বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর 2022 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   আন্তর্জাতিক -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
হত্যার দায়ে ৫ বিক্ষোভকারীকে মৃত্যুদণ্ড দিল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : হিজাব ইস্যুতে চলমান বিক্ষোভের সময় আধাসামরিক বাহিনীর এক সদস্যকে হত্যার দায়ে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ইরানের আদালত। এ রায়ে আরও ১১ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

ইরানের অভিজাত বিপ্লবী গার্ডের আধাসামরিক স্বেচ্ছাসেবক শাখা বাসিজের সদস্য রুহুল্লাহ আজমিয়ানকে হত্যার অভিযোগে ১৩ জন পুরুষ ও তিন নাবালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল।

বিচার বিভাগের মুখপাত্র মাসুদ সেতাইশি জানিয়েছেন, রুহুল্লা আজামিয়া নামের ওই সেনাকর্মীর মৃত্যু হয় ৩ নভেম্বর। ১৬ জনের একটি দল তাকে ঘিরে ধরেছিল। তাদের পাথর ও ছুরির আঘাতেই মৃত্যু হয় আজামিয়ার। অভিযুক্তদের কারও পরিচয়ই প্রকাশ করা হয়নি। অভিযুক্তরা চাইলে তাদের সাজা পুনর্বিবেচনার আবেদন জানাতে পারবেন।

এদিকে, টানা দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা হিজাববিরোধী বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন ইরানের সাবেক একজন প্রেসিডেন্ট।

আন্দোলনে সমর্থনের পাশাপাশি বিক্ষোভকারীদের দাবিও মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তার এই মন্তব্যকে নজিরবিহীন বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামি দেশটির সরকার বিরোধী বিক্ষোভকারীদের প্রশংসা করে প্রকাশ্যেই এক বিরল মন্তব্য করেছেন। একইসঙ্গে ‘খুব দেরি হওয়ার আগে’ বিক্ষোভকারীদের দাবি মেনে নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

৭৯ বছর বয়সী মোহাম্মদ খাতামি বলেন, ‘নারী, জীবন, স্বাধীনতা’ নিয়ে বিক্ষোভকারীদের ‘সুন্দর স্লোগান’ এটাই দেখায় যে, ইরানি সমাজ একটি উন্নত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তারেরও সমালোচনা করেন। বুধবার ছাত্র দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে এসব মন্তব্য করা হয় বলে জানিয়েছে বিবিসি।

১৬ সেপ্টেম্বর ইরানের নীতি পুলিশের হেফাজতে মৃত্যু হয় মাহসা আমিনি নামে এক তরুণীর। এর পর থেকেই দেশজুড়ে শুরু হয় সহিংস বিক্ষোভ। ২১ সেপ্টেম্বর বিক্ষোভ চলাকালে হাদিস নাজাফি আরেক তরুণীর মৃত্যু হয়। নাজাফির মৃত্যুর প্রতিবাদে নভেম্বরে স্বজনরা বিক্ষোভ করেন। এই সময় বিক্ষোভকারীরা আজামিয়ার ওপর হামলা চালায়।

হত্যার দায়ে ৫ বিক্ষোভকারীকে মৃত্যুদণ্ড দিল ইরান
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : হিজাব ইস্যুতে চলমান বিক্ষোভের সময় আধাসামরিক বাহিনীর এক সদস্যকে হত্যার দায়ে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ইরানের আদালত। এ রায়ে আরও ১১ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

ইরানের অভিজাত বিপ্লবী গার্ডের আধাসামরিক স্বেচ্ছাসেবক শাখা বাসিজের সদস্য রুহুল্লাহ আজমিয়ানকে হত্যার অভিযোগে ১৩ জন পুরুষ ও তিন নাবালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল।

বিচার বিভাগের মুখপাত্র মাসুদ সেতাইশি জানিয়েছেন, রুহুল্লা আজামিয়া নামের ওই সেনাকর্মীর মৃত্যু হয় ৩ নভেম্বর। ১৬ জনের একটি দল তাকে ঘিরে ধরেছিল। তাদের পাথর ও ছুরির আঘাতেই মৃত্যু হয় আজামিয়ার। অভিযুক্তদের কারও পরিচয়ই প্রকাশ করা হয়নি। অভিযুক্তরা চাইলে তাদের সাজা পুনর্বিবেচনার আবেদন জানাতে পারবেন।

এদিকে, টানা দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা হিজাববিরোধী বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন ইরানের সাবেক একজন প্রেসিডেন্ট।

আন্দোলনে সমর্থনের পাশাপাশি বিক্ষোভকারীদের দাবিও মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তার এই মন্তব্যকে নজিরবিহীন বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামি দেশটির সরকার বিরোধী বিক্ষোভকারীদের প্রশংসা করে প্রকাশ্যেই এক বিরল মন্তব্য করেছেন। একইসঙ্গে ‘খুব দেরি হওয়ার আগে’ বিক্ষোভকারীদের দাবি মেনে নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

৭৯ বছর বয়সী মোহাম্মদ খাতামি বলেন, ‘নারী, জীবন, স্বাধীনতা’ নিয়ে বিক্ষোভকারীদের ‘সুন্দর স্লোগান’ এটাই দেখায় যে, ইরানি সমাজ একটি উন্নত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তারেরও সমালোচনা করেন। বুধবার ছাত্র দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে এসব মন্তব্য করা হয় বলে জানিয়েছে বিবিসি।

১৬ সেপ্টেম্বর ইরানের নীতি পুলিশের হেফাজতে মৃত্যু হয় মাহসা আমিনি নামে এক তরুণীর। এর পর থেকেই দেশজুড়ে শুরু হয় সহিংস বিক্ষোভ। ২১ সেপ্টেম্বর বিক্ষোভ চলাকালে হাদিস নাজাফি আরেক তরুণীর মৃত্যু হয়। নাজাফির মৃত্যুর প্রতিবাদে নভেম্বরে স্বজনরা বিক্ষোভ করেন। এই সময় বিক্ষোভকারীরা আজামিয়ার ওপর হামলা চালায়।

মারিউপোলে সেনাঘাঁটি বানাচ্ছে রাশিয়া
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইউক্রেনের বন্দরনগরী মারিউপোলে সেনাঘাঁটি বানাচ্ছে রাশিয়া। বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে এ তথ‌্য জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া বেশ কিছু ছবিতে রাশিয়ার এ তৎপরতা চোখে পড়ে। এতে দেখা যায়, শহরটিতে নতুন করে বড় আকারের সেনা শিবির নির্মাণ করছে রাশিয়া। ধীরে ধীরে মারিউপোলে আবারও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করছে রাশিয়া।

শহরটির দক্ষিণ ও পূর্ব অংশে ইউক্রেনের পাল্টা আক্রমণের ফলে মারিউপোল হুমকির মুখে পড়তে যাচ্ছে। এ অবস্থায় শহরটিতে সেনা বাড়ানো শুরু করেছে রাশিয়া।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে অভিযান চালায় রাশিয়া। এর পর প্রায় তিন মাস মারিউপোল শহরটি অবরুদ্ধ করে রাখেন রুশ সেনারা। তাদের অব্যাহত হামলায় শহরটির অধিকাংশ এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

ইউক্রেনে এক লাখ রুশ সেনা নিহত, নিখোঁজ-আহত দেড় লাখ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:

চলতি বছরের ইউক্রেনে সর্বাত্মক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া। এ যুদ্ধে তুমুল প্রতিরোধ যুদ্ধ চালিয়ে এক লাখ রুশ সেনাকে হত্যা করেছে বলে দাবি করেছে ইউক্রেন। পাশাপাশি ইউক্রেনের ১৩ হাজার সেনা নিহতের তথ্যও জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির উপদেষ্টা মিখাইলো পডোলিয়াক।

শুক্রবার ইউক্রেনের এক সম্প্রচার মাধ্যমে কথা বলার সময় জেলেনস্কির উপদেষ্টা এ দাবি করেছেন। খবর বিবিসির।

জেলেনস্কির উপদেষ্টা বলেন, কিয়েভ নিহতের পরিসংখ্যান নিয়ে কথা বলছে। কমান্ডার ইন চিফ জেলেনস্কির দপ্তরের দ্বারা মূল্যায়ন করা হয়েছে। নিহতের সংখ্যা ১০ থেকে ১৩ হাজার।

পোডোলিয়াক বলেন, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে হামলা শুরুর পর এক লাখ রুশ সেনা নিহত হয়েছেন। আরও এক থেকে দেড় লাখ সেনা আহত কিংবা নিখোঁজ হয়েছে বা যুদ্ধে গিয়ে ফিরতে পারেনি। কিয়েভের হতাহতের তথ্যের এমন দাবি নিয়ে মস্কোর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

গত মাসে জ্যেষ্ঠ মার্কিন জেনারেল মার্ক মিলি জানিয়েছিলেন, গত ফেব্রুয়ারি থেকে চলা যুদ্ধে ১ লাখ রুশ এবং ১ লাখ ইউক্রেনীয় সেনা নিহত বা হতাহত হয়েছেন। যদিও এ বিষয়ে সুর্নিদিষ্ট তথ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি তিনি।

এদিকে বুধবার ভার্চুয়ালি ভাষণে ইইউর কমিশনের প্রধান উরসুল ভন ডের লিয়েন বলেন, কমপক্ষে এক লাখ ইউক্রেনের সেনা নিহত হয়েছেন। যদিও পরে ইইউ কমিশনের একজন মুখপাত্র স্পষ্ট করে বলেন উরসুলার দেওয়া তথ্যে ভুল ছিল। তিনি যে তথ্য দিয়েছেন হতাহতের সংখ্যা।

করোনা বিধিনিষেধ বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল চীন
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কোভিড বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে চীন। দেশটিতে গত কয়েকদিনে সংক্রমণ যেমন লাফিয়ে বাড়ছে তেমনি ভাইরাসের বিস্তার রোধে সরকারের আরোপ করা কঠোর বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে আন্দোলনও জোরদার হচ্ছে।

সপ্তাহজুড়ে দেশটির রাজধানী বেইজিং, সাংহাই, উহান, চেংদু ও উরুমকিতে করোনা বিধিনিষেধ বিরোধীরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। চীনা বিশ্লেষকরা বলছেন- প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে এতো বড় বিক্ষোভ হতে দেখা যায়নি।

করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে চীন সরকারের ‘জিরো কোভিড’ নীতির অংশ হিসেবে গত কয়েকমাস ধরে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় কঠোর লকডাউন চলছে। কোথাও কোথাও দুই-তিন মাস ধরে টানা লকডাউন জারি থাকার খবরও পাওয়া যাচ্ছে।

করোনা মহামারি ৩ বছরের কাছাকাছি হলেও এখনও চীনে হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ। সংক্রমণ গত কয়েকদিনে কয়েক দফা বেড়ে গেছে দেশটিতে। তা সত্ত্বেও দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জিনজিয়াং প্রদেশের একটি আবাসিক ভবনে বৃহস্পতিবার আগুন লেগে ১০ জন নিহত হওয়ার জেরে বিধিনিষেধ বিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা জানান, ওই ভবনের বাসিন্দারা আগুন লাগার সময় দ্রুত বের হতে পারেননি কারণ একটা অংশ লকডাউনের আওতায় ছিল। যদিও নগর কর্মকর্তারা বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেন। এ ঘটনার জেরে রবিবার দেশটির বাণিজ্যিক হাব সাংহাইয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন স্থানীয়রা।

এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাংহাইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভের জেরে বেশ কয়েকজনকে আটক করার খবরও পাওয়া গেছে। ১৯৮৯ সালে তিয়ানানমেন স্কোয়ারের বিক্ষোভের পর থেকে এতো বেশি চীনা নাগরিক একটি একক ইস্যুতে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছে গ্রেফতারের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও।

এশিয়া সোসাইটির একজন চীনা বিশেষজ্ঞ বেতস গিল বলেন, ‘শি জিনপিংয়ের ১০ বছরের ক্ষমতায় থাকার সময়কালে, এটি সরকারি নীতির বিরুদ্ধে নাগরিকদের সবচেয়ে বড় ক্ষোভ প্রকাশের ঘটনা।’

চীনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, আবার হু-হু করে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। বাড়ছে আক্রান্ত ও হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা। বিশ্বজুড়ে করোনা ছড়িয়ে পড়ার পর অভিযোগের তীর ছোড়া হয় চীনের দিকেই। এখনও বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক আছে। আর সেই কারণেই এবার চীন সরকার একটু বেশি সতর্কতা অবলম্বন করছে। আড়াই বছর আগে তৈরি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি চাইছে না শি জিনপিংয়ের সরকার।

রবিবারের বিক্ষোভের বিষয়ে বিবিসি জানায়, ওইদিন রাতে সাংহাইয়ে শত শত বিক্ষোভকারী রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়ার চেষ্টা করে। ওই সময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ শুরু হয়।

ইউক্রেন যুদ্ধে শীতকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া: ন্যাটো
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:

ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা জোরদার করেছে রাশিয়া। এর ফলে রাশিয়া আসন্ন শীতে সাধারণ মানুষের জীবনকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ এনেছে সামরিক জোট ন্যাটো। জোটটির অভিযোগ, ইউক্রেন যুদ্ধে শীতকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া।

সোমবার ন্যাটো মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ এ অভিযোগ এনেছে। খবর রয়টার্স ও আলজাজিরার।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়া সম্ভবত ইউক্রেনের পাওয়ার গ্রিড, গ্যাস অবকাঠামো এবং জনগণের জন্য মৌলিক পরিষেবাগুলোতে আক্রমণ চালিয়ে যাবে।

স্টলটেনবার্গ বলেন, ‘আমরা যখন শীত মৌসুমে প্রবেশ করছি, তখন ইউক্রেনের বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ অন্যান্য অবকাঠামোতে রাশিয়ার এ হামলা এটাই প্রমাণ করে যে, প্রেসিডেন্ট পুতিন এখন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অস্ত্র হিসাবে শীতকে ব্যবহার করার চেষ্টা করছেন।’

ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট পুতিন তার সুবিধার জন্য শীত মৌসুম, তুষার এবং বরফকে ব্যবহার করার চেষ্টা করছেন এবং এটি শুধু যুদ্ধক্ষেত্রেই নয়; বরং ইউক্রেনের বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধেও।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট পুতিন এখন শীতকে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছেন এবং এটি ভয়াবহ। আর তাই আমাদের আরও হামলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এ কারণেই ন্যাটোর মিত্ররা ইউক্রেনের প্রতি তাদের সহায়তা বাড়িয়েছে।’

ক্যামেরুনে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া চলাকালে ভূমিধস, নিহত ১৪
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ক্যামেরুনের রাজধানী ইয়াউন্ডে ভূমিধসে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতরা সবাই একটি একটি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিয়েছিলেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।

রবিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ইয়াউন্ডের পূর্বাংশে শ্রমিক অধ্যুষিত এলাকা দামাসে এ ঘটনা ঘটে। আজ সোমবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

ক্যামেরুনের কেন্দ্রীয় এই অঞ্চলের গভর্নর নাসেরি পল বিয়া সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমরা মৃতদেহগুলোকে কেন্দ্রীয় হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাচ্ছি। এছাড়া অন্য আরও ব্যক্তি বা মৃতদেহের সন্ধানে অভিযান এখনও চলছে।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা রয়টার্সকে বলেছেন, ২০ মিটার উঁচু মাটির একটি বাঁধের গোড়ায় অবস্থিত ফুটবল মাঠে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় কয়েক ডজন লোক অংশ নিয়েছিলেন। একপর্যায়ে সেটি তাদের ওপর ধসে পড়ে।

ভূমিধস থেকে বেঁচে যাওয়া ম্যারি ক্লেয়ার ম্যানডুগা (৫০) বলেন, আমরা মাত্র নাচ শুরু করেছিলাম, তখনই ভূমিধসটি ঘটে।

ইয়াউন্ডে আফ্রিকার সবচেয়ে বৃষ্টিবহুল শহরগুলোর অন্যতম। সারিবদ্ধ পাহাড়ের ঢালুতে অনেকগুলো ধাপের ওপর নগরীটি গড়ে উঠেছে। চলতি বছরজুড়ে ভারি বৃষ্টিতে ইতোমধ্যেই ক্যামেরুনে কয়েকবার ভয়াবহ বন্যা হওয়ায় বহু অবকাঠামো নড়বড়ে হয়ে গেছে এবং কয়েক হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতেই রবিবার এই শোচনীয় ঘটনাটি ঘটেছে।

বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা গণহত্যার শামিল বলছে ইউক্রেন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:

রাশিয়া তার যুদ্ধের কৌশল হিসেবে ইউক্রেনের অনেকগুলো বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালিয়ে ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত করে দিয়েছে। রাশিয়ার এরকম হামলাকে গণহত্যার শামিল বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রসিকিউটর জেনারেল এন্ড্রি কস্টিন। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রোববার তিনি এ কথা বলেন।

বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইউক্রেনীয় প্রসিকিউটর জেনারেল আরও বলেছেন, ইউক্রেনের বিদ্যুৎ গ্রিডে হামলার পাশাপাশি ১১ হাজার ইউক্রেনীয় শিশুকে জোর করে রাশিয়া নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ৪৯ হাজার যুদ্ধাপরাধ ও আগ্রাসনের অপরাধের তদন্ত করছে প্রসিকিউশন অফিস।

তিনি বলেন, ইউক্রেনজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা পরিকল্পিত এবং আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করার চেষ্টার অংশ। রাশিয়া ইউক্রেনের এমন অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

জাতিসংঘের গণহত্যাবিষয়ক সংজ্ঞায় (জেনেভা কনভেনশন অনুসারে) বলা হয়েছে-একটি জাতি, কোনো গোষ্ঠী, ধর্মীয় বা বর্ণের গোষ্ঠীকে পুরোপুরি বা আংশিক ধ্বংসের অভিপ্রায়ে হামলাকে গণহত্যা বলা যাবে।

রাশিয়ার সাম্প্রতিক হামলার পর ইউক্রেনের কোটি মানুষ হিমশীতল আবহাওয়ায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন।

দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ১৪টি অঞ্চল ও রাজধানী কিয়েভে এখন সীমিতভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে।


রাশিয়ায় তৈরি হবে ইরানি ড্রোন: ওয়াশিংটন পোস্ট
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট এক প্রতিবেদনে দাবি করছে, ইরান তার কামিকাজে ড্রোন রাশিয়ায় অ্যাসেম্বলিং করার অনুমতি দিয়েছে।

এর ফলে রাশিয়া অত্যন্ত দ্রুতগতিতে তার অস্ত্র ভাণ্ডার বাড়াতে সক্ষম হবে। অথচ খরচ হবে খুবই কম কিন্তু কার্যকর ইরানি ড্রোন হাতে পাবে। খবর ওয়াশিংটন পোস্টের।

রাশিয়া ও ইরান তাদের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও জোরদার করেছে। এর অংশ হিসেবে দুই দেশ একটি চুক্তি করেছে, যার আওতায় ইরানের নকশাকৃত ড্রোন রাশিয়ায় তৈরি হবে, যা ইউক্রেনে ব্যবহার করা হবে।

পশ্চিমা কয়েকজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা আমেরিকার প্রভাবশালী পত্রিকা ওয়াশিংটন পোস্টকে এ কথা বলেছেন। এতে আরও বলা হয়েছে, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এ নিয়ে রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে।

এর আগে তেহরান ও মস্কো বারবার অস্বীকার করেছে যে, ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার সংঘাতের মধ্যে ইরান কোনো অস্ত্র রাশিয়াকে সরবরাহ করেনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট এ খবর দিয়েছে। পত্রিকাটি দাবি করছে, চলতি নভেম্বর মাসের প্রথম দিকে ইরানের সঙ্গে রাশিয়া এ ড্রোন চুক্তি করেছে।

ওয়াশিংটন পোস্ট দাবি করছে রাশিয়া এবং ইরান এই ড্রোন প্রযুক্তি দ্রুত হস্তান্তরের জন্য কাজ করছে, যাতে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে রাশিয়া কামিকাজে ড্রোন উৎপাদন শুরু করতে পারে।

পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, রাশিয়া আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ইরানের কাছ থেকে ৪০০ অ্যাটাক ড্রোন পেয়েছে। এসব ড্রোন ইউক্রেনের বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র এবং অন্য অবকাঠামো ধ্বংস করার জন্য রাশিয়া ব্যবহার করেছে বলে পত্রিকার খবরে বলা হয়।

সম্প্রতি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আবদুল্লাহিয়ান জানিয়েছিলেন, ইউক্রেন সংঘাত শুরুর আগে তেহরান অল্প কিছু ড্রোন রাশিয়াকে দিয়েছিল। কিন্তু যুদ্ধ শুরুর পর কোনো ড্রোন রাশিয়ার কাছে বিক্রি করা হয়নি।

ওয়াশিংটন পোস্ট দাবি করছে, ইরানের কাছ থেকে এই ড্রোন প্রযুক্তি পাওয়ার পর রাশিয়ার প্রিসিশন গাইডেড অস্ত্রের শক্তি বেড়ে যাবে। অন্যদিকে ইরানের নেতারা মনে করছেন— পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়ানো সম্ভব হবে। কারণ এসব ড্রোন ইরানের ভূখণ্ডে তৈরি হচ্ছে না।

‘ভূমি বাবা’র শোভাযাত্রায় ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ১২
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:

ভারতের বিহাওে ‘ভূমি বাবা’ নামে পরিচিত স্থানীয় এক দেবতার কাছে প্রার্থনার জন্য আয়োজিত ধর্মীয় শোভাযাত্রায় ট্রাকের ধাক্কায় নারী ও শিশুসহ ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। রোববার (২০ নভেম্বর) রাতে বিহারের বৈশালী জেলার মেহনার গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর-এনডিটিভি

‘ভূমি বাবা’ নামে পরিচিত স্থানীয় এক দেবতার কাছে প্রার্থনার জন্য আয়োজিত ধর্মীয় শোভাযাত্রাটি রাস্তার পাশে একটি ‘পিপল’ গাছের সামনে জড়ো হয়। এ সময় দ্রুতগামী একটি ট্রাক শোভাযাত্রাটিতে ধাক্কা দেয়। এতে এখন পর্যন্ত ১২ জনের মারা যাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি নিহতদের পরিবারের জন্য ২ লাখ রুপি ও আহতদের ৫০ হাজার রুপি ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন।

এদিকে, শোক প্রকাশ করেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও। মুখ্যমন্ত্রী নিহতদের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া, আহতদের যথাযথ চিকিৎসার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

থাইল্যান্ডে পরমাণু চুল্লি নির্মাণ করবে যুক্তরাষ্ট্র
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:
সহযোগিতার অংশ হিসেবে থাইল্যান্ডে ছোট আকারের পরমাণু চুল্লি নির্মাণ করে দেবে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস ব্যাংকক সফরকালে শনিবার এ ঘোষণা দিয়েছেন। খবর ব্যাংকক টাইমসের।

থাইল্যান্ডের কোনো পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নেই। তবে ১৯৬২ সাল থেকে দেশটিতে একটি ছোট পারমানবিক গবেষণাকেন্দ্র রয়েছে।

এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতাবিষয়ক জোটের (এপেক) সম্মেলনের অবকাশে কমলা হ্যারিস এ কথা বলেছেন।

তিনি আরও বলেন, যেসব দেশ নিজেকে ‘কার্বন নিউট্রাল’ করতে চায়, তাদের সহযোগিতার অংশ হিসেবে ছোট আকারের পরমাণু চুল্লি নির্মাণ করা হবে।

জলবায়ু ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে থাইল্যান্ড, ২০২৫ থাইল্যান্ডকে ‘কার্বন নিউট্রাল’ দেশে পরিণত করতে ওয়াশিংটন সহযোগিতা করবে বলে তিনি জানান।

পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তনে যে গ্যাসের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি, তা হচ্ছে কার্বন-ডাই অক্সাইড। এই গ্যাস নিঃসরণে শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর একটি হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

নির্বাচনে হেরে গেছেন মাহাথির মোহাম্মদ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:

১৯৬৯ সাল থেকে সাধারণ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে লাগাতার জয়ী হয়ে আসা বর্ষীয়ান নেতা ও মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ এবারই প্রথম নিজের আসনে পরাজিত হয়েছেন। শুধু পরাজিত হননি, ৫ প্রতিদ্বন্দ্বির মধ্যে তিনি ৪ নম্বর হয়েছেন।

গত মাসে মাহাথির মোহাম্মদ রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, নির্বাচনে হেরে গেলে তিনি রাজনীতি থেকে সরে যাবেন।

গতকাল শনিবার মালয়েশিয়ার সাধারণ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হয়। এই নির্বাচনে নিজের আসন থেকে হেরে গেছেন। ৯৭ বছর বয়সী মাহাথির মোহাম্মদের এই পরাজয়কে তার সাত দশকের রাজনৈতিক জীবনের ইতি হিসেবে বিবেচনা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

দুই দফায় দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মাহাথির মোহাম্মদ। তবে শনিবারের নির্বাচনে নিজের লংকাউয়ি আসনে চতুর্থ হয়েছেন তিনি। ওই আসনে জিতেছেন মোহাম্মদ সুহাইমি আবদুল্লাহ।

সূত্র: আলজাজিরা।

খেরসনে ইউক্রেনের হামলায় ৬০ রুশ সেনা নিহত
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:

খেরসনের ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে ইউক্রেনীয় বাহিনীর দূরপাল্লার আর্টিলারি হামলায় রাশিয়ার অন্তত ৬০ জন সেনা নিহত হয়েছেন। চলতি সপ্তাহে এ হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে ইউক্রেন।

শনিবার আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, এ নিয়ে চার দিনের মাথায় দ্বিতীয়বারের মতো এক হামলায় বহুসংখ্যক রুশ সেনা হতাহতের দাবি করল ইউক্রেন।

ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক বার্তায় বলেন, তাদের বাহিনী খেরসনের ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে হামলা করে। এতে রুশ পক্ষে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ইউক্রেনীয় বাহিনী এ তথ্য জানালেও এ সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো কিছু জানায়নি। অন্যদিকে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে দূরপাল্লার রকেট দিয়েছে। এ রকেট ৮০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

রাশিয়ার মাটিতে আঘাত হানতে পারে- এমন অস্ত্র ইউক্রেনকে সরবরাহ করা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে রাশিয়া। দেশটির রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ পশ্চিমাদের উদ্দেশে বলেছিলেন, যুদ্ধের উত্তেজনা বাড়াতে এটি হবে মারাত্মক একটি পদক্ষেপ।

এর আগে ইউক্রেন জানিয়েছিল, মঙ্গলবার পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ লুহানস্কের ডেনেজনিকোভ গ্রামে হামলায় প্রায় ৫০ জন রুশ সেনা হতাহত হয়েছে।

মেয়েকে প্রকাশ্যে আনলেন উন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:

প্রথমবারের মতো নিজের ছোট মেয়ে কিম চু-কে প্রকাশ্যে নিয়ে আসলেন উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উন। ১২-১৩ বছর মেয়েকে প্রকাশ্যে এনে কিম একটি বার্তা দিয়েছেন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। উত্তর কোরিয়া শুক্রবার আন্ত:মহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন উন। খবর বিবিসির।

শুক্রবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম কেসিএনএ প্রথমবারের মতো বাবার হাত ধরে থাকা উনের মেয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছে। বিশ্ব নেতাদের মধ্যে কিম জং উন খুবই নির্ভত জীবন-যাপন করেন। তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে কেউই তেমন কিছু জানেন না।

দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রটি শুক্রবার হোক্কাইডোর ২১০ কিলোমিটার পশ্চিমে জাপান সাগরে গিয়ে পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র এঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে, আর দক্ষিণ কোরিয়া শক্ত পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে সতর্ক করেছিলেন। পিয়ংইয়ং আমেরিকাকে ‘ভয়াবহ’ সামরিক জবাব দেয়ার হুমকি দেয়ার পরদিনই এই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হলো।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির স্টিমসন সেন্টারের উত্তর কোরিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞ মাইকেল ম্যাডান বলেছেন, কিমের মেয়েকে প্রকাশ্যে আনাটা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা।

উত্তর কোরিয়া বিষয়ক এ বিশেষজ্ঞ আরও জানিয়েছেন, কিম তার মেয়েকে প্রকাশ্যে এনেছেন এটি দেখাতে যে, তার পরিবারের চতুর্থ প্রজন্মই দেশটির পরবর্তী শাসক হবেন।

ইরানের শীর্ষ নেতা খোমেনির বাড়িতে বিক্ষোভকারীদের আগুন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা প্রয়াত আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির পৈতৃক বাড়িতে আগুন জ্বলতে থাকার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

অধিকারকর্মীরা বলছে, বিক্ষোভকারীরা খোমেনির বাড়িতে আগুন দিয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে পুলিশ হেফাজতে মাসাহ আমিনি (২২) নামে এক কুর্দি তরুণীর মৃত্যু ঘিরে ইরানে বিক্ষোভ চলছে। খবর রয়টার্স, বিবিসি ও তাসনিমের।

তবে ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম বার্তা সংস্থা খোমেনির বাড়িতে অগ্নিসংযোগের কথা অস্বীকার করেছে। তারা বলছে, বাড়ির বাইরে অল্প কিছু মানুষ সমবেত হয়েছিল।

কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোতে বাড়িটিতে আগুন জ্বলে উঠতে দেখা যাওয়ার পাশাপাশি বাড়ির সামনে বেশ কিছু সংখ্যক মানুষকে উল্লাস করতে দেখা গেছে।

ভিডিওগুলো কবে ধারণ করা সেটি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করতে পারেনি গণমাধ্যম। ঘটনাটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানী তেহরানের দক্ষিণে খোমেনির জন্মশহর খোমেইনে ঘটেছে।

১৯৭৯ সালে ইরানে যে ইসলামিক বিপ্লব হয়েছিল, তার পুরোধা ছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি, ইমাম খোমেনি নামে যিনি বেশি পরিচিত।

ইসলামিক বিপ্লবের পর থেকে ৪০ বছর ইরান শাসন করেন শিয়া ধর্মীয় গুরুরা। সেসময় খোমেনিই ছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। ১৯৮৯ সালে খোমেনি মারা যান।

খোমেনির জন্মস্থান মারকাজি প্রদেশের ওই খোমেইন শহরের নামেই তার নাম রাখা হয়েছিল খোমেনি। বাড়িটিকে পরে খোমেনি স্মৃতি জাদুঘরে পরিণত করা হয়। আগুনে বাড়িটির ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

তাসনিম বার্তা সংস্থা বলেছে, অগ্নিসংযোগের খবরটি মিথ্যা। খোমেনির বাড়ির দরজা জনগণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

পোশাকবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে গত সেপ্টেম্বর গ্রেফতারের পর ২২ বছর বয়সি কুর্দি তরুণী মাসাহ আমিনি পুলিশ হেফাজতে মারা যান।

এর পর থেকেই ইরান বিক্ষোভ উত্তাল হয়ে আছে। হিজাববিরোধী এই বিক্ষোভ পরে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নিয়েছে।

৬ হাজার বন্দিকে মুক্তি দিলো মিয়ানমার
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সাধারণ ক্ষমার অংশ হিসেবে ৬ হাজার বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে মিয়ানমার সামরিক সরকার। বৃহস্পতিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন- সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত ভিকি বোম্যান, জাপানি চলচ্চিত্র নির্মাতা তরু কুবতা ও অং সান সুচির সাবেক অর্থ উপদেষ্টা অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক শন টারনেল।

মিয়ানমার আর্মির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী বছরের ৪ জানুয়ারি দেশটির স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

বোম্যান ২০০২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত মিয়ানমারে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের দূত হিসেবে কাজ করেন। গ্রেফতারের সময় তিনি ইয়াঙ্গুনভিত্তিক মিয়ানমার সেন্টার ফর রেসপন্সিবল বিজনেসের (এমসিআরবি) পরিচালনায় ছিলেন।

চলতি বছরের ২৪ আগস্ট শান রাজ্য থেকে ইয়াঙ্গুনে যাওয়ার সময় বোম্যান ও তার স্বামী হিটেন লিনকে গ্রেফতার করা হয়। সেসময় বোম্যানের বিরুদ্ধে ভিসা আইন লঙ্ঘন ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে তাকে মিয়ানমারে থাকতে সহায়তা করার অভিযোগ আনা হয়। তাদের উভয়কেই এক বছর করে কারাদণ্ড দেন দেশটির সামরিক আদালত।

এদিকে, অভ্যুত্থানের পরপরই ইয়াঙ্গুন থেকে গ্রেফতার করা হয় শন টারনেলকে। অভ্যুত্থান শুরু হওয়ার কয়েকদিন পরে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের অধীনে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাকে। পরে বিভিন্ন অভিযোগে টার্নেলকে ২০ বছরেরও বেশি সময়ের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, চলতি বছরের ২৬ জুলাই ইয়াঙ্গুনে জান্তা সরকারবিরোধী সমাবেশ চলাকালে গ্রেফতার হন জাপানি তথ্যচিত্র নির্মাতা তরু কুবতা। রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে ও যান্ত্রিক যোগাযোগ আইন লঙ্ঘনের দায়ে তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

জানা যায়, গ্রেফতার হওয়ার মাসেই প্রথমবারের মতো মিয়ানমার আসেন কুবতা। পরে স্থানীয় এক নাগরিককে সঙ্গে নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র বানানো শুরু করেন।

২০১৪ সালে কুবতা জাপানে একজন রোহিঙ্গা শরণার্থীর সঙ্গে দেখা করেন। পরবর্তীকালে তিনি মিয়ানমারের উদ্বাস্তু ও জাতিগত সমস্যা নিয়ে বেশ কয়েকটি ডকুমেন্টারি তৈরি করেছিলেন।

মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় মিডিয়া জানিয়েছে, জাতীয় দিবস উপলক্ষে সব মিলিয়ে ৫ হাজার ৭৭৪ জন পুরুষ এবং ৬৭৬ জন নারীকে মানবিক কারণে সাধারণ ক্ষমার আওতায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে রয়টার্স জানতে চাইলে সামরিক সরকারের মুখপাত্রের উত্তর পাওয়া যায়নি।

জাতিসংঘে সর্বসম্মতিক্রমে রোহিঙ্গা রেজুলেশন গৃহীত
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের তৃতীয় কমিটিতে ‘মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ শীর্ষক রেজুলেশন সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। এবারের রেজুলেশনটি ওআইসি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন যৌথভাবে উত্থাপন করেছে। রেজুলেশনটিতে ১০৯টি দেশ সহ-পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করেছে, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন এ তথ্য জানিয়েছে।

রেজুলেশনটিতে প্রাথমিকভাবে দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে- মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর, যা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আরও অবনতির শিকার হয়েছে। এতে রোহিঙ্গা সমস্যার মূল কারণ খুঁজে বের করা, রাখাইন রাজ্যে স্বপ্রণোদিত, নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং মিয়ানমারে নিযুক্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতসহ জাতিসংঘের সব মানবাধিকার ব্যবস্থাপনাকে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

মিয়ানমারের রাজনৈতিক ও মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়নে রেজুলেশনটিতে আঞ্চলিক দেশ ও আঞ্চলিক সংস্থাগুলো যেমন আসিয়ানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে সর্বসম্মতিক্রমে আসিয়ানের পাঁচ দফা সুপারিশের দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরত্বারোপ করা হয়েছে। এছাড়া, চলমান বিচার ও দায়বদ্ধতা নিরূপণ প্রক্রিয়ার ওপর রেজুলেশনটিতে সজাগ দৃষ্টি বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে।

পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলার অগ্রগতি এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রসিকিউশনের তদন্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে।

রেজুলেশনটিতে বাংলাদেশের প্রতি সংহতি প্রকাশ ও বাংলাদেশের নেওয়া মানবিক প্রচেষ্টার স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। রোহিঙ্গাদের ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ন্যায় বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে আইসিসি, আইআইএমএম ও অন্যান্য দায়বদ্ধতা নিরূপণকারীদের সঙ্গে বাংলাদেশ যেভাবে সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে তা প্রশংসিত হয়েছে।

‘রেসপনসিবিলিটি অ্যান্ড বার্ডেন শেয়ারিং’ নীতির আওতায় জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলো যেন বাংলাদেশে মানবিক আশ্রয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের সহায়তা অব্যাহত রাখে সে আহ্বানও জানানো হয়েছে এবারের রেজুলেশনে।

রেজুলেশনটি গৃহীত হওয়ার সময় বাংলাদেশের চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স মনোয়ার হোসেন বলেন, প্রত্যাবর্তনের আগ পর্যন্ত ক্যাম্পে আশ্রিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সংহতি পাওয়ার দাবি রাখে। এ মানবিক সাড়াদান প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত অর্থায়ন।

গুরুত্বপূর্ণ এ মানবাধিকার ইস্যুতে নেতৃত্ব দেওয়ায় ওআইসি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের দীর্ঘমেয়াদী উপস্থিতির অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে মনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা মানবিক বিবেচনায় মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছিলাম। ব্যস্তচ্যুত এ জনগোষ্ঠীর সবসময়ই মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে। সে লক্ষ্যে আমরা দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক উভয় ফ্রন্টে বহুমুখী কূটনৈতিক প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছি। যাতে মিয়ানমারে নিরাপদ ও স্বেচ্ছা প্রত্যাবর্তন উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়।

জাতিসংঘের এ রেজুলেশনটি রোহিঙ্গা মুসলিমদের প্রতি বিভিন্ন অঞ্চল ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সংহতি প্রকাশের একটি অনন্য উদাহরণ। তবে এটি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় যে মিয়ানমারের পরিস্থিতি ক্রমাগত অবনতির দিকে যাচ্ছে। যার ফলে বিলম্বিত হচ্ছে রোহিঙ্গাদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন।


   Page 1 of 309
     আন্তর্জাতিক
হত্যার দায়ে ৫ বিক্ষোভকারীকে মৃত্যুদণ্ড দিল ইরান
.............................................................................................
মারিউপোলে সেনাঘাঁটি বানাচ্ছে রাশিয়া
.............................................................................................
ইউক্রেনে এক লাখ রুশ সেনা নিহত, নিখোঁজ-আহত দেড় লাখ
.............................................................................................
করোনা বিধিনিষেধ বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল চীন
.............................................................................................
ইউক্রেন যুদ্ধে শীতকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া: ন্যাটো
.............................................................................................
ক্যামেরুনে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া চলাকালে ভূমিধস, নিহত ১৪
.............................................................................................
বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা গণহত্যার শামিল বলছে ইউক্রেন
.............................................................................................
রাশিয়ায় তৈরি হবে ইরানি ড্রোন: ওয়াশিংটন পোস্ট
.............................................................................................
‘ভূমি বাবা’র শোভাযাত্রায় ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ১২
.............................................................................................
থাইল্যান্ডে পরমাণু চুল্লি নির্মাণ করবে যুক্তরাষ্ট্র
.............................................................................................
নির্বাচনে হেরে গেছেন মাহাথির মোহাম্মদ
.............................................................................................
খেরসনে ইউক্রেনের হামলায় ৬০ রুশ সেনা নিহত
.............................................................................................
মেয়েকে প্রকাশ্যে আনলেন উন
.............................................................................................
ইরানের শীর্ষ নেতা খোমেনির বাড়িতে বিক্ষোভকারীদের আগুন
.............................................................................................
৬ হাজার বন্দিকে মুক্তি দিলো মিয়ানমার
.............................................................................................
জাতিসংঘে সর্বসম্মতিক্রমে রোহিঙ্গা রেজুলেশন গৃহীত
.............................................................................................
পাকিস্তানে পুলিশের টহল দলের ওপর গুলি, নিহত ৬
.............................................................................................
পোল্যান্ডে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ২
.............................................................................................
প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা ট্রাম্পের
.............................................................................................
বিশ্বের জনসংখ্যা এখন ৮০০ কোটি
.............................................................................................
ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যা
.............................................................................................
বালিতে শুরু হলো জি-২০ সম্মেলন
.............................................................................................
অস্ট্রেলিয়ায় জালালাবাদ ইউনাইটেড এসোসিয়েশনের সাধারণ সভা
.............................................................................................
আবারো ভারতে ভূমিকম্প
.............................................................................................
তুরস্কে ভয়াবহ বোমা হামলার ঘটনায় ইরানের নিন্দা
.............................................................................................
সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখল ডেমোক্র্যাটরা
.............................................................................................
মাঝ আকাশে দুই বিমানের সংঘর্ষ
.............................................................................................
৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নেপাল, কাঁপল দিল্লি
.............................................................................................
মিসরে নদীতে যাত্রীবাহী বাস, নিহত ২১ জন
.............................................................................................
সিলেটের শিক্ষার্থী নেয়া বন্ধ করে দিল যুক্তরাজ্যের কিছু ইউনিভার্সিটি
.............................................................................................
মালদ্বীপে আগুনে নিহত হলেন টাঙ্গাইলের আসিয়া ও জয়পুরহাটের উজ্জ্বল
.............................................................................................
রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ৬
.............................................................................................
শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল টোঙ্গা, সুনামির সতর্কতা
.............................................................................................
মেক্সিকোতে বারে বন্দুক হামলায় নিহত ৯
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিজয়ী ৪ বাংলাদেশি
.............................................................................................
রসদ ও জনবলের অভাব: খেরসন থেকে সেনা ফেরত নিচ্ছে রাশিয়া
.............................................................................................
সহকর্মীদের ‘বুলিং’ করার অভিযোগে ব্রিটিশ মন্ত্রীর পদত্যাগ
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে এগিয়ে ট্রাম্পের দল
.............................................................................................
শক্তিশালী ভূমিকম্পে নেপালে নিহত ৬
.............................................................................................
দ. কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে উত্তর কোরিয়ার হুঁশিয়ারি
.............................................................................................
মোল্লা ওমরের কবরের ঠিকানা প্রকাশ করল তালেবান
.............................................................................................
দোনেৎস্কে ইউক্রেনীয় সেনাদের পরাজিত করার দাবি রাশিয়ার, ১২০ ইউক্রেনীয় সেনা নিহত
.............................................................................................
কৌশল পাল্টে খেরসনে তুমুল যুদ্ধের দিকে যাচ্ছে রাশিয়া
.............................................................................................
রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের হুঙ্কার ইমরান খানের
.............................................................................................
উত্তেজনার মধ্যে ফের ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া
.............................................................................................
ভয়ানক হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে রাশিয়া
.............................................................................................
দুই কোরিয়ায় উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ
.............................................................................................
বিশ্বে একদিনে আক্রান্ত আড়াই লাখ, মৃত্যু ৭ শতাধিক
.............................................................................................
ইউক্রেনে পানির জন্য হাহাকার
.............................................................................................
গুজরাটে ঝুলন্ত ব্রিজ ভেঙে পড়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৯
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT