রবিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২০ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   প্রতিবেশি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
তামিলনাড়ু উপকূলে আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় নিভার

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : আমফানের পর নিভার। পশ্চিমবঙ্গের পর এ বার তছনছ হচ্ছে তামিলনাড়ু উপকূল। ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার।

মাঝ রাতে ভারতের পূর্ব উপকূলে আছড়ে পড়ল সাইক্লোন নিভার। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রাত আড়াইটা নাগাদ পুদুচেরিতে আঘাত করেছে নিভার। তারপর ক্রমশ তা সরে গিয়েছে তামিলনাড়ুর দিকে। সকালের দিকে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নিয়ে ক্রমশ উত্তরে উঠতে শুরু করেছে সাইক্লোনটি। তবে রাতের চেয়ে তার শক্তি অনেকটাই কমেছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

কয়েক মাস আগে পশ্চিমবঙ্গের উপকূল তছনছ হয়ে গিয়েছিল সাইক্লোন আমফানের দাপটে। বঙ্গোপসাগর লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা আমফানের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছিলেন, আমফানের মতোই পুদুচেরিতে আঘাত হানতে পারে নিভার। ঝড়ের দাপটে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে উপকূলের বসতি। প্রশাসন অবশ্য কোনো ঝুঁকি নেয়নি। দুই দিন আগেই এলাকা থেকে সরিয়ে দিয়েছিল সাধারণ মানুষকে। ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিমকেও আগে থেকে পাঠিয়ে রাখা হয়েছিল এলাকায়। দ্রুত যাতে তারা ব্যবস্থা নিতে পারে।

হাওয়া অফিসের রাত সোয়া তিনটের বুলেটিন অনুযায়ী, আড়াইটে নাগাদ নিভার প্রথম স্থলভাগে ঢোকে। সাইক্লোনের চেহারা নিয়েই স্থলভাগে প্রথম আঘাত করে ঝড়টি। তারপর দ্রুত তা শক্তি হারিয়ে ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নেয়। ঝড়ের দাপটে পুদুচেরি, কাড্ডালাোর, চেন্নাইয়ে প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে সকাল থেকে, সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া। সকালেও তার গতিবেগ ছিল ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার। তবে বিকেলের দিকে ঝড়ের গতিবেগ অনেকটাই কমবে বলে জানানো হয়েছে। বৃষ্টি চলবে।

এখনো পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির হিসেব জানা যায়নি। ঝড় না থামলে উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলির অবস্থা ঠিক ভাবে জানা যাবে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে প্রাণহানির আশঙ্কা কম বলে জানিয়েছে সরকার। কারণ, আগেই সকলকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার পুদুচেরি এবং তামিলনাড়ু সরকারকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছে। সূত্র : ডয়চে ভেলে


স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

তামিলনাড়ু উপকূলে আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় নিভার
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : আমফানের পর নিভার। পশ্চিমবঙ্গের পর এ বার তছনছ হচ্ছে তামিলনাড়ু উপকূল। ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার।

মাঝ রাতে ভারতের পূর্ব উপকূলে আছড়ে পড়ল সাইক্লোন নিভার। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রাত আড়াইটা নাগাদ পুদুচেরিতে আঘাত করেছে নিভার। তারপর ক্রমশ তা সরে গিয়েছে তামিলনাড়ুর দিকে। সকালের দিকে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নিয়ে ক্রমশ উত্তরে উঠতে শুরু করেছে সাইক্লোনটি। তবে রাতের চেয়ে তার শক্তি অনেকটাই কমেছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

কয়েক মাস আগে পশ্চিমবঙ্গের উপকূল তছনছ হয়ে গিয়েছিল সাইক্লোন আমফানের দাপটে। বঙ্গোপসাগর লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা আমফানের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছিলেন, আমফানের মতোই পুদুচেরিতে আঘাত হানতে পারে নিভার। ঝড়ের দাপটে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে উপকূলের বসতি। প্রশাসন অবশ্য কোনো ঝুঁকি নেয়নি। দুই দিন আগেই এলাকা থেকে সরিয়ে দিয়েছিল সাধারণ মানুষকে। ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিমকেও আগে থেকে পাঠিয়ে রাখা হয়েছিল এলাকায়। দ্রুত যাতে তারা ব্যবস্থা নিতে পারে।

হাওয়া অফিসের রাত সোয়া তিনটের বুলেটিন অনুযায়ী, আড়াইটে নাগাদ নিভার প্রথম স্থলভাগে ঢোকে। সাইক্লোনের চেহারা নিয়েই স্থলভাগে প্রথম আঘাত করে ঝড়টি। তারপর দ্রুত তা শক্তি হারিয়ে ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নেয়। ঝড়ের দাপটে পুদুচেরি, কাড্ডালাোর, চেন্নাইয়ে প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে সকাল থেকে, সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া। সকালেও তার গতিবেগ ছিল ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার। তবে বিকেলের দিকে ঝড়ের গতিবেগ অনেকটাই কমবে বলে জানানো হয়েছে। বৃষ্টি চলবে।

এখনো পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির হিসেব জানা যায়নি। ঝড় না থামলে উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলির অবস্থা ঠিক ভাবে জানা যাবে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে প্রাণহানির আশঙ্কা কম বলে জানিয়েছে সরকার। কারণ, আগেই সকলকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার পুদুচেরি এবং তামিলনাড়ু সরকারকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছে। সূত্র : ডয়চে ভেলে


স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

আদালতের নির্দেশে লাগাম পুজোর ভিড়ে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : ইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী দুর্গোৎসব পালিত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের অধিকাংশ জায়গায়৷ এবার ভিড় অনেকটাই কম৷ মণ্ডপ থেকে কিছুটা দূরে আটকে দেওয়া হচ্ছে দর্শনার্থীদের৷

যে উদ্যোক্তারা নির্দেশ অমান্য করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হতে পারে৷

করোনা পরিস্থিতিতে দুর্গাপুজো নিয়ে আইনি লড়াইয়ের পর কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, দর্শনার্থীদের মণ্ডপের ভিতর প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না৷ছোট ও বড় মণ্ডপের ক্ষেত্রে ব্যারিকেডের বাইরে থাকছেন দর্শনার্থীরা৷ ষষ্ঠী-সপ্তমীর অনেক আগে থেকেই যে সব মণ্ডপ প্লাবিত হয় মানুষের স্রোতে, সেই জায়গায় অনেকটাই ফাঁকা-ফাঁকা৷

উত্তরের শ্রীভূমি স্পোর্টিং, দমদম পার্ক থেকে দক্ষিণে একডালিয়া এভারগ্রিন, মুদিয়ালি- সর্বত্রই প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে পুজো হচ্ছে৷

রাজ্য সরকার আগেই বলেছিল, এবার খোলামেলা মণ্ডপ করতে হবে৷ যারা এ ধরনের মণ্ডপ তৈরি করেছে, তাদের বিশেষ সমস্যা নেই যদি না সংকীর্ণ পথের উপর পুজো হয়৷ নলিন সরকার স্ট্রিট, কুমোরটুলি সর্বজনীনের মতো পুজো সরু রাস্তার উপর হওয়ায় উদ্যোক্তারা বিপাকে পড়েছেন৷ যে কমিটিগুলি অন্যান্য বছরের মতো কারুকাজসহ মণ্ডপ করেছে, তাদের হতাশা বেশি৷মণ্ডপের ভিতর দর্শনার্থীরা প্রবেশ করতে পারছেন না, তার উপর দূর থেকে প্রতিমা নজরে আসছে না৷ এত দ্রুত মণ্ডপ খুলে বিকল্প ব্যবস্থা করারও সময় পেরিয়ে গিয়েছে৷ যোধপুর পার্কের মতো বারোয়ারি পুজো কমিটি অভিনব পদক্ষেপ নিয়েছে৷ তারা দুর্গার মূর্তি গাড়িতে চাপিয়ে এলাকা পরিক্রমা করাচ্ছে যাতে শুধু অনলাইনে নয়, বাড়ির বারান্দা থেকেই ঠাকুর দেখা হয়ে যায়৷

এরই মধ্যে নিম্নচাপ হানা দেওয়ায় আকাশের মুখ ভার৷ কোভিড সংক্রমণের আশঙ্কা, মণ্ডপে ঢুকে প্রতিমা দর্শনের অনুমতি না থাকা ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় রাস্তায় মানুষজনের সংখ্যা বেশ কম৷শহরতলির ট্রেন পরিষেবা বন্ধ থাকায় দূরের জেলা থেকে দর্শনার্থীরা কলকাতায় আসতে পারছেন না৷ তাই কেউ মনে করতে পারছেন না, কবে শহরে এমন নিষ্প্রভ শারদোৎসব হয়েছে৷ খিদিরপুর ভেনাস ক্লাবের পুজোয় উদ্যোক্তারা ‘নো এন্ট্রি` বোর্ড লাগিয়ে দিয়েছেন৷ এই কমিটির সভাপতি তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘বিচ্ছিন্নভাবে কয়েকজন প্রতিমা দর্শন করতে আসছেন৷ ভিড় নেই বললেই চলে৷ প্রতিবার লম্বা লাইন পড়ে আমাদের মণ্ডপে প্রবেশের জন্য৷ রাত একটা পর্যন্ত আমাদের স্বেচ্ছাসেবকরা ভিড় সামাল দিতে হিমশিম খেয়ে যান৷ কিন্তু এই ৭৫তম বছরটাই সাদামাটাভাবে চলে গেল৷’’ বাগবাজার, তেলেঙ্গাবাগান, বোসপুকুর, নাকতলা, বেহালা, ম্যাডক্স স্কোয়্যার-সহ যে সব স্থানে গভীর রাত পর্যন্ত ভিড় দেখা যায়, সেখানে দর্শনার্থীর সংখ্যা এবার নগণ্য৷

মণ্ডপের ভিতরে দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ব্যারিকেডের ওধারে সামাজিক দূরত্বের বিধি সেভাবে মানা হচ্ছে না৷ সেখানে জটলা দেখা যাচ্ছে৷ গোল দাগ কাটা হলেও তার মধ্যে দাঁড়িয়ে প্রতিমা দেখার মতো সুশৃঙ্খল চেষ্টা নজরে পড়ছে না৷ জনতার একাংশ মাস্ক পড়ছে দায়সারাভাবে৷ স্যানিটাইজারের ব্যবহার নেই সর্বত্র৷ খাবার দোকানে ভিড় রয়েছে৷ তাই সংক্রমণের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে৷ অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, ভাইরাস কি শুধু মণ্ডপের ভিতরেই রয়েছে, বাইরে নেই? বৃহস্পতিবারের হিসেবেও যেখানে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা চার হাজারের বেশি, সেখানে উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে৷চিকিৎসকদের বক্তব্য, কোভিড চিকিৎসার যে পরিকাঠামো রাজ্যে রয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ ব্যবহার হয়ে গিয়েছে৷ সংক্রমণের হার আরো বাড়লে হাসপাতালে জায়গা দেওয়া সম্ভব হবে না৷

সাধারণ মানুষের মধ্যে এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে৷অনেকেই প্রতিমা দেখতে না পাওয়ায় হতাশ, তবে কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এই আপস করতে তারা রাজি৷ নাকতলার বাসিন্দা ঐশী সরকার ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘সাজগোজ করার সুযোগ নেই৷ মাস্ক পরে পুজো দেখতে হচ্ছে৷ তা-ও প্রতিমাও ঠিক করে দেখতে পাচ্ছি না৷ঘোরার ইচ্ছেটাই চলে গিয়েছে৷’’ কলকাতা ছাড়িয়ে জেলার বড় শহরগুলিতেও প্রশাসনিক কড়াকড়ি দেখা যাচ্ছে৷কিন্তু বাংলার গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার মণ্ডপে আদালতের নির্দেশ সেভাবে মানা হচ্ছে না৷

যদিও সার্বিক পরিস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পুজো নিয়ে আইনি লড়াইয়ে যুক্ত আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য৷তিনি বলেন, ‘‘রাস্তায় ভিড় অনেকটাই কম৷অধিকাংশ উদ্যোক্তাই আদালতের নির্দেশ মেনে চলছেন৷যাঁরা মানছেন না, তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তীতে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হতে পারে৷’’ প্রশাসনের কাজকর্মে অনেকটাই সন্তুষ্ট আইনজীবীর বক্তব্য, ‘‘এটাকে মডেল করে পরবর্তী পুজোগুলিতেও ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে৷ তা হলে আলাদা করে আদালতের নির্দেশ নেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না৷’’ সূত্র : ডয়চে ভেলে

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

এই কলকাতাই তাবলিগের সমালোচনা করেছিল না?
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : করোনার জন্য তাবলিগকে দায়ী করেছিল যে কলকাতা, আজ তারাই লাখে লাখে রাস্তায় নেমে পড়েছে পুজোর উন্মাদনায়।

বেশি দিন নয়, মাত্র মাস সাতেক আগের কথা। করোনা-লকডাউন তখনো শুরু হয়নি ভারতে। মার্চের মাঝামাঝি সময়ে দিল্লিতে সভা আয়োজন করেছিল তাবলিগ জামাত। প্রায় হাজার দু`য়েক সদস্য দেশ বিদেশ থেকে এসে সেই সভায় যোগ দিয়েছিলেন। ভারতে তখন দৈনিক করোনা সংক্রমণ হাজারেরও কম। এর এক সপ্তাহের মধ্যে জানা যায়, ওই জমায়েতে যাঁরা যোগ দিয়েছিলেন তাঁদের মাধ্যমে করোনা ছড়িয়েছে। পুলিশ এবং প্রশাসন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়। গোটা দেশ জুড়ে প্রাথমিক ভাবে তাবলিগের বিরুদ্ধে এবং তার পর গোটা মুসলিম সমাজের বিরুদ্ধেই বিদ্বেষ ছড়িয়ে পড়ে। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে রাজনৈতিক ভাষ্য, সর্বত্রই ভারতে করোনা ছড়িয়ে পড়ার জন্য তাবলিগকে দায়ী করা হয়।

সাত মাস পরের ছবিটা কী? দেশে প্রতিদিন সংক্রমণ হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ হাজার। লকডাউন উঠে গিয়েছে। সব কিছু স্বাভাবিক। এবং তারই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে দুর্গা পুজোর ধূম লেগেছে। শুধু কলকাতাতেই প্রায় ৩০ হাজার পুজোর আয়োজন হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার ষষ্ঠী। পুজোর প্রথম দিন। তার অন্তত চার দিন আগে থেকেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন দর্শনার্থীরা। লাখ লাখ মানুষ বেরিয়ে পড়েছেন পুজোর বাজারে। করোনা বলে যে কোনো প্যানডেমিকের অস্তিত্ব আছে, কলকাতার চেহারা দেখলে তা বোঝার উপায় নেই। এতটুকু জৌলুস কমেনি কোনো পুজোর। উদ্যোক্তারা রাস্তা বন্ধ করে, বাঁশ বেঁধে, মাস্ক গলায় ঝুলিয়ে দর্শনার্থীদের মণ্ডপে আসার আসার আহ্বান জানাচ্ছেন প্রতি বছরের মতোই।

যাঁরা পুজোর আয়োজন করছেন, যাঁরা পুজো দেখতে এর মধ্যেই লাইন লাগিয়েছেন, যাঁরা ভিড় ঠেলে ব্যাগ বোঝাই বাজার করছেন, তাঁদের অনেকেই, সাত মাস আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় `অমানুষ` বলে তাবলিগের বিরুদ্ধে গালাগালির বন্যা বইয়েছিলেন। হ্যাঁ, তাঁরাই দাবি করেছিলেন তাবলিগের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। হ্যাঁ, তাঁরাই প্রতিদিন টেলিভিশন চ্যানেল, নিউজ প্রিন্ট, সোশ্যাল মিডিয়ার অপরিসীম স্পেসে নিত্যনৈমিত্তিক বিচারসভা সভা বসিয়েছেন একটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। প্রশ্ন করতে ইচ্ছে হয়, লাখ লাখ মানুষের ভিড়ে ঠাঁসা শারদ উৎসবের কলকাতার বিচার করবে কে?

বিচার হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টপুজো দেখার উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। আর তা নিয়ে গোঁসাও হয়েছে কর্মকর্তা এবং দর্শনার্থীদের। বাৎসরিক উৎসবে বাধা পড়ায় তাঁদের মেজাজ খারাপ। হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছে, তা সময়ের দাবি। কিন্তু মানসিকতার বিচার হয় কি? আদালতের রায় বলছে, মণ্ডপের পাঁচ থেকে ১০ মিটারের মধ্যে ব্যারিকেড লাগিয়ে দিতে হবে। যাতে দর্শনার্থীরা ভিড় করে মণ্ডপে ঢুকতে না পারেন। একটু আগেই কলকাতার এক বড় পুজোর কর্মকর্তা তথা তৃণমূলের প্রথম সারির নেতার সঙ্গে ফোনে কথা হলো। খুব জোরের সঙ্গে বললেন, মণ্ডপে ঢুকতে নিষেধ করেছে আদালত, মণ্ডপ দেখায় তো আপত্তি করেনি! দর্শনার্থীরা আসবেন এবং দূর থেকে মণ্ডপ দেখে চলে যাবেন। এমন ব্যবস্থা করব, যাতে দূর থেকেই মণ্ডপের ভিতরটাও দেখা যায়। তাঁকে প্রশ্ন করেছিলাম, তাবলিগ নিয়ে আপনিও সরব হয়েছিলেন না? কথা ঘুরিয়ে দিলেন নেতাবাবু।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কথা ঘুরে যায়। যে ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সাত মাস আগে বিচার সভা বসেছিল সোশ্যাল নেটওয়ার্কের ওয়ালে ওয়ালে, তাঁরা কিন্তু দু`টো ঈদ কার্যত বাড়িতে বসে কাটিয়ে দিয়েছেন। ইমাম থেকে শুরু করে একাধিক মুসলিম সংগঠন সকলের কাছে একবার নয়, একাধিকবার আবেদন করেছিলেন, যাতে সকলে বাড়িতে বসে উৎসব পালন করেন। ভিড় না করেন। ঈদের বাজারেও তার প্রভাব দেখা গিয়েছে। শুধু কলকাতাতেই প্রতি বছরের তুলনায় ৭০ শতাংশ কম বিকিকিনি হয়েছে ঈদের আগে। আর দুর্গাপুজোয়? হিসেবের দরকার নেই। ছবি কথা বলছে। লাখ লাখ বুদ্ধি-বন্ধক রাখা মানুষের জনসমুদ্র মনে পড়িয়ে দিচ্ছে `গণশত্রু`র কথা। ইবসেনের লেখা পড়ার দরকার নেই। সত্যজিৎ রায়ের ছবি তো অনেকেই দেখেছেন। দেখেছেন, কী ভাবে ধর্মান্ধ মানুষ অসুখ অস্বীকার করে মন্দিরে চরণামৃত খেতে গিয়েছেন। এবং তাতে সায় দিয়েছে রাজনীতি। যাঁরা প্রতিবাদ করেছেন, তাঁদের বাড়ি ঘর ভাঙচুর হয়েছে।

আসলে রাজনীতিই শেষ কথা। ক্ষমতাবানের রাজনীতি। সংখ্যায় যাঁরা কম, তাঁদের সব কাজেই দোষ। আর সংখ্যায় যাঁরা গুরু, তাঁদের কাজে কোনো অন্যায় নেই। তাঁদের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিচারসভা বসে না। তখন আর কেউ একটি সংগঠনের ভুলের সঙ্গে একটি গোটা ধর্মীয় গোষ্ঠীকে গুলিয়ে ফেলেন না।

লজ্জা করছে। কলকাতার মানুষ হিসেবে সত্যিই খুব লজ্জা করছে চোখের সামনে এই অন্যায় দেখতে দেখতে। দুই হাজার মানুষকে নিয়ে তাবলিগ যে অনুষ্ঠান করেছিল, তা ভুল ছিল, সন্দেহ নেই। লাখ লাখ মানুষ নিয়ে কলকাতায় এই মুহূর্তে যা চলছে, সেই ভুল তো সব মাপকাঠি ছাড়িয়ে গিয়েছে। প্রশাসন, সরকার, বিরোধী দল, জনগণ-- সকলে সেই ভুলের সমান অংশীদার। ধন্যবাদ কলকাতা হাইকোর্ট, ভুলটুকু অন্তত চোখে আঙুল দিয়ে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য। তবে তাতে মানসিকতা বদলাবে, এমনটা এখনও মনে করি না। সূত্র : ডয়চে ভেলে

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

দগ্ধ বহুতল ভবনে আবার আগুন, স্থানীয়রা আতঙ্কে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : সারা রাত দমকলের চেষ্টার পর নিয়ন্ত্রণে আসে মধ্য কলকাতার গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউর বহুতলের আগুন। কিন্তু শনিবার সকালে সেই বহুতলের সাততলা থেকে গলগল করে কালো ধোঁয়া বেরতে শুরু করে। যার জেরে আজ ফের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকাবাসীর মধ্যে। শুক্রবার রাতের আগুনে কার্যত কঙ্কাল বেরিয়ে পড়েছে ৮০ বছরের ওই পুরনো বহুতলের। দমকলকর্মীরাও অবাক হয়ে যাচ্ছেন বহুতলটির হাল দেখে।

দমকলকর্মীরা জানিয়েছেন, বহুতলের ভিতরে আসবাবের ফুলকি থেকেই শনিবার সকালে ফের আগুন লেগেছিল সাততলায়। সে জন্যেই নতুন করে বের হয় কালো ধোঁয়া। যদিও তার পর তা নিভিয়েও ফেলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দমকলকর্মীরা।

বহুতলের বাসিন্দাদের দাবি, এক তলার মিটার বক্সে প্রথমে আগুন লাগে। তা লাগার পরই তারের জটলার মাধ্যমেই বহুতলের অন্যান্য তলায় আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল। পাশাপাশি ধোঁয়ায় ভরে গিয়েছিল গোটা বহুতল। যার জেরে স্বাভাবিকভাবেই ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। হুড়োহুড়ি শুরু হয় সেখানকার বাসিন্দাদের মধ্যে। সেই আতঙ্কেই বহুতল থেকে ঝাঁপ মেরেছিল ১৪ বছরের ইউনুস। যার জেরে গুরুতর আহত হয় সে। মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়ার পর মৃত্যুও হয় তার। ওই বহুতলের বাসিন্দা ৮০ বছরের শামিনা বেগম আটতলার বাথরুমে আটকে পড়েন। আগুন ও ধোঁয়ার কারণে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। এ ছাড়া তিনজন বাসিন্দা আহত হয়ে মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন।

আটতলার ওই বাড়িতে বসবাসের পাশাপাশি অফিস-দোকানও ছিল। কিন্তু ঢোকা-বেরনোর রাস্তা একটিই। সেখানকার এক চিলতে সিঁড়ি দিয়ে তিনজনের ওঠা নামা করাই দায়। কিন্তু তার উপরই প্রত্যেক তলার কমন প্যাসেজে ডাঁই করে রাখা জিনিসপত্র। সে সব পেরিয়েই যাতায়াত করতেন বাসিন্দারা। এর পাশাপাশি বিদ্যুতের তারের জটলা তো রয়েইছে। বহুতলটিতে মাকড়সার জালের মতো ছড়িয়ে ছিল বিদ্যুতের তার। সব মিলিয়ে জতুগৃহে পরিণত হয়েছিল গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউর ওই বাড়ি।

নীচের তলায় প্রথম আগুন লাগায় সেখানকার বাসিন্দারা উপরের তলে উঠতে শুরু করেন। সে সময় বহুতলের ছাদের দরজা খোলা ছিল। সে জন্যই ব্যাপক প্রাণহানি এড়ানো গিয়েছে বলে মত দমকলের। পুলিশের নির্দেশে বাসিন্দারা ছাদে উঠে যান। ছাদ থেকে হাইড্রলিক ল্যাডারের মাধ্যমে তাঁদের নামিয়ে আনেন দমকলকর্মীরা। এক দমকল আধিকারিক বলেন, ‘‘ছাদের দরজা খোলা ছিল বলে বড় বিপর্যয় এড়ানো গিয়েছে। না হলে যে রকম আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল তাতে স্টিফেন কোর্টের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে পারত।”

আজ ওই বহুতলে আসবেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। ইতিমধ্যেই পুলিশ ও দমকল গোটা ঘটনার যৌথ তদন্ত শুরু করেছে। দমকল আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ওই বাড়িতে অগ্নি নির্বাপণের ন্যূনতম ব্যবস্থাও ছিল না। একটি বহুতলে আপৎকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় যা থাকার দরকার তার কিছুই ছিল না গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউর বহুতলে। আগুন নেভানোর জলের লাইন সেখানে আদৌ ছিল কি না তাও খতিয়ে দেখছে দমকল। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর বহুতলের অবস্থা ভয় পাওয়াচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের। সূত্র : আনন্দবাজার

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

বিজেপি ভারতের সবচেয়ে বড় মহামারী : মমতা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : করোনার চেয়ে বিজেপিকে ভারতের ভয়াবহ মহামারী বলে উল্লেখ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাথরসের ঘটনার প্রতিবাদে পথে নেমে শনিবার তিনি এ মন্তব্য করেন।

মমতা বলেন, পাশ্চিমবঙ্গে একটা ছোট ঘটনা ঘটলেও যত কমিশন আছে পাঠিয়ে দেয়া হয়। ডিজি, এডিজিকে ডেকে পাঠায়। কত প্রশ্ন করে তখন! খবর এনডিটিভি ও আনন্দবাজার পত্রিকার।

তিনি বলেন, দিল্লির দাঙ্গায় লোক মারা গেলে, উত্তরপ্রদেশে দলিত কন্যাকে ধর্ষণের পরে খুন করে জ্বালিয়ে দেয়া হলেও কোনো কমিশন নেই।

উত্তরপ্রদেশে দলিত কন্যার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় প্রায় ছয় মাস পরে রাস্তায় নেমে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিলেন তৃণমূল নেত্রী। এদিন বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে থেকে ধর্মতলায় গান্ধী মূর্তি পর্যন্ত মিছিলে হাঁটেন তিনি।

মিছিল শেষে সভায় মমতা বলেন, করোনার জন্য আমরা রাজনৈতিক কর্মসূচি নিইনি। কিন্তু কী করব? এখন তো অত্যাচারের মহামারী চলছে, গণতন্ত্রের পথেই তা থেকে বেরিয়ে আসতেই হবে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, করোনার মতো মহামারী সঙ্গে আমরা লড়াই করছি। তবে এ দেশে সব থেকে বড় মহামারী এখন বিজেপি। দেশটাকে শেষ করে দিচ্ছে তারা। একটি মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন করা হলো। বাড়ির লোকের হাতে না দিয়ে জোর করে দেহ জ্বালিয়ে দেয়া হলো। তার পরও কাউকে কথা বলতে দেবে না।

তিনি বলেন, বিজেপি সুপার অটোক্র্যাসি চালাচ্ছে। নির্যাতিতার কথা যাতে না দেখানো হয়, সে জন্য সংবাদমাধ্যমকেও হুমকি দেয়া হচ্ছে।

তিনি কৃষি আইনের সমালোচনা করে বলেন, দেশে দুর্ভিক্ষ হবে। সব শুধু বিজেপি খাবে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলিত তফসিলিদের ওপর নির্যাতন নিয়ে রাজ্যজুড়ে লাগাতার প্রতিবাদ কর্মসূচির কথাও ঘোষণা করেন। তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি হাথরসের ঘটনার প্রতিবাদে এদিনই রাজভবনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

বাংলাদেশে গরু পাচারে বিএসএফের যোগসাজশ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : ভারতের সীমান্ত দিয়ে গরুপাচার চক্রে বিএসএফ কর্মকর্তারা কীভাবে ও কতটা জড়িত ছিলেন, তা নিয়ে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো বা সিবিআই -এর তদন্ত ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে। ওই পাচার চক্রে বাহিনীর বেশ কয়েকজন পদস্থ প্রাক্তন ও বর্তমান কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা, কাস্টমস ও পুলিশের একাংশের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

গোটা চক্রটি পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ-মালদা দিয়ে চালানো হলেও কলকাতায় বিএসএফের কয়েকজন প্রাক্তন কর্তাও জড়িত ছিলেন বলে ইঙ্গিত দিচ্ছেন তদন্তকারীরা।

কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো বা সিবিআইয়ের দেশব্যাপী তল্লাশি অভিযান দিয়ে ২৩শে সেপ্টেম্বর গরু পাচার চক্রের সঙ্গে বিএসএফ অফিসারদের যোগসাজশের যে তদন্ত শুরু হয়েছিল, তা থেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে।

একদিকে যেমন পাচার চক্রের মাথা বলে পরিচিত এনামুল শেখের বিপুল সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গেছে বলে জানাচ্ছেন তদন্তকারীরা, অন্যদিকে বিএসএফের যে কমান্ডান্টের বেশ কয়েকটি বাড়িতে তল্লাশি হয়েছে, তারও বিপুল সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গেছে।

২০১৮ সালে কেরালায় বিএসএফের একজন কমান্ডান্ট নগদে প্রায় ৪৭ লক্ষ টাকা সহ ধরা পড়ার পরেই ওই চক্রটির কথা সামনে আসে। তখন গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এনামুল শেখও। যদিও এখন তিনি জামিনে আছেন।

তবে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পদস্থ কর্মকর্তারা বলছেন এরা চুনোপুটি। এই গরু পাচার চক্রের পিছনে বিএসএসফ-এর আরও কয়েকজন সিনিয়ার অফিসার জড়িত ছিলেন।

এদের কেউ চাকরি ছেড়ে দিয়ে বিদেশে চলে গেছেন, কেউ অন্য নিরাপত্তা বাহিনীতে আছেন।

তদন্তকারীরা বলছেন শুধু বিএসএফ নয়, পাচার চক্রে জড়িয়ে ছিলেন কাস্টমস, পুলিশ এবং রাজনৈতিক নেতারাও।

দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের কাছে পাচারের জন্য ধরা পড়া গরু আটকে রেখেছে বিএসএফ
`পাচার চক্রের শিকড় বহু দূর পর্যন্ত বিস্তৃত`

দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং নিরাপত্তাবাহিনীগুলির খবরাখবর দীর্ঘদিন ধরেই রাখছেন দিল্লির প্রবীণ সাংবাদিক চন্দন নন্দী।

তিনি বলছিলেন পাচার চক্রের শিকড় বহু দূর পর্যন্ত বিস্তৃত।

"অত্যন্ত সুসংগঠিত একটা চক্র চলছিল। এর পিছনে রাজনৈতিক হাতও ছিল। শুধু যে পশ্চিমবঙ্গের কিছু নেতা জড়িত ছিলেন তা নয়। কেন্দ্রের নেতাদের পরিবারও এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অনেকদূর পর্যন্ত জাল বিস্তৃত ছিল এই চক্রটার।

``কিন্তু প্রশ্নটা হচ্ছে তদন্তে কি এদের নাম নিয়ে আসার মতো ক্ষমতা কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সিগুলির আছে? না কি তাদের সেই রাজনৈতিক সদিচ্ছা আছে?" বলছিলেন মি. নন্দী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএসএফ কর্মকর্তারা বলছেন এই পাচার চক্রটা কাজ শুরু করেছিল ২০১৫ সালে। আর ২০১৮ সালে কেরালায় বাহিনীর এক কমান্ডান্ট ধরা পড়ার পরে চক্রটির ব্যাপারে জানা যায়।

কিন্তু বিবিসি বাংলা জানতে পেরেছে যে ২০১৬ সালেই বাহিনীর এক অফিসার বিএসএফের মহাপরিচালককে চিঠি লিখে এই পাচার চক্র সম্বন্ধে সতর্ক করেছিলেন।

বিএসএফের দক্ষিণবঙ্গ সীমান্ত অঞ্চলের কয়েকজন পদস্থ কর্মকর্তা যে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন, সেটাও জানিয়েছিলেন তিনি।

ওই চিঠিটিতে লেখা হয়েছিল: "ফারাক্কায় অবস্থিত ২০ নম্বর ব্যাটালিয়নের অফিসারদের কলকাতায় দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের সদর দপ্তর থেকে নির্দেশ পাঠানো হচ্ছে যাতে পাচারকারীদের কথা শুনে চলা হয়। চোরাচালান করতে দিতে নির্দেশ আসছে। আবার বাহিনী সরিয়ে নিয়ে পাচারের কাজে সুবিধা করিয়ে দেওয়া হচ্ছে।"

তদন্তকারীদের নজরে প্রাক্তন ডিআইজি, কমান্ডান্ট, সেকেন্ড-ইন-কমান্ড - নানা পদমর্যাদার অফিসাররাই আছেন বলে তারা জানাচ্ছেন।

সীমান্তে অবস্থিত অফিসারাও যেমন ছিলেন ওই চক্রে, তেমনই এমন বেশ কয়েকজন জড়িত থাকার কথা জানা যাচ্ছে, যাদের দায়িত্বে ছিল ভিজিল্যান্স, অর্থাৎ কর্মীরা কেউ ঘুষ নিচ্ছেন কি না, তার ওপরে নজর রাখা।

`রক্ষক যখন ভক্ষক`

বিএসএফের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তের অবসরপ্রাপ্ত ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল সমীর কুমার মিত্র বলছিলেন পদস্থ কর্মকর্তারা গরু পাচার চক্রে জড়িয়ে যাওয়া অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

"রক্ষক যখন ভক্ষক হয়ে ওঠে তখন আর সুরক্ষা বলে কিছু থাকে না। যে বাহিনী জন্মলগ্ন থেকে দেশের জন্য আর বাংলাদেশের জন্য লড়াই করেছে, বিশ্বের বৃহত্তম সীমান্ত রক্ষী বাহিনী, তার কিছু অফিসার পাচারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়বেন, এটা অকল্পনীয়। বিএসএফের জন্য কলঙ্কজনক একটা ঘটনা," মন্তব্য মি. মিত্রের।

তিনি আরও বলছিলেন, "যেভাবে গরু পাচারের গোটা প্রক্রিয়াটা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে, এটাই বেশি চিন্তার। কিন্তু আমি বলব বিএসএফ তো শুধু সীমান্তে বলবৎ থাকে। পশ্চিম ভারত থেকে বেশ কয়েকটা রাজ্য পেরিয়ে যে গরুগুলো আসছে, সেটা সেখানকার পুলিশ বা শুল্ক বিভাগ কেন আটকাচ্ছে না।

``তাদেরও তো দায়িত্ব ছিল। যদিও এই কথার অর্থ এটা যেন না করা হয়, যেসব বিএসএফ অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, আমি তাদের পক্ষ নিয়ে কথা বলছি," বলেন সমীর কুমার মিত্র।

যে তিন বছর পাচার চক্রটি কাজ করেছে, তার মধ্যেই কোনও সিনিয়ার অফিসার প্রায় ২০০ কোটি টাকা, কেউ ৩০০ কোটি টাকা রোজগার করেছেন চক্রের মাধ্যমে - এমনটাই জানাচ্ছেন তদন্তকারীরা। তারা কে কোথায় জমি-বাড়ি বা সম্পত্তি কিনেছেন, সেই তথ্যও যোগাড় করেছেন তদন্তকারীরা।

এছাড়াও পাচারের রোজগারের ভাগ নিয়মিত গেছে কাস্টমস, পুলিশের একাংশ আর রাজনৈতিক নেতাদের কাছে এবং মূলত মুর্শিদাবাদ আর কলকাতা থেকেই চক্রটি কাজ চালাত বলে বিএসএফ-এর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

বিবিসি বাংলার হাতে যে তথ্য এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে গরু প্রতি প্রায় ৪০ হাজার টাকা করে লাভ ঘরে তুলত পাচারচক্র। যে প্রাথমিক হিসাব তদন্তকারীরা করেছেন, তাতে শুধু দক্ষিণবঙ্গ সীমান্ত অঞ্চল দিয়েই প্রতিরাতে ১৩-১৪ কোটি টাকা মূল্যের গরু পাচার চলত বছর তিনেক ধরে।

ঘটনাচক্রে ২০১৮ সালে একজন কমান্ডান্ট এবং পাচার চক্রের মাথা ধরা পড়ার পরে কয়েকজন অফিসারকে সরিয়ে দেওয়া হয় আর তারপরেই সীমান্তে গরু পাচার অনেকটা কমে যায়।

সমীর কুমার মিত্র বলছিলেন সীমান্তের দায়িত্বে বিএসএফ আছে ঠিকই, কিন্তু অন্যান্য রাজ্যের কর্তৃপক্ষ এবং সরকারি কর্মচারী নন এমন ব্যক্তিদের নামও হয়ত তদন্তে উঠে আসতে পারে।

"সরকারি কর্মচারী বলে বিএসএফের অফিসারদের নাম উঠে এসেছে প্রথমে। কিন্তু যদি নিরপেক্ষভাবে এবং যথার্থ তদন্ত হয়, তাহলে এমন ব্যক্তিদের নামও বেরিয়ে আসতে পারে, যারা সরকারি কর্মী নন," বলছিলেন মি. মিত্র।

পাচার চক্র যেভাবে কাজ চালাত, তারও আভাস পাওয়া যাচ্ছে তদন্তের প্রাথমিক স্তরেই।

উত্তর বা পশ্চিম ভারত থেকে গরু এনে প্রথমে বীরভূমের একটি জায়গায় রাখা হতো। সেখান থেকে মুর্শিদাবাদ সীমান্তে নিয়ে যাওয়া হতো গরুগুলিকে। বি এস এফের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আগে থেকেই ঠিক করা থাকত যে কোন জায়গা দিয়ে কত গরু পাচার হবে। নিখুঁত হিসাব রাখা হতো প্রতিটা গরুর।

আবার পাচারের সময়ে যেসব গরু ধরা পড়ত, সেগুলিকে কখনও বাছুর বলে দেখিয়ে বা কখনও পশ্চিমবঙ্গের গরু বলে দেখানো হত - যার দাম পশ্চিম ভারতের গরুর থেকে বহুগুণ কম। ধরাপড়া গরু আবার কাস্টমসের মাধ্যমে নিলাম করা হত যেগুলো কম দামে কিনে নিতো পাচারকারীরাই বলে জানাচ্ছেন তদন্তকারীরা। সূত্র : বিবিসি

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

অন্তঃসত্ত্বা নাবালিকা মেয়েকে পিটিয়ে হত্যা করলেন বাবা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : অন্তঃসত্ত্বা নাবালিকা মেয়েকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল বাবার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতার সাতবাঁকুড়ায়। জানা গিয়েছে, মৃত নাবালিকার নাম মৌসুমী মাঝি। তাঁর বয়স ১৪। সে নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। ইতিমধ্যেই বাবা ননীগোপাল মাঝিকে গ্রেফতার করেছে পুলিস।

মৃতার বাড়ি গড়বেতা থানার আমলাশুলির গোলবাঁধি গ্রামে। বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে সাতবাঁকুড়া মায়ের সঙ্গে মামার বাড়িতে এসেছিল। রবিবার সন্ধ্যায় শ্বশুরবাড়িতে আসে মেয়েটির বাবা। মৃতার মা পুতুল মাঝির দাবি, দিন কয়েক আগে মেয়ের প্রণয়ঘটিত সম্পর্কের কথা জানতে পারেন বাবা। এনিয়ে দুজনের মধ্যে তর্কাতর্কি চলছিল। অশান্তি এড়াতে মেয়েকে নিয়ে বিশ্বকর্মা পুজোর আগে বাপের বাড়িতে চলে আসেন মা। ওই দিন সন্ধ্যায় আমলাশুলি থেকে সাতবাঁকুড়ায় আসে মেয়েটির বাবাও। শ্বশুরবাড়িতে মেয়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটিও হয় তাঁর।

প্রত্যক্ষদর্শীদের জানিয়েছেন, তর্কাতর্কি চলার সময়ে কাঠ দিয়ে মেয়ের মাথায় আঘাত করেন বাবা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রীর। মৃতার মায়ের দাবি, তাঁর মেয়ে ২ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। সূত্র : জিনিউজ

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

সীমান্ত হত্যাকে শূন্যে নামিয়ে আনা হবে : বিএসএফ মহাপরিচালক
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : বাংলাদেশের সীমান্তে হত্যা বন্ধে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বিএসএফ মহাপরিচালক রাকেশ আস্থানা।

তিনি বলেন, অপরাধী‌দের কো‌নো দেশ নেই, সীমা‌ন্তের দুপা‌শেই তা‌দের অবস্থান। তবে সীমান্ত হত্যাকে শূন্যে নামিয়ে আনা হবে।

ঢাকার পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) মধ্যে মহাপরিচালক পর্যায়ে সীমান্ত সম্মেলনে আজ শনিবার এসব কথা বলেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার সকালে এই সম্মেলন শুরু হয়।

সম্মেলনে বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন, বাংলাদেশ আমাদের বন্ধু দেশ। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের খুবই ভালো সম্পর্ক রয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো বিজিবির সঙ্গে আমরা কিছু বিষয়ে সম্মত হয়েছি। সীমান্তে সমন্বিত যৌথ টহল, সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি, সীমান্তে হত্যা বন্ধ, মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও মানবপাচার রোধে আমরা সম্মত হয়েছি।

ভারত ৮ জন বন্দীকে দ্রুত ফিরিয়ে দিতে সম্মত হয়েছে। সীমান্তে যে কোনো ইস্যুতে মানবাধিকারের বিষয়টি প্রাধান্য দেওয়াতে দুই দেশ সম্মত হয়েছে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

বোরকা পরায় মুসলিম নারীকে শপিং মলে ঢুকতে বাধা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বোরকা পরায় শপিং মলে ঢুকতে বাধা দেওয়া হল এক মুসলিম নারী ও তার মেয়েকে। ঘটনার জেরে অপমানিত হয়ে স্থানীয় রামপুরহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই নারী।

জানা গেছে, রামপুরহাট পুরসভার ১১ নং ওয়ার্ড তথা ভাড়শালার মুসলিম পাড়ার বাসিন্দা সামিনা বেগম তার মেয়েসহ চার আত্মীয় মিলে সোমবার রাত ৮ নাগাদ রামপুরহাট দেশ বন্ধু রোডের একটি অত্যাধুনিক শপিং মলে যান।

কিন্তু অন্যান্য আত্মীয়দের ঢুকতে দেওয়া হলেও, অভিযোগকারিণী ও তার মেয়েকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় শপিং মলের তরফে।

তাদের জানানো হয়, বোরকা এলাও নেই। তারা বাড়ি ফিরে যাওয়ার পর ওই ভদ্র মহিলার স্বামী কাউসার শেখ তাদের ফের শপিং মলে পাঠান। ফের তাদের একইভাবে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বলা হয় মাস্ক পরে আসতে হবে।

মহিলার স্বামী বলেন, বোরকা মুসলিম নরাীদের ধর্মীয় লেবাস। তাই এভাবে বাধা দেওয়া যায় না। তাহলে বোরকা পরলে শপিং মলে যাওয়া যাবে না? আমি চাই, এভাবে যেন কাউকে অপমানিত হতে না হয়। উনি কি করে জানলেন যে বোরকার নিচে মাস্ক নেই? আর বোরকা থাকলে মাস্কের কী দরকার?

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গেছে, শপিং মলের ম্যানেজারকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। সূত্র : পুবের কলম

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

বাঙালি অভিনেত্রী রিয়ার সমর্থনে পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেসের মিছিল
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : ভারতের বাঙালি অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তীর সমর্থনে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সেখানে মিছিল করেছে। সংগঠনের টুইটার পেজে গতকাল শনিবার সেই মিছিলের ছবি পোস্ট করে বলা হয়, বাংলার মেয়ে রিয়া চক্রবর্তীর উপর রাজনৈতিক অভিসন্ধি ও প্রতিহিংসামূলক আচরণ বরদাস্ত করা হবে না।

উক্ত দাবি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর নির্দেশানুসারে প্রদেশ কংগ্রেস দপ্তর থেকে ওয়েলিংটন মোড় পর্যন্ত প্রতিবাদ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

এর আগে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী রিয়ার সমর্থনে একাধিক টুইট করেছিলেন।

বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের অপমৃত্যুর ঘটনায় কারাগারে রয়েছেন রিয়া চক্রবর্তী। প্রেমের গুঞ্জন ছড়ালেও সুশান্তের ভালো বন্ধু হিসেবে দাবি করতেন রিয়া। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর রিয়াকে সম্প্রতি গ্রেফতার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৪ জন মুম্বাইয়ের বান্দ্রার বাসা থেকে সুশান্তের (৩৪) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে সুশান্তের মৃত্যু, তার অর্থ লোপাটের অভিযোগে গ্রেফতার হননি রিয়া। তিনি গ্রেফতার হয়েছেন মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকার অভিযোগে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

ভারতে করোনার ভয়ঙ্কর রূপ, আক্রান্ত ও মৃত্যুর রেকর্ড
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বৈশ্বিক মহামারি নভেল করোনাভাইরাস ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে ভারতে। এরইমধ্যে সংক্রমণে দেশটি লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে।

ভারতে একদিনে আক্রান্ত ও মৃত্যু নতুন রেকর্ড হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে প্রকাশিত বুলেটিনে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৫ হাজার ৭৩৫ জন। এর ফলে মোট শনাক্তের সংখ্যা ৪৪ লাখ ৬৫ হাজার ৮৬৩ জনে দাঁড়িয়েছে। একদিনে মৃত্যু হয়েছে রেকর্ড ১ হাজার ১৭২ জনের। ফলে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫ হাজার ৯১ জনে।

বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভারতে ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়েছে ৭২ হাজার ৯৩৯ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৩৪ লাখ ৭১ হাজার ৭৮৩ জন।

২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছেন মহারাষ্ট্রে। সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩ হাজার ৫৭৭ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩৮০ জনের।

স্বাধীন বাংলা/এআর

সংক্রমণে ব্রাজিলকে পেছনে ফেলে বিশ্বে দ্বিতীয় ভারত
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতে ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। সংক্রমণের দিক দিয়ে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলকে অতিক্রম করে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশটি।

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৯০ হাজার ৮০২ জন। ফলে মোট আক্রান্তে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২ লাখ ৪ হাজার ৬১৩ জনে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৭১ হাজার ৬৮৭ জন। সুস্থ হয়েছেন ৩২ লাখ ৫০ হাজার ৪২৯ জন।

বিশ্বে আক্রান্তের তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা ব্রাজিলে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪১ লাখ ৩৭ হাজার ৬০৬ জন। দেশটিতে ১ লাখ ২৬ হাজার ৬৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এখন ভারতের উপরে রয়েছে কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে  সোমবার সকাল পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৬৪ লাখ ৬০ হাজার ২৫০ জন। মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ৯৩ হাজার ২৫০ জনে দাঁড়িয়েছে।

স্বাধীন বাংলা/এআর

প্রণব মুখার্জি কোমায়, নতুন পীড়া
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি এখনো কোমায় রয়েছেন। তার মূত্রাশয়জনিত কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে মঙ্গলবার রাত থেকে। নয়া দিল্লির আর্মি রিসার্চ এন্ড রেফারাল হাসপাতাল আজ বুধবার দুপুরে তাদের বুলেটিনে এ কথা জানিয়েছে।

প্রণব মুখার্জি বাড়িতে পড়ে যাওয়ার পর তাকে এই হাসপাতালে ভর্তি করা হলে জরুরি অস্ত্রোপচার করে তার মস্তিষ্কে জমে থাকা রক্তপিন্ড অপসারন করা হয়। এই সময়েই ধরা পড়ে তিনি করোনা আক্রান্ত। অপারেশনের পর তিনি কোমায় (অচেতনাবস্থায়) চলে যান। তাকে ভেন্টিলেশন সাপোর্ট এ রাখা হয়েছে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

ভারতে চব্বিশ ঘণ্টায় করোনায় ৮৩৬ জনের মৃত্যু
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : ভারতে মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায়  ৮৩৬ ব্যক্তি মারা গেছেন। এ নিয়ে সেদেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৭ হাজার ৫৪২ জনে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি আজ সোমবার জানায়, ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৬১ হাজার ৪০৮ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৩১ লাখ ৬ হাজার ৩৪৮ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৩ লাখ ৩৮ হাজার ৩৫ ব্যক্তি।

এনডিটিভি জানায়, করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে মহারাষ্ট্রের জনগণ। এরপরই রয়েছে তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, তেলেঙ্গানা, আসাম ও গুজরাট।

মহামারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মহারাষ্ট্রে মোট মারা গেছেন ২২ হাজার ২৫৩ জন, তামিলনাড়ুতে ৬ হাজার ৫১৭ জন, কর্ণাটকে ৪ হাজার ৬৮৩ জন এবং দিল্লিতে ৪ হাজার ৩০০ ব্যক্তি।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

গভীর কোমায় প্রণব মুখার্জী
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জী গভীর কোমায় রয়েছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত।

ভারতের সেনা হাসপাতালের পক্ষ থেকে আজ রবিবার এক বিবৃতি জানানো হয়েছে, প্রণববাবুর ভাইটাল প্যারামিটারগুলো স্থিতিশীল ও তাঁকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টেই রাখা হয়েছে।
 
ভেন্টিলেটর সাপোর্ট ও কোমায় থাকাকালীনই গত বুধবার সাবেক এই রাষ্ট্রপতির ফুসফুসে সংক্রমণ দেখা দেয়।

বৃহস্পতিবার কিছুটা উন্নতি হলেও শুক্রবার প্রণব মুখার্জীর শারীরিক অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি।
 
মস্তিষ্কে আঘাত পাওয়ায় ১০ আগস্ট দিল্লির সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ‘ভারতরত্ন’ প্রণব মুখার্জীকে। সেখানে তাঁর কোভিড রিপোর্টও পজিটিভ আসে।

মাথায় জমাট বাঁধা রক্ত দূর করতে তাঁর অস্ত্রোপচার হয়। তারপর থেকেই আর জ্ঞান ফেরেনি ভারতের এই সাবেক রাষ্ট্রপতির। সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

৫ পাকিস্তানিকে গুলি করে হত্যা করেছে বিএসএফ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : পাঁচ পাকিস্তানিকে গুলি করে হত্যা করেছে বিএসএফ। পাঞ্জাবের ইন্দো-পাক সীমান্ত দিয়ে ভারতে ‘অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে’ ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে তারা নিহত হয়। শনিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম প্রকাশ করা হয়।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়, বিএসএফের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই অনুপ্রবেশকারীরা তরণতারণ জেলার খেমকরণ সীমানা দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিল। তখনই তা নজরে আসে বিএসএফের। এরপরেই গুলি করে হত্যা করা হয় অনুপ্রবেশকারীদের।

বিএসএফের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘ওই অনুপ্রবেশকারীদের দেখতে পেয়ে প্রথমে তাদের থামতে বলেন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জওয়ানরা। কিন্তু তারা সে কথায় কান না দিয়ে বিএসএফকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এরপর একরকম বাধ্য হয়েই আত্মরক্ষার্থে অনুপ্রবেশকারীদের লক্ষ্য করে পাল্টা গুলি চালান জওয়ানরা। বেশ কিছুক্ষণ গুলিযুদ্ধের পর পাঁচ অনুপ্রবেশকারীরই মৃত্যু হয়।’

ভারতীয় সরকারি বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, শনিবার ভোর পৌণে ৫টার দিকে পাকিস্তান থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে ওই পাঁচজন। তারপরেই তাদের গুলি করে হত্যা করেন বিএসএফের জওয়ানরা। আর কোনো অনুপ্রবেশকারী চোখ এড়িয়ে ওই এলাকায় প্রবেশ করেছে কিনা তা জানতে চিরুনি অভিযান চালাচ্ছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ


   Page 1 of 2
     প্রতিবেশি
তামিলনাড়ু উপকূলে আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় নিভার
.............................................................................................
আদালতের নির্দেশে লাগাম পুজোর ভিড়ে
.............................................................................................
এই কলকাতাই তাবলিগের সমালোচনা করেছিল না?
.............................................................................................
দগ্ধ বহুতল ভবনে আবার আগুন, স্থানীয়রা আতঙ্কে
.............................................................................................
বিজেপি ভারতের সবচেয়ে বড় মহামারী : মমতা
.............................................................................................
বাংলাদেশে গরু পাচারে বিএসএফের যোগসাজশ
.............................................................................................
অন্তঃসত্ত্বা নাবালিকা মেয়েকে পিটিয়ে হত্যা করলেন বাবা
.............................................................................................
সীমান্ত হত্যাকে শূন্যে নামিয়ে আনা হবে : বিএসএফ মহাপরিচালক
.............................................................................................
বোরকা পরায় মুসলিম নারীকে শপিং মলে ঢুকতে বাধা
.............................................................................................
বাঙালি অভিনেত্রী রিয়ার সমর্থনে পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেসের মিছিল
.............................................................................................
ভারতে করোনার ভয়ঙ্কর রূপ, আক্রান্ত ও মৃত্যুর রেকর্ড
.............................................................................................
সংক্রমণে ব্রাজিলকে পেছনে ফেলে বিশ্বে দ্বিতীয় ভারত
.............................................................................................
প্রণব মুখার্জি কোমায়, নতুন পীড়া
.............................................................................................
ভারতে চব্বিশ ঘণ্টায় করোনায় ৮৩৬ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
গভীর কোমায় প্রণব মুখার্জী
.............................................................................................
৫ পাকিস্তানিকে গুলি করে হত্যা করেছে বিএসএফ
.............................................................................................
ভারতে করোনার মধ্যেই যেভাবে ভোট নেয়া হবে
.............................................................................................
শপিংমল খোলা, ধর্মীয় স্থান খুলতে আপত্তি কেন
.............................................................................................
প্রণব মুখার্জীর অবস্থার আরও অবনতি
.............................................................................................
করোনায় হার মানলেন পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সাংসদ
.............................................................................................
প্রণব মুখার্জী কোমায়
.............................................................................................
প্রণব মুখার্জি ভেন্টিলেশনে
.............................................................................................
প্রণব মুখার্জি করোনায় আক্রান্ত
.............................................................................................
করোনা চিকিৎসায় ব্যবহৃত হোটেলে আগুন, নিহত ৯
.............................................................................................
৯ দিনের শিশুর জটিল অপারেশন সফল
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT