শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   স্বাস্থ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সপরিবারে করোনা আক্রান্ত হলেন বরকত উল্লাহ বুলু

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু সপরিবারে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার করা পরীক্ষায় স্ত্রী ও দুই ছেলেসহ করোনা পজিটিভ শনাক্ত হন সাবেক এ মন্ত্রী। গতকাল রাতেই রাজধানীর গ্রিন লাইফ হাসপাতালে ভর্তি হন তারা। হাসপাতালে ভর্তি হলেও বুলু পরিবারের সবাই এখনো ভালো আছেন। দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা।

যুবদলের কেন্দ্রীয় চট্টগ্রাম বিষয়ক সহসাংগঠনিক সম্পাদক মনজুরুল আজিম সুমন জানান, করোনা ধরা পড়ায় বুুুলু তার স্ত্রী শামীমা বরকত লাকী, বড় ছেলে ওমর শরীফ মোহাম্মদ ইমরান (সানিয়াত) ও ছোট ছেলে মাহাথির মোহাম্মদ ইরকান (সাবিত)সহ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তারা গ্রিন লাইফ হাসপাতালে ইউজিসি অধ্যাপক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর অধীনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্বাধীনবাংলা/জ উ আহমাদ

সপরিবারে করোনা আক্রান্ত হলেন বরকত উল্লাহ বুলু
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু সপরিবারে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার করা পরীক্ষায় স্ত্রী ও দুই ছেলেসহ করোনা পজিটিভ শনাক্ত হন সাবেক এ মন্ত্রী। গতকাল রাতেই রাজধানীর গ্রিন লাইফ হাসপাতালে ভর্তি হন তারা। হাসপাতালে ভর্তি হলেও বুলু পরিবারের সবাই এখনো ভালো আছেন। দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা।

যুবদলের কেন্দ্রীয় চট্টগ্রাম বিষয়ক সহসাংগঠনিক সম্পাদক মনজুরুল আজিম সুমন জানান, করোনা ধরা পড়ায় বুুুলু তার স্ত্রী শামীমা বরকত লাকী, বড় ছেলে ওমর শরীফ মোহাম্মদ ইমরান (সানিয়াত) ও ছোট ছেলে মাহাথির মোহাম্মদ ইরকান (সাবিত)সহ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তারা গ্রিন লাইফ হাসপাতালে ইউজিসি অধ্যাপক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর অধীনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্বাধীনবাংলা/জ উ আহমাদ

অ্যান্টিজেন পরীক্ষা আগামী মাস থেকে শুরু
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানিয়েছেন, দেশে আগামী মাস থেকে করোনাভাইরাসের অ্যান্টিজেন পরীক্ষা শুরু হবে। গতকাল বুধবার ‘কোভিড-১৯ এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক হালনাগাদ তথ্য অবহিতকরণ সভা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, অ্যান্টিজেনের কোন কিটটি সবচেয়ে ভালো বা কার্যকর সেটি নিশ্চিত না হওয়ায় অ্যান্টিজেন পরীক্ষা শুরু করতে দেরি হচ্ছে। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত দুটি কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আরটি-পিসিআর পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই এমন ১০টি জেলায় এই কার্যক্রম শুরু করা হবে। তবে সন্দেহজনক রোগী অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় পজিটিভ না হলে তাকে অবশ্যই পিসিআর পরীক্ষা করতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) পরিচালক আবু হেনা মোর্শেদ জামান ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. নাসিমা সুলতানা। সভার শুরুতে কোভিড তথ্য ব্যবস্থাপনা ও ই-সেবার ওপর তথ্য উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সেন্ট্রাল ফর মেডিক্যাল বায়োটেকনোলজি বিভাগের ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. মারুফুর রহমান অপু।

উল্লেখ্য, তিন মাসের বেশি সময় আগে অ্যান্টিজেন নীতিমালা প্রণয়ন করে রাখে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। গত ২৪ জুলাই স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছিলেন, সরকার করোনার র‌্যাপিড টেস্টের জন্য অ্যান্টিজেন টেস্টকে অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারপর গত ১৭ সেপ্টেম্বর অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু হয়নি। এতদিনেও পরীক্ষা শুরু করতে না পারায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ধীরগতি মহামারি নিয়ন্ত্রণ বাধাগ্রস্ত করবে।

গত মার্চে বাংলাদেশে করোনার সংক্রমণ শুরুর পর থেকে কেবল আরটি-পিসিআরের মাধ্যমে করোনার নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে। অথচ পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানোর জন্য র‌্যাপিড টেস্টের জন্য বারবার পরামর্শ দিয়ে আসছিলেন বিশেষজ্ঞরা। সর্বশেষ গত ১৭ সেপ্টেম্বর কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটিও তাদের সভায় পিসিআর পরীক্ষার পাশাপাশি অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডি টেস্ট কার্যক্রম চালুর পরামর্শ দেয়। গত ৫ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেন সম্পর্কিত নীতিমালার খসড়া তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

করোনায় আরও ৩২ জনের প্রাণহানি
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : মহামারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত চব্বিশ ঘণ্টায় ৩২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ নিয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৬ হাজার ৪৪৮ জনে।

এ সময়ে নতুন করে রোগী শনাক্ত হয়েছে ২২৩০ জন। মোট শনাক্ত ৪ লাখ ৫১ হাজার ৯৯০ জনে দাঁড়িয়েছে।

চব্বিশ ঘণ্টায় ২ হাজার ২৬৬ জন এবং এখন পর্যন্ত ৩ লাখ ৬৬ হাজার ৮৭৭ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, ১১৭টি পরীক্ষাগারে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ হাজার ২৬৫টি নমুনা সংগ্রহ এবং ১৫ হাজার ১৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ২৬ লাখ ৮০ হাজার ১৪৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮১ দশমিক ১৭ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৮ মার্চ আর করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম মারা যায় ১৮ মার্চে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

করোনায় আরও ৩৮ জনের প্রাণহানি
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত চব্বিশ ঘণ্টায় ৩৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৩৮৮ জনে। এ সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৬০ জন। এ পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে চার লাখ ৪৭ হাজার ৩৪১ জন। আজ শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ২ হাজার ৭৬ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত এক দিনে। তাতে সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ৩ লাখ ৬২ হাজার ৪২৮ জন হয়েছে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

করোনায় আরও ২৮ জনের প্রাণহানি
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : মহামারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত চব্বিশ ঘণ্টায় ২৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৬ হাজার ৩৫০ জনে।

এ সময়ে নতুন করে রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৮৪৭ জন। মোট শনাক্ত সংখ্যা ৪ লাখ ৪৫ হাজার  ২৮১ জনে দাঁড়িয়েছে।

চব্বিশ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯২১জন এবং এখন পর্যন্ত ৩ লাখ ৬০ হাজার ৩৫২ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য  জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ১১৭টি পরীক্ষাগারে গত চব্বিশ ঘণ্টায় ১২ হাজার ৪৫৮টি নমুনা সংগ্রহ এবং ১২ হাজার ৬৪৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ২৬ লাখ ৩৫ হাজার ২০২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

চব্বিশ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৬১ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮০ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

বিশ্বজুড়ে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে করোনাভাইরাস: ডব্লিওএইচও
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:
মহামারী করোনাভাইরাস সারা বিশ্বে ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জ্যামিতিক হারে বাড়ছে এ ভাইরাস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হুশিয়ারি দিয়ে বলেছে, আগামী কয়েক মাস বিশ্বকে খুবই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

গতকাল শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিওএইচও) এমন তথ্য জানিয়েছে।

সংস্থা প্রধান টেড্রোস আধানম গেবরিয়াসুস এক ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বলেন, পরবর্তী কয়েক মাস খুবই কঠিন সময় যাবে। কয়েকটি দেশ বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে।

এছাড়া বিশ্বের বহু দেশে করোনাভাইরাস জ্যামিতিক হারে বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি নেতৃবৃন্দের প্রতি করোনা সংক্রমণজনিত মৃত্যু ঠেকাতে অবিলম্বে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান।

বয়স্ক লোকদের করোনা টিকা দেওয়া যেসব কারণে খুব কঠিন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : করোনাভাইরাসের টিকা যখন বের হবে তখন বিশ্ব নেতাদের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে এই প্রতিষেধক কীভাবে সব মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়।

এই ভাইরাসের কারণে যেসব মানুষ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে তারাসহ সম্ভবত নার্স, ডাক্তার, কেয়ার ওয়ার্কারদের কাছেই এই টিকা পৌঁছানো হবে সবার আগে।

কোভিড-১৯ মহামারিতে সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় আছে বয়স্ক লোকেরা। কিন্তু দুঃখজনক হলো তাদেরকে টিকা দেওয়া হলে তাদের শরীরে তা ঠিক মতো কাজ করে না।

কানাডায় টিকা সংক্রান্ত একজন গবেষক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শায়ান শরিফ বলেছেন, "বৃদ্ধ লোকজনকে দেওয়ার মতো টিকা আমাদের খুব কমই আছে। গত শতাব্দীতে যতো টিকা তৈরি হয়েছে তার বেশিরভাগই হয়েছে শিশুদের রোগের চিকিৎসার জন্য।"

তবে তার মধ্যে ব্যতিক্রম হচ্ছে শিঙ্গেলস। সাধারণত বয়স্ক লোকেরা এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। এটি ভাইরাসের আক্রমণে ঘটা স্নায়ুর এক ধরনের প্রদাহ। তাদেরকে এই রোগের টিকা দেওয়া হয়। এছাড়াও তরুণ বয়সের জন্যে আছে আরো দুয়েকটি টিকা: মেনিনজাইটিস বা মস্তিষ্কে সংক্রমণ এবং হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাসের মতো চর্মরোগ।

এসব ছাড়া রোগ প্রতিরোধের বেশিরভাগ টিকাই তৈরি হয়েছে শিশুদের জন্য।

"শিশুদের অসুখ বিসুখের ব্যাপারে আমাদের অনেক জ্ঞান আছে। তবে তরুণ, মধ্য এবং বৃদ্ধ বয়সের রোগের ব্যাপারে আমাদের তেমন একটা অভিজ্ঞতা নেই," বলেন অধ্যাপক শায়ান শরিফ।

কেন জটিল?

বৃদ্ধ মানুষকে টিকা দেওয়া কেন কঠিন সেটা বুঝতে হলে প্রথমে তাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থার দিকে তাকাতে হবে।

অনেক সংক্রামক রোগ আছে যেগুলো বয়স্কদের জন্য বিপদজনক। কিন্তু তরুণদের জন্য এসব রোগ ততোটা ঝুঁকিপূর্ণ নয়।

এসব রোগের কাছে বৃদ্ধ লোকজনের নাজুক হওয়ার কিছু কারণ আছে: সারা জীবন ধরে তারা নানা ধরনের কার্সিনোজেনের সংস্পর্শে আসে, বিভিন্ন সময়ে তারা আরো কিছু সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়, ফলে তাদের দেহে নতুন কোন জীবাণুর সংক্রমণ থেকে অসুখ বিসুখ হওয়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

একই সঙ্গে বয়স বাড়ার বাড়ার সাথে তাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থাও দুর্বল হয়ে পড়ে। একে বলা হয় ইমিওনোস্নেসেন্স।

শরীরের অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গের মতো আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থারও বয়স বৃদ্ধি পায়। সময়ের সাথে সাথে তার বিভিন্ন লক্ষণও চোখে পড়ে। শরীরে রোগ প্রতিরোধী অনেক কোষ তাদের কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে।

মানুষের দেহের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থা বিভিন্ন কোষের সমন্বয়ে গঠিত জটিল এক নেটওয়ার্ক। এসব কোষ একটি আরেকটির সঙ্গে যোগাযোগ করে। কখনও এই নেটওয়ার্কের কোথাও যদি কিছু কাজ না করে তখন তারা নিজেরাই এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করে।

বয়স্ক লোকের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থা কীভাবে কাজ করে

আপনি যখন একটি জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হন তখন আপনার দেহের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থার প্রথম ধাপটি সক্রিয় হয়ে ওঠে। যেখানে সংক্রমণ হয়েছে ঠিক সেখানে তারা ওই জীবাণুটিকে আক্রমণ করতে শুরু করে। শ্বাসপ্রশ্বাস-জনিত রোগের ক্ষেত্রে সেটা হতে পারে ফুসফুস, শ্বাসনালী অথবা নাকে।

রক্তের শ্বেত কণিকা ওই জীবাণুকে আক্রমণ করে এবং ধ্বংস করে আগে সেটিকে গিলে ফেলে।

এসব শ্বেত কণিকাকে বলা হয় ম্যাক্রোফেজ। এই ম্যাক্রোফেজ জীবাণুকে ভেঙে টুকরো টুকরো করে ফেলে এবং এসব টুকরোকে তুলে দেয় টি সেল নামের আরেকটি রোগ প্রতিরোধী কোষের কাছে।

এই টি সেল রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থার স্মৃতিশক্তি হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ একই জীবাণু যদি পরে কখনও আক্রমণ করে তখন তারা মনে করতে পারে যে আগেরবার তারা কীভাবে তাকে ধ্বংস করেছিল।

টি সেল নিজেরা কিন্তু জীবাণুকে দেখতে পায় না। জীবাণু দেখার জন্য তাদের একটি নির্দিষ্ট ম্যাক্রোফেজের দরকার হয়। এগুলোকে বলা হয় এন্টিজেন প্রেজেন্টিং সেল।

এটি রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থার পরবর্তী স্তরকে সক্রিয় করে তোলে।

শরীরে বিভিন্ন ধরনের টি সেল আছে। সাইটোটক্সিন নামে এক ধরনের টি সেল, ইতোমধ্যে যেসব কোষ জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে, সেগুলোকে আক্রমণ করে।

এটা তারা করে জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধটা আরো একটু সহজ করে তোলার লক্ষ্যে অর্থাৎ এই জীবাণু যাতে আরো ছড়াতে না পারে সেজন্যে। এসব টি সেলকে বলা হয় কিলার টি সেল।

আরেক ধরনের টি সেল আছে যেগুলোকে বলা হয় সাহায্যকারী বা হেল্পার টি সেল। এসব কোষ রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থার বি সেলকে জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধে সহায়তা করে।

এই বি সেল কিন্তু জীবাণুকে দেখতে পায়। কিন্তু জীবাণুর বিরুদ্ধে পূর্ণ লড়াই-এ তাদের হেল্পার টি সেলের সহায়তার প্রয়োজন হয়। বি সেল এন্টিবডি তৈরি করে। কিন্তু সবচেয়ে কার্যকরী এন্টিবডি উৎপাদনের জন্য তাদেরকে টি সেলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়। এটিও একটি জটিল প্রক্রিয়া।

রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থাকে উদ্দীপ্ত করা

টিকা দেওয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থাকে উদ্দীপ্ত করে তোলা যাতে তারা কোন ধরনের জীবাণু দিয়ে আক্রান্ত হওয়ার আগেই সেটি আক্রান্ত মানুষের শরীরে কার্যকর এন্টিবডি তৈরি করতে পারে।

কেউ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে থাকলে সেটা এই এন্টিবডি টেস্টের মাধ্যমে জানা সম্ভব হয়।

তবে সব এন্টিবডি যে কাজ করে তা-ও নয়। এছাড়াও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে সবার দেহে এন্টিবডি না-ও পাওয়া যেতে পারে। আবার কোন কোন এন্টিবডির আয়ুষ্কাল হয় খুবই কম।

টিকা তৈরিতে যারা কাজ করেন তাদের সামনে চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এই সব ধরনের কোষের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা। এই কাজটি খুব স্পর্শকাতর। তবে বয়স্ক লোকের দেহে এই ভারসাম্য যখন বিঘ্নিত হয় তখন সেটা ফিরিয়ে আনা বিজ্ঞানীদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।

তাহলে বয়স্ক লোকজনের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থায় কী ঘটে?

"আসলে সব ধরনের কোষের কার্যকারিতা তখন নষ্ট হয়ে যায়," বলেন ইন্সব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরগিট ওয়েইনবার্গার, যিনি বয়স্ক লোকজনের দেহে রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থা এবং তাদের টিকা দেওয়ার বিষয়ে গবেষণা করছেন।

"তারা ভিন্ন এক ধরনের সাইটোকাইন্স উৎপাদন করে (এটি এক ধরনের প্রোটিন যা রোগ প্রতিরোধী কোষগুলোর মধ্যে যোগাযোগে সাহায্য করে থাকে) তবে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি মনে রাখতে হবে তা হলো কোন কোষই এককভাবে কাজ করতে পারে না।"

বয়স্ক ব্যক্তির দেহে ম্যাক্রোফেজের এন্টিজেন ব্যবস্থাপনা নষ্ট হয়ে গেলে টি সেলের কার্যকারিতা কমে যায়। ফলে এটি তখন জীবাণু প্রতিরোধে বি সেলকে তেমন একটা সাহায্য করতে পারে না। একারণে শরীরে যথেষ্ট পরিমাণে এন্টিবডিও তৈরি হয় না।

"রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থার ভিন্ন ভিন্ন অংশগুলো কীভাবে একত্রিত হয়ে কাজ করে সেটা আমাদের মাথায় রাখতে হবে," বলেন বিরগিট ওয়েইনবার্গার।

শায়ান শরীফ বলেন, "আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থায় বি ও টি সেলের সংখ্যাও কিন্তু সীমিত এবং সময়ের সাথে এসব সেল আমরা হারাতে থাকি। জীবনের শেষ বয়সে এটাও সমস্যা তৈরি করতে পারে।"

"যখন আমরা নতুন কোন জীবাণুর মুখোমুখি হই সেটা প্রতিরোধের ক্ষমতাও তখন সীমিত হয়ে পড়ে।"

ভালো দিকও আছে

মানুষের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সবার রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থায় পরিবর্তন ঠিক একইভাবে ঘটে না। বয়স হওয়ার পরেও অনেকে সুস্থ থাকেন। হয় তারা তাদের নিজেদের শরীর ভালোভাবে দেখাশোনা করেন, অথবা তারা হয়তো ভাগ্যবান যে বয়স বাড়লেও তাদের শরীরের জিনগত গঠন ঠিক থাকে।

সেকারণে বয়স বাড়াটা যে রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থার জন্য পুরোপুরি খারাপ খবর তা কিন্তু নয়। এই প্রতিরোধী ব্যবস্থার কিছু কিছু অংশ আছে যা বয়স বাড়ার সাথে সাথে আরো উন্নত হয়।

"আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থায় কিছু কিছু কোষ আছে যা বয়সের সাথে সাথে আরো শক্তিশালী হয়ে ওঠে। আমরা যদি নানা রকমের জীবাণু দিয়ে আক্রান্ত হই, সেই জীবাণু মোকাবেলার স্মৃতির কারণে নতুন এন্টিজেনে সাড়া দিতে প্রচুর কোষের প্রয়োজন হয় না," বলেন শায়ান শরীফ।

কিন্তু করোনাভাইরাস হচ্ছে এমন একটি ভাইরাস যার দ্বারা আমরা এর আগে কখনো আক্রান্ত হইনি। ফলে সেটি মোকাবেলার কোন স্মৃতি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থার নেই।

সুতরাং বলা যায় বয়স্ক লোকজনের দেহে যে রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থা, জীবাণু মোকাবেলায় তাদের প্রচুর স্মৃতি রয়েছে। কারণ ইতোমধ্যেই তারা এসব জীবাণু মোকাবেলা করে সেগুলোকে ধ্বংস করেছে। তারা জানে কিভাবে ওই জীবাণুকে প্রতিহত করতে হয়। কিন্তু নতুন কোনো রোগে আক্রান্ত হলে সেটি মোকাবেলায় তাদের অভিজ্ঞতা সীমিত।

সাধারণভাবে বলা যায় যে এসব হয়তো ঠিকই আছে। কিন্তু মানবদেহে যেহেতু অন্যান্য প্রাণী থেকেও জীবাণু আসে তখন সেই নতুন জীবাণুটি মোকাবেলা করার ক্ষমতাও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

টিকা কীভাবে কাজ করে

মানব দেহে যখন কোন টিকা পরীক্ষার করা হয় তখন সেটা তিনটি পর্যায় অতিক্রম করে।

প্রথম ধাপে অল্প কিছু মানুষের দেহে পরীক্ষা করে দেখা হয় এটি কতটা নিরাপদ। দ্বিতীয় ধাপে দেখা হয় এটি কতখানি ফলপ্রসূ অর্থাৎ আপনার চাওয়া অনুসারে এটি সাড়া দেয় কীনা। আর সর্বশেষ অর্থাৎ তৃতীয় ধাপে পরীক্ষা করে দেখা হয় এই টিকা জীবাণু প্রতিরোধে কতোটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে অর্থাৎ যতোটা ও যেভাবে সাড়া দিচ্ছে সেটা ওই রোগটিকে ঠেকাতে পারছে কীনা।

এই টিকা কিন্তু আবার এক দল মানুষের শরীরে ভালোভাবে কাজ করতে পারে, আবার অন্যদের শরীরে এই একই টিকা এতোটা কার্যকর নাও হতে পারে।

বর্তমানে করোনাভাইরাসের টিকা তৈরির জন্য বেশ কয়েকটি পরীক্ষা চলছে এবং এগুলোর একেকটি একেক পর্যায়ে রয়েছে।

বিজ্ঞানী বিরগিট ওয়েইনবার্গার এবং শায়ান শরীফ উভয়ের কাছেই এটা ভালো একটা দিক। কারণ এখান থেকে আমরা কোন একটি পরিস্থিতির জন্য সঠিক টিকাটি বেছে নিতে পারবো। তার মধ্যে কোন একটি টিকা হয়তো অন্য টিকাগুলোর তুলনায় বয়স্ক মানুষের শরীরে ভাল কাজ করতে পারে।

"কোন টিকাই পুরোপুরি নিখুঁত নয়," বলেন শায়ান শরিফ, "এমন একটি টিকাও নেই যা ১০০% কার্যকর।"

যেসব টিকা রোগটি প্রতিরোধ করতে পারবে শুধু সেগুলোকে অনুমোদন দেওয়া হবে কিন্তু সব টিকাই যে সংক্রমণ ঠেকাতে পারবে তা নয়।

বেশিরভাগ টিকার কাজ হচ্ছে জীবাণুটি যাতে রোগ তৈরি করেত না পারে সেজন্য তাকে বাধা দেওয়া। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে ওই টিকা শরীর থেকে জীবাণুটিকে পুরোপুরি নির্মূল করে ফেলবে।

অর্থাৎ কাউকে টিকা দেওয়ার পরেও তার শরীরে ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে এবং সেকারণে তিনি অন্যদেরকেও এই জীবাণু দিয়ে সংক্রমিত করতে পারেন।

একারণে কাদেরকে আগে টিকা দেওয়া হবে সেটি নির্ধারণে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এক্ষেত্রে যাদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি তাদের কথা বিবেচনা করতে হবে।

কিন্তু এখন যদি রোগীদের আগে টিকা না দিয়ে নার্স, ডাক্তার ও কেয়ার ওয়ার্কারদের দেওয়া হয়, তারা হয়তো এই রোগে আক্রান্ত হবে না, কিন্তু তাদের মাধ্যমে আরো অনেক লোকের দেহে জীবাণুটি ছড়িয়ে পড়তে পারে।

"একটি টিকা হয়তো রোগের সংক্রমণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে কিন্তু ভাইরাসের বিস্তার একেবারে থামাতে পারবে এরকম টিকা পাওয়ার সম্ভাবনা কম," বলেন শায়ান শরীফ।

"ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকা তার একটি ভাল উদাহরণ: এই টিকা রোগের বিস্তার ঠেকাতে তেমন ভূমিকা রাখতে পারে না, কিন্তু রোগের মাত্রা কমাতে পারে।"

টিকা দেওয়ার কৌশল

বিজ্ঞানীরা বলছেন, টিকা দেওয়ার কৌশল তৈরি করা এমন একটি জটিল প্রক্রিয়া যার সঙ্গে সামাজিক, চিকিৎসা, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নানা বিষয় যুক্ত রয়েছে।

তবে যেসব গ্রুপের মানুষের মধ্যে মৃত্যুর হার বেশি, টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদেরকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। আর বাকি লোকজনকে এই ভাইরাসটি সাথে নিয়ে কীভাবে বেঁচে থাকতে হয় সেই কৌশল রপ্ত করতে হবে।

ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে বয়সের ভূমিকা এখনও রহস্যময়। তবে বিরগিট ওয়েইনবার্গার বলছেন, করোনাভাইরাসের কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে শিশুদের মাধ্যমে এই রোগ কম ছড়ায়। তবে এই গবেষণা নিয়েও তার প্রশ্ন রয়েছে।

তিনি বলেছেন, এসব গবেষণা থেকে কোন উপসংহারে পৌঁছানো যায় না। কারণ ইউরোপে শিশুরা যখন স্কুলে যায় নি তখন এসব গবেষণা চালানো হয়েছে। এখন এই শিশুরা স্কুলে যাচ্ছে। তারাই হয়তো ভাইরাসটি স্কুল থেকে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তাদের দাদা দাদী / নানা নানীকে আক্রান্ত করতে পারে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই ভাইরাসটি কীভাবে ছড়ায় সেটা ভাল করে জানা গেলে কাদেরকে আগে টিকা দিতে হবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়াটা সহজ হবে।

"টিকা তৈরির প্রক্রিয়া দ্রুত করায় ভাল হয়েছে, কিন্তু কিছু কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমাদের কিছু জ্ঞানের প্রয়োজন," বলেন বিরগিট ওয়েইনবার্গার।

শায়ান শরিফ বলেন, "আমরা অনেকেই মনে করি টিকা হচ্ছে আমাদের একমাত্র উদ্ধারকর্তা। কিন্তু বিষয়টা আসলে তা নয়। একটি টিকা কাজ করতে ১৪ থেকে ২৮ দিন সময় লাগতে পারে এবং বেশ কয়েকটি ইনজেকশন নিতে হতে পারে।"

"আমরা যদি এমন ওষুধ তৈরি করতে পারি যাতে বয়স্ক লোকজনকে করোনাভাইরাসের চিকিৎসার জন্য খুব বেশি সময় হাসপাতালে থাকতে হবে না তাহলে সেটাই হবে বড় পাওয়া।"

নতুন আশা

কোভিড-নাইনটিন রোগের চিকিৎসায় শত শত ওষুধের ওপর গবেষণা চলছে।

বর্তমানে এরকম একটি সম্ভাবনাময় ওষুধের নাম ডেক্সামেথাসোন। এটি একটি স্টেরয়েড যার সাহায্য অক্সিজেন দিতে হচ্ছে এমন রোগীদের মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানো সম্ভব হতে পারে।

ব্রিটেন ও জাপানে এটি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর তাকেও হাসপাতালে এই ওষুধটি দেওয়া হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে এরকম পাঁচটি ওষুধকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে জরুরি কারণে ব্যবহারের জন্য। বিজ্ঞানীরা বলছেন, একারণে করোনাভাইরাসের টিকা তৈরির কাজ অন্য যেকোন টিকা তৈরির চেয়ে দ্রুততর হবে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, করোনাভাইরাসের টিকা বের না হলেও এর ওষুধ নিয়ে যেসব গবেষণা চলছে তা থেকে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া বয়স্ক লোকেরা লাভবান হবেন। সূত্র : বিবিসি

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

যে কারণে বুকে কফ জমে
                                  

স্বাস্থ্য ডেস্ক : কফ কাশির সঙ্গে আমরা সবাই অল্প বিস্তর পরিচিত। কফ কাশি কোনো নির্দিষ্ট ব্যাধি নয়। বিভিন্ন ধরণের বক্ষ ব্যাধির উপসর্গ হচ্ছে কফ-কাশি। বুকের অসুখ-বিসুখের কারণে রোগীর দেহে কফ-কাশির উপক্রম হয়। ফুসফুসের যক্ষ্মা মানুষের দেহের একটি জটিল ব্যাধি। কফ-কাশি হবার একটি অন্যতম কারণ হচ্ছে ফুসফুসের যক্ষ্মা। ফুসফুসের যক্ষ্মার একমাত্র প্রধান উপসর্গ হচ্ছে দীর্ঘকালীন কফ-কাশি। এখানে বুকে কফ জমার কয়েকটি কারণ সম্পর্কে জানানো হল-

এসিড রিফ্লাক্স: এসিড রিফ্লাক্স থাকলে পাকস্থলির এসিড খাদ্যনালী ও গলায় চলে আসে। এটি গলাকে উক্ত্যক্ত করে এবং শ্লেষ্মা নিঃসরণ করে। অতিরিক্ত শ্লেষ্মা তৈরি হয়ে বুকে কফ জমে যায়।

হাঁপানি : হাঁপানির অন্য উপসর্গের পাশাপাশি বুকে কফও জমতে পারে। শ্বাসনালীতে প্রদাহ হয় বলে অতিরিক্ত শ্লেষ্মা তৈরি হয়, কিন্তু অল্প পরিমাণে সাদা বা স্বচ্ছ শ্লেষ্মা দুশ্চিন্তার কিছু নয়।

অ্যালার্জি : অ্যালার্জি অনেক উপসর্গে ভোগাতে পারে, যেমন- চোখে চুলকানি, হাঁচি, বুকে কফ জমা, বুক আঁটসাঁট হওয়া ও কাশি। আপনি বায়ুবাহিত কিছুর (যেমন- ফুলের রেণু ও ধূলা) প্রতি অ্যালার্জিক হলে অতিরিক্ত শ্লেষ্মা তৈরি হয়ে বুকে কফ জমতে পারে।

ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ : ফ্লু, একিউট ব্রনকাইটিস ও নিউমোনিয়ার মতো সংক্রমণে শ্বাসনালী বাড়তি শ্লেষ্মা তৈরি করে। প্রায়সময় কাশির সঙ্গে কফ বেরিয়ে আসে। এটার রঙ সবুজ বা হলুদ হতে পারে। নতুন সংক্রমণ কোভিড-১৯ বুকে কফ জমায় না, কিন্তু সংক্রমণটি থেকে নিউমোনিয়া হলে অতিরিক্ত শ্লেষ্মা নিঃসরিত হয়ে বুকে কফ জমে।

সিওপিডি : সিওপিডির পূর্ণরূপ হলো ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ। কিছু ফুসফুসীয় রোগ সিওপিডির অন্তর্ভুক্ত, যেমন- ক্রনিক ব্রনকাইটিস ও এম্ফিসেমা। ক্রনিক ব্রনকাইটিস ব্রনকিয়াল টিউবে প্রদাহ সৃষ্টি করে। এটি ফুসফুসের কাজকে কঠিন করে তোলে। সাধারণত ফুসফুসকে উক্ত্যক্ত করে এমনকিছুর দীর্ঘমেয়াদি সংস্পর্শে সিওপিডি হয়, যেমন- ধূমপান। হাঁপানি থেকেও সিওপিডি ডেভেলপ করতে পারে।

স্বাধীন বাংলা/এআর

টাকা, মোবাইল এবং স্টিলে ২৮ দিন থাকতে পারে করোনাভাইরাস
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : করোনাভাইরাস ২৮ দিন পর্যন্ত ব্যাংক নোট, মোবাইল ফোনের স্ক্রিন এবং স্টেইনলেস স্টিলের মতো পৃষ্ঠগুলোতে থাকতে পারে বলে গবেষকরা জানিয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল সায়েন্স এজেন্সির এক গবেষণায় উঠে এসেছে এমন তথ্য।

গবেষণায় বলা হয়েছে যে, এসব পৃষ্ঠে সার্স-কোভ-২ আগের ধারণার চাইতেও অনেক বেশি সময় বেঁচে থাকতে পারে।

এই পরীক্ষাটি চালানো হয়েছিল অন্ধকারে। এর আগে জানা গেছে ইউভি লাইট দিয়ে এই ভাইরাস নির্মূল করা যায়।

বাস্তব জীবনে পৃষ্ঠ থেকে মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণ হয় কিনা, সেটা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

করোনাভাইরাস বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সংক্রমণ হয় লোকজনের কাশি, হাঁচি বা আলাপ করার মাধ্যমে।

আবার যেসব কণা বাতাসে ভেসে বেড়ায় সেখান থেকেও ছড়াতে পারে কোভিড-১৯, এমন প্রমাণও পাওয়া গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র, সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এর তথ্য অনুযায়ী ধাতব পদার্থ ও প্লাস্টিকের মতো বস্তু থেকে কোভিড-১৯ ছড়াতে পারে। যদিও এটা সচরাচর হয় না।
প্যাকেটজাত হিমায়িত খাবার

গবেষণা কী বলছে?

পূর্ববর্তী ল্যাব পরীক্ষায় দেখা গেছে যে সার্স-কোভ-২ টাকা এবং গ্লাসে দুই থেকে তিন দিন এবং প্লাস্টিক এবং স্টেইনলেস স্টিলে ছয় দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।

তবে অস্ট্রেলিয়ান সংস্থা সিএসআইআরও-এর গবেষণায় দেখা গেছে যে মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে থাকা গ্লাস, প্লাস্টিক এবং কাগজের নোটের মতো মসৃণ পৃষ্ঠে এই ভাইরাস ২৮ দিন পর্যন্ত থাকে।

এছাড়া ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৬৮ ডিগ্রী ফারেনহাইট তাপমাত্রায় অর্থাৎ ঘরের তাপমাত্রায় এবং অন্ধকারেও "অত্যন্ত শক্তিশালী" থাকে।

সে তুলনায়, ফ্লু ভাইরাস একই পরিস্থিতিতে ১৭ দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।

ভাইরোলজি জার্নালে প্রকাশিত এই সমীক্ষায় আরও পাওয়া গেছে যে শীতল তাপমাত্রার চেয়ে গরম তাপমাত্রায় সার্স-কোভ-২ কম সময় বাঁচে।

একই পৃষ্ঠে ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ভাইরাসটি ২৪ ঘণ্টার বেশি টিকতে পারে না।

এটি কাপড়ের মতো ছিদ্রযুক্ত উপাদানের চেয়ে মসৃণ পৃষ্ঠের ওপর দীর্ঘকাল অবস্থান করতে পারে। কাপড়ে কোন সংক্রামক ভাইরাস এতদিন থাকে না।

মতবিরোধ

কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক পরিচালক কমন কোল্ড সেন্টার প্রফেসর রন ইকলিস এই সমীক্ষার সমালোচনা করে বলেছেন যে, ভাইরাসটি ২৮ দিনের জন্য বেঁচে থাকতে পারে এই তথ্য "জনসাধারণের মধ্যে অযথা ভয় ছড়িয়ে দিচ্ছে"।

"ভাইরাস হাঁচি-কাশির শ্লেষ্মা এবং নোংরা আঙ্গুল থেকে পৃষ্ঠদেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং এই গবেষণায় এটা বলা হয়নি যে, মানুষের টাটকা শ্লেষ্মা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার প্রধান বাহক।"

"টাটকা শ্লেষ্মা ভাইরাসের টিকে থাকার জন্য বেশ প্রতিকূল, কারণ এতে প্রচুর সাদা কোষ রয়েছে যা ভাইরাস ধ্বংস করতে এনজাইম তৈরি করে এবং ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করতে এতে অ্যান্টিবডি এবং অন্যান্য রাসায়নিকও থাকে।"

"আমার মতে সংক্রামক ভাইরাস পৃষ্ঠের ওপর থাকা শ্লেষ্মায় কয়েক ঘণ্টা টিকে থাকবে। কয়েক দিন নয়।"

জুলাইয়ে ল্যানসেটে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে রাটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজির অধ্যাপক ইমানুয়েল গোল্ডম্যান বলেছেন, "নির্জীব পৃষ্ঠের মাধ্যমে সংক্রমণের সম্ভাবনা খুব কম"।

তিনি বলেন যে গবেষণায় যে ঝুঁকির কথা বলা হচ্ছে সেটার সাথে বাস্তব জীবনের মিল অনেক কম।

গত সপ্তাহে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক মনিকা গান্ধী বলেছিলেন যে করোনাভাইরাস পৃষ্ঠ থেকে ছড়ায় না।

এই গবেষণা কেন জরুরি?

সিএসআইআরও এর প্রধান নির্বাহী ডঃ ল্যারি মার্শাল বলেছেন, "কোন পৃষ্ঠে এই ভাইরাস কতক্ষণ টিকে থাকে সেটা নিশ্চিত হওয়া গেলে এর ছড়িয়ে পড়ার ব্যাপারে আরও সঠিক তথ্য দেয়া যাবে। এবং সে অনুযায়ী এর ছড়িয়ে পড়া ঠেকানোও যাবে। যা মানুষকে রক্ষায় কাজে আসবে।

গবেষকরা বলেছেন যে শীতল তাপমাত্রায় স্টেইনলেস স্টিলের উপর সারস-কোভ -২ এর টিকে থাকা থেকে এমন ধারণাও করা হচ্ছে যে মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং কোল্ড স্টোরেজ থেকে কোভিড -১৯ ছড়াতে পারে।

বিশ্বজুড়ে কসাইখানা ও মাংস প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় কাজ করা হাজার হাজার কর্মী করোনাভাইরাস পজিটিভ হওয়ার পেছনে একে কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

ভাইরাসটি টাটকা এবং হিমায়িত খাবারে টিকে থাকতে পারে বলে আগে যে গবেষণা হয়েছিল সেটাকে সমর্থন করেছে সিএসআইআরও এর গবেষকরা।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন বলেছে: "খাদ্য বা খাদ্য প্যাকেজিংয়ের মাধ্যমে কোভিড -১৯ সংক্রমণের কোনও নিশ্চিত কোন ঘটনা নেই।" তবে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সতর্কতার তালিকায় এই বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র : বিবিসি

স্বাধীন বাংলা/ন উ আহমাদ

শ্বাসকষ্টের ঘরোয়া চিকিৎসা
                                  

স্বাস্থ্য ডেস্ক : বায়ু দূষণ, আবহাওয়ার পরিবর্তন, ফুসফুসে সংক্রমণ, আ্যালার্জিসহ বিভিন্ন কারণে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। শ্বাসকষ্টের অনেকগুলো কারণের মধ্যে অন্যতম কারণ হলো কোন বায়ু দূষণ। আমাদের দেশে বায়ু দূষণের মাত্রা অত্যাধিক, তাই শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় হরহামেশাই অনেককে ভুগতে দেখা যায়। যারা ফুসফুসের বিভিন্ন রোগ যেমন, হাপানি না এজমা রোগে ভুগছেন তাদেরও যেকোনো সময় শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে।

শ্বাসকষ্টের সাথে সাধারণত সর্দি, চোখে জ্বালাপোড়া ভাব ও চোথ থেকে পানি পড়া, বুকে চাপ বোধ, হাঁচি, কাশি, দ্রুত শ্বাসপ্রশ্বাস ইত্যাদি লক্ষণ থাকতে পারে। আসুন জেনে নেওয়া যাক শ্বাসকষ্ট কমিয়ে আনতে কয়েকটি সহজ ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে-

আদা : গবেষণায় দেখা গেছে এই প্রাকৃতিক উপাদানটির শরীরে থাকা বেশ কিছু উপকারি উপাদান শ্বাসনালীর প্রদাহ কমিয়ে অক্সিজেনের প্রবেশ যাতে ঠিক মতো হয়, সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শ্বাসকষ্ট কমতে শুরু করে। এক্ষেত্রে সম পরিমাণে আদার রস, বেদানার রস এবং মধু মিশিয়ে একটা মিশ্রন তৈরি করতে হবে। এই মিশ্রনটি দিনে ২-৩ বার খেলে দেখবেন দারুন উপকার মিলবে।

কফি : কফিতে রয়েছে ক্যাফেইন, যা শ্বাসনালীতে উপস্থিত পেশীগুলোকে শিথিল করতে পারে। হাঁপানিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য এই প্রতিকার বেশ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। ব্ল্যাক কফি ফুসফুসের কার্যকারিতা উন্নত করতে পারে এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করে। তবে এটি আপনার উপযুক্ত না হলে এড়িয়ে চলুন।

মধু : অ্যাজমার চিকিৎসায় মধুর ব্যবহার বহু কাল ধরে হয়ে আসছে। আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটির শরীরে রয়েছে বেশ কিছু উপকারি উপাদান, যা এমন রোগের প্রকোপ কমাতে দারুন কাজে আসে। এক্ষেত্রে মধুর গন্ধ নিলেও অনেকের উপকার হয়। আর যদি এমনটা করে ফল না মেলে। তাহলে দিনে তিনবার, এক গ্লাস করে গরম পানিতে এক চামচ করে মধু মিশিয়ে পান করলে দারুন উপকার মিলবে।

মুখে শ্বাস নেয়া : শ্বাসকষ্টের এই সহজ কৌশলটি আপনাকে শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করতে পারে। এটি আপনার শ্বাসের গতি ধীর করতে পারে, প্রতিটি শ্বাসকে আরও গভীর করে তোলে এবং আপনাকে আরাম দেয়। এটি কীভাবে করতে পারেন তা জেনে নিন-

১. পিঠ সোজা রেখে আরামদায়ক স্থানে বসুন। চেয়ারে কিংবা মেঝেতে বসতে পারে। ২. নাক দিয়ে আস্তে আস্তে ৪ থেকে ৫ সেকেন্ডের জন্য নিঃশ্বাস নিন। ফুসফুসের পরিবর্তে আপনার পেটটি বাতাসের সাথে পূর্ণ করুন। ৩. মুখ দিয়ে ৪ থেকে ৬ সেকেন্ডের জন্য নিঃশ্বাস ফেলুন। ৪. এভাবে ১০ থেকে ২০ বার পুনরাবৃত্তি করুন।

ভাপ নেয়া : ঠান্ডায় ভুগলে যদি শ্বাস নিতে অসুবিধা হয় তবে এটি ফুসফুসে শ্লেষ্মার কারণে হতে পারে। শ্লেষ্মা দূর করতে এবং শ্বাসনালী পরিষ্কার করতে গরম পানির ভাপ নিতে পারেন। এতে উপকার মিলবে।

স্বাধীন বাংলা/এআর

বিশ্বে করোনা কেড়ে নিয়েছে সাড়ে ১০ লাখের অধিক প্রাণ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:

মহামারী করোনাভাইরাসের তান্ডবে বিশ্বে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ১০ লাখ ৫৪ হাজার ৬১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৬০ লাখ ছাড়িয়েছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় বুধবার সকাল পৌনে ১০টা নাগাদ করোনায় আক্রান্ত ৩ কোটি ৬০ লাখ ৪১ হাজার ৭৮৩ জন। করোনায় বিশ্বে মৃতদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক মারা গেছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল এবং ভারতে।

করোনার তান্ডবে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে বুধবার সকাল পর্যন্তআক্রান্তের সংখ্যা ৭৭ লাখ ২২হাজার ৭৪৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ১৫ হাজার ৮২২ জনের।

করোনায় মৃত্যু বিবেচনায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ব্রাজিল। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৪৯ লাখ ৭০ হাজার ৯৫৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৭১ জনের।

আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভারত মৃত্যু বিবেচনায় আছে তৃতীয় স্থানে। এ পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৬৭ লাখ ৫৪ হাজার ১৭৯ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ৫৯১ জনের।

গবেষণা: ৯১ শতাংশ করোনা রোগী সুস্থ হয়েও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ভুগছেন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:
দক্ষিণ কোরিয়ার একটি গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, করোনা থেকে সুস্থ হওয়া ৯১.১% মানুষ শারীরিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ভুগছেন। অনেকের স্বাদ-গন্ধ লোপ পাচ্ছে, অনেকের মাঝে ক্লান্তি ও মানসিক অবসাদ দেখা দিয়েছে। গবেষণা প্রতিবেন অনুযায়ী প্রতি ১০ জনের ৯ জনই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ভুগছেন।

গত মঙ্গলবার প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেন অনুযায়ী, এ ভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা ৯৬৫ জনের মধ্যে ৮৭৯ জনই (৯১.১%) কমপক্ষে একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ভুগছেন। এদের মধ্যে ২৬.২ ভাগ সুস্থ হওয়া লোকই ক্লান্তি অনুভব করেন। মনোযোগের অভাব দেখা দিয়েছে ২৪.৬ ভাগ রোগীর মধ্যে। অন্যদের স্বাদ ও গন্ধ লোপ পেয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংস্থার (কেডিসিএ) কর্মকর্তা কোন জুন উক এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, করোনা থেকে সুস্থ ব্যক্তিদের ওপর তারা একটি অনলাইন জরিপ চালিয়েছেন। এ গবেষণাটির নেতৃত্বে ছিলেন কিংপুক ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মেডিসিনের অধ্যাপক কিম শিন উ।

তিনি জানান, অধ্যাপক কিম শিন উ দক্ষিণ কোরিয়ার ৫ হাজার ৬২২ জন করোনা রোগীর কাছ থেকে মন্তব্য জানতে চেয়েছিলেন। যারা ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৬.৭ ভাগ মানুষ জরিপে অংশ নিয়েছেন। অনলাইনে এ গবেষণাটি পরিচালিত হলেও শীর্ষ গবেষক কিম শিগগিরই বিশদ বিশ্লেষণসহ গবেষণাটি প্রকাশ করবেন বলে জানান কোন জুন।

এশিয়ায় তৃতীয় সর্বোচ্চ জলাতঙ্ক রোগী বাংলাদেশে
                                  

আব্দুল ওয়াদুদ:
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার তথ্য অনুয়ায়ী এখনো পৃৃথিবীতে প্রতি ১০ মিনিটে ১জন এবং প্রতি বছরে প্রায় ৫৫ হাজার মানুষ জলাতঙ্ক রোগে মারা যায়। বাংলাদেশে এই রোগ শুন্যের কোটায় নামাতে স¦াস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ কয়েকটি মন্ত্রণালয় যৌথ উদ্যোগে কাজ করছে। সংশ্লিষ্টরা কুকুরের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করতে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা মূলক প্রচারণায় বেশি জোর দিয়েছে। আর সেই প্রচারণার অংশ হিসেবেই প্রতি বছর ২৮ সেপ্টেম্বর পালত হয় বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস।

বগুড়া সিভিল সার্জন ডাঃ গওসুল আজিম চৌধুরী সভাপতিত্বে এই দিবস পালিত হয়। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, হযরত আলী, এনামুল হক, সাজ্জাদুল হক, নাজনীন আক্তার, খায়রুল বাশার এবং সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান প্রমূখ।

জলাতঙ্ক রোগটি মূলত কুকুরের কামড় বা আচঁড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। এছাড়াও বিড়াল, শিয়াল, বেজী, বানরের কামড় বা আচঁড়ের মাধ্যমেও এ রোগ হতে পারে।

একটি পরিসংখ্যানে জানাযায়, বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় প্রায় ৫ লাখ মানুষ উল্লেখিত প্রাণীর আক্রমণের শিকার হয়। এদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক শিশু। এ ছাড়াও বছরে প্রায় ২৫ হাজার গবাদি পশু এ রোগে আক্রান্ত হয়। বাংলাদেশে ২০১০ সালের আগে প্রতি বছর প্রায় ২০০০ মানুষ জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যেত। তবে ২০১৫ সালের পরে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা শতকরা ৯০ ভাগ কমিয়েছে। সেই সাথে ২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে জলাতঙ্ক মুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তগুলো।

একটি পরিসংখ্যান বলছে জলাতঙ্ক রোগীর সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয় সর্বচ্চো। জুনোটিক ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রাম, সিডিসি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বিজ্ঞানভিত্তিক কর্মকৌশলের মাধ্যমে এই অবহেলিত রোগটির বিরুদ্ধে জাতীয় জলাতঙ্ক নির্মূল কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর ফলে জলাতঙ্কজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ২০০৯ সালে আনুমানিক ২০০০ এর অধিক থেকে কমে ২০১৯ সালে সারাদেশে ২০০ তে নেমে এসেছে।

ঢাকার মহাখালীস্থ জাতীয় জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র সংμামক ব্যাধি হাসপাতাল মৃত্যুর সংখ্যা ২০০৯ সালে ১৪৮ থেকে ২০১৮ সালে শতকরা ৬৮ ভাগ কমে ৪৯ এ নেমে এসেছে। ২০১২ সালে বিনামূল্যে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার রোগী বেশী টিকা পেয়েছে যা ২০১৮ সালে বৃদ্ধি পেয়ে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৪০৯ তে ঠেকেছে। সেই সাথে ২০১৯-২০ অর্থবছরে সিডিসি কর্তৃক সারাদেশে প্রায় তিন লাখ ভায়াল ভ্যাকসিন দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রদান করা হয়েছে। জলাতঙ্ক নির্মূলে ব্যাপকহারে কুকুর টিকাদান কার্যμমকে গুরুত্ব দিয়ে ২০২০ পর্যন্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যেগে দেশব্যাপী ব্যাপকহারে কুকুরের জলাতঙ্ক প্রতিষেধক টিকাদান (এমডিভি) কার্যক্রমের আওতায় এ পর্যন্ত দেশের ৬৪ টি জেলা সদর পৌরসভা ও ১০ টি সিটি কর্পোরেশন এবং ৬০ টি জেলার সকল উপজেলায় ১ম রাউন্ড, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, মাদারীপুর, পাবনা, নীলফামারী জেলায় ২য় রাউন্ড এবং সিরাজগঞ্জ ও গাইবান্ধা জেলায় ৩য় রাউন্ড টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় প্রায় ১৬ লাখ ৯৯ হাজার ৪৩০ সংখ্যক কুকুরকে জলাতঙ্ক প্রতিষেধক টিকা প্রদান করা হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থ বছরে ৪টি জেলায় প্রথম রাউন্ড ও ১৬টি জেলায় দ্বিতীয় রাউন্ড আরো আনুমানিক ৫ লাখ কুকুরকে টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন মানবজমিনকে বলেন, জলাতঙ্ক রোগীরা পানির জন্য ছটফট করে কিন্তু পানি পান করতে পারে না। প্রচন্ড কষ্ট করেই মৃত্য বরণ করে এসব রোগী। তিনি এই রোগ থেকে বাঁচার জন্য সবাইতে সচেতন হহওয়ার আহবান জানান।

বগুড়া সিভিল সার্জন ডাঃ গওসুল আজিম চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে জলাতঙ্ক রোগে যত আক্রান্ত হচ্ছে তার মধ্যে বেশির ভাগই শিশু। শিশুদের কুকুর বিড়াল থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি। সেই সাথে এসব প্রাণিদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ন আচরণ করার আহবান জানান তিনি।   

করোনায় বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ১০ লাখ ছুঁইছুঁই
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:
মহামারী করোনাভাইরাসের প্রভাবে বিশ্বে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০ লাখ ছুঁইছুঁই। জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর সিস্টেম সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তথ্য অনুযায়ী আজ শুক্রবার পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় মারা গেছেন ৯ লাখ ৮১ হাজার ৭৫৪ জন। এছাড়া, এ ভাইরাসে বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত হয়েছেন, ৩ কোটি ২১ লাখ ৩৬ হাজার ৮৫৫ জন।

সংস্থাটির তথ্যমতে, করোনায় মৃতের তালিকায় বিশ্বে প্রথম স্থানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে করোনায় ৬৯ লাখ ৭৬ হাজার ২১৫ জন আক্রান্ত এবং ২ লাখ ২ হাজার ৭৬২ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। আর আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ভারত। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৫৭ লাখ ৩২ হাজার ৫১৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তবে, তুলনামূলকভাবে মৃতের সংখ্যা ভারতে অনেক কম। দেশটিতে মারা গেছেন ৯১ হাজার ১৪১ জন।

এছাড়া ব্রাজিলে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে ৪৬ লাখ ৫৭ হাজার ৭০২ জনকে এবং মারা গেছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮০৮ জন।

করোনা টিকার বড় ট্রায়াল শুরু করেছে জনসন অ্যান্ড জনসন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : মডার্না বায়োটেক, ফাইজার-বায়োএনটেকের পর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের বড় পরিসরে ট্রায়াল শুরু করেছে জনসন অ্যান্ড জনসন। প্রায় ৬০ হাজার স্বেচ্ছাসেবীকে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির ভ্যাকসিন গ্রুপের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পল স্টোফেলস।

ভ্যাকসিনটি একবার প্রয়োগেই রোগ প্রতিরোধ শক্তি তৈরি হবে বলে দাবি করেছেন জনসন অ্যান্ড জনসনের বিজ্ঞানী পল। তিনি জানান, জনসন অ্যান্ড জনসনের বানানো ভ্যাকসিনের একটিমাত্র ডোজ দেওয়া হবে স্বেচ্ছাসেবকদের। আর সে ডোজের মাত্রা এমনভাবেই ঠিক করা হয়েছে, যাতে একটি শটেই শরীরে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। বিজ্ঞানী বলছেন, এই ডোজে রক্তের টি-লিম্ফোসাইট কোষও সক্রিয় হবে। এই টি-কোষ ভাইরাল স্ট্রেইনসহ সংক্রমিত কোষকে নষ্ট করে দিতে পারে। টি-কোষ অ্যাকটিভ হলে শরীরে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ তৈরি হয়।

বায়োমেডিকেল অ্যাডভান্সড রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটির যৌথ উদ্যোগে এই ভ্যাকসিন তৈরি করছে জনসন অ্যান্ড জনসনের রিসার্চ উইং জ্যানসেন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি। সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যালেক্স গোরস্কি জানিয়েছেন, গবেষণাগারে পশুদের শরীরে এই ভ্যাকসিনের সেফটি ট্রায়ালে (নিরাপদ কিনা, তা পরীক্ষা করা) সুফল পাওয়া গেছে। এরপরই ড্রাগ রেগুলেটরি কমিটির অনুমোদনে যুক্তরাষ্ট্রে বৃহৎ ট্রায়াল শুরু হয়েছে। মার্কিন সরকারের সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে প্রায় ১০০ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ তৈরির প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে জনসন অ্যান্ড জনসন।

কোভিড-১৯-এর ভ্যাকসিন তৈরির কাজ শুরু হয়েছে গত জানুয়ারি থেকে। হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের অধ্যাপক ও গবেষকদের সহযোগিতায় ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট বানিয়েছে জনসন অ্যান্ড জনসন। গবেষকরা বলেছেন, সার্স-কভ-২ ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনকে নিষ্ক্রিয় করে সেটিকে ল্যাবরেটরিতে বিশেষ পদ্ধতিতে শুদ্ধ (পিউরিফাই) করে এই ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট তৈরি হচ্ছে। মানুষের শরীরে ঢুকলে সেই নিষ্ক্রিয় ভাইরাল প্রোটিন ‘মেমরি বি সেল’ তৈরি করবে। এই মেমরি বি সেলের কাজ হল বাইরে থেকে শরীরে ঢোকা ভাইরাল প্রোটিন বা অ্যান্টিজেনগুলোকে চিহ্নিত করে তার প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরিতে সাহায্য করা। সেইসঙ্গে সক্রিয় হবে টি-কোষ। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এভাবেই ভাইরাসের মোকাবিলায় শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে উঠবে।

যুক্তরাষ্ট্রে কে আগে করোনার ভ্যাকসিন আনবে—মডার্না বায়োটেক নাকি ফাইজার— এ নিয়ে জোর প্রতিযোগিতা চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সারির দুই ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিই তাদের ভ্যাকসিনের তৃতীয় স্তরের ট্রায়ালে রয়েছে। দুই সংস্থারই দাবি, তাদের ভ্যাকসিনের প্রভাব কার্যকর প্রমাণ হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে এখন তৃতীয় স্তরের সবচেয়ে বড় ট্রায়াল করছে মডার্না বায়োটেকনোলজি। যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবীকে ভ্যাকসিনের ইনজেকশন দেওয়া হচ্ছে। মডার্না জানিয়েছে, তৃতীয় পর্বের ট্রায়ালের রিপোর্ট ক্রমেই ভালোর দিকে যাচ্ছে। তবে সবচেয়ে বড় খবর হলো ৫০ বছরের বেশি বয়সীদের শরীরেও ভ্যাকসিনের ডোজে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে এমনও দেখা গেছে, কমবয়সীদের চেয়েও কয়েকজন প্রবীণ স্বেচ্ছাসেবীর শরীরে ভাইরাস প্রতিরোধী অ্যান্টিবডির সংখ্যা অনেক বেশি।

অন্যদিকে, ফাইজার জানিয়েছে, জার্মান সংস্থা বায়োএনটেকের সহযোগিতায় ভ্যাকসিনের সুরক্ষা ও কার্যকারীতা নিশ্চিত করা গেছে। প্রায় ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবককে ভ্যাকসিনের ইনজেকশন দিয়ে কোনো ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। আরো বেশি স্বেচ্ছাসেবীর ওপর এখন ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু হয়েছে। আগামী মাসের (অক্টোবর) মধ্যেই সেফটি ট্রায়ালের প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে মার্কিন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিএ) রেগুলেটরি কমিটির কাছে। এরপর এফডিএ সবুজ সংকেত দিলেই ভ্যাকসিন চলে আসবে দ্রুত। সূত্র : এনটিভি

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

করোনায় আরো ৩৭ জনের মৃত্যু
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় দেশে আরো ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় দেশে মোট ৫,০৪৪ জন মারা গেলেন।

গত চব্বিশ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ১,৬৬৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত হলেন ৩ লাখ ৫২ হাজার ২৮৭ জন।

গত চব্বিশ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২,১৬৩ জন এবং মোট সুস্থ ২ লাখ ৬২,৯৫৩ জনে দাঁড়াল।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ বুধবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ


   Page 1 of 18
     স্বাস্থ্য
সপরিবারে করোনা আক্রান্ত হলেন বরকত উল্লাহ বুলু
.............................................................................................
অ্যান্টিজেন পরীক্ষা আগামী মাস থেকে শুরু
.............................................................................................
করোনায় আরও ৩২ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
করোনায় আরও ৩৮ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
করোনায় আরও ২৮ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
বিশ্বজুড়ে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে করোনাভাইরাস: ডব্লিওএইচও
.............................................................................................
বয়স্ক লোকদের করোনা টিকা দেওয়া যেসব কারণে খুব কঠিন
.............................................................................................
যে কারণে বুকে কফ জমে
.............................................................................................
টাকা, মোবাইল এবং স্টিলে ২৮ দিন থাকতে পারে করোনাভাইরাস
.............................................................................................
শ্বাসকষ্টের ঘরোয়া চিকিৎসা
.............................................................................................
বিশ্বে করোনা কেড়ে নিয়েছে সাড়ে ১০ লাখের অধিক প্রাণ
.............................................................................................
গবেষণা: ৯১ শতাংশ করোনা রোগী সুস্থ হয়েও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ভুগছেন
.............................................................................................
এশিয়ায় তৃতীয় সর্বোচ্চ জলাতঙ্ক রোগী বাংলাদেশে
.............................................................................................
করোনায় বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ১০ লাখ ছুঁইছুঁই
.............................................................................................
করোনা টিকার বড় ট্রায়াল শুরু করেছে জনসন অ্যান্ড জনসন
.............................................................................................
করোনায় আরো ৩৭ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়ে গেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
‘দেশে বর্জ্যপানিতে পাওয়া গেছে করোনা ভাইরাসের জীন’
.............................................................................................
বাংলাদেশে করোনার সংক্রমণ কম হওয়ার রহস্য
.............................................................................................
যেসব কারণে বাড়ে মাইগ্রেনের ব্যথা
.............................................................................................
করোনার প্রতিষেধক লুকিয়ে রয়েছে যে গাছে
.............................................................................................
চোখ ভালো রাখার খাবার
.............................................................................................
করোনা টেস্টের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির উদ্বোধন মাশরাফির, ৪৫ মিনিটেই পরীক্ষা
.............................................................................................
নিম্ন রক্তচাপের কারণ ও প্রতিকার
.............................................................................................
বুক ব্যথা ও হার্ট অ্যাটাক
.............................................................................................
অক্টোবরেই করোনার টিকা প্রয়োগ শুরু
.............................................................................................
ফুটন্ত পানি ধ্বংস করে দেয় করোনাকে, রাশিয়ার গবেষণা
.............................................................................................
করোনা জয়ী ৭৮ ভাগ মানুষের হার্টের জটিল সমস্যা!
.............................................................................................
১০ আগস্টের মধ্যেই আসছে রাশিয়ার করোনা ভ্যাকসিন
.............................................................................................
প্রতি বছর করোনা আসবে না, জানালো ডব্লিউএইচও
.............................................................................................
এই মাস্ক পরলেই বিদায় হবে করোনা, দাবি পর্তুগিজ বিজ্ঞানীদের
.............................................................................................
স্যানিটাইজার ভয়ানক, লোপ পেতে পারে দৃষ্টিশক্তি!
.............................................................................................
করোনার ১৭৩টি টিকা আবিষ্কারের কাজ চলছে
.............................................................................................
করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দেড় কোটির অধিক
.............................................................................................
রাশিয়ার করোনা ভ্যাকসিন প্রস্তুত: উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
৬ ধরনের করোনাভাইরাসের সন্ধান দিলেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা
.............................................................................................
এন্টিবডি তৈরীতে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন সফল
.............................................................................................
করোনা ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি পেয়েছে যেসব হাসপাতাল
.............................................................................................
করোনায় ২৪ ঘন্টায় ২ লাখ ৬০ হাজার মানুষ আক্রান্ত
.............................................................................................
মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে করোনার ওষুধ বাজারে আনছে ইরান!
.............................................................................................
করোনা ভ্যাকসিনের হিউম্যান ট্রায়াল শুরু করেছে ভারত
.............................................................................................
করোনার টিকা আবিষ্কারে সফল রাশিয়া
.............................................................................................
ভয়ঙ্কর করোনাভাইরাসের নতুন তথ্য
.............................................................................................
করোনা ভ্যাকসিনের পরীক্ষায় সফলতার দাবী রাশিয়ার
.............................................................................................
ন্যাজাল স্প্রেতেই করোনা প্রতিরোধ!
.............................................................................................
বাতাসে ছড়াতে পারে করোনা, খতিয়ে দেখছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
.............................................................................................
করোনা শনাক্তদের তালিকায় বিশ্বে ৮ম বাংলাদেশ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
.............................................................................................
‘করোনার ভ্যাক্সিন পেতে আড়াই বছর লাগবে’
.............................................................................................
৩৭০ শয্যার ‘করোনা সেন্টার’ চালু হচ্ছে বিএসএমএমইউতে
.............................................................................................
বাংলাদেশের ‘গ্লোব বায়োটেক’ করোনার টিকা আবিষ্কার করেছে, কাল সংবাদ সম্মেলন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT