শনিবার, ১৩ জুলাই 2024 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   স্বাস্থ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ফ্যাটি লিভারের লক্ষণ ও মুক্তির উপায়

স্বাস্থ্য ডেস্ক : লিভার শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে, চর্বি, প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট বিপাক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এমনকি গ্লাইকোজেন, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ সংরক্ষণেও কাজ করে।

শরীরের ভেতরে ও বাইরে পিত্ত উৎপন্ন ও নির্গত করার পাশাপাশি লিভার অ্যালবুমিন ও জমাট বাঁধার কারণগুলোর মতো প্লাজমা প্রোটিন সংশ্লেষণ করে। তাই লিভারে বিভিন্ন রোগ দেখা দিলে এর কার্যকারিতা কমে যায়। ফলে পুরো শরীরে এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে।

লিভারের বিভিন্ন রোগের মধ্যে ফ্যাটি লিভার অন্যতম। ফ্যাটি লিভার ডিজিজ হয়, যখন বিভিন্ন কারণে লিভারে খুব বেশি চর্বি জমা হয়। দুটি প্রধান ধরনের ফ্যাটি লিভার ডিজিজ হলো- ননঅ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ (এনএএফএলডি)।

এটি হলো এক ধরনের ফ্যাটি লিভার ডিজিজ, যা ভারী অ্যালকোহল ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। অন্যদিকে অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ, যাকে অ্যালকোহলিক স্টেটোহেপাটাইটিসও বলা হয়। এটি প্রচুর অ্যালকোহল সেবরেনর সঙ্গে যুক্ত।

ফ্যাটি লিভারের সাধারণ লক্ষণগুলো হলো-
>> পেটে ব্যথা বা পূর্ণতার অনুভূতি
>> বমি বমি ভাব
>> ক্ষুধা ও ওজন কমে যাওয়া
>> হলুদ ত্বক
>> চোখ হলুদ হওয়া
>> পেট ও পা ফোলা
>> ক্লান্তি ও মানসিক বিভ্রান্তি
>> দুর্বলতা

ফ্যাটি লিভার কীভাবে হাঁটাকে প্রভাবিত করে?
দুই ধরনের ফ্যাটি লিভার ডিজিজের মধ্যে, নন-অ্যালকোহলযুক্ত ফ্যাটি লিভার ডিজিজকে বলা হয় স্নায়বিক রোগের জন্য সবচেয়ে নতুন ভাস্কুলার রিস্ক ফ্যাক্টরগুলোর মধ্যে একটি।
এক্সপ্রেস.ইউকের রিপোর্ট অনুযায়ী, অস্বাস্থ্যকর লিভার যা কাজ করার জন্য লড়াই করছে তা বিভিন্ন ফাংশনকে প্রভাবিত করতে পারে।

আচরণ, মেজাজ, বক্তৃতা, ঘুম’সহ একজন ব্যক্তির চলাফেরায় পরিবর্তন আনে লিভারের এই ব্যাধি। রিপোর্টে বলা হয়েছে, হাঁটার ভঙ্গি পরিবর্তন ফ্যাটি লিভার রোগের সংকেত দিতে পারে।

লিভার ট্রাস্টের তথ্য অনুসারে, ফ্যাটি লিভার রোগের রোগীর হাঁটার মধ্যে দুটি সবচেয়ে সাধারণ পরিবর্তন হলো একটি স্তম্ভিত গতি ও পড়ে যাওয়ার প্রবণতা। একটি স্তম্ভিত গতিপথকে সাধারণত একটি অ্যাট্যাক্সিক গাইট হিসাবে বর্ণনা করা হয়, যার অর্থ অসংলগ্ন হাঁটা। রিপোর্টে শেষ পর্যায়ের ফ্যাটি লিভার ডিজিজ ও পারকিনসন্সের মধ্যে মিল পাওয়া গেছে।

কীভাবে ঝুঁকি কমাবেন?
মায়ো ক্লিনিক পরামর্শ দিচ্ছে, ফ্যাটি লিভার রোগের ঝুঁকি কমাতে ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য ও স্বাস্থ্যকর চর্বি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে ডায়েটে। এর পাশাপাশি শারীরিক স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া অর্থাৎ স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা, নিয়মিত ব্যায়াম করা ও স্বাস্থ্যকর খাবারের মাধ্যমে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। আর অবশ্যই অ্যালকোহল পান ও ধূমপানের মতো অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসগুলো পরিহার করাও গুরুত্বপূর্ণ।

ফ্যাটি লিভারের লক্ষণ ও মুক্তির উপায়
                                  

স্বাস্থ্য ডেস্ক : লিভার শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে, চর্বি, প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট বিপাক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এমনকি গ্লাইকোজেন, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ সংরক্ষণেও কাজ করে।

শরীরের ভেতরে ও বাইরে পিত্ত উৎপন্ন ও নির্গত করার পাশাপাশি লিভার অ্যালবুমিন ও জমাট বাঁধার কারণগুলোর মতো প্লাজমা প্রোটিন সংশ্লেষণ করে। তাই লিভারে বিভিন্ন রোগ দেখা দিলে এর কার্যকারিতা কমে যায়। ফলে পুরো শরীরে এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে।

লিভারের বিভিন্ন রোগের মধ্যে ফ্যাটি লিভার অন্যতম। ফ্যাটি লিভার ডিজিজ হয়, যখন বিভিন্ন কারণে লিভারে খুব বেশি চর্বি জমা হয়। দুটি প্রধান ধরনের ফ্যাটি লিভার ডিজিজ হলো- ননঅ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ (এনএএফএলডি)।

এটি হলো এক ধরনের ফ্যাটি লিভার ডিজিজ, যা ভারী অ্যালকোহল ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। অন্যদিকে অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ, যাকে অ্যালকোহলিক স্টেটোহেপাটাইটিসও বলা হয়। এটি প্রচুর অ্যালকোহল সেবরেনর সঙ্গে যুক্ত।

ফ্যাটি লিভারের সাধারণ লক্ষণগুলো হলো-
>> পেটে ব্যথা বা পূর্ণতার অনুভূতি
>> বমি বমি ভাব
>> ক্ষুধা ও ওজন কমে যাওয়া
>> হলুদ ত্বক
>> চোখ হলুদ হওয়া
>> পেট ও পা ফোলা
>> ক্লান্তি ও মানসিক বিভ্রান্তি
>> দুর্বলতা

ফ্যাটি লিভার কীভাবে হাঁটাকে প্রভাবিত করে?
দুই ধরনের ফ্যাটি লিভার ডিজিজের মধ্যে, নন-অ্যালকোহলযুক্ত ফ্যাটি লিভার ডিজিজকে বলা হয় স্নায়বিক রোগের জন্য সবচেয়ে নতুন ভাস্কুলার রিস্ক ফ্যাক্টরগুলোর মধ্যে একটি।
এক্সপ্রেস.ইউকের রিপোর্ট অনুযায়ী, অস্বাস্থ্যকর লিভার যা কাজ করার জন্য লড়াই করছে তা বিভিন্ন ফাংশনকে প্রভাবিত করতে পারে।

আচরণ, মেজাজ, বক্তৃতা, ঘুম’সহ একজন ব্যক্তির চলাফেরায় পরিবর্তন আনে লিভারের এই ব্যাধি। রিপোর্টে বলা হয়েছে, হাঁটার ভঙ্গি পরিবর্তন ফ্যাটি লিভার রোগের সংকেত দিতে পারে।

লিভার ট্রাস্টের তথ্য অনুসারে, ফ্যাটি লিভার রোগের রোগীর হাঁটার মধ্যে দুটি সবচেয়ে সাধারণ পরিবর্তন হলো একটি স্তম্ভিত গতি ও পড়ে যাওয়ার প্রবণতা। একটি স্তম্ভিত গতিপথকে সাধারণত একটি অ্যাট্যাক্সিক গাইট হিসাবে বর্ণনা করা হয়, যার অর্থ অসংলগ্ন হাঁটা। রিপোর্টে শেষ পর্যায়ের ফ্যাটি লিভার ডিজিজ ও পারকিনসন্সের মধ্যে মিল পাওয়া গেছে।

কীভাবে ঝুঁকি কমাবেন?
মায়ো ক্লিনিক পরামর্শ দিচ্ছে, ফ্যাটি লিভার রোগের ঝুঁকি কমাতে ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য ও স্বাস্থ্যকর চর্বি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে ডায়েটে। এর পাশাপাশি শারীরিক স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া অর্থাৎ স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা, নিয়মিত ব্যায়াম করা ও স্বাস্থ্যকর খাবারের মাধ্যমে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। আর অবশ্যই অ্যালকোহল পান ও ধূমপানের মতো অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসগুলো পরিহার করাও গুরুত্বপূর্ণ।

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে ২১৯০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাংলাদেশের শহরগুলোতে ডেঙ্গুর মতো মশাবাহিত রোগের চিকিৎসা, প্রতিরোধ এবং ঢাকার দুই সিটি, চট্টগ্রাম সিটি, সাভার ও তারাবো পৌরসভার চিকিৎসার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ২০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। যা বাংলাদেশি টাকায় দুই হাজার ১৯০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১০৯.৫০ টাকা হিসাবে)।

বুধবার (৩০ আগস্ট) এ ঋণ অনুমোদন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নগর স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা প্রকল্পের জন্য এ ঋণ অনুমোদন করা হয়। বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ) থেকে এ অর্থ দেওয়া হচ্ছে। পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ঋণের মেয়াদ ৩০ বছর।

এ প্রকল্প প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোর একটি বলয় সৃষ্টি করবে। শহর এলাকার নাগরিকদের স্বাস্থ্য সমস্যা যেসব কারণে হয়, সেগুলো কমানোর চেষ্টা করাই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদৌলায়ে সেক বলেন, স্বাস্থ্যসেবার উন্নতিতে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায়। কিন্তু শহরাঞ্চলে সীমিত জনস্বাস্থ্য পরিষেবা রয়েছে। তাই দরিদ্র মানুষ এবং বস্তিবাসীরা প্রায়ই ব্যয়বহুল বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা নিতে বাধ্য হয়। উচ্চ জনসংখ্যার ঘনত্ব, জলবায়ু পরিবর্তন ও দ্রুত নগরায়নের ফলে ডেঙ্গু, সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ বৃদ্ধিসহ নতুন নতুন নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

এ প্রকল্পের আওতায় স্বাস্থ্যসেবা বাড়াতে পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিক ও নির্বাচিত বিদ্যমান জনস্বাস্থ্য সুবিধা সংস্কার করা হবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিক করা হবে। প্রকল্পটি নারীদের প্রসবপূর্ব পরিষেবা উন্নত করবে। আড়াই লাখেরও বেশি নারী গর্ভাবস্থায় কমপক্ষে চারটি চেকআপ গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

এ প্রকল্প পরিবেশগত স্বাস্থ্য এবং প্রতিরোধমূলক পরিষেবার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। মশা নিয়ন্ত্রণ, চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, অসুস্থতা প্রতিরোধ এবং মানব স্বাস্থ্যের ওপর জলবায়ু পরিবর্তন ও বায়ু দূষণের প্রভাব কমাতে কাজ করবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজনস্থল পরিষ্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ডেঙ্গুতে সাতজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৩৬৭
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট :

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও সাতজন মারা গেছেন। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে আরও দুই হাজার ৩৬৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বুধবার (৩০ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে দুই হাজার ৩৬৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা সিটিতে ৮৯৯ জন এবং সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) এক হাজার ৪৬৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে মোট দুই হাজার ১৩২ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা সিটির বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ৮২৪ জন এবং সারা দেশের (ঢাকা সিটি ব্যতীত) বিভিন্ন হাসপাতালে থেকে এক হাজার ৩০৮ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত ছয় পাঁচজন ঢাকা সিটিতে এবং দুই ছয়জন সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) মারা যান।

এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ৫৭৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা সিটিতে ৪২২ জন এবং সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) ১৫৪ জন মারা যান।

চলতি বছরের ৩০ আগস্ট পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন মোট এক লাখ ২১ হাজার ৫০০ জন। এর মধ্যে ঢাকা সিটিতে ৫৭ হাজার ১৪৬ জন ও সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) ৬৪ হাজার ৩৫৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন।

চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট এক লাখ ১২ হাজার ৪৭৮ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা সিটির বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ৫২ হাজার ৮১৬ জন এবং সারা দেশের (ঢাকা সিটি ব্যতীত) বিভিন্ন হাসপাতাল ৫৯ হাজার ৬৬২ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

বর্তমানে সারা দেশে মোট আট হাজার ৮৪৬ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ঢাকা সিটিতে তিন হাজার ৯০৮ জন এবং সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) চার হাজার ৫৩৮ রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

এতে আরও বলা হয়, চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার হার শতকরা ৯৩ শতাংশ। হাসপাতালে ভর্তি থাকার হার ৭ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ।

গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সর্বমোট ৬২ হাজার ৩৮২ জন এবং ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ২৮১ জন মারা যান।

ডেঙ্গুতে নয়জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৬০
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট :

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও নয়জন মারা গেছেন। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে আরও এক হাজার ৯৬০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শনিবার (২৬ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে এক হাজার ৯৬০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা সিটিতে ৮৩৩ জন এবং সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) এক হাজার ১২৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে মোট এক হাজার ৬৪৯ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা সিটির বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ৭৩৭ জন এবং সারা দেশের (ঢাকা সিটি ব্যতীত) বিভিন্ন হাসপাতালে থেকে ৯১২ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত পাঁচজন ঢাকা সিটিতে এবং চারজন সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) মারা যান। এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ৫৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা সিটিতে ৩৯৬ জন এবং সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) ১৪১ জন মারা যান।

চলতি বছরের ২৫ আগস্ট পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন মোট এক লাখ ১২ হাজার ১৮৪ জন। এর মধ্যে ঢাকা সিটিতে ৫৩ হাজার ৪৮৯ জন ও সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) ৫৮ হাজার ৬৯৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন।

চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট এক লাখ তিন হাজার ৪১১ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা সিটির বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ৪৯ হাজার ২৪৭ জন এবং সারা দেশের (ঢাকা সিটি ব্যতীত) বিভিন্ন হাসপাতাল ৫৪ হাজার ১৬৪ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

বর্তমানে সারা দেশে মোট আট হাজার ২৩৬ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ঢাকা সিটিতে তিন হাজার ৮৪৬ জন এবং সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) চার হাজার ৩৯০ রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

এতে আরও বলা হয়, চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার হার শতকরা ৯২ শতাংশ। হাসপাতালে ভর্তি থাকার হার ৭ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ।

গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সর্বমোট ৬২ হাজার ৩৮২ জন এবং ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ২৮১ জন মারা যান।

ডেঙ্গুতে আট জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ২২০১
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট :

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও আট জন মারা গেছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে আরও দুই হাজার ২০১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে দুই হাজার ২০১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এরমধ্যে ঢাকা সিটিতে ৯২৬ জন এবং ঢাকার বাইরে এক হাজার ২৭৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে মোট দুই হাজার ৭৬ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এরমধ্যে ঢাকা সিটির বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ৭৩৭ জন এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে থেকে এক হাজার ৩৩৯ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আট জনের জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে ছয় জন ঢাকা সিটিতে এবং দুই জন ঢাকার বাইরে মারা গেছেন।

এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ৫১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে ঢাকা সিটিতে ৩৮০ জন এবং ঢাকার বাইরে ১৩৪ জন।

চলতি বছরের ২৪ আগস্ট পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন মোট এক লাখ আট হাজার ৬৩০ জন। এরমধ্যে ঢাকা সিটিতে ৫১ হাজার ৯৫৩ জন ও ঢাকার বাইরে ৫৬ হাজার ৬৬৭ জন।

চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট এক লাখ ১৭৪ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। এরমধ্যে ঢাকা সিটির বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ৪৭ হাজার ৮১০ জন এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতাল ৫২ হাজার ৩৬৪ জন।

বর্তমানে সারাদেশে মোট সাত হাজার ৯৪২ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এরমধ্যে ঢাকা সিটিতে তিন হাজার ৭৬৩ জন এবং ঢাকার বাইরে চার হাজার ১৭৯ জন।

এতে আরও বলা হয়, চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার হার শতকরা ৯২ শতাংশ। হাসপাতালে ভর্তি থাকার হার সাত শতাংশ এবং মৃত্যুর হার শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ।

গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সর্বমোট ৬২ হাজার ৩৮২ জন এবং ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ২৮১ জন মারা যান।

ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৫০০ ছাড়াল
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট :

দেশজুড়ে এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) এই রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে আরও ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ৫০৬ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে আরও ২ হাজার ৭০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৫৭ জন, আর ঢাকার বাইরের ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ২১৩ জন।

বুধবার (২৩ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও আইইডিসিআরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর সরকারি পরিসংখ্যান গত ২৪ বছরের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।

সূত্র জানায়, চলতি বছর ঢাকায় ৫১ হাজার ২৭ জন এবং ঢাকার বাইরে ৫৫ হাজার ৪০২ জন ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে ১ হাজার ২১৩ জন ঢাকার বাইরের।

দেশে ২০০০ সালে প্রথম ডেঙ্গু রোগীর তথ্য সংরক্ষণ শুরু হয়। সে বছর ৯৩ জন ডেঙ্গুতে মারা যান, শনাক্ত হয়েছিলেন ৫ হাজার ৫৫১ জন।

এরপর ২০১৯ সালে সর্বোচ্চ ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছিল এবং সর্বোচ্চ ২৮১ জনের মৃত্যু হয়েছিল ২০২২ সালে।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিশ্বব্যাংক ১০০ মিলিয়ন ডলার দেবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিশ্বব্যাংক ১০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।  

তিনি বলেন, বিশ্ব ব্যাংক স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে মশা নিয়ন্ত্রণে এই অর্থায়ন করবে।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে, সেবা দিচ্ছে, সেবা নিয়ে মানুষ সন্তুষ্ট, কোনো কমপ্লেন নেই।

বুধবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশ্বব্যাংকের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।  

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কী করছে? এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সেবা যতটুকু দেওয়া সম্ভব আমরা দিচ্ছি। হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা অনেক। ৫০০ মানুষ মারা গেছেন, এক লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। অর্থাৎ মশা নিয়ন্ত্রণে আসেনি বিধায় এই পাঁচশ লোক মৃত্যুবরণ করেছে। এক লাখ লোক আক্রান্ত হয়েছে। কাজেই এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন জায়গায় স্প্রে করা প্রয়োজন। সেই স্প্রেটা আরও জোরদার করতে হবে। সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় এই কাজকর্মটি আরও জোরদার করতে হবে, তারা যেন সঠিক ওষুধ ব্যবহার করে। ভেজাল ওষুধ যাতে ব্যবহার না করে।

জাহিদ ভাইয়ের বলেন, আমাদের দেশে ডেঙ্গু অনেক বেড়েছে, আশেপাশের দেশে এত কিন্তু বাড়েনি। কাজেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে, সেবা দিচ্ছে, সেবা নিয়ে মানুষ সন্তুষ্ট, কোনো কমপ্লেন নেই। কিন্তু মশা না কমলে ডেঙ্গুরোগী কমবে না এবং মৃত্যু কমবে না। এজন্য যার যার দায়িত্ব সেই পালন করে কাজ করলে ভালো হবে।

ডেঙ্গুতে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২১৬৮ রোগী
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট :

দেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দুই হাজার ১৬৮ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর দেশে আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ চার হাজার ৩৫৯ জনে। এছাড়া ডেঙ্গু জ্বরে একদিনে সারাদেশে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯৩ জনে।

মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ মো. জাহিদুল ইসলাম সই করা ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, সোমবার (২১ আগস্ট) সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া দুই হাজার ১৬৮ জনের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৮৪২ জন। ঢাকার বাইরের ১ হাজার ৩২৬ জন। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ডেঙ্গুতে যে আটজনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে তিনজন ঢাকার এবং পাঁচজন ঢাকার বাইরের বাসিন্দা।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২২ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন এক লাখ চার হাজার ৩৫৯ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৫০ হাজার ১৭০ জন। আর ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন ৫৪ হাজার ১৮৯ জন।

এছাড়া এখন পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে মোট ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯‌৬ হাজার ৩৭ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৪৬ হাজার ২৩৪ জন এবং ঢাকার বাইরের ৪৯ হাজার ৮০৩ জন।

এর আগে ২০২২ সালে ডেঙ্গুতে ২৮১ জন মারা যান। ওই বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে ডেঙ্গুতে ২৭ জনের মৃত্যু হয়। একই সঙ্গে আলোচ্য বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ৬২ হাজার ৩৮২ জন।

২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গু সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। একই বছর দেশব্যাপী ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

ডেঙ্গু আক্রান্ত এক লাখ ছাড়াল
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট :

রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত (একদিনে) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে আরও ২১৯৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৭২ জন, আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৩২৫ জন। একইসঙ্গে এই সময়ে ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (২১ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৭ হাজার ৬৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ৩ হাজার ৬০৭ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৪ হাজার ৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ২ হাজার ১৯১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৪৯ হাজার ৩২৮ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন ৫২ হাজার ৮৬৩ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯৪ হাজার ২০ জন। ঢাকায় ৪৫ হাজার ৩৫৮ এবং ঢাকার বাইরে ৪৮ হাজার ৬৬২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৪৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ডেঙ্গুতে আরও ১৩ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৮৩
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট :

দেশজুড়ে এডিস মশাবাহী রোগ ডেঙ্গুর প্রকোপে বেড়েই চলেছে মৃত্যুর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৩ জন। ফলে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬৬ জনে। একই সময়ে নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯৮৩ জন। এতে আক্রান্তের সংখ্যা ৯৭ হাজার ৮৬০ জনে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ মো. জাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ডেঙ্গু বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১৮ আগস্ট) সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এক হাজার ৯৮৩ জনের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৭৩৮ জন। আর ঢাকার বাইরে এক হাজার ২৪৫ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৯৭ হাজার ৮৬০ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৪৭ হাজার ৬৭১ জন। আর ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন ৫০ হাজার ১৮৯ জন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে মোট ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৪৯৯ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৪৩ হাজার ৬২৯ জন এবং ঢাকার বাইরের ৪৫ হাজার ৮৭০ জন।

প্রতিবছর বর্ষাকালে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। ২০১৯ সালে দেশব্যাপী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন এক লাখ এক হাজার ৩৫৪ জন। ওই সময়ে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীসহ প্রায় ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গুর সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। ওই বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এছাড়া ২০২২ সালে ডেঙ্গু নিয়ে মোট ৬২ হাজার ৩৮২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এরমধ্যে গত বছর মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে ২৮১ জন মারা গেছেন।

‘সিটি করপোরেশনের মশা নিধন কর্মসূচির কোনও কার্যকারিতা নেই’
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি করপোরেশনগুলো যে কর্মসূচি নিয়েছে, সেই কর্মসূচির কোনো কার্যকরিতা নেই বলে উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ ভেক্টর ম্যানেজমেন্ট গ্রুপ।

শনিবার (১৯ জুলাই) সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘কেন এই ডেঙ্গু মহামারি, পরিত্রাণ কোন পথে?’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন থেকে এ কথা জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট কীটতত্ত্ববিদ ড. মঞ্জুর আহমেদ চৌধুরী।

সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, আমরা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মশা নিধন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছি। মশা মারতে তারা যে কীটনাশক প্রয়োগ করছে, তার প্রয়োগ প্রক্রিয়ার কার্যকারিতা নিয়ে আরও গবেষণা করতে হবে। মশা নিধনে পানিতে হাঁস ও ব্যাঙ ছাড়ানো কার্যক্রম খুবই হাস্যকর, লোক দেখানো। এসব কার্যক্রমের কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। পৃথিবীর আর কোথাও এমনটা দেখা যায় না।

মঞ্জুর আহমেদ বলেন, প্রাকৃতিক কারণে ডেঙ্গু বাড়ছে, প্রাকৃতিক কারণেই আবার কমে যাচ্ছে। মশা নিধনে সিটি করপোরেশনগুলো যেসব কর্মসূচি নিচ্ছে, সেগুলোর কোনো কার্যকারিতা নেই। সুতরাং ফগিং করলেও যা, না করলেও তা। সিটি করপোরেশন যদি এই মুহূর্তে তাদের মশা নিধন কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় তাতেও যা হবে, কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও তাই হবে।

তিনি বলেন, মশা মারার জন্য যে সময়ে ফগিং দেওয়া হয়, সে সময়ে মশা তার নিজ জায়গায় থাকে না। বিভিন্ন দিকে উড়াউড়ি করে। ঠিক সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পূর্ব মুহূর্তে মশা কামড়ায়। এজন্য ফগিংটা হওয়া উচিত সেই সময়ে।

তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু কমাতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, মশা ও মানুষের সংযোগের বিচ্ছেদ ঘটাতে হবে। এ জন্য মশারি ব্যবহার করতে হবে, মশা নিয়ন্ত্রণের স্প্রে ব্যবহার, ফুলহাতা জামা ও প্যান্ট পরা, নিয়মিত বিরতিতে জমে থাকা পানি ফেলে দেওয়াসহ পূর্ণাঙ্গ মশা মারতে হবে।

সংবাদ সম্মেলন থেকে বলা হয়, বর্তমানে বলা হচ্ছে যে, দূষিত পানিতেও এডিস মশা জন্মায়। এটা পুরোপুরি অবৈজ্ঞানিক ও ভিত্তিহীন। এ নিয়ে কেউ পূর্ণাঙ্গ গবেষণা করেনি। এডিস মশা কখনওই দূষিত পানিতে জন্মায় না। এছাড়াও বলা হচ্ছে তিন দিনের জমা পানিতে এডিস মশা জন্মায়, কিন্তু বিষয়টি তা নয়। এডিস মশা জন্মাতে অন্তত সাতদিন সময় লাগে।  

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সচিব মার্গুব মোরশেদ, কীটতত্ত্ববিদ ইন্দ্রাণী ধর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাইফুর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল কীটতত্ত্ববিদ তাহমিনা আক্তার প্রমুখ।

ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৫৬৫
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট :

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত (একদিনে) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে আরও ১৫৬৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮০৪ জন, আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৬১ জন। একইসঙ্গে এসময়ে ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গত মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার ডেঙ্গুতে ৯ জন করে মারা যান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৭ হাজার ৫৭৩ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ৩ হাজার ৬২৩ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৩ হাজার ৯৫০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ৯৫ হাজার ৮৭৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৪৬ হাজার ৯৩৩ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন ৪৮ হাজার ৯৪৪ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৭ হাজার ৮৫১ জন। ঢাকায় ৪২ হাজার ৯৬৭ এবং ঢাকার বাইরে ৪৪ হাজার ৮৮৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৪৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২২৮৮
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট :

দেশজুড়ে এডিস মশাবাহী রোগ ডেঙ্গুর প্রকোপে বেড়েই চলেছে মৃত্যুর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯ জন। ফলে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪৪ জনে। একই সময়ে নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ২৮৮ জন। এতে আক্রান্তের সংখ্যা ৯৪ হাজার ৩১২ জনে দাঁড়িয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ মো. জাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ডেঙ্গু বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (১৫ আগস্ট) সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া দুই হাজার ২৮৮ জনের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৮৯৯ জন। আর ঢাকার বাইরে এক হাজার ৩৮৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৯৪ হাজার ৩১২ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৪৬ হাজার ১২৯ জন। আর ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন ৪৮ হাজার ১৮৩ জন।

একই সময়ে হাসপাতাল থেকে মোট ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৫ হাজার ২০৭ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৪১ হাজার ৯৮৯ জন এবং ঢাকার বাইরের ৪৩ হাজার ২১৮ জন।

প্রতিবছর বর্ষাকালে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। ২০১৯ সালে দেশব্যাপী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন এক লাখ এক হাজার ৩৫৪ জন। ওই সময়ে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীসহ প্রায় ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গুর সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। ওই বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এছাড়া ২০২২ সালে ডেঙ্গু নিয়ে মোট ৬২ হাজার ৩৮২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এরমধ্যে গত বছর মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে ২৮১ জন মারা গেছেন।

‘বিএসএমএমইউতে মায়ের কিডনি শিশুর দেহে সফলভাবে প্রতিস্থাপন’
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে শিশু সন্তানের জন্য মায়ের দেওয়া কিডনি প্রথমবারের মতো সফলভাবে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় (১৭ আগস্ট) সুপার স্পেশলাইজড হাসপাতালের ৬ষ্ঠ তলায় এই কিডনি দাতা ও গ্রহীতার ছাড়পত্র প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ এ তথ্য জানান।

ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের রোগী যেন দেশের বাইরে না যায়, সে লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল কাজ করছে। দেশের মানুষ ট্রান্সপ্লান্ট বিশেষ করে কিডনি, লিভার, কর্নিয়া ট্রান্সপ্লান্টের জন্য বিদেশে যায়।

আরো বিদেশে যায় ক্যান্সার, ইনফার্টিলি, জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট, আর্থোস্কপিক, স্টেমসেল থেরাপি, রোবটিক সার্জারি, বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট, হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট করার প্রয়োজনে। আমরা এসব চিকিৎসা সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে শুরু করতে চাই। এজন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

বিএসএমএমইউ উপাচার্য বলেন,  আজকে আমাদের অন্যরকম একটি দিন। আমাদের সামনে কিডনি দাতা মা ও কিডনি গ্রহীতা মেয়ে হাসিমুখে বসে আছেন। এমন হাসিমাখা মুখ সকল রোগীর ক্ষেত্রে আমরা দেখতে চাই।

সুপার স্পেশলাইজড হাসপাতাল সূত্র জানায়, ফরিদপুরের বাসিন্দা ১৭ বছরের শিশু শ্রাবণী দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ফেইলর হয়ে অসুস্থ ছিলেন। তার মা ৪৫ বছর বয়সী মনোয়ারা মেয়েকে বাঁচাতে এগিয়ে এসে নিজের একটি কিডনি দান করার সম্মতি প্রদান করেন। কিডনি দাতা ও গ্রহীতার সকল আইনী প্রক্রিয়া শেষ হবার পর ১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়।

কিডনি প্রতিস্থাপনে নেতৃত্ব দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজি বিভাগের রেনাল ট্রান্সপ্লান্ট ইউনিটের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল। অ্যানেসথেশিয়া বিভাগের অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন ডা. দেবব্রত বনিক, উক্ত বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. দেবাশীষ বনিক, শিশু কিডনি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আফরোজা বেগম, ইউরোলজি বিভাগের রেনাল ট্রান্সপ্লান্ট ইউনিটের অধ্যাপক ডা. তৌহিদ মো. সাইফুল হোসেন দিপু, সহযোগী অধ্যাপক ডা. ফারুক হোসেনসহ ৩১ জন চিকিৎসক এই কিডনী প্রতিস্থাপনের বিভিন্ন চিকিৎসাসেবার কার্যক্রমে অংশ নেন।

এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের রোগী যেন বাইরে না যায়, সে লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল কাজ করছে। দেশের মানুষ ট্রান্সপ্লান্ট বিশেষ করে কিডনি, লিভার, কর্নিয়া ট্রান্সপ্লান্টের জন্য বিদেশে যায়। এছাড়া ক্যান্সার, ইনফার্টিলি, জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট, আর্থোস্কপিক, স্টেমসেল থেরাপি,  রোবটিক সার্জারি, বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট, হেয়ার ট্রান্সপ্লান্টের জন্য বিদেশ যায়। আমরা এসব চিকিৎসা সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে শুরু করতে চাই। এজন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আজকে আমাদের অন্যরকম একটি দিন। আমাদের সামনে কিডনি দাতা মা ও কিডনি গ্রহীতা মেয়ে হাসিমুখে বসে আছের। এমন হাসিমাখা মুখ সকল রোগীর ক্ষেত্রে আমরা দেখতে চাই।

এ অনুষ্ঠানে কিডনি গ্রহীতা ও দাতাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা  ও কেকে কেটে বিদায় জানানো হয়। হাসপাতালের পক্ষ থেকে তাদের ওষুধও তুলে দেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

ডেঙ্গুতে নয় জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২১৪৯
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট :

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নয় জন মারা গেছেন। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে আরও দুই হাজার ১৪৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বুধবার (১৬ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে দুই হাজার ১৪৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা সিটিতে ৮৩৪ জন এবং সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) এক হাজার ৩১৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে মোট দুই হাজার ৯২ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা সিটির বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ৮৩৬ জন এবং সারা দেশের (ঢাকা সিটি ব্যতীত) বিভিন্ন হাসপাতালে থেকে এক হাজার ২৫৬ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নয় জনের জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত ছয় জন ঢাকা সিটিতে এবং তিন জন সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) মারা যান। এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ৪৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা সিটিতে ৩২৯ জন এবং সারাদেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) ১০৬ জন মারা যান।

চলতি বছরের ১৬ আগস্ট পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৯২ হাজার ২৪ জন। এর মধ্যে ঢাকা সিটিতে ৪৫ হাজার ২৩০ জন ও সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) ৪৬ হাজার ৭৯৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন।

চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট ৮২ হাজার ৪২৪ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা সিটির বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ৪০ হাজার ৮৯৯ জন এবং সারা দেশের (ঢাকা সিটি ব্যতীত) বিভিন্ন হাসপাতাল ৪১ হাজার ৫২৫ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

বর্তমানে সারা দেশে মোট নয় হাজার ১৬৫ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ঢাকা সিটিতে চার হাজার দুই জন এবং সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) পাঁচ হাজার ১৬৩ রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

এতে আরও বলা হয়, চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার হার শতকরা ৯০ শতাংশ। হাসপাতালে ভর্তি থাকার হার ১০ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ। গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সর্বমোট ৬২ হাজার ৩৮২ জন এবং ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ২৮১ জন মারা যান।

৪ সরকারি হাসপাতালে ৯৫৬ শয্যা ফাঁকা
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক :

রাজধানীর চারটি বৃহৎ সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত ৯৫৬টি শয্যা ফাঁকা রয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, রাজধানীসহ সারা দেশেই ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা কমে এসেছে। যার ফলে হাসপাতালগুলোতে ও রোগীর চাপ কমে এসেছে।

বুধবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে দেশের চলমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. হাবিবুল আহসান তালুকদার।

তিনি বলেন, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকার কিছু হাসপাতালে রোগীর চাপ থাকলেও অনেক হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর শয্যা এখনো ফাঁকা আছে। বিশেষ করে ডিএনসিসি হসপিটাল, মেডিকেল কলেজ হসপিটাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হসপিটাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল এবং কুয়েত মৈত্রী হসপিটাল। এ হাসপাতালগুলোতে এখনো ৯৫৬টি ডেঙ্গুর শয্যা ফাঁকা রয়েছে।

ডা. মো. হাবিবুল আহসান বলেন, সারা দেশের হাসপাতালগুলোতে আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছি। অধিদপ্তরে এনএস-১ পরীক্ষার জন্য পর্যাপ্ত কিট মজুদ আছে। পাশাপাশি আমরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে অর্থ বরাদ্দ দিয়েছি, যাতে করে তারা দ্রুততম সময়ে নিজেদের চাহিদা মতো কিট কিনে নিতে পারে।

স্যালাইন সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গণমাধ্যমের মাধ্যমে খবর পেয়েছি- বাজারে আইভি ফ্লুইডের (স্যালাইন) সংকট রয়েছে। তবে এ সংকটটা আমাদের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে নেই, বেসরকারি হাসপাতাল যেগুলো রয়েছে তারা হয়তো বাজারের ফার্মেসিতে গিয়ে ঠিকমতো স্যালাইন পাচ্ছে না। কিছু জায়গা থেকে এ ধরনের রিপোর্ট এসেছে। এর প্রেক্ষিতে গত ১৪ আগস্ট মন্ত্রী ও সচিবদের সঙ্গে আমাদের একটা মিটিং হয়েছে। মিটিংয়ে আমরা বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা ও পর্যালোচনা করে সংকটের বিষয়টি দেখেছি।

অধিদপ্তরের এ পরিচালক বলেন, যেহেতু কিছু আইভি ফ্লুইডের সংকট আছে, মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে দ্রুততম সময়ে আইবি ফ্লুইড আমদানি করার। এ বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয় কাজ করছে। এ বিষয়ে ইডিসিএলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তারা দ্রুততম সময়ে ব্যবস্থা নেবেন। যদি আমরা এটি আমদানি করতে পারি তাহলে বাজারে যে সংকট আছে, সেটি আর থাকবে না।


   Page 1 of 36
     স্বাস্থ্য
ফ্যাটি লিভারের লক্ষণ ও মুক্তির উপায়
.............................................................................................
স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে ২১৯০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে সাতজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৩৬৭
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে নয়জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৬০
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে আট জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ২২০১
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৫০০ ছাড়াল
.............................................................................................
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিশ্বব্যাংক ১০০ মিলিয়ন ডলার দেবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২১৬৮ রোগী
.............................................................................................
ডেঙ্গু আক্রান্ত এক লাখ ছাড়াল
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে আরও ১৩ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৮৩
.............................................................................................
‘সিটি করপোরেশনের মশা নিধন কর্মসূচির কোনও কার্যকারিতা নেই’
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৫৬৫
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২২৮৮
.............................................................................................
‘বিএসএমএমইউতে মায়ের কিডনি শিশুর দেহে সফলভাবে প্রতিস্থাপন’
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে নয় জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২১৪৯
.............................................................................................
৪ সরকারি হাসপাতালে ৯৫৬ শয্যা ফাঁকা
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে ১০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৮৪
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে মৃত্যুর রেকর্ড, হাসপাতালে ভর্তি ২৪৮০
.............................................................................................
সারাদেশে দশগুণ বেড়েছে ডেঙ্গু রোগী: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ৮০ হাজার ছাড়াল, মৃত্যু ৯
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে আরও এক নারী চিকিৎসকের মৃত্যু
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড, মৃত্যু ১২
.............................................................................................
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে ১২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৮৪৪
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে বয়স্কদের মৃত্যুহার আক্রান্তের চেয়ে বেশি: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে একদিনে ১৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২৭৫১ রোগী
.............................................................................................
জরায়ুমুখের ক্যানসারের টিকা দেওয়া শুরু সেপ্টেম্বরে
.............................................................................................
ডেঙ্গুর ভ্যাকসিন তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছে বিএসএমএমইউ
.............................................................................................
৭২ জনের করোনা শনাক্ত
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে আরও ১০ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৫৮৯
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে বেশি মারা যাচ্ছে কর্মক্ষম মানুষ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তা চায় বাংলাদেশ
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৬৯৪
.............................................................................................
একদিনে রেকর্ড ২৭২১ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে, মৃত্যু ৮
.............................................................................................
৫৯ জনের করোনা শনাক্ত
.............................................................................................
জুলাইয়ে ডেঙ্গু রোগী বেড়েছে ৭ গুণ
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫০৩
.............................................................................................
করোনায় একজনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬১
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে ১০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৩৬১
.............................................................................................
করোনায় দুইজনের মৃত্যু, শনাক্ত ৭১
.............................................................................................
মশা নিয়ন্ত্রণ না করলে, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কঠিন হবে: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে ১৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৪১৮
.............................................................................................
৮৩ জনের করোনা শনাক্ত
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে ১১ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২২৪২
.............................................................................................
২২ জনের করোনা শনাক্ত
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৮৯৬
.............................................................................................
করোনায় একজনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩২
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৫৫
.............................................................................................
করোনায় একজনের মৃত্যু, শনাক্ত ১০৯
.............................................................................................
ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখনো মহামারি পর্যায়ে যায়নি: স্বাস্থ্যের ডিজি
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT