শনিবার, ২ জুলাই 2022 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   আন্তর্জাতিক -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
মার্কিন আহ্বান উপেক্ষা করে রাশিয়া থেকে তেল কিনছে যেসব দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইউক্রেনে রুশ সেনাদের অভিযানের ১২৮ দিন পার হয়েছে। তবে এখনো যুদ্ধ শেষ হওয়ার কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে না। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়াকে বিভিন্নভাবে দুর্বল করতে নিষেধাজ্ঞার জাল পেতেছে পশ্চিমা বিশ্ব। দেশটি থেকে বিভিন্ন পণ্য আমদানি বন্ধ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বড় বড় দেশগুলো।

এদিকে পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা ফাঁদ মুখ থুবড়ে পড়েছে বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা। নিজদের বিভিন্ন প্রতিবেদনে তারা দাবি করছে, বর্তমানে রাশিয়ায় জ্বালানির বিক্রি বেড়েছে।

অপরিশোধিত তেল উৎপাদনে রাশিয়া বিশ্বে তৃতীয়। যুদ্ধের আগেও এই অবস্থানে ছিল দেশটি। বেসরকারি অর্থনৈতিক নজরদারি সংস্থা ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট ডট কমের সমীক্ষায় দেখা গেছে, ইউক্রেনে আক্রমণের পর থেকে তেল রপ্তানি করেই রাশিয়া সবচেয়ে বেশি আয় করেছে। তাদের অন্যান্য জীবাশ্ম জ্বালানির রপ্তানিও বেড়েছে।

ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের প্রথম ১০০ দিনে ৯ হাজার ৭৭০ কোটি ডলারের জীবাশ্ম জ্বালানি রপ্তানি করেছে রাশিয়া। অর্থাৎ গড়ে প্রতি দিন প্রায় ৯৮ কোটি ডলারের জ্বালানি অন্য দেশে রপ্তানি করেছে দেশটি।

কিন্তু নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কারা রাশিয়ার জ্বালানি কিনছে? কারণ রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানি করার অর্থ হলো পরোক্ষভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা করা।

সমীক্ষা বলছে, এই তালিকায় সবার আগে রয়েছে চীন, তারপরই জার্মানি এবং ভারত। রয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত বেশ কয়েকটি দেশও।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলো বরাবরই তাদের প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির জন্য মূলত রাশিয়ার ওপর নির্ভর করে। দেশগুলোর প্রয়োজনের ৪১ শতাংশ প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি করা হয় রাশিয়া থেকেই।

ইউক্রেন হামলার পর যে আড়াই হাজার কোটি ডলারের পাইপলাইন গ্যাস রাশিয়া রপ্তানি করেছে, তার ৮৫ শতাংশ গিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোতে। আক্রমণ শুরু প্রথম ১০০ দিনে রাশিয়ার জীবাশ্ম জ্বালানি রপ্তানি ৬১ শতাংশও হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশেই।

এই আমদানিকারকের তালিকায় রয়েছে জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডসের মতো বহু নেটোভুক্ত দেশের নাম। তবে এই দেশগুলোকে আমদানিতে টেক্কা দিয়েছে চীন।

গত মে মাসে রাশিয়া থেকে গড়ে প্রতিদিন ২০ লাখ ব্যারেল তেল আমদানি করেছে চীন। যা আগের বছরের তুলনায় ৫৫ শতাংশ বেশি।

এদিকে নিষেধাজ্ঞার পর রাশিয়া থেকে আমদানি সবচেয়ে বেশি বাড়িয়েছে ভারত। যুদ্ধের ১০০ দিনে রাশিয়ার মোট রপ্তানি করা তেলের ১৮ শতাংশই পাঠানো হয়েছে ভারতে।

ইউক্রেনে সামরিক অভিযান কবে শেষ হবে, জানা নেই পুতিনের

রুশ বাহিনীর চলমান সামরিক অভিযান কবে নাগাদ শেষ হতে পারে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য নেই ভ্লাদিমির পুতিনের কাছে। সম্প্রতি পুতিন বলেন, ‘আমি কখনও নির্দিষ্ট সময়সীমা বা ডেডলাইন উল্লেখ করে কথা বলি না। কারণ আমি বিশ্বাস করি— এটা জীবন, এটা বাস্তবতা।’

‘তাছাড়া আরও একটি কারণ আছে। আমি যদি (সামরিক অভিযান বন্ধের) ডেডলাইন ঘোষণা করি, তাহলে যুদ্ধক্ষেত্রে দুই পক্ষের সেনাদের মধ্যেই হামলা-সংঘাত আরও বাড়তে পারে এবং এটা একেবারেই আমাদের কাম্য নয়। কারণ, আমরা আমাদের লোকজনের (সেনা) জীবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেই।’

যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোকে ঘিরে দ্বন্দ্বের জেরে সীমান্তে আড়াই মাস সেনা মোতায়েন রাখার পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই ঘোষণা দেওয়ার দু’দিন আগে ইউক্রেনের রুশ বিচ্ছিন্নতাবাদী নিয়ন্ত্রিত দুই অঞ্চল দনেতস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেন তিনি।

মার্কিন আহ্বান উপেক্ষা করে রাশিয়া থেকে তেল কিনছে যেসব দেশ
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইউক্রেনে রুশ সেনাদের অভিযানের ১২৮ দিন পার হয়েছে। তবে এখনো যুদ্ধ শেষ হওয়ার কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে না। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়াকে বিভিন্নভাবে দুর্বল করতে নিষেধাজ্ঞার জাল পেতেছে পশ্চিমা বিশ্ব। দেশটি থেকে বিভিন্ন পণ্য আমদানি বন্ধ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বড় বড় দেশগুলো।

এদিকে পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা ফাঁদ মুখ থুবড়ে পড়েছে বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা। নিজদের বিভিন্ন প্রতিবেদনে তারা দাবি করছে, বর্তমানে রাশিয়ায় জ্বালানির বিক্রি বেড়েছে।

অপরিশোধিত তেল উৎপাদনে রাশিয়া বিশ্বে তৃতীয়। যুদ্ধের আগেও এই অবস্থানে ছিল দেশটি। বেসরকারি অর্থনৈতিক নজরদারি সংস্থা ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট ডট কমের সমীক্ষায় দেখা গেছে, ইউক্রেনে আক্রমণের পর থেকে তেল রপ্তানি করেই রাশিয়া সবচেয়ে বেশি আয় করেছে। তাদের অন্যান্য জীবাশ্ম জ্বালানির রপ্তানিও বেড়েছে।

ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের প্রথম ১০০ দিনে ৯ হাজার ৭৭০ কোটি ডলারের জীবাশ্ম জ্বালানি রপ্তানি করেছে রাশিয়া। অর্থাৎ গড়ে প্রতি দিন প্রায় ৯৮ কোটি ডলারের জ্বালানি অন্য দেশে রপ্তানি করেছে দেশটি।

কিন্তু নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কারা রাশিয়ার জ্বালানি কিনছে? কারণ রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানি করার অর্থ হলো পরোক্ষভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা করা।

সমীক্ষা বলছে, এই তালিকায় সবার আগে রয়েছে চীন, তারপরই জার্মানি এবং ভারত। রয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত বেশ কয়েকটি দেশও।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলো বরাবরই তাদের প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির জন্য মূলত রাশিয়ার ওপর নির্ভর করে। দেশগুলোর প্রয়োজনের ৪১ শতাংশ প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি করা হয় রাশিয়া থেকেই।

ইউক্রেন হামলার পর যে আড়াই হাজার কোটি ডলারের পাইপলাইন গ্যাস রাশিয়া রপ্তানি করেছে, তার ৮৫ শতাংশ গিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোতে। আক্রমণ শুরু প্রথম ১০০ দিনে রাশিয়ার জীবাশ্ম জ্বালানি রপ্তানি ৬১ শতাংশও হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশেই।

এই আমদানিকারকের তালিকায় রয়েছে জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডসের মতো বহু নেটোভুক্ত দেশের নাম। তবে এই দেশগুলোকে আমদানিতে টেক্কা দিয়েছে চীন।

গত মে মাসে রাশিয়া থেকে গড়ে প্রতিদিন ২০ লাখ ব্যারেল তেল আমদানি করেছে চীন। যা আগের বছরের তুলনায় ৫৫ শতাংশ বেশি।

এদিকে নিষেধাজ্ঞার পর রাশিয়া থেকে আমদানি সবচেয়ে বেশি বাড়িয়েছে ভারত। যুদ্ধের ১০০ দিনে রাশিয়ার মোট রপ্তানি করা তেলের ১৮ শতাংশই পাঠানো হয়েছে ভারতে।

ইউক্রেনে সামরিক অভিযান কবে শেষ হবে, জানা নেই পুতিনের

রুশ বাহিনীর চলমান সামরিক অভিযান কবে নাগাদ শেষ হতে পারে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য নেই ভ্লাদিমির পুতিনের কাছে। সম্প্রতি পুতিন বলেন, ‘আমি কখনও নির্দিষ্ট সময়সীমা বা ডেডলাইন উল্লেখ করে কথা বলি না। কারণ আমি বিশ্বাস করি— এটা জীবন, এটা বাস্তবতা।’

‘তাছাড়া আরও একটি কারণ আছে। আমি যদি (সামরিক অভিযান বন্ধের) ডেডলাইন ঘোষণা করি, তাহলে যুদ্ধক্ষেত্রে দুই পক্ষের সেনাদের মধ্যেই হামলা-সংঘাত আরও বাড়তে পারে এবং এটা একেবারেই আমাদের কাম্য নয়। কারণ, আমরা আমাদের লোকজনের (সেনা) জীবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেই।’

যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোকে ঘিরে দ্বন্দ্বের জেরে সীমান্তে আড়াই মাস সেনা মোতায়েন রাখার পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই ঘোষণা দেওয়ার দু’দিন আগে ইউক্রেনের রুশ বিচ্ছিন্নতাবাদী নিয়ন্ত্রিত দুই অঞ্চল দনেতস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেন তিনি।

রাশিয়ার বিরুদ্ধে ৩ লাখ সেনা প্রস্তুত রাখবে ন্যাটো
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
রাশিয়ার হুমকি মোকাবিলায় পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো তাদের ‘যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত’ বাহিনীর সেনা সংখ্যা বর্তমানের ৪০ হাজার থেকে বাড়িয়ে তিন লাখ করবে এবং ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে এ সেনাদের উচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখবে।

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ্রে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলনে বৃহস্পতিবার নেতারা আগামী দশকের জন্য রাশিয়াকে সবচেয়ে বড় হুমকি আখ্যা দিয়ে বিপুল সেনা প্রস্তুত রাখার এ পরিকল্পনায় একমত হয়েছেন।

ন্যাটো জোটকে রূপান্তর করে শক্তি আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়েই এদিন শেষ হয় সম্মেলন। ন্যাটো মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ বলেছেন, ‘মাদ্রিদে আমরা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তাতে আমাদের মিত্র দেশগুলোতে শান্তি সুরক্ষিত রাখা, সংঘাত ঠেকানো এবং আমাদের জনগণ ও মূল্যবোধের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।’

ন্যাটোর শক্তি বর্তমানে কতটুকু এবং ভবিষ্যতে ন্যাটোর পূর্বাঞ্চলে রাশিয়ার যেকোনো হামলা মোকাবিলাসহ দক্ষিণ সীমান্তেও অন্যান্য সংকট সামাল দিতে জোটকে কীভাবে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তার বিস্তারিত খুঁটিনাটি তুলে ধরেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ন্যাটো বাহিনীর বর্তমান অবস্থা
তিনটি বাল্টিক দেশ এবং পোল্যান্ডে ন্যাটোর চারটি বহুজাতিক ব্যাটালিয়ন রয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে এ ব্যাটালিয়নের প্রত্যেকটির সেনা সংখ্যা এক হাজারের মতো। ২০১৪ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের ক্রিমিয়া উপদ্বীপ দখলে নেওয়ার পর এসব ব্যাটালিয়ন মোতায়েন করা হয়েছিল।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরু করার পর থেকে ন্যাটোর এ সেনা উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। সেইসঙ্গে ন্যাটো তাদের শক্তিশালী রেসপন্স ফোর্সের ৪০ হাজার সেনাকেও সক্রিয় রেখেছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপে প্রায় আরও ২০ হাজার সেনা পাঠিয়েছে। এ নিয়ে ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সদস্যসংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখে।

ন্যাটোর যে বহুজাতিক ব্যাটালিয়নগুলো মোতায়েন রয়েছে সেগুলোসহ রেসপন্স ফোর্সের অল্পকিছু অংশ নিয়ে ইউরোপে ন্যাটোর সুপ্রিম এলায়েড কমান্ডার (এসএসিইইউআর)-এর অধীনে রয়েছে ৪২ হাজারেরও বেশি সেনা। এর সঙ্গে জঙ্গি বিমান এবং রণতরী তো প্রস্তুত আছেই।

এসএসিইইউআর যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় কমান্ডেরও কমান্ডার। এর অধীনে ন্যাটো মিত্রদেশগুলোর সেনা সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে।

ন্যাটোর জাতীয় বাহিনীও আছে। কিন্তু, সেগুলোর বেশির ভাগ বাহিনীতেই পর্যাপ্ত তহবিল নেই এবং কোনো সংঘাতের ক্ষেত্রে দ্রুত সেনা মোতায়েনের সক্ষমতাও নেই।

ন্যাটোর শক্তিবৃদ্ধির স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা
ন্যাটো এখন হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া, স্লোভেনিয়া ও রোমানিয়ায় আরও চার বহুজাতিক ব্যাটালিয়ন মোতায়েনের প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। প্রতিটি ব্যাটালিয়নেই থাকছে প্রায় এক হাজার সেনা।

দক্ষিণ-পূর্ব মিত্রদেশগুলোর ভূখণ্ডে আকাশ এবং ন্যাটো আকাশসীমা টহল দেওয়ার জন্য উড়োজাহাজের সংখ্যাও বাড়িয়েছে পশ্চিমা সামরিক এ জোটটি।

ন্যাটোর দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা
যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত বাহিনী এবং উচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা সেনার সংখ্যা বিপুলসংখ্যক বাড়াবে ন্যাটো। তার মানে হচ্ছে, এ সেনারা ইউরোপে যেকোনো সংঘাতের ক্ষেত্রে মিত্র দেশগুলোর সীমান্তকে রক্ষায় দ্রুত মোতায়েন হতে পারবে।

সেনাদেরকে প্রস্তুত রাখতে তিন-স্তরের একটি ব্যবস্থা নেবে ন্যাটো। এ ব্যবস্থায়, কোনো সংঘাতের ক্ষেত্রে প্রথমে ১০ দিনের মধ্যে এক লাখ সেনা মোতায়েন করা হবে। এরপর ৩০ দিনের মধ্যে মোতায়েন হবে দুই লাখ সেনা এবং তারপর ১৮০ দিনের মধ্যে মোতায়েন হবে পাঁচ লাখ সেনা।

তিন-স্তর বিশিষ্ট এ ব্যবস্থায় প্রথমে ন্যাটো ইউরোপের ট্যাকটিক্যাল ফোর্স, তারপর অপারেশনাল রিজার্ভ ফোর্স এবং তারপর আটলান্টিকের ওপারে যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডা থেকে বাহিনী নিয়ে আসবে, যা ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ নামে পরিচিত।

ইয়ার লাপিদ ইসরায়েলের নতুন প্রধানমন্ত্রী
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইসরায়েলের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ইয়ার লাপিদ। নাফতালি বেনেট প্রধানমন্ত্রী হওয়ার এক বছরের মাথায় ইহুদি এই দেশটির নতুন নেতা হিসেবে দায়িত্ব নিলেন তিনি। শুক্রবার (১ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ১ নভেম্বর ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং সেই সময় পর্যন্ত দেশের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপালন করবেন তিনি। কারণ সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না।

নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তার জোটসঙ্গী ইয়াইর লাপিদের অধীন। কারণ জোটের শর্ত অনুসারে, সরকারের পূর্ণাঙ্গ মেয়াদের অর্ধেক সময় বেনেট ও অর্ধেক সময় লাপিদ প্রধানমন্ত্রী থাকবেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার ভোটাভুটির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া হয়। আগামী ১ নভেম্বর দেশটিতে পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নিয়ে চার বছরের মধ্যে পঞ্চমবারের মতো পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইহুদি এই দেশটিতে।

সংবাদমাধ্যম বলছে, বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি পার্লামেন্টে আইনসভা ভেঙে দেওয়ার বিষয়ে ভোট গ্রহণ করা হয়। এতে বেশিরভাগ এমপি পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার পক্ষে ভোট দেন। মূলত সর্বশেষ যে জোট গঠিত হয়েছিল, তাতে ফাটল ধরায় এই পথে হাঁটল ইসরায়েলি সরকার।

এদিকে, জোট ভেঙে যাওয়ায় খানিকটা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আবারও ক্ষমতায় ফিরবেন তিনি।

বিবিসি বলছে, ইয়ার লাপিদ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কাছ থেকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন। মূলত ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের মাধ্যমে আবারও ক্ষমতায় ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

যদিও ইসরায়েলের নতুন এই প্রধানমন্ত্রী ইতোপূর্বে বলেছেন, ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে বিরোধের দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের জন্য তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তবে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে এ বিষয়ে তার আপাতত সাহসী নতুন কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা কম।

ইউক্রেনে সামরিক অভিযান কবে শেষ হবে, জানা নেই: পুতিন
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর চলমান সামরিক অভিযান কবে নাগাদ শেষ হতে পারে, সে বিষয়ক কোনো তথ্য নেই ভ্লাদিমির পুতিনের কাছে। বুধবার সাবেক সোভিয়েত রাষ্ট্র তুর্কমেনিস্তানের রাজধানী আশখাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। পুতিন বলেন, ‘আমি কখনও নির্দিষ্ট সময়সীমা বা ডেডলাইন উল্লেখ করে কথা বলি না। কারণ আমি বিশ্বাস করি— এটা জীবন, এটা বাস্তবতা।’

‘তাছাড়া আরও একটি কারণ আছে। আমি যদি (সামরিক অভিযান বন্ধের) ডেডলাইন ঘোষণা করি, তাহলে যুদ্ধক্ষেত্রে দুই পক্ষের সেনাদের মধ্যেই হামলা-সংঘাত আরও বাড়তে পারে এবং এটা একেবারেই আমাদের কাম্য নয়। কারণ, আমরা আমাদের লোকজনের (সেনা) জীবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেই।’

যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোকে ঘিরে দ্বন্দ্বের জেরে সীমান্তে আড়াই মাস সেনা মোতায়েন রাখার পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই ঘোষণা দেওয়ার দ’দিন আগে ইউক্রেনের রুশ বিচ্ছিন্নতাবাদী নিয়ন্ত্রিত দুই অঞ্চল দনেতস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেন তিনি।

বৃহস্পতিবার ১২৭তম দিনে গড়িয়েছে ইউক্রেনে রুশ সেনাদের অভিযান। ইতোমধ্যে দেশটির দুই বন্দর শহর খেরসন ও মারিউপোল, দনেতস্ক প্রদেশের শহর লিয়াম, লুহানস্ক প্রদেশের প্রধান শহর সেভেরোদনেতস্ক এবং মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশ জাপোরিজ্জিয়ার আংশিক এলাকার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে রুশ বাহিনীর হাতে।

এদিকে যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম রাশিয়ার বাইরে গিয়েছেন পুতিন। মধ্য এশিয়ার সাবেক সোভিয়েত রাষ্ট্রসমূহের একটি সম্মেলনে যোগ দিতে বর্তমানে তুর্কমেনিস্তানে রয়েছেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে পুতিন দাবি করেন, যেসব লক্ষ্য নিয়ে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু হয়েছিল, সেসব থেকে রাশিয়া বিচ্যুত হয়নি।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল তিনটি— দনেতস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন করা, এই দুই অঞ্চলের মানুষকে রক্ষা করা এবং রাশিয়ার ভৌগলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এসব ক্ষেত্রে এখনও কোনো পরিবর্তন আসেনি, রাশিয়াও তার লক্ষ্যসমূহ থেকে বিচ্যুত হয়নি।’

সূত্র: আরটি

ইউক্রেনকে ১০০ কোটি পাউন্ড সামরিক সহায়তার ঘোষণা যুক্তরাজ্যের
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:
বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, ড্রোনসহ রাশিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করতে ইউক্রেনকে ১০০ কোটি পাউন্ড সামরিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। বুধবার যুক্তরাজ্য এই সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। খবর বিবিসির।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের কার্যালয় ডাউনিং স্ট্রিট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রাশিয়া গত ফেব্রুয়ারিতে হামলার পর থেকে ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে। এ সহায়তা দিলে সেটির মোট পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াবে ২৩০ কোটি পাউন্ডে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই সহায়তার মধ্যে রয়েছে অত্যাধুনিক বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, ড্রোন, নতুন ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম এবং ইউক্রেনীয় সেনাদের জন্য হাজার হাজার গুরুত্বপূর্ণ কিট।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ ক্রমেই বর্বর হয়ে উঠেছে। যুক্তরাজ্যের অস্ত্র, সরঞ্জাম এবং প্রশিক্ষণ এই আক্রমণের বিরুদ্ধে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষাকে জোরদার করছে। পুতিনকে ব্যর্থ করতে আমরা ইউক্রেনের জনগণের পক্ষে সমর্থন অব্যাহত রাখব।

উল্লেখ্য, রাশিয়ার আক্রমণের পর ইউক্রেনকে ট্যাংকবিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের মতো সামরিক সহায়তা প্রদানকারী প্রথম দেশগুলোর মধ্যে ব্রিটেন অন্যতম। দেশটি ইউক্রেনীয় সৈন্যদের প্রশিক্ষণও দিচ্ছে।

ইউক্রেন আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে: রাশিয়া
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন, ইউক্রেনের সেনাবাহিনী ও উগ্র জাতীয়তাবাদী অস্ত্রধারীরা যতদিন আত্মসমর্পণ না করবে ততদিন দেশটিতে সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন বলে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- পেসকভ বলেন, ইউক্রেন ‘আজ সূর্যাস্তের আগেই’ এই সংঘাত বন্ধ করতে পারে যদি কিয়েভ তার উগ্র জাতীয়তাবাদীদের অস্ত্র সমর্পণ করতে বলে এবং মস্কোর দাবিগুলো মেনে নেয়।

তিনি আরও বলেন, ইউক্রেন সরকার রাশিয়ার দাবিগুলো মেনে নিলে সব কিছু আগের অবস্থায় ফিরে যাবে।

রুশ প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র বলেন, এর বাইরে যা কিছু বলা হচ্ছে তা ইউক্রেনের রাষ্ট্রপ্রধানের কল্পনা ও অনুমান। আমাদের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যেমনটি বলেছেন, ইউক্রেনে আমাদের সামরিক অভিযান পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী চলছে এবং তা লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শেষ করার কোনো সময়সীমা মস্কো নির্ধারণ করেছে কিনা সাংবাদিকরা জানতে চাইলে। উত্তরে পেসকভ না-সূচক জবাব দেন।

চলতি ইংরেজি বছরের শেষ নাগাদ চলমান সংঘাত থেমে যাবে বলে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যে মন্তব্য করেছেন, সে সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে এসব কথা বলেন দিমিত্রি পেসকভ।

বিদেশিদের জন্য দ. এশিয়ায় সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর ঢাকা
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মার্সার ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় বিদেশি কর্মীদের বসবাসের জন্য দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর নির্বাচিত হয়েছে ঢাকা। বিশ্বের ৪০০টিরও বেশি শহরের দুই শতাধিক পণ্য ও সেবার মূল্যের ভিত্তিতে চালানো নতুন এক জরিপে সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহরের তালিকা বুধবার প্রকাশ করেছে নিউইয়র্কভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠান।

সূচকে চলতি বছর ঢাকার অবস্থান ৫৮ ধাপ অবনমন ঘটলেও মার্সারের ‘কস্ট অভ লিভিং সার্ভে-২০২২’ শীর্ষক এই জরিপে প্রবাসীদের জন্য এখনও বিশ্বের ব্যয়বহুল ১০০ শহরের মধ্যে আছে ঢাকা।

২০২২ সালে প্রবাসী কর্মীদের জন্য বিশ্বের ৯৮তম ব্যয়বহুল শহর নির্বাচিত হয়েছে ঢাকা। যদিও এই জরিপে আগের বছর অর্থাৎ ২০২১ সালে ঢাকার অবস্থান ছিল ৪০তম। তার আগের বছর অর্থাৎ ২০২০ সালে ঢাকা ছিল ২০তম অবস্থানে। ফলে শীর্ষ ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় থাকলেও ঢাকা ক্রমান্বয়ে বিদেশীদের জন্য কম ব্যয়বহুল হচ্ছে।

বিদেশী কর্মীদের বসবাসের জন্য ঢাকা এখনও বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত কিছু শহরের তুলনায় ব্যয়বহুল রয়েছে। মার্সারের এই তালিকায় মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর ১৮১তম, কাতারের দোহা ১৩৩তম, সৌদি আরবের জেদ্দা ১১১তম, কানাডার ভ্যানকুভার ১০৮তম, থাইল্যান্ডের ব্যাংকক ১০৬তম এবং অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরা রয়েছে ১০৪তম অবস্থানে।

এ বছর মার্সার বিশ্বের ৪০০টিরও বেশি শহরে জরিপ পরিচালনা করে ২২৭টি শহরের সূচক তৈরি করেছে। আবাসন, পরিবহন, খাদ্য, পোশাক, গৃহস্থলি পণ্য-সামগ্রী এবং বিনোদনসহ প্রত্যেকটি শহরের দুই শতাধিক পণ্য ও পরিষেবার তুলনামূলক খরচের ভিত্তিতে এই সূচক তৈরি করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরকে সমস্ত তুলনার জন্য ভিত্তি শহর হিসেবে ধরা হয়েছিল। আর প্রত্যেকটি শহরে প্রবাসীদের জীবন-যাপনের ব্যয় মার্কিন ডলারের বিপরীতে তুলনা করা হয়। চলতি বছরের মার্চে এসব শহরের খরচের তুলনা করে জরিপটি পরিচালনা করেছে মার্সার।

সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় ভারতের মুম্বাই ১২৭তম, নয়াদিল্লি ১৫৫তম, চেন্নাই ১৭৭তম এবং বেঙ্গালুরু ১৭৮তম অবস্থানে রয়েছে। সেই হিসেবে প্রবাসী কর্মীদের জন্য এসব শহর ঢাকার (৯৮তম) তুলনায় কম ব্যয়বহুল।

এমনকি শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতেও প্রবাসীদের ব্যয় ঢাকার তুলনায় অনেক কম। সূচকে কলম্বোর অবস্থান ১৮৩তম। এরপরই ভারতের হায়দরাবাদ ১৯২তম, পুনে ২০১তম এবং কলকাতা ২০৩তম অবস্থানে রয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ায় প্রবাসীদের জীবনযাপনের জন্য সবচেয়ে কম ব্যয়বহুল শহর নির্বাচিত হয়েছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ এবং করাচি। বৈশ্বিক হিসেবে এই শহর দুটির অব্স্থান যথাক্রমে ২২৪ এবং ২২৩তম। বিশ্বের সবচেয়ে কম ব্যয়বহুল শহরের হিসেবেও শহর দুটির অবস্থান চতুর্থ এবং পঞ্চম।

সূচকে বিদেশি কর্মীদের জন্য সবচেয়ে সস্তা শহর নির্বাচিত হয়েছে তুরস্কের আঙ্কারা, কিরগিজস্তানের বিশকেক এবং তাজিকিস্তানের দুশানবে। অন্যদিকে, প্রবাসী কর্মীদের জন্য আবারও বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর হয়েছে হংকং (১ম)। এরপরই সূচকে দ্বিতীয় স্থানে আছে জুরিখ (২য়), সুইজারল্যান্ডের তিন শহর জেনেভা (৩য়), বাসেল (৪র্থ) এবং বার্ন (৫ম)।

এছাড়া আন্তর্জাতিক কর্মীদের বসবাসের জন্য বিশ্বের শীর্ষ ১০টি সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহরের চারটির অবস্থানই এশিয়ায়।

মার্সারের অংশীদার এবং মবিলিটি বিজনেসের বৈশ্বিক প্রধান ইভন ট্র্যাবার বলেছেন, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সৃষ্ট অস্থিরতা এবং ইউক্রেন সংকট বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তাকে আরও উসকে দিয়েছে। এই অনিশ্চয়তার সঙ্গে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি সংশ্লিষ্ট। প্রবাসী কর্মীরা তাদের ক্রয় ক্ষমতা এবং আর্থ-সামাজিক স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বিগ্ন।

কলম্বিয়ায় কারাগারে দাঙ্গায় ৫১ কয়েদির মৃত্যু
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
কলম্বিয়ার তুলুয়া শহরের একটি কারাগারে দাঙ্গা লেগে ৫১ জন কয়েদির মৃত্যু। কারাগারে আগুন ও দাঙ্গার এ ঘটনায় আরও ৩০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৮ জুন) রাতে দেশটির দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর তুলুয়ার আইএনপিইসি কারাগারে এ ঘটনা ঘটে।

কারাগারে আগুন, দাঙ্গা ও নিহতের ঘটনা কলম্বিয়ার সংবাদমাধ্যম কারাকোল রেডিওকে নিশ্চিত করেছেন ওই কারাগারের কারাপ্রধান জেনারেল টিটো ক্যাস্টিল্যানোস।
কারাকোল রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘটনাকে ‘দুঃখজনক’ ও ‘বিপর্যয়কর’ উল্লেখ করেন তিনি।

এ বিষয়ে ক্যাস্টিল্যানোস বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি, কয়েকজন কয়েদি তাদের গদিতে আগুন দিয়েছিল। তারপর গুজব ছড়িয়ে দেওয়া হয় যে, কারাগারে আগুন লেগেছে। এতে স্বাভাবিকভাবেই অন্য কয়েদিরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং কারাগার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকেন। এ সময় কারারক্ষীদের সঙ্গে তাদের সংঘাত হয়। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাধ্য হয়ে গুলি ছোড়া শুরু করে রক্ষীরা। তার ফলেই ঘটেছে হতাহতের ঘটনা।’ আইএনপিইসি কারাগারে দাঙ্গার এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ইভান ডিউক।

এক টুইটবার্তায় প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘তুলুয়া শহরের আইএনপিইসি কারাগারে হতাহতের ঘটনায় গভীরভাবে শোকাহত। আমি কারাপ্রধান টিটো ক্যাস্টিল্যানোসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি এবং এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি।’

জানা যায়, আইএনপিইসি কারাগারে মোট কয়েদির সংখ্যা ১ হাজার ২৬৭ জন। কারাগারের যে ব্লকে আগুন ধরানো হয়েছিল, সেখানে ওই সময় ছিলেন ১৮০ জন কয়েদি।
লাতিন আমেরিকার অন্যান্য দেশের মতো কলম্বিয়ার বিভিন্ন কারগারেও ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েদির সংখ্যা অনেক বেশি।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, কলম্বিয়ার সব কারাগারের মোট কয়েদি ধারণ ক্ষমতা ৮১ হাজার, কিন্তু বর্তমানে দেশটির বিভিন্ন কারাগারে বন্দি কয়েদির সংখ্যা প্রায় ৯৭ হাজার।
এর আগে ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় এই রোগ থেকে সুরক্ষার দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছিল কলম্বিয়ার বিভিন্ন কারাগারে। সে সময় কারারক্ষীদের সঙ্গে সংঘাতে নিহত হয়েছিলেন প্রায় ২৪ জন কয়েদি।
খবর দ্য গার্ডিয়ান

সুইডেন-ফিনল্যান্ডকে ন্যাটোতে নিতে অবশেষে তুরস্কের সমর্থন
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
সুইডেন ও ফিনল্যান্ডকে সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাবকে অবশেষে সমর্থন দিয়েছে তুরস্ক। প্রথমদিকে ওই দুই দেশের ন্যাটো জোটে যোগ দেওয়ার বিরোধিতা করেছিল দেশটি। ন্যাটোর নিয়ম অনুযায়ী, নতুন কোনো সদস্য নিতে হলে জোটের সবগুলো দেশের সম্মতি থাকতে হয়।

ফলে সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাটোতে জোটে যোগ দেওয়ার আগ্রহ জানালেও তুরস্কের আপত্তির কারণে তা আটকে গিয়েছিল। কারণ তুরস্ক মনে করে, দেশ দু’টি কুর্দি সন্ত্রাসীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে।

ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের ন্যাটো জোটে যোগ দেওয়ার বিরোধী রাশিয়া। পশ্চিমা এই সামরিক জোট সম্প্রসারণ করতে চাইছে, এমন দাবি তুলে ইউক্রেনে আক্রমণ শুরু করেছিল রাশিয়া। কিন্তু মস্কোর সেই অভিযান উল্টো ফলাফল দিতে শুরু করেছে। এতদিন নিরপেক্ষ দেশ হিসাবে থাকলেও ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের পর এখন ন্যাটো জোটে যোগ দিতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে সুইডেন ও ফিনল্যান্ড।

বিবিসির নিরাপত্তা বিষয়ক সংবাদদাতা ফ্রাঙ্ক গার্ডনার বলছেন, দুই গুরুত্বপূর্ণ সদস্যকে ন্যাটো জোটে নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় একটি বাধা অপসারণ হলো। ফিনল্যান্ড ও সুইডেন আধুনিক, গণতান্ত্রিক আর সুপ্রশিক্ষত সামরিক বাহিনীর অধিকারী দেশ হওয়ায় তা ন্যাটো উত্তরাঞ্চলে হুমকি মোকাবিলা শক্তিশালী করে তুলবে।

এই দু’টি দেশ ন্যাটো জোটে পুরোপুরি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর বাল্টিক সাগরকে একটি ন্যাটো লেকে পরিণত করবে, বলছেন গার্ডনার। তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন, যেখানে তুরস্কের উদ্বেগের বিষয়টি আলোচনা করা হয়েছে।

ন্যাটো মহাসচিব হেনস স্টলটেনবার্গ বলেছেন, সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে পদক্ষেপ আরও জোরালো করার ব্যাপারে রাজি হয়েছে সুইডেন। সেই সঙ্গে তুরস্কের কাছে অস্ত্র বিক্রির ওপর থাকা বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার বিষয়েও সম্মত হয়েছে নরডিক এই দেশ দু’টি।

ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট নিনিস্তো বলেছেন, তিন দেশ একটি যৌথ স্মারকে স্বাক্ষর করেছে যার মাধ্যমে ‘একে অপরের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে হুমকি মোকাবিলায় পূর্ণ সহযোগিতা আরও বাড়ানো হবে।’

সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন বলেছেন, ‘এটি ন্যাটোর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ।’ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ানের কার্যালয় বলেছে, সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের কাছ থেকে তারা যা চেয়েছে, ‘সেটা পেয়েছে’।

কেন ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার কথা ভাবছে ফিনল্যান্ড ও সুইডেন?
সুইডেনসহ স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অন্যান্য দেশগুলোর জনগণের মধ্যে ন্যাটোর সামরিক জোটে যোগদানের জন্য কখনোই খুব বেশি সমর্থন ছিল না। কিন্তু যখন রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সম্প্রতি ফিনল্যান্ড এবং সুইডেনকে স্পষ্টভাবে সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে, ন্যাটোর সদস্য হওয়ার দিকে তাদের যেকোনো পদক্ষেপের পরিণতি হতে পারে সামরিক, তখন উভয় দেশের মানুষ গভীরভাবে মর্মাহত হয়।

তারপর থেকে রুশ যুদ্ধবিমান নির্বিচারে সুইডিশ আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করেছে। ২০১৪ সালে রাশিয়ার একটি সাবমেরিন প্রবেশ করেছিল স্টকহোমের সীমানায়। নিরপেক্ষ থাকাই যদি রাশিয়ার কাছ থেকে সুরক্ষিত থাকার জন্য যথেষ্ট না হয়, তবে হয়তো ন্যাটোতে যোগ দিলে দেশ দু’টি প্রয়োজনীয় সুরক্ষা পেতে পারে, বলছে সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের জনগণ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রাশিয়ার কাছে নিজেদের ১০ শতাংশ ভূমি হারালেও কোনো জোটে যোগ দেওয়া থেকে বিরত ছিল ফিনল্যান্ড। কিন্তু রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড উত্তর ইউরোপের দেশগুলোকে আশঙ্কায় ফেলে দিয়েছে। ফলে সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের মতো দেশগুলো নিজেদের অনিরাপদ ভাবতে শুরু করেছে।

ফিনল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার স্টাব বলেছেন, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি যখন রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ করেছে, সেদিনই ফিনল্যান্ডের ন্যাটোয় যোগ দেওয়া হয়ে গেছে।

গত নভেম্বরেও সুইডেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিটার হলৎভিস্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সুইডেন কখনও ন্যাটোতে যোগ দেবে না। কিন্তু এখন তিনি বলছেন, যদি তারা ন্যাটোতে যোগ দেন, তাহলে নরডিক দেশগুলোর নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে।

অনেক ফিনিশ এবং সুইডিশ মনে করেন, ইউরোপে এখন যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, ন্যাটোতে যোগ দিলে তা থেকে তারা সুরক্ষা পাবেন। তবে কম হলেও ন্যাটোয় যোগ দেওয়ার বিপক্ষে মনোভাবও রয়েছে একটি অংশের।

সুইডিশ পিস অ্যান্ড আরবিট্রেশন সোসাইটির সদস্য ডেবোরা সলোমন বলছেন, ন্যাটোয় যোগ দিলে রাশিয়ার সঙ্গে পারমাণবিক উত্তেজনা আর ঝুঁকি বাড়বে। সেই সঙ্গে বিশ্বে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ আন্দোলনে সুইডেনের যে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা রয়েছে, তা হারাতে হবে। ন্যাটোয় যোগ দিলে বিশ্বে শান্তি রক্ষায় সুইডেনের মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকাও আর থাকবে না।

ফিনল্যান্ডের দিক থেকে দেখতে গেলে, ইউক্রেন আক্রমণের সাথে ১৯৩৯ সালের ফিনল্যান্ড আক্রমণের মধ্যে কিছু মিল রয়েছে- যা দেশটিতে শীতকালীন যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত। আত্মবিশ্বাসে পূর্ণ জোসেফ স্ট্যালিন তার সেনাবাহিনীকে ফিনল্যান্ডে পাঠিয়েছিলেন শুধুমাত্র এটা প্রমাণ করতে যে, জেনারেলরা তাকে যে ধারণা দিয়েছিলেন তার প্রতিরোধ ব্যবস্থা আসলে তার চেয়েও শক্তিশালী।

ফিনল্যান্ডের জনগণ তখন বিশাল এক সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনা করেছিল। ওই বাহিনীর মনোবল এক বছর বা তারও আগে গুরুতরভাবে ভেঙে পড়েছিল। ওই বাহিনীর বেশিরভাগ শীর্ষ ব্যক্তিত্বের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে।

আলোচনা শুরু হওয়া এবং একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর আগে ‘শীতকালীন যুদ্ধ’ কয়েক মাস ধরে চলেছিল। সেসময় রাশিয়া ফিনল্যান্ডের কাছ থেকে কিছু অঞ্চল দখল করে নেয়। কিন্তু ফিনিশরা তাদের স্বাধীনতা হারায়নি এবং তখন থেকে তারা এটি এখনও ধরে রেখেছে।

ন্যাটো কী?
ন্যাটো- নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন হচ্ছে একটি সামরিক জোট। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১২টি দেশ মিলে এই জোট গঠিত হয়, যার মধ্যে ছিল যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। ন্যাটোর কোনো সদস্য আক্রমণের শিকার হলে অন্য সদস্য দেশগুলোও তার সাহায্যে এগিয়ে আসবে।

এই জোট মূলত তৈরি হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে রাশিয়ার বিস্তার ঠেকানোর উদ্দেশ্যে। ন্যাটোর পাল্টা ব্যবস্থা হিসাবে পূর্ব-ইউরোপের বামপন্থি দেশগুলোকে নিয়ে ১৯৫৫ সালে নিজস্ব আরেকটি সামরিক জোট গঠন করে সোভিয়েত রাশিয়া, ওয়ারশ প্যাক্ট নামে যা পরিচিত।

সোভিয়েত ইউনিয়নের ১৯৯১ সালে পতনের পর ওয়ারশ প্যাক্টের সাবেক সদস্য বেশ কয়েকটি দেশ পক্ষ পরিবর্তন করে ন্যাটোতে যোগ দেয়। এখন ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা সব মিলিয়ে ৩০।

বাইডেনের স্ত্রী-কন্যার ওপর নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের স্ত্রী জিল বাইডেন ও তার মেয়ে অ্যাশলে বাইডেনসহ সরকারের উচ্চপদস্থ ২৫ জন ব্যক্তিকে রাশিয়ায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
নিষেধাজ্ঞা পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের মাইন অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধি সুসান কলিন্স, কেন্টাকি অঞ্চলের প্রতিনিধি মিচ ম্যাককোনেল, আইওয়া অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধি চার্লস গ্রাসলি, নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধি ক্রিস্টেন গিলবার্টসহ যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও সাবেক উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা রয়েছেন।

মঙ্গলবারের বিজ্ঞপ্তিতে রুশ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘রাশিয়ার রাজনীতিবিদ ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র একের পর এক নিষেধাজ্ঞা জারি করে যাচ্ছে। সেসব নিষেধজ্ঞার প্রতিক্রিয়াতেই এই ২৫ মার্কিন নাগরিককে ‘স্টপ লিস্টে’ অন্তর্ভুক্ত করা হলো।’
যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোকে ঘিরে দ্বন্দ্বের জেরে সীমান্তে আড়াই মাস সেনা মোতায়েন রাখার পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই ঘোষণা দেওয়ার দু’দিন আগে ইউক্রেনের রুশ বিচ্ছিন্নতাবাদী নিয়ন্ত্রিত দুই অঞ্চল দনেতস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেন তিনি।


সোমবার ১২৪তম দিনে গড়িয়েছে ইউক্রেনে রুশ সেনাদের অভিযান। ইতোমধ্যে দেশটির দুই বন্দর শহর খেরসন ও মারিউপোল, দনেতস্ক প্রদেশের শহর লিয়াম, লুহানস্ক প্রদেশের প্রধান শহর সেভেরোদনেতস্ক এবং মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশ জাপোরিজ্জিয়ার আংশিক এলাকার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে রুশ বাহিনীর হাতে।
এদিকে, রুশ বাহিনী ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত কয়েক দফায় রাশিয়ার সরকারী কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাইডেন প্রশাসন।
নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্তদের মধ্যে রাশিয়ার মন্ত্রিসভার সদস্য, সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও রাশিয়ার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ দুমার ২ শতাধিক জনপ্রতিনিধি রয়েছেন।

জর্ডানের বন্দরে বিষাক্ত ক্লোরিন গ্যাসে নিহত ১৩, অসুস্থ ২৫১
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
জর্ডানের আকাবা বন্দরে বিষাক্ত ক্লোরিন গ্যাস ছড়িয়ে পড়ায় তার প্রভাবে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন আরো ২৫১ জন।

সোমবার (২৭ জুন) একটি ট্যাংক থেকে বিষাক্ত এ গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে।

সরকারি মুখপাত্র ফয়সাল আল-শাবুলের বরাত দিয়ে আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, পূর্ব আফ্রিকার দেশ জিবুতিতে রফতানির উদ্দেশ্যে একটি ট্যাংকারে ২৫ টন ক্লোরিন গ্যাস পূরণ করা হচ্ছিল। এ সময় বিষাক্ত এ ক্লোরিন গ্যাস লিক হয়ে যায়।

লোহিত সাগর তীরবর্তী আকাবা বন্দরে ক্রেনের ত্রুটির কারণে একটি রাসায়নিক স্টোরেজ কন্টেইনার নিচে পড়ে বিস্ফোরিত হয়। সেই কন্টেইনার থেকেই বিষাক্ত ক্লোরিন গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

জর্ডানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা যায়, ক্লোরিন গ্যাসের কারণে আহত হওয়াদের মধ্যে ১৯৯ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে, তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক।

কন্টেইনার বিস্ফোরণ হওয়ার ওই ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ক্লোরিন গ্যাসভর্তি একটি কন্টেইনার ক্রেনের মাধ্যমে ওপরের দিকে উঠানো হচ্ছিলো। এই অবস্থায় হঠাৎ করেই সেটি জাহাজের ওপরে পড়ে গিয়ে বিস্ফোরিত হয়। সাথে সাথেই সেখানে উজ্জ্বল হলুদ রংয়ের ক্লোরিন গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে। তৎক্ষণাত ঐখানে থাকা মানুষজন নিজেদের বাঁচাতে দৌড়াতে শুরু করে।

আরেক ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, কন্টেইনারটিতে ২৫ থেকে ৩০ টন ক্লোরিন ছিল, যেগুলো জর্ডানের আকাবা বন্দর থেকে জিবুতিতে রপ্তানি করা হচ্ছিল।

বন্দরের ডেপুটি ডিরেক্টর দেশটির এক টিভি চ্যানেলকে জানিয়েছেন, জাহাজে ওঠানোর সময় কন্টেইনারটিকে বহনকারী একটি ‘লোহার দড়ি’ ছিড়ে গেলে কন্টেইনারটি নিচে পড়ে যায়।

এই ঘটনার পরপরই জর্ডানের প্রধানমন্ত্রী বিশার আল-খাসাওনেহ আকাবা বন্দরে যান এবং দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাজেন ফারায়াকে দুর্ঘটনা এবং হতাহতের ঘটনার তদন্ত তদারকি করার আদেশ দেন

যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাকের ভেতর থেকে ৪৬ মরদেহ উদ্ধার
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রে একটি লরির ভেতর থেকে ৪৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতদের সবাই অভিবাসী বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সান আন্তোনিও শহরের উপকণ্ঠে একটি লরিতে এসব মানুষকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (২৮ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

যুক্তরাষ্ট্রের এক অগ্নিনির্বাপণ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, লরি থেকে উদ্ধার করা আরও অন্তত ১৬ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজন শিশুও রয়েছে।

এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় মৃতদেহ উদ্ধার হওয়া লরির ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ছবিতে বড় একটি ট্রাকের চারপাশে জরুরি পরিষেবায় নিযুক্ত বহু সংখ্যক কর্মীকে দেখা যাচ্ছে।

অন্যদিকে কেএসএটি নামক একটি টিভি চ্যানেল জানিয়েছে, বড় এই লরিটি সান আন্তোনিও শহরের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে একটি রেল ট্র্যাকের পাশে খুঁজে পাওয়া যায়।

সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৃতদেহ উদ্ধার করা ওই লরির চালক পলাতক রয়েছেন এবং সান আন্তোনিও পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তারা নিখোঁজ গাড়িচালককে খুঁজছেন।

টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের এই সান আন্তোনিও শহরটি যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত থেকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার (১৫০ মাইল) দূরে অবস্থিত।

এদিকে বিপুল সংখ্যক এই মানুষের মৃত্যুর জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে দায়ী করেছেন টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট। তার অভিযোগ, ‘তার (বাইডেনের) মারাত্মক উন্মুক্ত সীমান্ত নীতির ফলাফল’ হিসেবেই এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

মেক্সিকোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্সেলো ইব্রার্ড বলেছেন, লরিটি খুঁজে পাওয়া স্থানে মেক্সিকান দূত যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেছেন, লরি থেকে উদ্ধারকৃত মৃত এসব মানুষের নাগরিকত্ব বা জাতীয়তা এখনও জানা যায়নি।

বিবিসি জানিয়েছে, কীভাবে এসব মানুষ মারা গেল তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয় এবং স্থানীয় পুলিশ এখনও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি।

এছাড়া সান আন্তোনিও শহরের জলবায়ু গ্রীষ্মের মাসগুলোতে বেশ গরম থাকে এবং সোমবার এই শহরটিতে তাপমাত্রা পৌঁছায় ৩৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে (১০৩ ফারেনহাইট)।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব থাকবে অন্তত এক দশক: তুরস্ক
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইউক্রেনে রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযান আর কতদিন চলবে, এখনই সে সম্পর্কে নির্দিষ্ট ধারণা লাভ সম্ভব নয়; যদি শিগগির এই অভিযান শেষ হয়, তাহলেও অন্তত পরবর্তী ১০ বছর বিশ্বজুড়ে এই যুদ্ধের প্রভাব থাকবে।

তুরস্কের সংবাদমাধ্যম হেবেরতুর্ক টিভি চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের মুখপাত্র ইব্রাহিম কালিন। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, নিজ দেশের স্বার্থের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কারণেই রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি থেকে বিরত রয়েছে তুরস্ক।

রোববারের সাক্ষাৎকারে ইব্রাহিম কালিন বলেন, ‘(ইউক্রেনে) রুশ বাহিনীর অভিযান কবে শেষ হতে পারে, তা এই মুহূর্তে ধারণা করা সম্ভব নয়। তবে এই যুদ্ধের ফলে বিশ্বজুড়ে যেসব ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে, তাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়— স্বল্পমেয়াদী, মধ্যমমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী।’

‘এবং আমার ধারণা বলছে, আগামী অন্তত ১০ বছর বিশ্ববাসীকে এই বিভিন্ন মেয়াদী প্রভাবের ভুক্তভোগী হতে হবে। যুদ্ধ হয়তো শেষ হবে, কিন্তু তার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্তির কোনো উপায় আমাদের সামনে খোলা নেই।’

এই যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে বিশ্বে ‘নতুন ধরনের শীতল যুদ্ধ’ শুরু হয়েছে এবং এটি বিশ্ব রাজনীতিকে আমূল পাল্টে দেবে উল্লেখ করে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র বলেন, ‘এই অভিযান শুরুর পর থেকে একদিকে পশ্চিমা দেশগুলোতে যেমন রাশিয়া বিরোধী মনোভাব বাড়ছে, তেমনি রাশিয়াতেও পশ্চিম বিরোধী মনোভাব ছড়িয়ে পড়ছে। এটা চলতেই থাকবে এবং এর ফলে বিশ্ব রাজনীতি আগাগোড়া পাল্টে যাবে।’

কৃষ্ণ সাগরের তীরবর্তী দুই দেশ রাশিয়া ও ইউক্রেন— উভয়ের সঙ্গেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে তুরস্কের। পাশপাশি একমাত্র এশীয় দেশ হিসেবে ন্যাটোর সদস্য হওয়ার সুবাদে যুক্তরাষ্ট্রেরও অন্যতম মিত্রদেশ তুরস্ক।

কিন্তু গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য মিত্র রাশিয়ার ওপর একের পর এক নিষেধজ্ঞা জারি করলেও তুরস্ক এখন পর্যন্ত রাশিয়ার ওপর কোনো নিষেধজ্ঞা জারি করেনি; বরং রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যকার সংকট রাজনৈতিকভাবে সমাধানে দূতের ভূমিকা পালন করছে দেশটি।

এ সম্পর্কে সাক্ষাৎকারে ইব্রাহিম কালিন বলেন, ‘তুরস্ক জ্বালানিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। আমাদেরকে বাইরের দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করতে হয়। এ কারণে রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের যেমন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, ইরানের সঙ্গেও রয়েছে।’

‘আমরা যে রাশিয়ার ওপর কোনো নিষেধজ্ঞা দিইনি, তার প্রধান কারণ— আমরা নিজেদের জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি।’

‘এই যুদ্ধের বিষয়ে আমাদের অবস্থান একদম পরিষ্কার, আর সেটি হলো— আমরা চাই কূটনৈতিকভাবে এই সমস্যার সমাধান হোক। গত দু’মাস ধরে রাশিয়া ও ইউক্রেনের সরকারি প্রতিনিধিদের মধ্যে যে শান্তি আলোচনা চলছে, তার আয়োজকও কিন্তু আমরা।’

‘বিশ্বও তুরস্কের এই অবস্থান মেনে নিয়েছে; কারণ কাউকে না কাউকে মধ্যস্থতা করার জন্য এগিয়ে আসতেই হতো এবং এই মুহূর্তে তুরস্ক ছাড়া এই ভূমিকা কেউই পালন করতে পারত না।’

যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোকে ঘিরে দ্বন্দ্বের জেরে সীমান্তে আড়াই মাস সেনা মোতায়েন রাখার পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই ঘোষণা দেওয়ার দু’দিন আগে ইউক্রেনের রুশ বিচ্ছিন্নতাবাদী নিয়ন্ত্রিত দুই অঞ্চল দনেতস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেন তিনি।

সোমবার ১২৪তম দিনে গড়িয়েছে ইউক্রেনে রুশ সেনাদের অভিযান। ইতোমধ্যে দেশটির দুই বন্দর শহর খেরসন ও মারিউপোল, দনেতস্ক প্রদেশের শহর লিয়াম, লুহানস্ক প্রদেশের প্রধান শহর সেভেরোদনেতস্ক এবং মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশ জাপোরিজ্জিয়ার আংশিক এলাকার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে রুশ বাহিনীর হাতে।

ইউক্রেনের জনবহুল শপিংমলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা রাশিয়ার
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইউক্রেনের মধ্যাঞ্চলীয় শহর ক্রেমেনচুকের একটি জনবহুল শপিং মলে আঘাত করেছে রুশ বাহিনীর ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র। হামলার সময় মলটিতে ১ হাজারেরও বেশি মানুষ ছিলেন বলে দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

সোমবার সামাজিক যোগাযোগামাধ্যম টেলিগ্রামে এক পোস্টে এই তথ্য জানান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। তবে হামলায় হতাহতের কোনো সংখ্যা তিনি উল্লেখ করেননি। টেলিগ্রাম পোস্টে জেলেনস্কি বলেন, ‘হামলায় কতজন হতাহত হয়েছেন— তা কল্পনা করাও অসম্ভব। আসলে রাশিয়ার কাছ থেকে সৌজন্য ও মানবিকতার আশা করা বৃথা।’

ক্রেমেনচুকের মেয়র ভিতালি মেলেতস্কিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়টি স্বীকার করেছেন এবং বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন; কিন্তু হতাহতের কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা দেননি তিনিও।

রাশিয়ার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোকে ঘিরে দ্বন্দ্বের জেরে সীমান্তে আড়াই মাস সেনা মোতায়েন রাখার পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই ঘোষণা দেওয়ার দু’দিন আগে ইউক্রেনের রুশ বিচ্ছিন্নতাবাদী নিয়ন্ত্রিত দুই অঞ্চল দনেতস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেন তিনি।

সোমবার ১২৪তম দিনে গড়িয়েছে ইউক্রেনে রুশ সেনাদের অভিযান। ইতোমধ্যে দেশটির দুই বন্দর শহর খেরসন ও মারিউপোল, দনেতস্ক প্রদেশের শহর লিয়াম, লুহানস্ক প্রদেশের প্রধান শহর সেভেরোদনেতস্ক এবং মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশ জাপোরিজ্জিয়ার আংশিক এলাকার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে রুশ বাহিনীর হাতে।

ক্রেমেনচুক মূলত একটি শিল্পশহর। ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় তেল শোধনাগারের অবস্থান এই শহরে। ২৪ ফেব্রুয়ারি রুশ হামলার আগ পর্যন্ত শহরটিতে বসবাস করতেন প্রায় ২ লাখ ১৭ হাজার মানুষ।

আক্রান্ত কিয়েভ, ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে রুশ বাহিনীর হামলা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে হামলার আগে চেরনিহিভ, জাইটোমির এবং লভিভ অঞ্চলে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালায় রুশ বাহিনী। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের মধ্যাঞ্চলে রুশ মিসাইল হামলার পর অন্তত ২৫ জনকে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শহরের মেয়র ভিটালি ক্লিটসকো বলেন, ‘উদ্ধার হওয়াদের মধ্য থেকে সাত বছরের একটি মেয়েসহ চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল।’

স্থানীয় সময় শুক্রবার কিয়েভের একটি আবাসিক ভবনে মিসাইল হামলা হয়। ইউক্রেনের পুলিশপ্রধান ইহোর ক্লাইমেনকো জাতীয় টেলিভিশনে বলেছেন, পাঁচজন আহত হয়েছেন। একটি কিন্ডারগার্টেনও হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল।

গত ৫ জুন কিভেয়ের উপকণ্ঠে একটি রেলগাড়ি মেরামত কারখানায় হামলা এবং এপ্রিলের শেষ দিকে আবাসিক ভবনে গোলা হামলায় এক নারী নিহত হওয়ায় পর কিয়েভে বড় ধরনের হামলা কমিয়ে ফেলে রুশ বাহিনী।

কিয়েভে হামলার আগে চেরনিহিভ, জাইটোমির এবং লভিভ অঞ্চলে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালায় রুশ বাহিনী। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

শেভচেনকিভস্কি জেলার ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের সামনে রিপোর্ট করার সময় আল জাজিরার চার্লস স্ট্র্যাটফোর্ড বলেন, ‘দেশের অন্য যেকোনো জায়গার মতোই ঝুঁকিপূর্ণ রাজধানী।’


এদিকে মধ্য ইউক্রেনের শহর চেরকাসিতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। টেলিগ্রাম অ্যাপে গভর্নর ওলেক্সান্ডার স্কিচকো বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তবে তিনি আর বিস্তারিত জানাননি। ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন আক্রমণ করার পর থেকে এই প্রথম আক্রান্ত হলো চেরকাসি।

কী করছে পশ্চিমারা

জার্মানিতে জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলনের আগে একটি বৈঠকে জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ স্কোলজকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, ‘ইউক্রেনে আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পশ্চিমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

‘আমাদের একসঙ্গে থাকতে হবে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আশা করছিলেন ন্যাটো এবং জি-সেভেন বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।’

ইউক্রেনকে আরও সহায়তা দেবে ফ্রান্স-যুক্তরাজ্য

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেনের জন্য আরও সমর্থন দিতে রাজি হয়েছে। জার্মানিতে চলা জি-সেভেন সম্মেলনে সাইডলাইন বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত আসে।

আক্রান্ত কিয়েভ, সহায়তা বাড়াচ্ছে ফ্রান্স-যুক্তরাজ্য
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলনের সাইডলাইনে বৈঠক করছেন। 
ডাউনিং স্ট্রিটের মুখপাত্র বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ‘তারা (যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স) মনে করে সংঘাতের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত চলছে। এখনই যুদ্ধের মোড় ঘোরানোর সুযোগ রয়েছে।’

কী বলছে ইউক্রেন

উন্নত দেশগুলোর জোট জি-সেভেন নেতাদের প্রতি রাশিয়ার ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা। সেই সঙ্গে রুশ হামলা মোকাবিলায় আরও শক্তিশালী অস্ত্র চেয়েছেন তিনি।

টুইটে তিনি বলেন, ‘হামলার আগে সাত বছরের শিশুটি নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছিল। ইউক্রেনের অনেক অঞ্চল অবরুদ্ধ রয়েছে। জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলনে অবশ্যই রাশিয়ার ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা দিতে হবে। সেই সঙ্গে আরও ভারী অস্ত্র লাগবে পুতিনকে ঠেকাতে।’

বেলারুশে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর ঘোষণা পুতিনের
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধের মধ্যেই এবার বেলারুশে পারমাণবিক সক্ষমতা সম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সামনের মাসগুলোতে মস্কোর মিত্র এই দেশটির কাছে স্বল্প-পাল্লার এসব পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (২৬ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট পুতিন বেলারুশের কাছে যে ক্ষেপণাস্ত্র পাঠাতে যাচ্ছেন, তার নাম ইস্কান্দার-এম ক্ষেপণাস্ত্র।

এটি পারমাণবিক সক্ষমতা সম্পন্ন স্বল্প-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা। এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর পরিসীমা ৫০০ কিলোমিটার। অর্থাৎ এগুলো ৫০০ কিমি (৩১০ মাইল) দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে।

প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেছেন, ইস্কান্দার-এম ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাটি ‘প্রচলিত এবং পারমাণবিক সক্ষমতা সম্পন্ন হয়ে থাকে এবং এর মাধ্যমে উভয় ধরনের ব্যালিস্টিক এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে পারে’।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোরে ইউক্রেনে হামলা শুরু করে রাশিয়ান সৈন্যরা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে ইউক্রেনে এই হামলা শুরু করে। একসঙ্গে তিন দিক দিয়ে হওয়া এই হামলায় ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পড়েছে বৃষ্টির মতো।

মস্কো অবশ্য ইউক্রেনে তাদের এই আগ্রাসনকে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ বলে আখ্যায়িত করছে। এছাড়া যুদ্ধের শুরুতে পুরো ইউক্রেনীয় ভূখণ্ড আক্রান্ত হলেও রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর মূল মনোযোগ এখন দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় ডনবাস এলাকায়।

মূলত গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকে রাশিয়া ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। আর সেই সময় থেকেই প্রেসিডেন্ট পুতিন পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়ে বেশ কয়েকটি মন্তব্য করেছেন। পুতিনের এসব মন্তব্যকে কেউ কেউ নিজের কাজে পশ্চিমা দেশগুলোর হস্তক্ষেপ না করার জন্য একটি সতর্কতা হিসাবে ব্যাখ্যা করেছেন।

শনিবার রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে বক্তৃতায় প্রেসিডেন্ট পুতিন আরও বলেন, রেলারুশের এসইউ-২৫ যুদ্ধবিমানগুলোকে আরও উন্নত করতে সহায়তা করবে রাশিয়া। এতে করে বেলারুশিয়ান এসব যুদ্ধবিমান পারমাণবিক অস্ত্র বহন করতে পারবে।

এদিকে শনিবার ইউক্রেনের লুহানস্কের সেভেরোদোনেতস্ক শহরের দখল নিয়েছে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী। এর মাধ্যমে পুরো লুহানস্ক অঞ্চলটি এখন রাশিয়ার দখলে চলে এলো।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদমির জেলেনস্কি অবশ্য রুশ নিয়ন্ত্রণ থেকে ভূখণ্ড ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, রুশ সেনারা সেভেরোদোনেতস্কসহ ইউক্রেনের যেসব অঞ্চল দখল করেছে, সেসব অঞ্চল মুক্ত করবে কিয়েভ।

মূলত সেভেরোদোনেতস্ক শহর পতনের পরই রুশদের কাছে হারানো সব অঞ্চল পুনরায় ফিরিয়ে নেওয়ার কথা জানান জেলেনস্কি।


   Page 1 of 293
     আন্তর্জাতিক
মার্কিন আহ্বান উপেক্ষা করে রাশিয়া থেকে তেল কিনছে যেসব দেশ
.............................................................................................
রাশিয়ার বিরুদ্ধে ৩ লাখ সেনা প্রস্তুত রাখবে ন্যাটো
.............................................................................................
ইয়ার লাপিদ ইসরায়েলের নতুন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
ইউক্রেনে সামরিক অভিযান কবে শেষ হবে, জানা নেই: পুতিন
.............................................................................................
ইউক্রেনকে ১০০ কোটি পাউন্ড সামরিক সহায়তার ঘোষণা যুক্তরাজ্যের
.............................................................................................
ইউক্রেন আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে: রাশিয়া
.............................................................................................
বিদেশিদের জন্য দ. এশিয়ায় সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর ঢাকা
.............................................................................................
কলম্বিয়ায় কারাগারে দাঙ্গায় ৫১ কয়েদির মৃত্যু
.............................................................................................
সুইডেন-ফিনল্যান্ডকে ন্যাটোতে নিতে অবশেষে তুরস্কের সমর্থন
.............................................................................................
বাইডেনের স্ত্রী-কন্যার ওপর নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার
.............................................................................................
জর্ডানের বন্দরে বিষাক্ত ক্লোরিন গ্যাসে নিহত ১৩, অসুস্থ ২৫১
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাকের ভেতর থেকে ৪৬ মরদেহ উদ্ধার
.............................................................................................
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব থাকবে অন্তত এক দশক: তুরস্ক
.............................................................................................
ইউক্রেনের জনবহুল শপিংমলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা রাশিয়ার
.............................................................................................
আক্রান্ত কিয়েভ, ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে রুশ বাহিনীর হামলা
.............................................................................................
বেলারুশে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর ঘোষণা পুতিনের
.............................................................................................
ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র বৃষ্টি
.............................................................................................
ইউক্রেন ও মালদোভা পেল ইইউর সদস্য পদের প্রার্থীর মর্যাদা
.............................................................................................
জার্মানি সোভিয়েতে যা করেছে, ইউক্রেনে তাই-ই করছে রাশিয়া: জেলেনস্কি
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে ট্রেনে গোলাগুলি, হতাহত ২
.............................................................................................
আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহত অন্তত ২৫০
.............................................................................................
চোলিস্তানে তাপমাত্রা ছাড়িয়েছে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
.............................................................................................
অস্ট্রেলিয়ার প্রথম হিজাবধারী সিনেটর ফাতিমা
.............................................................................................
ইউক্রেনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শহর দখল দখল রাশিয়া
.............................................................................................
ওয়াশিংটন ডিসিতে গোলাগুলিতে নিহত ১, পুলিশসহ আহত ২০
.............................................................................................
ফিলিপাইনের ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিলেন দুতার্তের কন্যা
.............................................................................................
মহানবীকে (সা.) কটূক্তির নিন্দা জানাল যুক্তরাষ্ট্র
.............................................................................................
জার্মানি-ফ্রান্স-ইতালি, ইউক্রেনকে ইইউর সদস্য দেখতে চায়
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রে চার্চে গুলি, নিহত ২
.............................................................................................
বিশ্ব মানচিত্রে ইউক্রেনের অস্তিত্ব থাকবে না ২ বছরের মধ্যে
.............................................................................................
কাশ্মীরে চিতার আক্রমণে ৩ শিশু নিহত
.............................................................................................
একটি শিশুকে বাঁচাতে ৫ শতাধিক উদ্ধারকর্মী
.............................................................................................
ইউক্রেনের ভয়াবহ ক্ষতি হচ্ছে, দরকার ক্ষেপণাস্ত্র-বিধ্বংসী অস্ত্র
.............................................................................................
ডনবাসের দখল নির্দ্ধারণ করবে ইউক্রেন যুদ্ধে কে জয়ী
.............................................................................................
বিদেশ সফরে ত্যাগ করা মল মূত্রও দেশে নিয়ে ফেরেন পুতিন
.............................................................................................
ফিনল্যান্ডের ন্যাটোতে প্রবেশ আটকে রেখেছে তুরস্ক : ফিনিশ প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
সুপ্রিম কোর্টে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ
.............................................................................................
বেড়েছে রুশ হামলার তীব্রতা: খারকিভ ছেড়েছেন ১৭০০ মানুষ
.............................................................................................
সিরিয়ায় ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
.............................................................................................
ভারতে আবার বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, বাড়ছে মৃত্যুও
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৩
.............................................................................................
বাল্টিক সাগরে রুশ নৌবাহিনীর মহড়া
.............................................................................................
ভারত সীমান্তে চিনা সামরিক তোড়জোড়, সংঘাতের শঙ্কা
.............................................................................................
মধ্যপ্রাচ্যে ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক তীব্র হচ্ছে
.............................................................................................
নিজ কার্যালয়ে মন্ত্রীকে গুলি করে হত্যা
.............................................................................................
স্বপ্ন দেখার শক্তিও নেই ইউক্রেনের
.............................................................................................
প্রয়াত এমপি সেলিম`র কন‍্যা সিমিন চৌধুরী মিশিগানে সংবর্ধিত
.............................................................................................
ভারতে গরুকে ধর্ষণ করে রক্তাক্ত, চিকিৎসায় নেয়া হল
.............................................................................................
এবার স্কুলে শিক্ষকদের বন্দুক দেবে যুক্তরাষ্ট্র
.............................................................................................
জার্মানিতে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৪
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT