ উপসর্গ নিয়ে এসেছে করোনা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস এতোদিন যে উপসর্গগুলো নিয়ে এসেছিলো, এখন তার সাথে আরও কিছু নতুন উপসর্গ যুক্ত হয়েছে। এতদিন জ্বর-সর্দি-কাশির পাশাপাশি মুখের স্বাদ, গন্ধ চলে যাওয়া ছিলো করোনার উপসর্গ। এখন নতুন আরও কয়েকটি উপসর্গ দেখা যাচ্ছে।

মুখের ভেতর ঘা:  যদি মুখের ভেতর গালের ওপর ঘা হয় ও তার কারণে বাজে গন্ধ হয় মুখে, তাহলেও করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ, করোনার মিউটেন্টের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, এই মারাত্মক ভাইরাস মুখের ভেতর মাসেল ফাইবার গুলোকে আঘাত করছে।  শুধু ঘা নয়, মুখের ভেতর বেশ কিছু অংশ ফুলে উঠেছে ও ব্যথা অনুভব হচ্ছে।  

শুকনো মুখগহ্বর:  মুখের ভেতর ক্রমশ শুকিয়ে যাচ্ছে। ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যাচ্ছে। মুখের ভেতর যে লালাক্ষরণ হয়, যা মুখের ভেতরের বাজে ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে দেয়, সেই ক্ষমতা হারিয়ে যাচ্ছে। লালাক্ষরণ হচ্ছে না।

জিহ্বার রঙ বদল:  করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে যে যে সমস্যা হচ্ছে, তার মধ্যে অন্যতম জিভের রঙ বদল। সাধারণত, শরীরে রোগ বাসা বাঁধলে জিভ তার রূপ বদলায়। এক্ষেত্রেও তাই হয়।

জিহ্বার ওপর জ্বালা: করোনা হলে জিভের উপর জ্বালা ভাব দেখা দিচ্ছে। ত্বকের উপর সমস্যা আসছে।

মাত্র ৬ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিন বানানো সম্ভব: ডা. জাফরুল্লাহ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ভারতের সঙ্গে করোনা ভ্যাকসিনের চুক্তি করার পর এখন তারা দিচ্ছে না। অথচ সরকারের সদিচ্ছা থাকলে ছয় মাসের মধ্যে অক্সফোর্ডের ফর্মুলা দেশে এনে ভ্যাকসিন বানানো সম্ভব। সেদিকে গুরুত্ব না দিয়ে আইসিউ-তে লুটপাটের সুযোগ থাকায়- এদিকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র সম্মেলন কক্ষে নাগরিক সমাজের এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, করোনায় একদিকে মানুষ মরছে, আর অন্যদিকে পরিবারগুলোকে ধ্বংস করে দিচ্ছে সরকার। সরকারের ধার্য করা অযৌক্তিক ভ্যাট-ট্যাক্সের কারণে হাসপাতালে আইসিইউ ও অক্সিজেন ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে। আইসিইউতে থাকা রোগী মারা গেলেও মোটা অঙ্কের অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে তার পরিবারকে সর্বস্বান্ত করা হচ্ছে। চিকিৎসাখাতে অব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিনিয়ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যু বেড়ে যাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে নাগরিক ঐক্য ফ্রন্টের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক আসিফ নজরুল, নারীর জন্য সুশাসনের নির্বাহী পরিচালক রবি আমানউল্লাহ, ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, বর্তমান মহামারি মোকাবিলা করতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এগিয়ে এলেও সরকার আমাদের বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। বিশ্বব্যাপী ব্যাপকহারে করোনা টেস্টের পরামর্শ দেওয়া হলেও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের তৈরি কিট অনুমোদন দেওয়া হয়নি। এজন্য গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ১০ কোটি টাকা গচ্চা গেছে।

তিনি আরও বলেন, সরকার অযৌক্তিক ভ্যাট-ট্যাক্স ধার্য করার কারণে হাসপাতালে আইসিইউ ও অক্সিজেন ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে। আল্লাহর দান অক্সিজেন কিনতে সরকার ১৯ শতাংশ ভ্যাট আদায় করছে। ওষুধ প্রশাসনে একজন অযোগ্য লোককে দায়িত্ব দিয়ে এ খাতকে ধ্বংস করা হচ্ছে। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র স্বল্পমূল্যে আইসি ইনজেকশন দিতে অনুমোদন চাইলো। বিনা কারণে তিন সপ্তাহ আবেদন ফেলে রাখা হয়েছে। যার কোনো উত্তর দিতে পারেনি সংশ্লিষ্টরা। স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডিজির স্বাক্ষর করার ক্ষমতা নেই, অনুমোদনের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হয়।

সরকারের উদ্দেশ্যে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ভিসা ছাড়া ভারতের ৮ লাখ লোক বসবাস করলেও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিট আবিষ্কারক ডা. বিজন কুমার শীলকে দেশে আসতে দেওয়া হচ্ছে না।


সূত্র: বিডিপি

আপাতত লকডাউন নয়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আপাতত লকডাউনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেই, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। আজ বুধবার সচিবালয়ে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যারা বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে গেছেন, সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন তারাই করোনায় বেশি সংক্রমিত হচ্ছেন।

তিনি জানান, অনেকেই মনে করছেন, টিকা নিলেই সব ধরনের করোনা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। কিন্তু তা আসলে নয়। টিকা নিলে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, কিন্তু এরপরও আপনি করোনায় সংক্রমিত হতে পারেন। তাই দেশের মানুষকে বাঁচাতে, অর্থনীতিকে সচল রাখতে হলে স্বাস্থ্যবিধি মানা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

রোজা রেখে টিকা নেয়া যাবে : সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : পবিত্র রমজান মাসে রোজা রেখে করোনার টিকা গ্রহণ করলে রোজা ভাঙবে না বলে মন্তব্য করেছেন সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি ও কাউন্সিল অব সিনিয়র স্কলারসের প্রধান শেখ আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আলে শেখ। আরব নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

এক বিবৃতিতে তিনি জানান, করোনার টিকা নিলে রোজা ভাঙবে না। কারণ এই টিকা খাবার বা পানীয় হিসেবে দেহে প্রবেশ করে না। এটি মূলত একটি প্রতিষেধক। করোনা মহামারির জীবাণু প্রতিরোধ করতে দেহে সুঁচের সাহায্যে এ টিকা প্রয়োগ করা হচ্ছে।

সৌদির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ইতিমধ্যে দেশটিতে ২৬ লাখ ডোজ দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

দেশে করোনায় ১১ জনের প্রাণহানি
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত চব্বিশ ঘণ্টায় ১১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৮ হাজার ৬০৮ জনে। নতুন করে রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৮৬৫ জন। মোট শনাক্ত ৫ লাখ ৬২হাজার ৭৫২ জনে দাঁড়িয়েছে।

গত চব্বিশ ঘণ্টায় ১৫১০ জন এবং এখন পর্যন্ত ৫ লাখ ১৫ হাজার ৯৮৯ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, ২১৯টি পরীক্ষাগারে গত চব্বিশ ঘণ্টায় ২৪ হাজার ৪৮১টি নমুনা সংগ্রহ এবং ২৪ হাজার ২৭৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৪৩ লাখ ২৮ হাজার ২৬৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

চব্বিশ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

ঢামেক হাসপাতালের কোভিড ইউনিটের আইসিইউতে আগুন, ৩ জনের মৃত্যু
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবনের তৃতীয় তলায় করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য বরাদ্দ আইসিইউতে আগুন লেগে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার সকালে আইসিইউতে আগুন লাগে। পরে রোগীদের স্থানান্তর করে মেডিকেলের অন্য ভবনে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিন জনের মৃত্যু হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তাৎক্ষণিকভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

দেশে করোনায় আরো ২৬ জনের প্রাণহানি
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত চব্বিশ ঘণ্টায় ২৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৮ হাজার ৫৯৭ জনে। নতুন করে রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৭১৯ জন। মোট শনাক্ত ৫ লাখ ৬০ হাজার ৮৮৭ জনে দাঁড়িয়েছে।

চব্বিশ ঘণ্টায় ১৩৫২জন এবং এখন পর্যন্ত ৫ লাখ ১৪ হাজার ৪৭৯ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, ২১৯টি পরীক্ষাগারে গত চব্বিশ ঘণ্টায় ২০ হাজার ৯৩৬টি নমুনা সংগ্রহ এবং ২০ হাজার ৭৪৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৪৩ লাখ ৩ হাজার ৯৯৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

চব্বিশ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

করোনায় দেশে আরো ১৮ জনের প্রাণহানি
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত চব্বিশ ঘণ্টায় ১৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৮ হাজার ৫৪৫ জনে। নতুন করে রোগী শনাক্ত হয়েছে ১১৫৯ জন। মোট শনাক্ত ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৩৯৫ জনে দাঁড়িয়েছে।

গত চব্বিশ ঘণ্টায় ১৩৮৫ জন এবং এখন পর্যন্ত ৫ লাখ ১১ হাজার ৬৯৫ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, ২১৯টি পরীক্ষাগারে গত চব্বিশ ঘণ্টায় ১৬ হাজার ৫২৮টি নমুনা সংগ্রহ এবং ১৬ হাজার ২০৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৪২ লাখ ৬৪হাজার ৫৫১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

চব্বিশ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৭ দশমিক ১৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৮০ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

করোনায় দেশে আরো ১২ জনের প্রাণহানি
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত চব্বিশ ঘণ্টায় ১২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৮ হাজার ৫২৭ জনে। নতুন করে রোগী শনাক্ত হয়েছে ১০১৪ জন। মোট শনাক্ত ৫ লাখ ৫৬ হাজার ২৩৬ জনে দাঁড়িয়েছে।

চব্বি ঘণ্টায়  ১১৩৮ জন এবং এখন পর্যন্ত ৫ লাখ  ১০ হাজার ৩১০ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য  জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, ২১৯টি পরীক্ষাগারে গত চব্বি ঘণ্টায় ১৬ হাজার ৭৯টি নমুনা সংগ্রহ এবং ১৬ হাজার ২০৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৪২ লাখ  ৪৮ হাজার ৩৪৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

চব্বি ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৬ দশমিক  ২৬ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

করোনায় আরো ৬ জনের প্রাণহানি
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : মহামারি করোনোভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত চব্বিশ ঘণ্টায় ৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৮ হাজার ৫০২ জনে। নতুন করে রোগী শনাক্ত হয়েছে ১০৫১ জন। মোট শনাক্ত ৫ লাখ ৫৪ হাজার ১৫৬ জনে দাঁড়িয়েছে।

চব্বিশ ঘণ্টায়  ১৩০৭ জন এবং এখন পর্যন্ত ৫ লাখ  ৭ হাজার ৯২০ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য  জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, ২১৯টি পরীক্ষাগারে গত চব্বিশ ঘণ্টায় ১৮ হাজার ১৪টি নমুনা সংগ্রহ এবং ১৮হাজার ৫৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৪২ লাখ  ১৬ হাজার ২৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

চব্বিশ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৫ দশমিক  ৮২ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৬৬শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ


   Page 1 of 25
     স্বাস্থ্য
পালস অক্সিমিটার ব্যবহারের নিয়ম
.............................................................................................
করোনার ভারতীয় ধরন নিষ্ক্রিয় করতে পারে কোভ্যাক্সিন
.............................................................................................
বিএসএমএমইউতে স্থাপন করা হচ্ছে ২০ হাজার লিটার ক্ষমতা সম্পন্ন অক্সিজেন ট্যাংক
.............................................................................................
আগামী মাসের শুরুতে ২১ লাখ টিকা পাবে বাংলাদেশ
.............................................................................................
করোনাভাইরাস মারার মাস্ক আবিস্কার করলেন গবেষকরা
.............................................................................................
করোনার ‘নতুন ধরণ ও মিউটেশন’ দেশে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে
.............................................................................................
নতুন আরও ৪ উপসর্গ নিয়ে এসেছে করোনা
.............................................................................................
মাত্র ৬ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিন বানানো সম্ভব: ডা. জাফরুল্লাহ
.............................................................................................
আপাতত লকডাউন নয়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
রোজা রেখে টিকা নেয়া যাবে : সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি
.............................................................................................
দেশে করোনায় ১১ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
ঢামেক হাসপাতালের কোভিড ইউনিটের আইসিইউতে আগুন, ৩ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
দেশে করোনায় আরো ২৬ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
করোনায় দেশে আরো ১৮ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
করোনায় দেশে আরো ১২ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
করোনায় আরো ৬ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরো ৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১০১৮
.............................................................................................
টিকা নেওয়ার পরও ডিএমপি কমিশনার করোনায় আক্রান্ত
.............................................................................................
করোনায় আরো ১১ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
করোনায় আরো ১০ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
করোনায় আরো ৬ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
করোনায় আরো ৭ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
করোনায় আরো ৭ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
টিকা নিলেও করোনা আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মী
.............................................................................................
করোনায় আরো ১৮ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
করোনায় আরো ৭ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
ভারত থেকে ২০ লাখ টিকা আসছে আজ
.............................................................................................
করোনায় আরো ৭ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
করোনায় আরো ৫ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
করোনায় আরো ৮ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
করোনায় দেশে আরও ১৫ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
করোনায় আরো ১৩ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
৮ থেকে ১২ সপ্তাহ পরে দ্বিতীয় ডোজ দেয়ার পরামর্শ
.............................................................................................
এক দিনে ২ লাখ ২৬ হাজারের বেশি মানুষ ভ্যাকসিন নিয়েছেন
.............................................................................................
করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজের তারিখ পরিবর্তন
.............................................................................................
করোনায় আরো ১১ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
২২ ফেব্রুয়ারি আসছে টিকার দ্বিতীয় চালান
.............................................................................................
করোনা ধ্বংসে ৯৯ শতাংশ কার্যকরি ফরাসি স্প্রে
.............................................................................................
করোনায় আরও ৮ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
শিশুদের শরীরে করোনা টিকার পরীক্ষা
.............................................................................................
করোনায় আরো ৫ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
‘মান্না ও নুরকে টিকা দিলে ভারতীয় এলার্জি কমে যাবে’
.............................................................................................
ডাবল মাস্ক পরলে ডাবল সুরক্ষা: গবেষণা
.............................................................................................
করোনায় আরো ১০ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
অ্যাস্ট্রাজেনেকার অ্যাজমার ওষুধেই করোনা দূর হয় : অক্সফোর্ড
.............................................................................................
করোনায় আরো ৮ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
করোনার টিকা নিয়ে যা বললেন সাবেক অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
ভ্যাকসিন নিলেও যেসব বিষয় মেনে চলতে হবে
.............................................................................................
যশোরে এমপি কাজী নাবিল প্রথম করোনা টিকা নিলেন
.............................................................................................
এমপি মানিক সুনামগঞ্জে প্রথম টিকা নিলেন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT