শনিবার, ১৬ অক্টোবর 2021 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   প্রতিবেশি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
টানা তৃতীয় দিন ভারতে দেড় লাখের বেশি রোগী শনাক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : টানা তৃতীয় দিনের মতো ভারতে দেড় লাখের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায়  দেশটিতে অদৃশ্য এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৭৩৬ জন। একদিনে মৃত্যু হয়েছে আরও ৮৭৯ জনের। প্রতিবেশী দেশটিতে সোমবার আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯১৪ জন। রোববার ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৯ জনের দেহে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছিল।

নতুন রোগীদের নিয়ে ভারতে এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন ১ কোটি ৩৬ লাখ ৮৯ হাজার ৪৫৩ জন। এখন পর্যস্ত মারা গেছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৮ জন। সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সোমবারই লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলকে টপকে আক্রান্তের দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে ভারত।

দেশটিতে এখন পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ কোটি ২২ লাথ ৫৩ হাজার ৬৯৭ জন। সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১২ লাখ ৬৪ হাজার ৬৬৭ জন।

স্বাধীন বাংলা/এআর

টানা তৃতীয় দিন ভারতে দেড় লাখের বেশি রোগী শনাক্ত
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : টানা তৃতীয় দিনের মতো ভারতে দেড় লাখের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায়  দেশটিতে অদৃশ্য এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৭৩৬ জন। একদিনে মৃত্যু হয়েছে আরও ৮৭৯ জনের। প্রতিবেশী দেশটিতে সোমবার আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯১৪ জন। রোববার ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৯ জনের দেহে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছিল।

নতুন রোগীদের নিয়ে ভারতে এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন ১ কোটি ৩৬ লাখ ৮৯ হাজার ৪৫৩ জন। এখন পর্যস্ত মারা গেছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৮ জন। সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সোমবারই লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলকে টপকে আক্রান্তের দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে ভারত।

দেশটিতে এখন পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ কোটি ২২ লাথ ৫৩ হাজার ৬৯৭ জন। সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১২ লাখ ৬৪ হাজার ৬৬৭ জন।

স্বাধীন বাংলা/এআর

ভারতে একদিনে ১ লাখ ৪৫ হাজারের বেশি রোগী শনাক্ত
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মহামারী নভলে করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ প্রতিবেশী দেশ ভারতে ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে। সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ নেওয়ায় দেশটিতে প্রতিদিনই ভাঙছে আগের দিনের রেকর্ড।

ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮৪ জন। একই সময়ে মৃত্যু হয়েছে ৭৯৪ জনের।

একদিনে রেকর্ড রোগী শনাক্ত হওয়ার মধ্যদিয়ে ভারতে মেটা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ২০ লাখ ৫০ হাজার ৯২৬ জনে। এখন মারা গেছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৩৬।

বিশ্বে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত; আর দেশটি এশিয়ায় সবার উপর রয়েছে। আক্রান্ত ও মৃত্যুতে সবার উপরে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল।

প্রার্থী টলিউডের একঝাঁক শিল্পী, সম্পর্কের সরল-জটিল সমীকরণ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গে একটি পদযাত্রা এবং জনসভা করেছিলেন। সেখানে তাঁর পাশে দুই সাংসদ নুসরত জাহান এবং মিমি চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন। ঠিক তার পরেই মুখ্যমন্ত্রী কলকাতায় একটি পদযাত্রা করেন, যেখানে ছিলেন সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, কৌশানী মুখোপাধ্যায়েরা। সে দিন মিমি-নুসরতের অনুপস্থিতি অনেকের নজরে এসেছিল। হতে পারে এটা নেহাতই কাকতালীয় ঘটনা। কিন্তু এটাও ঠিক, নির্বাচনী লড়াইয়ে শামিল হওয়া তারকাদের মধ্যকার সমীকরণ সহজ নয়। যেমন নুসরতের সঙ্গে সায়ন্তিকার সম্পর্ক ভাল নয়। অন্য দিকে কৌশানীর সঙ্গে তৃণমূলের বাকি সেলেবদের অন্তরঙ্গতা নেই। জটিলতা গেরুয়া শিবিরেও আছে। শ্রাবন্তী, পায়েল সরকার বা তনুশ্রী চক্রবর্তীরা এখন যতই সেলফি তুলুন, এঁদের ঘনিষ্ঠতার গল্প শোনা যায় না। এ বারের নির্বাচন কি টলিউডের রাজনীতিতেও নতুন সমীকরণ আনবে?

গার্ল গ্যাংয়ের অন্য চিত্র : নায়িকাদের মধ্যে বন্ধুত্ব হয় না, এই আপ্তবাক্য ভুল প্রমাণ করেছিল নুসরত, মিমি, শ্রাবন্তী, সায়ন্তিকা, তনুশ্রীদের গার্ল গ্যাং। কিন্তু পরে নুসরত-সায়ন্তিকার বিবাদের আঁচ পড়েছিল বাকিদের মধ্যেও। খানিকটা একঘরে হয়ে গিয়েছিলেন সায়ন্তিকা। ব্যক্তিগত জীবনের জটিলতায় শ্রাবন্তীও গুটিয়ে নিয়েছিলেন নিজেকে। সেই ফাটল আজও মেরামত হয়নি। একমাত্র তনুশ্রীর সঙ্গে বাকিদের সহজ সম্পর্ক ছিল। সেই পুরনো বন্ধুরাই এখন রাজনীতির ময়দানে দুই শিবিরে ভাগ হয়ে গিয়েছেন। নায়িকারা মুখে যতই বলুন রাজনীতির প্রভাব ব্যক্তিগত জীবনে পড়বে না, কিন্তু তা কি হয়? সায়ন্তিকার হয়ে মিমি বা নুসরত জনসভা করবেন, এমনটা তো স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু নুসরত-সায়ন্তিকাকে এক মঞ্চে দেখা যায়নি। মিমি-নুসরত-সায়ন্তিকারা এক দিকে দিদির হয়ে প্রচার করছেন। অন্য দিকে, তৃণমূল সুপ্রিমোর প্রতি আক্রমণ হানছেন শ্রাবন্তী-তনুশ্রীরা।

বন্ধুত্বের সঙ্কট : কেরিয়ারের স্ট্রাগলে রাজ চক্রবর্তী এবং রুদ্রনীল ঘোষ পাশাপাশি ছিলেন। তাঁদের বন্ধুত্বের জমাটি গল্প টলিউডে সুবিদিত। তৃণমূলের মঞ্চেও তাঁদের পাশাপাশি দেখা যেত আগে। রুদ্রনীলের শিবির বদলের গুঞ্জনের মাঝেও ঘরোয়া আড্ডায় পাওয়া গিয়েছে দু’জনকে। তবে গত দু’মাসে বদলে গিয়েছে চেনা অঙ্ক। টেলিভিশন চ্যানেলে পরস্পরের বিরুদ্ধে গলা ফাটাচ্ছেন রাজ আর রুদ্রনীল, যে আক্রমণ নেমে এসেছিল ব্যক্তিগত স্তরেও। ‘‘ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের চেয়ারম্যানের পদ ধরে রাখার জন্য রাজকে অনেক কিছুই করতে হচ্ছে,’’ এমন মন্তব্য করেছেন রুদ্রনীল। রাজ পাল্টা বলেছেন, ‘‘রুদ্র এত বার বদলেছে যে, ওর বিশ্বাসযোগ্যতা নেই।’’ সঙ্কটে রুদ্রনীলের সঙ্গে কাঞ্চন মল্লিকের বন্ধুত্বও। রাজনীতির অভিজ্ঞতা না থাকা কাঞ্চন ‘শখের রাজনীতি’ করছেন, এমন কথা শোনা গিয়েছে রুদ্রনীলের মুখে। এ দিকে কাঞ্চন একদা ঘনিষ্ঠ বন্ধুর কোনও কথাতেই আমল দিচ্ছেন না। সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত না হলেও পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অবস্থান সকলেরই জানা। নাম না করে রুদ্রনীলের বিরোধিতা করেছেন পরমব্রত। নির্বাচনী পর্ব মিটে গেলে এঁরা সকলেই কি উদ্যত তরবারি গুটিয়ে নেবেন?

কোনটা দায়, কোনটা দায়িত্ব : কৌশানী, সায়ন্তিকা, পায়েল, যশ দাশগুপ্ত বা পার্নো মিত্র... এঁরা সকলেই এখন জনসংযোগে ব্যস্ত। কিন্তু টলিউডের অন্দরেই এঁদের জনসংযোগ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। যশের সঙ্গে ইন্ডাস্ট্রির অন্য কোনও তারকার ঘনিষ্ঠতা আছে বলে শোনা যায়নি। তিনি থাকেন নিজের মতোই। কৌশানী-বনিও নিজস্ব বৃত্তে মশগুল। একই পরিস্থিতি সায়ন্তিকা বা পার্নোর। নায়িকাদের মধ্যে একমাত্র মিমির সঙ্গেই পার্নোর বন্ধুত্ব শোনা যায়। শ্রাবন্তীও ইন্ডাস্ট্রিতে মেলামেশা কমিয়ে দিয়েছেন। ইন্ডাস্ট্রির চলতি অভিযোগ, সায়ন্তিকা-কৌশানীকে ফোনে পাওয়া যায় না। টলিউডের অন্দরে নিজেদের গণ্ডিতে আবদ্ধ থাকা তারকারা জনপ্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব কী ভাবে পালন করবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

গোলমেলে হিসেব : সকলের সব অঙ্ক, সব হিসেব গোলমাল হয়ে গিয়েছে যশ-নুসরত এবং বনি-কৌশানীকে দেখে। তাঁরা স্বীকার না করলেও, ইন্ডাস্ট্রির গুঞ্জন নুসরত-যশ প্রেমের সম্পর্কে রয়েছেন। নির্বাচনী প্রচারের ফাঁকে তাঁরা একসঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন, এমন খবরও রয়েছে। তাঁরা দু’জনেই বলছেন, রাজনৈতিক রং তাঁদের সম্পর্কে পড়বে না। একই কথা বলছেন তৃণমূল প্রার্থী কৌশানী এবং বিজেপি সদস্য বনি। তাঁরা যতই বিষয়টি লঘু করে দেখুন না কেন, তাঁদের এই ‘সহাবস্থান’ ধন্দে ফেলে দিয়েছে জনসাধারণকে!

ভোটের মরসুম কেটে গেলে রং, শিবির নির্বিশেষে তারকারা কী ভাবে তাঁদের সম্পর্কগুলো সাজিয়ে নেন, সেই অঙ্কেও নজর থাকবে। সূত্র : আনন্দবাজার

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

পশ্চিমবঙ্গে ভোটের দিনে বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ৩০ বিধানসভা আসনে শুরু হয়েছে প্রথম দফার নির্বাচন। ‘ভোট প্রথমা’র সকালেই পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়িতে বিজেপি কর্মীর রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। খবর আনন্দবাজার।

আজ শনিবার সকালে বাড়ির উঠোনে ওই ব্যক্তির রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিজেপি-র অভিযোগ তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা পিটিয়ে মেরেছে তাঁদের কর্মীকে। যদিও শনিবার সকাল ৯টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ ব্যাপারে তৃণমূলের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম মঙ্গল সোরেন। কেশিয়াড়ির বেগমপুরে বাড়ি তাঁর। পরিবারের অভিযোগ, অন্যত্র খুন করে দেহ বাড়ির উঠোনে ফেলে দিয়ে যাওয়া হয়েছে। মৃতের ঘাড়ে, মাথায় আঘাতের চিহ্নও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দেহ উদ্ধারের জন্য ইতিমধ্যেই সেখানে পৌঁছেছেন পুলিশের একটি দল।

দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে রিপোর্ট পাওয়ার পর নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই খুনের ঘটনার সঙ্গে নির্বাচনের কোনও সম্পর্ক নেই। জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, রাজনৈতিক সংঘর্ষে এই মৃত্যু হয়নি।

রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বললেন, ‘‘যেখানে যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস হারবে সেখানে ওরা অশান্তি সৃষ্টি করছে।’’ মঙ্গলের বাড়ি গেলেন বিজেপির প্রার্থী সোনালি মুর্মু। মঙ্গলের পরিবারের লোক জানিয়েছেন, সক্রিয়ভাবেই বিজেপি করতেন তিনি।

স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে, গতকাল তৃণমূলের সঙ্গে বচসা হয়েছিল মঙ্গলের। তার পরই পিটিয়ে মারা হয় তাঁকে। যদিও এ নিয়ে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

তবে কেশিয়াড়ির বেগমপুর এলাকা সকাল থেকেই উত্তপ্ত। সকালে সেখানে বিজেপির পোলিং এজেন্টের মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

গলওয়ানে ৫ অফিসার ও জওয়ান নিহত, স্বীকার করল চীন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : একতরফা প্রাণহানি ঘটেনি ভারতের। গলওয়ান সঙ্ঘর্ষে তাদের বেশ কয়েক জন সেনাও প্রাণ হারান। এত দিনে সে কথা মানল চিন। গত বছর গলওয়ানে ভারতীয় সেনার সঙ্গে সঙ্ঘর্ষে পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)-র ৫ অফিসার প্রাণ হারান বলে স্বীকার করল চিন। সংখ্যার হিসাব ভারত বা অন্য আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার সঙ্গে না মিললেও এই প্রথম চিন যে প্রাণহানির কথা মানল তা কূটনৈতিক সাফল্যে বলেই ধরছে দিল্লি।

দীর্ঘ টানাপড়েনের পর সম্প্রতি লাদাখে প্যাংগং হ্রদের তীর থেকে সেনা সরাতে শুরু করেছে চিন। তার মধ্যেই চিনা বাহিনীর সংবাদপত্র ‘পিএলএ ডেইলি’র একটি রিপোর্ট সামনে এনেছে চিন সরকারের মুখপত্র ‘গ্লোবাল টাইমস’। তাতে বলা হয়েছে, কারাকোরাম পর্বতে মোতায়েন ফ্রন্টিয়ার অফিসার এবং জওয়ান মিলিয়ে ৫ জনের কথা উল্লেখ করে সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন (সিএমসি) জানিয়েছে ২০২০ সালের জুনে গলওয়ানে ভারতের সঙ্গে সঙ্ঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে তাঁদের।

মৃতদের মধ্যে শিনজিয়াং মিলিটারি কম্যান্ডের রেজিমেন্টাল কম্যান্ডার কুই ফাবাওয়ের নাম সামনে এনেছে ‘গ্লোবাল টাইমস’। বাকিদের চেং হংজুন, চেন শিয়াংরং, শিয়াও সিউয়ান এবং ওয়াং ঝুরাং বলে শনাক্ত করা গিয়েছে। এঁদের মধ্যে চেং হংজুনকে সীমা সুরক্ষায় অবদানের জন্য বিশেষ মরণোত্তর সম্মান প্রদান করা হয়েছে। বাকিদেরও প্রথম শ্রেণির জওয়ান হিসেবে মরণোত্তর সম্মান জানানো হয়।

ভারতীয় এলাকায় প্রবেশ ঘিরে গত বছর ১৫ জুন গলওয়ান উপত্যকায় ভারতীয় সেনার সঙ্গে সঙ্ঘর্ষ বাধে চিনা বাহিনীর। তাতে প্রাণ হারান ২০ জন ভারতীয় জওয়ান। চিনের তরফেও প্রাণহানি ঘটেছে বলে জানায় ভারতীয় সেনা। কিন্তু এত দিন হতাহতের কোনও পরিসংখ্যানই সামনে আনেনি চিন। বরং হতাহতের বিষয়টিকেই ভুয়ো খবর বলে উড়িয়ে দিয়েছিল তারা। যদিও রুশ সংবাদ সংস্থা ‘টাস’ যে পরিসংখ্যান সামনে আনে, সেই অনুযায়ী গলওয়ান সঙ্ঘর্ষে চিনা বাহিনীতে ৪৫ জনের প্রাণহানি ঘটে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

মোদীর নেতাজি কমিটিতে সৌরভ, মমতা-বুদ্ধদেব, মিঠুন-কাজল
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : আগামী ২৩ জানুয়ারি থেকেই সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন শুরু করতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। এর জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন হবে বলে আগেই টুইট করে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এ বার সেই কমিটি গঠন হল। মোদীর সেই কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং প্রাক্তন ক্রিকেটার ও বর্তমান বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। কমিটিতে রয়েছেন বলিউডের দুই বাঙালি তারকা মিঠুন চক্রবর্তী এবং কাজলও।

কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের তরফে শুক্রবার একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ওই কমিটির কথা জানানো হয়েছে। কমিটির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী। সঙ্গে রয়েছেন ৮৪ জন সদস্য। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ-সহ ৭ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সেখানেও বাংলার দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় ও দেবশ্রী চৌধুরীর নাম রয়েছে।

এই ধরনের কমিটিতে কাউকে নিতে গেলে আগে থেকে তাঁদের অনুমোদন নেওয়াটাই দস্তুর। এ ক্ষেত্রে মমতা, বুদ্ধদেব, সৌরভ ইত্যাদিদের কাছে এমন কোনও লিখিত বা মৌখিক অনুমোদন নেওয়া হয়েছে কি না জানা যাচ্ছে না। ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, হতে পারে নেতাজিকে শ্রদ্ধা জানানো সংক্রান্ত কমিটিতে থাকতে কেউ আপত্তি করবেন না ধরে  নিয়েই এঁদের নাম অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। পরে চিঠি দিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে তাঁদের বিষয়টি জানানো হবে। আবার অনেকের মতে, হতে পারে এঁদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও প্রতিনিধি আগে থেকে কথা বলে রেখেছেন। তবে যাই-ই হয়ে থাকুক, তা জানানো হয়নি। সরাসরি কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে।

প্রত্যাশিত ভাবেই মোদীকে নিয়ে ৮৫ জনের কমিটির সদস্যদের বড় অংশই বাঙালি। মমতা, বুদ্ধদেব ছাড়াও রয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা সাংসদ এবং লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী। জায়গা পেয়েছেন দিলীপ ঘোষ-সহ বাংলার বিজেপি সাংসদরাও। সদ্য তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে যোগ দেওয়া বর্ধমান পূর্বের সাংসদ সুনীল মণ্ডলও রয়েছেন কমিটিতে। জায়গা পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীও। বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার আগে বিধায়ক পদ ছেড়ে দিলেও বিজ্ঞপ্তিতে শুভেন্দুকে রাজ্যের বিধায়ক হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে। যা থেকে অনুমান করা যায়, কমিটির সদস্যদের নাম খুব সাম্প্রতিক অতীতে ঠিক করা হয়নি।

কমিটির যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে একটা বিষয় পরিষ্কার যে, সমাজের সব ক্ষেত্রের বিশিষ্টদেরই সেখানে রাখা হয়েছে। সেই হিসেবে প্রাক্তন সৌরভের সঙ্গেই রয়েছেন ভারতীয় ফুটবল দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সুব্রত ভট্টাচার্যও। সঙ্গীতশিল্পী, সুরকার এবং গায়ক এ আর রহমানের সঙ্গে রয়েছেন বলিউডের মিঠুন, কাজল। কমিটিতে চন্দ্রকুমার বসু-সহ নেতাজির পরিবারের কয়েকজন সদস্য এবং আইএনএ বাহিনীর স্বাধীনতাসংগ্রামীদেরও প্রতিনিধিত্ব রয়েছে।

ওড়িশার কটকে জন্ম হয়েছিল সুভাষচন্দ্রের। সেই হিসেবে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়কও রয়েছেন কমিটিতে। রাখা হয়েছে উত্তর-পূর্বের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকেও। তবে নেতাজির কর্মভূমি বাংলার প্রতিনিধিত্বই বেশি। কমিটিতে রয়েছেন তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যপাধ্যায়, অভিনেতা কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, নেতাজি গবেষক পূরবী রায় প্রমুখ। সূত্র : আনন্দবাজার

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

মহারাষ্ট্রে হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১০ নবজাতকের মৃত্যু
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের মহারাষ্ট্রে একটি হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ভান্ডারা জেনারেল হাসপাতালে লাগা আগুনে ১০ নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে হাসপাতালের শিশু বিভাগে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিউজ এইটিনের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ  জানা যায়নি। তবে শর্ট-সার্কিটের জেরে আগুন লাগতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

এ মর্মান্তিক ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার সকালে টুইটবার্তায় মোদি বলেন, মহারাষ্ট্রের ভান্ডারায় হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। আমরা অনেক কমবয়স্কদের হারিয়েছি। শোকসন্তপ্ত পরিজনদের সমবেদনা জানাচ্ছি। আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে বলে আশাপ্রকাশ করছি।

ভান্ডারার সিভিল সার্জন প্রমোদ খানদাতে জানান,  শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে হাসপাতালের শিশু বিভাগে আগুন লাগে। সেখানে ১৭ শিশুর চিকিৎসা চলছিল। একজন নার্স প্রথম এই বিভাগ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে দ্রুত হাসপাতালের অন্য কর্মী ও চিকিৎসকদের খবর দেন।

তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করতে থাকেন হাসপাতালের কর্মীরা। এরপর দ্রুত খবর পাঠানো হয় ফায়ার সার্ভিসে। তারা এসে শুরু করে উদ্ধারকাজ। সাত শিশুকে উদ্ধার করা গেলেও অন্য ১০ শিশু মারা যায়। এদের বয়স এক থেকে তিন মাস।

উদ্ধার করা সাত শিশুকে অন্য একটি ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। আইসিইউ ওয়ার্ড, ডায়ালাইসিস ইউনিট ও লেবার ওয়ার্ডের রোগীদেরও সরিয়ে নেওয়া হয় অন্যত্র।

স্বাধীন বাংলা/এআর

‘বাংলাদেশ কবে ভ্যাকসিন পাবে সুনির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না’
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দ্বোরাইস্বামী বলেছেন, সেরাম ইন্সটিটিউট সমন্বিত অক্সফোর্ড-এস্ট্রোজেনেকা’র ভ্যাকসিন রপ্তানিতে বাধা নেই ভারতের। তবে নিজেদের ব্যবহারের পর প্রতিষ্ঠানটি আর কতোটা ভ্যাকসিন উৎপাদন করতে পারে তার ওপর নির্ভর করছে রপ্তানি। ফলে বাংলাদেশ কবে এ টিকা পাবে, তা এখনই সুনির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান দ্বোরাইস্বামী। ভারতীয় হাই কমিশনার বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন এ ভ্যাকসিনটি মানবতার জন্য। আমাদের নিজেদের জনগণের বাইরে এটির ব্যবহারে সবচেয়ে বেশি প্রাধ্যান্য দেওয়া হবে আমাদের প্রতিবেশি দেশকে। এর চেয়ে বেশি কি নিশ্চয়তা দেয়া যায়, আমার জানা নেই। বাংলাদেশ কবে এ টিকা পাবে, তা এখনই সুনির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।

বিক্রম দ্বোরাইস্বামী বলেন, ভ্যাকসিন উৎপাদন কেবল শুরু হয়েছে। ভারত সরকার ভ্যাকসিন শুধু জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। নিজেদের ব্যবহারের পর সেরাম কতটা ভ্যাকসিন উৎপাদন করতে পারে তার ওপর নির্ভর করছে রপ্তানি। আগে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে তারপরই ভ্যাকসিন রপ্তানি করা হবে। সেরাম ইন্সটিটিউট সমন্বিত অক্সফোর্ড-এস্ট্রোজেনেকা’র ভ্যাকসিন রপ্তানিতে বাংলাদেশসহ প্রতিবেশি রাষ্ট্রগুলো গুরুত্ব পাবে বলেও জানান ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দ্বোরাইস্বামী।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

খোলা বাজারে মার্চ মাসে আসতে পারে করোনা টিকা : সিরাম সিইও
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : সিরাম ইনস্টিটিউটের সিইও আদর পুনাওয়ালা জানিয়েছেন, মার্চ মাসে বেসরকারি হাসপাতাল ও সংস্থার হাতে এসে পৌঁছতে পারে করোনার টিকা। করোনা টিকা দেওয়া শুরু হওয়ার পর ৫-৬ কোটি কোভিশিল্ডসরকারের নির্দেশিকা মতো দেওয়া হবে। তারপর মার্চ মাসে বেসরকারি সংস্থা ও হাসপাতালের হাতে পৌঁছে দেওয়া হতে পারে টিকা, খবর এমনই। ফলে মনে করা হচ্ছে, সাধারণ মানুষ, যাঁরা সরকারি নির্দেশিকা মতো প্রথম পর্যায়ে টিকা নেওয়ার তালিকায় পড়েন না, তাঁরা ওই সময় টিকা পেতে পারেন।

কেন্দ্রীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিসিজিআই সিরাম ইনস্টিটিউটকে ইতিমধ্যে অক্সফোর্ডের টিকা নিয়ন্ত্রিত ও জরুরি ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র দিয়েছে। সেই কারণে সংস্থা প্রথমেই টিকা বেসরকারি সংস্থার হাতে পৌঁছে দিতে পারবে না। পাশাপাশি, বিদেশে রফতানিও করা যাবে না। প্রাথমিক ভাবে শুধু সরকারের কাছেই টিকা পৌঁছে দিতে হবে সংস্থাকে। তবে টিকার বিশ্বাসযোগ্যতাকে জনমানসে আরও প্রতিষ্ঠা দেওয়ার জন্য আদর পুনাওয়ালা নিজে দ্রুত করোনার টিকা নেবেন বলে জানিয়েছেন। সূত্র : আনন্দবাজার

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

ভারতে করোনার নতুন ধরনে আক্রান্ত ৬ জন
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারতে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন শনাক্ত হয়েছে। যুক্তরাজ্য ফেরত ৬ জনের শরীরে নতুন স্ট্রেন শনাক্ত হয়েছে।

আক্রান্তদের মধ্যে তিনজন বেঙ্গালুরুর, দুইজন হায়দরাবাদের ও একজন পুনের বাসিন্দা। তাদেরকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এছাড়া এই ৬ জনের সংস্পর্শে যারা এসেছিলেন তাদেরকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে যুক্তরাজ্যের করোনার নতুন ধরন শনাক্ত হয়। গত বছর উহানে করোনার যে স্ট্রেনটি শনাক্ত হয়েছিল এটি তারচেয়েও ৭০ গুণ বেশি সংক্রামক। ইতোমধ্যে করোনার নতুন ধরন ১৪টি দেশে শনাক্ত হয়েছে।  

গত ২৫ নভেম্বর থেকে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাজ্য থেকে ভারতে ফিরেছেন ৩৩ হাজার যাত্রী। এদের করোনায় আক্রান্ত ছিলেন ১১৫ জন। তাদের প্রত্যেকের শরীরের নমুনা ‘জিনোম সিকোয়েন্সিং’র জন্য পাঠানো হয়েছিল। যার মধ্যে ছয়জনের শরীরে শনাক্ত হয়েছে কোভিড-১৯ এর নতুন স্ট্রেন।

স্বাধীন বাংলা/এআর

কোভিড-১৯ : ভারতে শনাক্ত রোগী ১ কোটি ছাড়াল
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বে দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারতে মহামারি নভেল করোনাভাইরাসে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রান্তের সংখ্যায় কোটির ঘর ছাড়িয়েছে।

ভারতে এখন সংখ্যা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ কোটি ৪ হাজার ৮২৫ জন। বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশটিতে মোট মৃত্যু হয়েছে এক লাখ ৪৫ হাজার ১৭৭১ জনের।

৩০ জানুয়ারি ভারতে প্রথম করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর গত ১৯ মে আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখে পৌঁছায়। সংক্রমণ বাড়তে থাকায় মাত্র ১৭ দিনে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা  ২ লাখে পৌঁছে যায়। এরপর ২৭ জুন ৫ লাখ ও ১৭ জুলাই সংক্রমণ ১০ লাখে পৌঁছায় । এছাড়া শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৭ অগস্ট ২০ লাখ এবং ১৬ সেপ্টেম্বর ৫০ লাখে পৌঁছায়।

স্বাধীন বাংলা/এআর

কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে অনশনে ভারতের কৃষকরা
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কৃষি আইন প্রত্যাহার করার দাবিতে এবার অনশন শুরু করেছেন ভারতের বিক্ষোভরত কৃষকরা। সোমবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই অনশন চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত পর্যন্ত। এছাড়া আন্দোলন জোরদার করতে পরবর্তীতে আবারও অনশন পালন করার ঘোষণা দিয়েছেন কৃষকরা।

এদিকে কৃষকদের এই আন্দোলনে সমর্থন জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি বলেন, আমি কৃষকদের অনশনে যোগ দিব। আম আদমি পার্টির স্বেচ্ছাসেবকদেরও আমি অনশনে যোগ দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। সরকারের উচিত দ্রুত কৃষকদের দাবি মেনে নেয়া।

অপরদিেেক রোববার ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বাড়িতে বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিংহ তোমর এবং বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী সোম প্রকাশ। বৈঠকের পরে তোমর কৃষকদের আন্দোলন প্রত্যাহারের অনুরোধ করলেও অনশন চালিয়ে যাওয়ার প্রশ্নে অনড় থাকেন কৃষক নেতারা।

গত ১৮ দিন ধরে দিল্লি সীমানা অবরোধ করে বসে রয়েছেন পাঞ্জাব ও হরিয়ানার কৃষকরা।  কিন্তু ভারত সরকার এখনো কৃষকদের দাবিতে সাড়া দেয়নি। এই অবস্থায় কৃষি আইন প্রত্যাহারে সরকারের উপর চাপ বাড়াতে সোমবার ন’ঘণ্টার অনশনের ডাক দেন তারা।

সিংঘু সীমানায় বসে কৃষক আন্দোলনের নেতা গুরনাম সিংহ চৌধুরি জানিয়েছেন, আইন প্রত্যাহার না-করা পর্যন্ত  আন্দোলন প্রত্যাহারের কোনো প্রশ্নই নেই। যত দিন গড়াচ্ছে, ততই আন্দোলনরত কৃষকদের সমর্থনে এগিয়ে আসছেন দেশের অন্যান্য প্রান্তের কৃষকরা।  

রাজস্থান থেকে ট্র্যাক্টর মিছিল করে এক দল কৃষক দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। তাদের রাজস্থান-হরিয়ানা সীমান্তে শাহজাহানপুরের কাছে আটকে দিয়েছে মনোহরলাল খট্টরের প্রশাসন। সেখানেই অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেছেন ওই কৃষকেরা। ফলে বন্ধ হয়ে গেছে দিল্লি-জয়পুর হাইওয়ে।

প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে চলা আন্দোলনে কোনো রফাসূত্র বার না-হওয়ায় অস্বস্তিতে কেন্দ্রও। গত পাঁচ দিনে আইআরসিটিসির মাধ্যমে শিখ সম্প্রদায়ের মানুষদের কাছে প্রায় দু’কোটি ইমেইল পাঠিয়েছে কেন্দ্র। নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পরে শিখদের জন্য যে ১৩ দফা কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন, তারই সবিস্তার খতিয়ান রয়েছে ওই ইমেইলে। এখনও পর্যন্ত তাতে বিশেষ লাভ হয়নি।

স্বাধীন বাংলা/এআর

তামিলনাড়ু উপকূলে আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় নিভার
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : আমফানের পর নিভার। পশ্চিমবঙ্গের পর এ বার তছনছ হচ্ছে তামিলনাড়ু উপকূল। ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার।

মাঝ রাতে ভারতের পূর্ব উপকূলে আছড়ে পড়ল সাইক্লোন নিভার। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রাত আড়াইটা নাগাদ পুদুচেরিতে আঘাত করেছে নিভার। তারপর ক্রমশ তা সরে গিয়েছে তামিলনাড়ুর দিকে। সকালের দিকে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নিয়ে ক্রমশ উত্তরে উঠতে শুরু করেছে সাইক্লোনটি। তবে রাতের চেয়ে তার শক্তি অনেকটাই কমেছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

কয়েক মাস আগে পশ্চিমবঙ্গের উপকূল তছনছ হয়ে গিয়েছিল সাইক্লোন আমফানের দাপটে। বঙ্গোপসাগর লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা আমফানের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছিলেন, আমফানের মতোই পুদুচেরিতে আঘাত হানতে পারে নিভার। ঝড়ের দাপটে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে উপকূলের বসতি। প্রশাসন অবশ্য কোনো ঝুঁকি নেয়নি। দুই দিন আগেই এলাকা থেকে সরিয়ে দিয়েছিল সাধারণ মানুষকে। ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিমকেও আগে থেকে পাঠিয়ে রাখা হয়েছিল এলাকায়। দ্রুত যাতে তারা ব্যবস্থা নিতে পারে।

হাওয়া অফিসের রাত সোয়া তিনটের বুলেটিন অনুযায়ী, আড়াইটে নাগাদ নিভার প্রথম স্থলভাগে ঢোকে। সাইক্লোনের চেহারা নিয়েই স্থলভাগে প্রথম আঘাত করে ঝড়টি। তারপর দ্রুত তা শক্তি হারিয়ে ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নেয়। ঝড়ের দাপটে পুদুচেরি, কাড্ডালাোর, চেন্নাইয়ে প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে সকাল থেকে, সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া। সকালেও তার গতিবেগ ছিল ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার। তবে বিকেলের দিকে ঝড়ের গতিবেগ অনেকটাই কমবে বলে জানানো হয়েছে। বৃষ্টি চলবে।

এখনো পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির হিসেব জানা যায়নি। ঝড় না থামলে উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলির অবস্থা ঠিক ভাবে জানা যাবে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে প্রাণহানির আশঙ্কা কম বলে জানিয়েছে সরকার। কারণ, আগেই সকলকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার পুদুচেরি এবং তামিলনাড়ু সরকারকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছে। সূত্র : ডয়চে ভেলে


স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

আদালতের নির্দেশে লাগাম পুজোর ভিড়ে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : ইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী দুর্গোৎসব পালিত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের অধিকাংশ জায়গায়৷ এবার ভিড় অনেকটাই কম৷ মণ্ডপ থেকে কিছুটা দূরে আটকে দেওয়া হচ্ছে দর্শনার্থীদের৷

যে উদ্যোক্তারা নির্দেশ অমান্য করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হতে পারে৷

করোনা পরিস্থিতিতে দুর্গাপুজো নিয়ে আইনি লড়াইয়ের পর কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, দর্শনার্থীদের মণ্ডপের ভিতর প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না৷ছোট ও বড় মণ্ডপের ক্ষেত্রে ব্যারিকেডের বাইরে থাকছেন দর্শনার্থীরা৷ ষষ্ঠী-সপ্তমীর অনেক আগে থেকেই যে সব মণ্ডপ প্লাবিত হয় মানুষের স্রোতে, সেই জায়গায় অনেকটাই ফাঁকা-ফাঁকা৷

উত্তরের শ্রীভূমি স্পোর্টিং, দমদম পার্ক থেকে দক্ষিণে একডালিয়া এভারগ্রিন, মুদিয়ালি- সর্বত্রই প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে পুজো হচ্ছে৷

রাজ্য সরকার আগেই বলেছিল, এবার খোলামেলা মণ্ডপ করতে হবে৷ যারা এ ধরনের মণ্ডপ তৈরি করেছে, তাদের বিশেষ সমস্যা নেই যদি না সংকীর্ণ পথের উপর পুজো হয়৷ নলিন সরকার স্ট্রিট, কুমোরটুলি সর্বজনীনের মতো পুজো সরু রাস্তার উপর হওয়ায় উদ্যোক্তারা বিপাকে পড়েছেন৷ যে কমিটিগুলি অন্যান্য বছরের মতো কারুকাজসহ মণ্ডপ করেছে, তাদের হতাশা বেশি৷মণ্ডপের ভিতর দর্শনার্থীরা প্রবেশ করতে পারছেন না, তার উপর দূর থেকে প্রতিমা নজরে আসছে না৷ এত দ্রুত মণ্ডপ খুলে বিকল্প ব্যবস্থা করারও সময় পেরিয়ে গিয়েছে৷ যোধপুর পার্কের মতো বারোয়ারি পুজো কমিটি অভিনব পদক্ষেপ নিয়েছে৷ তারা দুর্গার মূর্তি গাড়িতে চাপিয়ে এলাকা পরিক্রমা করাচ্ছে যাতে শুধু অনলাইনে নয়, বাড়ির বারান্দা থেকেই ঠাকুর দেখা হয়ে যায়৷

এরই মধ্যে নিম্নচাপ হানা দেওয়ায় আকাশের মুখ ভার৷ কোভিড সংক্রমণের আশঙ্কা, মণ্ডপে ঢুকে প্রতিমা দর্শনের অনুমতি না থাকা ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় রাস্তায় মানুষজনের সংখ্যা বেশ কম৷শহরতলির ট্রেন পরিষেবা বন্ধ থাকায় দূরের জেলা থেকে দর্শনার্থীরা কলকাতায় আসতে পারছেন না৷ তাই কেউ মনে করতে পারছেন না, কবে শহরে এমন নিষ্প্রভ শারদোৎসব হয়েছে৷ খিদিরপুর ভেনাস ক্লাবের পুজোয় উদ্যোক্তারা ‘নো এন্ট্রি` বোর্ড লাগিয়ে দিয়েছেন৷ এই কমিটির সভাপতি তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘বিচ্ছিন্নভাবে কয়েকজন প্রতিমা দর্শন করতে আসছেন৷ ভিড় নেই বললেই চলে৷ প্রতিবার লম্বা লাইন পড়ে আমাদের মণ্ডপে প্রবেশের জন্য৷ রাত একটা পর্যন্ত আমাদের স্বেচ্ছাসেবকরা ভিড় সামাল দিতে হিমশিম খেয়ে যান৷ কিন্তু এই ৭৫তম বছরটাই সাদামাটাভাবে চলে গেল৷’’ বাগবাজার, তেলেঙ্গাবাগান, বোসপুকুর, নাকতলা, বেহালা, ম্যাডক্স স্কোয়্যার-সহ যে সব স্থানে গভীর রাত পর্যন্ত ভিড় দেখা যায়, সেখানে দর্শনার্থীর সংখ্যা এবার নগণ্য৷

মণ্ডপের ভিতরে দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ব্যারিকেডের ওধারে সামাজিক দূরত্বের বিধি সেভাবে মানা হচ্ছে না৷ সেখানে জটলা দেখা যাচ্ছে৷ গোল দাগ কাটা হলেও তার মধ্যে দাঁড়িয়ে প্রতিমা দেখার মতো সুশৃঙ্খল চেষ্টা নজরে পড়ছে না৷ জনতার একাংশ মাস্ক পড়ছে দায়সারাভাবে৷ স্যানিটাইজারের ব্যবহার নেই সর্বত্র৷ খাবার দোকানে ভিড় রয়েছে৷ তাই সংক্রমণের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে৷ অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, ভাইরাস কি শুধু মণ্ডপের ভিতরেই রয়েছে, বাইরে নেই? বৃহস্পতিবারের হিসেবেও যেখানে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা চার হাজারের বেশি, সেখানে উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে৷চিকিৎসকদের বক্তব্য, কোভিড চিকিৎসার যে পরিকাঠামো রাজ্যে রয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ ব্যবহার হয়ে গিয়েছে৷ সংক্রমণের হার আরো বাড়লে হাসপাতালে জায়গা দেওয়া সম্ভব হবে না৷

সাধারণ মানুষের মধ্যে এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে৷অনেকেই প্রতিমা দেখতে না পাওয়ায় হতাশ, তবে কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এই আপস করতে তারা রাজি৷ নাকতলার বাসিন্দা ঐশী সরকার ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘সাজগোজ করার সুযোগ নেই৷ মাস্ক পরে পুজো দেখতে হচ্ছে৷ তা-ও প্রতিমাও ঠিক করে দেখতে পাচ্ছি না৷ঘোরার ইচ্ছেটাই চলে গিয়েছে৷’’ কলকাতা ছাড়িয়ে জেলার বড় শহরগুলিতেও প্রশাসনিক কড়াকড়ি দেখা যাচ্ছে৷কিন্তু বাংলার গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার মণ্ডপে আদালতের নির্দেশ সেভাবে মানা হচ্ছে না৷

যদিও সার্বিক পরিস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পুজো নিয়ে আইনি লড়াইয়ে যুক্ত আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য৷তিনি বলেন, ‘‘রাস্তায় ভিড় অনেকটাই কম৷অধিকাংশ উদ্যোক্তাই আদালতের নির্দেশ মেনে চলছেন৷যাঁরা মানছেন না, তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তীতে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হতে পারে৷’’ প্রশাসনের কাজকর্মে অনেকটাই সন্তুষ্ট আইনজীবীর বক্তব্য, ‘‘এটাকে মডেল করে পরবর্তী পুজোগুলিতেও ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে৷ তা হলে আলাদা করে আদালতের নির্দেশ নেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না৷’’ সূত্র : ডয়চে ভেলে

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

এই কলকাতাই তাবলিগের সমালোচনা করেছিল না?
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : করোনার জন্য তাবলিগকে দায়ী করেছিল যে কলকাতা, আজ তারাই লাখে লাখে রাস্তায় নেমে পড়েছে পুজোর উন্মাদনায়।

বেশি দিন নয়, মাত্র মাস সাতেক আগের কথা। করোনা-লকডাউন তখনো শুরু হয়নি ভারতে। মার্চের মাঝামাঝি সময়ে দিল্লিতে সভা আয়োজন করেছিল তাবলিগ জামাত। প্রায় হাজার দু`য়েক সদস্য দেশ বিদেশ থেকে এসে সেই সভায় যোগ দিয়েছিলেন। ভারতে তখন দৈনিক করোনা সংক্রমণ হাজারেরও কম। এর এক সপ্তাহের মধ্যে জানা যায়, ওই জমায়েতে যাঁরা যোগ দিয়েছিলেন তাঁদের মাধ্যমে করোনা ছড়িয়েছে। পুলিশ এবং প্রশাসন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়। গোটা দেশ জুড়ে প্রাথমিক ভাবে তাবলিগের বিরুদ্ধে এবং তার পর গোটা মুসলিম সমাজের বিরুদ্ধেই বিদ্বেষ ছড়িয়ে পড়ে। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে রাজনৈতিক ভাষ্য, সর্বত্রই ভারতে করোনা ছড়িয়ে পড়ার জন্য তাবলিগকে দায়ী করা হয়।

সাত মাস পরের ছবিটা কী? দেশে প্রতিদিন সংক্রমণ হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ হাজার। লকডাউন উঠে গিয়েছে। সব কিছু স্বাভাবিক। এবং তারই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে দুর্গা পুজোর ধূম লেগেছে। শুধু কলকাতাতেই প্রায় ৩০ হাজার পুজোর আয়োজন হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার ষষ্ঠী। পুজোর প্রথম দিন। তার অন্তত চার দিন আগে থেকেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন দর্শনার্থীরা। লাখ লাখ মানুষ বেরিয়ে পড়েছেন পুজোর বাজারে। করোনা বলে যে কোনো প্যানডেমিকের অস্তিত্ব আছে, কলকাতার চেহারা দেখলে তা বোঝার উপায় নেই। এতটুকু জৌলুস কমেনি কোনো পুজোর। উদ্যোক্তারা রাস্তা বন্ধ করে, বাঁশ বেঁধে, মাস্ক গলায় ঝুলিয়ে দর্শনার্থীদের মণ্ডপে আসার আসার আহ্বান জানাচ্ছেন প্রতি বছরের মতোই।

যাঁরা পুজোর আয়োজন করছেন, যাঁরা পুজো দেখতে এর মধ্যেই লাইন লাগিয়েছেন, যাঁরা ভিড় ঠেলে ব্যাগ বোঝাই বাজার করছেন, তাঁদের অনেকেই, সাত মাস আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় `অমানুষ` বলে তাবলিগের বিরুদ্ধে গালাগালির বন্যা বইয়েছিলেন। হ্যাঁ, তাঁরাই দাবি করেছিলেন তাবলিগের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। হ্যাঁ, তাঁরাই প্রতিদিন টেলিভিশন চ্যানেল, নিউজ প্রিন্ট, সোশ্যাল মিডিয়ার অপরিসীম স্পেসে নিত্যনৈমিত্তিক বিচারসভা সভা বসিয়েছেন একটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। প্রশ্ন করতে ইচ্ছে হয়, লাখ লাখ মানুষের ভিড়ে ঠাঁসা শারদ উৎসবের কলকাতার বিচার করবে কে?

বিচার হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টপুজো দেখার উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। আর তা নিয়ে গোঁসাও হয়েছে কর্মকর্তা এবং দর্শনার্থীদের। বাৎসরিক উৎসবে বাধা পড়ায় তাঁদের মেজাজ খারাপ। হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছে, তা সময়ের দাবি। কিন্তু মানসিকতার বিচার হয় কি? আদালতের রায় বলছে, মণ্ডপের পাঁচ থেকে ১০ মিটারের মধ্যে ব্যারিকেড লাগিয়ে দিতে হবে। যাতে দর্শনার্থীরা ভিড় করে মণ্ডপে ঢুকতে না পারেন। একটু আগেই কলকাতার এক বড় পুজোর কর্মকর্তা তথা তৃণমূলের প্রথম সারির নেতার সঙ্গে ফোনে কথা হলো। খুব জোরের সঙ্গে বললেন, মণ্ডপে ঢুকতে নিষেধ করেছে আদালত, মণ্ডপ দেখায় তো আপত্তি করেনি! দর্শনার্থীরা আসবেন এবং দূর থেকে মণ্ডপ দেখে চলে যাবেন। এমন ব্যবস্থা করব, যাতে দূর থেকেই মণ্ডপের ভিতরটাও দেখা যায়। তাঁকে প্রশ্ন করেছিলাম, তাবলিগ নিয়ে আপনিও সরব হয়েছিলেন না? কথা ঘুরিয়ে দিলেন নেতাবাবু।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কথা ঘুরে যায়। যে ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সাত মাস আগে বিচার সভা বসেছিল সোশ্যাল নেটওয়ার্কের ওয়ালে ওয়ালে, তাঁরা কিন্তু দু`টো ঈদ কার্যত বাড়িতে বসে কাটিয়ে দিয়েছেন। ইমাম থেকে শুরু করে একাধিক মুসলিম সংগঠন সকলের কাছে একবার নয়, একাধিকবার আবেদন করেছিলেন, যাতে সকলে বাড়িতে বসে উৎসব পালন করেন। ভিড় না করেন। ঈদের বাজারেও তার প্রভাব দেখা গিয়েছে। শুধু কলকাতাতেই প্রতি বছরের তুলনায় ৭০ শতাংশ কম বিকিকিনি হয়েছে ঈদের আগে। আর দুর্গাপুজোয়? হিসেবের দরকার নেই। ছবি কথা বলছে। লাখ লাখ বুদ্ধি-বন্ধক রাখা মানুষের জনসমুদ্র মনে পড়িয়ে দিচ্ছে `গণশত্রু`র কথা। ইবসেনের লেখা পড়ার দরকার নেই। সত্যজিৎ রায়ের ছবি তো অনেকেই দেখেছেন। দেখেছেন, কী ভাবে ধর্মান্ধ মানুষ অসুখ অস্বীকার করে মন্দিরে চরণামৃত খেতে গিয়েছেন। এবং তাতে সায় দিয়েছে রাজনীতি। যাঁরা প্রতিবাদ করেছেন, তাঁদের বাড়ি ঘর ভাঙচুর হয়েছে।

আসলে রাজনীতিই শেষ কথা। ক্ষমতাবানের রাজনীতি। সংখ্যায় যাঁরা কম, তাঁদের সব কাজেই দোষ। আর সংখ্যায় যাঁরা গুরু, তাঁদের কাজে কোনো অন্যায় নেই। তাঁদের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিচারসভা বসে না। তখন আর কেউ একটি সংগঠনের ভুলের সঙ্গে একটি গোটা ধর্মীয় গোষ্ঠীকে গুলিয়ে ফেলেন না।

লজ্জা করছে। কলকাতার মানুষ হিসেবে সত্যিই খুব লজ্জা করছে চোখের সামনে এই অন্যায় দেখতে দেখতে। দুই হাজার মানুষকে নিয়ে তাবলিগ যে অনুষ্ঠান করেছিল, তা ভুল ছিল, সন্দেহ নেই। লাখ লাখ মানুষ নিয়ে কলকাতায় এই মুহূর্তে যা চলছে, সেই ভুল তো সব মাপকাঠি ছাড়িয়ে গিয়েছে। প্রশাসন, সরকার, বিরোধী দল, জনগণ-- সকলে সেই ভুলের সমান অংশীদার। ধন্যবাদ কলকাতা হাইকোর্ট, ভুলটুকু অন্তত চোখে আঙুল দিয়ে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য। তবে তাতে মানসিকতা বদলাবে, এমনটা এখনও মনে করি না। সূত্র : ডয়চে ভেলে

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

দগ্ধ বহুতল ভবনে আবার আগুন, স্থানীয়রা আতঙ্কে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : সারা রাত দমকলের চেষ্টার পর নিয়ন্ত্রণে আসে মধ্য কলকাতার গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউর বহুতলের আগুন। কিন্তু শনিবার সকালে সেই বহুতলের সাততলা থেকে গলগল করে কালো ধোঁয়া বেরতে শুরু করে। যার জেরে আজ ফের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকাবাসীর মধ্যে। শুক্রবার রাতের আগুনে কার্যত কঙ্কাল বেরিয়ে পড়েছে ৮০ বছরের ওই পুরনো বহুতলের। দমকলকর্মীরাও অবাক হয়ে যাচ্ছেন বহুতলটির হাল দেখে।

দমকলকর্মীরা জানিয়েছেন, বহুতলের ভিতরে আসবাবের ফুলকি থেকেই শনিবার সকালে ফের আগুন লেগেছিল সাততলায়। সে জন্যেই নতুন করে বের হয় কালো ধোঁয়া। যদিও তার পর তা নিভিয়েও ফেলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দমকলকর্মীরা।

বহুতলের বাসিন্দাদের দাবি, এক তলার মিটার বক্সে প্রথমে আগুন লাগে। তা লাগার পরই তারের জটলার মাধ্যমেই বহুতলের অন্যান্য তলায় আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল। পাশাপাশি ধোঁয়ায় ভরে গিয়েছিল গোটা বহুতল। যার জেরে স্বাভাবিকভাবেই ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। হুড়োহুড়ি শুরু হয় সেখানকার বাসিন্দাদের মধ্যে। সেই আতঙ্কেই বহুতল থেকে ঝাঁপ মেরেছিল ১৪ বছরের ইউনুস। যার জেরে গুরুতর আহত হয় সে। মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়ার পর মৃত্যুও হয় তার। ওই বহুতলের বাসিন্দা ৮০ বছরের শামিনা বেগম আটতলার বাথরুমে আটকে পড়েন। আগুন ও ধোঁয়ার কারণে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। এ ছাড়া তিনজন বাসিন্দা আহত হয়ে মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন।

আটতলার ওই বাড়িতে বসবাসের পাশাপাশি অফিস-দোকানও ছিল। কিন্তু ঢোকা-বেরনোর রাস্তা একটিই। সেখানকার এক চিলতে সিঁড়ি দিয়ে তিনজনের ওঠা নামা করাই দায়। কিন্তু তার উপরই প্রত্যেক তলার কমন প্যাসেজে ডাঁই করে রাখা জিনিসপত্র। সে সব পেরিয়েই যাতায়াত করতেন বাসিন্দারা। এর পাশাপাশি বিদ্যুতের তারের জটলা তো রয়েইছে। বহুতলটিতে মাকড়সার জালের মতো ছড়িয়ে ছিল বিদ্যুতের তার। সব মিলিয়ে জতুগৃহে পরিণত হয়েছিল গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউর ওই বাড়ি।

নীচের তলায় প্রথম আগুন লাগায় সেখানকার বাসিন্দারা উপরের তলে উঠতে শুরু করেন। সে সময় বহুতলের ছাদের দরজা খোলা ছিল। সে জন্যই ব্যাপক প্রাণহানি এড়ানো গিয়েছে বলে মত দমকলের। পুলিশের নির্দেশে বাসিন্দারা ছাদে উঠে যান। ছাদ থেকে হাইড্রলিক ল্যাডারের মাধ্যমে তাঁদের নামিয়ে আনেন দমকলকর্মীরা। এক দমকল আধিকারিক বলেন, ‘‘ছাদের দরজা খোলা ছিল বলে বড় বিপর্যয় এড়ানো গিয়েছে। না হলে যে রকম আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল তাতে স্টিফেন কোর্টের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে পারত।”

আজ ওই বহুতলে আসবেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। ইতিমধ্যেই পুলিশ ও দমকল গোটা ঘটনার যৌথ তদন্ত শুরু করেছে। দমকল আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ওই বাড়িতে অগ্নি নির্বাপণের ন্যূনতম ব্যবস্থাও ছিল না। একটি বহুতলে আপৎকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় যা থাকার দরকার তার কিছুই ছিল না গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউর বহুতলে। আগুন নেভানোর জলের লাইন সেখানে আদৌ ছিল কি না তাও খতিয়ে দেখছে দমকল। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর বহুতলের অবস্থা ভয় পাওয়াচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের। সূত্র : আনন্দবাজার

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ


   Page 1 of 3
     প্রতিবেশি
টানা তৃতীয় দিন ভারতে দেড় লাখের বেশি রোগী শনাক্ত
.............................................................................................
ভারতে একদিনে ১ লাখ ৪৫ হাজারের বেশি রোগী শনাক্ত
.............................................................................................
প্রার্থী টলিউডের একঝাঁক শিল্পী, সম্পর্কের সরল-জটিল সমীকরণ
.............................................................................................
পশ্চিমবঙ্গে ভোটের দিনে বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা
.............................................................................................
গলওয়ানে ৫ অফিসার ও জওয়ান নিহত, স্বীকার করল চীন
.............................................................................................
মোদীর নেতাজি কমিটিতে সৌরভ, মমতা-বুদ্ধদেব, মিঠুন-কাজল
.............................................................................................
মহারাষ্ট্রে হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১০ নবজাতকের মৃত্যু
.............................................................................................
‘বাংলাদেশ কবে ভ্যাকসিন পাবে সুনির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না’
.............................................................................................
খোলা বাজারে মার্চ মাসে আসতে পারে করোনা টিকা : সিরাম সিইও
.............................................................................................
ভারতে করোনার নতুন ধরনে আক্রান্ত ৬ জন
.............................................................................................
কোভিড-১৯ : ভারতে শনাক্ত রোগী ১ কোটি ছাড়াল
.............................................................................................
কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে অনশনে ভারতের কৃষকরা
.............................................................................................
তামিলনাড়ু উপকূলে আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় নিভার
.............................................................................................
আদালতের নির্দেশে লাগাম পুজোর ভিড়ে
.............................................................................................
এই কলকাতাই তাবলিগের সমালোচনা করেছিল না?
.............................................................................................
দগ্ধ বহুতল ভবনে আবার আগুন, স্থানীয়রা আতঙ্কে
.............................................................................................
বিজেপি ভারতের সবচেয়ে বড় মহামারী : মমতা
.............................................................................................
বাংলাদেশে গরু পাচারে বিএসএফের যোগসাজশ
.............................................................................................
অন্তঃসত্ত্বা নাবালিকা মেয়েকে পিটিয়ে হত্যা করলেন বাবা
.............................................................................................
সীমান্ত হত্যাকে শূন্যে নামিয়ে আনা হবে : বিএসএফ মহাপরিচালক
.............................................................................................
বোরকা পরায় মুসলিম নারীকে শপিং মলে ঢুকতে বাধা
.............................................................................................
বাঙালি অভিনেত্রী রিয়ার সমর্থনে পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেসের মিছিল
.............................................................................................
ভারতে করোনার ভয়ঙ্কর রূপ, আক্রান্ত ও মৃত্যুর রেকর্ড
.............................................................................................
সংক্রমণে ব্রাজিলকে পেছনে ফেলে বিশ্বে দ্বিতীয় ভারত
.............................................................................................
প্রণব মুখার্জি কোমায়, নতুন পীড়া
.............................................................................................
ভারতে চব্বিশ ঘণ্টায় করোনায় ৮৩৬ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
গভীর কোমায় প্রণব মুখার্জী
.............................................................................................
৫ পাকিস্তানিকে গুলি করে হত্যা করেছে বিএসএফ
.............................................................................................
ভারতে করোনার মধ্যেই যেভাবে ভোট নেয়া হবে
.............................................................................................
শপিংমল খোলা, ধর্মীয় স্থান খুলতে আপত্তি কেন
.............................................................................................
প্রণব মুখার্জীর অবস্থার আরও অবনতি
.............................................................................................
করোনায় হার মানলেন পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সাংসদ
.............................................................................................
প্রণব মুখার্জী কোমায়
.............................................................................................
প্রণব মুখার্জি ভেন্টিলেশনে
.............................................................................................
প্রণব মুখার্জি করোনায় আক্রান্ত
.............................................................................................
করোনা চিকিৎসায় ব্যবহৃত হোটেলে আগুন, নিহত ৯
.............................................................................................
৯ দিনের শিশুর জটিল অপারেশন সফল
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT