বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর 2022 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   স্বাস্থ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ফুসফুসে পুরুষ ও নারীরা স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক : গবেষণা প্রতিবেদনরাজধানীর জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের বহির্বিভাগে তিন বছরে প্রায় ৮৪ হাজার রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৪৩ শতাংশ রোগীর ক্যান্সার শনাক্ত হয়েছেন। যেসব রোগী শনাক্ত করা যাচ্ছে তাদের মধ্যে পুরুষদের ফুসফুস এবং নারীদের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি।

বুধবার সকালে রাজধানীর ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের অডিটোরিয়াম ভবনে সপ্তম ক্যান্সার রেজিস্ট্রি রিপোর্ট প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। ইনস্টিটিউটের এপিডেমোলোজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. জহিরুল ইসলাম গবেষণা প্রতিবেদন তথ্য তুলে ধরেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানীর জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের বহির্বিভাগে তিন বছরে (২০১৮, ২০১৯ ও ২০২০) প্রায় ৮৪ হাজার রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৪৩ শতাংশ রোগীর প্রাথমিকভাবে ক্যান্সার শনাক্ত হয়েছে।

প্রকাশিতব্য প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিন বছরে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউটে ও হাসপাতালের বহির্বিভাগে মোট ৮৩ হাজার ৭৯৫ জন রোগী সেবার জন্য এসেছেন, যাদের মধ্যে ৩৫ হাজার ৭৩৩ (৪২.৬%) জনের চূড়ান্ত কিংবা প্রাথমিকভাবে ক্যান্সার হিসেবে রোগ নির্ণয় হয়েছে। তাদেরকে রেজিস্ট্রিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নিবন্ধিত রোগীদের মধ্যে ১৯ হাজার ৫৪৬ জন (৫৫%) পুরুষ ও ১৬ হাজার ১৮৭ জন (৪৫%) নারী। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে শীর্ষ দশ ক্যান্সারের মধ্যে আছে যথাক্রমে ফুসফুস (১৭.৪%), স্তন (১৩.৪%), জরায়ুমুখ (১০.৯%), খাদ্যনালী (৪.৯%), পাকস্থলী (৪.৩%), লিভার (৩.৯%), লসিকা গ্রন্থি (৩.৮%), মলাশয় (৩.১%), গাল (৩%) ও পিত্তথলির (১.৫%) ক্যান্সার। পুরুষদের মধ্যে শীর্ষ ক্যান্সার ফুসফুস (২৬.৬%) এবং নারীদের মধ্যে স্তন ক্যান্সার (২৯.৩%)।

ফুসফুসে পুরুষ ও নারীরা স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন বেশি
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : গবেষণা প্রতিবেদনরাজধানীর জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের বহির্বিভাগে তিন বছরে প্রায় ৮৪ হাজার রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৪৩ শতাংশ রোগীর ক্যান্সার শনাক্ত হয়েছেন। যেসব রোগী শনাক্ত করা যাচ্ছে তাদের মধ্যে পুরুষদের ফুসফুস এবং নারীদের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি।

বুধবার সকালে রাজধানীর ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের অডিটোরিয়াম ভবনে সপ্তম ক্যান্সার রেজিস্ট্রি রিপোর্ট প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। ইনস্টিটিউটের এপিডেমোলোজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. জহিরুল ইসলাম গবেষণা প্রতিবেদন তথ্য তুলে ধরেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানীর জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের বহির্বিভাগে তিন বছরে (২০১৮, ২০১৯ ও ২০২০) প্রায় ৮৪ হাজার রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৪৩ শতাংশ রোগীর প্রাথমিকভাবে ক্যান্সার শনাক্ত হয়েছে।

প্রকাশিতব্য প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিন বছরে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউটে ও হাসপাতালের বহির্বিভাগে মোট ৮৩ হাজার ৭৯৫ জন রোগী সেবার জন্য এসেছেন, যাদের মধ্যে ৩৫ হাজার ৭৩৩ (৪২.৬%) জনের চূড়ান্ত কিংবা প্রাথমিকভাবে ক্যান্সার হিসেবে রোগ নির্ণয় হয়েছে। তাদেরকে রেজিস্ট্রিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নিবন্ধিত রোগীদের মধ্যে ১৯ হাজার ৫৪৬ জন (৫৫%) পুরুষ ও ১৬ হাজার ১৮৭ জন (৪৫%) নারী। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে শীর্ষ দশ ক্যান্সারের মধ্যে আছে যথাক্রমে ফুসফুস (১৭.৪%), স্তন (১৩.৪%), জরায়ুমুখ (১০.৯%), খাদ্যনালী (৪.৯%), পাকস্থলী (৪.৩%), লিভার (৩.৯%), লসিকা গ্রন্থি (৩.৮%), মলাশয় (৩.১%), গাল (৩%) ও পিত্তথলির (১.৫%) ক্যান্সার। পুরুষদের মধ্যে শীর্ষ ক্যান্সার ফুসফুস (২৬.৬%) এবং নারীদের মধ্যে স্তন ক্যান্সার (২৯.৩%)।

২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১২০ ডেঙ্গু রােগী
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ১২০ জন নতুন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ১২০ জন নতুন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে ঢাকায় ৭৮ জন এবং ঢাকার বাইরে ৪২ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে দেশে সর্বমোট এক হাজার ৭২৭ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এরমধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৯৫৪ জন এবং ঢাকার বাইরে সারাদেশে ৭৭৩ জন ডেঙ্গুরোগী ভর্তি রয়েছেন।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা মোট ৫৭ হাজার ৮৫৮ জন। এরমধ্যে ঢাকায় ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৩৬ হাজার ৮০৩ জন এবং ঢাকার বাইরে ভর্তি রোগীর সংখ্যা মোট ২১ হাজার ৫৫ জন।

একই সময় দেশে ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা মোট ৫৫ হাজার ৮৭৭ জন। এরমধ্যে ঢাকায় ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ৩৫ হাজার ৬৯৪ জন এবং ঢাকার বাইরে ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা মোট ২০ হাজার ১৮৩ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যায়নি। চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ২৫৪ জন মারা গেছেন।

গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল ২৮ হাজার ৪২৯ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৮ হাজার ২৬৫ জন এবং ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা যান ১০৫ জন।

শিগগিরই টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়া শুরু হবে : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাসের টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়ার সুপারিশ করেছে জাতীয় টিকা সংক্রান্ত কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে শিগগিরই কার্যক্রম শুরু করার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা কর্মসূচির পরিচালক ডা. শামসুল হক।

বুধবার রাজধানীর মহাখালীর ইপিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানিয়েছেন।

ডা. শামসুল হক জানান, করোনা টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়ার সুপারিশ করেছে টিকা সংক্রান্ত কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি। তাদের টিকা দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত টিকা আছে। আমরা ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী, ও সম্মুখসারির করোনা যোদ্ধাদের শিগগির টিকা দেওয়া শুরু করবো।

টিকার তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৮৭ ভাগ পেয়েছে প্রথম ডোজ। আর ৭৩ ভাগ দ্বিতীয় ডোজ এবং বুস্টার পেয়েছে ৫২ ভাগ মানুষ। এ অবস্থায় আগামী ১ থেকে ৭ ডিসেম্বর বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন হবে সারাদেশে। এই ক্যম্পেইনের মাধ্যমে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯০ লাখ মানুষকে। ক্যাম্পেইনে শুধু টিকার দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত ৮৭ ভাগ মানুষ টিকার ১ম ডোজ পেয়েছে। ৭৩ শতাংশ মানুষ পেয়েছে ২য় ডোজ। এছাড়া বুস্টার ডোজ পেয়েছে ৫২ শতাংশ।

গত বছরের শেষের দিকে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে করোনা টিকার চতুর্থ ডোজের অনুমোদন দেয় ইসরায়েল। ওমিক্রনে সংক্রমিত হওয়ার হাত থেকে সুরক্ষিত রাখতে কেবল দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তিদেরই টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়া সিদ্ধান্ত নেয় দেশটি।

অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে কিছু জিজ্ঞাসা!
                                  

 

অ্যান্টিবায়োটিক কি?

কয়েকধরনের জৈব রসায়নিক ঔষধ, যা অনুজীবদের (ব্যাক্টেরিয়া) নস্ট করে বা বংশ বিস্তার রোধ করে। সাধারনত একেক অ্যান্টিবায়োটিক একেক প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন অনুজীবদের বিরুদ্ধে কাজ করে।

ব্যাকটেরিয়া নিজে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারেনা বিধায় নিজেদের অঞ্চল থেকেই তাদের খাদ্য সংগ্রহ করার কারনে তারা একই অঞ্চলে থাকা অন্য ব্যাকটেরিয়া গুলোর সাথে প্রতিযোগীতা করে। এক ব্যাকটেরিয়া আরেক ব্যাকটেরিয়া কে মারার জন্য এন্টিবায়োটিক তৈরী করে। এই  অ্যান্টিবায়োটিকই আমরা ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করি।

কোন কোন ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়

অ্যান্টিবায়োটিক শুধুমাত্র কিছু ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের চিকিৎসা করে, যেমন স্ট্রেপ থ্রোট, মূত্রনালীর সংক্রমণ এবং ই.- কোলাই। কিছু ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের জন্য আপনাকে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের প্রয়োজন নাও হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, অনেক সাইনাস সংক্রমণ বা কিছু কানের সংক্রমণের জন্য আপনার তাদের প্রয়োজন নাও হতে পারে। প্রয়োজন না হলে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করা আপনাকে সাহায্য করবে না এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। আপনি অসুস্থ হলে আপনার হেলথকেয়ার প্রফেশনাল আপনার জন্য সর্বোত্তম চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। আপনার সরবরাহকারীকে আপনার জন্য একটি অ্যান্টিবায়োটিক লিখে দিতে বলবেন না কখনই।

অ্যান্টিবায়োটিক কি ভাইরাল অর্থাৎ ভাইরাস সংক্রমণের চিকিৎসা করে?

অ্যান্টিবায়োটিক ভাইরাল সংক্রমণে কাজ করে না। উদাহরণস্বরূপ, আপনার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করা উচিত নয়:
    
সর্দি এবং সর্দি, এমনকি যদি শ্লেষ্মা ঘন, হলুদ বা সবুজ হয় বেশিরভাগ গলা ব্যথা (স্ট্রেপ থ্রোট বাদে) ফ্লু ব্রঙ্কাইটিসের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অনেকে নামেমাত্র জ্বর হলেই খুব শক্তিশালী এন্টিবায়োটিক গ্রহণ করা শুরু করে, যা কোনভাবেই উচিত নয় কেননা  জ্বর বিভিন্ন কারনে হতে পারে।

অ্যান্টিবায়োটিকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কি?

অ্যান্টিবায়োটিকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছোট থেকে খুব গুরুতর পর্যন্ত হয়ে থাকে। কিছু সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত:
    ফুসকুড়ি
    বমি বমি ভাব
    ডায়রিয়া
    ইস্টের সংক্রমণ
আরো গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত করতে পারে:
    সি. ডিফ ইনফেকশন, যা ডায়রিয়া ঘটায় যা মারাত্মক কোলনের ক্ষতি এবং কখনও কখনও মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে
    মারাত্মক এবং প্রাণঘাতী এলার্জি প্রতিক্রিয়া
    অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স
অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স নিয়ে সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি ৭২টি দেশের নদীর নমুনা গবেষণা করে দেখেছে যে নদীর পানিগুলো ৬৫ শতাংশ এন্টিবায়োটিক দ্বারা দূষিত। আর এর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থা সবথেকে শোচনীয় বলে ধারণা করা হয়েছে! এই পানি ব্যবহারের মাধ্যমে বা এই পানির মাছ থেকে আমাদের দেহে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে শরীরে প্রবেশ করছে এবং আমাদের দেহে গঠিত হচ্ছে  অ্যান্টিবায়োটিক  বিরোধী প্রতিরোধ। গবেষনায় ধারণা করা হয়েছে ২০৫০ সালে ১০ মিলিয়ন মানুষ এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স এর কারনে মারা যাবে যা ক্যান্সার  কিংবা এইডসসহ অন্য যেকোনও রোগের তুলনায় অনেক বেশি (ফব কৎধশবৎ, ২০১৬; ঝঃবধিৎফংড়হ, ২০১৬; ঐধৎনধৎঃ, ২০১৬)। এছাড়াও ২০১৯ সালে ১২ লক্ষ্য ৭০ হাজার মানুষ মারা গেছে এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স এর জন্য।  তাই এই বিষয়ে জানা ও মানা বেশ জরুরি।প্রথমতৃৃৃ

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স কি?

অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যাওয়াকে বলা হয় অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স যা আমাদের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এই ক্ষেত্রে ঔষধ খেয়েও ভালো ফল পাওয়া যায় না, কারন জীবাণুর বিপক্ষে অ্যান্টিবায়োটিক  আর কাজ করতে পারেনা।

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স কিভাবে হয়?

প্রয়োজনের অতিরিক্ত, অপ্রয়োজনে অথবা অতিরিক্ত এ্যান্টিবায়োটিক সেবনে শরীরের ক্ষতিকর জীবাণু তার নিজের জিনেটিক কোডে এমন পরিবর্তন আনে যে সেই এন্টিবায়োটিক তার তেমন কোন ক্ষতি করতে পারেনা।
কারণসমূহঃ
     মাত্রাতিরুক্ত অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করা ।
     রোগীদের নির্দিষ্ট চিকিৎসাব্যবস্থা পরিপূর্ণরুপে শেষ না করা ।
     হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো তে জীবাণু নিয়ন্ত্রণের অব্যবস্থাপনা।
     স্বাস্থ্যবিধির অভাব ও ভঙ্গুর স্বাস্থ্যব্যবস্থা ।
    গৃহপালিত পশুপাখি পালনে এন্টিবায়োটিকের ব্যবহার
    নির্দিষ্ট রোগের জন্য সঠিক এন্টিবায়োটিক ব্যবহার না করা
     নতুন অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কারের অভাব ।
আবার আমরা যা খাই, সবজি, ফল বা মাছ মাংস এর মধ্যে থেকে যাওয়া অ্যান্টিবায়োটিকের কারণে আমাদের শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টান্ট হয়ে থাকে।যেমন-
ড়    মুরগীর মাংস
ড়    গরু বা খাসীর মাংস
ড়    দুধ এবং দুগ্ধ জাতীয় খাবার
ড়    মাছেও হরমোন ব্যবহার করা হয়, সেখানেও এন্টিবায়োটিক দেওয়া হয় রোগ প্রতিরোধী করার জন্য
ড়    শাক-সবজি যদিও এতে সরাসরি অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়না। তবে কীটনাশক দেওয়া হয়।

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স হয়েছে- এসব এর মূল কারণ ফার্মাসিস্ট  বিহীন অবৈধ ভাবে ফার্মেসি ব্যবসা, লাইসেন্স বিহীন ওষুধের ব্যবসা।অত্যন্ত দুঃখজনক গ্রামের চায়ের দোকানেও  ঔষধের ব্যবসা হয় এখন- যেখানে ডাক্তার ও ফার্মাসিস্ট এর পরামর্শ ব্যতিত ঔষধ সেবন করছেন সাধারণ রোগীরা। ওষুধের অপব্যবহার কারণে এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স - এভাবে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স হলে ভবিষ্যতে রোগ মুক্তির জন্য ঔষধ পাওয়া টা দুঃসাধ্য।
এছাড়া আপনার অযোক্তিক ভাবে দ্রুত ব্যথ্যা মুক্ত হতে- রেগুলার ব্যথানাশক এর মতো ভয়ংকর ঔষধ সেবন করেছেন- তা ভবিষ্যতে আপনার কিডনি নষ্ট/ বিকল করে দিবে।
সম্পন্ন অবৈধ ভাবে বিনা প্রেসক্রিপসনে অহরহ চলছে ঘুমের ওষুধ বিক্রি- অপ্রয়োজনে নিয়মিত ঘুমের ওষুধ সেবন এটা নেশা হয়ে যায়। ঘুমের ওষুধ একটা ড্রাগস - অনেক অসাধু মাদকদ্রব্যের পরিবর্তে বা ভেজাল মিশ্রিত মাদকদ্রব্যের সাথে ও মৃত্যু ঝুঁকি ঘুমের ওষুধ সেবন করেন। যা ডাক্তার ও ফার্মাসিস্ট ব্যতিত প্রেসক্রিপশন ছাড়া ক্রয় বিক্রয় মাদকদ্রব্য আইনে অপরাধী। ঘুমের ঔষধ অতিমাত্রায় নিয়মিত সুনির্দিষ্ট রোগ ব্যতিত সেবন করলে- মানসিক রোগী হয়ে যায় ও শরীরের ঈঘঝ /অঘঝ এর কার্যক্রম হারিয়ে ফেলে।  
সচেতনতার লক্ষ্যে-ডাক্তার ও ফার্মাসিস্ট ব্যতিত ঔষধ ক্রয় বিক্রয় সেবন বন্ধ করুন।
এই ডাক্তারের ওপর ডাক্তারি ফলাতে গিয়ে নিজেদের বিপদ নিজেরাই ডেকে আনছি, আর তাই এখন নিউমোনিয়া, টিবির মতো রোগ গুলি সারছে তো নাই উল্টে রোগীকে আস্তে আস্তে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী সমগ্র বিশ্বই এই অভিশাপের গ্রাসে পড়েছে, কিন্তু সবচাইতে যেটা বেশি চিন্তার তা হল এই রিপোর্টেই ভারতসহ এশিয়ার বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপাল ইত্যাদি দেশকে এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধের এপিসেন্টার হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

এই প্রবণতা কে থামাতে গেলে কিছু গঠনমূলক ও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে যেমন-
ক্স    কঠোর আইনের মাধ্যমে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ দেওয়া কে বন্ধ করতে হবে।
ক্স    সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে।
ক্স    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এন্টিবায়োটিক সচেতনতা সপ্তাহের মত নিজ নিজ দেশেও এইরকম সচেতনতা অভিযান চালানো।
ক্স    চিকিৎসা ক্ষেত্রে সঠিক নিয়মানুবর্তিতা পালন হচ্ছে কিনা তা গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ চালাতে হবে।
ক্স    নিজের এবং নিজের চারপাশের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে।
ক্স    মাঝপথে ওষুধ খাওয়া ছেড়ে দিয়ে নিজে ডাক্তারি না ফলিয়ে, বরং প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত ডাক্তারের পরার্মশ অনুযায়ী কোর্স কমপ্লিট না হওয়া অবদি ওষুধ খেয়ে যান।
ক্স    কৃষিক্ষেত্র এবং গৃহপালিত পশুপাখির উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে অনাবশ্যক এন্টিবায়োটিক প্রয়োগের কঠোর নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন।
ক্স    ওষুধের ব্যবহার হয়ে গেলে যত্রতত্র তার খাপ বা মোড়ক ফেলে দেওয়ার থেকে নিজেদের বিরত রাখা।

মনে রাখবেন ওষুধ যেমন রোগ থেকে মুক্তি দেয়, ঠিক তেমনি ভাবে ভুল , অপ্রয়োজনে, অতিমাত্রায় কিংবা ডোজ শেষ না করে ওষুধ  সেবন নিশ্চিত মৃত্যু ঝুঁকি ও মহামারী ও ভয়ানক রোগ ডেকে আনে। ওষুধ কে দয়া করে প্রতিদিনের খাদ্য বস্তু ভাতের মতো খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। ঔষধ সেবন একপ্রকার স্ব -ইচ্ছাই বিষ সেবন করা।

অবৈধভাবে, লাইসেন্স বিহীন, ফার্মাসিস্ট ব্যতিত ওষুধ ক্রয় বিক্রয় আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। ইহা রাষ্ট্রদ্রোহ, মানবতাবিরোধী, হত্যা যোগ্য অপরাধ । বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে বিশ্ব অ্যান্টিবায়োটিক সচেতনতা সপ্তাহ ২০২২, প্রতিবছরের মতো এবছরও ১৮ থেকে ২৪ নভেম্বর অ্যান্টিবায়োটিক সচেতনতা সপ্তাহ পালন করেছে। সপ্তাহ উপলক্ষে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিপাদ্য বিষয় ছিলPreventing Antimicrobial Resistance Together. তাই আসুন সবাই মিলে নিজে বাঁচি, অন্য কে ও নিজের পরিবার কে বাঁচাতে সহয়তা করি। তাই পরিবর্তনের শুরুটা হউক নিজের কাছে থেকে।  


ডেঙ্গুতে মৃত্যু দুইশ ছাড়াল, হাসপাতালে ভর্তি ৮৫১ রোগী
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : দেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। গত একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ৮৫৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আর গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১৮৯ জনে; আর চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ২০২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৮৫৯ জনের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৪২৬ এবং ঢাকার বাইরে ৪৩৩ জন।

এতে বলা হয়েছে, নতুন ৮৫৯ জনসহ বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা ডেঙ্গুরোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১৮৯ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, চলতি বছরে ১ জানুয়ারি থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সর্বমোট ৪৮ হাজার ৫২৯ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৫ হাজার ১৩৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। এনিয়ে ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যু হয়েছে ২০২ জনের। এবছর ২১ জুন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।

হাসপাতালে ৪৯৮ ডেঙ্গু রোগী, একজনের মৃত্যু
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপে পা ফেলার জায়গা নেই। বর্তমানে সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গুরোগীর সংখ্যা তিন হাজার ৬৬০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৪৯৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬২ জনে।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৪৯৮ জনের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৩২৫ জন এবং ঢাকার বাইরে ১৭৩ জন। নতুন আক্রান্তসহ বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি থাকা ডেঙ্গুরোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ৬৬০ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে— চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪১ হাজার ৪৮১ জন। এর মধ্যে ঢাকায় ২৭ হাজার ৯৭১ জন এবং ঢাকার বাইরে রয়েছেন ১৩ হাজার ৫১০ জন। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৬৫৯ জন।

চলতি বছরের ২১ জুন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশে প্রথম মৃত্যুর খবর জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

১২ ওষুধ ব্যবহারে ওষুধ প্রশাসনের সকর্তকা জারি, ব্যবহারে হতে পারে মৃত্যু
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বরাত দিয়ে বিদেশি ১২টি সিরাপ ব্যবহারে সতর্কতা জারি করেছে। এসব সিরাপ ব্যবহার করলে মৃত্যুর শঙ্কা রয়েছে বলে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে। ওয়েবসাইটে প্রথম ভারতীয় একটি কোম্পানির চারটি ওষুধ ব্যবহার থেকে বিরত থাকার কথা বলা হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বরাত দিয়ে বলা হয়, সিরাপগুলোতে মাত্রাতিরিক্ত ইথিলিন গ্লাইকল ও ড্রাই ইথিলিন গ্লাইকল পাওয়া যাচ্ছে, যা ব্যবহার করা অত্যন্ত অনিরাপদ। বিশেষ করে শিশুদের এসব ওষুধ সেবনে পেটব্যথা, ডায়রিয়া, মাথাব্যথা, মানসিক সমস্যা এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
ভারতের মেডেন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের এসব সিরাপের মধ্যে রয়েছে প্রোমেথাজিন ওরাল সলিউশন বিপি ১০০ এমএল, কোফ্যাক্সমালিন বেবি কফ সিরাপ ১২৫ এমএল, ম্যাকফ বেবি কফ সিরাপ ১০০ এমএল এবং ম্যাগ্রিপ এন গোল্ড সিরাপ ১০০ এমএল।

গত মাসে গাম্বিয়ায় ভারতীয় এসব সিরাপ পানে ৬৬ শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। পরে ডব্লিউএইচও বিষয়টি নিয়ে অধিক তদন্ত শুরু করে। এরপর আফ্রিকার মানুষের জন্য এসব সিরাপ ব্যবহার থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানায় সংস্থাটি।

এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বুধবার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জন্য ইন্দোনেশিয়ার ৮টি সিরাপ ব্যবহারে সতর্কতা দিয়েছে।

এসব সিরাপের মধ্যে রয়েছে টারমোরেক্স সিরাপ, ফ্লুরিন ডিএমপি সিরাপ, ইউনিবেবি কফ সিরাপ, ইউনিবেবি ডিমাম প্যারাসিটামল ড্রপস, ইউনিবেবি ডিমাম প্যারাসিটামল সিরাপ, প্যারাসিটামল ড্রপস, প্যারাসিটামল সিরাপ (মিন্ট) অ্যান্ড ভিপকল সিরাপ।

নোবেল পুরস্কারে মনোনীত বাংলাদেশি চিকিৎসক
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনিত হলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) সাবেক শিক্ষার্থী ডা. রায়ান সাদী।তিনি ঢামেকের কে-৪০ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।শনিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে ডা. দীপু মনি তার ফেসবুক ভেরিফাইড পেজে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ফেসবুক পোস্টে ডা. দীপু মনি লিখেছেন, ‘আমাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজের কে-৪০ ব্যাচের বন্ধু রায়ান সাদী এমডি, এমপিএইচ, চেয়ারম্যান ও সিইও Tevogen Bio, এ বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। আমরা গর্বিত। সাদীর প্রতি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। সাদী ও তার পরিবারের প্রতি নিরন্তর শুভকামনা।’
নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত বাংলাদেশি চিকিৎসক

নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত বাংলাদেশি চিকিৎসক

১৯৬৪ সালে ৬ ডিসেম্বর পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তৈয়ব হোসেন ও আসমা বেগম দম্পতির বড় সন্তান তিনি। বাংলাদেশি এ চিকিৎসক বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন।

বর্তমানে টেভোজেন বায়ো কোম্পানির চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন ডা. রায়ান সাদী। তার সহধর্মীনী ডা. জুডি আক্তার এবং একমাত্র কন্যা এমিলি। ডা. রায়ান সাদী কুষ্টিয়া জেলা স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস শেষে যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা-বিজ্ঞানে লিডারশিপ, ইয়েল ইউনিভার্সিটিতে হেলথ পলিসি এবং অর্থনীতিতে উচ্চতর ডিগ্রি গ্রহণ করেন তিনি।

আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অভিষেক ও শপথ গ্রহণ
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অভিষেক ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ৮ টায় আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের জাতীয় অধ্যাপক ইব্রাহীম লেকচার থিয়েটারে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এসময় ইন্টার্ন ডাক্তারদের শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ডা. মাহমুদা হাসান। আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ আব্দুস সবুরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আশরাফ-উজ-জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা এস এম হারুন অর রশিদ।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পেডিয়েট্রিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এআরএম লুৎফুল কবীর, মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. খায়রুল ইমাম, গাইনী বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. হোসনে আরা খাতুন, সার্জারী বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সরদার মো: রেজাউল ইসলাম প্রমূখ। এসময় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, চিকিৎসক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইন্টার্ন পিরিয়ডের নিয়ম-নীতি এবং লগ বুক সম্পর্কে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দেন আদ্-দ্বীন হাসপাতালসমূহের মহা-পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাহিদ ইয়াসমিন। এসময় তিনি বলেন, ‘আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ব্যস্ততম একটি হাসপাতাল। স্বল্প খরচে মানসম্মত চিকিৎসা সেবা প্রদান করাই আদ্-দ্বীনের লক্ষ্য। এখানে সবধরণের রোগী সেবা নিতে আসে। সকলকে সঠিকভাবে সেবা দিয়ে ভাল ডাক্তার হওয়ার পাশাপাশি ভাল মানুষ হয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে।’

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ আব্দুস সবুর বলেন,“একাডেমিক পড়ালেখা শেষ করে ইন্টার্ন চিকিৎসক হিসেবে পেশা জীবনে প্রবেশের মাধ্যমে তোমাদের দায়িত্ব বহুগুনে বেড়ে গেছে। তোমাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবে।” তিনি আরও বলেন, “হাসপাতাল হলো ডাক্তারদের সেকেন্ড হোম। যারা হাসপাতালে যত বেশি সময় দিবে তারা তত বেশি শিখবে। সিনিয়র ডাক্তার ও নার্সদের সাথে সমন্বয় রেখে কাজ করতে হবে।” তিনি পেশা জীবনে সকলের সফলতা কামনা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. আশরাফ-উজ-জামান বলেন, তোমরা দীর্ঘ শিক্ষা জীবন শেষ করে ইন্টার্ন ডাক্তার হিসেবে পেশা জীবনে প্রবেশ করেছো। এখনো তোমাদের স্বপ্ন পূরণ হয়নি, স্বপ্ন পূরণের তীরে এসেছো মাত্র।  এই সময়টি তোমাদের শেখার সময়। তাই বিন্দুমাত্র অবহেলা না করে প্রতিটি মুহূর্ত কাজে লাগাতে হবে। ভালো ভাবে ইন্টার্ন শেষ করে আদ্-দ্বীনের মুখ উজ্জ্বল করবে।

উল্লেখ্য,আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের (নবম ব্যাচ) ৫৬ জন শিক্ষার্থী এমবিবিএস সম্পন্ন করে ইন্টার্ন চিকিৎসক হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

বেড়ে গেছে চোখ ওঠার সমস্যা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে চোখ ওঠার সমস্যা। তবে এর জন্য বাড়তি দুশ্চিন্তার প্রয়োজন নেই। সাময়িক কষ্ট হলেও এটি মারাত্মক নয়। চোখ ওঠা সমস্যা এক-দেড় সপ্তাহের মধ্যে নিজে থেকেই সেরে যায়। তবে চোখ ওঠার সমস্যা দেখা দিলে ফেলে রাখা যাবে না। বরং নিতে হবে যত্ন। নয়তো ভোগান্তি বাড়তে পারে।

চোখ ওঠার কারণ
চোখ ওঠার প্রধান কারণ হতে পারে ভাইরাস। এছাড়া ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণেও দেখা দিতে পারে এই সমস্যা। চোখ ওঠার সমস্যা দেখা দিলে চোখ লাল হয়ে যায়। থাকে ব্যথা ও খচখচে ভাব। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভাইরাসের কারণেই চোখ ওঠার সমস্যা দেখা দেয়। অপরিষ্কার জীবনযাপনের কারণে এই সমস্যা বেশি হয়।

চোখ ওঠার লক্ষণ
* চোখ লাল হয়ে যাওয়া
* ঘুম থেকে ওঠলে চোখ আঠা আঠা লাগা
* সব সময় চোখের ভেতর কিছু একটা পড়েছে এমন অনুভূতি
* চোখ চুলকানো এবং জ্বালাপোড়া করা
* আলোর দিকে তাকালে অস্বস্তি লাগা
* সবকিছু ঘোলা ঘোলা দেখা
* চোখ দিয়ে পানি পড়া
* চোখের কোনায় ময়লা জমা
* চোখ ফুলে যাওয়া।
চোখ ওঠার সমস্যায় করণীয়

পানির ঝাপটা দিন
সকালে ঘুম থেকে উঠে চোখে পরিষ্কার পানির ঝাপটা দিতে হবে। চোখে কোনো ধরনের নোংরা পানি, ধুলোবালি যেন প্রবেশ না করে সেদিকে খেয়াল রাখুন। চোখ আঠালো হয়ে থাকলে বার বার পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। অকারণে চোখে হাত দেওয়া যাবে না।

সানগ্লাস ব্যবহার করুন
আপনার চোখ আক্রান্ত হলে সেখান থেকে আরও অনেকের আক্রান্ত হওয়ার ভয় থাকে। তাই চোখ ওঠার সমস্যা দেখা দিলে সম্ভব হলে বাড়িতে থাকুন। যদি বাইরে বের হতে হয় তবে অবশ্যই সানগ্লাস পরে বের হবেন। এটি আপনাকেও সুরক্ষিত রাখবে। রোদের কারণে চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

সতর্ক থাকুন
চোখ ওঠা যেহেতু ছোঁয়াচে রোগ তাই আক্রান্ত ব্যক্তিকে অন্যদের থেকে দূরে থাকতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তির পোশাক, তোয়ালে, বিছানাপত্র অন্য কেউ ব্যবহার করবেন না। সেইসঙ্গে বিরত থাকতে হবে হ্যান্ডশেক বা জড়িয়ে ধরা থেকেও। অপরিষ্কার হাতে চোখ স্পর্শ করবেন না।

ড্রপ ব্যবহার
ভাইরাসের পর ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটতে পারে। সেজন্য দিনে তিন-থেকে চারবার চোখের ড্রপ ব্যভহার করতে পারেন। ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ না হলেও সেকেন্ডারি ইনফেকশন প্রতিরোধ করার জন্য ড্রপ ব্যবহার করা যায়। চোখে চুলকানি থাকলে সেজন্য ওষুধ সেবন করতে হতে পারে। তবে সবটাই করবেন চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে। নিজ থেকে কোনো ড্রপ বা ওষুধ ব্যবহার করবেন না। এতে উপকারের বদলে ক্ষতি বেশি হতে পারে।

বিশ্ব হার্ট দিবস: প্রতিবছর হৃদরোগে ২ লাখ ৭৭ হাজার মৃত্যু দেশে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
বিশ্ব হার্ট দিবস আজ ২৯ সেপ্টেম্বর। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য, ‘ইউজ হার্ট ফর এভরি হার্ট।’ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হবে।

চিকিৎসা শাস্ত্রের পরিভাষায় হৃদরোগকে বলা হয় মাইয়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন। চিকিৎসকেরা বলে থাকেন সচল থাকতে গোটা শরীরের মতো হৃদ্যন্ত্রের অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। আর করোনারি ধমনি হৃদ্যন্ত্রে ওই অক্সিজেন সরবরাহ করে। কিন্তু অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, অনিয়মিত জীবনযাপনে করোনারি ধমনির ভেতরের দেওয়ালে চর্বি জমে যায়।

এর ফলে সময়ের সঙ্গে অক্সিজেন সরবরাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফুসফুসে রক্তের সরবরাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে কার্ডিয়াক ইস্কেমিয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়, যাতে হৃদ্যন্ত্রে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়। বেশ কিছু সময় পর্যন্ত বুঝতে না পারলে, বা চিকিৎসায় দেরি হলে হৃদযন্ত্রের কোষগুলোর একে একে মৃত্যু ঘটে। তাতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন মানুষ।

পৃথিবীব্যাপী সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঘটে হৃদরোগে, যার অন্যতম প্রধান কারণ তামাক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রতিবছর বিশ্বে ১৯ লাখ মানুষ তামাক ব্যবহারজনিত হৃদরোগে মৃত্যুবরণ করে। বাংলাদেশে প্রতিবছর ২ লাখ ৭৭ হাজার মানুষ হৃদরোগে মারা যায়, যার ২৪ শতাংশের জন্য দায়ী তামাক।

গ্লোবাল বারডেন অফ ডিজিজ স্টাডি (জিবিডি) ২০১৯’র তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে মৃত্যু এবং পঙ্গুত্বের প্রধান চারটি কারণের একটি তামাক। বর্তমানে প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর ৩৫.৩ শতাংশ (৩ কোটি ৭৮ লাখ) তামাক ব্যবহার করছে যা হৃদরোগ পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলছে।

এই পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংশোধনীর মাধ্যমে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। খসড়া সংশোধনীতে সকল পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ‘ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান’ রাখার বিধান বিলুপ্ত করা, বিক্রয়স্থলে তামাকজাত দ্রব্য বা প্যাকেট প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা, তামাক কোম্পানির সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করাসহ সব ধরনের খুচরা বা খোলা তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় নিষিদ্ধ করাসহ বেশ কিছু প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ইতিমধ্যে খসড়াটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে অংশীজনের মতামত গ্রহণ করা হয়েছে।

বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে এক প্রতিক্রিয়ায় গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা’র (প্রগতির জন্য জ্ঞান) নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, ‘তামাকজনিত হৃদরোগ ঝুঁকি হ্রাসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আইন সংশোধনের পদক্ষেপ অত্যন্ত সময়োপযোগী। তামাক কোম্পানির অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে খসড়াটি দ্রুত চূড়ান্ত করতে হবে।’

হার্ট বা হৃৎপিণ্ড সুস্থ–সবল রাখতে খাদ্যাভ্যাস বেশ বড় ভূমিকা পালন করে। এ জন্য বিশেষজ্ঞরা খাদ্যাভ্যাসের দিকে বিশেষভাবে নজর দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। আঁশযুক্ত খাবার যেমন শাকসবজিতে প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেল আছে। এটি হার্টের জন্য ভালো। আর চর্বিযুক্ত খাবার, গরু বা খাসির মাংস কম করে খেতে হবে।

রান্নার সময় উদ্ভিজ্জ তেল ব্যবহার করতে হবে। তবে একবার তেল দিয়ে রান্না করার পর দ্বিতীয়বার সেই একই তেল ব্যবহার করা যাবে না। অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার, ফাস্টফুড পরিহার করতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে ভাত, চিনি, লবণ—এই তিন ধরনের খাবার হার্টের জন্য খারাপ। এ জন্য পুষ্টিবিদেরা এই খাবারগুলোকে ‘সাদা বিষ’ বলে থাকেন। এ খাবারগুলো একেবারে কম পরিমাণে খেতে পারলেই ভালো।

এছাড়া হার্টের সুস্থতার জন্য অবশ্যই উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। ধূমপান, গুল, জর্দা থেকে দূরে থাকতে হবে। নিয়মমাফিক হাঁটাচলা ও ব্যায়াম করতেই হবে।

অক্টোবরের পর টিকা নাও পেতে পারেন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশে এখনো করোনা টিকার প্রথম ডোজ নেয়নি প্রায় ৩৩ লাখ মানুষ, দ্বিতীয় ডোজ নেয়নি প্রায় ৯৪ লাখ মানুষ। তাদেরকে দ্রুত টিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ৩ অক্টোবর থেকে প্রথম ডোজ বন্ধ হতে পারে। এরমধ্যেই প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজে বাদ পরা মানুষদের টিকা নিতে হবে।

শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় রাজধানীর হোটেল রেডিসনে আয়োজিত ‌৫-১১ বছরের শিশুদের কোভিড-১৯ টিকা কার্যক্রম বিষয়ক জাতীয় অ্যাডভোকেসি ওয়ার্কশপ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, অক্টোবরের পর হয়তো আমাদের কাছে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের জন্য টিকা থাকবে না। যেগুলো থাকবে, সেগুলোরও মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। যারা এখনো প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজ নেননি, তারা দ্রুত নিয়ে নিন। অক্টোবরের পরে টিকা নাও পেতে পারেন।

তিনি বলেন, টিকা কার্যক্রমে আমাদের আড়াই লাখ লোক কাজ করছে, এরমধ্যে ভ্যাকসিনেটরই রয়েছেন ৬০ হাজার। সবাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টিকা নিয়ে নিন। আমরা এখন পর্যন্ত ৩০ কোটি ডোজ টিকা দিয়েছি। শিশুদের টিকাদান প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ১০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। আমাদের এখনো সোয়া ২ কোটি শিশুকে টিকা দিতে হবে। তার মানে ৪ কোটির বেশি ভ্যাকসিন এখনো প্রয়োজন। আমরা মাত্র শুরু করেছি। শিশুদের টিকা কার্যক্রম আরও অনেক বাকি আছে।

জাহিদ মালেক বলেন, করোনা বেড়ে গেলে আবারও অর্থনীতিতে প্রভাব পড়বে, স্বাস্থ্য সেবায় প্রভাব পড়বে। সংক্রমণ কিন্তু আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে, আমাদেরকে সচেতন হতে হবে। আমরা যেন মাস্ক পরা ভুলে গেছি, মাস্ক বড় হাতিয়ার। ভালো দিক হলো মৃত্যু হার কমেছে, আমরা সন্তুষ্ট নই, করোনাও নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

এদিকে ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুদের (প্রাথমিকের শিক্ষার্থী) জেলা-উপজেলা পর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচি আগামী ১১ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে। দেশের ২ কোটি ২৬ লাখ ৩৮ হাজার ৭৩৭ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. মো. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার।

দেশের প্রথম সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল উদ্বোধন
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অধীনে দেশের প্রথম সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই হাসপাতালের উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্য সেবার নব দিগন্ত উন্মোচিত হবে। চিকিৎসা গ্রহণে বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা কমে আসবে এবং বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে।

হাসপাতাল সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে জানা যায়, ৭৫০ শয্যার হাসপাতালে বিভিন্ন বিভাগে থাকবে ১৪টি অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার, ১০০ শয্যার আইসিইউ। জরুরি বিভাগে থাকবে ১০০ শয্যা, ভিভিআইপি কেবিন ছয়টি, ভিআইপি কেবিন ২২টি এবং ডিল্যাক্স শয্যা থাকবে ২৫টি। সেন্টারভিত্তিক প্রতিটি ওয়ার্ডে থাকবে আটটি করে শয্যা। এক্স-রে, এমআরআই, সিটি-স্ক্যানসহ অত্যাধুনিক সব পরীক্ষা নিরীক্ষার সুবিধা থাকবে এ হাসপাতালে।

হাসপাতালটিতে প্রথম পর্যায়ে থাকবে অটিজম সেন্টার, ম্যাটারনাল অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ কেয়ার সেন্টার, ইমার্জেন্সি মেডিক্যিাল কেয়ার সেন্টার, হেপাটোবিলিয়ারি ও গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সেন্টার, কার্ডিও ও সেরিব্রো ভাস্কুলার সেন্টার এবং কিডনি সেন্টার।

দ্বিতীয় পর্যায়ে থাকবে রেসপিরেটরি মেডিসিন সেন্টার, জেনারেল সার্জারি সেন্টার, অপথালমোলজি, ডেন্টিস্ট্রি, ডার্মাটোলজি সেন্টার এবং ফিজিক্যাল মেডিসিন বা রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার। এখানে বিশ্বমানের চিকিৎসা বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন, রোবোটিক অপারেশন, জিন থেরাপির ব্যবস্থাও থাকবে।

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে মোট ৩শ’ চিকিৎসক ও ১২শ’ স্বাস্থ্যকর্মী কাজ করার কথা রয়েছে। হাসপাতালটিতে উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ৮০ জন চিকিৎসকসহ মোট ১৪০ জন নার্স ও কর্মকর্তাকে বিদেশে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ২২ জন চিকিৎসকসহ ৪৬জন কর্মকর্তা কোরিয়া থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ফিরেছেন। আরও একটি দল প্রশিক্ষণ নিতে যাবে।

ছয়টি বিশেষায়িত সেন্টারের মাধ্যমে চলা এ হাসপাতালে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের পাশাপাশি দু’বছরের জন্য ৫৬ জন কোরীয় কনসালট্যান্ট কাজ করবেন। যারা দেশীয় জনবল আরও দক্ষ করতে অবদান রাখবেন।

জনগণের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকল্পে ২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি দেশের প্রথম সেন্টার ভিত্তিক সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) অনুমোদিত হয়। ২০১৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে কোরিয়া সরকার দিয়েছে এক হাজার কোটি টাকা, বাংলাদেশ সরকারের ৩৩০ কোটি টাকা, বিএসএমএমইউর ফান্ড থেকে দেওয়া হয়েছে ১৭০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ সরকার ও কোরিয়া এক্সিম ব্যাংকের (ইডিসিএফ, ইকোনোমিক ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ফান্ড) মধ্যে ২০১৫ সালের ১৯ নভেম্বর প্রকল্পের ঋণচুক্তি সম্পাদিত হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. সাইফুল হাসান বাদল। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিপাবলিক অব কোরিয়ার মান্যবর রাষ্ট্রদূত লি জ্যাং কিউন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

স্বাধীন বাংলা/এআর

বিএসএমএমইউ`র ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি ডিভিশনে লিভার রোগ সংক্রান্ত সেমিনার অনুষ্ঠিত
                                  

স্বাধীন বাংলা অনলাইন : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি ডিভিশনে গত ১১ সেপ্টেম্বর একিউট অন ক্রনিক লিভার ফেইলিউর বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এই সেমিনারে একিউট অন ক্রনিক লিভার ফেইলিউর (এসিএলএফ) বিষয়ক কিনোট পেপার উপস্থাপন করেন ভারতের হায়াদ্রাবাদের গ্লোবাল হাসপাতালের কনসাল্টেন্ট হেপাটোলজিস্ট ডা. চন্দন কুমার। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন একই হাসপাতালের লিভার ট্রান্সপ্লান্ট সার্জন ডা. রাঘাবেন্দ্র বাবু।

ডা. চন্দন কুমার এবং ডা. রাঘাবেন্দ্র বাবু ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি বিভাগটির কার্যক্রমের প্রশংসা করে আশা প্রকাশ করেন যে ভবিষ্যতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ডিভিশনটির সাথে তারা তাদের হাসপাতালের বৈজ্ঞানিক এবং চিকিৎসাক্ষেত্রে কোলাবোরেশন গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন।

উল্লেখ্য গত বছরের ৭ জুলাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের এক আদেশবলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি ডিভিশনটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ডিভিশন প্রধান হিসেবে নিয়োগ পান অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই লিভার রোগীদের জন্য আধুনিক চিকিৎসা প্রচলনের পাশাপাশি লিভার বিষয়ক গবেষনা প্রসারে ডিভিশনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। এরই মধ্যে ডিভিশনটিতে লিভার ফেইলিওরের চিকিৎসায় লিভার ডায়ালাইসিস ও প্লাজমা এক্সচেঞ্জ, লিভার সিরোসিস রোগীদের জন্য অটোলোগাস হেমোপয়েটিক স্টেম সেল ট্রান্সপ্লান্টেশন, লিভার ক্যান্সারের চিকিৎসায় ট্রান্সআর্টারিয়াল কেমোএম্বোলাইজেশন এবং পিত্তনালীর রোগ নির্নয়ে স্পাই গ্লাস কোলাঞ্জিওস্কোপি শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকার বাইরে দেশের বিভিন্ন শহরে ডিভিশনটির ফ্যাকাল্টি মেম্বারদের সহযোগিতায় অটোলোগাস হেমোপয়েটিক স্টেম সেল ট্রান্সপ্লান্টেশন এবং ট্রান্সআর্টারিয়াল কেমোএম্বোলাইজেশনের মত আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি চালু করা সম্ভব হয়েছে।

এ বছরের ৭ জুলাই ডিভিশনটির প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বাণী প্রদান করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। সেদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিভিশনটির উদ্যোগে স্পাই গ্লাস কোলাঞ্জিওস্কোপি ও ট্রান্সআর্টারিয়াল কেমোএম্বোলাইজেশন লাইভ ডেমন্সট্রেশনের ব্যবস্থা করা হয়।

পাশাপাশি চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষনায় জোড় দেয়া হচ্ছে ডিভিশনটিতে। এরই মধ্যে ডিভিশনটিতে চালু করা হয়েছে বাংলাদেশে যৌথভাবে উদ্ভাবিত হেপাটাইটিস বি’র ইমিউনথেরাপী ন্যাসভ্যাকের আরো একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়েল। পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের সাথে ডিভিশনটির বেশ কয়েকটি গবেষনা প্রকল্প চলমান আছে। বাংলাদেশে উদ্ভাবিত বাংলাদেশের নিজস্ব কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ‘বঙ্গভ্যাক্সের’ ফেইজ-১ হিউম্যান ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালটিও সামনে এই ডিভিশনেই শুরু হতে যাচ্ছে। বানর এবং মানুষের শরীরে বঙ্গভ্যাক্সের ক্লিনিক্যিাল ট্রায়ালগুলোর প্রধান গবেষক হিসেবে আছেন ডিভিশনটির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল।

যশোরে ওমিক্রনের নতুন সাব ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত
                                  

হাবিবুর রহমান হবি, যশোর
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জিনোম সেন্টারে তিন বাংলাদেশি নাগরিকের শরীরে করোনা ভাইরাসের ওমিক্রন ধরনের নতুন সাব ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে বিএ ২.৭৫। রোববার (০৪ সেপ্টেম্বর) জিনোম সেন্টারের একদল গবেষক যশোরের তিনজন আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর থেকে সংগৃহীত ভাইরাসের আংশিক (স্পাইক প্রোটিন) জিনোম সিকুয়েন্সের মাধ্যমে করোনার নতুন এই সাব ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত করে। মঙ্গলবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় যবিপ্রবির জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক আব্দুর রশিদ।

যবিপ্রবির গবেষক দলটি জানায়, আক্রান্ত তিনজন ব্যক্তিই পুরুষ। যাদের একজনের বয়স ৫৫ এবং বাকি দুইজনের বয়স ৮৫ বছর। আক্রান্তদের মধ্যে একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং অন্যান্যরা বাসাতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আক্রান্তদের জ্বর, গলা ব্যথা, সর্দি-কাশিসহ বিভিন্ন মৃদু উপসর্গ রয়েছে। গবেষক দলটি আরও জানায়, বিএ ২.৭৫ সাব-ভ্যারিয়েন্টের স্পাইক প্রোটিনে ওমিক্রনের বিএ ২ ভ্যারিয়েন্টের মতোই মিউটেশন দেখা যায়। ওমিক্রনের এই সাব-ভ্যারিয়েন্টটি জুলাই মাসে ভারতে প্রথম শনাক্ত হয়। গত আগস্টে এই সাব-ভ্যারিয়েন্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শনাক্ত হয়। টিকা নেওয়া ব্যক্তিরাও এই সাব-ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হচ্ছেন। আগামী দিনে এই সাব-ভ্যারিয়েন্ট বর্তমানে সংক্রমণশীল অন্যান্য সাব-ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় বেশি সংক্রমণ ঘটাতে পারে বলে বিজ্ঞানীদের ধারণা।

করোনার এই নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তের বিষয়ে যবিপ্রবির উপাচার্য ও জেনোম সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, এই সাব-ভ্যারিয়েন্টটি মানুষের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সহজেই ফাঁকি দিতে সক্ষম। এজন্য মাস্ক ব্যবহারসহ কঠোরভাবে করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো বিকল্প নেই। তিনি জানান, শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকুয়েন্স করে এ বিষয়ে আরও তথ্য জানা সম্ভব হবে এবং এই সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তকরণের কাজ জিনোম সেন্টারে অব্যাহত থাকবে।

যবিপ্রবির অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও জিনোম সেন্টারের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. ইকবাল কবীর জাহিদের নেতৃত্বে করোনার নতুন এই সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তে গবেষক দলের অন্য সদস্যরা হলেন- বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. হাসান মো. আল-ইমরান, পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শিরিন নিগার, অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তানভীর ইসলাম, ড. সেলিনা আক্তার, ড. অভিনু কিবরিয়া ইসলাম, জিনোম সেন্টারের গবেষণা সহকারী প্রশান্ত কুমার দাস, মো. আলী আহসান সেতু প্রমুখ।

ভবিষ্যত মহামারি মোকাবিলায় সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:
ভবিষ্যতে যেকোনো মহামারি মোকাবিলায় বিশ্ব প্রতিনিধিদের সচেতনতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে বিভিন্ন মহামারি আসতে পারে, তাই সেগুলো মোকাবিলায় বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলোকে সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে। একইসঙ্গে স্বাস্থ্য গবেষণায় সবাইকে আরো জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে। সোমবার ভুটানের পারো শহরে ৫ দিনব্যাপী শুরু হওয়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক সভা সাউথ ইস্ট এশিয়ান রিজিওনাল অর্গানাইজেশনের (এসইএআরও) পাঁচ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

সভায় জাহিদ মালেক করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে সেসব বিষয় তুলে ধরেন। একইসঙ্গে কোভিড মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফলপ্রসূ দিক নির্দেশনা ও সার্বিক পরামর্শের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। সভার কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং। পাঁচ দিনব্যাপী আঞ্চলিক সভায় সদস্য দেশগুলো উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কৌশল অন্যদেশে কীভাবে সাফল্যের সঙ্গে কার্যকরভাবে ব্যবহার করে সাফল্য অর্জন করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

সম্মেলনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় এসইএআরও-ভুক্ত দেশগুলো ভবিষ্যতে মহামারি মোকাবিলা, কোভিড পরিস্থিতি পর্যালোচনা, সার্বজনীন স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনাসহ অসংক্রামক ব্যাধি মোকাবিলার কৌশল নির্ধারণসহ সার্বিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে একযোগে কাজ করার কৌশল নির্ধারণ করবে।

সভায় এসইএআরও ভুক্ত ১০টি দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের মধ্যে ৮টি দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অংশগ্রহণ করেছেন। সভায় বাংলাদেশের পক্ষে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে ৬ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল অংশ নিয়েছে। প্রতিনিধিরা হচ্ছেন, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কাজী জেবুন্নেছা বেগম, উপ-সচিব খন্দকার জাকির হোসেন, উপ-সচিব মোহাম্মদ শাহাদত খন্দকার, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক মেখালা সরকার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. আরাফাতুর রহমান।


   Page 1 of 29
     স্বাস্থ্য
ফুসফুসে পুরুষ ও নারীরা স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন বেশি
.............................................................................................
২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১২০ ডেঙ্গু রােগী
.............................................................................................
শিগগিরই টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়া শুরু হবে : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
.............................................................................................
অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে কিছু জিজ্ঞাসা!
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে মৃত্যু দুইশ ছাড়াল, হাসপাতালে ভর্তি ৮৫১ রোগী
.............................................................................................
হাসপাতালে ৪৯৮ ডেঙ্গু রোগী, একজনের মৃত্যু
.............................................................................................
১২ ওষুধ ব্যবহারে ওষুধ প্রশাসনের সকর্তকা জারি, ব্যবহারে হতে পারে মৃত্যু
.............................................................................................
নোবেল পুরস্কারে মনোনীত বাংলাদেশি চিকিৎসক
.............................................................................................
আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অভিষেক ও শপথ গ্রহণ
.............................................................................................
বেড়ে গেছে চোখ ওঠার সমস্যা
.............................................................................................
বিশ্ব হার্ট দিবস: প্রতিবছর হৃদরোগে ২ লাখ ৭৭ হাজার মৃত্যু দেশে
.............................................................................................
অক্টোবরের পর টিকা নাও পেতে পারেন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
দেশের প্রথম সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল উদ্বোধন
.............................................................................................
বিএসএমএমইউ`র ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি ডিভিশনে লিভার রোগ সংক্রান্ত সেমিনার অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
যশোরে ওমিক্রনের নতুন সাব ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত
.............................................................................................
ভবিষ্যত মহামারি মোকাবিলায় সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
.............................................................................................
এই ৭ খাবার `বিষ` ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য
.............................................................................................
অবৈধ ক্লিনিক বন্ধে অভিযান
.............................................................................................
শুরু হয়েছে শিশুদের করোনা টিকাদান
.............................................................................................
মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত ৩৫ হাজার হাজারের অধিক: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
.............................................................................................
যদি পাইলস হয়েই থাকে
.............................................................................................
ওষুধেরও বাড়তি দাম, দিশেহারা মানুষ
.............................................................................................
অপারেশন ছাড়াই রক্ষা মিলবে অঙ্গহানি থেকে
.............................................................................................
আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ গভর্নিং বডির সভা অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
কলেরার দ্বিতীয় ডোজ আজ থেকে শুরু
.............................................................................................
নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারনায় মুখরিত আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ
.............................................................................................
শিশুদের জন্য ১৫ লাখ ডোজ টিকা পৌঁছেছে ঢাকায়
.............................................................................................
মাঙ্কিপক্স রুখতে পুরুষদের যৌন সঙ্গী কমানোর পরামর্শ ডব্লিউএইচও’র
.............................................................................................
কাঁকরোল খাওয়ার কি কি স্বাস্থ্যকর উপকারিতা আছে, জানুন
.............................................................................................
করোনা: বাংলাদেশ ভ্রমণে ফের সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের
.............................................................................................
ওষুধের বাজারে অস্থিরতা
.............................................................................................
৫৬ লাখের বেশি মানুষ পেলেন টিকার বুস্টার ডোজ
.............................................................................................
স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রতিনিধি দলের আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল পরিদর্শন
.............................................................................................
কোভিড: ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে বাড়ল মৃত্যু
.............................................................................................
বঙ্গভ্যাক্স অনুমতি পেলো
.............................................................................................
ভারতে প্রথম মাঙ্কিপক্স আক্রান্ত রোগীর সন্ধান
.............................................................................................
সারাদেশে বুস্টার ডোজ ক্যাম্পেইনের তারিখ ঘোষণা
.............................................................................................
যে কারণে যৌন শক্তি বাড়ানোর ঔষধের দিকে ঝুঁকছে আরব তরুণরা
.............................................................................................
ঘরে ঘরে জ্বর-সর্দি
.............................................................................................
পেটে ব্যান্ডেজ রেখেই সেলাই করেন ডাক্তার, ৭ মাস পর অপসারণ
.............................................................................................
মূত্রত্যাগের পরেও প্রস্রাবের প্রবল বেগ? এই লক্ষণে সাবধান
.............................................................................................
ফের করোনার সামাজিক সংক্রমণ শুরুর ইঙ্গিত
.............................................................................................
অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিকের অধিকাংশেরই মালিক ডাক্তার ও রাজনীতিক
.............................................................................................
অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ
.............................................................................................
সকল স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বিএসএমএমইউ উপাচার্য
.............................................................................................
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বেলি ফুলের উপকারিতা
.............................................................................................
বেলজিয়ামে ২১ দিনের মাঙ্কিপক্স কোয়ারেন্টাইন
.............................................................................................
বাংলাদেশে মাঙ্কিপক্স নিয়ে সতর্কতা জারি
.............................................................................................
এই ছয়টি রোগই নীরব ঘাতক`! অবশ্যই সতর্ক থাকুন
.............................................................................................
মৃত্যু নেই, শনাক্ত নেমেছে ৪ জনে
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT